সহিহ মুসলিম > হিসাব ও শাস্তি ছাড়াই মুসলিমদের একাধিক দল জান্নাতে প্রবেশ করার প্রমাণ

সহিহ মুসলিম ৪০৯

وحدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، قال سمعت محمد بن زياد، قال سمعت أبا هريرة، يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏.‏ بمثل حديث الربيع ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি ..... পরবর্তী অংশ উপরোল্লিখিত হাদীসের অনুরূপ। (ই.ফা. ৪১৪ ই.সে ৪২৮)

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি ..... পরবর্তী অংশ উপরোল্লিখিত হাদীসের অনুরূপ। (ই.ফা. ৪১৪ ই.সে ৪২৮)

وحدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، قال سمعت محمد بن زياد، قال سمعت أبا هريرة، يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏.‏ بمثل حديث الربيع ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪১১

وحدثني حرملة بن يحيى، حدثنا عبد الله بن وهب، أخبرني حيوة، قال حدثني أبو يونس، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ يدخل الجنة من أمتي سبعون ألفا زمرة واحدة منهم على صورة القمر ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমার উম্মাতের মধ্য থেকে সত্তর হাজার লোক জান্নাতে প্রবেশ করবে। আর তাদের একটি দলের চেহারা হবে চাঁদের মত (উজ্জ্বল)। (ই.ফা. ৪১৬; ই.সে. ৪৩০)

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমার উম্মাতের মধ্য থেকে সত্তর হাজার লোক জান্নাতে প্রবেশ করবে। আর তাদের একটি দলের চেহারা হবে চাঁদের মত (উজ্জ্বল)। (ই.ফা. ৪১৬; ই.সে. ৪৩০)

وحدثني حرملة بن يحيى، حدثنا عبد الله بن وهب، أخبرني حيوة، قال حدثني أبو يونس، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ يدخل الجنة من أمتي سبعون ألفا زمرة واحدة منهم على صورة القمر ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪০৮

حدثنا عبد الرحمن بن سلام بن عبيد الله الجمحي، حدثنا الربيع، - يعني ابن مسلم - عن محمد بن زياد، عن أبي هريرة، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ يدخل من أمتي الجنة سبعون ألفا بغير حساب ‏"‏ ‏.‏ فقال رجل يا رسول الله ادع الله أن يجعلني منهم ‏.‏ قال ‏"‏ اللهم اجعله منهم ‏"‏ ‏.‏ ثم قام آخر فقال يا رسول الله ادع الله أن يجعلني منهم ‏.‏ قال ‏"‏ سبقك بها عكاشة ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আমার উম্মাতের সত্তর হাজার লোক হিসাব ছাড়াই জান্নাতে প্রবেশ করবে। জনৈক সহাবা (‘উক্কাশাহ্) বললেন, ইয়া রসূলাল্লাহ্‌! আপনি আল্লাহর কাছে দু’আ করুন, আমাকে যেন তাদের অন্তর্ভুক্ত করেন। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু’আ করলেন, ইয়া আল্লাহ! ওকে তাদের অন্তর্ভুক্ত করে নিন। তারপর আরেকজন সহাবা দাঁড়িয়ে বললেন, ইয়া রসূলাল্লাহ্‌! আমার জন্যও আল্লাহর কাছে দু’আ করুন, আমাকেও যেন তাঁদের অন্তর্ভুক্ত করে নেন। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এ সুযোগ লাভে ‘উক্কাশাহ্ তোমার অগ্রগামী হয়ে গেছে। (ই.ফা. ৪১৩ ই.সে ৪২৭)

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আমার উম্মাতের সত্তর হাজার লোক হিসাব ছাড়াই জান্নাতে প্রবেশ করবে। জনৈক সহাবা (‘উক্কাশাহ্) বললেন, ইয়া রসূলাল্লাহ্‌! আপনি আল্লাহর কাছে দু’আ করুন, আমাকে যেন তাদের অন্তর্ভুক্ত করেন। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু’আ করলেন, ইয়া আল্লাহ! ওকে তাদের অন্তর্ভুক্ত করে নিন। তারপর আরেকজন সহাবা দাঁড়িয়ে বললেন, ইয়া রসূলাল্লাহ্‌! আমার জন্যও আল্লাহর কাছে দু’আ করুন, আমাকেও যেন তাঁদের অন্তর্ভুক্ত করে নেন। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এ সুযোগ লাভে ‘উক্কাশাহ্ তোমার অগ্রগামী হয়ে গেছে। (ই.ফা. ৪১৩ ই.সে ৪২৭)

حدثنا عبد الرحمن بن سلام بن عبيد الله الجمحي، حدثنا الربيع، - يعني ابن مسلم - عن محمد بن زياد، عن أبي هريرة، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ يدخل من أمتي الجنة سبعون ألفا بغير حساب ‏"‏ ‏.‏ فقال رجل يا رسول الله ادع الله أن يجعلني منهم ‏.‏ قال ‏"‏ اللهم اجعله منهم ‏"‏ ‏.‏ ثم قام آخر فقال يا رسول الله ادع الله أن يجعلني منهم ‏.‏ قال ‏"‏ سبقك بها عكاشة ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪১০

حدثني حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، قال أخبرني يونس، عن ابن شهاب، قال حدثني سعيد بن المسيب، أن أبا هريرة، حدثه قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏"‏ يدخل من أمتي زمرة هم سبعون ألفا تضيء وجوههم إضاءة القمر ليلة البدر ‏"‏ ‏.‏ قال أبو هريرة فقام عكاشة بن محصن الأسدي يرفع نمرة عليه فقال يا رسول الله ادع الله أن يجعلني منهم ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ اللهم اجعله منهم ‏"‏ ثم قام رجل من الأنصار فقال يا رسول الله ادع الله أن يجعلني منهم ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ سبقك بها عكاشة ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, আমার উম্মাতের একটি দল জান্নাতে প্রবেশ করবে। তাদের সংখ্যা হবে সত্তর হাজার। তাদের চেহারা পূর্ণিমার চাঁদের ন্যায় চমকাতে থাকবে। আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেন, তখন ‘উক্কাশাহ্ ইবনু মিহসান আসাদী দাঁড়ালেন। তাঁর গায়ে একটি চাদর ছিল। বললেন, ইয়া রসূলাল্লাহ্‌! আপনি আল্লাহর কাছে দু’আ করুন তিনি যেন আমাকেও তাদের অন্তর্ভুক্ত করে নেন। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ ইয়া আল্লাহ! একে তাদের অন্তর্ভুক্ত করে নিন। এরপর আরেকজন আনসারী দাঁড়িয়ে বললেন, ইয়া রসূলাল্লাহ! আপনি আল্লাহর কাছে দু’আ করুন তিনি যেন আমাকেও তাদের অন্তর্ভুক্ত করে নেন। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এ সুযোগ লাভে ‘উক্কাশাহ্ তোমার অগ্রগামী হয়ে গেছে। (ই.ফা. ৪১৫; ই.সে. ৪২৯)

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, আমার উম্মাতের একটি দল জান্নাতে প্রবেশ করবে। তাদের সংখ্যা হবে সত্তর হাজার। তাদের চেহারা পূর্ণিমার চাঁদের ন্যায় চমকাতে থাকবে। আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেন, তখন ‘উক্কাশাহ্ ইবনু মিহসান আসাদী দাঁড়ালেন। তাঁর গায়ে একটি চাদর ছিল। বললেন, ইয়া রসূলাল্লাহ্‌! আপনি আল্লাহর কাছে দু’আ করুন তিনি যেন আমাকেও তাদের অন্তর্ভুক্ত করে নেন। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ ইয়া আল্লাহ! একে তাদের অন্তর্ভুক্ত করে নিন। এরপর আরেকজন আনসারী দাঁড়িয়ে বললেন, ইয়া রসূলাল্লাহ! আপনি আল্লাহর কাছে দু’আ করুন তিনি যেন আমাকেও তাদের অন্তর্ভুক্ত করে নেন। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এ সুযোগ লাভে ‘উক্কাশাহ্ তোমার অগ্রগামী হয়ে গেছে। (ই.ফা. ৪১৫; ই.সে. ৪২৯)

حدثني حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، قال أخبرني يونس، عن ابن شهاب، قال حدثني سعيد بن المسيب، أن أبا هريرة، حدثه قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏"‏ يدخل من أمتي زمرة هم سبعون ألفا تضيء وجوههم إضاءة القمر ليلة البدر ‏"‏ ‏.‏ قال أبو هريرة فقام عكاشة بن محصن الأسدي يرفع نمرة عليه فقال يا رسول الله ادع الله أن يجعلني منهم ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ اللهم اجعله منهم ‏"‏ ثم قام رجل من الأنصار فقال يا رسول الله ادع الله أن يجعلني منهم ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ سبقك بها عكاشة ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪১৩

حدثني زهير بن حرب، حدثنا عبد الصمد بن عبد الوارث، حدثنا حاجب بن عمر أبو خشينة الثقفي، حدثنا الحكم بن الأعرج، عن عمران بن حصين، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ يدخل الجنة من أمتي سبعون ألفا بغير حساب ‏"‏ ‏.‏ قالوا من هم يا رسول الله قال ‏"‏ هم الذين لا يسترقون ولا يتطيرون ولا يكتوون وعلى ربهم يتوكلون ‏"‏ ‏.‏

‘ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমার উম্মাতের মধ্য থেকে সত্তর হাজার লোক হিসাব ছাড়াই জান্নাতে প্রবেশ করবে। সহাবাগণ জিজ্ঞেস করলেন, ইয়া রসূলাল্লাহ! এরা কারা? রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যারা ঝাড়ফুঁক করায় না, পাখি উড়িয়ে শুভাশুভের লক্ষণ মেনে চলে না, অগ্নি দাগ গ্রহণ করে না, বরং সর্বদাই আল্লাহর ওপর নির্ভর করে (তারাই)। (ই.ফা. ৪১৮; ই.সে. ৪৩২)

‘ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমার উম্মাতের মধ্য থেকে সত্তর হাজার লোক হিসাব ছাড়াই জান্নাতে প্রবেশ করবে। সহাবাগণ জিজ্ঞেস করলেন, ইয়া রসূলাল্লাহ! এরা কারা? রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যারা ঝাড়ফুঁক করায় না, পাখি উড়িয়ে শুভাশুভের লক্ষণ মেনে চলে না, অগ্নি দাগ গ্রহণ করে না, বরং সর্বদাই আল্লাহর ওপর নির্ভর করে (তারাই)। (ই.ফা. ৪১৮; ই.সে. ৪৩২)

حدثني زهير بن حرب، حدثنا عبد الصمد بن عبد الوارث، حدثنا حاجب بن عمر أبو خشينة الثقفي، حدثنا الحكم بن الأعرج، عن عمران بن حصين، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ يدخل الجنة من أمتي سبعون ألفا بغير حساب ‏"‏ ‏.‏ قالوا من هم يا رسول الله قال ‏"‏ هم الذين لا يسترقون ولا يتطيرون ولا يكتوون وعلى ربهم يتوكلون ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪১২

حدثنا يحيى بن خلف الباهلي، حدثنا المعتمر، عن هشام بن حسان، عن محمد، - يعني ابن سيرين - قال حدثني عمران، قال قال نبي الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ يدخل الجنة من أمتي سبعون ألفا بغير حساب ‏"‏ ‏.‏ قالوا ومن هم يا رسول الله قال ‏"‏ هم الذين لا يكتوون ولا يسترقون وعلى ربهم يتوكلون ‏"‏ ‏.‏ فقام عكاشة فقال ادع الله أن يجعلني منهم ‏.‏ قال ‏"‏ أنت منهم ‏"‏ ‏.‏ قال فقام رجل فقال يا نبي الله ادع الله أن يجعلني منهم ‏.‏ قال ‏"‏ سبقك بها عكاشة ‏"‏ ‏.‏

‘ইমরান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমার উম্মাতের সত্তর হাজার লোক বিনা হিসেবে জান্নাতে প্রবেশ করবে। লোকেরা জিজ্ঞেস করলো, তারা কারা, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)? তিনি বললেনঃ যারা ক্ষতস্থানে লোহা পুড়ে লাগায় না এবং (জাহিলী যুগের ন্যায়) ঝাড়ফুঁক বা মন্ত্রের দ্বারা চিকিৎসা কামনা করে না বরং তারা আল্লাহর উপর পূর্ণ তাওয়াক্কুল করে। এ সময় ‘উক্কাশাহ্‌ (রাঃ) উঠে দাঁড়িয়ে বললেন, আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করুন, তিনি যেন আমাকে তাদের অন্তর্ভুক্ত করেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তুমিও তাদের অন্তর্ভুক্ত। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর আর এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বলল, হে আল্লাহর নাবী! আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করুন, তিনি আমাকেও যেন তাদের অন্তর্ভুক্ত করেন। উত্তরে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ ‘উক্কাশাহ্ তোমার আগেই সে দলভুক্ত হয়ে গেছে। (ই.ফা. ৪১৭; ই.সে. ৪৩১)

‘ইমরান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমার উম্মাতের সত্তর হাজার লোক বিনা হিসেবে জান্নাতে প্রবেশ করবে। লোকেরা জিজ্ঞেস করলো, তারা কারা, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)? তিনি বললেনঃ যারা ক্ষতস্থানে লোহা পুড়ে লাগায় না এবং (জাহিলী যুগের ন্যায়) ঝাড়ফুঁক বা মন্ত্রের দ্বারা চিকিৎসা কামনা করে না বরং তারা আল্লাহর উপর পূর্ণ তাওয়াক্কুল করে। এ সময় ‘উক্কাশাহ্‌ (রাঃ) উঠে দাঁড়িয়ে বললেন, আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করুন, তিনি যেন আমাকে তাদের অন্তর্ভুক্ত করেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তুমিও তাদের অন্তর্ভুক্ত। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর আর এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বলল, হে আল্লাহর নাবী! আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করুন, তিনি আমাকেও যেন তাদের অন্তর্ভুক্ত করেন। উত্তরে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ ‘উক্কাশাহ্ তোমার আগেই সে দলভুক্ত হয়ে গেছে। (ই.ফা. ৪১৭; ই.সে. ৪৩১)

حدثنا يحيى بن خلف الباهلي، حدثنا المعتمر، عن هشام بن حسان، عن محمد، - يعني ابن سيرين - قال حدثني عمران، قال قال نبي الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ يدخل الجنة من أمتي سبعون ألفا بغير حساب ‏"‏ ‏.‏ قالوا ومن هم يا رسول الله قال ‏"‏ هم الذين لا يكتوون ولا يسترقون وعلى ربهم يتوكلون ‏"‏ ‏.‏ فقام عكاشة فقال ادع الله أن يجعلني منهم ‏.‏ قال ‏"‏ أنت منهم ‏"‏ ‏.‏ قال فقام رجل فقال يا نبي الله ادع الله أن يجعلني منهم ‏.‏ قال ‏"‏ سبقك بها عكاشة ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪১৪

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا عبد العزيز، - يعني ابن أبي حازم - عن أبي حازم، عن سهل بن سعد، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ ليدخلن الجنة من أمتي سبعون ألفا أو سبعمائة ألف - لا يدري أبو حازم أيهما قال - متماسكون آخذ بعضهم بعضا لا يدخل أولهم حتى يدخل آخرهم وجوههم على صورة القمر ليلة البدر ‏"‏ ‏.

সাহ্‌ল ইবনু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমার উম্মাতের মধ্য থেকে সত্তর হাজার বা সাত লক্ষ (এখানে রাবী আবূ হাযিম কোন সংখ্যাই নিশ্চিত করে বলতে পারেননি) লোক পাশাপাশি দাঁড়িয়ে একে অন্যের হাত ধরে জান্নাতে প্রবেশ করবে। তাদের প্রথম ব্যক্তি শেষ ব্যক্তির প্রবেশের আগে প্রবেশ করবে না, বরং সবাই একত্রে প্রবেশ করবে। তাদের চেহারা পূর্ণিমার চাঁদের মত চমকাতে থাকবে। (ই.ফা. ৪১৯; ই.সে. ৪৩৩)

সাহ্‌ল ইবনু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমার উম্মাতের মধ্য থেকে সত্তর হাজার বা সাত লক্ষ (এখানে রাবী আবূ হাযিম কোন সংখ্যাই নিশ্চিত করে বলতে পারেননি) লোক পাশাপাশি দাঁড়িয়ে একে অন্যের হাত ধরে জান্নাতে প্রবেশ করবে। তাদের প্রথম ব্যক্তি শেষ ব্যক্তির প্রবেশের আগে প্রবেশ করবে না, বরং সবাই একত্রে প্রবেশ করবে। তাদের চেহারা পূর্ণিমার চাঁদের মত চমকাতে থাকবে। (ই.ফা. ৪১৯; ই.সে. ৪৩৩)

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا عبد العزيز، - يعني ابن أبي حازم - عن أبي حازم، عن سهل بن سعد، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ ليدخلن الجنة من أمتي سبعون ألفا أو سبعمائة ألف - لا يدري أبو حازم أيهما قال - متماسكون آخذ بعضهم بعضا لا يدخل أولهم حتى يدخل آخرهم وجوههم على صورة القمر ليلة البدر ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ৪১৬

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا محمد بن فضيل، عن حصين، عن سعيد بن جبير، حدثنا ابن عباس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ عرضت على الأمم ‏"‏ ‏.‏ ثم ذكر باقي الحديث نحو حديث هشيم ولم يذكر أول حديثه ‏.

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ স্বপ্নে আমার সামনে সকল উম্মাতকে পেশ করা হয় ..... এভাবে বর্ণনাকারী হুসায়ন বর্ণিত হাদীসের অনুরূপই বর্ণনা করেন। কিন্তু হাদীসটির প্রথমাংশ উল্লেখ করেনি। (ই.ফা. ৪২১; ই.সে. ৪৩৫)

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ স্বপ্নে আমার সামনে সকল উম্মাতকে পেশ করা হয় ..... এভাবে বর্ণনাকারী হুসায়ন বর্ণিত হাদীসের অনুরূপই বর্ণনা করেন। কিন্তু হাদীসটির প্রথমাংশ উল্লেখ করেনি। (ই.ফা. ৪২১; ই.সে. ৪৩৫)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا محمد بن فضيل، عن حصين، عن سعيد بن جبير، حدثنا ابن عباس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ عرضت على الأمم ‏"‏ ‏.‏ ثم ذكر باقي الحديث نحو حديث هشيم ولم يذكر أول حديثه ‏.


সহিহ মুসলিম ৪১৫

حدثنا سعيد بن منصور، حدثنا هشيم، أخبرنا حصين بن عبد الرحمن، قال كنت عند سعيد بن جبير فقال أيكم رأى الكوكب الذي انقض البارحة قلت أنا ‏.‏ ثم قلت أما إني لم أكن في صلاة ولكني لدغت ‏.‏ قال فماذا صنعت قلت استرقيت ‏.‏ قال فما حملك على ذلك قلت حديث حدثناه الشعبي ‏.‏ فقال وما حدثكم الشعبي قلت حدثنا عن بريدة بن حصيب الأسلمي أنه قال لا رقية إلا من عين أو حمة ‏.‏ فقال قد أحسن من انتهى إلى ما سمع ولكن حدثنا ابن عباس عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ عرضت على الأمم فرأيت النبي ومعه الرهيط والنبي ومعه الرجل والرجلان والنبي ليس معه أحد إذ رفع لي سواد عظيم فظننت أنهم أمتي فقيل لي هذا موسى صلى الله عليه وسلم وقومه ولكن انظر إلى الأفق ‏.‏ فنظرت فإذا سواد عظيم فقيل لي انظر إلى الأفق الآخر ‏.‏ فإذا سواد عظيم فقيل لي هذه أمتك ومعهم سبعون ألفا يدخلون الجنة بغير حساب ولا عذاب ‏"‏ ‏.‏ ثم نهض فدخل منزله فخاض الناس في أولئك الذين يدخلون الجنة بغير حساب ولا عذاب فقال بعضهم فلعلهم الذين صحبوا رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ وقال بعضهم فلعلهم الذين ولدوا في الإسلام ولم يشركوا بالله ‏.‏ وذكروا أشياء فخرج عليهم رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ ما الذي تخوضون فيه ‏"‏ ‏.‏ فأخبروه فقال ‏"‏ هم الذين لا يرقون ولا يسترقون ولا يتطيرون وعلى ربهم يتوكلون ‏"‏ ‏.‏ فقام عكاشة بن محصن فقال ادع الله أن يجعلني منهم ‏.‏ فقال ‏"‏ أنت منهم ‏"‏ ثم قام رجل آخر فقال ادع الله أن يجعلني منهم ‏.‏ فقال ‏"‏ سبقك بها عكاشة ‏"‏ ‏.‏

হুসায়ন ইবনু ‘আবদুর রহমান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি সা’ঈদ ইবনু যুবায়র-এর কাছে উপস্থিত ছিলাম। তখন তিনি প্রশ্ন করলেন, তোমাদের মধ্য হতে কেউ রাতে যে তারকাটি বিচ্যুত হয়েছিল তা দেখেছ কি? আমি বললাম, আমি দেখেছি। অবশ্য আমি রাতের সলাতে রত ছিলাম না; আমাকে বিচ্ছু দংশন করেছিল। সা’ঈদ বললেন, দংশন করার পর তুমি কী করেছিলে? আমি বললাম, ঝাড়ফুঁক করিয়েছি। তিনি বললেন, তোমাকে এ ঝাঁড়ফুক গ্রহণে কিসে উদ্বুদ্ধ করল? আমি বললাম, সে হাদীস যা আমাদেরকে শা’বী বর্ণনা করেছেন। তিনি বললেন, শা’বী কী হাদীস বর্ণনা করেছেন? আমি বললাম, শা’বী বুরাইদাহ্‌ ইবনু হুসায়ন আল আসলামী (রাঃ)-এর সূত্রে বর্ণনা করেন যে, কুদৃষ্টি বা বিচ্ছু দংশন ব্যতীত অন্য বিষয়ে ঝাড়ফুঁক করানো উচিত নয়। তিনি বললেন, ভাল বলেছেন। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণনা করেছেন যে, স্বপ্নে আমার সামনে সকল নাবীদের উপস্থিত করা হয়। অতঃপর তখন কোন কোন নাবীকে দেখলাম যে, তাঁর সঙ্গে ছোট্ট একটি দল রয়েছে; আর কাউকে দেখলাম, তাঁর সঙ্গে একজন কিংবা দু’জন লোক আবার কেউ এমনও ছিলেন যে, তাঁর সাথে কেউ নেই। হঠাৎ আমার সামনে এক বিরাট দল দেখা গেল। মনে হলো, এরা আমার উম্মাত। তখন আমাকে বলা হলো, ইনি মূসা (‘আঃ) ও তাঁর উম্মাত; তবে আপনি ওপর দিগন্তে তাকিয়ে দেখুন। আমি ওদিকে তাকালাম, দেখি বিরাট একদল, আবার বলা হলো, আপনি ওপর দিগন্তে তাকিয়ে দেখুন, (আমি ওদিকে তাকিয়ে দেখলাম) এক বিরাট দল। বলা হলো, এরা আপনার উম্মাত। এদের মধ্যে সত্তর হাজার এমন লোক আছে যারা শাস্তি ব্যতীত ও হিসাব ছাড়াই জান্নাতে প্রবেশ করবে। এ বলে রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাঁড়ালেন, অতঃপর তাঁর ঘরে চলে গেলেন। তারা উপস্থিত সহাবাগণ তখন এ হিসাব ও ‘আযাববিহীন জান্নাতে প্রবেশকারী কারা হবেন? এ নিয়ে আলোচনা শুরু করলেন। কেউ বললেন, তাঁরা রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহাবা। কেউ বললেন, তারা সে সব লোক যারা ইসলামের উপর জন্মলাভ করেছে এবং আল্লাহর সঙ্গে কোন প্রকার শির্‌ক করেনি এবং তাঁরা বহু জিনিসের উল্লেখ করলেন। তারপর রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁদের কাছে বেরিয়ে এলেন এবং বললেনঃ তোমরা কী নিয়ে আলোচনা করছিলে? সবাই বিষয়টি (খুলে) বললেন। তখন রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁদের বললেনঃ এরা সে সব লোক যারা ঝাড়ফুঁক করে না বা তা গ্রহণও করে না, পাখি উড়িয়ে শুভাশুভের লক্ষণ মানে না বরং সর্বদাই আল্লাহর উপর নির্ভর করে। তখন ‘উক্কাশাহ্ ইবনু মিহসান (রাঃ) দাঁড়িয়ে বললেন, আমার জন্যে দু’আ করুন, আল্লাহ যেন আমাকে তাদের অন্তর্ভুক্ত করে নেন। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি তাদেরই একজন থাকবে। তারপর আরেক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমার জন্যও দু’আ করুন, আল্লাহ যেন আমাকেও তাদের অন্তর্ভুক্ত করে নেন। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উত্তর : এ সুযোগ লাভ ‘উক্কাশাহ্ তোমার চাইতে অগ্রগামী হয়ে গেছে। (ই.ফা. ৪২০; ই.সে. ৪৩৪)

হুসায়ন ইবনু ‘আবদুর রহমান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি সা’ঈদ ইবনু যুবায়র-এর কাছে উপস্থিত ছিলাম। তখন তিনি প্রশ্ন করলেন, তোমাদের মধ্য হতে কেউ রাতে যে তারকাটি বিচ্যুত হয়েছিল তা দেখেছ কি? আমি বললাম, আমি দেখেছি। অবশ্য আমি রাতের সলাতে রত ছিলাম না; আমাকে বিচ্ছু দংশন করেছিল। সা’ঈদ বললেন, দংশন করার পর তুমি কী করেছিলে? আমি বললাম, ঝাড়ফুঁক করিয়েছি। তিনি বললেন, তোমাকে এ ঝাঁড়ফুক গ্রহণে কিসে উদ্বুদ্ধ করল? আমি বললাম, সে হাদীস যা আমাদেরকে শা’বী বর্ণনা করেছেন। তিনি বললেন, শা’বী কী হাদীস বর্ণনা করেছেন? আমি বললাম, শা’বী বুরাইদাহ্‌ ইবনু হুসায়ন আল আসলামী (রাঃ)-এর সূত্রে বর্ণনা করেন যে, কুদৃষ্টি বা বিচ্ছু দংশন ব্যতীত অন্য বিষয়ে ঝাড়ফুঁক করানো উচিত নয়। তিনি বললেন, ভাল বলেছেন। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণনা করেছেন যে, স্বপ্নে আমার সামনে সকল নাবীদের উপস্থিত করা হয়। অতঃপর তখন কোন কোন নাবীকে দেখলাম যে, তাঁর সঙ্গে ছোট্ট একটি দল রয়েছে; আর কাউকে দেখলাম, তাঁর সঙ্গে একজন কিংবা দু’জন লোক আবার কেউ এমনও ছিলেন যে, তাঁর সাথে কেউ নেই। হঠাৎ আমার সামনে এক বিরাট দল দেখা গেল। মনে হলো, এরা আমার উম্মাত। তখন আমাকে বলা হলো, ইনি মূসা (‘আঃ) ও তাঁর উম্মাত; তবে আপনি ওপর দিগন্তে তাকিয়ে দেখুন। আমি ওদিকে তাকালাম, দেখি বিরাট একদল, আবার বলা হলো, আপনি ওপর দিগন্তে তাকিয়ে দেখুন, (আমি ওদিকে তাকিয়ে দেখলাম) এক বিরাট দল। বলা হলো, এরা আপনার উম্মাত। এদের মধ্যে সত্তর হাজার এমন লোক আছে যারা শাস্তি ব্যতীত ও হিসাব ছাড়াই জান্নাতে প্রবেশ করবে। এ বলে রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাঁড়ালেন, অতঃপর তাঁর ঘরে চলে গেলেন। তারা উপস্থিত সহাবাগণ তখন এ হিসাব ও ‘আযাববিহীন জান্নাতে প্রবেশকারী কারা হবেন? এ নিয়ে আলোচনা শুরু করলেন। কেউ বললেন, তাঁরা রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহাবা। কেউ বললেন, তারা সে সব লোক যারা ইসলামের উপর জন্মলাভ করেছে এবং আল্লাহর সঙ্গে কোন প্রকার শির্‌ক করেনি এবং তাঁরা বহু জিনিসের উল্লেখ করলেন। তারপর রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁদের কাছে বেরিয়ে এলেন এবং বললেনঃ তোমরা কী নিয়ে আলোচনা করছিলে? সবাই বিষয়টি (খুলে) বললেন। তখন রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁদের বললেনঃ এরা সে সব লোক যারা ঝাড়ফুঁক করে না বা তা গ্রহণও করে না, পাখি উড়িয়ে শুভাশুভের লক্ষণ মানে না বরং সর্বদাই আল্লাহর উপর নির্ভর করে। তখন ‘উক্কাশাহ্ ইবনু মিহসান (রাঃ) দাঁড়িয়ে বললেন, আমার জন্যে দু’আ করুন, আল্লাহ যেন আমাকে তাদের অন্তর্ভুক্ত করে নেন। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি তাদেরই একজন থাকবে। তারপর আরেক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমার জন্যও দু’আ করুন, আল্লাহ যেন আমাকেও তাদের অন্তর্ভুক্ত করে নেন। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উত্তর : এ সুযোগ লাভ ‘উক্কাশাহ্ তোমার চাইতে অগ্রগামী হয়ে গেছে। (ই.ফা. ৪২০; ই.সে. ৪৩৪)

حدثنا سعيد بن منصور، حدثنا هشيم، أخبرنا حصين بن عبد الرحمن، قال كنت عند سعيد بن جبير فقال أيكم رأى الكوكب الذي انقض البارحة قلت أنا ‏.‏ ثم قلت أما إني لم أكن في صلاة ولكني لدغت ‏.‏ قال فماذا صنعت قلت استرقيت ‏.‏ قال فما حملك على ذلك قلت حديث حدثناه الشعبي ‏.‏ فقال وما حدثكم الشعبي قلت حدثنا عن بريدة بن حصيب الأسلمي أنه قال لا رقية إلا من عين أو حمة ‏.‏ فقال قد أحسن من انتهى إلى ما سمع ولكن حدثنا ابن عباس عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ عرضت على الأمم فرأيت النبي ومعه الرهيط والنبي ومعه الرجل والرجلان والنبي ليس معه أحد إذ رفع لي سواد عظيم فظننت أنهم أمتي فقيل لي هذا موسى صلى الله عليه وسلم وقومه ولكن انظر إلى الأفق ‏.‏ فنظرت فإذا سواد عظيم فقيل لي انظر إلى الأفق الآخر ‏.‏ فإذا سواد عظيم فقيل لي هذه أمتك ومعهم سبعون ألفا يدخلون الجنة بغير حساب ولا عذاب ‏"‏ ‏.‏ ثم نهض فدخل منزله فخاض الناس في أولئك الذين يدخلون الجنة بغير حساب ولا عذاب فقال بعضهم فلعلهم الذين صحبوا رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ وقال بعضهم فلعلهم الذين ولدوا في الإسلام ولم يشركوا بالله ‏.‏ وذكروا أشياء فخرج عليهم رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ ما الذي تخوضون فيه ‏"‏ ‏.‏ فأخبروه فقال ‏"‏ هم الذين لا يرقون ولا يسترقون ولا يتطيرون وعلى ربهم يتوكلون ‏"‏ ‏.‏ فقام عكاشة بن محصن فقال ادع الله أن يجعلني منهم ‏.‏ فقال ‏"‏ أنت منهم ‏"‏ ثم قام رجل آخر فقال ادع الله أن يجعلني منهم ‏.‏ فقال ‏"‏ سبقك بها عكاشة ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম > জান্নাতীদের অর্ধাংশ এ উম্মাতের (মুহাম্মাদীর) অন্তর্ভুক্ত

সহিহ মুসলিম ৪১৮

حدثنا محمد بن المثنى، ومحمد بن بشار، - واللفظ لابن المثنى - قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن أبي إسحاق، عن عمرو بن ميمون، عن عبد الله، قال كنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في قبة نحوا من أربعين رجلا فقال ‏"‏ أترضون أن تكونوا ربع أهل الجنة قال قلنا نعم ‏.‏ فقال ‏"‏ أترضون أن تكونوا ثلث أهل الجنة ‏"‏ فقلنا نعم ‏.‏ فقال ‏"‏ والذي نفسي بيده إني لأرجو أن تكونوا نصف أهل الجنة وذاك أن الجنة لا يدخلها إلا نفس مسلمة وما أنتم في أهل الشرك إلا كالشعرة البيضاء في جلد الثور الأسود أو كالشعرة السوداء في جلد الثور الأحمر ‏"‏ ‏.‏

‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা প্রায় চল্লিশজনের মতো রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে একটি তাঁবুতে অবস্থান করছিলাম। তখন রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমরা কি এতে সন্তুষ্ট যে, তোমরা জান্নাতীদের এক চতুর্থাংশ হবে? আমরা বললাম, হ্যাঁ। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা কি এতে সন্তুষ্ট যে, তোমরা জান্নাতীদের এক তৃতীয়াংশ হবে? আমরা বললাম, হ্যাঁ। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, কসম তাঁর যাঁর হাতে আমার প্রাণ! আমি আশা করি যে, অবশ্যই তোমরা জান্নাতীদের অর্ধেক হবে। কেননা, কেবল মুসলিমই সেখানে প্রবেশের অনুমতি লাভ করবে। আর মুশরিকদের মধ্যে তোমাদের অবস্থান হবে, যেমন কাল ষাঁড়ের গায়ে একটি সাদা পশম অথবা লাল ষাঁড়ের গায়ে একটি কালো পশমের মতো। (ই.ফা. ৪২৩; ই.সে. ৪৩৭)

‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা প্রায় চল্লিশজনের মতো রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে একটি তাঁবুতে অবস্থান করছিলাম। তখন রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমরা কি এতে সন্তুষ্ট যে, তোমরা জান্নাতীদের এক চতুর্থাংশ হবে? আমরা বললাম, হ্যাঁ। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা কি এতে সন্তুষ্ট যে, তোমরা জান্নাতীদের এক তৃতীয়াংশ হবে? আমরা বললাম, হ্যাঁ। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, কসম তাঁর যাঁর হাতে আমার প্রাণ! আমি আশা করি যে, অবশ্যই তোমরা জান্নাতীদের অর্ধেক হবে। কেননা, কেবল মুসলিমই সেখানে প্রবেশের অনুমতি লাভ করবে। আর মুশরিকদের মধ্যে তোমাদের অবস্থান হবে, যেমন কাল ষাঁড়ের গায়ে একটি সাদা পশম অথবা লাল ষাঁড়ের গায়ে একটি কালো পশমের মতো। (ই.ফা. ৪২৩; ই.সে. ৪৩৭)

حدثنا محمد بن المثنى، ومحمد بن بشار، - واللفظ لابن المثنى - قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن أبي إسحاق، عن عمرو بن ميمون، عن عبد الله، قال كنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في قبة نحوا من أربعين رجلا فقال ‏"‏ أترضون أن تكونوا ربع أهل الجنة قال قلنا نعم ‏.‏ فقال ‏"‏ أترضون أن تكونوا ثلث أهل الجنة ‏"‏ فقلنا نعم ‏.‏ فقال ‏"‏ والذي نفسي بيده إني لأرجو أن تكونوا نصف أهل الجنة وذاك أن الجنة لا يدخلها إلا نفس مسلمة وما أنتم في أهل الشرك إلا كالشعرة البيضاء في جلد الثور الأسود أو كالشعرة السوداء في جلد الثور الأحمر ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪১৭

حدثنا هناد بن السري، حدثنا أبو الأحوص، عن أبي إسحاق، عن عمرو بن ميمون، عن عبد الله، قال قال لنا رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أما ترضون أن تكونوا ربع أهل الجنة ‏"‏ قال فكبرنا ‏.‏ ثم قال ‏"‏ أما ترضون أن تكونوا ثلث أهل الجنة ‏"‏ قال فكبرنا ‏.‏ ثم قال ‏"‏ إني لأرجو أن تكونوا شطر أهل الجنة وسأخبركم عن ذلك ما المسلمون في الكفار إلا كشعرة بيضاء في ثور أسود أو كشعرة سوداء في ثور أبيض ‏"‏ ‏.‏

‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের জিজ্ঞেস করলেন যে, তোমরা কি এতে সন্তুষ্ট যে, তোমরাই জান্নাতবাসীদের এক চতুর্থাংশ হবে? (‘আবদুল্লাহ বলেন) এ শুনে আমরা (খুশিতে) ‘আল্ল-হু আকবার’ ধ্বনি দিলাম। অতঃপর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা কি এতে সন্তুষ্ট যে, তোমরাই জান্নাতবাসীদের এক তৃতীয়াংশ হবে? সহাবা বলেন, আমরা আবার ‘আল্ল-হু আকবার’ ধ্বনি দিলাম। তারপর রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তবে আমি আশা করি তোমরাই জান্নাতবাসীদের অর্ধেক হবে। আর এ সম্পর্কে তোমাদের অচিরেই বলছি : কাফিরদের ভীড়ে তোমাদের অবস্থান এমনই স্পষ্ট হবে, যেমন কালো ষাঁড়ের গায়ে একটি সাদা পশম অথবা একটি শ্বেত ষাঁড়ের গায়ে কালো পশম। (ই.ফা. ৪২২; ই.সে. ৪৩৬)

‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের জিজ্ঞেস করলেন যে, তোমরা কি এতে সন্তুষ্ট যে, তোমরাই জান্নাতবাসীদের এক চতুর্থাংশ হবে? (‘আবদুল্লাহ বলেন) এ শুনে আমরা (খুশিতে) ‘আল্ল-হু আকবার’ ধ্বনি দিলাম। অতঃপর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা কি এতে সন্তুষ্ট যে, তোমরাই জান্নাতবাসীদের এক তৃতীয়াংশ হবে? সহাবা বলেন, আমরা আবার ‘আল্ল-হু আকবার’ ধ্বনি দিলাম। তারপর রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তবে আমি আশা করি তোমরাই জান্নাতবাসীদের অর্ধেক হবে। আর এ সম্পর্কে তোমাদের অচিরেই বলছি : কাফিরদের ভীড়ে তোমাদের অবস্থান এমনই স্পষ্ট হবে, যেমন কালো ষাঁড়ের গায়ে একটি সাদা পশম অথবা একটি শ্বেত ষাঁড়ের গায়ে কালো পশম। (ই.ফা. ৪২২; ই.সে. ৪৩৬)

حدثنا هناد بن السري، حدثنا أبو الأحوص، عن أبي إسحاق، عن عمرو بن ميمون، عن عبد الله، قال قال لنا رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أما ترضون أن تكونوا ربع أهل الجنة ‏"‏ قال فكبرنا ‏.‏ ثم قال ‏"‏ أما ترضون أن تكونوا ثلث أهل الجنة ‏"‏ قال فكبرنا ‏.‏ ثم قال ‏"‏ إني لأرجو أن تكونوا شطر أهل الجنة وسأخبركم عن ذلك ما المسلمون في الكفار إلا كشعرة بيضاء في ثور أسود أو كشعرة سوداء في ثور أبيض ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪১৯

حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا أبي، حدثنا مالك، - وهو ابن مغول - عن أبي إسحاق، عن عمرو بن ميمون، عن عبد الله، قال خطبنا رسول الله صلى الله عليه وسلم فأسند ظهره إلى قبة أدم فقال ‏"‏ ألا لا يدخل الجنة إلا نفس مسلمة اللهم هل بلغت اللهم اشهد ‏.‏ أتحبون أنكم ربع أهل الجنة ‏"‏ ‏.‏ فقلنا نعم يا رسول الله ‏.‏ فقال ‏"‏ أتحبون أن تكونوا ثلث أهل الجنة ‏"‏ ‏.‏ قالوا نعم يا رسول الله ‏.‏ قال ‏"‏ إني لأرجو أن تكونوا شطر أهل الجنة ما أنتم في سواكم من الأمم إلا كالشعرة السوداء في الثور الأبيض أو كالشعرة البيضاء في الثور الأسود ‏"‏ ‏.‏

‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিলেন। তিনি তাঁর পৃষ্ঠদেশের সাহায্যে চামড়ার তাঁবুর সাথে হেলান দেয়া ছিলেন। তিনি বললেনঃ সাবধান, মুসলিম ব্যতীত কেউই জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না। অতঃপর তিনি বললেন, হে আল্লাহ! আমি কি (অর্পিত দায়িত্ব) পৌছিয়েছি? হে আল্লাহ! তুমি সাক্ষী থাকো, তোমরা কি এটা পছন্দ করবে যে, তোমরা জান্নাতীদের এক চতুর্থাংশ হবে? আমরা বললাম, হ্যাঁ! হে আল্লাহর রসূল! অতঃপর তিনি বললেনঃ তোমরা কি এটা পছন্দ করবে যে, তোমরা জান্নাতীদের এক তৃতীয়াংশ হবে? তারা বলল, হ্যাঁ; হে আল্লাহর রসূল! তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হ্যাঁ, নিশ্চয়ই আমি আশা রাখি যে, তোমরা হবে জান্নাতীদের অর্ধেক। বস্তুতঃ অন্যান্য উম্মাতের তুলনায় তোমাদের সংখ্যা হবে সাদা বলদের মধ্যে একটি কালো পশমের মতো অথবা তিনি বলেছেনঃ কালো বলদের মধ্যে একটি সাদা পশমের মতো। (ই.ফা. ৪২৪; ই.সে. ৪৩৮)

‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিলেন। তিনি তাঁর পৃষ্ঠদেশের সাহায্যে চামড়ার তাঁবুর সাথে হেলান দেয়া ছিলেন। তিনি বললেনঃ সাবধান, মুসলিম ব্যতীত কেউই জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না। অতঃপর তিনি বললেন, হে আল্লাহ! আমি কি (অর্পিত দায়িত্ব) পৌছিয়েছি? হে আল্লাহ! তুমি সাক্ষী থাকো, তোমরা কি এটা পছন্দ করবে যে, তোমরা জান্নাতীদের এক চতুর্থাংশ হবে? আমরা বললাম, হ্যাঁ! হে আল্লাহর রসূল! অতঃপর তিনি বললেনঃ তোমরা কি এটা পছন্দ করবে যে, তোমরা জান্নাতীদের এক তৃতীয়াংশ হবে? তারা বলল, হ্যাঁ; হে আল্লাহর রসূল! তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হ্যাঁ, নিশ্চয়ই আমি আশা রাখি যে, তোমরা হবে জান্নাতীদের অর্ধেক। বস্তুতঃ অন্যান্য উম্মাতের তুলনায় তোমাদের সংখ্যা হবে সাদা বলদের মধ্যে একটি কালো পশমের মতো অথবা তিনি বলেছেনঃ কালো বলদের মধ্যে একটি সাদা পশমের মতো। (ই.ফা. ৪২৪; ই.সে. ৪৩৮)

حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا أبي، حدثنا مالك، - وهو ابن مغول - عن أبي إسحاق، عن عمرو بن ميمون، عن عبد الله، قال خطبنا رسول الله صلى الله عليه وسلم فأسند ظهره إلى قبة أدم فقال ‏"‏ ألا لا يدخل الجنة إلا نفس مسلمة اللهم هل بلغت اللهم اشهد ‏.‏ أتحبون أنكم ربع أهل الجنة ‏"‏ ‏.‏ فقلنا نعم يا رسول الله ‏.‏ فقال ‏"‏ أتحبون أن تكونوا ثلث أهل الجنة ‏"‏ ‏.‏ قالوا نعم يا رسول الله ‏.‏ قال ‏"‏ إني لأرجو أن تكونوا شطر أهل الجنة ما أنتم في سواكم من الأمم إلا كالشعرة السوداء في الثور الأبيض أو كالشعرة البيضاء في الثور الأسود ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম > মহান আল্লাহ আদাম (‘আঃ)-কে বলবেন : “যারা জাহান্নামে প্রেরিত হয়েছে তাদের প্রত্যেক এক হাজারের মধ্যে নয়শত নিরানব্বই জনকে বের করে আনো”

সহিহ মুসলিম ৪২১

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، ح وحدثنا أبو كريب، حدثنا أبو معاوية، كلاهما عن الأعمش، بهذا الإسناد غير أنهما قالا ‏"‏ ما أنتم يومئذ في الناس إلا كالشعرة البيضاء في الثور الأسود أو كالشعرة السوداء في الثور الأبيض ‏"‏ ‏.‏ ولم يذكرا ‏"‏ أو كالرقمة في ذراع الحمار ‏"‏ ‏.‏

আ’মাশ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

উক্ত সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তাঁরা উভয়ে বর্ণনা করেন, “তোমরা সকল মানুষের মধ্যে কালো ষাঁড়ের গায়ে একটি সাদা পশমের মতো হবে অথবা সাদা ষাঁড়ের গায়ে কালো পশমের মতো হবে।” তাঁরা “গাধার পায়ের চিহ্নের মতো” এ কথা উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ৪২৬; ই.সে. ৪৪০)

আ’মাশ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

উক্ত সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তাঁরা উভয়ে বর্ণনা করেন, “তোমরা সকল মানুষের মধ্যে কালো ষাঁড়ের গায়ে একটি সাদা পশমের মতো হবে অথবা সাদা ষাঁড়ের গায়ে কালো পশমের মতো হবে।” তাঁরা “গাধার পায়ের চিহ্নের মতো” এ কথা উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ৪২৬; ই.সে. ৪৪০)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، ح وحدثنا أبو كريب، حدثنا أبو معاوية، كلاهما عن الأعمش، بهذا الإسناد غير أنهما قالا ‏"‏ ما أنتم يومئذ في الناس إلا كالشعرة البيضاء في الثور الأسود أو كالشعرة السوداء في الثور الأبيض ‏"‏ ‏.‏ ولم يذكرا ‏"‏ أو كالرقمة في ذراع الحمار ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪২০

حدثنا عثمان بن أبي شيبة العبسي، حدثنا جرير، عن الأعمش، عن أبي صالح، عن أبي سعيد، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ يقول الله عز وجل يا آدم فيقول لبيك وسعديك والخير في يديك - قال - يقول أخرج بعث النار ‏.‏ قال وما بعث النار قال من كل ألف تسعمائة وتسعة وتسعين ‏.‏ قال فذاك حين يشيب الصغير وتضع كل ذات حمل حملها وترى الناس سكارى وما هم بسكارى ولكن عذاب الله شديد ‏"‏ ‏.‏ قال فاشتد ذلك عليهم ‏.‏ قالوا يا رسول الله أينا ذلك الرجل فقال ‏"‏ أبشروا فإن من يأجوج ومأجوج ألفا ومنكم رجل ‏"‏ ‏.‏ قال ثم قال ‏"‏ والذي نفسي بيده إني لأطمع أن تكونوا ربع أهل الجنة ‏"‏ ‏.‏ فحمدنا الله وكبرنا ثم قال ‏"‏ والذي نفسي بيده إني لأطمع أن تكونوا ثلث أهل الجنة ‏"‏ ‏.‏ فحمدنا الله وكبرنا ثم قال ‏"‏ والذي نفسي بيده إني لأطمع أن تكونوا شطر أهل الجنة إن مثلكم في الأمم كمثل الشعرة البيضاء في جلد الثور الأسود أو كالرقمة في ذراع الحمار ‏"‏ ‏.

আবূ সা’ঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মহামহিম আল্লাহ (কিয়ামাত দিবসে) আহ্বান করবেন, হে আদাম! তিনি উত্তরে বলবেন, আমি আপনার সামনে উপস্থিত, আপনার কাছে শুভ কামনা করি এবং সকল কল্যাণ আপনারই হাতে। মহান আল্লাহ বলবেন : জাহান্নামী দলকে বের কর। আদাম (‘আঃ) জিজ্ঞেস করবেন : জাহান্নামী দল কতজনে? মহান আল্লাহ বলবেন : প্রতি হাজার থেকে নয়শ’ নিরানব্বই। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ এটাই সে মুহূর্ত যখন বালক হয়ে যাবে বৃদ্ধ, সকল গর্ভবতী তাদের গর্ভপাত করে ফেলবে আর মানুষকে দেখবে মাতাল সদৃশ যদিও তারা নেশাগ্রস্ত নয়, বস্তুতঃ আল্লাহর ‘আযাব বড়ই কঠিন। রাবী বলেন, কথাগুলো সহাবাগণের কঠিন মনে হলো। তাঁরা বললেন, ইয়া রসূলাল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমাদের মধ্যে কে সে ব্যক্তি? তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আনন্দিত হও। ইয়া’জূয ও মা’জূযের সংখ্যা এক হাজার হলে তোমাদের সংখ্যা হবে একজন। তারপর রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ কসম সে সত্তার যাঁর হাতে আমার প্রাণ! অবশ্যই আমি আশা রাখি যে, তোমরা জান্নাতীদের এক চতুর্থাংশ হবে। (সহাবা বলেন,) আমরা আল্লাহর প্রশংসা করলাম এবং ‘আল্ল-হু আকবার’ ধ্বনি দিলাম। তারপর আবার তিনি বললেন, শপথ সে সত্তার, যাঁর হাতে আমার জীবন! অবশ্যই আমি আশা রাখি, জান্নাতীদের মধ্যে তোমরা তাদের এক তৃতীয়াংশ হবে। সহাবা বলেন, আমরা বললাম ‘আলহাম্‌দু লিল্লাহ’ এবং ‘আল্ল-হু আকবার’ ধ্বনি দিলাম। তারপর আবার রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ কসম সে সত্তার, যাঁর হাতে আমার প্রাণ! আমি আশা রাখি যে, তোমরা জান্নাতীদের অর্ধেক হবে এবং তোমরা অন্যান্য উম্মাতের মধ্যে কালো ষাঁড়ের গায়ে একটি সাদা পশমের ন্যায় অথবা গাধার পায়ের চিহ্নের সদৃশ। (ই.ফা. ৪২৫; ই.সে. ৪৩৯)

আবূ সা’ঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মহামহিম আল্লাহ (কিয়ামাত দিবসে) আহ্বান করবেন, হে আদাম! তিনি উত্তরে বলবেন, আমি আপনার সামনে উপস্থিত, আপনার কাছে শুভ কামনা করি এবং সকল কল্যাণ আপনারই হাতে। মহান আল্লাহ বলবেন : জাহান্নামী দলকে বের কর। আদাম (‘আঃ) জিজ্ঞেস করবেন : জাহান্নামী দল কতজনে? মহান আল্লাহ বলবেন : প্রতি হাজার থেকে নয়শ’ নিরানব্বই। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ এটাই সে মুহূর্ত যখন বালক হয়ে যাবে বৃদ্ধ, সকল গর্ভবতী তাদের গর্ভপাত করে ফেলবে আর মানুষকে দেখবে মাতাল সদৃশ যদিও তারা নেশাগ্রস্ত নয়, বস্তুতঃ আল্লাহর ‘আযাব বড়ই কঠিন। রাবী বলেন, কথাগুলো সহাবাগণের কঠিন মনে হলো। তাঁরা বললেন, ইয়া রসূলাল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমাদের মধ্যে কে সে ব্যক্তি? তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আনন্দিত হও। ইয়া’জূয ও মা’জূযের সংখ্যা এক হাজার হলে তোমাদের সংখ্যা হবে একজন। তারপর রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ কসম সে সত্তার যাঁর হাতে আমার প্রাণ! অবশ্যই আমি আশা রাখি যে, তোমরা জান্নাতীদের এক চতুর্থাংশ হবে। (সহাবা বলেন,) আমরা আল্লাহর প্রশংসা করলাম এবং ‘আল্ল-হু আকবার’ ধ্বনি দিলাম। তারপর আবার তিনি বললেন, শপথ সে সত্তার, যাঁর হাতে আমার জীবন! অবশ্যই আমি আশা রাখি, জান্নাতীদের মধ্যে তোমরা তাদের এক তৃতীয়াংশ হবে। সহাবা বলেন, আমরা বললাম ‘আলহাম্‌দু লিল্লাহ’ এবং ‘আল্ল-হু আকবার’ ধ্বনি দিলাম। তারপর আবার রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ কসম সে সত্তার, যাঁর হাতে আমার প্রাণ! আমি আশা রাখি যে, তোমরা জান্নাতীদের অর্ধেক হবে এবং তোমরা অন্যান্য উম্মাতের মধ্যে কালো ষাঁড়ের গায়ে একটি সাদা পশমের ন্যায় অথবা গাধার পায়ের চিহ্নের সদৃশ। (ই.ফা. ৪২৫; ই.সে. ৪৩৯)

حدثنا عثمان بن أبي شيبة العبسي، حدثنا جرير، عن الأعمش، عن أبي صالح، عن أبي سعيد، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ يقول الله عز وجل يا آدم فيقول لبيك وسعديك والخير في يديك - قال - يقول أخرج بعث النار ‏.‏ قال وما بعث النار قال من كل ألف تسعمائة وتسعة وتسعين ‏.‏ قال فذاك حين يشيب الصغير وتضع كل ذات حمل حملها وترى الناس سكارى وما هم بسكارى ولكن عذاب الله شديد ‏"‏ ‏.‏ قال فاشتد ذلك عليهم ‏.‏ قالوا يا رسول الله أينا ذلك الرجل فقال ‏"‏ أبشروا فإن من يأجوج ومأجوج ألفا ومنكم رجل ‏"‏ ‏.‏ قال ثم قال ‏"‏ والذي نفسي بيده إني لأطمع أن تكونوا ربع أهل الجنة ‏"‏ ‏.‏ فحمدنا الله وكبرنا ثم قال ‏"‏ والذي نفسي بيده إني لأطمع أن تكونوا ثلث أهل الجنة ‏"‏ ‏.‏ فحمدنا الله وكبرنا ثم قال ‏"‏ والذي نفسي بيده إني لأطمع أن تكونوا شطر أهل الجنة إن مثلكم في الأمم كمثل الشعرة البيضاء في جلد الثور الأسود أو كالرقمة في ذراع الحمار ‏"‏ ‏.


লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00