সহিহ মুসলিম > ঈমানের দূর্বলতার দরুণ যার ব্যাপারে ধর্মত্যাগের সন্দেহ হয়, তার হৃদয় জয়ের জন্য বিশেষ সৌজন্য প্রদর্শন এবং সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়া কাউকে নিশ্চিত মু’মিন বলে ঘোষণা দেয়া থেকে বিরত থাকা
সহিহ মুসলিম ২৭২
حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن الزهري، عن عامر بن سعد، عن أبيه، قال قسم رسول الله صلى الله عليه وسلم قسما فقلت يا رسول الله أعط فلانا فإنه مؤمن . فقال النبي صلى الله عليه وسلم " أو مسلم " أقولها ثلاثا . ويرددها على ثلاثا " أو مسلم " ثم قال " إني لأعطي الرجل وغيره أحب إلى منه مخافة أن يكبه الله في النار " .
সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একবার কিছু মাল বণ্টন করছিলেন। আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! অমুককে কিছু দিন, কেননা সে নিশ্চয়ই একজন মু’মিন ব্যক্তি। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, বরং বল যে, সে একজন মুসলিম। সাহাবী বললেন, আমি কথাটি তিনবার পুনরাবৃত্তি করেছি, তিনিও তিনবারই আমাকে ঐ একই উত্তর দিয়েছেন। এরপর রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, অপরজন আমার নিকট অধিক প্রিয় হওয়া সত্ত্বেও আমি কাউকে এ কারণে দিয়ে থাকি যে, আল্লাহ তা’আলা যেন তাকে উল্টো করে জাহান্নামে না ফেলেন। (ই.ফা. ২৭৬; ই.সে. ২৮৬)
সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একবার কিছু মাল বণ্টন করছিলেন। আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! অমুককে কিছু দিন, কেননা সে নিশ্চয়ই একজন মু’মিন ব্যক্তি। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, বরং বল যে, সে একজন মুসলিম। সাহাবী বললেন, আমি কথাটি তিনবার পুনরাবৃত্তি করেছি, তিনিও তিনবারই আমাকে ঐ একই উত্তর দিয়েছেন। এরপর রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, অপরজন আমার নিকট অধিক প্রিয় হওয়া সত্ত্বেও আমি কাউকে এ কারণে দিয়ে থাকি যে, আল্লাহ তা’আলা যেন তাকে উল্টো করে জাহান্নামে না ফেলেন। (ই.ফা. ২৭৬; ই.সে. ২৮৬)
حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن الزهري، عن عامر بن سعد، عن أبيه، قال قسم رسول الله صلى الله عليه وسلم قسما فقلت يا رسول الله أعط فلانا فإنه مؤمن . فقال النبي صلى الله عليه وسلم " أو مسلم " أقولها ثلاثا . ويرددها على ثلاثا " أو مسلم " ثم قال " إني لأعطي الرجل وغيره أحب إلى منه مخافة أن يكبه الله في النار " .
সহিহ মুসলিম ২৭৪
حدثنا الحسن بن علي الحلواني، وعبد بن حميد، قالا حدثنا يعقوب، - وهو ابن إبراهيم بن سعد - حدثنا أبي، عن صالح، عن ابن شهاب، قال حدثني عامر بن سعد، عن أبيه، سعد أنه قال أعطى رسول الله صلى الله عليه وسلم رهطا وأنا جالس فيهم . بمثل حديث ابن أخي ابن شهاب عن عمه . وزاد فقمت إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فساررته فقلت ما لك عن فلان .
সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কয়েকজন লোককে কিছু দিলেন। তখন আমি তাদের মধ্যে বসা ছিলাম। এভাবে বর্ণনাকারী পূর্ব বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। তবে তিনি এতটুকু বর্ণনা করেছেন যে, আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট গেলাম এবং চুপে চুপে বললাম, হে আল্লাহর রসূল! অমুককে না দেয়ার কারণ কি? (ই.ফা. ২৭৮, ই.সে ২৮৮)
সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কয়েকজন লোককে কিছু দিলেন। তখন আমি তাদের মধ্যে বসা ছিলাম। এভাবে বর্ণনাকারী পূর্ব বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। তবে তিনি এতটুকু বর্ণনা করেছেন যে, আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট গেলাম এবং চুপে চুপে বললাম, হে আল্লাহর রসূল! অমুককে না দেয়ার কারণ কি? (ই.ফা. ২৭৮, ই.সে ২৮৮)
حدثنا الحسن بن علي الحلواني، وعبد بن حميد، قالا حدثنا يعقوب، - وهو ابن إبراهيم بن سعد - حدثنا أبي، عن صالح، عن ابن شهاب، قال حدثني عامر بن سعد، عن أبيه، سعد أنه قال أعطى رسول الله صلى الله عليه وسلم رهطا وأنا جالس فيهم . بمثل حديث ابن أخي ابن شهاب عن عمه . وزاد فقمت إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فساررته فقلت ما لك عن فلان .
সহিহ মুসলিম ২৭৫
وحدثنا الحسن الحلواني، حدثنا يعقوب، حدثنا أبي، عن صالح، عن إسماعيل بن محمد، قال سمعت محمد بن سعد، يحدث هذا فقال في حديثه فضرب رسول الله صلى الله عليه وسلم بيده بين عنقي وكتفي ثم قال " أقتالا أى سعد إني لأعطي الرجل " .
ইসমা’ঈল ইবনু মুহাম্মাদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি মুহাম্মাদ ইবনু সা’দকে এ হাদীস বর্ণনা করতে শুনেছি। তবে তিনি তাঁর বর্ণিত হাদীসে উল্লেখ করেন যে, সা’দ (রাঃ) বলেন, এরপর রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার ঘাড় ও বাহুর মাঝখানে সজোরে হাত রেখে বললেন, হে সা’দ! তুমি কি এজন্য বিতর্ক করতে চাও? আমি কাউকে দান করি। (ই.ফা. ২৭৯; ই.সে. ২৮৯)
ইসমা’ঈল ইবনু মুহাম্মাদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি মুহাম্মাদ ইবনু সা’দকে এ হাদীস বর্ণনা করতে শুনেছি। তবে তিনি তাঁর বর্ণিত হাদীসে উল্লেখ করেন যে, সা’দ (রাঃ) বলেন, এরপর রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার ঘাড় ও বাহুর মাঝখানে সজোরে হাত রেখে বললেন, হে সা’দ! তুমি কি এজন্য বিতর্ক করতে চাও? আমি কাউকে দান করি। (ই.ফা. ২৭৯; ই.সে. ২৮৯)
وحدثنا الحسن الحلواني، حدثنا يعقوب، حدثنا أبي، عن صالح، عن إسماعيل بن محمد، قال سمعت محمد بن سعد، يحدث هذا فقال في حديثه فضرب رسول الله صلى الله عليه وسلم بيده بين عنقي وكتفي ثم قال " أقتالا أى سعد إني لأعطي الرجل " .
সহিহ মুসলিম ২৭৩
حدثني زهير بن حرب، حدثنا يعقوب بن إبراهيم، حدثنا ابن أخي ابن شهاب، عن عمه، قال أخبرني عامر بن سعد بن أبي وقاص، عن أبيه، سعد أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أعطى رهطا وسعد جالس فيهم قال سعد فترك رسول الله صلى الله عليه وسلم منهم من لم يعطه وهو أعجبهم إلى فقلت يا رسول الله ما لك عن فلان فوالله إني لأراه مؤمنا . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أو مسلما " . قال فسكت قليلا ثم غلبني ما أعلم منه فقلت يا رسول الله ما لك عن فلان فوالله إني لأراه مؤمنا فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أو مسلما " . قال فسكت قليلا ثم غلبني ما علمت منه فقلت يا رسول الله ما لك عن فلان فوالله إني لأراه مؤمنا . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أو مسلما . إني لأعطي الرجل وغيره أحب إلى منه خشية أن يكب في النار على وجهه " .
সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন যে, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কিছু লোককে কিছু মাল দিলেন। তখন সা’দ (রাঃ) তাদের মধ্যে বসেছিলেন। সা’দ (রাঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের মধ্যে এক ব্যক্তিকে কিছু দিলেন না, অথচ আমার দৃষ্টিতে সে ছিল পাওয়ার বেশি উপযুক্ত। তাই আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! অমুককে না দেয়ার কারণ কি? আল্লাহর কসম! অবশ্যই আমি তাকে তো মু’মিন বলে জানি। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, বরং বল সে মুসলিম। আমি কিছুক্ষণ নীরব থাকলাম। তার সম্পর্কে আমি যা জানি তা আমার নিকট প্রবল হয়ে উঠল, তাই আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! অমুককে না দেয়ার কারণ কি? আল্লাহর কসম! আমি তো তাকে অবশ্যই মু’মিন বলে ধারণা করি! রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, বরং বল সে মুসলিম। আমি কিছুক্ষণ চুপ রইলাম। পুনরায় তার সম্পর্কে আমি যা জানি তা প্রবল হয়ে উঠল, তাই আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! অমুককে না দেয়ার কারণ কি? আল্লাহর কসম, আমি তো তাকে অবশ্যই মু’মিন বলে জানি! রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, বরং বল সে মুসলিম। অন্যজন আমার নিকট অধিক প্রিয় হওয়া সত্ত্বেও আমি কাউকে এ আশঙ্কায় কিছু দান করে থাকি যে, আল্লাহ তা’আলা যেন তাকে উপুড় করে জাহান্নামে নিক্ষেপ না করেন। [৫৭] (ই.ফা. ২৭৭; ই.সে. ২৮৭)
সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন যে, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কিছু লোককে কিছু মাল দিলেন। তখন সা’দ (রাঃ) তাদের মধ্যে বসেছিলেন। সা’দ (রাঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের মধ্যে এক ব্যক্তিকে কিছু দিলেন না, অথচ আমার দৃষ্টিতে সে ছিল পাওয়ার বেশি উপযুক্ত। তাই আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! অমুককে না দেয়ার কারণ কি? আল্লাহর কসম! অবশ্যই আমি তাকে তো মু’মিন বলে জানি। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, বরং বল সে মুসলিম। আমি কিছুক্ষণ নীরব থাকলাম। তার সম্পর্কে আমি যা জানি তা আমার নিকট প্রবল হয়ে উঠল, তাই আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! অমুককে না দেয়ার কারণ কি? আল্লাহর কসম! আমি তো তাকে অবশ্যই মু’মিন বলে ধারণা করি! রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, বরং বল সে মুসলিম। আমি কিছুক্ষণ চুপ রইলাম। পুনরায় তার সম্পর্কে আমি যা জানি তা প্রবল হয়ে উঠল, তাই আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! অমুককে না দেয়ার কারণ কি? আল্লাহর কসম, আমি তো তাকে অবশ্যই মু’মিন বলে জানি! রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, বরং বল সে মুসলিম। অন্যজন আমার নিকট অধিক প্রিয় হওয়া সত্ত্বেও আমি কাউকে এ আশঙ্কায় কিছু দান করে থাকি যে, আল্লাহ তা’আলা যেন তাকে উপুড় করে জাহান্নামে নিক্ষেপ না করেন। [৫৭] (ই.ফা. ২৭৭; ই.সে. ২৮৭)
حدثني زهير بن حرب، حدثنا يعقوب بن إبراهيم، حدثنا ابن أخي ابن شهاب، عن عمه، قال أخبرني عامر بن سعد بن أبي وقاص، عن أبيه، سعد أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أعطى رهطا وسعد جالس فيهم قال سعد فترك رسول الله صلى الله عليه وسلم منهم من لم يعطه وهو أعجبهم إلى فقلت يا رسول الله ما لك عن فلان فوالله إني لأراه مؤمنا . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أو مسلما " . قال فسكت قليلا ثم غلبني ما أعلم منه فقلت يا رسول الله ما لك عن فلان فوالله إني لأراه مؤمنا فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أو مسلما " . قال فسكت قليلا ثم غلبني ما علمت منه فقلت يا رسول الله ما لك عن فلان فوالله إني لأراه مؤمنا . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أو مسلما . إني لأعطي الرجل وغيره أحب إلى منه خشية أن يكب في النار على وجهه " .
সহিহ মুসলিম > সুস্পষ্ট প্রমাণের দ্বারা হৃদয়ের প্রশান্তি বৃদ্ধি পায়
সহিহ মুসলিম ২৭৭
وحدثني به، إن شاء الله عبد الله بن محمد بن أسماء الضبعي حدثنا جويرية، عن مالك، عن الزهري، أن سعيد بن المسيب، وأبا، عبيد أخبراه عن أبي هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم بمثل حديث يونس عن الزهري وفي حديث مالك " ولكن ليطمئن قلبي " . قال ثم قرأ هذه الآية حتى جازها .
সা’ঈদ ইবনু মুসাইয়্যাব ও আবূ ‘উবায়দ (রহঃ) উভয়ে আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে উপরের হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেছেন। যেরূপ বর্ণনা করেছেন ইউনুস (রহঃ) যুহরী (রহঃ) হতে। তবে মালিক (রহঃ) তাঁর হাদীসে কথাটির পর উল্লেখ করেন যে, “বরং আমার অন্তরের প্রশান্তির জন্যে”। এরপর রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আয়াতটি শেষ পর্যন্ত তিলাওয়াত করেন। ‘আব্দ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... যুহরী (রহঃ) থেকে মালিক-এর সূত্রে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, এরপর রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আয়াতটি শেষ পর্যন্ত তিলাওয়াত করেন। (ই.ফা. ২৮০, ২৮১; ই.সে. ২৯১, ২৯২)
সা’ঈদ ইবনু মুসাইয়্যাব ও আবূ ‘উবায়দ (রহঃ) উভয়ে আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে উপরের হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেছেন। যেরূপ বর্ণনা করেছেন ইউনুস (রহঃ) যুহরী (রহঃ) হতে। তবে মালিক (রহঃ) তাঁর হাদীসে কথাটির পর উল্লেখ করেন যে, “বরং আমার অন্তরের প্রশান্তির জন্যে”। এরপর রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আয়াতটি শেষ পর্যন্ত তিলাওয়াত করেন। ‘আব্দ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... যুহরী (রহঃ) থেকে মালিক-এর সূত্রে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, এরপর রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আয়াতটি শেষ পর্যন্ত তিলাওয়াত করেন। (ই.ফা. ২৮০, ২৮১; ই.সে. ২৯১, ২৯২)
وحدثني به، إن شاء الله عبد الله بن محمد بن أسماء الضبعي حدثنا جويرية، عن مالك، عن الزهري، أن سعيد بن المسيب، وأبا، عبيد أخبراه عن أبي هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم بمثل حديث يونس عن الزهري وفي حديث مالك " ولكن ليطمئن قلبي " . قال ثم قرأ هذه الآية حتى جازها .
সহিহ মুসলিম ২৭৬
وحدثني حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، عن أبي سلمة بن عبد الرحمن، وسعيد بن المسيب، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " نحن أحق بالشك من إبراهيم صلى الله عليه وسلم إذ قال { رب أرني كيف تحيي الموتى قال أولم تؤمن قال بلى ولكن ليطمئن قلبي} قال " ويرحم الله لوطا لقد كان يأوي إلى ركن شديد ولو لبثت في السجن طول لبث يوسف لأجبت الداعي " .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ইবরাহীম (‘আঃ)-এর তুলনায় আমাদের মনে অধিক সন্দেহ জাগতে পারে। [৫৮] তিনি বলেছিলেনঃ “হে আমার প্রতিপালক! কিভাবে আপনি মৃতকে জীবিত করেন, আমাকে দেখান। আল্লাহ বললেনঃ “তবে কি তুমি বিশ্বাস কর না? তিনি উত্তরে বললেন, কেন করব না? তবে এটা কেবল আমার চিত্তের প্রশান্তির জন্য”-(সূরাহ আল বাকারাহ্ ২ : ২৬০)। আল্লাহ তা’আলা লূত (‘আঃ)-এর উপর রহমাত বর্ষণ করুন, তিনি কোন শক্তিশালী জনগোষ্ঠীর আশ্রয় গ্রহণের ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। [৫৯] ইউসুফের দীর্ঘ কারাবরণের ন্যায় আমাকেও যদি কারাগারে অবস্থান করতে হত, তবে আমি রাজদূতের আহ্বানে সাড়া দিতাম। [৬০] (ই.ফা. ২৮০; ই.সে. ২৯০)
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ইবরাহীম (‘আঃ)-এর তুলনায় আমাদের মনে অধিক সন্দেহ জাগতে পারে। [৫৮] তিনি বলেছিলেনঃ “হে আমার প্রতিপালক! কিভাবে আপনি মৃতকে জীবিত করেন, আমাকে দেখান। আল্লাহ বললেনঃ “তবে কি তুমি বিশ্বাস কর না? তিনি উত্তরে বললেন, কেন করব না? তবে এটা কেবল আমার চিত্তের প্রশান্তির জন্য”-(সূরাহ আল বাকারাহ্ ২ : ২৬০)। আল্লাহ তা’আলা লূত (‘আঃ)-এর উপর রহমাত বর্ষণ করুন, তিনি কোন শক্তিশালী জনগোষ্ঠীর আশ্রয় গ্রহণের ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। [৫৯] ইউসুফের দীর্ঘ কারাবরণের ন্যায় আমাকেও যদি কারাগারে অবস্থান করতে হত, তবে আমি রাজদূতের আহ্বানে সাড়া দিতাম। [৬০] (ই.ফা. ২৮০; ই.সে. ২৯০)
وحدثني حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، عن أبي سلمة بن عبد الرحمن، وسعيد بن المسيب، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " نحن أحق بالشك من إبراهيم صلى الله عليه وسلم إذ قال { رب أرني كيف تحيي الموتى قال أولم تؤمن قال بلى ولكن ليطمئن قلبي} قال " ويرحم الله لوطا لقد كان يأوي إلى ركن شديد ولو لبثت في السجن طول لبث يوسف لأجبت الداعي " .
সহিহ মুসলিম > সকল মানুষের জন্য আমাদের নাবী মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রেরিত হয়েছেন এবং অন্যান্য সকল দ্বীন ও ধর্ম তাঁর দ্বীনের মাধ্যমে রহিত হয়ে গেছে- এ কথার উপর বিশ্বাস স্থাপন ওয়াজিব
সহিহ মুসলিম ২৭৯
حدثني يونس بن عبد الأعلى، أخبرنا ابن وهب، قال وأخبرني عمرو، أن أبا يونس، حدثه عن أبي هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال " والذي نفس محمد بيده لا يسمع بي أحد من هذه الأمة يهودي ولا نصراني ثم يموت ولم يؤمن بالذي أرسلت به إلا كان من أصحاب النار " .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, সে সত্তার কসম, যাঁর হাতে মুহাম্মাদের প্রাণ! ইয়াহুদী হোক আর খৃস্টান হোক, যে ব্যক্তিই আমার এ রিসালাতের খবর শুনেছে অথচ আমার রিসালাতের উপর ঈমান না এনে মৃত্যুবরণ করবে, অবশ্যই সে জাহান্নামী হবে। (ই.ফা. ২৮৩; ই.সে. ২৯৪)
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, সে সত্তার কসম, যাঁর হাতে মুহাম্মাদের প্রাণ! ইয়াহুদী হোক আর খৃস্টান হোক, যে ব্যক্তিই আমার এ রিসালাতের খবর শুনেছে অথচ আমার রিসালাতের উপর ঈমান না এনে মৃত্যুবরণ করবে, অবশ্যই সে জাহান্নামী হবে। (ই.ফা. ২৮৩; ই.সে. ২৯৪)
حدثني يونس بن عبد الأعلى، أخبرنا ابن وهب، قال وأخبرني عمرو، أن أبا يونس، حدثه عن أبي هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال " والذي نفس محمد بيده لا يسمع بي أحد من هذه الأمة يهودي ولا نصراني ثم يموت ولم يؤمن بالذي أرسلت به إلا كان من أصحاب النار " .
সহিহ মুসলিম ২৭৮
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، عن سعيد بن أبي سعيد، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " ما من الأنبياء من نبي إلا قد أعطي من الآيات ما مثله آمن عليه البشر وإنما كان الذي أوتيت وحيا أوحى الله إلى فأرجو أن أكون أكثرهم تابعا يوم القيامة " .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, প্রত্যেক নাবীকে সে পরিমাণ মু’জিযা দেয়া হয়েছে, যে পরিমাণ মু’জিযার প্রতি মানুষ ঈমান এনেছে। পক্ষান্তরে আমাকে যে মু’জিযা প্রদান করা হয়েছে, তা হচ্ছে আল্লাহ প্রেরিত ওয়াহী। [৬১] সুতরাং কিয়ামাতের দিন আমার অনুসারীদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশী হবে বলে আশা রাখি। (ই.ফা. ২৮২; ই.সে. ২৯৩)
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, প্রত্যেক নাবীকে সে পরিমাণ মু’জিযা দেয়া হয়েছে, যে পরিমাণ মু’জিযার প্রতি মানুষ ঈমান এনেছে। পক্ষান্তরে আমাকে যে মু’জিযা প্রদান করা হয়েছে, তা হচ্ছে আল্লাহ প্রেরিত ওয়াহী। [৬১] সুতরাং কিয়ামাতের দিন আমার অনুসারীদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশী হবে বলে আশা রাখি। (ই.ফা. ২৮২; ই.সে. ২৯৩)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، عن سعيد بن أبي سعيد، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " ما من الأنبياء من نبي إلا قد أعطي من الآيات ما مثله آمن عليه البشر وإنما كان الذي أوتيت وحيا أوحى الله إلى فأرجو أن أكون أكثرهم تابعا يوم القيامة " .
সহিহ মুসলিম ২৮০
حدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا هشيم، عن صالح بن صالح الهمداني، عن الشعبي، قال رأيت رجلا من أهل خراسان سأل الشعبي فقال يا أبا عمرو إن من قبلنا من أهل خراسان يقولون في الرجل إذا أعتق أمته ثم تزوجها فهو كالراكب بدنته . فقال الشعبي حدثني أبو بردة بن أبي موسى عن أبيه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " ثلاثة يؤتون أجرهم مرتين رجل من أهل الكتاب آمن بنبيه وأدرك النبي صلى الله عليه وسلم فآمن به واتبعه وصدقه فله أجران وعبد مملوك أدى حق الله تعالى وحق سيده فله أجران ورجل كانت له أمة فغذاها فأحسن غذاءها ثم أدبها فأحسن أدبها ثم أعتقها وتزوجها فله أجران " . ثم قال الشعبي للخراساني خذ هذا الحديث بغير شىء . فقد كان الرجل يرحل فيما دون هذا إلى المدينة .
সালিহ্ আল হামদানী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
ইমাম শা’বীর নিকট এসে জনৈক খুরাসানী ব্যক্তিকে প্রশ্ন করতে দেখলাম। সে বলল, হে আবূ ‘আমর! আমাদের অঞ্চলে কতিপয় খুরাসানীর মতামত হলো, যে ব্যক্তি নিজের দাসীকে আযাদ করে দিয়ে তাকে বিয়ে করল সে যেন নিজে কুরবানীর উটের উপর সওয়ার হলো (অর্থাৎ তা নিন্দনীয় কাজ মনে করে।) শা’বী উত্তরে বললেন, আমাকে আবূ বুরদাহ (রাঃ) তাঁর পিতার সূত্রে বর্ণনা করেছেন যে, রসূলুল্লাহ বলেনঃ তিন ধরণের লোককে দ্বিগুণ সাওয়াব দান করা হবে। (তারা হলো) (১) যে আহলে কিতাব তার নাবীর প্রতি ঈমান এনেছে এবং পরে আমার প্রতি ঈমান এনেছে এবং সত্য বলে মেনে নিয়েছে এবং আমার অনুসরণ করেছে সে দ্বিগুণ সাওয়াব পাবে। (২) যে দাস আল্লাহ তা’আলার হাক্ আদায় করেছে এবং তার মালিকের হাক্ও আদায় করেছে, সেও দ্বিগুণ সাওয়াব লাভ করবে। (৩) যে ব্যক্তি তার দাসীকে উত্তম খাবার দিয়েছে, উত্তমরূপে আদব-কায়দা শিখিয়েছে, তারপর তাকে আযাদ করে বিয়ে করেছে; সেও দ্বিগুণ সাওয়াবের অধিকারী হবে। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর শা’বী উক্ত খোরাসানীকে বললেন, কোন বিনিময় ছাড়াই তুমি এ হাদীস নিয়ে যাও। অথচ এর চেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ হাদীসের জন্যও এক সময় মাদীনাহ্ পর্যন্ত লোকেরা সফর করত। আবূ বাক্র ইবনু আবূ শাইবাহ্ ও ইবনু আবূ ‘উমার ও ‘উবাইদুল্লাহ ইবনু মু’আয (রহঃ) … সালিহ্ (রহঃ) থেকে পূর্বোল্লিখিত সানাদে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ২৮৪, ২৮৫;; ই.সে. ২৯৫, ২৯৬)
সালিহ্ আল হামদানী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
ইমাম শা’বীর নিকট এসে জনৈক খুরাসানী ব্যক্তিকে প্রশ্ন করতে দেখলাম। সে বলল, হে আবূ ‘আমর! আমাদের অঞ্চলে কতিপয় খুরাসানীর মতামত হলো, যে ব্যক্তি নিজের দাসীকে আযাদ করে দিয়ে তাকে বিয়ে করল সে যেন নিজে কুরবানীর উটের উপর সওয়ার হলো (অর্থাৎ তা নিন্দনীয় কাজ মনে করে।) শা’বী উত্তরে বললেন, আমাকে আবূ বুরদাহ (রাঃ) তাঁর পিতার সূত্রে বর্ণনা করেছেন যে, রসূলুল্লাহ বলেনঃ তিন ধরণের লোককে দ্বিগুণ সাওয়াব দান করা হবে। (তারা হলো) (১) যে আহলে কিতাব তার নাবীর প্রতি ঈমান এনেছে এবং পরে আমার প্রতি ঈমান এনেছে এবং সত্য বলে মেনে নিয়েছে এবং আমার অনুসরণ করেছে সে দ্বিগুণ সাওয়াব পাবে। (২) যে দাস আল্লাহ তা’আলার হাক্ আদায় করেছে এবং তার মালিকের হাক্ও আদায় করেছে, সেও দ্বিগুণ সাওয়াব লাভ করবে। (৩) যে ব্যক্তি তার দাসীকে উত্তম খাবার দিয়েছে, উত্তমরূপে আদব-কায়দা শিখিয়েছে, তারপর তাকে আযাদ করে বিয়ে করেছে; সেও দ্বিগুণ সাওয়াবের অধিকারী হবে। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর শা’বী উক্ত খোরাসানীকে বললেন, কোন বিনিময় ছাড়াই তুমি এ হাদীস নিয়ে যাও। অথচ এর চেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ হাদীসের জন্যও এক সময় মাদীনাহ্ পর্যন্ত লোকেরা সফর করত। আবূ বাক্র ইবনু আবূ শাইবাহ্ ও ইবনু আবূ ‘উমার ও ‘উবাইদুল্লাহ ইবনু মু’আয (রহঃ) … সালিহ্ (রহঃ) থেকে পূর্বোল্লিখিত সানাদে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ২৮৪, ২৮৫;; ই.সে. ২৯৫, ২৯৬)
حدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا هشيم، عن صالح بن صالح الهمداني، عن الشعبي، قال رأيت رجلا من أهل خراسان سأل الشعبي فقال يا أبا عمرو إن من قبلنا من أهل خراسان يقولون في الرجل إذا أعتق أمته ثم تزوجها فهو كالراكب بدنته . فقال الشعبي حدثني أبو بردة بن أبي موسى عن أبيه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " ثلاثة يؤتون أجرهم مرتين رجل من أهل الكتاب آمن بنبيه وأدرك النبي صلى الله عليه وسلم فآمن به واتبعه وصدقه فله أجران وعبد مملوك أدى حق الله تعالى وحق سيده فله أجران ورجل كانت له أمة فغذاها فأحسن غذاءها ثم أدبها فأحسن أدبها ثم أعتقها وتزوجها فله أجران " . ثم قال الشعبي للخراساني خذ هذا الحديث بغير شىء . فقد كان الرجل يرحل فيما دون هذا إلى المدينة .
সহিহ মুসলিম > আমাদের নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর শারী’আত অনুসারী প্রশাসক হিসেবে ‘ঈসা ইবনু মারইয়াম (‘আঃ)-এর অবতরণ
সহিহ মুসলিম ২৮১
وحدثناه عبد الأعلى بن حماد، وأبو بكر بن أبي شيبة وزهير بن حرب قالوا حدثنا سفيان بن عيينة، ح وحدثنيه حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، قال حدثني يونس، ح وحدثنا حسن الحلواني، وعبد بن حميد، عن يعقوب بن إبراهيم بن سعد، حدثنا أبي، عن صالح، كلهم عن الزهري، بهذا الإسناد وفي رواية ابن عيينة " إماما مقسطا وحكما عدلا " . وفي رواية يونس " حكما عادلا " . ولم يذكر " إماما مقسطا " . وفي حديث صالح " حكما مقسطا " كما قال الليث . وفي حديثه من الزيادة " وحتى تكون السجدة الواحدة خيرا من الدنيا وما فيها " . ثم يقول أبو هريرة اقرءوا إن شئتم { وإن من أهل الكتاب إلا ليؤمنن به قبل موته} الآية .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ সে সত্তার শপথ, যাঁর হাতে আমার প্রাণ। শীঘ্রই তোমাদের মাঝে ‘ঈসা ইবনু মারইয়াম (‘আঃ)-কে একজন ন্যায়পরায়ণ প্রশাসক হিসেবে অবতীর্ণ করা হবে। [৬২] তখন তিনি ক্রুশ (চিহ্ন) ধ্বংস করবেন, শুকর হত্যা করবেন, জিয্য়াহ্ কর রহিত করবেন। [৬৩] তখন সম্পদ এত বেশী হবে যে তা গ্রহণ করার কেউ থাকবে না। ‘আবদুল আ’লা ইবনু হাম্মাদ, আবূ বাক্র ইবনু আবূ শাইবাহ্, যুহায়র ইবনু হার্ব, হারমালাহ্ ইবনু ইয়াহ্ইয়া, হাসান আল হুলওয়ানী ও ‘আব্দ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... যুহরী (রহঃ) থেকে পূর্ব বর্ণিত সানাদের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (তবে প্রত্যেক রিওয়ায়াতে কিছু ব্যবধান যেমন) ইবনু ‘উয়াইনাহ্ তার রিওয়ায়াতে (আরবী) কথাটির উল্লেখ করেন। ইউনুস তাঁর রিওয়ায়াতে (আরবী) এর উল্লেখ করেছেন (আরবী) উল্লেখ করেননি। সালিহ তাঁর রিওয়ায়াতে লায়স বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ (আরবী) বর্ণনা করেছেন। তাঁর বর্ণনায় আরও রয়েছে, সে সময় এক একটি সাজদাহ পৃথিবী ও পৃথিবীর সমুদয় সম্পদ অপেক্ষা অধিক শ্রেয় বলে বিবেচিত হবে। তারপর আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেনঃ ইচ্ছা করলে তোমরা এ আয়াতটি পড়তে পার : “কিতাবীদের মধ্যে প্রত্যেকে তার মৃত্যুর পূর্বে তাঁকে [‘ঈসা (আ.-কে)] বিশ্বাস করবেই এবং কিয়ামাতের দিন তিনি তাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিবেন”-(সূরাহ আন্ নিসা ৪ : ১৫৯)। (ই.ফা. ২৮৬, ২৮৭; ই.সে. ২৯৭, ২৯৮)
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ সে সত্তার শপথ, যাঁর হাতে আমার প্রাণ। শীঘ্রই তোমাদের মাঝে ‘ঈসা ইবনু মারইয়াম (‘আঃ)-কে একজন ন্যায়পরায়ণ প্রশাসক হিসেবে অবতীর্ণ করা হবে। [৬২] তখন তিনি ক্রুশ (চিহ্ন) ধ্বংস করবেন, শুকর হত্যা করবেন, জিয্য়াহ্ কর রহিত করবেন। [৬৩] তখন সম্পদ এত বেশী হবে যে তা গ্রহণ করার কেউ থাকবে না। ‘আবদুল আ’লা ইবনু হাম্মাদ, আবূ বাক্র ইবনু আবূ শাইবাহ্, যুহায়র ইবনু হার্ব, হারমালাহ্ ইবনু ইয়াহ্ইয়া, হাসান আল হুলওয়ানী ও ‘আব্দ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... যুহরী (রহঃ) থেকে পূর্ব বর্ণিত সানাদের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (তবে প্রত্যেক রিওয়ায়াতে কিছু ব্যবধান যেমন) ইবনু ‘উয়াইনাহ্ তার রিওয়ায়াতে (আরবী) কথাটির উল্লেখ করেন। ইউনুস তাঁর রিওয়ায়াতে (আরবী) এর উল্লেখ করেছেন (আরবী) উল্লেখ করেননি। সালিহ তাঁর রিওয়ায়াতে লায়স বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ (আরবী) বর্ণনা করেছেন। তাঁর বর্ণনায় আরও রয়েছে, সে সময় এক একটি সাজদাহ পৃথিবী ও পৃথিবীর সমুদয় সম্পদ অপেক্ষা অধিক শ্রেয় বলে বিবেচিত হবে। তারপর আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেনঃ ইচ্ছা করলে তোমরা এ আয়াতটি পড়তে পার : “কিতাবীদের মধ্যে প্রত্যেকে তার মৃত্যুর পূর্বে তাঁকে [‘ঈসা (আ.-কে)] বিশ্বাস করবেই এবং কিয়ামাতের দিন তিনি তাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিবেন”-(সূরাহ আন্ নিসা ৪ : ১৫৯)। (ই.ফা. ২৮৬, ২৮৭; ই.সে. ২৯৭, ২৯৮)
وحدثناه عبد الأعلى بن حماد، وأبو بكر بن أبي شيبة وزهير بن حرب قالوا حدثنا سفيان بن عيينة، ح وحدثنيه حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، قال حدثني يونس، ح وحدثنا حسن الحلواني، وعبد بن حميد، عن يعقوب بن إبراهيم بن سعد، حدثنا أبي، عن صالح، كلهم عن الزهري، بهذا الإسناد وفي رواية ابن عيينة " إماما مقسطا وحكما عدلا " . وفي رواية يونس " حكما عادلا " . ولم يذكر " إماما مقسطا " . وفي حديث صالح " حكما مقسطا " كما قال الليث . وفي حديثه من الزيادة " وحتى تكون السجدة الواحدة خيرا من الدنيا وما فيها " . ثم يقول أبو هريرة اقرءوا إن شئتم { وإن من أهل الكتاب إلا ليؤمنن به قبل موته} الآية .
সহিহ মুসলিম ২৮৪
وحدثني محمد بن حاتم، حدثنا يعقوب بن إبراهيم، حدثنا ابن أخي ابن شهاب، عن عمه، قال أخبرني نافع، مولى أبي قتادة الأنصاري أنه سمع أبا هريرة، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " كيف أنتم إذا نزل ابن مريم فيكم وأمكم " .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, তোমাদের জীবন কতই না ধন্য হবে, যে সময়ে ‘ঈসা ইবনু মারইয়াম (‘আঃ)-কে তোমাদের মাঝে পাঠানো হবে আর তিনি তোমাদের নেতৃত্ব দিবেন। (ই.ফা. ২৯০; ই.সে. ৩০১)
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, তোমাদের জীবন কতই না ধন্য হবে, যে সময়ে ‘ঈসা ইবনু মারইয়াম (‘আঃ)-কে তোমাদের মাঝে পাঠানো হবে আর তিনি তোমাদের নেতৃত্ব দিবেন। (ই.ফা. ২৯০; ই.সে. ৩০১)
وحدثني محمد بن حاتم، حدثنا يعقوب بن إبراهيم، حدثنا ابن أخي ابن شهاب، عن عمه، قال أخبرني نافع، مولى أبي قتادة الأنصاري أنه سمع أبا هريرة، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " كيف أنتم إذا نزل ابن مريم فيكم وأمكم " .
সহিহ মুসলিম ২৮২
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، عن سعيد بن أبي سعيد، عن عطاء بن ميناء، عن أبي هريرة، أنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " والله لينزلن ابن مريم حكما عادلا فليكسرن الصليب وليقتلن الخنزير وليضعن الجزية ولتتركن القلاص فلا يسعى عليها ولتذهبن الشحناء والتباغض والتحاسد وليدعون إلى المال فلا يقبله أحد " .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, আল্লাহর কসম! ‘ঈসা ইবনু মারইয়াম (‘আঃ) অবশ্যই ন্যায়পরায়ণ প্রশাসকরূপে আসবেন এবং ক্রুশ চূর্ণ করবেন, শুকর হত্যা করবেন, জিয্য়াহ তথা কর রহিত করবেন। মোটা তাজা উটগুলো বন্ধনমুক্ত করে দেয়া হবে কিন্তু তা নেয়ার জন্য কেউ চেষ্ট করবে না। পরস্পর শত্রুতা, হিংসা-বিদ্বেষ থাকবে না এবং সম্পদ গ্রহণের জন্য মানুষকে ডাকা হবে কিন্তু তা কেউ গ্রহণ করবে না। (ই.ফা. ২৮৮; ই.সে. ২৯৯)
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, আল্লাহর কসম! ‘ঈসা ইবনু মারইয়াম (‘আঃ) অবশ্যই ন্যায়পরায়ণ প্রশাসকরূপে আসবেন এবং ক্রুশ চূর্ণ করবেন, শুকর হত্যা করবেন, জিয্য়াহ তথা কর রহিত করবেন। মোটা তাজা উটগুলো বন্ধনমুক্ত করে দেয়া হবে কিন্তু তা নেয়ার জন্য কেউ চেষ্ট করবে না। পরস্পর শত্রুতা, হিংসা-বিদ্বেষ থাকবে না এবং সম্পদ গ্রহণের জন্য মানুষকে ডাকা হবে কিন্তু তা কেউ গ্রহণ করবে না। (ই.ফা. ২৮৮; ই.সে. ২৯৯)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، عن سعيد بن أبي سعيد، عن عطاء بن ميناء، عن أبي هريرة، أنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " والله لينزلن ابن مريم حكما عادلا فليكسرن الصليب وليقتلن الخنزير وليضعن الجزية ولتتركن القلاص فلا يسعى عليها ولتذهبن الشحناء والتباغض والتحاسد وليدعون إلى المال فلا يقبله أحد " .
সহিহ মুসলিম ২৮৩
حدثني حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، قال أخبرني نافع، مولى أبي قتادة الأنصاري أن أبا هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " كيف أنتم إذا نزل ابن مريم فيكم وإمامكم منكم " .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমাদের জীবন কতই না ধন্য হবে, যখন ‘ঈসা ইবনু মারইয়াম (‘আঃ) তোমাদের মাঝে অবতরণ করবেন এবং তোমাদেরই একজন তোমাদের ইমাম হবেন। (ই.ফা. ২৮৯; ই.সে. ৩০০)
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমাদের জীবন কতই না ধন্য হবে, যখন ‘ঈসা ইবনু মারইয়াম (‘আঃ) তোমাদের মাঝে অবতরণ করবেন এবং তোমাদেরই একজন তোমাদের ইমাম হবেন। (ই.ফা. ২৮৯; ই.সে. ৩০০)
حدثني حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، قال أخبرني نافع، مولى أبي قتادة الأنصاري أن أبا هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " كيف أنتم إذا نزل ابن مريم فيكم وإمامكم منكم " .
সহিহ মুসলিম ২৮৫
وحدثنا زهير بن حرب، حدثني الوليد بن مسلم، حدثنا ابن أبي ذئب، عن ابن شهاب، عن نافع، مولى أبي قتادة عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " كيف أنتم إذا نزل فيكم ابن مريم فأمكم منكم " . فقلت لابن أبي ذئب إن الأوزاعي حدثنا عن الزهري عن نافع عن أبي هريرة " وإمامكم منكم " . قال ابن أبي ذئب تدري ما أمكم منكم قلت تخبرني . قال فأمكم بكتاب ربكم تبارك وتعالى وسنة نبيكم صلى الله عليه وسلم .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, তোমরা কতই না ধন্য হবে, যে সময় ‘ঈসা ইবনু মারইয়াম (‘আঃ) আসবেন এবং তোমাদেরই একজন তোমাদের নেতৃত্ব প্রদান করবেন। [৬৪] ওয়ালীদ ইবনু মুসলিম বলেন, আমি ইবনু আবূ যিবকে জিজ্ঞেস করলাম, আওযা’ঈ আমাদেরকে যুহরীর সূত্রে, তিনি নাফি’ হতে, তিনি আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণনা করেছেন : (আরবী) “আর তোমাদের থেকেই তোমাদের ইমাম হবে” কথাটির মর্ম জান কি? আমি বললাম, বলুন। তিনি বললেন অর্থাৎ তোমাদের প্রতিপালক প্রেরিত কিতাব ও তোমাদের নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর অনুসৃত আদর্শের অবলম্বনে তিনি তোমাদের নেতৃত্ব প্রদান করবেন। (ই.ফা. ২৯১; ই.সে. ৩০২)
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, তোমরা কতই না ধন্য হবে, যে সময় ‘ঈসা ইবনু মারইয়াম (‘আঃ) আসবেন এবং তোমাদেরই একজন তোমাদের নেতৃত্ব প্রদান করবেন। [৬৪] ওয়ালীদ ইবনু মুসলিম বলেন, আমি ইবনু আবূ যিবকে জিজ্ঞেস করলাম, আওযা’ঈ আমাদেরকে যুহরীর সূত্রে, তিনি নাফি’ হতে, তিনি আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণনা করেছেন : (আরবী) “আর তোমাদের থেকেই তোমাদের ইমাম হবে” কথাটির মর্ম জান কি? আমি বললাম, বলুন। তিনি বললেন অর্থাৎ তোমাদের প্রতিপালক প্রেরিত কিতাব ও তোমাদের নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর অনুসৃত আদর্শের অবলম্বনে তিনি তোমাদের নেতৃত্ব প্রদান করবেন। (ই.ফা. ২৯১; ই.সে. ৩০২)
وحدثنا زهير بن حرب، حدثني الوليد بن مسلم، حدثنا ابن أبي ذئب، عن ابن شهاب، عن نافع، مولى أبي قتادة عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " كيف أنتم إذا نزل فيكم ابن مريم فأمكم منكم " . فقلت لابن أبي ذئب إن الأوزاعي حدثنا عن الزهري عن نافع عن أبي هريرة " وإمامكم منكم " . قال ابن أبي ذئب تدري ما أمكم منكم قلت تخبرني . قال فأمكم بكتاب ربكم تبارك وتعالى وسنة نبيكم صلى الله عليه وسلم .
সহিহ মুসলিম ২৮৬
حدثنا الوليد بن شجاع، وهارون بن عبد الله، وحجاج بن الشاعر، قالوا حدثنا حجاج، - وهو ابن محمد - عن ابن جريج، قال أخبرني أبو الزبير، أنه سمع جابر بن عبد الله، يقول سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول " لا تزال طائفة من أمتي يقاتلون على الحق ظاهرين إلى يوم القيامة - قال - فينزل عيسى ابن مريم صلى الله عليه وسلم فيقول أميرهم تعال صل لنا . فيقول لا . إن بعضكم على بعض أمراء . تكرمة الله هذه الأمة " .
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, কিয়ামাত পর্যন্ত আমার উম্মাতের একদল সত্য দ্বীনের উপর প্রতিষ্ঠিত থেকে বাতিলের বিরুদ্ধে লড়তে থাকবে এবং অবশেষে ‘ঈসা (‘আঃ) অবতরণ করবেন। মুসলিমদের আমীর বলবেন, আসুন সালাতে আমাদের ইমামাতি করুন। তিনি বলবেন না, আপনাদেরই একজন অন্যদের জন্য ইমাম নিযুক্ত হবে। এ হলো আল্লাহ তা’আলা প্রদত্ত এ উম্মাতের সম্মান। (ই.ফা. ২৯২; ই.সে. ৩০৩)
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, কিয়ামাত পর্যন্ত আমার উম্মাতের একদল সত্য দ্বীনের উপর প্রতিষ্ঠিত থেকে বাতিলের বিরুদ্ধে লড়তে থাকবে এবং অবশেষে ‘ঈসা (‘আঃ) অবতরণ করবেন। মুসলিমদের আমীর বলবেন, আসুন সালাতে আমাদের ইমামাতি করুন। তিনি বলবেন না, আপনাদেরই একজন অন্যদের জন্য ইমাম নিযুক্ত হবে। এ হলো আল্লাহ তা’আলা প্রদত্ত এ উম্মাতের সম্মান। (ই.ফা. ২৯২; ই.সে. ৩০৩)
حدثنا الوليد بن شجاع، وهارون بن عبد الله، وحجاج بن الشاعر، قالوا حدثنا حجاج، - وهو ابن محمد - عن ابن جريج، قال أخبرني أبو الزبير، أنه سمع جابر بن عبد الله، يقول سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول " لا تزال طائفة من أمتي يقاتلون على الحق ظاهرين إلى يوم القيامة - قال - فينزل عيسى ابن مريم صلى الله عليه وسلم فيقول أميرهم تعال صل لنا . فيقول لا . إن بعضكم على بعض أمراء . تكرمة الله هذه الأمة " .