সহিহ মুসলিম > যুলম করে কারো সম্পদ আত্মসাৎ করতে চাইলে তার রক্ত তার জন্য বৃথা যাবে, আর নিহত হলে জাহান্নামে যাবে আর যে ব্যক্তি স্বীয় সম্পদ রক্ষায় নিহত হয় সে শাহীদ

সহিহ মুসলিম ২৫৮

حدثني الحسن بن علي الحلواني، وإسحاق بن منصور، ومحمد بن رافع، - وألفاظهم متقاربة - قال إسحاق أخبرنا وقال الآخران، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا ابن جريج، قال أخبرني سليمان الأحول، أن ثابتا، مولى عمر بن عبد الرحمن أخبره أنه، لما كان بين عبد الله بن عمرو وبين عنبسة بن أبي سفيان ما كان تيسروا للقتال فركب خالد بن العاص إلى عبد الله بن عمرو فوعظه خالد فقال عبد الله بن عمرو أما علمت أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ من قتل دون ماله فهو شهيد ‏"‏ ‏.‏

‘উমার ইবনু ‘আবদুর রহমানের আযাদকৃত গোলাম সাবিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর ও ‘আম্বাসাহ্‌ ইবনু আবূ সুফ্‌ইয়ানের মধ্যে যখন কিছু সম্পদ নিয়ে ঝগড়া দেখা দেয়। আর তারা উভয়ে লড়াইয়ের জন্য উদ্যত হয়ে পড়ে। তখন খালিদ ইবনু ‘আস ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্‌র-এর নিকট গেলেন এবং বুঝাতে চেষ্টা করলেন। তখন ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্‌র বললেন, তুমি কি জান না? রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি তাঁর সম্পদ রক্ষার্থে নিহত হয় সে শাহীদ। মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম ও আহমাদ ইবনু ‘উসমান আস্‌ নাওফালী (রহঃ) ..... ইবনু জুরায়জ (রহঃ) থেকে উল্লেখিত সানাদে অনুরূপ রিওয়ায়াত করেছেন। (ই.ফা. ২৬০; ই.সে. ২৬৯-২৭০)

‘উমার ইবনু ‘আবদুর রহমানের আযাদকৃত গোলাম সাবিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর ও ‘আম্বাসাহ্‌ ইবনু আবূ সুফ্‌ইয়ানের মধ্যে যখন কিছু সম্পদ নিয়ে ঝগড়া দেখা দেয়। আর তারা উভয়ে লড়াইয়ের জন্য উদ্যত হয়ে পড়ে। তখন খালিদ ইবনু ‘আস ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্‌র-এর নিকট গেলেন এবং বুঝাতে চেষ্টা করলেন। তখন ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্‌র বললেন, তুমি কি জান না? রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি তাঁর সম্পদ রক্ষার্থে নিহত হয় সে শাহীদ। মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম ও আহমাদ ইবনু ‘উসমান আস্‌ নাওফালী (রহঃ) ..... ইবনু জুরায়জ (রহঃ) থেকে উল্লেখিত সানাদে অনুরূপ রিওয়ায়াত করেছেন। (ই.ফা. ২৬০; ই.সে. ২৬৯-২৭০)

حدثني الحسن بن علي الحلواني، وإسحاق بن منصور، ومحمد بن رافع، - وألفاظهم متقاربة - قال إسحاق أخبرنا وقال الآخران، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا ابن جريج، قال أخبرني سليمان الأحول، أن ثابتا، مولى عمر بن عبد الرحمن أخبره أنه، لما كان بين عبد الله بن عمرو وبين عنبسة بن أبي سفيان ما كان تيسروا للقتال فركب خالد بن العاص إلى عبد الله بن عمرو فوعظه خالد فقال عبد الله بن عمرو أما علمت أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ من قتل دون ماله فهو شهيد ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ২৫৭

حدثني أبو كريب، محمد بن العلاء حدثنا خالد، - يعني ابن مخلد - حدثنا محمد بن جعفر، عن العلاء بن عبد الرحمن، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال جاء رجل إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله أرأيت إن جاء رجل يريد أخذ مالي قال ‏"‏ فلا تعطه مالك ‏"‏ ‏.‏ قال أرأيت إن قاتلني قال ‏"‏ قاتله ‏"‏ ‏.‏ قال أرأيت إن قتلني قال ‏"‏ فأنت شهيد ‏"‏ ‏.‏ قال أرأيت إن قتلته قال ‏"‏ هو في النار ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহর রসূল! যদি কেউ আমার সম্পদ ছিনিয়ে নিতে উদ্যত হয় তবে আমি কী করব? রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি তাকে তোমার সম্পদ নিতে দিবে না। লোকটি বলল, যদি সে আমার সাথে এ নিয়ে মারামারি করে? রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তুমি তার সাথে মারামারি করবে। লোকটি বলল, আপনি কি বলেন যদি সে আমাকে হত্যা করে? রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন- তা হলে তুমি শাহীদ বলে গণ্য হবে। [৫১‌] লোকটি বলল, আপনি কি মনে করেন, যদি আমি তাকে হত্যা করি? রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ সে জাহান্নামী। (ই.ফা. ২৫৯; ই.সে. ২৬৮)

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহর রসূল! যদি কেউ আমার সম্পদ ছিনিয়ে নিতে উদ্যত হয় তবে আমি কী করব? রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি তাকে তোমার সম্পদ নিতে দিবে না। লোকটি বলল, যদি সে আমার সাথে এ নিয়ে মারামারি করে? রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তুমি তার সাথে মারামারি করবে। লোকটি বলল, আপনি কি বলেন যদি সে আমাকে হত্যা করে? রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন- তা হলে তুমি শাহীদ বলে গণ্য হবে। [৫১‌] লোকটি বলল, আপনি কি মনে করেন, যদি আমি তাকে হত্যা করি? রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ সে জাহান্নামী। (ই.ফা. ২৫৯; ই.সে. ২৬৮)

حدثني أبو كريب، محمد بن العلاء حدثنا خالد، - يعني ابن مخلد - حدثنا محمد بن جعفر، عن العلاء بن عبد الرحمن، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال جاء رجل إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله أرأيت إن جاء رجل يريد أخذ مالي قال ‏"‏ فلا تعطه مالك ‏"‏ ‏.‏ قال أرأيت إن قاتلني قال ‏"‏ قاتله ‏"‏ ‏.‏ قال أرأيت إن قتلني قال ‏"‏ فأنت شهيد ‏"‏ ‏.‏ قال أرأيت إن قتلته قال ‏"‏ هو في النار ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম > জনগণের সঙ্গে খিয়ানাতকারী শাসক জাহান্নামের যোগ্য

সহিহ মুসলিম ২৫৯

حدثنا شيبان بن فروخ، حدثنا أبو الأشهب، عن الحسن، قال عاد عبيد الله بن زياد معقل بن يسار المزني في مرضه الذي مات فيه ‏.‏ قال معقل إني محدثك حديثا سمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم لو علمت أن لي حياة ما حدثتك إني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ ما من عبد يسترعيه الله رعية يموت يوم يموت وهو غاش لرعيته إلا حرم الله عليه الجنة ‏"‏ ‏.‏

হাসান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

মা’কিল ইবনু ইয়াসার-এর মৃত্যুশয্যায় ‘উবাইদুল্লাহ ইবনু যিয়াদ তাঁর সাক্ষাতে যান। মা’কিল তাকে বললেন, আজ তোমাকে রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে শোনা এমন একটি হাদীস শুনাব যা আমি আরো বেঁচে থাকব বলে জানলে তা কিছুতেই শুনাতাম না। আমি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ কথা বলতে শুনেছি যে, আল্লাহ তা’আলা যাকে জনগণের দায়িত্ব দিয়েছেন কিন্তু খিয়ানাতকারীরূপে যদি তার মৃত্যু হয় তবে আল্লাহ তা’আলা তার জন্য জান্নাত হারাম করে দিবেন। (ই.ফা. ২৬১; ই.সে. ২৭১)

হাসান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

মা’কিল ইবনু ইয়াসার-এর মৃত্যুশয্যায় ‘উবাইদুল্লাহ ইবনু যিয়াদ তাঁর সাক্ষাতে যান। মা’কিল তাকে বললেন, আজ তোমাকে রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে শোনা এমন একটি হাদীস শুনাব যা আমি আরো বেঁচে থাকব বলে জানলে তা কিছুতেই শুনাতাম না। আমি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ কথা বলতে শুনেছি যে, আল্লাহ তা’আলা যাকে জনগণের দায়িত্ব দিয়েছেন কিন্তু খিয়ানাতকারীরূপে যদি তার মৃত্যু হয় তবে আল্লাহ তা’আলা তার জন্য জান্নাত হারাম করে দিবেন। (ই.ফা. ২৬১; ই.সে. ২৭১)

حدثنا شيبان بن فروخ، حدثنا أبو الأشهب، عن الحسن، قال عاد عبيد الله بن زياد معقل بن يسار المزني في مرضه الذي مات فيه ‏.‏ قال معقل إني محدثك حديثا سمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم لو علمت أن لي حياة ما حدثتك إني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ ما من عبد يسترعيه الله رعية يموت يوم يموت وهو غاش لرعيته إلا حرم الله عليه الجنة ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ২৬২

وحدثنا أبو غسان المسمعي، ومحمد بن المثنى، وإسحاق بن إبراهيم، قال إسحاق أخبرنا وقال الآخران، حدثنا معاذ بن هشام، قال حدثني أبي، عن قتادة، عن أبي المليح، أن عبيد الله بن زياد، عاد معقل بن يسار في مرضه فقال له معقل إني محدثك بحديث لولا أني في الموت لم أحدثك به سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ ما من أمير يلي أمر المسلمين ثم لا يجهد لهم وينصح إلا لم يدخل معهم الجنة ‏"‏ ‏.‏

আবূ মালীহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

মা’কিল ইবনু ইয়াসার-এর অসুস্থতাবস্থায় তাকে দেখতে ‘উবাইদুল্লাহ ইবনু যিয়াদ উপস্থিত হলে তাকে মা’কিল বলেন, আজ আমি তোমাকে একটি হাদীস বলব, আমি মৃত্যুশয্যায় না থাকলে তা বর্ণনা করতাম না। আমি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, মুসলিমদের দায়িত্বে নিযুক্ত কোন আমীর (শাসক) যদি তাদের কল্যাণ কামনা না করে এবং তাদের স্বার্থ রক্ষায় সর্বাত্মক প্রয়াস না চালায় তবে সে মুসলিমদের সঙ্গে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না। (ই.ফা. ২৬৪; ই.সে. ২৭৪)

আবূ মালীহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

মা’কিল ইবনু ইয়াসার-এর অসুস্থতাবস্থায় তাকে দেখতে ‘উবাইদুল্লাহ ইবনু যিয়াদ উপস্থিত হলে তাকে মা’কিল বলেন, আজ আমি তোমাকে একটি হাদীস বলব, আমি মৃত্যুশয্যায় না থাকলে তা বর্ণনা করতাম না। আমি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, মুসলিমদের দায়িত্বে নিযুক্ত কোন আমীর (শাসক) যদি তাদের কল্যাণ কামনা না করে এবং তাদের স্বার্থ রক্ষায় সর্বাত্মক প্রয়াস না চালায় তবে সে মুসলিমদের সঙ্গে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না। (ই.ফা. ২৬৪; ই.সে. ২৭৪)

وحدثنا أبو غسان المسمعي، ومحمد بن المثنى، وإسحاق بن إبراهيم، قال إسحاق أخبرنا وقال الآخران، حدثنا معاذ بن هشام، قال حدثني أبي، عن قتادة، عن أبي المليح، أن عبيد الله بن زياد، عاد معقل بن يسار في مرضه فقال له معقل إني محدثك بحديث لولا أني في الموت لم أحدثك به سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ ما من أمير يلي أمر المسلمين ثم لا يجهد لهم وينصح إلا لم يدخل معهم الجنة ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ২৬১

وحدثني القاسم بن زكرياء، حدثنا حسين، - يعني الجعفي - عن زائدة، عن هشام، قال قال الحسن كنا عند معقل بن يسار نعوده فجاء عبيد الله بن زياد فقال له معقل إني سأحدثك حديثا سمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم ذكر بمعنى حديثهما ‏.‏

হাসান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমরা মা’কিল ইবনু ইয়াসার (রাঃ)-এর অসুস্থতাকালে তাঁর কুশলাদি জানতে গিয়েছিলাম। এমন সময় ‘উবাইদুল্লাহ ইবনু যিয়াদ তথায় উপস্থিত হন। মা’কিল ইবনু ইয়াসার (রাঃ) তাকে বললেন, আজ তোমাকে একটি হাদীস শুনাব যা আমি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে শুনেছি .....। পরে তিনি উল্লেখিত হাদীসদ্বয়ের অনুরূপ বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ২৬৩; ই.সে. ২৭৩)

হাসান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমরা মা’কিল ইবনু ইয়াসার (রাঃ)-এর অসুস্থতাকালে তাঁর কুশলাদি জানতে গিয়েছিলাম। এমন সময় ‘উবাইদুল্লাহ ইবনু যিয়াদ তথায় উপস্থিত হন। মা’কিল ইবনু ইয়াসার (রাঃ) তাকে বললেন, আজ তোমাকে একটি হাদীস শুনাব যা আমি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে শুনেছি .....। পরে তিনি উল্লেখিত হাদীসদ্বয়ের অনুরূপ বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ২৬৩; ই.সে. ২৭৩)

وحدثني القاسم بن زكرياء، حدثنا حسين، - يعني الجعفي - عن زائدة، عن هشام، قال قال الحسن كنا عند معقل بن يسار نعوده فجاء عبيد الله بن زياد فقال له معقل إني سأحدثك حديثا سمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم ذكر بمعنى حديثهما ‏.‏


সহিহ মুসলিম ২৬০

حدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا يزيد بن زريع، عن يونس، عن الحسن، قال دخل عبيد الله بن زياد على معقل بن يسار وهو وجع فسأله فقال إني محدثك حديثا لم أكن حدثتكه إن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا يسترعي الله عبدا رعية يموت حين يموت وهو غاش لها إلا حرم الله عليه الجنة ‏"‏ ‏.‏ قال ألا كنت حدثتني هذا قبل اليوم قال ما حدثتك أو لم أكن لأحدثك ‏.‏

হাসান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মা’কিল ইবনু ইয়াসারের অসুস্থ অবস্থায় ‘উবাইদুল্লাহ ইবনু যিয়াদ তাঁর সাক্ষাতে গেলেন এবং কিছু জানতে চাইলেন। তখন মা’কিল (রাঃ) বলেন, আজ তোমাকে এমন একটি হাদীস বর্ণনা করব যা আমি আগে তোমাকে বর্ণনা করার জন্য প্রস্তুত ছিলাম না। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, আল্লাহ তা’আলা যাকে জনগণের শাসনভার প্রদান করেন আর সে যদি খিয়ানাতকারীরূপে মৃত্যুবরণ করে, তবে আল্লাহ তার জন্য জান্নাত হারাম করে দিবেন। ‘উবাইদুল্লাহ বললেন, আপনি কি আজ পর্যন্ত এ হাদীস আমাকে বর্ণনা করেননি? তিনি বললেন, না কখনো বর্ণনা করিনি। অথবা রাবী এ কথা বলেছেন, ‘না, বর্ণনা করতে ইচ্ছুক ছিলাম না। [৫২] (ই.ফা. ২৬২; ই.সে. ২৭২)

হাসান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মা’কিল ইবনু ইয়াসারের অসুস্থ অবস্থায় ‘উবাইদুল্লাহ ইবনু যিয়াদ তাঁর সাক্ষাতে গেলেন এবং কিছু জানতে চাইলেন। তখন মা’কিল (রাঃ) বলেন, আজ তোমাকে এমন একটি হাদীস বর্ণনা করব যা আমি আগে তোমাকে বর্ণনা করার জন্য প্রস্তুত ছিলাম না। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, আল্লাহ তা’আলা যাকে জনগণের শাসনভার প্রদান করেন আর সে যদি খিয়ানাতকারীরূপে মৃত্যুবরণ করে, তবে আল্লাহ তার জন্য জান্নাত হারাম করে দিবেন। ‘উবাইদুল্লাহ বললেন, আপনি কি আজ পর্যন্ত এ হাদীস আমাকে বর্ণনা করেননি? তিনি বললেন, না কখনো বর্ণনা করিনি। অথবা রাবী এ কথা বলেছেন, ‘না, বর্ণনা করতে ইচ্ছুক ছিলাম না। [৫২] (ই.ফা. ২৬২; ই.সে. ২৭২)

حدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا يزيد بن زريع، عن يونس، عن الحسن، قال دخل عبيد الله بن زياد على معقل بن يسار وهو وجع فسأله فقال إني محدثك حديثا لم أكن حدثتكه إن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا يسترعي الله عبدا رعية يموت حين يموت وهو غاش لها إلا حرم الله عليه الجنة ‏"‏ ‏.‏ قال ألا كنت حدثتني هذا قبل اليوم قال ما حدثتك أو لم أكن لأحدثك ‏.‏


সহিহ মুসলিম > কারো কারো অন্তর থেকে ঈমান ও আমানাতদারী উঠিয়ে নেয়া এবং অন্তরে ফিত্‌নার সৃষ্টি হওয়া

সহিহ মুসলিম ২৬৩

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو معاوية، ووكيع، ح وحدثنا أبو كريب، حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن زيد بن وهب، عن حذيفة، قال حدثنا رسول الله صلى الله عليه وسلم حديثين قد رأيت أحدهما وأنا أنتظر الآخر حدثنا ‏"‏ أن الأمانة نزلت في جذر قلوب الرجال ثم نزل القرآن فعلموا من القرآن وعلموا من السنة ‏"‏ ‏.‏ ثم حدثنا عن رفع الأمانة قال ‏"‏ ينام الرجل النومة فتقبض الأمانة من قلبه فيظل أثرها مثل الوكت ثم ينام النومة فتقبض الأمانة من قلبه فيظل أثرها مثل المجل كجمر دحرجته على رجلك فنفط فتراه منتبرا وليس فيه شىء - ثم أخذ حصى فدحرجه على رجله - فيصبح الناس يتبايعون لا يكاد أحد يؤدي الأمانة حتى يقال إن في بني فلان رجلا أمينا ‏.‏ حتى يقال للرجل ما أجلده ما أظرفه ما أعقله وما في قلبه مثقال حبة من خردل من إيمان ‏"‏ ‏.‏ ولقد أتى على زمان وما أبالي أيكم بايعت لئن كان مسلما ليردنه على دينه ولئن كان نصرانيا أو يهوديا ليردنه على ساعيه وأما اليوم فما كنت لأبايع منكم إلا فلانا وفلانا ‏.‏

হুযাইফাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে দু’টি কথা বলেছিলেন, সে দু’টির একটি তো আমি স্বচোখেই দেখেছি আর অপরটির অপেক্ষা করছি। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, মানব হৃদয়ের মূলে আমানাত নাযিল হয়, [৫৩] তারপর কুরআন অবতীর্ণ হয়। অনন্তর তারা কুরআন শিখেছে এবং সুন্নাহর জ্ঞান লাভ করেছে। তারপর তিনি আমাদেরকে আমানাত উঠিয়ে নেয়ার বর্ণনা দিলেন। বললেন, মানুষ ঘুমাবে আর তখন তার অন্তর হতে আমানাত তুলে নেয়া হবে। ফলে তার চিহ্ন থেকে যাবে একটি নুকতার মত। এরপর আবার সে ঘুমায় তখন তার অন্তর থেকে আমানাত তুলে নেয়া হবে। ফলে তার চিহ্ন থেকে যাবে ফোস্কার মত; যেন একটি আগুনের ফুলকি যা তুমি তোমার পায়ে রগড়ে দিলে। তখন তাতে ফোস্কা পড়ে যায় এবং তুমি তা ফোলা দেখতে পাও অথচ তাতে (পুঁজ-পানি ব্যতীত) কিছু নেই। তারপর রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কয়েকটি কাঁকর নিয়ে তাঁর পায়ে ঘষলেন এবং বললেন, যখন এমন অবস্থা হয়ে যাবে তখন মানুষ বেচাকেনা করবে কিন্তু কেউ আমানাত শোধ করবে না। এমন কি বলা হবে যে, অমুক বংশে একজন আমানাতদার আছেন। এমন অবস্থা হবে যে, কাউকে বলা হবে বড়ই বাহাদুর, হুঁশিয়ার ও বুদ্ধিমান অথচ তার অন্তরে দানা পরিমাণ ঈমান থাকবে না। হুযাইফাহ্‌ (রাঃ) বলেন, এমন এক যুগও গেছে যখন যে কারোর সাথে লেনদেন করতে দ্বিধা করতাম না। কারণ সে যদি মুসলিম হতো তবে তার দীনদারীই তাকে আমার হাক্‌ পরিশোধ করতে বাধ্য করতো। আর যদি সে খৃষ্টান বা ইয়াহূদী হতো তবে তার প্রশাসক তা শোধ করতে তাকে বাধ্য করত। কিন্তু বর্তমানে আমি অমুক অমুক ব্যতীত কারো সাথে লেনদেন করতে রাজি না। ইবনু নুমায়র ও ইসহাক্‌ ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... আ’মাশ (রহঃ)-এর সূত্রে পূর্ব বর্ণিত সানাদের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ২৬৫, ২৬৬; ই.সে. ২৭৫, ২৭৬)

হুযাইফাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে দু’টি কথা বলেছিলেন, সে দু’টির একটি তো আমি স্বচোখেই দেখেছি আর অপরটির অপেক্ষা করছি। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, মানব হৃদয়ের মূলে আমানাত নাযিল হয়, [৫৩] তারপর কুরআন অবতীর্ণ হয়। অনন্তর তারা কুরআন শিখেছে এবং সুন্নাহর জ্ঞান লাভ করেছে। তারপর তিনি আমাদেরকে আমানাত উঠিয়ে নেয়ার বর্ণনা দিলেন। বললেন, মানুষ ঘুমাবে আর তখন তার অন্তর হতে আমানাত তুলে নেয়া হবে। ফলে তার চিহ্ন থেকে যাবে একটি নুকতার মত। এরপর আবার সে ঘুমায় তখন তার অন্তর থেকে আমানাত তুলে নেয়া হবে। ফলে তার চিহ্ন থেকে যাবে ফোস্কার মত; যেন একটি আগুনের ফুলকি যা তুমি তোমার পায়ে রগড়ে দিলে। তখন তাতে ফোস্কা পড়ে যায় এবং তুমি তা ফোলা দেখতে পাও অথচ তাতে (পুঁজ-পানি ব্যতীত) কিছু নেই। তারপর রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কয়েকটি কাঁকর নিয়ে তাঁর পায়ে ঘষলেন এবং বললেন, যখন এমন অবস্থা হয়ে যাবে তখন মানুষ বেচাকেনা করবে কিন্তু কেউ আমানাত শোধ করবে না। এমন কি বলা হবে যে, অমুক বংশে একজন আমানাতদার আছেন। এমন অবস্থা হবে যে, কাউকে বলা হবে বড়ই বাহাদুর, হুঁশিয়ার ও বুদ্ধিমান অথচ তার অন্তরে দানা পরিমাণ ঈমান থাকবে না। হুযাইফাহ্‌ (রাঃ) বলেন, এমন এক যুগও গেছে যখন যে কারোর সাথে লেনদেন করতে দ্বিধা করতাম না। কারণ সে যদি মুসলিম হতো তবে তার দীনদারীই তাকে আমার হাক্‌ পরিশোধ করতে বাধ্য করতো। আর যদি সে খৃষ্টান বা ইয়াহূদী হতো তবে তার প্রশাসক তা শোধ করতে তাকে বাধ্য করত। কিন্তু বর্তমানে আমি অমুক অমুক ব্যতীত কারো সাথে লেনদেন করতে রাজি না। ইবনু নুমায়র ও ইসহাক্‌ ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... আ’মাশ (রহঃ)-এর সূত্রে পূর্ব বর্ণিত সানাদের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ২৬৫, ২৬৬; ই.সে. ২৭৫, ২৭৬)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو معاوية، ووكيع، ح وحدثنا أبو كريب، حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن زيد بن وهب، عن حذيفة، قال حدثنا رسول الله صلى الله عليه وسلم حديثين قد رأيت أحدهما وأنا أنتظر الآخر حدثنا ‏"‏ أن الأمانة نزلت في جذر قلوب الرجال ثم نزل القرآن فعلموا من القرآن وعلموا من السنة ‏"‏ ‏.‏ ثم حدثنا عن رفع الأمانة قال ‏"‏ ينام الرجل النومة فتقبض الأمانة من قلبه فيظل أثرها مثل الوكت ثم ينام النومة فتقبض الأمانة من قلبه فيظل أثرها مثل المجل كجمر دحرجته على رجلك فنفط فتراه منتبرا وليس فيه شىء - ثم أخذ حصى فدحرجه على رجله - فيصبح الناس يتبايعون لا يكاد أحد يؤدي الأمانة حتى يقال إن في بني فلان رجلا أمينا ‏.‏ حتى يقال للرجل ما أجلده ما أظرفه ما أعقله وما في قلبه مثقال حبة من خردل من إيمان ‏"‏ ‏.‏ ولقد أتى على زمان وما أبالي أيكم بايعت لئن كان مسلما ليردنه على دينه ولئن كان نصرانيا أو يهوديا ليردنه على ساعيه وأما اليوم فما كنت لأبايع منكم إلا فلانا وفلانا ‏.‏


সহিহ মুসলিম > শুরুতেই ইসলাম ছিল অপরিচিত; শিঘ্রই আবার তা অপরিচিতের ন্যায় হয়ে যাবে এবং তা দু’ মাসজিদ (মাসজিদুল হারাম ও মাসজিদুন নাবাবী) এর মাঝে আশ্রয় নিবে

সহিহ মুসলিম ২৬৫

وحدثني ابن أبي عمر، حدثنا مروان الفزاري، حدثنا أبو مالك الأشجعي، عن ربعي، قال لما قدم حذيفة من عند عمر جلس فحدثنا فقال إن أمير المؤمنين أمس لما جلست إليه سأل أصحابه أيكم يحفظ قول رسول الله صلى الله عليه وسلم في الفتن وساق الحديث بمثل حديث أبي خالد ولم يذكر تفسير أبي مالك لقوله ‏ "‏ مربادا مجخيا ‏"‏ ‏.‏

রিব’ঈ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

হুযাইফাহ্‌ (রাঃ)-এর নিকট থেকে ফিরে এসে আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করছিলেন। তিনি বললেন, গতকাল যখন আমি আমীরুল মু’মিনীন ‘উমার (রাঃ)-এর কাছে বসা ছিলাম, তখন তিনি তাঁর সঙ্গীদের জিজ্ঞেস করেছিলেন, তোমাদের মধ্যে কার ফিত্‌না সম্পর্কীয় হাদীস স্মরণ আছে .....। এরপর রাবী আবূ খালিদ বর্ণিত পূর্বের হাদীসটির ন্যায় বর্ণনা করেন। তবে তিনি এর আবূ মালিক বর্ণিত ব্যাখ্যার উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ২৬৮; ই.সে. ২৭৮)

রিব’ঈ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

হুযাইফাহ্‌ (রাঃ)-এর নিকট থেকে ফিরে এসে আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করছিলেন। তিনি বললেন, গতকাল যখন আমি আমীরুল মু’মিনীন ‘উমার (রাঃ)-এর কাছে বসা ছিলাম, তখন তিনি তাঁর সঙ্গীদের জিজ্ঞেস করেছিলেন, তোমাদের মধ্যে কার ফিত্‌না সম্পর্কীয় হাদীস স্মরণ আছে .....। এরপর রাবী আবূ খালিদ বর্ণিত পূর্বের হাদীসটির ন্যায় বর্ণনা করেন। তবে তিনি এর আবূ মালিক বর্ণিত ব্যাখ্যার উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ২৬৮; ই.সে. ২৭৮)

وحدثني ابن أبي عمر، حدثنا مروان الفزاري، حدثنا أبو مالك الأشجعي، عن ربعي، قال لما قدم حذيفة من عند عمر جلس فحدثنا فقال إن أمير المؤمنين أمس لما جلست إليه سأل أصحابه أيكم يحفظ قول رسول الله صلى الله عليه وسلم في الفتن وساق الحديث بمثل حديث أبي خالد ولم يذكر تفسير أبي مالك لقوله ‏ "‏ مربادا مجخيا ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ২৬৭

حدثنا محمد بن عباد، وابن أبي عمر، جميعا عن مروان الفزاري، قال ابن عباد حدثنا مروان، عن يزيد، - يعني ابن كيسان - عن أبي حازم، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ بدأ الإسلام غريبا وسيعود كما بدأ غريبا فطوبى للغرباء ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেছেন : ইসলাম শুরুতে অপরিচিত ছিল, অচিরেই তা আবার শুরুর মতো অপরিচিত হয়ে যাবে। [৫৪] সুতরাং এরূপ অপরিচিত অবস্থায়ও যারা ইসলামের উপর টিকে থাকবে তাদের জন্য মুবারাকবাদ। (ই.ফা ২৭০; ই.সে. ২৮০)

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেছেন : ইসলাম শুরুতে অপরিচিত ছিল, অচিরেই তা আবার শুরুর মতো অপরিচিত হয়ে যাবে। [৫৪] সুতরাং এরূপ অপরিচিত অবস্থায়ও যারা ইসলামের উপর টিকে থাকবে তাদের জন্য মুবারাকবাদ। (ই.ফা ২৭০; ই.সে. ২৮০)

حدثنا محمد بن عباد، وابن أبي عمر، جميعا عن مروان الفزاري، قال ابن عباد حدثنا مروان، عن يزيد، - يعني ابن كيسان - عن أبي حازم، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ بدأ الإسلام غريبا وسيعود كما بدأ غريبا فطوبى للغرباء ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ২৬৮

وحدثني محمد بن رافع، والفضل بن سهل الأعرج، قالا حدثنا شبابة بن سوار، حدثنا عاصم، - وهو ابن محمد العمري - عن أبيه، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إن الإسلام بدأ غريبا وسيعود غريبا كما بدأ وهو يأرز بين المسجدين كما تأرز الحية في جحرها ‏"‏ ‏.‏

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করে বলেন, অপরিচিতের ন্যায় ইসলাম শুরু হয়েছিল, অচিরেই তা আবার অপরিচিত অবস্থায় ফিরে যাবে। সাপ যেমন সংকুচিত হয়ে তার গর্তে প্রবেশ করে তদ্রূপ ইসলামও দুই মাসজিদের মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়ে যাবে। [৫৫] (ই.ফা. ২৭১; ই.সে. ২৮১)

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করে বলেন, অপরিচিতের ন্যায় ইসলাম শুরু হয়েছিল, অচিরেই তা আবার অপরিচিত অবস্থায় ফিরে যাবে। সাপ যেমন সংকুচিত হয়ে তার গর্তে প্রবেশ করে তদ্রূপ ইসলামও দুই মাসজিদের মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়ে যাবে। [৫৫] (ই.ফা. ২৭১; ই.সে. ২৮১)

وحدثني محمد بن رافع، والفضل بن سهل الأعرج، قالا حدثنا شبابة بن سوار، حدثنا عاصم، - وهو ابن محمد العمري - عن أبيه، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إن الإسلام بدأ غريبا وسيعود غريبا كما بدأ وهو يأرز بين المسجدين كما تأرز الحية في جحرها ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ২৬৬

وحدثني محمد بن المثنى، وعمرو بن علي، وعقبة بن مكرم العمي، قالوا حدثنا محمد بن أبي عدي، عن سليمان التيمي، عن نعيم بن أبي هند، عن ربعي بن حراش، عن حذيفة، أن عمر، قال من يحدثنا أو قال أيكم يحدثنا - وفيهم حذيفة - ما قال رسول الله صلى الله عليه وسلم في الفتنة قال حذيفة أنا ‏.‏ وساق الحديث كنحو حديث أبي مالك عن ربعي وقال في الحديث قال حذيفة حدثته حديثا ليس بالأغاليط وقال يعني أنه عن رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏

রিব’ঈ ইবনু হিরাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদিন ‘উমার (রাঃ) বললেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফিত্‌নাহ্‌ সম্পর্কে কি বলেছেন এ সম্পর্কে তোমাদের কেউ আমাকে হাদীস বর্ণনা করতে পারবে? তখন হুযাইফাহ্‌ (রাঃ)-ও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বললেন, আমি পারব .....। এরপর রিব’ঈ-এর সূত্রে বর্ণিত আবূ মালিক-এর রিওয়ায়াতের অনুরূপ বর্ণনা করেন। তবে বর্ণনাকারী এ হাদীসে এও উল্লেখ করেন যে, হুযাইফাহ্‌ (রাঃ) বলেছেন, আমি ‘উমার (রাঃ)-কে যে হাদীস বর্ণনা করেছি তা কোন বানোয়াট কথা নয়; বরং রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকেই তা বর্ণনা করেছি। (ই.ফা. ২৬৯; ই.সে. ২৭৯)

রিব’ঈ ইবনু হিরাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদিন ‘উমার (রাঃ) বললেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফিত্‌নাহ্‌ সম্পর্কে কি বলেছেন এ সম্পর্কে তোমাদের কেউ আমাকে হাদীস বর্ণনা করতে পারবে? তখন হুযাইফাহ্‌ (রাঃ)-ও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বললেন, আমি পারব .....। এরপর রিব’ঈ-এর সূত্রে বর্ণিত আবূ মালিক-এর রিওয়ায়াতের অনুরূপ বর্ণনা করেন। তবে বর্ণনাকারী এ হাদীসে এও উল্লেখ করেন যে, হুযাইফাহ্‌ (রাঃ) বলেছেন, আমি ‘উমার (রাঃ)-কে যে হাদীস বর্ণনা করেছি তা কোন বানোয়াট কথা নয়; বরং রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকেই তা বর্ণনা করেছি। (ই.ফা. ২৬৯; ই.সে. ২৭৯)

وحدثني محمد بن المثنى، وعمرو بن علي، وعقبة بن مكرم العمي، قالوا حدثنا محمد بن أبي عدي، عن سليمان التيمي، عن نعيم بن أبي هند، عن ربعي بن حراش، عن حذيفة، أن عمر، قال من يحدثنا أو قال أيكم يحدثنا - وفيهم حذيفة - ما قال رسول الله صلى الله عليه وسلم في الفتنة قال حذيفة أنا ‏.‏ وساق الحديث كنحو حديث أبي مالك عن ربعي وقال في الحديث قال حذيفة حدثته حديثا ليس بالأغاليط وقال يعني أنه عن رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏


সহিহ মুসলিম ২৬৯

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الله بن نمير، وأبو أسامة عن عبيد الله بن عمر، ح وحدثنا ابن نمير، حدثنا أبي، حدثنا عبيد الله، عن خبيب بن عبد الرحمن، عن حفص بن عاصم، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إن الإيمان ليأرز إلى المدينة كما تأرز الحية إلى جحرها ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ সাপ যেমন সংকুচিত হয়ে আপন গর্তের দিকে প্রত্যাবর্তন করে তদ্রূপ ইসলামও সংকুচিত হয়ে মাদীনার দিকে প্রত্যাবর্তন করবে। (ই.ফা. ২৭২; ই.সে. ২৮২)

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ সাপ যেমন সংকুচিত হয়ে আপন গর্তের দিকে প্রত্যাবর্তন করে তদ্রূপ ইসলামও সংকুচিত হয়ে মাদীনার দিকে প্রত্যাবর্তন করবে। (ই.ফা. ২৭২; ই.সে. ২৮২)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الله بن نمير، وأبو أسامة عن عبيد الله بن عمر، ح وحدثنا ابن نمير، حدثنا أبي، حدثنا عبيد الله، عن خبيب بن عبد الرحمن، عن حفص بن عاصم، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إن الإيمان ليأرز إلى المدينة كما تأرز الحية إلى جحرها ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ২৬৪

وحدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا أبو خالد، - يعني سليمان بن حيان - عن سعد بن طارق، عن ربعي، عن حذيفة، قال كنا عند عمر فقال أيكم سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يذكر الفتن فقال قوم نحن سمعناه ‏.‏ فقال لعلكم تعنون فتنة الرجل في أهله وجاره قالوا أجل ‏.‏ قال تلك تكفرها الصلاة والصيام والصدقة ولكن أيكم سمع النبي صلى الله عليه وسلم يذكر الفتن التي تموج موج البحر قال حذيفة فأسكت القوم فقلت أنا ‏.‏ قال أنت لله أبوك ‏.‏ قال حذيفة سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ تعرض الفتن على القلوب كالحصير عودا عودا فأى قلب أشربها نكت فيه نكتة سوداء وأى قلب أنكرها نكت فيه نكتة بيضاء حتى تصير على قلبين على أبيض مثل الصفا فلا تضره فتنة ما دامت السموات والأرض والآخر أسود مربادا كالكوز مجخيا لا يعرف معروفا ولا ينكر منكرا إلا ما أشرب من هواه ‏"‏ ‏.‏ قال حذيفة وحدثته أن بينك وبينها بابا مغلقا يوشك أن يكسر ‏.‏ قال عمر أكسرا لا أبا لك فلو أنه فتح لعله كان يعاد ‏.‏ قلت لا بل يكسر ‏.‏ وحدثته أن ذلك الباب رجل يقتل أو يموت ‏.‏ حديثا ليس بالأغاليط ‏.‏ قال أبو خالد فقلت لسعد يا أبا مالك ما أسود مربادا قال شدة البياض في سواد ‏.‏ قال قلت فما الكوز مجخيا قال منكوسا ‏.‏

হুযাইফাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদিন আমরা ‘উমার (রাঃ)-এর কাছে ছিলাম। তিনি বললেন, তোমাদের মধ্যে কে রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে ফিত্‌নাহ সম্পর্কে আলোচনা করতে শুনেছ? উপস্থিত একদল বললেন, আমরা শুনেছি। ‘উমার (রাঃ) বললেন, তোমরা হয়তো একজনের পরিবার ও প্রতিবেশীর ফিতনার কথা মনে করেছ। তারা বললেন, হ্যাঁ, অবশ্যই। তিনি বললেন, সলাত, সিয়াম ও সদাকার মাধ্যমে এগুলোর কাফ্‌ফারাহ্‌ হয়ে যায়। কিন্তু তোমাদের মধ্যে কে রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বড় বড় ফিত্‌নার কথা বর্ণনা করতে শুনেছ, যা সমুদ্র তরঙ্গের ন্যায় ধেয়ে আসবে। হুযাইফাহ্‌ (রাঃ) বলেন, প্রশ্ন শুনে সবাই চুপ হয়ে গেল। আমি বললাম, আমি (শুনেছি)। ‘উমার (রাঃ) বললেন, তুমি শুনেছ, মাশাআল্লাহ। হুযাইফাহ্‌ (রাঃ) বললেন, আমি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) —কে বলতে শুনেছি, চাটাই বুননের মত এক এক করে ফিত্‌না মানুষের অন্তরে আসতে থাকে। যে অন্তরে তা গেঁথে যায় তাতে একটি করে কালো দাগ পড়ে। আর যে অন্তর তা প্রত্যাখ্যান করবে তাতে একটি উজ্জ্বল দাগ পড়বে। এমনি করে দু’টি অন্তর দু’ধরনের হয়ে যায়। এটি সাদা পাথরের ন্যায়; আসমান ও জমিন যতদিন থাকবে ততদিন কোন ফিত্‌না তার কোন ক্ষতি করতে পারে না। আর অপরটি হয়ে যায় উল্টানো সাদা মিশ্রিত কলসির ন্যায়, তার প্রবৃত্তির মধ্যে যা গেছে তা ছাড়া ভাল-মন্দ বলতে সে কিছুই চিনে না। হুযাইফাহ্‌ (রাঃ) বললেন, ‘উমার (রাঃ)-কে আমি আরো বললাম, আপনি এবং সে ফিতনার মধ্যে একটি বন্ধ দরজা রয়েছে। অচিরেই সেটি ভেঙ্গে ফেলা হবে। ‘উমার (রাঃ) বললেন, সর্বনাশ! তা ভেঙ্গে ফেলা হবে? যদি ভেঙ্গে ফেলা না হত তাহলে হয়ত পুনরায় বন্ধ করা যেত। হুযাইফাহ্‌ (রাঃ) উত্তর করলেন, না ভেঙ্গে ফেলাই হবে। হুযাইফাহ্‌ (রাঃ) বললেন, আমি ‘উমার (রাঃ)-কে এ কথাও শুনিয়েছি, সে দরজাটি হলো একজন মানুষ; সে নিহত হবে কিংবা স্বাভাবিত মৃত্যুবরণ করবে। এটি কোন গল্প নয় বরং রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর হাদীস। বর্ণনাকারী আবূ খালিদ বলেনঃ আমি সা’দকে জিজ্ঞেস করলাম, এর অর্থ কী? উত্তরে তিনি বললেন, ‘কালো-সাদায় মিশ্রিত রং’। আমি বললাম, এর অর্থ কী? তিনি বললেন, ‘উল্টানো কলসি’। (ই.ফা. ২৬৭; ই.সে. ২৭৭)

হুযাইফাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদিন আমরা ‘উমার (রাঃ)-এর কাছে ছিলাম। তিনি বললেন, তোমাদের মধ্যে কে রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে ফিত্‌নাহ সম্পর্কে আলোচনা করতে শুনেছ? উপস্থিত একদল বললেন, আমরা শুনেছি। ‘উমার (রাঃ) বললেন, তোমরা হয়তো একজনের পরিবার ও প্রতিবেশীর ফিতনার কথা মনে করেছ। তারা বললেন, হ্যাঁ, অবশ্যই। তিনি বললেন, সলাত, সিয়াম ও সদাকার মাধ্যমে এগুলোর কাফ্‌ফারাহ্‌ হয়ে যায়। কিন্তু তোমাদের মধ্যে কে রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বড় বড় ফিত্‌নার কথা বর্ণনা করতে শুনেছ, যা সমুদ্র তরঙ্গের ন্যায় ধেয়ে আসবে। হুযাইফাহ্‌ (রাঃ) বলেন, প্রশ্ন শুনে সবাই চুপ হয়ে গেল। আমি বললাম, আমি (শুনেছি)। ‘উমার (রাঃ) বললেন, তুমি শুনেছ, মাশাআল্লাহ। হুযাইফাহ্‌ (রাঃ) বললেন, আমি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) —কে বলতে শুনেছি, চাটাই বুননের মত এক এক করে ফিত্‌না মানুষের অন্তরে আসতে থাকে। যে অন্তরে তা গেঁথে যায় তাতে একটি করে কালো দাগ পড়ে। আর যে অন্তর তা প্রত্যাখ্যান করবে তাতে একটি উজ্জ্বল দাগ পড়বে। এমনি করে দু’টি অন্তর দু’ধরনের হয়ে যায়। এটি সাদা পাথরের ন্যায়; আসমান ও জমিন যতদিন থাকবে ততদিন কোন ফিত্‌না তার কোন ক্ষতি করতে পারে না। আর অপরটি হয়ে যায় উল্টানো সাদা মিশ্রিত কলসির ন্যায়, তার প্রবৃত্তির মধ্যে যা গেছে তা ছাড়া ভাল-মন্দ বলতে সে কিছুই চিনে না। হুযাইফাহ্‌ (রাঃ) বললেন, ‘উমার (রাঃ)-কে আমি আরো বললাম, আপনি এবং সে ফিতনার মধ্যে একটি বন্ধ দরজা রয়েছে। অচিরেই সেটি ভেঙ্গে ফেলা হবে। ‘উমার (রাঃ) বললেন, সর্বনাশ! তা ভেঙ্গে ফেলা হবে? যদি ভেঙ্গে ফেলা না হত তাহলে হয়ত পুনরায় বন্ধ করা যেত। হুযাইফাহ্‌ (রাঃ) উত্তর করলেন, না ভেঙ্গে ফেলাই হবে। হুযাইফাহ্‌ (রাঃ) বললেন, আমি ‘উমার (রাঃ)-কে এ কথাও শুনিয়েছি, সে দরজাটি হলো একজন মানুষ; সে নিহত হবে কিংবা স্বাভাবিত মৃত্যুবরণ করবে। এটি কোন গল্প নয় বরং রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর হাদীস। বর্ণনাকারী আবূ খালিদ বলেনঃ আমি সা’দকে জিজ্ঞেস করলাম, এর অর্থ কী? উত্তরে তিনি বললেন, ‘কালো-সাদায় মিশ্রিত রং’। আমি বললাম, এর অর্থ কী? তিনি বললেন, ‘উল্টানো কলসি’। (ই.ফা. ২৬৭; ই.সে. ২৭৭)

وحدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا أبو خالد، - يعني سليمان بن حيان - عن سعد بن طارق، عن ربعي، عن حذيفة، قال كنا عند عمر فقال أيكم سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يذكر الفتن فقال قوم نحن سمعناه ‏.‏ فقال لعلكم تعنون فتنة الرجل في أهله وجاره قالوا أجل ‏.‏ قال تلك تكفرها الصلاة والصيام والصدقة ولكن أيكم سمع النبي صلى الله عليه وسلم يذكر الفتن التي تموج موج البحر قال حذيفة فأسكت القوم فقلت أنا ‏.‏ قال أنت لله أبوك ‏.‏ قال حذيفة سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ تعرض الفتن على القلوب كالحصير عودا عودا فأى قلب أشربها نكت فيه نكتة سوداء وأى قلب أنكرها نكت فيه نكتة بيضاء حتى تصير على قلبين على أبيض مثل الصفا فلا تضره فتنة ما دامت السموات والأرض والآخر أسود مربادا كالكوز مجخيا لا يعرف معروفا ولا ينكر منكرا إلا ما أشرب من هواه ‏"‏ ‏.‏ قال حذيفة وحدثته أن بينك وبينها بابا مغلقا يوشك أن يكسر ‏.‏ قال عمر أكسرا لا أبا لك فلو أنه فتح لعله كان يعاد ‏.‏ قلت لا بل يكسر ‏.‏ وحدثته أن ذلك الباب رجل يقتل أو يموت ‏.‏ حديثا ليس بالأغاليط ‏.‏ قال أبو خالد فقلت لسعد يا أبا مالك ما أسود مربادا قال شدة البياض في سواد ‏.‏ قال قلت فما الكوز مجخيا قال منكوسا ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00