সহিহ মুসলিম > গনীমাতের মাল আত্মসাৎ করা হারাম, ঈমানদার ব্যতীত কেউ জান্নাতে প্রবেশ করবে না।

সহিহ মুসলিম ২১০

حدثني أبو الطاهر، قال أخبرني ابن وهب، عن مالك بن أنس، عن ثور بن زيد الدؤلي، عن سالم أبي الغيث، مولى ابن مطيع عن أبي هريرة، ح وحدثنا قتيبة بن سعيد، - وهذا حديثه - حدثنا عبد العزيز، - يعني ابن محمد - عن ثور، عن أبي الغيث، عن أبي هريرة، قال خرجنا مع النبي صلى الله عليه وسلم إلى خيبر ففتح الله علينا فلم نغنم ذهبا ولا ورقا غنمنا المتاع والطعام والثياب ثم انطلقنا إلى الوادي ومع رسول الله صلى الله عليه وسلم عبد له وهبه له رجل من جذام يدعى رفاعة بن زيد من بني الضبيب فلما نزلنا الوادي قام عبد رسول الله صلى الله عليه وسلم يحل رحله فرمي بسهم فكان فيه حتفه فقلنا هنيئا له الشهادة يا رسول الله ‏.‏ قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ كلا والذي نفس محمد بيده إن الشملة لتلتهب عليه نارا أخذها من الغنائم يوم خيبر لم تصبها المقاسم ‏"‏ ‏.‏ قال ففزع الناس ‏.‏ فجاء رجل بشراك أو شراكين ‏.‏ فقال يا رسول الله أصبت يوم خيبر ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ شراك من نار أو شراكان من نار ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে খাইবারের অভিযানে বের হলাম। আল্লাহ আমাদেরকে জয়যুক্ত করলেন। গনীমাত হিসেবে আমরা স্বর্ণ বা রৌপ্য লাভ করিনি। বরং যা পেলাম তা ছিল আসবাবপত্র, খাদ্যদ্রব্য, কাপড়-চোপড় ইত্যাদি। অতঃপর আমরা ওখান থেকে এক সমভূমির দিকে রওয়ানা হলাম। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে তাঁর একটি গোলাম ছিল। ‘জুযাম’ গোত্রের জনৈক ব্যক্তি গোলামটি তাঁকে উপহার দিয়েছিল। তাকে রিফা’আহ্‌ ইবনু যায়দ নামে ডাকা হত। সে যুবায়ব গোত্রের লোক ছিল। যখন আমরা সমতল ভূমিতে অবতরণ করলাম, গোলামটি উঠে রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ‘হাওদা’ খুলছিল। এমন সময় হঠাৎ একটি তীর এসে তার শরীরে বিদ্ধ হলো। আর তাতেই সে তৎক্ষণাৎ মারা গেলো। এ দেখে আমরা বলে উঠলাম : খুশীর বিষয় তার, মুবারক হোক! সে শাহাদাত লাভ করলো। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ কখনো নয়। সে মহান সত্তার কসম যাঁর হাতে মুহাম্মাদের প্রাণ! বণ্টন করা ছাড়াই খাইবার যুদ্ধের গণীমাত থেকে সে যে চাদর নিয়েছে তা আগুন হয়ে অবশ্যই তাকে দগ্ধ করবে। তাঁর এ কথা শুনে সমস্ত লোক ভীত হয়ে পড়লো। এক ব্যক্তি জুতার একটি কিংবা দু’টি ফিতা নিয়ে এসে বলল হে আল্লাহর রসূল! আমি এটি খাইবারের দিন তুলে নিয়েছিলাম। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এই একটি অথবা দু’টি জুতার ফিতা আগুনের ফিতায় রূপান্তরিত হতো। (ই.ফা. ২১১; ই.সে. ২১৮)

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে খাইবারের অভিযানে বের হলাম। আল্লাহ আমাদেরকে জয়যুক্ত করলেন। গনীমাত হিসেবে আমরা স্বর্ণ বা রৌপ্য লাভ করিনি। বরং যা পেলাম তা ছিল আসবাবপত্র, খাদ্যদ্রব্য, কাপড়-চোপড় ইত্যাদি। অতঃপর আমরা ওখান থেকে এক সমভূমির দিকে রওয়ানা হলাম। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে তাঁর একটি গোলাম ছিল। ‘জুযাম’ গোত্রের জনৈক ব্যক্তি গোলামটি তাঁকে উপহার দিয়েছিল। তাকে রিফা’আহ্‌ ইবনু যায়দ নামে ডাকা হত। সে যুবায়ব গোত্রের লোক ছিল। যখন আমরা সমতল ভূমিতে অবতরণ করলাম, গোলামটি উঠে রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ‘হাওদা’ খুলছিল। এমন সময় হঠাৎ একটি তীর এসে তার শরীরে বিদ্ধ হলো। আর তাতেই সে তৎক্ষণাৎ মারা গেলো। এ দেখে আমরা বলে উঠলাম : খুশীর বিষয় তার, মুবারক হোক! সে শাহাদাত লাভ করলো। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ কখনো নয়। সে মহান সত্তার কসম যাঁর হাতে মুহাম্মাদের প্রাণ! বণ্টন করা ছাড়াই খাইবার যুদ্ধের গণীমাত থেকে সে যে চাদর নিয়েছে তা আগুন হয়ে অবশ্যই তাকে দগ্ধ করবে। তাঁর এ কথা শুনে সমস্ত লোক ভীত হয়ে পড়লো। এক ব্যক্তি জুতার একটি কিংবা দু’টি ফিতা নিয়ে এসে বলল হে আল্লাহর রসূল! আমি এটি খাইবারের দিন তুলে নিয়েছিলাম। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এই একটি অথবা দু’টি জুতার ফিতা আগুনের ফিতায় রূপান্তরিত হতো। (ই.ফা. ২১১; ই.সে. ২১৮)

حدثني أبو الطاهر، قال أخبرني ابن وهب، عن مالك بن أنس، عن ثور بن زيد الدؤلي، عن سالم أبي الغيث، مولى ابن مطيع عن أبي هريرة، ح وحدثنا قتيبة بن سعيد، - وهذا حديثه - حدثنا عبد العزيز، - يعني ابن محمد - عن ثور، عن أبي الغيث، عن أبي هريرة، قال خرجنا مع النبي صلى الله عليه وسلم إلى خيبر ففتح الله علينا فلم نغنم ذهبا ولا ورقا غنمنا المتاع والطعام والثياب ثم انطلقنا إلى الوادي ومع رسول الله صلى الله عليه وسلم عبد له وهبه له رجل من جذام يدعى رفاعة بن زيد من بني الضبيب فلما نزلنا الوادي قام عبد رسول الله صلى الله عليه وسلم يحل رحله فرمي بسهم فكان فيه حتفه فقلنا هنيئا له الشهادة يا رسول الله ‏.‏ قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ كلا والذي نفس محمد بيده إن الشملة لتلتهب عليه نارا أخذها من الغنائم يوم خيبر لم تصبها المقاسم ‏"‏ ‏.‏ قال ففزع الناس ‏.‏ فجاء رجل بشراك أو شراكين ‏.‏ فقال يا رسول الله أصبت يوم خيبر ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ شراك من نار أو شراكان من نار ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ২০৯

حدثني زهير بن حرب، حدثنا هاشم بن القاسم، حدثنا عكرمة بن عمار، قال حدثني سماك الحنفي أبو زميل، قال حدثني عبد الله بن عباس، قال حدثني عمر بن الخطاب، قال لما كان يوم خيبر أقبل نفر من صحابة النبي صلى الله عليه وسلم فقالوا فلان شهيد فلان شهيد حتى مروا على رجل فقالوا فلان شهيد ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ كلا إني رأيته في النار في بردة غلها أو عباءة ‏"‏ ‏.‏ ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ يا ابن الخطاب اذهب فناد في الناس إنه لا يدخل الجنة إلا المؤمنون ‏"‏ ‏.‏ قال فخرجت فناديت ‏"‏ ألا إنه لا يدخل الجنة إلا المؤمنون ‏"‏ ‏.‏

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) বলেন, খাইবারে অমুক অমুক শাহীদ হয়েছেন। অবশেষে এক ব্যক্তি প্রসঙ্গে তাঁরা বললেন যে, সেও শাহীদ হয়েছে। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, কখনই না। গনীমাতের মাল থেকে চাদর আত্মসাৎ করার কারণে আমি তাকে জাহান্নামে দেখেছি। তারপর রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হে খাত্তাবের পুত্র! যাও লোকেদের মাঝে ঘোষণা করে দাও যে, ‘জান্নাতে কেবলমাত্র প্রকৃত মু’মিন ব্যক্তিরাই প্রবেশ করবে’। ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) বলেন, তারপর আমি বের হলাম এবং ঘোষণা করে দিলাম, “সাবধান! শুধুমাত্র প্রকৃত মু’মিনরাই জান্নাতে প্রবেশ করবে।” (ই.ফা. ২১০; ই.সে. ২১৭)

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) বলেন, খাইবারে অমুক অমুক শাহীদ হয়েছেন। অবশেষে এক ব্যক্তি প্রসঙ্গে তাঁরা বললেন যে, সেও শাহীদ হয়েছে। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, কখনই না। গনীমাতের মাল থেকে চাদর আত্মসাৎ করার কারণে আমি তাকে জাহান্নামে দেখেছি। তারপর রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হে খাত্তাবের পুত্র! যাও লোকেদের মাঝে ঘোষণা করে দাও যে, ‘জান্নাতে কেবলমাত্র প্রকৃত মু’মিন ব্যক্তিরাই প্রবেশ করবে’। ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) বলেন, তারপর আমি বের হলাম এবং ঘোষণা করে দিলাম, “সাবধান! শুধুমাত্র প্রকৃত মু’মিনরাই জান্নাতে প্রবেশ করবে।” (ই.ফা. ২১০; ই.সে. ২১৭)

حدثني زهير بن حرب، حدثنا هاشم بن القاسم، حدثنا عكرمة بن عمار، قال حدثني سماك الحنفي أبو زميل، قال حدثني عبد الله بن عباس، قال حدثني عمر بن الخطاب، قال لما كان يوم خيبر أقبل نفر من صحابة النبي صلى الله عليه وسلم فقالوا فلان شهيد فلان شهيد حتى مروا على رجل فقالوا فلان شهيد ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ كلا إني رأيته في النار في بردة غلها أو عباءة ‏"‏ ‏.‏ ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ يا ابن الخطاب اذهب فناد في الناس إنه لا يدخل الجنة إلا المؤمنون ‏"‏ ‏.‏ قال فخرجت فناديت ‏"‏ ألا إنه لا يدخل الجنة إلا المؤمنون ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম > আত্মহত্যাকারী কাফির হবে না তার প্রমাণ

সহিহ মুসলিম ২১১

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وإسحاق بن إبراهيم، جميعا عن سليمان، - قال أبو بكر حدثنا سليمان بن حرب، - حدثنا حماد بن زيد، عن حجاج الصواف، عن أبي الزبير، عن جابر، أن الطفيل بن عمرو الدوسي، أتى النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله هل لك في حصن حصين ومنعة - قال حصن كان لدوس في الجاهلية - فأبى ذلك النبي صلى الله عليه وسلم للذي ذخر الله للأنصار فلما هاجر النبي صلى الله عليه وسلم إلى المدينة هاجر إليه الطفيل بن عمرو وهاجر معه رجل من قومه فاجتووا المدينة فمرض فجزع فأخذ مشاقص له فقطع بها براجمه فشخبت يداه حتى مات فرآه الطفيل بن عمرو في منامه فرآه وهيئته حسنة ورآه مغطيا يديه فقال له ما صنع بك ربك فقال غفر لي بهجرتي إلى نبيه صلى الله عليه وسلم فقال ما لي أراك مغطيا يديك قال قيل لي لن نصلح منك ما أفسدت ‏.‏ فقصها الطفيل على رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ اللهم وليديه فاغفر ‏"‏

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তুফায়ল ইবনু ‘আম্‌র দাওসী (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সামনে উপস্থিত হয়ে প্রশ্ন করলেন, হে আল্লাহর রসূল! আপনি কি চান যে, আপনার জন্য একটি মাযবূত দুর্গ ও সেনাবাহিনী হোক? রাবী বলেন, দাওস গোত্রে জাহিলী যুগের একটি দূর্গ ছিল (তিনি এদিকে ইঙ্গিত করেন)। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তা কবূল করলেন না। কারণ, আল্লাহ তা’আলা আনসারদের জন্য এ সৌভাগ্য নির্ধারণ করে রেখেছিলেন। যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাদীনায় হিজরত করলেন, তখন তুফায়ল ইবনু ‘আমর (রাঃ) এবং তাঁর গোত্রের একজন লোকও তাঁর সঙ্গে মাদীনায় হিজরত করেন। কিন্তু মাদীনার আবহাওয়া তাদের অনুকূল হয়নি। তুফায়ল ইবনু ‘আমর (রাঃ)-এর সাথে আগত লোকটি অসুস্থ হয়ে পড়লো। সে রোগ যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে তীর নিয়ে তার হাতের আঙ্গুলগুলো কেটে ফেললো। এতে উভয় হাত থেকে রক্ত নির্গত হতে থাকে। অবশেষে সে মারা যায়। তুফায়ল ইবনু ‘আম্‌র দাওসী (রাঃ) স্বপ্নে তাকে ভাল অবস্থায় দেখতে পেলেন, কিন্তু তিনি তার উভয় হাত আবৃত দেখে তাকে জিজ্ঞেস করলেন, তোমার রব তোমার সাথে কিরূপ ব্যবহার করেছে? সে বলল, আল্লাহ তা’আলা তাঁর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে হিজরত করার কারণে আমাকে ক্ষমা করে দিয়েছেন। তুফায়ল (রাঃ) তাকে জিজ্ঞেস করলেন, তোমার কি হয়েছে যে, আমি তোমার হাত দু’টো আবৃত দেখছি? সে বলল, আমাকে বলা হয়েছে যে, তুমি স্বেচ্ছায় যে অংশ নষ্ট করেছো তা আমরা কখনো ঠিক করব না। তুফায়ল (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট ঘটনাটি বর্ণনা করলেন। তখন রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু’আ করলেন : ইয়া আল্লাহ! আপনি তার হাত দু’টোকেও ক্ষমা করে দিন। (ই.ফা. ২১২; ই.সে. ২১৯)

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তুফায়ল ইবনু ‘আম্‌র দাওসী (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সামনে উপস্থিত হয়ে প্রশ্ন করলেন, হে আল্লাহর রসূল! আপনি কি চান যে, আপনার জন্য একটি মাযবূত দুর্গ ও সেনাবাহিনী হোক? রাবী বলেন, দাওস গোত্রে জাহিলী যুগের একটি দূর্গ ছিল (তিনি এদিকে ইঙ্গিত করেন)। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তা কবূল করলেন না। কারণ, আল্লাহ তা’আলা আনসারদের জন্য এ সৌভাগ্য নির্ধারণ করে রেখেছিলেন। যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাদীনায় হিজরত করলেন, তখন তুফায়ল ইবনু ‘আমর (রাঃ) এবং তাঁর গোত্রের একজন লোকও তাঁর সঙ্গে মাদীনায় হিজরত করেন। কিন্তু মাদীনার আবহাওয়া তাদের অনুকূল হয়নি। তুফায়ল ইবনু ‘আমর (রাঃ)-এর সাথে আগত লোকটি অসুস্থ হয়ে পড়লো। সে রোগ যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে তীর নিয়ে তার হাতের আঙ্গুলগুলো কেটে ফেললো। এতে উভয় হাত থেকে রক্ত নির্গত হতে থাকে। অবশেষে সে মারা যায়। তুফায়ল ইবনু ‘আম্‌র দাওসী (রাঃ) স্বপ্নে তাকে ভাল অবস্থায় দেখতে পেলেন, কিন্তু তিনি তার উভয় হাত আবৃত দেখে তাকে জিজ্ঞেস করলেন, তোমার রব তোমার সাথে কিরূপ ব্যবহার করেছে? সে বলল, আল্লাহ তা’আলা তাঁর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে হিজরত করার কারণে আমাকে ক্ষমা করে দিয়েছেন। তুফায়ল (রাঃ) তাকে জিজ্ঞেস করলেন, তোমার কি হয়েছে যে, আমি তোমার হাত দু’টো আবৃত দেখছি? সে বলল, আমাকে বলা হয়েছে যে, তুমি স্বেচ্ছায় যে অংশ নষ্ট করেছো তা আমরা কখনো ঠিক করব না। তুফায়ল (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট ঘটনাটি বর্ণনা করলেন। তখন রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু’আ করলেন : ইয়া আল্লাহ! আপনি তার হাত দু’টোকেও ক্ষমা করে দিন। (ই.ফা. ২১২; ই.সে. ২১৯)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وإسحاق بن إبراهيم، جميعا عن سليمان، - قال أبو بكر حدثنا سليمان بن حرب، - حدثنا حماد بن زيد، عن حجاج الصواف، عن أبي الزبير، عن جابر، أن الطفيل بن عمرو الدوسي، أتى النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله هل لك في حصن حصين ومنعة - قال حصن كان لدوس في الجاهلية - فأبى ذلك النبي صلى الله عليه وسلم للذي ذخر الله للأنصار فلما هاجر النبي صلى الله عليه وسلم إلى المدينة هاجر إليه الطفيل بن عمرو وهاجر معه رجل من قومه فاجتووا المدينة فمرض فجزع فأخذ مشاقص له فقطع بها براجمه فشخبت يداه حتى مات فرآه الطفيل بن عمرو في منامه فرآه وهيئته حسنة ورآه مغطيا يديه فقال له ما صنع بك ربك فقال غفر لي بهجرتي إلى نبيه صلى الله عليه وسلم فقال ما لي أراك مغطيا يديك قال قيل لي لن نصلح منك ما أفسدت ‏.‏ فقصها الطفيل على رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ اللهم وليديه فاغفر ‏"‏


সহিহ মুসলিম > কিয়ামাতের পূর্বে এক বাতাস প্রবাহিত হবে, সামান্য ঈমানও যার অন্তরে আছে তার রূহ্‌ সে বাতাস কবয করে নিবে।

সহিহ মুসলিম ২১২

حدثنا أحمد بن عبدة الضبي، حدثنا عبد العزيز بن محمد، وأبو علقمة الفروي قالا حدثنا صفوان بن سليم، عن عبد الله بن سلمان، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إن الله يبعث ريحا من اليمن ألين من الحرير فلا تدع أحدا في قلبه - قال أبو علقمة مثقال حبة وقال عبد العزيز مثقال ذرة - من إيمان إلا قبضته ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলা কিয়ামাতের আগে ইয়ামান থেকে এক বাতাস প্রবাহিত করবেন যা হবে রেশম অপেক্ষাও নরম। যার অন্তরে দানা পরিমাণ ঈমান থাকবে তার রূহ্‌ ঐ বাতাস কবয করে নিয়ে যাবে। রাবী আবূ ‘আলকামাহ্‌ (আরবী) বর্ণনায় আছে। আর রাবী ‘আবদুল আযীয (আরবী) উল্লেখ করেছেন। (ই.ফা. ২১৩; ই.সে. ২২০)

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলা কিয়ামাতের আগে ইয়ামান থেকে এক বাতাস প্রবাহিত করবেন যা হবে রেশম অপেক্ষাও নরম। যার অন্তরে দানা পরিমাণ ঈমান থাকবে তার রূহ্‌ ঐ বাতাস কবয করে নিয়ে যাবে। রাবী আবূ ‘আলকামাহ্‌ (আরবী) বর্ণনায় আছে। আর রাবী ‘আবদুল আযীয (আরবী) উল্লেখ করেছেন। (ই.ফা. ২১৩; ই.সে. ২২০)

حدثنا أحمد بن عبدة الضبي، حدثنا عبد العزيز بن محمد، وأبو علقمة الفروي قالا حدثنا صفوان بن سليم، عن عبد الله بن سلمان، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إن الله يبعث ريحا من اليمن ألين من الحرير فلا تدع أحدا في قلبه - قال أبو علقمة مثقال حبة وقال عبد العزيز مثقال ذرة - من إيمان إلا قبضته ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম > ফিত্‌নাহ্‌ প্রকাশের পূর্বেই নেক ‘আমালের প্রতি অগ্রসর হওয়ার জন্য উৎসাহিত করা

সহিহ মুসলিম ২১৩

حدثني يحيى بن أيوب، وقتيبة، وابن، حجر جميعا عن إسماعيل بن جعفر، - قال ابن أيوب حدثنا إسماعيل، - قال أخبرني العلاء، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ بادروا بالأعمال فتنا كقطع الليل المظلم يصبح الرجل مؤمنا ويمسي كافرا أو يمسي مؤمنا ويصبح كافرا يبيع دينه بعرض من الدنيا ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আঁধার রাতের মতো ফিত্‌নাহ্‌ আসার পূর্বেই তোমরা সৎ ‘আমালের দিকে ধাবিত হও। সে সময় সকালে একজন মু’মিন হলে বিকালে কাফির হয়ে যাবে। বিকেলে মু’মিন হলে সকালে কাফির হয়ে যাবে। দুনিয়ার সামগ্রীর বিনিময়ে সে তার দ্বীন বিক্রি করে বসবে। (ই.ফা. ২১৪; ই.সে. ২২১)

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আঁধার রাতের মতো ফিত্‌নাহ্‌ আসার পূর্বেই তোমরা সৎ ‘আমালের দিকে ধাবিত হও। সে সময় সকালে একজন মু’মিন হলে বিকালে কাফির হয়ে যাবে। বিকেলে মু’মিন হলে সকালে কাফির হয়ে যাবে। দুনিয়ার সামগ্রীর বিনিময়ে সে তার দ্বীন বিক্রি করে বসবে। (ই.ফা. ২১৪; ই.সে. ২২১)

حدثني يحيى بن أيوب، وقتيبة، وابن، حجر جميعا عن إسماعيل بن جعفر، - قال ابن أيوب حدثنا إسماعيل، - قال أخبرني العلاء، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ بادروا بالأعمال فتنا كقطع الليل المظلم يصبح الرجل مؤمنا ويمسي كافرا أو يمسي مؤمنا ويصبح كافرا يبيع دينه بعرض من الدنيا ‏"‏ ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00