সহিহ বুখারী > আল্লাহ্ তা‘আলার বাণীঃ তুমি কি তাদেরকে দেখনি যারা আল্লাহর নিয়ামাতের বদলে কুফরী করেছে। (সূরাহ ইবরাহীম ১৪/২৮)
সহিহ বুখারী ৪৭০০
علي بن عبد الله حدثنا سفيان عن عمرو عن عطاء سمع ابن عباس {ألم تر إلى الذين بدلوا نعمة الله كفرا} قال هم كفار أهل مكة.
‘আত্বা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন, أَلَمْ تَرَ إِلَى الَّذِينَ بَدَّلُوا نِعْمَةَ اللهِ كُفْرًا তারা হল মাক্কাহ্র কাফিরগণ। [৩৯৭৭] (আ.প্র. ৪৩৩৯, ই.ফা. ৪৩৩৯)
‘আত্বা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন, أَلَمْ تَرَ إِلَى الَّذِينَ بَدَّلُوا نِعْمَةَ اللهِ كُفْرًا তারা হল মাক্কাহ্র কাফিরগণ। [৩৯৭৭] (আ.প্র. ৪৩৩৯, ই.ফা. ৪৩৩৯)
علي بن عبد الله حدثنا سفيان عن عمرو عن عطاء سمع ابن عباس {ألم تر إلى الذين بدلوا نعمة الله كفرا} قال هم كفار أهل مكة.
সহিহ বুখারী > আল্লাহ্ তা‘আলার বাণীঃ আর কেউ চুপিচুপি সংবাদ শুনতে চাইলে তার পিছনে ছুটে জ্বলন্ত শিখা।* (সূরাহ হিজর ১৫/১৮) সূরাহ (১৫) : হিজর
সহিহ বুখারী ৪৭০১
حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا سفيان، عن عمرو، عن عكرمة، عن أبي هريرة، يبلغ به النبي صلى الله عليه وسلم قال " إذا قضى الله الأمر في السماء ضربت الملائكة بأجنحتها خضعانا لقوله كالسلسلة على صفوان ـ قال علي وقال غيره صفوان ـ ينفذهم ذلك فإذا فزع عن قلوبهم قالوا ماذا قال ربكم، قالوا للذي قال الحق وهو العلي الكبير، فيسمعها مسترقو السمع، ومسترقو السمع هكذا واحد فوق آخر ـ ووصف سفيان بيده، وفرج بين أصابع يده اليمنى، نصبها بعضها فوق بعض ـ فربما أدرك الشهاب المستمع، قبل أن يرمي بها إلى صاحبه، فيحرقه وربما لم يدركه حتى يرمي بها إلى الذي يليه إلى الذي هو أسفل منه حتى يلقوها إلى الأرض ـ وربما قال سفيان حتى تنتهي إلى الأرض ـ فتلقى على فم الساحر، فيكذب معها مائة كذبة فيصدق، فيقولون ألم يخبرنا يوم كذا وكذا يكون كذا وكذا، فوجدناه حقا للكلمة التي سمعت من السماء ". حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا سفيان، حدثنا عمرو، عن عكرمة، عن أبي هريرة، إذا قضى الله الأمر. وزاد الكاهن. وحدثنا سفيان فقال قال عمرو سمعت عكرمة حدثنا أبو هريرة قال إذا قضى الله الأمر وقال على فم الساحر. قلت لسفيان قال سمعت عكرمة قال سمعت أبا هريرة. قال نعم. قلت لسفيان إن إنسانا روى عنك عن عمرو عن عكرمة عن أبي هريرة ويرفعه أنه قرأ فزع. قال سفيان هكذا قرأ عمرو. فلا أدري سمعه هكذا أم لا. قال سفيان وهى قراءتنا.
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন, যখন আল্লাহ্ তা‘আলা আকাশে কোন বিষয়ের সিদ্ধান্ত নেন, তখন মালায়িকাহ তাঁর কথা শোনার জন্য অতি বিনয়ের সঙ্গে নিজ নিজ পালক ঝাড়তে থাকে মসৃণ পাথরের উপর জিঞ্জিরের শব্দের মত। ‘আলী (রাঃ) বলেন, صَفْوَانِ এর মধ্যে فَا সাকিন যুক্ত এবং অন্যরা বলেন, فَا ফাতাহ্ যুক্ত। এভাবে আল্লাহ্ তা‘আলা তাঁর বাণী মালায়িকাহ্কে পৌঁছান। “যখন মালায়িকাহ্র অন্তর থেকে ভয় দূর হয়, তখন তারা একে অপররে জিজ্ঞেস করে, তোমাদের প্রভু কী বলেছেন? তখন তারা বলে, যা সত্য তিনি তাই বলেছেন, এবং তিনি অতি উচ্চ মহান।” চুরি করে কান লাগিয়ে (শায়ত্বনরা) তা শুনে নেয়। শোনার জন্য শায়ত্বনগুলো একের ওপর এক এভাবে থাকে। সুফ্ইয়ান ডান হাতের আঙ্গুলের ওপর অন্য আঙ্গুল রেখে হাতের ইশারায় ব্যাপারটি প্রকাশ করলেন। তারপর কখনও অগ্নি স্ফুলিঙ্গ শ্রবণকারীকে তার সাথীর কাছে এ কথাটি পৌঁছানোর আগেই আঘাত করে এবং তাকে জ্বালিয়ে দেয়। আবার কখনও সে ফুলকি প্রথম শ্রবণকারী শয়তান পর্যন্ত পৌঁছার পূর্বেই সে তার নিচের সাথীকে খবরটি জানিয়ে দেয়। এমনি করে এ কথা পৃথিবী পর্যন্ত পৌঁছিয়ে দেয়। কখনও সুফ্ইয়ান বলেছেন, এমনি করে পৃথিবী পর্যন্ত পৌঁছে যায়। তারপর তা জাদুকরের মুখে ঢেলে দেয়া হয় এবং সে তার সঙ্গে শত মিথ্যা মিশিয়ে প্রচার করে। তাই তার কথা সত্য হয়ে যায়। তখন লোকেরা বলতে থাকে, এ জাদুকর আমাদের কাছে অমুক অমুক দিন অমুক অমুক কথা বলেছিল;। বস্তুত আসমান থেকে শুনে নেয়ার কারণেই আমরা তা সত্যরূপে পেয়েছি। (আ.প্র. ৪৩৪০, ই.ফা. ৪৩৪০) আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। যখন আল্লাহ্র তা‘আলা কোন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন....এ বর্ণনায় كَاهِنِ (জ্যোতির্বিদ কথাটি) অতিরিক্ত। ..... আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) বলেছেন, যখন আল্লাহ্ তা‘আলা কোন ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। এ বর্ণনায় عَلَى فَمِ السَّاحِرِ (জাদুকরের মুখের ওপর) উল্লেখ করেছেন। ‘আলী ইব্নু ‘আবদুল্লাহ্ বলেন, আমি সুফ্ইয়ানকে জিজ্ঞেস করলাম, আপনি কি ‘আম্র থেকে শুনেছেন যে, তিনি বলেছেন, আমি ইকরামাহ থেকে শুনে এবং তিনি (ইকরামাহ) বলেন, আমি আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে শুনেছি। সুফ্ইয়ান বলেন, হ্যাঁ। ‘আলী বলেন, আমি সুফ্ইয়ানকে জিজ্ঞেস করলাম, এক ব্যক্তি আপনার থেকে এভাবে বর্ণনা করেছেন, ‘আম্র ইকরামাহ থেকে, তিনি আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে, তিনি বলেছেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) পাঠ করেছেন। সুফ্ইয়ান বললেন, আমি ‘আম্রকে এভাবে পড়তে শুনেছি। তবে আমি জানি না, তিনি এভাবেই শুনেছেন কিনা; তবে এ-ই আমাদের পাঠ। [৪৮০০, ৭৪৮১] (আ.প্র. ৪৩৪১, ই.ফা. ৪৩৪১)
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন, যখন আল্লাহ্ তা‘আলা আকাশে কোন বিষয়ের সিদ্ধান্ত নেন, তখন মালায়িকাহ তাঁর কথা শোনার জন্য অতি বিনয়ের সঙ্গে নিজ নিজ পালক ঝাড়তে থাকে মসৃণ পাথরের উপর জিঞ্জিরের শব্দের মত। ‘আলী (রাঃ) বলেন, صَفْوَانِ এর মধ্যে فَا সাকিন যুক্ত এবং অন্যরা বলেন, فَا ফাতাহ্ যুক্ত। এভাবে আল্লাহ্ তা‘আলা তাঁর বাণী মালায়িকাহ্কে পৌঁছান। “যখন মালায়িকাহ্র অন্তর থেকে ভয় দূর হয়, তখন তারা একে অপররে জিজ্ঞেস করে, তোমাদের প্রভু কী বলেছেন? তখন তারা বলে, যা সত্য তিনি তাই বলেছেন, এবং তিনি অতি উচ্চ মহান।” চুরি করে কান লাগিয়ে (শায়ত্বনরা) তা শুনে নেয়। শোনার জন্য শায়ত্বনগুলো একের ওপর এক এভাবে থাকে। সুফ্ইয়ান ডান হাতের আঙ্গুলের ওপর অন্য আঙ্গুল রেখে হাতের ইশারায় ব্যাপারটি প্রকাশ করলেন। তারপর কখনও অগ্নি স্ফুলিঙ্গ শ্রবণকারীকে তার সাথীর কাছে এ কথাটি পৌঁছানোর আগেই আঘাত করে এবং তাকে জ্বালিয়ে দেয়। আবার কখনও সে ফুলকি প্রথম শ্রবণকারী শয়তান পর্যন্ত পৌঁছার পূর্বেই সে তার নিচের সাথীকে খবরটি জানিয়ে দেয়। এমনি করে এ কথা পৃথিবী পর্যন্ত পৌঁছিয়ে দেয়। কখনও সুফ্ইয়ান বলেছেন, এমনি করে পৃথিবী পর্যন্ত পৌঁছে যায়। তারপর তা জাদুকরের মুখে ঢেলে দেয়া হয় এবং সে তার সঙ্গে শত মিথ্যা মিশিয়ে প্রচার করে। তাই তার কথা সত্য হয়ে যায়। তখন লোকেরা বলতে থাকে, এ জাদুকর আমাদের কাছে অমুক অমুক দিন অমুক অমুক কথা বলেছিল;। বস্তুত আসমান থেকে শুনে নেয়ার কারণেই আমরা তা সত্যরূপে পেয়েছি। (আ.প্র. ৪৩৪০, ই.ফা. ৪৩৪০) আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। যখন আল্লাহ্র তা‘আলা কোন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন....এ বর্ণনায় كَاهِنِ (জ্যোতির্বিদ কথাটি) অতিরিক্ত। ..... আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) বলেছেন, যখন আল্লাহ্ তা‘আলা কোন ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। এ বর্ণনায় عَلَى فَمِ السَّاحِرِ (জাদুকরের মুখের ওপর) উল্লেখ করেছেন। ‘আলী ইব্নু ‘আবদুল্লাহ্ বলেন, আমি সুফ্ইয়ানকে জিজ্ঞেস করলাম, আপনি কি ‘আম্র থেকে শুনেছেন যে, তিনি বলেছেন, আমি ইকরামাহ থেকে শুনে এবং তিনি (ইকরামাহ) বলেন, আমি আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে শুনেছি। সুফ্ইয়ান বলেন, হ্যাঁ। ‘আলী বলেন, আমি সুফ্ইয়ানকে জিজ্ঞেস করলাম, এক ব্যক্তি আপনার থেকে এভাবে বর্ণনা করেছেন, ‘আম্র ইকরামাহ থেকে, তিনি আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে, তিনি বলেছেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) পাঠ করেছেন। সুফ্ইয়ান বললেন, আমি ‘আম্রকে এভাবে পড়তে শুনেছি। তবে আমি জানি না, তিনি এভাবেই শুনেছেন কিনা; তবে এ-ই আমাদের পাঠ। [৪৮০০, ৭৪৮১] (আ.প্র. ৪৩৪১, ই.ফা. ৪৩৪১)
حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا سفيان، عن عمرو، عن عكرمة، عن أبي هريرة، يبلغ به النبي صلى الله عليه وسلم قال " إذا قضى الله الأمر في السماء ضربت الملائكة بأجنحتها خضعانا لقوله كالسلسلة على صفوان ـ قال علي وقال غيره صفوان ـ ينفذهم ذلك فإذا فزع عن قلوبهم قالوا ماذا قال ربكم، قالوا للذي قال الحق وهو العلي الكبير، فيسمعها مسترقو السمع، ومسترقو السمع هكذا واحد فوق آخر ـ ووصف سفيان بيده، وفرج بين أصابع يده اليمنى، نصبها بعضها فوق بعض ـ فربما أدرك الشهاب المستمع، قبل أن يرمي بها إلى صاحبه، فيحرقه وربما لم يدركه حتى يرمي بها إلى الذي يليه إلى الذي هو أسفل منه حتى يلقوها إلى الأرض ـ وربما قال سفيان حتى تنتهي إلى الأرض ـ فتلقى على فم الساحر، فيكذب معها مائة كذبة فيصدق، فيقولون ألم يخبرنا يوم كذا وكذا يكون كذا وكذا، فوجدناه حقا للكلمة التي سمعت من السماء ". حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا سفيان، حدثنا عمرو، عن عكرمة، عن أبي هريرة، إذا قضى الله الأمر. وزاد الكاهن. وحدثنا سفيان فقال قال عمرو سمعت عكرمة حدثنا أبو هريرة قال إذا قضى الله الأمر وقال على فم الساحر. قلت لسفيان قال سمعت عكرمة قال سمعت أبا هريرة. قال نعم. قلت لسفيان إن إنسانا روى عنك عن عمرو عن عكرمة عن أبي هريرة ويرفعه أنه قرأ فزع. قال سفيان هكذا قرأ عمرو. فلا أدري سمعه هكذا أم لا. قال سفيان وهى قراءتنا.
সহিহ বুখারী > আল্লাহ্ তা‘আলার বাণীঃ নিশ্চয় ‘হিজরের’ অধিবাসীও রাসূলের প্রতি মিথ্যারোপ করেছিল। (সূরাহ হিজর ১৫/৮০)
সহিহ বুখারী ৪৭০২
إبراهيم بن المنذر حدثنا معن قال حدثني مالك عن عبد الله بن دينار عن عبد الله بن عمر رضي الله عنهما أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لأصحاب الحجر لا تدخلوا على هؤلاء القوم إلا أن تكونوا باكين فإن لم تكونوا باكين فلا تدخلوا عليهم أن يصيبكم مثل ما أصابهم.
‘আবদুল্লাহ্ ইব্নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নিশ্চয়ই রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হিজরবাসীগণ সম্পর্কে সহাবায়ে কিরামদের বললেন, তোমরা ক্রন্দনরত অবস্থা ব্যতিরেকে এ জাতির এলাকায় প্রবেশ করবে না। যদি তোমাদের ক্রন্দন না আসে, তবে তোমরা তাদের এলাকায় প্রবেশই করবে না। হয়ত, তাদের ওপর যা ঘটেছিল তা তোমাদের ওপরও ঘটতে পারে। [৪৩৩] (আ.প্র. ৪৩৪২, ই.ফা. ৪৩৪২)
‘আবদুল্লাহ্ ইব্নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নিশ্চয়ই রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হিজরবাসীগণ সম্পর্কে সহাবায়ে কিরামদের বললেন, তোমরা ক্রন্দনরত অবস্থা ব্যতিরেকে এ জাতির এলাকায় প্রবেশ করবে না। যদি তোমাদের ক্রন্দন না আসে, তবে তোমরা তাদের এলাকায় প্রবেশই করবে না। হয়ত, তাদের ওপর যা ঘটেছিল তা তোমাদের ওপরও ঘটতে পারে। [৪৩৩] (আ.প্র. ৪৩৪২, ই.ফা. ৪৩৪২)
إبراهيم بن المنذر حدثنا معن قال حدثني مالك عن عبد الله بن دينار عن عبد الله بن عمر رضي الله عنهما أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لأصحاب الحجر لا تدخلوا على هؤلاء القوم إلا أن تكونوا باكين فإن لم تكونوا باكين فلا تدخلوا عليهم أن يصيبكم مثل ما أصابهم.
সহিহ বুখারী > আল্লাহ্ তা‘আলার বাণীঃ আর আমি তো আপনাকে দিয়েছি সাতটি আয়াত যা বারবার পাঠ করা হয় এবং দিয়েছি মহা কুরআন। (সূরাহ হিজর ১৫/৮৭)
সহিহ বুখারী ৪৭০৪
آدم حدثنا ابن أبي ذئب حدثنا سعيد المقبري عن أبي هريرة رضي الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم أم القرآن هي السبع المثاني والقرآن العظيم.
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, উম্মুল কুরআন (সূরাহ ফাতিহা) হচ্ছে বারবার পঠিত সাতটি আয়াত এবং মহা কুরআন। (আ.প্র. ৪৩৪৪, ই.ফা. ৪৩৪৪)
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, উম্মুল কুরআন (সূরাহ ফাতিহা) হচ্ছে বারবার পঠিত সাতটি আয়াত এবং মহা কুরআন। (আ.প্র. ৪৩৪৪, ই.ফা. ৪৩৪৪)
آدم حدثنا ابن أبي ذئب حدثنا سعيد المقبري عن أبي هريرة رضي الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم أم القرآن هي السبع المثاني والقرآن العظيم.
সহিহ বুখারী ৪৭০৩
محمد بن بشار حدثنا غندر حدثنا شعبة عن خبيب بن عبد الرحمن عن حفص بن عاصم عن أبي سعيد بن المعلى قال مر بي النبي صلى الله عليه وسلم وأنا أصلي فدعاني فلم آته حتى صليت ثم أتيت فقال ما منعك أن تأتيني فقلت كنت أصلي فقال ألم يقل الله {يٰأيها الذين اٰمنوا استجيبوا لله وللرسول} إذا دعاكم لما يحييكم ثم قال ألا أعلمك أعظم سورة في القرآن قبل أن أخرج من المسجد فذهب النبي صلى الله عليه وسلم ليخرج من المسجد فذكرته فقال الحمد لله رب العالمين هي السبع المثاني والقرآن العظيم الذي أوتيته.
আবূ সা‘ঈদ ইব্নু মু‘য়াল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমার পার্শ্ব দিয়ে গেলেন, তখন আমি সলাত আদায় করছিলাম। তিনি আমাকে ডাক দিলেন। আমি সলাত শেষ না করে আসিনি। তারপর আমি বললাম। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে বললেন, আমার কাছে আসতে তোমাকে কিসে বাধা দিয়েছিল। আমি আসলাম, আমি সলাত আদায় করছিলাম। তিনি বললেন, আল্লাহ্ তা‘আলা কি এ কথা বলেননি, “হে ঈমানদারগণ! আল্লাহ্ এবং রাসূলের ডাকে সাড়া দাও?” তারপর তিনি বললেন, আমি মসজিদ থেকে বের হয়ে যাওয়ার আগেই কি তোমাকে কুরআনের সর্বশ্রেষ্ঠ সূরাটি শিখিয়ে দেব না। তারপর রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন মসজিদ থেকে বের হতে উদ্যত হলেন, আমি তাকে কথাটি মনে করিয়ে দিলাম। তিনি বললেন, সে সূরাটি হল, “আল্ হামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামীন।” এটি হল, বারবার পঠিত সাতটি আয়াত এবং মহা কুরআন যা আমাকে দেয়া হয়েছে। [৪৪৭৪] (আ.প্র. ৪৩৪৩, ই.ফা. ৪৩৪৩)
আবূ সা‘ঈদ ইব্নু মু‘য়াল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমার পার্শ্ব দিয়ে গেলেন, তখন আমি সলাত আদায় করছিলাম। তিনি আমাকে ডাক দিলেন। আমি সলাত শেষ না করে আসিনি। তারপর আমি বললাম। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে বললেন, আমার কাছে আসতে তোমাকে কিসে বাধা দিয়েছিল। আমি আসলাম, আমি সলাত আদায় করছিলাম। তিনি বললেন, আল্লাহ্ তা‘আলা কি এ কথা বলেননি, “হে ঈমানদারগণ! আল্লাহ্ এবং রাসূলের ডাকে সাড়া দাও?” তারপর তিনি বললেন, আমি মসজিদ থেকে বের হয়ে যাওয়ার আগেই কি তোমাকে কুরআনের সর্বশ্রেষ্ঠ সূরাটি শিখিয়ে দেব না। তারপর রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন মসজিদ থেকে বের হতে উদ্যত হলেন, আমি তাকে কথাটি মনে করিয়ে দিলাম। তিনি বললেন, সে সূরাটি হল, “আল্ হামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামীন।” এটি হল, বারবার পঠিত সাতটি আয়াত এবং মহা কুরআন যা আমাকে দেয়া হয়েছে। [৪৪৭৪] (আ.প্র. ৪৩৪৩, ই.ফা. ৪৩৪৩)
محمد بن بشار حدثنا غندر حدثنا شعبة عن خبيب بن عبد الرحمن عن حفص بن عاصم عن أبي سعيد بن المعلى قال مر بي النبي صلى الله عليه وسلم وأنا أصلي فدعاني فلم آته حتى صليت ثم أتيت فقال ما منعك أن تأتيني فقلت كنت أصلي فقال ألم يقل الله {يٰأيها الذين اٰمنوا استجيبوا لله وللرسول} إذا دعاكم لما يحييكم ثم قال ألا أعلمك أعظم سورة في القرآن قبل أن أخرج من المسجد فذهب النبي صلى الله عليه وسلم ليخرج من المسجد فذكرته فقال الحمد لله رب العالمين هي السبع المثاني والقرآن العظيم الذي أوتيته.