সহিহ মুসলিম > আত্মহত্যাকারী কাফির হবে না তার প্রমাণ
সহিহ মুসলিম ২১১
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وإسحاق بن إبراهيم، جميعا عن سليمان، - قال أبو بكر حدثنا سليمان بن حرب، - حدثنا حماد بن زيد، عن حجاج الصواف، عن أبي الزبير، عن جابر، أن الطفيل بن عمرو الدوسي، أتى النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله هل لك في حصن حصين ومنعة - قال حصن كان لدوس في الجاهلية - فأبى ذلك النبي صلى الله عليه وسلم للذي ذخر الله للأنصار فلما هاجر النبي صلى الله عليه وسلم إلى المدينة هاجر إليه الطفيل بن عمرو وهاجر معه رجل من قومه فاجتووا المدينة فمرض فجزع فأخذ مشاقص له فقطع بها براجمه فشخبت يداه حتى مات فرآه الطفيل بن عمرو في منامه فرآه وهيئته حسنة ورآه مغطيا يديه فقال له ما صنع بك ربك فقال غفر لي بهجرتي إلى نبيه صلى الله عليه وسلم فقال ما لي أراك مغطيا يديك قال قيل لي لن نصلح منك ما أفسدت . فقصها الطفيل على رسول الله صلى الله عليه وسلم . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اللهم وليديه فاغفر "
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তুফায়ল ইবনু ‘আম্র দাওসী (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সামনে উপস্থিত হয়ে প্রশ্ন করলেন, হে আল্লাহর রসূল! আপনি কি চান যে, আপনার জন্য একটি মাযবূত দুর্গ ও সেনাবাহিনী হোক? রাবী বলেন, দাওস গোত্রে জাহিলী যুগের একটি দূর্গ ছিল (তিনি এদিকে ইঙ্গিত করেন)। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তা কবূল করলেন না। কারণ, আল্লাহ তা’আলা আনসারদের জন্য এ সৌভাগ্য নির্ধারণ করে রেখেছিলেন। যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাদীনায় হিজরত করলেন, তখন তুফায়ল ইবনু ‘আমর (রাঃ) এবং তাঁর গোত্রের একজন লোকও তাঁর সঙ্গে মাদীনায় হিজরত করেন। কিন্তু মাদীনার আবহাওয়া তাদের অনুকূল হয়নি। তুফায়ল ইবনু ‘আমর (রাঃ)-এর সাথে আগত লোকটি অসুস্থ হয়ে পড়লো। সে রোগ যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে তীর নিয়ে তার হাতের আঙ্গুলগুলো কেটে ফেললো। এতে উভয় হাত থেকে রক্ত নির্গত হতে থাকে। অবশেষে সে মারা যায়। তুফায়ল ইবনু ‘আম্র দাওসী (রাঃ) স্বপ্নে তাকে ভাল অবস্থায় দেখতে পেলেন, কিন্তু তিনি তার উভয় হাত আবৃত দেখে তাকে জিজ্ঞেস করলেন, তোমার রব তোমার সাথে কিরূপ ব্যবহার করেছে? সে বলল, আল্লাহ তা’আলা তাঁর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে হিজরত করার কারণে আমাকে ক্ষমা করে দিয়েছেন। তুফায়ল (রাঃ) তাকে জিজ্ঞেস করলেন, তোমার কি হয়েছে যে, আমি তোমার হাত দু’টো আবৃত দেখছি? সে বলল, আমাকে বলা হয়েছে যে, তুমি স্বেচ্ছায় যে অংশ নষ্ট করেছো তা আমরা কখনো ঠিক করব না। তুফায়ল (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট ঘটনাটি বর্ণনা করলেন। তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু’আ করলেন : ইয়া আল্লাহ! আপনি তার হাত দু’টোকেও ক্ষমা করে দিন। (ই.ফা. ২১২; ই.সে. ২১৯)
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তুফায়ল ইবনু ‘আম্র দাওসী (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সামনে উপস্থিত হয়ে প্রশ্ন করলেন, হে আল্লাহর রসূল! আপনি কি চান যে, আপনার জন্য একটি মাযবূত দুর্গ ও সেনাবাহিনী হোক? রাবী বলেন, দাওস গোত্রে জাহিলী যুগের একটি দূর্গ ছিল (তিনি এদিকে ইঙ্গিত করেন)। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তা কবূল করলেন না। কারণ, আল্লাহ তা’আলা আনসারদের জন্য এ সৌভাগ্য নির্ধারণ করে রেখেছিলেন। যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাদীনায় হিজরত করলেন, তখন তুফায়ল ইবনু ‘আমর (রাঃ) এবং তাঁর গোত্রের একজন লোকও তাঁর সঙ্গে মাদীনায় হিজরত করেন। কিন্তু মাদীনার আবহাওয়া তাদের অনুকূল হয়নি। তুফায়ল ইবনু ‘আমর (রাঃ)-এর সাথে আগত লোকটি অসুস্থ হয়ে পড়লো। সে রোগ যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে তীর নিয়ে তার হাতের আঙ্গুলগুলো কেটে ফেললো। এতে উভয় হাত থেকে রক্ত নির্গত হতে থাকে। অবশেষে সে মারা যায়। তুফায়ল ইবনু ‘আম্র দাওসী (রাঃ) স্বপ্নে তাকে ভাল অবস্থায় দেখতে পেলেন, কিন্তু তিনি তার উভয় হাত আবৃত দেখে তাকে জিজ্ঞেস করলেন, তোমার রব তোমার সাথে কিরূপ ব্যবহার করেছে? সে বলল, আল্লাহ তা’আলা তাঁর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে হিজরত করার কারণে আমাকে ক্ষমা করে দিয়েছেন। তুফায়ল (রাঃ) তাকে জিজ্ঞেস করলেন, তোমার কি হয়েছে যে, আমি তোমার হাত দু’টো আবৃত দেখছি? সে বলল, আমাকে বলা হয়েছে যে, তুমি স্বেচ্ছায় যে অংশ নষ্ট করেছো তা আমরা কখনো ঠিক করব না। তুফায়ল (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট ঘটনাটি বর্ণনা করলেন। তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু’আ করলেন : ইয়া আল্লাহ! আপনি তার হাত দু’টোকেও ক্ষমা করে দিন। (ই.ফা. ২১২; ই.সে. ২১৯)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وإسحاق بن إبراهيم، جميعا عن سليمان، - قال أبو بكر حدثنا سليمان بن حرب، - حدثنا حماد بن زيد، عن حجاج الصواف، عن أبي الزبير، عن جابر، أن الطفيل بن عمرو الدوسي، أتى النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله هل لك في حصن حصين ومنعة - قال حصن كان لدوس في الجاهلية - فأبى ذلك النبي صلى الله عليه وسلم للذي ذخر الله للأنصار فلما هاجر النبي صلى الله عليه وسلم إلى المدينة هاجر إليه الطفيل بن عمرو وهاجر معه رجل من قومه فاجتووا المدينة فمرض فجزع فأخذ مشاقص له فقطع بها براجمه فشخبت يداه حتى مات فرآه الطفيل بن عمرو في منامه فرآه وهيئته حسنة ورآه مغطيا يديه فقال له ما صنع بك ربك فقال غفر لي بهجرتي إلى نبيه صلى الله عليه وسلم فقال ما لي أراك مغطيا يديك قال قيل لي لن نصلح منك ما أفسدت . فقصها الطفيل على رسول الله صلى الله عليه وسلم . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اللهم وليديه فاغفر "
সহিহ মুসলিম > কিয়ামাতের পূর্বে এক বাতাস প্রবাহিত হবে, সামান্য ঈমানও যার অন্তরে আছে তার রূহ্ সে বাতাস কবয করে নিবে।
সহিহ মুসলিম ২১২
حدثنا أحمد بن عبدة الضبي، حدثنا عبد العزيز بن محمد، وأبو علقمة الفروي قالا حدثنا صفوان بن سليم، عن عبد الله بن سلمان، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن الله يبعث ريحا من اليمن ألين من الحرير فلا تدع أحدا في قلبه - قال أبو علقمة مثقال حبة وقال عبد العزيز مثقال ذرة - من إيمان إلا قبضته " .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলা কিয়ামাতের আগে ইয়ামান থেকে এক বাতাস প্রবাহিত করবেন যা হবে রেশম অপেক্ষাও নরম। যার অন্তরে দানা পরিমাণ ঈমান থাকবে তার রূহ্ ঐ বাতাস কবয করে নিয়ে যাবে। রাবী আবূ ‘আলকামাহ্ (আরবী) বর্ণনায় আছে। আর রাবী ‘আবদুল আযীয (আরবী) উল্লেখ করেছেন। (ই.ফা. ২১৩; ই.সে. ২২০)
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলা কিয়ামাতের আগে ইয়ামান থেকে এক বাতাস প্রবাহিত করবেন যা হবে রেশম অপেক্ষাও নরম। যার অন্তরে দানা পরিমাণ ঈমান থাকবে তার রূহ্ ঐ বাতাস কবয করে নিয়ে যাবে। রাবী আবূ ‘আলকামাহ্ (আরবী) বর্ণনায় আছে। আর রাবী ‘আবদুল আযীয (আরবী) উল্লেখ করেছেন। (ই.ফা. ২১৩; ই.সে. ২২০)
حدثنا أحمد بن عبدة الضبي، حدثنا عبد العزيز بن محمد، وأبو علقمة الفروي قالا حدثنا صفوان بن سليم، عن عبد الله بن سلمان، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن الله يبعث ريحا من اليمن ألين من الحرير فلا تدع أحدا في قلبه - قال أبو علقمة مثقال حبة وقال عبد العزيز مثقال ذرة - من إيمان إلا قبضته " .
সহিহ মুসলিম > ফিত্নাহ্ প্রকাশের পূর্বেই নেক ‘আমালের প্রতি অগ্রসর হওয়ার জন্য উৎসাহিত করা
সহিহ মুসলিম ২১৩
حدثني يحيى بن أيوب، وقتيبة، وابن، حجر جميعا عن إسماعيل بن جعفر، - قال ابن أيوب حدثنا إسماعيل، - قال أخبرني العلاء، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " بادروا بالأعمال فتنا كقطع الليل المظلم يصبح الرجل مؤمنا ويمسي كافرا أو يمسي مؤمنا ويصبح كافرا يبيع دينه بعرض من الدنيا " .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আঁধার রাতের মতো ফিত্নাহ্ আসার পূর্বেই তোমরা সৎ ‘আমালের দিকে ধাবিত হও। সে সময় সকালে একজন মু’মিন হলে বিকালে কাফির হয়ে যাবে। বিকেলে মু’মিন হলে সকালে কাফির হয়ে যাবে। দুনিয়ার সামগ্রীর বিনিময়ে সে তার দ্বীন বিক্রি করে বসবে। (ই.ফা. ২১৪; ই.সে. ২২১)
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আঁধার রাতের মতো ফিত্নাহ্ আসার পূর্বেই তোমরা সৎ ‘আমালের দিকে ধাবিত হও। সে সময় সকালে একজন মু’মিন হলে বিকালে কাফির হয়ে যাবে। বিকেলে মু’মিন হলে সকালে কাফির হয়ে যাবে। দুনিয়ার সামগ্রীর বিনিময়ে সে তার দ্বীন বিক্রি করে বসবে। (ই.ফা. ২১৪; ই.সে. ২২১)
حدثني يحيى بن أيوب، وقتيبة، وابن، حجر جميعا عن إسماعيل بن جعفر، - قال ابن أيوب حدثنا إسماعيل، - قال أخبرني العلاء، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " بادروا بالأعمال فتنا كقطع الليل المظلم يصبح الرجل مؤمنا ويمسي كافرا أو يمسي مؤمنا ويصبح كافرا يبيع دينه بعرض من الدنيا " .
সহিহ মুসলিম > ‘আমাল বিনষ্ট হওয়া সম্পর্কে মু’মিনের আশঙ্কা
সহিহ মুসলিম ২১৫
وحدثنا قطن بن نسير، حدثنا جعفر بن سليمان، حدثنا ثابت، عن أنس بن مالك، قال كان ثابت بن قيس بن شماس خطيب الأنصار فلما نزلت هذه الآية . بنحو حديث حماد . وليس في حديثه ذكر سعد بن معاذ .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
সাবিত ইবনু কায়স ইবনু শাম্মাস ছিলেন আনসারদের খতীব। যখন এ আয়াত নাযিল হলো : “তোমরা নাবীর কণ্ঠের উপর নিজেদের কণ্ঠ উঁচু করো না”। বাকী অংশ হাম্মাদ বর্ণিত উল্লেখিত রিওয়ায়াতের অনুরূপ। তবে এ রিওয়ায়াতে সা’দ ইবনু মু’আয এর উল্লেখ নেই। আহমাদ ইবনু সা’ঈদ ইবনু সাখ্র আদ্ দারিমী (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, যখন এ আয়াত নাযিল হলো : অর্থাৎ “তোমরা নাবীর কণ্ঠের উপর নিজেদের কণ্ঠ উঁচু করো না”। এ বর্ণনায় সা’দ ইবনু মু’আয-এর উল্লেখ নেই। (ই.ফা. ২১৬; ই.সে. ২২৩-২২৪)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
সাবিত ইবনু কায়স ইবনু শাম্মাস ছিলেন আনসারদের খতীব। যখন এ আয়াত নাযিল হলো : “তোমরা নাবীর কণ্ঠের উপর নিজেদের কণ্ঠ উঁচু করো না”। বাকী অংশ হাম্মাদ বর্ণিত উল্লেখিত রিওয়ায়াতের অনুরূপ। তবে এ রিওয়ায়াতে সা’দ ইবনু মু’আয এর উল্লেখ নেই। আহমাদ ইবনু সা’ঈদ ইবনু সাখ্র আদ্ দারিমী (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, যখন এ আয়াত নাযিল হলো : অর্থাৎ “তোমরা নাবীর কণ্ঠের উপর নিজেদের কণ্ঠ উঁচু করো না”। এ বর্ণনায় সা’দ ইবনু মু’আয-এর উল্লেখ নেই। (ই.ফা. ২১৬; ই.সে. ২২৩-২২৪)
وحدثنا قطن بن نسير، حدثنا جعفر بن سليمان، حدثنا ثابت، عن أنس بن مالك، قال كان ثابت بن قيس بن شماس خطيب الأنصار فلما نزلت هذه الآية . بنحو حديث حماد . وليس في حديثه ذكر سعد بن معاذ .
সহিহ মুসলিম ২১৬
وحدثنا هريم بن عبد الأعلى الأسدي، حدثنا المعتمر بن سليمان، قال سمعت أبي يذكر، عن ثابت، عن أنس، قال لما نزلت هذه الآية . واقتص الحديث . ولم يذكر سعد بن معاذ وزاد فكنا نراه يمشي بين أظهرنا رجل من أهل الجنة .
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যখন এ আয়াত নাযিল হলো…। এতেও সা’দ ইবনু মু’আয-এর উল্লেখ নেই। তবে শেষে আছে, আমরা তাঁকে ভাবতাম, একজন জান্নাতী লোক আমাদের মাঝে বিচরণ করছেন। (ই.ফা. ২১৭; ই.সে. ২২৫)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যখন এ আয়াত নাযিল হলো…। এতেও সা’দ ইবনু মু’আয-এর উল্লেখ নেই। তবে শেষে আছে, আমরা তাঁকে ভাবতাম, একজন জান্নাতী লোক আমাদের মাঝে বিচরণ করছেন। (ই.ফা. ২১৭; ই.সে. ২২৫)
وحدثنا هريم بن عبد الأعلى الأسدي، حدثنا المعتمر بن سليمان، قال سمعت أبي يذكر، عن ثابت، عن أنس، قال لما نزلت هذه الآية . واقتص الحديث . ولم يذكر سعد بن معاذ وزاد فكنا نراه يمشي بين أظهرنا رجل من أهل الجنة .
সহিহ মুসলিম ২১৪
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا الحسن بن موسى، حدثنا حماد بن سلمة، عن ثابت البناني، عن أنس بن مالك، أنه قال لما نزلت هذه الآية { يا أيها الذين آمنوا لا ترفعوا أصواتكم فوق صوت النبي} إلى آخر الآية جلس ثابت بن قيس في بيته وقال أنا من أهل النار . واحتبس عن النبي صلى الله عليه وسلم فسأل النبي صلى الله عليه وسلم سعد بن معاذ فقال " يا أبا عمرو ما شأن ثابت أشتكى " . قال سعد إنه لجاري وما علمت له بشكوى . قال فأتاه سعد فذكر له قول رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ثابت أنزلت هذه الآية ولقد علمتم أني من أرفعكم صوتا على رسول الله صلى الله عليه وسلم فأنا من أهل النار . فذكر ذلك سعد للنبي صلى الله عليه وسلم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " بل هو من أهل الجنة " .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন এ আয়াত নাযিল হলো, “হে মু’মিনগণ! তোমরা নাবীর কণ্ঠের উপর নিজেদের কণ্ঠ উঁচু করবে না এবং নিজেদের মধ্যে যেভাবে উচ্চৈঃস্বরে কথা বল তাঁর সাথে সেরূপ উচ্চৈঃস্বরে কথা বলবে না; এতে তোমাদের ‘আমাল বিনষ্ট হয়ে যাবার আশঙ্কা রয়েছে অথচ তোমরা টেরও পাবে না”- (সূরাহ আল হুজুরাত ৪৯ : ২)। তখন সাবিত (রাঃ) নিজের ঘরে বসে গেলেন এবং বলতে লাগলেন, আমি একজন জাহান্নামী। এরপর থেকে তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে যাওয়া বন্ধ করে দিলেন। একদিন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সহাবা সা’দ ইবনু মু’আযকে সাবিত (রাঃ) সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে বললেন, হে আবূ ‘আম্র! সাবিতের কি হলো? সা’দ (রাঃ) বললেন, সে আমার প্রতিবেশী, তার কোন অসুখ হয়েছে বলে তো জানি না। আনাস (রাঃ) বলেন, পরে সা’দ (রাঃ) সাবিতের কাছে গেলেন এবং তাঁর সম্পর্কে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বক্তব্য উল্লেখ করলেন। সাবিত (রাঃ) বলেন, এ আয়াত নাযিল হয়েছে। আর তোমরা জান রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর উপর আমার কষ্ঠস্বরই সবচেয়ে উঁচু হয়ে যায়। সুতরাং আমি তো জাহান্নামী। সা’দ (রাঃ) রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে সাবিতের কথা বললেন। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তখন বললেন, না, বরং সে তো জান্নাতী। (ই.ফা. ২১৫; ই.সে. ২২২)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন এ আয়াত নাযিল হলো, “হে মু’মিনগণ! তোমরা নাবীর কণ্ঠের উপর নিজেদের কণ্ঠ উঁচু করবে না এবং নিজেদের মধ্যে যেভাবে উচ্চৈঃস্বরে কথা বল তাঁর সাথে সেরূপ উচ্চৈঃস্বরে কথা বলবে না; এতে তোমাদের ‘আমাল বিনষ্ট হয়ে যাবার আশঙ্কা রয়েছে অথচ তোমরা টেরও পাবে না”- (সূরাহ আল হুজুরাত ৪৯ : ২)। তখন সাবিত (রাঃ) নিজের ঘরে বসে গেলেন এবং বলতে লাগলেন, আমি একজন জাহান্নামী। এরপর থেকে তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে যাওয়া বন্ধ করে দিলেন। একদিন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সহাবা সা’দ ইবনু মু’আযকে সাবিত (রাঃ) সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে বললেন, হে আবূ ‘আম্র! সাবিতের কি হলো? সা’দ (রাঃ) বললেন, সে আমার প্রতিবেশী, তার কোন অসুখ হয়েছে বলে তো জানি না। আনাস (রাঃ) বলেন, পরে সা’দ (রাঃ) সাবিতের কাছে গেলেন এবং তাঁর সম্পর্কে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বক্তব্য উল্লেখ করলেন। সাবিত (রাঃ) বলেন, এ আয়াত নাযিল হয়েছে। আর তোমরা জান রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর উপর আমার কষ্ঠস্বরই সবচেয়ে উঁচু হয়ে যায়। সুতরাং আমি তো জাহান্নামী। সা’দ (রাঃ) রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে সাবিতের কথা বললেন। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তখন বললেন, না, বরং সে তো জান্নাতী। (ই.ফা. ২১৫; ই.সে. ২২২)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا الحسن بن موسى، حدثنا حماد بن سلمة، عن ثابت البناني، عن أنس بن مالك، أنه قال لما نزلت هذه الآية { يا أيها الذين آمنوا لا ترفعوا أصواتكم فوق صوت النبي} إلى آخر الآية جلس ثابت بن قيس في بيته وقال أنا من أهل النار . واحتبس عن النبي صلى الله عليه وسلم فسأل النبي صلى الله عليه وسلم سعد بن معاذ فقال " يا أبا عمرو ما شأن ثابت أشتكى " . قال سعد إنه لجاري وما علمت له بشكوى . قال فأتاه سعد فذكر له قول رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ثابت أنزلت هذه الآية ولقد علمتم أني من أرفعكم صوتا على رسول الله صلى الله عليه وسلم فأنا من أهل النار . فذكر ذلك سعد للنبي صلى الله عليه وسلم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " بل هو من أهل الجنة " .