সহিহ বুখারী > নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর উক্তিঃ তাদের (আনসারদের) সৎকর্মশীলদের পক্ষ হতে (সৎ কার্য) কবূল কর, এবং তাদের ভুল-ভ্রান্তিকারীদের ক্ষমা করে দাও।
সহিহ বুখারী ৩৮০০
حدثنا أحمد بن يعقوب حدثنا ابن الغسيل سمعت عكرمة يقول سمعت ابن عباس رضي الله عنهما يقول خرج رسول الله صلى الله عليه وسلم وعليه ملحفة متعطفا بها على منكبيه وعليه عصابة دسماء حتى جلس على المنبر فحمد الله وأثنى عليه ثم قال أما بعد أيها الناس فإن الناس يكثرون وتقل الأنصار حتى يكونوا كالملح في الطعام فمن ولي منكم أمرا يضر فيه أحدا أو ينفعه فليقبل من محسنهم ويتجاوز عن مسيئهم
ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি চাদর গায়ে জড়িয়ে, চাদরের দু-প্রান্ত দু’কাধে পেঁচিয়ে এবং মাথায় একটি কাল রঙের পাগড়ী বেঁধে বের হলেন এবং মিম্বরে উঠে বসলেন। হাম্দ ও সানার পর বললেন, হে লোক সকল, জনসংখ্যা ক্রমশঃ বাড়তে থাকবে আর আনসারগণের সংখ্যা ক্রমশঃ কমতে থাকবে! এমনকি তারা খাবারে লবণের পরিমাণের মত হয়ে যাবে। তোমাদের মধ্যে যদি কেউ এমন ক্ষমতা ও কর্তৃত্ব লাভ করে যে ইচ্ছা করলে কারো উপকার বা অপকার করতে পারে, তখন সে যেন নেক্কার আনসারদের নেক্ ‘আমালগুলো গ্রহণ করে এবং তাদের ভুল-ত্রুটি মাফ করে দেয়। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫১৮, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৫২৫)
ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি চাদর গায়ে জড়িয়ে, চাদরের দু-প্রান্ত দু’কাধে পেঁচিয়ে এবং মাথায় একটি কাল রঙের পাগড়ী বেঁধে বের হলেন এবং মিম্বরে উঠে বসলেন। হাম্দ ও সানার পর বললেন, হে লোক সকল, জনসংখ্যা ক্রমশঃ বাড়তে থাকবে আর আনসারগণের সংখ্যা ক্রমশঃ কমতে থাকবে! এমনকি তারা খাবারে লবণের পরিমাণের মত হয়ে যাবে। তোমাদের মধ্যে যদি কেউ এমন ক্ষমতা ও কর্তৃত্ব লাভ করে যে ইচ্ছা করলে কারো উপকার বা অপকার করতে পারে, তখন সে যেন নেক্কার আনসারদের নেক্ ‘আমালগুলো গ্রহণ করে এবং তাদের ভুল-ত্রুটি মাফ করে দেয়। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫১৮, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৫২৫)
حدثنا أحمد بن يعقوب حدثنا ابن الغسيل سمعت عكرمة يقول سمعت ابن عباس رضي الله عنهما يقول خرج رسول الله صلى الله عليه وسلم وعليه ملحفة متعطفا بها على منكبيه وعليه عصابة دسماء حتى جلس على المنبر فحمد الله وأثنى عليه ثم قال أما بعد أيها الناس فإن الناس يكثرون وتقل الأنصار حتى يكونوا كالملح في الطعام فمن ولي منكم أمرا يضر فيه أحدا أو ينفعه فليقبل من محسنهم ويتجاوز عن مسيئهم
সহিহ বুখারী ৩৮০১
حدثنا محمد بن بشار حدثنا غندر حدثنا شعبة قال سمعت قتادة عن أنس بن مالك عن النبي صلى الله عليه وسلم قال الأنصار كرشي وعيبتي والناس سيكثرون ويقلون فاقبلوا من محسنهم وتجاوزوا عن مسيئهم
আনাস ইব্নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, আনসারগণ আমার অতি আপনজন ও বিশ্বস্ত লোক। লোকসংখ্যা বাড়তে থাকবে আর তাদের সংখ্যা কমতে থাকবে। তাই তাদের নেক্কারদের নেক ‘আমালগুলো কবূল কর এবং তাদের ভুল-ত্রুটি মাফ করে দাও। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫১৯, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৫২৬)
আনাস ইব্নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, আনসারগণ আমার অতি আপনজন ও বিশ্বস্ত লোক। লোকসংখ্যা বাড়তে থাকবে আর তাদের সংখ্যা কমতে থাকবে। তাই তাদের নেক্কারদের নেক ‘আমালগুলো কবূল কর এবং তাদের ভুল-ত্রুটি মাফ করে দাও। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫১৯, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৫২৬)
حدثنا محمد بن بشار حدثنا غندر حدثنا شعبة قال سمعت قتادة عن أنس بن مالك عن النبي صلى الله عليه وسلم قال الأنصار كرشي وعيبتي والناس سيكثرون ويقلون فاقبلوا من محسنهم وتجاوزوا عن مسيئهم
সহিহ বুখারী ৩৭৯৯
حدثني محمد بن يحيى أبو علي حدثنا شاذان أخو عبدان حدثنا أبي أخبرنا شعبة بن الحجاج عن هشام بن زيد قال سمعت أنس بن مالك يقول مر أبو بكر والعباس رضي الله عنهما بمجلس من مجالس الأنصار وهم يبكون فقال ما يبكيكم قالوا ذكرنا مجلس النبي صلى الله عليه وسلم منا فدخل على النبي صلى الله عليه وسلم فأخبره بذلك قال فخرج النبي صلى الله عليه وسلم وقد عصب على رأسه حاشية برد قال فصعد المنبر ولم يصعده بعد ذلك اليوم فحمد الله وأثنى عليه ثم قال أوصيكم بالأنصار فإنهم كرشي وعيبتي وقد قضوا الذي عليهم وبقي الذي لهم فاقبلوا من محسنهم وتجاوزوا عن مسيئهم
আনাস ইব্নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন অন্তিম রোগে আক্রান্ত তখন আবূ বক্র ও ‘আব্বাস (রাঃ) আনসারদের কোন একটি মজলিসের পাশ দিয়ে যাওয়ার কালে দেখতে পেলেন যে, তারা কাঁদছেন। তাঁদের একজন জিজ্ঞেস করলেন, আপনারা কাঁদছেন কেন? তাঁরা বললেন, আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর সাথে মজলিস স্মরণ করে কাঁদছি। তারা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর নিকট এসে আনসারদের অবস্থা বললেন, রাবী (বর্ণনাকারী) বললেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চাদরের কোণা দিয়ে মাথা বেঁধে বেরিয়ে আসলেন এবং মিম্বরে উঠে বসলেন। এ দিনের পর আর তিনি মিম্বরে আরোহণ করেননি। তারপর হামদ ও সানা পাঠ করে সমবেত সাহাবীদেরকে উদ্দেশ্য করে বললেন, আমি আনসারগণের প্রতি বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখার জন্য তোমাদেরকে নির্দেশ দিচ্ছি; কেননা তাঁরাই আমার অতি আপন জন, তাঁরাই আমার বিশ্বস্ত লোক। তারা তাঁদের উপর অর্পিত দায়িত্ব ও কর্তব্য পরিপূর্ণভাবে পালন করেছে। তাঁদের যা প্রাপ্য তা তাঁরা এখনও পায়নি। তাঁদের নেক লোকদের নেক ‘আমালগুলো গ্রহণ করবে এবং তাঁদের ভুল-ত্রুটি মাফ করে দিবে। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫১৭, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৫২৪)
আনাস ইব্নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন অন্তিম রোগে আক্রান্ত তখন আবূ বক্র ও ‘আব্বাস (রাঃ) আনসারদের কোন একটি মজলিসের পাশ দিয়ে যাওয়ার কালে দেখতে পেলেন যে, তারা কাঁদছেন। তাঁদের একজন জিজ্ঞেস করলেন, আপনারা কাঁদছেন কেন? তাঁরা বললেন, আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর সাথে মজলিস স্মরণ করে কাঁদছি। তারা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর নিকট এসে আনসারদের অবস্থা বললেন, রাবী (বর্ণনাকারী) বললেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চাদরের কোণা দিয়ে মাথা বেঁধে বেরিয়ে আসলেন এবং মিম্বরে উঠে বসলেন। এ দিনের পর আর তিনি মিম্বরে আরোহণ করেননি। তারপর হামদ ও সানা পাঠ করে সমবেত সাহাবীদেরকে উদ্দেশ্য করে বললেন, আমি আনসারগণের প্রতি বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখার জন্য তোমাদেরকে নির্দেশ দিচ্ছি; কেননা তাঁরাই আমার অতি আপন জন, তাঁরাই আমার বিশ্বস্ত লোক। তারা তাঁদের উপর অর্পিত দায়িত্ব ও কর্তব্য পরিপূর্ণভাবে পালন করেছে। তাঁদের যা প্রাপ্য তা তাঁরা এখনও পায়নি। তাঁদের নেক লোকদের নেক ‘আমালগুলো গ্রহণ করবে এবং তাঁদের ভুল-ত্রুটি মাফ করে দিবে। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫১৭, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৫২৪)
حدثني محمد بن يحيى أبو علي حدثنا شاذان أخو عبدان حدثنا أبي أخبرنا شعبة بن الحجاج عن هشام بن زيد قال سمعت أنس بن مالك يقول مر أبو بكر والعباس رضي الله عنهما بمجلس من مجالس الأنصار وهم يبكون فقال ما يبكيكم قالوا ذكرنا مجلس النبي صلى الله عليه وسلم منا فدخل على النبي صلى الله عليه وسلم فأخبره بذلك قال فخرج النبي صلى الله عليه وسلم وقد عصب على رأسه حاشية برد قال فصعد المنبر ولم يصعده بعد ذلك اليوم فحمد الله وأثنى عليه ثم قال أوصيكم بالأنصار فإنهم كرشي وعيبتي وقد قضوا الذي عليهم وبقي الذي لهم فاقبلوا من محسنهم وتجاوزوا عن مسيئهم
সহিহ বুখারী > সা’দ ইব্নু মু’আয (রাঃ) - এর মর্যাদা।
সহিহ বুখারী ৩৮০২
حدثني محمد بن بشار حدثنا غندر حدثنا شعبة عن أبي إسحاق قال سمعت البراء يقول أهديت للنبي صلى الله عليه وسلم حلة حرير فجعل أصحابه يمسونها ويعجبون من لينها فقال أتعجبون من لين هذه لمناديل سعد بن معاذ خير منها أو ألين رواه قتادة والزهري سمعا أنسا عن النبي صلى الله عليه وسلم
বারা’ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে এক জোড়া রেশমী কাপড় হাদীয়া দেয়া হল। সহাবায়ে কেরাম (রাঃ) তা স্পর্শ করে এর কোমলতায় অবাক হয়ে গেলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এর কোমলতায় তোমরা অবাক হচ্ছ? অথচ সা’দ ইব্নু মু’আয (রাঃ) - এর (জান্নাতের) রুমাল এর চেয়ে অনেক উত্তম, অথবা বলেছেন অনেক মোলায়েম। হাদীসটি ক্বাতাদাহ্ ও যুহরী (রহঃ) আনাস (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণনা করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫২০, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৫২৭)
বারা’ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে এক জোড়া রেশমী কাপড় হাদীয়া দেয়া হল। সহাবায়ে কেরাম (রাঃ) তা স্পর্শ করে এর কোমলতায় অবাক হয়ে গেলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এর কোমলতায় তোমরা অবাক হচ্ছ? অথচ সা’দ ইব্নু মু’আয (রাঃ) - এর (জান্নাতের) রুমাল এর চেয়ে অনেক উত্তম, অথবা বলেছেন অনেক মোলায়েম। হাদীসটি ক্বাতাদাহ্ ও যুহরী (রহঃ) আনাস (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণনা করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫২০, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৫২৭)
حدثني محمد بن بشار حدثنا غندر حدثنا شعبة عن أبي إسحاق قال سمعت البراء يقول أهديت للنبي صلى الله عليه وسلم حلة حرير فجعل أصحابه يمسونها ويعجبون من لينها فقال أتعجبون من لين هذه لمناديل سعد بن معاذ خير منها أو ألين رواه قتادة والزهري سمعا أنسا عن النبي صلى الله عليه وسلم
সহিহ বুখারী ৩৮০৩
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
জাবির (রাঃ) বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে বলতে শুনেছি সা’দ ইব্নু মু’আয (রাঃ) - এর মৃত্যুতে আল্লাহ্ তা’আলার আরশ কেঁপে উঠেছিল। আমাশ (রহঃ)......নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে এ রকমই বর্ণিত হয়েছে, এক ব্যক্তি জাবির (রাঃ) - কে বলল, বারা ইব্নু আযিব (রাঃ) তো বলেন, জানাযার খাট নড়েছিল। তদুত্তরে জাবির (রাঃ) বললেন, সা’দ ও বারা (রাঃ) - এর গোত্রদ্বয়ের মধ্যে কিছুটা বিরোধ ছিল, কেননা আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে “আল্লাহ্র আর্শ সা’দ ইব্নু মু’আযের (ওফাতে) কেঁপে উঠল” (কথাটি) বলতে শুনেছি।
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
জাবির (রাঃ) বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে বলতে শুনেছি সা’দ ইব্নু মু’আয (রাঃ) - এর মৃত্যুতে আল্লাহ্ তা’আলার আরশ কেঁপে উঠেছিল। আমাশ (রহঃ)......নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে এ রকমই বর্ণিত হয়েছে, এক ব্যক্তি জাবির (রাঃ) - কে বলল, বারা ইব্নু আযিব (রাঃ) তো বলেন, জানাযার খাট নড়েছিল। তদুত্তরে জাবির (রাঃ) বললেন, সা’দ ও বারা (রাঃ) - এর গোত্রদ্বয়ের মধ্যে কিছুটা বিরোধ ছিল, কেননা আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে “আল্লাহ্র আর্শ সা’দ ইব্নু মু’আযের (ওফাতে) কেঁপে উঠল” (কথাটি) বলতে শুনেছি।
সহিহ বুখারী ৩৮০৪
حدثنا محمد بن عرعرة حدثنا شعبة عن سعد بن إبراهيم عن أبي أمامة بن سهل بن حنيف عن أبي سعيد الخدري أن أناسا نزلوا على حكم سعد بن معاذ فأرسل إليه فجاء على حمار فلما بلغ قريبا من المسجد قال النبي صلى الله عليه وسلم قوموا إلى خيركم أو سيدكم فقال يا سعد إن هؤلاء نزلوا على حكمك قال فإني أحكم فيهم أن تقتل مقاتلتهم وتسبى ذراريهم قال حكمت بحكم الله أو بحكم الملك
আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
কতিপয় লোক (বনী কুরায়যার ইয়াহূদীগণ) সা’দ ইব্নু মু’আয (রাঃ) - কে সালিশ মেনে (দুর্গ থেকে) নেমে আসে। তাঁকে নিয়ে আসার জন্য লোক পাঠানো হল। তিনি গাধায় সাওয়ার হয়ে আসলেন। যখন মসজিদের নিকটে আসলেন, তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমাদের শ্রেষ্ঠতম ব্যক্তি অথবা (বললেন) তোমাদের সরদার আসছেন তাঁর দিকে দাঁড়াও। তারপর তিনি বললেন, হে সা’দ! তারা তোমাকে সালিশ মেনে বেরিয়ে এসেছে। সা’দ (রাঃ) বললেন, আমি তাদের সম্পর্কে এ ফয়সালা দিচ্ছি যে, তাদের যোদ্ধাদেরকে হত্যা করা হোক এবং শিশু ও মহিলাদেরকে বন্দী করে রাখা হোক। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তুমি আল্লাহ্ তা’আলার ফায়সালা মোতাবেক ফায়সালা দিয়েছ অথবা (বলেছিলেন) তুমি বাদশাহ্র অর্থাৎ আল্লাহ্র ফায়সালা অনুযায়ী ফায়সালা করেছ। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫২২, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৫২৯)
আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
কতিপয় লোক (বনী কুরায়যার ইয়াহূদীগণ) সা’দ ইব্নু মু’আয (রাঃ) - কে সালিশ মেনে (দুর্গ থেকে) নেমে আসে। তাঁকে নিয়ে আসার জন্য লোক পাঠানো হল। তিনি গাধায় সাওয়ার হয়ে আসলেন। যখন মসজিদের নিকটে আসলেন, তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমাদের শ্রেষ্ঠতম ব্যক্তি অথবা (বললেন) তোমাদের সরদার আসছেন তাঁর দিকে দাঁড়াও। তারপর তিনি বললেন, হে সা’দ! তারা তোমাকে সালিশ মেনে বেরিয়ে এসেছে। সা’দ (রাঃ) বললেন, আমি তাদের সম্পর্কে এ ফয়সালা দিচ্ছি যে, তাদের যোদ্ধাদেরকে হত্যা করা হোক এবং শিশু ও মহিলাদেরকে বন্দী করে রাখা হোক। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তুমি আল্লাহ্ তা’আলার ফায়সালা মোতাবেক ফায়সালা দিয়েছ অথবা (বলেছিলেন) তুমি বাদশাহ্র অর্থাৎ আল্লাহ্র ফায়সালা অনুযায়ী ফায়সালা করেছ। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫২২, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৫২৯)
حدثنا محمد بن عرعرة حدثنا شعبة عن سعد بن إبراهيم عن أبي أمامة بن سهل بن حنيف عن أبي سعيد الخدري أن أناسا نزلوا على حكم سعد بن معاذ فأرسل إليه فجاء على حمار فلما بلغ قريبا من المسجد قال النبي صلى الله عليه وسلم قوموا إلى خيركم أو سيدكم فقال يا سعد إن هؤلاء نزلوا على حكمك قال فإني أحكم فيهم أن تقتل مقاتلتهم وتسبى ذراريهم قال حكمت بحكم الله أو بحكم الملك
সহিহ বুখারী > উসায়দ ইব্নু হুযায়র ও আব্বাদ ইব্নু বিশ্র (রাঃ) - এর মর্যাদা।
সহিহ বুখারী ৩৮০৫
حدثنا علي بن مسلم حدثنا حبان بن هلال حدثنا همام أخبرنا قتادة عن أنس أن رجلين خرجا من عند النبي صلى الله عليه وسلم في ليلة مظلمة وإذا نور بين أيديهما حتى تفرقا فتفرق النور معهما وقال معمر عن ثابت عن أنس إن أسيد بن حضير ورجلا من الأنصار وقال حماد أخبرنا ثابت عن أنس كان أسيد بن حضير وعباد بن بشر عند النبي صلى الله عليه وسلم
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
দু’ ব্যক্তি অন্ধকার রাতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর নিকট হতে বের হলেন। হঠাৎ তারা তাদের সম্মুখে একটি উজ্জ্বল আলো দেখতে পেলেন। রাস্তায় তাঁরা যখন আলাদা হলেন তখন আলোটিও তাঁদের উভয়ের সাথে আলাদা আলাদা হয়ে গেল। মা’মার (রহঃ) সাবিত এর মাধ্যমে আনাস (রাঃ) হতে বর্ণনা করেন যে, এদের একজন উসায়দ ইব্নু হুযায়র (রাঃ) এবং অন্যজন এক আনসারী ব্যক্তি ছিলেন এবং হাম্মাদ (রহঃ) সাবিত (রহঃ) - এর মাধ্যমে আনাস (রাঃ) হতে বর্ণনা করেন যে, উসায়দ (ইব্নু হুযায়র) ও আব্বাদ ইব্নু বিশ্র (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর নিকট ছিলেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫২৩, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৫৩০)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
দু’ ব্যক্তি অন্ধকার রাতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর নিকট হতে বের হলেন। হঠাৎ তারা তাদের সম্মুখে একটি উজ্জ্বল আলো দেখতে পেলেন। রাস্তায় তাঁরা যখন আলাদা হলেন তখন আলোটিও তাঁদের উভয়ের সাথে আলাদা আলাদা হয়ে গেল। মা’মার (রহঃ) সাবিত এর মাধ্যমে আনাস (রাঃ) হতে বর্ণনা করেন যে, এদের একজন উসায়দ ইব্নু হুযায়র (রাঃ) এবং অন্যজন এক আনসারী ব্যক্তি ছিলেন এবং হাম্মাদ (রহঃ) সাবিত (রহঃ) - এর মাধ্যমে আনাস (রাঃ) হতে বর্ণনা করেন যে, উসায়দ (ইব্নু হুযায়র) ও আব্বাদ ইব্নু বিশ্র (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর নিকট ছিলেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫২৩, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৫৩০)
حدثنا علي بن مسلم حدثنا حبان بن هلال حدثنا همام أخبرنا قتادة عن أنس أن رجلين خرجا من عند النبي صلى الله عليه وسلم في ليلة مظلمة وإذا نور بين أيديهما حتى تفرقا فتفرق النور معهما وقال معمر عن ثابت عن أنس إن أسيد بن حضير ورجلا من الأنصار وقال حماد أخبرنا ثابت عن أنس كان أسيد بن حضير وعباد بن بشر عند النبي صلى الله عليه وسلم
সহিহ বুখারী > মু’আয ইব্নু জাবাল (রাঃ) - এর মর্যাদা।
সহিহ বুখারী ৩৮০৬
حدثني محمد بن بشار حدثنا غندر حدثنا شعبة عن عمرو عن إبراهيم عن مسروق عن عبد الله بن عمرو رضي الله عنهما سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول استقرئوا القرآن من أربعة من ابن مسعود وسالم مولى أبي حذيفة وأبي ومعاذ بن جبل
আবদুল্লাহ্ ইব্নু আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে বলতে শুনেছি যে, কুরআন পাঠ শিখ চার জনের নিকট হতেঃ ইব্নু মাসউদ, আবূ হুযাইফার আযাদকৃত গোলাম সালিম, উবাই (ইব্নু কা’ব) ও মু’আয ইব্নু জাবাল (রাঃ) থেকে। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫২৪, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৫৩১)
আবদুল্লাহ্ ইব্নু আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে বলতে শুনেছি যে, কুরআন পাঠ শিখ চার জনের নিকট হতেঃ ইব্নু মাসউদ, আবূ হুযাইফার আযাদকৃত গোলাম সালিম, উবাই (ইব্নু কা’ব) ও মু’আয ইব্নু জাবাল (রাঃ) থেকে। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫২৪, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৫৩১)
حدثني محمد بن بشار حدثنا غندر حدثنا شعبة عن عمرو عن إبراهيم عن مسروق عن عبد الله بن عمرو رضي الله عنهما سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول استقرئوا القرآن من أربعة من ابن مسعود وسالم مولى أبي حذيفة وأبي ومعاذ بن جبل