সুনানে আবু দাউদ > স্বামী-স্ত্রীর মাঝে প্রবাহিত বীর্যের হুকুম
সুনানে আবু দাউদ ২৫৭
حدثنا محمد بن رافع، حدثنا يحيى بن آدم، حدثنا شريك، عن قيس بن وهب، عن رجل، من بني سواءة بن عامر عن عائشة، فيما يفيض بين الرجل والمرأة من الماء قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يأخذ كفا من ماء يصب على الماء ثم يأخذ كفا من ماء ثم يصبه عليه .
'আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
স্বামী-স্ত্রীর মাঝে প্রবাহিত বীর্য সম্পর্কে তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক অঞ্জলি পানি নিয়ে তা বীর্য লাগার স্থানে ঢেলে দিতেন। অতঃপর আরেক অঞ্জলি পানি নিয়ে তা উক্ত স্থানে ঢেলে দিতেন।
'আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
স্বামী-স্ত্রীর মাঝে প্রবাহিত বীর্য সম্পর্কে তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক অঞ্জলি পানি নিয়ে তা বীর্য লাগার স্থানে ঢেলে দিতেন। অতঃপর আরেক অঞ্জলি পানি নিয়ে তা উক্ত স্থানে ঢেলে দিতেন।
حدثنا محمد بن رافع، حدثنا يحيى بن آدم، حدثنا شريك، عن قيس بن وهب، عن رجل، من بني سواءة بن عامر عن عائشة، فيما يفيض بين الرجل والمرأة من الماء قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يأخذ كفا من ماء يصب على الماء ثم يأخذ كفا من ماء ثم يصبه عليه .
সুনানে আবু দাউদ > ঋতুবতী স্ত্রীর সাথে একত্রে আহার ও মেলামেশা করা
সুনানে আবু দাউদ ২৫৯
حدثنا مسدد، حدثنا عبد الله بن داود، عن مسعر، عن المقدام بن شريح، عن أبيه، عن عائشة، قالت كنت أتعرق العظم وأنا حائض، فأعطيه النبي صلى الله عليه وسلم فيضع فمه في الموضع الذي فيه وضعته وأشرب الشراب فأناوله فيضع فمه في الموضع الذي كنت أشرب منه .
'আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি হায়িয অবস্থায় হাড় চুষে খেয়ে তা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে দিতাম। তিনিও তাঁর মুখ হাড়ের ঐ স্থানে লাগাতেন, যেখানে আমি লাগিয়েছি। আবার পানীয় দ্রব্য পান করে তাঁকে দিতাম। তিনি তখনও ঐ স্থান থেকে পান করতেন যেখানে মুখ লাগিয়ে আমি পান করেছি। সহীহঃ মুসলিম।
'আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি হায়িয অবস্থায় হাড় চুষে খেয়ে তা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে দিতাম। তিনিও তাঁর মুখ হাড়ের ঐ স্থানে লাগাতেন, যেখানে আমি লাগিয়েছি। আবার পানীয় দ্রব্য পান করে তাঁকে দিতাম। তিনি তখনও ঐ স্থান থেকে পান করতেন যেখানে মুখ লাগিয়ে আমি পান করেছি। সহীহঃ মুসলিম।
حدثنا مسدد، حدثنا عبد الله بن داود، عن مسعر، عن المقدام بن شريح، عن أبيه، عن عائشة، قالت كنت أتعرق العظم وأنا حائض، فأعطيه النبي صلى الله عليه وسلم فيضع فمه في الموضع الذي فيه وضعته وأشرب الشراب فأناوله فيضع فمه في الموضع الذي كنت أشرب منه .
সুনানে আবু দাউদ ২৬০
حدثنا محمد بن كثير، حدثنا سفيان، عن منصور بن عبد الرحمن، عن صفية، عن عائشة، قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يضع رأسه في حجري فيقرأ وأنا حائض .
'আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার হায়িয অবস্থায় আমার কোলে মাথা রেখে কুরআন তিলাওয়াত করতেন। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম।
'আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার হায়িয অবস্থায় আমার কোলে মাথা রেখে কুরআন তিলাওয়াত করতেন। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম।
حدثنا محمد بن كثير، حدثنا سفيان، عن منصور بن عبد الرحمن، عن صفية، عن عائشة، قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يضع رأسه في حجري فيقرأ وأنا حائض .
সুনানে আবু দাউদ ২৫৮
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، حدثنا ثابت البناني، عن أنس بن مالك، أن اليهود، كانت إذا حاضت منهم امرأة أخرجوها من البيت ولم يؤاكلوها ولم يشاربوها ولم يجامعوها في البيت فسئل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ذلك فأنزل الله سبحانه { ويسألونك عن المحيض قل هو أذى فاعتزلوا النساء في المحيض } إلى آخر الآية فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " جامعوهن في البيوت واصنعوا كل شىء غير النكاح " . فقالت اليهود ما يريد هذا الرجل أن يدع شيئا من أمرنا إلا خالفنا فيه . فجاء أسيد بن حضير وعباد بن بشر إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقالا يا رسول الله إن اليهود تقول كذا وكذا أفلا ننكحهن في المحيض فتمعر وجه رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى ظننا أن قد وجد عليهما فخرجا فاستقبلتهما هدية من لبن إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فبعث في آثارهما فسقاهما فظننا أنه لم يجد عليهما .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ইয়াহূদীদের নিয়ম ছিল, তাদের নারীদের মাসিক ঋতু আরম্ভ হলে তারা তাকে ঘর থেকে বের করে দিত। তারা তার সাথে আহার করত না এবং এক ঘরে বসবাসও করত না। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে মহান আল্লাহ এ প্রসঙ্গে নিম্নোক্ত আয়াত অবতীর্ণ করেনঃ "তারা তোমাকে হায়িয সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে? তুমি বল, তা অপবিত্র। কাজেই তোমরা হায়িয চলাকালে সহবাস বর্জন করবে এবং পবিত্র না হওয়া পর্যন্ত সঙ্গম করবে না। তারা যখন পবিত্র হবে তখন তোমরা তাদের নিকট ঠিক সেভাবে যাও যেভাবে (পূর্বে) যেতে, আল্লাহ তোমাদের আদেশ করেছেন। যারা পাপ কাজ হতে বিরত থাকে ও পবিত্রতা অবলম্বন করে আল্লাহ তাদের ভালবাসেন।"- (সূরাহ বাক্বারাহঃ ২২২)। অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, তোমরা তাদের সাথে (তাদের হায়িয অবস্থায়) একই ঘরে অবস্থান ও অন্যান্য কাজ করতে পার শুধু সহবাস ছাড়া। এ কথা শুনে ইয়াহূদীরা বলল, এ লোক (মুহাম্মাদ) তো প্রতিটি কাজেই আমাদের বিরুদ্ধাচরণ করতে চায়। উসাইদ ইবনু হুদায়ির এবং 'আব্বাস ইবনু বিশর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এসে বললো, হে আল্লাহর রসূল! ইয়াহূদীরা এরূপ এরূপ বলেছে। তবে কি ঋতু অবস্থায় আমরা তাদের সাথে সহবাস করব না? এ কথা শুনে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর চেহারা পরিবর্তন হয়ে গেল, এমনকি আমরা মনে করলাম, তিনি হয়ত তাঁদের উপর ক্রোধান্বিত হয়েছেন। এরপর তাঁরা সেখান থেকে চলে গিয়ে (জনৈক সহাবীর মাধ্যমে) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট দুধ হাদিয়া পাঠালেন। তিনি তাদের ডেকে দুধ পান করালেন। তখন আমরা বুঝলাম তাদের উপর তাঁর কোন রাগ নেই।
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ইয়াহূদীদের নিয়ম ছিল, তাদের নারীদের মাসিক ঋতু আরম্ভ হলে তারা তাকে ঘর থেকে বের করে দিত। তারা তার সাথে আহার করত না এবং এক ঘরে বসবাসও করত না। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে মহান আল্লাহ এ প্রসঙ্গে নিম্নোক্ত আয়াত অবতীর্ণ করেনঃ "তারা তোমাকে হায়িয সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে? তুমি বল, তা অপবিত্র। কাজেই তোমরা হায়িয চলাকালে সহবাস বর্জন করবে এবং পবিত্র না হওয়া পর্যন্ত সঙ্গম করবে না। তারা যখন পবিত্র হবে তখন তোমরা তাদের নিকট ঠিক সেভাবে যাও যেভাবে (পূর্বে) যেতে, আল্লাহ তোমাদের আদেশ করেছেন। যারা পাপ কাজ হতে বিরত থাকে ও পবিত্রতা অবলম্বন করে আল্লাহ তাদের ভালবাসেন।"- (সূরাহ বাক্বারাহঃ ২২২)। অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, তোমরা তাদের সাথে (তাদের হায়িয অবস্থায়) একই ঘরে অবস্থান ও অন্যান্য কাজ করতে পার শুধু সহবাস ছাড়া। এ কথা শুনে ইয়াহূদীরা বলল, এ লোক (মুহাম্মাদ) তো প্রতিটি কাজেই আমাদের বিরুদ্ধাচরণ করতে চায়। উসাইদ ইবনু হুদায়ির এবং 'আব্বাস ইবনু বিশর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এসে বললো, হে আল্লাহর রসূল! ইয়াহূদীরা এরূপ এরূপ বলেছে। তবে কি ঋতু অবস্থায় আমরা তাদের সাথে সহবাস করব না? এ কথা শুনে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর চেহারা পরিবর্তন হয়ে গেল, এমনকি আমরা মনে করলাম, তিনি হয়ত তাঁদের উপর ক্রোধান্বিত হয়েছেন। এরপর তাঁরা সেখান থেকে চলে গিয়ে (জনৈক সহাবীর মাধ্যমে) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট দুধ হাদিয়া পাঠালেন। তিনি তাদের ডেকে দুধ পান করালেন। তখন আমরা বুঝলাম তাদের উপর তাঁর কোন রাগ নেই।
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، حدثنا ثابت البناني، عن أنس بن مالك، أن اليهود، كانت إذا حاضت منهم امرأة أخرجوها من البيت ولم يؤاكلوها ولم يشاربوها ولم يجامعوها في البيت فسئل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ذلك فأنزل الله سبحانه { ويسألونك عن المحيض قل هو أذى فاعتزلوا النساء في المحيض } إلى آخر الآية فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " جامعوهن في البيوت واصنعوا كل شىء غير النكاح " . فقالت اليهود ما يريد هذا الرجل أن يدع شيئا من أمرنا إلا خالفنا فيه . فجاء أسيد بن حضير وعباد بن بشر إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقالا يا رسول الله إن اليهود تقول كذا وكذا أفلا ننكحهن في المحيض فتمعر وجه رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى ظننا أن قد وجد عليهما فخرجا فاستقبلتهما هدية من لبن إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فبعث في آثارهما فسقاهما فظننا أنه لم يجد عليهما .
সুনানে আবু দাউদ > ঋতুবতী নারীর মসজিদ থেকে কিছু নেয়া
সুনানে আবু দাউদ ২৬১
حدثنا مسدد بن مسرهد، حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن ثابت بن عبيد، عن القاسم، عن عائشة، قالت قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم " ناوليني الخمرة من المسجد " . فقلت إني حائض . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن حيضتك ليست في يدك " .
'আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেন, মসজিদ থেকে চাটাই এনে দাও। আমি বললাম, আমি তো ঋতুবতী। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমার হায়িয তো তোমার হাতে লেগে নেই। সহীহঃ মুসলিম।
'আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেন, মসজিদ থেকে চাটাই এনে দাও। আমি বললাম, আমি তো ঋতুবতী। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমার হায়িয তো তোমার হাতে লেগে নেই। সহীহঃ মুসলিম।
حدثنا مسدد بن مسرهد، حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن ثابت بن عبيد، عن القاسم، عن عائشة، قالت قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم " ناوليني الخمرة من المسجد " . فقلت إني حائض . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن حيضتك ليست في يدك " .
সুনানে আবু দাউদ > ঋতুবতী নারী কাযা সলাত আদায় করবে না
সুনানে আবু দাউদ ২৬২
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا وهيب، حدثنا أيوب، عن أبي قلابة، عن معاذة، أن امرأة، سألت عائشة أتقضي الحائض الصلاة فقالت أحرورية أنت لقد كنا نحيض عند رسول الله صلى الله عليه وسلم فلا نقضي ولا نؤمر بالقضاء .
মু'আযাহ থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক মহিলা 'আয়িশাহ্ (রাঃ) -কে জিজ্ঞেস করল, ঋতুবতী মহিলা সলাতের কাযা আদায় করবে কি? তিনি বললেন, তুমি কি 'হারূরিয়্যাহ'? রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সময়ে আমাদের হায়িয হলে আমরা সলাতের কাযা করতাম না এবং আমাদেরকে সলাতের কাযা আদায়ের নির্দেশও দেয়া হত না। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম।
মু'আযাহ থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক মহিলা 'আয়িশাহ্ (রাঃ) -কে জিজ্ঞেস করল, ঋতুবতী মহিলা সলাতের কাযা আদায় করবে কি? তিনি বললেন, তুমি কি 'হারূরিয়্যাহ'? রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সময়ে আমাদের হায়িয হলে আমরা সলাতের কাযা করতাম না এবং আমাদেরকে সলাতের কাযা আদায়ের নির্দেশও দেয়া হত না। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম।
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا وهيب، حدثنا أيوب، عن أبي قلابة، عن معاذة، أن امرأة، سألت عائشة أتقضي الحائض الصلاة فقالت أحرورية أنت لقد كنا نحيض عند رسول الله صلى الله عليه وسلم فلا نقضي ولا نؤمر بالقضاء .
সুনানে আবু দাউদ ২৬৩
حدثنا الحسن بن عمرو، أخبرنا سفيان، - يعني ابن عبد الملك - عن ابن المبارك، عن معمر، عن أيوب، عن معاذة العدوية، عن عائشة، بهذا الحديث . قال أبو داود وزاد فيه فنؤمر بقضاء الصوم ولا نؤمر بقضاء الصلاة .
মু'আযাহ আল-আদাবিয়্যাহ 'আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
মু'আযাহ আল-আদাবিয়্যাহ 'আয়িশাহ্ (রাঃ) সূত্রে উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তাতে আরো আছেঃ আমাদেরকে সওম কাযা করার নির্দেশ দেয়া হত। কিন্তু সলাতের কাযা আদায়ের নির্দেশ দেয়া হত না।
মু'আযাহ আল-আদাবিয়্যাহ 'আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
মু'আযাহ আল-আদাবিয়্যাহ 'আয়িশাহ্ (রাঃ) সূত্রে উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তাতে আরো আছেঃ আমাদেরকে সওম কাযা করার নির্দেশ দেয়া হত। কিন্তু সলাতের কাযা আদায়ের নির্দেশ দেয়া হত না।
حدثنا الحسن بن عمرو، أخبرنا سفيان، - يعني ابن عبد الملك - عن ابن المبارك، عن معمر، عن أيوب، عن معاذة العدوية، عن عائشة، بهذا الحديث . قال أبو داود وزاد فيه فنؤمر بقضاء الصوم ولا نؤمر بقضاء الصلاة .