সহিহ মুসলিম > সিদরাতুল মুনতাহার আলোচনা।
সহিহ মুসলিম ৩২২
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا حفص بن غياث، عن الشيباني، عن زر، عن عبد الله، قال { ما كذب الفؤاد ما رأى} قال رأى جبريل - عليه السلام - له ستمائة جناح .
‘আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
“তিনি যা দেখেছেন তাঁর অন্তকরণ তা অস্বীকার করেনি”-(সূরাহ আন্ নাজ্ম ৫৩ : ১১)। আয়াতটি তিলাওয়াত করলেন এবং এর ব্যাখা প্রসঙ্গে বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিবরীল (আঃ)-কে দেখেছিলেন তাঁর ছয়শ’ ডানা আছে। (ই.ফা. ৩৩০; ই.সে. ৩৪১)
‘আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
“তিনি যা দেখেছেন তাঁর অন্তকরণ তা অস্বীকার করেনি”-(সূরাহ আন্ নাজ্ম ৫৩ : ১১)। আয়াতটি তিলাওয়াত করলেন এবং এর ব্যাখা প্রসঙ্গে বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিবরীল (আঃ)-কে দেখেছিলেন তাঁর ছয়শ’ ডানা আছে। (ই.ফা. ৩৩০; ই.সে. ৩৪১)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا حفص بن غياث، عن الشيباني، عن زر، عن عبد الله، قال { ما كذب الفؤاد ما رأى} قال رأى جبريل - عليه السلام - له ستمائة جناح .
সহিহ মুসলিম ৩২০
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو أسامة، حدثنا مالك بن مغول، ح وحدثنا ابن نمير، وزهير بن حرب، جميعا عن عبد الله بن نمير، - وألفاظهم متقاربة - قال ابن نمير حدثنا أبي، حدثنا مالك بن مغول، عن الزبير بن عدي، عن طلحة، عن مرة، عن عبد الله، قال لما أسري برسول الله صلى الله عليه وسلم انتهي به إلى سدرة المنتهى وهي في السماء السادسة إليها ينتهي ما يعرج به من الأرض فيقبض منها وإليها ينتهي ما يهبط به من فوقها فيقبض منها قال { إذ يغشى السدرة ما يغشى} قال فراش من ذهب . قال فأعطي رسول الله صلى الله عليه وسلم ثلاثا أعطي الصلوات الخمس وأعطي خواتيم سورة البقرة وغفر لمن لم يشرك بالله من أمته شيئا المقحمات .
‘আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –কে মি’রাজ রজনীতে ‘সিদ্রাতুল মুন্তাহা’ পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হলো। এটি ষষ্ঠ আসমানে অবস্থিত। [৭৬] জমিন থেকে যা কিছু উত্থিত হয় তা সে পর্যন্ত এসে পৌছে এবং সেখানে থেকে তা গ্রহণ করা হয়। তদ্রূপ ঊর্ধ্বলোক থেকে যা কিছু অবতরণ হয় তাও এ পর্যন্ত এসে পৌছে এবং সেখান থেকে তা গ্রহণ করা হয়। এরপর ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) তিলাওয়াত করলেনঃ “ যখন প্রান্তবর্তী বাদরী বৃক্ষটি যা দ্বারা আচ্ছাদিত হবার, তা দ্বারা আচ্ছাদিত হলো” – (সূরাহ আন্ নাজম ৫৩ : ১৬) এবং বলেন, এখানে ‘যা দ্বারা’ কথাটির অর্থ সোনার পতঙ্গসমূহ। তিনি বলেন, তারপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে তিনটি বিষয় দান করা হলো, পাঁচ ওয়াক্ত সলাত। সূরাহ আল-বাকারায় শেষ দু’ আয়াত এবং শির্ক মুক্ত উম্মাতের মারাত্মক গুনাহ তাওবার মাধ্যমে ক্ষমার সুসংবাদ”। [৭৭] (ই.ফা. ৩২৮; ই.সে. ৩৩৯)
‘আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –কে মি’রাজ রজনীতে ‘সিদ্রাতুল মুন্তাহা’ পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হলো। এটি ষষ্ঠ আসমানে অবস্থিত। [৭৬] জমিন থেকে যা কিছু উত্থিত হয় তা সে পর্যন্ত এসে পৌছে এবং সেখানে থেকে তা গ্রহণ করা হয়। তদ্রূপ ঊর্ধ্বলোক থেকে যা কিছু অবতরণ হয় তাও এ পর্যন্ত এসে পৌছে এবং সেখান থেকে তা গ্রহণ করা হয়। এরপর ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) তিলাওয়াত করলেনঃ “ যখন প্রান্তবর্তী বাদরী বৃক্ষটি যা দ্বারা আচ্ছাদিত হবার, তা দ্বারা আচ্ছাদিত হলো” – (সূরাহ আন্ নাজম ৫৩ : ১৬) এবং বলেন, এখানে ‘যা দ্বারা’ কথাটির অর্থ সোনার পতঙ্গসমূহ। তিনি বলেন, তারপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে তিনটি বিষয় দান করা হলো, পাঁচ ওয়াক্ত সলাত। সূরাহ আল-বাকারায় শেষ দু’ আয়াত এবং শির্ক মুক্ত উম্মাতের মারাত্মক গুনাহ তাওবার মাধ্যমে ক্ষমার সুসংবাদ”। [৭৭] (ই.ফা. ৩২৮; ই.সে. ৩৩৯)
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو أسامة، حدثنا مالك بن مغول، ح وحدثنا ابن نمير، وزهير بن حرب، جميعا عن عبد الله بن نمير، - وألفاظهم متقاربة - قال ابن نمير حدثنا أبي، حدثنا مالك بن مغول، عن الزبير بن عدي، عن طلحة، عن مرة، عن عبد الله، قال لما أسري برسول الله صلى الله عليه وسلم انتهي به إلى سدرة المنتهى وهي في السماء السادسة إليها ينتهي ما يعرج به من الأرض فيقبض منها وإليها ينتهي ما يهبط به من فوقها فيقبض منها قال { إذ يغشى السدرة ما يغشى} قال فراش من ذهب . قال فأعطي رسول الله صلى الله عليه وسلم ثلاثا أعطي الصلوات الخمس وأعطي خواتيم سورة البقرة وغفر لمن لم يشرك بالله من أمته شيئا المقحمات .
সহিহ মুসলিম ৩২১
وحدثني أبو الربيع الزهراني، حدثنا عباد، - وهو ابن العوام - حدثنا الشيباني، قال سألت زر بن حبيش عن قول الله، عز وجل { فكان قاب قوسين أو أدنى} قال أخبرني ابن مسعود أن النبي صلى الله عليه وسلم رأى جبريل له ستمائة جناح .
শাইবানী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি যির ইবনু হুবায়শকে “তাদের মধ্যে দু’ ধনুকের ব্যবধান ছিল কিংবা তাঁর ও কম”-(সূরাহ আন্ নাজ্ম ৫৩ : ৯)। এ আয়াত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছিলাম। তিনি বললেন, ইবনু মাস’ঊদ (রাঃ) আমাকে বলেছেন, ‘নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিবরীল (আঃ)-কে দেখেছিলেন, তাঁর ছয়শ’ ডানা আছে (ই.ফা. ৩২৯; ই.সে. ৩৪০)
শাইবানী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি যির ইবনু হুবায়শকে “তাদের মধ্যে দু’ ধনুকের ব্যবধান ছিল কিংবা তাঁর ও কম”-(সূরাহ আন্ নাজ্ম ৫৩ : ৯)। এ আয়াত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছিলাম। তিনি বললেন, ইবনু মাস’ঊদ (রাঃ) আমাকে বলেছেন, ‘নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিবরীল (আঃ)-কে দেখেছিলেন, তাঁর ছয়শ’ ডানা আছে (ই.ফা. ৩২৯; ই.সে. ৩৪০)
وحدثني أبو الربيع الزهراني، حدثنا عباد، - وهو ابن العوام - حدثنا الشيباني، قال سألت زر بن حبيش عن قول الله، عز وجل { فكان قاب قوسين أو أدنى} قال أخبرني ابن مسعود أن النبي صلى الله عليه وسلم رأى جبريل له ستمائة جناح .
সহিহ মুসলিম ৩২৩
حدثنا عبيد الله بن معاذ العنبري، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، عن سليمان الشيباني، سمع زر بن حبيش، عن عبد الله، قال { لقد رأى من آيات ربه الكبرى} قال رأى جبريل في صورته له ستمائة جناح .
‘আবদুল্লাহ থেকে বর্নিতঃ
“তিনি তো তাঁর প্রতিপালকের মহান নিদর্শনাবলী দেখেছিলেন”-(সূরাহ আন্ নাজ্ম ৫৩ : ১৮)। এ আয়াত তিলাওয়াত করলেন এবং এর ব্যাখা প্রসঙ্গে বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিবরীল (আঃ)-কে তাঁর আকৃতিতে দেখেছিলেন, তাঁর ছয়শ’ ডানা আছে। (ই.ফা. ৩৩১; ই.সে. ৩৪২)
‘আবদুল্লাহ থেকে বর্নিতঃ
“তিনি তো তাঁর প্রতিপালকের মহান নিদর্শনাবলী দেখেছিলেন”-(সূরাহ আন্ নাজ্ম ৫৩ : ১৮)। এ আয়াত তিলাওয়াত করলেন এবং এর ব্যাখা প্রসঙ্গে বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিবরীল (আঃ)-কে তাঁর আকৃতিতে দেখেছিলেন, তাঁর ছয়শ’ ডানা আছে। (ই.ফা. ৩৩১; ই.সে. ৩৪২)
حدثنا عبيد الله بن معاذ العنبري، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، عن سليمان الشيباني، سمع زر بن حبيش، عن عبد الله، قال { لقد رأى من آيات ربه الكبرى} قال رأى جبريل في صورته له ستمائة جناح .
সহিহ মুসলিম > মহান আল্লাহ্র বাণীঃ “নিশ্চয় তিনি তাঁকে দ্বিতীয়বার দেখেছেন”-(সূরাহ আন্ নাজ্ম ৫৩ : ১৩) নাবী( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি ইসরা মি’রাজের রাত্রে তাঁর প্রভূকে দেখেছেন?
সহিহ মুসলিম ৩২৪
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا علي بن مسهر، عن عبد الملك، عن عطاء، عن أبي هريرة، { ولقد رآه نزلة أخرى} قال رأى جبريل .
আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
“নিশ্চয় তিনি তাকে আরেকবার দেখেছিলেন”-(সূরাহ আন্ নাজ্ম ৫৩ : ১৩) আয়াতের ব্যাখ্যা প্রসঙ্গে বলেছেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিবরীল (আঃ)-কে দেখেছিলেন। (ই.ফা. ৩৩২; ই.সে. ৩৪৩)
আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
“নিশ্চয় তিনি তাকে আরেকবার দেখেছিলেন”-(সূরাহ আন্ নাজ্ম ৫৩ : ১৩) আয়াতের ব্যাখ্যা প্রসঙ্গে বলেছেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিবরীল (আঃ)-কে দেখেছিলেন। (ই.ফা. ৩৩২; ই.সে. ৩৪৩)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا علي بن مسهر، عن عبد الملك، عن عطاء، عن أبي هريرة، { ولقد رآه نزلة أخرى} قال رأى جبريل .
সহিহ মুসলিম ৩২৭
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا حفص بن غياث، عن الأعمش، حدثنا أبو جهمة، بهذا الإسناد .
আ’মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি আবূ জাহমাহ এ সানাদে উপরোক্ত হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৩৩৫; ই.সে. ৩৪৬)
আ’মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি আবূ জাহমাহ এ সানাদে উপরোক্ত হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৩৩৫; ই.সে. ৩৪৬)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا حفص بن غياث، عن الأعمش، حدثنا أبو جهمة، بهذا الإسناد .
সহিহ মুসলিম ৩২৯
وحدثنا محمد بن المثنى، حدثنا عبد الوهاب، حدثنا داود، بهذا الإسناد نحو حديث ابن علية وزاد قالت ولو كان محمد صلى الله عليه وسلم كاتما شيئا مما أنزل عليه لكتم هذه الآية { وإذ تقول للذي أنعم الله عليه وأنعمت عليه أمسك عليك زوجك واتق الله وتخفي في نفسك ما الله مبديه وتخشى الناس والله أحق أن تخشاه}
মুহাম্মাদ ইবনু আল মুসান্না (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
উক্ত সানাদে ইবনু ‘উলাইয়্যাহ-এর হাদীসে অবিকল বর্ণনা করেছেন। তবে এতে এতটুকু অতিরিক্ত আছে, ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, যদি মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর উপর অবতীর্ণ ওয়াহীর কোন অংশ গোপন করতেন তবে তিনি এ আয়াতটি অবশ্য গোপন করতেনঃ “স্মরণ করুন, আল্লাহ্ যাকে অনুগ্রহ দান করেছেন এবং আপনিও যার [রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পোষ্য পুত্র যায়দ] প্রতি অনুগ্রহ করেছেন আপনি তাকে বলেছিলেন “তুমি তোমার স্ত্রীর সাথে সম্পর্ক বজায় রাখ এবং আল্লাহ্ কে ভয় কর। আর আপনি আপনার অন্তরে গোপন করেছিলেন। অথচ আল্লাহ্ তা প্রকাশকারী। আপনি লোককে ভয় করেছিলেন, অথচ আল্লাহকে ভয় করা আপনার জন্য অধিকতর সঙ্গত” - (সূরাহ আল আহযাব ৩৩ : ৩৭)। (ই.ফা. ৩৩৭; ই.সে. ৩৪৮)
মুহাম্মাদ ইবনু আল মুসান্না (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
উক্ত সানাদে ইবনু ‘উলাইয়্যাহ-এর হাদীসে অবিকল বর্ণনা করেছেন। তবে এতে এতটুকু অতিরিক্ত আছে, ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, যদি মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর উপর অবতীর্ণ ওয়াহীর কোন অংশ গোপন করতেন তবে তিনি এ আয়াতটি অবশ্য গোপন করতেনঃ “স্মরণ করুন, আল্লাহ্ যাকে অনুগ্রহ দান করেছেন এবং আপনিও যার [রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পোষ্য পুত্র যায়দ] প্রতি অনুগ্রহ করেছেন আপনি তাকে বলেছিলেন “তুমি তোমার স্ত্রীর সাথে সম্পর্ক বজায় রাখ এবং আল্লাহ্ কে ভয় কর। আর আপনি আপনার অন্তরে গোপন করেছিলেন। অথচ আল্লাহ্ তা প্রকাশকারী। আপনি লোককে ভয় করেছিলেন, অথচ আল্লাহকে ভয় করা আপনার জন্য অধিকতর সঙ্গত” - (সূরাহ আল আহযাব ৩৩ : ৩৭)। (ই.ফা. ৩৩৭; ই.সে. ৩৪৮)
وحدثنا محمد بن المثنى، حدثنا عبد الوهاب، حدثنا داود، بهذا الإسناد نحو حديث ابن علية وزاد قالت ولو كان محمد صلى الله عليه وسلم كاتما شيئا مما أنزل عليه لكتم هذه الآية { وإذ تقول للذي أنعم الله عليه وأنعمت عليه أمسك عليك زوجك واتق الله وتخفي في نفسك ما الله مبديه وتخشى الناس والله أحق أن تخشاه}
সহিহ মুসলিম ৩২৫
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو سعيد الأشج جميعا عن وكيع، - قال الأشج حدثنا وكيع، - حدثنا الأعمش، عن زياد بن الحصين أبي جهمة، عن أبي العالية، عن ابن عباس، قال { ما كذب الفؤاد ما رأى} { ولقد رآه نزلة أخرى} قال رآه بفؤاده مرتين .
ইবনু ‘আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর প্রতিপালককে অন্তর দ্বারা অনুভূতির মাধ্যমে দেখেছেন। (ই.ফা. ৩৩৩, ই সে.৩৪৪)
ইবনু ‘আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর প্রতিপালককে অন্তর দ্বারা অনুভূতির মাধ্যমে দেখেছেন। (ই.ফা. ৩৩৩, ই সে.৩৪৪)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو سعيد الأشج جميعا عن وكيع، - قال الأشج حدثنا وكيع، - حدثنا الأعمش، عن زياد بن الحصين أبي جهمة، عن أبي العالية، عن ابن عباس، قال { ما كذب الفؤاد ما رأى} { ولقد رآه نزلة أخرى} قال رآه بفؤاده مرتين .
সহিহ মুসলিম ৩২৬
ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আল্লাহ্র বাণীঃ “তিনি যা দেখেছেন, তাঁর অন্তকরণ তা অস্বীকার করেনি” “এবং নিশ্চয়ই তিনি তাঁকে আরেক বার দেখেছেন” (সূরাহ আন্ নাজ্ম ৫৩ :১১ ও ১৩) আয়াতদ্বয়ের ব্যাখ্যা হচ্ছেঃ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর প্রভূকে হৃদয় অন্তকরণ দ্বারাই দেখেছেন। (অর্থাৎ বাহ্যিক চোখে প্রত্যক্ষ করেননি)। (ই.ফা. ৩৩৪; ই.সে. ৩৪৫)
ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আল্লাহ্র বাণীঃ “তিনি যা দেখেছেন, তাঁর অন্তকরণ তা অস্বীকার করেনি” “এবং নিশ্চয়ই তিনি তাঁকে আরেক বার দেখেছেন” (সূরাহ আন্ নাজ্ম ৫৩ :১১ ও ১৩) আয়াতদ্বয়ের ব্যাখ্যা হচ্ছেঃ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর প্রভূকে হৃদয় অন্তকরণ দ্বারাই দেখেছেন। (অর্থাৎ বাহ্যিক চোখে প্রত্যক্ষ করেননি)। (ই.ফা. ৩৩৪; ই.সে. ৩৪৫)
সহিহ মুসলিম ৩২৮
حدثني زهير بن حرب، حدثنا إسماعيل بن إبراهيم، عن داود، عن الشعبي، عن مسروق، قال كنت متكئا عند عائشة فقالت يا أبا عائشة ثلاث من تكلم بواحدة منهن فقد أعظم على الله الفرية . قلت ما هن قالت من زعم أن محمدا صلى الله عليه وسلم رأى ربه فقد أعظم على الله الفرية . قال وكنت متكئا فجلست فقلت يا أم المؤمنين أنظريني ولا تعجليني ألم يقل الله عز وجل { ولقد رآه بالأفق المبين} { ولقد رآه نزلة أخرى} . فقالت أنا أول هذه الأمة سأل عن ذلك رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال " إنما هو جبريل لم أره على صورته التي خلق عليها غير هاتين المرتين رأيته منهبطا من السماء سادا عظم خلقه ما بين السماء إلى الأرض " . فقالت أولم تسمع أن الله يقول { لا تدركه الأبصار وهو يدرك الأبصار وهو اللطيف الخبير} أولم تسمع أن الله يقول { وما كان لبشر أن يكلمه الله إلا وحيا أو من وراء حجاب أو يرسل رسولا فيوحي بإذنه ما يشاء إنه علي حكيم} قالت ومن زعم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كتم شيئا من كتاب الله فقد أعظم على الله الفرية والله يقول { يا أيها الرسول بلغ ما أنزل إليك من ربك وإن لم تفعل فما بلغت رسالته} . قالت ومن زعم أنه يخبر بما يكون في غد فقد أعظم على الله الفرية والله يقول { قل لا يعلم من في السموات والأرض الغيب إلا الله} .
মাসরূক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আয়িশাহ্ (রাঃ) -এর মাজলিসে হেলান দিয়ে বসেছিলেন। তখন তিনি বলছেন, হে আবূ ‘আয়িশাহ্। তিনটি কথা এমন, যে এর কোন একটি বললো, সে আল্লাহ্ সম্পর্কে ভীষণ অপবাদ দিল। আমি জিজ্ঞেস করলাম, সেগুলি কি? তিনি বললেন, যে এ কথা বলে যে, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর প্রতিপালককে দেখেছেন, সে আল্লাহ্র উপর ভীষণ অপবাদ দিল। রাবী মাসরূক বলেন, আমি তো হেলান দেয়া অবস্থায় ছিলাম, এবার সোজা হয়ে বসলাম। বললাম, হে উম্মুল মু’মিনীন! থামুন। আমাকে সময় দিন, ব্যস্ত হবেন না। আল্লাহ্ তা’আলা কুরআনে কি বলেননি? “তিনি (রসূল) তো তাঁকে (আল্লাহকে) স্পষ্ট দিগন্তে দেখেছেন।-(সূরাহঃ আত তাকভীর ৮১ : ২৩)। অন্যত্র “নিশ্চয় তিনি তাঁকে আরেকবার দেখেছিলেন” -(সূরাহ আন নাজম ৫৩ : ১৩)। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, আমিই এ উম্মাতের প্রথম ব্যক্তি, যে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছিলাম। তিনি বলেছেনঃ তিনি তো ছিলেন জিবরীল (আঃ)। কেবল মাত্র এ দু’বারই আমি তাঁকে তাঁর আসল আকৃতিতে দেখেছি। আমি তাঁকে আসমান থেকে অবতরণ করতে দেখেছি। তাঁর বিরাট দেহ ঢেকে ফেলেছিল আসমান ও জমিনের মধ্যবর্তী সব স্থানটুকু। ‘আয়িশা (রাঃ) আরো বলেন, তুমি শোননি? আল্লাহ্ তা’আলা বলেছেনঃ “তিনি (আল্লাহ্) দৃষ্টির অধিগম্য নন, তবে দৃষ্টিশক্তি তাঁর অধিগত এবং তিনি সূক্ষদর্শী ও সম্যক পরিজ্ঞাত” (সূরাহ আল আন’আম ৬ : ১০৩)। এরূপে তুমি কি শোননি? আল্লাহ তা’আলা বলেছেনঃ “মানুষের এমন মর্যাদা নেই যে, আল্লাহ্ তাঁর সাথে কথা বলবেন, ওয়াহীর মাধ্যম ব্যতিরেকে, অথবা পর্দার অন্তরাল ব্যতিরেখে, অথবা এমন দূত প্রেরণ ব্যতিরেকে যে তাঁর অনুমতিক্রমে তিনি যা চান তা ব্যক্ত করেন, তিনি সমুন্নত ও প্রজ্ঞাময়”-(সূরাহ আশ শূরা ৪২ : ৫১)। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, আর ঐ ব্যক্তিও আল্লাহ্র উপর ভীষণ অপবাদ দেয়, যে এমন কথা বলে যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহ্র কিতাবের কোন কথা গোপন রেখেছেন। কেননা আল্লাহ্ তা’আলা বলেনঃ “হে রসূল! আপনার প্রতিপালকের নিকট হ’তে যা অবতীর্ণ হয়েছে তা প্রচার করুন, যদি তা না করেন তবে আপনি তাঁর বার্তা প্রচারই করলেন না-(সূরাহ আল মায়িদাহ ৫ : ৬৭)। তিনি ‘আয়িশাহ (রাঃ) আরো বলেন, যে ব্যক্তি এ কথা বলে যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহ্র ওয়াহী ব্যতীত আগামীকাল কি হবে তা অবহিত করতে পারেন, সেও আল্লাহ্র উপর ভীষণ অপবাদ দেয়। কেননা আল্লাহ্ তা’আলা বলেন, “বল, আসমান ও জমিনে আল্লাহ্ ব্যতীত গায়েব সম্পর্কে কেউ জানে না”- (সূরাহ আন্ নাম্ল ২৭ : ৬৫)। (ই.ফা. ৩৩৬; ই.সে. ৩৪৭)।
মাসরূক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আয়িশাহ্ (রাঃ) -এর মাজলিসে হেলান দিয়ে বসেছিলেন। তখন তিনি বলছেন, হে আবূ ‘আয়িশাহ্। তিনটি কথা এমন, যে এর কোন একটি বললো, সে আল্লাহ্ সম্পর্কে ভীষণ অপবাদ দিল। আমি জিজ্ঞেস করলাম, সেগুলি কি? তিনি বললেন, যে এ কথা বলে যে, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর প্রতিপালককে দেখেছেন, সে আল্লাহ্র উপর ভীষণ অপবাদ দিল। রাবী মাসরূক বলেন, আমি তো হেলান দেয়া অবস্থায় ছিলাম, এবার সোজা হয়ে বসলাম। বললাম, হে উম্মুল মু’মিনীন! থামুন। আমাকে সময় দিন, ব্যস্ত হবেন না। আল্লাহ্ তা’আলা কুরআনে কি বলেননি? “তিনি (রসূল) তো তাঁকে (আল্লাহকে) স্পষ্ট দিগন্তে দেখেছেন।-(সূরাহঃ আত তাকভীর ৮১ : ২৩)। অন্যত্র “নিশ্চয় তিনি তাঁকে আরেকবার দেখেছিলেন” -(সূরাহ আন নাজম ৫৩ : ১৩)। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, আমিই এ উম্মাতের প্রথম ব্যক্তি, যে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছিলাম। তিনি বলেছেনঃ তিনি তো ছিলেন জিবরীল (আঃ)। কেবল মাত্র এ দু’বারই আমি তাঁকে তাঁর আসল আকৃতিতে দেখেছি। আমি তাঁকে আসমান থেকে অবতরণ করতে দেখেছি। তাঁর বিরাট দেহ ঢেকে ফেলেছিল আসমান ও জমিনের মধ্যবর্তী সব স্থানটুকু। ‘আয়িশা (রাঃ) আরো বলেন, তুমি শোননি? আল্লাহ্ তা’আলা বলেছেনঃ “তিনি (আল্লাহ্) দৃষ্টির অধিগম্য নন, তবে দৃষ্টিশক্তি তাঁর অধিগত এবং তিনি সূক্ষদর্শী ও সম্যক পরিজ্ঞাত” (সূরাহ আল আন’আম ৬ : ১০৩)। এরূপে তুমি কি শোননি? আল্লাহ তা’আলা বলেছেনঃ “মানুষের এমন মর্যাদা নেই যে, আল্লাহ্ তাঁর সাথে কথা বলবেন, ওয়াহীর মাধ্যম ব্যতিরেকে, অথবা পর্দার অন্তরাল ব্যতিরেখে, অথবা এমন দূত প্রেরণ ব্যতিরেকে যে তাঁর অনুমতিক্রমে তিনি যা চান তা ব্যক্ত করেন, তিনি সমুন্নত ও প্রজ্ঞাময়”-(সূরাহ আশ শূরা ৪২ : ৫১)। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, আর ঐ ব্যক্তিও আল্লাহ্র উপর ভীষণ অপবাদ দেয়, যে এমন কথা বলে যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহ্র কিতাবের কোন কথা গোপন রেখেছেন। কেননা আল্লাহ্ তা’আলা বলেনঃ “হে রসূল! আপনার প্রতিপালকের নিকট হ’তে যা অবতীর্ণ হয়েছে তা প্রচার করুন, যদি তা না করেন তবে আপনি তাঁর বার্তা প্রচারই করলেন না-(সূরাহ আল মায়িদাহ ৫ : ৬৭)। তিনি ‘আয়িশাহ (রাঃ) আরো বলেন, যে ব্যক্তি এ কথা বলে যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহ্র ওয়াহী ব্যতীত আগামীকাল কি হবে তা অবহিত করতে পারেন, সেও আল্লাহ্র উপর ভীষণ অপবাদ দেয়। কেননা আল্লাহ্ তা’আলা বলেন, “বল, আসমান ও জমিনে আল্লাহ্ ব্যতীত গায়েব সম্পর্কে কেউ জানে না”- (সূরাহ আন্ নাম্ল ২৭ : ৬৫)। (ই.ফা. ৩৩৬; ই.সে. ৩৪৭)।
حدثني زهير بن حرب، حدثنا إسماعيل بن إبراهيم، عن داود، عن الشعبي، عن مسروق، قال كنت متكئا عند عائشة فقالت يا أبا عائشة ثلاث من تكلم بواحدة منهن فقد أعظم على الله الفرية . قلت ما هن قالت من زعم أن محمدا صلى الله عليه وسلم رأى ربه فقد أعظم على الله الفرية . قال وكنت متكئا فجلست فقلت يا أم المؤمنين أنظريني ولا تعجليني ألم يقل الله عز وجل { ولقد رآه بالأفق المبين} { ولقد رآه نزلة أخرى} . فقالت أنا أول هذه الأمة سأل عن ذلك رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال " إنما هو جبريل لم أره على صورته التي خلق عليها غير هاتين المرتين رأيته منهبطا من السماء سادا عظم خلقه ما بين السماء إلى الأرض " . فقالت أولم تسمع أن الله يقول { لا تدركه الأبصار وهو يدرك الأبصار وهو اللطيف الخبير} أولم تسمع أن الله يقول { وما كان لبشر أن يكلمه الله إلا وحيا أو من وراء حجاب أو يرسل رسولا فيوحي بإذنه ما يشاء إنه علي حكيم} قالت ومن زعم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كتم شيئا من كتاب الله فقد أعظم على الله الفرية والله يقول { يا أيها الرسول بلغ ما أنزل إليك من ربك وإن لم تفعل فما بلغت رسالته} . قالت ومن زعم أنه يخبر بما يكون في غد فقد أعظم على الله الفرية والله يقول { قل لا يعلم من في السموات والأرض الغيب إلا الله} .
সহিহ মুসলিম ৩৩০
حدثنا ابن نمير، حدثنا أبي، حدثنا إسماعيل، عن الشعبي، عن مسروق، قال سألت عائشة هل رأى محمد صلى الله عليه وسلم ربه فقالت سبحان الله لقد قف شعري لما قلت . وساق الحديث بقصته . وحديث داود أتم وأطول .
মাসরূক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশা (রাঃ)–কে জিজ্ঞেস করলাম- নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর রবকে দেখেছেন কি? জবাবে তিনি (আতঙ্ক বা আশ্চর্যের সাথে) বললেন, সুবহানাল্লাহ্! তোমার কথা শুনে আমার শরীরের পশম কাঁটা দিয়ে খাড়া হয়ে গেছে। অতঃপর হাদীসের পূর্ণ বিবরণ বর্ণনা করেছেন। তবে এ প্রসঙ্গে দাঊদের হাদীসটিই পরিপূর্ণ ও বিস্তৃত। (ই.ফা. ৩৩৮; ই.সে. ৩৪৯)
মাসরূক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশা (রাঃ)–কে জিজ্ঞেস করলাম- নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর রবকে দেখেছেন কি? জবাবে তিনি (আতঙ্ক বা আশ্চর্যের সাথে) বললেন, সুবহানাল্লাহ্! তোমার কথা শুনে আমার শরীরের পশম কাঁটা দিয়ে খাড়া হয়ে গেছে। অতঃপর হাদীসের পূর্ণ বিবরণ বর্ণনা করেছেন। তবে এ প্রসঙ্গে দাঊদের হাদীসটিই পরিপূর্ণ ও বিস্তৃত। (ই.ফা. ৩৩৮; ই.সে. ৩৪৯)
حدثنا ابن نمير، حدثنا أبي، حدثنا إسماعيل، عن الشعبي، عن مسروق، قال سألت عائشة هل رأى محمد صلى الله عليه وسلم ربه فقالت سبحان الله لقد قف شعري لما قلت . وساق الحديث بقصته . وحديث داود أتم وأطول .
সহিহ মুসলিম ৩৩১
وحدثنا ابن نمير، حدثنا أبو أسامة، حدثنا زكرياء، عن ابن أشوع، عن عامر، عن مسروق، قال قلت لعائشة فأين قوله { ثم دنا فتدلى * فكان قاب قوسين أو أدنى * فأوحى إلى عبده ما أوحى} قالت إنما ذاك جبريل صلى الله عليه وسلم كان يأتيه في صورة الرجال وإنه أتاه في هذه المرة في صورته التي هي صورته فسد أفق السماء .
মাসরূক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন আমি ‘আয়িশা (রাঃ)–কে বললাম, (আপনি তো বলেন, মহানবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর প্রতিপালককে দেখেননি) তাহলে আল্লাহর এ বাণীর জবাব কি? “এমনকি দুই ধনুকের সমান কিংবা তার চেয়েও কম দূরত্ব থেকে গেল। তখন আল্লাহর বান্দাকে যে ওয়াহী পৌছার ছিল তা পৌছে দিল”- (সূরাহ আন নাজম ৫৩ : ৯-১১)। ‘আয়িশা (রাঃ) বললেন, ইনি তো হলেন জিবরীল (আঃ)। সাধারণত তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর কাছে আসতেন মানুষের আকৃতিতে। কিন্তু এবার এসেছিলেন তাঁর আসল রূপে। তাঁর দেহ আকাশের সীমা ঢেকে ফেলেছিল। (ই.ফা. ৩৩৯; ই.সে. ৩৫০)
মাসরূক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন আমি ‘আয়িশা (রাঃ)–কে বললাম, (আপনি তো বলেন, মহানবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর প্রতিপালককে দেখেননি) তাহলে আল্লাহর এ বাণীর জবাব কি? “এমনকি দুই ধনুকের সমান কিংবা তার চেয়েও কম দূরত্ব থেকে গেল। তখন আল্লাহর বান্দাকে যে ওয়াহী পৌছার ছিল তা পৌছে দিল”- (সূরাহ আন নাজম ৫৩ : ৯-১১)। ‘আয়িশা (রাঃ) বললেন, ইনি তো হলেন জিবরীল (আঃ)। সাধারণত তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর কাছে আসতেন মানুষের আকৃতিতে। কিন্তু এবার এসেছিলেন তাঁর আসল রূপে। তাঁর দেহ আকাশের সীমা ঢেকে ফেলেছিল। (ই.ফা. ৩৩৯; ই.সে. ৩৫০)
وحدثنا ابن نمير، حدثنا أبو أسامة، حدثنا زكرياء، عن ابن أشوع، عن عامر، عن مسروق، قال قلت لعائشة فأين قوله { ثم دنا فتدلى * فكان قاب قوسين أو أدنى * فأوحى إلى عبده ما أوحى} قالت إنما ذاك جبريل صلى الله عليه وسلم كان يأتيه في صورة الرجال وإنه أتاه في هذه المرة في صورته التي هي صورته فسد أفق السماء .
সহিহ মুসলিম > রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর বাণীঃ তা ছিল উজ্জ্বল জ্যোতি আমি তা দেখেছি। অন্য বর্ণনায়ঃ আমি উজ্জ্বল জ্যোতি দেখেছি।
সহিহ মুসলিম ৩৩২
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، عن يزيد بن إبراهيم، عن قتادة، عن عبد الله بن شقيق، عن أبي ذر، قال سألت رسول الله صلى الله عليه وسلم هل رأيت ربك قال " نور أنى أراه " .
আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–কে জিজ্ঞেস করেছি, আপনি কি আপনার প্রতিপালককে দেখেছেন? তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তিনি (আল্লাহ্) নূর, তা আমি কি রূপে দেখবো? (ই.ফা. ৩৪০; ই.সে. ৩৫১)
আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–কে জিজ্ঞেস করেছি, আপনি কি আপনার প্রতিপালককে দেখেছেন? তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তিনি (আল্লাহ্) নূর, তা আমি কি রূপে দেখবো? (ই.ফা. ৩৪০; ই.সে. ৩৫১)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، عن يزيد بن إبراهيم، عن قتادة، عن عبد الله بن شقيق، عن أبي ذر، قال سألت رسول الله صلى الله عليه وسلم هل رأيت ربك قال " نور أنى أراه " .
সহিহ মুসলিম ৩৩৩
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا معاذ بن هشام، حدثنا أبي ح، وحدثني حجاج بن الشاعر، حدثنا عفان بن مسلم، حدثنا همام، كلاهما عن قتادة، عن عبد الله بن شقيق، قال قلت لأبي ذر لو رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم لسألته فقال عن أى شىء كنت تسأله قال كنت أسأله هل رأيت ربك قال أبو ذر قد سألت فقال " رأيت نورا " .
‘আবদুল্লাহ ইবনু শাকীক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি আবূ যার (রাঃ)-কে বললাম, যদি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর দেখা পেতাম তবে অবশ্যই তাঁকে একটি কথা জিজ্ঞেস করতাম। আবূ যার (রাঃ) বললেন, কি জিজ্ঞেস করতে? তিনি বলেন, আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করতাম যে, আপনি কি আপনার প্রতিপালককে দেখেছেন? আবূ যার (রাঃ) বললেন, এ কথা তো আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, তিনি বলেছেন, আমি নূর দেখেছি। (ই.ফা. ৩৪১; ই.সে. ৩৫২)
‘আবদুল্লাহ ইবনু শাকীক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি আবূ যার (রাঃ)-কে বললাম, যদি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর দেখা পেতাম তবে অবশ্যই তাঁকে একটি কথা জিজ্ঞেস করতাম। আবূ যার (রাঃ) বললেন, কি জিজ্ঞেস করতে? তিনি বলেন, আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করতাম যে, আপনি কি আপনার প্রতিপালককে দেখেছেন? আবূ যার (রাঃ) বললেন, এ কথা তো আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, তিনি বলেছেন, আমি নূর দেখেছি। (ই.ফা. ৩৪১; ই.সে. ৩৫২)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا معاذ بن هشام، حدثنا أبي ح، وحدثني حجاج بن الشاعر، حدثنا عفان بن مسلم، حدثنا همام، كلاهما عن قتادة، عن عبد الله بن شقيق، قال قلت لأبي ذر لو رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم لسألته فقال عن أى شىء كنت تسأله قال كنت أسأله هل رأيت ربك قال أبو ذر قد سألت فقال " رأيت نورا " .
সহিহ মুসলিম > রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বাণী- নিশ্চয়ই আল্লাহ্ তা’আলাকে নিদ্রা স্পর্শ করে না; তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আরও বলেনঃ “নূরই তাঁর আড়াল, যদি তা প্রকাশ পেত তাহলে তাঁর চেহারার জ্যোতি সৃষ্টি জগতের যতদুর পর্যন্ত পৌঁছতো তা পুড়ে ছারখার করে দিতো”
সহিহ মুসলিম ৩৩৪
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب قالا حدثنا أبو معاوية، حدثنا الأعمش، عن عمرو بن مرة، عن أبي عبيدة، عن أبي موسى، قال قام فينا رسول الله صلى الله عليه وسلم بخمس كلمات فقال " إن الله عز وجل لا ينام ولا ينبغي له أن ينام يخفض القسط ويرفعه يرفع إليه عمل الليل قبل عمل النهار وعمل النهار قبل عمل الليل حجابه النور - وفي رواية أبي بكر النار - لو كشفه لأحرقت سبحات وجهه ما انتهى إليه بصره من خلقه " . - وفي رواية أبي بكر عن الأعمش ولم يقل حدثنا .
আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একবার রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের সামনে দাঁড়িয়ে পাঁচটি কথা বললেনঃ (১) আল্লাহ্ কখনও নিদ্রা যান না। (২) নিদ্রিত হওয়া তাঁর সাজেও না। (৩) তিনি তাঁর ইচ্ছানুসারে মীযান (দাঁড়িপাল্লা) নামান এবং উত্তোলন করেন। (৪) দিনের পূর্বেই রাতের সকল ‘আমাল তাঁর কাছে পেশ করা হয়। রাতের পূর্বেই দিনের সকল ‘আমাল তাঁর কাছে পেশ করা হয়। (৫) তিনি নূরের পর্দায় আচ্ছাদিত। আবূ বকর (রাঃ)-এর আরেক বর্ণনায় (আরবী) (আলো) এর পরিবর্তে (আরবী) (আগুন) শব্দের উল্লেখ রয়েছে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, যদি সে আবরণ খুলে দেয়া হয়, তবে তাঁর নুরের আলোচ্ছটা সৃষ্টি জগতের দৃশ্যমান সব কিছু ভস্ম করে দিবে। (ই.ফা. ৩৪২, ই সে. ৩৫৩)
আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একবার রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের সামনে দাঁড়িয়ে পাঁচটি কথা বললেনঃ (১) আল্লাহ্ কখনও নিদ্রা যান না। (২) নিদ্রিত হওয়া তাঁর সাজেও না। (৩) তিনি তাঁর ইচ্ছানুসারে মীযান (দাঁড়িপাল্লা) নামান এবং উত্তোলন করেন। (৪) দিনের পূর্বেই রাতের সকল ‘আমাল তাঁর কাছে পেশ করা হয়। রাতের পূর্বেই দিনের সকল ‘আমাল তাঁর কাছে পেশ করা হয়। (৫) তিনি নূরের পর্দায় আচ্ছাদিত। আবূ বকর (রাঃ)-এর আরেক বর্ণনায় (আরবী) (আলো) এর পরিবর্তে (আরবী) (আগুন) শব্দের উল্লেখ রয়েছে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, যদি সে আবরণ খুলে দেয়া হয়, তবে তাঁর নুরের আলোচ্ছটা সৃষ্টি জগতের দৃশ্যমান সব কিছু ভস্ম করে দিবে। (ই.ফা. ৩৪২, ই সে. ৩৫৩)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب قالا حدثنا أبو معاوية، حدثنا الأعمش، عن عمرو بن مرة، عن أبي عبيدة، عن أبي موسى، قال قام فينا رسول الله صلى الله عليه وسلم بخمس كلمات فقال " إن الله عز وجل لا ينام ولا ينبغي له أن ينام يخفض القسط ويرفعه يرفع إليه عمل الليل قبل عمل النهار وعمل النهار قبل عمل الليل حجابه النور - وفي رواية أبي بكر النار - لو كشفه لأحرقت سبحات وجهه ما انتهى إليه بصره من خلقه " . - وفي رواية أبي بكر عن الأعمش ولم يقل حدثنا .
সহিহ মুসলিম ৩৩৬
حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، قال حدثني شعبة، عن عمرو بن مرة، عن أبي عبيدة، عن أبي موسى، قال قام فينا رسول الله صلى الله عليه وسلم بأربع " إن الله لا ينام ولا ينبغي له أن ينام يرفع القسط ويخفضه ويرفع إليه عمل النهار بالليل وعمل الليل بالنهار " .
আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের সম্মুখে চারটি কথা নিয়ে আলোচনা করে বলেন, আল্লাহ্ তা’আলা কখনো নিদ্রা যান না আর নিদ্রা তাঁর জন্য শোভাও পায় না, তিনি তুলাদণ্ড উচু এবং নীচু করেন, তাঁর নিকট রাতের পূর্বেই দিনের ‘আমাল উত্থিত হয় এবং দিনের পূর্বে রাতের ‘আমাল উত্থিত হয়। (ই.ফা. ৩৪৪; ই.সে. ৩৫৫)
আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের সম্মুখে চারটি কথা নিয়ে আলোচনা করে বলেন, আল্লাহ্ তা’আলা কখনো নিদ্রা যান না আর নিদ্রা তাঁর জন্য শোভাও পায় না, তিনি তুলাদণ্ড উচু এবং নীচু করেন, তাঁর নিকট রাতের পূর্বেই দিনের ‘আমাল উত্থিত হয় এবং দিনের পূর্বে রাতের ‘আমাল উত্থিত হয়। (ই.ফা. ৩৪৪; ই.সে. ৩৫৫)
حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، قال حدثني شعبة، عن عمرو بن مرة، عن أبي عبيدة، عن أبي موسى، قال قام فينا رسول الله صلى الله عليه وسلم بأربع " إن الله لا ينام ولا ينبغي له أن ينام يرفع القسط ويخفضه ويرفع إليه عمل النهار بالليل وعمل الليل بالنهار " .
সহিহ মুসলিম ৩৩৫
حدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا جرير، عن الأعمش، بهذا الإسناد قال قام فينا رسول الله صلى الله عليه وسلم بأربع كلمات . ثم ذكر بمثل حديث أبي معاوية ولم يذكر " من خلقه " . وقال حجابه النور .
আ’মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
পূর্ব বর্ণিত সূত্রে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে এ রিওয়ায়াতে বলা হয়েছে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের সম্মুখে চারটি কথা নিয়ে দাঁড়ালেন। বর্ণনাকারী আবূ মু’আবিয়ার হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। তবে তিনি (আরবী) ‘সৃষ্টি জগতের’ শব্দ উল্লেখ করেননি এবং তিনি (আরবী) ‘তিনি নূরের পর্দায় আচ্ছাদিত’ শব্দ উল্লেখ করেছেন। (ই.ফা. ৩৪৩; ই.সে. ৩৫৪)
আ’মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
পূর্ব বর্ণিত সূত্রে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে এ রিওয়ায়াতে বলা হয়েছে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের সম্মুখে চারটি কথা নিয়ে দাঁড়ালেন। বর্ণনাকারী আবূ মু’আবিয়ার হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। তবে তিনি (আরবী) ‘সৃষ্টি জগতের’ শব্দ উল্লেখ করেননি এবং তিনি (আরবী) ‘তিনি নূরের পর্দায় আচ্ছাদিত’ শব্দ উল্লেখ করেছেন। (ই.ফা. ৩৪৩; ই.সে. ৩৫৪)
حدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا جرير، عن الأعمش، بهذا الإسناد قال قام فينا رسول الله صلى الله عليه وسلم بأربع كلمات . ثم ذكر بمثل حديث أبي معاوية ولم يذكر " من خلقه " . وقال حجابه النور .