সহিহ বুখারী > আল্লাহ্ তা‘আলার বাণীঃ আশা করা যায়, আপনার রব আপনাকে মাকামে মাহমূদে প্রতিষ্ঠিত করবেন। (সূরাহ বানী ইসরাঈল ১৭/৭৯)
সহিহ বুখারী ৪৭১৯
علي بن عياش حدثنا شعيب بن أبي حمزة عن محمد بن المنكدر عن جابر بن عبد الله رضي الله عنهما أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من قال حين يسمع النداء اللهم رب هذه الدعوة التامة والصلاة القائمة آت محمدا الوسيلة والفضيلة وابعثه مقاما محمودا الذي وعدته حلت له شفاعتي يوم القيامة رواه حمزة بن عبد الله عن أبيه عن النبي صلى الله عليه وسلم
জাবির ইব্নু ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নিশ্চয়ই রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি আযান শোনার পর এ দু‘আ পড়বে, “হে আল্লাহ্! এ পরিপূর্ণ আহ্বানের এবং প্রতিষ্ঠিত সলাতের রব, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে ওয়াসীলা ও শ্রেষ্ঠত্ব দান কর, প্রতিষ্ঠিত কর তাঁকে মাকামে মাহমূদে, যার ওয়াদা তুমি করেছ” ক্বিয়ামাতের দিন তার জন্য আমার শাফা‘আত অবধারিত হয়ে যাবে। এ হাদীসটি হামযা ইব্নু ‘আবদুল্লাহ্ তাঁর পিতা থেকে, তিনি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন। [৬১৪] (আ.প্র. ৪৩৫৮, ই.ফা. ৪৩৬০)
জাবির ইব্নু ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নিশ্চয়ই রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি আযান শোনার পর এ দু‘আ পড়বে, “হে আল্লাহ্! এ পরিপূর্ণ আহ্বানের এবং প্রতিষ্ঠিত সলাতের রব, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে ওয়াসীলা ও শ্রেষ্ঠত্ব দান কর, প্রতিষ্ঠিত কর তাঁকে মাকামে মাহমূদে, যার ওয়াদা তুমি করেছ” ক্বিয়ামাতের দিন তার জন্য আমার শাফা‘আত অবধারিত হয়ে যাবে। এ হাদীসটি হামযা ইব্নু ‘আবদুল্লাহ্ তাঁর পিতা থেকে, তিনি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন। [৬১৪] (আ.প্র. ৪৩৫৮, ই.ফা. ৪৩৬০)
علي بن عياش حدثنا شعيب بن أبي حمزة عن محمد بن المنكدر عن جابر بن عبد الله رضي الله عنهما أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من قال حين يسمع النداء اللهم رب هذه الدعوة التامة والصلاة القائمة آت محمدا الوسيلة والفضيلة وابعثه مقاما محمودا الذي وعدته حلت له شفاعتي يوم القيامة رواه حمزة بن عبد الله عن أبيه عن النبي صلى الله عليه وسلم
সহিহ বুখারী ৪৭১৮
إسماعيل بن أبان حدثنا أبو الأحوص عن آدم بن علي قال سمعت ابن عمر رضي الله عنهما يقول إن الناس يصيرون يوم القيامة جثا كل أمة تتبع نبيها يقولون يا فلان اشفع يا فلان اشفع حتى تنتهي الشفاعة إلى النبي صلى الله عليه وسلم فذلك يوم يبعثه الله المقام المحمود
ইব্নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নিশ্চয়ই ক্বিয়ামাতের দিন লোকেরা ভিন্ন ভিন্ন দলে বিভক্ত হয়ে পড়বে। প্রত্যেক নাবীর উম্মাত স্বীয় নাবীর অনুসরণ করবে। তারা বলবে ঃ হে অমুক (নাবী)! আপনি সুপারিশ করুন। হে অমুক (নাবী)! আপনি সুপারিশ করুন। (কেউ সুপারিশ করতে চাইবেন না)। শেষ পর্যন্ত সুপারিশের দায়িত্ব নাবী মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর উপর পড়বে। আর এ দিনেই আল্লাহ্ তা‘আলা তাঁকে মাকামে মাহমূদ -এ পৌঁছাবেন। [১৪৭৫] (আ.প্র. ৪৩৫৭, ই.ফা. ৪৩৫৮)
ইব্নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নিশ্চয়ই ক্বিয়ামাতের দিন লোকেরা ভিন্ন ভিন্ন দলে বিভক্ত হয়ে পড়বে। প্রত্যেক নাবীর উম্মাত স্বীয় নাবীর অনুসরণ করবে। তারা বলবে ঃ হে অমুক (নাবী)! আপনি সুপারিশ করুন। হে অমুক (নাবী)! আপনি সুপারিশ করুন। (কেউ সুপারিশ করতে চাইবেন না)। শেষ পর্যন্ত সুপারিশের দায়িত্ব নাবী মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর উপর পড়বে। আর এ দিনেই আল্লাহ্ তা‘আলা তাঁকে মাকামে মাহমূদ -এ পৌঁছাবেন। [১৪৭৫] (আ.প্র. ৪৩৫৭, ই.ফা. ৪৩৫৮)
إسماعيل بن أبان حدثنا أبو الأحوص عن آدم بن علي قال سمعت ابن عمر رضي الله عنهما يقول إن الناس يصيرون يوم القيامة جثا كل أمة تتبع نبيها يقولون يا فلان اشفع يا فلان اشفع حتى تنتهي الشفاعة إلى النبي صلى الله عليه وسلم فذلك يوم يبعثه الله المقام المحمود
সহিহ বুখারী > আল্লাহ্ তা‘আলার বাণীঃ অতঃপর বলুনঃ সত্য এসেছে এবং মিথ্যা বিলুপ্ত হয়েছে। নিশ্চয় মিথ্যা তো বিলুপ্ত হয়েই থাকে। (সূরাহ বানী ইসরাঈল ১৭/৮১)
সহিহ বুখারী ৪৭২০
الحميدي حدثنا سفيان عن ابن أبي نجيح عن مجاهد عن أبي معمر عن عبد الله بن مسعود رضي الله عنه قال دخل النبي صلى الله عليه وسلم مكة وحول البيت ستون وثلاث مائة نصب فجعل يطعنها بعود في يده ويقول {جاء الحق وزهق الباطل إن الباطل كان زهوقا} جاء الحق وما يبدئ الباطل وما يعيد.
‘আবদুল্লাহ্ ইব্নু মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
(মাক্কাহ বিজয়ের দিন) রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন মাক্কাহ্য় প্রবেশ করলেন, তখন কা‘বা ঘরের চারপাশে তিনশ’ ষাটটি মূর্তি ছিল। তখন তিনি তাঁর হাতের ছড়ি দিয়ে এগুলোকে ঠোকা দিতে লাগলেন এবং বলতে থাকলেন, “সত্য এসেছে আর এবং মিথ্যা বিলুপ্ত হয়েছে। মিথ্যা তো বিলুপ্ত হওয়ারই” (সূরাহ ইসরাঈল ১৭/৮১)। “সত্য এসেছে আর অসত্য না পারে নতুন কিছু সৃষ্টি করতে এবং না পারে পুনরাবৃত্তি করতে।” [২৪৭৮] (আ.প্র. ৪৩৫৯, ই.ফা. ৪৩৬১)
‘আবদুল্লাহ্ ইব্নু মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
(মাক্কাহ বিজয়ের দিন) রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন মাক্কাহ্য় প্রবেশ করলেন, তখন কা‘বা ঘরের চারপাশে তিনশ’ ষাটটি মূর্তি ছিল। তখন তিনি তাঁর হাতের ছড়ি দিয়ে এগুলোকে ঠোকা দিতে লাগলেন এবং বলতে থাকলেন, “সত্য এসেছে আর এবং মিথ্যা বিলুপ্ত হয়েছে। মিথ্যা তো বিলুপ্ত হওয়ারই” (সূরাহ ইসরাঈল ১৭/৮১)। “সত্য এসেছে আর অসত্য না পারে নতুন কিছু সৃষ্টি করতে এবং না পারে পুনরাবৃত্তি করতে।” [২৪৭৮] (আ.প্র. ৪৩৫৯, ই.ফা. ৪৩৬১)
الحميدي حدثنا سفيان عن ابن أبي نجيح عن مجاهد عن أبي معمر عن عبد الله بن مسعود رضي الله عنه قال دخل النبي صلى الله عليه وسلم مكة وحول البيت ستون وثلاث مائة نصب فجعل يطعنها بعود في يده ويقول {جاء الحق وزهق الباطل إن الباطل كان زهوقا} جاء الحق وما يبدئ الباطل وما يعيد.
সহিহ বুখারী > আল্লাহ্ তা‘আলা বাণীঃ আর তারা আপনাকে ‘‘রূহ’’ সম্পর্কে প্রশ্ন করে। (সূরাহ বানী ইসরাঈল ১৭/৮৫)
সহিহ বুখারী ৪৭২১
عمر بن حفص بن غياث حدثنا أبي حدثنا الأعمش قال حدثني إبراهيم عن علقمة عن عبد الله رضي الله عنه قال بينا أنا مع النبي صلى الله عليه وسلم في حرث وهو متكئ على عسيب إذ مر اليهود فقال بعضهم لبعض سلوه عن الروح فقال ما رأيكم إليه وقال بعضهم لا يستقبلكم بشيء تكرهونه فقالوا سلوه فسألوه عن الروح فأمسك النبي صلى الله عليه وسلم فلم يرد عليهم شيئا فعلمت أنه يوحى إليه فقمت مقامي فلما نزل الوحي قال {ويسئلونك عن الروح ط قل الروح من أمر ربي ومآ أوتيتم من العلم إلا قليلا}.
‘আবদুল্লাহ্ বিন মাস‘ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সঙ্গে একটি ক্ষেতের মাঝে উপস্থিত ছিলাম। তিনি একটি খেজুরের লাঠিতে ভর করে দাঁড়িয়েছিলেন। এমন সময় কিছু সংখ্যক ইয়াহূদী যাচ্ছিল। তারা একে অন্যকে বলতে লাগল, তাঁকে রূহ সম্পর্কে জিজ্ঞেস কর। কেউ বলল, কেন তাকে জিজ্ঞেস করতে চাইছ? আবার কেউ বলল, তিনি এমন উত্তর দিবেন না, যা তোমরা অপছন্দ কর। তারপর তারা বলল যে, তাঁকে প্রশ্ন কর। এরপরে তাঁকে রূহ সম্পর্কে প্রশ্ন করল। তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) (উত্তরদানে) বিরত থাকলেন, এ সম্পর্কে তাদের কোন উত্তর দিলেন না। (বর্ণনাকারী বলছেন) আমি বুঝতে পারলাম, তাঁর ওপর ওয়াহী অবতীর্ণ হবে। আমি আমার জাযগায় দাঁড়িয়ে রইলাম। তারপর যখন ওয়াহী অবতীর্ণ হল, তখন তিনি [রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)] বললেন, وَيَسْأَلُونَكَ عَنْ الرُّوحِ قُلْ الرُّوحُ مِنْ أَمْرِ رَبِّي وَمَا أُوتِيتُمْ مِنَ الْعِلْمِ إِلاَّ قَلِيلًا “আর তারা আপনাকে ‘রূহ’ সম্পর্কে প্রশ্ন করে। আপনি বলে দিন ঃ রূহ আমার রবের আদেশঘটিত। এ বিষয়ে তোমাদেরকে খুব সামান্যই জ্ঞান দেয়া হয়েছে” (সূরাহ বানী ইসরাঈল ১৭/৮৫)। [১২৫] (আ.প্র. ৪৩৬০, ই.ফা. ৪৩৬২)
‘আবদুল্লাহ্ বিন মাস‘ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সঙ্গে একটি ক্ষেতের মাঝে উপস্থিত ছিলাম। তিনি একটি খেজুরের লাঠিতে ভর করে দাঁড়িয়েছিলেন। এমন সময় কিছু সংখ্যক ইয়াহূদী যাচ্ছিল। তারা একে অন্যকে বলতে লাগল, তাঁকে রূহ সম্পর্কে জিজ্ঞেস কর। কেউ বলল, কেন তাকে জিজ্ঞেস করতে চাইছ? আবার কেউ বলল, তিনি এমন উত্তর দিবেন না, যা তোমরা অপছন্দ কর। তারপর তারা বলল যে, তাঁকে প্রশ্ন কর। এরপরে তাঁকে রূহ সম্পর্কে প্রশ্ন করল। তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) (উত্তরদানে) বিরত থাকলেন, এ সম্পর্কে তাদের কোন উত্তর দিলেন না। (বর্ণনাকারী বলছেন) আমি বুঝতে পারলাম, তাঁর ওপর ওয়াহী অবতীর্ণ হবে। আমি আমার জাযগায় দাঁড়িয়ে রইলাম। তারপর যখন ওয়াহী অবতীর্ণ হল, তখন তিনি [রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)] বললেন, وَيَسْأَلُونَكَ عَنْ الرُّوحِ قُلْ الرُّوحُ مِنْ أَمْرِ رَبِّي وَمَا أُوتِيتُمْ مِنَ الْعِلْمِ إِلاَّ قَلِيلًا “আর তারা আপনাকে ‘রূহ’ সম্পর্কে প্রশ্ন করে। আপনি বলে দিন ঃ রূহ আমার রবের আদেশঘটিত। এ বিষয়ে তোমাদেরকে খুব সামান্যই জ্ঞান দেয়া হয়েছে” (সূরাহ বানী ইসরাঈল ১৭/৮৫)। [১২৫] (আ.প্র. ৪৩৬০, ই.ফা. ৪৩৬২)
عمر بن حفص بن غياث حدثنا أبي حدثنا الأعمش قال حدثني إبراهيم عن علقمة عن عبد الله رضي الله عنه قال بينا أنا مع النبي صلى الله عليه وسلم في حرث وهو متكئ على عسيب إذ مر اليهود فقال بعضهم لبعض سلوه عن الروح فقال ما رأيكم إليه وقال بعضهم لا يستقبلكم بشيء تكرهونه فقالوا سلوه فسألوه عن الروح فأمسك النبي صلى الله عليه وسلم فلم يرد عليهم شيئا فعلمت أنه يوحى إليه فقمت مقامي فلما نزل الوحي قال {ويسئلونك عن الروح ط قل الروح من أمر ربي ومآ أوتيتم من العلم إلا قليلا}.
সহিহ বুখারী > আল্লাহ্ তা‘আলার বাণীঃ আর স্বীয় সলাতের কিরাআত খুব উচ্চৈঃস্বরেও পড়বে না এবং খুব ক্ষীণ স্বরেও পড়বে না। (সূরাহ বানী ইসরাঈল ১৭/১১০)
সহিহ বুখারী ৪৭২৩
طلق بن غنام حدثنا زائدة عن هشام عن أبيه عن عائشة رضي الله عنها قالت أنزل ذلك في الدعاء.
‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
وَلاَ تَجْهَرْ بِصَلاَتِكَ وَلاَ تُخَافِتْ بِهَا এ আয়াতটি দু‘আ সম্পর্কে অবতীর্ণ হয়েছে। [৬৩২৭, ৭৫২৬] (আ.প্র. ৪৩৬২, ই.ফা. ৪৩৬৪)
‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
وَلاَ تَجْهَرْ بِصَلاَتِكَ وَلاَ تُخَافِتْ بِهَا এ আয়াতটি দু‘আ সম্পর্কে অবতীর্ণ হয়েছে। [৬৩২৭, ৭৫২৬] (আ.প্র. ৪৩৬২, ই.ফা. ৪৩৬৪)
طلق بن غنام حدثنا زائدة عن هشام عن أبيه عن عائشة رضي الله عنها قالت أنزل ذلك في الدعاء.
সহিহ বুখারী ৪৭২২
يعقوب بن إبراهيم حدثنا هشيم حدثنا أبو بشر عن سعيد بن جبير عن ابن عباس رضي الله عنهما في قوله تعالى {ولا تجهر بصلاتك ولا تخافت بها} قال نزلت ورسول الله صلى الله عليه وسلم مختف بمكة كان إذا صلى بأصحابه رفع صوته بالقرآن فإذا سمعه المشركون سبوا القرآن ومن أنزله ومن جاء به فقال الله تعالى لنبيه صلى الله عليه وسلم{ولا تجهر بصلاتك}أي بقراءتك فيسمع المشركون فيسبوا القرآن {ولا تخافت بها}عن أصحابك فلا تسمعهم وابتغ بين ذلك سبيلا
ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘সালাতে স্বর উঁচু করবে না এবং অতিশয় নিচুও করবে না। এ আয়াতটি এমন সময় নাযিল হয়, যখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মাক্কাহ্য় অপ্রকাশ্যে অবস্থান করছিলেন। তিনি যখন তাঁর সাহাবাদের নিয়ে সলাত আদায় করতেন তখন তিনি উচ্চেঃস্বরে কুরআন পাঠ করতেন। মুশরিকরা তা শুনে কুরআনকে গালি দিত। আর গালি দিত যিনি তা অবতীর্ণ করেছেন তাঁকে (আল্লাহ্কে) এবং যিনি তা নিয়ে এসেছেন তাকে (জিব্রীল)। এজন্য আল্লাহ্ তা‘আলা তাঁর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলেছিলেন, “তুমি তোমার সলাতে উচ্চৈঃস্বরে কিরাআত পড়বে না, যাতে মুশরিকরা শুনে কুরআনকে গালি দেয় এবং তা এত নিচু স্বরেও পড়বে না, যাতে তোমার সহাবীরা শুনতে না পায়, বরং এ দুয়ের মধ্যবর্তী পথ অবলম্বন কর।” [৭৪৯০, ৭৫২৫, ৭৫৪৭; মুসলিম ৪/৩১, হাঃ ৪৪৬, আহমাদ ১৮৫৩] (আ.প্র. ৪৩৬১, ই.ফা. ৪৩৬৩)
ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘সালাতে স্বর উঁচু করবে না এবং অতিশয় নিচুও করবে না। এ আয়াতটি এমন সময় নাযিল হয়, যখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মাক্কাহ্য় অপ্রকাশ্যে অবস্থান করছিলেন। তিনি যখন তাঁর সাহাবাদের নিয়ে সলাত আদায় করতেন তখন তিনি উচ্চেঃস্বরে কুরআন পাঠ করতেন। মুশরিকরা তা শুনে কুরআনকে গালি দিত। আর গালি দিত যিনি তা অবতীর্ণ করেছেন তাঁকে (আল্লাহ্কে) এবং যিনি তা নিয়ে এসেছেন তাকে (জিব্রীল)। এজন্য আল্লাহ্ তা‘আলা তাঁর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলেছিলেন, “তুমি তোমার সলাতে উচ্চৈঃস্বরে কিরাআত পড়বে না, যাতে মুশরিকরা শুনে কুরআনকে গালি দেয় এবং তা এত নিচু স্বরেও পড়বে না, যাতে তোমার সহাবীরা শুনতে না পায়, বরং এ দুয়ের মধ্যবর্তী পথ অবলম্বন কর।” [৭৪৯০, ৭৫২৫, ৭৫৪৭; মুসলিম ৪/৩১, হাঃ ৪৪৬, আহমাদ ১৮৫৩] (আ.প্র. ৪৩৬১, ই.ফা. ৪৩৬৩)
يعقوب بن إبراهيم حدثنا هشيم حدثنا أبو بشر عن سعيد بن جبير عن ابن عباس رضي الله عنهما في قوله تعالى {ولا تجهر بصلاتك ولا تخافت بها} قال نزلت ورسول الله صلى الله عليه وسلم مختف بمكة كان إذا صلى بأصحابه رفع صوته بالقرآن فإذا سمعه المشركون سبوا القرآن ومن أنزله ومن جاء به فقال الله تعالى لنبيه صلى الله عليه وسلم{ولا تجهر بصلاتك}أي بقراءتك فيسمع المشركون فيسبوا القرآن {ولا تخافت بها}عن أصحابك فلا تسمعهم وابتغ بين ذلك سبيلا