সহিহ বুখারী > উমার ইব্‌নু খাত্তাব (রাঃ)-এর ইসলাম গ্রহন।

সহিহ বুখারী ৩৮৬৩

حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَدِيٍّ، عَنِ الْمِقْدَادِ بْنِ الأَسْوَدِ، حَدَّثَنِي إِسْحَاقُ، حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سَعْدٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَخِي ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عَمِّهِ، قَالَ أَخْبَرَنِي عَطَاءُ بْنُ يَزِيدَ اللَّيْثِيُّ، ثُمَّ الْجُنْدَعِيُّ أَنَّ عُبَيْدَ، اللَّهِ بْنَ عَدِيِّ بْنِ الْخِيَارِ أَخْبَرَهُ أَنَّ الْمِقْدَادَ بْنَ عَمْرٍو الْكِنْدِيَّ، وَكَانَ حَلِيفًا لِبَنِي زُهْرَةَ، وَكَانَ مِمَّنْ شَهِدَ بَدْرًا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَخْبَرَهُ أَنَّهُ قَالَ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَرَأَيْتَ إِنْ لَقِيتُ رَجُلاً مِنَ الْكُفَّارِ فَاقْتَتَلْنَا، فَضَرَبَ إِحْدَى يَدَىَّ بِالسَّيْفِ فَقَطَعَهَا، ثُمَّ لاَذَ مِنِّي بِشَجَرَةٍ فَقَالَ أَسْلَمْتُ لِلَّهِ‏.‏ آأَقْتُلُهُ يَا رَسُولَ اللَّهِ بَعْدَ أَنْ قَالَهَا فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏‏ لاَ تَقْتُلْهُ ‏"‏‏.‏ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنَّهُ قَطَعَ إِحْدَى يَدَىَّ، ثُمَّ قَالَ ذَلِكَ بَعْدَ مَا قَطَعَهَا‏.‏ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لاَ تَقْتُلْهُ، فَإِنْ قَتَلْتَهُ فَإِنَّهُ بِمَنْزِلَتِكَ قَبْلَ أَنْ تَقْتُلَهُ، وَإِنَّكَ بِمَنْزِلَتِهِ قَبْلَ أَنْ يَقُولَ كَلِمَتَهُ الَّتِي قَالَ ‏"‏‏.‏"

আবদুল্লাহ ইব্‌নু মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘উমার (রাঃ) যেদিন থেকে ইসলাম গ্রহন করলেন ঐ দিন হতে আমরা সর্বদা সম্মানের আসনে অধিষ্ঠিত আছি। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৭৬, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৫৮১)


সহিহ বুখারী ৩৮৬৪

حَدَّثَنِي يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَيَّةَ، حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ التَّيْمِيُّ، حَدَّثَنَا أَنَسٌ ـ رضى الله عنه ـ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَوْمَ بَدْرٍ ‏ ‏ مَنْ يَنْظُرُ مَا صَنَعَ أَبُو جَهْلٍ ‏" ‏‏‏ فَانْطَلَقَ ابْنُ مَسْعُودٍ، فَوَجَدَهُ قَدْ ضَرَبَهُ ابْنَا عَفْرَاءَ حَتَّى بَرَدَ، فَقَالَ آنْتَ أَبَا جَهْلٍ قَالَ ابْنُ عُلَيَّةَ قَالَ سُلَيْمَانُ هَكَذَا قَالَهَا أَنَسٌ‏‏ قَالَ أَنْتَ أَبَا جَهْلٍ قَالَ وَهَلْ فَوْقَ رَجُلٍ قَتَلْتُمُوهُ قَالَ سُلَيْمَانُ أَوْ قَالَ قَتَلَهُ قَوْمُهُ‏‏ قَالَ وَقَالَ أَبُو مِجْلَزٍ قَالَ أَبُو جَهْلٍ فَلَوْ غَيْرُ أَكَّارٍ قَتَلَنِي‏‏

ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, তাঁর পিতা ‘উমার (রাঃ) একদিন নিজ গৃহে ভীত অবস্থায় অবস্থান করছিলেন। তখন আবূ ‘আমর ‘আস ইব্‌নু ওয়াইল সাহমী তাঁর নিকট এলেন। তার গায়ে ছিল ধারিদার চাদর ও রেশমী জরির জামা। তিনি বানু সাহম গোত্রের লোক ছিলেন। জাহিলী যুগে তারা আমাদের হালীফ (বিপদকালে সাহায্যের চুক্তি যাদের সাথে করা হয়) ছিল। ‘আস ‘উমার (রাঃ) - কে জিজ্ঞের করলেন আপনার অবস্থা কেমন? ‘উমার (রাঃ) উত্তর দিলেন ইসলাম গ্রহন করার কারণে তোমার গোত্রের লোকজন অচিরেই আমাকে হত্যা করবে। তা শুনে ‘আস (রাঃ) বললেন, তোমার কোন কিছু করার শক্তি ক্ষমতা তাদের নেই। তার কথা শুনে ‘উমর (রাঃ) বললেন, তোমার কথা শুনে আমি নিঃশঙ্ক হলাম। ‘আস বেরিয়ে পড়লেন এবং দেখতে পেলেন, মক্কা ভূমি লোকে ভরপুর। তিনি তাদেরকে বললেন, তোমরা কোথায় যাচ্ছ? তারা বলল, আমরা ‘উমার ইব্‌নুল খাত্তাবের নিকট যাচ্ছি, সে নিজ ধর্ম ত্যাগ করতঃ বিধর্মী হয়ে গেছে। ‘আস বললেন তার নিকট যাওয়ার, তার কোন কিছু করার ক্ষমতা তোমাদের নেই। এতে লোকজন ফিরে গেল। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৭৭, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৫৮২)


সহিহ বুখারী ৩৮৬৫

حَدَّثَنَا مُوسَى، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ، حَدَّثَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنِي ابْنُ عَبَّاسٍ، عَنْ عُمَرَ ـ رضى الله عنهم ـ لَمَّا تُوُفِّيَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم قُلْتُ لأَبِي بَكْرٍ انْطَلِقْ بِنَا إِلَى إِخْوَانِنَا مِنَ الأَنْصَارِ‏.‏ فَلَقِيَنَا مِنْهُمْ رَجُلاَنِ صَالِحَانِ شَهِدَا بَدْرًا‏.‏ فَحَدَّثْتُ عُرْوَةَ بْنَ الزُّبَيْرِ فَقَالَ هُمَا عُوَيْمُ بْنُ سَاعِدَةَ، وَمَعْنُ بْنُ عَدِيٍّ‏.‏

আবদুল্লাহ ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ) বলেন, যখন ‘উমার (রাঃ) ইসলাম গ্রহন করলেন, তখন লোকেরা তাঁর গৃহের কাছে জড় হল এবং বলতে লাগল, ‘উমার স্বধর্ম ত্যাগ করেছে। আমি তখন ছোট ছেলে। আমাদের ঘরের ছাদে দাঁড়িয়ে এ দৃশ্য দেখছিলাম। তখন একজন লোক এসে বলল, তার গায়ে রেশমী জুববা ছিল, ‘উমার স্বধর্ম ত্যাগ করেছে, কিন্তু এ সমাবেশ কেন? আমি তাকে আশ্রয় দিচ্ছি। ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ) বলেন, তখন আমি দেখলাম, লোকজন চারিদিকে ছত্রভঙ্গ হয়ে গেল। তখন আমি জিজ্ঞেস করলাম, এ লোকটি কে? লোকেরা বলল, ‘আস ইব্‌নু ওয়াইল। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৭৮, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৫৮৩)


সহিহ বুখারী ৩৮৬৬

حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، سَمِعَ مُحَمَّدَ بْنَ فُضَيْلٍ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ، عَنْ قَيْسٍ، كَانَ عَطَاءُ الْبَدْرِيِّينَ خَمْسَةَ آلاَفٍ خَمْسَةَ آلاَفٍ‏.‏ وَقَالَ عُمَرُ لأُفَضِّلَنَّهُمْ عَلَى مَنْ بَعْدَهُمْ‏.‏

আবদুল্লাহ ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি যখনই ‘উমার (রাঃ) - কে কোন ব্যাপারে এ কথা বলতে শুনেছি যে, আমার মনে হয় ব্যাপারটি এমন হবে, তবে তার ধারণা মত ব্যাপারটি সংঘটিত হয়েছে। একবার ‘উমার (রাঃ) উপবিষ্ট ছিলেন, এমন সময় এক সুদর্শন লোক তার পাশ দিয়ে যাচ্ছিল। ‘উমার (রাঃ) বললেন, আমার ধারণা ভুলও হতে পারে তবে আমার মনে হয় লোকটি জাহেলী ধর্মাবলম্বী কিংবা ভবিষ্যৎ গণনাকারীও হতে পারে। লোকটিকে আমার কাছে নিয়ে এস। তাকে তাঁর কাছে ডেকে আনা হল। ‘উমার (রাঃ) তার ধারণার কথা তাকে শুনালেন। তখন সে বলল, ইতিপূর্বে আমি কোন মুসলিম ব্যক্তিকে এরূপ কথা বলতে দেখিনি। ‘উমার (রাঃ) বললেন, আমি তোমাকে কসম দিয়ে জিজ্ঞেস করছি, তুমি আমাকে তোমার বিষয়টি খুলে বল। সে বলল, জাহিলী যুগে আমি তাদের ভবিষ্যৎ গণনাকারী ছিলাম। ‘উমার (রাঃ) বললেন, জ্বিনেরা তোমাকে যে সব কথাবার্তা বলেছে, তন্মধ্যে কোন কথাটি তোমার কাছে সবচেয়ে বিস্ময়কর ছিল। সে বলল, আমি একদিন বাজারে ছিলাম। তখন একটি মহিলা জ্বিন আমার নিকট আসল। আমি তাকে ভীত-সন্ত্রস্ত দেখতে পেলাম। তখন সে বলল, তুমি কি জ্বিন জাতির অবস্থা দেখছনা, তারা কেমন দুর্বল হয়ে পড়ছে? তাদের মধ্যে হতাশার চিহ্ণ দেখা যাচ্ছে। তারা ক্রমশঃ উটওয়ালাদের এবং চাদর জুব্বা পরিধানকারীদের অনুগত হয়ে পড়ছে। ‘উমার (রাঃ) বললেন, সে সত্য কথা বলেছে। আমি একদিন তাদের দেবতাদের কাছে ঘুমিয়ে ছিলাম। তখন এক লোক একটি গরুর বাছুর নিয়ে হাজির হল এবং সেটা যবেহ করে দিল। ঐ সময় এক লোক এমন বিকট চিৎকার করে উঠল, যা আমি আর কখনো শুনিনি। সে চিৎকার করে বলছিল, হে জলীহ্‌! একটি সাধারণ কল্যাণময় ব্যাপার শীঘ্রই প্রকাশ লাভ করবে। তা হল- একজন শুদ্ধভাষী লোক বলবেন; لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ (শুনে) লোকজন ছুটাছুটি করে পলায়ন করল। আমি বললাম, এ ঘোষণার রহস্য অবশ্যই বের করব। তারপর আবার ঘোষণা দেয়া হল। হে জলীহ্‌! একটি সাধারণ ও কল্যাণময় ব্যাপার অতি শীঘ্র প্রকাশ পাবে। তাহল একজন বাগ্মী ব্যক্তি لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ এর প্রকাশ্যে ঘোষণা দিবে। তারপর আমি উঠে দাঁড়ালাম। এর কিছুদিন পরেই বলা হল যে, ইনিই নবী। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৭৯, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৫৮৪)


সহিহ বুখারী ৩৮৬৭

حَدَّثَنِي إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقْرَأُ فِي الْمَغْرِبِ بِالطُّورِ، وَذَلِكَ أَوَّلَ مَا وَقَرَ الإِيمَانُ فِي قَلْبِي‏.‏

কাইস (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

কাইস (রহঃ) বলেন, আমি সা’ঈদ ইব্‌নু যায়দ (রাঃ) - কে তাঁর গোত্রকে লক্ষ্য করে একথা বলতে শুনেছি যে, আমি দেখেছি ‘উমার (রাঃ) আমাকে এবং তার বোন ফাতিমাকে ইসলাম গ্রহন করার কারণে বেঁধে রেখেছেন। তখন তিনি ইসলাম গ্রহন করেননি। তোমরা ‘উসমান (রাঃ) - এর সাথে যে অসদাচারণ করেছ তার কারণে যদি উহুদ পাহাড় বিদীর্ণ হয় তবে তা হওয়াটাই স্বাভাবিক। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৮০, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৫৮৫)


সহিহ বুখারী > চাঁদকে দুই খন্ড করা।

সহিহ বুখারী ৩৮৬৮

وَعَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جُبَيْرِ بْنِ مُطْعِمٍ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ فِي أُسَارَى بَدْرٍ ‏ ‏ لَوْ كَانَ الْمُطْعِمُ بْنُ عَدِيٍّ حَيًّا ثُمَّ كَلَّمَنِي فِي هَؤُلاَءِ النَّتْنَى لَتَرَكْتُهُمْ لَهُ ‏" ‏‏‏ وَقَالَ اللَّيْثُ عَنْ يَحْيَى، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، وَقَعَتِ الْفِتْنَةُ الأُولَى ـ يَعْنِي مَقْتَلَ عُثْمَانَ ـ فَلَمْ تُبْقِ مِنْ أَصْحَابِ بَدْرٍ أَحَدًا، ثُمَّ وَقَعَتِ الْفِتْنَةُ الثَّانِيَةُ ـ يَعْنِي الْحَرَّةَ ـ فَلَمْ تُبْقِ مِنْ أَصْحَابِ الْحُدَيْبِيَةِ أَحَدًا ثُمَّ وَقَعَتِ الثَّالِثَةُ فَلَمْ تَرْتَفِعْ وَلِلنَّاسِ طَبَاخٌ‏‏

আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, মক্কাবাসী রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে তাঁর নবুওয়াতের নিদর্শন দেখানোর দাবী জানাল। তিনি তাদেরকে চাঁদ দু'খণ্ড করে দেখালেন। এমনকি তারা দু'খণ্ডের মাঝে হেরা পাহাড়কে দেখতে পেল। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৮১, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৫৮৬)


সহিহ বুখারী ৩৮৬৯

حَدَّثَنَا الْحَجَّاجُ بْنُ مِنْهَالٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ النُّمَيْرِيُّ، حَدَّثَنَا يُونُسُ بْنُ يَزِيدَ، قَالَ سَمِعْتُ الزُّهْرِيَّ، قَالَ سَمِعْتُ عُرْوَةَ بْنَ الزُّبَيْرِ، وَسَعِيدَ بْنَ الْمُسَيَّبِ، وَعَلْقَمَةَ بْنَ وَقَّاصٍ، وَعُبَيْدَ اللَّهِ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ حَدِيثِ، عَائِشَةَ ـ رضى الله عنها ـ زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم كُلٌّ ـ حَدَّثَنِي طَائِفَةً مِنَ الْحَدِيثِ ـ قَالَتْ فَأَقْبَلْتُ أَنَا وَأُمُّ مِسْطَحٍ فَعَثَرَتْ أُمُّ مِسْطَحٍ فِي مِرْطِهَا فَقَالَتْ تَعِسَ مِسْطَحٌ‏.‏ فَقُلْتُ بِئْسَ مَا قُلْتِ، تَسُبِّينَ رَجُلاً شَهِدَ بَدْرًا فَذَكَرَ حَدِيثَ الإِفْكِ‏.‏

আবদুল্লাহ (ইব্‌নু মাসউদ) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন চাঁদ দ্বিখণ্ডিত হয় তখন আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর সঙ্গে মিনায় ছিলাম। তিনি আমাদেরকে বললেন, তোমরা সাক্ষী থাক। তখন আমরা দেখলাম, চাঁদের একটি খণ্ড হেরা পাহাড়ের দিকে চলে গেল। আবূ যুহা মাসরূকের বরাত দিয়ে ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণনা করেন যে, চাঁদ দ্বিখণ্ডিত হয় মক্কায়। মুহাম্মাদ বিন মুসলিম অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৮২, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৫৮৭)


সহিহ বুখারী ৩৮৭০

حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْمُنْذِرِ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُلَيْحِ بْنِ سُلَيْمَانَ، عَنْ مُوسَى بْنِ عُقْبَةَ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، قَالَ هَذِهِ مَغَازِي رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم‏.‏ فَذَكَرَ الْحَدِيثَ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَهْوَ يُلْقِيهِمْ ‏‏ هَلْ وَجَدْتُمْ مَا وَعَدَكُمْ رَبُّكُمْ حَقًّا ‏"‏‏.‏ قَالَ مُوسَى قَالَ نَافِعٌ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ قَالَ نَاسٌ مِنْ أَصْحَابِهِ يَا رَسُولَ اللَّهِ تُنَادِي نَاسًا أَمْوَاتًا قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ مَا أَنْتُمْ بِأَسْمَعَ لِمَا قُلْتُ مِنْهُمْ ‏"‏‏.‏ قَالَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ فَجَمِيعُ مَنْ شَهِدَ بَدْرًا مِنْ قُرَيْشٍ مِمَّنْ ضُرِبَ لَهُ بِسَهْمِهِ أَحَدٌ وَثَمَانُونَ رَجُلاً، وَكَانَ عُرْوَةُ بْنُ الزُّبَيْرِ يَقُولُ قَالَ الزُّبَيْرُ قُسِمَتْ سُهْمَانُهُمْ فَكَانُوا مِائَةً، وَاللَّهُ أَعْلَمُ‏.‏"

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর যুগে চাঁদ দু’খণ্ড হয়েছিল। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৮৩, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৫৮৮)


সহিহ বুখারী ৩৮৭১

حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُوسَى، أَخْبَرَنَا هِشَامٌ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ الزُّبَيْرِ، قَالَ ضُرِبَتْ يَوْمَ بَدْرٍ لِلْمُهَاجِرِينَ بِمِائَةِ سَهْمٍ‏.‏

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর যুগে) চাঁদ দু’খণ্ড হয়েছিল। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৮৪, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৫৮৯)


🔄 লোড হচ্ছে...
ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية