সহিহ বুখারী > নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও সাহাবীগণ মক্কার মুশরিকদের দ্বারা যে দুঃখ জ্বালা ভোগ করেছেন তার বিবরণ।

সহিহ বুখারী ৩৮৫৩

حدثنا سليمان بن حرب حدثنا شعبة عن أبي إسحاق عن الأسود عن عبد الله قال قرأ النبي صلى الله عليه وسلم النجم فسجد فما بقي أحد إلا سجد إلا رجل رأيته أخذ كفا من حصا فرفعه فسجد عليه وقال هذا يكفيني فلقد رأيته بعد قتل كافرا بالله

আবদুল্লাহ [ইব্‌নু মাসউদ (রাঃ)] থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূরা আন-নাজ্‌ম তিলাওয়াত করে সাজদাহ করলেন। তখন এক ব্যক্তি ছাড়া সকলেই সাজ্‌দাহ করলেন। ঐ ব্যক্তিকে আমি দেখলাম, সে এক মুষ্ঠি কাঁকর তুলে নিয়ে তার উপর সাজ্‌দাহ করল এবং সে বলল, আমার জন্য এমন সাজ্‌দাহ করাই ষথেষ্ট। [‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন] পরবর্তী সময়ে আমি তাকে কাফির অবস্থায় নিহত হতে দেখেছি। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৬৬, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৫৭১)

আবদুল্লাহ [ইব্‌নু মাসউদ (রাঃ)] থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূরা আন-নাজ্‌ম তিলাওয়াত করে সাজদাহ করলেন। তখন এক ব্যক্তি ছাড়া সকলেই সাজ্‌দাহ করলেন। ঐ ব্যক্তিকে আমি দেখলাম, সে এক মুষ্ঠি কাঁকর তুলে নিয়ে তার উপর সাজ্‌দাহ করল এবং সে বলল, আমার জন্য এমন সাজ্‌দাহ করাই ষথেষ্ট। [‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন] পরবর্তী সময়ে আমি তাকে কাফির অবস্থায় নিহত হতে দেখেছি। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৬৬, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৫৭১)

حدثنا سليمان بن حرب حدثنا شعبة عن أبي إسحاق عن الأسود عن عبد الله قال قرأ النبي صلى الله عليه وسلم النجم فسجد فما بقي أحد إلا سجد إلا رجل رأيته أخذ كفا من حصا فرفعه فسجد عليه وقال هذا يكفيني فلقد رأيته بعد قتل كافرا بالله


সহিহ বুখারী ৩৮৫৬

حدثنا عياش بن الوليد حدثنا الوليد بن مسلم حدثني الأوزاعي حدثني يحيى بن أبي كثير عن محمد بن إبراهيم التيمي قال حدثني عروة بن الزبير قال سألت ابن عمرو بن العاص أخبرني بأشد شيء صنعه المشركون بالنبي قال بينا النبي صلى الله عليه وسلم يصلي في حجر الكعبة إذ أقبل عقبة بن أبي معيط فوضع ثوبه في عنقه فخنقه خنقا شديدا فأقبل أبو بكر حتى أخذ بمنكبه ودفعه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال أتقتلون رجلا أن يقول ربـي الله (غافر : 28) الآية تابعه ابن إسحاق حدثني يحيى بن عروة عن عروة قلت لعبد الله بن عمرو وقال عبدة عن هشام عن أبيه قيل لعمرو بن العاص وقال محمد بن عمرو عن أبي سلمة حدثني عمرو بن العاص

উরওয়াহ ইব্‌নু যুবায়র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘উরওয়াহ ইব্‌নু যুবায়র (রহঃ) বলেন, আমি ‘আবদুল্লাহ ইব্‌নু ‘আমর ইব্‌নুল ‘আস (রাঃ) এর নিকটে বললাম, মক্কার মুশরিক কর্তৃক নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর সঙ্গে সর্বাপেক্ষা কঠোর আচরণের বর্ণনা দিন। তিনি বললেন, একদিন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কা’বা শরীফের হিজর নামক স্থানে সলাত আদায় করছিলেন। তখন ‘উকবাহ ইব্‌নু আবূ মু’য়াইত এল এবং তার চাদর দিয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর কন্ঠনালি পেচিয়ে শ্বাসরুদ্ধ করে ফেলল। তখন আবূ বকর (রাঃ) এগিয়ে এসে ‘উকবাহ্‌কে কাঁধে ধরে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর নিকট হতে হটিয়ে দিলেন এবং বললেন, “তোমরা এমন লোককে হত্যা করতে চাও যিনি বলেন, একমাত্র আল্লাহই আমার রব।” (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৬৯, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৫৭৪)

উরওয়াহ ইব্‌নু যুবায়র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘উরওয়াহ ইব্‌নু যুবায়র (রহঃ) বলেন, আমি ‘আবদুল্লাহ ইব্‌নু ‘আমর ইব্‌নুল ‘আস (রাঃ) এর নিকটে বললাম, মক্কার মুশরিক কর্তৃক নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর সঙ্গে সর্বাপেক্ষা কঠোর আচরণের বর্ণনা দিন। তিনি বললেন, একদিন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কা’বা শরীফের হিজর নামক স্থানে সলাত আদায় করছিলেন। তখন ‘উকবাহ ইব্‌নু আবূ মু’য়াইত এল এবং তার চাদর দিয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর কন্ঠনালি পেচিয়ে শ্বাসরুদ্ধ করে ফেলল। তখন আবূ বকর (রাঃ) এগিয়ে এসে ‘উকবাহ্‌কে কাঁধে ধরে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর নিকট হতে হটিয়ে দিলেন এবং বললেন, “তোমরা এমন লোককে হত্যা করতে চাও যিনি বলেন, একমাত্র আল্লাহই আমার রব।” (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৬৯, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৫৭৪)

حدثنا عياش بن الوليد حدثنا الوليد بن مسلم حدثني الأوزاعي حدثني يحيى بن أبي كثير عن محمد بن إبراهيم التيمي قال حدثني عروة بن الزبير قال سألت ابن عمرو بن العاص أخبرني بأشد شيء صنعه المشركون بالنبي قال بينا النبي صلى الله عليه وسلم يصلي في حجر الكعبة إذ أقبل عقبة بن أبي معيط فوضع ثوبه في عنقه فخنقه خنقا شديدا فأقبل أبو بكر حتى أخذ بمنكبه ودفعه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال أتقتلون رجلا أن يقول ربـي الله (غافر : 28) الآية تابعه ابن إسحاق حدثني يحيى بن عروة عن عروة قلت لعبد الله بن عمرو وقال عبدة عن هشام عن أبيه قيل لعمرو بن العاص وقال محمد بن عمرو عن أبي سلمة حدثني عمرو بن العاص


সহিহ বুখারী ৩৮৫২

حدثنا الحميدي حدثنا سفيان حدثنا بيان وإسماعيل قالا سمعنا قيسا يقول سمعت خبابا يقول أتيت النبي صلى الله عليه وسلم وهو متوسد بردة وهو في ظل الكعبة وقد لقينا من المشركين شدة فقلت يا رسول الله ألا تدعو الله فقعد وهو محمر وجهه فقال لقد كان من قبلكم ليمشط بمشاط الحديد ما دون عظامه من لحم أو عصب ما يصرفه ذلك عن دينه ويوضع المنشار على مفرق رأسه فيشق باثنين ما يصرفه ذلك عن دينه وليتمن الله هذا الأمر حتى يسير الراكب من صنعاء إلى حضرموت ما يخاف إلا الله زاد بيان والذئب على غنمه

খাব্‌বাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

খাব্‌বাব (রাঃ) বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিকট হাযির হলাম। তখন তিনি তাঁর নিজের চাদরকে বালিশ বানিয়ে কা’বা গৃহের ছায়ায় বিশ্রাম গ্রহণ করছিলেন। আমরা মুশরিকদের পক্ষ হতে কঠিন নির্যাতন ভোগ করছিলাম। তাই আমি বললাম, আপনি কি আল্লাহ্‌র কাছে দু’আ করবেন না? তখন তিনি উঠে বসলেন এবং তাঁর চেহারা লাল হয়ে গেল। তিনি বললেন, তোমাদের পূর্বের ঈমানদারদের মধ্যে কারো কারো শরীরের হাড় পর্যন্ত তামাম গোশত ও শিরা উপশিরাগুলি লোহার চিরুণী দিয়ে আঁচড়ে বের করে ফেলা হত। কিন্তু এসব নির্যাতনও তাদেরকে দ্বীন হতে বিমুখ করতে পারত না। তাঁদের মধ্যে কারো মাথার মাঝখানে করাত রেখে তাকে দ্বিখন্ডিত করে ফেলা হত। কিন্তু এ নির্যাতনও তাঁদেরকে তাঁদের দ্বীন হতে ফিরাতে পারত না। আল্লাহ্‌র কসম, আল্লাহ্‌ তা’আলা অবশ্যই দ্বীনকে পরিপূর্ণ করবেন, ফলে একজন উষ্ট্রারোহী সান’আ হতে হাযারা মাউত পর্যন্ত একাই সফর করবে। আল্লাহ্‌ ছাড়া অন্য কাউকে সে ভয় করবে না। বারী (রহঃ) আরো বেশি বর্ণনা করেন - এবং তার মেষ পালের উপর নেকড়ে বাঘের আক্রমণ ছাড়া অন্য কোন ভয় সে করবে না। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৬৫, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৫৭০)

খাব্‌বাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

খাব্‌বাব (রাঃ) বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিকট হাযির হলাম। তখন তিনি তাঁর নিজের চাদরকে বালিশ বানিয়ে কা’বা গৃহের ছায়ায় বিশ্রাম গ্রহণ করছিলেন। আমরা মুশরিকদের পক্ষ হতে কঠিন নির্যাতন ভোগ করছিলাম। তাই আমি বললাম, আপনি কি আল্লাহ্‌র কাছে দু’আ করবেন না? তখন তিনি উঠে বসলেন এবং তাঁর চেহারা লাল হয়ে গেল। তিনি বললেন, তোমাদের পূর্বের ঈমানদারদের মধ্যে কারো কারো শরীরের হাড় পর্যন্ত তামাম গোশত ও শিরা উপশিরাগুলি লোহার চিরুণী দিয়ে আঁচড়ে বের করে ফেলা হত। কিন্তু এসব নির্যাতনও তাদেরকে দ্বীন হতে বিমুখ করতে পারত না। তাঁদের মধ্যে কারো মাথার মাঝখানে করাত রেখে তাকে দ্বিখন্ডিত করে ফেলা হত। কিন্তু এ নির্যাতনও তাঁদেরকে তাঁদের দ্বীন হতে ফিরাতে পারত না। আল্লাহ্‌র কসম, আল্লাহ্‌ তা’আলা অবশ্যই দ্বীনকে পরিপূর্ণ করবেন, ফলে একজন উষ্ট্রারোহী সান’আ হতে হাযারা মাউত পর্যন্ত একাই সফর করবে। আল্লাহ্‌ ছাড়া অন্য কাউকে সে ভয় করবে না। বারী (রহঃ) আরো বেশি বর্ণনা করেন - এবং তার মেষ পালের উপর নেকড়ে বাঘের আক্রমণ ছাড়া অন্য কোন ভয় সে করবে না। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৬৫, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৫৭০)

حدثنا الحميدي حدثنا سفيان حدثنا بيان وإسماعيل قالا سمعنا قيسا يقول سمعت خبابا يقول أتيت النبي صلى الله عليه وسلم وهو متوسد بردة وهو في ظل الكعبة وقد لقينا من المشركين شدة فقلت يا رسول الله ألا تدعو الله فقعد وهو محمر وجهه فقال لقد كان من قبلكم ليمشط بمشاط الحديد ما دون عظامه من لحم أو عصب ما يصرفه ذلك عن دينه ويوضع المنشار على مفرق رأسه فيشق باثنين ما يصرفه ذلك عن دينه وليتمن الله هذا الأمر حتى يسير الراكب من صنعاء إلى حضرموت ما يخاف إلا الله زاد بيان والذئب على غنمه


সহিহ বুখারী ৩৮৫৪

حدثني محمد بن بشار حدثنا غندر حدثنا شعبة عن أبي إسحاق عن عمرو بن ميمون عن عبد الله قال بينا النبي صلى الله عليه وسلم ساجد وحوله ناس من قريش جاء عقبة بن أبي معيط بسلى جزور فقذفه على ظهر النبي صلى الله عليه وسلم فلم يرفع رأسه فجاءت فاطمة عليها السلام فأخذته من ظهره ودعت على من صنع فقال النبي صلى الله عليه وسلم اللهم عليك الملا من قريش أبا جهل بن هشام وعتبة بن ربيعة وشيبة بن ربيعة وأمية بن خلف أو أبي بن خلف شعبة الشاك فرأيتهم قتلوا يوم بدر فألقوا في بئر غير أمية بن خلف أو أبي تقطعت أوصاله فلم يلق في البئر

আবদুল্লাহ (ইব্‌নু মাস’উদ) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাজদাহ করলেন। তাঁর আশেপাশে কয়েকজন কুরাইশ লোক বসেছিল এমন সময় উকবা ইব্‌নু আবূ মুয়াইত উটের নাড়িভূঁড়ি নিয়ে উপস্থিত হল এবং নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর পিঠের উপর চাপিয়ে দিল। ফলে তিনি তাঁর মাথা উঠাতে পারলেন না। ফাতিমাহ (রাঃ) এসে তাঁর পিঠের উপর হতে তা হটিয়ে দিলেন এবং যে এ কাজটি করেছে তার জন্য বদ দূ’আ করলেন। এরপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হে আল্লাহ্‌! পাকড়াও কর কুরাইশ নেতৃবৃন্দকে - আবূ জাহাল ইব্‌নু হিশাম, ‘উৎবা ইবনু রাবি’য়াহ, শায়বাহ ইব্‌নু রাবি’য়াহ, উমাইয়াহ ইব্‌নু খালফ অথবা উবাই ইব্‌নু খালাফ। উমাইয়াহ ইব্‌নু খালফ না উবাই ইব্‌নু খালফ এ বিষয়ে শু’বা রাবী সন্দেহ করেন। (ইব্‌নু মাসউদ (রাঃ) বলেন, আমি এদের সবাইকে বদর যুদ্ধে নিহত অবস্থায় দেখেছি। উমাইয়া অথবা উবাই ছাড়া তাদের সকলকে সে দিন একটি কূপে ফেলা হয়েছিল। তার জোড়গুলি এমনভাবে ছিন্নভিন্ন হয়েছিল যে তাকে কূপে ফেলা যায়নি। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৬৭, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৫৭২)

আবদুল্লাহ (ইব্‌নু মাস’উদ) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাজদাহ করলেন। তাঁর আশেপাশে কয়েকজন কুরাইশ লোক বসেছিল এমন সময় উকবা ইব্‌নু আবূ মুয়াইত উটের নাড়িভূঁড়ি নিয়ে উপস্থিত হল এবং নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর পিঠের উপর চাপিয়ে দিল। ফলে তিনি তাঁর মাথা উঠাতে পারলেন না। ফাতিমাহ (রাঃ) এসে তাঁর পিঠের উপর হতে তা হটিয়ে দিলেন এবং যে এ কাজটি করেছে তার জন্য বদ দূ’আ করলেন। এরপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হে আল্লাহ্‌! পাকড়াও কর কুরাইশ নেতৃবৃন্দকে - আবূ জাহাল ইব্‌নু হিশাম, ‘উৎবা ইবনু রাবি’য়াহ, শায়বাহ ইব্‌নু রাবি’য়াহ, উমাইয়াহ ইব্‌নু খালফ অথবা উবাই ইব্‌নু খালাফ। উমাইয়াহ ইব্‌নু খালফ না উবাই ইব্‌নু খালফ এ বিষয়ে শু’বা রাবী সন্দেহ করেন। (ইব্‌নু মাসউদ (রাঃ) বলেন, আমি এদের সবাইকে বদর যুদ্ধে নিহত অবস্থায় দেখেছি। উমাইয়া অথবা উবাই ছাড়া তাদের সকলকে সে দিন একটি কূপে ফেলা হয়েছিল। তার জোড়গুলি এমনভাবে ছিন্নভিন্ন হয়েছিল যে তাকে কূপে ফেলা যায়নি। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৬৭, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৫৭২)

حدثني محمد بن بشار حدثنا غندر حدثنا شعبة عن أبي إسحاق عن عمرو بن ميمون عن عبد الله قال بينا النبي صلى الله عليه وسلم ساجد وحوله ناس من قريش جاء عقبة بن أبي معيط بسلى جزور فقذفه على ظهر النبي صلى الله عليه وسلم فلم يرفع رأسه فجاءت فاطمة عليها السلام فأخذته من ظهره ودعت على من صنع فقال النبي صلى الله عليه وسلم اللهم عليك الملا من قريش أبا جهل بن هشام وعتبة بن ربيعة وشيبة بن ربيعة وأمية بن خلف أو أبي بن خلف شعبة الشاك فرأيتهم قتلوا يوم بدر فألقوا في بئر غير أمية بن خلف أو أبي تقطعت أوصاله فلم يلق في البئر


সহিহ বুখারী ৩৮৫৫

حدثنا عثمان بن أبي شيبة حدثنا جرير عن منصور حدثني سعيد بن جبير أو قال حدثني الحكم عن سعيد بن جبير قال أمرني عبد الرحمن بن أبزى قال سل ابن عباس عن هاتين الآيتين ما أمرهما ولا تقتلوا النفس التي حرم الله إلا بالحق (القرقان : 68)ومن يقتل مؤمنا متعمدا (النساء :93) فسألت ابن عباس فقال لما أنزلت التي في الفرقان قال مشركو أهل مكة فقد قتلنا النفس التي حرم الله ودعونا مع الله إلها آخر وقد أتينا الفواحش فأنزل الله إلا من تاب واٰمن (الفرقان : 70) الآية فهذه لأولئك وأما التي في النساء الرجل إذا عرف الإسلام وشرائعه ثم قتل فجزاؤه جهنم فذكرته لمجاهد فقال إلا من ندم

সা’ঈদ ইব্‌নু জুবায়র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘আবদুর রাহমান ইব্‌নু আবযা (রাঃ) একদিন আমাকে আদেশ করলেন যে, ‘আবদুল্লাহ ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) কে আয়াত দুটি সম্পর্কে জিজ্ঞেস কর, এর অর্থ কী? আয়াতটি হল এই “আল্লাহ্‌ যার হত্যা নিষিদ্ধ করেছেন, যথার্থ কারণ ছাড়া তাকে হত্যা করবে না।” (আল ফুরকানঃ ৬৮) এবং “যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে কোন মু’মিনকে হত্যা করে।” (আন নিসাঃ ৯৩) আমি ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) কে জিজ্ঞেস করলাম তখন তিনি বললেন, যখন সূরা আল-ফুরকানের আয়াতটি নাযিল করা হল তখন মক্কার মুশ্‌রিকরা বলল, আমরা তো মানুষকে হত্যা করেছি যা আল্লাহ্‌ হারাম করেছেন এবং আল্লাহ্‌র সাথে অন্যকে মা’বুদ হিসেবে শরীক করেছি। আরো নানা রকম অশ্লীল কাজ কর্ম করেছি। তখন আল্লাহ্‌ তা’আলা নাযিল করলেন, “কিন্তু যারা তওবা করেছে এবং ঈমান এনেছে....” (আল ফুরকানঃ ৭০) সুতরাং এ আয়াতটি তাদের জন্য প্রযোজ্য। আর সূরা নিসার যে আয়াতটি রয়েছে তা ঐ ব্যক্তি সম্পর্কে যে ইসলাম ও তার বিধি-বিধানকে জেনে বুঝে কবুল করার পর কাউকে (ইচ্ছাকৃত) হত্যা করেছে। তখন তার শাস্তি জাহান্নাম। তারপর মুজাহিদ (রহঃ) কে আমি এ বিষয় জানালাম। তিনি বললেন, তবে যদি কেউ অনুশোচনা করে ...। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৬৮, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৫৭৩)

সা’ঈদ ইব্‌নু জুবায়র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘আবদুর রাহমান ইব্‌নু আবযা (রাঃ) একদিন আমাকে আদেশ করলেন যে, ‘আবদুল্লাহ ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) কে আয়াত দুটি সম্পর্কে জিজ্ঞেস কর, এর অর্থ কী? আয়াতটি হল এই “আল্লাহ্‌ যার হত্যা নিষিদ্ধ করেছেন, যথার্থ কারণ ছাড়া তাকে হত্যা করবে না।” (আল ফুরকানঃ ৬৮) এবং “যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে কোন মু’মিনকে হত্যা করে।” (আন নিসাঃ ৯৩) আমি ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) কে জিজ্ঞেস করলাম তখন তিনি বললেন, যখন সূরা আল-ফুরকানের আয়াতটি নাযিল করা হল তখন মক্কার মুশ্‌রিকরা বলল, আমরা তো মানুষকে হত্যা করেছি যা আল্লাহ্‌ হারাম করেছেন এবং আল্লাহ্‌র সাথে অন্যকে মা’বুদ হিসেবে শরীক করেছি। আরো নানা রকম অশ্লীল কাজ কর্ম করেছি। তখন আল্লাহ্‌ তা’আলা নাযিল করলেন, “কিন্তু যারা তওবা করেছে এবং ঈমান এনেছে....” (আল ফুরকানঃ ৭০) সুতরাং এ আয়াতটি তাদের জন্য প্রযোজ্য। আর সূরা নিসার যে আয়াতটি রয়েছে তা ঐ ব্যক্তি সম্পর্কে যে ইসলাম ও তার বিধি-বিধানকে জেনে বুঝে কবুল করার পর কাউকে (ইচ্ছাকৃত) হত্যা করেছে। তখন তার শাস্তি জাহান্নাম। তারপর মুজাহিদ (রহঃ) কে আমি এ বিষয় জানালাম। তিনি বললেন, তবে যদি কেউ অনুশোচনা করে ...। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৬৮, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৫৭৩)

حدثنا عثمان بن أبي شيبة حدثنا جرير عن منصور حدثني سعيد بن جبير أو قال حدثني الحكم عن سعيد بن جبير قال أمرني عبد الرحمن بن أبزى قال سل ابن عباس عن هاتين الآيتين ما أمرهما ولا تقتلوا النفس التي حرم الله إلا بالحق (القرقان : 68)ومن يقتل مؤمنا متعمدا (النساء :93) فسألت ابن عباس فقال لما أنزلت التي في الفرقان قال مشركو أهل مكة فقد قتلنا النفس التي حرم الله ودعونا مع الله إلها آخر وقد أتينا الفواحش فأنزل الله إلا من تاب واٰمن (الفرقان : 70) الآية فهذه لأولئك وأما التي في النساء الرجل إذا عرف الإسلام وشرائعه ثم قتل فجزاؤه جهنم فذكرته لمجاهد فقال إلا من ندم


সহিহ বুখারী > আবূ বক্‌র সিদ্দীক (রাঃ) - এর ইসলাম গ্রহন।

সহিহ বুখারী ৩৮৫৭

حدثني عبد الله بن حماد الآملي قال حدثني يحيى بن معين حدثنا إسماعيل بن مجالد عن بيان عن وبرة عن همام بن الحارث قال قال عمار بن ياسر رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم وما معه إلا خمسة أعبد وامرأتان وأبو بكر

আম্মার ইব্‌নু ইয়াসির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আম্মার ইব্‌নু ইয়াসির (রাঃ) বলেন, আমি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর সাথে এমন অবস্থায় সাক্ষাৎ করলাম যে, তখন তাঁর সঙ্গে মুসলিম পাঁচজন ক্রীতদাস, দু’জন মহিলা ও আবূ বকর (রাঃ) ব্যতীত অন্য কেউ ছিল না। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৭০, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৫৭৫)

আম্মার ইব্‌নু ইয়াসির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আম্মার ইব্‌নু ইয়াসির (রাঃ) বলেন, আমি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর সাথে এমন অবস্থায় সাক্ষাৎ করলাম যে, তখন তাঁর সঙ্গে মুসলিম পাঁচজন ক্রীতদাস, দু’জন মহিলা ও আবূ বকর (রাঃ) ব্যতীত অন্য কেউ ছিল না। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৭০, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৫৭৫)

حدثني عبد الله بن حماد الآملي قال حدثني يحيى بن معين حدثنا إسماعيل بن مجالد عن بيان عن وبرة عن همام بن الحارث قال قال عمار بن ياسر رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم وما معه إلا خمسة أعبد وامرأتان وأبو بكر


সহিহ বুখারী > সা’দ ইব্‌নু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) - এর ইসলাম গ্রহন।

সহিহ বুখারী ৩৮৫৮

حدثني إسحاق أخبرنا أبو أسامة حدثنا هاشم قال سمعت سعيد بن المسيب قال سمعت أبا إسحاق سعد بن أبي وقاص يقول ما أسلم أحد إلا في اليوم الذي أسلمت فيه ولقد مكثت سبعة أيام وإني لثلث الإسلام

সা’দ ইব্‌নু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

সা’দ ইব্‌নু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) বলেন, যেদিন আমি ইসলাম গ্রহন করলাম সেদিন ছাড়া তার পূর্বে কেউ ইসলাম গ্রহন করেনি। আর আমি সাতদিন পর্যন্ত (বয়স্কদের মধ্যে) ইসলাম গ্রহনকারী তৃতীয় জন ছিলাম। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৭১, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৫৭৬)

সা’দ ইব্‌নু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

সা’দ ইব্‌নু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) বলেন, যেদিন আমি ইসলাম গ্রহন করলাম সেদিন ছাড়া তার পূর্বে কেউ ইসলাম গ্রহন করেনি। আর আমি সাতদিন পর্যন্ত (বয়স্কদের মধ্যে) ইসলাম গ্রহনকারী তৃতীয় জন ছিলাম। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৭১, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৫৭৬)

حدثني إسحاق أخبرنا أبو أسامة حدثنا هاشم قال سمعت سعيد بن المسيب قال سمعت أبا إسحاق سعد بن أبي وقاص يقول ما أسلم أحد إلا في اليوم الذي أسلمت فيه ولقد مكثت سبعة أيام وإني لثلث الإسلام


সহিহ বুখারী > জ্বিনদের উল্লেখ।

সহিহ বুখারী ৩৮৫৯

حدثني عبيد الله بن سعيد حدثنا أبو أسامة حدثنا مسعر عن معن بن عبد الرحمن قال سمعت أبي قال سألت مسروقا من آذن النبي صلى الله عليه وسلم بالجن ليلة استمعوا القرآن فقال حدثني أبوك يعني عبد الله أنه آذنت بهم شجرة

আবদুর রহমান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবদুর রহমান (রহঃ) বলেন, আমি মাসরূক (রহঃ) - কে জিজ্ঞেস করলাম, যে রাতে জ্বিনরা মনযোগের সঙ্গে কুরআন শ্রবণ করেছিল ঐ রাতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে তাদের উপস্থিতির খবর কে দিয়েছিল? তিনি বললেন, তোমার পিতা ‘আবদুল্লাহ [ইব্‌নু মাসউদ (রাঃ)] আমাকে বলেছেন যে, একটি গাছ তাদের উপস্থিতির খবর দিয়েছিল। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৭২, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৫৭৭)

আবদুর রহমান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবদুর রহমান (রহঃ) বলেন, আমি মাসরূক (রহঃ) - কে জিজ্ঞেস করলাম, যে রাতে জ্বিনরা মনযোগের সঙ্গে কুরআন শ্রবণ করেছিল ঐ রাতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে তাদের উপস্থিতির খবর কে দিয়েছিল? তিনি বললেন, তোমার পিতা ‘আবদুল্লাহ [ইব্‌নু মাসউদ (রাঃ)] আমাকে বলেছেন যে, একটি গাছ তাদের উপস্থিতির খবর দিয়েছিল। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৭২, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৫৭৭)

حدثني عبيد الله بن سعيد حدثنا أبو أسامة حدثنا مسعر عن معن بن عبد الرحمن قال سمعت أبي قال سألت مسروقا من آذن النبي صلى الله عليه وسلم بالجن ليلة استمعوا القرآن فقال حدثني أبوك يعني عبد الله أنه آذنت بهم شجرة


সহিহ বুখারী ৩৮৬০

حدثنا موسى بن إسماعيل حدثنا عمرو بن يحيى بن سعيد قال أخبرني جدي عن أبي هريرة أنه كان يحمل مع النبي صلى الله عليه وسلم إداوة لوضوئه وحاجته فبينما هو يتبعه بها فقال من هذا فقال أنا أبو هريرة فقال ابغني أحجارا أستنفض بها ولا تأتني بعظم ولا بروثة فأتيته بأحجار أحملها في طرف ثوبي حتى وضعتها إلى جنبه ثم انصرفت حتى إذا فرغ مشيت فقلت ما بال العظم والروثة قال هما من طعام الجن وإنه أتاني وفد جن نصيبين ونعم الجن فسألوني الزاد فدعوت الله لهم أن لا يمروا بعظم ولا بروثة إلا وجدوا عليها طعاما

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর উযু ও ইস্তিন্‌জার ব্যবহারের জন্য পানি ভর্তি একটি পাত্র নিয়ে পিছনে পিছনে যাচ্ছিলেন, হঠাৎ তিনি তাকিয়ে বললেন, কে? আমি বললাম, আমি আবূ হুরায়রা। তিনি বললেন, আমাকে কয়েকটি পাথর তালাশ করে দাও। আমি তা দিয়ে ইস্তিন্‌জা করব। [১] তবে, হাড় এবং গোবর আনবে না। আমি আমার কাপড়ের কিনারায় কয়েকটি পাথর এনে তাঁর কাছে রেখে দিলাম এবং আমি সেখান থেকে কিছুটা দূরে গেলাম। তিনি যখন ইস্তিন্‌জা হতে বেরোলেন, তখন আমি এগিয়ে তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম, হাড় ও গোবরের ব্যাপার কি? তিনি বললেন, এগুলো জ্বিনের খাবার। আমার কাছে নাসীবীন [২] নামের জায়গা হতে জ্বিনের একটি প্রতিনিধি দল এসেছিল। তারা ভাল জ্বিন ছিল। তারা আমার কাছে খাদ্যদ্রব্যের আবেদন জানাল। তখন আমি আল্লাহ্‌র নিকট দু'আ করলাম যে, যখন কোন হাড্ডি বা গোবর তারা লাভ করে তখন তারা যেন তাতে খাদ্য পায়। [৩] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৭৩, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৫৭৮)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর উযু ও ইস্তিন্‌জার ব্যবহারের জন্য পানি ভর্তি একটি পাত্র নিয়ে পিছনে পিছনে যাচ্ছিলেন, হঠাৎ তিনি তাকিয়ে বললেন, কে? আমি বললাম, আমি আবূ হুরায়রা। তিনি বললেন, আমাকে কয়েকটি পাথর তালাশ করে দাও। আমি তা দিয়ে ইস্তিন্‌জা করব। [১] তবে, হাড় এবং গোবর আনবে না। আমি আমার কাপড়ের কিনারায় কয়েকটি পাথর এনে তাঁর কাছে রেখে দিলাম এবং আমি সেখান থেকে কিছুটা দূরে গেলাম। তিনি যখন ইস্তিন্‌জা হতে বেরোলেন, তখন আমি এগিয়ে তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম, হাড় ও গোবরের ব্যাপার কি? তিনি বললেন, এগুলো জ্বিনের খাবার। আমার কাছে নাসীবীন [২] নামের জায়গা হতে জ্বিনের একটি প্রতিনিধি দল এসেছিল। তারা ভাল জ্বিন ছিল। তারা আমার কাছে খাদ্যদ্রব্যের আবেদন জানাল। তখন আমি আল্লাহ্‌র নিকট দু'আ করলাম যে, যখন কোন হাড্ডি বা গোবর তারা লাভ করে তখন তারা যেন তাতে খাদ্য পায়। [৩] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৭৩, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৫৭৮)

حدثنا موسى بن إسماعيل حدثنا عمرو بن يحيى بن سعيد قال أخبرني جدي عن أبي هريرة أنه كان يحمل مع النبي صلى الله عليه وسلم إداوة لوضوئه وحاجته فبينما هو يتبعه بها فقال من هذا فقال أنا أبو هريرة فقال ابغني أحجارا أستنفض بها ولا تأتني بعظم ولا بروثة فأتيته بأحجار أحملها في طرف ثوبي حتى وضعتها إلى جنبه ثم انصرفت حتى إذا فرغ مشيت فقلت ما بال العظم والروثة قال هما من طعام الجن وإنه أتاني وفد جن نصيبين ونعم الجن فسألوني الزاد فدعوت الله لهم أن لا يمروا بعظم ولا بروثة إلا وجدوا عليها طعاما


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00