সহিহ মুসলিম > তায়াম্মুম-এর বিবরণ [১০০]

সহিহ মুসলিম ৭০২

حدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن عبد الرحمن بن القاسم، عن أبيه، عن عائشة، أنها قالت خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في بعض أسفاره حتى إذا كنا بالبيداء - أو بذات الجيش - انقطع عقد لي فأقام رسول الله صلى الله عليه وسلم على التماسه وأقام الناس معه وليسوا على ماء وليس معهم ماء فأتى الناس إلى أبي بكر فقالوا ألا ترى إلى ما صنعت عائشة أقامت برسول الله صلى الله عليه وسلم وبالناس معه وليسوا على ماء وليس معهم ماء ‏.‏ فجاء أبو بكر ورسول الله صلى الله عليه وسلم واضع رأسه على فخذي قد نام فقال حبست رسول الله صلى الله عليه وسلم والناس وليسوا على ماء وليس معهم ماء ‏.‏ قالت فعاتبني أبو بكر وقال ما شاء الله أن يقول وجعل يطعن بيده في خاصرتي فلا يمنعني من التحرك إلا مكان رسول الله صلى الله عليه وسلم على فخذي فنام رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى أصبح على غير ماء فأنزل الله آية التيمم فتيمموا ‏.‏ فقال أسيد بن الحضير - وهو أحد النقباء - ما هي بأول بركتكم يا آل أبي بكر ‏.‏ فقالت عائشة فبعثنا البعير الذي كنت عليه فوجدنا العقد تحته ‏.

‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কোন এক সফরে আমরা তাঁর সাথে বের হলাম। আমরা যখন বাইদা অথবা যাতুল জায়শ নামক স্থানে পৌঁছলাম তখন আমার হার খুলে পড়ে গেল। রসূলুল্লাহ্‌(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তা খোঁজ করতে সেখানে থামলেন। আর লোকজনও তাঁর সাথে সাথে থামালেন। তাদের কাছাকাছি কোথাও পানি ছিল না এবং তাদের নিজেদের কাছেও পানি ছিল না। অতঃপর লোকজন আবূ বক্‌র(রাঃ)-এর কাছে এসে বলতে লাগল, আপনি দেখছেন না আয়িশাহ্‌ (রাঃ) কি করলো? রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে আটকে দিয়েছে এবং সে সাথে সমস্ত লোককে আটকে রেখেছে। অথচ তাদের কাছাকাছি কোথাও পানি নেই আর না তাদের নিজেদের কাছে পানি আছে। অতঃপর আবূ বক্‌র(রাঃ) আমার কাছে এলেন। তখন রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার উরুর উপর মাথা রেখে ঘুমিয়েছিলেন। তিনি এসে বললেন, তুমি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং সমস্ত লোকজনকে আটকে রেখেছ। অথচ না তারা পানির কাছাকাছি রয়েছে, আর না তদের নিজেদের কাছে পানি আছে। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, অতঃপর আবূ বকর (রাঃ) আমাকে ভৎসনা করলেন এবং যতদূর বলার বললেন। তিনি তাঁর হাত দিয়ে আমার পাঁজরে আঘাত করলেন। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার উরুর উপর থাকার কারণে আমি নড়তেও পারলাম না। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঘুমিয়েই রইলেন। এমনি করে পানি বিহীনভাবে সকাল হয়। অতঃপর আল্লাহ তা’আলা তায়াম্মুমের আয়াত নাযিল করলেন। অতঃপর তারা তায়াম্মুম করলেন। তখন উসায়দ ইবনু হুযায়র যিনি ছিলেন নকীব (দলপতি)-দের অন্যতম বললেন, হে আবূ বাক্‌র পরিবার। এটাই আপনার প্রথম বারাকাত নয়।” ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, অতঃপর আমি যে উটের ওপর ছিলাম সেটিকে চলার জন্যে উঠালাম। তখন উক্ত হারটি তার নীচে পাওয়া গেল। (ই.ফা. ৭০১, ই.সে. ৭১৬)

‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কোন এক সফরে আমরা তাঁর সাথে বের হলাম। আমরা যখন বাইদা অথবা যাতুল জায়শ নামক স্থানে পৌঁছলাম তখন আমার হার খুলে পড়ে গেল। রসূলুল্লাহ্‌(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তা খোঁজ করতে সেখানে থামলেন। আর লোকজনও তাঁর সাথে সাথে থামালেন। তাদের কাছাকাছি কোথাও পানি ছিল না এবং তাদের নিজেদের কাছেও পানি ছিল না। অতঃপর লোকজন আবূ বক্‌র(রাঃ)-এর কাছে এসে বলতে লাগল, আপনি দেখছেন না আয়িশাহ্‌ (রাঃ) কি করলো? রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে আটকে দিয়েছে এবং সে সাথে সমস্ত লোককে আটকে রেখেছে। অথচ তাদের কাছাকাছি কোথাও পানি নেই আর না তাদের নিজেদের কাছে পানি আছে। অতঃপর আবূ বক্‌র(রাঃ) আমার কাছে এলেন। তখন রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার উরুর উপর মাথা রেখে ঘুমিয়েছিলেন। তিনি এসে বললেন, তুমি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং সমস্ত লোকজনকে আটকে রেখেছ। অথচ না তারা পানির কাছাকাছি রয়েছে, আর না তদের নিজেদের কাছে পানি আছে। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, অতঃপর আবূ বকর (রাঃ) আমাকে ভৎসনা করলেন এবং যতদূর বলার বললেন। তিনি তাঁর হাত দিয়ে আমার পাঁজরে আঘাত করলেন। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার উরুর উপর থাকার কারণে আমি নড়তেও পারলাম না। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঘুমিয়েই রইলেন। এমনি করে পানি বিহীনভাবে সকাল হয়। অতঃপর আল্লাহ তা’আলা তায়াম্মুমের আয়াত নাযিল করলেন। অতঃপর তারা তায়াম্মুম করলেন। তখন উসায়দ ইবনু হুযায়র যিনি ছিলেন নকীব (দলপতি)-দের অন্যতম বললেন, হে আবূ বাক্‌র পরিবার। এটাই আপনার প্রথম বারাকাত নয়।” ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, অতঃপর আমি যে উটের ওপর ছিলাম সেটিকে চলার জন্যে উঠালাম। তখন উক্ত হারটি তার নীচে পাওয়া গেল। (ই.ফা. ৭০১, ই.সে. ৭১৬)

حدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن عبد الرحمن بن القاسم، عن أبيه، عن عائشة، أنها قالت خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في بعض أسفاره حتى إذا كنا بالبيداء - أو بذات الجيش - انقطع عقد لي فأقام رسول الله صلى الله عليه وسلم على التماسه وأقام الناس معه وليسوا على ماء وليس معهم ماء فأتى الناس إلى أبي بكر فقالوا ألا ترى إلى ما صنعت عائشة أقامت برسول الله صلى الله عليه وسلم وبالناس معه وليسوا على ماء وليس معهم ماء ‏.‏ فجاء أبو بكر ورسول الله صلى الله عليه وسلم واضع رأسه على فخذي قد نام فقال حبست رسول الله صلى الله عليه وسلم والناس وليسوا على ماء وليس معهم ماء ‏.‏ قالت فعاتبني أبو بكر وقال ما شاء الله أن يقول وجعل يطعن بيده في خاصرتي فلا يمنعني من التحرك إلا مكان رسول الله صلى الله عليه وسلم على فخذي فنام رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى أصبح على غير ماء فأنزل الله آية التيمم فتيمموا ‏.‏ فقال أسيد بن الحضير - وهو أحد النقباء - ما هي بأول بركتكم يا آل أبي بكر ‏.‏ فقالت عائشة فبعثنا البعير الذي كنت عليه فوجدنا العقد تحته ‏.


সহিহ মুসলিম ৭০৩

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو أسامة، ح وحدثنا أبو كريب، حدثنا أبو أسامة، وابن، بشر عن هشام، عن أبيه، عن عائشة، أنها استعارت من أسماء قلادة فهلكت فأرسل رسول الله صلى الله عليه وسلم ناسا من أصحابه في طلبها فأدركتهم الصلاة فصلوا بغير وضوء فلما أتوا النبي صلى الله عليه وسلم شكوا ذلك إليه فنزلت آية التيمم ‏.‏ فقال أسيد بن حضير جزاك الله خيرا فوالله ما نزل بك أمر قط إلا جعل الله لك منه مخرجا وجعل للمسلمين فيه بركة ‏.

‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি আসমা (রাঃ) থেকে একটি হার ধার নিয়েছিলেন। অতঃপর তা হারিয়ে গেল। তখন রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সাহাবাদের মধ্যে কিছু লোককে খুঁজতে পাঠালেন। (পথে) তাদের সলাতের সময় হয়ে গেল। তখন তারা ওযূ ছাড়াই সলাত আদায় করলেন। এরপর তারা রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে এ ঘটনা জানালেন। তখন তায়াম্মুমের আয়াত নাযিল হল। এ সময় উসায়দ ইবনু হুযায়র বললেন, আল্লাহ তা’আলা আপনাকে (আয়িশাহ্‌) উত্তম বদলা দান করুন। আল্লাহর কসম! আপনার ওপর যখনই কোন সমস্যা এসেছে তখন আল্লাহ তা’আলা আপনার জন্যে এর সমাধানের পথ করে দিয়েছেন এবং মুসলিমদের জন্য তাতে বারাকাত রেখেছেন। [১০১] (ই.ফা. ৭০২, ই.সে. ৭১৭)

‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি আসমা (রাঃ) থেকে একটি হার ধার নিয়েছিলেন। অতঃপর তা হারিয়ে গেল। তখন রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সাহাবাদের মধ্যে কিছু লোককে খুঁজতে পাঠালেন। (পথে) তাদের সলাতের সময় হয়ে গেল। তখন তারা ওযূ ছাড়াই সলাত আদায় করলেন। এরপর তারা রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে এ ঘটনা জানালেন। তখন তায়াম্মুমের আয়াত নাযিল হল। এ সময় উসায়দ ইবনু হুযায়র বললেন, আল্লাহ তা’আলা আপনাকে (আয়িশাহ্‌) উত্তম বদলা দান করুন। আল্লাহর কসম! আপনার ওপর যখনই কোন সমস্যা এসেছে তখন আল্লাহ তা’আলা আপনার জন্যে এর সমাধানের পথ করে দিয়েছেন এবং মুসলিমদের জন্য তাতে বারাকাত রেখেছেন। [১০১] (ই.ফা. ৭০২, ই.সে. ৭১৭)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو أسامة، ح وحدثنا أبو كريب، حدثنا أبو أسامة، وابن، بشر عن هشام، عن أبيه، عن عائشة، أنها استعارت من أسماء قلادة فهلكت فأرسل رسول الله صلى الله عليه وسلم ناسا من أصحابه في طلبها فأدركتهم الصلاة فصلوا بغير وضوء فلما أتوا النبي صلى الله عليه وسلم شكوا ذلك إليه فنزلت آية التيمم ‏.‏ فقال أسيد بن حضير جزاك الله خيرا فوالله ما نزل بك أمر قط إلا جعل الله لك منه مخرجا وجعل للمسلمين فيه بركة ‏.


সহিহ মুসলিম ৭০৭

وحدثني إسحاق بن منصور، حدثنا النضر بن شميل، أخبرنا شعبة، عن الحكم، قال سمعت ذرا، عن ابن عبد الرحمن بن أبزى، قال قال الحكم وقد سمعته من ابن عبد الرحمن بن أبزى، عن أبيه، أن رجلا، أتى عمر فقال إني أجنبت فلم أجد ماء ‏.‏ وساق الحديث وزاد فيه قال عمار يا أمير المؤمنين إن شئت لما جعل الله على من حقك لا أحدث به أحدا ولم يذكر حدثني سلمة عن ذر ‏.

‘আবদুর রহমান ইবনু আবযা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক লোক ‘উমার (রাঃ)-এর কাছে এসে বলল, আমি অপবিত্র হয়েছি এবং পানি পাইনি (তখন ক করব?)-(এরপর রাবী পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তাতে অতিরিক্ত আছে যে, ‘আম্মার (রাঃ) বললেন, হে আমীরুল মুমিনীন আল্লাহ তা’আলার আমার ওপর আপনার যে হক রেখেছেন (অর্থাৎ আপনাকে খলীফা বানিয়েছেন) তার প্রতি লক্ষ্য রেখে বলছিঃ আপনি চাইলে আমি আর কারও কাছে এটা বর্ণনা করব না এবং সালামাহ্‌ আমার কাছে যার্‌ থেকে হাদীস বর্ণনা করেছেন কথাটি উল্লেখ করেনি। (ই.ফা. ৭০৬, ই.সে. ৭২১)

‘আবদুর রহমান ইবনু আবযা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক লোক ‘উমার (রাঃ)-এর কাছে এসে বলল, আমি অপবিত্র হয়েছি এবং পানি পাইনি (তখন ক করব?)-(এরপর রাবী পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তাতে অতিরিক্ত আছে যে, ‘আম্মার (রাঃ) বললেন, হে আমীরুল মুমিনীন আল্লাহ তা’আলার আমার ওপর আপনার যে হক রেখেছেন (অর্থাৎ আপনাকে খলীফা বানিয়েছেন) তার প্রতি লক্ষ্য রেখে বলছিঃ আপনি চাইলে আমি আর কারও কাছে এটা বর্ণনা করব না এবং সালামাহ্‌ আমার কাছে যার্‌ থেকে হাদীস বর্ণনা করেছেন কথাটি উল্লেখ করেনি। (ই.ফা. ৭০৬, ই.সে. ৭২১)

وحدثني إسحاق بن منصور، حدثنا النضر بن شميل، أخبرنا شعبة، عن الحكم، قال سمعت ذرا، عن ابن عبد الرحمن بن أبزى، قال قال الحكم وقد سمعته من ابن عبد الرحمن بن أبزى، عن أبيه، أن رجلا، أتى عمر فقال إني أجنبت فلم أجد ماء ‏.‏ وساق الحديث وزاد فيه قال عمار يا أمير المؤمنين إن شئت لما جعل الله على من حقك لا أحدث به أحدا ولم يذكر حدثني سلمة عن ذر ‏.


সহিহ মুসলিম ৭০৪

حدثنا يحيى بن يحيى، وأبو بكر بن أبي شيبة وابن نمير جميعا عن أبي معاوية، قال أبو بكر حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن شقيق، قال كنت جالسا مع عبد الله وأبي موسى فقال أبو موسى يا أبا عبد الرحمن أرأيت لو أن رجلا أجنب فلم يجد الماء شهرا كيف يصنع بالصلاة فقال عبد الله لا يتيمم وإن لم يجد الماء شهرا ‏.‏ فقال أبو موسى فكيف بهذه الآية في سورة المائدة ‏{‏ فلم تجدوا ماء فتيمموا صعيدا طيبا‏}‏ فقال عبد الله لو رخص لهم في هذه الآية - لأوشك إذا برد عليهم الماء أن يتيمموا بالصعيد ‏.‏ فقال أبو موسى لعبد الله ألم تسمع قول عمار بعثني رسول الله صلى الله عليه وسلم في حاجة فأجنبت فلم أجد الماء فتمرغت في الصعيد كما تمرغ الدابة ثم أتيت النبي صلى الله عليه وسلم فذكرت ذلك له فقال ‏"‏ إنما كان يكفيك أن تقول بيديك هكذا ‏"‏ ‏.‏ ثم ضرب بيديه الأرض ضربة واحدة ثم مسح الشمال على اليمين وظاهر كفيه ووجهه ‏.‏ فقال عبد الله أولم تر عمر لم يقنع بقول عمار

শাকীক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি একবার ‘আবদুল্লাহ (ইবনু মাস’ঊদ) ও আবূ মূসা (রাঃ)-এর কাছে বসেছিলাম। তখন আবূ মূসা (রাঃ) বললেন, হে আবূ ‘আবদুর রহমান! কোন্‌ লোক যদি জুনুবী হয় (যার ফলে তার গোসল ফরয হয়) এবং সে এক মাস যাবৎ পানি না পায় তাহলে সে কিভাবে সলাত আদায় করবে? ‘আবদুল্লাহ বললেন, সে তায়ম্মুম করবে না যদিও একমাস পানি না পায়। আবূ মূসা (রাঃ) বললেন, তাহলে সূরাহ্‌ মায়িদাহ্‌ এর এ আয়াত-......... “যদি তোমরা পানি না পাও তাহলে পবিত্র মাটি দিয়ে তায়াম্মুম কর”- (সূরাহ আল মায়িদাহ্‌ ৫ : ৬) এর কি হবে? ‘আবদুল্লাহ বললেন, এ আয়াতের দ্বারা তাদেরকে যদি তায়াম্মুমের অনুমতি দেয়া হয় তাহলে (ধীরে ধীরে এমন এক পর্যায়ে পৌঁছবে যে) পানি ঠান্ডাবোধ হলে তারা মাটি দিয়ে তায়াম্মুম শুরু করবে। আবূ মূসা (রাঃ) তখন ‘আবদুল্লাহ-কে বললেন, আপনি কি ‘আম্মার-এর বর্ণনা শোনেননি (তিনি বলেন) যে, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে কোন এক প্রয়োজনে পাঠালেন। (পথিমধ্যে) আমি অপবিত্র হয়ে গেলাম এবং পানি পেলাম না। তখন আমি মাটিতে গড়াগড়ি দিলাম চতুস্পদ জন্তু যেভাবে মাটিতে গড়াগড়ি দেয়। তারপর আমি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে এ ঘটনা বললাম। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমার জন্যে দু’হাত দিয়ে এরূপ করাই যথেষ্ট ছিল-এ বলে তিনি তাঁর দু’হাত একবার মাটিতে মারলেন। তারপর বামহাত দিয়ে ডানহাত মাসাহ করলেন এবং উভয় হাতের কব্জির উপরিভাগ ও মুখমন্ডল মাসাহ করলেন। ‘আবদুল্লাহ বললেন, তুমি কি দেখোনি যে, ‘উমার (রাঃ) ‘আম্মার (রাঃ)-এর কথা যথেষ্ট মনে করেননি? (ই.ফা. ৭০৩, ই.সে. ৭১৮)

শাকীক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি একবার ‘আবদুল্লাহ (ইবনু মাস’ঊদ) ও আবূ মূসা (রাঃ)-এর কাছে বসেছিলাম। তখন আবূ মূসা (রাঃ) বললেন, হে আবূ ‘আবদুর রহমান! কোন্‌ লোক যদি জুনুবী হয় (যার ফলে তার গোসল ফরয হয়) এবং সে এক মাস যাবৎ পানি না পায় তাহলে সে কিভাবে সলাত আদায় করবে? ‘আবদুল্লাহ বললেন, সে তায়ম্মুম করবে না যদিও একমাস পানি না পায়। আবূ মূসা (রাঃ) বললেন, তাহলে সূরাহ্‌ মায়িদাহ্‌ এর এ আয়াত-......... “যদি তোমরা পানি না পাও তাহলে পবিত্র মাটি দিয়ে তায়াম্মুম কর”- (সূরাহ আল মায়িদাহ্‌ ৫ : ৬) এর কি হবে? ‘আবদুল্লাহ বললেন, এ আয়াতের দ্বারা তাদেরকে যদি তায়াম্মুমের অনুমতি দেয়া হয় তাহলে (ধীরে ধীরে এমন এক পর্যায়ে পৌঁছবে যে) পানি ঠান্ডাবোধ হলে তারা মাটি দিয়ে তায়াম্মুম শুরু করবে। আবূ মূসা (রাঃ) তখন ‘আবদুল্লাহ-কে বললেন, আপনি কি ‘আম্মার-এর বর্ণনা শোনেননি (তিনি বলেন) যে, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে কোন এক প্রয়োজনে পাঠালেন। (পথিমধ্যে) আমি অপবিত্র হয়ে গেলাম এবং পানি পেলাম না। তখন আমি মাটিতে গড়াগড়ি দিলাম চতুস্পদ জন্তু যেভাবে মাটিতে গড়াগড়ি দেয়। তারপর আমি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে এ ঘটনা বললাম। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমার জন্যে দু’হাত দিয়ে এরূপ করাই যথেষ্ট ছিল-এ বলে তিনি তাঁর দু’হাত একবার মাটিতে মারলেন। তারপর বামহাত দিয়ে ডানহাত মাসাহ করলেন এবং উভয় হাতের কব্জির উপরিভাগ ও মুখমন্ডল মাসাহ করলেন। ‘আবদুল্লাহ বললেন, তুমি কি দেখোনি যে, ‘উমার (রাঃ) ‘আম্মার (রাঃ)-এর কথা যথেষ্ট মনে করেননি? (ই.ফা. ৭০৩, ই.সে. ৭১৮)

حدثنا يحيى بن يحيى، وأبو بكر بن أبي شيبة وابن نمير جميعا عن أبي معاوية، قال أبو بكر حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن شقيق، قال كنت جالسا مع عبد الله وأبي موسى فقال أبو موسى يا أبا عبد الرحمن أرأيت لو أن رجلا أجنب فلم يجد الماء شهرا كيف يصنع بالصلاة فقال عبد الله لا يتيمم وإن لم يجد الماء شهرا ‏.‏ فقال أبو موسى فكيف بهذه الآية في سورة المائدة ‏{‏ فلم تجدوا ماء فتيمموا صعيدا طيبا‏}‏ فقال عبد الله لو رخص لهم في هذه الآية - لأوشك إذا برد عليهم الماء أن يتيمموا بالصعيد ‏.‏ فقال أبو موسى لعبد الله ألم تسمع قول عمار بعثني رسول الله صلى الله عليه وسلم في حاجة فأجنبت فلم أجد الماء فتمرغت في الصعيد كما تمرغ الدابة ثم أتيت النبي صلى الله عليه وسلم فذكرت ذلك له فقال ‏"‏ إنما كان يكفيك أن تقول بيديك هكذا ‏"‏ ‏.‏ ثم ضرب بيديه الأرض ضربة واحدة ثم مسح الشمال على اليمين وظاهر كفيه ووجهه ‏.‏ فقال عبد الله أولم تر عمر لم يقنع بقول عمار


সহিহ মুসলিম ৭০৫

وحدثنا أبو كامل الجحدري، حدثنا عبد الواحد، حدثنا الأعمش، عن شقيق، قال قال أبو موسى لعبد الله وساق الحديث بقصته نحو حديث أبي معاوية غير أنه قال فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إنما كان يكفيك أن تقول هكذا ‏"‏ ‏.‏ وضرب بيديه إلى الأرض فنفض يديه فمسح وجهه وكفيه ‏.

শাকীক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আবূ মূসা ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)-কে বললেন, এরপর আবূ মু’আবিয়ার হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। তবে তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমার জন্যে এরূপ করাই যথেষ্ট ছিল-এ বলে তিনি তাঁর উভয় হাত মাটিতে মারলেন। অতঃপর ঝেড়ে মুখমন্ডল এবং উভয় কব্জি মাসাহ করলেন। (ই.ফা. ৭০৪, ই.সে. ৭১৯)

শাকীক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আবূ মূসা ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)-কে বললেন, এরপর আবূ মু’আবিয়ার হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। তবে তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমার জন্যে এরূপ করাই যথেষ্ট ছিল-এ বলে তিনি তাঁর উভয় হাত মাটিতে মারলেন। অতঃপর ঝেড়ে মুখমন্ডল এবং উভয় কব্জি মাসাহ করলেন। (ই.ফা. ৭০৪, ই.সে. ৭১৯)

وحدثنا أبو كامل الجحدري، حدثنا عبد الواحد، حدثنا الأعمش، عن شقيق، قال قال أبو موسى لعبد الله وساق الحديث بقصته نحو حديث أبي معاوية غير أنه قال فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إنما كان يكفيك أن تقول هكذا ‏"‏ ‏.‏ وضرب بيديه إلى الأرض فنفض يديه فمسح وجهه وكفيه ‏.


সহিহ মুসলিম ৭০৬

حدثني عبد الله بن هاشم العبدي، حدثنا يحيى، - يعني ابن سعيد القطان - عن شعبة، قال حدثني الحكم، عن ذر، عن سعيد بن عبد الرحمن بن أبزى، عن أبيه، أن رجلا، أتى عمر فقال إني أجنبت فلم أجد ماء ‏.‏ فقال لا تصل ‏.‏ فقال عمار أما تذكر يا أمير المؤمنين إذ أنا وأنت في سرية فأجنبنا فلم نجد ماء فأما أنت فلم تصل وأما أنا فتمعكت في التراب وصليت ‏.‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إنما كان يكفيك أن تضرب بيديك الأرض ثم تنفخ ثم تمسح بهما وجهك وكفيك ‏"‏ ‏.‏ فقال عمر اتق الله يا عمار ‏.‏ قال إن شئت لم أحدث به ‏.‏ قال الحكم وحدثنيه ابن عبد الرحمن بن أبزى عن أبيه مثل حديث ذر قال وحدثني سلمة عن ذر في هذا الإسناد الذي ذكر الحكم فقال عمر نوليك ما توليت ‏.

‘আবদুর রহমান ইবনু আবযা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক লোক ‘উমার (রাঃ)-এর কাছে এসে বলল, আমি অপবিত্র হয়েছি কিন্তু পানি পাইনি (তখন কি করব?)। তিনি বললেন, তুমি সলাত আদায় করো না। তখন ‘আম্মার (রাঃ) বললেন, আমীরুল মু’মিনীন! আপনার কি স্মরণ নেই যে, আমি ও আপনি কোন এক অভিযানে অংশগ্রহণ করেছিলাম। অতঃপর আমরা উভয়েই অপবিত্র হয়ে পড়লাম। আর কোথাও পানি পেলাম না তখন আপনি সলাত আদায় করলেন না কিন্তু আমি মাটিতে গড়াগড়ি দিলাম এবং সলাত আদায় করলাম। অতঃপর রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ ঘটনা জানালে তিনি বললেন, তোমার জন্যে এটাই যথেষ্ট ছিল যে, তুমি দু’হাত জমিনে মারতে তারপর ফুঁক দিয়ে আলগা ধুলা ফেলে দিতে তারপর উভয় হাতের কব্জি দ্বারা মাসাহ করতে তোমার দু’হাতে ও চেহারা”। ‘উমার (রাঃ) বললেন, “আম্মার! আল্লাহকে ভয় কর”। তিনি [‘আম্মার (রাঃ)] বললেন, “আপনি চাইলে আমি এটা আর বর্ণনা করব না”। হাকাম বলেন, ‘আবদুর রহমান ইবনু আবযার পুত্র তার পিতা ‘আবদুর রহমান থেকে আমার কাছে যার্‌-এর হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তিনি বললেন, অতঃপর ‘উমার (রাঃ) বললেন, তোমার বর্ণনায় দায়-দায়িত্ব তোমার উপর। (ই.ফা. ৭০৫, ই.সে.৭২০)

‘আবদুর রহমান ইবনু আবযা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক লোক ‘উমার (রাঃ)-এর কাছে এসে বলল, আমি অপবিত্র হয়েছি কিন্তু পানি পাইনি (তখন কি করব?)। তিনি বললেন, তুমি সলাত আদায় করো না। তখন ‘আম্মার (রাঃ) বললেন, আমীরুল মু’মিনীন! আপনার কি স্মরণ নেই যে, আমি ও আপনি কোন এক অভিযানে অংশগ্রহণ করেছিলাম। অতঃপর আমরা উভয়েই অপবিত্র হয়ে পড়লাম। আর কোথাও পানি পেলাম না তখন আপনি সলাত আদায় করলেন না কিন্তু আমি মাটিতে গড়াগড়ি দিলাম এবং সলাত আদায় করলাম। অতঃপর রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ ঘটনা জানালে তিনি বললেন, তোমার জন্যে এটাই যথেষ্ট ছিল যে, তুমি দু’হাত জমিনে মারতে তারপর ফুঁক দিয়ে আলগা ধুলা ফেলে দিতে তারপর উভয় হাতের কব্জি দ্বারা মাসাহ করতে তোমার দু’হাতে ও চেহারা”। ‘উমার (রাঃ) বললেন, “আম্মার! আল্লাহকে ভয় কর”। তিনি [‘আম্মার (রাঃ)] বললেন, “আপনি চাইলে আমি এটা আর বর্ণনা করব না”। হাকাম বলেন, ‘আবদুর রহমান ইবনু আবযার পুত্র তার পিতা ‘আবদুর রহমান থেকে আমার কাছে যার্‌-এর হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তিনি বললেন, অতঃপর ‘উমার (রাঃ) বললেন, তোমার বর্ণনায় দায়-দায়িত্ব তোমার উপর। (ই.ফা. ৭০৫, ই.সে.৭২০)

حدثني عبد الله بن هاشم العبدي، حدثنا يحيى، - يعني ابن سعيد القطان - عن شعبة، قال حدثني الحكم، عن ذر، عن سعيد بن عبد الرحمن بن أبزى، عن أبيه، أن رجلا، أتى عمر فقال إني أجنبت فلم أجد ماء ‏.‏ فقال لا تصل ‏.‏ فقال عمار أما تذكر يا أمير المؤمنين إذ أنا وأنت في سرية فأجنبنا فلم نجد ماء فأما أنت فلم تصل وأما أنا فتمعكت في التراب وصليت ‏.‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إنما كان يكفيك أن تضرب بيديك الأرض ثم تنفخ ثم تمسح بهما وجهك وكفيك ‏"‏ ‏.‏ فقال عمر اتق الله يا عمار ‏.‏ قال إن شئت لم أحدث به ‏.‏ قال الحكم وحدثنيه ابن عبد الرحمن بن أبزى عن أبيه مثل حديث ذر قال وحدثني سلمة عن ذر في هذا الإسناد الذي ذكر الحكم فقال عمر نوليك ما توليت ‏.


সহিহ মুসলিম ৭০৮

قال مسلم وروى الليث بن سعد، عن جعفر بن ربيعة، عن عبد الرحمن بن هرمز، عن عمير، مولى ابن عباس أنه سمعه يقول أقبلت أنا وعبد الرحمن بن يسار، مولى ميمونة زوج النبي صلى الله عليه وسلم حتى دخلنا على أبي الجهم بن الحارث بن الصمة الأنصاري فقال أبو الجهم أقبل رسول الله صلى الله عليه وسلم من نحو بئر جمل فلقيه رجل فسلم عليه فلم يرد رسول الله صلى الله عليه وسلم عليه حتى أقبل على الجدار فمسح وجهه ويديه ثم رد عليه السلام ‏.

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-এর মুক্তকৃত দাস ‘উমায়র থেকে বর্নিতঃ

তিনি ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন যে, আমি এবং উম্মুল মু’মিনীন মাইমূনাহ্‌ (রাঃ)-এর মুক্তকৃত দাস ‘আবদুর রহমান ইবনু ইয়াসার একবার আবূল জাহ্‌ম ইবনুল হারিস ইবনুস্‌ সিম্মা আল-আনাসারীর কাছে গেলাম। তখন আবূল জাহম (রাঃ) বললেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একবার বি’রি জামাল (মাদীনার নিকটবর্তী একটি স্থান)-এর দিক থেকে আসছিলেন, অতঃপর পথিমধ্যে এক ব্যক্তি তার সাথে সাক্ষাত করে সালাম দিল কিন্তু তিনি তার উত্তর দিলেন না বরং একটি দেয়ালের কাছে গিয়ে তাঁর মুখমন্ডল এবং উভয় হাত মাসাহ করলেন। তারপর তার সালামের জবাব দিলেন। (ই.ফা. ৭০৬, ই.সে. ৭২১)

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-এর মুক্তকৃত দাস ‘উমায়র থেকে বর্নিতঃ

তিনি ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন যে, আমি এবং উম্মুল মু’মিনীন মাইমূনাহ্‌ (রাঃ)-এর মুক্তকৃত দাস ‘আবদুর রহমান ইবনু ইয়াসার একবার আবূল জাহ্‌ম ইবনুল হারিস ইবনুস্‌ সিম্মা আল-আনাসারীর কাছে গেলাম। তখন আবূল জাহম (রাঃ) বললেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একবার বি’রি জামাল (মাদীনার নিকটবর্তী একটি স্থান)-এর দিক থেকে আসছিলেন, অতঃপর পথিমধ্যে এক ব্যক্তি তার সাথে সাক্ষাত করে সালাম দিল কিন্তু তিনি তার উত্তর দিলেন না বরং একটি দেয়ালের কাছে গিয়ে তাঁর মুখমন্ডল এবং উভয় হাত মাসাহ করলেন। তারপর তার সালামের জবাব দিলেন। (ই.ফা. ৭০৬, ই.সে. ৭২১)

قال مسلم وروى الليث بن سعد، عن جعفر بن ربيعة، عن عبد الرحمن بن هرمز، عن عمير، مولى ابن عباس أنه سمعه يقول أقبلت أنا وعبد الرحمن بن يسار، مولى ميمونة زوج النبي صلى الله عليه وسلم حتى دخلنا على أبي الجهم بن الحارث بن الصمة الأنصاري فقال أبو الجهم أقبل رسول الله صلى الله عليه وسلم من نحو بئر جمل فلقيه رجل فسلم عليه فلم يرد رسول الله صلى الله عليه وسلم عليه حتى أقبل على الجدار فمسح وجهه ويديه ثم رد عليه السلام ‏.


সহিহ মুসলিম ৭০৯

حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا أبي، حدثنا سفيان، عن الضحاك بن عثمان، عن نافع، عن ابن عمر، أن رجلا، مر ورسول الله صلى الله عليه وسلم يبول فسلم فلم يرد عليه ‏.

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি পথ দিয়ে যাচ্ছিল। আর রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তখন প্রস্রাব করছিলেন। সে রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে সালাম করল। কিন্তু তিনি তার জবাব দিলান না। (ই.ফা. ৭০৭, ই.সে. ৭২২)

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি পথ দিয়ে যাচ্ছিল। আর রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তখন প্রস্রাব করছিলেন। সে রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে সালাম করল। কিন্তু তিনি তার জবাব দিলান না। (ই.ফা. ৭০৭, ই.সে. ৭২২)

حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا أبي، حدثنا سفيان، عن الضحاك بن عثمان، عن نافع، عن ابن عمر، أن رجلا، مر ورسول الله صلى الله عليه وسلم يبول فسلم فلم يرد عليه ‏.


সহিহ মুসলিম > মুসলিম অপবিত্র (নাপাক) হয় না

সহিহ মুসলিম ৭১০

حدثني زهير بن حرب، حدثنا يحيى، - يعني ابن سعيد - قال حميد حدثنا ح، وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، - واللفظ له - حدثنا إسماعيل ابن علية، عن حميد الطويل، عن أبي رافع، عن أبي هريرة، أنه لقيه النبي صلى الله عليه وسلم في طريق من طرق المدينة وهو جنب فانسل فذهب فاغتسل فتفقده النبي صلى الله عليه وسلم فلما جاءه قال ‏"‏ أين كنت يا أبا هريرة ‏"‏ ‏.‏ قال يا رسول الله لقيتني وأنا جنب فكرهت أن أجالسك حتى أغتسل ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ سبحان الله إن المؤمن لا ينجس ‏"‏ ‏.

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি একবার মাদীনার কোন এক রাস্তায় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে সাক্ষাৎ করলেন। তিনি (আবূ হুরায়রা) তখন (জানাবাত) অপবিত্র অবস্থায় ছিলেন। এ কারণে তিনি আস্তে করে পাশ দিয়ে চলে গেলেন এবং গোসল করলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে খোঁজ করলেন। যখন তিনি আসলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, “হে আবূ হুরায়রা! তুমি কোথায় ছিলে? তিনি বললেন, ইয়া রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আপনার সঙ্গে যখন আমার সাক্ষাৎ হয় তখন আমি অপবিত্রাবস্থায় ছিলাম। তাই আমি গোসল না করে আপনার মাজলিসে বসা ভাল মনে করিনি। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, সুবহানাল্লাহ! মু’মিন তো অপবিত্র হয় না। [১০২] (ই.ফা. ৭০৮, ই.সে. ৭২৩)

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি একবার মাদীনার কোন এক রাস্তায় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে সাক্ষাৎ করলেন। তিনি (আবূ হুরায়রা) তখন (জানাবাত) অপবিত্র অবস্থায় ছিলেন। এ কারণে তিনি আস্তে করে পাশ দিয়ে চলে গেলেন এবং গোসল করলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে খোঁজ করলেন। যখন তিনি আসলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, “হে আবূ হুরায়রা! তুমি কোথায় ছিলে? তিনি বললেন, ইয়া রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আপনার সঙ্গে যখন আমার সাক্ষাৎ হয় তখন আমি অপবিত্রাবস্থায় ছিলাম। তাই আমি গোসল না করে আপনার মাজলিসে বসা ভাল মনে করিনি। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, সুবহানাল্লাহ! মু’মিন তো অপবিত্র হয় না। [১০২] (ই.ফা. ৭০৮, ই.সে. ৭২৩)

حدثني زهير بن حرب، حدثنا يحيى، - يعني ابن سعيد - قال حميد حدثنا ح، وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، - واللفظ له - حدثنا إسماعيل ابن علية، عن حميد الطويل، عن أبي رافع، عن أبي هريرة، أنه لقيه النبي صلى الله عليه وسلم في طريق من طرق المدينة وهو جنب فانسل فذهب فاغتسل فتفقده النبي صلى الله عليه وسلم فلما جاءه قال ‏"‏ أين كنت يا أبا هريرة ‏"‏ ‏.‏ قال يا رسول الله لقيتني وأنا جنب فكرهت أن أجالسك حتى أغتسل ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ سبحان الله إن المؤمن لا ينجس ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ৭১১

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب قالا حدثنا وكيع، عن مسعر، عن واصل، عن أبي وائل، عن حذيفة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم لقيه وهو جنب فحاد عنه فاغتسل ثم جاء فقال كنت جنبا ‏.‏ قال ‏ "‏ إن المسلم لا ينجس ‏"‏ ‏.

হুযাইফাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদিন অপবিত্র থাকা অবস্থায় রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে তার সাক্ষাৎ হয়, ফলে তিনি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে পাশ কাটিয়ে চলে গেলেন এবং গোসল করে পরে এলেন এবং বললেন, আমি জানাবাত (গোসল ফারয হওয়ার কারণে নাপাক) অবস্থায় ছিলাম। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, মুসলিম তো নাপাক হয় না। (ই.ফা. ৭০৯, ই.সে. ৭২৪)

হুযাইফাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদিন অপবিত্র থাকা অবস্থায় রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে তার সাক্ষাৎ হয়, ফলে তিনি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে পাশ কাটিয়ে চলে গেলেন এবং গোসল করে পরে এলেন এবং বললেন, আমি জানাবাত (গোসল ফারয হওয়ার কারণে নাপাক) অবস্থায় ছিলাম। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, মুসলিম তো নাপাক হয় না। (ই.ফা. ৭০৯, ই.সে. ৭২৪)

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب قالا حدثنا وكيع، عن مسعر، عن واصل، عن أبي وائل، عن حذيفة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم لقيه وهو جنب فحاد عنه فاغتسل ثم جاء فقال كنت جنبا ‏.‏ قال ‏ "‏ إن المسلم لا ينجس ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম > জুনুবী বা অন্য কারণে অপবিত্র অবস্থায় আল্লাহ তা’আলার যিক্‌র করা

সহিহ মুসলিম ৭১২

حدثنا أبو كريب، محمد بن العلاء وإبراهيم بن موسى قالا حدثنا ابن أبي زائدة، عن أبيه، عن خالد بن سلمة، عن البهي، عن عروة، عن عائشة، قالت كان النبي صلى الله عليه وسلم يذكر الله على كل أحيانه ‏

‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সর্বাবস্থায়ই আল্লাহর যিক্‌র করতেন। (ই.ফা. ৭১০, ই.সে. ৭২৫)

‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সর্বাবস্থায়ই আল্লাহর যিক্‌র করতেন। (ই.ফা. ৭১০, ই.সে. ৭২৫)

حدثنا أبو كريب، محمد بن العلاء وإبراهيم بن موسى قالا حدثنا ابن أبي زائدة، عن أبيه، عن خالد بن سلمة، عن البهي، عن عروة، عن عائشة، قالت كان النبي صلى الله عليه وسلم يذكر الله على كل أحيانه ‏


সহিহ মুসলিম > বিনা ওযূতে খাবার খাওয়া জায়িয, এরূপ করা মাকরূহ নয়; আর ওযূ নষ্ট হলে তৎক্ষণাৎ ওযূ করাও অপরিহার্য নয়।

সহিহ মুসলিম ৭১৫

وحدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا محمد بن مسلم الطائفي، عن عمرو بن دينار، عن سعيد بن الحويرث، مولى آل السائب أنه سمع عبد الله بن عباس، قال ذهب رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى الغائط فلما جاء قدم له طعام فقيل يا رسول الله ألا توضأ ‏.‏ قال ‏ "‏ لم أللصلاة ‏"‏ ‏.

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একবার পায়খানায় গেলেন। পরে তিনি যখন (পায়খানা সেরে ফিরে) এলেন তখন তাঁর সামনে খাবার দেয়া হল। অতঃপর তাঁকে বলা হল, হে আল্লাহর রসূল! আপনি কি ওযূ করবেন না? তিনি বললেন, কেন? সলাতের জন্য? (ই.ফা. ৭১৩, ই.সে. ৭২৮)

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একবার পায়খানায় গেলেন। পরে তিনি যখন (পায়খানা সেরে ফিরে) এলেন তখন তাঁর সামনে খাবার দেয়া হল। অতঃপর তাঁকে বলা হল, হে আল্লাহর রসূল! আপনি কি ওযূ করবেন না? তিনি বললেন, কেন? সলাতের জন্য? (ই.ফা. ৭১৩, ই.সে. ৭২৮)

وحدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا محمد بن مسلم الطائفي، عن عمرو بن دينار، عن سعيد بن الحويرث، مولى آل السائب أنه سمع عبد الله بن عباس، قال ذهب رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى الغائط فلما جاء قدم له طعام فقيل يا رسول الله ألا توضأ ‏.‏ قال ‏ "‏ لم أللصلاة ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ৭১৪

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا سفيان بن عيينة، عن عمرو، عن سعيد بن الحويرث، سمعت ابن عباس، يقول كنا عند النبي صلى الله عليه وسلم فجاء من الغائط وأتي بطعام فقيل له ألا توضأ فقال ‏ "‏ لم أأصلي فأتوضأ ‏"‏ ‏.‏

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে ছিলাম। তিনি পায়খানা থেকে এলেন। খাবার আনা হল। তাকে বলা হল, আপনি কি ওযূ করবেন না? তিনি বললেন, কেন? আমি কি সলাত আদায় করছি যে, ওযূ করব? (ই.ফা. ৭১২, ই.সে. ৭২৭)

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে ছিলাম। তিনি পায়খানা থেকে এলেন। খাবার আনা হল। তাকে বলা হল, আপনি কি ওযূ করবেন না? তিনি বললেন, কেন? আমি কি সলাত আদায় করছি যে, ওযূ করব? (ই.ফা. ৭১২, ই.সে. ৭২৭)

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا سفيان بن عيينة، عن عمرو، عن سعيد بن الحويرث، سمعت ابن عباس، يقول كنا عند النبي صلى الله عليه وسلم فجاء من الغائط وأتي بطعام فقيل له ألا توضأ فقال ‏ "‏ لم أأصلي فأتوضأ ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭১৬

وحدثني محمد بن عمرو بن عباد بن جبلة، حدثنا أبو عاصم، عن ابن جريج، قال حدثنا سعيد بن حويرث، أنه سمع ابن عباس، يقول إن النبي صلى الله عليه وسلم قضى حاجته من الخلاء فقرب إليه طعام فأكل ولم يمس ماء ‏.‏ قال وزادني عمرو بن دينار عن سعيد بن الحويرث أن النبي صلى الله عليه وسلم قيل له إنك لم توضأ قال ‏ "‏ ما أردت صلاة فأتوضأ ‏"‏ ‏.‏ وزعم عمرو أنه سمع من سعيد بن الحويرث ‏.

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পায়খানা থেকে তাঁর প্রাকৃতিক প্রয়োজন পূরণ করে আসলে তাঁর সামনে খাবার এনে দেয়া হল। তিনি তা খেলেন, কিন্তু পায়খানা থেকে বের হয়ে পানি স্পর্শও করেননি (অর্থাৎ ওযূ করলেন না)। মুহাম্মাদ ইবনু মুসলিম বললেন, ‘আম্‌র ইবনু দীনার সা’ঈদ ইবনু হুওয়াইরিসের মাধ্যমে আমার কাছে এতটুকু বর্ণনা করেছেন যে, তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলা হল, আপনি তো ওযূ করলেন না? জবাবে তিনি বলেছেনঃ আমি তো এখন সলাত আদায় করি না যে ওযূ করতে হবে? ‘আম্‌র ইবনু দীনার বলেছেন যে, তিনি হাদীসটি সা’ঈদ ইবনু হুওয়াইরিস-এর নিকট থেকে নিজে শুনেছেন। (ই.ফা. ৭১৪, ই.সে. ৭২৯)

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পায়খানা থেকে তাঁর প্রাকৃতিক প্রয়োজন পূরণ করে আসলে তাঁর সামনে খাবার এনে দেয়া হল। তিনি তা খেলেন, কিন্তু পায়খানা থেকে বের হয়ে পানি স্পর্শও করেননি (অর্থাৎ ওযূ করলেন না)। মুহাম্মাদ ইবনু মুসলিম বললেন, ‘আম্‌র ইবনু দীনার সা’ঈদ ইবনু হুওয়াইরিসের মাধ্যমে আমার কাছে এতটুকু বর্ণনা করেছেন যে, তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলা হল, আপনি তো ওযূ করলেন না? জবাবে তিনি বলেছেনঃ আমি তো এখন সলাত আদায় করি না যে ওযূ করতে হবে? ‘আম্‌র ইবনু দীনার বলেছেন যে, তিনি হাদীসটি সা’ঈদ ইবনু হুওয়াইরিস-এর নিকট থেকে নিজে শুনেছেন। (ই.ফা. ৭১৪, ই.সে. ৭২৯)

وحدثني محمد بن عمرو بن عباد بن جبلة، حدثنا أبو عاصم، عن ابن جريج، قال حدثنا سعيد بن حويرث، أنه سمع ابن عباس، يقول إن النبي صلى الله عليه وسلم قضى حاجته من الخلاء فقرب إليه طعام فأكل ولم يمس ماء ‏.‏ قال وزادني عمرو بن دينار عن سعيد بن الحويرث أن النبي صلى الله عليه وسلم قيل له إنك لم توضأ قال ‏ "‏ ما أردت صلاة فأتوضأ ‏"‏ ‏.‏ وزعم عمرو أنه سمع من سعيد بن الحويرث ‏.


সহিহ মুসলিম ৭১৩

حدثنا يحيى بن يحيى التميمي، وأبو الربيع الزهراني، قال يحيى أخبرنا حماد بن زيد، وقال أبو الربيع، حدثنا حماد، عن عمرو بن دينار، عن سعيد بن الحويرث، عن ابن عباس، أن النبي صلى الله عليه وسلم خرج من الخلاء فأتي بطعام فذكروا له الوضوء فقال ‏ "‏ أريد أن أصلي فأتوضأ ‏"‏ ‏.

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পায়খানা থেকে বের হলেন। ইতিমধ্যেই খাবার আনা হল। লোকজন তাঁকে ওযূর কথা আলোচনা করল। তিনি বললেন, আমি কি সলাত আদায়ের ইচ্ছা করছি যে, ওযূ করব? (ই.ফা. ৭১১, ই.সে. ৭২৬)

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পায়খানা থেকে বের হলেন। ইতিমধ্যেই খাবার আনা হল। লোকজন তাঁকে ওযূর কথা আলোচনা করল। তিনি বললেন, আমি কি সলাত আদায়ের ইচ্ছা করছি যে, ওযূ করব? (ই.ফা. ৭১১, ই.সে. ৭২৬)

حدثنا يحيى بن يحيى التميمي، وأبو الربيع الزهراني، قال يحيى أخبرنا حماد بن زيد، وقال أبو الربيع، حدثنا حماد، عن عمرو بن دينار، عن سعيد بن الحويرث، عن ابن عباس، أن النبي صلى الله عليه وسلم خرج من الخلاء فأتي بطعام فذكروا له الوضوء فقال ‏ "‏ أريد أن أصلي فأتوضأ ‏"‏ ‏.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00