সহিহ বুখারী > কা‘ব ইব্‌নু আশরাফ [২০] –এর হত্যা

সহিহ বুখারী ৪০৩৭

علي بن عبد الله حدثنا سفيان قال عمرو سمعت جابر بن عبد الله رضي الله عنهما يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من لكعب بن الأشرف فإنه قد آذى الله ورسوله فقام محمد بن مسلمة فقال يا رسول الله أتحب أن أقتله قال نعم قال فأذن لي أن أقول شيئا قال قل فأتاه محمد بن مسلمة فقال إن هذا الرجل قد سألنا صدقة وإنه قد عنانا وإني قد أتيتك أستسلفك قال وأيضا والله لتملنه قال إنا قد اتبعناه فلا نحب أن ندعه حتى ننظر إلى أي شيء يصير شأنه وقد أردنا أن تسلفنا وسقا أو وسقين و حدثنا عمرو غير مرة فلم يذكر وسقا أو وسقين أو فقلت له فيه وسقا أو وسقين فقال أرى فيه وسقا أو وسقين فقال نعم ارهنوني قالوا أي شيء تريد قال ارهنوني نساءكم قالوا كيف نرهنك نساءنا وأنت أجمل العرب قال فارهنوني أبناءكم قالوا كيف نرهنك أبناءنا فيسب أحدهم فيقال رهن بوسق أو وسقين هذا عار علينا ولكنا نرهنك اللأمة قال سفيان يعني السلاح فواعده أن يأتيه فجاءه ليلا ومعه أبو نائلة وهو أخو كعب من الرضاعة فدعاهم إلى الحصن فنزل إليهم فقالت له امرأته أين تخرج هذه الساعة فقال إنما هو محمد بن مسلمة وأخي أبو نائلة وقال غير عمرو قالت أسمع صوتا كأنه يقطر منه الدم قال إنما هو أخي محمد بن مسلمة ورضيعي أبو نائلة إن الكريم لو دعي إلى طعنة بليل لأجاب قال ويدخل محمد بن مسلمة معه رجلين قيل لسفيان سماهم عمرو قال سمى بعضهم قال عمرو جاء معه برجلين وقال غير عمرو أبو عبس بن جبر والحارث بن أوس وعباد بن بشر قال عمرو جاء معه برجلين فقال إذا ما جاء فإني قائل بشعره فأشمه فإذا رأيتموني استمكنت من رأسه فدونكم فاضربوه وقال مرة ثم أشمكم فنزل إليهم متوشحا وهو ينفح منه ريح الطيب فقال ما رأيت كاليوم ريحا أي أطيب وقال غير عمرو قال عندي أعطر نساء العرب وأكمل العرب قال عمرو فقال أتأذن لي أن أشم رأسك قال نعم فشمه ثم أشم أصحابه ثم قال أتأذن لي قال نعم فلما استمكن منه قال دونكم فقتلوه ثم أتوا النبي صلى الله عليه وسلم فأخبروه

জাবির ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদা রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, কা‘ব ইব্‌নু আশরাফের হত্যা করার জন্য কে প্রস্তুত আছ? কেননা সে আল্লাহ্ ও তাঁর রসূলকে কষ্ট দিয়েছে। মুহাম্মাদ ইব্‌নু মাসলামাহ (রাঃ) দাঁড়ালেন, এবং বললেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আপনি কি চান যে, আমি তাকে হত্যা করি? তিনি বললেন, হাঁ। তখন মুহাম্মাদ ইব্‌নু মাসলামাহ (রাঃ) বললেন, তাহলে আমাকে কিছু প্রতারণাময় কথা বলার অনুমতি দিন। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হাঁ বল। এরপর মুহাম্মাদ ইব্‌নু মাসলামাহ (রাঃ) কা‘ব ইব্‌নু আশরাফের নিকট গিয়ে বললেন, এ লোকটি [রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)] সদাকাহ চায় এবং সে আমাদেরকে বহু কষ্টে ফেলেছে। তাই আমি আপনার নিকট কিছু ঋণের জন্যে এসেছি। কা‘ব ইব্‌নু আশরাফ বলল, আল্লাহ্‌র কসম পরে সে তোমাদেরকে আরো বিরক্ত করবে এবং আরো অতিষ্ঠ করে তুলবে। মুহাম্মাদ ইব্‌নু মাসলামাহ (রাঃ) বললেন, আমরা তাঁর অনুসরণ করছি। পরিণাম কী দাঁড়ায় তা না দেখে এখনই তাঁর সঙ্গ ত্যাগ করা ভাল মনে করছি না। এখন আমি আপনার কাছে এক ওসাক বা দুই ওসাক খাদ্য ধার চাই। বর্ণনাকারী সুফ্ইয়ান বলেন, ‘আমর (রহঃ) আমার নিকট হাদীসটি কয়েকবার বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তিনি এক ওসাক বা দুই ওসাকের কথা উল্লেখ করেননি। আমি তাকে বললাম, এ হাদীসে তো এক ওসাক বা দুই ওসাকের কথাটি বর্ণিত আছে, তিনি বললেন, মনে হয় হাদীসে এক ওসাক বা দুই ওসাকের কথাটি বর্ণিত আছে। কা‘ব ইব্‌নু আশরাফ বলল, ধার তো পাবে তবে কিছু বন্ধক রাখ। মুহাম্মাদ ইব্‌নু মাসলামাহ (রাঃ) বললেন, কী জিনিস আপনি বন্ধক চান। সে বলল, তোমাদের স্ত্রীদেরকে বন্ধক রাখ। মুহাম্মাদ ইব্‌নু মাসলামাহ (রাঃ) বললেন, আপনি আরবের একজন সুশ্রী ব্যক্তি, আপনার নিকট কীভাবে, আমাদের স্ত্রীদের বন্ধক রাখব? তখন সে বলল, তাহলে তোমাদের ছেলে সন্তানদেরকে বন্ধক রাখ। তিনি বললেন, আমাদের পুত্র সন্তানদেরকে আপনার নিকট কী করে বন্ধক রাখি? তাদেরকে এ বলে সমালোচনা করা হবে যে, মাত্র এক ওসাক বা দুই ওসাকের বিনিময়ে বন্ধক রাখা হয়েছে। এটা তো আমাদের জন্য খুব লজ্জাজনক বিষয়। তবে আমরা আপনার নিকট অস্ত্রশস্ত্র বন্ধক রাখতে পারি। রাবী সুফ্ইয়ান বলেন, লামা শব্দের মানে হচ্ছে অস্ত্রশস্ত্র। শেষে তিনি (মুহাম্মাদ ইব্‌নু মাসলামাহ) তার কাছে আবার যাওয়ার ওয়াদা করে চলে আসলেন। এরপর তিনি কা‘ব ইব্‌নু আশরাফের দুধ ভাই আবূ নাইলাকে সঙ্গে করে রাতের বেলা তার নিকট গেলেন। কা‘ব তাদেরকে দূর্গের মধ্যে ডেকে নীল এবং সে নিজে উপর তলা থেকে নিচে নেমে আসার জন্য প্রস্তুত হল। তখন তার স্ত্রী বলল, এ সময় তুমি কোথায় যাচ্ছ? সে বলল, এই তো মুহাম্মাদ ইব্‌নু মাসলামাহ এবং আমার ভাই আবূ নাইলা এসেছে। ‘আমর ব্যতীত বর্ণনাকারীগণ বলেন যে, কা’বের স্ত্রী বলল, আমি তো এমনই একটি ডাক শুনতে পাচ্ছি যার থেকে রক্তের ফোঁটা ঝরছে বলে আমার মনে হচ্ছে। কা‘ব ইব্‌নু আশরাফ বলল, মুহাম্মাদ ইব্‌নু মাসলামাহ এবং দুধ ভাই আবূ নাইলা, (অপরিচিত কোন লোক তো নয়) ভদ্র মানুষকে রাতের বেলা বর্শা বিদ্ধ করার জন্য ডাকলে তার যাওয়া উচিত। (বর্ণনাকারী বলেন) মুহাম্মাদ ইব্‌নু মাসলামাহ (রাঃ) সঙ্গে আরো দুই ব্যক্তিকে নিয়ে সেখানে গেলেন। সুফ্ইয়ানকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে, ‘আমর কি তাদের দু’জনের নাম উল্লেখ করেছিলেন? উত্তরে সুফ্ইয়ান বললেন, একজনের নাম উল্লেখ করেছিলেন। ‘আমর বর্ণনা করেন যে, তিনি আরো দু’জন মানুষ সঙ্গে করে নিয়ে গিয়েছিলেন এবং বলেছিলেন, যখন সে (কা‘ব ইব্‌নু আশরাফ) আসবে। ‘আমর ব্যতীত অন্যান্য রাবীগণ (মুহাম্মাদ ইব্‌নু মাসলামার সাথীদের সম্পর্কে) বলেছেন যে (তারা হলেন) আবূ আবস্ ইব্‌নু জাব্র ইব্‌নু আওস এবং আব্বাদ ইব্‌নু বিশর। ‘আমর বলেছেন, তিনি অপর দুই লোককে সঙ্গে করে নিয়ে এসেছিলেন এবং তাদেরকে বলেছিলেন, যখন সে আসবে তখন আমি তার মাথার চুল ধরে শুঁকতে থাকব। যখন তোমরা আমাকে দেখবে যে, খুব শক্তভাবে আমি তার মাথা আঁকড়িয়ে ধরেছি, তখন তোমরা তরবারি দ্বারা তাকে আঘাত করবে। তিনি (মুহাম্মাদ ইব্‌নু মাসলামাহ) একবার বলেছিলেন যে, আমি তোমাদেরকেও শুঁকাব। সে (কা‘ব) চাদর নিয়ে নিচে নেমে আসলে তার শরীর থেকে সুঘ্রাণ বের হচ্ছিল। তখন মুহাম্মাদ ইব্‌নু মাসলামাহ (রাঃ) বললেন, আজকের মত এতো উত্তম সুগন্ধি আমি আর কখনো দেখিনি। ‘আমর ব্যতীত অন্যান্য রাবীগণ বর্ণনা করেছেন যে, কা‘ব বলল, আমার নিকট আরবের সম্ভ্রান্ত ও মর্যাদাসম্পন্ন সুগন্ধী ব্যাবহারকারী মহিলা আছে। ‘আমর বলেন, মুহাম্মাদ ইব্‌নু মাসলামাহ (রাঃ) বললেন, আমাকে আপনার মাথা শুঁকতে অনুমতি দেবেন কি? সে বলল, হাঁ। এরপর তিনি তার মাথা শুঁকলেন এবং এরপর তার সাথীদেরকে শুঁকালেন। তারপর তিনি আবার বললেন, আমাকে আবার শুঁকবার অনুমতি দেবেন কি? সে বলল, হাঁ। এরপর তিনি তাকে কাবু করে ধরে সাথীদেরকে বললেন, তোমরা তাকে হত্যা কর। তাঁরা তাকে হত্যা করলেন। এরপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকটে এসে এ খবর দিলেন। [২৫১০; মুসলিম ৩২/৪৩, হাঃ ১৮০১] (আ.প্র. ৩৭৩৫, ই.ফা. ৩৭৩৯)

জাবির ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদা রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, কা‘ব ইব্‌নু আশরাফের হত্যা করার জন্য কে প্রস্তুত আছ? কেননা সে আল্লাহ্ ও তাঁর রসূলকে কষ্ট দিয়েছে। মুহাম্মাদ ইব্‌নু মাসলামাহ (রাঃ) দাঁড়ালেন, এবং বললেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আপনি কি চান যে, আমি তাকে হত্যা করি? তিনি বললেন, হাঁ। তখন মুহাম্মাদ ইব্‌নু মাসলামাহ (রাঃ) বললেন, তাহলে আমাকে কিছু প্রতারণাময় কথা বলার অনুমতি দিন। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হাঁ বল। এরপর মুহাম্মাদ ইব্‌নু মাসলামাহ (রাঃ) কা‘ব ইব্‌নু আশরাফের নিকট গিয়ে বললেন, এ লোকটি [রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)] সদাকাহ চায় এবং সে আমাদেরকে বহু কষ্টে ফেলেছে। তাই আমি আপনার নিকট কিছু ঋণের জন্যে এসেছি। কা‘ব ইব্‌নু আশরাফ বলল, আল্লাহ্‌র কসম পরে সে তোমাদেরকে আরো বিরক্ত করবে এবং আরো অতিষ্ঠ করে তুলবে। মুহাম্মাদ ইব্‌নু মাসলামাহ (রাঃ) বললেন, আমরা তাঁর অনুসরণ করছি। পরিণাম কী দাঁড়ায় তা না দেখে এখনই তাঁর সঙ্গ ত্যাগ করা ভাল মনে করছি না। এখন আমি আপনার কাছে এক ওসাক বা দুই ওসাক খাদ্য ধার চাই। বর্ণনাকারী সুফ্ইয়ান বলেন, ‘আমর (রহঃ) আমার নিকট হাদীসটি কয়েকবার বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তিনি এক ওসাক বা দুই ওসাকের কথা উল্লেখ করেননি। আমি তাকে বললাম, এ হাদীসে তো এক ওসাক বা দুই ওসাকের কথাটি বর্ণিত আছে, তিনি বললেন, মনে হয় হাদীসে এক ওসাক বা দুই ওসাকের কথাটি বর্ণিত আছে। কা‘ব ইব্‌নু আশরাফ বলল, ধার তো পাবে তবে কিছু বন্ধক রাখ। মুহাম্মাদ ইব্‌নু মাসলামাহ (রাঃ) বললেন, কী জিনিস আপনি বন্ধক চান। সে বলল, তোমাদের স্ত্রীদেরকে বন্ধক রাখ। মুহাম্মাদ ইব্‌নু মাসলামাহ (রাঃ) বললেন, আপনি আরবের একজন সুশ্রী ব্যক্তি, আপনার নিকট কীভাবে, আমাদের স্ত্রীদের বন্ধক রাখব? তখন সে বলল, তাহলে তোমাদের ছেলে সন্তানদেরকে বন্ধক রাখ। তিনি বললেন, আমাদের পুত্র সন্তানদেরকে আপনার নিকট কী করে বন্ধক রাখি? তাদেরকে এ বলে সমালোচনা করা হবে যে, মাত্র এক ওসাক বা দুই ওসাকের বিনিময়ে বন্ধক রাখা হয়েছে। এটা তো আমাদের জন্য খুব লজ্জাজনক বিষয়। তবে আমরা আপনার নিকট অস্ত্রশস্ত্র বন্ধক রাখতে পারি। রাবী সুফ্ইয়ান বলেন, লামা শব্দের মানে হচ্ছে অস্ত্রশস্ত্র। শেষে তিনি (মুহাম্মাদ ইব্‌নু মাসলামাহ) তার কাছে আবার যাওয়ার ওয়াদা করে চলে আসলেন। এরপর তিনি কা‘ব ইব্‌নু আশরাফের দুধ ভাই আবূ নাইলাকে সঙ্গে করে রাতের বেলা তার নিকট গেলেন। কা‘ব তাদেরকে দূর্গের মধ্যে ডেকে নীল এবং সে নিজে উপর তলা থেকে নিচে নেমে আসার জন্য প্রস্তুত হল। তখন তার স্ত্রী বলল, এ সময় তুমি কোথায় যাচ্ছ? সে বলল, এই তো মুহাম্মাদ ইব্‌নু মাসলামাহ এবং আমার ভাই আবূ নাইলা এসেছে। ‘আমর ব্যতীত বর্ণনাকারীগণ বলেন যে, কা’বের স্ত্রী বলল, আমি তো এমনই একটি ডাক শুনতে পাচ্ছি যার থেকে রক্তের ফোঁটা ঝরছে বলে আমার মনে হচ্ছে। কা‘ব ইব্‌নু আশরাফ বলল, মুহাম্মাদ ইব্‌নু মাসলামাহ এবং দুধ ভাই আবূ নাইলা, (অপরিচিত কোন লোক তো নয়) ভদ্র মানুষকে রাতের বেলা বর্শা বিদ্ধ করার জন্য ডাকলে তার যাওয়া উচিত। (বর্ণনাকারী বলেন) মুহাম্মাদ ইব্‌নু মাসলামাহ (রাঃ) সঙ্গে আরো দুই ব্যক্তিকে নিয়ে সেখানে গেলেন। সুফ্ইয়ানকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে, ‘আমর কি তাদের দু’জনের নাম উল্লেখ করেছিলেন? উত্তরে সুফ্ইয়ান বললেন, একজনের নাম উল্লেখ করেছিলেন। ‘আমর বর্ণনা করেন যে, তিনি আরো দু’জন মানুষ সঙ্গে করে নিয়ে গিয়েছিলেন এবং বলেছিলেন, যখন সে (কা‘ব ইব্‌নু আশরাফ) আসবে। ‘আমর ব্যতীত অন্যান্য রাবীগণ (মুহাম্মাদ ইব্‌নু মাসলামার সাথীদের সম্পর্কে) বলেছেন যে (তারা হলেন) আবূ আবস্ ইব্‌নু জাব্র ইব্‌নু আওস এবং আব্বাদ ইব্‌নু বিশর। ‘আমর বলেছেন, তিনি অপর দুই লোককে সঙ্গে করে নিয়ে এসেছিলেন এবং তাদেরকে বলেছিলেন, যখন সে আসবে তখন আমি তার মাথার চুল ধরে শুঁকতে থাকব। যখন তোমরা আমাকে দেখবে যে, খুব শক্তভাবে আমি তার মাথা আঁকড়িয়ে ধরেছি, তখন তোমরা তরবারি দ্বারা তাকে আঘাত করবে। তিনি (মুহাম্মাদ ইব্‌নু মাসলামাহ) একবার বলেছিলেন যে, আমি তোমাদেরকেও শুঁকাব। সে (কা‘ব) চাদর নিয়ে নিচে নেমে আসলে তার শরীর থেকে সুঘ্রাণ বের হচ্ছিল। তখন মুহাম্মাদ ইব্‌নু মাসলামাহ (রাঃ) বললেন, আজকের মত এতো উত্তম সুগন্ধি আমি আর কখনো দেখিনি। ‘আমর ব্যতীত অন্যান্য রাবীগণ বর্ণনা করেছেন যে, কা‘ব বলল, আমার নিকট আরবের সম্ভ্রান্ত ও মর্যাদাসম্পন্ন সুগন্ধী ব্যাবহারকারী মহিলা আছে। ‘আমর বলেন, মুহাম্মাদ ইব্‌নু মাসলামাহ (রাঃ) বললেন, আমাকে আপনার মাথা শুঁকতে অনুমতি দেবেন কি? সে বলল, হাঁ। এরপর তিনি তার মাথা শুঁকলেন এবং এরপর তার সাথীদেরকে শুঁকালেন। তারপর তিনি আবার বললেন, আমাকে আবার শুঁকবার অনুমতি দেবেন কি? সে বলল, হাঁ। এরপর তিনি তাকে কাবু করে ধরে সাথীদেরকে বললেন, তোমরা তাকে হত্যা কর। তাঁরা তাকে হত্যা করলেন। এরপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকটে এসে এ খবর দিলেন। [২৫১০; মুসলিম ৩২/৪৩, হাঃ ১৮০১] (আ.প্র. ৩৭৩৫, ই.ফা. ৩৭৩৯)

علي بن عبد الله حدثنا سفيان قال عمرو سمعت جابر بن عبد الله رضي الله عنهما يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من لكعب بن الأشرف فإنه قد آذى الله ورسوله فقام محمد بن مسلمة فقال يا رسول الله أتحب أن أقتله قال نعم قال فأذن لي أن أقول شيئا قال قل فأتاه محمد بن مسلمة فقال إن هذا الرجل قد سألنا صدقة وإنه قد عنانا وإني قد أتيتك أستسلفك قال وأيضا والله لتملنه قال إنا قد اتبعناه فلا نحب أن ندعه حتى ننظر إلى أي شيء يصير شأنه وقد أردنا أن تسلفنا وسقا أو وسقين و حدثنا عمرو غير مرة فلم يذكر وسقا أو وسقين أو فقلت له فيه وسقا أو وسقين فقال أرى فيه وسقا أو وسقين فقال نعم ارهنوني قالوا أي شيء تريد قال ارهنوني نساءكم قالوا كيف نرهنك نساءنا وأنت أجمل العرب قال فارهنوني أبناءكم قالوا كيف نرهنك أبناءنا فيسب أحدهم فيقال رهن بوسق أو وسقين هذا عار علينا ولكنا نرهنك اللأمة قال سفيان يعني السلاح فواعده أن يأتيه فجاءه ليلا ومعه أبو نائلة وهو أخو كعب من الرضاعة فدعاهم إلى الحصن فنزل إليهم فقالت له امرأته أين تخرج هذه الساعة فقال إنما هو محمد بن مسلمة وأخي أبو نائلة وقال غير عمرو قالت أسمع صوتا كأنه يقطر منه الدم قال إنما هو أخي محمد بن مسلمة ورضيعي أبو نائلة إن الكريم لو دعي إلى طعنة بليل لأجاب قال ويدخل محمد بن مسلمة معه رجلين قيل لسفيان سماهم عمرو قال سمى بعضهم قال عمرو جاء معه برجلين وقال غير عمرو أبو عبس بن جبر والحارث بن أوس وعباد بن بشر قال عمرو جاء معه برجلين فقال إذا ما جاء فإني قائل بشعره فأشمه فإذا رأيتموني استمكنت من رأسه فدونكم فاضربوه وقال مرة ثم أشمكم فنزل إليهم متوشحا وهو ينفح منه ريح الطيب فقال ما رأيت كاليوم ريحا أي أطيب وقال غير عمرو قال عندي أعطر نساء العرب وأكمل العرب قال عمرو فقال أتأذن لي أن أشم رأسك قال نعم فشمه ثم أشم أصحابه ثم قال أتأذن لي قال نعم فلما استمكن منه قال دونكم فقتلوه ثم أتوا النبي صلى الله عليه وسلم فأخبروه


সহিহ বুখারী > আবূ রাফি‘ ‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু আবুল হুকায়কের হত্যা

সহিহ বুখারী ৪০৩৮

إسحاق بن نصر حدثنا يحيى بن آدم حدثنا ابن أبي زائدة عن أبيه عن أبي إسحاق عن البراء بن عازب رضي الله عنهما قال بعث رسول الله صلى الله عليه وسلم رهطا إلى أبي رافع فدخل عليه عبد الله بن عتيك بيته ليلا وهو نائم فقتله

বারাআ ইব্‌নু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দশ জনের কম একটি দলকে আবূ রাফির উদ্দেশ্যে পাঠালেন (তাদের একজন) ‘আবদুল্লাহ্ ইব্‌নু আতীক (রাঃ) রাতের বেলা তার ঘরে ঢুকে ঘুমন্ত অবস্থায় তাকে খুন করেন। [৩০২২] (আ.প্র. ৩৭৩৬, ই.ফা. ৩৭৪০)

বারাআ ইব্‌নু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দশ জনের কম একটি দলকে আবূ রাফির উদ্দেশ্যে পাঠালেন (তাদের একজন) ‘আবদুল্লাহ্ ইব্‌নু আতীক (রাঃ) রাতের বেলা তার ঘরে ঢুকে ঘুমন্ত অবস্থায় তাকে খুন করেন। [৩০২২] (আ.প্র. ৩৭৩৬, ই.ফা. ৩৭৪০)

إسحاق بن نصر حدثنا يحيى بن آدم حدثنا ابن أبي زائدة عن أبيه عن أبي إسحاق عن البراء بن عازب رضي الله عنهما قال بعث رسول الله صلى الله عليه وسلم رهطا إلى أبي رافع فدخل عليه عبد الله بن عتيك بيته ليلا وهو نائم فقتله


সহিহ বুখারী ৪০৪০

أحمد بن عثمان حدثنا شريح هو ابن مسلمة حدثنا إبراهيم بن يوسف عن أبيه عن أبي إسحاق قال سمعت البراء بن عازب رضي الله عنه قال بعث رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى أبي رافع عبد الله بن عتيك وعبد الله بن عتبة في ناس معهم فانطلقوا حتى دنوا من الحصن فقال لهم عبد الله بن عتيك امكثوا أنتم حتى أنطلق أنا فأنظر قال فتلطفت أن أدخل الحصن ففقدوا حمارا لهم قال فخرجوا بقبس يطلبونه قال فخشيت أن أعرف قال فغطيت رأسي وجلست كأني أقضي حاجة ثم نادى صاحب الباب من أراد أن يدخل فليدخل قبل أن أغلقه فدخلت ثم اختبأت في مربط حمار عند باب الحصن فتعشوا عند أبي رافع وتحدثوا حتى ذهبت ساعة من الليل ثم رجعوا إلى بيوتهم فلما هدأت الأصوات ولا أسمع حركة خرجت قال ورأيت صاحب الباب حيث وضع مفتاح الحصن في كوة فأخذته ففتحت به باب الحصن قال قلت إن نذر بي القوم انطلقت على مهل ثم عمدت إلى أبواب بيوتهم فغلقتها عليهم من ظاهر ثم صعدت إلى أبي رافع في سلم فإذا البيت مظلم قد طفئ سراجه فلم أدر أين الرجل فقلت يا أبا رافع قال من هذا قال فعمدت نحو الصوت فأضربه وصاح فلم تغن شيئا قال ثم جئت كأني أغيثه فقلت ما لك يا أبا رافع وغيرت صوتي فقال ألا أعجبك لأمك الويل دخل علي رجل فضربني بالسيف قال فعمدت له أيضا فأضربه أخرى فلم تغن شيئا فصاح وقام أهله قال ثم جئت وغيرت صوتي كهيئة المغيث فإذا هو مستلق على ظهره فأضع السيف في بطنه ثم أنكفئ عليه حتى سمعت صوت العظم ثم خرجت دهشا حتى أتيت السلم أريد أن أنزل فأسقط منه فانخلعت رجلي فعصبتها ثم أتيت أصحابي أحجل فقلت انطلقوا فبشروا رسول الله صلى الله عليه وسلم فإني لا أبرح حتى أسمع الناعية فلما كان في وجه الصبح صعد الناعية فقال أنعى أبا رافع قال فقمت أمشي ما بي قلبة فأدركت أصحابي قبل أن يأتوا النبي صلى الله عليه وسلم فبشرته

বারাআ বিন আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবূ রাফি’র হত্যার উদ্দেশ্যে ‘আবদুল্লাহ ইবনু আতীক ও ‘আবদুল্লাহ ইবনু উতবাহকে একদল লোকসহ প্রেরণ করেন। যেতে যেতে তারা দূর্গের কাছে গিয়ে পৌছলে ‘আবদুল্লাহ ইবনু আতীক (রাঃ) তাদেরকে বললেন, তোমরা অপেক্ষা কর। আমি যাই, দেখি কীভাবে সুযোগ করা যায়। আবদুল্লাহ ইবনু আতীক (রাঃ) বলেন, দূর্গের ভিতরে প্রবেশ করার জন্য আমি কৌশল করলাম। ইতোমধ্যে তারা একটি গাধা হারিয়ে ফেলল এবং একটি আলো নিয়ে এর খোঁজে বের হল। তিনি বললেন, আমাকে চিনে ফেলবে এ আশংকা করছিলাম। তাই আমি আমার মাথা ও পা ঢেকে ফেললাম এবং এমনভাবে বসে রইলাম যেন আমি প্রাকৃতিক প্রয়োজনে মলমূত্র ত্যাগ করার জন্য বসেছি। এরপর দারোয়ান ডাক দিয়ে বলল, কেউ ভিতরে প্রবেশ করতে চাইলে দরজা বন্ধ করার আগে ভিতরে ঢুকে পড়ুন। আমি প্রবেশ করলাম এবং দূর্গের দরজার পার্শ্বে গাধা বাঁধার জায়গায় আত্মগোপন করে থাকলাম। আবূ রাফি’র নিকট সবাই বসে রাতের খানা খেয়ে গল্প গুজব করল। এভাবে রাতের কিছু অংশ কেটে যাওয়ার পর সকলেই নিজ নিজ বাড়িতে চলে গেল। যখন হৈ চৈ থেমে গেল এবং কোন নড়াচড়া শুনতে পাচ্ছিলাম না তখন আমি বের হলাম। ‘আবদুল্লাহ ইবনু আতীক (রাঃ) বলেন, দূর্গের চাবি যে ছিদ্রপথে রাখা হয়েছিল তা আমু পূর্বেই দেখেছিলাম। তাই রক্ষিত স্থান থেকে চাবিটি নিয়ে আমি দূর্গের দরজা খুললাম। তিনি বলেন, আমি মনে মনে ভাবলাম, কাওমের লোকেরা যদি আমাকে দেখে নেয় তাহলে সহজেই আমি পালিয়ে যেতে পারব। এরপর দূর্গের ভিতরে তাদের যত ঘর ছিল সবগুলোর দরজা আমি বাইরে থেকে বন্ধ করে দিলাম। এরপর সিঁড়ি বেয়ে আবূ রাফি’র কক্ষে উঠলাম। বাতি নিভিয়ে দেয়া হয়েছিল বলে ঘরটি ছিল খুবই অন্ধকার। লোকটি কোথায়, কিছুতেই আমি তা বুঝতে পারছিলাম না। সুতরাং আমি তাকে ডাকলাম, হে আবূ রাফি’। সে বলল, কে ডাকছ? তিনি বললেন, আওয়াজটি লক্ষ্য করে আমি একটু এগিয়ে গেলাম এবং তাকে আঘাত করলাম। সে চিৎকার করে উঠল। এ আঘতে কোন কাজই হয়নি। অরঃপর আবার আমি তার কাছে গেলাম, যেন আমি তাকে সাহায্য করব। আমি এবার স্বর বদল করে বললাম, হে আবূ রাফি’! তোমার কি হয়েছে? সে বলল, কী আশ্চর্য ব্যাপার, তার মায়ের সর্বনাশ হোক, এই তো এক ব্যক্তি আমার ঘরে ঢুকে আমাকে তরবারি দ্বারা আঘাত করেছে। ‘আবদুল্লাহ ইবনু আতীক বলেন, তাকে লক্ষ্য করে আবার আমি আঘাত করলাম এবারও কোন কাজ হল না। সে চিৎকার করলে তার পরিবারের সবাই জেগে উঠল। তারপর আবার আমি সাহায্যকারীর ভান করে আওয়াজ বদল করে তার দিকে এগিয়ে গেলাম। এ সময় সে পিঠের উপর চিৎ হয়ে শুয়ে ছিল। আমি তরবারির অগ্রভাগ তার পেটের উপর রেখে এমন জোরে চাপ দিলাম যে, আমি তার হাড়ের আওয়াজ শুনতে পেলাম। এরপর আমি কাঁপতে কাঁপতে সিঁড়ির নিকট এসে পৌছলাম। ইচ্ছে ছিল নেমে যাব। কিন্তু আছাড় খেয়ে পড়ে গেলাম এবং এতে আমার পা খানা ভেঙ্গে গেল। সঙ্গে সঙ্গে (পাগড়ি দিয়ে) আমি তা বেঁধে ফেললাম এবং আস্তে আস্তে হেঁটে সাথীদের নিকট চলে এলাম। এরপর বললাম, তোমরা যাও এবং রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে সুসংবাদ দাও। আমি তার মৃত্যুর সংবাদ না শুনে আসব না। প্রত্যুষে মৃত্যু ঘোষণাকারী প্রাচীরে উঠে বলল, আমি আবূ রাফি’র মৃত্যুর সংবাদ ঘোষণা করছি। আবদুল্লাহ ইবনু আতীক (রাঃ) বলেন, এরপর আমি উঠে চলতে লাগলাম, এ সময় আমার কোন ব্যথাই ছিল না। আমার সাথীরা রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট পৌছার আগেই আমি তাদেরকে পেয়ে গেলাম এবং রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর তার মৃত্যুর সুসংবাদ দিতাম। [২১] [৩০২২] (আ.প্র. ৩৭৩৮, ই.ফা. ৩৭৪২)

বারাআ বিন আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবূ রাফি’র হত্যার উদ্দেশ্যে ‘আবদুল্লাহ ইবনু আতীক ও ‘আবদুল্লাহ ইবনু উতবাহকে একদল লোকসহ প্রেরণ করেন। যেতে যেতে তারা দূর্গের কাছে গিয়ে পৌছলে ‘আবদুল্লাহ ইবনু আতীক (রাঃ) তাদেরকে বললেন, তোমরা অপেক্ষা কর। আমি যাই, দেখি কীভাবে সুযোগ করা যায়। আবদুল্লাহ ইবনু আতীক (রাঃ) বলেন, দূর্গের ভিতরে প্রবেশ করার জন্য আমি কৌশল করলাম। ইতোমধ্যে তারা একটি গাধা হারিয়ে ফেলল এবং একটি আলো নিয়ে এর খোঁজে বের হল। তিনি বললেন, আমাকে চিনে ফেলবে এ আশংকা করছিলাম। তাই আমি আমার মাথা ও পা ঢেকে ফেললাম এবং এমনভাবে বসে রইলাম যেন আমি প্রাকৃতিক প্রয়োজনে মলমূত্র ত্যাগ করার জন্য বসেছি। এরপর দারোয়ান ডাক দিয়ে বলল, কেউ ভিতরে প্রবেশ করতে চাইলে দরজা বন্ধ করার আগে ভিতরে ঢুকে পড়ুন। আমি প্রবেশ করলাম এবং দূর্গের দরজার পার্শ্বে গাধা বাঁধার জায়গায় আত্মগোপন করে থাকলাম। আবূ রাফি’র নিকট সবাই বসে রাতের খানা খেয়ে গল্প গুজব করল। এভাবে রাতের কিছু অংশ কেটে যাওয়ার পর সকলেই নিজ নিজ বাড়িতে চলে গেল। যখন হৈ চৈ থেমে গেল এবং কোন নড়াচড়া শুনতে পাচ্ছিলাম না তখন আমি বের হলাম। ‘আবদুল্লাহ ইবনু আতীক (রাঃ) বলেন, দূর্গের চাবি যে ছিদ্রপথে রাখা হয়েছিল তা আমু পূর্বেই দেখেছিলাম। তাই রক্ষিত স্থান থেকে চাবিটি নিয়ে আমি দূর্গের দরজা খুললাম। তিনি বলেন, আমি মনে মনে ভাবলাম, কাওমের লোকেরা যদি আমাকে দেখে নেয় তাহলে সহজেই আমি পালিয়ে যেতে পারব। এরপর দূর্গের ভিতরে তাদের যত ঘর ছিল সবগুলোর দরজা আমি বাইরে থেকে বন্ধ করে দিলাম। এরপর সিঁড়ি বেয়ে আবূ রাফি’র কক্ষে উঠলাম। বাতি নিভিয়ে দেয়া হয়েছিল বলে ঘরটি ছিল খুবই অন্ধকার। লোকটি কোথায়, কিছুতেই আমি তা বুঝতে পারছিলাম না। সুতরাং আমি তাকে ডাকলাম, হে আবূ রাফি’। সে বলল, কে ডাকছ? তিনি বললেন, আওয়াজটি লক্ষ্য করে আমি একটু এগিয়ে গেলাম এবং তাকে আঘাত করলাম। সে চিৎকার করে উঠল। এ আঘতে কোন কাজই হয়নি। অরঃপর আবার আমি তার কাছে গেলাম, যেন আমি তাকে সাহায্য করব। আমি এবার স্বর বদল করে বললাম, হে আবূ রাফি’! তোমার কি হয়েছে? সে বলল, কী আশ্চর্য ব্যাপার, তার মায়ের সর্বনাশ হোক, এই তো এক ব্যক্তি আমার ঘরে ঢুকে আমাকে তরবারি দ্বারা আঘাত করেছে। ‘আবদুল্লাহ ইবনু আতীক বলেন, তাকে লক্ষ্য করে আবার আমি আঘাত করলাম এবারও কোন কাজ হল না। সে চিৎকার করলে তার পরিবারের সবাই জেগে উঠল। তারপর আবার আমি সাহায্যকারীর ভান করে আওয়াজ বদল করে তার দিকে এগিয়ে গেলাম। এ সময় সে পিঠের উপর চিৎ হয়ে শুয়ে ছিল। আমি তরবারির অগ্রভাগ তার পেটের উপর রেখে এমন জোরে চাপ দিলাম যে, আমি তার হাড়ের আওয়াজ শুনতে পেলাম। এরপর আমি কাঁপতে কাঁপতে সিঁড়ির নিকট এসে পৌছলাম। ইচ্ছে ছিল নেমে যাব। কিন্তু আছাড় খেয়ে পড়ে গেলাম এবং এতে আমার পা খানা ভেঙ্গে গেল। সঙ্গে সঙ্গে (পাগড়ি দিয়ে) আমি তা বেঁধে ফেললাম এবং আস্তে আস্তে হেঁটে সাথীদের নিকট চলে এলাম। এরপর বললাম, তোমরা যাও এবং রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে সুসংবাদ দাও। আমি তার মৃত্যুর সংবাদ না শুনে আসব না। প্রত্যুষে মৃত্যু ঘোষণাকারী প্রাচীরে উঠে বলল, আমি আবূ রাফি’র মৃত্যুর সংবাদ ঘোষণা করছি। আবদুল্লাহ ইবনু আতীক (রাঃ) বলেন, এরপর আমি উঠে চলতে লাগলাম, এ সময় আমার কোন ব্যথাই ছিল না। আমার সাথীরা রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট পৌছার আগেই আমি তাদেরকে পেয়ে গেলাম এবং রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর তার মৃত্যুর সুসংবাদ দিতাম। [২১] [৩০২২] (আ.প্র. ৩৭৩৮, ই.ফা. ৩৭৪২)

أحمد بن عثمان حدثنا شريح هو ابن مسلمة حدثنا إبراهيم بن يوسف عن أبيه عن أبي إسحاق قال سمعت البراء بن عازب رضي الله عنه قال بعث رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى أبي رافع عبد الله بن عتيك وعبد الله بن عتبة في ناس معهم فانطلقوا حتى دنوا من الحصن فقال لهم عبد الله بن عتيك امكثوا أنتم حتى أنطلق أنا فأنظر قال فتلطفت أن أدخل الحصن ففقدوا حمارا لهم قال فخرجوا بقبس يطلبونه قال فخشيت أن أعرف قال فغطيت رأسي وجلست كأني أقضي حاجة ثم نادى صاحب الباب من أراد أن يدخل فليدخل قبل أن أغلقه فدخلت ثم اختبأت في مربط حمار عند باب الحصن فتعشوا عند أبي رافع وتحدثوا حتى ذهبت ساعة من الليل ثم رجعوا إلى بيوتهم فلما هدأت الأصوات ولا أسمع حركة خرجت قال ورأيت صاحب الباب حيث وضع مفتاح الحصن في كوة فأخذته ففتحت به باب الحصن قال قلت إن نذر بي القوم انطلقت على مهل ثم عمدت إلى أبواب بيوتهم فغلقتها عليهم من ظاهر ثم صعدت إلى أبي رافع في سلم فإذا البيت مظلم قد طفئ سراجه فلم أدر أين الرجل فقلت يا أبا رافع قال من هذا قال فعمدت نحو الصوت فأضربه وصاح فلم تغن شيئا قال ثم جئت كأني أغيثه فقلت ما لك يا أبا رافع وغيرت صوتي فقال ألا أعجبك لأمك الويل دخل علي رجل فضربني بالسيف قال فعمدت له أيضا فأضربه أخرى فلم تغن شيئا فصاح وقام أهله قال ثم جئت وغيرت صوتي كهيئة المغيث فإذا هو مستلق على ظهره فأضع السيف في بطنه ثم أنكفئ عليه حتى سمعت صوت العظم ثم خرجت دهشا حتى أتيت السلم أريد أن أنزل فأسقط منه فانخلعت رجلي فعصبتها ثم أتيت أصحابي أحجل فقلت انطلقوا فبشروا رسول الله صلى الله عليه وسلم فإني لا أبرح حتى أسمع الناعية فلما كان في وجه الصبح صعد الناعية فقال أنعى أبا رافع قال فقمت أمشي ما بي قلبة فأدركت أصحابي قبل أن يأتوا النبي صلى الله عليه وسلم فبشرته


সহিহ বুখারী ৪০৩৯

يوسف بن موسى حدثنا عبيد الله بن موسى عن إسرائيل عن أبي إسحاق عن البراء بن عازب قال بعث رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى أبي رافع اليهودي رجالا من الأنصار فأمر عليهم عبد الله بن عتيك وكان أبو رافع يؤذي رسول الله صلى الله عليه وسلم ويعين عليه وكان في حصن له بأرض الحجاز فلما دنوا منه وقد غربت الشمس وراح الناس بسرحهم فقال عبد الله لأصحابه اجلسوا مكانكم فإني منطلق ومتلطف للبواب لعلي أن أدخل فأقبل حتى دنا من الباب ثم تقنع بثوبه كأنه يقضي حاجة وقد دخل الناس فهتف به البواب يا عبد الله إن كنت تريد أن تدخل فادخل فإني أريد أن أغلق الباب فدخلت فكمنت فلما دخل الناس أغلق الباب ثم علق الأغاليق على وتد قال فقمت إلى الأقاليد فأخذتها ففتحت الباب وكان أبو رافع يسمر عنده وكان في علالي له فلما ذهب عنه أهل سمره صعدت إليه فجعلت كلما فتحت بابا أغلقت علي من داخل قلت إن القوم نذروا بي لم يخلصوا إلي حتى أقتله فانتهيت إليه فإذا هو في بيت مظلم وسط عياله لا أدري أين هو من البيت فقلت يا أبا رافع قال من هذا فأهويت نحو الصوت فأضربه ضربة بالسيف وأنا دهش فما أغنيت شيئا وصاح فخرجت من البيت فأمكث غير بعيد ثم دخلت إليه فقلت ما هذا الصوت يا أبا رافع فقال لأمك الويل إن رجلا في البيت ضربني قبل بالسيف قال فأضربه ضربة أثخنته ولم أقتله ثم وضعت ظبة السيف في بطنه حتى أخذ في ظهره فعرفت أني قتلته فجعلت أفتح الأبواب بابا بابا حتى انتهيت إلى درجة له فوضعت رجلي وأنا أرى أني قد انتهيت إلى الأرض فوقعت في ليلة مقمرة فانكسرت ساقي فعصبتها بعمامة ثم انطلقت حتى جلست على الباب فقلت لا أخرج الليلة حتى أعلم أقتلته فلما صاح الديك قام الناعي على السور فقال أنعى أبا رافع تاجر أهل الحجاز فانطلقت إلى أصحابي فقلت النجاء فقد قتل الله أبا رافع فانتهيت إلى النبي صلى الله عليه وسلم فحدثته فقال ابسط رجلك فبسطت رجلي فمسحها فكأنها لم أشتكها قط

বারাআ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আবদুল্লাহ ইব্‌নু আতীককে আমীর বানিয়ে তার নেতৃত্বে আনসারদের কয়েকজন সাহাবীকে ইয়াহূদী আবূ রাফির (হত্যার) উদ্দেশ্যে প্রেরণ করেন। আবূ রাফি‘ রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে কষ্ট দিত এবং এ ব্যাপারে লোকদের সাহায্য করত। হিজায ভূমিতে তার একটি দূর্গ ছিল (যেখানে সে বাস করত)। তারা যখন তার দূর্গের কাছে গিয়ে পৌছলেন তখন সূর্য ডুবে গেছে এবং লোকজন নিজেদের পশু পাল নিয়ে রওয়ানা হয়েছে (নিজ নিজ গৃহে) ‘আবদুল্লাহ (ইব্‌নু আতীক) তার সাথীদেরকে বললেন, তোমরা তোমাদের স্থানে বসে থাক। আমি চললাম, ভিতরে প্রবেশ করার জন্য দ্বার রক্ষীর সঙ্গে আমি কৌশল দেখাই। এরপর তিনি সামনের দিকে এগিয়ে গিয়ে দরজার কাছে পৌছলেন এবং কাপড় দ্বারা নিজেকে এমনভাবে ঢাকলেন যেন তিনি প্রাকৃতিক প্রয়োজনে রত আছেন। তখন সবাই ভিতরে প্রবেশ করলে দারোয়ান তাকে ডেকে বলল, ওহে ‘আবদুল্লাহ! ভিতরে ঢুকতে চাইলে ঢুকে পড়। আমি এখনই দরজা বন্ধ করে দেব। আমি তখন ভিতরে প্রবেশ করলাম এবং আত্মগোপন করে থাকলাম। সকলে ভিতরে প্রবেশ করার পর সে দরজা বন্ধ করে দিল এবং একটি পেরেকের সঙ্গে চাবিটা লটকিয়ে রাখল। [‘আবদুল্লাহ ইব্‌নু আতীক (রাঃ) বলেন] এরপর আমি চাবিটার দিকে এগিয়ে গেলাম এবং চাবিটা নিয়ে দরজাটি খুললাম। আবূ রাফি‘র নিকট রাতের বেলা গল্পের আসর বসত, এ সময় সে তার উপর তলার কামরায় অবস্থান করছিল। গল্পের আসরে আগত লোকজন চলে গেলে, আমি সিঁড়ি বেয়ে তার কাছে গিয়ে পৌছলাম। এ সময় আমি একটি করে দরজা খুলছিলাম এবং ভিতর দিক থেকে তা আবার বন্ধ করে দিয়ে যাচ্ছিলাম, যাতে লোকজন আমার ব্যাপারে জানতে পারলেও হত্যা না করা পর্যন্ত আমার নিকট পৌছতে না পারে। আমি তার কাছে গিয়ে পৌছলাম। এ সময় সে একটি অন্ধকার কক্ষে ছেলেমেয়েদের মাঝে শুয়েছিল। কক্ষের কোন অংশে সে শুয়ে আছে আমি তা বুঝতে পারছিলাম না। তাই আবূ রাফি‘ বলে ডাক দিলাম। সে বলল, কে আমাকে ডাকছ? আমি তখন আওয়াজটি লক্ষ্য করে এগিয়ে গিয়ে তরবারি দ্বারা প্রচণ্ড জোরে আঘাত করলাম। আমি তখন কাঁপছিলাম। এ আঘাতে আমি তার কোন কিছুই করতে পারলাম না। সে চিৎকার করে উঠলে আমি কিছুক্ষণের জন্য বাইরে চলে আসলাম। এরপর পুনরায় ঘরে প্রবেশ করে (কণ্ঠস্বর পরিবর্তন করতঃ তার আপন লোকের ন্যায়) জিজ্ঞেস করলাম, আবূ রাফি‘ এ আওয়াজ হল কিসের? সে বলল, তোমার মায়ের সর্বনাশ হোক! একটু আগে ঘরের ভিতর কে যেন আমাকে তরবারি দ্বারা আঘাত করেছে। ‘আবদুল্লাহ ইব্‌নু আতীক (রাঃ) বলেন, তখন আমি আবার তাকে ভীষণ আঘাত করলাম এবং মারাত্মকভাবে ক্ষত বিক্ষত করে ফেললাম। কিন্তু তাকে হত্যা করতে পারিনি। তাই তরবারির ধারাল দিকটি তার পেটের উপর চেপে ধরলাম এবং পিঠ পাড় করে দিলাম। এবার আমি নিশ্চিতরূপে বুঝলাম যে, এখন আমি তাকে হত্যা করতে পেরেছি। এরপর আমি এক এক করে দরজা খুলে নিচে নামতে শুরু করলাম। নামতে নামতে সিঁড়ির শেষ প্রান্তে এসে পৌছলাম। পূর্ণিমার রাত্র ছিল। (চাঁদের আলোতে তাড়াহুড়ার মধ্যে সঠিকভাবে অনুধাবন করতে না পেরে) আমি মনে করলাম, (সিঁড়ির সকল ধাপ অতিক্রম করে) আমি মাটির নিকটে এসে পড়েছি। (কিন্তু তখনও একটি ধাপ অবশিষ্ট ছিল) তাই নিচে পা রাখতেই আমি পড়ে গেলাম। অমনিই আমার পায়ের গোছার হাড় ভেঙ্গে গেল। আমি আমার মাথা পাগড়ি দিয়ে পা খানা বেঁধে নিলাম এবং একটু হেঁটে গিয়ে দরজার সামনে বসে রইলাম। মনে মনে স্থির করলাম, তার মৃত্যু সম্পর্কে নিশ্চিত না হয়ে আজ রাতে আমি এখান থেকে যাব না। ভোর রাতে মোরগের ডাক আরম্ভ হলে মৃত্যু ঘোষণাকারী প্রাচীরের উপরে উঠে ঘোষণা করল, হিজায অধিবাসীদের অন্যতম ব্যবসায়ী আবূ রাফির মৃত্যুর সংবাদ শুন। তখন আমি আমার সাথীদের নিকট গিয়ে বললাম, তাড়াতাড়ি চল, আল্লাহ্ আবূ রাফিকে হত্যা করেছেন। এরপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট গেলাম এবং সমস্ত ঘটনা খুলে বললাম। তিনি বললেন, তোমার পা লম্বা করে দাও। আমি আমার পা লম্বা করে দিলে তিনি তাতে স্বীয় হাত বুলিয়ে দিলেন। (তাতে এমন সুস্থ হলাম) যেন আমি কোন আঘাতই পায়নি। [৩০২২] (আ.প্র. ৩৭৩৭, ই.ফা. ৩৭৪১)

বারাআ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আবদুল্লাহ ইব্‌নু আতীককে আমীর বানিয়ে তার নেতৃত্বে আনসারদের কয়েকজন সাহাবীকে ইয়াহূদী আবূ রাফির (হত্যার) উদ্দেশ্যে প্রেরণ করেন। আবূ রাফি‘ রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে কষ্ট দিত এবং এ ব্যাপারে লোকদের সাহায্য করত। হিজায ভূমিতে তার একটি দূর্গ ছিল (যেখানে সে বাস করত)। তারা যখন তার দূর্গের কাছে গিয়ে পৌছলেন তখন সূর্য ডুবে গেছে এবং লোকজন নিজেদের পশু পাল নিয়ে রওয়ানা হয়েছে (নিজ নিজ গৃহে) ‘আবদুল্লাহ (ইব্‌নু আতীক) তার সাথীদেরকে বললেন, তোমরা তোমাদের স্থানে বসে থাক। আমি চললাম, ভিতরে প্রবেশ করার জন্য দ্বার রক্ষীর সঙ্গে আমি কৌশল দেখাই। এরপর তিনি সামনের দিকে এগিয়ে গিয়ে দরজার কাছে পৌছলেন এবং কাপড় দ্বারা নিজেকে এমনভাবে ঢাকলেন যেন তিনি প্রাকৃতিক প্রয়োজনে রত আছেন। তখন সবাই ভিতরে প্রবেশ করলে দারোয়ান তাকে ডেকে বলল, ওহে ‘আবদুল্লাহ! ভিতরে ঢুকতে চাইলে ঢুকে পড়। আমি এখনই দরজা বন্ধ করে দেব। আমি তখন ভিতরে প্রবেশ করলাম এবং আত্মগোপন করে থাকলাম। সকলে ভিতরে প্রবেশ করার পর সে দরজা বন্ধ করে দিল এবং একটি পেরেকের সঙ্গে চাবিটা লটকিয়ে রাখল। [‘আবদুল্লাহ ইব্‌নু আতীক (রাঃ) বলেন] এরপর আমি চাবিটার দিকে এগিয়ে গেলাম এবং চাবিটা নিয়ে দরজাটি খুললাম। আবূ রাফি‘র নিকট রাতের বেলা গল্পের আসর বসত, এ সময় সে তার উপর তলার কামরায় অবস্থান করছিল। গল্পের আসরে আগত লোকজন চলে গেলে, আমি সিঁড়ি বেয়ে তার কাছে গিয়ে পৌছলাম। এ সময় আমি একটি করে দরজা খুলছিলাম এবং ভিতর দিক থেকে তা আবার বন্ধ করে দিয়ে যাচ্ছিলাম, যাতে লোকজন আমার ব্যাপারে জানতে পারলেও হত্যা না করা পর্যন্ত আমার নিকট পৌছতে না পারে। আমি তার কাছে গিয়ে পৌছলাম। এ সময় সে একটি অন্ধকার কক্ষে ছেলেমেয়েদের মাঝে শুয়েছিল। কক্ষের কোন অংশে সে শুয়ে আছে আমি তা বুঝতে পারছিলাম না। তাই আবূ রাফি‘ বলে ডাক দিলাম। সে বলল, কে আমাকে ডাকছ? আমি তখন আওয়াজটি লক্ষ্য করে এগিয়ে গিয়ে তরবারি দ্বারা প্রচণ্ড জোরে আঘাত করলাম। আমি তখন কাঁপছিলাম। এ আঘাতে আমি তার কোন কিছুই করতে পারলাম না। সে চিৎকার করে উঠলে আমি কিছুক্ষণের জন্য বাইরে চলে আসলাম। এরপর পুনরায় ঘরে প্রবেশ করে (কণ্ঠস্বর পরিবর্তন করতঃ তার আপন লোকের ন্যায়) জিজ্ঞেস করলাম, আবূ রাফি‘ এ আওয়াজ হল কিসের? সে বলল, তোমার মায়ের সর্বনাশ হোক! একটু আগে ঘরের ভিতর কে যেন আমাকে তরবারি দ্বারা আঘাত করেছে। ‘আবদুল্লাহ ইব্‌নু আতীক (রাঃ) বলেন, তখন আমি আবার তাকে ভীষণ আঘাত করলাম এবং মারাত্মকভাবে ক্ষত বিক্ষত করে ফেললাম। কিন্তু তাকে হত্যা করতে পারিনি। তাই তরবারির ধারাল দিকটি তার পেটের উপর চেপে ধরলাম এবং পিঠ পাড় করে দিলাম। এবার আমি নিশ্চিতরূপে বুঝলাম যে, এখন আমি তাকে হত্যা করতে পেরেছি। এরপর আমি এক এক করে দরজা খুলে নিচে নামতে শুরু করলাম। নামতে নামতে সিঁড়ির শেষ প্রান্তে এসে পৌছলাম। পূর্ণিমার রাত্র ছিল। (চাঁদের আলোতে তাড়াহুড়ার মধ্যে সঠিকভাবে অনুধাবন করতে না পেরে) আমি মনে করলাম, (সিঁড়ির সকল ধাপ অতিক্রম করে) আমি মাটির নিকটে এসে পড়েছি। (কিন্তু তখনও একটি ধাপ অবশিষ্ট ছিল) তাই নিচে পা রাখতেই আমি পড়ে গেলাম। অমনিই আমার পায়ের গোছার হাড় ভেঙ্গে গেল। আমি আমার মাথা পাগড়ি দিয়ে পা খানা বেঁধে নিলাম এবং একটু হেঁটে গিয়ে দরজার সামনে বসে রইলাম। মনে মনে স্থির করলাম, তার মৃত্যু সম্পর্কে নিশ্চিত না হয়ে আজ রাতে আমি এখান থেকে যাব না। ভোর রাতে মোরগের ডাক আরম্ভ হলে মৃত্যু ঘোষণাকারী প্রাচীরের উপরে উঠে ঘোষণা করল, হিজায অধিবাসীদের অন্যতম ব্যবসায়ী আবূ রাফির মৃত্যুর সংবাদ শুন। তখন আমি আমার সাথীদের নিকট গিয়ে বললাম, তাড়াতাড়ি চল, আল্লাহ্ আবূ রাফিকে হত্যা করেছেন। এরপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট গেলাম এবং সমস্ত ঘটনা খুলে বললাম। তিনি বললেন, তোমার পা লম্বা করে দাও। আমি আমার পা লম্বা করে দিলে তিনি তাতে স্বীয় হাত বুলিয়ে দিলেন। (তাতে এমন সুস্থ হলাম) যেন আমি কোন আঘাতই পায়নি। [৩০২২] (আ.প্র. ৩৭৩৭, ই.ফা. ৩৭৪১)

يوسف بن موسى حدثنا عبيد الله بن موسى عن إسرائيل عن أبي إسحاق عن البراء بن عازب قال بعث رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى أبي رافع اليهودي رجالا من الأنصار فأمر عليهم عبد الله بن عتيك وكان أبو رافع يؤذي رسول الله صلى الله عليه وسلم ويعين عليه وكان في حصن له بأرض الحجاز فلما دنوا منه وقد غربت الشمس وراح الناس بسرحهم فقال عبد الله لأصحابه اجلسوا مكانكم فإني منطلق ومتلطف للبواب لعلي أن أدخل فأقبل حتى دنا من الباب ثم تقنع بثوبه كأنه يقضي حاجة وقد دخل الناس فهتف به البواب يا عبد الله إن كنت تريد أن تدخل فادخل فإني أريد أن أغلق الباب فدخلت فكمنت فلما دخل الناس أغلق الباب ثم علق الأغاليق على وتد قال فقمت إلى الأقاليد فأخذتها ففتحت الباب وكان أبو رافع يسمر عنده وكان في علالي له فلما ذهب عنه أهل سمره صعدت إليه فجعلت كلما فتحت بابا أغلقت علي من داخل قلت إن القوم نذروا بي لم يخلصوا إلي حتى أقتله فانتهيت إليه فإذا هو في بيت مظلم وسط عياله لا أدري أين هو من البيت فقلت يا أبا رافع قال من هذا فأهويت نحو الصوت فأضربه ضربة بالسيف وأنا دهش فما أغنيت شيئا وصاح فخرجت من البيت فأمكث غير بعيد ثم دخلت إليه فقلت ما هذا الصوت يا أبا رافع فقال لأمك الويل إن رجلا في البيت ضربني قبل بالسيف قال فأضربه ضربة أثخنته ولم أقتله ثم وضعت ظبة السيف في بطنه حتى أخذ في ظهره فعرفت أني قتلته فجعلت أفتح الأبواب بابا بابا حتى انتهيت إلى درجة له فوضعت رجلي وأنا أرى أني قد انتهيت إلى الأرض فوقعت في ليلة مقمرة فانكسرت ساقي فعصبتها بعمامة ثم انطلقت حتى جلست على الباب فقلت لا أخرج الليلة حتى أعلم أقتلته فلما صاح الديك قام الناعي على السور فقال أنعى أبا رافع تاجر أهل الحجاز فانطلقت إلى أصحابي فقلت النجاء فقد قتل الله أبا رافع فانتهيت إلى النبي صلى الله عليه وسلم فحدثته فقال ابسط رجلك فبسطت رجلي فمسحها فكأنها لم أشتكها قط


সহিহ বুখারী > উহূদ যুদ্ধ

সহিহ বুখারী ৪০৪১

إبراهيم بن موسى أخبرنا عبد الوهاب حدثنا خالد عن عكرمة عن ابن عباس رضي الله عنهما قال قال النبي صلى الله عليه وسلم يوم أحد هذا جبريل آخذ برأس فرسه عليه أداة الحرب

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উহূদের দিন [২২] বলেছেন, এই তো জিবরীল, তার ঘোড়ার মস্তকে হাত রেখে আছেন; তার পরিধানে আছে যুদ্ধাস্ত্র। [৩৯৯৫] (আ.প্র. ৩৭৩৯, ই.ফা. ৩৭৪৩)

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উহূদের দিন [২২] বলেছেন, এই তো জিবরীল, তার ঘোড়ার মস্তকে হাত রেখে আছেন; তার পরিধানে আছে যুদ্ধাস্ত্র। [৩৯৯৫] (আ.প্র. ৩৭৩৯, ই.ফা. ৩৭৪৩)

إبراهيم بن موسى أخبرنا عبد الوهاب حدثنا خالد عن عكرمة عن ابن عباس رضي الله عنهما قال قال النبي صلى الله عليه وسلم يوم أحد هذا جبريل آخذ برأس فرسه عليه أداة الحرب


সহিহ বুখারী ৪০৪৬

عبد الله بن محمد حدثنا سفيان عن عمرو سمع جابر بن عبد الله رضي الله عنهما قال قال رجل للنبي صلى الله عليه وسلم يوم أحد أرأيت إن قتلت فأين أنا قال في الجنة فألقى تمرات في يده ثم قاتل حتى قتل

জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ব্যক্তি উহূদের দিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বললেন, আমি যদি শাহীদ হয়ে যাই তাহলে আমি কোথায় থাকব বলে আপনি মনে করেন? তিনি বললেন, জান্নাতে। তখন ঐ ব্যক্তি হাতের খেজুরগুলো ছুঁড়ে ফেললেন, এরপর তিনি লড়াই করলেন, এমনকি শাহীদ হয়ে গেলেন। [মুসলিম ৩৩/৪১, হাঃ ১৮৯৯, আহমদ ১৪৩১৮] (আ.প্র. ৩৭৪৪, ই.ফা. ৩৭৪৭)

জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ব্যক্তি উহূদের দিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বললেন, আমি যদি শাহীদ হয়ে যাই তাহলে আমি কোথায় থাকব বলে আপনি মনে করেন? তিনি বললেন, জান্নাতে। তখন ঐ ব্যক্তি হাতের খেজুরগুলো ছুঁড়ে ফেললেন, এরপর তিনি লড়াই করলেন, এমনকি শাহীদ হয়ে গেলেন। [মুসলিম ৩৩/৪১, হাঃ ১৮৯৯, আহমদ ১৪৩১৮] (আ.প্র. ৩৭৪৪, ই.ফা. ৩৭৪৭)

عبد الله بن محمد حدثنا سفيان عن عمرو سمع جابر بن عبد الله رضي الله عنهما قال قال رجل للنبي صلى الله عليه وسلم يوم أحد أرأيت إن قتلت فأين أنا قال في الجنة فألقى تمرات في يده ثم قاتل حتى قتل


সহিহ বুখারী ৪০৪৪

أخبرني عبد الله بن محمد حدثنا سفيان عن عمرو عن جابر قال اصطبح الخمر يوم أحد ناس ثم قتلوا شهداء

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, উহূদের যুদ্ধের দিন কতক সাহাবী সকাল বেলা মদ পান করেছিলেন। [২৩] অতঃপর তারা শাহাদাত লাভ করেন। [২৮১৫] (আ.প্র. ৩৭৪২, ই.ফা. নেই)

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, উহূদের যুদ্ধের দিন কতক সাহাবী সকাল বেলা মদ পান করেছিলেন। [২৩] অতঃপর তারা শাহাদাত লাভ করেন। [২৮১৫] (আ.প্র. ৩৭৪২, ই.ফা. নেই)

أخبرني عبد الله بن محمد حدثنا سفيان عن عمرو عن جابر قال اصطبح الخمر يوم أحد ناس ثم قتلوا شهداء


সহিহ বুখারী ৪০৪২

محمد بن عبد الرحيم أخبرنا زكرياء بن عدي أخبرنا ابن المبارك عن حيوة عن يزيد بن أبي حبيب عن أبي الخير عن عقبة بن عامر قال صلى رسول الله صلى الله عليه وسلم على قتلى أحد بعد ثماني سنين كالمودع للأحياء والأموات ثم طلع المنبر فقال إني بين أيديكم فرط وأنا عليكم شهيد وإن موعدكم الحوض وإني لأنظر إليه من مقامي هذا وإني لست أخشى عليكم أن تشركوا ولكني أخشى عليكم الدنيا أن تنافسوها قال فكانت آخر نظرة نظرتها إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم

উকবাহ ইবনু ‘আমির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আট বছর পর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উহূদের শহীদদের জন্য (কবরস্থানে) এমনভাবে দু’আ করলেন যেমন কোন বিদায় গ্রহণকারী জীবিত ও মৃতদের জন্য দু’আ করেন। তারপর তিনি (ফিরে এসে) মিম্বারে উঠে বললেন, আমি তোমাদের অগ্রে প্রেরিত এবং আমি তোমাদের সাক্ষীদাতা। এরপর (কাউসার) হাউযের ধারে তোমাদের সঙ্গে আমার সাক্ষাৎ ঘটবে। আমার এ স্থান থেকেই আমি হাউয দেখতে পাচ্ছি। তোমরা শিরকে জড়িয়ে যাবে আমি এ ভয় করি না। তবে আমার আশঙ্কা হয় যে, তোমরা দুনিয়ায় সুখ-শান্তি লাভে প্রতিযোগিতা করবে। বর্ণনাকারী বলেন, আমর এ দর্শনই ছিল রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে শেষবারের মতো দর্শন। (১৩৪৪, ৩৫৯৬, ৪০৮৫, ৬৪২৬, ৬৫৯০) [মুসলিম ৪৩/৯, হাঃ ২২৯৬, আহমদ ১৭৩৪৯] (আ.প্র. ৩৭৪০, ই.ফা. ৩৭৪৪)

উকবাহ ইবনু ‘আমির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আট বছর পর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উহূদের শহীদদের জন্য (কবরস্থানে) এমনভাবে দু’আ করলেন যেমন কোন বিদায় গ্রহণকারী জীবিত ও মৃতদের জন্য দু’আ করেন। তারপর তিনি (ফিরে এসে) মিম্বারে উঠে বললেন, আমি তোমাদের অগ্রে প্রেরিত এবং আমি তোমাদের সাক্ষীদাতা। এরপর (কাউসার) হাউযের ধারে তোমাদের সঙ্গে আমার সাক্ষাৎ ঘটবে। আমার এ স্থান থেকেই আমি হাউয দেখতে পাচ্ছি। তোমরা শিরকে জড়িয়ে যাবে আমি এ ভয় করি না। তবে আমার আশঙ্কা হয় যে, তোমরা দুনিয়ায় সুখ-শান্তি লাভে প্রতিযোগিতা করবে। বর্ণনাকারী বলেন, আমর এ দর্শনই ছিল রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে শেষবারের মতো দর্শন। (১৩৪৪, ৩৫৯৬, ৪০৮৫, ৬৪২৬, ৬৫৯০) [মুসলিম ৪৩/৯, হাঃ ২২৯৬, আহমদ ১৭৩৪৯] (আ.প্র. ৩৭৪০, ই.ফা. ৩৭৪৪)

محمد بن عبد الرحيم أخبرنا زكرياء بن عدي أخبرنا ابن المبارك عن حيوة عن يزيد بن أبي حبيب عن أبي الخير عن عقبة بن عامر قال صلى رسول الله صلى الله عليه وسلم على قتلى أحد بعد ثماني سنين كالمودع للأحياء والأموات ثم طلع المنبر فقال إني بين أيديكم فرط وأنا عليكم شهيد وإن موعدكم الحوض وإني لأنظر إليه من مقامي هذا وإني لست أخشى عليكم أن تشركوا ولكني أخشى عليكم الدنيا أن تنافسوها قال فكانت آخر نظرة نظرتها إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم


সহিহ বুখারী ৪০৪৫

عبدان حدثنا عبد الله أخبرنا شعبة عن سعد بن إبراهيم عن أبيه إبراهيم أن عبد الرحمن بن عوف أتي بطعام وكان صائما فقال قتل مصعب بن عمير وهو خير مني كفن في بردة إن غطي رأسه بدت رجلاه وإن غطي رجلاه بدا رأسه وأراه قال وقتل حمزة وهو خير مني ثم بسط لنا من الدنيا ما بسط أو قال أعطينا من الدنيا ما أعطينا وقد خشينا أن تكون حسناتنا عجلت لنا ثم جعل يبكي حتى ترك الطعام

সা’দ ইবনু ইবরাহীমের পিতা ইবরাহীম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবদুর রহমান ইব্‌ন আওফ (রাঃ)-এর নিকট কিছু খানা আনা হল। তিনি তখন সায়েম ছিলেন। তিনি বললেন, মুস’আব ইবনু উমায়র (রাঃ) ছিলেন আমার চেয়েও উত্তম ব্যক্তি। তিনি শাহাদাত লাভ করেছেন। তাকে এমন একটি চাদরে কাফন দেয়া হয়েছিল যে, তা দিয়ে মাথা ধাক্লে পা বের হয়ে যেত, আর পা ঢাকলে মাথা বের হয়ে যেত। বর্ণনাকারী বলেন, আমার মনে হয় তিনি এ কথাও বলেছিলেন যে, হামযাহ (রাঃ) আমার চেয়েও উত্তম লোক ছিলেন। তিনি শাহাদাত লাভ করেছেন। এরপর দুনয়্যাতে আমাদেরকে অনেক সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য দেয়া হয়েছে অথবা বলেছেন যথেষ্ট পরিমাণে দুনিয়্যার ধন-মাল দেয়া হয়েছে। আমার ভয় হচ্ছে হয়তো আমাদের নেকীর বদলা এখানেই দিয়ে দেয়া হচ্ছে। এরপর তিনি কাঁদতে লাগলেন, এমনকি খাদ্য পরিহার করলেন। [১২৭৪] (আ.প্র. ৩৭৪৩, ই.ফা. ৩৭৪৬)

সা’দ ইবনু ইবরাহীমের পিতা ইবরাহীম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবদুর রহমান ইব্‌ন আওফ (রাঃ)-এর নিকট কিছু খানা আনা হল। তিনি তখন সায়েম ছিলেন। তিনি বললেন, মুস’আব ইবনু উমায়র (রাঃ) ছিলেন আমার চেয়েও উত্তম ব্যক্তি। তিনি শাহাদাত লাভ করেছেন। তাকে এমন একটি চাদরে কাফন দেয়া হয়েছিল যে, তা দিয়ে মাথা ধাক্লে পা বের হয়ে যেত, আর পা ঢাকলে মাথা বের হয়ে যেত। বর্ণনাকারী বলেন, আমার মনে হয় তিনি এ কথাও বলেছিলেন যে, হামযাহ (রাঃ) আমার চেয়েও উত্তম লোক ছিলেন। তিনি শাহাদাত লাভ করেছেন। এরপর দুনয়্যাতে আমাদেরকে অনেক সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য দেয়া হয়েছে অথবা বলেছেন যথেষ্ট পরিমাণে দুনিয়্যার ধন-মাল দেয়া হয়েছে। আমার ভয় হচ্ছে হয়তো আমাদের নেকীর বদলা এখানেই দিয়ে দেয়া হচ্ছে। এরপর তিনি কাঁদতে লাগলেন, এমনকি খাদ্য পরিহার করলেন। [১২৭৪] (আ.প্র. ৩৭৪৩, ই.ফা. ৩৭৪৬)

عبدان حدثنا عبد الله أخبرنا شعبة عن سعد بن إبراهيم عن أبيه إبراهيم أن عبد الرحمن بن عوف أتي بطعام وكان صائما فقال قتل مصعب بن عمير وهو خير مني كفن في بردة إن غطي رأسه بدت رجلاه وإن غطي رجلاه بدا رأسه وأراه قال وقتل حمزة وهو خير مني ثم بسط لنا من الدنيا ما بسط أو قال أعطينا من الدنيا ما أعطينا وقد خشينا أن تكون حسناتنا عجلت لنا ثم جعل يبكي حتى ترك الطعام


সহিহ বুখারী ৪০৪৩

عبيد الله بن موسى عن إسرائيل عن أبي إسحاق عن البراء رضي الله عنه قال لقينا المشركين يومئذ وأجلس النبي صلى الله عليه وسلم جيشا من الرماة وأمر عليهم عبد الله وقال لا تبرحوا إن رأيتمونا ظهرنا عليهم فلا تبرحوا وإن رأيتموهم ظهروا علينا فلا تعينونا فلما لقينا هربوا حتى رأيت النساء يشتددن في الجبل رفعن عن سوقهن قد بدت خلاخلهن فأخذوا يقولون الغنيمة الغنيمة فقال عبد الله عهد إلي النبي صلى الله عليه وسلم أن لا تبرحوا فأبوا فلما أبوا صرف وجوههم فأصيب سبعون قتيلا وأشرف أبو سفيان فقال أفي القوم محمد فقال لا تجيبوه فقال أفي القوم ابن أبي قحافة قال لا تجيبوه فقال أفي القوم ابن الخطاب فقال إن هؤلاء قتلوا فلو كانوا أحياء لأجابوا فلم يملك عمر نفسه فقال كذبت يا عدو الله أبقى الله عليك ما يخزيك قال أبو سفيان اعل هبل فقال النبي صلى الله عليه وسلم أجيبوه قالوا ما نقول قال قولوا الله أعلى وأجل قال أبو سفيان لنا العزى ولا عزى لكم فقال النبي صلى الله عليه وسلم أجيبوه قالوا ما نقول قال قولوا الله مولانا ولا مولى لكم قال أبو سفيان يوم بيوم بدر والحرب سجال وتجدون مثلة لم آمر بها ولم تسؤني

বারাআ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, উহূদ যুদ্ধের দিন আমরা মুখোমুখি অবতীর্ণ হলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবদুল্লাহ [ইবনু যুবায়র (রাঃ)]-কে তীরন্দাজ বাহিনীর প্রধান নিযুক্ত করে তাদেরকে (নির্দিষ্ট এক স্থানে) মোতায়েন করলেন এবং বললেন, যদি তোমরা আমাদেরকে দেখ যে, আমরা তাদের উপর বিজয় লাভ করেছি, তাহলেও তোমরা এখান থেকে নড়বে না। আর যদি তোমরা তাদেরকে দেখ যে, তারা আমাদের উপর বিজয় লাভ করেছে, তবুও তোমরা এই স্থান ত্যাগ করে আমাদের সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসবে না। এরপর আমরা তাদের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু করলে তারা পালাতে আরম্ভ করল। এমনকি আমরা দেখতে যে, মহিলারা দ্রুত দৌড়ে পর্বতে আশ্রয় নিচ্ছে। তারা পায়ের গোছা থেকে কাপড় টেনে তুলেছে, ফলে পায়ের অলঙ্কারগুলো পর্যন্ত বেরিয়ে পড়ছে। এ সময় তারা (তীরন্দাজরা) বলতে লাগলেন, গানীমাত-গানীমাত! তখন আবদুল্লাহ (রাঃ) বললেন, তোমরা যাতে এ স্থান ত্যাগ না কর এ ব্যাপার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে নির্দেশ দিয়েছেন। তারা অগ্রাহ্য করল। যখন তারা অগ্রাহ্য করল, তখন তাদের মুখ ফিরিয়ে দেয়া হলো এবং তাদের সত্তর জন শাহীদ হলেন। আবূ সুফইয়ান একটি উঁচু স্থানে উঠে বলল, কাওমের মধ্যে মুহাম্মাদ জীবিত আছে কি? নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমরা তার কোন উত্তর দিও না। সে আবার বলল, কাওমের মধ্যে ইবনু আবূ কুহাফা জীবিত আছে কি? নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমরা তার কোন জবাব দিও না। সে আবার বলল, কাওমের মধ্যে ইবনুল খাত্তাব বেঁচে আছে কি? তারপর সে বলল, এরা সকলেই নিহত হয়েছে। বেঁচে থাকলে নিশ্চয়ই জবাব দিত। এ সময় উমার (রাঃ) নিজেকে সামলাতে না পেরে বললেন, হে আল্লাহ্‌র দুশমন, তুমি মিথ্যা কথা বলছ। যে জিনিসে তোমাকে অপমানিত করবে আল্লাহ্ তা বাকী রেখেছেন। আবূ সুফইয়ান বলল, হুবালের জয়। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাহাবীগণকে বললেন, তোমরা তার উত্তর দাও। তারা বললেন, আমরা কী বলব? তিনি বললেন, তোমরা বল, আল্লাহ্‌র সমুন্নত ও মহান। আবূ সুফইয়ান বলল, আমাদের উযযা আছে, তোমাদের উযযা নেই। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমরা তার জবাব দাও। তারা বললেন, আমরা কী জবাব দেব? তিনি বললেন, বল-আল্লাহ্‌র আমাদের অভিভাবক, তোমাদের তো কোন অভিভাবক নেই। শেষে আবূ সুফইয়ান বলল, আজ বদর যুদ্ধের বিনিময়ের দিন। যুদ্ধ কূপ থেকে পানি উঠানোর পাত্রের মতো (অর্থাৎ একবার এ হাতে আরেবকার ও হাতে) তোমরা নাক-কান কাতা কিছু লাশ দেখতে পাবে। আমি এরূপ করতে নির্দেশ দেইনি। অবশ্য তাতে আমি নাখোশও নই। [৩০৩৯] (আ.প্র. ৩৭৪১, ই.ফা. ৩৭৪৫)

বারাআ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, উহূদ যুদ্ধের দিন আমরা মুখোমুখি অবতীর্ণ হলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবদুল্লাহ [ইবনু যুবায়র (রাঃ)]-কে তীরন্দাজ বাহিনীর প্রধান নিযুক্ত করে তাদেরকে (নির্দিষ্ট এক স্থানে) মোতায়েন করলেন এবং বললেন, যদি তোমরা আমাদেরকে দেখ যে, আমরা তাদের উপর বিজয় লাভ করেছি, তাহলেও তোমরা এখান থেকে নড়বে না। আর যদি তোমরা তাদেরকে দেখ যে, তারা আমাদের উপর বিজয় লাভ করেছে, তবুও তোমরা এই স্থান ত্যাগ করে আমাদের সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসবে না। এরপর আমরা তাদের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু করলে তারা পালাতে আরম্ভ করল। এমনকি আমরা দেখতে যে, মহিলারা দ্রুত দৌড়ে পর্বতে আশ্রয় নিচ্ছে। তারা পায়ের গোছা থেকে কাপড় টেনে তুলেছে, ফলে পায়ের অলঙ্কারগুলো পর্যন্ত বেরিয়ে পড়ছে। এ সময় তারা (তীরন্দাজরা) বলতে লাগলেন, গানীমাত-গানীমাত! তখন আবদুল্লাহ (রাঃ) বললেন, তোমরা যাতে এ স্থান ত্যাগ না কর এ ব্যাপার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে নির্দেশ দিয়েছেন। তারা অগ্রাহ্য করল। যখন তারা অগ্রাহ্য করল, তখন তাদের মুখ ফিরিয়ে দেয়া হলো এবং তাদের সত্তর জন শাহীদ হলেন। আবূ সুফইয়ান একটি উঁচু স্থানে উঠে বলল, কাওমের মধ্যে মুহাম্মাদ জীবিত আছে কি? নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমরা তার কোন উত্তর দিও না। সে আবার বলল, কাওমের মধ্যে ইবনু আবূ কুহাফা জীবিত আছে কি? নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমরা তার কোন জবাব দিও না। সে আবার বলল, কাওমের মধ্যে ইবনুল খাত্তাব বেঁচে আছে কি? তারপর সে বলল, এরা সকলেই নিহত হয়েছে। বেঁচে থাকলে নিশ্চয়ই জবাব দিত। এ সময় উমার (রাঃ) নিজেকে সামলাতে না পেরে বললেন, হে আল্লাহ্‌র দুশমন, তুমি মিথ্যা কথা বলছ। যে জিনিসে তোমাকে অপমানিত করবে আল্লাহ্ তা বাকী রেখেছেন। আবূ সুফইয়ান বলল, হুবালের জয়। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাহাবীগণকে বললেন, তোমরা তার উত্তর দাও। তারা বললেন, আমরা কী বলব? তিনি বললেন, তোমরা বল, আল্লাহ্‌র সমুন্নত ও মহান। আবূ সুফইয়ান বলল, আমাদের উযযা আছে, তোমাদের উযযা নেই। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমরা তার জবাব দাও। তারা বললেন, আমরা কী জবাব দেব? তিনি বললেন, বল-আল্লাহ্‌র আমাদের অভিভাবক, তোমাদের তো কোন অভিভাবক নেই। শেষে আবূ সুফইয়ান বলল, আজ বদর যুদ্ধের বিনিময়ের দিন। যুদ্ধ কূপ থেকে পানি উঠানোর পাত্রের মতো (অর্থাৎ একবার এ হাতে আরেবকার ও হাতে) তোমরা নাক-কান কাতা কিছু লাশ দেখতে পাবে। আমি এরূপ করতে নির্দেশ দেইনি। অবশ্য তাতে আমি নাখোশও নই। [৩০৩৯] (আ.প্র. ৩৭৪১, ই.ফা. ৩৭৪৫)

عبيد الله بن موسى عن إسرائيل عن أبي إسحاق عن البراء رضي الله عنه قال لقينا المشركين يومئذ وأجلس النبي صلى الله عليه وسلم جيشا من الرماة وأمر عليهم عبد الله وقال لا تبرحوا إن رأيتمونا ظهرنا عليهم فلا تبرحوا وإن رأيتموهم ظهروا علينا فلا تعينونا فلما لقينا هربوا حتى رأيت النساء يشتددن في الجبل رفعن عن سوقهن قد بدت خلاخلهن فأخذوا يقولون الغنيمة الغنيمة فقال عبد الله عهد إلي النبي صلى الله عليه وسلم أن لا تبرحوا فأبوا فلما أبوا صرف وجوههم فأصيب سبعون قتيلا وأشرف أبو سفيان فقال أفي القوم محمد فقال لا تجيبوه فقال أفي القوم ابن أبي قحافة قال لا تجيبوه فقال أفي القوم ابن الخطاب فقال إن هؤلاء قتلوا فلو كانوا أحياء لأجابوا فلم يملك عمر نفسه فقال كذبت يا عدو الله أبقى الله عليك ما يخزيك قال أبو سفيان اعل هبل فقال النبي صلى الله عليه وسلم أجيبوه قالوا ما نقول قال قولوا الله أعلى وأجل قال أبو سفيان لنا العزى ولا عزى لكم فقال النبي صلى الله عليه وسلم أجيبوه قالوا ما نقول قال قولوا الله مولانا ولا مولى لكم قال أبو سفيان يوم بيوم بدر والحرب سجال وتجدون مثلة لم آمر بها ولم تسؤني


সহিহ বুখারী ৪০৪৭

أحمد بن يونس حدثنا زهير حدثنا الأعمش عن شقيق عن خباب بن الأرت رضي الله عنه قال هاجرنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم نبتغي وجه الله فوجب أجرنا على الله ومنا من مضى أو ذهب لم يأكل من أجره شيئا كان منهم مصعب بن عمير قتل يوم أحد لم يترك إلا نمرة كنا إذا غطينا بها رأسه خرجت رجلاه وإذا غطي بها رجلاه خرج رأسه فقال لنا النبي صلى الله عليه وسلم غطوا بها رأسه واجعلوا على رجله الإذخر أو قال ألقوا على رجله من الإذخر ومنا من قد أينعت له ثمرته فهو يهدبها

খাব্বাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা কেবল আল্লাহ্‌র সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যেই রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে হিজরত করেছিলাম। ফলে আল্লাহ্‌র কাছে আমাদের পুরস্কার লিখিত হয়ে গেছে। আমাদের কতক দুনয়্যাতে কোন পুরস্কার ভোগ না করেই অতীত হয়ে গেছেন এবং চলে গেছেন। মাস’আব ইবনু ‘উমায়র (রাঃ) তাদের একজন। তিনি উহূদের যুদ্ধে শাহাদাত লাভ করেন। তিনি একটি পাড় বিশিষ্ট পশমী বস্ত্র ব্যতীত আর কিছু রেখে যাননি। এ দিয়ে আমরা তার মাথা ঢাকলে পা বের হয়ে যেত এবং পা ঢাকলে মাথা বের হয়ে যেত। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এ কাপড় দিয়ে তার মাথা ঢেকে দাও এবং পায়ের উপর দাও ইযখির অথবা তিনি বললেন, ইযখির দ্বারা তার পা ঢেকে দাও। আমাদের কতক এমনও আছেন, যাদের ফল পেকেছে এবং তিনি এখন তা সংগ্রহ করছেন। [১২৭৬] (আ.প্র. ৩৭৪৫, ই.ফা. ৩৭৪৮)

খাব্বাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা কেবল আল্লাহ্‌র সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যেই রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে হিজরত করেছিলাম। ফলে আল্লাহ্‌র কাছে আমাদের পুরস্কার লিখিত হয়ে গেছে। আমাদের কতক দুনয়্যাতে কোন পুরস্কার ভোগ না করেই অতীত হয়ে গেছেন এবং চলে গেছেন। মাস’আব ইবনু ‘উমায়র (রাঃ) তাদের একজন। তিনি উহূদের যুদ্ধে শাহাদাত লাভ করেন। তিনি একটি পাড় বিশিষ্ট পশমী বস্ত্র ব্যতীত আর কিছু রেখে যাননি। এ দিয়ে আমরা তার মাথা ঢাকলে পা বের হয়ে যেত এবং পা ঢাকলে মাথা বের হয়ে যেত। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এ কাপড় দিয়ে তার মাথা ঢেকে দাও এবং পায়ের উপর দাও ইযখির অথবা তিনি বললেন, ইযখির দ্বারা তার পা ঢেকে দাও। আমাদের কতক এমনও আছেন, যাদের ফল পেকেছে এবং তিনি এখন তা সংগ্রহ করছেন। [১২৭৬] (আ.প্র. ৩৭৪৫, ই.ফা. ৩৭৪৮)

أحمد بن يونس حدثنا زهير حدثنا الأعمش عن شقيق عن خباب بن الأرت رضي الله عنه قال هاجرنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم نبتغي وجه الله فوجب أجرنا على الله ومنا من مضى أو ذهب لم يأكل من أجره شيئا كان منهم مصعب بن عمير قتل يوم أحد لم يترك إلا نمرة كنا إذا غطينا بها رأسه خرجت رجلاه وإذا غطي بها رجلاه خرج رأسه فقال لنا النبي صلى الله عليه وسلم غطوا بها رأسه واجعلوا على رجله الإذخر أو قال ألقوا على رجله من الإذخر ومنا من قد أينعت له ثمرته فهو يهدبها


সহিহ বুখারী ৪০৪৮

أخبرنا حسان بن حسان حدثنا محمد بن طلحة حدثنا حميد عن أنس رضي الله عنه أن عمه غاب عن بدر فقال غبت عن أول قتال النبي صلى الله عليه وسلم لئن أشهدني الله مع النبي صلى الله عليه وسلم ليرين الله ما أجد فلقي يوم أحد فهزم الناس فقال اللهم إني أعتذر إليك مما صنع هؤلاء يعني المسلمين وأبرأ إليك مما جاء به المشركون فتقدم بسيفه فلقي سعد بن معاذ فقال أين يا سعد إني أجد ريح الجنة دون أحد فمضى فقتل فما عرف حتى عرفته أخته بشامة أو ببنانه وبه بضع وثمانون من طعنة وضربة ورمية بسهم

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন, তার চাচা [আনাস ইবনু নযর (রাঃ)] বদর যুদ্ধে অনুপস্থিত ছিলেন। তিনি [আনাস ইবনু নযর (রাঃ)] বলেছেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সর্বপ্রথম যুদ্ধে তার সঙ্গে অংশগ্রহণ করতে পারিনি। যদি আল্লাহ্ তা’আলা আমাকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে কোন যুদ্ধে শারীক করেন তাহলে অবশ্যই আল্লাহ্ দেখবেন, আমি কত প্রাণপণে লড়াই করি। এরপর তিনি উহূদ যুদ্ধের দিন সম্মুখ যুদ্ধে লিপ্ত হওয়ার পর লোকেরা পরাজিত হলে তিনি বলেন, হে আল্লাহ্‌র! এ সব লোক অর্থাৎ মুসলিমগণ যা করলেন, আমি এর জন্য আপনার নিকট ওযর পেশ করছি এবং মুশরিকগণ যা করল তা থেকে আমি আমার সম্পর্কহীনতা প্রকাশ করছি। এরপর তিনি তলোয়ার নিয়ে এগিয়ে গেলেন। এ সময় সা’দ ইবনু মু’আয (রাঃ)-এর সঙ্গে তার সাক্ষাৎ হল, তিনি বললেন, তুমি কোথায় যাচ্ছ হে সা’দ? আমি উহূদের অপর প্রান্ত হতে জান্নাতের খোশবু পাচ্ছি। এরপর তিনি যুদ্ধ করে শাহাদাত লাভ করলেন। তাকে চেনা যাচ্ছিল না। অবশেষে তার বোন তার শরীরের একটি তিল অথবা আঙ্গুলের মাথা দেখে তাকে চিনলেন। তার শরীরে আশিটিরও বেশী বর্শা, তরবারি ও তীরের আঘাত ছিল। [২৮০৫] (আ.প্র. ৩৭৪৬, ই.ফা. ৩৭৪৯)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন, তার চাচা [আনাস ইবনু নযর (রাঃ)] বদর যুদ্ধে অনুপস্থিত ছিলেন। তিনি [আনাস ইবনু নযর (রাঃ)] বলেছেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সর্বপ্রথম যুদ্ধে তার সঙ্গে অংশগ্রহণ করতে পারিনি। যদি আল্লাহ্ তা’আলা আমাকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে কোন যুদ্ধে শারীক করেন তাহলে অবশ্যই আল্লাহ্ দেখবেন, আমি কত প্রাণপণে লড়াই করি। এরপর তিনি উহূদ যুদ্ধের দিন সম্মুখ যুদ্ধে লিপ্ত হওয়ার পর লোকেরা পরাজিত হলে তিনি বলেন, হে আল্লাহ্‌র! এ সব লোক অর্থাৎ মুসলিমগণ যা করলেন, আমি এর জন্য আপনার নিকট ওযর পেশ করছি এবং মুশরিকগণ যা করল তা থেকে আমি আমার সম্পর্কহীনতা প্রকাশ করছি। এরপর তিনি তলোয়ার নিয়ে এগিয়ে গেলেন। এ সময় সা’দ ইবনু মু’আয (রাঃ)-এর সঙ্গে তার সাক্ষাৎ হল, তিনি বললেন, তুমি কোথায় যাচ্ছ হে সা’দ? আমি উহূদের অপর প্রান্ত হতে জান্নাতের খোশবু পাচ্ছি। এরপর তিনি যুদ্ধ করে শাহাদাত লাভ করলেন। তাকে চেনা যাচ্ছিল না। অবশেষে তার বোন তার শরীরের একটি তিল অথবা আঙ্গুলের মাথা দেখে তাকে চিনলেন। তার শরীরে আশিটিরও বেশী বর্শা, তরবারি ও তীরের আঘাত ছিল। [২৮০৫] (আ.প্র. ৩৭৪৬, ই.ফা. ৩৭৪৯)

أخبرنا حسان بن حسان حدثنا محمد بن طلحة حدثنا حميد عن أنس رضي الله عنه أن عمه غاب عن بدر فقال غبت عن أول قتال النبي صلى الله عليه وسلم لئن أشهدني الله مع النبي صلى الله عليه وسلم ليرين الله ما أجد فلقي يوم أحد فهزم الناس فقال اللهم إني أعتذر إليك مما صنع هؤلاء يعني المسلمين وأبرأ إليك مما جاء به المشركون فتقدم بسيفه فلقي سعد بن معاذ فقال أين يا سعد إني أجد ريح الجنة دون أحد فمضى فقتل فما عرف حتى عرفته أخته بشامة أو ببنانه وبه بضع وثمانون من طعنة وضربة ورمية بسهم


সহিহ বুখারী ৪০৫০

أبو الوليد حدثنا شعبة عن عدي بن ثابت سمعت عبد الله بن يزيد يحدث عن زيد بن ثابت رضي الله عنه قال لما خرج النبي صلى الله عليه وسلم إلى أحد رجع ناس ممن خرج معه وكان أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم فرقتين فرقة تقول نقاتلهم وفرقة تقول لا نقاتلهم فنزلت {فما لكم في المنٰفقين فئتين والله أركسهم بما كسبوا} وقال إنها طيبة تنفي الذنوب كما تنفي النار خبث الفضة

যায়দ ইবনু সাবিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, উহূদের উদ্দেশে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বের হলে যারা তাঁর সঙ্গে বের হয়েছিল, তাদের কিছু সংখ্যক লোক ফিরে এলো। নাবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহাবীগণ তাদের ব্যাপারে দু’দলে বিভক্ত হয়ে পড়েন। এরপর বললেন, আমরা তাদের সঙ্গে যুদ্ধ করব। অপর দল বললেন, আমরা তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করব না। এ সময় অবতীর্ণ হয় আয়াতটি- فَمَا لَكُمْ فِي الْمُنَافِقِيْنَ فِئَتَيْنِ وَاللهُ أَرْكَسَهُمْ بِمَا كَسَبُوْا ‘‘তোমাদের কী হল যে, তোমরা মুনাফিকদের সম্বন্ধে দু’দল হয়ে গেলে? অথচ আল্লাহ্ তাদেরকে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে দিয়েছেন তাদের কৃতকর্মের দরুন’’- (সূরাহ আন নিসা ৪/৮৮)। এরপর নাবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, এটা পবিত্র স্থান। আগুন যেমন রুপার ময়লা দূরে করে, তেমনি মদিনা্ও গুনাহকে দূর করে দেয়। [১৮৮৪] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৭৪৮, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৭৫১)

যায়দ ইবনু সাবিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, উহূদের উদ্দেশে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বের হলে যারা তাঁর সঙ্গে বের হয়েছিল, তাদের কিছু সংখ্যক লোক ফিরে এলো। নাবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহাবীগণ তাদের ব্যাপারে দু’দলে বিভক্ত হয়ে পড়েন। এরপর বললেন, আমরা তাদের সঙ্গে যুদ্ধ করব। অপর দল বললেন, আমরা তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করব না। এ সময় অবতীর্ণ হয় আয়াতটি- فَمَا لَكُمْ فِي الْمُنَافِقِيْنَ فِئَتَيْنِ وَاللهُ أَرْكَسَهُمْ بِمَا كَسَبُوْا ‘‘তোমাদের কী হল যে, তোমরা মুনাফিকদের সম্বন্ধে দু’দল হয়ে গেলে? অথচ আল্লাহ্ তাদেরকে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে দিয়েছেন তাদের কৃতকর্মের দরুন’’- (সূরাহ আন নিসা ৪/৮৮)। এরপর নাবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, এটা পবিত্র স্থান। আগুন যেমন রুপার ময়লা দূরে করে, তেমনি মদিনা্ও গুনাহকে দূর করে দেয়। [১৮৮৪] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৭৪৮, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৭৫১)

أبو الوليد حدثنا شعبة عن عدي بن ثابت سمعت عبد الله بن يزيد يحدث عن زيد بن ثابت رضي الله عنه قال لما خرج النبي صلى الله عليه وسلم إلى أحد رجع ناس ممن خرج معه وكان أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم فرقتين فرقة تقول نقاتلهم وفرقة تقول لا نقاتلهم فنزلت {فما لكم في المنٰفقين فئتين والله أركسهم بما كسبوا} وقال إنها طيبة تنفي الذنوب كما تنفي النار خبث الفضة


সহিহ বুখারী ৪০৪৯

موسى بن إسماعيل حدثنا إبراهيم بن سعد حدثنا ابن شهاب أخبرني خارجة بن زيد بن ثابت أنه سمع زيد بن ثابت رضي الله عنه يقول فقدت آية من الأحزاب حين نسخنا المصحف كنت أسمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقرأ بها فالتمسناها فوجدناها مع خزيمة بن ثابت {الأنصاري من المؤمنين رجال صدقوا ما عاهدوا الله عليه فمنهم من قضٰى نحبه” ومنهم من ينتظر} فألحقناها في سورتها في المصحف

যায়দ ইবনু সাবিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা কুরআন মাজীদকে গ্রন্থের আকারে লিপিবদ্ধ করার সময় সূরা আহযাবের একটি আয়াত আমি হারিয়ে ফেলি, যা আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে পাঠ করতে শুনতাম। তাই আমরা উক্ত আয়াতটি খুঁজতে লাগলাম। অবশেষে তা পেলাম খুযায়মা ইবনু সাবিত আনসারী (রাঃ)-এর কাছে। আয়াতটি হলঃ “মু’মিনদের মধ্যে কতক আল্লাহ্‌র সঙ্গে কৃত ওয়াদা পূর্ণ করেছে। তাদের কেউ কেউ মৃত্যুবরণ করেছে এবং কেউ কেউ প্রতীক্ষা করছে”- [২৪] সুরাহ আল আহযাব ৩৩:২৩)। এরপর এ আয়াতটিকে আমরা কুরআন মাজীদের ঐ সূরাতে যুক্ত করে নিলাম। [২৮০৭] (আ.প্র. ৩৭৪৭, ই.ফা. ৩৭৫০)

যায়দ ইবনু সাবিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা কুরআন মাজীদকে গ্রন্থের আকারে লিপিবদ্ধ করার সময় সূরা আহযাবের একটি আয়াত আমি হারিয়ে ফেলি, যা আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে পাঠ করতে শুনতাম। তাই আমরা উক্ত আয়াতটি খুঁজতে লাগলাম। অবশেষে তা পেলাম খুযায়মা ইবনু সাবিত আনসারী (রাঃ)-এর কাছে। আয়াতটি হলঃ “মু’মিনদের মধ্যে কতক আল্লাহ্‌র সঙ্গে কৃত ওয়াদা পূর্ণ করেছে। তাদের কেউ কেউ মৃত্যুবরণ করেছে এবং কেউ কেউ প্রতীক্ষা করছে”- [২৪] সুরাহ আল আহযাব ৩৩:২৩)। এরপর এ আয়াতটিকে আমরা কুরআন মাজীদের ঐ সূরাতে যুক্ত করে নিলাম। [২৮০৭] (আ.প্র. ৩৭৪৭, ই.ফা. ৩৭৫০)

موسى بن إسماعيل حدثنا إبراهيم بن سعد حدثنا ابن شهاب أخبرني خارجة بن زيد بن ثابت أنه سمع زيد بن ثابت رضي الله عنه يقول فقدت آية من الأحزاب حين نسخنا المصحف كنت أسمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقرأ بها فالتمسناها فوجدناها مع خزيمة بن ثابت {الأنصاري من المؤمنين رجال صدقوا ما عاهدوا الله عليه فمنهم من قضٰى نحبه” ومنهم من ينتظر} فألحقناها في سورتها في المصحف


সহিহ বুখারী > পরিচ্ছেদ নেই

সহিহ বুখারী ৪০৫১

محمد بن يوسف عن ابن عيينة عن عمرو عن جابر رضي الله عنه قال نزلت هذه الآية فينا {إذ همت طائفتان منكم أن تفشلا} بني سلمة وبني حارثة وما أحب أنها لم تنزل والله يقول {والله وليهما}

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, إِذْ هَمَّتْ طَائِفَتَانِ مِنْكُمْ أَنْ تَفْشَلَا ‘‘যখন তোমাদের মধ্যে দু’দলের সাহস হারাবার উপক্রম হয়েছিল’’ আয়াতটি আমাদের সম্পর্কে তথা বনূ সালিমাহ এবং বনু হারিসাহ সম্পর্কে অবতীর্ণ হয়েছে। আয়াতটি অবতীর্ণ না হোক তা আমি চাইনি। কেননা এ আয়াতেই আল্লাহ বলেছেন, ‘‘আল্লাহ উভয় দলেরই সাহায্যকারী’’। [৪৫৫৮; মুসলিম ৪৪/৪৩, হাঃ ২৫০৫] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৭৪৯, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৭৫২)

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, إِذْ هَمَّتْ طَائِفَتَانِ مِنْكُمْ أَنْ تَفْشَلَا ‘‘যখন তোমাদের মধ্যে দু’দলের সাহস হারাবার উপক্রম হয়েছিল’’ আয়াতটি আমাদের সম্পর্কে তথা বনূ সালিমাহ এবং বনু হারিসাহ সম্পর্কে অবতীর্ণ হয়েছে। আয়াতটি অবতীর্ণ না হোক তা আমি চাইনি। কেননা এ আয়াতেই আল্লাহ বলেছেন, ‘‘আল্লাহ উভয় দলেরই সাহায্যকারী’’। [৪৫৫৮; মুসলিম ৪৪/৪৩, হাঃ ২৫০৫] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৭৪৯, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৭৫২)

محمد بن يوسف عن ابن عيينة عن عمرو عن جابر رضي الله عنه قال نزلت هذه الآية فينا {إذ همت طائفتان منكم أن تفشلا} بني سلمة وبني حارثة وما أحب أنها لم تنزل والله يقول {والله وليهما}


সহিহ বুখারী ৪০৫৪

عبد العزيز بن عبد الله حدثنا إبراهيم بن سعد عن أبيه عن جده عن سعد بن أبي وقاص رضي الله عنه قال رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم أحد ومعه رجلان يقاتلان عنه عليهما ثياب بيض كأشد القتال ما رأيتهما قبل ولا بعد

সা’দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, উহূদের দিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে আমি আরো দু’ ব্যক্তিকে দেখলাম, যারা সাদা পোশাকে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পক্ষে তুমুল যুদ্ধ করছে। আমি তাদেরকে আগেও দেখিনি আর পরেও দেখিনি। [৫৮২৬; মুসলিম ৪৩/১০, হাঃ ২৩০৬] (আ.প্র. ৩৭৫২, ই.ফা. ৩৭৫৪)

সা’দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, উহূদের দিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে আমি আরো দু’ ব্যক্তিকে দেখলাম, যারা সাদা পোশাকে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পক্ষে তুমুল যুদ্ধ করছে। আমি তাদেরকে আগেও দেখিনি আর পরেও দেখিনি। [৫৮২৬; মুসলিম ৪৩/১০, হাঃ ২৩০৬] (আ.প্র. ৩৭৫২, ই.ফা. ৩৭৫৪)

عبد العزيز بن عبد الله حدثنا إبراهيم بن سعد عن أبيه عن جده عن سعد بن أبي وقاص رضي الله عنه قال رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم أحد ومعه رجلان يقاتلان عنه عليهما ثياب بيض كأشد القتال ما رأيتهما قبل ولا بعد


সহিহ বুখারী ৪০৫৫

عبد الله بن محمد حدثنا مروان بن معاوية حدثنا هاشم بن هاشم السعدي قال سمعت سعيد بن المسيب يقول سمعت سعد بن أبي وقاص يقول نثل لي النبي صلى الله عليه وسلم كنانته يوم أحد فقال ارم فداك أبي وأمي

সা’দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, উহূদের দিন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার জন্য তাঁর তীরাধার খুলে দিয়ে বললেন, তোমার জন্য আমার মাতা-পিতা কুরবান হোক; তুমি তীর চালাতে থাক। [৩৭২৫] (আ.প্র. ৩৭৫৩, ই.ফা. ৩৭৫৬)

সা’দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, উহূদের দিন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার জন্য তাঁর তীরাধার খুলে দিয়ে বললেন, তোমার জন্য আমার মাতা-পিতা কুরবান হোক; তুমি তীর চালাতে থাক। [৩৭২৫] (আ.প্র. ৩৭৫৩, ই.ফা. ৩৭৫৬)

عبد الله بن محمد حدثنا مروان بن معاوية حدثنا هاشم بن هاشم السعدي قال سمعت سعيد بن المسيب يقول سمعت سعد بن أبي وقاص يقول نثل لي النبي صلى الله عليه وسلم كنانته يوم أحد فقال ارم فداك أبي وأمي


সহিহ বুখারী ৪০৫২

قتيبة حدثنا سفيان أخبرنا عمرو عن جابر قال قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم هل نكحت يا جابر قلت نعم قال ماذا أبكرا أم ثيبا قلت لا بل ثيبا قال فهلا جارية تلاعبك قلت يا رسول الله إن أبي قتل يوم أحد وترك تسع بنات كن لي تسع أخوات فكرهت أن أجمع إليهن جارية خرقاء مثلهن ولكن امرأة تمشطهن وتقوم عليهن قال أصبت

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, হে জাবির! তুমি বিয়ে করেছ কি? আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি বললেন, কেমন, কুমারী না অকুমারী? আমি বললাম, না, বরং অকুমারী। তিনি বললেন, কোন কুমারী মেয়েকে বিয়ে করলে না কেন? সে তো তোমার সঙ্গে আমোদ-ফূর্তি করত। আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমার আব্বা উহূদের যুদ্ধে শাহাদাত লাভ করেছেন। রেখে গেছেন নয়টি মেয়ে। এখন আমার নয় বোন। এ কারণে আমি তাদের সঙ্গে তাদেরই মতো একজন আনাড়ি মেয়েকে এনে একত্রিত করা পছন্দ করিনি। বরং এমন একটি মহিলাকে (পছন্দ করলাম) যে তাদের চুল আঁচড়ে দিতে পারবে এবং তাদের দেখাশোনা করতে পারবে। তিনি বললেন, ঠিক করেছ। [৪৪৩] (আ.প্র. ৩৭৫০, ই.ফা. ৩৭৫৩)

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, হে জাবির! তুমি বিয়ে করেছ কি? আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি বললেন, কেমন, কুমারী না অকুমারী? আমি বললাম, না, বরং অকুমারী। তিনি বললেন, কোন কুমারী মেয়েকে বিয়ে করলে না কেন? সে তো তোমার সঙ্গে আমোদ-ফূর্তি করত। আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমার আব্বা উহূদের যুদ্ধে শাহাদাত লাভ করেছেন। রেখে গেছেন নয়টি মেয়ে। এখন আমার নয় বোন। এ কারণে আমি তাদের সঙ্গে তাদেরই মতো একজন আনাড়ি মেয়েকে এনে একত্রিত করা পছন্দ করিনি। বরং এমন একটি মহিলাকে (পছন্দ করলাম) যে তাদের চুল আঁচড়ে দিতে পারবে এবং তাদের দেখাশোনা করতে পারবে। তিনি বললেন, ঠিক করেছ। [৪৪৩] (আ.প্র. ৩৭৫০, ই.ফা. ৩৭৫৩)

قتيبة حدثنا سفيان أخبرنا عمرو عن جابر قال قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم هل نكحت يا جابر قلت نعم قال ماذا أبكرا أم ثيبا قلت لا بل ثيبا قال فهلا جارية تلاعبك قلت يا رسول الله إن أبي قتل يوم أحد وترك تسع بنات كن لي تسع أخوات فكرهت أن أجمع إليهن جارية خرقاء مثلهن ولكن امرأة تمشطهن وتقوم عليهن قال أصبت


সহিহ বুখারী ৪০৫৩

أحمد بن أبي سريج أخبرنا عبيد الله بن موسى حدثنا شيبان عن فراس عن الشعبي قال حدثني جابر بن عبد الله رضي الله عنهما أن أباه استشهد يوم أحد وترك عليه دينا وترك ست بنات فلما حضر جزاز النخل قال أتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت قد علمت أن والدي قد استشهد يوم أحد وترك دينا كثيرا وإني أحب أن يراك الغرماء فقال اذهب فبيدر كل تمر على ناحية ففعلت ثم دعوته فلما نظروا إليه كأنهم أغروا بي تلك الساعة فلما رأى ما يصنعون أطاف حول أعظمها بيدرا ثلاث مرات ثم جلس عليه ثم قال ادع لي أصحابك فما زال يكيل لهم حتى أدى الله عن والدي أمانته وأنا أرضى أن يؤدي الله أمانة والدي ولا أرجع إلى أخواتي بتمرة فسلم الله البيادر كلها وحتى إني أنظر إلى البيدر الذي كان عليه النبي صلى الله عليه وسلم كأنها لم تنقص تمرة واحدة

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

উহূদের দিন তার পিতা ছয়টি মেয়ে ও কিছু ঋণ তার উপর রেখে শাহাদাত লাভ করেন। এরপর যখন খেজুর কাটার সময় এল (তিনি বলেন) তখন আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললাম, আপনি জানেন যে, আমার পিতা উহূদ যুদ্ধে শহীদ হয়েছেন এবং বিশাল ঋণ ভার রেখে গেছেন। এখন আমি চাই, ঋণদাতাগণ আপনাকে দেখুক। তখন তিনি বললেন, তুমি যাও এবং বাগানের এক কোণে সব খেজুর কেটে জমা কর। [জাবির (রাঃ) বলেন] আমি তাই করলাম। এরপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে ডেকে আনলাম। যখন তারা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দেখলেন, সে সময় তারা আমার উপর আরো রাগান্বিত হলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের আচরণ দেখে বাগানের বড় গাদাটির চারপার্শ্বে তিনবার ঘুরে এসে এর উপর বসে বললেন, তোমার ঋণদাতাদেরকে ডাক। তিনি তাদেরকে মেপে মেপে দিতে লাগলেন। অবশেষে আল্লাহ তা’আলা আমার পিতার আমানাত আদায় করে দিলেন। আমিও চাচ্ছিলাম যে, একটি খেজুর নিয়ে আমি আমার বোনদের নিকট না যেতে পারলেও আল্লাহ তা’আলা যেন আমার পিতার আমানত আদায় করে দেন। কিন্তু আল্লাহ তা’আলা খেজুরের সবকটি গাদাই অবশিষ্ট রাখলেন। এমনকি আমি দেখলাম যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যে গাদায় উপবিষ্ট ছিলেন তার থেকে যেন একটি খেজুরও কমেনি। [২১২৭] (আ.প্র. ৩৭৫১, ই.ফা. ৩৭৫৩)

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

উহূদের দিন তার পিতা ছয়টি মেয়ে ও কিছু ঋণ তার উপর রেখে শাহাদাত লাভ করেন। এরপর যখন খেজুর কাটার সময় এল (তিনি বলেন) তখন আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললাম, আপনি জানেন যে, আমার পিতা উহূদ যুদ্ধে শহীদ হয়েছেন এবং বিশাল ঋণ ভার রেখে গেছেন। এখন আমি চাই, ঋণদাতাগণ আপনাকে দেখুক। তখন তিনি বললেন, তুমি যাও এবং বাগানের এক কোণে সব খেজুর কেটে জমা কর। [জাবির (রাঃ) বলেন] আমি তাই করলাম। এরপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে ডেকে আনলাম। যখন তারা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দেখলেন, সে সময় তারা আমার উপর আরো রাগান্বিত হলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের আচরণ দেখে বাগানের বড় গাদাটির চারপার্শ্বে তিনবার ঘুরে এসে এর উপর বসে বললেন, তোমার ঋণদাতাদেরকে ডাক। তিনি তাদেরকে মেপে মেপে দিতে লাগলেন। অবশেষে আল্লাহ তা’আলা আমার পিতার আমানাত আদায় করে দিলেন। আমিও চাচ্ছিলাম যে, একটি খেজুর নিয়ে আমি আমার বোনদের নিকট না যেতে পারলেও আল্লাহ তা’আলা যেন আমার পিতার আমানত আদায় করে দেন। কিন্তু আল্লাহ তা’আলা খেজুরের সবকটি গাদাই অবশিষ্ট রাখলেন। এমনকি আমি দেখলাম যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যে গাদায় উপবিষ্ট ছিলেন তার থেকে যেন একটি খেজুরও কমেনি। [২১২৭] (আ.প্র. ৩৭৫১, ই.ফা. ৩৭৫৩)

أحمد بن أبي سريج أخبرنا عبيد الله بن موسى حدثنا شيبان عن فراس عن الشعبي قال حدثني جابر بن عبد الله رضي الله عنهما أن أباه استشهد يوم أحد وترك عليه دينا وترك ست بنات فلما حضر جزاز النخل قال أتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت قد علمت أن والدي قد استشهد يوم أحد وترك دينا كثيرا وإني أحب أن يراك الغرماء فقال اذهب فبيدر كل تمر على ناحية ففعلت ثم دعوته فلما نظروا إليه كأنهم أغروا بي تلك الساعة فلما رأى ما يصنعون أطاف حول أعظمها بيدرا ثلاث مرات ثم جلس عليه ثم قال ادع لي أصحابك فما زال يكيل لهم حتى أدى الله عن والدي أمانته وأنا أرضى أن يؤدي الله أمانة والدي ولا أرجع إلى أخواتي بتمرة فسلم الله البيادر كلها وحتى إني أنظر إلى البيدر الذي كان عليه النبي صلى الله عليه وسلم كأنها لم تنقص تمرة واحدة


সহিহ বুখারী ৪০৫৭

قتيبة حدثنا ليث عن يحيى عن ابن المسيب أنه قال قال سعد بن أبي وقاص رضي الله عنه لقد جمع لي رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم أحد أبويه كليهما يريد حين قال فداك أبي وأمي وهو يقاتل

সা’দ ইবনু আবী ওয়াক্কাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উহূদের দিন আমার জন্য তাঁর পিতা-মাতা উভয়কে একসঙ্গে উল্লেখ করেছেন। এ কথা বলে তিনি বোঝাতে চান যে, তিনি লড়াই করছিলেন এমন সময় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে বলেছেন, তোমার জন্য আমার পিতা-মাতা কুরবান হোক। [৩৭২৫] (আ.প্র. ৩৭৫৫ ই.ফা. ৩৭৫৮)

সা’দ ইবনু আবী ওয়াক্কাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উহূদের দিন আমার জন্য তাঁর পিতা-মাতা উভয়কে একসঙ্গে উল্লেখ করেছেন। এ কথা বলে তিনি বোঝাতে চান যে, তিনি লড়াই করছিলেন এমন সময় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে বলেছেন, তোমার জন্য আমার পিতা-মাতা কুরবান হোক। [৩৭২৫] (আ.প্র. ৩৭৫৫ ই.ফা. ৩৭৫৮)

قتيبة حدثنا ليث عن يحيى عن ابن المسيب أنه قال قال سعد بن أبي وقاص رضي الله عنه لقد جمع لي رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم أحد أبويه كليهما يريد حين قال فداك أبي وأمي وهو يقاتل


সহিহ বুখারী ৪০৫৮

أبو نعيم حدثنا مسعر عن سعد عن ابن شداد قال سمعت عليا رضي الله عنه يقول ما سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يجمع أبويه لأحد غير سعد.

আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, সা’দ (রাঃ) ব্যতীত অন্য কারো জন্য নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে তাঁর পিতা-মাতার নাম একত্রে উল্লেখ করতে আমি শুনিনি। [২৯০৫] (আ.প্র. ৩৭৫৬, ই.ফা. ৩৭৫৯)

আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, সা’দ (রাঃ) ব্যতীত অন্য কারো জন্য নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে তাঁর পিতা-মাতার নাম একত্রে উল্লেখ করতে আমি শুনিনি। [২৯০৫] (আ.প্র. ৩৭৫৬, ই.ফা. ৩৭৫৯)

أبو نعيم حدثنا مسعر عن سعد عن ابن شداد قال سمعت عليا رضي الله عنه يقول ما سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يجمع أبويه لأحد غير سعد.


সহিহ বুখারী ৪০৫৯

يسرة بن صفوان حدثنا إبراهيم عن أبيه عن عبد الله بن شداد عن علي رضي الله عنه قال ما سمعت النبي صلى الله عليه وسلم جمع أبويه لأحد إلا لسعد بن مالك فإني سمعته يقول يوم أحد يا سعد ارم فداك أبي وأمي

আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, সা’দ ইবনু মালিক (রাঃ) ব্যতীত অন্য কারো জন্য নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে তাঁর পিতা-মাতার নাম একত্রে উল্লেখ করতে আমি শুনিনি। উহূদ যুদ্ধের দিন আমি তাঁকে বলতে শুনেছি, তুমি তীর চালিয়ে যাও, আমার পিতা-মাতা তোমার জন্য কুরবান হোক। [২৫] [২৯০৫] (আ.প্র. ৩৭৫৭, ই.ফা. ৩৭৬০)

আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, সা’দ ইবনু মালিক (রাঃ) ব্যতীত অন্য কারো জন্য নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে তাঁর পিতা-মাতার নাম একত্রে উল্লেখ করতে আমি শুনিনি। উহূদ যুদ্ধের দিন আমি তাঁকে বলতে শুনেছি, তুমি তীর চালিয়ে যাও, আমার পিতা-মাতা তোমার জন্য কুরবান হোক। [২৫] [২৯০৫] (আ.প্র. ৩৭৫৭, ই.ফা. ৩৭৬০)

يسرة بن صفوان حدثنا إبراهيم عن أبيه عن عبد الله بن شداد عن علي رضي الله عنه قال ما سمعت النبي صلى الله عليه وسلم جمع أبويه لأحد إلا لسعد بن مالك فإني سمعته يقول يوم أحد يا سعد ارم فداك أبي وأمي


সহিহ বুখারী ৪০৬২

عبد الله بن أبي الأسود حدثنا حاتم بن إسماعيل عن محمد بن يوسف قال سمعت السائب بن يزيد قال صحبت عبد الرحمن بن عوف وطلحة بن عبيد الله والمقداد وسعدا رضي الله عنهم فما سمعت أحدا منهم يحدث عن النبي صلى الله عليه وسلم إلا أني سمعت طلحة يحدث عن يوم أحد

সায়িব ইবনু ইয়াযীদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আউফ, ত্বলহা ইবনু ‘উবাইদুল্লাহ, মিকদাদ এবং সা’দ (রাঃ)-এর সাহচর্য পেয়েছি। তাদের কাউকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে হাদীস বর্ণনা করতে শুনিনি, তবে কেবল ত্বলহা (রাঃ)-কে উহূদ যুদ্ধ সম্পর্কে বর্ণনা করতে শুনেছি। [২৮০৫] (আ.প্র. ৩৭৫৯, ই.ফা. ৩৭৬২)

সায়িব ইবনু ইয়াযীদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আউফ, ত্বলহা ইবনু ‘উবাইদুল্লাহ, মিকদাদ এবং সা’দ (রাঃ)-এর সাহচর্য পেয়েছি। তাদের কাউকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে হাদীস বর্ণনা করতে শুনিনি, তবে কেবল ত্বলহা (রাঃ)-কে উহূদ যুদ্ধ সম্পর্কে বর্ণনা করতে শুনেছি। [২৮০৫] (আ.প্র. ৩৭৫৯, ই.ফা. ৩৭৬২)

عبد الله بن أبي الأسود حدثنا حاتم بن إسماعيل عن محمد بن يوسف قال سمعت السائب بن يزيد قال صحبت عبد الرحمن بن عوف وطلحة بن عبيد الله والمقداد وسعدا رضي الله عنهم فما سمعت أحدا منهم يحدث عن النبي صلى الله عليه وسلم إلا أني سمعت طلحة يحدث عن يوم أحد


সহিহ বুখারী ৪০৫৬

مسدد حدثنا يحيى عن يحيى بن سعيد قال سمعت سعيد بن المسيب قال سمعت سعدا يقول جمع لي النبي صلى الله عليه وسلم أبويه يوم أحد

সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, উহূদের দিন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার উদ্দেশ্যে তাঁর পিতা-মাতাকে এক সঙ্গে উল্লেখ করেছেন। [৩৭২৫] (আ.প্র. ৩৭৫৪, ই.ফা. ৩৭৫৭)

সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, উহূদের দিন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার উদ্দেশ্যে তাঁর পিতা-মাতাকে এক সঙ্গে উল্লেখ করেছেন। [৩৭২৫] (আ.প্র. ৩৭৫৪, ই.ফা. ৩৭৫৭)

مسدد حدثنا يحيى عن يحيى بن سعيد قال سمعت سعيد بن المسيب قال سمعت سعدا يقول جمع لي النبي صلى الله عليه وسلم أبويه يوم أحد


সহিহ বুখারী ৪০৬৩

عبد الله بن أبي شيبة حدثنا وكيع عن إسماعيل عن قيس قال رأيت يد طلحة شلاء وقى بها النبي صلى الله عليه وسلم يوم أحد

ক্বায়স (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ত্বলহা (রাঃ)-এর হাত অবশ দেখেছি। উহূদের দিন তিনি এ হাত নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর প্রতিরক্ষায় লাগিয়েছিলেন। [৩৭২৪] (আ.প্র. ৩৭৬০, ই.ফা. ৩৭৬৩)

ক্বায়স (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ত্বলহা (রাঃ)-এর হাত অবশ দেখেছি। উহূদের দিন তিনি এ হাত নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর প্রতিরক্ষায় লাগিয়েছিলেন। [৩৭২৪] (আ.প্র. ৩৭৬০, ই.ফা. ৩৭৬৩)

عبد الله بن أبي شيبة حدثنا وكيع عن إسماعيل عن قيس قال رأيت يد طلحة شلاء وقى بها النبي صلى الله عليه وسلم يوم أحد


সহিহ বুখারী ৪০৬৪

أبو معمر حدثنا عبد الوارث حدثنا عبد العزيز عن أنس رضي الله عنه قال لما كان يوم أحد انهزم الناس عن النبي صلى الله عليه وسلم وأبو طلحة بين يدي النبي صلى الله عليه وسلم مجوب عليه بحجفة له وكان أبو طلحة رجلا راميا شديد النزع كسر يومئذ قوسين أو ثلاثا وكان الرجل يمر معه بجعبة من النبل فيقول انثرها لأبي طلحة قال ويشرف النبي صلى الله عليه وسلم ينظر إلى القوم فيقول أبو طلحة بأبي أنت وأمي لا تشرف يصيبك سهم من سهام القوم نحري دون نحرك ولقد رأيت عائشة بنت أبي بكر وأم سليم وإنهما لمشمرتان أرى خدم سوقهما تنقزان القرب على متونهما تفرغانه في أفواه القوم ثم ترجعان فتملآنها ثم تجيئان فتفرغانه في أفواه القوم ولقد وقع السيف من يدي أبي طلحة إما مرتين وإما ثلاثا

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, উহূদের দিন লোকেরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে ছেড়ে যেতে লাগলেও আবূ ত্বলহা (রাঃ) ঢাল হাতে নিয়ে তাঁকে আড়াল করে রাখলেন। আবূ ত্বলহা (রাঃ), ধনুক খুব জোরে টেনে তীর ছুঁড়লেন। সেদিন তিনি দু’টি অথবা তিনটি ধনুক ভেঙ্গে ছিলেন। সেদিন যে কেউ তীরাধার নিয়ে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পাশ দিয়ে যাচ্ছিল তাকেই তিনি বলেছেন, তীরগুলো খুলে আবূ ত্বলহার জন্য রেখে দাও। বর্ণনাকারী বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাথা উঁচু করে যেমনই শত্রুদের প্রতি তাকাতেন, তখনই আবূ ত্বলহা (রাঃ) বলতেন, আমার পিতা-মাতা আপনার জন্য কুরবান হোক, আপনি মাথা উঁচু করবেন না। তাদের নিক্ষিপ্ত তীরের কোনটি আপনার শরীরে লেগে যেতে পারে। আপনার বক্ষের পরিবর্তে আছে আমার বক্ষ। [আনাস (রাঃ) বলেন] সেদিন আমি ‘আয়িশা বিনত আবূ বাকর এবং উম্মু সুলায়ম (রাঃ)কে দেখেছি, তাঁরা দু’জনেই পায়ের কাপড় গুটিয়ে নিয়েছিলেন। আমি তাঁদের পায়ের তলা দেখতে পেয়েছি। তারা মশক ভর্তি করে পিঠে পানি বয়ে আনতেন এবং (আহত) লোকেদের মুখে ঢেলে দিতেন। আবার ফিরে যেতেন এবং মশক ভর্তি পানি এনে লোকেদের মুখে ঢেলে দিতেন। সেদিন আবূ ত্বলহা (রাঃ)-এর হাত থেকে দু’বার কিংবা তিনবার তরবারিটি পড়ে গিয়েছিল। [২৮৮০] (আ.প্র. ৩৭৬১, ই.ফা. ৩৭৬৪)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, উহূদের দিন লোকেরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে ছেড়ে যেতে লাগলেও আবূ ত্বলহা (রাঃ) ঢাল হাতে নিয়ে তাঁকে আড়াল করে রাখলেন। আবূ ত্বলহা (রাঃ), ধনুক খুব জোরে টেনে তীর ছুঁড়লেন। সেদিন তিনি দু’টি অথবা তিনটি ধনুক ভেঙ্গে ছিলেন। সেদিন যে কেউ তীরাধার নিয়ে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পাশ দিয়ে যাচ্ছিল তাকেই তিনি বলেছেন, তীরগুলো খুলে আবূ ত্বলহার জন্য রেখে দাও। বর্ণনাকারী বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাথা উঁচু করে যেমনই শত্রুদের প্রতি তাকাতেন, তখনই আবূ ত্বলহা (রাঃ) বলতেন, আমার পিতা-মাতা আপনার জন্য কুরবান হোক, আপনি মাথা উঁচু করবেন না। তাদের নিক্ষিপ্ত তীরের কোনটি আপনার শরীরে লেগে যেতে পারে। আপনার বক্ষের পরিবর্তে আছে আমার বক্ষ। [আনাস (রাঃ) বলেন] সেদিন আমি ‘আয়িশা বিনত আবূ বাকর এবং উম্মু সুলায়ম (রাঃ)কে দেখেছি, তাঁরা দু’জনেই পায়ের কাপড় গুটিয়ে নিয়েছিলেন। আমি তাঁদের পায়ের তলা দেখতে পেয়েছি। তারা মশক ভর্তি করে পিঠে পানি বয়ে আনতেন এবং (আহত) লোকেদের মুখে ঢেলে দিতেন। আবার ফিরে যেতেন এবং মশক ভর্তি পানি এনে লোকেদের মুখে ঢেলে দিতেন। সেদিন আবূ ত্বলহা (রাঃ)-এর হাত থেকে দু’বার কিংবা তিনবার তরবারিটি পড়ে গিয়েছিল। [২৮৮০] (আ.প্র. ৩৭৬১, ই.ফা. ৩৭৬৪)

أبو معمر حدثنا عبد الوارث حدثنا عبد العزيز عن أنس رضي الله عنه قال لما كان يوم أحد انهزم الناس عن النبي صلى الله عليه وسلم وأبو طلحة بين يدي النبي صلى الله عليه وسلم مجوب عليه بحجفة له وكان أبو طلحة رجلا راميا شديد النزع كسر يومئذ قوسين أو ثلاثا وكان الرجل يمر معه بجعبة من النبل فيقول انثرها لأبي طلحة قال ويشرف النبي صلى الله عليه وسلم ينظر إلى القوم فيقول أبو طلحة بأبي أنت وأمي لا تشرف يصيبك سهم من سهام القوم نحري دون نحرك ولقد رأيت عائشة بنت أبي بكر وأم سليم وإنهما لمشمرتان أرى خدم سوقهما تنقزان القرب على متونهما تفرغانه في أفواه القوم ثم ترجعان فتملآنها ثم تجيئان فتفرغانه في أفواه القوم ولقد وقع السيف من يدي أبي طلحة إما مرتين وإما ثلاثا


সহিহ বুখারী ৪০৬৫

عبيد الله بن سعيد حدثنا أبو أسامة عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة رضي الله عنها قالت لما كان يوم أحد هزم المشركون فصرخ إبليس لعنة الله عليه أي عباد الله أخراكم فرجعت أولاهم فاجتلدت هي وأخراهم فبصر حذيفة فإذا هو بأبيه اليمان فقال أي عباد الله أبي أبي قال قالت فوالله ما احتجزوا حتى قتلوه فقال حذيفة يغفر الله لكم قال عروة فوالله ما زالت في حذيفة بقية خير حتى لحق بالله عز وجل بصرت علمت من البصيرة في الأمر وأبصرت من بصر العين ويقال بصرت وأبصرت واحد

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, উহূদ যুদ্ধে মুশরিকরা যখন পরাস্ত হল তখন অভিশপ্ত ইবলিস চীৎকার করে বলল, হে আল্লাহর বান্দারা! তোমাদের পেছনে আরেকটি দল আসছে। তখন অগ্রসেনারা পেছনে ফিরলে তাদের ও পশ্চাদভাগের মধ্যে পরস্পর সংঘর্ষ হল। হুযাইফাহ (রাঃ) দেখতে পেলেন যে, তাঁর পিতা ইয়ামন (রাঃ)-এর সম্মুখীন। তখন তিনি বললেন, হে আল্লাহর বান্দারা! (ইনি তো) আমার পিতা। বর্ণনাকারী (‘আয়িশাহ) বলেন, আল্লাহর কসম! এতে তাঁরা তাকে হত্যা না করা পর্যন্ত ক্ষান্ত হল না। তখন হুযাইফাহ (রাঃ) বললেন, আল্লাহ আপনাদেরকে ক্ষমা করে দিন। (বর্ণনাকারী) ‘উরওয়াহ (রহ.) বলেন, আল্লাহর কসম! আল্লাহর সঙ্গে মিলনের পূর্ব পর্যন্ত হুযাইফাহ (রাঃ)-এর মনে এ ঘটনার অনুতাপ বাকী ছিল। ইমাম বুখারী (রহ.) বলেছেনঃ بَصُرْتُ শব্দটি بَصِيْرَةِ শব্দ থেকে উৎপন্ন যার অর্থ হল কোন কিছু জানা। যেমন বলা হয় بَصِيْرَةِ فِي الْأَمْرِ আবার أَبْصَرْتُ শব্দটির অর্থ হল চোখ দিয়ে দেখা। কেউ কেউ আবার بَصُرْتُ ও أَبْصَرْتُ শব্দদ্বয়কে সমার্থক বলে উল্লেখ করেছেন। [৩২৯০] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৭৬২, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৭৬৫)

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, উহূদ যুদ্ধে মুশরিকরা যখন পরাস্ত হল তখন অভিশপ্ত ইবলিস চীৎকার করে বলল, হে আল্লাহর বান্দারা! তোমাদের পেছনে আরেকটি দল আসছে। তখন অগ্রসেনারা পেছনে ফিরলে তাদের ও পশ্চাদভাগের মধ্যে পরস্পর সংঘর্ষ হল। হুযাইফাহ (রাঃ) দেখতে পেলেন যে, তাঁর পিতা ইয়ামন (রাঃ)-এর সম্মুখীন। তখন তিনি বললেন, হে আল্লাহর বান্দারা! (ইনি তো) আমার পিতা। বর্ণনাকারী (‘আয়িশাহ) বলেন, আল্লাহর কসম! এতে তাঁরা তাকে হত্যা না করা পর্যন্ত ক্ষান্ত হল না। তখন হুযাইফাহ (রাঃ) বললেন, আল্লাহ আপনাদেরকে ক্ষমা করে দিন। (বর্ণনাকারী) ‘উরওয়াহ (রহ.) বলেন, আল্লাহর কসম! আল্লাহর সঙ্গে মিলনের পূর্ব পর্যন্ত হুযাইফাহ (রাঃ)-এর মনে এ ঘটনার অনুতাপ বাকী ছিল। ইমাম বুখারী (রহ.) বলেছেনঃ بَصُرْتُ শব্দটি بَصِيْرَةِ শব্দ থেকে উৎপন্ন যার অর্থ হল কোন কিছু জানা। যেমন বলা হয় بَصِيْرَةِ فِي الْأَمْرِ আবার أَبْصَرْتُ শব্দটির অর্থ হল চোখ দিয়ে দেখা। কেউ কেউ আবার بَصُرْتُ ও أَبْصَرْتُ শব্দদ্বয়কে সমার্থক বলে উল্লেখ করেছেন। [৩২৯০] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৭৬২, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৭৬৫)

عبيد الله بن سعيد حدثنا أبو أسامة عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة رضي الله عنها قالت لما كان يوم أحد هزم المشركون فصرخ إبليس لعنة الله عليه أي عباد الله أخراكم فرجعت أولاهم فاجتلدت هي وأخراهم فبصر حذيفة فإذا هو بأبيه اليمان فقال أي عباد الله أبي أبي قال قالت فوالله ما احتجزوا حتى قتلوه فقال حذيفة يغفر الله لكم قال عروة فوالله ما زالت في حذيفة بقية خير حتى لحق بالله عز وجل بصرت علمت من البصيرة في الأمر وأبصرت من بصر العين ويقال بصرت وأبصرت واحد


সহিহ বুখারী ৪০৬০

موسى بن إسماعيل عن معتمر عن أبيه قال زعم أبو عثمان أنه لم يبق مع النبي صلى الله عليه وسلم في بعض تلك الأيام التي يقاتل فيهن غير طلحة وسعد عن حديثهما

আবূ ‘উসমান (রহ.) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যে দিনগুলোতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুদ্ধ করেছেন তার কোন এক সময়ে ত্বলহা এবং সা‘দ (রাঃ) ব্যতীত অন্য কেউ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে ছিলেন না। হাদীসটি আবূ ‘উসমান (রাঃ) তাদের উভয়ের নিকট থেকে শুনে বর্ণনা করেছেন। [৩৭২২, ৩৭২৩] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৭৫৮, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৭৬১)

আবূ ‘উসমান (রহ.) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যে দিনগুলোতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুদ্ধ করেছেন তার কোন এক সময়ে ত্বলহা এবং সা‘দ (রাঃ) ব্যতীত অন্য কেউ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে ছিলেন না। হাদীসটি আবূ ‘উসমান (রাঃ) তাদের উভয়ের নিকট থেকে শুনে বর্ণনা করেছেন। [৩৭২২, ৩৭২৩] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৭৫৮, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৭৬১)

موسى بن إسماعيل عن معتمر عن أبيه قال زعم أبو عثمان أنه لم يبق مع النبي صلى الله عليه وسلم في بعض تلك الأيام التي يقاتل فيهن غير طلحة وسعد عن حديثهما


সহিহ বুখারী ৪০৬১

موسى بن إسماعيل عن معتمر عن أبيه قال زعم أبو عثمان أنه لم يبق مع النبي صلى الله عليه وسلم في بعض تلك الأيام التي يقاتل فيهن غير طلحة وسعد عن حديثهما

আবূ ‘উসমান (রহ.) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যে দিনগুলোতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুদ্ধ করেছেন তার কোন এক সময়ে ত্বলহা এবং সা‘দ (রাঃ) ব্যতীত অন্য কেউ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে ছিলেন না। হাদীসটি আবূ ‘উসমান (রাঃ) তাদের উভয়ের নিকট থেকে শুনে বর্ণনা করেছেন। [৩৭২২, ৩৭২৩] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৭৫৮, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৭৬১)

আবূ ‘উসমান (রহ.) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যে দিনগুলোতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুদ্ধ করেছেন তার কোন এক সময়ে ত্বলহা এবং সা‘দ (রাঃ) ব্যতীত অন্য কেউ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে ছিলেন না। হাদীসটি আবূ ‘উসমান (রাঃ) তাদের উভয়ের নিকট থেকে শুনে বর্ণনা করেছেন। [৩৭২২, ৩৭২৩] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৭৫৮, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৭৬১)

موسى بن إسماعيل عن معتمر عن أبيه قال زعم أبو عثمان أنه لم يبق مع النبي صلى الله عليه وسلم في بعض تلك الأيام التي يقاتل فيهن غير طلحة وسعد عن حديثهما


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00