সহিহ মুসলিম > কাফির অবস্থায় মৃত্যুবরণকারী জাহান্নামী, সে কোন শাফা’আত পাবে না এবং আল্লাহর নৈকট্য লাভকারী বান্দার সাথে আত্মীয়তাঁর সম্পর্কও তার উপকারে আসবে না।

সহিহ মুসলিম ৩৮৮

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عفان، حدثنا حماد بن سلمة، عن ثابت، عن أنس، أن رجلا، قال يا رسول الله أين أبي قال ‏"‏ في النار ‏"‏ ‏.‏ فلما قفى دعاه فقال ‏"‏ إن أبي وأباك في النار ‏"‏ ‏.‏

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

জনৈক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহর রসূল। আমার পিতা কোথায় আছেন ( জান্নাতে না জাহান্নামে)? রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, জাহান্নামে। বর্ণনাকারী বলেন, লোকটি যখন চলে যেতে লাগল, তিনি ডাকলেন এবং বললেন, আমার পিতা এবং তোমার পিতা জাহান্নামে। (ই.ফা. ৩৯৪; ই.সে. ৪০৭)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

জনৈক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহর রসূল। আমার পিতা কোথায় আছেন ( জান্নাতে না জাহান্নামে)? রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, জাহান্নামে। বর্ণনাকারী বলেন, লোকটি যখন চলে যেতে লাগল, তিনি ডাকলেন এবং বললেন, আমার পিতা এবং তোমার পিতা জাহান্নামে। (ই.ফা. ৩৯৪; ই.সে. ৪০৭)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عفان، حدثنا حماد بن سلمة، عن ثابت، عن أنس، أن رجلا، قال يا رسول الله أين أبي قال ‏"‏ في النار ‏"‏ ‏.‏ فلما قفى دعاه فقال ‏"‏ إن أبي وأباك في النار ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম > মহান আল্লাহর বাণীঃ “ তোমার নিকটাত্মীয়দেরকে সতর্ক করে দাও” (সূরাহ্‌ আশ্‌ শু’আরা ২৬ : ২১৪)

সহিহ মুসলিম ৩৯৪

حدثنا أبو كامل الجحدري، حدثنا يزيد بن زريع، حدثنا التيمي، عن أبي عثمان، عن قبيصة بن المخارق، وزهير بن عمرو، قالا لما نزلت ‏{‏ وأنذر عشيرتك الأقربين‏}‏ قال انطلق نبي الله صلى الله عليه وسلم إلى رضمة من جبل فعلا أعلاها حجرا ثم نادى ‏"‏ يا بني عبد منافاه إني نذير إنما مثلي ومثلكم كمثل رجل رأى العدو فانطلق يربأ أهله فخشي أن يسبقوه فجعل يهتف يا صباحاه ‏"‏ ‏.‏

কাবীসাহ্‌ ইবনু মুখারিক ও যুহায়র ইবনু ‘আম্‌র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তাঁরা বলেন, যখন এ মর্মে আয়াত নাযিল হয়, “তোমার নিকটাত্মীয়বর্গকে সতর্ক করে দাও” -(সূরাহ্‌ আশ্‌ শু’আরা ২৬ : ২১৪)। তখন রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পর্বতের বৃহদাকার পাথরের দিকে গেলেন এবং তার মধ্যে সবচেয়ে বৃহত্তর প্রস্তর খণ্ডে আরোহণ করলেন। এরপর তিনি আহ্বান জানালেন, ওহে ‘আব্‌দ মানাফ-এর বংশধর! আমি ( তোমাদের) সতর্ককারী। আমার ও তোমাদের উপমা হলো, এমন এক ব্যক্তির ন্যায়, যে শত্রুকে দেখতে পেয়ে তার লোকদের রক্ষা করার জন্য অগ্রসর হলো, পরে সে আশঙ্কা করল যে, শত্রু তার আগেই এসে যাবে। তখন সে ‘ইয়া সাবাহ্‌’ ( হায় মন্দ প্রভাত!) বলে চিৎকার শুরু করল। (ই.ফা. ৪০০; ই.সে. ৪১৩)

কাবীসাহ্‌ ইবনু মুখারিক ও যুহায়র ইবনু ‘আম্‌র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তাঁরা বলেন, যখন এ মর্মে আয়াত নাযিল হয়, “তোমার নিকটাত্মীয়বর্গকে সতর্ক করে দাও” -(সূরাহ্‌ আশ্‌ শু’আরা ২৬ : ২১৪)। তখন রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পর্বতের বৃহদাকার পাথরের দিকে গেলেন এবং তার মধ্যে সবচেয়ে বৃহত্তর প্রস্তর খণ্ডে আরোহণ করলেন। এরপর তিনি আহ্বান জানালেন, ওহে ‘আব্‌দ মানাফ-এর বংশধর! আমি ( তোমাদের) সতর্ককারী। আমার ও তোমাদের উপমা হলো, এমন এক ব্যক্তির ন্যায়, যে শত্রুকে দেখতে পেয়ে তার লোকদের রক্ষা করার জন্য অগ্রসর হলো, পরে সে আশঙ্কা করল যে, শত্রু তার আগেই এসে যাবে। তখন সে ‘ইয়া সাবাহ্‌’ ( হায় মন্দ প্রভাত!) বলে চিৎকার শুরু করল। (ই.ফা. ৪০০; ই.সে. ৪১৩)

حدثنا أبو كامل الجحدري، حدثنا يزيد بن زريع، حدثنا التيمي، عن أبي عثمان، عن قبيصة بن المخارق، وزهير بن عمرو، قالا لما نزلت ‏{‏ وأنذر عشيرتك الأقربين‏}‏ قال انطلق نبي الله صلى الله عليه وسلم إلى رضمة من جبل فعلا أعلاها حجرا ثم نادى ‏"‏ يا بني عبد منافاه إني نذير إنما مثلي ومثلكم كمثل رجل رأى العدو فانطلق يربأ أهله فخشي أن يسبقوه فجعل يهتف يا صباحاه ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৩৯০

وحدثنا عبيد الله بن عمر القواريري، حدثنا أبو عوانة، عن عبد الملك بن عمير، بهذا الإسناد وحديث جرير أتم وأشبع ‏.‏

‘আবদুল মালিক ইবনু ‘উমার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

অনুরূপ বর্ণনা করেছেন; তবে জারীর বর্ণিত হাদীসটি সম্পূর্ণ ও পরিপূর্ণ। (ই.ফা. ৩৯৬; ই.সে. ৪০৯)

‘আবদুল মালিক ইবনু ‘উমার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

অনুরূপ বর্ণনা করেছেন; তবে জারীর বর্ণিত হাদীসটি সম্পূর্ণ ও পরিপূর্ণ। (ই.ফা. ৩৯৬; ই.সে. ৪০৯)

وحدثنا عبيد الله بن عمر القواريري، حدثنا أبو عوانة، عن عبد الملك بن عمير، بهذا الإسناد وحديث جرير أتم وأشبع ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৩৮৯

حدثنا قتيبة بن سعيد، وزهير بن حرب، قالا حدثنا جرير، عن عبد الملك بن عمير، عن موسى بن طلحة، عن أبي هريرة، قال لما أنزلت هذه الآية ‏{‏ وأنذر عشيرتك الأقربين‏}‏ دعا رسول الله صلى الله عليه وسلم قريشا فاجتمعوا فعم وخص فقال ‏"‏ يا بني كعب بن لؤى أنقذوا أنفسكم من النار يا بني مرة بن كعب أنقذوا أنفسكم من النار يا بني عبد شمس أنقذوا أنفسكم من النار يا بني عبد مناف أنقذوا أنفسكم من النار يا بني هاشم أنقذوا أنفسكم من النار يا بني عبد المطلب أنقذوا أنفسكم من النار يا فاطمة أنقذي نفسك من النار فإني لا أملك لكم من الله شيئا غير أن لكم رحما سأبلها ببلالها ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, তখন এ আয়াত অবতীর্ণ হয়ঃ “তোমার নিকটাত্মীয়বর্গকে সতর্ক করে দাও”। (সূরাহ্‌ আশ্‌ শু’আরা ২৬ : ২১৪)। যখন রসূল্ললাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুরায়শদের ডাকলেন। তারা একত্রিত হলো। তারপর তিনি তাদের সাধারণ ও বিশেষ সকলকে সম্বোধন করে বললেন, হে কা’ব ইবনু লুওয়াই- এর বংশধর! জাহান্নাম থেকে তাদের আত্মরক্ষা কর। ওহে মুর্‌রাহ্‌ ইবনু কা’ব-এর বংশধর! জাহান্নাম থেকে তোমরা আত্মরক্ষা কর। ওহে ‘আব্‌দ শামস্‌ এর বংশধর! জাহান্নাম থেকে তোমরা আত্মরক্ষা কর। ওহে ‘আব্‌দ মানাফ এর বংশধর। জাহান্নাম থেকে তোমরা নিজেদের বাঁচাও। ওহে হাশিমের বংশধর! জাহান্নাম থেকে তোমরা আত্মরক্ষা কর। ওহে ‘আবদুল মুত্তালিব-এর বংশধর! জাহান্নাম থেকে তোমরা নিজেদের বাঁচাও। ওহে ফাতিমাহ্‌! জাহান্নাম থেকে তুমি নিজেকে বাঁচাও। কারণ, আল্লাহর (‘আযাব) থেকে রক্ষা করার ব্যাপারে আমার কোন ক্ষমতা নেই। অবশ্য আমি তোমাদের সঙ্গে আমার আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করব। (ই.ফা. ৩৯৫; ই.সে. ৪০৮)

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, তখন এ আয়াত অবতীর্ণ হয়ঃ “তোমার নিকটাত্মীয়বর্গকে সতর্ক করে দাও”। (সূরাহ্‌ আশ্‌ শু’আরা ২৬ : ২১৪)। যখন রসূল্ললাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুরায়শদের ডাকলেন। তারা একত্রিত হলো। তারপর তিনি তাদের সাধারণ ও বিশেষ সকলকে সম্বোধন করে বললেন, হে কা’ব ইবনু লুওয়াই- এর বংশধর! জাহান্নাম থেকে তাদের আত্মরক্ষা কর। ওহে মুর্‌রাহ্‌ ইবনু কা’ব-এর বংশধর! জাহান্নাম থেকে তোমরা আত্মরক্ষা কর। ওহে ‘আব্‌দ শামস্‌ এর বংশধর! জাহান্নাম থেকে তোমরা আত্মরক্ষা কর। ওহে ‘আব্‌দ মানাফ এর বংশধর। জাহান্নাম থেকে তোমরা নিজেদের বাঁচাও। ওহে হাশিমের বংশধর! জাহান্নাম থেকে তোমরা আত্মরক্ষা কর। ওহে ‘আবদুল মুত্তালিব-এর বংশধর! জাহান্নাম থেকে তোমরা নিজেদের বাঁচাও। ওহে ফাতিমাহ্‌! জাহান্নাম থেকে তুমি নিজেকে বাঁচাও। কারণ, আল্লাহর (‘আযাব) থেকে রক্ষা করার ব্যাপারে আমার কোন ক্ষমতা নেই। অবশ্য আমি তোমাদের সঙ্গে আমার আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করব। (ই.ফা. ৩৯৫; ই.সে. ৪০৮)

حدثنا قتيبة بن سعيد، وزهير بن حرب، قالا حدثنا جرير، عن عبد الملك بن عمير، عن موسى بن طلحة، عن أبي هريرة، قال لما أنزلت هذه الآية ‏{‏ وأنذر عشيرتك الأقربين‏}‏ دعا رسول الله صلى الله عليه وسلم قريشا فاجتمعوا فعم وخص فقال ‏"‏ يا بني كعب بن لؤى أنقذوا أنفسكم من النار يا بني مرة بن كعب أنقذوا أنفسكم من النار يا بني عبد شمس أنقذوا أنفسكم من النار يا بني عبد مناف أنقذوا أنفسكم من النار يا بني هاشم أنقذوا أنفسكم من النار يا بني عبد المطلب أنقذوا أنفسكم من النار يا فاطمة أنقذي نفسك من النار فإني لا أملك لكم من الله شيئا غير أن لكم رحما سأبلها ببلالها ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৩৯১

حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا وكيع، ويونس بن بكير، قالا حدثنا هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة، قالت لما نزلت ‏{‏ وأنذر عشيرتك الأقربين‏}‏ قام رسول الله صلى الله عليه وسلم على الصفا فقال ‏"‏ يا فاطمة بنت محمد يا صفية بنت عبد المطلب يا بني عبد المطلب لا أملك لكم من الله شيئا سلوني من مالي ما شئتم ‏"‏ ‏.‏

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন এ মর্মে আয়াত নাযিল হয়ঃ “তোমার নিকটাত্মীয়বর্গকে সতর্ক করে দাও”-(সূরাহ্‌ আশ্‌ শু’আরা ২৬ : ২১৪)। তখন রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাফা পর্বতের উপর দাঁড়িয়ে বললেন, হে ফাতিমাহ্‌ বিনতু মুহাম্মাদ! হে সাফিয়্যাহ বিনতু ‘আবদুল মুত্তালিব! হে ‘আবদুল মুত্তালিবের বংশধর! আল্লাহর ‘আযাব থেকে তোমাদেরকে রক্ষা করার আমার কোন ক্ষমতা নেই। তোমরা আমার কাছে আমার সম্পদের যা খুশি চাও। (ই.ফা. ৩৯৭; ই.সে. ৪১০)

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন এ মর্মে আয়াত নাযিল হয়ঃ “তোমার নিকটাত্মীয়বর্গকে সতর্ক করে দাও”-(সূরাহ্‌ আশ্‌ শু’আরা ২৬ : ২১৪)। তখন রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাফা পর্বতের উপর দাঁড়িয়ে বললেন, হে ফাতিমাহ্‌ বিনতু মুহাম্মাদ! হে সাফিয়্যাহ বিনতু ‘আবদুল মুত্তালিব! হে ‘আবদুল মুত্তালিবের বংশধর! আল্লাহর ‘আযাব থেকে তোমাদেরকে রক্ষা করার আমার কোন ক্ষমতা নেই। তোমরা আমার কাছে আমার সম্পদের যা খুশি চাও। (ই.ফা. ৩৯৭; ই.সে. ৪১০)

حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا وكيع، ويونس بن بكير، قالا حدثنا هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة، قالت لما نزلت ‏{‏ وأنذر عشيرتك الأقربين‏}‏ قام رسول الله صلى الله عليه وسلم على الصفا فقال ‏"‏ يا فاطمة بنت محمد يا صفية بنت عبد المطلب يا بني عبد المطلب لا أملك لكم من الله شيئا سلوني من مالي ما شئتم ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৩৯৩

وحدثني عمرو الناقد، حدثنا معاوية بن عمرو، حدثنا زائدة، حدثنا عبد الله بن ذكوان، عن الأعرج، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحو هذا ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৩৯৯; ই.সে. ৪১২)

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৩৯৯; ই.সে. ৪১২)

وحدثني عمرو الناقد، حدثنا معاوية بن عمرو، حدثنا زائدة، حدثنا عبد الله بن ذكوان، عن الأعرج، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحو هذا ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৩৯২

وحدثني حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، قال أخبرني يونس، عن ابن شهاب، قال أخبرني ابن المسيب، وأبو سلمة بن عبد الرحمن أن أبا هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم حين أنزل عليه ‏{‏ وأنذر عشيرتك الأقربين‏}‏ ‏"‏ يا معشر قريش اشتروا أنفسكم من الله لا أغني عنكم من الله شيئا يا بني عبد المطلب لا أغني عنكم من الله شيئا يا عباس بن عبد المطلب لا أغني عنك من الله شيئا يا صفية عمة رسول الله لا أغني عنك من الله شيئا يا فاطمة بنت رسول الله سليني بما شئت لا أغني عنك من الله شيئا ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন এ মর্মে আয়াত অবতীর্ণ হলো (অর্থ) “তোমার নিকটাত্মীয়বর্গকে সতর্ক করে দাও”-(সূরাহ্‌ আশ্‌ শু’আরা ২৬ : ২১৪)। তখন রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হে কুরায়শগণ! আল্লাহর (‘আযাব) থেকে তোমরা নিজেদের কিনে নাও (বাঁচাও)। আল্লাহর (‘আযাব) থেকে তোমাদের রক্ষা করার কোন ক্ষমতা আমার নেই। ওহে ‘আবদুল মুত্তালিব-এর বংশধর! তোমাদের আমি রক্ষা করতে পারব না। হে ‘আব্বাস ইবনু ‘আবদুল মুত্তালিব! তোমাকেও আমি রক্ষা কতে পারব না। হে সাফিয়্যাহ্‌ রসূলুল্লাহ্‌র ফুপু আমি আল্লাহর (‘আযাব) থেকে তোমার কোন উপকার করতে পারব না। হে রসূলুল্লাহ্‌র কন্যা ফাতিমাহ্‌! তোমার যা ইচ্ছা চাও। আল্লাহর (‘আযাব) থেকে আমি তোমাকে রক্ষা করতে পারবো না। (ই.ফা. ৩৯৮; ই.সে. ৪১১)

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন এ মর্মে আয়াত অবতীর্ণ হলো (অর্থ) “তোমার নিকটাত্মীয়বর্গকে সতর্ক করে দাও”-(সূরাহ্‌ আশ্‌ শু’আরা ২৬ : ২১৪)। তখন রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হে কুরায়শগণ! আল্লাহর (‘আযাব) থেকে তোমরা নিজেদের কিনে নাও (বাঁচাও)। আল্লাহর (‘আযাব) থেকে তোমাদের রক্ষা করার কোন ক্ষমতা আমার নেই। ওহে ‘আবদুল মুত্তালিব-এর বংশধর! তোমাদের আমি রক্ষা করতে পারব না। হে ‘আব্বাস ইবনু ‘আবদুল মুত্তালিব! তোমাকেও আমি রক্ষা কতে পারব না। হে সাফিয়্যাহ্‌ রসূলুল্লাহ্‌র ফুপু আমি আল্লাহর (‘আযাব) থেকে তোমার কোন উপকার করতে পারব না। হে রসূলুল্লাহ্‌র কন্যা ফাতিমাহ্‌! তোমার যা ইচ্ছা চাও। আল্লাহর (‘আযাব) থেকে আমি তোমাকে রক্ষা করতে পারবো না। (ই.ফা. ৩৯৮; ই.সে. ৪১১)

وحدثني حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، قال أخبرني يونس، عن ابن شهاب، قال أخبرني ابن المسيب، وأبو سلمة بن عبد الرحمن أن أبا هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم حين أنزل عليه ‏{‏ وأنذر عشيرتك الأقربين‏}‏ ‏"‏ يا معشر قريش اشتروا أنفسكم من الله لا أغني عنكم من الله شيئا يا بني عبد المطلب لا أغني عنكم من الله شيئا يا عباس بن عبد المطلب لا أغني عنك من الله شيئا يا صفية عمة رسول الله لا أغني عنك من الله شيئا يا فاطمة بنت رسول الله سليني بما شئت لا أغني عنك من الله شيئا ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৩৯৫

وحدثنا محمد بن عبد الأعلى، حدثنا المعتمر، عن أبيه، حدثنا أبو عثمان، عن زهير بن عمرو، وقبيصة بن مخارق، عن النبي صلى الله عليه وسلم بنحوه ‏.‏

যুহায়র ইবনু ‘আম্‌র ও কাবীসাহ্‌ ইবনু মুখারিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

উল্লেখিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪০১; ই.সে. ৪১৪)

যুহায়র ইবনু ‘আম্‌র ও কাবীসাহ্‌ ইবনু মুখারিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

উল্লেখিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪০১; ই.সে. ৪১৪)

وحدثنا محمد بن عبد الأعلى، حدثنا المعتمر، عن أبيه، حدثنا أبو عثمان، عن زهير بن عمرو، وقبيصة بن مخارق، عن النبي صلى الله عليه وسلم بنحوه ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৩৯৬

وحدثنا أبو كريب، محمد بن العلاء حدثنا أبو أسامة، عن الأعمش، عن عمرو بن مرة، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، قال لما نزلت هذه الآية ‏{‏ وأنذر عشيرتك الأقربين‏}‏ ورهطك منهم المخلصين ‏.‏ خرج رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى صعد الصفا فهتف ‏"‏ يا صباحاه ‏"‏ ‏.‏ فقالوا من هذا الذي يهتف قالوا محمد ‏.‏ فاجتمعوا إليه فقال ‏"‏ يا بني فلان يا بني فلان يا بني فلان يا بني عبد مناف يا بني عبد المطلب ‏"‏ فاجتمعوا إليه فقال ‏"‏ أرأيتكم لو أخبرتكم أن خيلا تخرج بسفح هذا الجبل أكنتم مصدقي ‏"‏ ‏.‏ قالوا ما جربنا عليك كذبا ‏.‏ قال ‏"‏ فإني نذير لكم بين يدى عذاب شديد ‏"‏ ‏.‏ قال فقال أبو لهب تبا لك أما جمعتنا إلا لهذا ثم قام فنزلت هذه السورة تبت يدا أبي لهب وقد تب ‏.‏ كذا قرأ الأعمش إلى آخر السورة ‏.‏

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন এ মর্মে আয়াত নাযিল হয়, “তোমার নিকটাত্মীয়বর্গকে সতর্ক করে দাও”- (সূরাহ্‌ আশ্‌ শু’আরা ২৬ : ২১৪) এবং তাদের মধ্য থেকে তোমার নিষ্ঠাবান সম্প্রদায়কেও।”[৭৯] তখন রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বের হয়ে এলেন এবং সাফা পর্বতে উঠে উচ্চস্বরে ডাক দিলেনঃ হায়, মন্দ প্রভাত! সকলে বলাবলি করতে লাগল, কে এ ব্যক্তি যে ডাক দিচ্ছে? লোকেরা বলল, মুহাম্মাদ। তারপর সবাই তাঁর কাছে উপস্থিত হলো। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হে অমুকের বংশধর! হে অমুকের বংশধর! হে ‘আব্‌দ মানাফ-এর বংশধর! হে ‘আবদুল মুত্তালিব-এর বংশধর! এতে সবাই তাঁর কাছে সমবেত হলো। নাবীজী জিজ্ঞেস করলেনঃ দেখ, যদি আমি তোমাদের এ সংবাদ দেই যে, এ পর্বতের পাদদেশে অশ্বারোহী শত্রু সৈন্য এসে পড়েছে তবে কি তোমরা আমাকে বিশ্বাস করবে? তারা উত্তরে বললঃ তোমাকে কখনো মিথ্যা বলতে তো আমরা দেখিনি। তখন রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আমি তোমাদের সতর্ক করছি সামনের কঠোর ‘আযাব সম্পর্কে। বর্ণনাকারী বলেন, আবূ লাহাব তখন এই বলে উঠে গেল “তুমি ধ্বংস হও, তুমি এজন্যই কি আমাদের একত্রিত করেছিলে?” তখন এ সূরাহ অবতীর্ণ হয়ঃ “ধ্বংস হোক আবূ লাহাবের দুই হাত এবং ধ্বংস হোক সে নিজেও …...সূরার শেষ পর্যন্ত।” (সূরাহ্‌ লাহাব ১১১ : ১-৫) অবশ্য রাবী আ’মাশ (আরবি) এর পরিবর্তে (আরবি) পাঠ করেন। (ই.ফা. ৪০২; ই.সে. ৪১৫)

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন এ মর্মে আয়াত নাযিল হয়, “তোমার নিকটাত্মীয়বর্গকে সতর্ক করে দাও”- (সূরাহ্‌ আশ্‌ শু’আরা ২৬ : ২১৪) এবং তাদের মধ্য থেকে তোমার নিষ্ঠাবান সম্প্রদায়কেও।”[৭৯] তখন রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বের হয়ে এলেন এবং সাফা পর্বতে উঠে উচ্চস্বরে ডাক দিলেনঃ হায়, মন্দ প্রভাত! সকলে বলাবলি করতে লাগল, কে এ ব্যক্তি যে ডাক দিচ্ছে? লোকেরা বলল, মুহাম্মাদ। তারপর সবাই তাঁর কাছে উপস্থিত হলো। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হে অমুকের বংশধর! হে অমুকের বংশধর! হে ‘আব্‌দ মানাফ-এর বংশধর! হে ‘আবদুল মুত্তালিব-এর বংশধর! এতে সবাই তাঁর কাছে সমবেত হলো। নাবীজী জিজ্ঞেস করলেনঃ দেখ, যদি আমি তোমাদের এ সংবাদ দেই যে, এ পর্বতের পাদদেশে অশ্বারোহী শত্রু সৈন্য এসে পড়েছে তবে কি তোমরা আমাকে বিশ্বাস করবে? তারা উত্তরে বললঃ তোমাকে কখনো মিথ্যা বলতে তো আমরা দেখিনি। তখন রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আমি তোমাদের সতর্ক করছি সামনের কঠোর ‘আযাব সম্পর্কে। বর্ণনাকারী বলেন, আবূ লাহাব তখন এই বলে উঠে গেল “তুমি ধ্বংস হও, তুমি এজন্যই কি আমাদের একত্রিত করেছিলে?” তখন এ সূরাহ অবতীর্ণ হয়ঃ “ধ্বংস হোক আবূ লাহাবের দুই হাত এবং ধ্বংস হোক সে নিজেও …...সূরার শেষ পর্যন্ত।” (সূরাহ্‌ লাহাব ১১১ : ১-৫) অবশ্য রাবী আ’মাশ (আরবি) এর পরিবর্তে (আরবি) পাঠ করেন। (ই.ফা. ৪০২; ই.সে. ৪১৫)

وحدثنا أبو كريب، محمد بن العلاء حدثنا أبو أسامة، عن الأعمش، عن عمرو بن مرة، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، قال لما نزلت هذه الآية ‏{‏ وأنذر عشيرتك الأقربين‏}‏ ورهطك منهم المخلصين ‏.‏ خرج رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى صعد الصفا فهتف ‏"‏ يا صباحاه ‏"‏ ‏.‏ فقالوا من هذا الذي يهتف قالوا محمد ‏.‏ فاجتمعوا إليه فقال ‏"‏ يا بني فلان يا بني فلان يا بني فلان يا بني عبد مناف يا بني عبد المطلب ‏"‏ فاجتمعوا إليه فقال ‏"‏ أرأيتكم لو أخبرتكم أن خيلا تخرج بسفح هذا الجبل أكنتم مصدقي ‏"‏ ‏.‏ قالوا ما جربنا عليك كذبا ‏.‏ قال ‏"‏ فإني نذير لكم بين يدى عذاب شديد ‏"‏ ‏.‏ قال فقال أبو لهب تبا لك أما جمعتنا إلا لهذا ثم قام فنزلت هذه السورة تبت يدا أبي لهب وقد تب ‏.‏ كذا قرأ الأعمش إلى آخر السورة ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৩৯৭

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب قالا حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، بهذا الإسناد قال صعد رسول الله صلى الله عليه وسلم ذات يوم الصفا فقال ‏"‏ يا صباحاه ‏"‏ ‏.‏ بنحو حديث أبي أسامة ولم يذكر نزول الآية ‏{‏ وأنذر عشيرتك الأقربين‏}‏

আ’মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

উক্ত সানাদে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদিন সাফা পর্বতে আরোহণ করেন এবং বলেনঃ হায় ‘মন্দ প্রভাত’! (বাকী অংশ) আবূ উসামার বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। অবশ্য তিনি (আরবী) আয়াতটি অবতরণের কথা উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ৪০৩; ই.সে. ৪১৬)

আ’মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

উক্ত সানাদে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদিন সাফা পর্বতে আরোহণ করেন এবং বলেনঃ হায় ‘মন্দ প্রভাত’! (বাকী অংশ) আবূ উসামার বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। অবশ্য তিনি (আরবী) আয়াতটি অবতরণের কথা উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ৪০৩; ই.সে. ৪১৬)

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب قالا حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، بهذا الإسناد قال صعد رسول الله صلى الله عليه وسلم ذات يوم الصفا فقال ‏"‏ يا صباحاه ‏"‏ ‏.‏ بنحو حديث أبي أسامة ولم يذكر نزول الآية ‏{‏ وأنذر عشيرتك الأقربين‏}‏


সহিহ মুসলিম > আবূ তালিব-এর জন্য নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর শাফা‘আত এবং সে কারণে তার ‘আযাব কম হওয়া

সহিহ মুসলিম ৩৯৮

وحدثنا عبيد الله بن عمر القواريري، ومحمد بن أبي بكر المقدمي، ومحمد بن عبد الملك الأموي، قالوا حدثنا أبو عوانة، عن عبد الملك بن عمير، عن عبد الله بن الحارث بن نوفل، عن العباس بن عبد المطلب، أنه قال يا رسول الله هل نفعت أبا طالب بشىء فإنه كان يحوطك ويغضب لك قال ‏ "‏ نعم هو في ضحضاح من نار ولولا أنا لكان في الدرك الأسفل من النار ‏"‏ ‏.‏

‘আব্বাস ইবনু ‘আবদুল মুত্তালিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি একদিন রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বললেন, ইয়া রসূলাল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আপনি কি আবূ তালিবের কোন উপকার করতে পেরেছেন? তিনি তো আপনার হিফাযাত করতেন, আপনার পক্ষ হয়ে (অন্যের প্রতি) ক্রোধান্বিত হতেন। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উত্তরে বললেনঃ হ্যাঁ, তিনি কেবল পায়ের গ্রন্থি পর্যন্ত জাহান্নামের আগুনে আছেন, আর যদি আমি না হতাম তবে জাহান্নামের অতল তলেই তিনি অবস্থান করতেন। (ই.ফা. ৪০৪; ই.সে. ৪১৭)

‘আব্বাস ইবনু ‘আবদুল মুত্তালিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি একদিন রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বললেন, ইয়া রসূলাল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আপনি কি আবূ তালিবের কোন উপকার করতে পেরেছেন? তিনি তো আপনার হিফাযাত করতেন, আপনার পক্ষ হয়ে (অন্যের প্রতি) ক্রোধান্বিত হতেন। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উত্তরে বললেনঃ হ্যাঁ, তিনি কেবল পায়ের গ্রন্থি পর্যন্ত জাহান্নামের আগুনে আছেন, আর যদি আমি না হতাম তবে জাহান্নামের অতল তলেই তিনি অবস্থান করতেন। (ই.ফা. ৪০৪; ই.সে. ৪১৭)

وحدثنا عبيد الله بن عمر القواريري، ومحمد بن أبي بكر المقدمي، ومحمد بن عبد الملك الأموي، قالوا حدثنا أبو عوانة، عن عبد الملك بن عمير، عن عبد الله بن الحارث بن نوفل، عن العباس بن عبد المطلب، أنه قال يا رسول الله هل نفعت أبا طالب بشىء فإنه كان يحوطك ويغضب لك قال ‏ "‏ نعم هو في ضحضاح من نار ولولا أنا لكان في الدرك الأسفل من النار ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৩৯৯

حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن عبد الملك بن عمير، عن عبد الله بن الحارث، قال سمعت العباس، يقول قلت يا رسول الله إن أبا طالب كان يحوطك وينصرك فهل نفعه ذلك قال ‏ "‏ نعم وجدته في غمرات من النار فأخرجته إلى ضحضاح ‏"‏ ‏.‏

‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি জিজ্ঞেস করলাম, ইয়া রসূলাল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! নিশ্চয়ই আবূ তালিব তো আপনার হিফাযাত করতেন, আপনাকে সাহায্য করতেন এবং আপনার পক্ষ হয়ে (অন্যদের প্রতি) রাগ করতেন। তার এ কর্ম তার কি কোন উপকারে এসেছে? রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উত্তরে বললেনঃ হ্যাঁ। আমি তাকে জাহান্নামের গভীরে পেয়েছিলাম, অতঃপর আমি সেখান থেকে (তার পায়ের) গ্রন্থি পর্যন্ত বের করে আগুনের উপরিভাগে নিয়ে এসেছি। (ই.ফা. ৪০৫; ই.সে. ৪১৮)

‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি জিজ্ঞেস করলাম, ইয়া রসূলাল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! নিশ্চয়ই আবূ তালিব তো আপনার হিফাযাত করতেন, আপনাকে সাহায্য করতেন এবং আপনার পক্ষ হয়ে (অন্যদের প্রতি) রাগ করতেন। তার এ কর্ম তার কি কোন উপকারে এসেছে? রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উত্তরে বললেনঃ হ্যাঁ। আমি তাকে জাহান্নামের গভীরে পেয়েছিলাম, অতঃপর আমি সেখান থেকে (তার পায়ের) গ্রন্থি পর্যন্ত বের করে আগুনের উপরিভাগে নিয়ে এসেছি। (ই.ফা. ৪০৫; ই.সে. ৪১৮)

حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن عبد الملك بن عمير، عن عبد الله بن الحارث، قال سمعت العباس، يقول قلت يا رسول الله إن أبا طالب كان يحوطك وينصرك فهل نفعه ذلك قال ‏ "‏ نعم وجدته في غمرات من النار فأخرجته إلى ضحضاح ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪০০

وحدثنيه محمد بن حاتم، حدثنا يحيى بن سعيد، عن سفيان، قال حدثني عبد الملك بن عمير، قال حدثني عبد الله بن الحارث، قال أخبرني العباس بن عبد المطلب، ح وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، عن سفيان، بهذا الإسناد عن النبي صلى الله عليه وسلم بنحو حديث أبي عوانة ‏.‏

‘আব্বাস ইবনু ‘আবদুল মুত্তালিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

ঐ সানাদে পূর্ব বর্ণিত আবূ আওয়ানাহ্‌-এর হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪০৫; ই.সে. ৪১৯)

‘আব্বাস ইবনু ‘আবদুল মুত্তালিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

ঐ সানাদে পূর্ব বর্ণিত আবূ আওয়ানাহ্‌-এর হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪০৫; ই.সে. ৪১৯)

وحدثنيه محمد بن حاتم، حدثنا يحيى بن سعيد، عن سفيان، قال حدثني عبد الملك بن عمير، قال حدثني عبد الله بن الحارث، قال أخبرني العباس بن عبد المطلب، ح وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، عن سفيان، بهذا الإسناد عن النبي صلى الله عليه وسلم بنحو حديث أبي عوانة ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪০১

وحدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، عن ابن الهاد، عن عبد الله بن خباب، عن أبي سعيد الخدري، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم ذكر عنده عمه أبو طالب فقال ‏ "‏ لعله تنفعه شفاعتي يوم القيامة فيجعل في ضحضاح من نار يبلغ كعبيه يغلي منه دماغه ‏"‏ ‏.‏

আবূ সা‘ঈদ আল খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে তাঁর চাচা আবূ তালিব-এর কথা আলোচিত হলে তিনি বলেন, হয়তো কিয়ামাত দিবসে তার ব্যাপারে আমার সুপারিশ কাজে আসবে বলে আশা করি। তাকে জাহান্নামের উপরিভাগে এমনভাবে রাখা হবে যে, আগুন তার পায়ের গিরা পর্যন্ত পৌঁছবে; এতেই তার মগজ উথলাতে থাকবে। (ই.ফা. ৪০৬; ই.সে. ৪২০)

আবূ সা‘ঈদ আল খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে তাঁর চাচা আবূ তালিব-এর কথা আলোচিত হলে তিনি বলেন, হয়তো কিয়ামাত দিবসে তার ব্যাপারে আমার সুপারিশ কাজে আসবে বলে আশা করি। তাকে জাহান্নামের উপরিভাগে এমনভাবে রাখা হবে যে, আগুন তার পায়ের গিরা পর্যন্ত পৌঁছবে; এতেই তার মগজ উথলাতে থাকবে। (ই.ফা. ৪০৬; ই.সে. ৪২০)

وحدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، عن ابن الهاد، عن عبد الله بن خباب، عن أبي سعيد الخدري، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم ذكر عنده عمه أبو طالب فقال ‏ "‏ لعله تنفعه شفاعتي يوم القيامة فيجعل في ضحضاح من نار يبلغ كعبيه يغلي منه دماغه ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম > জাহান্নামীদের মধ্যে সবচেয়ে হালকা শাস্তি হওয়া

সহিহ মুসলিম ৪০২

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا يحيى بن أبي بكير، حدثنا زهير بن محمد، عن سهيل بن أبي صالح، عن النعمان بن أبي عياش، عن أبي سعيد الخدري، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إن أدنى أهل النار عذابا ينتعل بنعلين من نار يغلي دماغه من حرارة نعليه ‏"‏ ‏.‏

আবূ সা‘ঈদ আল খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, জাহান্নামের সবচেয়ে কম ‘আযাব সে ব্যক্তির হবে, যাকে আগুনের দু’টি জুতা পরানো হবে, ফলে এ দু’টির উত্তাপের কারণে তার মগজ উথলাতে থাকবে। (ই.ফা. ৪০৭; ই.সে. ৪২১)

আবূ সা‘ঈদ আল খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, জাহান্নামের সবচেয়ে কম ‘আযাব সে ব্যক্তির হবে, যাকে আগুনের দু’টি জুতা পরানো হবে, ফলে এ দু’টির উত্তাপের কারণে তার মগজ উথলাতে থাকবে। (ই.ফা. ৪০৭; ই.সে. ৪২১)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا يحيى بن أبي بكير، حدثنا زهير بن محمد، عن سهيل بن أبي صالح، عن النعمان بن أبي عياش، عن أبي سعيد الخدري، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إن أدنى أهل النار عذابا ينتعل بنعلين من نار يغلي دماغه من حرارة نعليه ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪০৩

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عفان، حدثنا حماد بن سلمة، حدثنا ثابت، عن أبي عثمان النهدي، عن ابن عباس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ أهون أهل النار عذابا أبو طالب وهو منتعل بنعلين يغلي منهما دماغه ‏"‏ ‏.‏

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, (চির) জাহান্নামীদের মধ্যে সবচেয়ে হালকা শাস্তি হবে আবূ তালিব-এর। তাকে দু’টি (আগুনের) জুতা পরিয়ে দেয়া হবে, ফলে এ দু’টির কারণে তার মগজ পর্যন্ত উথলাতে থাকবে। (ই.ফা. ৪০৮; ই.সে. ৪২২)

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, (চির) জাহান্নামীদের মধ্যে সবচেয়ে হালকা শাস্তি হবে আবূ তালিব-এর। তাকে দু’টি (আগুনের) জুতা পরিয়ে দেয়া হবে, ফলে এ দু’টির কারণে তার মগজ পর্যন্ত উথলাতে থাকবে। (ই.ফা. ৪০৮; ই.সে. ৪২২)

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عفان، حدثنا حماد بن سلمة، حدثنا ثابت، عن أبي عثمان النهدي، عن ابن عباس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ أهون أهل النار عذابا أبو طالب وهو منتعل بنعلين يغلي منهما دماغه ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪০৪

وحدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار - واللفظ لابن المثنى - قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، قال سمعت أبا إسحاق، يقول سمعت النعمان بن بشير، يخطب وهو يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ إن أهون أهل النار عذابا يوم القيامة لرجل توضع في أخمص قدميه جمرتان يغلي منهما دماغه ‏"‏ ‏.‏

নু’মান ইবনু বাশীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বক্তৃতায় বলেন, আমি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, কিয়ামাত দিবসে জাহান্নামীদের মধ্যে সবচেয়ে হালকা শাস্তি হবে ঐ ব্যক্তির যার দু’ পায়ের তলায় দু’টি জ্বলন্ত কয়লা রাখা হবে, যার কারণে তার মগজ উথলাতে থাকবে। (ই.ফা. ৪০৯; ই.সে. ৪২৩)

নু’মান ইবনু বাশীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বক্তৃতায় বলেন, আমি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, কিয়ামাত দিবসে জাহান্নামীদের মধ্যে সবচেয়ে হালকা শাস্তি হবে ঐ ব্যক্তির যার দু’ পায়ের তলায় দু’টি জ্বলন্ত কয়লা রাখা হবে, যার কারণে তার মগজ উথলাতে থাকবে। (ই.ফা. ৪০৯; ই.সে. ৪২৩)

وحدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار - واللفظ لابن المثنى - قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، قال سمعت أبا إسحاق، يقول سمعت النعمان بن بشير، يخطب وهو يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ إن أهون أهل النار عذابا يوم القيامة لرجل توضع في أخمص قدميه جمرتان يغلي منهما دماغه ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪০৫

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو أسامة، عن الأعمش، عن أبي إسحاق، عن النعمان بن بشير، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إن أهون أهل النار عذابا من له نعلان وشراكان من نار يغلي منهما دماغه كما يغلي المرجل ما يرى أن أحدا أشد منه عذابا وإنه لأهونهم عذابا ‏"‏ ‏.‏

নু’মান ইবনু বাশীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ জাহান্নামীদের মধ্যে সবচেয়ে হালকা ‘আযাব ঐ ব্যক্তির হবে, যার দু’টি জুতার ফিতা হবে আগুনের। ফলে তার দহনে (চুলা উপরে রাখা) পাতিলের ন্যায় তার মগজ উথলাতে থাকবে। আর তার অনুভব হবে যে, সে বুঝি সর্বাপেক্ষা বেশী শাস্তি ভোগ করছে অথচ এটি হচ্ছে সবচেয়ে হালকা ‘আযাব। (ই.ফা. ৪১০; ই.সে. ৪২৪)

নু’মান ইবনু বাশীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ জাহান্নামীদের মধ্যে সবচেয়ে হালকা ‘আযাব ঐ ব্যক্তির হবে, যার দু’টি জুতার ফিতা হবে আগুনের। ফলে তার দহনে (চুলা উপরে রাখা) পাতিলের ন্যায় তার মগজ উথলাতে থাকবে। আর তার অনুভব হবে যে, সে বুঝি সর্বাপেক্ষা বেশী শাস্তি ভোগ করছে অথচ এটি হচ্ছে সবচেয়ে হালকা ‘আযাব। (ই.ফা. ৪১০; ই.সে. ৪২৪)

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو أسامة، عن الأعمش، عن أبي إسحاق، عن النعمان بن بشير، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إن أهون أهل النار عذابا من له نعلان وشراكان من نار يغلي منهما دماغه كما يغلي المرجل ما يرى أن أحدا أشد منه عذابا وإنه لأهونهم عذابا ‏"‏ ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00