সহিহ মুসলিম > সুস্পষ্ট প্রমাণের দ্বারা হৃদয়ের প্রশান্তি বৃদ্ধি পায়

সহিহ মুসলিম ২৭৭

وحدثني به، إن شاء الله عبد الله بن محمد بن أسماء الضبعي حدثنا جويرية، عن مالك، عن الزهري، أن سعيد بن المسيب، وأبا، عبيد أخبراه عن أبي هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم بمثل حديث يونس عن الزهري وفي حديث مالك ‏ "‏ ولكن ليطمئن قلبي ‏"‏ ‏.‏ قال ثم قرأ هذه الآية حتى جازها ‏.‏

সা’ঈদ ইবনু মুসাইয়্যাব ও আবূ ‘উবায়দ (রহঃ) উভয়ে আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে উপরের হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেছেন। যেরূপ বর্ণনা করেছেন ইউনুস (রহঃ) যুহরী (রহঃ) হতে। তবে মালিক (রহঃ) তাঁর হাদীসে কথাটির পর উল্লেখ করেন যে, “বরং আমার অন্তরের প্রশান্তির জন্যে”। এরপর রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আয়াতটি শেষ পর্যন্ত তিলাওয়াত করেন। ‘আব্‌দ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... যুহরী (রহঃ) থেকে মালিক-এর সূত্রে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, এরপর রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আয়াতটি শেষ পর্যন্ত তিলাওয়াত করেন। (ই.ফা. ২৮০, ২৮১; ই.সে. ২৯১, ২৯২)

সা’ঈদ ইবনু মুসাইয়্যাব ও আবূ ‘উবায়দ (রহঃ) উভয়ে আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে উপরের হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেছেন। যেরূপ বর্ণনা করেছেন ইউনুস (রহঃ) যুহরী (রহঃ) হতে। তবে মালিক (রহঃ) তাঁর হাদীসে কথাটির পর উল্লেখ করেন যে, “বরং আমার অন্তরের প্রশান্তির জন্যে”। এরপর রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আয়াতটি শেষ পর্যন্ত তিলাওয়াত করেন। ‘আব্‌দ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... যুহরী (রহঃ) থেকে মালিক-এর সূত্রে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, এরপর রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আয়াতটি শেষ পর্যন্ত তিলাওয়াত করেন। (ই.ফা. ২৮০, ২৮১; ই.সে. ২৯১, ২৯২)

وحدثني به، إن شاء الله عبد الله بن محمد بن أسماء الضبعي حدثنا جويرية، عن مالك، عن الزهري، أن سعيد بن المسيب، وأبا، عبيد أخبراه عن أبي هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم بمثل حديث يونس عن الزهري وفي حديث مالك ‏ "‏ ولكن ليطمئن قلبي ‏"‏ ‏.‏ قال ثم قرأ هذه الآية حتى جازها ‏.‏


সহিহ মুসলিম ২৭৬

وحدثني حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، عن أبي سلمة بن عبد الرحمن، وسعيد بن المسيب، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ نحن أحق بالشك من إبراهيم صلى الله عليه وسلم إذ قال ‏{‏ رب أرني كيف تحيي الموتى قال أولم تؤمن قال بلى ولكن ليطمئن قلبي‏}‏ قال ‏"‏ ويرحم الله لوطا لقد كان يأوي إلى ركن شديد ولو لبثت في السجن طول لبث يوسف لأجبت الداعي ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ইবরাহীম (‘আঃ)-এর তুলনায় আমাদের মনে অধিক সন্দেহ জাগতে পারে। [৫৮] তিনি বলেছিলেনঃ “হে আমার প্রতিপালক! কিভাবে আপনি মৃতকে জীবিত করেন, আমাকে দেখান। আল্লাহ বললেনঃ “তবে কি তুমি বিশ্বাস কর না? তিনি উত্তরে বললেন, কেন করব না? তবে এটা কেবল আমার চিত্তের প্রশান্তির জন্য”-(সূরাহ আল বাকারাহ্‌ ২ : ২৬০)। আল্লাহ তা’আলা লূত (‘আঃ)-এর উপর রহমাত বর্ষণ করুন, তিনি কোন শক্তিশালী জনগোষ্ঠীর আশ্রয় গ্রহণের ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। [৫৯] ইউসুফের দীর্ঘ কারাবরণের ন্যায় আমাকেও যদি কারাগারে অবস্থান করতে হত, তবে আমি রাজদূতের আহ্বানে সাড়া দিতাম। [৬০] (ই.ফা. ২৮০; ই.সে. ২৯০)

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ইবরাহীম (‘আঃ)-এর তুলনায় আমাদের মনে অধিক সন্দেহ জাগতে পারে। [৫৮] তিনি বলেছিলেনঃ “হে আমার প্রতিপালক! কিভাবে আপনি মৃতকে জীবিত করেন, আমাকে দেখান। আল্লাহ বললেনঃ “তবে কি তুমি বিশ্বাস কর না? তিনি উত্তরে বললেন, কেন করব না? তবে এটা কেবল আমার চিত্তের প্রশান্তির জন্য”-(সূরাহ আল বাকারাহ্‌ ২ : ২৬০)। আল্লাহ তা’আলা লূত (‘আঃ)-এর উপর রহমাত বর্ষণ করুন, তিনি কোন শক্তিশালী জনগোষ্ঠীর আশ্রয় গ্রহণের ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। [৫৯] ইউসুফের দীর্ঘ কারাবরণের ন্যায় আমাকেও যদি কারাগারে অবস্থান করতে হত, তবে আমি রাজদূতের আহ্বানে সাড়া দিতাম। [৬০] (ই.ফা. ২৮০; ই.সে. ২৯০)

وحدثني حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، عن أبي سلمة بن عبد الرحمن، وسعيد بن المسيب، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ نحن أحق بالشك من إبراهيم صلى الله عليه وسلم إذ قال ‏{‏ رب أرني كيف تحيي الموتى قال أولم تؤمن قال بلى ولكن ليطمئن قلبي‏}‏ قال ‏"‏ ويرحم الله لوطا لقد كان يأوي إلى ركن شديد ولو لبثت في السجن طول لبث يوسف لأجبت الداعي ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম > সকল মানুষের জন্য আমাদের নাবী মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রেরিত হয়েছেন এবং অন্যান্য সকল দ্বীন ও ধর্ম তাঁর দ্বীনের মাধ্যমে রহিত হয়ে গেছে- এ কথার উপর বিশ্বাস স্থাপন ওয়াজিব

সহিহ মুসলিম ২৭৯

حدثني يونس بن عبد الأعلى، أخبرنا ابن وهب، قال وأخبرني عمرو، أن أبا يونس، حدثه عن أبي هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال ‏ "‏ والذي نفس محمد بيده لا يسمع بي أحد من هذه الأمة يهودي ولا نصراني ثم يموت ولم يؤمن بالذي أرسلت به إلا كان من أصحاب النار ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, সে সত্তার কসম, যাঁর হাতে মুহাম্মাদের প্রাণ! ইয়াহুদী হোক আর খৃস্টান হোক, যে ব্যক্তিই আমার এ রিসালাতের খবর শুনেছে অথচ আমার রিসালাতের উপর ঈমান না এনে মৃত্যুবরণ করবে, অবশ্যই সে জাহান্নামী হবে। (ই.ফা. ২৮৩; ই.সে. ২৯৪)

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, সে সত্তার কসম, যাঁর হাতে মুহাম্মাদের প্রাণ! ইয়াহুদী হোক আর খৃস্টান হোক, যে ব্যক্তিই আমার এ রিসালাতের খবর শুনেছে অথচ আমার রিসালাতের উপর ঈমান না এনে মৃত্যুবরণ করবে, অবশ্যই সে জাহান্নামী হবে। (ই.ফা. ২৮৩; ই.সে. ২৯৪)

حدثني يونس بن عبد الأعلى، أخبرنا ابن وهب، قال وأخبرني عمرو، أن أبا يونس، حدثه عن أبي هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال ‏ "‏ والذي نفس محمد بيده لا يسمع بي أحد من هذه الأمة يهودي ولا نصراني ثم يموت ولم يؤمن بالذي أرسلت به إلا كان من أصحاب النار ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ২৭৮

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، عن سعيد بن أبي سعيد، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ ما من الأنبياء من نبي إلا قد أعطي من الآيات ما مثله آمن عليه البشر وإنما كان الذي أوتيت وحيا أوحى الله إلى فأرجو أن أكون أكثرهم تابعا يوم القيامة ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, প্রত্যেক নাবীকে সে পরিমাণ মু’জিযা দেয়া হয়েছে, যে পরিমাণ মু’জিযার প্রতি মানুষ ঈমান এনেছে। পক্ষান্তরে আমাকে যে মু’জিযা প্রদান করা হয়েছে, তা হচ্ছে আল্লাহ প্রেরিত ওয়াহী। [৬১] সুতরাং কিয়ামাতের দিন আমার অনুসারীদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশী হবে বলে আশা রাখি। (ই.ফা. ২৮২; ই.সে. ২৯৩)

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, প্রত্যেক নাবীকে সে পরিমাণ মু’জিযা দেয়া হয়েছে, যে পরিমাণ মু’জিযার প্রতি মানুষ ঈমান এনেছে। পক্ষান্তরে আমাকে যে মু’জিযা প্রদান করা হয়েছে, তা হচ্ছে আল্লাহ প্রেরিত ওয়াহী। [৬১] সুতরাং কিয়ামাতের দিন আমার অনুসারীদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশী হবে বলে আশা রাখি। (ই.ফা. ২৮২; ই.সে. ২৯৩)

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، عن سعيد بن أبي سعيد، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ ما من الأنبياء من نبي إلا قد أعطي من الآيات ما مثله آمن عليه البشر وإنما كان الذي أوتيت وحيا أوحى الله إلى فأرجو أن أكون أكثرهم تابعا يوم القيامة ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ২৮০

حدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا هشيم، عن صالح بن صالح الهمداني، عن الشعبي، قال رأيت رجلا من أهل خراسان سأل الشعبي فقال يا أبا عمرو إن من قبلنا من أهل خراسان يقولون في الرجل إذا أعتق أمته ثم تزوجها فهو كالراكب بدنته ‏.‏ فقال الشعبي حدثني أبو بردة بن أبي موسى عن أبيه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ ثلاثة يؤتون أجرهم مرتين رجل من أهل الكتاب آمن بنبيه وأدرك النبي صلى الله عليه وسلم فآمن به واتبعه وصدقه فله أجران وعبد مملوك أدى حق الله تعالى وحق سيده فله أجران ورجل كانت له أمة فغذاها فأحسن غذاءها ثم أدبها فأحسن أدبها ثم أعتقها وتزوجها فله أجران ‏"‏ ‏.‏ ثم قال الشعبي للخراساني خذ هذا الحديث بغير شىء ‏.‏ فقد كان الرجل يرحل فيما دون هذا إلى المدينة ‏.‏

সালিহ্‌ আল হামদানী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

ইমাম শা’বীর নিকট এসে জনৈক খুরাসানী ব্যক্তিকে প্রশ্ন করতে দেখলাম। সে বলল, হে আবূ ‘আমর! আমাদের অঞ্চলে কতিপয় খুরাসানীর মতামত হলো, যে ব্যক্তি নিজের দাসীকে আযাদ করে দিয়ে তাকে বিয়ে করল সে যেন নিজে কুরবানীর উটের উপর সওয়ার হলো (অর্থাৎ তা নিন্দনীয় কাজ মনে করে।) শা’বী উত্তরে বললেন, আমাকে আবূ বুরদাহ (রাঃ) তাঁর পিতার সূত্রে বর্ণনা করেছেন যে, রসূলুল্লাহ বলেনঃ তিন ধরণের লোককে দ্বিগুণ সাওয়াব দান করা হবে। (তারা হলো) (১) যে আহলে কিতাব তার নাবীর প্রতি ঈমান এনেছে এবং পরে আমার প্রতি ঈমান এনেছে এবং সত্য বলে মেনে নিয়েছে এবং আমার অনুসরণ করেছে সে দ্বিগুণ সাওয়াব পাবে। (২) যে দাস আল্লাহ তা’আলার হাক্‌ আদায় করেছে এবং তার মালিকের হাক্‌ও আদায় করেছে, সেও দ্বিগুণ সাওয়াব লাভ করবে। (৩) যে ব্যক্তি তার দাসীকে উত্তম খাবার দিয়েছে, উত্তমরূপে আদব-কায়দা শিখিয়েছে, তারপর তাকে আযাদ করে বিয়ে করেছে; সেও দ্বিগুণ সাওয়াবের অধিকারী হবে। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর শা’বী উক্ত খোরাসানীকে বললেন, কোন বিনিময় ছাড়াই তুমি এ হাদীস নিয়ে যাও। অথচ এর চেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ হাদীসের জন্যও এক সময় মাদীনাহ্‌ পর্যন্ত লোকেরা সফর করত। আবূ বাক্‌র ইবনু আবূ শাইবাহ্‌ ও ইবনু আবূ ‘উমার ও ‘উবাইদুল্লাহ ইবনু মু’আয (রহঃ) … সালিহ্‌ (রহঃ) থেকে পূর্বোল্লিখিত সানাদে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ২৮৪, ২৮৫;; ই.সে. ২৯৫, ২৯৬)

সালিহ্‌ আল হামদানী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

ইমাম শা’বীর নিকট এসে জনৈক খুরাসানী ব্যক্তিকে প্রশ্ন করতে দেখলাম। সে বলল, হে আবূ ‘আমর! আমাদের অঞ্চলে কতিপয় খুরাসানীর মতামত হলো, যে ব্যক্তি নিজের দাসীকে আযাদ করে দিয়ে তাকে বিয়ে করল সে যেন নিজে কুরবানীর উটের উপর সওয়ার হলো (অর্থাৎ তা নিন্দনীয় কাজ মনে করে।) শা’বী উত্তরে বললেন, আমাকে আবূ বুরদাহ (রাঃ) তাঁর পিতার সূত্রে বর্ণনা করেছেন যে, রসূলুল্লাহ বলেনঃ তিন ধরণের লোককে দ্বিগুণ সাওয়াব দান করা হবে। (তারা হলো) (১) যে আহলে কিতাব তার নাবীর প্রতি ঈমান এনেছে এবং পরে আমার প্রতি ঈমান এনেছে এবং সত্য বলে মেনে নিয়েছে এবং আমার অনুসরণ করেছে সে দ্বিগুণ সাওয়াব পাবে। (২) যে দাস আল্লাহ তা’আলার হাক্‌ আদায় করেছে এবং তার মালিকের হাক্‌ও আদায় করেছে, সেও দ্বিগুণ সাওয়াব লাভ করবে। (৩) যে ব্যক্তি তার দাসীকে উত্তম খাবার দিয়েছে, উত্তমরূপে আদব-কায়দা শিখিয়েছে, তারপর তাকে আযাদ করে বিয়ে করেছে; সেও দ্বিগুণ সাওয়াবের অধিকারী হবে। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর শা’বী উক্ত খোরাসানীকে বললেন, কোন বিনিময় ছাড়াই তুমি এ হাদীস নিয়ে যাও। অথচ এর চেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ হাদীসের জন্যও এক সময় মাদীনাহ্‌ পর্যন্ত লোকেরা সফর করত। আবূ বাক্‌র ইবনু আবূ শাইবাহ্‌ ও ইবনু আবূ ‘উমার ও ‘উবাইদুল্লাহ ইবনু মু’আয (রহঃ) … সালিহ্‌ (রহঃ) থেকে পূর্বোল্লিখিত সানাদে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ২৮৪, ২৮৫;; ই.সে. ২৯৫, ২৯৬)

حدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا هشيم، عن صالح بن صالح الهمداني، عن الشعبي، قال رأيت رجلا من أهل خراسان سأل الشعبي فقال يا أبا عمرو إن من قبلنا من أهل خراسان يقولون في الرجل إذا أعتق أمته ثم تزوجها فهو كالراكب بدنته ‏.‏ فقال الشعبي حدثني أبو بردة بن أبي موسى عن أبيه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ ثلاثة يؤتون أجرهم مرتين رجل من أهل الكتاب آمن بنبيه وأدرك النبي صلى الله عليه وسلم فآمن به واتبعه وصدقه فله أجران وعبد مملوك أدى حق الله تعالى وحق سيده فله أجران ورجل كانت له أمة فغذاها فأحسن غذاءها ثم أدبها فأحسن أدبها ثم أعتقها وتزوجها فله أجران ‏"‏ ‏.‏ ثم قال الشعبي للخراساني خذ هذا الحديث بغير شىء ‏.‏ فقد كان الرجل يرحل فيما دون هذا إلى المدينة ‏.‏


সহিহ মুসলিম > আমাদের নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর শারী’আত অনুসারী প্রশাসক হিসেবে ‘ঈসা ইবনু মারইয়াম (‘আঃ)-এর অবতরণ

সহিহ মুসলিম ২৮১

وحدثناه عبد الأعلى بن حماد، وأبو بكر بن أبي شيبة وزهير بن حرب قالوا حدثنا سفيان بن عيينة، ح وحدثنيه حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، قال حدثني يونس، ح وحدثنا حسن الحلواني، وعبد بن حميد، عن يعقوب بن إبراهيم بن سعد، حدثنا أبي، عن صالح، كلهم عن الزهري، بهذا الإسناد وفي رواية ابن عيينة ‏"‏ إماما مقسطا وحكما عدلا ‏"‏ ‏.‏ وفي رواية يونس ‏"‏ حكما عادلا ‏"‏ ‏.‏ ولم يذكر ‏"‏ إماما مقسطا ‏"‏ ‏.‏ وفي حديث صالح ‏"‏ حكما مقسطا ‏"‏ كما قال الليث ‏.‏ وفي حديثه من الزيادة ‏"‏ وحتى تكون السجدة الواحدة خيرا من الدنيا وما فيها ‏"‏ ‏.‏ ثم يقول أبو هريرة اقرءوا إن شئتم ‏{‏ وإن من أهل الكتاب إلا ليؤمنن به قبل موته‏}‏ الآية ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ সে সত্তার শপথ, যাঁর হাতে আমার প্রাণ। শীঘ্রই তোমাদের মাঝে ‘ঈসা ইবনু মারইয়াম (‘আঃ)-কে একজন ন্যায়পরায়ণ প্রশাসক হিসেবে অবতীর্ণ করা হবে। [৬২] তখন তিনি ক্রুশ (চিহ্ন) ধ্বংস করবেন, শুকর হত্যা করবেন, জিয্‌য়াহ্‌ কর রহিত করবেন। [৬৩] তখন সম্পদ এত বেশী হবে যে তা গ্রহণ করার কেউ থাকবে না। ‘আবদুল আ’লা ইবনু হাম্মাদ, আবূ বাক্‌র ইবনু আবূ শাইবাহ্‌, যুহায়র ইবনু হার্‌ব, হারমালাহ্‌ ইবনু ইয়াহ্‌ইয়া, হাসান আল হুলওয়ানী ও ‘আব্‌দ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... যুহরী (রহঃ) থেকে পূর্ব বর্ণিত সানাদের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (তবে প্রত্যেক রিওয়ায়াতে কিছু ব্যবধান যেমন) ইবনু ‘উয়াইনাহ্‌ তার রিওয়ায়াতে (আরবী) কথাটির উল্লেখ করেন। ইউনুস তাঁর রিওয়ায়াতে (আরবী) এর উল্লেখ করেছেন (আরবী) উল্লেখ করেননি। সালিহ তাঁর রিওয়ায়াতে লায়স বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ (আরবী) বর্ণনা করেছেন। তাঁর বর্ণনায় আরও রয়েছে, সে সময় এক একটি সাজদাহ পৃথিবী ও পৃথিবীর সমুদয় সম্পদ অপেক্ষা অধিক শ্রেয় বলে বিবেচিত হবে। তারপর আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেনঃ ইচ্ছা করলে তোমরা এ আয়াতটি পড়তে পার : “কিতাবীদের মধ্যে প্রত্যেকে তার মৃত্যুর পূর্বে তাঁকে [‘ঈসা (আ.-কে)] বিশ্বাস করবেই এবং কিয়ামাতের দিন তিনি তাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিবেন”-(সূরাহ আন্‌ নিসা ৪ : ১৫৯)। (ই.ফা. ২৮৬, ২৮৭; ই.সে. ২৯৭, ২৯৮)

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ সে সত্তার শপথ, যাঁর হাতে আমার প্রাণ। শীঘ্রই তোমাদের মাঝে ‘ঈসা ইবনু মারইয়াম (‘আঃ)-কে একজন ন্যায়পরায়ণ প্রশাসক হিসেবে অবতীর্ণ করা হবে। [৬২] তখন তিনি ক্রুশ (চিহ্ন) ধ্বংস করবেন, শুকর হত্যা করবেন, জিয্‌য়াহ্‌ কর রহিত করবেন। [৬৩] তখন সম্পদ এত বেশী হবে যে তা গ্রহণ করার কেউ থাকবে না। ‘আবদুল আ’লা ইবনু হাম্মাদ, আবূ বাক্‌র ইবনু আবূ শাইবাহ্‌, যুহায়র ইবনু হার্‌ব, হারমালাহ্‌ ইবনু ইয়াহ্‌ইয়া, হাসান আল হুলওয়ানী ও ‘আব্‌দ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... যুহরী (রহঃ) থেকে পূর্ব বর্ণিত সানাদের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (তবে প্রত্যেক রিওয়ায়াতে কিছু ব্যবধান যেমন) ইবনু ‘উয়াইনাহ্‌ তার রিওয়ায়াতে (আরবী) কথাটির উল্লেখ করেন। ইউনুস তাঁর রিওয়ায়াতে (আরবী) এর উল্লেখ করেছেন (আরবী) উল্লেখ করেননি। সালিহ তাঁর রিওয়ায়াতে লায়স বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ (আরবী) বর্ণনা করেছেন। তাঁর বর্ণনায় আরও রয়েছে, সে সময় এক একটি সাজদাহ পৃথিবী ও পৃথিবীর সমুদয় সম্পদ অপেক্ষা অধিক শ্রেয় বলে বিবেচিত হবে। তারপর আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেনঃ ইচ্ছা করলে তোমরা এ আয়াতটি পড়তে পার : “কিতাবীদের মধ্যে প্রত্যেকে তার মৃত্যুর পূর্বে তাঁকে [‘ঈসা (আ.-কে)] বিশ্বাস করবেই এবং কিয়ামাতের দিন তিনি তাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিবেন”-(সূরাহ আন্‌ নিসা ৪ : ১৫৯)। (ই.ফা. ২৮৬, ২৮৭; ই.সে. ২৯৭, ২৯৮)

وحدثناه عبد الأعلى بن حماد، وأبو بكر بن أبي شيبة وزهير بن حرب قالوا حدثنا سفيان بن عيينة، ح وحدثنيه حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، قال حدثني يونس، ح وحدثنا حسن الحلواني، وعبد بن حميد، عن يعقوب بن إبراهيم بن سعد، حدثنا أبي، عن صالح، كلهم عن الزهري، بهذا الإسناد وفي رواية ابن عيينة ‏"‏ إماما مقسطا وحكما عدلا ‏"‏ ‏.‏ وفي رواية يونس ‏"‏ حكما عادلا ‏"‏ ‏.‏ ولم يذكر ‏"‏ إماما مقسطا ‏"‏ ‏.‏ وفي حديث صالح ‏"‏ حكما مقسطا ‏"‏ كما قال الليث ‏.‏ وفي حديثه من الزيادة ‏"‏ وحتى تكون السجدة الواحدة خيرا من الدنيا وما فيها ‏"‏ ‏.‏ ثم يقول أبو هريرة اقرءوا إن شئتم ‏{‏ وإن من أهل الكتاب إلا ليؤمنن به قبل موته‏}‏ الآية ‏.‏


সহিহ মুসলিম ২৮৪

وحدثني محمد بن حاتم، حدثنا يعقوب بن إبراهيم، حدثنا ابن أخي ابن شهاب، عن عمه، قال أخبرني نافع، مولى أبي قتادة الأنصاري أنه سمع أبا هريرة، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ كيف أنتم إذا نزل ابن مريم فيكم وأمكم ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, তোমাদের জীবন কতই না ধন্য হবে, যে সময়ে ‘ঈসা ইবনু মারইয়াম (‘আঃ)-কে তোমাদের মাঝে পাঠানো হবে আর তিনি তোমাদের নেতৃত্ব দিবেন। (ই.ফা. ২৯০; ই.সে. ৩০১)

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, তোমাদের জীবন কতই না ধন্য হবে, যে সময়ে ‘ঈসা ইবনু মারইয়াম (‘আঃ)-কে তোমাদের মাঝে পাঠানো হবে আর তিনি তোমাদের নেতৃত্ব দিবেন। (ই.ফা. ২৯০; ই.সে. ৩০১)

وحدثني محمد بن حاتم، حدثنا يعقوب بن إبراهيم، حدثنا ابن أخي ابن شهاب، عن عمه، قال أخبرني نافع، مولى أبي قتادة الأنصاري أنه سمع أبا هريرة، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ كيف أنتم إذا نزل ابن مريم فيكم وأمكم ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ২৮২

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، عن سعيد بن أبي سعيد، عن عطاء بن ميناء، عن أبي هريرة، أنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ والله لينزلن ابن مريم حكما عادلا فليكسرن الصليب وليقتلن الخنزير وليضعن الجزية ولتتركن القلاص فلا يسعى عليها ولتذهبن الشحناء والتباغض والتحاسد وليدعون إلى المال فلا يقبله أحد ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, আল্লাহর কসম! ‘ঈসা ইবনু মারইয়াম (‘আঃ) অবশ্যই ন্যায়পরায়ণ প্রশাসকরূপে আসবেন এবং ক্রুশ চূর্ণ করবেন, শুকর হত্যা করবেন, জিয্‌য়াহ তথা কর রহিত করবেন। মোটা তাজা উটগুলো বন্ধনমুক্ত করে দেয়া হবে কিন্তু তা নেয়ার জন্য কেউ চেষ্ট করবে না। পরস্পর শত্রুতা, হিংসা-বিদ্বেষ থাকবে না এবং সম্পদ গ্রহণের জন্য মানুষকে ডাকা হবে কিন্তু তা কেউ গ্রহণ করবে না। (ই.ফা. ২৮৮; ই.সে. ২৯৯)

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, আল্লাহর কসম! ‘ঈসা ইবনু মারইয়াম (‘আঃ) অবশ্যই ন্যায়পরায়ণ প্রশাসকরূপে আসবেন এবং ক্রুশ চূর্ণ করবেন, শুকর হত্যা করবেন, জিয্‌য়াহ তথা কর রহিত করবেন। মোটা তাজা উটগুলো বন্ধনমুক্ত করে দেয়া হবে কিন্তু তা নেয়ার জন্য কেউ চেষ্ট করবে না। পরস্পর শত্রুতা, হিংসা-বিদ্বেষ থাকবে না এবং সম্পদ গ্রহণের জন্য মানুষকে ডাকা হবে কিন্তু তা কেউ গ্রহণ করবে না। (ই.ফা. ২৮৮; ই.সে. ২৯৯)

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، عن سعيد بن أبي سعيد، عن عطاء بن ميناء، عن أبي هريرة، أنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ والله لينزلن ابن مريم حكما عادلا فليكسرن الصليب وليقتلن الخنزير وليضعن الجزية ولتتركن القلاص فلا يسعى عليها ولتذهبن الشحناء والتباغض والتحاسد وليدعون إلى المال فلا يقبله أحد ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ২৮৩

حدثني حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، قال أخبرني نافع، مولى أبي قتادة الأنصاري أن أبا هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ كيف أنتم إذا نزل ابن مريم فيكم وإمامكم منكم ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমাদের জীবন কতই না ধন্য হবে, যখন ‘ঈসা ইবনু মারইয়াম (‘আঃ) তোমাদের মাঝে অবতরণ করবেন এবং তোমাদেরই একজন তোমাদের ইমাম হবেন। (ই.ফা. ২৮৯; ই.সে. ৩০০)

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমাদের জীবন কতই না ধন্য হবে, যখন ‘ঈসা ইবনু মারইয়াম (‘আঃ) তোমাদের মাঝে অবতরণ করবেন এবং তোমাদেরই একজন তোমাদের ইমাম হবেন। (ই.ফা. ২৮৯; ই.সে. ৩০০)

حدثني حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، قال أخبرني نافع، مولى أبي قتادة الأنصاري أن أبا هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ كيف أنتم إذا نزل ابن مريم فيكم وإمامكم منكم ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ২৮৫

وحدثنا زهير بن حرب، حدثني الوليد بن مسلم، حدثنا ابن أبي ذئب، عن ابن شهاب، عن نافع، مولى أبي قتادة عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ كيف أنتم إذا نزل فيكم ابن مريم فأمكم منكم ‏"‏ ‏.‏ فقلت لابن أبي ذئب إن الأوزاعي حدثنا عن الزهري عن نافع عن أبي هريرة ‏"‏ وإمامكم منكم ‏"‏ ‏.‏ قال ابن أبي ذئب تدري ما أمكم منكم قلت تخبرني ‏.‏ قال فأمكم بكتاب ربكم تبارك وتعالى وسنة نبيكم صلى الله عليه وسلم ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, তোমরা কতই না ধন্য হবে, যে সময় ‘ঈসা ইবনু মারইয়াম (‘আঃ) আসবেন এবং তোমাদেরই একজন তোমাদের নেতৃত্ব প্রদান করবেন। [৬৪] ওয়ালীদ ইবনু মুসলিম বলেন, আমি ইবনু আবূ যিবকে জিজ্ঞেস করলাম, আওযা’ঈ আমাদেরকে যুহরীর সূত্রে, তিনি নাফি’ হতে, তিনি আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণনা করেছেন : (আরবী) “আর তোমাদের থেকেই তোমাদের ইমাম হবে” কথাটির মর্ম জান কি? আমি বললাম, বলুন। তিনি বললেন অর্থাৎ তোমাদের প্রতিপালক প্রেরিত কিতাব ও তোমাদের নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর অনুসৃত আদর্শের অবলম্বনে তিনি তোমাদের নেতৃত্ব প্রদান করবেন। (ই.ফা. ২৯১; ই.সে. ৩০২)

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, তোমরা কতই না ধন্য হবে, যে সময় ‘ঈসা ইবনু মারইয়াম (‘আঃ) আসবেন এবং তোমাদেরই একজন তোমাদের নেতৃত্ব প্রদান করবেন। [৬৪] ওয়ালীদ ইবনু মুসলিম বলেন, আমি ইবনু আবূ যিবকে জিজ্ঞেস করলাম, আওযা’ঈ আমাদেরকে যুহরীর সূত্রে, তিনি নাফি’ হতে, তিনি আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণনা করেছেন : (আরবী) “আর তোমাদের থেকেই তোমাদের ইমাম হবে” কথাটির মর্ম জান কি? আমি বললাম, বলুন। তিনি বললেন অর্থাৎ তোমাদের প্রতিপালক প্রেরিত কিতাব ও তোমাদের নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর অনুসৃত আদর্শের অবলম্বনে তিনি তোমাদের নেতৃত্ব প্রদান করবেন। (ই.ফা. ২৯১; ই.সে. ৩০২)

وحدثنا زهير بن حرب، حدثني الوليد بن مسلم، حدثنا ابن أبي ذئب، عن ابن شهاب، عن نافع، مولى أبي قتادة عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ كيف أنتم إذا نزل فيكم ابن مريم فأمكم منكم ‏"‏ ‏.‏ فقلت لابن أبي ذئب إن الأوزاعي حدثنا عن الزهري عن نافع عن أبي هريرة ‏"‏ وإمامكم منكم ‏"‏ ‏.‏ قال ابن أبي ذئب تدري ما أمكم منكم قلت تخبرني ‏.‏ قال فأمكم بكتاب ربكم تبارك وتعالى وسنة نبيكم صلى الله عليه وسلم ‏.‏


সহিহ মুসলিম ২৮৬

حدثنا الوليد بن شجاع، وهارون بن عبد الله، وحجاج بن الشاعر، قالوا حدثنا حجاج، - وهو ابن محمد - عن ابن جريج، قال أخبرني أبو الزبير، أنه سمع جابر بن عبد الله، يقول سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ لا تزال طائفة من أمتي يقاتلون على الحق ظاهرين إلى يوم القيامة - قال - فينزل عيسى ابن مريم صلى الله عليه وسلم فيقول أميرهم تعال صل لنا ‏.‏ فيقول لا ‏.‏ إن بعضكم على بعض أمراء ‏.‏ تكرمة الله هذه الأمة ‏"‏ ‏.‏

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, কিয়ামাত পর্যন্ত আমার উম্মাতের একদল সত্য দ্বীনের উপর প্রতিষ্ঠিত থেকে বাতিলের বিরুদ্ধে লড়তে থাকবে এবং অবশেষে ‘ঈসা (‘আঃ) অবতরণ করবেন। মুসলিমদের আমীর বলবেন, আসুন সালাতে আমাদের ইমামাতি করুন। তিনি বলবেন না, আপনাদেরই একজন অন্যদের জন্য ইমাম নিযুক্ত হবে। এ হলো আল্লাহ তা’আলা প্রদত্ত এ উম্মাতের সম্মান। (ই.ফা. ২৯২; ই.সে. ৩০৩)

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, কিয়ামাত পর্যন্ত আমার উম্মাতের একদল সত্য দ্বীনের উপর প্রতিষ্ঠিত থেকে বাতিলের বিরুদ্ধে লড়তে থাকবে এবং অবশেষে ‘ঈসা (‘আঃ) অবতরণ করবেন। মুসলিমদের আমীর বলবেন, আসুন সালাতে আমাদের ইমামাতি করুন। তিনি বলবেন না, আপনাদেরই একজন অন্যদের জন্য ইমাম নিযুক্ত হবে। এ হলো আল্লাহ তা’আলা প্রদত্ত এ উম্মাতের সম্মান। (ই.ফা. ২৯২; ই.সে. ৩০৩)

حدثنا الوليد بن شجاع، وهارون بن عبد الله، وحجاج بن الشاعر، قالوا حدثنا حجاج، - وهو ابن محمد - عن ابن جريج، قال أخبرني أبو الزبير، أنه سمع جابر بن عبد الله، يقول سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ لا تزال طائفة من أمتي يقاتلون على الحق ظاهرين إلى يوم القيامة - قال - فينزل عيسى ابن مريم صلى الله عليه وسلم فيقول أميرهم تعال صل لنا ‏.‏ فيقول لا ‏.‏ إن بعضكم على بعض أمراء ‏.‏ تكرمة الله هذه الأمة ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম > যে সময়ে ঈমান কবূল হবে না

সহিহ মুসলিম ২৮৭

حدثنا يحيى بن أيوب، وقتيبة بن سعيد، وعلي بن حجر، قالوا حدثنا إسماعيل، - يعنون ابن جعفر - عن العلاء، - وهو ابن عبد الرحمن - عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا تقوم الساعة حتى تطلع الشمس من مغربها فإذا طلعت من مغربها آمن الناس كلهم أجمعون فيومئذ لا ينفع نفسا إيمانها لم تكن آمنت من قبل أو كسبت في إيمانها خيرا ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ পশ্চিম দিকে সূর্যোদয়ের পূর্বে কিয়ামাত সংঘটিত হবে না, আর যখন পশ্চিমাকাশে সূর্য উঠবে তখন সকল মানুষ একত্রে ঈমান আনবে। কিন্তু যে ইতঃপূর্বে ঈমান আনেনি অথবা যে ঈমান অনুযায়ী নেক কাজ করেনি সে সময়ে ঈমান আনায় তার কোন কল্যাণ সাধিত হবে না। আবূ বাক্‌র ইবনু শাইবাহ্‌, ইবনু নুমায়র, আবূ কুরায়ব, যুহায়র ইবনু হার্‌ব ও মুহাম্মাদ ইবনু রাফি’ (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রা (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সূত্রে বর্ণিত হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ২৯৩, ২৯৪; ই.সে. ৩০৪, ৩০৫)

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ পশ্চিম দিকে সূর্যোদয়ের পূর্বে কিয়ামাত সংঘটিত হবে না, আর যখন পশ্চিমাকাশে সূর্য উঠবে তখন সকল মানুষ একত্রে ঈমান আনবে। কিন্তু যে ইতঃপূর্বে ঈমান আনেনি অথবা যে ঈমান অনুযায়ী নেক কাজ করেনি সে সময়ে ঈমান আনায় তার কোন কল্যাণ সাধিত হবে না। আবূ বাক্‌র ইবনু শাইবাহ্‌, ইবনু নুমায়র, আবূ কুরায়ব, যুহায়র ইবনু হার্‌ব ও মুহাম্মাদ ইবনু রাফি’ (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রা (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সূত্রে বর্ণিত হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ২৯৩, ২৯৪; ই.সে. ৩০৪, ৩০৫)

حدثنا يحيى بن أيوب، وقتيبة بن سعيد، وعلي بن حجر، قالوا حدثنا إسماعيل، - يعنون ابن جعفر - عن العلاء، - وهو ابن عبد الرحمن - عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا تقوم الساعة حتى تطلع الشمس من مغربها فإذا طلعت من مغربها آمن الناس كلهم أجمعون فيومئذ لا ينفع نفسا إيمانها لم تكن آمنت من قبل أو كسبت في إيمانها خيرا ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ২৮৮

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وزهير بن حرب، قالا حدثنا وكيع، ح وحدثنيه زهير بن حرب، حدثنا إسحاق بن يوسف الأزرق، جميعا عن فضيل بن غزوان، ح وحدثنا أبو كريب، محمد بن العلاء - واللفظ له - حدثنا ابن فضيل، عن أبيه، عن أبي حازم، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ ثلاث إذا خرجن لا ينفع نفسا إيمانها لم تكن آمنت من قبل أو كسبت في إيمانها خيرا طلوع الشمس من مغربها والدجال ودابة الأرض ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ এ তিনটি বিষয় প্রকাশিত হওয়ার পূর্বে যারা ঈমান আনেনি বা ঈমান অনুযায়ী নেক কাজ করেনি, এগুলো প্রকাশ পাওয়ার পর তাদের ঈমানে কোন উপকার হবে না। (১) পশ্চিমাকাশ থেকে সূর্যোদয়, (২) দাজ্জাল (এর আবির্ভাব) ও (৩) দাব্বাতুল আর্‌য (ভূখণ্ড হতে এক প্রকার প্রাণীর আবির্ভাব)। [৬৫] (ই.ফা. ২৯৫; ই.সে. ৩০৬)

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ এ তিনটি বিষয় প্রকাশিত হওয়ার পূর্বে যারা ঈমান আনেনি বা ঈমান অনুযায়ী নেক কাজ করেনি, এগুলো প্রকাশ পাওয়ার পর তাদের ঈমানে কোন উপকার হবে না। (১) পশ্চিমাকাশ থেকে সূর্যোদয়, (২) দাজ্জাল (এর আবির্ভাব) ও (৩) দাব্বাতুল আর্‌য (ভূখণ্ড হতে এক প্রকার প্রাণীর আবির্ভাব)। [৬৫] (ই.ফা. ২৯৫; ই.সে. ৩০৬)

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وزهير بن حرب، قالا حدثنا وكيع، ح وحدثنيه زهير بن حرب، حدثنا إسحاق بن يوسف الأزرق، جميعا عن فضيل بن غزوان، ح وحدثنا أبو كريب، محمد بن العلاء - واللفظ له - حدثنا ابن فضيل، عن أبيه، عن أبي حازم، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ ثلاث إذا خرجن لا ينفع نفسا إيمانها لم تكن آمنت من قبل أو كسبت في إيمانها خيرا طلوع الشمس من مغربها والدجال ودابة الأرض ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ২৮৯

حدثنا يحيى بن أيوب، وإسحاق بن إبراهيم، جميعا عن ابن علية، - قال ابن أيوب حدثنا ابن علية، - حدثنا يونس، عن إبراهيم بن يزيد التيمي، - سمعه فيما، أعلم - عن أبيه، عن أبي ذر، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال يوما ‏"‏ أتدرون أين تذهب هذه الشمس ‏"‏ ‏.‏ قالوا الله ورسوله أعلم ‏.‏ قال ‏"‏ إن هذه تجري حتى تنتهي إلى مستقرها تحت العرش فتخر ساجدة ولا تزال كذلك حتى يقال لها ارتفعي ارجعي من حيث جئت فترجع فتصبح طالعة من مطلعها ثم تجري حتى تنتهي إلى مستقرها تحت العرش فتخر ساجدة ولا تزال كذلك حتى يقال لها ارتفعي ارجعي من حيث جئت فترجع فتصبح طالعة من مطلعها ثم تجري لا يستنكر الناس منها شيئا حتى تنتهي إلى مستقرها ذاك تحت العرش فيقال لها ارتفعي أصبحي طالعة من مغربك فتصبح طالعة من مغربها ‏"‏ ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أتدرون متى ذاكم ذاك حين لا ينفع نفسا إيمانها لم تكن آمنت من قبل أو كسبت في إيمانها خيرا ‏"‏ ‏.‏

আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদিন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, তোমরা কি জান, এ সূর্য কোথায় যায়? সহাবাগণ বললেন, আল্লাহ ও তাঁর রসূলই ভাল জানেন। তিনি বললেন, এ সূর্য চলতে থাকে এবং (আল্লাহ তা’আলার) ‘আর্‌শের নীচে অবস্থিত তার অবস্থান স্থলে যায়। সেখানে সে সাজদাবনত হয়ে পড়ে থাকে। শেষে যখন তাকে বলা হয়, উঠ এবং যেখান থেকে এসেছিলে সেখানে ফিরে যাও! অনন্তর সে ফিরে আসে এবং নির্ধারিত উদয়স্থল দিয়েই উদিত হয়। তা আবার চলতে থাকে এবং ‘আর্‌শের নীচে অবস্থিত তার অবস্থান স্থলে যায়। সেখানে সে সাজদাবনত অবস্থায় পড়ে থাকে। শেষে যখন তাকে বলা হয় উঠ এবং যেখান থেকে এসেছিলে সেখানে ফিরে যাও। তখন সে ফিরে আসে এবং নির্ধারিত উদয়স্থল হয়েই সে উদিত হয়। এমনিভাবে চলতে থাকবে; মানুষ তার থেকে অস্বাভাবিক কিছু হতে দেখবে না। শেষে একদিন সূর্য যথারীতি ‘আর্‌শের নীচে তার অবস্থানে যাবে। তাকে বলা হবে, উঠ এবং অস্তাচল থেকে উদিত হও। অনন্তর সেদিন সূর্য পশ্চিমাকাশে উদিত হবে। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, (কুরআনের বাণী) “কোন দিন সে অবস্থা হবে তোমরা জান? সেদিন ঐ ব্যক্তির ঈমান কোন কাজে আসবে না, যে ব্যক্তি পূর্বে ঈমান আনেনি কিংবা যে ব্যক্তি ঈমানের মাধ্যমে কল্যাণ অর্জন করেনি”-(সূরাহ আল-আন’আম ৬ : ১৫৮)। [৬৬] (ই.ফা. ২৯৬; ই.সে. ৩০৭)

আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদিন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, তোমরা কি জান, এ সূর্য কোথায় যায়? সহাবাগণ বললেন, আল্লাহ ও তাঁর রসূলই ভাল জানেন। তিনি বললেন, এ সূর্য চলতে থাকে এবং (আল্লাহ তা’আলার) ‘আর্‌শের নীচে অবস্থিত তার অবস্থান স্থলে যায়। সেখানে সে সাজদাবনত হয়ে পড়ে থাকে। শেষে যখন তাকে বলা হয়, উঠ এবং যেখান থেকে এসেছিলে সেখানে ফিরে যাও! অনন্তর সে ফিরে আসে এবং নির্ধারিত উদয়স্থল দিয়েই উদিত হয়। তা আবার চলতে থাকে এবং ‘আর্‌শের নীচে অবস্থিত তার অবস্থান স্থলে যায়। সেখানে সে সাজদাবনত অবস্থায় পড়ে থাকে। শেষে যখন তাকে বলা হয় উঠ এবং যেখান থেকে এসেছিলে সেখানে ফিরে যাও। তখন সে ফিরে আসে এবং নির্ধারিত উদয়স্থল হয়েই সে উদিত হয়। এমনিভাবে চলতে থাকবে; মানুষ তার থেকে অস্বাভাবিক কিছু হতে দেখবে না। শেষে একদিন সূর্য যথারীতি ‘আর্‌শের নীচে তার অবস্থানে যাবে। তাকে বলা হবে, উঠ এবং অস্তাচল থেকে উদিত হও। অনন্তর সেদিন সূর্য পশ্চিমাকাশে উদিত হবে। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, (কুরআনের বাণী) “কোন দিন সে অবস্থা হবে তোমরা জান? সেদিন ঐ ব্যক্তির ঈমান কোন কাজে আসবে না, যে ব্যক্তি পূর্বে ঈমান আনেনি কিংবা যে ব্যক্তি ঈমানের মাধ্যমে কল্যাণ অর্জন করেনি”-(সূরাহ আল-আন’আম ৬ : ১৫৮)। [৬৬] (ই.ফা. ২৯৬; ই.সে. ৩০৭)

حدثنا يحيى بن أيوب، وإسحاق بن إبراهيم، جميعا عن ابن علية، - قال ابن أيوب حدثنا ابن علية، - حدثنا يونس، عن إبراهيم بن يزيد التيمي، - سمعه فيما، أعلم - عن أبيه، عن أبي ذر، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال يوما ‏"‏ أتدرون أين تذهب هذه الشمس ‏"‏ ‏.‏ قالوا الله ورسوله أعلم ‏.‏ قال ‏"‏ إن هذه تجري حتى تنتهي إلى مستقرها تحت العرش فتخر ساجدة ولا تزال كذلك حتى يقال لها ارتفعي ارجعي من حيث جئت فترجع فتصبح طالعة من مطلعها ثم تجري حتى تنتهي إلى مستقرها تحت العرش فتخر ساجدة ولا تزال كذلك حتى يقال لها ارتفعي ارجعي من حيث جئت فترجع فتصبح طالعة من مطلعها ثم تجري لا يستنكر الناس منها شيئا حتى تنتهي إلى مستقرها ذاك تحت العرش فيقال لها ارتفعي أصبحي طالعة من مغربك فتصبح طالعة من مغربها ‏"‏ ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أتدرون متى ذاكم ذاك حين لا ينفع نفسا إيمانها لم تكن آمنت من قبل أو كسبت في إيمانها خيرا ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ২৯১

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب - واللفظ لأبي كريب - قالا حدثنا أبو معاوية، حدثنا الأعمش، عن إبراهيم التيمي، عن أبيه، عن أبي ذر، قال دخلت المسجد ورسول الله صلى الله عليه وسلم جالس فلما غابت الشمس قال ‏"‏ يا أبا ذر هل تدري أين تذهب هذه ‏"‏ ‏.‏ قال قلت الله ورسوله أعلم ‏.‏ قال ‏"‏ فإنها تذهب فتستأذن في السجود فيؤذن لها وكأنها قد قيل لها ارجعي من حيث جئت فتطلع من مغربها ‏"‏ ‏.‏ قال ثم قرأ في قراءة عبد الله وذلك مستقر لها ‏.‏

আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদা আমি মাসজিদে নাবাবীতে প্রবেশ করলাম। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তথায় উপবিষ্ট ছিলেন। সূর্য ঢলে পড়লে তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হে আবূ যার! জান এ সূর্য কোথায় যায়? আমি বললাম, আল্লাহ ও তাঁর রসূলই ভাল জানেন। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, সে তার গন্তব্যে যায় এবং আল্লাহর নিকট সাজদার অনুমতি চায়। তখন তাকে অনুমতি দেয়া হয়। পরে একদিন যখন তাকে বলা হবে যেদিক থেকে এসেছো সেদিকে ফিরে যাও। তখন সে পশ্চিম দিক থেকে উঠবে। এরপর তিনি ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস’উদের কিরাআত অনুসারে তিলাওয়াত করেঃ এ তার গন্তব্যস্থল। (ই.ফা. ২৯৮; ই.সে. ৩০৯)

আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদা আমি মাসজিদে নাবাবীতে প্রবেশ করলাম। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তথায় উপবিষ্ট ছিলেন। সূর্য ঢলে পড়লে তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হে আবূ যার! জান এ সূর্য কোথায় যায়? আমি বললাম, আল্লাহ ও তাঁর রসূলই ভাল জানেন। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, সে তার গন্তব্যে যায় এবং আল্লাহর নিকট সাজদার অনুমতি চায়। তখন তাকে অনুমতি দেয়া হয়। পরে একদিন যখন তাকে বলা হবে যেদিক থেকে এসেছো সেদিকে ফিরে যাও। তখন সে পশ্চিম দিক থেকে উঠবে। এরপর তিনি ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস’উদের কিরাআত অনুসারে তিলাওয়াত করেঃ এ তার গন্তব্যস্থল। (ই.ফা. ২৯৮; ই.সে. ৩০৯)

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب - واللفظ لأبي كريب - قالا حدثنا أبو معاوية، حدثنا الأعمش، عن إبراهيم التيمي، عن أبيه، عن أبي ذر، قال دخلت المسجد ورسول الله صلى الله عليه وسلم جالس فلما غابت الشمس قال ‏"‏ يا أبا ذر هل تدري أين تذهب هذه ‏"‏ ‏.‏ قال قلت الله ورسوله أعلم ‏.‏ قال ‏"‏ فإنها تذهب فتستأذن في السجود فيؤذن لها وكأنها قد قيل لها ارجعي من حيث جئت فتطلع من مغربها ‏"‏ ‏.‏ قال ثم قرأ في قراءة عبد الله وذلك مستقر لها ‏.‏


সহিহ মুসলিম ২৯০

وحدثني عبد الحميد بن بيان الواسطي، أخبرنا خالد، - يعني ابن عبد الله - عن يونس، عن إبراهيم التيمي، عن أبيه، عن أبي ذر، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال يوما ‏ "‏ أتدرون أين تذهب هذه الشمس ‏"‏ بمثل معنى حديث ابن علية ‏.‏

আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদা আমাদেরকে লক্ষ্য করে বললেন, তোমরা কি জান এ সূর্য কোথায় গমন করে? ..... এরপর রাবী ইবনু ‘উলাইয়্যাহ্‌ বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ২৯৭; ই.সে. ৩০৮)

আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদা আমাদেরকে লক্ষ্য করে বললেন, তোমরা কি জান এ সূর্য কোথায় গমন করে? ..... এরপর রাবী ইবনু ‘উলাইয়্যাহ্‌ বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ২৯৭; ই.সে. ৩০৮)

وحدثني عبد الحميد بن بيان الواسطي، أخبرنا خالد، - يعني ابن عبد الله - عن يونس، عن إبراهيم التيمي، عن أبيه، عن أبي ذر، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال يوما ‏ "‏ أتدرون أين تذهب هذه الشمس ‏"‏ بمثل معنى حديث ابن علية ‏.‏


সহিহ মুসলিম ২৯২

حدثنا أبو سعيد الأشج، وإسحاق بن إبراهيم، - قال إسحاق أخبرنا وقال الأشج، حدثنا - وكيع، حدثنا الأعمش، عن إبراهيم التيمي، عن أبيه، عن أبي ذر، قال سألت رسول الله صلى الله عليه وسلم عن قول الله تعالى ‏{‏ والشمس تجري لمستقر لها‏}‏ قال ‏"‏ مستقرها تحت العرش ‏"‏ ‏.‏

আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে “এবং সূর্য ভ্রমণ করে তার নির্দিষ্ট গন্তব্যের দিকে”-(সূরাহ ইয়া-সীন ৩৬ : ৩৮)। এ আয়াত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে, তিনি বললেনঃ ‘আর্‌শের নীচে হলো তার গন্তব্যস্থল। (ই.ফা. ২৯৯; ই.সে. ৩১০)

আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে “এবং সূর্য ভ্রমণ করে তার নির্দিষ্ট গন্তব্যের দিকে”-(সূরাহ ইয়া-সীন ৩৬ : ৩৮)। এ আয়াত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে, তিনি বললেনঃ ‘আর্‌শের নীচে হলো তার গন্তব্যস্থল। (ই.ফা. ২৯৯; ই.সে. ৩১০)

حدثنا أبو سعيد الأشج، وإسحاق بن إبراهيم، - قال إسحاق أخبرنا وقال الأشج، حدثنا - وكيع، حدثنا الأعمش، عن إبراهيم التيمي، عن أبيه، عن أبي ذر، قال سألت رسول الله صلى الله عليه وسلم عن قول الله تعالى ‏{‏ والشمس تجري لمستقر لها‏}‏ قال ‏"‏ مستقرها تحت العرش ‏"‏ ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00