সহিহ মুসলিম > কিয়ামাতের পূর্বে এক বাতাস প্রবাহিত হবে, সামান্য ঈমানও যার অন্তরে আছে তার রূহ্ সে বাতাস কবয করে নিবে।
সহিহ মুসলিম ২১২
حدثنا أحمد بن عبدة الضبي، حدثنا عبد العزيز بن محمد، وأبو علقمة الفروي قالا حدثنا صفوان بن سليم، عن عبد الله بن سلمان، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن الله يبعث ريحا من اليمن ألين من الحرير فلا تدع أحدا في قلبه - قال أبو علقمة مثقال حبة وقال عبد العزيز مثقال ذرة - من إيمان إلا قبضته " .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলা কিয়ামাতের আগে ইয়ামান থেকে এক বাতাস প্রবাহিত করবেন যা হবে রেশম অপেক্ষাও নরম। যার অন্তরে দানা পরিমাণ ঈমান থাকবে তার রূহ্ ঐ বাতাস কবয করে নিয়ে যাবে। রাবী আবূ ‘আলকামাহ্ (আরবী) বর্ণনায় আছে। আর রাবী ‘আবদুল আযীয (আরবী) উল্লেখ করেছেন। (ই.ফা. ২১৩; ই.সে. ২২০)
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলা কিয়ামাতের আগে ইয়ামান থেকে এক বাতাস প্রবাহিত করবেন যা হবে রেশম অপেক্ষাও নরম। যার অন্তরে দানা পরিমাণ ঈমান থাকবে তার রূহ্ ঐ বাতাস কবয করে নিয়ে যাবে। রাবী আবূ ‘আলকামাহ্ (আরবী) বর্ণনায় আছে। আর রাবী ‘আবদুল আযীয (আরবী) উল্লেখ করেছেন। (ই.ফা. ২১৩; ই.সে. ২২০)
حدثنا أحمد بن عبدة الضبي، حدثنا عبد العزيز بن محمد، وأبو علقمة الفروي قالا حدثنا صفوان بن سليم، عن عبد الله بن سلمان، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن الله يبعث ريحا من اليمن ألين من الحرير فلا تدع أحدا في قلبه - قال أبو علقمة مثقال حبة وقال عبد العزيز مثقال ذرة - من إيمان إلا قبضته " .
সহিহ মুসলিম > ফিত্নাহ্ প্রকাশের পূর্বেই নেক ‘আমালের প্রতি অগ্রসর হওয়ার জন্য উৎসাহিত করা
সহিহ মুসলিম ২১৩
حدثني يحيى بن أيوب، وقتيبة، وابن، حجر جميعا عن إسماعيل بن جعفر، - قال ابن أيوب حدثنا إسماعيل، - قال أخبرني العلاء، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " بادروا بالأعمال فتنا كقطع الليل المظلم يصبح الرجل مؤمنا ويمسي كافرا أو يمسي مؤمنا ويصبح كافرا يبيع دينه بعرض من الدنيا " .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আঁধার রাতের মতো ফিত্নাহ্ আসার পূর্বেই তোমরা সৎ ‘আমালের দিকে ধাবিত হও। সে সময় সকালে একজন মু’মিন হলে বিকালে কাফির হয়ে যাবে। বিকেলে মু’মিন হলে সকালে কাফির হয়ে যাবে। দুনিয়ার সামগ্রীর বিনিময়ে সে তার দ্বীন বিক্রি করে বসবে। (ই.ফা. ২১৪; ই.সে. ২২১)
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আঁধার রাতের মতো ফিত্নাহ্ আসার পূর্বেই তোমরা সৎ ‘আমালের দিকে ধাবিত হও। সে সময় সকালে একজন মু’মিন হলে বিকালে কাফির হয়ে যাবে। বিকেলে মু’মিন হলে সকালে কাফির হয়ে যাবে। দুনিয়ার সামগ্রীর বিনিময়ে সে তার দ্বীন বিক্রি করে বসবে। (ই.ফা. ২১৪; ই.সে. ২২১)
حدثني يحيى بن أيوب، وقتيبة، وابن، حجر جميعا عن إسماعيل بن جعفر، - قال ابن أيوب حدثنا إسماعيل، - قال أخبرني العلاء، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " بادروا بالأعمال فتنا كقطع الليل المظلم يصبح الرجل مؤمنا ويمسي كافرا أو يمسي مؤمنا ويصبح كافرا يبيع دينه بعرض من الدنيا " .
সহিহ মুসলিম > ‘আমাল বিনষ্ট হওয়া সম্পর্কে মু’মিনের আশঙ্কা
সহিহ মুসলিম ২১৫
وحدثنا قطن بن نسير، حدثنا جعفر بن سليمان، حدثنا ثابت، عن أنس بن مالك، قال كان ثابت بن قيس بن شماس خطيب الأنصار فلما نزلت هذه الآية . بنحو حديث حماد . وليس في حديثه ذكر سعد بن معاذ .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
সাবিত ইবনু কায়স ইবনু শাম্মাস ছিলেন আনসারদের খতীব। যখন এ আয়াত নাযিল হলো : “তোমরা নাবীর কণ্ঠের উপর নিজেদের কণ্ঠ উঁচু করো না”। বাকী অংশ হাম্মাদ বর্ণিত উল্লেখিত রিওয়ায়াতের অনুরূপ। তবে এ রিওয়ায়াতে সা’দ ইবনু মু’আয এর উল্লেখ নেই। আহমাদ ইবনু সা’ঈদ ইবনু সাখ্র আদ্ দারিমী (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, যখন এ আয়াত নাযিল হলো : অর্থাৎ “তোমরা নাবীর কণ্ঠের উপর নিজেদের কণ্ঠ উঁচু করো না”। এ বর্ণনায় সা’দ ইবনু মু’আয-এর উল্লেখ নেই। (ই.ফা. ২১৬; ই.সে. ২২৩-২২৪)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
সাবিত ইবনু কায়স ইবনু শাম্মাস ছিলেন আনসারদের খতীব। যখন এ আয়াত নাযিল হলো : “তোমরা নাবীর কণ্ঠের উপর নিজেদের কণ্ঠ উঁচু করো না”। বাকী অংশ হাম্মাদ বর্ণিত উল্লেখিত রিওয়ায়াতের অনুরূপ। তবে এ রিওয়ায়াতে সা’দ ইবনু মু’আয এর উল্লেখ নেই। আহমাদ ইবনু সা’ঈদ ইবনু সাখ্র আদ্ দারিমী (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, যখন এ আয়াত নাযিল হলো : অর্থাৎ “তোমরা নাবীর কণ্ঠের উপর নিজেদের কণ্ঠ উঁচু করো না”। এ বর্ণনায় সা’দ ইবনু মু’আয-এর উল্লেখ নেই। (ই.ফা. ২১৬; ই.সে. ২২৩-২২৪)
وحدثنا قطن بن نسير، حدثنا جعفر بن سليمان، حدثنا ثابت، عن أنس بن مالك، قال كان ثابت بن قيس بن شماس خطيب الأنصار فلما نزلت هذه الآية . بنحو حديث حماد . وليس في حديثه ذكر سعد بن معاذ .
সহিহ মুসলিম ২১৬
وحدثنا هريم بن عبد الأعلى الأسدي، حدثنا المعتمر بن سليمان، قال سمعت أبي يذكر، عن ثابت، عن أنس، قال لما نزلت هذه الآية . واقتص الحديث . ولم يذكر سعد بن معاذ وزاد فكنا نراه يمشي بين أظهرنا رجل من أهل الجنة .
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যখন এ আয়াত নাযিল হলো…। এতেও সা’দ ইবনু মু’আয-এর উল্লেখ নেই। তবে শেষে আছে, আমরা তাঁকে ভাবতাম, একজন জান্নাতী লোক আমাদের মাঝে বিচরণ করছেন। (ই.ফা. ২১৭; ই.সে. ২২৫)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যখন এ আয়াত নাযিল হলো…। এতেও সা’দ ইবনু মু’আয-এর উল্লেখ নেই। তবে শেষে আছে, আমরা তাঁকে ভাবতাম, একজন জান্নাতী লোক আমাদের মাঝে বিচরণ করছেন। (ই.ফা. ২১৭; ই.সে. ২২৫)
وحدثنا هريم بن عبد الأعلى الأسدي، حدثنا المعتمر بن سليمان، قال سمعت أبي يذكر، عن ثابت، عن أنس، قال لما نزلت هذه الآية . واقتص الحديث . ولم يذكر سعد بن معاذ وزاد فكنا نراه يمشي بين أظهرنا رجل من أهل الجنة .
সহিহ মুসলিম ২১৪
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا الحسن بن موسى، حدثنا حماد بن سلمة، عن ثابت البناني، عن أنس بن مالك، أنه قال لما نزلت هذه الآية { يا أيها الذين آمنوا لا ترفعوا أصواتكم فوق صوت النبي} إلى آخر الآية جلس ثابت بن قيس في بيته وقال أنا من أهل النار . واحتبس عن النبي صلى الله عليه وسلم فسأل النبي صلى الله عليه وسلم سعد بن معاذ فقال " يا أبا عمرو ما شأن ثابت أشتكى " . قال سعد إنه لجاري وما علمت له بشكوى . قال فأتاه سعد فذكر له قول رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ثابت أنزلت هذه الآية ولقد علمتم أني من أرفعكم صوتا على رسول الله صلى الله عليه وسلم فأنا من أهل النار . فذكر ذلك سعد للنبي صلى الله عليه وسلم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " بل هو من أهل الجنة " .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন এ আয়াত নাযিল হলো, “হে মু’মিনগণ! তোমরা নাবীর কণ্ঠের উপর নিজেদের কণ্ঠ উঁচু করবে না এবং নিজেদের মধ্যে যেভাবে উচ্চৈঃস্বরে কথা বল তাঁর সাথে সেরূপ উচ্চৈঃস্বরে কথা বলবে না; এতে তোমাদের ‘আমাল বিনষ্ট হয়ে যাবার আশঙ্কা রয়েছে অথচ তোমরা টেরও পাবে না”- (সূরাহ আল হুজুরাত ৪৯ : ২)। তখন সাবিত (রাঃ) নিজের ঘরে বসে গেলেন এবং বলতে লাগলেন, আমি একজন জাহান্নামী। এরপর থেকে তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে যাওয়া বন্ধ করে দিলেন। একদিন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সহাবা সা’দ ইবনু মু’আযকে সাবিত (রাঃ) সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে বললেন, হে আবূ ‘আম্র! সাবিতের কি হলো? সা’দ (রাঃ) বললেন, সে আমার প্রতিবেশী, তার কোন অসুখ হয়েছে বলে তো জানি না। আনাস (রাঃ) বলেন, পরে সা’দ (রাঃ) সাবিতের কাছে গেলেন এবং তাঁর সম্পর্কে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বক্তব্য উল্লেখ করলেন। সাবিত (রাঃ) বলেন, এ আয়াত নাযিল হয়েছে। আর তোমরা জান রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর উপর আমার কষ্ঠস্বরই সবচেয়ে উঁচু হয়ে যায়। সুতরাং আমি তো জাহান্নামী। সা’দ (রাঃ) রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে সাবিতের কথা বললেন। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তখন বললেন, না, বরং সে তো জান্নাতী। (ই.ফা. ২১৫; ই.সে. ২২২)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন এ আয়াত নাযিল হলো, “হে মু’মিনগণ! তোমরা নাবীর কণ্ঠের উপর নিজেদের কণ্ঠ উঁচু করবে না এবং নিজেদের মধ্যে যেভাবে উচ্চৈঃস্বরে কথা বল তাঁর সাথে সেরূপ উচ্চৈঃস্বরে কথা বলবে না; এতে তোমাদের ‘আমাল বিনষ্ট হয়ে যাবার আশঙ্কা রয়েছে অথচ তোমরা টেরও পাবে না”- (সূরাহ আল হুজুরাত ৪৯ : ২)। তখন সাবিত (রাঃ) নিজের ঘরে বসে গেলেন এবং বলতে লাগলেন, আমি একজন জাহান্নামী। এরপর থেকে তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে যাওয়া বন্ধ করে দিলেন। একদিন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সহাবা সা’দ ইবনু মু’আযকে সাবিত (রাঃ) সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে বললেন, হে আবূ ‘আম্র! সাবিতের কি হলো? সা’দ (রাঃ) বললেন, সে আমার প্রতিবেশী, তার কোন অসুখ হয়েছে বলে তো জানি না। আনাস (রাঃ) বলেন, পরে সা’দ (রাঃ) সাবিতের কাছে গেলেন এবং তাঁর সম্পর্কে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বক্তব্য উল্লেখ করলেন। সাবিত (রাঃ) বলেন, এ আয়াত নাযিল হয়েছে। আর তোমরা জান রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর উপর আমার কষ্ঠস্বরই সবচেয়ে উঁচু হয়ে যায়। সুতরাং আমি তো জাহান্নামী। সা’দ (রাঃ) রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে সাবিতের কথা বললেন। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তখন বললেন, না, বরং সে তো জান্নাতী। (ই.ফা. ২১৫; ই.সে. ২২২)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا الحسن بن موسى، حدثنا حماد بن سلمة، عن ثابت البناني، عن أنس بن مالك، أنه قال لما نزلت هذه الآية { يا أيها الذين آمنوا لا ترفعوا أصواتكم فوق صوت النبي} إلى آخر الآية جلس ثابت بن قيس في بيته وقال أنا من أهل النار . واحتبس عن النبي صلى الله عليه وسلم فسأل النبي صلى الله عليه وسلم سعد بن معاذ فقال " يا أبا عمرو ما شأن ثابت أشتكى " . قال سعد إنه لجاري وما علمت له بشكوى . قال فأتاه سعد فذكر له قول رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ثابت أنزلت هذه الآية ولقد علمتم أني من أرفعكم صوتا على رسول الله صلى الله عليه وسلم فأنا من أهل النار . فذكر ذلك سعد للنبي صلى الله عليه وسلم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " بل هو من أهل الجنة " .
সহিহ মুসলিম > জাহিলী যুগের ‘আমালের ব্যাপারেও কি পাকড়াও হবে?
সহিহ মুসলিম ২১৯
حدثنا منجاب بن الحارث التميمي، أخبرنا علي بن مسهر، عن الأعمش، بهذا الإسناد مثله .
আ’মাশ (রহঃ) থেকে উক্ত সানাদে থেকে বর্নিতঃ
অনুরূপ বর্ণিত আছে। (ই.ফা. ২২০; ই.সে. ২২৮)
আ’মাশ (রহঃ) থেকে উক্ত সানাদে থেকে বর্নিতঃ
অনুরূপ বর্ণিত আছে। (ই.ফা. ২২০; ই.সে. ২২৮)
حدثنا منجاب بن الحارث التميمي، أخبرنا علي بن مسهر، عن الأعمش، بهذا الإسناد مثله .
সহিহ মুসলিম ২১৮
حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا أبي ووكيع، ح وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، - واللفظ له - حدثنا وكيع، عن الأعمش، عن أبي وائل، عن عبد الله، قال قلنا يا رسول الله أنؤاخذ بما عملنا في الجاهلية قال " من أحسن في الإسلام لم يؤاخذ بما عمل في الجاهلية . ومن أساء في الإسلام أخذ بالأول والآخر " .
মুহাম্মাদ ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র ও আবূ বাক্র ইবনু আবূ শাইবাহ (রহঃ) ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমরা রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট প্রশ্ন করলাম- হে আল্লাহর রসূল! আমরা জাহিলী যুগে যা করেছি এর জন্যও কি আমাদের পাকড়াও করা হবে? তিনি বললেন, যে ব্যক্তি ইসলাম গ্রহণ করে ভাল কাজ করবে জাহিলী যুগে সে কি করেছে তার জন্য পাকড়াও করা হবে না। আর যে ব্যক্তি ইসলাম গহণের পর মন্দ কাজ করে তাকে প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পাকড়াও করা হবে। (ই.ফা. ২১৯; ই.সে. ২২৭)
মুহাম্মাদ ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র ও আবূ বাক্র ইবনু আবূ শাইবাহ (রহঃ) ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমরা রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট প্রশ্ন করলাম- হে আল্লাহর রসূল! আমরা জাহিলী যুগে যা করেছি এর জন্যও কি আমাদের পাকড়াও করা হবে? তিনি বললেন, যে ব্যক্তি ইসলাম গ্রহণ করে ভাল কাজ করবে জাহিলী যুগে সে কি করেছে তার জন্য পাকড়াও করা হবে না। আর যে ব্যক্তি ইসলাম গহণের পর মন্দ কাজ করে তাকে প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পাকড়াও করা হবে। (ই.ফা. ২১৯; ই.সে. ২২৭)
حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا أبي ووكيع، ح وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، - واللفظ له - حدثنا وكيع، عن الأعمش، عن أبي وائل، عن عبد الله، قال قلنا يا رسول الله أنؤاخذ بما عملنا في الجاهلية قال " من أحسن في الإسلام لم يؤاخذ بما عمل في الجاهلية . ومن أساء في الإسلام أخذ بالأول والآخر " .
সহিহ মুসলিম ২১৭
حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا جرير، عن منصور، عن أبي وائل، عن عبد الله، قال قال أناس لرسول الله صلى الله عليه وسلم يا رسول الله أنؤاخذ بما عملنا في الجاهلية قال " أما من أحسن منكم في الإسلام فلا يؤاخذ بها ومن أساء أخذ بعمله في الجاهلية والإسلام " .
‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
কিছু সংখ্যক লোক রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে বললেন, জাহিলী যুগে আমরা যা করেছি এর জন্যও কি আমাদের পাকড়াও করা হবে? তিনি বললেন, ইসলাম গ্রহণের পর যে ব্যক্তি ভাল কাজ করবে তাকে জাহিলী যুগের ‘আমালের জন্য পাকড়াও করা হবে না। কিন্তু যে ব্যক্তি ইসলাম গ্রহণের পরও মন্দ করবে তাকে জাহিলী ও ইসলাম উভয় যুগের (মন্দ) কাজের জন্য পাকড়াও করা হবে। (ই.ফা. ২১৮; ই.সে. ২২৬)
‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
কিছু সংখ্যক লোক রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে বললেন, জাহিলী যুগে আমরা যা করেছি এর জন্যও কি আমাদের পাকড়াও করা হবে? তিনি বললেন, ইসলাম গ্রহণের পর যে ব্যক্তি ভাল কাজ করবে তাকে জাহিলী যুগের ‘আমালের জন্য পাকড়াও করা হবে না। কিন্তু যে ব্যক্তি ইসলাম গ্রহণের পরও মন্দ করবে তাকে জাহিলী ও ইসলাম উভয় যুগের (মন্দ) কাজের জন্য পাকড়াও করা হবে। (ই.ফা. ২১৮; ই.সে. ২২৬)
حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا جرير، عن منصور، عن أبي وائل، عن عبد الله، قال قال أناس لرسول الله صلى الله عليه وسلم يا رسول الله أنؤاخذ بما عملنا في الجاهلية قال " أما من أحسن منكم في الإسلام فلا يؤاخذ بها ومن أساء أخذ بعمله في الجاهلية والإسلام " .