সহিহ বুখারী > নাজাশীর মৃত্যু।
সহিহ বুখারী ৩৮৭৭
حدثنا أبو الربيع حدثنا ابن عيينة عن ابن جريج عن عطاء عن جابر قال النبي صلى الله عليه وسلم حين مات النجاشي مات اليوم رجل صالح فقوموا فصلوا على أخيكم أصحم
যাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন নাজাশীর মৃত্যু হল তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আজ একজন সৎ ব্যক্তি মারা গেছেন। উঠো, এবং তোমাদের ভাই আসহামার জন্য জানাযার সলাত আদায় কর। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৯০, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৫৯৫)
যাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন নাজাশীর মৃত্যু হল তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আজ একজন সৎ ব্যক্তি মারা গেছেন। উঠো, এবং তোমাদের ভাই আসহামার জন্য জানাযার সলাত আদায় কর। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৯০, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৫৯৫)
حدثنا أبو الربيع حدثنا ابن عيينة عن ابن جريج عن عطاء عن جابر قال النبي صلى الله عليه وسلم حين مات النجاشي مات اليوم رجل صالح فقوموا فصلوا على أخيكم أصحم
সহিহ বুখারী ৩৮৭৮
حدثنا عبد الأعلى بن حماد حدثنا يزيد بن زريع حدثنا سعيد حدثنا قتادة أن عطاء حدثهم عن جابر بن عبد الله الأنصاري رضي الله عنهما أن نبي الله صلى الله عليه وسلم صلى على أصحمة النجاشي فصفنا وراءه فكنت في الصف الثاني أو الثالث
জাবির ইব্নু ‘আবদুল্লাহ আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নাজাশীর উপর জানাযার সলাত আদায় করেন। আমরাও তাঁর পিছনে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে গেলাম। আমি দ্বিতীয় বা তৃতীয় কাতারে ছিলাম। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৯১, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৫৯৬)
জাবির ইব্নু ‘আবদুল্লাহ আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নাজাশীর উপর জানাযার সলাত আদায় করেন। আমরাও তাঁর পিছনে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে গেলাম। আমি দ্বিতীয় বা তৃতীয় কাতারে ছিলাম। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৯১, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৫৯৬)
حدثنا عبد الأعلى بن حماد حدثنا يزيد بن زريع حدثنا سعيد حدثنا قتادة أن عطاء حدثهم عن جابر بن عبد الله الأنصاري رضي الله عنهما أن نبي الله صلى الله عليه وسلم صلى على أصحمة النجاشي فصفنا وراءه فكنت في الصف الثاني أو الثالث
সহিহ বুখারী ৩৮৭৯
حدثني عبد الله بن أبي شيبة حدثنا يزيد بن هارون عن سليم بن حيان حدثنا سعيد بن ميناء عن جابر بن عبد الله رضي الله عنهما أن النبي صلى الله عليه وسلم صلى على أصحمة النجاشي فكبر عليه أربعا تابعه عبد الصمد
জাবির ইব্নু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আসহামাহ নাজাশীর উপর জানাযার সলাত আদায় করেন এবং চারবার তাক্বীর বলেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৯২, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৫৯৭)
জাবির ইব্নু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আসহামাহ নাজাশীর উপর জানাযার সলাত আদায় করেন এবং চারবার তাক্বীর বলেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৯২, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৫৯৭)
حدثني عبد الله بن أبي شيبة حدثنا يزيد بن هارون عن سليم بن حيان حدثنا سعيد بن ميناء عن جابر بن عبد الله رضي الله عنهما أن النبي صلى الله عليه وسلم صلى على أصحمة النجاشي فكبر عليه أربعا تابعه عبد الصمد
সহিহ বুখারী ৩৮৮০
حدثنا زهير بن حرب حدثنا يعقوب بن إبراهيم حدثنا أبي عن صالح عن ابن شهاب قال حدثني أبو سلمة بن عبد الرحمن وابن المسيب أن أبا هريرة أخبرهما أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نعى لهم النجاشي صاحب الحبشة في اليوم الذي مات فيه وقال استغفروا لأخيكم
আবদুর রহমান ও ইব্নুল মুসাইয়াব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘আবদুর রহমান ও ইব্নুল মুসাইয়াব (রহঃ) বলেন, আবূ হুরায়রা (রাঃ) তাদেরকে বলেছেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সহাবাদেরকে হাবাশা-এর বাদশাহ নাজাশীর মৃত্যু খবর সেদিন শুনালেন, যেদিন তিনি মারা গিয়েছিলেন এবং বলেছিলেন, তোমরা তোমাদের (দ্বীনী) ভাই এর জন্য মাগফিরাত চাও। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৯৩ প্রথমাংশ, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৫৯৮ প্রথমাংশ)
আবদুর রহমান ও ইব্নুল মুসাইয়াব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘আবদুর রহমান ও ইব্নুল মুসাইয়াব (রহঃ) বলেন, আবূ হুরায়রা (রাঃ) তাদেরকে বলেছেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সহাবাদেরকে হাবাশা-এর বাদশাহ নাজাশীর মৃত্যু খবর সেদিন শুনালেন, যেদিন তিনি মারা গিয়েছিলেন এবং বলেছিলেন, তোমরা তোমাদের (দ্বীনী) ভাই এর জন্য মাগফিরাত চাও। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৯৩ প্রথমাংশ, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৫৯৮ প্রথমাংশ)
حدثنا زهير بن حرب حدثنا يعقوب بن إبراهيم حدثنا أبي عن صالح عن ابن شهاب قال حدثني أبو سلمة بن عبد الرحمن وابن المسيب أن أبا هريرة أخبرهما أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نعى لهم النجاشي صاحب الحبشة في اليوم الذي مات فيه وقال استغفروا لأخيكم
সহিহ বুখারী ৩৮৮১
وعن صالح عن ابن شهاب قال حدثني سعيد بن المسيب أن أبا هريرة أخبرهم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم صف بهم في المصلى فصلى عليه وكبر أربعا
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে এমনও বর্ণিত আছে যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সহাবাদেরকে নিয়ে মুসল্লায় সারিবদ্ধভাবে দাঁড়ালেন এবং নাজাশীর জন্য জানাযার সলাত আদায় করলেন আর তিনি চারবার তাকবীরও দিলেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৯৩ শেষাংশ, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৫৯৮ শেষাংশ)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে এমনও বর্ণিত আছে যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সহাবাদেরকে নিয়ে মুসল্লায় সারিবদ্ধভাবে দাঁড়ালেন এবং নাজাশীর জন্য জানাযার সলাত আদায় করলেন আর তিনি চারবার তাকবীরও দিলেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৯৩ শেষাংশ, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৫৯৮ শেষাংশ)
وعن صالح عن ابن شهاب قال حدثني سعيد بن المسيب أن أبا هريرة أخبرهم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم صف بهم في المصلى فصلى عليه وكبر أربعا
সহিহ বুখারী > নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর বিরুদ্ধে মুশরিকদের শপথ গ্রহণ।
সহিহ বুখারী ৩৮৮২
حدثنا عبد العزيز بن عبد الله قال حدثني إبراهيم بن سعد عن ابن شهاب عن أبي سلمة بن عبد الرحمن عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم حين أراد حنينا منزلنا غدا إن شاء الله بخيف بني كنانة حيث تقاسموا على الكفر
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হুনায়ন যুদ্ধে যাওয়ার ইচ্ছা পোষণ করলেন, তখন তিনি বললেন, আমরা আগামীকল্য খায়ফে বনী কেনানায় অবতরণ করব ‘ইন শা আল্লাহ্’ যেখানে কুরাইশরা সকলে কুফর ও শির্ক এর উপর থাকার শপথ করেছিল (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৯৪, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৫৯৯)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হুনায়ন যুদ্ধে যাওয়ার ইচ্ছা পোষণ করলেন, তখন তিনি বললেন, আমরা আগামীকল্য খায়ফে বনী কেনানায় অবতরণ করব ‘ইন শা আল্লাহ্’ যেখানে কুরাইশরা সকলে কুফর ও শির্ক এর উপর থাকার শপথ করেছিল (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৯৪, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৫৯৯)
حدثنا عبد العزيز بن عبد الله قال حدثني إبراهيم بن سعد عن ابن شهاب عن أبي سلمة بن عبد الرحمن عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم حين أراد حنينا منزلنا غدا إن شاء الله بخيف بني كنانة حيث تقاسموا على الكفر
সহিহ বুখারী > আবু ত্বলিবের কিস্সা।
সহিহ বুখারী ৩৮৮৩
حدثنا مسدد حدثنا يحيى عن سفيان حدثنا عبد الملك حدثنا عبد الله بن الحارث حدثنا العباس بن عبد المطلب قال للنبي صلى الله عليه وسلم ما أغنيت عن عمك فإنه كان يحوطك ويغضب لك قال هو في ضحضاح من نار ولولا أنا لكان في الدرك الأسفل من النار
আব্বাস ইব্নু আবদুল মুত্তালিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আব্বাস ইব্নু আবদুল মুত্তালিব (রাঃ) বলেন, আমি একদিন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে জিজ্ঞেস করলাম, আপনি আপনার চাচা আবূ ত্বলিবের কী উপকার করলেন অথচ তিনি আপনাকে দুশমনের সকল আক্রমণ ও ষড়যন্ত্র থেকে রক্ষা করেছেন। তাদের বিরুদ্ধে তিনি খুব ক্ষুব্ধ হতেন। তিনি বললেন, সে জাহান্নামে পায়ের গোড়ালি পর্যন্ত আগুনে আছে। যদি আমি না হতাম তাহলে সে জাহান্নামের একেবারে নিম্ন স্তরে থাকত। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৯৫, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৬০০)
আব্বাস ইব্নু আবদুল মুত্তালিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আব্বাস ইব্নু আবদুল মুত্তালিব (রাঃ) বলেন, আমি একদিন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে জিজ্ঞেস করলাম, আপনি আপনার চাচা আবূ ত্বলিবের কী উপকার করলেন অথচ তিনি আপনাকে দুশমনের সকল আক্রমণ ও ষড়যন্ত্র থেকে রক্ষা করেছেন। তাদের বিরুদ্ধে তিনি খুব ক্ষুব্ধ হতেন। তিনি বললেন, সে জাহান্নামে পায়ের গোড়ালি পর্যন্ত আগুনে আছে। যদি আমি না হতাম তাহলে সে জাহান্নামের একেবারে নিম্ন স্তরে থাকত। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৯৫, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৬০০)
حدثنا مسدد حدثنا يحيى عن سفيان حدثنا عبد الملك حدثنا عبد الله بن الحارث حدثنا العباس بن عبد المطلب قال للنبي صلى الله عليه وسلم ما أغنيت عن عمك فإنه كان يحوطك ويغضب لك قال هو في ضحضاح من نار ولولا أنا لكان في الدرك الأسفل من النار
সহিহ বুখারী ৩৮৮৫
حدثنا عبد الله بن يوسف حدثنا الليث حدثنا ابن الهاد عن عبد الله بن خباب عن أبي سعيد الخدري أنه سمع النبي صلى الله عليه وسلم وذكر عنده عمه فقال لعله تنفعه شفاعتي يوم القيامة فيجعل في ضحضاح من النار يبلغ كعبيه يغلي منه دماغه حدثنا إبراهيم بن حمزة حدثنا ابن أبي حازم والدراوردي عن يزيد بهذا وقال تغلي منه أم دماغه
আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে বলতে শুনেছেন, যখন তাঁরই সামনে তাঁর চাচা আবূ তালিবের আলোচনা করা হল, তিনি বললেন, আশা করি কিয়ামাতের দিনে আমার সুপারিশ তার উপকারে আসবে। অর্থাৎ আগুনের হালকা স্তরে তাকে ফেলা হবে, যা তার পায়ের গোড়ালি পর্যন্ত পৌঁছবে আর এতে তার মগয ফুটতে থাকবে। (আ.প্র. ৩৫৯৭, ই.ফা. ৩৬০২) ইয়াযিদ (রহঃ) – ও এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন এবং আরো বলেছেন, এর তাপে মস্তিষ্কের মূল পর্যন্ত ফুটতে থাকবে। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৯৮, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৬০৩)
আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে বলতে শুনেছেন, যখন তাঁরই সামনে তাঁর চাচা আবূ তালিবের আলোচনা করা হল, তিনি বললেন, আশা করি কিয়ামাতের দিনে আমার সুপারিশ তার উপকারে আসবে। অর্থাৎ আগুনের হালকা স্তরে তাকে ফেলা হবে, যা তার পায়ের গোড়ালি পর্যন্ত পৌঁছবে আর এতে তার মগয ফুটতে থাকবে। (আ.প্র. ৩৫৯৭, ই.ফা. ৩৬০২) ইয়াযিদ (রহঃ) – ও এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন এবং আরো বলেছেন, এর তাপে মস্তিষ্কের মূল পর্যন্ত ফুটতে থাকবে। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৯৮, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৬০৩)
حدثنا عبد الله بن يوسف حدثنا الليث حدثنا ابن الهاد عن عبد الله بن خباب عن أبي سعيد الخدري أنه سمع النبي صلى الله عليه وسلم وذكر عنده عمه فقال لعله تنفعه شفاعتي يوم القيامة فيجعل في ضحضاح من النار يبلغ كعبيه يغلي منه دماغه حدثنا إبراهيم بن حمزة حدثنا ابن أبي حازم والدراوردي عن يزيد بهذا وقال تغلي منه أم دماغه
সহিহ বুখারী ৩৮৮৪
حدثنا محمود حدثنا عبد الرزاق أخبرنا معمر عن الزهري عن ابن المسيب عن أبيه أن أبا طالب لما حضرته الوفاة دخل عليه النبي صلى الله عليه وسلم وعنده أبو جهل فقال أي عم قل لا إله إلا الله كلمة أحاج لك بها عند الله فقال أبو جهل وعبد الله بن أبي أمية يا أبا طالب ترغب عن ملة عبد المطلب فلم يزالا يكلمانه حتى قال آخر شيء كلمهم به على ملة عبد المطلب فقال النبي صلى الله عليه وسلم لاستغفرن لك ما لم أنه عنه فنزلت ما كان للنبي صلى الله عليه وسلم والذين اٰمنوا أن يستغفروا للمشركين ولو كانوا أولي قربٰى منم بعد ما تبين لهم أنهم أصحاب الجحيم (التوبة : 113) ونزلت إنك لا تهدي من أحببت (القصص : 56)
ইব্নু মুসাইয়্যাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
ইব্নু মুসাইয়্যাব তার পিতা মুসাইয়্যাব (রহঃ) হতে বর্ণনা করেন, যখন আবূ তালিবের মুমূর্ষ অবস্থা তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার নিকট গেলেন। আবূ জাহলও তার নিকট উপবিষ্ট ছিল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে লক্ষ্য করে বললেন, চাচাজান, (আরবী) কলেমাটি একবার পড়ুন, তাহলে আমি আপনার জন্য আল্লাহ্র নিকট কথা বলতে পারব। তখন আবূ জাহাল ও ‘আবদুল্লাহ্ ইব্নু আবূ উমাইয়া বলল, হে আবূ তালিব! তুমি কি ‘আবদুল মুত্তালিবের ধর্ম হতে ফিরে যাবে? এরা দু’জন তার সাথে একথাটি বারবার বলতে থাকল। সর্বশেষ আবূ তালিব তাদের সাথে যে কথাটি বলল, তাহল, আমি ‘আবদুল মুত্তালিবের মিল্লাতের উপরেই আছি। এ কথার পর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আমি আপনার জন্য ক্ষমা চাইতে থাকব যে পর্যন্ত আপনার ব্যাপারে আমাকে নিষেধ করা না হয়। এ প্রসঙ্গে এ আয়াতটি নাযিল হলঃ নবী ও মুমিনদের পক্ষে উচিত নয় যে, তারা ক্ষমা প্রার্থনা করবে মুশরিকদের জন্য যদি তারা নিকটাত্মীয়ও হয় যখন তাদের কাছে এ কথা স্পষ্ট হয়ে গেছে যে, তারা জাহান্নামী - (আত-তাওবাহ ১১৩)। আরো নাযিল হলঃ আপনি যাকে ভালোবাসেন, ইচ্ছা করলেই তাকে হিদায়াত করতে পারবেন না- (আল-কাসাস ৫৬)। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৯৬, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৬০১)
ইব্নু মুসাইয়্যাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
ইব্নু মুসাইয়্যাব তার পিতা মুসাইয়্যাব (রহঃ) হতে বর্ণনা করেন, যখন আবূ তালিবের মুমূর্ষ অবস্থা তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার নিকট গেলেন। আবূ জাহলও তার নিকট উপবিষ্ট ছিল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে লক্ষ্য করে বললেন, চাচাজান, (আরবী) কলেমাটি একবার পড়ুন, তাহলে আমি আপনার জন্য আল্লাহ্র নিকট কথা বলতে পারব। তখন আবূ জাহাল ও ‘আবদুল্লাহ্ ইব্নু আবূ উমাইয়া বলল, হে আবূ তালিব! তুমি কি ‘আবদুল মুত্তালিবের ধর্ম হতে ফিরে যাবে? এরা দু’জন তার সাথে একথাটি বারবার বলতে থাকল। সর্বশেষ আবূ তালিব তাদের সাথে যে কথাটি বলল, তাহল, আমি ‘আবদুল মুত্তালিবের মিল্লাতের উপরেই আছি। এ কথার পর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আমি আপনার জন্য ক্ষমা চাইতে থাকব যে পর্যন্ত আপনার ব্যাপারে আমাকে নিষেধ করা না হয়। এ প্রসঙ্গে এ আয়াতটি নাযিল হলঃ নবী ও মুমিনদের পক্ষে উচিত নয় যে, তারা ক্ষমা প্রার্থনা করবে মুশরিকদের জন্য যদি তারা নিকটাত্মীয়ও হয় যখন তাদের কাছে এ কথা স্পষ্ট হয়ে গেছে যে, তারা জাহান্নামী - (আত-তাওবাহ ১১৩)। আরো নাযিল হলঃ আপনি যাকে ভালোবাসেন, ইচ্ছা করলেই তাকে হিদায়াত করতে পারবেন না- (আল-কাসাস ৫৬)। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৯৬, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৬০১)
حدثنا محمود حدثنا عبد الرزاق أخبرنا معمر عن الزهري عن ابن المسيب عن أبيه أن أبا طالب لما حضرته الوفاة دخل عليه النبي صلى الله عليه وسلم وعنده أبو جهل فقال أي عم قل لا إله إلا الله كلمة أحاج لك بها عند الله فقال أبو جهل وعبد الله بن أبي أمية يا أبا طالب ترغب عن ملة عبد المطلب فلم يزالا يكلمانه حتى قال آخر شيء كلمهم به على ملة عبد المطلب فقال النبي صلى الله عليه وسلم لاستغفرن لك ما لم أنه عنه فنزلت ما كان للنبي صلى الله عليه وسلم والذين اٰمنوا أن يستغفروا للمشركين ولو كانوا أولي قربٰى منم بعد ما تبين لهم أنهم أصحاب الجحيم (التوبة : 113) ونزلت إنك لا تهدي من أحببت (القصص : 56)
সহিহ বুখারী > নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) – এর ভ্রমণের ঘটনা।
সহিহ বুখারী ৩৮৮৬
حدثنا يحيى بن بكير حدثنا الليث عن عقيل عن ابن شهاب حدثني أبو سلمة بن عبد الرحمن سمعت جابر بن عبد الله رضي الله عنهما أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول لما كذبتني قريش قمت في الحجر فجلا الله لي بيت المقدس فطفقت أخبرهم عن آياته وأنا أنظر إليه
জাবির ইব্নু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে বলতে শুনেছেন, যখন কুরাইশরা আমাকে অস্বীকার করল, তখন আমি কা’বার হিজর অংশে দাঁড়ালাম। আল্লাহ তা’আলা তখন আমার সামনে বায়তুল মুকাদ্দাসকে তুলে ধরলেন, যার কারণে আমি দেখে দেখে বাইতুল মুকাদ্দাসের নিদর্শনগুলো তাদের কাছে ব্যক্ত করছিলাম। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৯৯, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৬০৪)
জাবির ইব্নু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে বলতে শুনেছেন, যখন কুরাইশরা আমাকে অস্বীকার করল, তখন আমি কা’বার হিজর অংশে দাঁড়ালাম। আল্লাহ তা’আলা তখন আমার সামনে বায়তুল মুকাদ্দাসকে তুলে ধরলেন, যার কারণে আমি দেখে দেখে বাইতুল মুকাদ্দাসের নিদর্শনগুলো তাদের কাছে ব্যক্ত করছিলাম। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৯৯, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৬০৪)
حدثنا يحيى بن بكير حدثنا الليث عن عقيل عن ابن شهاب حدثني أبو سلمة بن عبد الرحمن سمعت جابر بن عبد الله رضي الله عنهما أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول لما كذبتني قريش قمت في الحجر فجلا الله لي بيت المقدس فطفقت أخبرهم عن آياته وأنا أنظر إليه