সহিহ বুখারী > আল্লাহ্ তা‘আলার বাণীঃ
সহিহ বুখারী ৪৬৮৮
عبد الله بن محمد حدثنا عبد الصمد عن عبد الرحمن بن عبد الله بن دينار عن أبيه عن عبد الله بن عمر رضي الله عنهما عن النبي صلى الله عليه وسلم قال الكريم ابن الكريم ابن الكريم ابن الكريم يوسف بن يعقوب بن إسحاق بن إبراهيم
‘আবদুল্লাহ্ ইব্নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ সম্মানিত ব্যক্তির পুত্র সম্মানিত এবং তাঁর পিতাও সম্মানিত ব্যক্তির পুত্র সম্মানিত। তিনি হলেন ইউসুফ (‘আ.) যাঁর পিতা ইয়াকুব (‘আ.), যাঁর পিতা ইসহাক (‘আ.) যাঁর পিতা ইব্রাহীম (‘আ.)। [৩৩৮২] (আ.প্র. ৪৩২৭, ই.ফা. ৮ম/৪৩২৭)
‘আবদুল্লাহ্ ইব্নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ সম্মানিত ব্যক্তির পুত্র সম্মানিত এবং তাঁর পিতাও সম্মানিত ব্যক্তির পুত্র সম্মানিত। তিনি হলেন ইউসুফ (‘আ.) যাঁর পিতা ইয়াকুব (‘আ.), যাঁর পিতা ইসহাক (‘আ.) যাঁর পিতা ইব্রাহীম (‘আ.)। [৩৩৮২] (আ.প্র. ৪৩২৭, ই.ফা. ৮ম/৪৩২৭)
عبد الله بن محمد حدثنا عبد الصمد عن عبد الرحمن بن عبد الله بن دينار عن أبيه عن عبد الله بن عمر رضي الله عنهما عن النبي صلى الله عليه وسلم قال الكريم ابن الكريم ابن الكريم ابن الكريم يوسف بن يعقوب بن إسحاق بن إبراهيم
সহিহ বুখারী > আল্লাহ্ তা‘আলার বাণীঃ ইউসুফ ও তার ভাইদের কাহিনীতে অবশ্যই নিদর্শন রয়েছে জিজ্ঞাসুদের জন্য। (সূরাহ ইউসুফ ১২/৭)
সহিহ বুখারী ৪৬৮৯
محمد أخبرنا عبدة عن عبيد الله عن سعيد بن أبي سعيد عن أبي هريرة رضي الله عنه قال سئل رسول الله صلى الله عليه وسلم أي الناس أكرم قال أكرمهم عند الله أتقاهم قالوا ليس عن هذا نسألك قال فأكرم الناس يوسف نبي الله ابن نبي الله ابن نبي الله ابن خليل الله قالوا ليس عن هذا نسألك قال فعن معادن العرب تسألوني قالوا نعم قال فخياركم في الجاهلية خياركم في الإسلام إذا فقهوا تابعه أبو أسامة عن عبيد الله.
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করা হল, কোন্ ব্যক্তি বেশি সম্মানিত? তিনি বললেন, তাদের মধ্যে সে-ই আল্লাহ্র নিকট অধিক সম্মানিত, যে তাদের মধ্যে সবচাইতে অধিক আল্লাহ্ভীরু। লোকেরা বলল, আমরা এ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করিনি। তিনি বললেন, সবচেয়ে সম্মানিত ব্যক্তি হলেন আল্লাহ্র নাবী ইউসুফ (‘আ.)। তিনি নাবীর পুত্র, (তাঁর পিতাও) নাবীর পুত্র এবং (তাঁর পিতার পিতা) খালীলুল্লাহ্ (‘আ.)-এর পুত্র। লোকেরা বলল, আপনাকে আমরা এ ব্যাপারে প্রশ্ন করিনি। তিনি বললেন, সম্ভবত তোমরা আরব বংশ সম্পর্কে আমাকে জিজ্ঞেস করেছ। তারা বলল, হ্যাঁ। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, যারা জাহিলিয়্যাতে তোমাদের মাঝে উত্তম ছিল, ইসলামেও তারা উত্তম যদি তারা দ্বীন সম্পর্কে জ্ঞানের অধিকারী হয়। আবূ উসামাহ (রাঃ) ‘উবাইদুল্লাহ্র সূত্রে অনুরূপ বর্ণনা করেন। [৩৩৫৩] (আ.প্র. ৪৩২৮, ই.ফা. ৪৩২৮)
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করা হল, কোন্ ব্যক্তি বেশি সম্মানিত? তিনি বললেন, তাদের মধ্যে সে-ই আল্লাহ্র নিকট অধিক সম্মানিত, যে তাদের মধ্যে সবচাইতে অধিক আল্লাহ্ভীরু। লোকেরা বলল, আমরা এ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করিনি। তিনি বললেন, সবচেয়ে সম্মানিত ব্যক্তি হলেন আল্লাহ্র নাবী ইউসুফ (‘আ.)। তিনি নাবীর পুত্র, (তাঁর পিতাও) নাবীর পুত্র এবং (তাঁর পিতার পিতা) খালীলুল্লাহ্ (‘আ.)-এর পুত্র। লোকেরা বলল, আপনাকে আমরা এ ব্যাপারে প্রশ্ন করিনি। তিনি বললেন, সম্ভবত তোমরা আরব বংশ সম্পর্কে আমাকে জিজ্ঞেস করেছ। তারা বলল, হ্যাঁ। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, যারা জাহিলিয়্যাতে তোমাদের মাঝে উত্তম ছিল, ইসলামেও তারা উত্তম যদি তারা দ্বীন সম্পর্কে জ্ঞানের অধিকারী হয়। আবূ উসামাহ (রাঃ) ‘উবাইদুল্লাহ্র সূত্রে অনুরূপ বর্ণনা করেন। [৩৩৫৩] (আ.প্র. ৪৩২৮, ই.ফা. ৪৩২৮)
محمد أخبرنا عبدة عن عبيد الله عن سعيد بن أبي سعيد عن أبي هريرة رضي الله عنه قال سئل رسول الله صلى الله عليه وسلم أي الناس أكرم قال أكرمهم عند الله أتقاهم قالوا ليس عن هذا نسألك قال فأكرم الناس يوسف نبي الله ابن نبي الله ابن نبي الله ابن خليل الله قالوا ليس عن هذا نسألك قال فعن معادن العرب تسألوني قالوا نعم قال فخياركم في الجاهلية خياركم في الإسلام إذا فقهوا تابعه أبو أسامة عن عبيد الله.
সহিহ বুখারী > আল্লাহ তা‘আলার বাণীঃ (না, ইউসুফকে বাঘে খায়নি) বরং তোমরা নিজেদের মন থেকে একটি কাহিনী সাজিয়ে নিয়েছ। ধৈর্য ধারণ করাই উত্তম।’’ (সূরাহ ইউসুফ ১২/১৮)
সহিহ বুখারী ৪৬৯১
موسى حدثنا أبو عوانة عن حصين عن أبي وائل قال حدثني مسروق بن الأجدع قال حدثتني أم رومان وهي أم عائشة قالت بينا أنا وعائشة أخذتها الحمى فقال النبي صلى الله عليه وسلم لعل في حديث تحدث قالت نعم وقعدت عائشة قالت مثلي ومثلكم كيعقوب وبنيه {بل سولت لكم أنفسكم أمرا طفصبر جميل طوالله المستعان علٰى ما تصفون}.
‘আয়িশাহ (রাঃ)-এর মাতা উম্মু রূমান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, (অপবাদ রটনার সময়) ‘আয়িশাহ (রাঃ) আমাদের ঘরে জ্বরে আক্রান্ত ছিল। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, সম্ভবত এ অপবাদের কারণে জ্বর হয়েছে। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বললেন, হ্যাঁ। তিনি উঠে বসলেন এবং বললেন, আমার এবং আপনাদের দৃষ্টান্ত হল ইয়াকুব (‘আ.) এবং তাঁর পুত্র ইউসুফ (‘আ.)-এর ন্যায়। [ইয়াকুব (‘আ.) তাঁর ছেলেদেরকে বললেন] বরং তোমরা এক মনগড়া কাহিনী সাজিয়ে নিয়ে এসেছ কাজেই “ধৈর্যই শ্রেয়। তোমরা যা বলছ, সে বিষয়ে একমাত্র আল্লাহ্ই আমার সাহায্যস্থল।” [৩৩৮৮] (আ.প্র. ৪৩৩০, ইা.ফা. ৪৩৩০)
‘আয়িশাহ (রাঃ)-এর মাতা উম্মু রূমান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, (অপবাদ রটনার সময়) ‘আয়িশাহ (রাঃ) আমাদের ঘরে জ্বরে আক্রান্ত ছিল। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, সম্ভবত এ অপবাদের কারণে জ্বর হয়েছে। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বললেন, হ্যাঁ। তিনি উঠে বসলেন এবং বললেন, আমার এবং আপনাদের দৃষ্টান্ত হল ইয়াকুব (‘আ.) এবং তাঁর পুত্র ইউসুফ (‘আ.)-এর ন্যায়। [ইয়াকুব (‘আ.) তাঁর ছেলেদেরকে বললেন] বরং তোমরা এক মনগড়া কাহিনী সাজিয়ে নিয়ে এসেছ কাজেই “ধৈর্যই শ্রেয়। তোমরা যা বলছ, সে বিষয়ে একমাত্র আল্লাহ্ই আমার সাহায্যস্থল।” [৩৩৮৮] (আ.প্র. ৪৩৩০, ইা.ফা. ৪৩৩০)
موسى حدثنا أبو عوانة عن حصين عن أبي وائل قال حدثني مسروق بن الأجدع قال حدثتني أم رومان وهي أم عائشة قالت بينا أنا وعائشة أخذتها الحمى فقال النبي صلى الله عليه وسلم لعل في حديث تحدث قالت نعم وقعدت عائشة قالت مثلي ومثلكم كيعقوب وبنيه {بل سولت لكم أنفسكم أمرا طفصبر جميل طوالله المستعان علٰى ما تصفون}.
সহিহ বুখারী ৪৬৯০
عبد العزيز بن عبد الله حدثنا إبراهيم بن سعد عن صالح عن ابن شهاب قال ح و حدثنا الحجاج حدثنا عبد الله بن عمر النميري حدثنا يونس بن يزيد الأيلي قال سمعت الزهري سمعت عروة بن الزبير وسعيد بن المسيب وعلقمة بن وقاص وعبيد الله بن عبد الله عن حديث عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم حين قال لها أهل الإفك ما قالوا فبرأها الله كل حدثني طائفة من الحديث قال النبي صلى الله عليه وسلم إن كنت بريئة فسيبرئك الله وإن كنت ألممت بذنب فاستغفري الله وتوبي إليه قلت إني والله لا أجد مثلا إلا أبا يوسف فصبر جميل والله المستعان على ما تصفون وأنزل الله {إن الذين جاءوا بالإفك عصبة منكم} العشر الآيات
যুহ্রী (রহ.) থেকে বর্নিতঃ
‘উরওয়াহ ইবনু যুবায়র, সা‘ঈদ ইবনু মুসাইয়্যিব, ‘আলক্বামাহ ইবনু ওয়াক্কাস এবং ‘উবাইদুল্লাহ ইবনু ‘আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সহধর্মিণী ‘আয়িশাহ (রাঃ) “ইফ্ক সম্পর্কে أَهْلُ الإِفْكِ যা বলেছেন, তা শুনেছি। অতঃপর আল্লাহ তাকে সবকিছু থেকে নির্দোষ ঘোষণা করেছেন। (বর্ণনাকারীদের) একদল থেকে আমি হাদীসটির কিছু অংশ শুনেছি। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) [‘আয়িশাহ (রাঃ)-কে] বললেন, যদি তুমি নির্দোষ হয়ে থাক তবে অতিশীঘ্র আল্লাহ্ তোমার নির্দোষিতা প্রকাশ করে দিবেন; আর যদি তোমার দ্বারা এ গুনাহ্ সংঘটিত হয়ে থাকে, তবে আল্লাহ্র নিকট ক্ষমা প্রার্থনা কর এবং তাওবাহ কর। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বললেন, আল্লাহ্র কসম! এ সময় আমি ইউসুফ (‘আ.)-এর পিতা [ইয়াকুব (‘আ.)]-এর উদাহরণ ব্যতীত আর কিছুই জবাব দেয়ার মতো খুঁজে পাচ্ছি না। (আমিও তাঁর মত বলছি) ঃ সুতরাং পূর্ণ ধৈর্যই শ্রেয়, তোমরা যা বলছ সে বিষয়ে একমাত্র আল্লাহ্ই আমার সাহায্যস্থল। অবশেষে আল্লাহ্ তা‘আলা (আমার নির্দোষিতা ঘোষণা করে) إِنَّ الَّذِينَ جَاءُوا بِالإِفْكِ সহ দশটি আয়াত অবতীর্ণ করেছেন। [২৫৯৩] (আ.প্র. ৪৩২৯, ই.ফা. ৪৩২৯)
যুহ্রী (রহ.) থেকে বর্নিতঃ
‘উরওয়াহ ইবনু যুবায়র, সা‘ঈদ ইবনু মুসাইয়্যিব, ‘আলক্বামাহ ইবনু ওয়াক্কাস এবং ‘উবাইদুল্লাহ ইবনু ‘আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সহধর্মিণী ‘আয়িশাহ (রাঃ) “ইফ্ক সম্পর্কে أَهْلُ الإِفْكِ যা বলেছেন, তা শুনেছি। অতঃপর আল্লাহ তাকে সবকিছু থেকে নির্দোষ ঘোষণা করেছেন। (বর্ণনাকারীদের) একদল থেকে আমি হাদীসটির কিছু অংশ শুনেছি। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) [‘আয়িশাহ (রাঃ)-কে] বললেন, যদি তুমি নির্দোষ হয়ে থাক তবে অতিশীঘ্র আল্লাহ্ তোমার নির্দোষিতা প্রকাশ করে দিবেন; আর যদি তোমার দ্বারা এ গুনাহ্ সংঘটিত হয়ে থাকে, তবে আল্লাহ্র নিকট ক্ষমা প্রার্থনা কর এবং তাওবাহ কর। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বললেন, আল্লাহ্র কসম! এ সময় আমি ইউসুফ (‘আ.)-এর পিতা [ইয়াকুব (‘আ.)]-এর উদাহরণ ব্যতীত আর কিছুই জবাব দেয়ার মতো খুঁজে পাচ্ছি না। (আমিও তাঁর মত বলছি) ঃ সুতরাং পূর্ণ ধৈর্যই শ্রেয়, তোমরা যা বলছ সে বিষয়ে একমাত্র আল্লাহ্ই আমার সাহায্যস্থল। অবশেষে আল্লাহ্ তা‘আলা (আমার নির্দোষিতা ঘোষণা করে) إِنَّ الَّذِينَ جَاءُوا بِالإِفْكِ সহ দশটি আয়াত অবতীর্ণ করেছেন। [২৫৯৩] (আ.প্র. ৪৩২৯, ই.ফা. ৪৩২৯)
عبد العزيز بن عبد الله حدثنا إبراهيم بن سعد عن صالح عن ابن شهاب قال ح و حدثنا الحجاج حدثنا عبد الله بن عمر النميري حدثنا يونس بن يزيد الأيلي قال سمعت الزهري سمعت عروة بن الزبير وسعيد بن المسيب وعلقمة بن وقاص وعبيد الله بن عبد الله عن حديث عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم حين قال لها أهل الإفك ما قالوا فبرأها الله كل حدثني طائفة من الحديث قال النبي صلى الله عليه وسلم إن كنت بريئة فسيبرئك الله وإن كنت ألممت بذنب فاستغفري الله وتوبي إليه قلت إني والله لا أجد مثلا إلا أبا يوسف فصبر جميل والله المستعان على ما تصفون وأنزل الله {إن الذين جاءوا بالإفك عصبة منكم} العشر الآيات
সহিহ বুখারী > আল্লাহ্ তা‘আলার বাণীঃ الَّتِيْ هُوَ فِيْ بَيْتِهَا عَنْ نَّفْسِهٰ وَغَلَّقَتِ الْأَبْوَابَ وَقَالَتْ هَيْتَ لَكَ
সহিহ বুখারী ৪৬৯২
أحمد بن سعيد حدثنا بشر بن عمر حدثنا شعبة عن سليمان عن أبي وائل عن عبد الله بن مسعود قال هيت لك قال وإنما نقرؤها كما علمناها {مثواه} مقامه {وألفيا} وجدا ألفوا آباءهم ألفينا وعن ابن مسعود {بل عجبت ويسخرون}.
‘আবদুল্লাহ্ ইব্নু মাস‘ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, هَيْتَ لَكَ আমরা সেভাবেই পড়তাম, যেভাবে আমাদের শিখানো হয়েছে। مَثْوَاهُ স্থান এবং أَلْفَيَا তারা দু’জনে পেল। এ থেকে أَلْفَوْا آبَاءَهُمْ হয়েছে। এমনিভাবে ইব্নু মাস‘ঊদ (রাঃ) হতে بَلْ عَجِبْتُ وَيَسْخَرُونَ এর মধ্যে ت-কে পেশযুক্ত করে বর্ণনা করা হয়েছে। (তিনি এভাবে পড়তেন)। (আ.প্র. ৪৩৩১, ই.ফা. ৪৩৩১)
‘আবদুল্লাহ্ ইব্নু মাস‘ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, هَيْتَ لَكَ আমরা সেভাবেই পড়তাম, যেভাবে আমাদের শিখানো হয়েছে। مَثْوَاهُ স্থান এবং أَلْفَيَا তারা দু’জনে পেল। এ থেকে أَلْفَوْا آبَاءَهُمْ হয়েছে। এমনিভাবে ইব্নু মাস‘ঊদ (রাঃ) হতে بَلْ عَجِبْتُ وَيَسْخَرُونَ এর মধ্যে ت-কে পেশযুক্ত করে বর্ণনা করা হয়েছে। (তিনি এভাবে পড়তেন)। (আ.প্র. ৪৩৩১, ই.ফা. ৪৩৩১)
أحمد بن سعيد حدثنا بشر بن عمر حدثنا شعبة عن سليمان عن أبي وائل عن عبد الله بن مسعود قال هيت لك قال وإنما نقرؤها كما علمناها {مثواه} مقامه {وألفيا} وجدا ألفوا آباءهم ألفينا وعن ابن مسعود {بل عجبت ويسخرون}.
সহিহ বুখারী ৪৬৯৩
الحميدي حدثنا سفيان عن الأعمش عن مسلم عن مسروق عن عبد الله رضي الله عنه أن قريشا لما أبطئوا على النبي صلى الله عليه وسلم بالإسلام قال اللهم اكفنيهم بسبع كسبع يوسف فأصابتهم سنة حصت كل شيء حتى أكلوا العظام حتى جعل الرجل ينظر إلى السماء فيرى بينه وبينها مثل الدخان قال الله {فارتقب يوم تأتي السماء بدخان مبين} قال الله {إنا كاشفو العذاب قليلا إنكم عائدون} أفيكشف عنهم العذاب يوم القيامة وقد مضى الدخان ومضت البطشة
‘আবদুল্লাহ্ থেকে বর্নিতঃ
যখন কুরাইশগণ রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর ইসলামের দা’ওয়াত অস্বীকার করল, তখন তিনি আল্লাহ্র দরবারে আরয করলেন, হে আল্লাহ্! যেমনিভাবে আপনি ইউসুফ (‘আ.)-এর সময় সাত বছর ধরে দুর্ভিক্ষ দিয়েছিলেন, তেমনিভাবে ওদের ওপর দুর্ভিক্ষ অবতীর্ণ করুন। তারপর কুরাইশগণ এক বছর পর্যন্ত এমন দুর্ভিক্ষের মধ্যে আপতিত হল যে, সব কিছু ধ্বংস হয়ে গেল; এমনকি তারা হাড় পর্যন্ত খেতে শুরু করল; যখন কোন ব্যক্তি আকাশের দিকে নজর করত, তখন আকাশ ও তার মধ্যে শুধু ধোঁয়া দেখত। আল্লাহ্ বলেন, فَارْتَقِبْ يَوْمَ تَأْتِي السَّمَاءُ بِدُخَانٍ مُبِينٍ “সেদিনের অপেক্ষায় থাক, যেদিন আকাশ স্পষ্ট ধোঁয়া নিয়ে আসবে।” (সূরাহ দুখান ৪৪/১০) আল্লাহ্ আরও বলেন ঃ إِنَّا كَاشِفُو الْعَذَابِ قَلِيلاً إِنَّكُمْ عَائِدُونَ “আমি শাস্তি কিছুটা সরিয়ে নিব, যেন তোমরা (পূর্বাবস্থায়) ফিরে আস” (সূরাহ দুখান ৪৪/১৫)। ক্বিয়ামাতের দিন তাদের থেকে আযাব দূর করা হবে কি? এবং دُخَانُ ও بَطْشَةُ এর ব্যাখ্যা আগে বলা হয়েছে। [১০০৭] (আ.প্র. ৪৩৩২, ই.ফা. ৪৩৩২)
‘আবদুল্লাহ্ থেকে বর্নিতঃ
যখন কুরাইশগণ রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর ইসলামের দা’ওয়াত অস্বীকার করল, তখন তিনি আল্লাহ্র দরবারে আরয করলেন, হে আল্লাহ্! যেমনিভাবে আপনি ইউসুফ (‘আ.)-এর সময় সাত বছর ধরে দুর্ভিক্ষ দিয়েছিলেন, তেমনিভাবে ওদের ওপর দুর্ভিক্ষ অবতীর্ণ করুন। তারপর কুরাইশগণ এক বছর পর্যন্ত এমন দুর্ভিক্ষের মধ্যে আপতিত হল যে, সব কিছু ধ্বংস হয়ে গেল; এমনকি তারা হাড় পর্যন্ত খেতে শুরু করল; যখন কোন ব্যক্তি আকাশের দিকে নজর করত, তখন আকাশ ও তার মধ্যে শুধু ধোঁয়া দেখত। আল্লাহ্ বলেন, فَارْتَقِبْ يَوْمَ تَأْتِي السَّمَاءُ بِدُخَانٍ مُبِينٍ “সেদিনের অপেক্ষায় থাক, যেদিন আকাশ স্পষ্ট ধোঁয়া নিয়ে আসবে।” (সূরাহ দুখান ৪৪/১০) আল্লাহ্ আরও বলেন ঃ إِنَّا كَاشِفُو الْعَذَابِ قَلِيلاً إِنَّكُمْ عَائِدُونَ “আমি শাস্তি কিছুটা সরিয়ে নিব, যেন তোমরা (পূর্বাবস্থায়) ফিরে আস” (সূরাহ দুখান ৪৪/১৫)। ক্বিয়ামাতের দিন তাদের থেকে আযাব দূর করা হবে কি? এবং دُخَانُ ও بَطْشَةُ এর ব্যাখ্যা আগে বলা হয়েছে। [১০০৭] (আ.প্র. ৪৩৩২, ই.ফা. ৪৩৩২)
الحميدي حدثنا سفيان عن الأعمش عن مسلم عن مسروق عن عبد الله رضي الله عنه أن قريشا لما أبطئوا على النبي صلى الله عليه وسلم بالإسلام قال اللهم اكفنيهم بسبع كسبع يوسف فأصابتهم سنة حصت كل شيء حتى أكلوا العظام حتى جعل الرجل ينظر إلى السماء فيرى بينه وبينها مثل الدخان قال الله {فارتقب يوم تأتي السماء بدخان مبين} قال الله {إنا كاشفو العذاب قليلا إنكم عائدون} أفيكشف عنهم العذاب يوم القيامة وقد مضى الدخان ومضت البطشة