সহিহ মুসলিম > ঈমানে সততা ও নিষ্ঠা
সহিহ মুসলিম ২২৬
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الله بن إدريس، وأبو معاوية ووكيع عن الأعمش، عن إبراهيم، عن علقمة، عن عبد الله، قال لما نزلت { الذين آمنوا ولم يلبسوا إيمانهم بظلم} شق ذلك على أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم وقالوا أينا لا يظلم نفسه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ليس هو كما تظنون إنما هو كما قال لقمان لابنه { يا بنى لا تشرك بالله إن الشرك لظلم عظيم{
‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
(আল্লাহ তা’আলার বাণী) : “যারা ঈমান এনেছে এবং তাদের ঈমানকে যুল্ম দ্বারা কলূষিত করেনি নিরাপত্তা তাদের জন্য, তারাই সৎপথপ্রাপ্ত”-(সূরাহ আল আন’আম ৬ : ৮২)। এ আয়াতটি অবতীর্ণ হলে তা সহাবাদের কাছে খুবই কঠিন মনে হলো। তাঁরা বললেন, আমাদের মধ্যে এমন কে আছে যে নিজের উপর আদৌ অত্যাচার করেনি? তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, তোমরা যা মনে করেছ বিষয়টি তা নয়, বরং এর মর্মার্থ হচ্ছে লুক্মান তাঁর পুত্রকে সম্বোধন করে যা বলেছিলেন। তিনি বলেছিলেন : “হে বৎস! আল্লাহর সাথে কোন শারীক করো না, নিশ্চয়ই শির্ক চরম যুল্ম”-(সূরাহ লুক্মান ৩১ : ১৩)। (ই.ফা. ২২৭; ই.সে. ২৩৫)
‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
(আল্লাহ তা’আলার বাণী) : “যারা ঈমান এনেছে এবং তাদের ঈমানকে যুল্ম দ্বারা কলূষিত করেনি নিরাপত্তা তাদের জন্য, তারাই সৎপথপ্রাপ্ত”-(সূরাহ আল আন’আম ৬ : ৮২)। এ আয়াতটি অবতীর্ণ হলে তা সহাবাদের কাছে খুবই কঠিন মনে হলো। তাঁরা বললেন, আমাদের মধ্যে এমন কে আছে যে নিজের উপর আদৌ অত্যাচার করেনি? তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, তোমরা যা মনে করেছ বিষয়টি তা নয়, বরং এর মর্মার্থ হচ্ছে লুক্মান তাঁর পুত্রকে সম্বোধন করে যা বলেছিলেন। তিনি বলেছিলেন : “হে বৎস! আল্লাহর সাথে কোন শারীক করো না, নিশ্চয়ই শির্ক চরম যুল্ম”-(সূরাহ লুক্মান ৩১ : ১৩)। (ই.ফা. ২২৭; ই.সে. ২৩৫)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الله بن إدريس، وأبو معاوية ووكيع عن الأعمش، عن إبراهيم، عن علقمة، عن عبد الله، قال لما نزلت { الذين آمنوا ولم يلبسوا إيمانهم بظلم} شق ذلك على أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم وقالوا أينا لا يظلم نفسه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ليس هو كما تظنون إنما هو كما قال لقمان لابنه { يا بنى لا تشرك بالله إن الشرك لظلم عظيم{
সহিহ মুসলিম ২২৭
حدثنا إسحاق بن إبراهيم، وعلي بن خشرم، قالا أخبرنا عيسى، - وهو ابن يونس ح وحدثنا منجاب بن الحارث التميمي، أخبرنا ابن مسهر، ح وحدثنا أبو كريب، أخبرنا ابن إدريس، كلهم عن الأعمش، بهذا الإسناد قال أبو كريب قال ابن إدريس حدثنيه أولا أبي، عن أبان بن تغلب، عن الأعمش، ثم سمعته منه، .
আ’মাশ (রহঃ) থেকে উক্ত সানাদে থেকে বর্নিতঃ
আবূ কুরায়ব (রহঃ) বলেন, ইবনু ইদ্রীস (রহঃ) বলেছেন, প্রথমতঃ আমার পিতা আমাকে আবান ইবনু তাগলিব থেকে আ’মাশ-এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন, পরবতীকালে আমি নিজেই আ’মাশ থেকে সরাসরি এ হাদীস শুনেছি। (ই.ফা. ২২৮; ই.সে. ২৩৬)
আ’মাশ (রহঃ) থেকে উক্ত সানাদে থেকে বর্নিতঃ
আবূ কুরায়ব (রহঃ) বলেন, ইবনু ইদ্রীস (রহঃ) বলেছেন, প্রথমতঃ আমার পিতা আমাকে আবান ইবনু তাগলিব থেকে আ’মাশ-এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন, পরবতীকালে আমি নিজেই আ’মাশ থেকে সরাসরি এ হাদীস শুনেছি। (ই.ফা. ২২৮; ই.সে. ২৩৬)
حدثنا إسحاق بن إبراهيم، وعلي بن خشرم، قالا أخبرنا عيسى، - وهو ابن يونس ح وحدثنا منجاب بن الحارث التميمي، أخبرنا ابن مسهر، ح وحدثنا أبو كريب، أخبرنا ابن إدريس، كلهم عن الأعمش، بهذا الإسناد قال أبو كريب قال ابن إدريس حدثنيه أولا أبي، عن أبان بن تغلب، عن الأعمش، ثم سمعته منه، .
সহিহ মুসলিম > মনের কল্পনা বা খটকা আল্লাহ তা’আলা মাফ করে দেন, মানুষের সামর্থ্যানুযায়ীই আল্লাহ তাকে দায়িত্ব অর্পণ করেন এবং ভাল বা মন্দ কর্মের মনস্থ করার বিধান
সহিহ মুসলিম ২২৯
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب وإسحاق بن إبراهيم - واللفظ لأبي بكر قال إسحاق أخبرنا وقال الآخران، حدثنا - وكيع، عن سفيان، عن آدم بن سليمان، مولى خالد قال سمعت سعيد بن جبير، يحدث عن ابن عباس، قال لما نزلت هذه الآية { وإن تبدوا ما في أنفسكم أو تخفوه يحاسبكم به الله} قال دخل قلوبهم منها شىء لم يدخل قلوبهم من شىء فقال النبي صلى الله عليه وسلم " قولوا سمعنا وأطعنا وسلمنا " . قال فألقى الله الإيمان في قلوبهم فأنزل الله تعالى { لا يكلف الله نفسا إلا وسعها لها ما كسبت وعليها ما اكتسبت ربنا لا تؤاخذنا إن نسينا أو أخطأنا} قال قد فعلت { ربنا ولا تحمل علينا إصرا كما حملته على الذين من قبلنا} - قال قد فعلت { واغفر لنا وارحمنا أنت مولانا} قال قد فعلت .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
(মহান আল্লাহর বাণী) : “তোমাদের মনে যা আছে তা প্রকাশ কর কিংবা গোপন রাখ, আল্লাহ তোমাদের নিকট হতে তার হিসাব গ্রহণ করবেন”-(সূরাহ্ আল বাকারাহ্ ২ : ২৮৪)। এ আয়াতটি নাযিল হলে সহাবাগণ খুবই উদ্বিগ্ন হলেন, আর কোন বিষয়ে তারা এতো উদ্বিগ্ন হননি। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, বরং তোমরা বল, শুনলাম, আনুগত্য স্বীকার করলাম এবং মেনে নিলাম। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, আল্লাহ তা’আলা তাঁদের অন্তরে ঈমান ঢেলে দিলেন। তিনি নাযিল করলেন, আল্লাহ তা’আলা কারোর উপর এমন কোন কষ্টদায়ক দায়িত্ব অর্পণ করেন না, যা তার সাধ্যাতীত। সে ভালো যা উপার্জন করে তা তারই, আর মন্দ যা উপার্জন করে তাও তারই। হে আমাদের রব! যদি আমরা ভুলে যাই অথবা ভুল করে ফেলি তবে আমাদের পাকড়াও করো না। তখন আল্লাহ তা’আলা বললেনঃ অবশ্যই মেনে নিলাম। আল্লাহ তা’আলা আরো ইরশাদ করলেন : হে আমাদের রব! আমাদের পূর্ববর্তীগণের উপর যেমন গুরু দায়িত্ব অর্পণ করেছিলে, আমাদের উপর তেমন দায়িত্ব অর্পণ করো না। আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ অবশ্যই মেনে নিলাম। আল্লাহ তা’আলা আরও ঘোষণা করলেন : ‘ (বলুন) আমাদের পাপ মোচন কর, আমাদেরকে ক্ষমা কর এবং আমাদের প্রতি দয়া কর, তুমিই আমাদের রব’। আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ অবশ্যই মেনে নিলাম। (ই.ফা. ২৩০; ই.সে. ২৩৮)
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
(মহান আল্লাহর বাণী) : “তোমাদের মনে যা আছে তা প্রকাশ কর কিংবা গোপন রাখ, আল্লাহ তোমাদের নিকট হতে তার হিসাব গ্রহণ করবেন”-(সূরাহ্ আল বাকারাহ্ ২ : ২৮৪)। এ আয়াতটি নাযিল হলে সহাবাগণ খুবই উদ্বিগ্ন হলেন, আর কোন বিষয়ে তারা এতো উদ্বিগ্ন হননি। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, বরং তোমরা বল, শুনলাম, আনুগত্য স্বীকার করলাম এবং মেনে নিলাম। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, আল্লাহ তা’আলা তাঁদের অন্তরে ঈমান ঢেলে দিলেন। তিনি নাযিল করলেন, আল্লাহ তা’আলা কারোর উপর এমন কোন কষ্টদায়ক দায়িত্ব অর্পণ করেন না, যা তার সাধ্যাতীত। সে ভালো যা উপার্জন করে তা তারই, আর মন্দ যা উপার্জন করে তাও তারই। হে আমাদের রব! যদি আমরা ভুলে যাই অথবা ভুল করে ফেলি তবে আমাদের পাকড়াও করো না। তখন আল্লাহ তা’আলা বললেনঃ অবশ্যই মেনে নিলাম। আল্লাহ তা’আলা আরো ইরশাদ করলেন : হে আমাদের রব! আমাদের পূর্ববর্তীগণের উপর যেমন গুরু দায়িত্ব অর্পণ করেছিলে, আমাদের উপর তেমন দায়িত্ব অর্পণ করো না। আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ অবশ্যই মেনে নিলাম। আল্লাহ তা’আলা আরও ঘোষণা করলেন : ‘ (বলুন) আমাদের পাপ মোচন কর, আমাদেরকে ক্ষমা কর এবং আমাদের প্রতি দয়া কর, তুমিই আমাদের রব’। আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ অবশ্যই মেনে নিলাম। (ই.ফা. ২৩০; ই.সে. ২৩৮)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب وإسحاق بن إبراهيم - واللفظ لأبي بكر قال إسحاق أخبرنا وقال الآخران، حدثنا - وكيع، عن سفيان، عن آدم بن سليمان، مولى خالد قال سمعت سعيد بن جبير، يحدث عن ابن عباس، قال لما نزلت هذه الآية { وإن تبدوا ما في أنفسكم أو تخفوه يحاسبكم به الله} قال دخل قلوبهم منها شىء لم يدخل قلوبهم من شىء فقال النبي صلى الله عليه وسلم " قولوا سمعنا وأطعنا وسلمنا " . قال فألقى الله الإيمان في قلوبهم فأنزل الله تعالى { لا يكلف الله نفسا إلا وسعها لها ما كسبت وعليها ما اكتسبت ربنا لا تؤاخذنا إن نسينا أو أخطأنا} قال قد فعلت { ربنا ولا تحمل علينا إصرا كما حملته على الذين من قبلنا} - قال قد فعلت { واغفر لنا وارحمنا أنت مولانا} قال قد فعلت .
সহিহ মুসলিম ২২৮
حدثني محمد بن منهال الضرير، وأمية بن بسطام العيشي، - واللفظ لأمية - قالا حدثنا يزيد بن زريع، حدثنا روح، - وهو ابن القاسم - عن العلاء، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال لما نزلت على رسول الله صلى الله عليه وسلم { لله ما في السموات وما في الأرض وإن تبدوا ما في أنفسكم أو تخفوه يحاسبكم به الله فيغفر لمن يشاء ويعذب من يشاء والله على كل شىء قدير} قال فاشتد ذلك على أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم فأتوا رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم بركوا على الركب فقالوا أى رسول الله كلفنا من الأعمال ما نطيق الصلاة والصيام والجهاد والصدقة وقد أنزلت عليك هذه الآية ولا نطيقها . قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أتريدون أن تقولوا كما قال أهل الكتابين من قبلكم سمعنا وعصينا بل قولوا سمعنا وأطعنا غفرانك ربنا وإليك المصير " . قالوا سمعنا وأطعنا غفرانك ربنا وإليك المصير . فلما اقترأها القوم ذلت بها ألسنتهم فأنزل الله في إثرها { آمن الرسول بما أنزل إليه من ربه والمؤمنون كل آمن بالله وملائكته وكتبه ورسله لا نفرق بين أحد من رسله وقالوا سمعنا وأطعنا غفرانك ربنا وإليك المصير} فلما فعلوا ذلك نسخها الله تعالى فأنزل الله عز وجل { لا يكلف الله نفسا إلا وسعها لها ما كسبت وعليها ما اكتسبت ربنا لا تؤاخذنا إن نسينا أو أخطأنا} قال نعم { ربنا ولا تحمل علينا إصرا كما حملته على الذين من قبلنا} قال نعم { ربنا ولا تحملنا ما لا طاقة لنا به} قال نعم { واعف عنا واغفر لنا وارحمنا أنت مولانا فانصرنا على القوم الكافرين} قال نعم .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যখন এ আয়াত নাযিল হলো : ‘আসমান ও জমিনে যত কিছু আছে সমস্ত আল্লাহরই। তোমাদের মনের অভ্যন্তরে যা আছে তা প্রকাশ কর কিংবা গোপন রাখ, আল্লাহ তোমাদের নিকট থেকে তার হিসাব গ্রহণ করবেন এবং যাকে ইচ্ছা তিনি ক্ষমা করবেন, যাকে ইচ্ছা শাস্তি দিবেন। আল্লাহ সবকিছুর উপর সর্বশক্তিমান’– (সূরাহ আল বাকারাহ্ ২ : ২৮৪)। রাবী বলেন, তখন বিষয়টি সহাবাদের কাছে খুবই কঠিন মনে হলো। তাই সবাই রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে আসলেন এবং হাঁটু গেড়ে বসে বললেন, হে আল্লাহর রসূল! সলাত, সিয়াম, জিহাদ, সদাকাহ্ প্রভৃতি যে সমস্ত ‘আমাল আমাদের সামর্থ্যানুযায়ী ছিল এ যাবৎ আমাদেরকে সেগুলোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বর্তমানে এ আয়াত নাযিল হয়েছে। এ বিষয়টি তো আমাদের ক্ষমতার বাইরে। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আহলে কিতাব-ইয়াহূদী ও খৃষ্টানের ন্যায় তোমরাও কি এমন কথা বলবে যে, শুনলাম কিন্তু মানলাম না। বরং তোমরা বল; শুনলাম ও মানলাম। হে আমাদের প্রতিপালক! আমরা তোমার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করি, আর তোমার কাছেই আমরা ফিরে যাব। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর এ নির্দেশ শুনে সহাবায়ে কিরাম বললেন, আমরা শুনেছি ও মেনেছি, হে আমাদের প্রতিপালক! আমরা তোমার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করছি, তুমিই আমাদের শেষ প্রত্যাবর্তনস্থল। রাবী বলেন, সহাবাদের সকলে এ আয়াত পাঠ করলেন এবং মনেপ্রাণে তা গ্রহণ করে নিলেন। অতঃপর আল্লাহ তা’আলা এ আয়াত নাযিল করেন : ‘রসূল ঈমান এনেছেন তাঁর প্রতি তাঁর প্রতিপালকের পক্ষ হতে যা অবতীর্ণ হয়েছে এবং মু’মিনগণও তাদের সকলেই আল্লাহর, তাঁর ফেরেশতাগণের, তাঁর কিতাবসমূহের এবং তাঁর রসূলগণের ঈমান এনেছে। (তারা বলে) আমরা তাঁর রসূলগণের মধ্যে কোন তারতম্য করি না। আর তাঁরা বলে, আমরা শুনলাম এবং মানলাম! হে আমাদের রব! আমরা তোমার নিকট ক্ষমা চাই আর তোমারই নিকট আমাদের প্রত্যাবর্তনস্থল- (সূরাহ আল বাকারাহ্ ২ : ২৮৫)। যখন তাঁরা সর্বতোভাবে আনুগত্য প্রকাশ করলেন, তখন আল্লাহ তা’আলা উক্ত আয়াতের হুকুম রহিত করে নাযিল করলেন : “আল্লাহ কারো উপর এমন কোন কষ্টদায়ক দায়-দায়িত্ব অর্পন করেন না যা তার পক্ষে করা অসম্ভব। সে ভাল যা উপার্জন করে তা তারই এবং মন্দ যা উপার্জন করে তাও তারই। হে আমাদের রব! যদি আমরা ভুলে যাই কিংবা ভুল করে ফেলি তবে তুমি আমাদেরকে পাকড়াও করো না।” আল্লাহ তা’আলা বললেন, হ্যাঁ, মেনে নিলাম। আরো ইরশাদ হলো : “হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের পূর্ববর্তীগণের উপর যেমন গুরু দায়িত্ব অর্পণ করেছিলেন, আমাদের উপর তেমন দায়িত্ব অর্পণ করো না। আল্লাহ তা’আলা বললেনঃ হ্যাঁ, মেনে নিলাম। আরো ইরশাদ হল : “হে আমাদের রব! এমন ভার আমাদের উপর অর্পণ করো না, যা বহন করার শক্তি আমাদের নেই।” আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ হ্যাঁ, মেনে নিলাম। আরো ইরশাদ হলো, “আমাদের পাপ মোচন কর, আমাদেরকে ক্ষমা করে দাও, আমাদের উপর দয়া কর, তুমিই আমাদের অভিভাবক। সুতরাং কাফির সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে আমাদেরকে বিজয় দান কর।” -(সূরাহ আল বাকারাহ্ ২ : ২৮৬)। আল্লাহ তা’আলা বললেন, হ্যাঁ, মেনে নিলাম। (ই.ফা. ২২৯, ই.সে ২৩৭)
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যখন এ আয়াত নাযিল হলো : ‘আসমান ও জমিনে যত কিছু আছে সমস্ত আল্লাহরই। তোমাদের মনের অভ্যন্তরে যা আছে তা প্রকাশ কর কিংবা গোপন রাখ, আল্লাহ তোমাদের নিকট থেকে তার হিসাব গ্রহণ করবেন এবং যাকে ইচ্ছা তিনি ক্ষমা করবেন, যাকে ইচ্ছা শাস্তি দিবেন। আল্লাহ সবকিছুর উপর সর্বশক্তিমান’– (সূরাহ আল বাকারাহ্ ২ : ২৮৪)। রাবী বলেন, তখন বিষয়টি সহাবাদের কাছে খুবই কঠিন মনে হলো। তাই সবাই রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে আসলেন এবং হাঁটু গেড়ে বসে বললেন, হে আল্লাহর রসূল! সলাত, সিয়াম, জিহাদ, সদাকাহ্ প্রভৃতি যে সমস্ত ‘আমাল আমাদের সামর্থ্যানুযায়ী ছিল এ যাবৎ আমাদেরকে সেগুলোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বর্তমানে এ আয়াত নাযিল হয়েছে। এ বিষয়টি তো আমাদের ক্ষমতার বাইরে। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আহলে কিতাব-ইয়াহূদী ও খৃষ্টানের ন্যায় তোমরাও কি এমন কথা বলবে যে, শুনলাম কিন্তু মানলাম না। বরং তোমরা বল; শুনলাম ও মানলাম। হে আমাদের প্রতিপালক! আমরা তোমার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করি, আর তোমার কাছেই আমরা ফিরে যাব। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর এ নির্দেশ শুনে সহাবায়ে কিরাম বললেন, আমরা শুনেছি ও মেনেছি, হে আমাদের প্রতিপালক! আমরা তোমার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করছি, তুমিই আমাদের শেষ প্রত্যাবর্তনস্থল। রাবী বলেন, সহাবাদের সকলে এ আয়াত পাঠ করলেন এবং মনেপ্রাণে তা গ্রহণ করে নিলেন। অতঃপর আল্লাহ তা’আলা এ আয়াত নাযিল করেন : ‘রসূল ঈমান এনেছেন তাঁর প্রতি তাঁর প্রতিপালকের পক্ষ হতে যা অবতীর্ণ হয়েছে এবং মু’মিনগণও তাদের সকলেই আল্লাহর, তাঁর ফেরেশতাগণের, তাঁর কিতাবসমূহের এবং তাঁর রসূলগণের ঈমান এনেছে। (তারা বলে) আমরা তাঁর রসূলগণের মধ্যে কোন তারতম্য করি না। আর তাঁরা বলে, আমরা শুনলাম এবং মানলাম! হে আমাদের রব! আমরা তোমার নিকট ক্ষমা চাই আর তোমারই নিকট আমাদের প্রত্যাবর্তনস্থল- (সূরাহ আল বাকারাহ্ ২ : ২৮৫)। যখন তাঁরা সর্বতোভাবে আনুগত্য প্রকাশ করলেন, তখন আল্লাহ তা’আলা উক্ত আয়াতের হুকুম রহিত করে নাযিল করলেন : “আল্লাহ কারো উপর এমন কোন কষ্টদায়ক দায়-দায়িত্ব অর্পন করেন না যা তার পক্ষে করা অসম্ভব। সে ভাল যা উপার্জন করে তা তারই এবং মন্দ যা উপার্জন করে তাও তারই। হে আমাদের রব! যদি আমরা ভুলে যাই কিংবা ভুল করে ফেলি তবে তুমি আমাদেরকে পাকড়াও করো না।” আল্লাহ তা’আলা বললেন, হ্যাঁ, মেনে নিলাম। আরো ইরশাদ হলো : “হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের পূর্ববর্তীগণের উপর যেমন গুরু দায়িত্ব অর্পণ করেছিলেন, আমাদের উপর তেমন দায়িত্ব অর্পণ করো না। আল্লাহ তা’আলা বললেনঃ হ্যাঁ, মেনে নিলাম। আরো ইরশাদ হল : “হে আমাদের রব! এমন ভার আমাদের উপর অর্পণ করো না, যা বহন করার শক্তি আমাদের নেই।” আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ হ্যাঁ, মেনে নিলাম। আরো ইরশাদ হলো, “আমাদের পাপ মোচন কর, আমাদেরকে ক্ষমা করে দাও, আমাদের উপর দয়া কর, তুমিই আমাদের অভিভাবক। সুতরাং কাফির সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে আমাদেরকে বিজয় দান কর।” -(সূরাহ আল বাকারাহ্ ২ : ২৮৬)। আল্লাহ তা’আলা বললেন, হ্যাঁ, মেনে নিলাম। (ই.ফা. ২২৯, ই.সে ২৩৭)
حدثني محمد بن منهال الضرير، وأمية بن بسطام العيشي، - واللفظ لأمية - قالا حدثنا يزيد بن زريع، حدثنا روح، - وهو ابن القاسم - عن العلاء، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال لما نزلت على رسول الله صلى الله عليه وسلم { لله ما في السموات وما في الأرض وإن تبدوا ما في أنفسكم أو تخفوه يحاسبكم به الله فيغفر لمن يشاء ويعذب من يشاء والله على كل شىء قدير} قال فاشتد ذلك على أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم فأتوا رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم بركوا على الركب فقالوا أى رسول الله كلفنا من الأعمال ما نطيق الصلاة والصيام والجهاد والصدقة وقد أنزلت عليك هذه الآية ولا نطيقها . قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أتريدون أن تقولوا كما قال أهل الكتابين من قبلكم سمعنا وعصينا بل قولوا سمعنا وأطعنا غفرانك ربنا وإليك المصير " . قالوا سمعنا وأطعنا غفرانك ربنا وإليك المصير . فلما اقترأها القوم ذلت بها ألسنتهم فأنزل الله في إثرها { آمن الرسول بما أنزل إليه من ربه والمؤمنون كل آمن بالله وملائكته وكتبه ورسله لا نفرق بين أحد من رسله وقالوا سمعنا وأطعنا غفرانك ربنا وإليك المصير} فلما فعلوا ذلك نسخها الله تعالى فأنزل الله عز وجل { لا يكلف الله نفسا إلا وسعها لها ما كسبت وعليها ما اكتسبت ربنا لا تؤاخذنا إن نسينا أو أخطأنا} قال نعم { ربنا ولا تحمل علينا إصرا كما حملته على الذين من قبلنا} قال نعم { ربنا ولا تحملنا ما لا طاقة لنا به} قال نعم { واعف عنا واغفر لنا وارحمنا أنت مولانا فانصرنا على القوم الكافرين} قال نعم .
সহিহ মুসলিম > অন্তর ও নাফ্সের কুচিন্তাসমূহের গুনাহ ক্ষমা করা হবে যদি তা অন্তর ও নাফ্সের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে
সহিহ মুসলিম ২৩০
حدثنا سعيد بن منصور، وقتيبة بن سعيد، ومحمد بن عبيد الغبري، - واللفظ لسعيد - قالوا حدثنا أبو عوانة، عن قتادة، عن زرارة بن أوفى، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن الله تجاوز لأمتي ما حدثت به أنفسها ما لم يتكلموا أو يعملوا به " .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কথা বা কাজে পরিণত না করা পর্যন্ত আল্লাহ তা’আলা আমার উম্মাতের জন্য তাদের মনে কল্পনাগুলোকে মাফ করে দিয়েছেন। (ই.ফা. ২৩১; ই.সে. ২৩৯)
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কথা বা কাজে পরিণত না করা পর্যন্ত আল্লাহ তা’আলা আমার উম্মাতের জন্য তাদের মনে কল্পনাগুলোকে মাফ করে দিয়েছেন। (ই.ফা. ২৩১; ই.সে. ২৩৯)
حدثنا سعيد بن منصور، وقتيبة بن سعيد، ومحمد بن عبيد الغبري، - واللفظ لسعيد - قالوا حدثنا أبو عوانة، عن قتادة، عن زرارة بن أوفى، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن الله تجاوز لأمتي ما حدثت به أنفسها ما لم يتكلموا أو يعملوا به " .
সহিহ মুসলিম ২৩১
حدثنا عمرو الناقد، وزهير بن حرب، قالا حدثنا إسماعيل بن إبراهيم، ح وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا علي بن مسهر، وعبدة بن سليمان، ح وحدثنا ابن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا ابن أبي عدي، كلهم عن سعيد بن أبي عروبة، عن قتادة، عن زرارة، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن الله عز وجل تجاوز لأمتي عما حدثت به أنفسها ما لم تعمل أو تكلم به " . وحدثني زهير بن حرب، حدثنا وكيع، حدثنا مسعر، وهشام، ح وحدثني إسحاق بن منصور، أخبرنا الحسين بن علي، عن زائدة، عن شيبان، جميعا عن قتادة، بهذا الإسناد مثله .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আল্লাহ তা’আলা আমার উম্মাতের জন্য কথা কাজে পরিণত না করা পর্যন্ত তাদের মনের কল্পনাগুলো ক্ষমা করে দিয়েছেন। যুহায়র ইবনু হার্ব, ইসহাক্ ইবনু মানসূর (রহঃ) … কাতাদাহ (রহঃ)-এর সূত্রেও হাদীসটি অনুরূপভাবে বর্ণিত আছে। (ই.ফা. ২৩২, ২৩৩; ই.সে. ২৪০-২৪১)
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আল্লাহ তা’আলা আমার উম্মাতের জন্য কথা কাজে পরিণত না করা পর্যন্ত তাদের মনের কল্পনাগুলো ক্ষমা করে দিয়েছেন। যুহায়র ইবনু হার্ব, ইসহাক্ ইবনু মানসূর (রহঃ) … কাতাদাহ (রহঃ)-এর সূত্রেও হাদীসটি অনুরূপভাবে বর্ণিত আছে। (ই.ফা. ২৩২, ২৩৩; ই.সে. ২৪০-২৪১)
حدثنا عمرو الناقد، وزهير بن حرب، قالا حدثنا إسماعيل بن إبراهيم، ح وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا علي بن مسهر، وعبدة بن سليمان، ح وحدثنا ابن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا ابن أبي عدي، كلهم عن سعيد بن أبي عروبة، عن قتادة، عن زرارة، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن الله عز وجل تجاوز لأمتي عما حدثت به أنفسها ما لم تعمل أو تكلم به " . وحدثني زهير بن حرب، حدثنا وكيع، حدثنا مسعر، وهشام، ح وحدثني إسحاق بن منصور، أخبرنا الحسين بن علي، عن زائدة، عن شيبان، جميعا عن قتادة، بهذا الإسناد مثله .
সহিহ মুসলিম > বান্দা যখন সৎকর্মের নিয়্যাত করে তখন সেটার (সাওয়াব) লিপিবদ্ধ করা হয়, আর যখন কোন পাপকাজের নিয়্যাত করে তা লিপিবদ্ধ করা হয় না (যতক্ষণ না তা কাজে পরিণত করে)
সহিহ মুসলিম ২৩৫
وحدثنا أبو كريب، حدثنا أبو خالد الأحمر، عن هشام، عن ابن سيرين، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من هم بحسنة فلم يعملها كتبت له حسنة ومن هم بحسنة فعملها كتبت له عشرا إلى سبعمائة ضعف ومن هم بسيئة فلم يعملها لم تكتب وإن عملها كتبت " .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যে ব্যক্তি নেক কাজের ইচ্ছা করে অথচ সম্পাদন করেনি, তার জন্য একটি সাওয়াব লিখা হয়। আর যে ইচ্ছা করার পর কার্যত সম্পাদন করে অনন্তর তার ক্ষেত্রে সাতশ’ গুণ পর্যন্ত সাওয়াব লিখা হয়। পক্ষান্তরে যে কোন মন্দ কাজের ইচ্ছা করে আর তা না করে, তার কোন গুনাহ লিখা হয় না; আর তা করলে (একটি) গুনাহ লিখা হয়। (ই.ফা. ২৩৭; ই.সে. ২৪৫)
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যে ব্যক্তি নেক কাজের ইচ্ছা করে অথচ সম্পাদন করেনি, তার জন্য একটি সাওয়াব লিখা হয়। আর যে ইচ্ছা করার পর কার্যত সম্পাদন করে অনন্তর তার ক্ষেত্রে সাতশ’ গুণ পর্যন্ত সাওয়াব লিখা হয়। পক্ষান্তরে যে কোন মন্দ কাজের ইচ্ছা করে আর তা না করে, তার কোন গুনাহ লিখা হয় না; আর তা করলে (একটি) গুনাহ লিখা হয়। (ই.ফা. ২৩৭; ই.সে. ২৪৫)
وحدثنا أبو كريب، حدثنا أبو خالد الأحمر، عن هشام، عن ابن سيرين، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من هم بحسنة فلم يعملها كتبت له حسنة ومن هم بحسنة فعملها كتبت له عشرا إلى سبعمائة ضعف ومن هم بسيئة فلم يعملها لم تكتب وإن عملها كتبت " .
সহিহ মুসলিম ২৩৩
حدثنا يحيى بن أيوب، وقتيبة، وابن، حجر قالوا حدثنا إسماعيل، - وهو ابن جعفر - عن العلاء، عن أبيه، عن أبي هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " قال الله عز وجل إذا هم عبدي بحسنة ولم يعملها كتبتها له حسنة فإن عملها كتبتها عشر حسنات إلى سبعمائة ضعف وإذا هم بسيئة ولم يعملها لم أكتبها عليه فإن عملها كتبتها سيئة واحدة " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলা ইরশাদ করেন, আমার বান্দা যখন কোন ভাল কাজের নিয়্যাত করে অথচ এখনো তা করেনি, তখন আমি তার জন্য একটি সাওয়াব লিখি; আর যদি তা কাজে পরিণত করে তবে দশ থেকে সাতশ’ গুণ পর্যন্ত সাওয়াব লিখি। পক্ষান্তরে যদি মন্দ কাজের নিয়্যাত করে অথচ এখনো তা কাজে পরিণত করেনি তবে এর জন্য কিছুই লিখি না। আর তা কাজে পরিণত করলে একটি মাত্র পাপ লিখি। (ই.ফা. ২৩৫; ই.সে. ২৪৩)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলা ইরশাদ করেন, আমার বান্দা যখন কোন ভাল কাজের নিয়্যাত করে অথচ এখনো তা করেনি, তখন আমি তার জন্য একটি সাওয়াব লিখি; আর যদি তা কাজে পরিণত করে তবে দশ থেকে সাতশ’ গুণ পর্যন্ত সাওয়াব লিখি। পক্ষান্তরে যদি মন্দ কাজের নিয়্যাত করে অথচ এখনো তা কাজে পরিণত করেনি তবে এর জন্য কিছুই লিখি না। আর তা কাজে পরিণত করলে একটি মাত্র পাপ লিখি। (ই.ফা. ২৩৫; ই.সে. ২৪৩)
حدثنا يحيى بن أيوب، وقتيبة، وابن، حجر قالوا حدثنا إسماعيل، - وهو ابن جعفر - عن العلاء، عن أبيه، عن أبي هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " قال الله عز وجل إذا هم عبدي بحسنة ولم يعملها كتبتها له حسنة فإن عملها كتبتها عشر حسنات إلى سبعمائة ضعف وإذا هم بسيئة ولم يعملها لم أكتبها عليه فإن عملها كتبتها سيئة واحدة " .
সহিহ মুসলিম ২৩৭
وحدثنا يحيى بن يحيى، حدثنا جعفر بن سليمان، عن الجعد أبي عثمان، في هذا الإسناد بمعنى حديث عبد الوارث . وزاد " ومحاها الله ولا يهلك على الله إلا هالك " .
জা’দ আবূ ‘উসমান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
উল্লেখিত সানাদে ‘আবদুল ওয়ারিস বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ রিওয়ায়াত করেন। তবে এ হাদীসের বর্ণনাকারী নিম্নের বাক্যটি অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন, ‘আল্লাহ উক্ত গুনাহ মাফ করে দেন’। আল্লাহর বিরুদ্ধে গিয়ে একমাত্র সে ধ্বংস হয় যার ধ্বংস অনিবার্য। (ই.ফা. ২৩৯; ই.সে. ২৪৭)
জা’দ আবূ ‘উসমান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
উল্লেখিত সানাদে ‘আবদুল ওয়ারিস বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ রিওয়ায়াত করেন। তবে এ হাদীসের বর্ণনাকারী নিম্নের বাক্যটি অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন, ‘আল্লাহ উক্ত গুনাহ মাফ করে দেন’। আল্লাহর বিরুদ্ধে গিয়ে একমাত্র সে ধ্বংস হয় যার ধ্বংস অনিবার্য। (ই.ফা. ২৩৯; ই.সে. ২৪৭)
وحدثنا يحيى بن يحيى، حدثنا جعفر بن سليمان، عن الجعد أبي عثمان، في هذا الإسناد بمعنى حديث عبد الوارث . وزاد " ومحاها الله ولا يهلك على الله إلا هالك " .
সহিহ মুসলিম ২৩২
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وزهير بن حرب، وإسحاق بن إبراهيم، - واللفظ لأبي بكر قال إسحاق أخبرنا سفيان، وقال الآخران، حدثنا - ابن عيينة، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " قال الله عز وجل إذا هم عبدي بسيئة فلا تكتبوها عليه فإن عملها فاكتبوها سيئة وإذا هم بحسنة فلم يعملها فاكتبوها حسنة فإن عملها فاكتبوها عشرا " .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলা (ফেরেশতাদেরকে) বলেন, আমার বান্দা কোন পাপ কর্মের কথা ভাবলেই তা লিখবে না বরং সে যদি তা করে তবে একটি পাপ লিখবে। আর যদি সে কোন নেক কাজের নিয়্যাত করে কিন্তু সে যদি তা না করে, তাহলেও এর প্রতিদানে তার জন্য একটি সাওয়াব লিখবে। আর তা সম্পাদন করলে লিখবে দশটি সাওয়াব। (ই.ফা. ২৩৪; ই.সে. ২৪২)
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলা (ফেরেশতাদেরকে) বলেন, আমার বান্দা কোন পাপ কর্মের কথা ভাবলেই তা লিখবে না বরং সে যদি তা করে তবে একটি পাপ লিখবে। আর যদি সে কোন নেক কাজের নিয়্যাত করে কিন্তু সে যদি তা না করে, তাহলেও এর প্রতিদানে তার জন্য একটি সাওয়াব লিখবে। আর তা সম্পাদন করলে লিখবে দশটি সাওয়াব। (ই.ফা. ২৩৪; ই.সে. ২৪২)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وزهير بن حرب، وإسحاق بن إبراهيم، - واللفظ لأبي بكر قال إسحاق أخبرنا سفيان، وقال الآخران، حدثنا - ابن عيينة، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " قال الله عز وجل إذا هم عبدي بسيئة فلا تكتبوها عليه فإن عملها فاكتبوها سيئة وإذا هم بحسنة فلم يعملها فاكتبوها حسنة فإن عملها فاكتبوها عشرا " .
সহিহ মুসলিম ২৩৬
حدثنا شيبان بن فروخ، حدثنا عبد الوارث، عن الجعد أبي عثمان، حدثنا أبو رجاء العطاردي، عن ابن عباس، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم فيما يروي عن ربه تبارك وتعالى قال " إن الله كتب الحسنات والسيئات ثم بين ذلك فمن هم بحسنة فلم يعملها كتبها الله عنده حسنة كاملة وإن هم بها فعملها كتبها الله عز وجل عنده عشر حسنات إلى سبعمائة ضعف إلى أضعاف كثيرة وإن هم بسيئة فلم يعملها كتبها الله عنده حسنة كاملة وإن هم بها فعملها كتبها الله سيئة واحدة " .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহ তা’আলার পক্ষ থেকে তিনি বলেন, আল্লাহ তা’আলা ভালো এবং মন্দ উভয়টিকে লিপিবদ্ধ করেন। অতঃপর তিনি এভাবে বর্ণনা করেছেন, যে ব্যক্তি কোন ভালো কাজ করার ইচ্ছা করে অথচ তা এখনও বাস্তবে পরিণত করেনি, তার জন্যে আল্লাহ নিজের কাছে একটি পূর্ণাঙ্গ সাওয়াব লিপিবদ্ধ করেন। আর যদি সে কোন ভালো কাজ করার ইচ্ছা করে এবং তা বাস্তবেও পরিণত করে, তখন আল্লাহ নিজের কাছে দশ থেকে সাতশ’ বা আরো অনেক গুণ বেশী সাওয়াব লিপিবদ্ধ করেন। আর যদি সে কোন মন্দ কাজ করার ইচ্ছা করে এবং তা বাস্তবে পরিণত না করে, তখন আল্লাহ নিজের কাছে একটি পরিপূর্ণ সাওয়াব লিখেন, কিন্তু যদি সে মন্দ কাজটি বাস্তবে পরিণত করে, তখন আল্লাহ তা’আলা কেবলমাত্র একটি পাপই লিপিবদ্ধ করেন। (ই.ফা. ২৩৮; ই.সে. ২৪৬)
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহ তা’আলার পক্ষ থেকে তিনি বলেন, আল্লাহ তা’আলা ভালো এবং মন্দ উভয়টিকে লিপিবদ্ধ করেন। অতঃপর তিনি এভাবে বর্ণনা করেছেন, যে ব্যক্তি কোন ভালো কাজ করার ইচ্ছা করে অথচ তা এখনও বাস্তবে পরিণত করেনি, তার জন্যে আল্লাহ নিজের কাছে একটি পূর্ণাঙ্গ সাওয়াব লিপিবদ্ধ করেন। আর যদি সে কোন ভালো কাজ করার ইচ্ছা করে এবং তা বাস্তবেও পরিণত করে, তখন আল্লাহ নিজের কাছে দশ থেকে সাতশ’ বা আরো অনেক গুণ বেশী সাওয়াব লিপিবদ্ধ করেন। আর যদি সে কোন মন্দ কাজ করার ইচ্ছা করে এবং তা বাস্তবে পরিণত না করে, তখন আল্লাহ নিজের কাছে একটি পরিপূর্ণ সাওয়াব লিখেন, কিন্তু যদি সে মন্দ কাজটি বাস্তবে পরিণত করে, তখন আল্লাহ তা’আলা কেবলমাত্র একটি পাপই লিপিবদ্ধ করেন। (ই.ফা. ২৩৮; ই.সে. ২৪৬)
حدثنا شيبان بن فروخ، حدثنا عبد الوارث، عن الجعد أبي عثمان، حدثنا أبو رجاء العطاردي، عن ابن عباس، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم فيما يروي عن ربه تبارك وتعالى قال " إن الله كتب الحسنات والسيئات ثم بين ذلك فمن هم بحسنة فلم يعملها كتبها الله عنده حسنة كاملة وإن هم بها فعملها كتبها الله عز وجل عنده عشر حسنات إلى سبعمائة ضعف إلى أضعاف كثيرة وإن هم بسيئة فلم يعملها كتبها الله عنده حسنة كاملة وإن هم بها فعملها كتبها الله سيئة واحدة " .
সহিহ মুসলিম ২৩৪
وحدثنا محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن همام بن منبه، قال هذا ما حدثنا أبو هريرة، عن محمد، رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكر أحاديث منها قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " قال الله عز وجل إذا تحدث عبدي بأن يعمل حسنة فأنا أكتبها له حسنة ما لم يعمل فإذا عملها فأنا أكتبها بعشر أمثالها وإذا تحدث بأن يعمل سيئة فأنا أغفرها له ما لم يعملها فإذا عملها فأنا أكتبها له بمثلها " . وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " قالت الملائكة رب ذاك عبدك يريد أن يعمل سيئة - وهو أبصر به - فقال ارقبوه فإن عملها فاكتبوها له بمثلها . وإن تركها فاكتبوها له حسنة - إنما تركها من جراى " . وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إذا أحسن أحدكم إسلامه فكل حسنة يعملها تكتب بعشر أمثالها إلى سبعمائة ضعف وكل سيئة يعملها تكتب بمثلها حتى يلقى الله " .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আল্লাহ তা’আলা বলেছেনঃ যখন আমার কোন বান্দা মনে মনে কোন ভাল কাজ করার কল্পনা করে, তখন সে কাজ না করতেই আমি তার জন্যে একটি সাওয়াব লিখে রাখি। আর যদি সে কাজটি সম্পন্ন করে তখন তার দশগুণ নেকী লিখে রাখি। আর যদি সে অন্তরে অন্তরে কোন মন্দ কাজ করার কল্পনা করে, তখন সে কাজ না করা পর্যন্ত তাকে ক্ষমা করে দেই। আর যদি সে কাজটি করে ফেলে তখন একটি মাত্র গুনাহ লিখে রাখি। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আরো বলেছেনঃ ফেরেশতারা বলেন- হে প্রভূ! তোমার অমুক বান্দা একটি মন্দ কাজ করার ইচ্ছা করেছে অথচ তিনি স্বচক্ষে তা দেখেন, তখন তিনি তাদেরকে (ফেরেশতাদেরকে) বলেনঃ তাকে পাহারা দাও। (অর্থাৎ দেখ সে কি করে)। যদি সে এ কাজটি করে, তা হলে একটি গুনাহ লিখ। কেননা সে আমার ভয়েই তা বর্জন করেছে। অতঃপর রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যদি তোমাদের কিউ ইসলামে নিষ্ঠাবান হয় তখন তার প্রত্যেকটি নেক কাজ যা সে করে তার জন্যে দশ থেকে সাতশ’ গুণ পরিমাণ নেকী লিখা হয় এবং প্রত্যেক মন্দ কাজের জন্য কেবলমাত্র একটি করে গুনাহ লিখা হয়। এভাবে আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ হওয়া পর্যন্ত (অর্থাৎ মৃত্যু পর্যন্ত) চলতে থাকে। (ই.ফা. ২৩৬; ই.সে. ২৪৪)
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আল্লাহ তা’আলা বলেছেনঃ যখন আমার কোন বান্দা মনে মনে কোন ভাল কাজ করার কল্পনা করে, তখন সে কাজ না করতেই আমি তার জন্যে একটি সাওয়াব লিখে রাখি। আর যদি সে কাজটি সম্পন্ন করে তখন তার দশগুণ নেকী লিখে রাখি। আর যদি সে অন্তরে অন্তরে কোন মন্দ কাজ করার কল্পনা করে, তখন সে কাজ না করা পর্যন্ত তাকে ক্ষমা করে দেই। আর যদি সে কাজটি করে ফেলে তখন একটি মাত্র গুনাহ লিখে রাখি। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আরো বলেছেনঃ ফেরেশতারা বলেন- হে প্রভূ! তোমার অমুক বান্দা একটি মন্দ কাজ করার ইচ্ছা করেছে অথচ তিনি স্বচক্ষে তা দেখেন, তখন তিনি তাদেরকে (ফেরেশতাদেরকে) বলেনঃ তাকে পাহারা দাও। (অর্থাৎ দেখ সে কি করে)। যদি সে এ কাজটি করে, তা হলে একটি গুনাহ লিখ। কেননা সে আমার ভয়েই তা বর্জন করেছে। অতঃপর রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যদি তোমাদের কিউ ইসলামে নিষ্ঠাবান হয় তখন তার প্রত্যেকটি নেক কাজ যা সে করে তার জন্যে দশ থেকে সাতশ’ গুণ পরিমাণ নেকী লিখা হয় এবং প্রত্যেক মন্দ কাজের জন্য কেবলমাত্র একটি করে গুনাহ লিখা হয়। এভাবে আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ হওয়া পর্যন্ত (অর্থাৎ মৃত্যু পর্যন্ত) চলতে থাকে। (ই.ফা. ২৩৬; ই.সে. ২৪৪)
وحدثنا محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن همام بن منبه، قال هذا ما حدثنا أبو هريرة، عن محمد، رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكر أحاديث منها قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " قال الله عز وجل إذا تحدث عبدي بأن يعمل حسنة فأنا أكتبها له حسنة ما لم يعمل فإذا عملها فأنا أكتبها بعشر أمثالها وإذا تحدث بأن يعمل سيئة فأنا أغفرها له ما لم يعملها فإذا عملها فأنا أكتبها له بمثلها " . وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " قالت الملائكة رب ذاك عبدك يريد أن يعمل سيئة - وهو أبصر به - فقال ارقبوه فإن عملها فاكتبوها له بمثلها . وإن تركها فاكتبوها له حسنة - إنما تركها من جراى " . وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إذا أحسن أحدكم إسلامه فكل حسنة يعملها تكتب بعشر أمثالها إلى سبعمائة ضعف وكل سيئة يعملها تكتب بمثلها حتى يلقى الله " .