সহিহ বুখারী > ওমান ও বাহরাইনের ঘটনা
সহিহ বুখারী ৪৩৮৩
قتيبة بن سعيد حدثنا سفيان سمع ابن المنكدر جابر بن عبد الله رضي الله عنهما يقول قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم لو قد جاء مال البحرين لقد أعطيتك هكذا وهكذا ثلاثا فلم يقدم مال البحرين حتى قبض رسول الله صلى الله عليه وسلم فلما قدم على أبي بكر أمر مناديا فنادى من كان له عند النبي صلى الله عليه وسلم دين أو عدة فليأتني قال جابر فجئت أبا بكر فأخبرته أن النبي صلى الله عليه وسلم قال لو جاء مال البحرين أعطيتك هكذا وهكذا ثلاثا قال فأعطاني قال جابر فلقيت أبا بكر بعد ذلك فسألته فلم يعطني ثم أتيته فلم يعطني ثم أتيته الثالثة فلم يعطني فقلت له قد أتيتك فلم تعطني ثم أتيتك فلم تعطني ثم أتيتك فلم تعطني فإما أن تعطيني وإما أن تبخل عني فقال أقلت تبخل عني وأي داء أدوأ من البخل قالها ثلاثا ما منعتك من مرة إلا وأنا أريد أن أعطيك وعن عمرو عن محمد بن علي سمعت جابر بن عبد الله يقول جئته فقال لي أبو بكر عدها فعددتها فوجدتها خمس مائة فقال خذ مثلها مرتين.
জাবির ইবনু 'আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেন, বাহরাইনের অর্থ-সম্পদ (জিযিয়া) আসলে তোমাকে এত দেব, এত দেব এত দেব। তিনবার বললেন। এরপর বাহরাইন থেকে আর কোন অর্থ-সম্পদ আসেনি। আমতাবস্থায় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর ওফাত হয়ে গেল। এরপর আবূ বাকরের যুগে যখন সেই অর্থ সম্পদ আসল তখন তিনি একজন ঘোষণাকারীকে নির্দেশ দিলেন। সে ঘোষণা করলঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর কাছে যার প্রাপ্য ঋণ আছে কিংবা কোন ওয়াদা অপূর্ণ আছে সে যেন আমার কাছে আসে। জাবির (রাঃ) বলেনঃ আমি আবূ বাকর (রাঃ)- এর কাছে এসে তাঁকে জানালাম যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বলেছিলেন, যদি বাহরাইন থেকে অর্থ-সম্পদ আসে তা হলে তোমাকে আমি এত দেব, এত দেব এত দেব। তিনবার বললেন। জাবির (রাঃ) বলেনঃ তখন আবূ বকর (রাঃ) আমাকে অর্থ-সম্পদ দিলেন। জাবির (রাঃ) বলেন, এরপর (আবার) আমি আবূ বকর (রাঃ)- এর সঙ্গে সাক্ষাত করলাম এবং তার কাছে মাল চাইলাম। কিন্তু তিনি আমাকে কিছুই দিলেন না। এরপর আমি তাঁর কাছে দ্বিতীয়বার আসি, তিনি আমাকে কিছুই দেননি। এরপর আমি তাঁর কাছে তৃতীয়বার এলাম। তখনো তিনি আমাকে কিছুই দিলেন না। কাজেই আমি তাঁকে বললামঃ আমি আপনার কাছে এসেছিলাম কিন্তু আপনি আমাকে দেননি। তারপর (আবার) এসেছিলাম তখনো দেননি। এরপরেও এসেছিলাম তখনো আমাকে আপনি দেননি। কাজেই এখন হয় আপনি আমাকে সম্পদ দিবেন নয়তো আমি মনে করবঃ আপনি আমার ব্যাপারে কৃপণতা করছেন। তখন তিনি বললেনঃ এ কী বলছ 'আমার ব্যাপারে কৃপণতা করছেন'। কৃপণতা থেকে মারাত্নক ব্যাধি আর কি হতে পারে। কথাটি তিনি তিনবার বললেন। (এরপর তিনি বললেন) যতবারই আমি তোমাকে সম্পদ দেয়া থেকে বিরত রয়েছি ততবারই আমার ইচ্ছা ছিল যে, আতোমাকে দেব। 'আম্র [ইবনু দীনার (রহঃ)] মুহাম্মাদ ইবনু 'আলী (রাঃ)- এর কাছে আসলে তিনি আমাকে বললেন, এ (আশরাফী) গুলো গুণো, আমি এগুলো গুণে দেখলাম এখানে পাঁচশ' (আশরাফী) রয়েছে। তিনি বললেন, এ পরিমাণ আরো দু'বার উঠিয়ে নাও। [২২৯৬](আ.প্র. ৪০৩৪, ই.ফা. ৪০৩৮)
জাবির ইবনু 'আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেন, বাহরাইনের অর্থ-সম্পদ (জিযিয়া) আসলে তোমাকে এত দেব, এত দেব এত দেব। তিনবার বললেন। এরপর বাহরাইন থেকে আর কোন অর্থ-সম্পদ আসেনি। আমতাবস্থায় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর ওফাত হয়ে গেল। এরপর আবূ বাকরের যুগে যখন সেই অর্থ সম্পদ আসল তখন তিনি একজন ঘোষণাকারীকে নির্দেশ দিলেন। সে ঘোষণা করলঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর কাছে যার প্রাপ্য ঋণ আছে কিংবা কোন ওয়াদা অপূর্ণ আছে সে যেন আমার কাছে আসে। জাবির (রাঃ) বলেনঃ আমি আবূ বাকর (রাঃ)- এর কাছে এসে তাঁকে জানালাম যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বলেছিলেন, যদি বাহরাইন থেকে অর্থ-সম্পদ আসে তা হলে তোমাকে আমি এত দেব, এত দেব এত দেব। তিনবার বললেন। জাবির (রাঃ) বলেনঃ তখন আবূ বকর (রাঃ) আমাকে অর্থ-সম্পদ দিলেন। জাবির (রাঃ) বলেন, এরপর (আবার) আমি আবূ বকর (রাঃ)- এর সঙ্গে সাক্ষাত করলাম এবং তার কাছে মাল চাইলাম। কিন্তু তিনি আমাকে কিছুই দিলেন না। এরপর আমি তাঁর কাছে দ্বিতীয়বার আসি, তিনি আমাকে কিছুই দেননি। এরপর আমি তাঁর কাছে তৃতীয়বার এলাম। তখনো তিনি আমাকে কিছুই দিলেন না। কাজেই আমি তাঁকে বললামঃ আমি আপনার কাছে এসেছিলাম কিন্তু আপনি আমাকে দেননি। তারপর (আবার) এসেছিলাম তখনো দেননি। এরপরেও এসেছিলাম তখনো আমাকে আপনি দেননি। কাজেই এখন হয় আপনি আমাকে সম্পদ দিবেন নয়তো আমি মনে করবঃ আপনি আমার ব্যাপারে কৃপণতা করছেন। তখন তিনি বললেনঃ এ কী বলছ 'আমার ব্যাপারে কৃপণতা করছেন'। কৃপণতা থেকে মারাত্নক ব্যাধি আর কি হতে পারে। কথাটি তিনি তিনবার বললেন। (এরপর তিনি বললেন) যতবারই আমি তোমাকে সম্পদ দেয়া থেকে বিরত রয়েছি ততবারই আমার ইচ্ছা ছিল যে, আতোমাকে দেব। 'আম্র [ইবনু দীনার (রহঃ)] মুহাম্মাদ ইবনু 'আলী (রাঃ)- এর কাছে আসলে তিনি আমাকে বললেন, এ (আশরাফী) গুলো গুণো, আমি এগুলো গুণে দেখলাম এখানে পাঁচশ' (আশরাফী) রয়েছে। তিনি বললেন, এ পরিমাণ আরো দু'বার উঠিয়ে নাও। [২২৯৬](আ.প্র. ৪০৩৪, ই.ফা. ৪০৩৮)
قتيبة بن سعيد حدثنا سفيان سمع ابن المنكدر جابر بن عبد الله رضي الله عنهما يقول قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم لو قد جاء مال البحرين لقد أعطيتك هكذا وهكذا ثلاثا فلم يقدم مال البحرين حتى قبض رسول الله صلى الله عليه وسلم فلما قدم على أبي بكر أمر مناديا فنادى من كان له عند النبي صلى الله عليه وسلم دين أو عدة فليأتني قال جابر فجئت أبا بكر فأخبرته أن النبي صلى الله عليه وسلم قال لو جاء مال البحرين أعطيتك هكذا وهكذا ثلاثا قال فأعطاني قال جابر فلقيت أبا بكر بعد ذلك فسألته فلم يعطني ثم أتيته فلم يعطني ثم أتيته الثالثة فلم يعطني فقلت له قد أتيتك فلم تعطني ثم أتيتك فلم تعطني ثم أتيتك فلم تعطني فإما أن تعطيني وإما أن تبخل عني فقال أقلت تبخل عني وأي داء أدوأ من البخل قالها ثلاثا ما منعتك من مرة إلا وأنا أريد أن أعطيك وعن عمرو عن محمد بن علي سمعت جابر بن عبد الله يقول جئته فقال لي أبو بكر عدها فعددتها فوجدتها خمس مائة فقال خذ مثلها مرتين.
সহিহ বুখারী > আশ'আরী ও ইয়ামানবাসীদের আগমন
সহিহ বুখারী ৪৩৮৮
محمد بن بشار حدثنا ابن أبي عدي عن شعبة عن سليمان عن ذكوان عن أبي هريرة رضي الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم أتاكم أهل اليمن هم أرق أفئدة وألين قلوبا الإيمان يمان والحكمة يمانية والفخر والخيلاء في أصحاب الإبل والسكينة والوقار في أهل الغنم. وقال غندر عن شعبة عن سليمان سمعت ذكوان عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم .
আবু হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইয়ামানবাসীরা তোমাদের কাছে এসেছে। তাঁরা অন্তরের দিক থেকে অত্যন্ত কোমল ও দরদী। ঈমান হল ইয়ামানীদের, হিকমাত হল ইয়ামানীদের, গরিমা ও অহংকার রয়েছে উট-ওয়ালাদের মধ্যে, বাক্রী পালকদের মধ্যে আছে প্রশান্তি ও গাম্ভীর্য। গুনদার (রহঃ) এ হাদীসটি শু'বাহ-সুলাইমান-যাকওয়ান (রহঃ) আবু হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন। [৩৩০১] (আ.প্র. ৪০৩৯, ই.ফা. ৪০৪৩)
আবু হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইয়ামানবাসীরা তোমাদের কাছে এসেছে। তাঁরা অন্তরের দিক থেকে অত্যন্ত কোমল ও দরদী। ঈমান হল ইয়ামানীদের, হিকমাত হল ইয়ামানীদের, গরিমা ও অহংকার রয়েছে উট-ওয়ালাদের মধ্যে, বাক্রী পালকদের মধ্যে আছে প্রশান্তি ও গাম্ভীর্য। গুনদার (রহঃ) এ হাদীসটি শু'বাহ-সুলাইমান-যাকওয়ান (রহঃ) আবু হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন। [৩৩০১] (আ.প্র. ৪০৩৯, ই.ফা. ৪০৪৩)
محمد بن بشار حدثنا ابن أبي عدي عن شعبة عن سليمان عن ذكوان عن أبي هريرة رضي الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم أتاكم أهل اليمن هم أرق أفئدة وألين قلوبا الإيمان يمان والحكمة يمانية والفخر والخيلاء في أصحاب الإبل والسكينة والوقار في أهل الغنم. وقال غندر عن شعبة عن سليمان سمعت ذكوان عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم .
সহিহ বুখারী ৪৩৮৯
إسماعيل قال حدثني أخي عن سليمان عن ثور بن زيد عن أبي الغيث عن أبي هريرة أن النبي صلى الله عليه وسلم قال الإيمان يمان والفتنة ها هنا ها هنا يطلع قرن الشيطان.
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ঈমান হল ইয়ামানীদের। আর ফিতনা হল ওখানে, যেখানে উদিত হল শয়তানের শিং। [৩৩০১] (আ.প্র. ৪০৪০, ই.ফা. ৪০৪৪)
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ঈমান হল ইয়ামানীদের। আর ফিতনা হল ওখানে, যেখানে উদিত হল শয়তানের শিং। [৩৩০১] (আ.প্র. ৪০৪০, ই.ফা. ৪০৪৪)
إسماعيل قال حدثني أخي عن سليمان عن ثور بن زيد عن أبي الغيث عن أبي هريرة أن النبي صلى الله عليه وسلم قال الإيمان يمان والفتنة ها هنا ها هنا يطلع قرن الشيطان.
সহিহ বুখারী ৪৩৮৬
عمرو بن علي حدثنا أبو عاصم حدثنا سفيان حدثنا أبو صخرة جامع بن شداد حدثنا صفوان بن محرز المازني حدثنا عمران بن حصين قال جاءت بنو تميم إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال أبشروا يا بني تميم قالوا أما إذ بشرتنا فأعطنا فتغير وجه رسول الله صلى الله عليه وسلم فجاء ناس من أهل اليمن فقال النبي صلى الله عليه وسلم اقبلوا البشرى إذ لم يقبلها بنو تميم قالوا قد قبلنا يا رسول الله.
ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, বানী তামীমের লোকজন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর কাছে আসলে তিনি তাদেরকে বললেন, হে বানী তামীম! সুসংবাদ গ্রহণ কর। তারা বলল, আপনি সুসংবাদ তো দিলেন, কিন্তু আমাদের (কিছু অর্থ-সম্পদ) দান করুন। কথাটি শুনে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর চেহারা বিবর্ণ হয়ে গেল। এমন সময়ে ইয়ামানী কিছু লোক আসল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, বানী তামীম যখন সুসংবাদ গ্রহণ করল না, তাহলে তোমরাই তা গ্রহণ কর। তাঁরা বলল, হে আল্লাহ্র রসুল! আমরা তা গ্রহণ করলাম। [৩১৯০] (আ.প্র. ৪০৩৭, ই.ফা. ৪০৪১)
ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, বানী তামীমের লোকজন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর কাছে আসলে তিনি তাদেরকে বললেন, হে বানী তামীম! সুসংবাদ গ্রহণ কর। তারা বলল, আপনি সুসংবাদ তো দিলেন, কিন্তু আমাদের (কিছু অর্থ-সম্পদ) দান করুন। কথাটি শুনে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর চেহারা বিবর্ণ হয়ে গেল। এমন সময়ে ইয়ামানী কিছু লোক আসল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, বানী তামীম যখন সুসংবাদ গ্রহণ করল না, তাহলে তোমরাই তা গ্রহণ কর। তাঁরা বলল, হে আল্লাহ্র রসুল! আমরা তা গ্রহণ করলাম। [৩১৯০] (আ.প্র. ৪০৩৭, ই.ফা. ৪০৪১)
عمرو بن علي حدثنا أبو عاصم حدثنا سفيان حدثنا أبو صخرة جامع بن شداد حدثنا صفوان بن محرز المازني حدثنا عمران بن حصين قال جاءت بنو تميم إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال أبشروا يا بني تميم قالوا أما إذ بشرتنا فأعطنا فتغير وجه رسول الله صلى الله عليه وسلم فجاء ناس من أهل اليمن فقال النبي صلى الله عليه وسلم اقبلوا البشرى إذ لم يقبلها بنو تميم قالوا قد قبلنا يا رسول الله.
সহিহ বুখারী ৪৩৮৫
أبو نعيم حدثنا عبد السلام عن أيوب عن أبي قلابة عن زهدم قال لما قدم أبو موسى أكرم هذا الحي من جرم وإنا لجلوس عنده وهو يتغدى دجاجا وفي القوم رجل جالس فدعاه إلى الغداء فقال إني رأيته يأكل شيئا فقذرته فقال هلم فإني رأيت النبي صلى الله عليه وسلم يأكله فقال إني حلفت لا آكله فقال هلم أخبرك عن يمينك إنا أتينا النبي صلى الله عليه وسلم نفر من الأشعريين فاستحملناه فأبى أن يحملنا فاستحملناه فحلف أن لا يحملنا ثم لم يلبث النبي صلى الله عليه وسلم أن أتي بنهب إبل فأمر لنا بخمس ذود فلما قبضناها قلنا تغفلنا النبي صلى الله عليه وسلم يمينه لا نفلح بعدها أبدا فأتيته فقلت يا رسول الله إنك حلفت أن لا تحملنا وقد حملتنا قال أجل ولكن لا أحلف على يمين فأرى غيرها خيرا منها إلا أتيت الذي هو خير منها.
যাহদাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আবূ মূসা (রাঃ) এ এলাকায় এসে জারম গোত্রের লোকদেরকে সম্মানিত করেছেন। একদা আমারা তাঁর কাছে বসা ছিলাম। এ সময়ে তিনি মুরগীর গোশ্ত দিয়ে দুপুরের খাবার খাচ্ছিলেন। লোকদের মধ্যে এক ব্যক্তি বসা ছিল। তিনি তাকে খানা খেতে ডাকলেন। সে বলল, আমি মুরগীটিকে এমন জিনিস খেতে দেখেছি যার জন্য খেতে আমার অরুচি লাগছে। তিনি বললেন, এসো। কেননা আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- কে মুরগী খেতে দেখেছি। সে বলল, আমি শপথ করে ফেলছি যে, এটি খাব না। তিনি বললেন, এসে পড়। তোমার শপথ সম্বন্ধে আমি তোমাকে জানাচ্ছি যে, আমরা আশ'আরীদের একটি দল নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর দরবারে এসে তাঁর কাছে সাওয়ারী চেয়েছিলাম। তিনি আমাদেরকে সওয়ারী দিতে অস্বীকার করলেন। এরপর আমরা (আবার) তাঁর কাছে সাওয়ারী চাইলাম। তিনি তখন শপথ করে বললেন যে, আমাদেরকে তিনি সওয়ারী দেবেন না। কিছুক্ষণ পরেই নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর কাছে গানীমাতের কিছু উট আনা হল। তিনি আমাদেরকে পাঁচটি করে উট দেয়ার আদেশ দিলেন। উটগুলো হাতে নেয়ার পর আমরা পরস্পর বললাম, আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- কে তাঁর শপথ থেকে অমনোযোগী করে ফেলছি এমন অবস্থায় আর কখনো আমরা কামিয়াব হতে পারব না। কাজেই আমি তাঁর কাছে এসে বললাম। হে আল্লাহ্র রাসুল! আপনি শপথ করেছিলেন যে, আমাদের সাওয়ারী দেবেন না। এখন তো আপনি আমাদের সাওয়ারী দিলেন। তিনি বললেন, নিশ্চয়ই। তবে আমার নিয়ম হল, আমি যদি কোন ব্যাপারে শপথ করি আর এর বিপরীতে কোনটিকে এ অপেক্ষা উত্তম মনে করি তাহলে উত্তমটিকেই গ্রহণ করে নেই। [৩১৩৩] (আ.প্র. ৪০৩৬, ই.ফা. ৪০৪০)
যাহদাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আবূ মূসা (রাঃ) এ এলাকায় এসে জারম গোত্রের লোকদেরকে সম্মানিত করেছেন। একদা আমারা তাঁর কাছে বসা ছিলাম। এ সময়ে তিনি মুরগীর গোশ্ত দিয়ে দুপুরের খাবার খাচ্ছিলেন। লোকদের মধ্যে এক ব্যক্তি বসা ছিল। তিনি তাকে খানা খেতে ডাকলেন। সে বলল, আমি মুরগীটিকে এমন জিনিস খেতে দেখেছি যার জন্য খেতে আমার অরুচি লাগছে। তিনি বললেন, এসো। কেননা আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- কে মুরগী খেতে দেখেছি। সে বলল, আমি শপথ করে ফেলছি যে, এটি খাব না। তিনি বললেন, এসে পড়। তোমার শপথ সম্বন্ধে আমি তোমাকে জানাচ্ছি যে, আমরা আশ'আরীদের একটি দল নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর দরবারে এসে তাঁর কাছে সাওয়ারী চেয়েছিলাম। তিনি আমাদেরকে সওয়ারী দিতে অস্বীকার করলেন। এরপর আমরা (আবার) তাঁর কাছে সাওয়ারী চাইলাম। তিনি তখন শপথ করে বললেন যে, আমাদেরকে তিনি সওয়ারী দেবেন না। কিছুক্ষণ পরেই নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর কাছে গানীমাতের কিছু উট আনা হল। তিনি আমাদেরকে পাঁচটি করে উট দেয়ার আদেশ দিলেন। উটগুলো হাতে নেয়ার পর আমরা পরস্পর বললাম, আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- কে তাঁর শপথ থেকে অমনোযোগী করে ফেলছি এমন অবস্থায় আর কখনো আমরা কামিয়াব হতে পারব না। কাজেই আমি তাঁর কাছে এসে বললাম। হে আল্লাহ্র রাসুল! আপনি শপথ করেছিলেন যে, আমাদের সাওয়ারী দেবেন না। এখন তো আপনি আমাদের সাওয়ারী দিলেন। তিনি বললেন, নিশ্চয়ই। তবে আমার নিয়ম হল, আমি যদি কোন ব্যাপারে শপথ করি আর এর বিপরীতে কোনটিকে এ অপেক্ষা উত্তম মনে করি তাহলে উত্তমটিকেই গ্রহণ করে নেই। [৩১৩৩] (আ.প্র. ৪০৩৬, ই.ফা. ৪০৪০)
أبو نعيم حدثنا عبد السلام عن أيوب عن أبي قلابة عن زهدم قال لما قدم أبو موسى أكرم هذا الحي من جرم وإنا لجلوس عنده وهو يتغدى دجاجا وفي القوم رجل جالس فدعاه إلى الغداء فقال إني رأيته يأكل شيئا فقذرته فقال هلم فإني رأيت النبي صلى الله عليه وسلم يأكله فقال إني حلفت لا آكله فقال هلم أخبرك عن يمينك إنا أتينا النبي صلى الله عليه وسلم نفر من الأشعريين فاستحملناه فأبى أن يحملنا فاستحملناه فحلف أن لا يحملنا ثم لم يلبث النبي صلى الله عليه وسلم أن أتي بنهب إبل فأمر لنا بخمس ذود فلما قبضناها قلنا تغفلنا النبي صلى الله عليه وسلم يمينه لا نفلح بعدها أبدا فأتيته فقلت يا رسول الله إنك حلفت أن لا تحملنا وقد حملتنا قال أجل ولكن لا أحلف على يمين فأرى غيرها خيرا منها إلا أتيت الذي هو خير منها.
সহিহ বুখারী ৪৩৮৭
عبد الله بن محمد الجعفي حدثنا وهب بن جرير حدثنا شعبة عن إسماعيل بن أبي خالد عن قيس بن أبي حازم عن أبي مسعود أن النبي صلى الله عليه وسلم قال الإيمان ها هنا وأشار بيده إلى اليمن والجفاء وغلظ القلوب في الفدادين عند أصول أذناب الإبل من حيث يطلع قرنا الشيطان ربيعة ومضر.
আবু মাস'ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইয়ামানের দিকে তাঁর হাত দিয়ে ইশারা করে বলেছেন, ঈমান হল ওখানে। [৮০] আর কঠোরতা ও হৃদয়হীনতা হল রাবী'আহ ও মুযার গোত্রদ্বয়ের সেসব মানুষের মধ্যে যারা উটের লেজের কাছে দাঁড়িয়ে চীৎকার দেয়, যেখান থেকে শয়তানের দু' শিং উদিত হয়। [৮১] [৩৩০২] (আ.প্র. ৪০৩৮, ই.ফা. ৪০৪২)
আবু মাস'ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইয়ামানের দিকে তাঁর হাত দিয়ে ইশারা করে বলেছেন, ঈমান হল ওখানে। [৮০] আর কঠোরতা ও হৃদয়হীনতা হল রাবী'আহ ও মুযার গোত্রদ্বয়ের সেসব মানুষের মধ্যে যারা উটের লেজের কাছে দাঁড়িয়ে চীৎকার দেয়, যেখান থেকে শয়তানের দু' শিং উদিত হয়। [৮১] [৩৩০২] (আ.প্র. ৪০৩৮, ই.ফা. ৪০৪২)
عبد الله بن محمد الجعفي حدثنا وهب بن جرير حدثنا شعبة عن إسماعيل بن أبي خالد عن قيس بن أبي حازم عن أبي مسعود أن النبي صلى الله عليه وسلم قال الإيمان ها هنا وأشار بيده إلى اليمن والجفاء وغلظ القلوب في الفدادين عند أصول أذناب الإبل من حيث يطلع قرنا الشيطان ربيعة ومضر.
সহিহ বুখারী ৪৩৯০
أبو اليمان أخبرنا شعيب حدثنا أبو الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة رضي الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال أتاكم أهل اليمن أضعف قلوبا وأرق أفئدة الفقه يمان والحكمة يمانية.
আবু হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইয়ামানবাসীরা তোমাদের কাছে এসেছে। তাঁরা অন্তরের দিক থেকে অত্যন্ত কোমল। আর মনের দিক থেকে অত্যন্ত দয়ার্দ্র। ফিকহ্ হল ইয়ামানীদের আর হিকমাত হল ইয়ামানীদের। [৩৩০১] (আ.প্র. ৪০৪১, ই.ফা. ৪০৪৫)
আবু হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইয়ামানবাসীরা তোমাদের কাছে এসেছে। তাঁরা অন্তরের দিক থেকে অত্যন্ত কোমল। আর মনের দিক থেকে অত্যন্ত দয়ার্দ্র। ফিকহ্ হল ইয়ামানীদের আর হিকমাত হল ইয়ামানীদের। [৩৩০১] (আ.প্র. ৪০৪১, ই.ফা. ৪০৪৫)
أبو اليمان أخبرنا شعيب حدثنا أبو الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة رضي الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال أتاكم أهل اليمن أضعف قلوبا وأرق أفئدة الفقه يمان والحكمة يمانية.
সহিহ বুখারী ৪৩৮৪
عبد الله بن محمد وإسحاق بن نصر قالا حدثنا يحيى بن آدم حدثنا ابن أبي زائدة عن أبيه عن أبي إسحاق عن الأسود بن يزيد عن أبي موسى رضي الله عنه قال قدمت أنا وأخي من اليمن فمكثنا حينا ما نرى ابن مسعود وأمه إلا من أهل البيت من كثرة دخولهم ولزومهم له.
আবূ মূসা আশ'আরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমি এবং আমার ভাই ইয়ামান থেকে এসে দীর্ঘ দিন পর্যন্ত অবস্থান করেছি। এ সময়ে ইবনু মাস'ঊদ (রাঃ) ও তাঁর মায়ের অধিক আসা-যাওয়া ও নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার কারণে আমরা তাঁদরকে আহলে বাইতের অন্তর্ভুক্ত মনে করেছিলাম। [৩৭৬৩] (আ.প্র. ৪০৩৫, ই.ফা. ৪০৩৯)
আবূ মূসা আশ'আরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমি এবং আমার ভাই ইয়ামান থেকে এসে দীর্ঘ দিন পর্যন্ত অবস্থান করেছি। এ সময়ে ইবনু মাস'ঊদ (রাঃ) ও তাঁর মায়ের অধিক আসা-যাওয়া ও নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার কারণে আমরা তাঁদরকে আহলে বাইতের অন্তর্ভুক্ত মনে করেছিলাম। [৩৭৬৩] (আ.প্র. ৪০৩৫, ই.ফা. ৪০৩৯)
عبد الله بن محمد وإسحاق بن نصر قالا حدثنا يحيى بن آدم حدثنا ابن أبي زائدة عن أبيه عن أبي إسحاق عن الأسود بن يزيد عن أبي موسى رضي الله عنه قال قدمت أنا وأخي من اليمن فمكثنا حينا ما نرى ابن مسعود وأمه إلا من أهل البيت من كثرة دخولهم ولزومهم له.
সহিহ বুখারী ৪৩৯১
عبدان عن أبي حمزة عن الأعمش عن إبراهيم عن علقمة قال كنا جلوسا مع ابن مسعود فجاء خباب فقال يا أبا عبد الرحمن أيستطيع هؤلاء الشباب أن يقرءوا كما تقرأ قال أما إنك لو شئت أمرت بعضهم يقرأ عليك قال أجل قال اقرأ يا علقمة فقال زيد بن حدير أخو زياد بن حدير أتأمر علقمة أن يقرأ وليس بأقرئنا قال أما إنك إن شئت أخبرتك بما قال النبي صلى الله عليه وسلم في قومك وقومه فقرأت خمسين آية من سورة مريم فقال عبد الله كيف ترى قال قد أحسن قال عبد الله ما أقرأ شيئا إلا وهو يقرؤه ثم التفت إلى خباب وعليه خاتم من ذهب فقال ألم يأن لهذا الخاتم أن يلقى قال أما إنك لن تراه علي بعد اليوم فألقاه. رواه غندر عن شعبة.
আলক্বামাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা ইবনু মাস'ঊদ (রাঃ)- এর কাছে বসা ছিলাম। তখন সেখানে 'আব্বাস (রাঃ) এসে বললেন, হে আবূ 'আবদুর রহমান ('আবদুর রহমানের পিতা 'আবদুল্লাহ ইবনু মাস'ঊদ [৮২])! এসব তরুণ কি আপনার তিলাওয়াতের মতো তিলাওয়াত করতে পারে? তিনি বললেনঃ আপনি যদি চান তাহলে একজনকে হুকুম দেই যে, সে আপনাকে তিলাওয়াত করে শুনাবে। তিনি বললেন, অবশ্যই। ইবনু মাস'ঊদ (রাঃ) বললেন, ওহে 'আলকামাহ, পড়। তখন যিয়াদ ইবনু হুদাইরের ভাই যায়দ ইবনু হুদাইর বলল, আপনি আলকামাহ্কে পড়তে হুকুম করেছেন, অথচ সে তো আমাদের মধ্যে ভাল তিলাওয়াতকারী নয়। ইবনু মাস'ঊদ (রাঃ) বললেন, যদি তুমি চাও তাহলে আমি তোমার গোত্র ও তার গোত্র সম্পর্কে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কী বলেছেন তা জানিয়ে দিতে পারি। (আলকামাহ বলেন) এরপর আমি সূরায়ে মারইয়াম থেকে পঞ্চাশ আয়াত তিলাওয়াত করলাম। 'আবদুল্লাহ (রাঃ) বললেন, আপনার কেমন মনে হয়? তিনি বললেন, বেশ ভালই পরেছে। 'আবদুল্লাহ (রাঃ) বললেন, আমি যা কিছু পড়ি তার সবই সে পড়ে। এরপর তিনি খাব্বাবের দিকে তাকিয়ে দেখতে পেলেন, তার হাতে একটি সোনার আংটি। তিনি বললেন, এখনো কি এ আংটি খুলে ফেলার সময় হয়নি? খাব্বাব (রাঃ) বললেন, আজকের পর আর এটি আমার হাতে দেখতে পাবেন না। অতঃপর তিনি আংটিটি ফেলে দিলেন। হাদীসটি গুনদার (রহঃ) শু'বাহ (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন। (আ.প্র. ৪০৪২, ই.ফা. ৪০৪৬)
আলক্বামাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা ইবনু মাস'ঊদ (রাঃ)- এর কাছে বসা ছিলাম। তখন সেখানে 'আব্বাস (রাঃ) এসে বললেন, হে আবূ 'আবদুর রহমান ('আবদুর রহমানের পিতা 'আবদুল্লাহ ইবনু মাস'ঊদ [৮২])! এসব তরুণ কি আপনার তিলাওয়াতের মতো তিলাওয়াত করতে পারে? তিনি বললেনঃ আপনি যদি চান তাহলে একজনকে হুকুম দেই যে, সে আপনাকে তিলাওয়াত করে শুনাবে। তিনি বললেন, অবশ্যই। ইবনু মাস'ঊদ (রাঃ) বললেন, ওহে 'আলকামাহ, পড়। তখন যিয়াদ ইবনু হুদাইরের ভাই যায়দ ইবনু হুদাইর বলল, আপনি আলকামাহ্কে পড়তে হুকুম করেছেন, অথচ সে তো আমাদের মধ্যে ভাল তিলাওয়াতকারী নয়। ইবনু মাস'ঊদ (রাঃ) বললেন, যদি তুমি চাও তাহলে আমি তোমার গোত্র ও তার গোত্র সম্পর্কে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কী বলেছেন তা জানিয়ে দিতে পারি। (আলকামাহ বলেন) এরপর আমি সূরায়ে মারইয়াম থেকে পঞ্চাশ আয়াত তিলাওয়াত করলাম। 'আবদুল্লাহ (রাঃ) বললেন, আপনার কেমন মনে হয়? তিনি বললেন, বেশ ভালই পরেছে। 'আবদুল্লাহ (রাঃ) বললেন, আমি যা কিছু পড়ি তার সবই সে পড়ে। এরপর তিনি খাব্বাবের দিকে তাকিয়ে দেখতে পেলেন, তার হাতে একটি সোনার আংটি। তিনি বললেন, এখনো কি এ আংটি খুলে ফেলার সময় হয়নি? খাব্বাব (রাঃ) বললেন, আজকের পর আর এটি আমার হাতে দেখতে পাবেন না। অতঃপর তিনি আংটিটি ফেলে দিলেন। হাদীসটি গুনদার (রহঃ) শু'বাহ (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন। (আ.প্র. ৪০৪২, ই.ফা. ৪০৪৬)
عبدان عن أبي حمزة عن الأعمش عن إبراهيم عن علقمة قال كنا جلوسا مع ابن مسعود فجاء خباب فقال يا أبا عبد الرحمن أيستطيع هؤلاء الشباب أن يقرءوا كما تقرأ قال أما إنك لو شئت أمرت بعضهم يقرأ عليك قال أجل قال اقرأ يا علقمة فقال زيد بن حدير أخو زياد بن حدير أتأمر علقمة أن يقرأ وليس بأقرئنا قال أما إنك إن شئت أخبرتك بما قال النبي صلى الله عليه وسلم في قومك وقومه فقرأت خمسين آية من سورة مريم فقال عبد الله كيف ترى قال قد أحسن قال عبد الله ما أقرأ شيئا إلا وهو يقرؤه ثم التفت إلى خباب وعليه خاتم من ذهب فقال ألم يأن لهذا الخاتم أن يلقى قال أما إنك لن تراه علي بعد اليوم فألقاه. رواه غندر عن شعبة.
সহিহ বুখারী > দাউস গোত্র এবং তুফাইল ইবনু 'আমর দাউসীর ঘটনা
সহিহ বুখারী ৪৩৯৩
محمد بن العلاء حدثنا أبو أسامة حدثنا إسماعيل عن قيس عن أبي هريرة قال لما قدمت على النبي صلى الله عليه وسلم قلت في الطريق: يا ليـلـة مـن طولـهـا وعنائها على أنها من دارة الكفر نجت وأبق غلام لي في الطريق فلما قدمت على النبي فبايعته فبينا أنا عنده إذ طلع الغلام فقال لي النبي صلى الله عليه وسلم يا أبا هريرة هذا غلامك فقلت هو لوجه الله فأعتقته.
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর কাছে আশার জন্য রওয়ানা হয়ে রাস্তার মধ্যে বলেছিলাম- হে সুদীর্ঘ ও চরম পরিশ্রমের রাত! এ রাত আমাকে দারুল কুফর থেকে মুক্তি দিয়েছে। আমার একটি গোলাম ছিল। পথে সে পালিয়ে গেল। এরপর আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর কাছে এসে বাই'আত করলাম। অতঃপর একদিন আমি তাঁর নিকট বসা ছিলাম। এমন সময় গোলামটি এসে হাযির। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেন, হে আবূ হুরায়রা! এই যে তোমার গোলাম। আল্লাহ্র সন্তুষ্টির উদ্দেশে সে আযাদ- এ কথা বলে আমি তাকে আযাদ করে দিলাম। [২৫৩০] (আ.প্র. ৪০৪৪, ই.ফা. ৪০৪৮)
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর কাছে আশার জন্য রওয়ানা হয়ে রাস্তার মধ্যে বলেছিলাম- হে সুদীর্ঘ ও চরম পরিশ্রমের রাত! এ রাত আমাকে দারুল কুফর থেকে মুক্তি দিয়েছে। আমার একটি গোলাম ছিল। পথে সে পালিয়ে গেল। এরপর আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর কাছে এসে বাই'আত করলাম। অতঃপর একদিন আমি তাঁর নিকট বসা ছিলাম। এমন সময় গোলামটি এসে হাযির। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেন, হে আবূ হুরায়রা! এই যে তোমার গোলাম। আল্লাহ্র সন্তুষ্টির উদ্দেশে সে আযাদ- এ কথা বলে আমি তাকে আযাদ করে দিলাম। [২৫৩০] (আ.প্র. ৪০৪৪, ই.ফা. ৪০৪৮)
محمد بن العلاء حدثنا أبو أسامة حدثنا إسماعيل عن قيس عن أبي هريرة قال لما قدمت على النبي صلى الله عليه وسلم قلت في الطريق: يا ليـلـة مـن طولـهـا وعنائها على أنها من دارة الكفر نجت وأبق غلام لي في الطريق فلما قدمت على النبي فبايعته فبينا أنا عنده إذ طلع الغلام فقال لي النبي صلى الله عليه وسلم يا أبا هريرة هذا غلامك فقلت هو لوجه الله فأعتقته.
সহিহ বুখারী ৪৩৯২
أبو نعيم حدثنا سفيان عن ابن ذكوان عن عبد الرحمن الأعرج عن أبي هريرة رضي الله عنه قال جاء الطفيل بن عمرو إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال إن دوسا قد هلكت عصت وأبت فادع الله عليهم فقال اللهم اهد دوسا وأت بهم.
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, তুফায়ল ইবনু 'আমর (রাঃ) নবী (রাঃ)- এর কাছে এসে বললেন, দাওস গোত্র হালাক হয়ে গেছেন। তারা নাফরমানী করেছে এবং (দ্বীনের দাওয়াত) গ্রহণে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। সুতরাং আপনি তাদের প্রতি বদদু'আ করুন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হে আল্লাহ! দাওস গোত্রকে হিদায়াত দান করুন এবং দ্বীনের পথে নিয়ে আসুন। [২৯৩৭] (আ.প্র. ৪০৪৩, ই.ফা. ৪০৪৭)
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, তুফায়ল ইবনু 'আমর (রাঃ) নবী (রাঃ)- এর কাছে এসে বললেন, দাওস গোত্র হালাক হয়ে গেছেন। তারা নাফরমানী করেছে এবং (দ্বীনের দাওয়াত) গ্রহণে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। সুতরাং আপনি তাদের প্রতি বদদু'আ করুন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হে আল্লাহ! দাওস গোত্রকে হিদায়াত দান করুন এবং দ্বীনের পথে নিয়ে আসুন। [২৯৩৭] (আ.প্র. ৪০৪৩, ই.ফা. ৪০৪৭)
أبو نعيم حدثنا سفيان عن ابن ذكوان عن عبد الرحمن الأعرج عن أبي هريرة رضي الله عنه قال جاء الطفيل بن عمرو إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال إن دوسا قد هلكت عصت وأبت فادع الله عليهم فقال اللهم اهد دوسا وأت بهم.
সহিহ বুখারী > তায়ী গোত্রের প্রতিনিধি দল এবং 'আদী ইবনু হাতিম [৮৩]-এর কাহিনী
সহিহ বুখারী ৪৩৯৪
موسى بن إسماعيل حدثنا أبو عوانة حدثنا عبد الملك عن عمرو بن حريث عن عدي بن حاتم قال أتينا عمر في وفد فجعل يدعو رجلا رجلا ويسميهم فقلت أما تعرفني يا أمير المؤمنين قال بلى أسلمت إذ كفروا وأقبلت إذ أدبروا ووفيت إذ غدروا وعرفت إذ أنكروا فقال عدي فلا أبالي إذا.
আদী ইবনু হাতিম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা একটি প্রতিনিধি দলসহ 'উমার (রাঃ)- এর দরবারে আসলাম। তিনি প্রত্যেকের নাম নিয়ে একজন একজন করে ডাকতে শুরু করলেন। তাই আমি বললাম, হে আমীরুল মু'মিনীন! আপনি কি আমাকে চিনেন? তিনি বললেন, হাঁ চিনি। লোকজন যখন ইসলামকে অস্বীকার করেছিল তখন তুমি ইসলাম গ্রহণ করেছ। লোকজন যখন পিঠ ফিরিয়ে নিয়েছে তখন তুমি সম্মুখে অগ্রসর হয়েছ। লোকেরা যখন বিশ্বাসঘাতকতা করেছে তুমি তখন ইসলাম পালনের ওয়াদা পূরণ করেছ। লোকেরা যখন দ্বীনকে অস্বীকার করেছে তুমি তখন দ্বীনকে চিনে নিয়ে গ্রহণ করেছ। এ সব কথা শুনে আদী (রাঃ) বললেন, তাহলে আমার আর কোন চিন্তা নেই। (আ.প্র. ৪০৪৫, ই.ফা. ৪০৪৯)
আদী ইবনু হাতিম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা একটি প্রতিনিধি দলসহ 'উমার (রাঃ)- এর দরবারে আসলাম। তিনি প্রত্যেকের নাম নিয়ে একজন একজন করে ডাকতে শুরু করলেন। তাই আমি বললাম, হে আমীরুল মু'মিনীন! আপনি কি আমাকে চিনেন? তিনি বললেন, হাঁ চিনি। লোকজন যখন ইসলামকে অস্বীকার করেছিল তখন তুমি ইসলাম গ্রহণ করেছ। লোকজন যখন পিঠ ফিরিয়ে নিয়েছে তখন তুমি সম্মুখে অগ্রসর হয়েছ। লোকেরা যখন বিশ্বাসঘাতকতা করেছে তুমি তখন ইসলাম পালনের ওয়াদা পূরণ করেছ। লোকেরা যখন দ্বীনকে অস্বীকার করেছে তুমি তখন দ্বীনকে চিনে নিয়ে গ্রহণ করেছ। এ সব কথা শুনে আদী (রাঃ) বললেন, তাহলে আমার আর কোন চিন্তা নেই। (আ.প্র. ৪০৪৫, ই.ফা. ৪০৪৯)
موسى بن إسماعيل حدثنا أبو عوانة حدثنا عبد الملك عن عمرو بن حريث عن عدي بن حاتم قال أتينا عمر في وفد فجعل يدعو رجلا رجلا ويسميهم فقلت أما تعرفني يا أمير المؤمنين قال بلى أسلمت إذ كفروا وأقبلت إذ أدبروا ووفيت إذ غدروا وعرفت إذ أنكروا فقال عدي فلا أبالي إذا.