সহিহ বুখারী > আল্লাহর বাণীঃ যেদিন আপনার রবের কোন নিদর্শন আসবে, সেদিন এমন কোন ব্যক্তির ঈমান কাজে আসবে না যে ব্যক্তি নেক কাজ করেনি। (সূরাহ আল-আন‘আম ৬/১৫৮)
সহিহ বুখারী ৪৬৩৫
موسى بن إسماعيل حدثنا عبد الواحد حدثنا عمارة حدثنا أبو زرعة حدثنا أبو هريرة رضي الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا تقوم الساعة حتى تطلع الشمس من مغربها فإذا رآها الناس آمن من عليها فذاك حين لا ينفع نفسا إيمانها لم تكن آمنت من قبل.
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “পশ্চিম দিক থেকে সূর্যোদয়ের পূর্ব পর্যন্ত ক্বিয়ামাত অনুষ্ঠিত হবে না। লোকেরা যখন তা দেখবে, তখন পৃথিবীর সকলে ঈমান আনবে এবং সেটি হচ্ছে এমন সময় “পূর্বে ঈমান আনেনি এমন ব্যক্তির ঈমান তার কাজে আসবে না”। [৮৫; মুসলিম ৪/৭২, হাঃ ১৫৭, আহমাদ ৭১৬৪] (আ.প্র. ৪২৭৪, ই.ফা. ৪২৭৭)
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “পশ্চিম দিক থেকে সূর্যোদয়ের পূর্ব পর্যন্ত ক্বিয়ামাত অনুষ্ঠিত হবে না। লোকেরা যখন তা দেখবে, তখন পৃথিবীর সকলে ঈমান আনবে এবং সেটি হচ্ছে এমন সময় “পূর্বে ঈমান আনেনি এমন ব্যক্তির ঈমান তার কাজে আসবে না”। [৮৫; মুসলিম ৪/৭২, হাঃ ১৫৭, আহমাদ ৭১৬৪] (আ.প্র. ৪২৭৪, ই.ফা. ৪২৭৭)
موسى بن إسماعيل حدثنا عبد الواحد حدثنا عمارة حدثنا أبو زرعة حدثنا أبو هريرة رضي الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا تقوم الساعة حتى تطلع الشمس من مغربها فإذا رآها الناس آمن من عليها فذاك حين لا ينفع نفسا إيمانها لم تكن آمنت من قبل.
সহিহ বুখারী ৪৬৩৬
إسحاق أخبرنا عبد الرزاق أخبرنا معمر عن همام عن أبي هريرة رضي الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا تقوم الساعة حتى تطلع الشمس من مغربها فإذا طلعت ورآها الناس آمنوا أجمعون وذلك حين لا ينفع نفسا إيمانها ثم قرأ الآية.
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, যতক্ষণ না পশ্চিম দিক থেকে সূর্যোদয় ঘটবে ততক্ষণ ক্বিয়ামাত হবে না, যখন সেদিক থেকে সূর্য উদিত হবে এবং লোকেরা তা দেখবে তখন সবাই ঈমান গ্রহণ করবে, এটাই সময় যখন কোন ব্যক্তিকে তার ঈমান কল্যাণ সাধন করবে না। তারপর তিনি আয়াতটি তিলাওয়াত করলেন। [৮৫] (আ.প্র. ৪২৭৫, ই.ফা. ৪২৭৮)
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, যতক্ষণ না পশ্চিম দিক থেকে সূর্যোদয় ঘটবে ততক্ষণ ক্বিয়ামাত হবে না, যখন সেদিক থেকে সূর্য উদিত হবে এবং লোকেরা তা দেখবে তখন সবাই ঈমান গ্রহণ করবে, এটাই সময় যখন কোন ব্যক্তিকে তার ঈমান কল্যাণ সাধন করবে না। তারপর তিনি আয়াতটি তিলাওয়াত করলেন। [৮৫] (আ.প্র. ৪২৭৫, ই.ফা. ৪২৭৮)
إسحاق أخبرنا عبد الرزاق أخبرنا معمر عن همام عن أبي هريرة رضي الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا تقوم الساعة حتى تطلع الشمس من مغربها فإذا طلعت ورآها الناس آمنوا أجمعون وذلك حين لا ينفع نفسا إيمانها ثم قرأ الآية.
সহিহ বুখারী > আল্লাহর বাণীঃ বলুনঃ আমার রব হারাম করেছেন যাবতীয় প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য অশ্লীলতা। (সূরাহ আল-‘আরাফ ৭/৩৩)
সহিহ বুখারী ৪৬৩৭
سليمان بن حرب حدثنا شعبة عن عمرو بن مرة عن أبي وائل عن عبد الله رضي الله عنه قال قلت أنت سمعت هذا من عبد الله قال نعم ورفعه قال لا أحد أغير من الله فلذلك حرم الفواحش ما ظهر منها وما بطن ولا أحد أحب إليه المدحة من الله فلذلك مدح نفسه.
‘আম্র ইবনু মুররাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আবূ ওয়ায়িলকে জিজ্ঞেস করলেন, আপনি কি এটা ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) থেকে শুনেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ এবং তিনি এটাকে মারফু‘ হাদীস হিসেবে বর্ণনা করেছেন। রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, অন্যায়কে ঘৃণাকারী আল্লাহ্র তুলনায় অন্য কেউ নেই, এজন্যেই তিনি প্রকাশ্য-অপ্রকাশ্য যাবতীয় অশ্লীলতা নিষিদ্ধ করে দিয়েছেন, আবার আল্লাহ্র চেয়ে প্রশংসা-প্রীতি অন্য কারো নেই, তাই তিনি নিজে নিজের প্রশংসা করেছেন। [৪৬৩৪] (আ.প্র. ৪২৭৬, ই.ফা. ৪২৭৯)
‘আম্র ইবনু মুররাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আবূ ওয়ায়িলকে জিজ্ঞেস করলেন, আপনি কি এটা ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) থেকে শুনেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ এবং তিনি এটাকে মারফু‘ হাদীস হিসেবে বর্ণনা করেছেন। রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, অন্যায়কে ঘৃণাকারী আল্লাহ্র তুলনায় অন্য কেউ নেই, এজন্যেই তিনি প্রকাশ্য-অপ্রকাশ্য যাবতীয় অশ্লীলতা নিষিদ্ধ করে দিয়েছেন, আবার আল্লাহ্র চেয়ে প্রশংসা-প্রীতি অন্য কারো নেই, তাই তিনি নিজে নিজের প্রশংসা করেছেন। [৪৬৩৪] (আ.প্র. ৪২৭৬, ই.ফা. ৪২৭৯)
سليمان بن حرب حدثنا شعبة عن عمرو بن مرة عن أبي وائل عن عبد الله رضي الله عنه قال قلت أنت سمعت هذا من عبد الله قال نعم ورفعه قال لا أحد أغير من الله فلذلك حرم الفواحش ما ظهر منها وما بطن ولا أحد أحب إليه المدحة من الله فلذلك مدح نفسه.
সহিহ বুখারী > পরিচ্ছেদ নাই।
সহিহ বুখারী ৪৬৩৮
محمد بن يوسف حدثنا سفيان عن عمرو بن يحيى المازني عن أبيه عن أبي سعيد الخدري رضي الله عنه قال جاء رجل من اليهود إلى النبي صلى الله عليه وسلم قد لطم وجهه وقال يا محمد إن رجلا من أصحابك من الأنصار لطم في وجهي قال ادعوه فدعوه قال لم لطمت وجهه قال يا رسول الله إني مررت باليهود فسمعته يقول والذي اصطفى موسى على البشر فقلت وعلى محمد وأخذتني غضبة فلطمته قال لا تخيروني من بين الأنبياء فإن الناس يصعقون يوم القيامة فأكون أول من يفيق فإذا أنا بموسى آخذ بقائمة من قوائم العرش فلا أدري أفاق قبلي أم جزي بصعقة الطور
আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক ইয়াহূদী নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর দরবারে উপস্থিত হল। তার মুখমণ্ডলে চপেটাঘাত খেয়ে সে বলল, হে মুহাম্মাদ! আপনার এক আনসারী সহাবী আমার মুখমণ্ডলে চপেটাঘাত করেছে। তিনি বললেন, তাকে ডেকে আন। তারা ওকে ডেকে আনল, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “একে চপেটাঘাত করেছ কেন?” সে বলল, হে আল্লাহ্র রসূল! আমি এই ইয়াহূদীর পার্শ্ব দিয়ে অতিক্রম করছিলাম। তখন শুনলাম সে বলছে তাঁরই শপথ যিনি মূসা (‘আ.)-কে মানবজাতির উপর মনোনীত করেছেন, আমি বললাম মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর উপরও মনোনীত করেছেন কি? এরপর আমার রাগ চেপে গিয়েছিল, তাই তাকে চপেটাঘাত করেছি। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তোমরা আমাকে অন্যান্য নাবীর থেকে উত্তম বলো না। কারণ ক্বিয়ামাত দিবসে সব মানুষই জ্ঞানশূন্য হয়ে পড়বে, সর্বপ্রথম আমিই জ্ঞান ফিরে পাব। তিনি বলেন, তখন আমি দেখব যে, মূসা (‘আ.) আকাশের খুঁটি ধরে আছেন, আমি বুঝতে পারব না যে, তিনি কি আমার পূর্বে জ্ঞান ফিরে পেয়েছেন নাকি তূর পর্বতের জ্ঞানশূন্যতার পুরস্কার হিসেবে তাঁকে পুনরায় জ্ঞানশূন্য করা হয়নি। [২৪১২] (আ.প্র. ৪২৭৭, ই.ফা. ৪২৮০)
আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক ইয়াহূদী নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর দরবারে উপস্থিত হল। তার মুখমণ্ডলে চপেটাঘাত খেয়ে সে বলল, হে মুহাম্মাদ! আপনার এক আনসারী সহাবী আমার মুখমণ্ডলে চপেটাঘাত করেছে। তিনি বললেন, তাকে ডেকে আন। তারা ওকে ডেকে আনল, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “একে চপেটাঘাত করেছ কেন?” সে বলল, হে আল্লাহ্র রসূল! আমি এই ইয়াহূদীর পার্শ্ব দিয়ে অতিক্রম করছিলাম। তখন শুনলাম সে বলছে তাঁরই শপথ যিনি মূসা (‘আ.)-কে মানবজাতির উপর মনোনীত করেছেন, আমি বললাম মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর উপরও মনোনীত করেছেন কি? এরপর আমার রাগ চেপে গিয়েছিল, তাই তাকে চপেটাঘাত করেছি। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তোমরা আমাকে অন্যান্য নাবীর থেকে উত্তম বলো না। কারণ ক্বিয়ামাত দিবসে সব মানুষই জ্ঞানশূন্য হয়ে পড়বে, সর্বপ্রথম আমিই জ্ঞান ফিরে পাব। তিনি বলেন, তখন আমি দেখব যে, মূসা (‘আ.) আকাশের খুঁটি ধরে আছেন, আমি বুঝতে পারব না যে, তিনি কি আমার পূর্বে জ্ঞান ফিরে পেয়েছেন নাকি তূর পর্বতের জ্ঞানশূন্যতার পুরস্কার হিসেবে তাঁকে পুনরায় জ্ঞানশূন্য করা হয়নি। [২৪১২] (আ.প্র. ৪২৭৭, ই.ফা. ৪২৮০)
محمد بن يوسف حدثنا سفيان عن عمرو بن يحيى المازني عن أبيه عن أبي سعيد الخدري رضي الله عنه قال جاء رجل من اليهود إلى النبي صلى الله عليه وسلم قد لطم وجهه وقال يا محمد إن رجلا من أصحابك من الأنصار لطم في وجهي قال ادعوه فدعوه قال لم لطمت وجهه قال يا رسول الله إني مررت باليهود فسمعته يقول والذي اصطفى موسى على البشر فقلت وعلى محمد وأخذتني غضبة فلطمته قال لا تخيروني من بين الأنبياء فإن الناس يصعقون يوم القيامة فأكون أول من يفيق فإذا أنا بموسى آخذ بقائمة من قوائم العرش فلا أدري أفاق قبلي أم جزي بصعقة الطور
সহিহ বুখারী > আল্লাহর বাণীঃ মান্না এবং সালওয়া। (সূরাহ আল-‘আরাফ ৪/১৬০)
সহিহ বুখারী ৪৬৩৯
مسلم حدثنا شعبة عن عبد الملك عن عمرو بن حريث عن سعيد بن زيد عن النبي صلى الله عليه وسلم قال الكمأة من المن وماؤها شفاء اللعين.
সা‘ঈদ ইবনু যায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, الْكَمْأَةُ জাতীয় উদ্ভিদ মান্না-এর মতো এবং এর পানি চক্ষুরোগ আরোগ্যকারী। [৪৪৭৮] (আ.প্র. ৪২৭৮, ই.ফা. ৪২৮১)
সা‘ঈদ ইবনু যায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, الْكَمْأَةُ জাতীয় উদ্ভিদ মান্না-এর মতো এবং এর পানি চক্ষুরোগ আরোগ্যকারী। [৪৪৭৮] (আ.প্র. ৪২৭৮, ই.ফা. ৪২৮১)
مسلم حدثنا شعبة عن عبد الملك عن عمرو بن حريث عن سعيد بن زيد عن النبي صلى الله عليه وسلم قال الكمأة من المن وماؤها شفاء اللعين.