সহিহ বুখারী > হিজরাতের নবম বছর লোকজনসহ আবূ বাক্‌র (রাঃ)-এর হাজ্জ পালন

সহিহ বুখারী ৪৩৬৩

سليمان بن داود أبو الربيع حدثنا فليح عن الزهري عن حميد بن عبد الرحمن عن أبي هريرة أن أبا بكر الصديق رضي الله عنه بعثه في الحجة التي أمره النبي صلى الله عليه وسلم عليها قبل حجة الوداع يوم النحر في رهط يؤذن في الناس لا يحج بعد العام مشرك ولا يطوف بالبيت عريان.

আবূ হুরাইরাহ (রা.) থেকে বর্নিতঃ

বিদায় হাজ্জের পূর্ববর্তী হাজ্জে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবূ বাক্‌র সিদ্দীক (রাঃ)-কে আমীরুল হাজ্জ নিযুক্ত করেছিলেন। সে সময় দশ তারিখে আবূ বাক্‌র (রাঃ) তাঁকে [আবূ হুরায়রা (রাঃ)-কে] একটি ছোট দলসহ লোকজনের মধ্যে এ ঘোষণা দেয়ার জন্য পাঠিয়েছিলেন যে, আগামী বছর কোন মুশরিক হাজ্জ করতে পারবে না। আর উলঙ্গ অবস্থায় কেউ বায়তুল্লাহ তাওয়াফ করতে পারবে না।[৮৩] (আ.প্র. ৪০১৭, ই.ফা. ৪০২১)

আবূ হুরাইরাহ (রা.) থেকে বর্নিতঃ

বিদায় হাজ্জের পূর্ববর্তী হাজ্জে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবূ বাক্‌র সিদ্দীক (রাঃ)-কে আমীরুল হাজ্জ নিযুক্ত করেছিলেন। সে সময় দশ তারিখে আবূ বাক্‌র (রাঃ) তাঁকে [আবূ হুরায়রা (রাঃ)-কে] একটি ছোট দলসহ লোকজনের মধ্যে এ ঘোষণা দেয়ার জন্য পাঠিয়েছিলেন যে, আগামী বছর কোন মুশরিক হাজ্জ করতে পারবে না। আর উলঙ্গ অবস্থায় কেউ বায়তুল্লাহ তাওয়াফ করতে পারবে না।[৮৩] (আ.প্র. ৪০১৭, ই.ফা. ৪০২১)

سليمان بن داود أبو الربيع حدثنا فليح عن الزهري عن حميد بن عبد الرحمن عن أبي هريرة أن أبا بكر الصديق رضي الله عنه بعثه في الحجة التي أمره النبي صلى الله عليه وسلم عليها قبل حجة الوداع يوم النحر في رهط يؤذن في الناس لا يحج بعد العام مشرك ولا يطوف بالبيت عريان.


সহিহ বুখারী ৪৩৬৪

عبد الله بن رجاء حدثنا إسرائيل عن أبي إسحاق عن البراء رضي الله عنه قال آخر سورة نزلت كاملة براءة وآخر سورة نزلت خاتمة سورة {النسا‍ء يستفتونك قل الله يفتيكم في الكلالة}.

বারাআ (ইবনু আযিব) (রা.) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, সর্বশেষ যে সূরাটি পূর্ণরূপে অবতীর্ণ হয়েছিল তা ছিল সূরাহ বারাআত। আর সর্বশেষ যে আয়াতটি সমাপ্তিরূপে অবতীর্ণ হয়েছিল সেটি ছিল সূরা আন-নিসার এ আয়াতঃ অর্থাৎ লোকেরা আপনার কাছে সমাধান জানতে চায়, বলুন পিতা-মাতাহীন নিঃসন্তান ব্যক্তি সম্পর্কে তোমাদেরকে আল্লাহ সমাধান জানাচ্ছেন- (সূরাহ আন-নিসা ৪/১৭৬) [৪৬০৫, ৪৬৫৪,৬৭৪৪] (আ.প্র. ৪০১৮, ই.ফা. ৪০২২)

বারাআ (ইবনু আযিব) (রা.) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, সর্বশেষ যে সূরাটি পূর্ণরূপে অবতীর্ণ হয়েছিল তা ছিল সূরাহ বারাআত। আর সর্বশেষ যে আয়াতটি সমাপ্তিরূপে অবতীর্ণ হয়েছিল সেটি ছিল সূরা আন-নিসার এ আয়াতঃ অর্থাৎ লোকেরা আপনার কাছে সমাধান জানতে চায়, বলুন পিতা-মাতাহীন নিঃসন্তান ব্যক্তি সম্পর্কে তোমাদেরকে আল্লাহ সমাধান জানাচ্ছেন- (সূরাহ আন-নিসা ৪/১৭৬) [৪৬০৫, ৪৬৫৪,৬৭৪৪] (আ.প্র. ৪০১৮, ই.ফা. ৪০২২)

عبد الله بن رجاء حدثنا إسرائيل عن أبي إسحاق عن البراء رضي الله عنه قال آخر سورة نزلت كاملة براءة وآخر سورة نزلت خاتمة سورة {النسا‍ء يستفتونك قل الله يفتيكم في الكلالة}.


সহিহ বুখারী > বানী তামীমের প্রতিনিধি দল

সহিহ বুখারী ৪৩৬৫

أبو نعيم حدثنا سفيان عن أبي صخرة عن صفوان بن محرز المازني عن عمران بن حصين رضي الله عنهما قال أتى نفر من بني تميم النبي صلى الله عليه وسلم فقال اقبلوا البشرى يا بني تميم قالوا يا رسول الله قد بشرتنا فأعطنا فرئي ذلك في وجهه فجاء نفر من اليمن فقال اقبلوا البشرى إذ لم يقبلها بنو تميم قالوا قد قبلنا يا رسول الله.

ইমরান ইবনু হুসাইন (রা.) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, বানু তামীমের একটি প্রতিনিধি দল নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দরবারে আসলে তিনি তাদেরকে বললেন, হে বানু তামীম! সুসংবাদ গ্রহণ কর। তারা বললঃ হে আল্লাহ্‌র রসূল! আপনি সুসংবাদ দিয়ে থাকেন, এবার আমাদেরকে কিছু (অর্থ-সম্পদ) দিন। কথাটি শুনে তাঁর চেহারায় অসন্তোষের ভাব প্রকাশ পেল। এরপর ইয়ামানের একটি প্রতিনিধি দল আসলে তিনি তাঁদেরকে বললেন, বানু তামীম যখন সুসংবাদ গ্রহণ করলই না তখন তোমরা সেটি গ্রহণ কর। তারা বললেন, আমরা তা গ্রহণ করলাম হে আল্লাহ্‌র রসূল! [৩১৯০] (আ.প্র. ৪০১৯, ই.ফা. ৪০২৩)

ইমরান ইবনু হুসাইন (রা.) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, বানু তামীমের একটি প্রতিনিধি দল নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দরবারে আসলে তিনি তাদেরকে বললেন, হে বানু তামীম! সুসংবাদ গ্রহণ কর। তারা বললঃ হে আল্লাহ্‌র রসূল! আপনি সুসংবাদ দিয়ে থাকেন, এবার আমাদেরকে কিছু (অর্থ-সম্পদ) দিন। কথাটি শুনে তাঁর চেহারায় অসন্তোষের ভাব প্রকাশ পেল। এরপর ইয়ামানের একটি প্রতিনিধি দল আসলে তিনি তাঁদেরকে বললেন, বানু তামীম যখন সুসংবাদ গ্রহণ করলই না তখন তোমরা সেটি গ্রহণ কর। তারা বললেন, আমরা তা গ্রহণ করলাম হে আল্লাহ্‌র রসূল! [৩১৯০] (আ.প্র. ৪০১৯, ই.ফা. ৪০২৩)

أبو نعيم حدثنا سفيان عن أبي صخرة عن صفوان بن محرز المازني عن عمران بن حصين رضي الله عنهما قال أتى نفر من بني تميم النبي صلى الله عليه وسلم فقال اقبلوا البشرى يا بني تميم قالوا يا رسول الله قد بشرتنا فأعطنا فرئي ذلك في وجهه فجاء نفر من اليمن فقال اقبلوا البشرى إذ لم يقبلها بنو تميم قالوا قد قبلنا يا رسول الله.


সহিহ বুখারী > পরিচ্ছেদ নেই

সহিহ বুখারী ৪৩৬৬

زهير بن حرب حدثنا جرير عن عمارة بن القعقاع عن أبي زرعة عن أبي هريرة رضي الله عنه قال لا أزال أحب بني تميم بعد ثلاث سمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم يقولها فيهم هم أشد أمتي على الدجال وكانت فيهم سبية عند عائشة فقال أعتقيها فإنها من ولد إسماعيل وجاءت صدقاتهم فقال هذه صدقات قوم أو قومي.

আবূ হুরাইরাহ (রা.) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর নিকট থেকে তিনটি কথা শুনার পর থেকে আমি বানী তামীমকে ভালবাসতে থাকি। (তিনি বলেছেন) তারা আমার উম্মাতের মধ্যে দাজ্জালের বিরোধিতায় সবচেয়ে অধিক কঠোর হবে। তাদের গোত্রের একটি বাঁদী 'আয়িশাহ (রাঃ)- এর কাছে ছিল। রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, একে আযাদ করে দাও, কারণ সে ইসমাঈল (আ.)- এর বংশধর। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর কাছে তাদের সাদকাহ্‌র অর্থ-সম্পদ আসলে তিনি বললেন, এটি একটি কাওমের সদাকাহ বা তিনি বললেন, এটি আমার কাওমের সদাকাহ। [২৫৪৩] (আ.প্র. ৪০২০, ই.ফা. ৪০২৪)

আবূ হুরাইরাহ (রা.) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর নিকট থেকে তিনটি কথা শুনার পর থেকে আমি বানী তামীমকে ভালবাসতে থাকি। (তিনি বলেছেন) তারা আমার উম্মাতের মধ্যে দাজ্জালের বিরোধিতায় সবচেয়ে অধিক কঠোর হবে। তাদের গোত্রের একটি বাঁদী 'আয়িশাহ (রাঃ)- এর কাছে ছিল। রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, একে আযাদ করে দাও, কারণ সে ইসমাঈল (আ.)- এর বংশধর। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর কাছে তাদের সাদকাহ্‌র অর্থ-সম্পদ আসলে তিনি বললেন, এটি একটি কাওমের সদাকাহ বা তিনি বললেন, এটি আমার কাওমের সদাকাহ। [২৫৪৩] (আ.প্র. ৪০২০, ই.ফা. ৪০২৪)

زهير بن حرب حدثنا جرير عن عمارة بن القعقاع عن أبي زرعة عن أبي هريرة رضي الله عنه قال لا أزال أحب بني تميم بعد ثلاث سمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم يقولها فيهم هم أشد أمتي على الدجال وكانت فيهم سبية عند عائشة فقال أعتقيها فإنها من ولد إسماعيل وجاءت صدقاتهم فقال هذه صدقات قوم أو قومي.


সহিহ বুখারী ৪৩৬৭

إبراهيم بن موسى حدثنا هشام بن يوسف أن ابن جريج أخبرهم عن ابن أبي مليكة أن عبد الله بن الزبير أخبرهم أنه قدم ركب من بني تميم على النبي صلى الله عليه وسلم فقال أبو بكر أمر القعقاع بن معبد بن زرارة قال عمر بل أمر الأقرع بن حابس قال أبو بكر ما أردت إلا خلافي قال عمر ما أردت خلافك فتماريا حتى ارتفعت أصواتهما فنزل في {ذٰلك يٰأيها الذين اٰمنوا لا تقدموا} حتى انقضت.

আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

বানী তামীম গোত্র থেকে একটি অশ্বারোহী দল নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দরবারে আসল। আবূ বাকর (রাঃ) প্রস্তাব দিলেন, কা'কা ইবনু মা'বাদ ইবনু যারারা (রাঃ)-কে এদের আমীর নিযুক্ত করে দিন। 'উমার (রাঃ) বললেন, বরং আকরা ইবনু হাবিস (রাঃ)-কে আমীর বানিয়ে দিন। আবূ বাকর (রাঃ) বললেন, আমার বিরোধিতা করাই তোমার উদ্দেশ্য। 'উমার (রাঃ) বললেন, আপনার বিরোধিতা করার ইচ্ছা আমি কখনো করি না। এর উপর দু'জনের বাক-বিতণ্ডা চলতে চলতে শেষ পর্যায়ে উভয়ের আওয়াজ উঁচু হয়ে গেল। ফলে এ সম্পর্কে এ আয়াত অবতীর্ণ হল, “হে মুমিনগণ! আল্লাহ এবং তার রসূলের সামনে তোমরা কোন ব্যাপারে অগ্রবর্তী হয়ো না। বরং আল্লাহকে ভয় কর, আল্লাহ সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ। হে মু'মিনগণ! তোমরা নাবীর কন্ঠস্বরের উপর নিজেদের কন্ঠস্বর উঁচু করো না এবং নিজেদের মধ্যে যেভাবে উচ্চৈঃস্বরে কথা বল তাঁর সঙ্গে সেরূপ উচ্চৈঃস্বরে কথা বলো না। কারণ এতে তোমাদের 'আমাল নিস্ফল হয়ে যাবে তোমাদের অজ্ঞাতসারে”- (সূরাহ আল-হুজুরাত ৪৯/১-২)। [৪৮৪৫, ৪৮৪৭, ৭৩০২] (আ.প্র. ৪০২১, ই.ফা. ৪০২৫)

আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

বানী তামীম গোত্র থেকে একটি অশ্বারোহী দল নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দরবারে আসল। আবূ বাকর (রাঃ) প্রস্তাব দিলেন, কা'কা ইবনু মা'বাদ ইবনু যারারা (রাঃ)-কে এদের আমীর নিযুক্ত করে দিন। 'উমার (রাঃ) বললেন, বরং আকরা ইবনু হাবিস (রাঃ)-কে আমীর বানিয়ে দিন। আবূ বাকর (রাঃ) বললেন, আমার বিরোধিতা করাই তোমার উদ্দেশ্য। 'উমার (রাঃ) বললেন, আপনার বিরোধিতা করার ইচ্ছা আমি কখনো করি না। এর উপর দু'জনের বাক-বিতণ্ডা চলতে চলতে শেষ পর্যায়ে উভয়ের আওয়াজ উঁচু হয়ে গেল। ফলে এ সম্পর্কে এ আয়াত অবতীর্ণ হল, “হে মুমিনগণ! আল্লাহ এবং তার রসূলের সামনে তোমরা কোন ব্যাপারে অগ্রবর্তী হয়ো না। বরং আল্লাহকে ভয় কর, আল্লাহ সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ। হে মু'মিনগণ! তোমরা নাবীর কন্ঠস্বরের উপর নিজেদের কন্ঠস্বর উঁচু করো না এবং নিজেদের মধ্যে যেভাবে উচ্চৈঃস্বরে কথা বল তাঁর সঙ্গে সেরূপ উচ্চৈঃস্বরে কথা বলো না। কারণ এতে তোমাদের 'আমাল নিস্ফল হয়ে যাবে তোমাদের অজ্ঞাতসারে”- (সূরাহ আল-হুজুরাত ৪৯/১-২)। [৪৮৪৫, ৪৮৪৭, ৭৩০২] (আ.প্র. ৪০২১, ই.ফা. ৪০২৫)

إبراهيم بن موسى حدثنا هشام بن يوسف أن ابن جريج أخبرهم عن ابن أبي مليكة أن عبد الله بن الزبير أخبرهم أنه قدم ركب من بني تميم على النبي صلى الله عليه وسلم فقال أبو بكر أمر القعقاع بن معبد بن زرارة قال عمر بل أمر الأقرع بن حابس قال أبو بكر ما أردت إلا خلافي قال عمر ما أردت خلافك فتماريا حتى ارتفعت أصواتهما فنزل في {ذٰلك يٰأيها الذين اٰمنوا لا تقدموا} حتى انقضت.


সহিহ বুখারী > 'আবদুল কায়স গোত্রের প্রতিনিধি দল

সহিহ বুখারী ৪৩৭১

عبد الله بن محمد الجعفي حدثنا أبو عامر عبد الملك حدثنا إبراهيم هو ابن طهمان عن أبي جمرة عن ابن عباس رضي الله عنهما قال أول جمعة جمعت بعد جمعة جمعت في مسجد رسول الله صلى الله عليه وسلم في مسجد عبد القيس بجواثى يعني قرية من البحرين.

ইবনু 'আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মাসজিদে জুমু'আহর সলাত জারী করার পরে সর্বপ্রথম যে মাসজিদে জুমু'আহর সলাত জারী করা হয়েছিল তা হল বাহরাইনের জুয়াসা এলাকায় অবস্থিত 'আবদুল ক্বায়স গোত্রের মাসজিদ। [৮৯২] (আ.প্র. ৪০২৫, ই.ফা. ৪০২৯)

ইবনু 'আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মাসজিদে জুমু'আহর সলাত জারী করার পরে সর্বপ্রথম যে মাসজিদে জুমু'আহর সলাত জারী করা হয়েছিল তা হল বাহরাইনের জুয়াসা এলাকায় অবস্থিত 'আবদুল ক্বায়স গোত্রের মাসজিদ। [৮৯২] (আ.প্র. ৪০২৫, ই.ফা. ৪০২৯)

عبد الله بن محمد الجعفي حدثنا أبو عامر عبد الملك حدثنا إبراهيم هو ابن طهمان عن أبي جمرة عن ابن عباس رضي الله عنهما قال أول جمعة جمعت بعد جمعة جمعت في مسجد رسول الله صلى الله عليه وسلم في مسجد عبد القيس بجواثى يعني قرية من البحرين.


সহিহ বুখারী ৪৩৬৯

سليمان بن حرب حدثنا حماد بن زيد عن أبي جمرة قال سمعت ابن عباس يقول قدم وفد عبد القيس على النبي صلى الله عليه وسلم فقالوا يا رسول الله إنا هذا الحي من ربيعة وقد حالت بيننا وبينك كفار مضر فلسنا نخلص إليك إلا في شهر حرام فمرنا بأشياء نأخذ بها وندعو إليها من وراءنا قال آمركم بأربع وأنهاكم عن أربع الإيمان بالله شهادة أن لا إله إلا الله وعقد واحدة وإقام الصلاة وإيتاء الزكاة وأن تؤدوا لله خمس ما غنمتم وأنهاكم عن الدباء والنقير والحنتم والمزفت.

আবূ জামরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি ইবনু 'আব্বাস (রাঃ) থেকে শুনেছি, তিনি বলেছেন- আবদুল কায়স গোত্রে একটি প্রতিনিধি দল নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দরবারে এসে বলল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমরা অর্থাৎ এই ছোট্ট দল রাবী'আহ'র গোত্র। আমাদের এবং আপনার মাঝখানে প্রতিবন্ধক হয়ে আছে মুদার গোত্রের মুশরিকরা। কাজেই আমরা নিষিদ্ধ মাসগুলো ব্যতীত অন্য সময়ে আপনার কাছে আসতে পারি না। এ জন্য আপনি আমাদেরকে এমন কিছু বিষয়ের নির্দেশ দিয়ে দিন যেগুলোর উপর আমরা 'আমাল করতে থাকব এবং যারা আমাদের পেছনে রয়েছে তাদেরকেও সেই দিকে আহ্বান জানাব। তিনি বললেন, আমি তোমাদেরকে চারটি বিষয়ের হুকুম দিচ্ছি এবং চারটি বিষয় থেকে নিষেধ করছি। (বিষয়গুলো হল) আল্লাহ্‌র উপর ঈমান আনা অর্থাৎ আল্লাহ ব্যতীত অন্য কোন ইলাহ নেই এ কথার সাক্ষ্য দেয়া। (কথাটি বলে) তিনি আঙ্গুলের সাহায্যে এক গুণলেন। আর সলাত আদায় করা, যাকাত দেয়া এবং তোমরা যে গানীমাত লাভ করবে তার এক-পঞ্চমাংশ আল্লাহ্‌র জন্য জমা দেয়া। আর আমি তোমাদেরকে লাউয়ের পাত্র, নাকীর নামক খোদাইকৃত কাঠের পাত্র, সবুজ কলসী এবং মুযাফফাত নামক তৈল মাখানো পাত্র ব্যবহার থেকে নিষেধ করছি। [৫৩] (আ.প্র. ৪০২৩, ই.ফা. ৪০২৭)

আবূ জামরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি ইবনু 'আব্বাস (রাঃ) থেকে শুনেছি, তিনি বলেছেন- আবদুল কায়স গোত্রে একটি প্রতিনিধি দল নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দরবারে এসে বলল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমরা অর্থাৎ এই ছোট্ট দল রাবী'আহ'র গোত্র। আমাদের এবং আপনার মাঝখানে প্রতিবন্ধক হয়ে আছে মুদার গোত্রের মুশরিকরা। কাজেই আমরা নিষিদ্ধ মাসগুলো ব্যতীত অন্য সময়ে আপনার কাছে আসতে পারি না। এ জন্য আপনি আমাদেরকে এমন কিছু বিষয়ের নির্দেশ দিয়ে দিন যেগুলোর উপর আমরা 'আমাল করতে থাকব এবং যারা আমাদের পেছনে রয়েছে তাদেরকেও সেই দিকে আহ্বান জানাব। তিনি বললেন, আমি তোমাদেরকে চারটি বিষয়ের হুকুম দিচ্ছি এবং চারটি বিষয় থেকে নিষেধ করছি। (বিষয়গুলো হল) আল্লাহ্‌র উপর ঈমান আনা অর্থাৎ আল্লাহ ব্যতীত অন্য কোন ইলাহ নেই এ কথার সাক্ষ্য দেয়া। (কথাটি বলে) তিনি আঙ্গুলের সাহায্যে এক গুণলেন। আর সলাত আদায় করা, যাকাত দেয়া এবং তোমরা যে গানীমাত লাভ করবে তার এক-পঞ্চমাংশ আল্লাহ্‌র জন্য জমা দেয়া। আর আমি তোমাদেরকে লাউয়ের পাত্র, নাকীর নামক খোদাইকৃত কাঠের পাত্র, সবুজ কলসী এবং মুযাফফাত নামক তৈল মাখানো পাত্র ব্যবহার থেকে নিষেধ করছি। [৫৩] (আ.প্র. ৪০২৩, ই.ফা. ৪০২৭)

سليمان بن حرب حدثنا حماد بن زيد عن أبي جمرة قال سمعت ابن عباس يقول قدم وفد عبد القيس على النبي صلى الله عليه وسلم فقالوا يا رسول الله إنا هذا الحي من ربيعة وقد حالت بيننا وبينك كفار مضر فلسنا نخلص إليك إلا في شهر حرام فمرنا بأشياء نأخذ بها وندعو إليها من وراءنا قال آمركم بأربع وأنهاكم عن أربع الإيمان بالله شهادة أن لا إله إلا الله وعقد واحدة وإقام الصلاة وإيتاء الزكاة وأن تؤدوا لله خمس ما غنمتم وأنهاكم عن الدباء والنقير والحنتم والمزفت.


সহিহ বুখারী ৪৩৭০

يحيى بن سليمان حدثني ابن وهب أخبرني عمرو وقال بكر بن مضر عن عمرو بن الحارث عن بكير أن كريبا مولى ابن عباس حدثه أن ابن عباس وعبد الرحمن بن أزهر والمسور بن مخرمة أرسلوا إلى عائشة رضي الله عنها فقالوا اقرأ عليها السلام منا جميعا وسلها عن الركعتين بعد العصر وإنا أخبرنا أنك تصليها وقد بلغنا أن النبي صلى الله عليه وسلم نهى عنها قال ابن عباس وكنت أضرب مع عمر الناس عنهما قال كريب فدخلت عليها وبلغتها ما أرسلوني فقالت سل أم سلمة فأخبرتهم فردوني إلى أم سلمة بمثل ما أرسلوني إلى عائشة فقالت أم سلمة سمعت النبي صلى الله عليه وسلم ينهى عنهما وإنه صلى العصر ثم دخل علي وعندي نسوة من بني حرام من الأنصار فصلاهما فأرسلت إليه الخادم فقلت قومي إلى جنبه فقولي تقول أم سلمة يا رسول الله ألم أسمعك تنهى عن هاتين الركعتين فأراك تصليهما فإن أشار بيده فاستأخري ففعلت الجارية فأشار بيده فاستأخرت عنه فلما انصرف قال يا بنت أبي أمية سألت عن الركعتين بعد العصر إنه أتاني أناس من عبد القيس بالإسلام من قومهم فشغلوني عن الركعتين اللتين بعد الظهر فهما هاتان.

বুকায়র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ইবনু 'আব্বাস (রাঃ)-এর আযাদকৃত গোলাম কুরাইব (রহঃ) তাকে বর্ণনা করেছেন যে, ইবনু 'আব্বাস, আবদুর রহমান ইবনু আযহার এবং মিসওয়ার ইবনু মাখরামা (রাঃ) (এ তিনজনে) আমাকে 'আয়িশাহ (রাঃ)-এর কাছে পাঠিয়ে বললেন, তাঁকে আমাদের সবার পক্ষ থেকে সালাম জানাবে এবং তাঁকে আসরের পরের দু'রাক'আত সলাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করবে। কারণ আমরা অবহিত হয়েছি যে, আপনি নাকি এই দু'রাক'আত সলাত আদায় করেন অথচ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ দু'রাক'আত সলাত আদায় করতে নিষেধ করেছেন- এ হাদীসও আমাদের কাছে পৌঁছেছে। ইবনু 'আব্বাস (রাঃ) বলেন, আমি 'উমার (রাঃ)-এর উপস্থিতিতে এ দু'রাক'আত সলাত আদায়কারী লোকদেরকে প্রহার করতাম। কুরায়ব (রহঃ) বলেন, আমি তাঁর ['আয়িশাহ (রাঃ) কাছে গেলাম এবং তারা আমাকে যে ব্যাপারে পাঠিয়েছেন তা জানালাম। তিনি বললেন, বিষয়টি উম্মু সালামাহ (রাঃ)-এর কাছে জিজ্ঞেস কর। এরপর আমি তাঁদেরকে জানালে তাঁরা আবার আমাকে উম্মু সালামাহ (রাঃ)-এর কাছে পাঠালেন যেভাবে তারা আমাকে 'আয়িশাহ (রাঃ)-এর কাছে পাঠিয়েছিলেন। তখন উম্মু সালামাহ (রাঃ) বললেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে শুনেছি, তিনি দু'রাক'আত সলাত আদায় করা থেকে নিষেধ করেছেন। কিন্তু একদিন তিনি 'আসরের সলাত আদায় করে আমার ঘরে ঘরে প্রবেশ করলেন। এ সময় আমার কাছে ছিল আনসারদের বানী হারাম গোত্রের কতিপয় মহিলা। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু'রাক'আত সলাত আদায় করলেন। আমি তখন পরিচারিকাদের পাঠিয়ে বললাম, তুমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পাশে গিয়ে দাঁড়াবে এবং বলবে, “উম্মু সালামাহ (রাঃ) আপনাকে এ কথা বলছেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমি কি আপনাকে এ দু'রাক'আত আদায় করা থেকে নিষেধ করতে শুনিনি অথচ দেখতে পাচ্ছি আপনি সে দু'রাক'আত আদায় করছেন?” এরপর যদি তিনি হাত দিয়ে ইঙ্গিত করেন তাহলে পিছনে সরে যাবে। পরিচারিকা গিয়ে সেভাবেই বলল। তিনি হাত দিয়ে ইংগিত করলেন। পরিচারিকা পেছনের দিকে সরে গেল। সলাত সম্পাদন করে তিনি বললেন, হে আবূ উমাইয়্যার কন্যা! (উম্মু সালামাহ) তুমি আমাকে আসরের পরের দু'রাক'আত সলাতের কথা জিজ্ঞেস করছে। আসলে আজ 'আবদুল কায়স গোত্র থেকে তাদের কতিপয় লোক আমার কাছে ইসলাম গ্রহণ করতে এসেছিল। তাঁরা আমাকে ব্যস্ত রাখার কারণে যুহরের পরের দু'আক'আত সলাত করতে পারিনি। সেই দু'রাক'আত হল এ দু'রাক'আত সলাত। [১২৩৩] (আ.প্র. ৪০২৪, ই.ফা. ৪০২৮)

বুকায়র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ইবনু 'আব্বাস (রাঃ)-এর আযাদকৃত গোলাম কুরাইব (রহঃ) তাকে বর্ণনা করেছেন যে, ইবনু 'আব্বাস, আবদুর রহমান ইবনু আযহার এবং মিসওয়ার ইবনু মাখরামা (রাঃ) (এ তিনজনে) আমাকে 'আয়িশাহ (রাঃ)-এর কাছে পাঠিয়ে বললেন, তাঁকে আমাদের সবার পক্ষ থেকে সালাম জানাবে এবং তাঁকে আসরের পরের দু'রাক'আত সলাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করবে। কারণ আমরা অবহিত হয়েছি যে, আপনি নাকি এই দু'রাক'আত সলাত আদায় করেন অথচ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ দু'রাক'আত সলাত আদায় করতে নিষেধ করেছেন- এ হাদীসও আমাদের কাছে পৌঁছেছে। ইবনু 'আব্বাস (রাঃ) বলেন, আমি 'উমার (রাঃ)-এর উপস্থিতিতে এ দু'রাক'আত সলাত আদায়কারী লোকদেরকে প্রহার করতাম। কুরায়ব (রহঃ) বলেন, আমি তাঁর ['আয়িশাহ (রাঃ) কাছে গেলাম এবং তারা আমাকে যে ব্যাপারে পাঠিয়েছেন তা জানালাম। তিনি বললেন, বিষয়টি উম্মু সালামাহ (রাঃ)-এর কাছে জিজ্ঞেস কর। এরপর আমি তাঁদেরকে জানালে তাঁরা আবার আমাকে উম্মু সালামাহ (রাঃ)-এর কাছে পাঠালেন যেভাবে তারা আমাকে 'আয়িশাহ (রাঃ)-এর কাছে পাঠিয়েছিলেন। তখন উম্মু সালামাহ (রাঃ) বললেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে শুনেছি, তিনি দু'রাক'আত সলাত আদায় করা থেকে নিষেধ করেছেন। কিন্তু একদিন তিনি 'আসরের সলাত আদায় করে আমার ঘরে ঘরে প্রবেশ করলেন। এ সময় আমার কাছে ছিল আনসারদের বানী হারাম গোত্রের কতিপয় মহিলা। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু'রাক'আত সলাত আদায় করলেন। আমি তখন পরিচারিকাদের পাঠিয়ে বললাম, তুমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পাশে গিয়ে দাঁড়াবে এবং বলবে, “উম্মু সালামাহ (রাঃ) আপনাকে এ কথা বলছেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমি কি আপনাকে এ দু'রাক'আত আদায় করা থেকে নিষেধ করতে শুনিনি অথচ দেখতে পাচ্ছি আপনি সে দু'রাক'আত আদায় করছেন?” এরপর যদি তিনি হাত দিয়ে ইঙ্গিত করেন তাহলে পিছনে সরে যাবে। পরিচারিকা গিয়ে সেভাবেই বলল। তিনি হাত দিয়ে ইংগিত করলেন। পরিচারিকা পেছনের দিকে সরে গেল। সলাত সম্পাদন করে তিনি বললেন, হে আবূ উমাইয়্যার কন্যা! (উম্মু সালামাহ) তুমি আমাকে আসরের পরের দু'রাক'আত সলাতের কথা জিজ্ঞেস করছে। আসলে আজ 'আবদুল কায়স গোত্র থেকে তাদের কতিপয় লোক আমার কাছে ইসলাম গ্রহণ করতে এসেছিল। তাঁরা আমাকে ব্যস্ত রাখার কারণে যুহরের পরের দু'আক'আত সলাত করতে পারিনি। সেই দু'রাক'আত হল এ দু'রাক'আত সলাত। [১২৩৩] (আ.প্র. ৪০২৪, ই.ফা. ৪০২৮)

يحيى بن سليمان حدثني ابن وهب أخبرني عمرو وقال بكر بن مضر عن عمرو بن الحارث عن بكير أن كريبا مولى ابن عباس حدثه أن ابن عباس وعبد الرحمن بن أزهر والمسور بن مخرمة أرسلوا إلى عائشة رضي الله عنها فقالوا اقرأ عليها السلام منا جميعا وسلها عن الركعتين بعد العصر وإنا أخبرنا أنك تصليها وقد بلغنا أن النبي صلى الله عليه وسلم نهى عنها قال ابن عباس وكنت أضرب مع عمر الناس عنهما قال كريب فدخلت عليها وبلغتها ما أرسلوني فقالت سل أم سلمة فأخبرتهم فردوني إلى أم سلمة بمثل ما أرسلوني إلى عائشة فقالت أم سلمة سمعت النبي صلى الله عليه وسلم ينهى عنهما وإنه صلى العصر ثم دخل علي وعندي نسوة من بني حرام من الأنصار فصلاهما فأرسلت إليه الخادم فقلت قومي إلى جنبه فقولي تقول أم سلمة يا رسول الله ألم أسمعك تنهى عن هاتين الركعتين فأراك تصليهما فإن أشار بيده فاستأخري ففعلت الجارية فأشار بيده فاستأخرت عنه فلما انصرف قال يا بنت أبي أمية سألت عن الركعتين بعد العصر إنه أتاني أناس من عبد القيس بالإسلام من قومهم فشغلوني عن الركعتين اللتين بعد الظهر فهما هاتان.


সহিহ বুখারী ৪৩৬৮

إسحاق أخبرنا أبو عامر العقدي حدثنا قرة عن أبي جمرة قلت لابن عباس رضي الله عنهما إن لي جرة ينتبذ لي نبيذ فأشربه حلوا في جر إن أكثرت منه فجالست القوم فأطلت الجلوس خشيت أن أفتضح فقال قدم وفد عبد القيس على رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال مرحبا بالقوم غير خزايا ولا الندامى فقالوا يا رسول الله إن بيننا وبينك المشركين من مضر وإنا لا نصل إليك إلا في أشهر الحرم حدثنا بجمل من الأمر إن عملنا به دخلنا الجنة وندعو به من وراءنا قال آمركم بأربع وأنهاكم عن أربع الإيمان بالله هل تدرون ما الإيمان بالله شهادة أن لا إله إلا الله وإقام الصلاة وإيتاء الزكاة وصوم رمضان وأن تعطوا من المغانم الخمس وأنهاكم عن أربع ما انتبذ في الدباء والنقير والحنتم والمزفت.

আবূ জামরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

(তিনি বলেন) আমি ইবনু 'আব্বাস (রাঃ)-কে বললামঃ আমার একটি কলসী আছে। তাতে আমার জন্য (খেজুর ভিজিয়ে) নাবীয তৈরী করা হয় এবং পানি মিঠা হলে আমি তা আরেকটি পাত্রে ঢেলে পানি করি। কিন্তু কখনো যদি ঐ পানি অধিক পরিমাণ পান করে লোকজনের সঙ্গে বসে যাই এবং দীর্ঘ সময় মাসজিদে বসে থাকি তখন আমার ভয় হয় যে, (নেশার কারণে) আমি অপমাণিত হব। তখন ইবনু 'আব্বাস (রাঃ) বলেন, 'আবদুল কায়স গোত্রের একটি প্রতিনিধি দল রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দরবারে আসলে তিনি বললেন, কাওমের জন্য খোশ-আমদেদ যাদের আগমণ না ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থায় হয়েছে, না অপমানিত অবস্থায়। তারা আরয করল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমাদের ও আপনার মধ্যে মুদার গোত্রের মুশরিকরা প্রতিবন্ধক হয়ে আছে। এ জন্য আমিরা আপনার কাছে নিশিদ্ধ মাসসমূহ ব্যতীত অন্য সময়ে আসতে পারি না। কাজেই আমাদেরকে সংক্ষিপ্ত কয়েকটি কথা বলে দিন, যেগুলোর উপর 'আমাল করলে আমরা জান্নাতে প্রবেশ করতে পারব। আর যারা আমাদের পেছনে (বাড়িতে) রয়ে গেছে তাদেরকে এর দা'ওয়াত দেব। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আমি তোমাদেরকে চারটি জিনিস পালন করার নির্দেশ দিচ্ছি। আর চারটি জিনিস থেকে বিরত থাকতে বলছি। আল্লাহ্‌র প্রতি ঈমান আনার নির্দেশ দিচ্ছি। তোমরা কি জান আল্লাহ্‌র প্রতি ঈমান আনা কাকে বলে? তা হলঃ 'আল্লাহ ব্যতীত আর কোন ইলাহ নেই'- এ কথার সাক্ষ্য দেয়া, আর সালাত আদায় করা, যাকাত দেয়া, রমাযানের সওম পালন করা এবং গানীমাতের মালের এক-পঞ্চমাংশ জমা দেয়ার নির্দেশ দিচ্ছি। আর চারটি জিনিস- লাউয়ের পাত্র, কাঠের তৈরী নাকীর নামক পাত্র, সবুজ কলসী এবং মুযাফফাত নামক তৈল মাখানো পাত্রে নাবীয [৮৪] তৈরী করা থেকে নিষেধ করছি। [৫৩] (আ.প্র. ৪০২২, ই.ফা. ৪০২৬)

আবূ জামরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

(তিনি বলেন) আমি ইবনু 'আব্বাস (রাঃ)-কে বললামঃ আমার একটি কলসী আছে। তাতে আমার জন্য (খেজুর ভিজিয়ে) নাবীয তৈরী করা হয় এবং পানি মিঠা হলে আমি তা আরেকটি পাত্রে ঢেলে পানি করি। কিন্তু কখনো যদি ঐ পানি অধিক পরিমাণ পান করে লোকজনের সঙ্গে বসে যাই এবং দীর্ঘ সময় মাসজিদে বসে থাকি তখন আমার ভয় হয় যে, (নেশার কারণে) আমি অপমাণিত হব। তখন ইবনু 'আব্বাস (রাঃ) বলেন, 'আবদুল কায়স গোত্রের একটি প্রতিনিধি দল রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দরবারে আসলে তিনি বললেন, কাওমের জন্য খোশ-আমদেদ যাদের আগমণ না ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থায় হয়েছে, না অপমানিত অবস্থায়। তারা আরয করল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমাদের ও আপনার মধ্যে মুদার গোত্রের মুশরিকরা প্রতিবন্ধক হয়ে আছে। এ জন্য আমিরা আপনার কাছে নিশিদ্ধ মাসসমূহ ব্যতীত অন্য সময়ে আসতে পারি না। কাজেই আমাদেরকে সংক্ষিপ্ত কয়েকটি কথা বলে দিন, যেগুলোর উপর 'আমাল করলে আমরা জান্নাতে প্রবেশ করতে পারব। আর যারা আমাদের পেছনে (বাড়িতে) রয়ে গেছে তাদেরকে এর দা'ওয়াত দেব। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আমি তোমাদেরকে চারটি জিনিস পালন করার নির্দেশ দিচ্ছি। আর চারটি জিনিস থেকে বিরত থাকতে বলছি। আল্লাহ্‌র প্রতি ঈমান আনার নির্দেশ দিচ্ছি। তোমরা কি জান আল্লাহ্‌র প্রতি ঈমান আনা কাকে বলে? তা হলঃ 'আল্লাহ ব্যতীত আর কোন ইলাহ নেই'- এ কথার সাক্ষ্য দেয়া, আর সালাত আদায় করা, যাকাত দেয়া, রমাযানের সওম পালন করা এবং গানীমাতের মালের এক-পঞ্চমাংশ জমা দেয়ার নির্দেশ দিচ্ছি। আর চারটি জিনিস- লাউয়ের পাত্র, কাঠের তৈরী নাকীর নামক পাত্র, সবুজ কলসী এবং মুযাফফাত নামক তৈল মাখানো পাত্রে নাবীয [৮৪] তৈরী করা থেকে নিষেধ করছি। [৫৩] (আ.প্র. ৪০২২, ই.ফা. ৪০২৬)

إسحاق أخبرنا أبو عامر العقدي حدثنا قرة عن أبي جمرة قلت لابن عباس رضي الله عنهما إن لي جرة ينتبذ لي نبيذ فأشربه حلوا في جر إن أكثرت منه فجالست القوم فأطلت الجلوس خشيت أن أفتضح فقال قدم وفد عبد القيس على رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال مرحبا بالقوم غير خزايا ولا الندامى فقالوا يا رسول الله إن بيننا وبينك المشركين من مضر وإنا لا نصل إليك إلا في أشهر الحرم حدثنا بجمل من الأمر إن عملنا به دخلنا الجنة وندعو به من وراءنا قال آمركم بأربع وأنهاكم عن أربع الإيمان بالله هل تدرون ما الإيمان بالله شهادة أن لا إله إلا الله وإقام الصلاة وإيتاء الزكاة وصوم رمضان وأن تعطوا من المغانم الخمس وأنهاكم عن أربع ما انتبذ في الدباء والنقير والحنتم والمزفت.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00