সহিহ মুসলিম > মহানাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বাণীঃ জান্নাতে প্রবেশের জন্য শাফা’আত করবে সকল মানুষের মধ্যে আমিই প্রথম এবং নাবীগণের মধ্যে আমার অনুসারী সর্বাধিক হবে
সহিহ মুসলিম ৩৭৪
وحدثني عمرو الناقد، وزهير بن حرب، قالا حدثنا هاشم بن القاسم، حدثنا سليمان بن المغيرة، عن ثابت، عن أنس بن مالك، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " آتي باب الجنة يوم القيامة فأستفتح فيقول الخازن من أنت فأقول محمد . فيقول بك أمرت لا أفتح لأحد قبلك " .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেন, কিয়ামাত দিবসে আমি জান্নাতের তোরণে এসে দরজা খোলার অনুমতি চাইবো। তখন দ্বাররক্ষী বলবেন, আপনি কে? আমি উত্তর করবো, মুহাম্মাদ। দ্বাররক্ষী বলবেন, “আপনার জন্যই আমি আদিষ্ট হয়েছি, আপনার পূর্বে অন্য কারোর জন্য দরজা খুলিনি।” (ই.ফা. ৩৮২; ই.সে. ৩৯৩)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেন, কিয়ামাত দিবসে আমি জান্নাতের তোরণে এসে দরজা খোলার অনুমতি চাইবো। তখন দ্বাররক্ষী বলবেন, আপনি কে? আমি উত্তর করবো, মুহাম্মাদ। দ্বাররক্ষী বলবেন, “আপনার জন্যই আমি আদিষ্ট হয়েছি, আপনার পূর্বে অন্য কারোর জন্য দরজা খুলিনি।” (ই.ফা. ৩৮২; ই.সে. ৩৯৩)
وحدثني عمرو الناقد، وزهير بن حرب، قالا حدثنا هاشم بن القاسم، حدثنا سليمان بن المغيرة، عن ثابت، عن أنس بن مالك، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " آتي باب الجنة يوم القيامة فأستفتح فيقول الخازن من أنت فأقول محمد . فيقول بك أمرت لا أفتح لأحد قبلك " .
সহিহ মুসলিম ৩৭২
وحدثنا أبو كريب، محمد بن العلاء حدثنا معاوية بن هشام، عن سفيان، عن مختار بن فلفل، عن أنس بن مالك، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أنا أكثر الأنبياء تبعا يوم القيامة وأنا أول من يقرع باب الجنة " .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, কিয়ামাত দিবসে আমার অনুসারীর সংখ্যা হবে সমস্ত নাবীগণের চেয়ে সর্বাধিক এবং আমিই সবার আগে জান্নাতের কড়া নাড়বো। (ই.ফা. ৩৮০; ই.সে. ৩৯১)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, কিয়ামাত দিবসে আমার অনুসারীর সংখ্যা হবে সমস্ত নাবীগণের চেয়ে সর্বাধিক এবং আমিই সবার আগে জান্নাতের কড়া নাড়বো। (ই.ফা. ৩৮০; ই.সে. ৩৯১)
وحدثنا أبو كريب، محمد بن العلاء حدثنا معاوية بن هشام، عن سفيان، عن مختار بن فلفل، عن أنس بن مالك، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أنا أكثر الأنبياء تبعا يوم القيامة وأنا أول من يقرع باب الجنة " .
সহিহ মুসলিম ৩৭১
حدثنا قتيبة بن سعيد، وإسحاق بن إبراهيم، قال قتيبة حدثنا جرير، عن المختار بن فلفل، عن أنس بن مالك، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أنا أول الناس يشفع في الجنة وأنا أكثر الأنبياء تبعا " .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেন, আমি প্রথম ব্যক্তি যে লোকদের জান্নাতে প্রবেশ সম্পর্কে আল্লাহর নিকট শাফা’আত করব। আমার অনুসারীর সংখ্যা সমস্ত নাবীগণের অনুসারীদের চেয়ে বেশী। (ই.ফা. ৩৭৯; ই.সে. ৩৯০)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেন, আমি প্রথম ব্যক্তি যে লোকদের জান্নাতে প্রবেশ সম্পর্কে আল্লাহর নিকট শাফা’আত করব। আমার অনুসারীর সংখ্যা সমস্ত নাবীগণের অনুসারীদের চেয়ে বেশী। (ই.ফা. ৩৭৯; ই.সে. ৩৯০)
حدثنا قتيبة بن سعيد، وإسحاق بن إبراهيم، قال قتيبة حدثنا جرير، عن المختار بن فلفل، عن أنس بن مالك، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أنا أول الناس يشفع في الجنة وأنا أكثر الأنبياء تبعا " .
সহিহ মুসলিম ৩৭৩
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا حسين بن علي، عن زائدة، عن المختار بن فلفل، قال قال أنس بن مالك قال النبي صلى الله عليه وسلم " أنا أول شفيع في الجنة لم يصدق نبي من الأنبياء ما صدقت وإن من الأنبياء نبيا ما يصدقه من أمته إلا رجل واحد " .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেন, জান্নাতে লোকদের প্রবেশ সম্পর্কে আমিই হবো সর্বপ্রথম সুপারিশকারী এবং এত অধিক সংখ্যক মানুষ আমার প্রতি ঈমান এনেছে যা অন্য কোন নাবীর বেলায় হবে না। নাবীদের কেউ কেউ তো এমতাবস্থায়ও আসবেন যাঁর প্রতি মাত্র এক ব্যক্তিই ঈমান এনেছে। (ই.ফা. ৩৮১; ই.সে. ৩৯২)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেন, জান্নাতে লোকদের প্রবেশ সম্পর্কে আমিই হবো সর্বপ্রথম সুপারিশকারী এবং এত অধিক সংখ্যক মানুষ আমার প্রতি ঈমান এনেছে যা অন্য কোন নাবীর বেলায় হবে না। নাবীদের কেউ কেউ তো এমতাবস্থায়ও আসবেন যাঁর প্রতি মাত্র এক ব্যক্তিই ঈমান এনেছে। (ই.ফা. ৩৮১; ই.সে. ৩৯২)
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا حسين بن علي، عن زائدة، عن المختار بن فلفل، قال قال أنس بن مالك قال النبي صلى الله عليه وسلم " أنا أول شفيع في الجنة لم يصدق نبي من الأنبياء ما صدقت وإن من الأنبياء نبيا ما يصدقه من أمته إلا رجل واحد " .
সহিহ মুসলিম > মহানাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর উম্মাহ্র শাফা’আতের জন্য তাঁর বিশেষ দু’আ গোপন (সংরক্ষণ) রেখেছেন
সহিহ মুসলিম ৩৮০
حدثنا عبيد الله بن معاذ العنبري، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، عن محمد، - وهو ابن زياد - قال سمعت أبا هريرة، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لكل نبي دعوة دعا بها في أمته فاستجيب له وإني أريد إن شاء الله أن أؤخر دعوتي شفاعة لأمتي يوم القيامة " .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেন, প্রত্যেক নাবীকে একটি বিশেষ দু’আর অনুমতি প্রদান করা হয়েছে; এর মাধ্যমে তিনি যে দু’আ করবেন, আল্লাহ তা অবশ্যই কবূল করবেন। সকল নবী তাঁদের দু’আ করে ফেলেছেন এবং তা কবূলও করা হয়েছে। আর আমি আমার দু’আটি কিয়ামাত দিবসে আমার উম্মাতের শাফা’আতের জন্য গোপনে রেখে দিয়েছি। (ই.ফা. ৩৮৮; ই.সে. ৩৯৯)
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেন, প্রত্যেক নাবীকে একটি বিশেষ দু’আর অনুমতি প্রদান করা হয়েছে; এর মাধ্যমে তিনি যে দু’আ করবেন, আল্লাহ তা অবশ্যই কবূল করবেন। সকল নবী তাঁদের দু’আ করে ফেলেছেন এবং তা কবূলও করা হয়েছে। আর আমি আমার দু’আটি কিয়ামাত দিবসে আমার উম্মাতের শাফা’আতের জন্য গোপনে রেখে দিয়েছি। (ই.ফা. ৩৮৮; ই.সে. ৩৯৯)
حدثنا عبيد الله بن معاذ العنبري، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، عن محمد، - وهو ابن زياد - قال سمعت أبا هريرة، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لكل نبي دعوة دعا بها في أمته فاستجيب له وإني أريد إن شاء الله أن أؤخر دعوتي شفاعة لأمتي يوم القيامة " .
সহিহ মুসলিম ৩৭৬
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا جرير، عن عمارة، - وهو ابن القعقاع - عن أبي زرعة، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لكل نبي دعوة مستجابة يدعو بها فيستجاب له فيؤتاها وإني اختبأت دعوتي شفاعة لأمتي يوم القيامة " .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেনঃ প্রত্যেক নাবীর জন্য একটি বিশেষ দু’আ আছে। (কিন্তু তাঁরা সে দু’আর প্রয়োগ দুনিয়াতেই করে ফেলেছেন।) আমার বিশেষ দু’আটি কিয়ামাত দিবসে আমার উম্মাতের শাফা’আতের জন্য গোপনে সংরক্ষিত রাখব বলে ইচ্ছা করেছি ইনশা-আল্ল-হ। (ই.ফা. ৩৮৪; ই.সে. ৩৯৫)
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেনঃ প্রত্যেক নাবীর জন্য একটি বিশেষ দু’আ আছে। (কিন্তু তাঁরা সে দু’আর প্রয়োগ দুনিয়াতেই করে ফেলেছেন।) আমার বিশেষ দু’আটি কিয়ামাত দিবসে আমার উম্মাতের শাফা’আতের জন্য গোপনে সংরক্ষিত রাখব বলে ইচ্ছা করেছি ইনশা-আল্ল-হ। (ই.ফা. ৩৮৪; ই.সে. ৩৯৫)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا جرير، عن عمارة، - وهو ابن القعقاع - عن أبي زرعة، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لكل نبي دعوة مستجابة يدعو بها فيستجاب له فيؤتاها وإني اختبأت دعوتي شفاعة لأمتي يوم القيامة " .
সহিহ মুসলিম ৩৭৭
حدثني زهير بن حرب، وعبد بن حميد، قال زهير حدثنا يعقوب بن إبراهيم، حدثنا ابن أخي ابن شهاب، عن عمه، حدثني عمرو بن أبي سفيان بن أسيد بن جارية الثقفي، مثل ذلك عن أبي هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم .
‘আম্র ইবনু আবূ সূফ্ইয়ান ইবনু আসীদ ইবনু জারিয়াহ আস্ সাকাফী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
পূর্ব বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৩৮৫; ই.সে. ৩৯৬)
‘আম্র ইবনু আবূ সূফ্ইয়ান ইবনু আসীদ ইবনু জারিয়াহ আস্ সাকাফী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
পূর্ব বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৩৮৫; ই.সে. ৩৯৬)
حدثني زهير بن حرب، وعبد بن حميد، قال زهير حدثنا يعقوب بن إبراهيم، حدثنا ابن أخي ابن شهاب، عن عمه، حدثني عمرو بن أبي سفيان بن أسيد بن جارية الثقفي، مثل ذلك عن أبي هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم .
সহিহ মুসলিম ৩৭৫
وحدثني زهير بن حرب، وعبد بن حميد، قال زهير حدثنا يعقوب بن إبراهيم، حدثنا ابن أخي ابن شهاب، عن عمه، أخبرني أبو سلمة بن عبد الرحمن، أن أبا هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لكل نبي دعوة وأردت إن شاء الله أن أختبئ دعوتي شفاعة لأمتي يوم القيامة " .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, প্রত্যেক নাবীর জন্যই বিশেষ একটি দু’আ নির্ধারিত আছে যা তিনি করবেন (যা তাঁদের উম্মাতের জন্য গ্রহণ করা হবে। কিন্তু তাঁর সে দু’আ দুনিয়াতেই করে ফেলেছেন।) আমি আমার বিশেষ দু’আটি কিয়ামাত দিবসে আমার উম্মাতের শাফা’আতের জন্য গোপনে (সংরক্ষিত) রাখার সংকল্প নিয়েছি। (ই.ফা. ৩৮৩; ই.সে. ৩৯৪)
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, প্রত্যেক নাবীর জন্যই বিশেষ একটি দু’আ নির্ধারিত আছে যা তিনি করবেন (যা তাঁদের উম্মাতের জন্য গ্রহণ করা হবে। কিন্তু তাঁর সে দু’আ দুনিয়াতেই করে ফেলেছেন।) আমি আমার বিশেষ দু’আটি কিয়ামাত দিবসে আমার উম্মাতের শাফা’আতের জন্য গোপনে (সংরক্ষিত) রাখার সংকল্প নিয়েছি। (ই.ফা. ৩৮৩; ই.সে. ৩৯৪)
وحدثني زهير بن حرب، وعبد بن حميد، قال زهير حدثنا يعقوب بن إبراهيم، حدثنا ابن أخي ابن شهاب، عن عمه، أخبرني أبو سلمة بن عبد الرحمن، أن أبا هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لكل نبي دعوة وأردت إن شاء الله أن أختبئ دعوتي شفاعة لأمتي يوم القيامة " .
সহিহ মুসলিম ৩৭৯
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب - واللفظ لأبي كريب - قالا حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لكل نبي دعوة مستجابة فتعجل كل نبي دعوته وإني اختبأت دعوتي شفاعة لأمتي يوم القيامة فهي نائلة إن شاء الله من مات من أمتي لا يشرك بالله شيئا " .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, প্রত্যেক নাবীর জন্য একটি বিশেষ দু’আ আছে যা কবূল হবে। তন্মধ্যে সকলেই তাদের দু’আ পৃথিবীতেই করে নিয়েছে। আর আমার দু’আটি কিয়ামাত দিবসে আমার উম্মাতের জন্য গোপন রেখে দিয়েছি। আমার উম্মাতের যে ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করেছে অথচ কোন প্রকার শির্ক করেনি সে ইনশাআল্লাহ আমার এ দু’আ পাবে। (ই.ফা. ৩৮৭; ই.সে. ৩৯৮)
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, প্রত্যেক নাবীর জন্য একটি বিশেষ দু’আ আছে যা কবূল হবে। তন্মধ্যে সকলেই তাদের দু’আ পৃথিবীতেই করে নিয়েছে। আর আমার দু’আটি কিয়ামাত দিবসে আমার উম্মাতের জন্য গোপন রেখে দিয়েছি। আমার উম্মাতের যে ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করেছে অথচ কোন প্রকার শির্ক করেনি সে ইনশাআল্লাহ আমার এ দু’আ পাবে। (ই.ফা. ৩৮৭; ই.সে. ৩৯৮)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب - واللفظ لأبي كريب - قالا حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لكل نبي دعوة مستجابة فتعجل كل نبي دعوته وإني اختبأت دعوتي شفاعة لأمتي يوم القيامة فهي نائلة إن شاء الله من مات من أمتي لا يشرك بالله شيئا " .
সহিহ মুসলিম ৩৭৮
وحدثني حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، أن عمرو بن أبي سفيان بن أسيد بن جارية الثقفي، أخبره أن أبا هريرة قال لكعب الأحبار إن نبي الله صلى الله عليه وسلم قال " لكل نبي دعوة يدعوها فأنا أريد إن شاء الله أن أختبئ دعوتي شفاعة لأمتي يوم القيامة " . فقال كعب لأبي هريرة أنت سمعت هذا من رسول الله صلى الله عليه وسلم قال أبو هريرة نعم .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি একদিন কা’ব আল আহ্বারকে বললেন, রসূলল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেছেনঃ প্রত্যেক নাবীর জন্য একটি বিশেষ দু’আ আছে (তাঁর উম্মাতের জন্য)। কিন্তু তাঁরা দুনিয়াতেই তা করে ফেলেছেন। আমি আমার দু’আটি কিয়ামাত দিবসে আমার উম্মাতের শাফা’আতের জন্য গোপন করে রাখতে ইচ্ছে করেছি। কা’ব (রাঃ) আবূ হুরায়রাকে জিজ্ঞেস করলেন, আপনি কি এ হাদীস রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে সরাসরি শুনেছেন? আবূ হুরায়রা (রাঃ) বললেনঃ হ্যাঁ। (ই.ফা. ৩৮৬; ই.সে. ৩৯৭)
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি একদিন কা’ব আল আহ্বারকে বললেন, রসূলল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেছেনঃ প্রত্যেক নাবীর জন্য একটি বিশেষ দু’আ আছে (তাঁর উম্মাতের জন্য)। কিন্তু তাঁরা দুনিয়াতেই তা করে ফেলেছেন। আমি আমার দু’আটি কিয়ামাত দিবসে আমার উম্মাতের শাফা’আতের জন্য গোপন করে রাখতে ইচ্ছে করেছি। কা’ব (রাঃ) আবূ হুরায়রাকে জিজ্ঞেস করলেন, আপনি কি এ হাদীস রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে সরাসরি শুনেছেন? আবূ হুরায়রা (রাঃ) বললেনঃ হ্যাঁ। (ই.ফা. ৩৮৬; ই.সে. ৩৯৭)
وحدثني حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، أن عمرو بن أبي سفيان بن أسيد بن جارية الثقفي، أخبره أن أبا هريرة قال لكعب الأحبار إن نبي الله صلى الله عليه وسلم قال " لكل نبي دعوة يدعوها فأنا أريد إن شاء الله أن أختبئ دعوتي شفاعة لأمتي يوم القيامة " . فقال كعب لأبي هريرة أنت سمعت هذا من رسول الله صلى الله عليه وسلم قال أبو هريرة نعم .
সহিহ মুসলিম ৩৮১
حدثنا عبيد الله بن معاذ العنبري، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، عن محمد، - وهو ابن زياد - قال سمعت أبا هريرة، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لكل نبي دعوة دعا بها في أمته فاستجيب له وإني أريد إن شاء الله أن أؤخر دعوتي شفاعة لأمتي يوم القيامة " .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেন, প্রত্যেক নাবীকে তাঁর উম্মাতের ব্যাপারে একটি এমন দু’আর অনুমতি দেয়া হয়েছে যা অবশ্যই কবূল করা হবে। তা তাঁরা নিজের উম্মাতের জন্য করে ফেলেছেন। আমি ইনশাআল্লাহ সংকল্প করেছি, আমার দু’আটি পরে কিয়ামাতের দিবসে আমার উম্মাতের শাফা’আতের জন্য করবো। (ই.ফা. ৩৮৯; ই.সে. ৪০০)
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেন, প্রত্যেক নাবীকে তাঁর উম্মাতের ব্যাপারে একটি এমন দু’আর অনুমতি দেয়া হয়েছে যা অবশ্যই কবূল করা হবে। তা তাঁরা নিজের উম্মাতের জন্য করে ফেলেছেন। আমি ইনশাআল্লাহ সংকল্প করেছি, আমার দু’আটি পরে কিয়ামাতের দিবসে আমার উম্মাতের শাফা’আতের জন্য করবো। (ই.ফা. ৩৮৯; ই.সে. ৪০০)
حدثنا عبيد الله بن معاذ العنبري، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، عن محمد، - وهو ابن زياد - قال سمعت أبا هريرة، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لكل نبي دعوة دعا بها في أمته فاستجيب له وإني أريد إن شاء الله أن أؤخر دعوتي شفاعة لأمتي يوم القيامة " .
সহিহ মুসলিম ৩৮২
حدثني أبو غسان المسمعي، ومحمد بن المثنى، وابن، بشار حدثانا - واللفظ، لأبي غسان - قالوا حدثنا معاذ، - يعنون ابن هشام - قال حدثني أبي، عن قتادة، حدثنا أنس بن مالك، أن نبي الله صلى الله عليه وسلم قال " لكل نبي دعوة دعاها لأمته وإني اختبأت دعوتي شفاعة لأمتي يوم القيامة " .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেন : প্রত্যেক নাবীর কাছে তাঁর উম্মাতের ক্ষেত্রে প্রয়োগের জন্য একটি দু’আর অনুমতি আছে। প্রত্যেকে আপন উম্মাতের কল্যাণের জন্য তা করেছেন। আর আমি আমার দু’আটি কিয়ামাত দিবসে আমার উম্মাতের শাফা’আতের জন্য অবশিষ্ট রেখে দিয়েছি। (ই.ফা. ৩৯০; ই.সে. ৪০১)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেন : প্রত্যেক নাবীর কাছে তাঁর উম্মাতের ক্ষেত্রে প্রয়োগের জন্য একটি দু’আর অনুমতি আছে। প্রত্যেকে আপন উম্মাতের কল্যাণের জন্য তা করেছেন। আর আমি আমার দু’আটি কিয়ামাত দিবসে আমার উম্মাতের শাফা’আতের জন্য অবশিষ্ট রেখে দিয়েছি। (ই.ফা. ৩৯০; ই.সে. ৪০১)
حدثني أبو غسان المسمعي، ومحمد بن المثنى، وابن، بشار حدثانا - واللفظ، لأبي غسان - قالوا حدثنا معاذ، - يعنون ابن هشام - قال حدثني أبي، عن قتادة، حدثنا أنس بن مالك، أن نبي الله صلى الله عليه وسلم قال " لكل نبي دعوة دعاها لأمته وإني اختبأت دعوتي شفاعة لأمتي يوم القيامة " .
সহিহ মুসলিম ৩৮৩
وحدثنيه زهير بن حرب، وابن أبي خلف، قالا حدثنا روح، حدثنا شعبة، عن قتادة، بهذا الإسناد ح
যুহায়র ইবনু হার্ব, ইবনু আবূ খালাফ, কাতাদাহ্ (রহঃ)-এর সূত্রে থেকে বর্নিতঃ
এ সানাদের উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ৩৯০; ই.সে. ৪০২)
যুহায়র ইবনু হার্ব, ইবনু আবূ খালাফ, কাতাদাহ্ (রহঃ)-এর সূত্রে থেকে বর্নিতঃ
এ সানাদের উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ৩৯০; ই.সে. ৪০২)
وحدثنيه زهير بن حرب، وابن أبي خلف، قالا حدثنا روح، حدثنا شعبة، عن قتادة، بهذا الإسناد ح
সহিহ মুসলিম ৩৮৪
وحدثنا أبو كريب، حدثنا وكيع، ح وحدثنيه إبراهيم بن سعيد الجوهري، حدثنا أبو أسامة، جميعا عن مسعر، عن قتادة، بهذا الإسناد غير أن في، حديث وكيع قال قال " أعطي " . وفي حديث أبي أسامة عن النبي صلى الله عليه وسلم .
কাতাদাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে ওয়াকী’র বর্ণনায় আছে আনসার (রাঃ) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে ওয়াকী’র বর্ণনায় আছে আনাস (রাঃ) বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, প্রত্যেক নাবীকে একটি করে দু’আ প্রদান করা হয়েছে। (ই.ফা. ৩৯০; ই.সে. ৪০৩)
কাতাদাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে ওয়াকী’র বর্ণনায় আছে আনসার (রাঃ) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে ওয়াকী’র বর্ণনায় আছে আনাস (রাঃ) বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, প্রত্যেক নাবীকে একটি করে দু’আ প্রদান করা হয়েছে। (ই.ফা. ৩৯০; ই.সে. ৪০৩)
وحدثنا أبو كريب، حدثنا وكيع، ح وحدثنيه إبراهيم بن سعيد الجوهري، حدثنا أبو أسامة، جميعا عن مسعر، عن قتادة، بهذا الإسناد غير أن في، حديث وكيع قال قال " أعطي " . وفي حديث أبي أسامة عن النبي صلى الله عليه وسلم .
সহিহ মুসলিম ৩৮৫
وحدثني محمد بن عبد الأعلى، حدثنا المعتمر، عن أبيه، عن أنس، أن نبي الله صلى الله عليه وسلم قال فذكر نحو حديث قتادة عن أنس .
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
কাতাদাহ্-এর অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৩৯১; ই.সে. ৪০৪)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
কাতাদাহ্-এর অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৩৯১; ই.সে. ৪০৪)
وحدثني محمد بن عبد الأعلى، حدثنا المعتمر، عن أبيه، عن أنس، أن نبي الله صلى الله عليه وسلم قال فذكر نحو حديث قتادة عن أنس .
সহিহ মুসলিম ৩৮৬
وحدثني محمد بن أحمد بن أبي خلف، حدثنا روح، حدثنا ابن جريج، قال أخبرني أبو الزبير، أنه سمع جابر بن عبد الله، يقول عن النبي صلى الله عليه وسلم " لكل نبي دعوة قد دعا بها في أمته وخبأت دعوتي شفاعة لأمتي يوم القيامة " .
মুহাম্মাদ ইবনু আহমাদ ইবনু আবূ খালাফ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেন, প্রত্যেক নাবীকে একটি গ্রহণীয় বিশেষ দু’আর অনুমতি দেয়া হয়েছে। সবাই তাঁদের দু’আ আপন উম্মাতের কল্যাণের জন্য করে ফেলেছেন, তবে আমি আমার দু’আটি কিয়ামাত দিবসে আমার উম্মাতের শাফা’আতের জন্য গোপনে অবশিষ্ট রেখে দিয়েছি। (ই.ফা. ৩৯২; ই.সে. ৪০৫)
মুহাম্মাদ ইবনু আহমাদ ইবনু আবূ খালাফ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেন, প্রত্যেক নাবীকে একটি গ্রহণীয় বিশেষ দু’আর অনুমতি দেয়া হয়েছে। সবাই তাঁদের দু’আ আপন উম্মাতের কল্যাণের জন্য করে ফেলেছেন, তবে আমি আমার দু’আটি কিয়ামাত দিবসে আমার উম্মাতের শাফা’আতের জন্য গোপনে অবশিষ্ট রেখে দিয়েছি। (ই.ফা. ৩৯২; ই.সে. ৪০৫)
وحدثني محمد بن أحمد بن أبي خلف، حدثنا روح، حدثنا ابن جريج، قال أخبرني أبو الزبير، أنه سمع جابر بن عبد الله، يقول عن النبي صلى الله عليه وسلم " لكل نبي دعوة قد دعا بها في أمته وخبأت دعوتي شفاعة لأمتي يوم القيامة " .
সহিহ মুসলিম > উম্মাতের জন্য নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দু’আ ও তাদের প্রতি মায়া-মমতায় তাঁর ক্রন্দন
সহিহ মুসলিম ৩৮৭
حدثني يونس بن عبد الأعلى الصدفي، أخبرنا ابن وهب، قال أخبرني عمرو بن الحارث، أن بكر بن سوادة، حدثه عن عبد الرحمن بن جبير، عن عبد الله بن عمرو بن العاص، أن النبي صلى الله عليه وسلم تلا قول الله عز وجل في إبراهيم { رب إنهن أضللن كثيرا من الناس فمن تبعني فإنه مني} الآية . وقال عيسى عليه السلام { إن تعذبهم فإنهم عبادك وإن تغفر لهم فإنك أنت العزيز الحكيم} فرفع يديه وقال " اللهم أمتي أمتي " . وبكى فقال الله عز وجل يا جبريل اذهب إلى محمد وربك أعلم فسله ما يبكيك فأتاه جبريل - عليه الصلاة والسلام - فسأله فأخبره رسول الله صلى الله عليه وسلم بما قال . وهو أعلم . فقال الله يا جبريل اذهب إلى محمد فقل إنا سنرضيك في أمتك ولا نسوءك .
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্র ইবনুল ‘আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুরআনে ইবরাহীম (‘আঃ) এর দু’আ সম্বলিত আয়াতঃ “হে আমার প্রতিপালক! এ সকল প্রতিমা বহু মানুষকে বিভ্রান্ত করেছে। সুতরাং যে আমার অনুসরণ করবে সে আমার দলভুক্ত। আর যে আমার অবাধ্য হবে তুমি তো ক্ষমাশীল পরম দয়ালু”-(সূরাহ ইবরাহীম ১৪ : ৩৬) তিলাওয়াত করেন। আর ‘ঈসা (‘আঃ) বলেছেনঃ “তুমি যদি তাদেরকে শাস্তি দাও তবে তারা তো তোমারই বান্দা, আর যদি তাদেরকে ক্ষমা কর, তবে তুমি তো পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়”-(সূরাহ আল মায়িদাহ্ ৫ : ১১৮) তারপর তিনি তাঁর উভয় হাত উঠালেন এবং বললেন, হে আল্লাহ! আমার উম্মাত, আমার উম্মাত! আর কেঁদে ফেললেন। তখন মহান আল্লাহ বললেন, হে জিবরীল! মুহাম্মাদের নিকট যাও, তোমার রব তো সবই জানেন-তাঁকে জিজ্ঞেস কর, তিনি কাঁদছেন কেন? জিবরীল (‘আঃ) এসে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করলেন। তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যা বলেছিলেন, তা তাঁকে অবহিত করলেন। আর আল্লাহ তো সর্বজ্ঞ। তখন আল্লাহ তা’আলা বললেন, হে জিবরীল! তুমি মুহাম্মাদের কাছে যাও এবং তাঁকে বল, “নিশ্চয়ই আমি (আল্লাহ) আপনার উম্মাতের ব্যাপারে আপনাকে সন্তুষ্ট করে দিব, আপনাকে অসন্তুষ্ট করব না”। (ই.ফা. ৩৯৩; ই.সে. ৪০৬)
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্র ইবনুল ‘আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুরআনে ইবরাহীম (‘আঃ) এর দু’আ সম্বলিত আয়াতঃ “হে আমার প্রতিপালক! এ সকল প্রতিমা বহু মানুষকে বিভ্রান্ত করেছে। সুতরাং যে আমার অনুসরণ করবে সে আমার দলভুক্ত। আর যে আমার অবাধ্য হবে তুমি তো ক্ষমাশীল পরম দয়ালু”-(সূরাহ ইবরাহীম ১৪ : ৩৬) তিলাওয়াত করেন। আর ‘ঈসা (‘আঃ) বলেছেনঃ “তুমি যদি তাদেরকে শাস্তি দাও তবে তারা তো তোমারই বান্দা, আর যদি তাদেরকে ক্ষমা কর, তবে তুমি তো পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়”-(সূরাহ আল মায়িদাহ্ ৫ : ১১৮) তারপর তিনি তাঁর উভয় হাত উঠালেন এবং বললেন, হে আল্লাহ! আমার উম্মাত, আমার উম্মাত! আর কেঁদে ফেললেন। তখন মহান আল্লাহ বললেন, হে জিবরীল! মুহাম্মাদের নিকট যাও, তোমার রব তো সবই জানেন-তাঁকে জিজ্ঞেস কর, তিনি কাঁদছেন কেন? জিবরীল (‘আঃ) এসে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করলেন। তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যা বলেছিলেন, তা তাঁকে অবহিত করলেন। আর আল্লাহ তো সর্বজ্ঞ। তখন আল্লাহ তা’আলা বললেন, হে জিবরীল! তুমি মুহাম্মাদের কাছে যাও এবং তাঁকে বল, “নিশ্চয়ই আমি (আল্লাহ) আপনার উম্মাতের ব্যাপারে আপনাকে সন্তুষ্ট করে দিব, আপনাকে অসন্তুষ্ট করব না”। (ই.ফা. ৩৯৩; ই.সে. ৪০৬)
حدثني يونس بن عبد الأعلى الصدفي، أخبرنا ابن وهب، قال أخبرني عمرو بن الحارث، أن بكر بن سوادة، حدثه عن عبد الرحمن بن جبير، عن عبد الله بن عمرو بن العاص، أن النبي صلى الله عليه وسلم تلا قول الله عز وجل في إبراهيم { رب إنهن أضللن كثيرا من الناس فمن تبعني فإنه مني} الآية . وقال عيسى عليه السلام { إن تعذبهم فإنهم عبادك وإن تغفر لهم فإنك أنت العزيز الحكيم} فرفع يديه وقال " اللهم أمتي أمتي " . وبكى فقال الله عز وجل يا جبريل اذهب إلى محمد وربك أعلم فسله ما يبكيك فأتاه جبريل - عليه الصلاة والسلام - فسأله فأخبره رسول الله صلى الله عليه وسلم بما قال . وهو أعلم . فقال الله يا جبريل اذهب إلى محمد فقل إنا سنرضيك في أمتك ولا نسوءك .
সহিহ মুসলিম > কাফির অবস্থায় মৃত্যুবরণকারী জাহান্নামী, সে কোন শাফা’আত পাবে না এবং আল্লাহর নৈকট্য লাভকারী বান্দার সাথে আত্মীয়তাঁর সম্পর্কও তার উপকারে আসবে না।
সহিহ মুসলিম ৩৮৮
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عفان، حدثنا حماد بن سلمة، عن ثابت، عن أنس، أن رجلا، قال يا رسول الله أين أبي قال " في النار " . فلما قفى دعاه فقال " إن أبي وأباك في النار " .
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
জনৈক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহর রসূল। আমার পিতা কোথায় আছেন ( জান্নাতে না জাহান্নামে)? রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, জাহান্নামে। বর্ণনাকারী বলেন, লোকটি যখন চলে যেতে লাগল, তিনি ডাকলেন এবং বললেন, আমার পিতা এবং তোমার পিতা জাহান্নামে। (ই.ফা. ৩৯৪; ই.সে. ৪০৭)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
জনৈক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহর রসূল। আমার পিতা কোথায় আছেন ( জান্নাতে না জাহান্নামে)? রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, জাহান্নামে। বর্ণনাকারী বলেন, লোকটি যখন চলে যেতে লাগল, তিনি ডাকলেন এবং বললেন, আমার পিতা এবং তোমার পিতা জাহান্নামে। (ই.ফা. ৩৯৪; ই.সে. ৪০৭)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عفان، حدثنا حماد بن سلمة، عن ثابت، عن أنس، أن رجلا، قال يا رسول الله أين أبي قال " في النار " . فلما قفى دعاه فقال " إن أبي وأباك في النار " .