সহিহ বুখারী > আল্লাহ তা‘আলার বাণীঃ {وَالَّذِيْنَ يَكْنِزُوْنَ الذَّهَبَ وَالْفِضَّةَ وَلَا يُنْفِقُوْنَهَا فِيْ سَبِيْلِ اللهِ فَبَشِّرْهُمْ بِعَذَابٍ أَلِيْمٍ}.
সহিহ বুখারী ৪৬৫৯
الحكم بن نافع أخبرنا شعيب حدثنا أبو الزناد أن عبد الرحمن الأعرج حدثه أنه قال حدثني أبو هريرة رضي الله عنه أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول يكون كنز أحدكم يوم القيامة شجاعا أقرع.
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন, তোমাদের মধ্যে কারো জমাকৃত সম্পদ (যার যাকাত আদায় করা হয় না) ক্বিয়ামাতের দিন বিষাক্ত সর্পের রূপ ধারণ করবে। [১৪০৩] (আ.প্র. ৪২৯৮, ই.ফা. ৪৩০০)
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন, তোমাদের মধ্যে কারো জমাকৃত সম্পদ (যার যাকাত আদায় করা হয় না) ক্বিয়ামাতের দিন বিষাক্ত সর্পের রূপ ধারণ করবে। [১৪০৩] (আ.প্র. ৪২৯৮, ই.ফা. ৪৩০০)
الحكم بن نافع أخبرنا شعيب حدثنا أبو الزناد أن عبد الرحمن الأعرج حدثه أنه قال حدثني أبو هريرة رضي الله عنه أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول يكون كنز أحدكم يوم القيامة شجاعا أقرع.
সহিহ বুখারী ৪৬৬০
قتيبة بن سعيد حدثنا جرير عن حصين عن زيد بن وهب قال مررت على أبي ذر بالربذة فقلت ما أنزلك بهذه الأرض قال كنا بالشأم فقرأت {والذين يكنزون الذهب والفضة ولا ينفقونها في سبيل الله فبشرهم بعذاب أليم} قال معاوية ما هذه فينا ما هذه إلا في أهل الكتاب قال قلت إنها لفينا وفيهم.
যায়দ ইবনু ওয়াহ্ব (রহ.) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি একদা রাবাযা নামক স্থানে আবূ যার (রাঃ)-এর নিকট দিয়ে যাচ্ছিলাম। আমি (তাকে) জিজ্ঞেস করলাম, আপনি কেন এ ভূমিতে এসেছেন? তিনি বললেন, আমি সিরিয়ায় ছিলাম, তখন আমি [মু‘আবিয়াহ (রাঃ)-এর সামনে] এ আয়াত পাঠ করে শোনালাম। وَالَّذِينَ يَكْنِزُونَ الذَّهَبَ وَالْفِضَّةَ وَلاَ يُنْفِقُونَهَا فِي سَبِيلِ اللهِ فَبَشِّرْهُمْ بِعَذَابٍ أَلِيمٍ “আর যারা জমা করে রাখে স্বর্ণ ও রৌপ্য এবং তা আল্লাহ্র পথে ব্যয় করে না, তাদেরকে আপনি শুনিয়ে দিন যন্ত্রণাদায়ক শাস্তির সুসংবাদ।” (সূরাহ বারাআত ৯/৩৪) মু‘আবিয়াহ (রাঃ) এ আয়াত শুনে বললেন, এ আয়াত আমাদের ব্যাপারে অবতীর্ণ হয়নি। বরং আহলে কিতাবদের (ইয়াহূদী ও নাসারাদের) ব্যাপারে অবতীর্ণ হয়েছে। আমি বললাম, এ আয়াত আমাদের ও তাদের সম্পর্কে অবতীর্ণ হয়েছে। (এ তর্কবিতর্কের কারণে চলে এসেছি।) [১৪০৬] (আ.প্র. ৪২৯৯, ই.ফা. ৪৩০১)
যায়দ ইবনু ওয়াহ্ব (রহ.) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি একদা রাবাযা নামক স্থানে আবূ যার (রাঃ)-এর নিকট দিয়ে যাচ্ছিলাম। আমি (তাকে) জিজ্ঞেস করলাম, আপনি কেন এ ভূমিতে এসেছেন? তিনি বললেন, আমি সিরিয়ায় ছিলাম, তখন আমি [মু‘আবিয়াহ (রাঃ)-এর সামনে] এ আয়াত পাঠ করে শোনালাম। وَالَّذِينَ يَكْنِزُونَ الذَّهَبَ وَالْفِضَّةَ وَلاَ يُنْفِقُونَهَا فِي سَبِيلِ اللهِ فَبَشِّرْهُمْ بِعَذَابٍ أَلِيمٍ “আর যারা জমা করে রাখে স্বর্ণ ও রৌপ্য এবং তা আল্লাহ্র পথে ব্যয় করে না, তাদেরকে আপনি শুনিয়ে দিন যন্ত্রণাদায়ক শাস্তির সুসংবাদ।” (সূরাহ বারাআত ৯/৩৪) মু‘আবিয়াহ (রাঃ) এ আয়াত শুনে বললেন, এ আয়াত আমাদের ব্যাপারে অবতীর্ণ হয়নি। বরং আহলে কিতাবদের (ইয়াহূদী ও নাসারাদের) ব্যাপারে অবতীর্ণ হয়েছে। আমি বললাম, এ আয়াত আমাদের ও তাদের সম্পর্কে অবতীর্ণ হয়েছে। (এ তর্কবিতর্কের কারণে চলে এসেছি।) [১৪০৬] (আ.প্র. ৪২৯৯, ই.ফা. ৪৩০১)
قتيبة بن سعيد حدثنا جرير عن حصين عن زيد بن وهب قال مررت على أبي ذر بالربذة فقلت ما أنزلك بهذه الأرض قال كنا بالشأم فقرأت {والذين يكنزون الذهب والفضة ولا ينفقونها في سبيل الله فبشرهم بعذاب أليم} قال معاوية ما هذه فينا ما هذه إلا في أهل الكتاب قال قلت إنها لفينا وفيهم.
সহিহ বুখারী > আল্লাহর বাণীঃ {يَّوْمَ يُحْمٰى عَلَيْهَا فِيْ نَارِ جَهَنَّمَ فَتُكْوٰى بِهَا جِبَاهُهُمْ وَجُنُوْبُهُمْ وَظُهُوْرُهُمْ طهٰذَا مَا كَنَزْتُمْ لِاَنْفُسِكُمْ فَذُوْقُوْا مَا كُنْتُمْ تَكْنِزُوْنَ}.
সহিহ বুখারী ৪৬৬১
وقال أحمد بن شبيب بن سعيد أبي عن يونس عن ابن شهاب عن خالد بن أسلم قال خرجنا مع عبد الله بن عمر فقال هذا قبل أن تنزل الزكاة فلما أنزلت جعلها الله طهرا للأموال.
খালিদ ইবনু আসলাম (রহ.) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা ‘আবদুল্লাহ ইবন ‘উমার (রাঃ)-এর সঙ্গে বের হলাম। তখন তিনি বললেন, এ আয়াতটি যাকাতের বিধান অবতীর্ণ হওয়ার পূর্বের। এরপর যাকাতের বিধান অবতীর্ণ হলে আল্লাহ তা সম্পদের পরিশুদ্ধকারী করেন। [১৪০৪] (আ.প্র. ৪৩০০, ই.ফা. ৪৩০২)
খালিদ ইবনু আসলাম (রহ.) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা ‘আবদুল্লাহ ইবন ‘উমার (রাঃ)-এর সঙ্গে বের হলাম। তখন তিনি বললেন, এ আয়াতটি যাকাতের বিধান অবতীর্ণ হওয়ার পূর্বের। এরপর যাকাতের বিধান অবতীর্ণ হলে আল্লাহ তা সম্পদের পরিশুদ্ধকারী করেন। [১৪০৪] (আ.প্র. ৪৩০০, ই.ফা. ৪৩০২)
وقال أحمد بن شبيب بن سعيد أبي عن يونس عن ابن شهاب عن خالد بن أسلم قال خرجنا مع عبد الله بن عمر فقال هذا قبل أن تنزل الزكاة فلما أنزلت جعلها الله طهرا للأموال.
সহিহ বুখারী > আল্লাহ তা‘আলার বাণীঃ নিশ্চয় মাসসমূহের সংখ্যা আল্লাহর কাছে বার মাস, সুনির্দিষ্ট রয়েছে আল্লাহর কিতাবে সেদিন থেকে যেদিন তিনি সৃষ্টি করেছেন আসমান ও যমীন, এর মধ্যে চারটি মাস সম্মানিত। এটিই সুপ্রতিষ্ঠিত ধর্মপথ। (সূরাহ বারাআত ৯/৩৬)
সহিহ বুখারী ৪৬৬২
عبد الله بن عبد الوهاب حدثنا حماد بن زيد عن أيوب عن محمد عن ابن أبي بكرة عن أبي بكرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال إن الزمان قد استدار كهيئته يوم خلق الله السموات والأرض السنة اثنا عشر شهرا منها أربعة حرم ثلاث متواليات ذو القعدة وذو الحجة والمحرم ورجب مضر الذي بين جمادى وشعبان.
আবূ বাক্র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি বললেন, আল্লাহ যেদিন আসমান যমীন সৃষ্টি করেন সেদিন যেভাবে যামানা ছিল তা আজও তেমনি আছে। বারমাসে এক বছর, তার মধ্যে চার মাস পবিত্র। যার তিন মাস ধারাবাহিক যথা যিলকাদ, যিলহাজ্জ ও মুর্হারম আর মুযার গোত্রের রাজব যা জামাদিউস্সানী ও শাবান মাসের মধ্যবর্তী। [৬৭] (আ.প্র. ৪৩০১, ই.ফা. ৪৩০২)
আবূ বাক্র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি বললেন, আল্লাহ যেদিন আসমান যমীন সৃষ্টি করেন সেদিন যেভাবে যামানা ছিল তা আজও তেমনি আছে। বারমাসে এক বছর, তার মধ্যে চার মাস পবিত্র। যার তিন মাস ধারাবাহিক যথা যিলকাদ, যিলহাজ্জ ও মুর্হারম আর মুযার গোত্রের রাজব যা জামাদিউস্সানী ও শাবান মাসের মধ্যবর্তী। [৬৭] (আ.প্র. ৪৩০১, ই.ফা. ৪৩০২)
عبد الله بن عبد الوهاب حدثنا حماد بن زيد عن أيوب عن محمد عن ابن أبي بكرة عن أبي بكرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال إن الزمان قد استدار كهيئته يوم خلق الله السموات والأرض السنة اثنا عشر شهرا منها أربعة حرم ثلاث متواليات ذو القعدة وذو الحجة والمحرم ورجب مضر الذي بين جمادى وشعبان.
সহিহ বুখারী > আল্লাহ তা‘আলার বাণীঃ {ثَانِيَ اثْنَيْنِ إِذْ هُمَا فِي الْغَارِ إِذْ يَقُوْلُ لِصَاحِبِهٰ لَا تَحْزَنْ إِنَّ اللهَ مَعَنَا}
সহিহ বুখারী ৪৬৬৩
عبد الله بن محمد حدثنا حبان حدثنا همام حدثنا ثابت حدثنا أنس قال حدثني أبو بكر رضي الله عنه قال كنت مع النبي صلى الله عليه وسلم في الغار فرأيت آثار المشركين قلت يا رسول الله لو أن أحدهم رفع قدمه رآنا قال ما ظنك باثنين الله ثالثهما.
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আবূ বাক্র (রাঃ) আমার কাছে বলেছেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সঙ্গে (সওর) গুহায় ছিলাম। তখন আমি মুশরিকদের পদচিহ্ন দেখতে পেয়ে [নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে] বললাম, হে আল্লাহ্র রসূল! যদি তাদের কেউ পা উঠায় তাহলে আমাদের দেখে ফেলবে। তখন তিনি বললেন, এমন দু’জন সম্পর্কে তোমার কী ধারণা, যাদের তৃতীয় জন হলেন আল্লাহ। [৩৬৫৩] (আ. প্র. ৪৩০২, ই.ফা. ৪৩০৩)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আবূ বাক্র (রাঃ) আমার কাছে বলেছেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সঙ্গে (সওর) গুহায় ছিলাম। তখন আমি মুশরিকদের পদচিহ্ন দেখতে পেয়ে [নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে] বললাম, হে আল্লাহ্র রসূল! যদি তাদের কেউ পা উঠায় তাহলে আমাদের দেখে ফেলবে। তখন তিনি বললেন, এমন দু’জন সম্পর্কে তোমার কী ধারণা, যাদের তৃতীয় জন হলেন আল্লাহ। [৩৬৫৩] (আ. প্র. ৪৩০২, ই.ফা. ৪৩০৩)
عبد الله بن محمد حدثنا حبان حدثنا همام حدثنا ثابت حدثنا أنس قال حدثني أبو بكر رضي الله عنه قال كنت مع النبي صلى الله عليه وسلم في الغار فرأيت آثار المشركين قلت يا رسول الله لو أن أحدهم رفع قدمه رآنا قال ما ظنك باثنين الله ثالثهما.
সহিহ বুখারী ৪৬৬৪
عبد الله بن محمد حدثنا ابن عيينة عن ابن جريج عن ابن أبي مليكة عن ابن عباس رضي الله عنهما أنه قال حين وقع بينه وبين ابن الزبير قلت أبوه الزبير وأمه أسماء وخالته عائشة وجده أبو بكر وجدته صفية فقلت لسفيان إسناده فقال حدثنا فشغله إنسان ولم يقل ابن جريج
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন তার ও ইবনু যুবায়র (রাঃ)-এর মধ্যে (বাইআত নিয়ে) মতভেদ ঘটল, তখন আমি বললাম, তার পিতা যুবায়র, তার মাতা আসমা (রাঃ) ও তার খালা ‘আয়িশাহ (রাঃ), তার নানা আবূ বাক্র (রাঃ) ও তার নানী সুফিয়া (রাঃ)। আমি সুফ্ইয়ানকে বললাম, এর সানাদ বর্ণনা করুন। তিনি বললেন, حَدَّثَنَا এবং ইবনু জুরাইজ (রহ.) বলার আগেই অন্য এক ব্যক্তি তাকে ব্যস্ত করে ফেললেন। [৪৬৬৫, ৪৬৬৬] (আ.প্র. ৪৩০৩, ই.ফা. ৪৩০৪)
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন তার ও ইবনু যুবায়র (রাঃ)-এর মধ্যে (বাইআত নিয়ে) মতভেদ ঘটল, তখন আমি বললাম, তার পিতা যুবায়র, তার মাতা আসমা (রাঃ) ও তার খালা ‘আয়িশাহ (রাঃ), তার নানা আবূ বাক্র (রাঃ) ও তার নানী সুফিয়া (রাঃ)। আমি সুফ্ইয়ানকে বললাম, এর সানাদ বর্ণনা করুন। তিনি বললেন, حَدَّثَنَا এবং ইবনু জুরাইজ (রহ.) বলার আগেই অন্য এক ব্যক্তি তাকে ব্যস্ত করে ফেললেন। [৪৬৬৫, ৪৬৬৬] (আ.প্র. ৪৩০৩, ই.ফা. ৪৩০৪)
عبد الله بن محمد حدثنا ابن عيينة عن ابن جريج عن ابن أبي مليكة عن ابن عباس رضي الله عنهما أنه قال حين وقع بينه وبين ابن الزبير قلت أبوه الزبير وأمه أسماء وخالته عائشة وجده أبو بكر وجدته صفية فقلت لسفيان إسناده فقال حدثنا فشغله إنسان ولم يقل ابن جريج
সহিহ বুখারী ৪৬৬৬
محمد بن عبيد بن ميمون حدثنا عيسى بن يونس عن عمر بن سعيد قال أخبرني ابن أبي مليكة دخلنا على ابن عباس فقال ألا تعجبون لابن الزبير قام في أمره هذا فقلت لأحاسبن نفسي له ما حاسبتها لأبي بكر ولا لعمر ولهما كانا أولى بكل خير منه وقلت ابن عمة النبي صلى الله عليه وسلم وابن الزبير وابن أبي بكر وابن أخي خديجة وابن أخت عائشة فإذا هو يتعلى عني ولا يريد ذلك فقلت ما كنت أظن أني أعرض هذا من نفسي فيدعه وما أراه يريد خيرا وإن كان لا بد لأن يربني بنو عمي أحب إلي من أن يربني غيرهم.
ইবনু আবূ মুলাইকাহ (রহ.) থেকে বর্নিতঃ
আমরা ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-এর ঘরে প্রবেশ করলাম। তিনি বললেন, তোমরা কি ইবনু যুবায়রের বিষয়ে বিস্মিত হবে না? তিনি তো তার এ কাজে (খিলাফতের কাজে) দাঁড়িয়েছেন। [ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন] আমি বললাম, আমি অবশ্য মনে মনে তার ব্যাপারে চিন্তা-ভাবনা করি, কিন্তু আবূ বাক্র (রাঃ) কিংবা ‘উমার (রাঃ)-এর ব্যাপারে এতটুকু চিন্তা-ভাবনা করিনি। সব দিক থেকে তাঁর চেয়ে তারা উভয়ে উত্তম ছিলেন। আমি বললাম, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর ফুফু সফীয়্যাহ (রাঃ)-এর সন্তান, যুবায়রের ছেলে, আবূ বাক্র (রাঃ)-এর নাতি। খাদীজাহ (রাঃ)-এর ভাতিজা, ‘আয়িশাহ (রাঃ)-এর বোন আসমার ছেলে। কিন্তু তিনি (নিজেকে বড় মনে করে) আমার থেকে দূরে সরে থাকেন এবং তিনি আমার সহযোগিতা কামনা করেন না। আমি বললাম, আমি নিজে থেকে এজন্য তা প্রকাশ করি না যে, হয়ত তিনি তা প্রত্যাখ্যান করবেন এবং আমি মনে করি না যে, তিনি এটা ভাল করছেন। কারণ অন্য কোন ব্যক্তি দেশের শাসক হওয়ার চেয়ে আমার চাচার ছেলে অর্থাৎ আমার আপনজন শাসক হওয়া আমার নিকট উত্তম। [৪৬৬৪] (আ.প্র. ৪৩০৪, ই.ফা. ৪৩০৬)
ইবনু আবূ মুলাইকাহ (রহ.) থেকে বর্নিতঃ
আমরা ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-এর ঘরে প্রবেশ করলাম। তিনি বললেন, তোমরা কি ইবনু যুবায়রের বিষয়ে বিস্মিত হবে না? তিনি তো তার এ কাজে (খিলাফতের কাজে) দাঁড়িয়েছেন। [ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন] আমি বললাম, আমি অবশ্য মনে মনে তার ব্যাপারে চিন্তা-ভাবনা করি, কিন্তু আবূ বাক্র (রাঃ) কিংবা ‘উমার (রাঃ)-এর ব্যাপারে এতটুকু চিন্তা-ভাবনা করিনি। সব দিক থেকে তাঁর চেয়ে তারা উভয়ে উত্তম ছিলেন। আমি বললাম, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর ফুফু সফীয়্যাহ (রাঃ)-এর সন্তান, যুবায়রের ছেলে, আবূ বাক্র (রাঃ)-এর নাতি। খাদীজাহ (রাঃ)-এর ভাতিজা, ‘আয়িশাহ (রাঃ)-এর বোন আসমার ছেলে। কিন্তু তিনি (নিজেকে বড় মনে করে) আমার থেকে দূরে সরে থাকেন এবং তিনি আমার সহযোগিতা কামনা করেন না। আমি বললাম, আমি নিজে থেকে এজন্য তা প্রকাশ করি না যে, হয়ত তিনি তা প্রত্যাখ্যান করবেন এবং আমি মনে করি না যে, তিনি এটা ভাল করছেন। কারণ অন্য কোন ব্যক্তি দেশের শাসক হওয়ার চেয়ে আমার চাচার ছেলে অর্থাৎ আমার আপনজন শাসক হওয়া আমার নিকট উত্তম। [৪৬৬৪] (আ.প্র. ৪৩০৪, ই.ফা. ৪৩০৬)
محمد بن عبيد بن ميمون حدثنا عيسى بن يونس عن عمر بن سعيد قال أخبرني ابن أبي مليكة دخلنا على ابن عباس فقال ألا تعجبون لابن الزبير قام في أمره هذا فقلت لأحاسبن نفسي له ما حاسبتها لأبي بكر ولا لعمر ولهما كانا أولى بكل خير منه وقلت ابن عمة النبي صلى الله عليه وسلم وابن الزبير وابن أبي بكر وابن أخي خديجة وابن أخت عائشة فإذا هو يتعلى عني ولا يريد ذلك فقلت ما كنت أظن أني أعرض هذا من نفسي فيدعه وما أراه يريد خيرا وإن كان لا بد لأن يربني بنو عمي أحب إلي من أن يربني غيرهم.
সহিহ বুখারী ৪৬৬৫
عبد الله بن محمد قال حدثني يحيى بن معين حدثنا حجاج قال ابن جريج قال ابن أبي مليكة وكان بينهما شيء فغدوت على ابن عباس فقلت أتريد أن تقاتل ابن الزبير فتحل حرم الله فقال معاذ الله إن الله كتب ابن الزبير وبني أمية محلين وإني والله لا أحله أبدا قال قال الناس بايع لابن الزبير فقلت وأين بهذا الأمر عنه أما أبوه فحواري النبي صلى الله عليه وسلم يريد الزبير وأما جده فصاحب الغار يريد أبا بكر وأمه فذات النطاق يريد أسماء وأما خالته فأم المؤمنين يريد عائشة وأما عمته فزوج النبي صلى الله عليه وسلم يريد خديجة وأما عمة النبي صلى الله عليه وسلم فجدته يريد صفية ثم عفيف في الإسلام قارئ للقرآن والله إن وصلوني وصلوني من قريب وإن ربوني ربوني أكفاء كرام فآثر التويتات والأسامات والحميدات يريد أبطنا من بني أسد بني تويت وبني أسامة وبني أسد إن ابن أبي العاص برز يمشي القدمية يعني عبد الملك بن مروان وإنه لوى ذنبه يعني ابن الزبير.
ইবনু আবূ মুলাইকাহ (রহ.) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) ও ইবনু যুবায়র (রাঃ)-এর মধ্যে বাই‘আত নিয়ে মতভেদ সৃষ্টি হল, তখন আমি ইবনু ‘আব্বাসের কাছে গিয়ে বললাম, আপনি কি আল্লাহ যা হারাম করেছেন, তা হালাল করে ইবনু যুবায়রের বিরুদ্ধে লড়াই করতে চান? তখন তিনি বললেন, আল্লাহ্র কাছে পানাহ্ চাচ্ছি, এ কাজ তো ইবনু যুবায়র ও বানী ‘উমাইয়াহ্র জন্যই আল্লাহ লিপিবদ্ধ করে রেখেছেন। আল্লাহ্র কসম! কখনও তা আমি হালাল মনে করব না, (আবূ মুলাইকাহ বলেন) তখন লোকজন ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-কে বলল, আপনি ইবনু যুবায়রের পক্ষে বাই‘আত গ্রহণ করুন। তখন ইবনু ‘আব্বাস বললেন, তাতে ক্ষতির কী আছে? তিনি এটার জন্য যোগ্যতম ব্যক্তি। তাঁর পিতা যুবায়র তো নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাহায্যকারী ছিলেন, তার নানা আবূ বাক্র (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সওর গুহার সঙ্গী ছিলেন। তার মা আসমা, যার উপাধি ছিল যাতুন নেতাক। তার খালা ‘আয়িশাহ (রাঃ) উম্মুল মু’মিনীন ছিলেন, তার ফুফু খাদীজাহ (রাঃ) রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর স্ত্রী ছিলেন, আর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর ফুফু সফীয়্যাহ ছিলেন তাঁর দাদী। এ ব্যতীত তিনি (ইবনু যুবায়র) তো ইসলামী জগতে নিষ্কলুষ ব্যক্তি ও কুরআনের ক্বারী। আল্লাহ্র কসম! যদি তারা (বানী ‘উমাইয়াহ) আমার সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখে তবে তারা আমার নিকটাত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে সম্পর্ক রাখল। আর যদি তারা আমাদের রক্ষণাবেক্ষণ করে তবে তারা সমকক্ষ মর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তিরই রক্ষণাবেক্ষণ করল। ইবনু যুবায়র, বানী আসাদ, বানী তুয়াইত, বানী উসামাএসব গোত্রকে আমার চেয়ে নিকটতম করে নিয়েছেন। নিশ্চয়ই আবিল আস্-এর পুত্র অর্থাৎ ‘আবদুল মালিক ইবনু মারওয়ান অহঙ্কারী চালচলন আরম্ভ করেছে। নিশ্চয়ই তিনি অর্থাৎ ‘আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র (রাঃ) তার লেজ গুটিয়ে নিয়েছেন। [৪৬৬৪] (আ.প্র. ৪৩০৪, ই.ফা. ৪৩০৫)
ইবনু আবূ মুলাইকাহ (রহ.) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) ও ইবনু যুবায়র (রাঃ)-এর মধ্যে বাই‘আত নিয়ে মতভেদ সৃষ্টি হল, তখন আমি ইবনু ‘আব্বাসের কাছে গিয়ে বললাম, আপনি কি আল্লাহ যা হারাম করেছেন, তা হালাল করে ইবনু যুবায়রের বিরুদ্ধে লড়াই করতে চান? তখন তিনি বললেন, আল্লাহ্র কাছে পানাহ্ চাচ্ছি, এ কাজ তো ইবনু যুবায়র ও বানী ‘উমাইয়াহ্র জন্যই আল্লাহ লিপিবদ্ধ করে রেখেছেন। আল্লাহ্র কসম! কখনও তা আমি হালাল মনে করব না, (আবূ মুলাইকাহ বলেন) তখন লোকজন ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-কে বলল, আপনি ইবনু যুবায়রের পক্ষে বাই‘আত গ্রহণ করুন। তখন ইবনু ‘আব্বাস বললেন, তাতে ক্ষতির কী আছে? তিনি এটার জন্য যোগ্যতম ব্যক্তি। তাঁর পিতা যুবায়র তো নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাহায্যকারী ছিলেন, তার নানা আবূ বাক্র (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সওর গুহার সঙ্গী ছিলেন। তার মা আসমা, যার উপাধি ছিল যাতুন নেতাক। তার খালা ‘আয়িশাহ (রাঃ) উম্মুল মু’মিনীন ছিলেন, তার ফুফু খাদীজাহ (রাঃ) রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর স্ত্রী ছিলেন, আর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর ফুফু সফীয়্যাহ ছিলেন তাঁর দাদী। এ ব্যতীত তিনি (ইবনু যুবায়র) তো ইসলামী জগতে নিষ্কলুষ ব্যক্তি ও কুরআনের ক্বারী। আল্লাহ্র কসম! যদি তারা (বানী ‘উমাইয়াহ) আমার সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখে তবে তারা আমার নিকটাত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে সম্পর্ক রাখল। আর যদি তারা আমাদের রক্ষণাবেক্ষণ করে তবে তারা সমকক্ষ মর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তিরই রক্ষণাবেক্ষণ করল। ইবনু যুবায়র, বানী আসাদ, বানী তুয়াইত, বানী উসামাএসব গোত্রকে আমার চেয়ে নিকটতম করে নিয়েছেন। নিশ্চয়ই আবিল আস্-এর পুত্র অর্থাৎ ‘আবদুল মালিক ইবনু মারওয়ান অহঙ্কারী চালচলন আরম্ভ করেছে। নিশ্চয়ই তিনি অর্থাৎ ‘আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র (রাঃ) তার লেজ গুটিয়ে নিয়েছেন। [৪৬৬৪] (আ.প্র. ৪৩০৪, ই.ফা. ৪৩০৫)
عبد الله بن محمد قال حدثني يحيى بن معين حدثنا حجاج قال ابن جريج قال ابن أبي مليكة وكان بينهما شيء فغدوت على ابن عباس فقلت أتريد أن تقاتل ابن الزبير فتحل حرم الله فقال معاذ الله إن الله كتب ابن الزبير وبني أمية محلين وإني والله لا أحله أبدا قال قال الناس بايع لابن الزبير فقلت وأين بهذا الأمر عنه أما أبوه فحواري النبي صلى الله عليه وسلم يريد الزبير وأما جده فصاحب الغار يريد أبا بكر وأمه فذات النطاق يريد أسماء وأما خالته فأم المؤمنين يريد عائشة وأما عمته فزوج النبي صلى الله عليه وسلم يريد خديجة وأما عمة النبي صلى الله عليه وسلم فجدته يريد صفية ثم عفيف في الإسلام قارئ للقرآن والله إن وصلوني وصلوني من قريب وإن ربوني ربوني أكفاء كرام فآثر التويتات والأسامات والحميدات يريد أبطنا من بني أسد بني تويت وبني أسامة وبني أسد إن ابن أبي العاص برز يمشي القدمية يعني عبد الملك بن مروان وإنه لوى ذنبه يعني ابن الزبير.