সহিহ বুখারী > “যা আল্লাহ্ ইচ্ছে করেন ও তুমি যা ইচ্ছে কর” বলবে না। “আমি আল্লাহর সঙ্গে অতঃপর তোমার সঙ্গে” এমন বলা যাবে কি?
সহিহ বুখারী ৬৬৫৩
حَدَّثَنَا آدَمُ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ هَذِهِ وَهَذِهِ سَوَاءٌ " ، يَعْنِي الْخِنْصَرَ وَالإِبْهَامَ
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন যে, বানী ইসরাঈল গোত্রের তিন ব্যক্তিকে আল্লাহ্ পরীক্ষা করতে চাইলেন। অতঃপর একজন ফেরেশ্তা পাঠালেন। ফেরেশ্তা কুষ্ঠরোগীর কাছে এল। সে বলল, আমার সমস্ত উপায়-উপকরণ ছিন্ন হয়ে গেছে। কাজেই আমার জন্য আল্লাহ ব্যতীত, অতঃপর তুমি ব্যতীত কোন উপায় নেই। এরপর পুরো হাদীস বর্ণনা করলেন। (আধুনিক প্রকাশনী- অনুচ্ছেদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৯৮)
সহিহ বুখারী > আল্লাহর বাণীঃ তারা আল্লাহর নামে সুদৃঢ় কসম করেছে। (সূরাহ আন‘আম ৬/১০৯)
সহিহ বুখারী ৬৬৫৪
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عَدِيٍّ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم نَحْوَهُ.
বারাআ ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে কসম পূর্ণ করতে নির্দেশ দিয়েছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৯০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৯৯)
সহিহ বুখারী ৬৬৫৫
وَقَالَ لِي ابْنُ بَشَّارٍ حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ـ رضى الله عنهما ـ أَنَّ غُلاَمًا، قُتِلَ غِيلَةً فَقَالَ عُمَرُ لَوِ اشْتَرَكَ فِيهَا أَهْلُ صَنْعَاءَ لَقَتَلْتُهُمْ. وَقَالَ مُغِيرَةُ بْنُ حَكِيمٍ عَنْ أَبِيهِ إِنَّ أَرْبَعَةً قَتَلُوا صَبِيًّا فَقَالَ عُمَرُ مِثْلَهُ. وَأَقَادَ أَبُو بَكْرٍ وَابْنُ الزُّبَيْرِ وَعَلِيٌّ وَسُوَيْدُ بْنُ مُقَرِّنٍ مِنْ لَطْمَةٍ. وَأَقَادَ عُمَرُ مِنْ ضَرْبَةٍ بِالدِّرَّةِ. وَأَقَادَ عَلِيٌّ مِنْ ثَلاَثَةِ أَسْوَاطٍ. وَاقْتَصَّ شُرَيْحٌ مِنْ سَوْطٍ وَخُمُوشٍ.
উসামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একবার উসামাহ ইবনু যায়দ, সা‘দ ও ‘উবাই (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে উপবিষ্ট ছিলেন। এমন সময় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর এক কন্যা তাঁর কাছে খবর পাঠালেন যে, আমার পুত্র মুমূর্ষু অবস্থায় আছে। কাজেই তিনি যেন আমাদের নিকট আসেন। তিনি সালামের সঙ্গে এ কথা বলে পাঠালেন যে, আল্লাহ যা দান করেন আর যা নিয়ে নেন সব কিছুই আল্লাহর জন্য। আর সব কিছুই আল্লাহর নিকট নির্ধারিত আছে। অতএব তুমি ধৈর্য ধারণ কর এবং সাওয়াবের আশা কর। এরপর তাঁর কন্যা কসম দিয়ে আবার খবর পাঠালেন। এতে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যাওয়ার জন্য দাঁড়ালেন। আমরাও তাঁর সঙ্গে দাঁড়ালাম। (সেখানে গিয়ে) তিনি যখন বসলেন, শিশুটিকে তাঁর সামনে আনা হল। তিনি তাকে নিজের কোলে নিয়ে বসালেন, আর শিশুটির শ্বাস নিঃশেষ হয়ে আসছিল। এতে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দু‘চোখ অশ্র“ প্রবাহিত করল। তখন সা‘দ বললেন, হে আল্লাহর রসূল! এ কী ব্যাপার? তিনি বললেনঃ এ হল রহমত, যা আল্লাহ তাঁর বান্দাদের যাকে ইচ্ছা তার মনের ভিতরে দিয়ে থাকেন। আর আল্লাহ কেবলমাত্র তাঁর দয়ালু বান্দাদের ওপরই দয়া করে থাকেন। [৬৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৯১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২০০)
সহিহ বুখারী ৬৬৫৬
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ سُفْيَانَ، حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ أَبِي عَائِشَةَ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ قَالَتْ عَائِشَةُ لَدَدْنَا رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي مَرَضِهِ، وَجَعَلَ يُشِيرُ إِلَيْنَا لاَ تَلُدُّونِي ". قَالَ فَقُلْنَا كَرَاهِيَةُ الْمَرِيضِ بِالدَّوَاءِ، فَلَمَّا أَفَاقَ قَالَ " أَلَمْ أَنْهَكُمْ أَنْ تَلُدُّونِي ". قَالَ قُلْنَا كَرَاهِيَةٌ لِلدَّوَاءِ. فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لاَ يَبْقَى مِنْكُمْ أَحَدٌ إِلاَّ لُدَّ ـ وَأَنَا أَنْظُرُ ـ إِلاَّ الْعَبَّاسَ فَإِنَّهُ لَمْ يَشْهَدْكُمْ "."
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে মুসলিমের তিনটি সন্তান মারা গেছে (সে যদি ধৈর্য ধরে) তাকে জাহান্নামের আগুন স্পর্শ করবে না। তবে কসম পূর্ণ করার জন্য (তাকে পুলসিরাতের উপর দিয়ে নেয়া হবে)।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৯২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২০১)
সহিহ বুখারী ৬৬৫৭
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ عُبَيْدٍ، عَنْ بُشَيْرِ بْنِ يَسَارٍ، زَعَمَ أَنَّ رَجُلاً، مِنَ الأَنْصَارِ يُقَالُ لَهُ سَهْلُ بْنُ أَبِي حَثْمَةَ أَخْبَرَهُ أَنَّ نَفَرًا مِنْ قَوْمِهِ انْطَلَقُوا إِلَى خَيْبَرَ فَتَفَرَّقُوا فِيهَا، وَوَجَدُوا أَحَدَهُمْ قَتِيلاً، وَقَالُوا لِلَّذِي وُجِدَ فِيهِمْ قَتَلْتُمْ صَاحِبَنَا. قَالُوا مَا قَتَلْنَا وَلاَ عَلِمْنَا قَاتِلاً. فَانْطَلَقُوا إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ انْطَلَقْنَا إِلَى خَيْبَرَ فَوَجَدْنَا أَحَدَنَا قَتِيلاً. فَقَالَ الْكُبْرَ الْكُبْرَ ". فَقَالَ لَهُمْ " تَأْتُونَ بِالْبَيِّنَةِ عَلَى مَنْ قَتَلَهُ ". قَالُوا مَا لَنَا بَيِّنَةٌ. قَالَ " فَيَحْلِفُونَ ". قَالُوا لاَ نَرْضَى بِأَيْمَانِ الْيَهُودِ. فَكَرِهَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنْ يُبْطِلَ دَمَهُ، فَوَدَاهُ مِائَةً مِنْ إِبِلِ الصَّدَقَةِ."
হারিসাহ ইবনু ওয়াহব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ আমি কি তোমাদেরকে জান্নাতী লোকদের সম্পর্কে জানাব না? তারা হবে (দুনিয়াতে) দুর্বল, মাযলুম। তারা যদি আল্লাহর ওপর কসম করে, তবে আল্লাহ তা পূর্ণ করে দেন। আর জাহান্নামের অধিবাসী হবে অবাধ্য, ঝগড়াটে ও অহংকারীরা।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৯৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২০২)