সুনানে আবু দাউদ > জানাবাতের গোসল করার নিয়ম
সুনানে আবু দাউদ ২৩৯
حدثنا عبد الله بن محمد النفيلي، حدثنا زهير، حدثنا أبو إسحاق، أخبرني سليمان بن صرد، عن جبير بن مطعم، أنهم ذكروا عند رسول الله صلى الله عليه وسلم الغسل من الجنابة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أما أنا فأفيض على رأسي ثلاثا " . وأشار بيديه كلتيهما .
জুবাইর ইবনু মুত্ব’ইম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা তাঁরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট জানাবাতের গোসল সর্ম্পকে উল্লেখ করলেন। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আমি আমার মাথার উপর তিনবার পানি ঢেলে থাকি। এ বলে তিনি তাঁর দু’হাতের দ্বারা ইশারা করে দেখিয়ে দিলেন। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম।
জুবাইর ইবনু মুত্ব’ইম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা তাঁরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট জানাবাতের গোসল সর্ম্পকে উল্লেখ করলেন। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আমি আমার মাথার উপর তিনবার পানি ঢেলে থাকি। এ বলে তিনি তাঁর দু’হাতের দ্বারা ইশারা করে দেখিয়ে দিলেন। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম।
حدثنا عبد الله بن محمد النفيلي، حدثنا زهير، حدثنا أبو إسحاق، أخبرني سليمان بن صرد، عن جبير بن مطعم، أنهم ذكروا عند رسول الله صلى الله عليه وسلم الغسل من الجنابة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أما أنا فأفيض على رأسي ثلاثا " . وأشار بيديه كلتيهما .
সুনানে আবু দাউদ ২৪০
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا أبو عاصم، عن حنظلة، عن القاسم، عن عائشة، قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا اغتسل من الجنابة دعا بشىء نحو الحلاب فأخذ بكفه فبدأ بشق رأسه الأيمن ثم الأيسر ثم أخذ بكفيه فقال بهما على رأسه .
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জানাবাতের গোসল করার সময় ‘হিলাব’ তথা উটের দুধ দোহনের পাত্রের ন্যায় একটি পাত্র আনাতেন। অতঃপর উভয় হাতে পানি নিয়ে প্রথমে মাথার ডান দিকে ঢালতেন, তারপর বামদিকে। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর উভয় হাতে পানি নিয়ে মাথার তালুতে ঢালতেন। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম।
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জানাবাতের গোসল করার সময় ‘হিলাব’ তথা উটের দুধ দোহনের পাত্রের ন্যায় একটি পাত্র আনাতেন। অতঃপর উভয় হাতে পানি নিয়ে প্রথমে মাথার ডান দিকে ঢালতেন, তারপর বামদিকে। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর উভয় হাতে পানি নিয়ে মাথার তালুতে ঢালতেন। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম।
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا أبو عاصم، عن حنظلة، عن القاسم، عن عائشة، قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا اغتسل من الجنابة دعا بشىء نحو الحلاب فأخذ بكفه فبدأ بشق رأسه الأيمن ثم الأيسر ثم أخذ بكفيه فقال بهما على رأسه .
সুনানে আবু দাউদ ২৪৩
حدثنا عمرو بن علي الباهلي، حدثنا محمد بن أبي عدي، حدثني سعيد، عن أبي معشر، عن النخعي، عن الأسود، عن عائشة، قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا أراد أن يغتسل من الجنابة بدأ بكفيه فغسلهما ثم غسل مرافغه وأفاض عليه الماء فإذا أنقاهما أهوى بهما إلى حائط ثم يستقبل الوضوء ويفيض الماء على رأسه .
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জানাবাতের গোসল করার ইচ্ছা করলে প্রথমে উভয় হাত কব্জি পযর্ন্ত ধুতেন, তারপর (শরীরের) গ্রন্থিসমূহ (যেমন বগল, কনুই, দুই রানের মধ্যবর্তী স্থান ইত্যাদি যেখানে ময়লা জমে থাকে অথবা লজ্জাস্থান) ধুতেন এবং তার উপর পানি বহাতেন। যখন উভয় হাত পরিস্কার হয়ে যেত তখন (ঘষার জন্য) দেয়ালের দিকে হাত বাড়িয়ে দিতেন।তারপর উযু শুরু করতেন এবং মাথায় পানি ঢালতেন।
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জানাবাতের গোসল করার ইচ্ছা করলে প্রথমে উভয় হাত কব্জি পযর্ন্ত ধুতেন, তারপর (শরীরের) গ্রন্থিসমূহ (যেমন বগল, কনুই, দুই রানের মধ্যবর্তী স্থান ইত্যাদি যেখানে ময়লা জমে থাকে অথবা লজ্জাস্থান) ধুতেন এবং তার উপর পানি বহাতেন। যখন উভয় হাত পরিস্কার হয়ে যেত তখন (ঘষার জন্য) দেয়ালের দিকে হাত বাড়িয়ে দিতেন।তারপর উযু শুরু করতেন এবং মাথায় পানি ঢালতেন।
حدثنا عمرو بن علي الباهلي، حدثنا محمد بن أبي عدي، حدثني سعيد، عن أبي معشر، عن النخعي، عن الأسود، عن عائشة، قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا أراد أن يغتسل من الجنابة بدأ بكفيه فغسلهما ثم غسل مرافغه وأفاض عليه الماء فإذا أنقاهما أهوى بهما إلى حائط ثم يستقبل الوضوء ويفيض الماء على رأسه .
সুনানে আবু দাউদ ২৪৪
حدثنا الحسن بن شوكر، حدثنا هشيم، عن عروة الهمداني، حدثنا الشعبي، قال قالت عائشة رضى الله عنها لئن شئتم لأرينكم أثر يد رسول الله صلى الله عليه وسلم في الحائط حيث كان يغتسل من الجنابة .
শা’বী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আয়িশাহ (রাঃ) বলেছেন, তোমরা দেখতে চাইলে আমি দেয়ালে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর হাতের চিহ্ন তোমাদের দেখিয়ে দিতে পারি; যেখানে তিনি জানাবাতের গোসল করতেন।
শা’বী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আয়িশাহ (রাঃ) বলেছেন, তোমরা দেখতে চাইলে আমি দেয়ালে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর হাতের চিহ্ন তোমাদের দেখিয়ে দিতে পারি; যেখানে তিনি জানাবাতের গোসল করতেন।
حدثنا الحسن بن شوكر، حدثنا هشيم، عن عروة الهمداني، حدثنا الشعبي، قال قالت عائشة رضى الله عنها لئن شئتم لأرينكم أثر يد رسول الله صلى الله عليه وسلم في الحائط حيث كان يغتسل من الجنابة .
সুনানে আবু দাউদ ২৪১
حدثنا يعقوب بن إبراهيم، حدثنا عبد الرحمن، - يعني ابن مهدي - عن زائدة بن قدامة، عن صدقة، حدثنا جميع بن عمير، - أحد بني تيم الله بن ثعلبة - قال دخلت مع أمي وخالتي على عائشة فسألتها إحداهما كيف كنتم تصنعون عند الغسل فقالت عائشة كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يتوضأ وضوءه للصلاة ثم يفيض على رأسه ثلاث مرات ونحن نفيض على رءوسنا خمسا من أجل الضفر .
জুমাই’ ইবনু ‘উমাইর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আমার মা ও খালার সাথে ‘আয়িশাহ (রাঃ)-এর নিকট গেলাম। তাদের একজন তাঁকে জিজ্ঞাসা করলেন, আপনারা কিভাবে গোসল করতেন? ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রথমে সলাতের উযুর ন্যায় উযু করতেন, এরপর মাথায় তিনবার পানি ঢালতেন। তবে আমরা চুলের গোছার কারণে পাঁচবার পানি ঢালতাম। খুবই দূর্বল।
জুমাই’ ইবনু ‘উমাইর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আমার মা ও খালার সাথে ‘আয়িশাহ (রাঃ)-এর নিকট গেলাম। তাদের একজন তাঁকে জিজ্ঞাসা করলেন, আপনারা কিভাবে গোসল করতেন? ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রথমে সলাতের উযুর ন্যায় উযু করতেন, এরপর মাথায় তিনবার পানি ঢালতেন। তবে আমরা চুলের গোছার কারণে পাঁচবার পানি ঢালতাম। খুবই দূর্বল।
حدثنا يعقوب بن إبراهيم، حدثنا عبد الرحمن، - يعني ابن مهدي - عن زائدة بن قدامة، عن صدقة، حدثنا جميع بن عمير، - أحد بني تيم الله بن ثعلبة - قال دخلت مع أمي وخالتي على عائشة فسألتها إحداهما كيف كنتم تصنعون عند الغسل فقالت عائشة كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يتوضأ وضوءه للصلاة ثم يفيض على رأسه ثلاث مرات ونحن نفيض على رءوسنا خمسا من أجل الضفر .
সুনানে আবু দাউদ ২৪২
حدثنا سليمان بن حرب الواشحي، ومسدد، قالا حدثنا حماد، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة، قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا اغتسل من الجنابة - قال سليمان يبدأ فيفرغ من يمينه على شماله . وقال مسدد غسل يديه يصب الإناء على يده اليمنى ثم اتفقا فيغسل فرجه . - قال مسدد - يفرغ على شماله وربما كنت عن الفرج ثم يتوضأ وضوءه للصلاة ثم يدخل يديه في الإناء فيخلل شعره حتى إذا رأى أنه قد أصاب البشرة أو أنقى البشرة أفرغ على رأسه ثلاثا فإذا فضل فضلة صبها عليه .
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন জানাবাতের গোসল করতেন- সুলাইমানের বর্ণনা মতে- তখন প্রথমে ডান হাত দিয়ে বাম হাতে পানি ঢালতেন। আর মুসাদ্দাদের বর্ণনা মতে- তিনি উভয় হাত ধৌত করে ডান হাতে পাত্রের পানি ঢালতেন। অতঃপর উভয় বর্ণনাকারী এ বিষয়ে একমত হন যে, এরপর তিনি লজ্জাস্থান ধৌত করতেন। মুসাদ্দাদ বলেন, (ডান হাতের পর) তিনি বাম হাতের উপর পানি ঢালতেন। ‘আয়িশাহ (রাঃ) কখনো কথনো লজ্জাস্থানের কথা ইঙ্গিতে বর্ণনা করেছেন। তারপর তিনি সলাতের উযুর ন্যায় উযু করতেন। তারপর উভয় হাত পাত্রে ঢুকিয়ে (পানি নিয়ে) চুল খিলাল করতেন। যখন তিনি দেখতেন যে, সারা শরীরে পানি পৌঁছেছে অথবা শরীর পরিস্কার হয়েছে, তখন তিনবার মাথায় পানি ঢালতেন। সব শেষে অবশিষ্ট থাকলে তা নিজের গায়ে ঢেলে দিতেন। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম।
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন জানাবাতের গোসল করতেন- সুলাইমানের বর্ণনা মতে- তখন প্রথমে ডান হাত দিয়ে বাম হাতে পানি ঢালতেন। আর মুসাদ্দাদের বর্ণনা মতে- তিনি উভয় হাত ধৌত করে ডান হাতে পাত্রের পানি ঢালতেন। অতঃপর উভয় বর্ণনাকারী এ বিষয়ে একমত হন যে, এরপর তিনি লজ্জাস্থান ধৌত করতেন। মুসাদ্দাদ বলেন, (ডান হাতের পর) তিনি বাম হাতের উপর পানি ঢালতেন। ‘আয়িশাহ (রাঃ) কখনো কথনো লজ্জাস্থানের কথা ইঙ্গিতে বর্ণনা করেছেন। তারপর তিনি সলাতের উযুর ন্যায় উযু করতেন। তারপর উভয় হাত পাত্রে ঢুকিয়ে (পানি নিয়ে) চুল খিলাল করতেন। যখন তিনি দেখতেন যে, সারা শরীরে পানি পৌঁছেছে অথবা শরীর পরিস্কার হয়েছে, তখন তিনবার মাথায় পানি ঢালতেন। সব শেষে অবশিষ্ট থাকলে তা নিজের গায়ে ঢেলে দিতেন। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম।
حدثنا سليمان بن حرب الواشحي، ومسدد، قالا حدثنا حماد، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة، قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا اغتسل من الجنابة - قال سليمان يبدأ فيفرغ من يمينه على شماله . وقال مسدد غسل يديه يصب الإناء على يده اليمنى ثم اتفقا فيغسل فرجه . - قال مسدد - يفرغ على شماله وربما كنت عن الفرج ثم يتوضأ وضوءه للصلاة ثم يدخل يديه في الإناء فيخلل شعره حتى إذا رأى أنه قد أصاب البشرة أو أنقى البشرة أفرغ على رأسه ثلاثا فإذا فضل فضلة صبها عليه .
সুনানে আবু দাউদ ২৪৫
حدثنا مسدد بن مسرهد، حدثنا عبد الله بن داود، عن الأعمش، عن سالم، عن كريب، حدثنا ابن عباس، عن خالته، ميمونة قالت وضعت للنبي صلى الله عليه وسلم غسلا يغتسل به من الجنابة فأكفأ الإناء على يده اليمنى فغسلها مرتين أو ثلاثا ثم صب على فرجه فغسل فرجه بشماله ثم ضرب بيده الأرض فغسلها ثم تمضمض واستنشق وغسل وجهه ويديه ثم صب على رأسه وجسده ثم تنحى ناحية فغسل رجليه فناولته المنديل فلم يأخذه وجعل ينفض الماء عن جسده . فذكرت ذلك لإبراهيم فقال كانوا لا يرون بالمنديل بأسا ولكن كانوا يكرهون العادة . قال أبو داود قال مسدد فقلت لعبد الله بن داود كانوا يكرهونه للعادة فقال هكذا هو ولكن وجدته في كتابي هكذا .
মায়মূনাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর জানাবাতের গোসলের জন্য পানি রাখলাম। তিনি পানির পাত্র কাত করে ডান হাতে পানি ঢেলে তা দু’বার বা তিনবার ধুলেন। এরপর লজ্জাস্থানে পানি ঢেলে তা বাম হাতে ধুলেন। তারপর মাঠিতে হাত ঘষে ধুয়ে নিলেন, কুলি করলেন, নাকে পানি দিলেন, মূখমন্ডল ও দু’হাত ধুলেন। তারপর মাথায় এবং সমগ্র শরীরে পানি ঢাললেন। তারপর ঐ স্থান থেকে একটু সরে গিয়ে উভয় পা ধুলেন। আমি (শরীর মোছার জন্য) তাঁকে রুমাল দিলাম। তিনি তা গ্রহণ করলেন না বরং শরীর থেকে পানি ঝেড়ে ফেলতে লাগলেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমি বিষয়টি ইবরাহীমকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, সাহবীগণ গামছা ব্যবহার করা অপছন্দ করতেন না, বরং তাঁরা (গামছা ব্যবহার) অভ্যাসে পরিণত করা অপছন্দ করতেন। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, মুসাদ্দাদ বলেছেন, আমি ‘আবদুল্লাহ ইবনু দাউদকে জিজ্ঞাসা করলাম, গামছা ব্যবহার অভ্যাসে পরিণত হবে বলেই কি সাহাবীগণ তা অপছন্দ করতেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ এরূপই। আমার কিতাবেও এরূপ (তথ্য) পেয়েছি।
মায়মূনাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর জানাবাতের গোসলের জন্য পানি রাখলাম। তিনি পানির পাত্র কাত করে ডান হাতে পানি ঢেলে তা দু’বার বা তিনবার ধুলেন। এরপর লজ্জাস্থানে পানি ঢেলে তা বাম হাতে ধুলেন। তারপর মাঠিতে হাত ঘষে ধুয়ে নিলেন, কুলি করলেন, নাকে পানি দিলেন, মূখমন্ডল ও দু’হাত ধুলেন। তারপর মাথায় এবং সমগ্র শরীরে পানি ঢাললেন। তারপর ঐ স্থান থেকে একটু সরে গিয়ে উভয় পা ধুলেন। আমি (শরীর মোছার জন্য) তাঁকে রুমাল দিলাম। তিনি তা গ্রহণ করলেন না বরং শরীর থেকে পানি ঝেড়ে ফেলতে লাগলেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমি বিষয়টি ইবরাহীমকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, সাহবীগণ গামছা ব্যবহার করা অপছন্দ করতেন না, বরং তাঁরা (গামছা ব্যবহার) অভ্যাসে পরিণত করা অপছন্দ করতেন। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, মুসাদ্দাদ বলেছেন, আমি ‘আবদুল্লাহ ইবনু দাউদকে জিজ্ঞাসা করলাম, গামছা ব্যবহার অভ্যাসে পরিণত হবে বলেই কি সাহাবীগণ তা অপছন্দ করতেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ এরূপই। আমার কিতাবেও এরূপ (তথ্য) পেয়েছি।
حدثنا مسدد بن مسرهد، حدثنا عبد الله بن داود، عن الأعمش، عن سالم، عن كريب، حدثنا ابن عباس، عن خالته، ميمونة قالت وضعت للنبي صلى الله عليه وسلم غسلا يغتسل به من الجنابة فأكفأ الإناء على يده اليمنى فغسلها مرتين أو ثلاثا ثم صب على فرجه فغسل فرجه بشماله ثم ضرب بيده الأرض فغسلها ثم تمضمض واستنشق وغسل وجهه ويديه ثم صب على رأسه وجسده ثم تنحى ناحية فغسل رجليه فناولته المنديل فلم يأخذه وجعل ينفض الماء عن جسده . فذكرت ذلك لإبراهيم فقال كانوا لا يرون بالمنديل بأسا ولكن كانوا يكرهون العادة . قال أبو داود قال مسدد فقلت لعبد الله بن داود كانوا يكرهونه للعادة فقال هكذا هو ولكن وجدته في كتابي هكذا .
সুনানে আবু দাউদ ২৪৬
حدثنا حسين بن عيسى الخراساني، حدثنا ابن أبي فديك، عن ابن أبي ذئب، عن شعبة، قال إن ابن عباس كان إذا اغتسل من الجنابة يفرغ بيده اليمنى على يده اليسرى سبع مرار ثم يغسل فرجه فنسي مرة كم أفرغ فسألني كم أفرغت فقلت لا أدري . فقال لا أم لك وما يمنعك أن تدري ثم يتوضأ وضوءه للصلاة ثم يفيض على جلده الماء ثم يقول هكذا كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يتطهر .
শু‘বাহ থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) জানাবাতের গোসল করার সময় ডান হাত দিয়ে বাম হাতে সাতবার পানি ঢালতেন। তারপর লজ্জাস্থান ধুতেন। একবার তিনি (গোসলের সময়) কতবার পানি ঢেলেছেন তা ভুলে গেলে আমাকে জিজ্ঞাসা করলেন, আমি পানি কতবার ঢেলেছি? আমি বললাম, আমার তো জানা নেই! তিনি বললেন, তোমার মা না থাকুক! তুমি কেন মনে রাখলে না? অতঃপর তিনি সলাতের উযুর ন্যায় উযু করে সমগ্র শরীরে পানি ঢেলে দিলেন এবং বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এভাবেই পবিত্রতা অর্জন করতেন।
শু‘বাহ থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) জানাবাতের গোসল করার সময় ডান হাত দিয়ে বাম হাতে সাতবার পানি ঢালতেন। তারপর লজ্জাস্থান ধুতেন। একবার তিনি (গোসলের সময়) কতবার পানি ঢেলেছেন তা ভুলে গেলে আমাকে জিজ্ঞাসা করলেন, আমি পানি কতবার ঢেলেছি? আমি বললাম, আমার তো জানা নেই! তিনি বললেন, তোমার মা না থাকুক! তুমি কেন মনে রাখলে না? অতঃপর তিনি সলাতের উযুর ন্যায় উযু করে সমগ্র শরীরে পানি ঢেলে দিলেন এবং বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এভাবেই পবিত্রতা অর্জন করতেন।
حدثنا حسين بن عيسى الخراساني، حدثنا ابن أبي فديك، عن ابن أبي ذئب، عن شعبة، قال إن ابن عباس كان إذا اغتسل من الجنابة يفرغ بيده اليمنى على يده اليسرى سبع مرار ثم يغسل فرجه فنسي مرة كم أفرغ فسألني كم أفرغت فقلت لا أدري . فقال لا أم لك وما يمنعك أن تدري ثم يتوضأ وضوءه للصلاة ثم يفيض على جلده الماء ثم يقول هكذا كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يتطهر .
সুনানে আবু দাউদ ২৪৭
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا أيوب بن جابر، عن عبد الله بن عصم، عن عبد الله بن عمر، قال كانت الصلاة خمسين والغسل من الجنابة سبع مرار وغسل البول من الثوب سبع مرار فلم يزل رسول الله صلى الله عليه وسلم يسأل حتى جعلت الصلاة خمسا والغسل من الجنابة مرة وغسل البول من الثوب مرة .
আব্দুল্লাহ ইবনু ‘উমার(রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, প্রথমে পঞ্চাশ ওয়াক্ত সালাত ফারয ছিল এবং জানাবাতের গোসল করতে হতো সাতবার, কাপড়ে পেশাব লেগে গেলে তাও সাতবার ধুতে হতো। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (এর সংখ্যা কমানোর জন্য) অবিরাম দু’আ করতে থাকেন। অতঃপর দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত সালাত ফারয করা হলো, জানাবাতের গোসল একবার এবং কাপড়ে পেশাব লেগে গেলে তা ধুতে নির্দেশ করা হলো একবার। [২৪৬]
আব্দুল্লাহ ইবনু ‘উমার(রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, প্রথমে পঞ্চাশ ওয়াক্ত সালাত ফারয ছিল এবং জানাবাতের গোসল করতে হতো সাতবার, কাপড়ে পেশাব লেগে গেলে তাও সাতবার ধুতে হতো। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (এর সংখ্যা কমানোর জন্য) অবিরাম দু’আ করতে থাকেন। অতঃপর দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত সালাত ফারয করা হলো, জানাবাতের গোসল একবার এবং কাপড়ে পেশাব লেগে গেলে তা ধুতে নির্দেশ করা হলো একবার। [২৪৬]
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا أيوب بن جابر، عن عبد الله بن عصم، عن عبد الله بن عمر، قال كانت الصلاة خمسين والغسل من الجنابة سبع مرار وغسل البول من الثوب سبع مرار فلم يزل رسول الله صلى الله عليه وسلم يسأل حتى جعلت الصلاة خمسا والغسل من الجنابة مرة وغسل البول من الثوب مرة .
সুনানে আবু দাউদ ২৪৮
حدثنا نصر بن علي، حدثني الحارث بن وجيه، حدثنا مالك بن دينار، عن محمد بن سيرين، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن تحت كل شعرة جنابة فاغسلوا الشعر وأنقوا البشر " . قال أبو داود الحارث بن وجيه حديثه منكر وهو ضعيف .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রত্যেক পশমের নীচে অপবিত্রতা রয়েছে। সুতরাং তোমরা প্রতিটি পশম (উত্তমরূপে) ধৌত কর এবং শরীর পরিচ্ছন্ন কর। [২৪৭] দুর্বলঃ মিশকাত ৪৪৩, যঈফ আল-জামি’উস সাগীর ১৮৪৭। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, আল-হারিস ইবনু ওয়াজীহ বর্ণিত হাদীসটি মুনকার এবং তিনি হাদীস বর্ণনায় দুর্বল।
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রত্যেক পশমের নীচে অপবিত্রতা রয়েছে। সুতরাং তোমরা প্রতিটি পশম (উত্তমরূপে) ধৌত কর এবং শরীর পরিচ্ছন্ন কর। [২৪৭] দুর্বলঃ মিশকাত ৪৪৩, যঈফ আল-জামি’উস সাগীর ১৮৪৭। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, আল-হারিস ইবনু ওয়াজীহ বর্ণিত হাদীসটি মুনকার এবং তিনি হাদীস বর্ণনায় দুর্বল।
حدثنا نصر بن علي، حدثني الحارث بن وجيه، حدثنا مالك بن دينار، عن محمد بن سيرين، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن تحت كل شعرة جنابة فاغسلوا الشعر وأنقوا البشر " . قال أبو داود الحارث بن وجيه حديثه منكر وهو ضعيف .
সুনানে আবু দাউদ ২৪৯
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، أخبرنا عطاء بن السائب، عن زاذان، عن علي، - رضى الله عنه - أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " من ترك موضع شعرة من جنابة لم يغسلها فعل به كذا وكذا من النار " . قال علي فمن ثم عاديت رأسي فمن ثم عاديت رأسي ثلاثا . وكان يجز شعره .
আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি জানাবাতের গোসলে একটি পশম পরিমাণ স্থান না ধুয়ে ছেড়ে দেবে, তাকে জাহান্নামে এরূপ এরূপ শাস্তি দেয়া হবে। ‘আলী (রাঃ) বলেন, এরপর থেকেই আমি আমার মাথার সাথে দুশমনি করি। এরপর থেকেই আমি আমার মাথার সাথে দুশমনি করি। তিনি তিনবার এরূপ বললেন। বর্ণনাকারী বলেন, সেজন্যই ‘আলী তার মাথার চুল কামিয়ে ফেলতেন।২৪৮ দুর্বলঃ ইরওয়া ১৩৩, যঈফ আল-জামি’উস সাগীর ৫৫২৪।
আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি জানাবাতের গোসলে একটি পশম পরিমাণ স্থান না ধুয়ে ছেড়ে দেবে, তাকে জাহান্নামে এরূপ এরূপ শাস্তি দেয়া হবে। ‘আলী (রাঃ) বলেন, এরপর থেকেই আমি আমার মাথার সাথে দুশমনি করি। এরপর থেকেই আমি আমার মাথার সাথে দুশমনি করি। তিনি তিনবার এরূপ বললেন। বর্ণনাকারী বলেন, সেজন্যই ‘আলী তার মাথার চুল কামিয়ে ফেলতেন।২৪৮ দুর্বলঃ ইরওয়া ১৩৩, যঈফ আল-জামি’উস সাগীর ৫৫২৪।
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، أخبرنا عطاء بن السائب، عن زاذان، عن علي، - رضى الله عنه - أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " من ترك موضع شعرة من جنابة لم يغسلها فعل به كذا وكذا من النار " . قال علي فمن ثم عاديت رأسي فمن ثم عاديت رأسي ثلاثا . وكان يجز شعره .
সুনানে আবু দাউদ > গোসলের পর উযু করা
সুনানে আবু দাউদ ২৫০
حدثنا عبد الله بن محمد النفيلي، حدثنا زهير، حدثنا أبو إسحاق، عن الأسود، عن عائشة، قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يغتسل ويصلي الركعتين وصلاة الغداة ولا أراه يحدث وضوءا بعد الغسل .
আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) গোসল করে দু’ রাক’আত সালাত আদায় করার পর ফাজরের স্বলাত আদায় করতেন। আমি তাঁকে গোসলের পর পুনরায় উযু করতে দেখিনি।
আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) গোসল করে দু’ রাক’আত সালাত আদায় করার পর ফাজরের স্বলাত আদায় করতেন। আমি তাঁকে গোসলের পর পুনরায় উযু করতে দেখিনি।
حدثنا عبد الله بن محمد النفيلي، حدثنا زهير، حدثنا أبو إسحاق، عن الأسود، عن عائشة، قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يغتسل ويصلي الركعتين وصلاة الغداة ولا أراه يحدث وضوءا بعد الغسل .
সুনানে আবু দাউদ > গোসলের সময় মহিলার তাদের চুলের বাঁধন খুলবে কি?
সুনানে আবু দাউদ ২৫১
حدثنا زهير بن حرب، وابن السرح، قالا حدثنا سفيان بن عيينة، عن أيوب بن موسى، عن سعيد بن أبي سعيد، عن عبد الله بن رافع، مولى أم سلمة عن أم سلمة، أن امرأة، من المسلمين - وقال زهير إنها - قالت يا رسول الله إني امرأة أشد ضفر رأسي أفأنقضه للجنابة قال " إنما يكفيك أن تحفني عليه ثلاثا " . وقال زهير " تحثي عليه ثلاث حثياث من ماء ثم تفيضي على سائر جسدك فإذا أنت قد طهرت " .
উম্ম সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, জৈনিক মুসলিম মহিলা-যুহাইরের বর্ণনা মতে, উম্মু সালামাহ্ (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে জিজ্ঞাসা করলেনঃ হে আল্লাহর রাসূল! আমি আমার মাথার চুল মজবুতভাবে বেঁধে রাখি (বা আমার মাথার চুল খুব ঘন), অতএব জানাবাতের গোসলের সময় আমি চুলের বাঁধন খুলে ফেলব কি? তিনি বললেন, তুমি তাতে তিন অঞ্জলি পানি ঢেলে দিলেই যথেষ্ট হবে। যুহাইয়ের বর্ণনায় রয়েছে, তুমি তোমার চুলের উপর তিনবার পানি ঢালবে, তারপর সমগ্র শরীরে পানি ঢেলে দিবে; এতেই তুমি পবিত্র হবে। সহীহঃ মুসলিম।
উম্ম সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, জৈনিক মুসলিম মহিলা-যুহাইরের বর্ণনা মতে, উম্মু সালামাহ্ (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে জিজ্ঞাসা করলেনঃ হে আল্লাহর রাসূল! আমি আমার মাথার চুল মজবুতভাবে বেঁধে রাখি (বা আমার মাথার চুল খুব ঘন), অতএব জানাবাতের গোসলের সময় আমি চুলের বাঁধন খুলে ফেলব কি? তিনি বললেন, তুমি তাতে তিন অঞ্জলি পানি ঢেলে দিলেই যথেষ্ট হবে। যুহাইয়ের বর্ণনায় রয়েছে, তুমি তোমার চুলের উপর তিনবার পানি ঢালবে, তারপর সমগ্র শরীরে পানি ঢেলে দিবে; এতেই তুমি পবিত্র হবে। সহীহঃ মুসলিম।
حدثنا زهير بن حرب، وابن السرح، قالا حدثنا سفيان بن عيينة، عن أيوب بن موسى، عن سعيد بن أبي سعيد، عن عبد الله بن رافع، مولى أم سلمة عن أم سلمة، أن امرأة، من المسلمين - وقال زهير إنها - قالت يا رسول الله إني امرأة أشد ضفر رأسي أفأنقضه للجنابة قال " إنما يكفيك أن تحفني عليه ثلاثا " . وقال زهير " تحثي عليه ثلاث حثياث من ماء ثم تفيضي على سائر جسدك فإذا أنت قد طهرت " .
সুনানে আবু দাউদ ২৫২
حدثنا أحمد بن عمرو بن السرح، حدثنا ابن نافع، - يعني الصائغ - عن أسامة، عن المقبري، عن أم سلمة، أن امرأة، جاءت إلى أم سلمة بهذا الحديث . قالت فسألت لها النبي صلى الله عليه وسلم بمعناه قال فيه " واغمزي قرونك عند كل حفنة " .
উম্মু সালামাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, উম্মু সালামাহ্ (রাঃ) –এর নিকট একজন মহিলা আসল। তারপর উক্ত হাদীসের অনুরূপ। তাতে রয়েছেঃ তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর নিকট তার ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলাম- প্রথমোক্ত হাদীসের অনুরূপ। তবে তাতে রয়েছেঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, প্রত্যেক অঞ্জলি পানি ঢালার সময় চুলের বেণী বা খোপা নিংড়ে নিবে। হাসান।
উম্মু সালামাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, উম্মু সালামাহ্ (রাঃ) –এর নিকট একজন মহিলা আসল। তারপর উক্ত হাদীসের অনুরূপ। তাতে রয়েছেঃ তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর নিকট তার ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলাম- প্রথমোক্ত হাদীসের অনুরূপ। তবে তাতে রয়েছেঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, প্রত্যেক অঞ্জলি পানি ঢালার সময় চুলের বেণী বা খোপা নিংড়ে নিবে। হাসান।
حدثنا أحمد بن عمرو بن السرح، حدثنا ابن نافع، - يعني الصائغ - عن أسامة، عن المقبري، عن أم سلمة، أن امرأة، جاءت إلى أم سلمة بهذا الحديث . قالت فسألت لها النبي صلى الله عليه وسلم بمعناه قال فيه " واغمزي قرونك عند كل حفنة " .
সুনানে আবু দাউদ ২৫৩
حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا يحيى بن أبي بكير، حدثنا إبراهيم بن نافع، عن الحسن بن مسلم، عن صفية بنت شيبة، عن عائشة، قالت كانت إحدانا إذا أصابتها جنابة أخذت ثلاث حفنات هكذا - تعني بكفيها جميعا - فتصب على رأسها وأخذت بيد واحدة فصبتها على هذا الشق والأخرى على الشق الآخر .
আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমাদের কেউ জুনুবী হলে সে হাতে তিন অঞ্জলি পানি নিত। অর্থাৎ উভয় হাতে পানি নিয়ে মাথার উপর ঢেলে দিত। তারপর এক হাতে পানি নিয়ে শরীরের এক পাশে এবং অপর হাতে পানি নিয়ে শরীরের অন্য পাশে ঢেলে দিত। সহীহঃ বুখারী।
আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমাদের কেউ জুনুবী হলে সে হাতে তিন অঞ্জলি পানি নিত। অর্থাৎ উভয় হাতে পানি নিয়ে মাথার উপর ঢেলে দিত। তারপর এক হাতে পানি নিয়ে শরীরের এক পাশে এবং অপর হাতে পানি নিয়ে শরীরের অন্য পাশে ঢেলে দিত। সহীহঃ বুখারী।
حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا يحيى بن أبي بكير، حدثنا إبراهيم بن نافع، عن الحسن بن مسلم، عن صفية بنت شيبة، عن عائشة، قالت كانت إحدانا إذا أصابتها جنابة أخذت ثلاث حفنات هكذا - تعني بكفيها جميعا - فتصب على رأسها وأخذت بيد واحدة فصبتها على هذا الشق والأخرى على الشق الآخر .
সুনানে আবু দাউদ ২৫৪
حدثنا نصر بن علي، حدثنا عبد الله بن داود، عن عمر بن سويد، عن عائشة بنت طلحة، عن عائشة، - رضى الله عنها - قالت كنا نغتسل وعلينا الضماد ونحن مع رسول الله صلى الله عليه وسلم محلات ومحرمات .
আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, মাথার চুল কাপড়ে বাঁধা অবস্থায় আমরা গোসল করতাম। তখন আমাদের কেউ ইহরামবিহীন অবস্থায় এবং কেউ ইহরাম বাঁধা অবস্থায় রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর সাথে থাকতাম।
আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, মাথার চুল কাপড়ে বাঁধা অবস্থায় আমরা গোসল করতাম। তখন আমাদের কেউ ইহরামবিহীন অবস্থায় এবং কেউ ইহরাম বাঁধা অবস্থায় রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর সাথে থাকতাম।
حدثنا نصر بن علي، حدثنا عبد الله بن داود، عن عمر بن سويد، عن عائشة بنت طلحة، عن عائشة، - رضى الله عنها - قالت كنا نغتسل وعلينا الضماد ونحن مع رسول الله صلى الله عليه وسلم محلات ومحرمات .
সুনানে আবু দাউদ ২৫৫
حدثنا محمد بن عوف، قال قرأت في أصل إسماعيل بن عياش - قال ابن عوف - وحدثنا محمد بن إسماعيل، عن أبيه، حدثني ضمضم بن زرعة، عن شريح بن عبيد، قال أفتاني جبير بن نفير عن الغسل، من الجنابة أن ثوبان، حدثهم أنهم، استفتوا النبي صلى الله عليه وسلم عن ذلك فقال " أما الرجل فلينشر رأسه فليغسله حتى يبلغ أصول الشعر وأما المرأة فلا عليها أن لا تنقضه لتغرف على رأسها ثلاث غرفات بكفيها " .
শুরায়হ্ ইবনু ‘উবায়িদ রহ. থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, জুবাইর ইবনু নুফায়ির আমাদেরকে জানাবাতের গোসল সম্পর্কে ফাতাওয়াহ দেন যে, সাওবান (রাঃ) তাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেনঃ একদা তাঁরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর নিকট এ সম্পর্কে ফাতাওয়াহ চাইলে তিনি বলেনঃ পুরুষ লোক তার মাথার চুল এমনভাবে ছেড়ে ধুয়ে নিবে, যাতে পানি চুলের গোড়ায় পৌঁছে যায়। তবে মহিলাদের মাথার চুল না খুললেও চলবে। তারা উভয় হাতে তিন অঞ্জলি পানি নিয়ে মাথায় ঢেলে দিবে।
শুরায়হ্ ইবনু ‘উবায়িদ রহ. থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, জুবাইর ইবনু নুফায়ির আমাদেরকে জানাবাতের গোসল সম্পর্কে ফাতাওয়াহ দেন যে, সাওবান (রাঃ) তাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেনঃ একদা তাঁরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর নিকট এ সম্পর্কে ফাতাওয়াহ চাইলে তিনি বলেনঃ পুরুষ লোক তার মাথার চুল এমনভাবে ছেড়ে ধুয়ে নিবে, যাতে পানি চুলের গোড়ায় পৌঁছে যায়। তবে মহিলাদের মাথার চুল না খুললেও চলবে। তারা উভয় হাতে তিন অঞ্জলি পানি নিয়ে মাথায় ঢেলে দিবে।
حدثنا محمد بن عوف، قال قرأت في أصل إسماعيل بن عياش - قال ابن عوف - وحدثنا محمد بن إسماعيل، عن أبيه، حدثني ضمضم بن زرعة، عن شريح بن عبيد، قال أفتاني جبير بن نفير عن الغسل، من الجنابة أن ثوبان، حدثهم أنهم، استفتوا النبي صلى الله عليه وسلم عن ذلك فقال " أما الرجل فلينشر رأسه فليغسله حتى يبلغ أصول الشعر وأما المرأة فلا عليها أن لا تنقضه لتغرف على رأسها ثلاث غرفات بكفيها " .
সুনানে আবু দাউদ > অপবিত্র ব্যক্তির খিত্বমী (এক ধরনের ঔষধি উদ্ভিদ) মিশ্রিত পানি দ্বারা মাথা ধোয়া
সুনানে আবু দাউদ ২৫৬
حدثنا محمد بن جعفر بن زياد، حدثنا شريك، عن قيس بن وهب، عن رجل، من بني سواءة بن عامر عن عائشة، عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه كان يغسل رأسه بالخطمي وهو جنب يجتزئ بذلك ولا يصب عليه الماء .
আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খিত্বমী মিশ্রিত পানি দ্বারা জানাবাতের গোসল করতেন এবং একেই যথেষ্ট মনে করতেন, পুনরায় আর পানি ঢালতেন না। দুর্বলঃ মিশকাত ৪৪৬।
আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খিত্বমী মিশ্রিত পানি দ্বারা জানাবাতের গোসল করতেন এবং একেই যথেষ্ট মনে করতেন, পুনরায় আর পানি ঢালতেন না। দুর্বলঃ মিশকাত ৪৪৬।
حدثنا محمد بن جعفر بن زياد، حدثنا شريك، عن قيس بن وهب، عن رجل، من بني سواءة بن عامر عن عائشة، عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه كان يغسل رأسه بالخطمي وهو جنب يجتزئ بذلك ولا يصب عليه الماء .