সহিহ মুসলিম > লোকদের বিরুদ্ধে জিহাদের নির্দেশ যতক্ষণ না তারা স্বীকার করে যে, আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন ইলাহ নেই, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহর রসূল এবং সলাত কায়িম করে, যাকাত দেয়, নবী যে শারী‘আতের বিধান এনেছেন তার প্রতি ঈমান আনে, যে ব্যক্তি এসব করবে সে তার জান মালের নিরাপত্তা লাভ করবে; তবে শারী’আত সম্মত কারণ ব্যতীত, তার অন্তরের খবর আল্লাহর কাছে; যে ব্যক্তি যাকাত দিতে ও ইসলামের অন্যান্য বিধান পালন করতে অস্বীকার করে তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার এবং ইসলামের বৈশিষ্ট্যসমূহ প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে ইমামের গুরুত্বারোপ করার নির্দেশ
সহিহ মুসলিম ৩৩
وحدثنا أبو الطاهر، وحرملة بن يحيى، وأحمد بن عيسى، قال أحمد حدثنا وقال الآخران، أخبرنا ابن وهب، قال أخبرني يونس، عن ابن شهاب، قال حدثني سعيد بن المسيب، أن أبا هريرة، أخبره أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " أمرت أن أقاتل الناس حتى يقولوا لا إله إلا الله فمن قال لا إله إلا الله عصم مني ماله ونفسه إلا بحقه وحسابه على الله "
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ‘আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন ইলাহ নেই’- এ কথার স্বীকৃতি না দেয়া পর্যন্ত লোকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে আমি আদিষ্ট হয়েছি। সুতরাং যে কেউ ‘আল্লাহ্ ছাড়া প্রকৃত কোন ইলাহ্ নেই’ স্বীকার করবে সে আমা হতে তার জান মালের নিরাপত্তা লাভ করবে; তবে শারী‘আত সম্মত কারণ ব্যতীত। আর তার হিসাব-নিকাশ আল্লাহর কাছে। (ই.ফা. ৩৩; ই.সে. ৩৩)
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ‘আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন ইলাহ নেই’- এ কথার স্বীকৃতি না দেয়া পর্যন্ত লোকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে আমি আদিষ্ট হয়েছি। সুতরাং যে কেউ ‘আল্লাহ্ ছাড়া প্রকৃত কোন ইলাহ্ নেই’ স্বীকার করবে সে আমা হতে তার জান মালের নিরাপত্তা লাভ করবে; তবে শারী‘আত সম্মত কারণ ব্যতীত। আর তার হিসাব-নিকাশ আল্লাহর কাছে। (ই.ফা. ৩৩; ই.সে. ৩৩)
وحدثنا أبو الطاهر، وحرملة بن يحيى، وأحمد بن عيسى، قال أحمد حدثنا وقال الآخران، أخبرنا ابن وهب، قال أخبرني يونس، عن ابن شهاب، قال حدثني سعيد بن المسيب، أن أبا هريرة، أخبره أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " أمرت أن أقاتل الناس حتى يقولوا لا إله إلا الله فمن قال لا إله إلا الله عصم مني ماله ونفسه إلا بحقه وحسابه على الله "
সহিহ মুসলিম ৩৪
حدثنا أحمد بن عبدة الضبي، أخبرنا عبد العزيز، - يعني الدراوردي - عن العلاء، ح وحدثنا أمية بن بسطام، - واللفظ له - حدثنا يزيد بن زريع، حدثنا روح، عن العلاء بن عبد الرحمن بن يعقوب، عن أبيه، عن أبي هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " أمرت أن أقاتل الناس حتى يشهدوا أن لا إله إلا الله ويؤمنوا بي وبما جئت به فإذا فعلوا ذلك عصموا مني دماءهم وأموالهم إلا بحقها وحسابهم على الله "
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, “আল্লাহ ব্যতীত প্রকৃত কোন ইলাহ নেই”- এ কথার সাক্ষ্য না দেয়া পর্যন্ত এবং আমার প্রতি ও আমি যা নিয়ে এসেছি তার প্রতি ঈমান না আনা পর্যন্ত লোকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য আমি আদিষ্ট হয়েছি। এগুলো মেনে নিলে তারা তাদের জান-মালের নিরাপত্তা লাভ করবে- তবে শারী‘আত সম্মত কারণ ছাড়া। আর তাদের হিসাব-নিকাশ আল্লাহর কাছে। (ই.ফা. ৩৪; ই.সে. ৩৪)
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, “আল্লাহ ব্যতীত প্রকৃত কোন ইলাহ নেই”- এ কথার সাক্ষ্য না দেয়া পর্যন্ত এবং আমার প্রতি ও আমি যা নিয়ে এসেছি তার প্রতি ঈমান না আনা পর্যন্ত লোকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য আমি আদিষ্ট হয়েছি। এগুলো মেনে নিলে তারা তাদের জান-মালের নিরাপত্তা লাভ করবে- তবে শারী‘আত সম্মত কারণ ছাড়া। আর তাদের হিসাব-নিকাশ আল্লাহর কাছে। (ই.ফা. ৩৪; ই.সে. ৩৪)
حدثنا أحمد بن عبدة الضبي، أخبرنا عبد العزيز، - يعني الدراوردي - عن العلاء، ح وحدثنا أمية بن بسطام، - واللفظ له - حدثنا يزيد بن زريع، حدثنا روح، عن العلاء بن عبد الرحمن بن يعقوب، عن أبيه، عن أبي هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " أمرت أن أقاتل الناس حتى يشهدوا أن لا إله إلا الله ويؤمنوا بي وبما جئت به فإذا فعلوا ذلك عصموا مني دماءهم وأموالهم إلا بحقها وحسابهم على الله "
সহিহ মুসলিম ৩৬
حدثنا أبو غسان المسمعي، مالك بن عبد الواحد حدثنا عبد الملك بن الصباح، عن شعبة، عن واقد بن محمد بن زيد بن عبد الله بن عمر، عن أبيه، عن عبد الله بن عمر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أمرت أن أقاتل الناس حتى يشهدوا أن لا إله إلا الله وأن محمدا رسول الله ويقيموا الصلاة ويؤتوا الزكاة فإذا فعلوا عصموا مني دماءهم وأموالهم إلا بحقها وحسابهم على الله " .
‘আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, লোকদের সাথে যুদ্ধ করার জন্য আমি আদিষ্ট হয়েছি, যতক্ষণ না তারা সাক্ষ্য দেয় যে, আল্লাহ ব্যতীত প্রকৃত কোন ইলাহ নেই এবং মুহাম্মাদ আল্লাহর রসূল এবং সলাত কায়িম করে, যাকাত দেয়, যদি এগুলো করে তাহলে আমা থেকে তারা জান মালের নিরাপত্তা লাভ করবে; তবে শারী‘আত সম্মত কারণ ছাড়া। আর তাদের হিসাব-নিকাশ আল্লাহর কাছে। (ই.ফা. ৩৬; ই.সে. ৩৭)
‘আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, লোকদের সাথে যুদ্ধ করার জন্য আমি আদিষ্ট হয়েছি, যতক্ষণ না তারা সাক্ষ্য দেয় যে, আল্লাহ ব্যতীত প্রকৃত কোন ইলাহ নেই এবং মুহাম্মাদ আল্লাহর রসূল এবং সলাত কায়িম করে, যাকাত দেয়, যদি এগুলো করে তাহলে আমা থেকে তারা জান মালের নিরাপত্তা লাভ করবে; তবে শারী‘আত সম্মত কারণ ছাড়া। আর তাদের হিসাব-নিকাশ আল্লাহর কাছে। (ই.ফা. ৩৬; ই.সে. ৩৭)
حدثنا أبو غسان المسمعي، مالك بن عبد الواحد حدثنا عبد الملك بن الصباح، عن شعبة، عن واقد بن محمد بن زيد بن عبد الله بن عمر، عن أبيه، عن عبد الله بن عمر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أمرت أن أقاتل الناس حتى يشهدوا أن لا إله إلا الله وأن محمدا رسول الله ويقيموا الصلاة ويؤتوا الزكاة فإذا فعلوا عصموا مني دماءهم وأموالهم إلا بحقها وحسابهم على الله " .
সহিহ মুসলিম ৩৭
وحدثنا سويد بن سعيد، وابن أبي عمر، قالا حدثنا مروان، - يعنيان الفزاري - عن أبي مالك، عن أبيه، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " من قال لا إله إلا الله وكفر بما يعبد من دون الله حرم ماله ودمه وحسابه على الله "
আবূ মালিক তাঁর পিতার সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি ‘আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন ইলাহ নেই, এ কথা স্বীকার করে এবং আল্লাহ ছাড়া অন্যান্য উপাস্যকে অস্বীকার করে, তার জান-মাল নিরাপদ। আর তার হিসাব-নিকাশ আল্লাহর নিকট। (ই.ফা. ৩৭; ই.সে. ৩৮)
আবূ মালিক তাঁর পিতার সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি ‘আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন ইলাহ নেই, এ কথা স্বীকার করে এবং আল্লাহ ছাড়া অন্যান্য উপাস্যকে অস্বীকার করে, তার জান-মাল নিরাপদ। আর তার হিসাব-নিকাশ আল্লাহর নিকট। (ই.ফা. ৩৭; ই.সে. ৩৮)
وحدثنا سويد بن سعيد، وابن أبي عمر، قالا حدثنا مروان، - يعنيان الفزاري - عن أبي مالك، عن أبيه، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " من قال لا إله إلا الله وكفر بما يعبد من دون الله حرم ماله ودمه وحسابه على الله "
সহিহ মুসলিম ৩২
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث بن سعد، عن عقيل، عن الزهري، قال أخبرني عبيد الله بن عبد الله بن عتبة بن مسعود، عن أبي هريرة، قال لما توفي رسول الله صلى الله عليه وسلم واستخلف أبو بكر بعده وكفر من كفر من العرب قال عمر بن الخطاب لأبي بكر كيف تقاتل الناس وقد قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أمرت أن أقاتل الناس حتى يقولوا لا إله إلا الله فمن قال لا إله إلا الله فقد عصم مني ماله ونفسه إلا بحقه وحسابه على الله " . فقال أبو بكر والله لأقاتلن من فرق بين الصلاة والزكاة فإن الزكاة حق المال والله لو منعوني عقالا كانوا يؤدونه إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم لقاتلتهم على منعه . فقال عمر بن الخطاب فوالله ما هو إلا أن رأيت الله عز وجل قد شرح صدر أبي بكر للقتال فعرفت أنه الحق
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ইন্তিকালের পর আবূ বাক্র (রাঃ) খলীফা নিযুক্ত হন। এ সময় আরবের একদল লোক (যাকাত অস্বীকার করলে) মুরতাদ হয়ে গেল। [আবূ বাক্র (রাঃ) তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের সংকল্প করলেন] ‘উমার (রাঃ) বললেন, আপনি কিরূপে লোকদের বিরূদ্ধে যুদ্ধ করবেন? [২৪] অথচ রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলছেনঃ “আমি (আল্লাহর পক্ষ থেকে) লোকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে আদিষ্ট হয়েছি যে পর্যন্ত না তারা বলে ‘লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ (আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন ইলাহ নেই) আর যে ব্যক্তি ‘লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ’ বলল, সে তার জান-মাল আমার হাত থেকে রক্ষা করলো। অবশ্য আইনের দাবী আলাদা। (অর্থাৎ ইসলামের বিধান অনুযায়ী দণ্ডনীয় কোন অপরাধ করলে তাকে অবশ্যই শাস্তি ভোগ করতে হবে) । তবে তার আসল বিচারের ভার আল্লাহর উপর ন্যস্ত। আবূ বাক্র (রাঃ) বললেন, আল্লাহর কসম, যে ব্যক্তি সলাত ও যাকাতের মধ্যে পার্থক্য করবে আমি অবশ্যই তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবো। [২৫] কেননা যাকাত হচ্ছে মালের (উপর বঞ্চিতের) অধিকার। আল্লাহর কসম, যদি তারা আমাকে একখানা রশি প্রদানেও অস্বীকৃতি জানায় যা তারা (যাকাত বাবদ) রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে প্রদান করতো, তবে আমি এ অস্বীকৃতির কারণে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবো। এবার ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) বললেন, আল্লাহর কসম, ব্যাপারটা এ ছাড়া আর কিছুই নয় যে, আল্লাহ তা’আলা আবূ বাক্রের হৃদয়কে যুদ্ধের জন্য প্রশস্ত করে দিয়েছিলেন। আমি স্পষ্টই উপলদ্ধি করলাম, এটাই (আবূ বাক্রের সিদ্ধান্তই) সঠিক এবং যথার্থ। (ই.ফা. ৩২, ই.সে ৩২)
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ইন্তিকালের পর আবূ বাক্র (রাঃ) খলীফা নিযুক্ত হন। এ সময় আরবের একদল লোক (যাকাত অস্বীকার করলে) মুরতাদ হয়ে গেল। [আবূ বাক্র (রাঃ) তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের সংকল্প করলেন] ‘উমার (রাঃ) বললেন, আপনি কিরূপে লোকদের বিরূদ্ধে যুদ্ধ করবেন? [২৪] অথচ রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলছেনঃ “আমি (আল্লাহর পক্ষ থেকে) লোকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে আদিষ্ট হয়েছি যে পর্যন্ত না তারা বলে ‘লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ (আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন ইলাহ নেই) আর যে ব্যক্তি ‘লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ’ বলল, সে তার জান-মাল আমার হাত থেকে রক্ষা করলো। অবশ্য আইনের দাবী আলাদা। (অর্থাৎ ইসলামের বিধান অনুযায়ী দণ্ডনীয় কোন অপরাধ করলে তাকে অবশ্যই শাস্তি ভোগ করতে হবে) । তবে তার আসল বিচারের ভার আল্লাহর উপর ন্যস্ত। আবূ বাক্র (রাঃ) বললেন, আল্লাহর কসম, যে ব্যক্তি সলাত ও যাকাতের মধ্যে পার্থক্য করবে আমি অবশ্যই তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবো। [২৫] কেননা যাকাত হচ্ছে মালের (উপর বঞ্চিতের) অধিকার। আল্লাহর কসম, যদি তারা আমাকে একখানা রশি প্রদানেও অস্বীকৃতি জানায় যা তারা (যাকাত বাবদ) রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে প্রদান করতো, তবে আমি এ অস্বীকৃতির কারণে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবো। এবার ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) বললেন, আল্লাহর কসম, ব্যাপারটা এ ছাড়া আর কিছুই নয় যে, আল্লাহ তা’আলা আবূ বাক্রের হৃদয়কে যুদ্ধের জন্য প্রশস্ত করে দিয়েছিলেন। আমি স্পষ্টই উপলদ্ধি করলাম, এটাই (আবূ বাক্রের সিদ্ধান্তই) সঠিক এবং যথার্থ। (ই.ফা. ৩২, ই.সে ৩২)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث بن سعد، عن عقيل، عن الزهري، قال أخبرني عبيد الله بن عبد الله بن عتبة بن مسعود، عن أبي هريرة، قال لما توفي رسول الله صلى الله عليه وسلم واستخلف أبو بكر بعده وكفر من كفر من العرب قال عمر بن الخطاب لأبي بكر كيف تقاتل الناس وقد قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أمرت أن أقاتل الناس حتى يقولوا لا إله إلا الله فمن قال لا إله إلا الله فقد عصم مني ماله ونفسه إلا بحقه وحسابه على الله " . فقال أبو بكر والله لأقاتلن من فرق بين الصلاة والزكاة فإن الزكاة حق المال والله لو منعوني عقالا كانوا يؤدونه إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم لقاتلتهم على منعه . فقال عمر بن الخطاب فوالله ما هو إلا أن رأيت الله عز وجل قد شرح صدر أبي بكر للقتال فعرفت أنه الحق
সহিহ মুসলিম ৩৫
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا حفص بن غياث، عن الأعمش، عن أبي سفيان، عن جابر، وعن أبي صالح، عن أبي هريرة، قالا قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أمرت أن أقاتل الناس " . بمثل حديث ابن المسيب عن أبي هريرة ح وحدثني أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، ح وحدثني محمد بن المثنى، حدثنا عبد الرحمن، - يعني ابن مهدي - قالا جميعا حدثنا سفيان، عن أبي الزبير، عن جابر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أمرت أن أقاتل الناس حتى يقولوا لا إله إلا الله فإذا قالوا لا إله إلا الله عصموا مني دماءهم وأموالهم إلا بحقها وحسابهم على الله " . ثم قرأ { إنما أنت مذكر * لست عليهم بمسيطر}
জাবির (রাঃ), আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) ও আবূ সালিহ থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, লোকদের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য আমি আদিষ্ট হয়েছি। বাকী অংশ আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে ইবনুল মুসাইয়্যাব-এর বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। আবূ বাক্র ইবনু শাইবাহ্ ও মুহাম্মাদ ইবনু আল মুসান্না (রাঃ) ..... জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ‘আল্লাহ ব্যতীত প্রকৃত কোন ইলাহ নেই’-এ কথার স্বীকৃতি না দেয়া পর্যন্ত লোকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য আমি আদিষ্ট হয়েছি। ‘আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন ইলাহ নেই’- এ কথা স্বীকার করলে তারা আমার থেকে তাদের জান মালের নিরাপত্তা লাভ করবে; তবে শারী’আত সম্মত কারণ ছাড়া। তাদের হিসাব-নিকাশ আল্লাহর কাছে। তারপর তিনি আয়াতটি তিলাওয়াত করেনঃ “আপনি তো একজন উপদেশদাতা। আপনি এদের উপর কর্মনিয়ন্ত্রক নন”-(সূরাহহ্ আল গা-শিয়াহ্ ৮৮ : ২১-২২) । (ই.ফা. ৩৫; ই.সে. ৩৫-৩৬)
জাবির (রাঃ), আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) ও আবূ সালিহ থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, লোকদের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য আমি আদিষ্ট হয়েছি। বাকী অংশ আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে ইবনুল মুসাইয়্যাব-এর বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। আবূ বাক্র ইবনু শাইবাহ্ ও মুহাম্মাদ ইবনু আল মুসান্না (রাঃ) ..... জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ‘আল্লাহ ব্যতীত প্রকৃত কোন ইলাহ নেই’-এ কথার স্বীকৃতি না দেয়া পর্যন্ত লোকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য আমি আদিষ্ট হয়েছি। ‘আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন ইলাহ নেই’- এ কথা স্বীকার করলে তারা আমার থেকে তাদের জান মালের নিরাপত্তা লাভ করবে; তবে শারী’আত সম্মত কারণ ছাড়া। তাদের হিসাব-নিকাশ আল্লাহর কাছে। তারপর তিনি আয়াতটি তিলাওয়াত করেনঃ “আপনি তো একজন উপদেশদাতা। আপনি এদের উপর কর্মনিয়ন্ত্রক নন”-(সূরাহহ্ আল গা-শিয়াহ্ ৮৮ : ২১-২২) । (ই.ফা. ৩৫; ই.সে. ৩৫-৩৬)
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا حفص بن غياث، عن الأعمش، عن أبي سفيان، عن جابر، وعن أبي صالح، عن أبي هريرة، قالا قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أمرت أن أقاتل الناس " . بمثل حديث ابن المسيب عن أبي هريرة ح وحدثني أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، ح وحدثني محمد بن المثنى، حدثنا عبد الرحمن، - يعني ابن مهدي - قالا جميعا حدثنا سفيان، عن أبي الزبير، عن جابر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أمرت أن أقاتل الناس حتى يقولوا لا إله إلا الله فإذا قالوا لا إله إلا الله عصموا مني دماءهم وأموالهم إلا بحقها وحسابهم على الله " . ثم قرأ { إنما أنت مذكر * لست عليهم بمسيطر}
সহিহ মুসলিম ৩৮
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو خالد الأحمر، ح وحدثنيه زهير بن حرب، حدثنا يزيد بن هارون، كلاهما عن أبي مالك، عن أبيه، أنه سمع النبي صلى الله عليه وسلم يقول " من وحد الله " ثم ذكر بمثله .
আবূ মালিক (রহঃ)-এর সূত্রে তার পিতা তারিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন, যে ব্যক্তি আল্লাহ তা’আলাকে এক বলে স্বীকার করে ..... অতঃপর তিনি উল্লিখিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৩৮; ই.সে. ৩৯)
আবূ মালিক (রহঃ)-এর সূত্রে তার পিতা তারিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন, যে ব্যক্তি আল্লাহ তা’আলাকে এক বলে স্বীকার করে ..... অতঃপর তিনি উল্লিখিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৩৮; ই.সে. ৩৯)
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو خالد الأحمر، ح وحدثنيه زهير بن حرب، حدثنا يزيد بن هارون، كلاهما عن أبي مالك، عن أبيه، أنه سمع النبي صلى الله عليه وسلم يقول " من وحد الله " ثم ذكر بمثله .
সহিহ মুসলিম > মৃত্যুর লক্ষণ দেখা দেয়ার পূর্ব পর্যন্ত ঈমান গ্রহণযোগ্য হওয়া, মুশরিকদের ব্যাপারে ইসতিগফার রহিত হওয়া ও মুশরিক অবস্থায় মৃত্যুবরণকারীর জাহান্নামী হওয়া এবং সে কোন ওয়াসীলায় পরিত্রাণ না পাওয়ার দলীল
সহিহ মুসলিম ৪১
حدثنا محمد بن عباد، وابن أبي عمر، قالا حدثنا مروان، عن يزيد، - وهو ابن كيسان - عن أبي حازم، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لعمه عند الموت " قل لا إله إلا الله أشهد لك بها يوم القيامة " . فأبى فأنزل الله { إنك لا تهدي من أحببت} الآية .
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর চাচা আবূ তালিবের মৃত্যুর সময় তাকে বলেছিলেন। আপনি ‘লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ’ বলুন, কিয়ামাতের দিন আমি আপনার জন্য এর সাক্ষ্য দিব। কিন্তু তিনি তা বলতে অস্বীকার করলেন। এ সম্পর্কে আল্লাহ তা‘আলা অবতীর্ণ করেনঃ অর্থাৎ “আপনি যাকে পছন্দ করেন, তাকে সৎপথে আনতে পারবেন না”-(সূরাহ আল-কাসাস ২৮ : ৫৬) (ই.ফা. ৪১; ই.সে. ৪২)
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর চাচা আবূ তালিবের মৃত্যুর সময় তাকে বলেছিলেন। আপনি ‘লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ’ বলুন, কিয়ামাতের দিন আমি আপনার জন্য এর সাক্ষ্য দিব। কিন্তু তিনি তা বলতে অস্বীকার করলেন। এ সম্পর্কে আল্লাহ তা‘আলা অবতীর্ণ করেনঃ অর্থাৎ “আপনি যাকে পছন্দ করেন, তাকে সৎপথে আনতে পারবেন না”-(সূরাহ আল-কাসাস ২৮ : ৫৬) (ই.ফা. ৪১; ই.সে. ৪২)
حدثنا محمد بن عباد، وابن أبي عمر، قالا حدثنا مروان، عن يزيد، - وهو ابن كيسان - عن أبي حازم، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لعمه عند الموت " قل لا إله إلا الله أشهد لك بها يوم القيامة " . فأبى فأنزل الله { إنك لا تهدي من أحببت} الآية .
সহিহ মুসলিম ৪০
وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، وعبد بن حميد، قالا أخبرنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، ح وحدثنا حسن الحلواني، وعبد بن حميد، قالا حدثنا يعقوب، - وهو ابن إبراهيم بن سعد - قال حدثني أبي، عن صالح، كلاهما عن الزهري، بهذا الإسناد مثله غير أن حديث صالح انتهى عند قوله فأنزل الله عز وجل فيه . ولم يذكر الآيتين . وقال في حديثه ويعودان في تلك المقالة . وفي حديث معمر مكان هذه الكلمة فلم يزالا به .
ইসহাক্ ইবনু ইবরাহীম ও ‘আব্দ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
যুহরীর সূত্রে একই সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে সালিহ্-এর হাদীসটি (আরবী) এ বাক্যেই সমাপ্ত হয়েছে এবং তিনি আয়াত দু’টির উল্লেখ করেননি। তিনি তাঁর সূত্রে আরও উল্লেখ করেন (আরবী) “তারা উভয়ই এ বক্তব্যটি পুনরাবৃত্তি করেন।” মা‘মার বর্ণিত হাদীসে (আরবী)-এর স্থলে (আরবী) “তারা উভয়েই তার নিকট এ কথার পুনরাবৃত্তি করতে থাকে” কথার বর্ণনা রয়েছে। (ই.ফা. ৪০; ই.সে. ৪১)
ইসহাক্ ইবনু ইবরাহীম ও ‘আব্দ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
যুহরীর সূত্রে একই সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে সালিহ্-এর হাদীসটি (আরবী) এ বাক্যেই সমাপ্ত হয়েছে এবং তিনি আয়াত দু’টির উল্লেখ করেননি। তিনি তাঁর সূত্রে আরও উল্লেখ করেন (আরবী) “তারা উভয়ই এ বক্তব্যটি পুনরাবৃত্তি করেন।” মা‘মার বর্ণিত হাদীসে (আরবী)-এর স্থলে (আরবী) “তারা উভয়েই তার নিকট এ কথার পুনরাবৃত্তি করতে থাকে” কথার বর্ণনা রয়েছে। (ই.ফা. ৪০; ই.সে. ৪১)
وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، وعبد بن حميد، قالا أخبرنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، ح وحدثنا حسن الحلواني، وعبد بن حميد، قالا حدثنا يعقوب، - وهو ابن إبراهيم بن سعد - قال حدثني أبي، عن صالح، كلاهما عن الزهري، بهذا الإسناد مثله غير أن حديث صالح انتهى عند قوله فأنزل الله عز وجل فيه . ولم يذكر الآيتين . وقال في حديثه ويعودان في تلك المقالة . وفي حديث معمر مكان هذه الكلمة فلم يزالا به .
সহিহ মুসলিম ৪২
حدثنا محمد بن حاتم بن ميمون، حدثنا يحيى بن سعيد، حدثنا يزيد بن كيسان، عن أبي حازم الأشجعي، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لعمه " قل لا إله إلا الله أشهد لك بها يوم القيامة " . قال لولا أن تعيرني قريش يقولون إنما حمله على ذلك الجزع لأقررت بها عينك فأنزل الله { إنك لا تهدي من أحببت ولكن الله يهدي من يشاء}
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর চাচাকে বললেন, আপনি ‘লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ’ বলুন, কিয়ামাত দিবসে আপনার পক্ষে আমি এর সাক্ষ্য দিব। তিনি বললেন, আবূ তালিব ভীত হয়ে এ কথা বলেছেন, কুরায়শদের থেকে এরূপ দোষারোপের যদি আশংকা না থাকত তাহলে আমি তা পাঠ করে তোমার চোখ জুড়াতাম। অতঃপর আল্লাহ তা’আলা অবতীর্ণ করলেনঃ “তুমি যাকে চাইবে হিদায়াত করতে পারবে না, কিন্তু আল্লাহ যাকে ইচ্ছা করেন হিদায়াত করেন”-(সূরাহ আল-কাসাস ২৮ : ৫৬) (ই.ফা. ৪২; ই.সে. ৪৩)
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর চাচাকে বললেন, আপনি ‘লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ’ বলুন, কিয়ামাত দিবসে আপনার পক্ষে আমি এর সাক্ষ্য দিব। তিনি বললেন, আবূ তালিব ভীত হয়ে এ কথা বলেছেন, কুরায়শদের থেকে এরূপ দোষারোপের যদি আশংকা না থাকত তাহলে আমি তা পাঠ করে তোমার চোখ জুড়াতাম। অতঃপর আল্লাহ তা’আলা অবতীর্ণ করলেনঃ “তুমি যাকে চাইবে হিদায়াত করতে পারবে না, কিন্তু আল্লাহ যাকে ইচ্ছা করেন হিদায়াত করেন”-(সূরাহ আল-কাসাস ২৮ : ৫৬) (ই.ফা. ৪২; ই.সে. ৪৩)
حدثنا محمد بن حاتم بن ميمون، حدثنا يحيى بن سعيد، حدثنا يزيد بن كيسان، عن أبي حازم الأشجعي، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لعمه " قل لا إله إلا الله أشهد لك بها يوم القيامة " . قال لولا أن تعيرني قريش يقولون إنما حمله على ذلك الجزع لأقررت بها عينك فأنزل الله { إنك لا تهدي من أحببت ولكن الله يهدي من يشاء}
সহিহ মুসলিম ৩৯
وحدثني حرملة بن يحيى التجيبي، أخبرنا عبد الله بن وهب، قال أخبرني يونس، عن ابن شهاب، قال أخبرني سعيد بن المسيب، عن أبيه، قال لما حضرت أبا طالب الوفاة جاءه رسول الله صلى الله عليه وسلم فوجد عنده أبا جهل وعبد الله بن أبي أمية بن المغيرة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يا عم قل لا إله إلا الله . كلمة أشهد لك بها عند الله " . فقال أبو جهل وعبد الله بن أبي أمية يا أبا طالب أترغب عن ملة عبد المطلب . فلم يزل رسول الله صلى الله عليه وسلم يعرضها عليه ويعيد له تلك المقالة حتى قال أبو طالب آخر ما كلمهم هو على ملة عبد المطلب . وأبى أن يقول لا إله إلا الله . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أما والله لأستغفرن لك ما لم أنه عنك " . فأنزل الله عز وجل { ما كان للنبي والذين آمنوا أن يستغفروا للمشركين ولو كانوا أولي قربى من بعد ما تبين لهم أنهم أصحاب الجحيم} . وأنزل الله تعالى في أبي طالب فقال لرسول الله صلى الله عليه وسلم { إنك لا تهدي من أحببت ولكن الله يهدي من يشاء وهو أعلم بالمهتدين}.
সা‘ঈদ ইবনুল মুসাইয়্যাব থেকে তাঁর পিতা থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন আবূ তালিবের মৃত্যুর সময় ঘনিয়ে আসল রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার কাছে গেলেন এবং সেখানে তিনি আবূ জাহ্ল ও ‘আবদুল্লাহ ইবনু উমাইয়্যাহ্ ইবনু মুগীরাহকে উপস্থিত দেখতে পেলেন। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (আবূ তালিবকে লক্ষ্য করে) বললেন, হে আমার চাচা! আপনি ‘লা-ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ’ কথাটি বলুন। এর দ্বারাই আমি আল্লাহর কাছে আপনার জন্য সাক্ষ্য দেব। তখন আবূ জাহল ও ‘আবদুল্লাহ ইবনু আবূ উমাইয়্যাহ্ বলে ওঠলো, হে আবূ তালিব! তুমি কি ‘আবদুল মুত্তালিবের মিল্লাত (দীন) থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে? (অর্থাৎ সে দ্বীন পরিত্যাগ করবে?) এদিকে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বার বার তাঁর কথাটি পেশ করতে থাকলেন। আবূ তালিব শেষ পর্যন্ত যে কথা বললেন তা হলো, তিনি ‘আবদুল মুত্তালিবের মিল্লাতের উপরই অবিচল থাকবেন এবং সঙ্গে সঙ্গে তিনি “লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ” বলতে অস্বীকৃতি জানালেন। এতে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আল্লাহর শপথ! যতক্ষণ আমাকে নিষেধ না করা হয় আমি আপনার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করতে থাকবো। এ প্রসঙ্গে সুমহান আল্লাহ এ আয়াত নাযিল করলেন, “নবী এবং ঈমানদারদের পক্ষে মুশরিকদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করা শোভা পায় না, যদিও তারা (মুশরিকরা) নিকটাত্মীয় হয়। কেননা তারা যে জাহান্নামী হবে এটা সুস্পষ্ট হয়ে গেছে”-[২৬] (সূরাহ আত্ তাওবাহ্ ৯ : ১১৩) । আবূ তালিবের প্রসঙ্গে আল্লাহ তা’আলা রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বললেন, “হে নবী! নিশ্চয়ই হিদায়াত আপনার হাতে নয় যে, যাকে আপনি চাইবেন হিদায়াত করতে পারবেন। বরং আল্লাহ যাকে চান তাকে হিদায়াত দান করেন, আর কে হিদায়াতপ্রাপ্ত হবে তিনিই বেশি জানেন”-[২৭] (সূরাহ আল কাসাস ২৮ : ৫৬) । (ই.ফা. ৩৯; ই.সে. ৪০)
সা‘ঈদ ইবনুল মুসাইয়্যাব থেকে তাঁর পিতা থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন আবূ তালিবের মৃত্যুর সময় ঘনিয়ে আসল রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার কাছে গেলেন এবং সেখানে তিনি আবূ জাহ্ল ও ‘আবদুল্লাহ ইবনু উমাইয়্যাহ্ ইবনু মুগীরাহকে উপস্থিত দেখতে পেলেন। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (আবূ তালিবকে লক্ষ্য করে) বললেন, হে আমার চাচা! আপনি ‘লা-ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ’ কথাটি বলুন। এর দ্বারাই আমি আল্লাহর কাছে আপনার জন্য সাক্ষ্য দেব। তখন আবূ জাহল ও ‘আবদুল্লাহ ইবনু আবূ উমাইয়্যাহ্ বলে ওঠলো, হে আবূ তালিব! তুমি কি ‘আবদুল মুত্তালিবের মিল্লাত (দীন) থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে? (অর্থাৎ সে দ্বীন পরিত্যাগ করবে?) এদিকে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বার বার তাঁর কথাটি পেশ করতে থাকলেন। আবূ তালিব শেষ পর্যন্ত যে কথা বললেন তা হলো, তিনি ‘আবদুল মুত্তালিবের মিল্লাতের উপরই অবিচল থাকবেন এবং সঙ্গে সঙ্গে তিনি “লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ” বলতে অস্বীকৃতি জানালেন। এতে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আল্লাহর শপথ! যতক্ষণ আমাকে নিষেধ না করা হয় আমি আপনার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করতে থাকবো। এ প্রসঙ্গে সুমহান আল্লাহ এ আয়াত নাযিল করলেন, “নবী এবং ঈমানদারদের পক্ষে মুশরিকদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করা শোভা পায় না, যদিও তারা (মুশরিকরা) নিকটাত্মীয় হয়। কেননা তারা যে জাহান্নামী হবে এটা সুস্পষ্ট হয়ে গেছে”-[২৬] (সূরাহ আত্ তাওবাহ্ ৯ : ১১৩) । আবূ তালিবের প্রসঙ্গে আল্লাহ তা’আলা রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বললেন, “হে নবী! নিশ্চয়ই হিদায়াত আপনার হাতে নয় যে, যাকে আপনি চাইবেন হিদায়াত করতে পারবেন। বরং আল্লাহ যাকে চান তাকে হিদায়াত দান করেন, আর কে হিদায়াতপ্রাপ্ত হবে তিনিই বেশি জানেন”-[২৭] (সূরাহ আল কাসাস ২৮ : ৫৬) । (ই.ফা. ৩৯; ই.সে. ৪০)
وحدثني حرملة بن يحيى التجيبي، أخبرنا عبد الله بن وهب، قال أخبرني يونس، عن ابن شهاب، قال أخبرني سعيد بن المسيب، عن أبيه، قال لما حضرت أبا طالب الوفاة جاءه رسول الله صلى الله عليه وسلم فوجد عنده أبا جهل وعبد الله بن أبي أمية بن المغيرة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يا عم قل لا إله إلا الله . كلمة أشهد لك بها عند الله " . فقال أبو جهل وعبد الله بن أبي أمية يا أبا طالب أترغب عن ملة عبد المطلب . فلم يزل رسول الله صلى الله عليه وسلم يعرضها عليه ويعيد له تلك المقالة حتى قال أبو طالب آخر ما كلمهم هو على ملة عبد المطلب . وأبى أن يقول لا إله إلا الله . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أما والله لأستغفرن لك ما لم أنه عنك " . فأنزل الله عز وجل { ما كان للنبي والذين آمنوا أن يستغفروا للمشركين ولو كانوا أولي قربى من بعد ما تبين لهم أنهم أصحاب الجحيم} . وأنزل الله تعالى في أبي طالب فقال لرسول الله صلى الله عليه وسلم { إنك لا تهدي من أحببت ولكن الله يهدي من يشاء وهو أعلم بالمهتدين}.
সহিহ মুসলিম > যে ব্যক্তি তাওহীদের উপর মৃত্যুবরণ করবে সে অবশ্যই জান্নাতে প্রবেশ করবে- এর দলীল প্রমাণ
সহিহ মুসলিম ৪৩
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وزهير بن حرب، كلاهما عن إسماعيل بن إبراهيم، - قال أبو بكر حدثنا ابن علية، - عن خالد، قال حدثني الوليد بن مسلم، عن حمران، عن عثمان، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من مات وهو يعلم أنه لا إله إلا الله دخل الجنة " .
‘উসমান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি অন্তরে এ বিশ্বাস রেখে মৃত্যুবরণ করলো যে, আল্লাহ ব্যতীত প্রকৃত কোন ইলাহ নেই, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। [২৮] মুহাম্মাদ ইবনু আবূ বাক্র আল মুকাদ্দামী (রাঃ) ..... ‘উসমান (রাঃ) বলেন যে, তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে অনুরূপ বলতে শুনেছি ..... অবশিষ্টাংশ উপরের হাদীসের অনুরূপ। (ই.ফা. ৪৩-৪৪; ই.সে. ৪৪-৪৫)
‘উসমান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি অন্তরে এ বিশ্বাস রেখে মৃত্যুবরণ করলো যে, আল্লাহ ব্যতীত প্রকৃত কোন ইলাহ নেই, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। [২৮] মুহাম্মাদ ইবনু আবূ বাক্র আল মুকাদ্দামী (রাঃ) ..... ‘উসমান (রাঃ) বলেন যে, তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে অনুরূপ বলতে শুনেছি ..... অবশিষ্টাংশ উপরের হাদীসের অনুরূপ। (ই.ফা. ৪৩-৪৪; ই.সে. ৪৪-৪৫)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وزهير بن حرب، كلاهما عن إسماعيل بن إبراهيم، - قال أبو بكر حدثنا ابن علية، - عن خالد، قال حدثني الوليد بن مسلم، عن حمران، عن عثمان، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من مات وهو يعلم أنه لا إله إلا الله دخل الجنة " .
সহিহ মুসলিম ৪৭
وحدثني أحمد بن إبراهيم الدورقي، حدثنا مبشر بن إسماعيل، عن الأوزاعي، عن عمير بن هانئ، في هذا الإسناد بمثله غير أنه قال " أدخله الله الجنة على ما كان من عمل " . ولم يذكر " من أى أبواب الجنة الثمانية شاء " .
‘উমায়র ইবনু হানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘উমায়র ইবনু হানী (রাঃ) থেকে এ সানাদে উপরের বর্ণনার অনুরূপই বর্ণিত হয়েছে, তবে আরো রয়েছে, তার ‘আমাল যা-ই হোক না কেন আল্লাহ তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। কিন্তু ‘জান্নাতের আটটি দরজার যেটি দিয়েই সে চাইবে’ এ বাক্যটি এ বর্ণনায় উল্লেখ নেই। (ই.ফা. ৪৮; ই.সে. ৪৮)
‘উমায়র ইবনু হানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘উমায়র ইবনু হানী (রাঃ) থেকে এ সানাদে উপরের বর্ণনার অনুরূপই বর্ণিত হয়েছে, তবে আরো রয়েছে, তার ‘আমাল যা-ই হোক না কেন আল্লাহ তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। কিন্তু ‘জান্নাতের আটটি দরজার যেটি দিয়েই সে চাইবে’ এ বাক্যটি এ বর্ণনায় উল্লেখ নেই। (ই.ফা. ৪৮; ই.সে. ৪৮)
وحدثني أحمد بن إبراهيم الدورقي، حدثنا مبشر بن إسماعيل، عن الأوزاعي، عن عمير بن هانئ، في هذا الإسناد بمثله غير أنه قال " أدخله الله الجنة على ما كان من عمل " . ولم يذكر " من أى أبواب الجنة الثمانية شاء " .
সহিহ মুসলিম ৪৬
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، عن ابن عجلان، عن محمد بن يحيى بن حبان، عن ابن محيريز، عن الصنابحي، عن عبادة بن الصامت، أنه قال دخلت عليه وهو في الموت فبكيت فقال مهلا لم تبكي فوالله لئن استشهدت لأشهدن لك ولئن شفعت لأشفعن لك ولئن استطعت لأنفعنك ثم قال والله ما من حديث سمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم لكم فيه خير إلا حدثتكموه إلا حديثا واحدا وسوف أحدثكموه اليوم وقد أحيط بنفسي سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " من شهد أن لا إله إلا الله وأن محمدا رسول الله حرم الله عليه النار " .
‘উবাদাহ্ ইবনু সামিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি বলে, “আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি আল্লাহ ব্যতীত প্রকৃত কোন ইলাহ নেই, তিনি একক এবং মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর বান্দা ও রসূল, আর নিশ্চয় ‘ঈসা (‘আঃ) আল্লাহর বান্দা, তাঁর বান্দীর (মারইয়ামের) পুত্র ও তাঁর সে কালিমা- যা তিনি মারইয়ামকে পৌঁছিয়েছেন এবং তাঁর পক্ষ থেকে প্রেরিত একটি ‘রুহ’ মাত্র, জান্নাত সত্য, জাহান্নাম সত্য, আল্লাহ তাকে জান্নাতের আটটি দরজার যেটি দিয়ে প্রবেশ করাতে চাইবেন, প্রবেশ করাবেন।” (ই.ফা. ৪৭; ই.সে. ৪৮)
‘উবাদাহ্ ইবনু সামিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি বলে, “আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি আল্লাহ ব্যতীত প্রকৃত কোন ইলাহ নেই, তিনি একক এবং মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর বান্দা ও রসূল, আর নিশ্চয় ‘ঈসা (‘আঃ) আল্লাহর বান্দা, তাঁর বান্দীর (মারইয়ামের) পুত্র ও তাঁর সে কালিমা- যা তিনি মারইয়ামকে পৌঁছিয়েছেন এবং তাঁর পক্ষ থেকে প্রেরিত একটি ‘রুহ’ মাত্র, জান্নাত সত্য, জাহান্নাম সত্য, আল্লাহ তাকে জান্নাতের আটটি দরজার যেটি দিয়ে প্রবেশ করাতে চাইবেন, প্রবেশ করাবেন।” (ই.ফা. ৪৭; ই.সে. ৪৮)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، عن ابن عجلان، عن محمد بن يحيى بن حبان، عن ابن محيريز، عن الصنابحي، عن عبادة بن الصامت، أنه قال دخلت عليه وهو في الموت فبكيت فقال مهلا لم تبكي فوالله لئن استشهدت لأشهدن لك ولئن شفعت لأشفعن لك ولئن استطعت لأنفعنك ثم قال والله ما من حديث سمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم لكم فيه خير إلا حدثتكموه إلا حديثا واحدا وسوف أحدثكموه اليوم وقد أحيط بنفسي سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " من شهد أن لا إله إلا الله وأن محمدا رسول الله حرم الله عليه النار " .
সহিহ মুসলিম ৪৪
حدثنا أبو بكر بن النضر بن أبي النضر، قال حدثني أبو النضر، هاشم بن القاسم حدثنا عبيد الله الأشجعي، عن مالك بن مغول، عن طلحة بن مصرف، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، قال كنا مع النبي صلى الله عليه وسلم في مسير - قال - فنفدت أزواد القوم قال حتى هم بنحر بعض حمائلهم - قال - فقال عمر يا رسول الله لو جمعت ما بقي من أزواد القوم فدعوت الله عليها . قال ففعل - قال - فجاء ذو البر ببره وذو التمر بتمره - قال وقال مجاهد وذو النواة بنواه - قلت وما كانوا يصنعون بالنوى قال كانوا يمصونه ويشربون عليه الماء . قال فدعا عليها - قال - حتى ملأ القوم أزودتهم - قال - فقال عند ذلك " أشهد أن لا إله إلا الله وأني رسول الله لا يلقى الله بهما عبد غير شاك فيهما إلا دخل الجنة " .
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমরা রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে একটি সফরে ছিলাম। এক পর্যায়ে দলের খাদ্যসামগ্রী শেষ হয়ে গেল। পরিশেষে রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের কিছু সংখ্যক উট যাবাহ করার মনস্থ করলেন। রাবী বলেন যে, এতে ‘উমার (রাঃ) আরয করলেন, ইয়া রসূলাল্লাহ! আপনি যদি সকলের খাদ্য সামগ্রী একত্রিত করে আল্লাহর নিকট দু‘আ করতেন তবে উত্তম হতো। রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেটাই করলেন। যার নিকট গম ছিল সে গম নিয়ে এবং যার নিকট খেজুর ছিল তা নিয়ে উপস্থিত হলো। (তাল্হাহ্ ইবনু মুসাররিফ বলেন) মুজাহিদ আরো বর্ণনা করেন যে, যার নিকট খেজুরের আঁটি ছিল সে আঁটি নিয়েই উপস্থিত হলো। আমি (তাল্হাহ্) জিজ্ঞেস করলাম আঁটি দিয়ে কি করতেন? তিনি বললেন, সেটা চুষে পানি পান করতেন। রাবী বলেন, অতঃপর রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সংগৃহীত খাদ্যসামগ্রীর উপর দু’আ করলেন। রাবী বলেন, অতঃপর লোকেরা তাদের পাত্রসমূহ খাদ্য দ্বারা পূর্ণ করে নিল। রাবী বলেন, তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি আল্লাহ ব্যতীত প্রকৃত কোন ইলাহ নেই এবং আমি আল্লাহর রসূল। যে এ বিষয় দু’টোর প্রতি নিঃসন্দেহে বিশ্বাস রেখে আল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। (ই.ফা. ৪৫; ই.সে. ৪৬)
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমরা রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে একটি সফরে ছিলাম। এক পর্যায়ে দলের খাদ্যসামগ্রী শেষ হয়ে গেল। পরিশেষে রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের কিছু সংখ্যক উট যাবাহ করার মনস্থ করলেন। রাবী বলেন যে, এতে ‘উমার (রাঃ) আরয করলেন, ইয়া রসূলাল্লাহ! আপনি যদি সকলের খাদ্য সামগ্রী একত্রিত করে আল্লাহর নিকট দু‘আ করতেন তবে উত্তম হতো। রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেটাই করলেন। যার নিকট গম ছিল সে গম নিয়ে এবং যার নিকট খেজুর ছিল তা নিয়ে উপস্থিত হলো। (তাল্হাহ্ ইবনু মুসাররিফ বলেন) মুজাহিদ আরো বর্ণনা করেন যে, যার নিকট খেজুরের আঁটি ছিল সে আঁটি নিয়েই উপস্থিত হলো। আমি (তাল্হাহ্) জিজ্ঞেস করলাম আঁটি দিয়ে কি করতেন? তিনি বললেন, সেটা চুষে পানি পান করতেন। রাবী বলেন, অতঃপর রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সংগৃহীত খাদ্যসামগ্রীর উপর দু’আ করলেন। রাবী বলেন, অতঃপর লোকেরা তাদের পাত্রসমূহ খাদ্য দ্বারা পূর্ণ করে নিল। রাবী বলেন, তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি আল্লাহ ব্যতীত প্রকৃত কোন ইলাহ নেই এবং আমি আল্লাহর রসূল। যে এ বিষয় দু’টোর প্রতি নিঃসন্দেহে বিশ্বাস রেখে আল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। (ই.ফা. ৪৫; ই.সে. ৪৬)
حدثنا أبو بكر بن النضر بن أبي النضر، قال حدثني أبو النضر، هاشم بن القاسم حدثنا عبيد الله الأشجعي، عن مالك بن مغول، عن طلحة بن مصرف، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، قال كنا مع النبي صلى الله عليه وسلم في مسير - قال - فنفدت أزواد القوم قال حتى هم بنحر بعض حمائلهم - قال - فقال عمر يا رسول الله لو جمعت ما بقي من أزواد القوم فدعوت الله عليها . قال ففعل - قال - فجاء ذو البر ببره وذو التمر بتمره - قال وقال مجاهد وذو النواة بنواه - قلت وما كانوا يصنعون بالنوى قال كانوا يمصونه ويشربون عليه الماء . قال فدعا عليها - قال - حتى ملأ القوم أزودتهم - قال - فقال عند ذلك " أشهد أن لا إله إلا الله وأني رسول الله لا يلقى الله بهما عبد غير شاك فيهما إلا دخل الجنة " .
সহিহ মুসলিম ৪৫
حدثنا سهل بن عثمان، وأبو كريب محمد بن العلاء جميعا عن أبي معاوية، - قال أبو كريب حدثنا أبو معاوية، - عن الأعمش، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، أو عن أبي سعيد، - شك الأعمش - قال لما كان غزوة تبوك أصاب الناس مجاعة . قالوا يا رسول الله لو أذنت لنا فنحرنا نواضحنا فأكلنا وادهنا . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " افعلوا " . قال فجاء عمر فقال يا رسول الله إن فعلت قل الظهر ولكن ادعهم بفضل أزوادهم ثم ادع الله لهم عليها بالبركة لعل الله أن يجعل في ذلك . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " نعم " . قال فدعا بنطع فبسطه ثم دعا بفضل أزوادهم - قال - فجعل الرجل يجيء بكف ذرة - قال - ويجيء الآخر بكف تمر - قال - ويجيء الآخر بكسرة حتى اجتمع على النطع من ذلك شىء يسير - قال - فدعا رسول الله صلى الله عليه وسلم عليه بالبركة ثم قال " خذوا في أوعيتكم " . قال فأخذوا في أوعيتهم حتى ما تركوا في العسكر وعاء إلا ملأوه - قال - فأكلوا حتى شبعوا وفضلت فضلة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أشهد أن لا إله إلا الله وأني رسول الله لا يلقى الله بهما عبد غير شاك فيحجب عن الجنة " .
আবূ হুরায়রাহ কিংবা আবূ সা’ঈদ আল খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তাবূকের যুদ্ধের সময় লোকদের খুবই খাদ্যাভাব দেখা দেয়। তারা বলল, ইয়া রসূলুল্লাহ! যদি আপনি অনুমতি দেন তাহলে আমরা আমাদের উটগুলো যাবাহ করে তার গোশ্ত খাই এবং তার চর্বি ব্যবহার করি। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, যাবাহ করতে পার। রাবী বলেন, এমন সময় ‘উমার (রাঃ) আসলেন এবং বললেন, ইয়া রসূলুল্লাহ! যদি এমন করা হয় তাহলে বাহন কমে যাবে। বরং আপনি লোকেদেরকে তাদের অবশিষ্ট খাদ্য নিয়ে আসতে বলুন, তাতে তাদের জন্য আল্লাহর দরবারে বারাকাতের দু‘আ করুন। আশা করা যায়, আল্লাহ তাতে বারাকাত দান করবেন। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হ্যাঁ ঠিক আছে। তিনি একটি চাদর আনতে বললেন এবং তা বিছালেন, এরপর সকলের অবশিষ্ট খাদ্য চেয়ে পাঠালেন। রাবী বলেন, তখন কেউ এক মুঠো গম নিয়ে উপস্থিত হলো, কেউ এক মুঠো খেজুর নিয়ে উপস্থিত হলো, কেউ বা এক টুকরো রুটি নিয়ে আসলো, এভাবে কিছু পরিমাণ খাদ্য-সামগ্রী চাদরে জমা হলো। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বারাকাতের দু‘আ করলেন। অতঃপর তিনি বললেন, তোমরা নিজ নিজ পাত্রগুলো খাদ্য দ্বারা পূর্ণ করে নাও। সকলেই আপন আপন পাত্র ভরে নিল, এমনকি এ বাহিনীর কোন পাত্রই আর অপূর্ণ থাকল না। এরপর সকলেই পরিতৃপ্তি সহকারে আহার করলেন। কিছু রয়েও গেল।তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ব্যতীত প্রকৃত কোন ইলাহ নেই এবং আমি আল্লাহর প্রেরিত রসূল, যে ব্যক্তি নিঃসন্দেহে এ কথা দু’টোর উপর ঈমান রেখে আল্লাহর নিকট উপস্থিত হবে সে জান্নাত থেকে বঞ্চিত হবে না। (ই.ফা. ৪৬; ই.সে. ৪৭)
আবূ হুরায়রাহ কিংবা আবূ সা’ঈদ আল খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তাবূকের যুদ্ধের সময় লোকদের খুবই খাদ্যাভাব দেখা দেয়। তারা বলল, ইয়া রসূলুল্লাহ! যদি আপনি অনুমতি দেন তাহলে আমরা আমাদের উটগুলো যাবাহ করে তার গোশ্ত খাই এবং তার চর্বি ব্যবহার করি। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, যাবাহ করতে পার। রাবী বলেন, এমন সময় ‘উমার (রাঃ) আসলেন এবং বললেন, ইয়া রসূলুল্লাহ! যদি এমন করা হয় তাহলে বাহন কমে যাবে। বরং আপনি লোকেদেরকে তাদের অবশিষ্ট খাদ্য নিয়ে আসতে বলুন, তাতে তাদের জন্য আল্লাহর দরবারে বারাকাতের দু‘আ করুন। আশা করা যায়, আল্লাহ তাতে বারাকাত দান করবেন। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হ্যাঁ ঠিক আছে। তিনি একটি চাদর আনতে বললেন এবং তা বিছালেন, এরপর সকলের অবশিষ্ট খাদ্য চেয়ে পাঠালেন। রাবী বলেন, তখন কেউ এক মুঠো গম নিয়ে উপস্থিত হলো, কেউ এক মুঠো খেজুর নিয়ে উপস্থিত হলো, কেউ বা এক টুকরো রুটি নিয়ে আসলো, এভাবে কিছু পরিমাণ খাদ্য-সামগ্রী চাদরে জমা হলো। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বারাকাতের দু‘আ করলেন। অতঃপর তিনি বললেন, তোমরা নিজ নিজ পাত্রগুলো খাদ্য দ্বারা পূর্ণ করে নাও। সকলেই আপন আপন পাত্র ভরে নিল, এমনকি এ বাহিনীর কোন পাত্রই আর অপূর্ণ থাকল না। এরপর সকলেই পরিতৃপ্তি সহকারে আহার করলেন। কিছু রয়েও গেল।তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ব্যতীত প্রকৃত কোন ইলাহ নেই এবং আমি আল্লাহর প্রেরিত রসূল, যে ব্যক্তি নিঃসন্দেহে এ কথা দু’টোর উপর ঈমান রেখে আল্লাহর নিকট উপস্থিত হবে সে জান্নাত থেকে বঞ্চিত হবে না। (ই.ফা. ৪৬; ই.সে. ৪৭)
حدثنا سهل بن عثمان، وأبو كريب محمد بن العلاء جميعا عن أبي معاوية، - قال أبو كريب حدثنا أبو معاوية، - عن الأعمش، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، أو عن أبي سعيد، - شك الأعمش - قال لما كان غزوة تبوك أصاب الناس مجاعة . قالوا يا رسول الله لو أذنت لنا فنحرنا نواضحنا فأكلنا وادهنا . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " افعلوا " . قال فجاء عمر فقال يا رسول الله إن فعلت قل الظهر ولكن ادعهم بفضل أزوادهم ثم ادع الله لهم عليها بالبركة لعل الله أن يجعل في ذلك . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " نعم " . قال فدعا بنطع فبسطه ثم دعا بفضل أزوادهم - قال - فجعل الرجل يجيء بكف ذرة - قال - ويجيء الآخر بكف تمر - قال - ويجيء الآخر بكسرة حتى اجتمع على النطع من ذلك شىء يسير - قال - فدعا رسول الله صلى الله عليه وسلم عليه بالبركة ثم قال " خذوا في أوعيتكم " . قال فأخذوا في أوعيتهم حتى ما تركوا في العسكر وعاء إلا ملأوه - قال - فأكلوا حتى شبعوا وفضلت فضلة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أشهد أن لا إله إلا الله وأني رسول الله لا يلقى الله بهما عبد غير شاك فيحجب عن الجنة " .
সহিহ মুসলিম ৪৮
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، عن ابن عجلان، عن محمد بن يحيى بن حبان، عن ابن محيريز، عن الصنابحي، عن عبادة بن الصامت، أنه قال دخلت عليه وهو في الموت فبكيت فقال مهلا لم تبكي فوالله لئن استشهدت لأشهدن لك ولئن شفعت لأشفعن لك ولئن استطعت لأنفعنك ثم قال والله ما من حديث سمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم لكم فيه خير إلا حدثتكموه إلا حديثا واحدا وسوف أحدثكموه اليوم وقد أحيط بنفسي سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " من شهد أن لا إله إلا الله وأن محمدا رسول الله حرم الله عليه النار " .
সুনাবিহী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি ‘উবাদাহ্ ইবনু সামিত (রাঃ)-এর উদ্ধৃতি দিয়ে বর্ণনা করেন। সুনাবিহী বলেন, ‘উবাদাহ ইবনু সামিত (রাঃ) যখন মৃত্যু শয্যায় তখন আমি তাঁর নিকট গেলাম, (তাঁকে দেখে) আমি কেঁদে ফেললাম। এ সময় তিনি আমাকে ধমক দিয়ে বললেন, থামো, কাঁদছো কেন? আলাহর কসম! আমাকে যদি সাক্ষী বানানো হয়, আমি তোমার স্বপক্ষে সাক্ষ্য দিবো, আর যদি সুপারিশ করার অধিকারী হই তবে তোমার জন্য সুপারিশ করবো। আর যদি তোমার কোন উপকার করতে পারি, নিশ্চয়ই সেটাও করবো। অতঃপর তিনি বললেন, আল্লাহর কসম! এ যাবৎ আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে যে কোন হাদীস শুনেছি, যার মধ্যে তোমাদের জন্য কল্যাণ নিহিত আছে, তা আমি অবশ্যই তোমাদের কাছে বর্ণনা করেছি। কিন্তু একটি মাত্র হাদীস (যা এতদিন আমি তোমাদেরকে বলিনি) আজ এখনই তা আমি তোমাদের কাছে বর্ণনা করবো। কেননা বর্তমানে আমি মৃত্যুর বেষ্টনীতে আবদ্ধ। আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি এ সাক্ষ্য দেয় যে, “আল্লাহ ব্যতীত প্রকৃত কোন ইলাহ নেই এবং মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহর রসূল, আল্লাহ তার উপর জাহান্নামের আগুন হারাম করে দিবেন।” (ই.ফা. ৪৯; ই.সে. ৫০)
সুনাবিহী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি ‘উবাদাহ্ ইবনু সামিত (রাঃ)-এর উদ্ধৃতি দিয়ে বর্ণনা করেন। সুনাবিহী বলেন, ‘উবাদাহ ইবনু সামিত (রাঃ) যখন মৃত্যু শয্যায় তখন আমি তাঁর নিকট গেলাম, (তাঁকে দেখে) আমি কেঁদে ফেললাম। এ সময় তিনি আমাকে ধমক দিয়ে বললেন, থামো, কাঁদছো কেন? আলাহর কসম! আমাকে যদি সাক্ষী বানানো হয়, আমি তোমার স্বপক্ষে সাক্ষ্য দিবো, আর যদি সুপারিশ করার অধিকারী হই তবে তোমার জন্য সুপারিশ করবো। আর যদি তোমার কোন উপকার করতে পারি, নিশ্চয়ই সেটাও করবো। অতঃপর তিনি বললেন, আল্লাহর কসম! এ যাবৎ আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে যে কোন হাদীস শুনেছি, যার মধ্যে তোমাদের জন্য কল্যাণ নিহিত আছে, তা আমি অবশ্যই তোমাদের কাছে বর্ণনা করেছি। কিন্তু একটি মাত্র হাদীস (যা এতদিন আমি তোমাদেরকে বলিনি) আজ এখনই তা আমি তোমাদের কাছে বর্ণনা করবো। কেননা বর্তমানে আমি মৃত্যুর বেষ্টনীতে আবদ্ধ। আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি এ সাক্ষ্য দেয় যে, “আল্লাহ ব্যতীত প্রকৃত কোন ইলাহ নেই এবং মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহর রসূল, আল্লাহ তার উপর জাহান্নামের আগুন হারাম করে দিবেন।” (ই.ফা. ৪৯; ই.সে. ৫০)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، عن ابن عجلان، عن محمد بن يحيى بن حبان، عن ابن محيريز، عن الصنابحي، عن عبادة بن الصامت، أنه قال دخلت عليه وهو في الموت فبكيت فقال مهلا لم تبكي فوالله لئن استشهدت لأشهدن لك ولئن شفعت لأشفعن لك ولئن استطعت لأنفعنك ثم قال والله ما من حديث سمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم لكم فيه خير إلا حدثتكموه إلا حديثا واحدا وسوف أحدثكموه اليوم وقد أحيط بنفسي سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " من شهد أن لا إله إلا الله وأن محمدا رسول الله حرم الله عليه النار " .
সহিহ মুসলিম ৪৯
حدثنا هداب بن خالد الأزدي، حدثنا همام، حدثنا قتادة، حدثنا أنس بن مالك، عن معاذ بن جبل، قال كنت ردف النبي صلى الله عليه وسلم ليس بيني وبينه إلا مؤخرة الرحل فقال " يا معاذ بن جبل " . قلت لبيك رسول الله وسعديك . ثم سار ساعة ثم قال " يا معاذ بن جبل " . قلت لبيك رسول الله وسعديك . ثم سار ساعة ثم قال " يا معاذ بن جبل " . قلت لبيك رسول الله وسعديك . قال " هل تدري ما حق الله على العباد " . قال قلت الله ورسوله أعلم . قال " فإن حق الله على العباد أن يعبدوه ولا يشركوا به شيئا " . ثم سار ساعة ثم قال " يا معاذ بن جبل " . قلت لبيك رسول الله وسعديك . قال " هل تدري ما حق العباد على الله إذا فعلوا ذلك " . قال قلت الله ورسوله أعلم . قال " أن لا يعذبهم " .
মু’আয ইবনু জাবাল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি এক সময় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বাহনের পিছনে বসা ছিলাম। আমার ও নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মাঝে হাওদার কাঠের টুকরা ব্যতীত কোন ব্যবধান ছিল না। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, ‘হে মু’আয ইবনু জাবাল!’ আমি বললাম, ‘ইয়া রসূলাল্লাহ! উপস্থিত আছি; আপনার আনুগত্য শিরোধার্য’। অতঃপর তিনি কিছু দূর অগ্রসর হয়ে পুনরায় বললেন, ‘হে মু’আয ইবনু জাবাল!’ আমি বললাম, ‘ইয়া রসূলাল্লাহ! উপস্থিত আছি; আপনার আনুগত্য শিরোধার্য’। তিনি বললেন, তুমি কি জান, বান্দার উপর আল্লাহর কী হক রয়েছে? আমি বললাম, ‘আল্লাহ এবং তাঁর রসূলই তা উত্তম জানেন।’ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, ‘বান্দার উপর আল্লাহর হক হলো তারা তাঁর ‘ইবাদাত করবে এবং তাঁর সঙ্গে কোন কিছুকে শারীক করবে না।’ অতঃপর কিছু দূর চললেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবার বললেন, ‘হে মু’আয ইবনু জাবাল!’ আমি বললাম, ‘ইয়া রসূলাল্লাহ! উপস্থিত আছি; আপনার আনুগত্য শিরোধার্য’। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, ‘তুমি কি জান, এগুলো করলে আল্লাহর কাছে বান্দার কী হক আছে?’ আমি বললাম, আল্লাহ তাঁর রসূলই ভালো জানেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, ‘আল্লাহ তা’আলা তাকে শাস্তি দিবেন না।’ (ই.ফা. ৫০; ই.সে. ৫১)
মু’আয ইবনু জাবাল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি এক সময় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বাহনের পিছনে বসা ছিলাম। আমার ও নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মাঝে হাওদার কাঠের টুকরা ব্যতীত কোন ব্যবধান ছিল না। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, ‘হে মু’আয ইবনু জাবাল!’ আমি বললাম, ‘ইয়া রসূলাল্লাহ! উপস্থিত আছি; আপনার আনুগত্য শিরোধার্য’। অতঃপর তিনি কিছু দূর অগ্রসর হয়ে পুনরায় বললেন, ‘হে মু’আয ইবনু জাবাল!’ আমি বললাম, ‘ইয়া রসূলাল্লাহ! উপস্থিত আছি; আপনার আনুগত্য শিরোধার্য’। তিনি বললেন, তুমি কি জান, বান্দার উপর আল্লাহর কী হক রয়েছে? আমি বললাম, ‘আল্লাহ এবং তাঁর রসূলই তা উত্তম জানেন।’ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, ‘বান্দার উপর আল্লাহর হক হলো তারা তাঁর ‘ইবাদাত করবে এবং তাঁর সঙ্গে কোন কিছুকে শারীক করবে না।’ অতঃপর কিছু দূর চললেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবার বললেন, ‘হে মু’আয ইবনু জাবাল!’ আমি বললাম, ‘ইয়া রসূলাল্লাহ! উপস্থিত আছি; আপনার আনুগত্য শিরোধার্য’। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, ‘তুমি কি জান, এগুলো করলে আল্লাহর কাছে বান্দার কী হক আছে?’ আমি বললাম, আল্লাহ তাঁর রসূলই ভালো জানেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, ‘আল্লাহ তা’আলা তাকে শাস্তি দিবেন না।’ (ই.ফা. ৫০; ই.সে. ৫১)
حدثنا هداب بن خالد الأزدي، حدثنا همام، حدثنا قتادة، حدثنا أنس بن مالك، عن معاذ بن جبل، قال كنت ردف النبي صلى الله عليه وسلم ليس بيني وبينه إلا مؤخرة الرحل فقال " يا معاذ بن جبل " . قلت لبيك رسول الله وسعديك . ثم سار ساعة ثم قال " يا معاذ بن جبل " . قلت لبيك رسول الله وسعديك . ثم سار ساعة ثم قال " يا معاذ بن جبل " . قلت لبيك رسول الله وسعديك . قال " هل تدري ما حق الله على العباد " . قال قلت الله ورسوله أعلم . قال " فإن حق الله على العباد أن يعبدوه ولا يشركوا به شيئا " . ثم سار ساعة ثم قال " يا معاذ بن جبل " . قلت لبيك رسول الله وسعديك . قال " هل تدري ما حق العباد على الله إذا فعلوا ذلك " . قال قلت الله ورسوله أعلم . قال " أن لا يعذبهم " .
সহিহ মুসলিম ৫১
حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قال ابن المثنى حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن أبي حصين، والأشعث بن سليم، أنهما سمعا الأسود بن هلال، يحدث عن معاذ بن جبل، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يا معاذ أتدري ما حق الله على العباد " . قال الله ورسوله أعلم . قال " أن يعبد الله ولا يشرك به شىء - قال - أتدري ما حقهم عليه إذا فعلوا ذلك " . فقال الله ورسوله أعلم . قال " أن لا يعذبهم " .
মু’আয ইবনু জাবাল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ‘হে মু’আয! তুমি কি জান, বান্দার উপর আল্লাহর কী হক?’ তিনি বললেন, ‘আল্লাহ তাঁর রসূলই ভালো জানেন।’ রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, ‘তা হলো, আল্লাহর ‘ইবাদাত করা এবং তাঁর সঙ্গে অন্য কিছুকে শারীক না করা’ তিনি বললেন, ‘তুমি কি জান, তা করলে আল্লাহর নিকট বান্দার হক কী?’ মু’আয বললেন, ‘আল্লাহ তাঁর রসূলই ভালো জানেন।’ তিনি বললেন, ‘তাদের তিনি শাস্তি দিবেন না।’ (ই.ফা. ৫২; ই.সে. ৫৩)
মু’আয ইবনু জাবাল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ‘হে মু’আয! তুমি কি জান, বান্দার উপর আল্লাহর কী হক?’ তিনি বললেন, ‘আল্লাহ তাঁর রসূলই ভালো জানেন।’ রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, ‘তা হলো, আল্লাহর ‘ইবাদাত করা এবং তাঁর সঙ্গে অন্য কিছুকে শারীক না করা’ তিনি বললেন, ‘তুমি কি জান, তা করলে আল্লাহর নিকট বান্দার হক কী?’ মু’আয বললেন, ‘আল্লাহ তাঁর রসূলই ভালো জানেন।’ তিনি বললেন, ‘তাদের তিনি শাস্তি দিবেন না।’ (ই.ফা. ৫২; ই.সে. ৫৩)
حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قال ابن المثنى حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن أبي حصين، والأشعث بن سليم، أنهما سمعا الأسود بن هلال، يحدث عن معاذ بن جبل، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يا معاذ أتدري ما حق الله على العباد " . قال الله ورسوله أعلم . قال " أن يعبد الله ولا يشرك به شىء - قال - أتدري ما حقهم عليه إذا فعلوا ذلك " . فقال الله ورسوله أعلم . قال " أن لا يعذبهم " .
সহিহ মুসলিম ৫২
حدثنا القاسم بن زكرياء، حدثنا حسين، عن زائدة، عن أبي حصين، عن الأسود بن هلال، قال سمعت معاذا، يقول دعاني رسول الله صلى الله عليه وسلم فأجبته فقال " هل تدري ما حق الله على الناس " . نحو حديثهم .
মু’আয (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে ডাকলেন। আমি তাঁর আহ্বানে সাড়া দিলাম। তারপর তিনি বললেন, তুমি কি জান মানূষের উপর আল্লাহর হক কী? ..... বাকি অংশ উপরোক্ত হাদীসের মত। (ই.ফা. ৫৩; ই.সে. ৫৪)
মু’আয (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে ডাকলেন। আমি তাঁর আহ্বানে সাড়া দিলাম। তারপর তিনি বললেন, তুমি কি জান মানূষের উপর আল্লাহর হক কী? ..... বাকি অংশ উপরোক্ত হাদীসের মত। (ই.ফা. ৫৩; ই.সে. ৫৪)
حدثنا القاسم بن زكرياء، حدثنا حسين، عن زائدة، عن أبي حصين، عن الأسود بن هلال، قال سمعت معاذا، يقول دعاني رسول الله صلى الله عليه وسلم فأجبته فقال " هل تدري ما حق الله على الناس " . نحو حديثهم .
সহিহ মুসলিম ৫০
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو الأحوص، سلام بن سليم عن أبي إسحاق، عن عمرو بن ميمون، عن معاذ بن جبل، قال كنت ردف رسول الله صلى الله عليه وسلم على حمار يقال له عفير قال فقال " يا معاذ تدري ما حق الله على العباد وما حق العباد على الله " . قال قلت الله ورسوله أعلم . قال " فإن حق الله على العباد أن يعبدوا الله ولا يشركوا به شيئا وحق العباد على الله عز وجل أن لا يعذب من لا يشرك به شيئا " . قال قلت يا رسول الله أفلا أبشر الناس قال " لا تبشرهم فيتكلوا " .
মু’আয ইবনু জাবাল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি এক সফরে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর গাধা ‘উফায়র-এর পিঠে তাঁর পিছনে বসা ছিলাম। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, ‘হে মু’আয! তুমি কি জান, বান্দার উপর আল্লাহর হক কী এবং আল্লাহর উপর বান্দার হক কী?’ আমি বললাম, ‘আল্লাহ তাঁর রসূলই ভালো জানেন।’ রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, ‘বান্দার উপর আল্লাহর হক হলো তারা আলাহর ‘ইবাদাত করবে এবং তাঁর সঙ্গে কোন কিছু শারীক করবে না। আর আল্লাহর উপর বান্দার হক হলো, যে তাঁর সঙ্গে শারীক করবে না, তাকে তিনি শাস্তি দিবেন না।’ মু’আয বললেন, ‘আমি আরয করলাম, হে আল্লাহর রসূল! আমি কি লোকদের এ সংবাদ জানিয়ে দেব না?’ তিনি বললেন, না; লোকেদের এ সংবাদ দিও না, তাহলে তারা এর উপর ভরসা করে থাকবে। (অর্থাৎ, ‘আমাল করা ছেড়ে দিবে) (ই.ফা. ৫১; ই.সে. ৫২)
মু’আয ইবনু জাবাল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি এক সফরে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর গাধা ‘উফায়র-এর পিঠে তাঁর পিছনে বসা ছিলাম। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, ‘হে মু’আয! তুমি কি জান, বান্দার উপর আল্লাহর হক কী এবং আল্লাহর উপর বান্দার হক কী?’ আমি বললাম, ‘আল্লাহ তাঁর রসূলই ভালো জানেন।’ রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, ‘বান্দার উপর আল্লাহর হক হলো তারা আলাহর ‘ইবাদাত করবে এবং তাঁর সঙ্গে কোন কিছু শারীক করবে না। আর আল্লাহর উপর বান্দার হক হলো, যে তাঁর সঙ্গে শারীক করবে না, তাকে তিনি শাস্তি দিবেন না।’ মু’আয বললেন, ‘আমি আরয করলাম, হে আল্লাহর রসূল! আমি কি লোকদের এ সংবাদ জানিয়ে দেব না?’ তিনি বললেন, না; লোকেদের এ সংবাদ দিও না, তাহলে তারা এর উপর ভরসা করে থাকবে। (অর্থাৎ, ‘আমাল করা ছেড়ে দিবে) (ই.ফা. ৫১; ই.সে. ৫২)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو الأحوص، سلام بن سليم عن أبي إسحاق، عن عمرو بن ميمون، عن معاذ بن جبل، قال كنت ردف رسول الله صلى الله عليه وسلم على حمار يقال له عفير قال فقال " يا معاذ تدري ما حق الله على العباد وما حق العباد على الله " . قال قلت الله ورسوله أعلم . قال " فإن حق الله على العباد أن يعبدوا الله ولا يشركوا به شيئا وحق العباد على الله عز وجل أن لا يعذب من لا يشرك به شيئا " . قال قلت يا رسول الله أفلا أبشر الناس قال " لا تبشرهم فيتكلوا " .
সহিহ মুসলিম ৫৪
حدثنا إسحاق بن منصور، أخبرنا معاذ بن هشام، قال حدثني أبي، عن قتادة، قال حدثنا أنس بن مالك، أن نبي الله صلى الله عليه وسلم ومعاذ بن جبل رديفه على الرحل قال " يا معاذ " . قال لبيك رسول الله وسعديك . قال " يا معاذ " . قال لبيك رسول الله وسعديك . قال " يا معاذ " . قال لبيك رسول الله وسعديك . قال " ما من عبد يشهد أن لا إله إلا الله وأن محمدا عبده ورسوله إلا حرمه الله على النار " . قال يا رسول الله أفلا أخبر بها الناس فيستبشروا قال " إذا يتكلوا " فأخبر بها معاذ عند موته تأثما .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও মু’আয ইবনু জাবাল (রাঃ) একই বাহনের পৃষ্ঠে উপবিষ্ট ছিলেন। তারপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, “হে মু’আয ইবনু জাবাল! মু’আয (রাঃ) বলেন, ইয়া রসূলাল্লাহ! আমি উপস্থিত, আপনার আনুগত্য শিরোধার্য। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পুনরায় বললেন, ‘হে মু’আয ইবনু জাবাল! মু’আয (রাঃ) বলেন, ইয়া রসূলাল্লাহ! আমি হাযির, আপনার আনুগত্য শিরোধার্য। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, যদি কোন বান্দা সাক্ষ্য দেয় যে, আল্লাহ ছাড়া প্রকৃতপক্ষে কোন ইলাহ নেই এবং মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর বান্দা ও রসূল- তবে তার উপর জাহান্নামের আগুন হারাম করে দিবেন। মু’আয (রাঃ) বলেন, ইয়া রসূলাল্লাহ! আমি কি লোকদের এ সংবাদ দিব? যাতে তারা সুসংবাদ পায়। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তাহলে লোকেরা এর উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়বে। পরে সত্য কথা গোপন রাখার গুনাহের ভয়ে মু’আয (রাঃ) মৃত্যুর সময় এ খবরটি শুনিয়ে গেছেন। (ই.ফা. ৫৫; ই.সে. ৫৬)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও মু’আয ইবনু জাবাল (রাঃ) একই বাহনের পৃষ্ঠে উপবিষ্ট ছিলেন। তারপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, “হে মু’আয ইবনু জাবাল! মু’আয (রাঃ) বলেন, ইয়া রসূলাল্লাহ! আমি উপস্থিত, আপনার আনুগত্য শিরোধার্য। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পুনরায় বললেন, ‘হে মু’আয ইবনু জাবাল! মু’আয (রাঃ) বলেন, ইয়া রসূলাল্লাহ! আমি হাযির, আপনার আনুগত্য শিরোধার্য। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, যদি কোন বান্দা সাক্ষ্য দেয় যে, আল্লাহ ছাড়া প্রকৃতপক্ষে কোন ইলাহ নেই এবং মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর বান্দা ও রসূল- তবে তার উপর জাহান্নামের আগুন হারাম করে দিবেন। মু’আয (রাঃ) বলেন, ইয়া রসূলাল্লাহ! আমি কি লোকদের এ সংবাদ দিব? যাতে তারা সুসংবাদ পায়। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তাহলে লোকেরা এর উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়বে। পরে সত্য কথা গোপন রাখার গুনাহের ভয়ে মু’আয (রাঃ) মৃত্যুর সময় এ খবরটি শুনিয়ে গেছেন। (ই.ফা. ৫৫; ই.সে. ৫৬)
حدثنا إسحاق بن منصور، أخبرنا معاذ بن هشام، قال حدثني أبي، عن قتادة، قال حدثنا أنس بن مالك، أن نبي الله صلى الله عليه وسلم ومعاذ بن جبل رديفه على الرحل قال " يا معاذ " . قال لبيك رسول الله وسعديك . قال " يا معاذ " . قال لبيك رسول الله وسعديك . قال " يا معاذ " . قال لبيك رسول الله وسعديك . قال " ما من عبد يشهد أن لا إله إلا الله وأن محمدا عبده ورسوله إلا حرمه الله على النار " . قال يا رسول الله أفلا أخبر بها الناس فيستبشروا قال " إذا يتكلوا " فأخبر بها معاذ عند موته تأثما .
সহিহ মুসলিম ৫৩
حدثني زهير بن حرب، حدثنا عمر بن يونس الحنفي، حدثنا عكرمة بن عمار، قال حدثني أبو كثير، قال حدثني أبو هريرة، قال كنا قعودا حول رسول الله صلى الله عليه وسلم معنا أبو بكر وعمر في نفر فقام رسول الله صلى الله عليه وسلم من بين أظهرنا فأبطأ علينا وخشينا أن يقتطع دوننا وفزعنا فقمنا فكنت أول من فزع فخرجت أبتغي رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى أتيت حائطا للأنصار لبني النجار فدرت به هل أجد له بابا فلم أجد فإذا ربيع يدخل في جوف حائط من بئر خارجة - والربيع الجدول - فاحتفزت كما يحتفز الثعلب فدخلت على رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال " أبو هريرة " . فقلت نعم يا رسول الله . قال " ما شأنك " . قلت كنت بين أظهرنا فقمت فأبطأت علينا فخشينا أن تقتطع دوننا ففزعنا فكنت أول من فزع فأتيت هذا الحائط فاحتفزت كما يحتفز الثعلب وهؤلاء الناس ورائي فقال " يا أبا هريرة " . وأعطاني نعليه قال " اذهب بنعلى هاتين فمن لقيت من وراء هذا الحائط يشهد أن لا إله إلا الله مستيقنا بها قلبه فبشره بالجنة " فكان أول من لقيت عمر فقال ما هاتان النعلان يا أبا هريرة . فقلت هاتان نعلا رسول الله صلى الله عليه وسلم بعثني بهما من لقيت يشهد أن لا إله إلا الله مستيقنا بها قلبه بشرته بالجنة . فضرب عمر بيده بين ثديى فخررت لاستي فقال ارجع يا أبا هريرة فرجعت إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فأجهشت بكاء وركبني عمر فإذا هو على أثري فقال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم " ما لك يا أبا هريرة " . قلت لقيت عمر فأخبرته بالذي بعثتني به فضرب بين ثديى ضربة خررت لاستي قال ارجع . فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم " يا عمر ما حملك على ما فعلت " . قال يا رسول الله بأبي أنت وأمي أبعثت أبا هريرة بنعليك من لقي يشهد أن لا إله إلا الله مستيقنا بها قلبه بشره بالجنة . قال " نعم " . قال فلا تفعل فإني أخشى أن يتكل الناس عليها فخلهم يعملون . قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " فخلهم " .
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা আমরা (সহাবাগণ) রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে ঘিরে বসেছিলাম। আমাদের জামা‘আতে আবূ বাক্র এবং ‘উমার (রাঃ)-ও ছিলেন। এ সময় রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের মাঝ থেকে ওঠে গেলেন। দীর্ঘক্ষণ অতিক্রান্তের পর আমরা শঙ্কিত হলাম যে, তিনি কোথাও কোন বিপদের সম্মুখীন কিনা। তাই আমরা ব্যতিব্যস্ত হয়ে পড়লাম। আর আমি সর্বপ্রথম বিচলিত হলাম। তাই আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর খোঁজে বের হয়ে পড়লাম। আমি বানু নাজ্জারের জনৈক আনসারীর বাগানের নিকট এসে উপনীত হলাম। আর বাগানের অভ্যন্তরে প্রবেশের কোন পথ খুঁজে পাওয়া যায় কিনা সেজন্য চারদিকে ঘুরলাম। কিন্তু পেলাম না। হঠাৎ দেখতে পেলাম বাইরের একটি কুয়া থেকে একটি নালা বাগানের অভ্যন্তরে প্রবাহিত হচ্ছে। সংকীর্ণ নালাকে ‘জাদওয়াল’ বলা হয়। অতঃপর আমি নিজেকে শেয়ালের ন্যায় সংকুচিত করে নর্দমার মধ্য দিয়ে গিয়ে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপনীত হলাম। তিনি বললেন, আবূ হুরায়রাহ নাকি? আমি বললাম, জী-হ্যাঁ, ইয়া রসূলাল্লাহ! তিনি জিজ্ঞেস করলেন, কি ব্যাপার? আমি বললাম, আপনি আমাদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন। হঠাৎ উঠে চলে আসলেন, আর দীর্ঘক্ষণ পরও ফিরে না যাওয়ায় আমরা বিচলিত হয়ে পড়েছি। আমাদের অনুপস্থিতিতে কোথাও বিপদের সম্মুখীন হলেন কিনা আমাদের এ আশঙ্কা হলো। আর আমি সর্বপ্রথম বিচলিত হয়ে পড়ি। আমি এ দেয়ালের কাছে এসে শেয়ালের ন্যায় সঙ্কুচিত হয়ে নালার ভিতর দিয়ে এখানে উপস্থিত হলাম। অন্যান্যরা আমার পেছনে আছে। তিনি তাঁর জুতা জোড়া আমাকে দিয়ে বললেন, হে আবূ হুরায়রাহ! আমার জুতা জোড়া সাথে নিয়ে যাও। এ বাগানের বাইরে যার সাথেই তোমার সাক্ষাৎ হয় তাকে বলোঃ ‘যে ব্যক্তি দৃঢ় বিশ্বাস নিয়ে এ সাক্ষ্য দেয় যে, আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন ইলাহ নেই’ তাকে জান্নাতের সুসংবাদ দাও।” বর্ণনাকারী [আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) ] বলেন, সর্বপ্রথম ‘উমার (রাঃ)-এর সাথে আমার সাক্ষাৎ হলো। তিনি আমাকে বললেন, হে আবূ হুরায়রাহ! জুতা জোড়া কার? আমি বললাম, আল্লাহর রসূলের। তিনি আমাকে এ জুতা জোড়াসহ এই বলে পাঠিয়েছেন যে, ‘যে ব্যক্তি প্রশান্ত মনে এ সাক্ষ্য দিবে যে, আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন ইলাহ নেই, তাকে তুমি জান্নাতের সুসংবাদ দিবে” তিনি [আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) ] বলেন, আমার এ কথা শুনে ‘উমার (রাঃ) আমার বুকের উপর এমন জোরে চপেটাঘাত করলেন যে, আমি পেছন দিকে পড়ে গেলাম। আর তিনি বললেন, হে আবূ হুরায়রাহ! তুমি (রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর) নিকট ফিরে চলো। তাই আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট কাঁদো কাঁদো অবস্থায় ফিরে আসলাম। আমার পেছনে পেছনে ‘উমার (রাঃ) সেখানে উপস্থিত হলেন। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, হে আবূ হুরায়রাহ! তোমার কি হয়েছে? আমি বললাম, আমার সাথে ‘উমারের সাক্ষাৎ হয়েছিল এবং আপনি আমাকে যে সুসংবাদ দিয়ে পাঠিয়েছিলেন তাঁকে এটা জানালে তিনি আমার বুকে এমন জোরে ঘুষি মারলেন যে, আমি পিছন দিকে পড়ে যাই। তিনি এটাও বলেছেন যে, আমি যেন (আপনার নিকট) ফিরে আসি। রসূলাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হে ‘উমার! কোন বস্তু তোমাকে এমন কাজ করতে উদ্যত করলো? তিনি বললেন, ইয়া রসূলাল্লাহ! আমার পিতা-মাতা আপনার উপর কুরবান হোক। আপনি কি আপনার জুতা জোড়াসহ আবূ হুরায়রাহ কে এ বলে পাঠিয়েছেন যে, যার সাথে তোমার সাক্ষাৎ হয় তাকে বলো, যে ব্যক্তি সর্বান্তঃকরণে এ সাক্ষ্য দিবে যে, “আল্লাহ ব্যতীত প্রকৃত কোন ইলাহ নেই” তাকে জান্নাতের সুসংবাদ দাও? তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হ্যাঁ। ‘উমার (রাঃ) বললেন, এরূপ করবেন না, কেননা আমার আশংকা হচ্ছে এতে লোকেরা (‘আমাল বর্জন করে) এর উপর ভরসা করে বসে থাকবে, কাজেই লোকদেরকে ‘আমাল করার সুযোগ দিন। অতঃপর রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আচ্ছা তাদেরকে ছেড়ে দাও। (ই.ফা. ৫৪; ই.সে. ৫৫)
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা আমরা (সহাবাগণ) রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে ঘিরে বসেছিলাম। আমাদের জামা‘আতে আবূ বাক্র এবং ‘উমার (রাঃ)-ও ছিলেন। এ সময় রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের মাঝ থেকে ওঠে গেলেন। দীর্ঘক্ষণ অতিক্রান্তের পর আমরা শঙ্কিত হলাম যে, তিনি কোথাও কোন বিপদের সম্মুখীন কিনা। তাই আমরা ব্যতিব্যস্ত হয়ে পড়লাম। আর আমি সর্বপ্রথম বিচলিত হলাম। তাই আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর খোঁজে বের হয়ে পড়লাম। আমি বানু নাজ্জারের জনৈক আনসারীর বাগানের নিকট এসে উপনীত হলাম। আর বাগানের অভ্যন্তরে প্রবেশের কোন পথ খুঁজে পাওয়া যায় কিনা সেজন্য চারদিকে ঘুরলাম। কিন্তু পেলাম না। হঠাৎ দেখতে পেলাম বাইরের একটি কুয়া থেকে একটি নালা বাগানের অভ্যন্তরে প্রবাহিত হচ্ছে। সংকীর্ণ নালাকে ‘জাদওয়াল’ বলা হয়। অতঃপর আমি নিজেকে শেয়ালের ন্যায় সংকুচিত করে নর্দমার মধ্য দিয়ে গিয়ে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপনীত হলাম। তিনি বললেন, আবূ হুরায়রাহ নাকি? আমি বললাম, জী-হ্যাঁ, ইয়া রসূলাল্লাহ! তিনি জিজ্ঞেস করলেন, কি ব্যাপার? আমি বললাম, আপনি আমাদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন। হঠাৎ উঠে চলে আসলেন, আর দীর্ঘক্ষণ পরও ফিরে না যাওয়ায় আমরা বিচলিত হয়ে পড়েছি। আমাদের অনুপস্থিতিতে কোথাও বিপদের সম্মুখীন হলেন কিনা আমাদের এ আশঙ্কা হলো। আর আমি সর্বপ্রথম বিচলিত হয়ে পড়ি। আমি এ দেয়ালের কাছে এসে শেয়ালের ন্যায় সঙ্কুচিত হয়ে নালার ভিতর দিয়ে এখানে উপস্থিত হলাম। অন্যান্যরা আমার পেছনে আছে। তিনি তাঁর জুতা জোড়া আমাকে দিয়ে বললেন, হে আবূ হুরায়রাহ! আমার জুতা জোড়া সাথে নিয়ে যাও। এ বাগানের বাইরে যার সাথেই তোমার সাক্ষাৎ হয় তাকে বলোঃ ‘যে ব্যক্তি দৃঢ় বিশ্বাস নিয়ে এ সাক্ষ্য দেয় যে, আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন ইলাহ নেই’ তাকে জান্নাতের সুসংবাদ দাও।” বর্ণনাকারী [আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) ] বলেন, সর্বপ্রথম ‘উমার (রাঃ)-এর সাথে আমার সাক্ষাৎ হলো। তিনি আমাকে বললেন, হে আবূ হুরায়রাহ! জুতা জোড়া কার? আমি বললাম, আল্লাহর রসূলের। তিনি আমাকে এ জুতা জোড়াসহ এই বলে পাঠিয়েছেন যে, ‘যে ব্যক্তি প্রশান্ত মনে এ সাক্ষ্য দিবে যে, আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন ইলাহ নেই, তাকে তুমি জান্নাতের সুসংবাদ দিবে” তিনি [আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) ] বলেন, আমার এ কথা শুনে ‘উমার (রাঃ) আমার বুকের উপর এমন জোরে চপেটাঘাত করলেন যে, আমি পেছন দিকে পড়ে গেলাম। আর তিনি বললেন, হে আবূ হুরায়রাহ! তুমি (রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর) নিকট ফিরে চলো। তাই আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট কাঁদো কাঁদো অবস্থায় ফিরে আসলাম। আমার পেছনে পেছনে ‘উমার (রাঃ) সেখানে উপস্থিত হলেন। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, হে আবূ হুরায়রাহ! তোমার কি হয়েছে? আমি বললাম, আমার সাথে ‘উমারের সাক্ষাৎ হয়েছিল এবং আপনি আমাকে যে সুসংবাদ দিয়ে পাঠিয়েছিলেন তাঁকে এটা জানালে তিনি আমার বুকে এমন জোরে ঘুষি মারলেন যে, আমি পিছন দিকে পড়ে যাই। তিনি এটাও বলেছেন যে, আমি যেন (আপনার নিকট) ফিরে আসি। রসূলাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হে ‘উমার! কোন বস্তু তোমাকে এমন কাজ করতে উদ্যত করলো? তিনি বললেন, ইয়া রসূলাল্লাহ! আমার পিতা-মাতা আপনার উপর কুরবান হোক। আপনি কি আপনার জুতা জোড়াসহ আবূ হুরায়রাহ কে এ বলে পাঠিয়েছেন যে, যার সাথে তোমার সাক্ষাৎ হয় তাকে বলো, যে ব্যক্তি সর্বান্তঃকরণে এ সাক্ষ্য দিবে যে, “আল্লাহ ব্যতীত প্রকৃত কোন ইলাহ নেই” তাকে জান্নাতের সুসংবাদ দাও? তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হ্যাঁ। ‘উমার (রাঃ) বললেন, এরূপ করবেন না, কেননা আমার আশংকা হচ্ছে এতে লোকেরা (‘আমাল বর্জন করে) এর উপর ভরসা করে বসে থাকবে, কাজেই লোকদেরকে ‘আমাল করার সুযোগ দিন। অতঃপর রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আচ্ছা তাদেরকে ছেড়ে দাও। (ই.ফা. ৫৪; ই.সে. ৫৫)
حدثني زهير بن حرب، حدثنا عمر بن يونس الحنفي، حدثنا عكرمة بن عمار، قال حدثني أبو كثير، قال حدثني أبو هريرة، قال كنا قعودا حول رسول الله صلى الله عليه وسلم معنا أبو بكر وعمر في نفر فقام رسول الله صلى الله عليه وسلم من بين أظهرنا فأبطأ علينا وخشينا أن يقتطع دوننا وفزعنا فقمنا فكنت أول من فزع فخرجت أبتغي رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى أتيت حائطا للأنصار لبني النجار فدرت به هل أجد له بابا فلم أجد فإذا ربيع يدخل في جوف حائط من بئر خارجة - والربيع الجدول - فاحتفزت كما يحتفز الثعلب فدخلت على رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال " أبو هريرة " . فقلت نعم يا رسول الله . قال " ما شأنك " . قلت كنت بين أظهرنا فقمت فأبطأت علينا فخشينا أن تقتطع دوننا ففزعنا فكنت أول من فزع فأتيت هذا الحائط فاحتفزت كما يحتفز الثعلب وهؤلاء الناس ورائي فقال " يا أبا هريرة " . وأعطاني نعليه قال " اذهب بنعلى هاتين فمن لقيت من وراء هذا الحائط يشهد أن لا إله إلا الله مستيقنا بها قلبه فبشره بالجنة " فكان أول من لقيت عمر فقال ما هاتان النعلان يا أبا هريرة . فقلت هاتان نعلا رسول الله صلى الله عليه وسلم بعثني بهما من لقيت يشهد أن لا إله إلا الله مستيقنا بها قلبه بشرته بالجنة . فضرب عمر بيده بين ثديى فخررت لاستي فقال ارجع يا أبا هريرة فرجعت إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فأجهشت بكاء وركبني عمر فإذا هو على أثري فقال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم " ما لك يا أبا هريرة " . قلت لقيت عمر فأخبرته بالذي بعثتني به فضرب بين ثديى ضربة خررت لاستي قال ارجع . فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم " يا عمر ما حملك على ما فعلت " . قال يا رسول الله بأبي أنت وأمي أبعثت أبا هريرة بنعليك من لقي يشهد أن لا إله إلا الله مستيقنا بها قلبه بشره بالجنة . قال " نعم " . قال فلا تفعل فإني أخشى أن يتكل الناس عليها فخلهم يعملون . قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " فخلهم " .
সহিহ মুসলিম ৫৫
حدثنا شيبان بن فروخ، حدثنا سليمان، - يعني ابن المغيرة - قال حدثنا ثابت، عن أنس بن مالك، قال حدثني محمود بن الربيع، عن عتبان بن مالك، قال قدمت المدينة فلقيت عتبان فقلت حديث بلغني عنك قال أصابني في بصري بعض الشىء فبعثت إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم أني أحب أن تأتيني فتصلي في منزلي فأتخذه مصلى - قال - فأتى النبي صلى الله عليه وسلم ومن شاء الله من أصحابه فدخل وهو يصلي في منزلي وأصحابه يتحدثون بينهم ثم أسندوا عظم ذلك وكبره إلى مالك بن دخشم قالوا ودوا أنه دعا عليه فهلك وودوا أنه أصابه شر . فقضى رسول الله صلى الله عليه وسلم الصلاة وقال " أليس يشهد أن لا إله إلا الله وأني رسول الله " . قالوا إنه يقول ذلك وما هو في قلبه . قال " لا يشهد أحد أن لا إله إلا الله وأني رسول الله فيدخل النار أو تطعمه " . قال أنس فأعجبني هذا الحديث فقلت لابني اكتبه فكتبه .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমাকে মাহমূদ ইবনু রাবী‘ ইত্বান ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণনা করেছেন, মাহমূদ বলেন, আমি মাদীনায় আসলাম এবং ‘ইত্বানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বললাম, আপনার সূত্রে একটি হাদীস আমার কাছে পৌঁছেছে (সুতরাং ঘটনাটি আমাকে সবিস্তারে বলুন) । তিনি (‘ইত্বান) বললেন, আমার দৃষ্টিশক্তি কিছুটা কমে যাওয়ায় আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এ মর্মে সংবাদ পাঠালাম যে, আমার ইচ্ছা আপনি আমার বাড়িতে এসে এক জায়গায় সলাত আদায় করবেন এবং আমি সে জায়গাটি সলাতেরজন্য নির্দিষ্ট করে নিবো। তিনি (‘ইত্বান) বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আসলেন এবং আল্লাহর ইচ্ছায় তাঁর সাথে তাঁর কতিপয় সহাবাও আসলেন। তিনি ঘরে প্রবেশ করেই সলাত আদায় করতে লাগলেন। আর তাঁর সহাবাগণ আপোষে কথাবার্তা বলতে থাকলেন। তাঁদের আলোচনার এক পর্যায়ে এসে তাঁরা মালিক ইবনু দুখশুম [২৯] সম্পর্কে মস্ত বড় আপত্তিকর বদদু‘আ করুন এবং সে ধ্বংস হয়ে যাক। আবার কেউ এ ইচ্ছাও প্রকাশ করলেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বদদু‘আ করুন এবং সে ধ্বংস হয়ে যাক। আবার কেউ এ বাসনাও প্রকাশ করলেন যে, যদি তার উপর আকস্মিক কোন দুর্ঘটনা নেমে আসতো তাহলে খুবই উত্তম হতো। ইত্যবসরে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাত সমাপ্ত করলেন এবং জিজ্ঞেস করলেন, সে (মালিক) কি এ কথার সাক্ষ্য দেয় না যে, ‘আল্লাহ ব্যতীত প্রকৃত কোন উপাস্য নেই এবং আমি আল্লাহর রসূল?’ লোকেরা বলল, সে মুখে বলে ঠিকই কিন্তু তার অন্তরে এর প্রতি কোন উপাস্য নেই। তিনি বললেন, “যে কেউ এ সাক্ষ্য দিবে যে, “আল্লাহ ব্যতীত প্রকৃত কোন উপাস্য নেই এবং আমি আল্লাহর রসূল” সে জাহান্নামে প্রবেশ করবে না।” অথবা তিনি বলেছেন, আগুন তাকে গ্রাস করবে না। আনাস (রাঃ) বলেন, এ হাদীসটি আমার নিকট খুবই চমৎকার মনে হয়েছে। তাই আমি আমার পুত্রকে বললাম, এটা লিখে নাও। সুতরাং সে তা লিখে নিলো। (ই.ফা. ৫৬; ই.সে. ৫৭)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমাকে মাহমূদ ইবনু রাবী‘ ইত্বান ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণনা করেছেন, মাহমূদ বলেন, আমি মাদীনায় আসলাম এবং ‘ইত্বানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বললাম, আপনার সূত্রে একটি হাদীস আমার কাছে পৌঁছেছে (সুতরাং ঘটনাটি আমাকে সবিস্তারে বলুন) । তিনি (‘ইত্বান) বললেন, আমার দৃষ্টিশক্তি কিছুটা কমে যাওয়ায় আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এ মর্মে সংবাদ পাঠালাম যে, আমার ইচ্ছা আপনি আমার বাড়িতে এসে এক জায়গায় সলাত আদায় করবেন এবং আমি সে জায়গাটি সলাতেরজন্য নির্দিষ্ট করে নিবো। তিনি (‘ইত্বান) বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আসলেন এবং আল্লাহর ইচ্ছায় তাঁর সাথে তাঁর কতিপয় সহাবাও আসলেন। তিনি ঘরে প্রবেশ করেই সলাত আদায় করতে লাগলেন। আর তাঁর সহাবাগণ আপোষে কথাবার্তা বলতে থাকলেন। তাঁদের আলোচনার এক পর্যায়ে এসে তাঁরা মালিক ইবনু দুখশুম [২৯] সম্পর্কে মস্ত বড় আপত্তিকর বদদু‘আ করুন এবং সে ধ্বংস হয়ে যাক। আবার কেউ এ ইচ্ছাও প্রকাশ করলেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বদদু‘আ করুন এবং সে ধ্বংস হয়ে যাক। আবার কেউ এ বাসনাও প্রকাশ করলেন যে, যদি তার উপর আকস্মিক কোন দুর্ঘটনা নেমে আসতো তাহলে খুবই উত্তম হতো। ইত্যবসরে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাত সমাপ্ত করলেন এবং জিজ্ঞেস করলেন, সে (মালিক) কি এ কথার সাক্ষ্য দেয় না যে, ‘আল্লাহ ব্যতীত প্রকৃত কোন উপাস্য নেই এবং আমি আল্লাহর রসূল?’ লোকেরা বলল, সে মুখে বলে ঠিকই কিন্তু তার অন্তরে এর প্রতি কোন উপাস্য নেই। তিনি বললেন, “যে কেউ এ সাক্ষ্য দিবে যে, “আল্লাহ ব্যতীত প্রকৃত কোন উপাস্য নেই এবং আমি আল্লাহর রসূল” সে জাহান্নামে প্রবেশ করবে না।” অথবা তিনি বলেছেন, আগুন তাকে গ্রাস করবে না। আনাস (রাঃ) বলেন, এ হাদীসটি আমার নিকট খুবই চমৎকার মনে হয়েছে। তাই আমি আমার পুত্রকে বললাম, এটা লিখে নাও। সুতরাং সে তা লিখে নিলো। (ই.ফা. ৫৬; ই.সে. ৫৭)
حدثنا شيبان بن فروخ، حدثنا سليمان، - يعني ابن المغيرة - قال حدثنا ثابت، عن أنس بن مالك، قال حدثني محمود بن الربيع، عن عتبان بن مالك، قال قدمت المدينة فلقيت عتبان فقلت حديث بلغني عنك قال أصابني في بصري بعض الشىء فبعثت إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم أني أحب أن تأتيني فتصلي في منزلي فأتخذه مصلى - قال - فأتى النبي صلى الله عليه وسلم ومن شاء الله من أصحابه فدخل وهو يصلي في منزلي وأصحابه يتحدثون بينهم ثم أسندوا عظم ذلك وكبره إلى مالك بن دخشم قالوا ودوا أنه دعا عليه فهلك وودوا أنه أصابه شر . فقضى رسول الله صلى الله عليه وسلم الصلاة وقال " أليس يشهد أن لا إله إلا الله وأني رسول الله " . قالوا إنه يقول ذلك وما هو في قلبه . قال " لا يشهد أحد أن لا إله إلا الله وأني رسول الله فيدخل النار أو تطعمه " . قال أنس فأعجبني هذا الحديث فقلت لابني اكتبه فكتبه .
সহিহ মুসলিম ৫৬
حدثني أبو بكر بن نافع العبدي، حدثنا بهز، حدثنا حماد، حدثنا ثابت، عن أنس، قال حدثني عتبان بن مالك، أنه عمي فأرسل إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال تعال فخط لي مسجدا . فجاء رسول الله صلى الله عليه وسلم وجاء قومه ونعت رجل منهم يقال له مالك بن الدخشم . ثم ذكر نحو حديث سليمان بن المغيرة .
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘ইত্বান (রাঃ) অন্ধ হয়ে গিয়েছিলেন। তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এ বলে খবর পাঠালেন, আপনি আমার ঘরে তাশরীফ আনুন এবং আমার জন্য একটি সলাতেরস্থান নির্দিষ্ট করে দেন। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সঙ্গীদের নিয়ে তাশরীফ আনলেন এবং মালিক ইবনু দুখশুম নামক এক ব্যক্তির কথা সেখানে উল্লেখ করা হলো ..... তারপর বর্ণনাকারী সুলাইমান ইবনু মুগীরার মতো হাদীসটি বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৫৭; ই.সে. ৫৮)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘ইত্বান (রাঃ) অন্ধ হয়ে গিয়েছিলেন। তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এ বলে খবর পাঠালেন, আপনি আমার ঘরে তাশরীফ আনুন এবং আমার জন্য একটি সলাতেরস্থান নির্দিষ্ট করে দেন। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সঙ্গীদের নিয়ে তাশরীফ আনলেন এবং মালিক ইবনু দুখশুম নামক এক ব্যক্তির কথা সেখানে উল্লেখ করা হলো ..... তারপর বর্ণনাকারী সুলাইমান ইবনু মুগীরার মতো হাদীসটি বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৫৭; ই.সে. ৫৮)
حدثني أبو بكر بن نافع العبدي، حدثنا بهز، حدثنا حماد، حدثنا ثابت، عن أنس، قال حدثني عتبان بن مالك، أنه عمي فأرسل إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال تعال فخط لي مسجدا . فجاء رسول الله صلى الله عليه وسلم وجاء قومه ونعت رجل منهم يقال له مالك بن الدخشم . ثم ذكر نحو حديث سليمان بن المغيرة .
সহিহ মুসলিম > যে ব্যক্তি আল্লাহকে প্রতিপালক হিসেবে, ইসলামকে দ্বীন হিসেবে এবং মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে রসূল হিসেবে সন্তুষ্ট চিত্তে মেনে নেয় সে মু’মিন যদিও সে কাবীরাহ গুনাহে লিপ্ত হয়
সহিহ মুসলিম ৫৭
حدثنا محمد بن يحيى بن أبي عمر المكي، وبشر بن الحكم، قالا حدثنا عبد العزيز، - وهو ابن محمد - الدراوردي عن يزيد بن الهاد، عن محمد بن إبراهيم، عن عامر بن سعد، عن العباس بن عبد المطلب، أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " ذاق طعم الإيمان من رضي بالله ربا وبالإسلام دينا وبمحمد رسولا "
‘আব্বাস ইবনু ‘আবদুল মুত্তালিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেনঃ সে ব্যক্তি ঈমানের স্বাদ পেয়েছে, যে রব হিসেবে আল্লাহকে, দ্বীন হিসেবে ইসলামকে এবং রসূল হিসেবে মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে সন্তষ্ট চিত্তে স্বীকার করেছে। (ই.ফা. ৫৮; ই.সে. ৫৯)
‘আব্বাস ইবনু ‘আবদুল মুত্তালিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেনঃ সে ব্যক্তি ঈমানের স্বাদ পেয়েছে, যে রব হিসেবে আল্লাহকে, দ্বীন হিসেবে ইসলামকে এবং রসূল হিসেবে মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে সন্তষ্ট চিত্তে স্বীকার করেছে। (ই.ফা. ৫৮; ই.সে. ৫৯)
حدثنا محمد بن يحيى بن أبي عمر المكي، وبشر بن الحكم، قالا حدثنا عبد العزيز، - وهو ابن محمد - الدراوردي عن يزيد بن الهاد، عن محمد بن إبراهيم، عن عامر بن سعد، عن العباس بن عبد المطلب، أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " ذاق طعم الإيمان من رضي بالله ربا وبالإسلام دينا وبمحمد رسولا "