সহিহ বুখারী > -
সহিহ বুখারী ৩৯৩৯
حدثنا علي بن عبد الله حدثنا سفيان عن عمرو سمع أبا المنهال عبد الرحمن بن مطعم قال باع شريك لي دراهم في السوق نسيئة فقلت سبحان الله أيصلح هذا فقال سبحان الله والله لقد بعتها في السوق فما عابه أحد فسألت البراء بن عازب فقال قدم النبي صلى الله عليه وسلم ونحن نتبايع هذا البيع فقال ما كان يدا بيد فليس به بأس وما كان نسيئة فلا يصلح والق زيد بن أرقم فاسأله فإنه كان أعظمنا تجارة فسألت زيد بن أرقم فقال مثله وقال سفيان مرة فقال قدم علينا النبي صلى الله عليه وسلم المدينة ونحن نتبايع وقال نسيئة إلى الموسم أو الحج
আবদুর রাহমান ইব্নু মুত্’ঈম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবদুর রাহমান ইব্নু মুত্’ঈম (রাঃ) বলেন, আমার ব্যবসায়ের একজন অংশীদার কিছু দিরহাম বাজারে নিয়ে বাকীতে বিক্রি করে। আমি বললাম, সুবহানাল্লাহ! এমন কেনাবেচা কি জায়িয? তিনিও বললেন, সুবহানাল্লাহ! আল্লাহ্র শপথ, আমি তা খোলা বাজারে বিক্রি করেছি তাতে কেউ ত আপত্তি করেন নি। এরপর আমি বারা’ ইব্নু ‘আযিব (রাঃ) কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন মদীনায় আসলেন তখন আমরা এরকম বাকীতে কেনাবেচা করতাম; তখন তিনি বললেন যদি নগদ হয় তবে তাতে কোন বাধা নেই। আর যদি ধারে হয় তবে জায়িয হবে না। তুমি যায়েদ ইব্নু আরকাম (রাঃ) - এর সাথে সাক্ষাৎ করে তাকে জিজ্ঞেস করে নাও। কেননা তিনি আমাদের মধ্যে একজন বড় ব্যবসায়ী ছিলেন। এরপর আমি যায়দ ইব্নু আরকামকে জিজ্ঞেস করলাম। তিনিও এ রকমই বললেন। রাবী সুফইয়ান (রহঃ) হাদীসটি কখনও এভাবে বর্ণনা করেন “...” নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন মদীনায় আমাদের কাছে আসেন, তখন আমরা হাজ্জের মৌসুম পর্যন্ত মিয়াদে বাকীতে কেনাবেচা করতাম। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৪৯, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৬৫২)
আবদুর রাহমান ইব্নু মুত্’ঈম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবদুর রাহমান ইব্নু মুত্’ঈম (রাঃ) বলেন, আমার ব্যবসায়ের একজন অংশীদার কিছু দিরহাম বাজারে নিয়ে বাকীতে বিক্রি করে। আমি বললাম, সুবহানাল্লাহ! এমন কেনাবেচা কি জায়িয? তিনিও বললেন, সুবহানাল্লাহ! আল্লাহ্র শপথ, আমি তা খোলা বাজারে বিক্রি করেছি তাতে কেউ ত আপত্তি করেন নি। এরপর আমি বারা’ ইব্নু ‘আযিব (রাঃ) কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন মদীনায় আসলেন তখন আমরা এরকম বাকীতে কেনাবেচা করতাম; তখন তিনি বললেন যদি নগদ হয় তবে তাতে কোন বাধা নেই। আর যদি ধারে হয় তবে জায়িয হবে না। তুমি যায়েদ ইব্নু আরকাম (রাঃ) - এর সাথে সাক্ষাৎ করে তাকে জিজ্ঞেস করে নাও। কেননা তিনি আমাদের মধ্যে একজন বড় ব্যবসায়ী ছিলেন। এরপর আমি যায়দ ইব্নু আরকামকে জিজ্ঞেস করলাম। তিনিও এ রকমই বললেন। রাবী সুফইয়ান (রহঃ) হাদীসটি কখনও এভাবে বর্ণনা করেন “...” নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন মদীনায় আমাদের কাছে আসেন, তখন আমরা হাজ্জের মৌসুম পর্যন্ত মিয়াদে বাকীতে কেনাবেচা করতাম। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৪৯, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৬৫২)
حدثنا علي بن عبد الله حدثنا سفيان عن عمرو سمع أبا المنهال عبد الرحمن بن مطعم قال باع شريك لي دراهم في السوق نسيئة فقلت سبحان الله أيصلح هذا فقال سبحان الله والله لقد بعتها في السوق فما عابه أحد فسألت البراء بن عازب فقال قدم النبي صلى الله عليه وسلم ونحن نتبايع هذا البيع فقال ما كان يدا بيد فليس به بأس وما كان نسيئة فلا يصلح والق زيد بن أرقم فاسأله فإنه كان أعظمنا تجارة فسألت زيد بن أرقم فقال مثله وقال سفيان مرة فقال قدم علينا النبي صلى الله عليه وسلم المدينة ونحن نتبايع وقال نسيئة إلى الموسم أو الحج
সহিহ বুখারী ৩৯৪০
حدثنا علي بن عبد الله حدثنا سفيان عن عمرو سمع أبا المنهال عبد الرحمن بن مطعم قال باع شريك لي دراهم في السوق نسيئة فقلت سبحان الله أيصلح هذا فقال سبحان الله والله لقد بعتها في السوق فما عابه أحد فسألت البراء بن عازب فقال قدم النبي صلى الله عليه وسلم ونحن نتبايع هذا البيع فقال ما كان يدا بيد فليس به بأس وما كان نسيئة فلا يصلح والق زيد بن أرقم فاسأله فإنه كان أعظمنا تجارة فسألت زيد بن أرقم فقال مثله وقال سفيان مرة فقال قدم علينا النبي صلى الله عليه وسلم المدينة ونحن نتبايع وقال نسيئة إلى الموسم أو الحج
আবদুর রাহমান ইব্নু মুত্’ঈম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবদুর রাহমান ইব্নু মুত্’ঈম (রাঃ) বলেন, আমার ব্যবসায়ের একজন অংশীদার কিছু দিরহাম বাজারে নিয়ে বাকীতে বিক্রি করে। আমি বললাম, সুবহানাল্লাহ! এমন কেনাবেচা কি জায়িয? তিনিও বললেন, সুবহানাল্লাহ! আল্লাহ্র শপথ, আমি তা খোলা বাজারে বিক্রি করেছি তাতে কেউ ত আপত্তি করেন নি। এরপর আমি বারা’ ইব্নু ‘আযিব (রাঃ) কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন মদীনায় আসলেন তখন আমরা এরকম বাকীতে কেনাবেচা করতাম; তখন তিনি বললেন যদি নগদ হয় তবে তাতে কোন বাধা নেই। আর যদি ধারে হয় তবে জায়িয হবে না। তুমি যায়েদ ইব্নু আরকাম (রাঃ) - এর সাথে সাক্ষাৎ করে তাকে জিজ্ঞেস করে নাও। কেননা তিনি আমাদের মধ্যে একজন বড় ব্যবসায়ী ছিলেন। এরপর আমি যায়দ ইব্নু আরকামকে জিজ্ঞেস করলাম। তিনিও এ রকমই বললেন। রাবী সুফইয়ান (রহঃ) হাদীসটি কখনও এভাবে বর্ণনা করেন “...” নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন মদীনায় আমাদের কাছে আসেন, তখন আমরা হাজ্জের মৌসুম পর্যন্ত মিয়াদে বাকীতে কেনাবেচা করতাম। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৪৯, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৬৫২)
আবদুর রাহমান ইব্নু মুত্’ঈম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবদুর রাহমান ইব্নু মুত্’ঈম (রাঃ) বলেন, আমার ব্যবসায়ের একজন অংশীদার কিছু দিরহাম বাজারে নিয়ে বাকীতে বিক্রি করে। আমি বললাম, সুবহানাল্লাহ! এমন কেনাবেচা কি জায়িয? তিনিও বললেন, সুবহানাল্লাহ! আল্লাহ্র শপথ, আমি তা খোলা বাজারে বিক্রি করেছি তাতে কেউ ত আপত্তি করেন নি। এরপর আমি বারা’ ইব্নু ‘আযিব (রাঃ) কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন মদীনায় আসলেন তখন আমরা এরকম বাকীতে কেনাবেচা করতাম; তখন তিনি বললেন যদি নগদ হয় তবে তাতে কোন বাধা নেই। আর যদি ধারে হয় তবে জায়িয হবে না। তুমি যায়েদ ইব্নু আরকাম (রাঃ) - এর সাথে সাক্ষাৎ করে তাকে জিজ্ঞেস করে নাও। কেননা তিনি আমাদের মধ্যে একজন বড় ব্যবসায়ী ছিলেন। এরপর আমি যায়দ ইব্নু আরকামকে জিজ্ঞেস করলাম। তিনিও এ রকমই বললেন। রাবী সুফইয়ান (রহঃ) হাদীসটি কখনও এভাবে বর্ণনা করেন “...” নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন মদীনায় আমাদের কাছে আসেন, তখন আমরা হাজ্জের মৌসুম পর্যন্ত মিয়াদে বাকীতে কেনাবেচা করতাম। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৪৯, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৬৫২)
حدثنا علي بن عبد الله حدثنا سفيان عن عمرو سمع أبا المنهال عبد الرحمن بن مطعم قال باع شريك لي دراهم في السوق نسيئة فقلت سبحان الله أيصلح هذا فقال سبحان الله والله لقد بعتها في السوق فما عابه أحد فسألت البراء بن عازب فقال قدم النبي صلى الله عليه وسلم ونحن نتبايع هذا البيع فقال ما كان يدا بيد فليس به بأس وما كان نسيئة فلا يصلح والق زيد بن أرقم فاسأله فإنه كان أعظمنا تجارة فسألت زيد بن أرقم فقال مثله وقال سفيان مرة فقال قدم علينا النبي صلى الله عليه وسلم المدينة ونحن نتبايع وقال نسيئة إلى الموسم أو الحج
সহিহ বুখারী ৩৯৩৮
باب حدثني حامد بن عمر عن بشر بن المفضل حدثنا حميد حدثنا أنس أن عبد الله بن سلام بلغه مقدم النبي صلى الله عليه وسلم المدينة فأتاه يسأله عن أشياء فقال إني سائلك عن ثلاث لا يعلمهن إلا نبي ما أول أشراط الساعة وما أول طعام يأكله أهل الجنة وما بال الولد ينزع إلى أبيه أو إلى أمه قال أخبرني به جبريل آنفا قال ابن سلام ذاك عدو اليهود من الملائكة قال أما أول أشراط الساعة فنار تحشرهم من المشرق إلى المغرب وأما أول طعام يأكله أهل الجنة فزيادة كبد الحوت وأما الولد فإذا سبق ماء الرجل ماء المرأة نزع الولد وإذا سبق ماء المرأة ماء الرجل نزعت الولد قال أشهد أن لا إله إلا الله وأنك رسول الله قال يا رسول الله إن اليهود قوم بهت فاسألهم عني قبل أن يعلموا بإسلامي فجاءت اليهود فقال النبي صلى الله عليه وسلم أي رجل عبد الله بن سلام فيكم قالوا خيرنا وابن خيرنا وأفضلنا وابن أفضلنا فقال النبي صلى الله عليه وسلم أرأيتم إن أسلم عبد الله بن سلام قالوا أعاذه الله من ذلك فأعاد عليهم فقالوا مثل ذلك فخرج إليهم عبد الله فقال أشهد أن لا إلٰه إلا الله وأن محمدا رسول الله قالوا شرنا وابن شرنا وتنقصوه قال هذا كنت أخاف يا رسول الله
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু সালাম (রাঃ)-এর নিকট নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মদিনায় আসার খবর পৌঁছলে তিনি এসে তাঁকে কয়েকটি প্রশ্ন করলেন। তিনি বললেন, আমি আপনাকে তিনটি প্রশ্ন করছি। এগুলোর ঠিক উত্তর নাবী ছাড়া অন্য কেউ জানে না। (১) কিয়ামতের সর্বপ্রথম ‘আলামত কী? (২) জান্নাতবাসীদের সর্বপ্রথম খাদ্য কী? (৩) কী কারণে সন্তান আকৃতিতে কখনও পিতার মত কখনো বা মায়ের মত হয়? নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, এ বিষয়গুলি সম্পর্কে এই মাত্র জিব্রাঈল (আঃ) আমাকে জানিয়ে গেলেন। আবদুল্লাহ ইবনু সালাম (রাঃ) একথা শুনে বললেন, তিনিই ফেরেশ্তাদের মধ্যে ইয়াহূদীদের দুশমন। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, (১) কিয়ামত নিকটবর্তী হওয়ার সর্বপ্রথম আলামত লেলিহান অগ্নি যা মানুষকে পূর্বদিক হতে পশ্চিম দিকে ধাবিত করে নিয়ে যাবে এবং সবাইকে একত্র করবে। (২) সর্বপ্রথম খাদ্য যা জান্নাতবাসী খাবে তা হল মাছের কলিজার বাড়তি অংশ (৩) যদি নারীর আগে পুরুষের বীর্যপাত ঘটে তবে সন্তান পিতার মত হয় আর যদি পুরুষের আগে নারীর বীর্যপাত ঘটে তবে সন্তান মায়ের মত হয়। ‘আবদুল্লাহ ইবনু সালাম বললেন, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে আল্লাহ্ ছাড়া কোন মাবুদ নেই এবং নিশ্চয়ই আপনি আল্লাহর রাসূল। হে আল্লাহর রাসূল, ইয়াহূদীগণ এমন একটি জাতি যারা অন্যের কুৎসা রটনায় খুব পটু। আমার ইসলাম গ্রহণ প্রকাশ হওয়ার পূর্বে আমার অবস্থা সম্পর্কে তাদেরকে জিজ্ঞেস করুন। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে ডাকলেন, তারা হাযির হল। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তোমাদের মাঝে ‘আবদুল্লাহ ইবনু সালাম কেমন লোক? তারা বলল, তিনি আমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ব্যক্তি এবং সর্বোত্তম ব্যক্তির সন্তান। তিনি আমাদের সবচেয়ে মর্যাদাবা/পাশান এবং সবচেয়ে মর্যাদাবা/পাশান ব্যক্তির সন্তান। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আচ্ছা বলত, যদি ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু সালাম ইসলাম কবুল করে তাহলে কেমন হবে? তোমরা তখন কি করবে? তারা বলল, আল্লাহ্ তাকে একাজ হতে রক্ষা করুন। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবার এ কথাটি বললেন, তারাও আগের মত উত্তর দিল। তখন ‘আবদুল্লাহ ইবনু সালাম বেরিয়ে আসলেন, এবং বললেন, أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا رَسُوْلُ اللهِ তা শুনে ইয়াহূদীগণ বলতে লাগল, সে আমাদের মধ্যে খারাপ লোক এবং খারাপ লোকের সন্তান। অতঃপর তারা তাকে তুচ্ছ করার উদ্দেশে আরো অনেক কথাবার্তা বলল। ‘আবদুল্লাহ ইবনু সালাম (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি এটাই আশংকা করেছিলাম। (৩৩২৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৪৮, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৬৫১)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু সালাম (রাঃ)-এর নিকট নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মদিনায় আসার খবর পৌঁছলে তিনি এসে তাঁকে কয়েকটি প্রশ্ন করলেন। তিনি বললেন, আমি আপনাকে তিনটি প্রশ্ন করছি। এগুলোর ঠিক উত্তর নাবী ছাড়া অন্য কেউ জানে না। (১) কিয়ামতের সর্বপ্রথম ‘আলামত কী? (২) জান্নাতবাসীদের সর্বপ্রথম খাদ্য কী? (৩) কী কারণে সন্তান আকৃতিতে কখনও পিতার মত কখনো বা মায়ের মত হয়? নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, এ বিষয়গুলি সম্পর্কে এই মাত্র জিব্রাঈল (আঃ) আমাকে জানিয়ে গেলেন। আবদুল্লাহ ইবনু সালাম (রাঃ) একথা শুনে বললেন, তিনিই ফেরেশ্তাদের মধ্যে ইয়াহূদীদের দুশমন। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, (১) কিয়ামত নিকটবর্তী হওয়ার সর্বপ্রথম আলামত লেলিহান অগ্নি যা মানুষকে পূর্বদিক হতে পশ্চিম দিকে ধাবিত করে নিয়ে যাবে এবং সবাইকে একত্র করবে। (২) সর্বপ্রথম খাদ্য যা জান্নাতবাসী খাবে তা হল মাছের কলিজার বাড়তি অংশ (৩) যদি নারীর আগে পুরুষের বীর্যপাত ঘটে তবে সন্তান পিতার মত হয় আর যদি পুরুষের আগে নারীর বীর্যপাত ঘটে তবে সন্তান মায়ের মত হয়। ‘আবদুল্লাহ ইবনু সালাম বললেন, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে আল্লাহ্ ছাড়া কোন মাবুদ নেই এবং নিশ্চয়ই আপনি আল্লাহর রাসূল। হে আল্লাহর রাসূল, ইয়াহূদীগণ এমন একটি জাতি যারা অন্যের কুৎসা রটনায় খুব পটু। আমার ইসলাম গ্রহণ প্রকাশ হওয়ার পূর্বে আমার অবস্থা সম্পর্কে তাদেরকে জিজ্ঞেস করুন। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে ডাকলেন, তারা হাযির হল। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তোমাদের মাঝে ‘আবদুল্লাহ ইবনু সালাম কেমন লোক? তারা বলল, তিনি আমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ব্যক্তি এবং সর্বোত্তম ব্যক্তির সন্তান। তিনি আমাদের সবচেয়ে মর্যাদাবা/পাশান এবং সবচেয়ে মর্যাদাবা/পাশান ব্যক্তির সন্তান। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আচ্ছা বলত, যদি ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু সালাম ইসলাম কবুল করে তাহলে কেমন হবে? তোমরা তখন কি করবে? তারা বলল, আল্লাহ্ তাকে একাজ হতে রক্ষা করুন। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবার এ কথাটি বললেন, তারাও আগের মত উত্তর দিল। তখন ‘আবদুল্লাহ ইবনু সালাম বেরিয়ে আসলেন, এবং বললেন, أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا رَسُوْلُ اللهِ তা শুনে ইয়াহূদীগণ বলতে লাগল, সে আমাদের মধ্যে খারাপ লোক এবং খারাপ লোকের সন্তান। অতঃপর তারা তাকে তুচ্ছ করার উদ্দেশে আরো অনেক কথাবার্তা বলল। ‘আবদুল্লাহ ইবনু সালাম (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি এটাই আশংকা করেছিলাম। (৩৩২৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৪৮, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৬৫১)
باب حدثني حامد بن عمر عن بشر بن المفضل حدثنا حميد حدثنا أنس أن عبد الله بن سلام بلغه مقدم النبي صلى الله عليه وسلم المدينة فأتاه يسأله عن أشياء فقال إني سائلك عن ثلاث لا يعلمهن إلا نبي ما أول أشراط الساعة وما أول طعام يأكله أهل الجنة وما بال الولد ينزع إلى أبيه أو إلى أمه قال أخبرني به جبريل آنفا قال ابن سلام ذاك عدو اليهود من الملائكة قال أما أول أشراط الساعة فنار تحشرهم من المشرق إلى المغرب وأما أول طعام يأكله أهل الجنة فزيادة كبد الحوت وأما الولد فإذا سبق ماء الرجل ماء المرأة نزع الولد وإذا سبق ماء المرأة ماء الرجل نزعت الولد قال أشهد أن لا إله إلا الله وأنك رسول الله قال يا رسول الله إن اليهود قوم بهت فاسألهم عني قبل أن يعلموا بإسلامي فجاءت اليهود فقال النبي صلى الله عليه وسلم أي رجل عبد الله بن سلام فيكم قالوا خيرنا وابن خيرنا وأفضلنا وابن أفضلنا فقال النبي صلى الله عليه وسلم أرأيتم إن أسلم عبد الله بن سلام قالوا أعاذه الله من ذلك فأعاد عليهم فقالوا مثل ذلك فخرج إليهم عبد الله فقال أشهد أن لا إلٰه إلا الله وأن محمدا رسول الله قالوا شرنا وابن شرنا وتنقصوه قال هذا كنت أخاف يا رسول الله
সহিহ বুখারী > নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর মদীনায় আগমনে তাঁর নিকট ইয়াহুদীদের উপস্থিতি।
সহিহ বুখারী ৩৯৪১
حدثنا مسلم بن إبراهيم حدثنا قرة عن محمد عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال لو آمن بي عشرة من اليهود لآمن بي اليهود
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ হুরায়রা (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, যদি আমার উপর দশজন ইয়াহূদী ঈমান আনত তবে গোটা ইয়াহূদী সম্প্রদায়ই ঈমান আনত। [১] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৫০, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৬৫৩)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ হুরায়রা (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, যদি আমার উপর দশজন ইয়াহূদী ঈমান আনত তবে গোটা ইয়াহূদী সম্প্রদায়ই ঈমান আনত। [১] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৫০, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৬৫৩)
حدثنا مسلم بن إبراهيم حدثنا قرة عن محمد عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال لو آمن بي عشرة من اليهود لآمن بي اليهود
সহিহ বুখারী ৩৯৪২
حدثني أحمد أو محمد بن عبيد الله الغداني حدثنا حماد بن أسامة أخبرنا أبو عميس عن قيس بن مسلم عن طارق بن شهاب عن أبي موسى قال دخل النبي صلى الله عليه وسلم المدينة وإذا أناس من اليهود يعظمون عاشوراء ويصومونه فقال النبي صلى الله عليه وسلم نحن أحق بصومه فأمر بصومه
আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন মদীনায় আসলেন, তখন ইয়াহূদী সম্প্রদায়ের কিছু লোক আশুরার দিনকে খুব সম্মান করত এবং সেদিন তারা সাওম পালন করত। এতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, ইয়াহূদীদের চেয়ে ঐ দিন সাওম পালন করার আমরা বেশি হকদার। তারপর তিনি সবাইকে সাওম পালন করার নির্দেশ দিলেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৫১, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৬৫৪)
আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন মদীনায় আসলেন, তখন ইয়াহূদী সম্প্রদায়ের কিছু লোক আশুরার দিনকে খুব সম্মান করত এবং সেদিন তারা সাওম পালন করত। এতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, ইয়াহূদীদের চেয়ে ঐ দিন সাওম পালন করার আমরা বেশি হকদার। তারপর তিনি সবাইকে সাওম পালন করার নির্দেশ দিলেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৫১, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৬৫৪)
حدثني أحمد أو محمد بن عبيد الله الغداني حدثنا حماد بن أسامة أخبرنا أبو عميس عن قيس بن مسلم عن طارق بن شهاب عن أبي موسى قال دخل النبي صلى الله عليه وسلم المدينة وإذا أناس من اليهود يعظمون عاشوراء ويصومونه فقال النبي صلى الله عليه وسلم نحن أحق بصومه فأمر بصومه
সহিহ বুখারী ৩৯৪৩
حدثنا زياد بن أيوب حدثنا هشيم حدثنا أبو بشر عن سعيد بن جبير عن ابن عباس رضي الله عنهما قال لما قدم النبي صلى الله عليه وسلم المدينة وجد اليهود يصومون عاشوراء فسئلوا عن ذلك فقالوا هذا اليوم الذي أظفر الله فيه موسى وبني إسرائيل على فرعون ونحن نصومه تعظيما له فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم نحن أولى بموسى منكم ثم أمر بصومه
ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) বর্ণনা করেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন মদীনায় আসেন তখন দেখতে পেলেন ইয়াহূদীরা ‘আশুরা দিবসে সাওম পালন করে। তাদেরকে সাওম পালনের কারণ জিজ্ঞেস করলে তারা বলল, এদিনই আল্লাহ্ তা’আলা মূসা (আঃ) ও বনী ইসরাঈলকে ফিরাউনের উপর বিজয় দিয়েছিলেন। তাই আমরা ঐ দিনের সম্মানে সাওম পালন করি। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমাদের চেয়ে আমরা মূসা (আঃ) - এর বেশি নিকটবর্তী। এরপর তিনি সাওম পালনের নির্দেশ দিলেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৫২, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৬৫৫)
ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) বর্ণনা করেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন মদীনায় আসেন তখন দেখতে পেলেন ইয়াহূদীরা ‘আশুরা দিবসে সাওম পালন করে। তাদেরকে সাওম পালনের কারণ জিজ্ঞেস করলে তারা বলল, এদিনই আল্লাহ্ তা’আলা মূসা (আঃ) ও বনী ইসরাঈলকে ফিরাউনের উপর বিজয় দিয়েছিলেন। তাই আমরা ঐ দিনের সম্মানে সাওম পালন করি। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমাদের চেয়ে আমরা মূসা (আঃ) - এর বেশি নিকটবর্তী। এরপর তিনি সাওম পালনের নির্দেশ দিলেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৫২, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৬৫৫)
حدثنا زياد بن أيوب حدثنا هشيم حدثنا أبو بشر عن سعيد بن جبير عن ابن عباس رضي الله عنهما قال لما قدم النبي صلى الله عليه وسلم المدينة وجد اليهود يصومون عاشوراء فسئلوا عن ذلك فقالوا هذا اليوم الذي أظفر الله فيه موسى وبني إسرائيل على فرعون ونحن نصومه تعظيما له فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم نحن أولى بموسى منكم ثم أمر بصومه
সহিহ বুখারী ৩৯৪৪
حدثنا عبدان حدثنا عبد الله عن يونس عن الزهري قال أخبرني عبيد الله بن عبد الله بن عتبة عن عبد الله بن عباس رضي الله عنهما أن النبي صلى الله عليه وسلم كان يسدل شعره وكان المشركون يفرقون رءوسهم وكان أهل الكتاب يسدلون رءوسهم وكان النبي صلى الله عليه وسلم يحب موافقة أهل الكتاب فيما لم يؤمر فيه بشيء ثم فرق النبي صلى الله عليه وسلم رأسه
আবদুল্লাহ ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চুলে সিঁথি না কেটে সোজা পিছনে দিতেন। আর মুশরিকরা তাদের চুলে সিঁথি কাটত। আহলে কিতাব সিঁথি কাটত না। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহ্র নিকট হতে কোন নির্দেশ না আসা পর্যন্ত আহলে কিতাবের অনুকরণ পছন্দ করতেন। তারপর (ওয়াহী মোতাবেক) তাঁর মাথায় সিঁথি কাটলেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৫৩, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৬৫৬)
আবদুল্লাহ ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চুলে সিঁথি না কেটে সোজা পিছনে দিতেন। আর মুশরিকরা তাদের চুলে সিঁথি কাটত। আহলে কিতাব সিঁথি কাটত না। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহ্র নিকট হতে কোন নির্দেশ না আসা পর্যন্ত আহলে কিতাবের অনুকরণ পছন্দ করতেন। তারপর (ওয়াহী মোতাবেক) তাঁর মাথায় সিঁথি কাটলেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৫৩, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৬৫৬)
حدثنا عبدان حدثنا عبد الله عن يونس عن الزهري قال أخبرني عبيد الله بن عبد الله بن عتبة عن عبد الله بن عباس رضي الله عنهما أن النبي صلى الله عليه وسلم كان يسدل شعره وكان المشركون يفرقون رءوسهم وكان أهل الكتاب يسدلون رءوسهم وكان النبي صلى الله عليه وسلم يحب موافقة أهل الكتاب فيما لم يؤمر فيه بشيء ثم فرق النبي صلى الله عليه وسلم رأسه
সহিহ বুখারী ৩৯৪৫
حدثني زياد بن أيوب حدثنا هشيم أخبرنا أبو بشر عن سعيد بن جبير عن ابن عباس رضي الله عنهما قال هم أهل الكتاب جزءوه أجزاء فآمنوا ببعضه وكفروا ببعضه يعني قول الله تعالى الذين جعلوا القراٰن عضين (الحجر : 91)
ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এরাই তো সেই আহলে কিতাব যারা ভাগাভাগি করে ফেলেছে, কোন কোন বিষয়ের উপর ঈমান এনেছে আর কোন কোন বিষয়কে অস্বীকার করেছে। রাবী আল্লাহর এ বাণী বুঝাতে চেয়েছেন - “যারা কুরআনকে খণ্ড খণ্ড করেছে” (সূরাহ আল-হিজরঃ ৯১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৫৪, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৬৫৭)
ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এরাই তো সেই আহলে কিতাব যারা ভাগাভাগি করে ফেলেছে, কোন কোন বিষয়ের উপর ঈমান এনেছে আর কোন কোন বিষয়কে অস্বীকার করেছে। রাবী আল্লাহর এ বাণী বুঝাতে চেয়েছেন - “যারা কুরআনকে খণ্ড খণ্ড করেছে” (সূরাহ আল-হিজরঃ ৯১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৫৪, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৬৫৭)
حدثني زياد بن أيوب حدثنا هشيم أخبرنا أبو بشر عن سعيد بن جبير عن ابن عباس رضي الله عنهما قال هم أهل الكتاب جزءوه أجزاء فآمنوا ببعضه وكفروا ببعضه يعني قول الله تعالى الذين جعلوا القراٰن عضين (الحجر : 91)
সহিহ বুখারী > সালমান ফারসী (রাঃ) - এর ইসলাম গ্রহণ।
সহিহ বুখারী ৩৯৪৬
حدثني الحسن بن عمر بن شقيق حدثنا معتمر قال أبي وحدثنا أبو عثمان عن سلمان الفارسي أنه تداوله بضعة عشر من رب إلى رب
সালমান ফারসী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি দশ জনেরও অধিক মালিকের অধীনে হাত বদল হতে থাকেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৫৫, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৬৫৮)
সালমান ফারসী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি দশ জনেরও অধিক মালিকের অধীনে হাত বদল হতে থাকেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৫৫, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৬৫৮)
حدثني الحسن بن عمر بن شقيق حدثنا معتمر قال أبي وحدثنا أبو عثمان عن سلمان الفارسي أنه تداوله بضعة عشر من رب إلى رب
সহিহ বুখারী ৩৯৪৭
حدثنا محمد بن يوسف حدثنا سفيان عن عوف عن أبي عثمان قال سمعت سلمان يقول أنا من رام هرمز
আবূ ‘উসমান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ ‘উসমান (রাঃ) বলেন, আমি সালমান (রাঃ) - কে বলতে শুনেছি; তিনি বলেন, আমি রাম হুরমুয এর বাসিন্দা (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৫৬, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৬৫৯)।
আবূ ‘উসমান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ ‘উসমান (রাঃ) বলেন, আমি সালমান (রাঃ) - কে বলতে শুনেছি; তিনি বলেন, আমি রাম হুরমুয এর বাসিন্দা (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৫৬, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৬৫৯)।
حدثنا محمد بن يوسف حدثنا سفيان عن عوف عن أبي عثمان قال سمعت سلمان يقول أنا من رام هرمز
সহিহ বুখারী ৩৯৪৮
حدثني الحسن بن مدرك حدثنا يحيى بن حماد أخبرنا أبو عوانة عن عاصم الأحول عن أبي عثمان عن سلمان قال فترة بين عيسى ومحمد صلى الله عليهما وسلم ست مائة سنة
সালমান ফারসী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
সালমান ফারসী (রাঃ) বলেন, ‘ঈসা এবং মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর মধ্যে ছয় শত বছরের পার্থক্য ছিল। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৫৭, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৬৬০)
সালমান ফারসী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
সালমান ফারসী (রাঃ) বলেন, ‘ঈসা এবং মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর মধ্যে ছয় শত বছরের পার্থক্য ছিল। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৫৭, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৬৬০)
حدثني الحسن بن مدرك حدثنا يحيى بن حماد أخبرنا أبو عوانة عن عاصم الأحول عن أبي عثمان عن سلمان قال فترة بين عيسى ومحمد صلى الله عليهما وسلم ست مائة سنة