সহিহ বুখারী > আল্লাহ্ তা‘আলা বলেনঃ
সহিহ বুখারী ৩৪৯২
حدثنا موسى، حدثنا عبد الواحد، حدثنا كليب، حدثتني ربيبة النبي صلى الله عليه وسلم، وأظنها زينب قالت: «نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الدباء، والحنتم، والنقير، والمزفت» وقلت لها: أخبريني النبي صلى الله عليه وسلم ممن كان من مضر كان؟ قالت: «فممن كان إلا من مضر كان من ولد النضر بن كنانة»
কুলায়ব থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর তত্ত্বাবধানে পালিতা কন্যা বলেনঃ আর আমার ধারণা তিনি হলেন যায়নাব। তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কদুর বাওশ, সবুজ মাটির পাত্র মুকাইয়ার ও মুযাফ্ফাত (আলকাতরা লাগানো পাত্র বিশেষ) ব্যবহার করতে নিষেধ করেছেন। কুলায়ব বলেন, আমরা তাকে জিজ্ঞেস করলাম, বলেন তো দেখি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোন গোত্রের ছিলেন? তিনি কি মুযার গোত্রের অন্তর্গত ছিলেন? তিনি জবাব দিলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুযার গোত্র ব্যতীত আর কোন গোত্রের হবেন? আর মুযার নাযর ইব্ন কিনানার বংশধর ছিল।
কুলায়ব থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর তত্ত্বাবধানে পালিতা কন্যা বলেনঃ আর আমার ধারণা তিনি হলেন যায়নাব। তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কদুর বাওশ, সবুজ মাটির পাত্র মুকাইয়ার ও মুযাফ্ফাত (আলকাতরা লাগানো পাত্র বিশেষ) ব্যবহার করতে নিষেধ করেছেন। কুলায়ব বলেন, আমরা তাকে জিজ্ঞেস করলাম, বলেন তো দেখি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোন গোত্রের ছিলেন? তিনি কি মুযার গোত্রের অন্তর্গত ছিলেন? তিনি জবাব দিলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুযার গোত্র ব্যতীত আর কোন গোত্রের হবেন? আর মুযার নাযর ইব্ন কিনানার বংশধর ছিল।
حدثنا موسى، حدثنا عبد الواحد، حدثنا كليب، حدثتني ربيبة النبي صلى الله عليه وسلم، وأظنها زينب قالت: «نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الدباء، والحنتم، والنقير، والمزفت» وقلت لها: أخبريني النبي صلى الله عليه وسلم ممن كان من مضر كان؟ قالت: «فممن كان إلا من مضر كان من ولد النضر بن كنانة»
সহিহ বুখারী ৩৪৮৯
حدثنا خالد بن يزيد الكاهلي [ص: 178] ، حدثنا أبو بكر، عن أبي حصين، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس رضي الله عنهما، {وجعلناكم شعوبا وقبائل لتعارفوا} [الحجرات: 13]، قال: " الشعوب: القبائل العظام، والقبائل: البطون "
ইবন ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আয়াতে বর্ণিত (আরবী) অর্থ বড় গোত্র এবং (আরবী) অর্থ ছোট গোত্র।
ইবন ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আয়াতে বর্ণিত (আরবী) অর্থ বড় গোত্র এবং (আরবী) অর্থ ছোট গোত্র।
حدثنا خالد بن يزيد الكاهلي [ص: 178] ، حدثنا أبو بكر، عن أبي حصين، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس رضي الله عنهما، {وجعلناكم شعوبا وقبائل لتعارفوا} [الحجرات: 13]، قال: " الشعوب: القبائل العظام، والقبائل: البطون "
সহিহ বুখারী ৩৪৯১
حدثنا قيس بن حفص، حدثنا عبد الواحد، حدثنا كليب بن وائل، قال: حدثتني ربيبة النبي صلى الله عليه وسلم، زينب بنت أبي سلمة، قال: قلت لها: " أرأيت النبي صلى الله عليه وسلم أكان من مضر؟ قالت: فممن كان إلا من مضر، من بني النضر بن كنانة "
কুলায়েব ইবন ওয়ায়িল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর তত্ত্বাবধানে পালিতা আবূ সালমার কন্যা যায়নাবকে আমি জিজ্ঞেস করলাম, আপনি বলুন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি মুযার গোত্রের ছিলেন? তিনি বললেন, বনু নযর ইব্ন কিনানা উদ্ভূত গোত্র মুযার ব্যতীত আর কোন গোত্র হতে হবেন? এবং মুযার গোত্র নাযর ইব্ন কিনানা গোত্রের একটি শাখা ছিল।
কুলায়েব ইবন ওয়ায়িল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর তত্ত্বাবধানে পালিতা আবূ সালমার কন্যা যায়নাবকে আমি জিজ্ঞেস করলাম, আপনি বলুন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি মুযার গোত্রের ছিলেন? তিনি বললেন, বনু নযর ইব্ন কিনানা উদ্ভূত গোত্র মুযার ব্যতীত আর কোন গোত্র হতে হবেন? এবং মুযার গোত্র নাযর ইব্ন কিনানা গোত্রের একটি শাখা ছিল।
حدثنا قيس بن حفص، حدثنا عبد الواحد، حدثنا كليب بن وائل، قال: حدثتني ربيبة النبي صلى الله عليه وسلم، زينب بنت أبي سلمة، قال: قلت لها: " أرأيت النبي صلى الله عليه وسلم أكان من مضر؟ قالت: فممن كان إلا من مضر، من بني النضر بن كنانة "
সহিহ বুখারী ৩৪৯০
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا يحيى بن سعيد، عن عبيد الله، قال: حدثني سعيد بن أبي سعيد، عن أبيه، عن أبي هريرة رضي الله عنه، قال: قيل: يا رسول الله من أكرم الناس؟ قال: «أتقاهم» قالوا: ليس عن هذا نسألك، قال: «فيوسف نبي الله»
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে জিজ্ঞেস করা হল, হে আল্লাহ্র রাসূল! মানুষের মধ্যে সবচেয়ে মর্যাদাবান কে? নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, যে সবচেয়ে আল্লাহ্ভীরু, সে-ই অধিক সম্মানিত। সাহাবীগণ বললেন, হে আল্লাহ্র রাসূল! আমরা এ ধরনের কথা জিজ্ঞেস করিনি। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তাহলে আল্লাহ্র নবী ইউসূফ ('আ)।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে জিজ্ঞেস করা হল, হে আল্লাহ্র রাসূল! মানুষের মধ্যে সবচেয়ে মর্যাদাবান কে? নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, যে সবচেয়ে আল্লাহ্ভীরু, সে-ই অধিক সম্মানিত। সাহাবীগণ বললেন, হে আল্লাহ্র রাসূল! আমরা এ ধরনের কথা জিজ্ঞেস করিনি। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তাহলে আল্লাহ্র নবী ইউসূফ ('আ)।
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا يحيى بن سعيد، عن عبيد الله، قال: حدثني سعيد بن أبي سعيد، عن أبيه، عن أبي هريرة رضي الله عنه، قال: قيل: يا رسول الله من أكرم الناس؟ قال: «أتقاهم» قالوا: ليس عن هذا نسألك، قال: «فيوسف نبي الله»
সহিহ বুখারী ৩৪৯৩
حدثني إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا جرير، عن عمارة، عن أبي زرعة، عن أبي هريرة رضي الله عنه، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم، قال: «تجدون الناس معادن، خيارهم في الجاهلية خيارهم في الإسلام، إذا فقهوا، وتجدون خير الناس في هذا الشأن أشدهم له كراهية،
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আল্লাহ্র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমরা মানুষকে খণির মত পাবে। আইয়্যামে জাহিলীয়্যাতের উত্তম ব্যক্তিগণ ইসলাম গ্রহণের পরও তারা উত্তম। যখন তারা দ্বীনী জ্ঞান অর্জন করে আর তোমরা শাসন ও কর্তৃত্বের ব্যাপারে লোকদের মধ্যে উত্তম ঐ ব্যক্তিকে পাবে যে এই ব্যাপারে তাদের মধ্যে সবচেয়ে অধিক অনাসক্ত।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আল্লাহ্র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমরা মানুষকে খণির মত পাবে। আইয়্যামে জাহিলীয়্যাতের উত্তম ব্যক্তিগণ ইসলাম গ্রহণের পরও তারা উত্তম। যখন তারা দ্বীনী জ্ঞান অর্জন করে আর তোমরা শাসন ও কর্তৃত্বের ব্যাপারে লোকদের মধ্যে উত্তম ঐ ব্যক্তিকে পাবে যে এই ব্যাপারে তাদের মধ্যে সবচেয়ে অধিক অনাসক্ত।
حدثني إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا جرير، عن عمارة، عن أبي زرعة، عن أبي هريرة رضي الله عنه، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم، قال: «تجدون الناس معادن، خيارهم في الجاهلية خيارهم في الإسلام، إذا فقهوا، وتجدون خير الناس في هذا الشأن أشدهم له كراهية،
সহিহ বুখারী ৩৪৯৪
وتجدون شر الناس ذا الوجهين الذي يأتي هؤلاء بوجه، ويأتي هؤلاء بوجه»
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আর মানুষের মধ্যে সব থেকে নিকৃষ্ট ঐ দু’মুখী ব্যক্তি যে একদলের সঙ্গে এক ভাবে কথা বলে, অপর দলের সঙ্গে আরেকভাবে কথা বলে।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আর মানুষের মধ্যে সব থেকে নিকৃষ্ট ঐ দু’মুখী ব্যক্তি যে একদলের সঙ্গে এক ভাবে কথা বলে, অপর দলের সঙ্গে আরেকভাবে কথা বলে।
وتجدون شر الناس ذا الوجهين الذي يأتي هؤلاء بوجه، ويأتي هؤلاء بوجه»
সহিহ বুখারী ৩৪৯৫
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا المغيرة، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة رضي الله عنه، أن النبي صلى الله عليه وسلم، قال: «الناس تبع لقريش في هذا الشأن، مسلمهم تبع لمسلمهم، وكافرهم تبع لكافرهم،
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, খিলাফত ও নেতৃত্বের ব্যাপারে সকলেই কুরাইশদের অনুগত থাকবে। মুসলিমগণ তাদের মুসলিমদের এবং কাফিররা তাদের কাফিরদের অনুগত।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, খিলাফত ও নেতৃত্বের ব্যাপারে সকলেই কুরাইশদের অনুগত থাকবে। মুসলিমগণ তাদের মুসলিমদের এবং কাফিররা তাদের কাফিরদের অনুগত।
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا المغيرة، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة رضي الله عنه، أن النبي صلى الله عليه وسلم، قال: «الناس تبع لقريش في هذا الشأن، مسلمهم تبع لمسلمهم، وكافرهم تبع لكافرهم،
সহিহ বুখারী ৩৪৯৬
والناس معادن، خيارهم في الجاهلية خيارهم في الإسلام، إذا فقهوا تجدون من خير الناس أشد الناس كراهية لهذا الشأن، حتى يقع فيه» باب
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আর মানব সমাজ খণির মত। জাহিলী যুগের উত্তম ব্যক্তি ইসলাম গ্রহণের পরও উত্তম যদি তারা দ্বীনী ইল্ম অর্জন করে। তোমরা নেতৃত্ব ও শাসনের ব্যাপারে ঐ লোককেই সবচেয়ে উত্তম পাবে যে এর প্রতি অনাসক্ত, যে পর্যন্ত না সে তা গ্রহণ করে।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আর মানব সমাজ খণির মত। জাহিলী যুগের উত্তম ব্যক্তি ইসলাম গ্রহণের পরও উত্তম যদি তারা দ্বীনী ইল্ম অর্জন করে। তোমরা নেতৃত্ব ও শাসনের ব্যাপারে ঐ লোককেই সবচেয়ে উত্তম পাবে যে এর প্রতি অনাসক্ত, যে পর্যন্ত না সে তা গ্রহণ করে।
والناس معادن، خيارهم في الجاهلية خيارهم في الإسلام، إذا فقهوا تجدون من خير الناس أشد الناس كراهية لهذا الشأن، حتى يقع فيه» باب
সহিহ বুখারী ৩৪৯৭
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن شعبة، حدثني عبد الملك، عن طاوس، عن ابن عباس رضي الله عنهما، {إلا المودة في القربى} [الشورى: 23]، قال: فقال سعيد بن جبير: قربى محمد صلى الله عليه وسلم، فقال: " إن النبي صلى الله عليه وسلم لم يكن بطن من قريش، إلا وله فيه قرابة، فنزلت عليه [ص: 179] : إلا أن تصلوا قرابة بيني وبينكم "
ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
(আরবী) এ আয়াতের প্রসঙ্গে রাবী তাউস (রহঃ) বলেন যে, সায়িদ ইব্ন জুবায়র (রাঃ) বলেন, কুরবা শব্দ দ্বারা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট আত্মীয়কে বুঝান হয়েছে। তখন ইব্ন ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, কুরাইশের এমন কোন শাখা - গোত্র নেই যাঁদের সঙ্গে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর আত্মীয়তার বন্ধন ছিল না। আয়াতটি তখনই নাযিল হয়। অর্থাৎ তোমরা আমার ও তোমাদের মধ্যকার আত্মীয়তার প্রতি খেয়াল রাখ।
ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
(আরবী) এ আয়াতের প্রসঙ্গে রাবী তাউস (রহঃ) বলেন যে, সায়িদ ইব্ন জুবায়র (রাঃ) বলেন, কুরবা শব্দ দ্বারা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট আত্মীয়কে বুঝান হয়েছে। তখন ইব্ন ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, কুরাইশের এমন কোন শাখা - গোত্র নেই যাঁদের সঙ্গে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর আত্মীয়তার বন্ধন ছিল না। আয়াতটি তখনই নাযিল হয়। অর্থাৎ তোমরা আমার ও তোমাদের মধ্যকার আত্মীয়তার প্রতি খেয়াল রাখ।
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن شعبة، حدثني عبد الملك، عن طاوس، عن ابن عباس رضي الله عنهما، {إلا المودة في القربى} [الشورى: 23]، قال: فقال سعيد بن جبير: قربى محمد صلى الله عليه وسلم، فقال: " إن النبي صلى الله عليه وسلم لم يكن بطن من قريش، إلا وله فيه قرابة، فنزلت عليه [ص: 179] : إلا أن تصلوا قرابة بيني وبينكم "
সহিহ বুখারী ৩৪৯৮
حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا سفيان، عن إسماعيل، عن قيس، عن أبي مسعود، يبلغ به النبي صلى الله عليه وسلم، قال: «من ها هنا جاءت الفتن، نحو المشرق، والجفاء وغلظ القلوب في الفدادين أهل الوبر، عند أصول أذناب الإبل والبقر، في ربيعة، ومضر»
আবূ মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, এই পূর্বদিক হতে ফিতনা-ফাসাদের উৎপত্তি হবে। নির্মমতা ও অন্তরের কাঠিন্য উট ও গরু নিয়ে ব্যস্ত লোকদের মধ্যে। পশমী তাঁবুর অধিবাসীরা রাবী‘আ ও মুযার গোত্রের যারা উট ও গরুর পিছনে চিৎকার করে (হাঁকায়), তাদের মধ্যেই রয়েছে নির্মমতা ও কঠোরতা।
আবূ মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, এই পূর্বদিক হতে ফিতনা-ফাসাদের উৎপত্তি হবে। নির্মমতা ও অন্তরের কাঠিন্য উট ও গরু নিয়ে ব্যস্ত লোকদের মধ্যে। পশমী তাঁবুর অধিবাসীরা রাবী‘আ ও মুযার গোত্রের যারা উট ও গরুর পিছনে চিৎকার করে (হাঁকায়), তাদের মধ্যেই রয়েছে নির্মমতা ও কঠোরতা।
حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا سفيان، عن إسماعيل، عن قيس، عن أبي مسعود، يبلغ به النبي صلى الله عليه وسلم، قال: «من ها هنا جاءت الفتن، نحو المشرق، والجفاء وغلظ القلوب في الفدادين أهل الوبر، عند أصول أذناب الإبل والبقر، في ربيعة، ومضر»
সহিহ বুখারী ৩৪৯৯
حدثنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، عن الزهري، قال: أخبرني أبو سلمة بن عبد الرحمن، أن أبا هريرة رضي الله عنه، قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم، يقول: «الفخر، والخيلاء في الفدادين أهل الوبر، والسكينة في أهل الغنم، والإيمان يمان، والحكمة يمانية» قال أبو عبد الله: «سميت اليمن لأنها عن يمين الكعبة، والشأم لأنها عن يسار الكعبة، والمشأمة الميسرة، واليد اليسرى الشؤمى، والجانب الأيسر الأشأم»
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে আমি বলতে শুনেছি যে, গর্ব-অহংকার পশমের তৈরি তাঁবুতে বসবাসকারী যারা (উট-গরু হাঁকানোর সময় চিৎকার করে) তাদের মধ্যে (আরবী) অর্থ বাম দিক, বাম হাতকে (আরবী) এবং বাম দিককে (আরবী) বলা হয়। আর শান্তভাব রয়েছে বকরী পালকদের মধ্যে। ঈমানের দৃশ্যতা ও হিক্মাত ইয়ামানবাসীদের মধ্যে রয়েছে। ইমাম বুখারী (রহঃ) বলেন, ইয়ামান নাম দেয়া হয়েছে যেহেতু তা কা’বা ঘরের ডানদিকে (দক্ষিণ) অবস্থিত এবং শাম (সিরিয়া) কা‘বা ঘরের বাম (উত্তর) দিকে অবস্থিত বিধায় তার শাম নাম দেয়া হয়েছে।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে আমি বলতে শুনেছি যে, গর্ব-অহংকার পশমের তৈরি তাঁবুতে বসবাসকারী যারা (উট-গরু হাঁকানোর সময় চিৎকার করে) তাদের মধ্যে (আরবী) অর্থ বাম দিক, বাম হাতকে (আরবী) এবং বাম দিককে (আরবী) বলা হয়। আর শান্তভাব রয়েছে বকরী পালকদের মধ্যে। ঈমানের দৃশ্যতা ও হিক্মাত ইয়ামানবাসীদের মধ্যে রয়েছে। ইমাম বুখারী (রহঃ) বলেন, ইয়ামান নাম দেয়া হয়েছে যেহেতু তা কা’বা ঘরের ডানদিকে (দক্ষিণ) অবস্থিত এবং শাম (সিরিয়া) কা‘বা ঘরের বাম (উত্তর) দিকে অবস্থিত বিধায় তার শাম নাম দেয়া হয়েছে।
حدثنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، عن الزهري، قال: أخبرني أبو سلمة بن عبد الرحمن، أن أبا هريرة رضي الله عنه، قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم، يقول: «الفخر، والخيلاء في الفدادين أهل الوبر، والسكينة في أهل الغنم، والإيمان يمان، والحكمة يمانية» قال أبو عبد الله: «سميت اليمن لأنها عن يمين الكعبة، والشأم لأنها عن يسار الكعبة، والمشأمة الميسرة، واليد اليسرى الشؤمى، والجانب الأيسر الأشأم»
সহিহ বুখারী > কুরাইশদের মর্যাদা ও গুণাবলী
সহিহ বুখারী ৩৫০৩
وقال الليث، حدثني أبو الأسود محمد، عن عروة بن الزبير، قال: ذهب عبد الله بن الزبير مع أناس من بني زهرة إلى عائشة، «وكانت أرق شيء عليهم، لقرابتهم من رسول الله صلى الله عليه وسلم»
‘উরওয়া ইব্নু যুবায়র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘আবদুল্লাহ্ ইব্ন জুবায়র (রাঃ) বনূ যুহরার কতিপয় লোকের সঙ্গে ‘আয়িশা (রাঃ)-এর নিকটে হাযির হলেন। ‘আয়িশা (রাঃ) তাদের প্রতি অত্যন্ত নম্র ও দয়ার্দ্র ছিলেন। কেননা, আল্লাহ্র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে তাঁদের আত্মীয়তা ছিল।
‘উরওয়া ইব্নু যুবায়র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘আবদুল্লাহ্ ইব্ন জুবায়র (রাঃ) বনূ যুহরার কতিপয় লোকের সঙ্গে ‘আয়িশা (রাঃ)-এর নিকটে হাযির হলেন। ‘আয়িশা (রাঃ) তাদের প্রতি অত্যন্ত নম্র ও দয়ার্দ্র ছিলেন। কেননা, আল্লাহ্র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে তাঁদের আত্মীয়তা ছিল।
وقال الليث، حدثني أبو الأسود محمد، عن عروة بن الزبير، قال: ذهب عبد الله بن الزبير مع أناس من بني زهرة إلى عائشة، «وكانت أرق شيء عليهم، لقرابتهم من رسول الله صلى الله عليه وسلم»
সহিহ বুখারী ৩৫০১
حدثنا أبو الوليد، حدثنا عاصم بن محمد، قال: سمعت أبي، عن ابن عمر، رضي الله عنهما، عن النبي صلى الله عليه وسلم، قال: «لا يزال هذا الأمر في قريش ما بقي منهم اثنان»
ইবন ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, এ বিষয় (খিলাফত ও শাসন ক্ষমতা) সর্বদাই কুরাইশদের হাতে থাকবে, যতদিন তাদের দু’জন লোকও বেঁচে থাকবে।
ইবন ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, এ বিষয় (খিলাফত ও শাসন ক্ষমতা) সর্বদাই কুরাইশদের হাতে থাকবে, যতদিন তাদের দু’জন লোকও বেঁচে থাকবে।
حدثنا أبو الوليد، حدثنا عاصم بن محمد، قال: سمعت أبي، عن ابن عمر، رضي الله عنهما، عن النبي صلى الله عليه وسلم، قال: «لا يزال هذا الأمر في قريش ما بقي منهم اثنان»
সহিহ বুখারী ৩৫০২
حدثنا يحيى بن بكير، حدثنا الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، عن ابن المسيب، عن جبير بن مطعم، قال: مشيت أنا وعثمان بن عفان، فقال: يا رسول الله، أعطيت بني المطلب وتركتنا، وإنما نحن وهم منك بمنزلة واحدة؟ فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «إنما بنو هاشم وبنو المطلب شيء واحد»،
জুবায়র ইবন মুত‘ঈম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি এবং ‘উসমান ইব্ন আফ্ফান (রাঃ) আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর দরবারে হাযির হলাম। ‘উসমান (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহ্র রাসূল! আপনি মুত্তালিবের সন্তানদেরকে দান করলেন এবং আমাদেরকে বাদ দিলেন। অথচ তারা ও আমরা আপনার বংশগতভাবে সম স্তরের। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, বনূ হাশিম ও বনূ মুত্তালিব এক ও অভিন্ন।
জুবায়র ইবন মুত‘ঈম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি এবং ‘উসমান ইব্ন আফ্ফান (রাঃ) আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর দরবারে হাযির হলাম। ‘উসমান (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহ্র রাসূল! আপনি মুত্তালিবের সন্তানদেরকে দান করলেন এবং আমাদেরকে বাদ দিলেন। অথচ তারা ও আমরা আপনার বংশগতভাবে সম স্তরের। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, বনূ হাশিম ও বনূ মুত্তালিব এক ও অভিন্ন।
حدثنا يحيى بن بكير، حدثنا الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، عن ابن المسيب، عن جبير بن مطعم، قال: مشيت أنا وعثمان بن عفان، فقال: يا رسول الله، أعطيت بني المطلب وتركتنا، وإنما نحن وهم منك بمنزلة واحدة؟ فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «إنما بنو هاشم وبنو المطلب شيء واحد»،
সহিহ বুখারী ৩৫০৪
حدثنا أبو نعيم، حدثنا سفيان، عن سعد، قال: يعقوب بن إبراهيم، حدثنا أبي، عن أبيه، قال: حدثني عبد الرحمن بن هرمز الأعرج، عن أبي هريرة رضي الله عنه [ص: 180] ، قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «قريش، والأنصار، وجهينة، ومزينة، وأسلم، وأشجع، وغفار موالي، ليس لهم مولى دون الله ورسوله»
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, কুরাইশ, আনসার, জুহায়না, মুযায়না, আসলাম, আশজা‘ ও গিফার গোত্রগুলো আমার সাহায্যকারী। আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূল ছাড়া তাঁদের সাহায্যকারী আর কেউ নেই।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, কুরাইশ, আনসার, জুহায়না, মুযায়না, আসলাম, আশজা‘ ও গিফার গোত্রগুলো আমার সাহায্যকারী। আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূল ছাড়া তাঁদের সাহায্যকারী আর কেউ নেই।
حدثنا أبو نعيم، حدثنا سفيان، عن سعد، قال: يعقوب بن إبراهيم، حدثنا أبي، عن أبيه، قال: حدثني عبد الرحمن بن هرمز الأعرج، عن أبي هريرة رضي الله عنه [ص: 180] ، قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «قريش، والأنصار، وجهينة، ومزينة، وأسلم، وأشجع، وغفار موالي، ليس لهم مولى دون الله ورسوله»
সহিহ বুখারী ৩৫০০
حدثنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، عن الزهري، قال: كان محمد بن جبير بن مطعم يحدث أنه بلغ معاوية وهو عنده في وفد من قريش: أن عبد الله بن عمرو بن العاص يحدث أنه سيكون ملك من قحطان، فغضب معاوية، فقام فأثنى على الله بما هو أهله، ثم قال: أما بعد، فإنه بلغني أن رجالا منكم يتحدثون أحاديث ليست في كتاب الله، ولا تؤثر عن رسول الله صلى الله عليه وسلم، فأولئك جهالكم، فإياكم والأماني التي تضل أهلها، فإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول «إن هذا الأمر في قريش لا يعاديهم أحد، إلا كبه الله على وجهه، ما أقاموا الدين»
মুহাম্মাদ ইবন জুবায়ের ইবন মুত্‘ঈম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, মু‘আবিয়া (রাঃ) -এর নিকট কুরাইশ প্রতিনিধিদের সাথে তার উপস্থিতিতে সংবাদ পৌঁছলো যে, ‘আবদুল্লাহ্ ইব্ন ‘আমর ইবনুল ‘আস (রাঃ) বর্ণনা করেন, শীঘ্রই কাহতান বংশীয় জনৈক বাদশাহর আগমন ঘটবে। এতদশ্রবণে মু‘আবিয়া (রাঃ) ক্রুদ্ধ হয়ে খুতবাহ দেয়ার উদ্দেশে দাঁড়িয়ে আল্লাহর যথাযোগ্য হামদ ও সানার পর তিনি বললেন, আমি জানতে পেরেছি, তোমাদের মধ্য থেকে কিছু লোক এমন সব কথাবার্তা বলতে শুরু করেছে যা আল্লাহর কিতাবে নেই এবং আল্লাহ্র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতেও বর্ণিত হয়নি। এরাই মূর্খ, এদের হতে সাবধান থাক এবং এমন কাল্পনিক ধারণা হতে সতর্ক থাক যা ধারণাকারীকে বিপথগামী করে। আল্লাহ্র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে আমি বলতে শুনেছি যে, যত দিন তারা দ্বীন কায়েমে লেগে থাকবে ততদিন খিলাফত ও শাসন ক্ষমতা কুরাইশদের হাতেই থাকবে। এ বিষয়ে যে - ই তাদের সাথে শত্রুতা করবে আল্লাহ্ তাকে অধোঃমুখে নিক্ষেপ করবেন।
মুহাম্মাদ ইবন জুবায়ের ইবন মুত্‘ঈম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, মু‘আবিয়া (রাঃ) -এর নিকট কুরাইশ প্রতিনিধিদের সাথে তার উপস্থিতিতে সংবাদ পৌঁছলো যে, ‘আবদুল্লাহ্ ইব্ন ‘আমর ইবনুল ‘আস (রাঃ) বর্ণনা করেন, শীঘ্রই কাহতান বংশীয় জনৈক বাদশাহর আগমন ঘটবে। এতদশ্রবণে মু‘আবিয়া (রাঃ) ক্রুদ্ধ হয়ে খুতবাহ দেয়ার উদ্দেশে দাঁড়িয়ে আল্লাহর যথাযোগ্য হামদ ও সানার পর তিনি বললেন, আমি জানতে পেরেছি, তোমাদের মধ্য থেকে কিছু লোক এমন সব কথাবার্তা বলতে শুরু করেছে যা আল্লাহর কিতাবে নেই এবং আল্লাহ্র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতেও বর্ণিত হয়নি। এরাই মূর্খ, এদের হতে সাবধান থাক এবং এমন কাল্পনিক ধারণা হতে সতর্ক থাক যা ধারণাকারীকে বিপথগামী করে। আল্লাহ্র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে আমি বলতে শুনেছি যে, যত দিন তারা দ্বীন কায়েমে লেগে থাকবে ততদিন খিলাফত ও শাসন ক্ষমতা কুরাইশদের হাতেই থাকবে। এ বিষয়ে যে - ই তাদের সাথে শত্রুতা করবে আল্লাহ্ তাকে অধোঃমুখে নিক্ষেপ করবেন।
حدثنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، عن الزهري، قال: كان محمد بن جبير بن مطعم يحدث أنه بلغ معاوية وهو عنده في وفد من قريش: أن عبد الله بن عمرو بن العاص يحدث أنه سيكون ملك من قحطان، فغضب معاوية، فقام فأثنى على الله بما هو أهله، ثم قال: أما بعد، فإنه بلغني أن رجالا منكم يتحدثون أحاديث ليست في كتاب الله، ولا تؤثر عن رسول الله صلى الله عليه وسلم، فأولئك جهالكم، فإياكم والأماني التي تضل أهلها، فإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول «إن هذا الأمر في قريش لا يعاديهم أحد، إلا كبه الله على وجهه، ما أقاموا الدين»
সহিহ বুখারী ৩৫০৫
حدثنا عبد الله بن يوسف، حدثنا الليث، قال: حدثني أبو الأسود، عن عروة بن الزبير، قال: كان عبد الله بن الزبير أحب البشر إلى عائشة بعد النبي صلى الله عليه وسلم وأبي بكر، وكان أبر الناس بها، وكانت لا تمسك شيئا مما جاءها من رزق الله إلا تصدقت، فقال ابن الزبير: ينبغي أن يؤخذ على يديها، فقالت: «أيؤخذ على يدي، علي نذر إن كلمته»، فاستشفع إليها برجال من قريش، وبأخوال رسول الله صلى الله عليه وسلم خاصة فامتنعت، فقال له الزهريون أخوال النبي صلى الله عليه وسلم، منهم عبد الرحمن بن الأسود بن عبد يغوث، والمسور بن مخرمة: إذا استأذنا فاقتحم الحجاب، ففعل فأرسل إليها بعشر رقاب فأعتقتهم، ثم لم تزل تعتقهم حتى بلغت أربعين، فقالت: «وددت أني جعلت حين حلفت عملا أعمله فأفرغ منه»
‘উরওয়া ইবন যুবায়র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘আবদুল্লাহ ইব্ন যুবায়র (রহঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও আবূ বকর (রাঃ) -এর পর ‘আয়িশা (রাঃ) -এর নিকট সকল লোকদের মধ্যে সবচেয়ে প্রিয়পাত্র ছিলেন এবং তিনি সকল লোকদের মধ্যে ‘আয়িশা (রাঃ) -এর প্রতি সবচেয়ে অধিক সদাচারী ছিলেন। ‘আয়িশা (রাঃ) -এর নিকট আল্লাহ্র পক্ষ হতে রিজিক হিসেবে যা কিছু আসত তা জমা না রেখে সদাকাহ করে দিতেন। এতে ‘আবদুল্লাহ ইব্ন যুবায়র (রাঃ) বললেন, অধিক দান খয়রাত করা হতে তাকে বারণ করা উচিত। তখন ‘আয়িশা (রাঃ) বললেন, আমাকে দান করা হতে বারণ করা হবে? আমি যদি তার সঙ্গে কথা বলি, তাহলে আমাকে কাফ্ফারা দিতে হবে এবং ‘আবদুল্লাহ ইব্ন যুবায়র (রাঃ) তাঁর নিকট কুরাইশের কিছু লোক, বিশেষভাবে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর মাতৃবংশের কিছু লোক দ্বারা সুপারিশ করালেন। তবুও তিনি তাঁর সঙ্গে কথা বলা হতে বিরত থাকলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর মাতৃবংশ বনী যুহরার কতক বিশিষ্ট লোক যাদের মধ্যে ‘আবদুর রহমান ইব্ন আস্ওয়াদ এবং মিসওয়ার ইব্ন মাখরামাহ (রাঃ) ছিলেন তারা বললেন, আমরা যখন ‘আয়িশা (রাঃ) -এর গৃহে প্রবেশের অনুমতি চাইব তখন তুমি পর্দার ভিতরে ঢুকে পড়বে। তিনি তাই করলেন। পরে ইব্ন যুবায়র (রাঃ) কাফ্ফারা আদায়ের জন্য তার নিকট দশটি ক্রীতদাস পাঠিয়ে দিলেন। ‘আয়িশা (রাঃ) তাদের সবাইকে আযাদ করে দিলেন। অতঃপর তিনি বরাবর আযাদ করতে থাকলেন। এমন কি তা সংখ্যা চল্লিশে পৌঁছে। ‘আয়িশা (রাঃ) বললেন, আমি যখন কোন কাজ করার কসম করি, তখন এরাদা থাকে যে আমি যেন সে কাজটা করে দায়িত্ব মুক্ত হয়ে যাই এবং তিনি আরো বলেন, আমি যখন কোন কাজ করার কসম করি তা যথাযথ পূরণের ইচ্ছা রাখি।
‘উরওয়া ইবন যুবায়র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘আবদুল্লাহ ইব্ন যুবায়র (রহঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও আবূ বকর (রাঃ) -এর পর ‘আয়িশা (রাঃ) -এর নিকট সকল লোকদের মধ্যে সবচেয়ে প্রিয়পাত্র ছিলেন এবং তিনি সকল লোকদের মধ্যে ‘আয়িশা (রাঃ) -এর প্রতি সবচেয়ে অধিক সদাচারী ছিলেন। ‘আয়িশা (রাঃ) -এর নিকট আল্লাহ্র পক্ষ হতে রিজিক হিসেবে যা কিছু আসত তা জমা না রেখে সদাকাহ করে দিতেন। এতে ‘আবদুল্লাহ ইব্ন যুবায়র (রাঃ) বললেন, অধিক দান খয়রাত করা হতে তাকে বারণ করা উচিত। তখন ‘আয়িশা (রাঃ) বললেন, আমাকে দান করা হতে বারণ করা হবে? আমি যদি তার সঙ্গে কথা বলি, তাহলে আমাকে কাফ্ফারা দিতে হবে এবং ‘আবদুল্লাহ ইব্ন যুবায়র (রাঃ) তাঁর নিকট কুরাইশের কিছু লোক, বিশেষভাবে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর মাতৃবংশের কিছু লোক দ্বারা সুপারিশ করালেন। তবুও তিনি তাঁর সঙ্গে কথা বলা হতে বিরত থাকলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর মাতৃবংশ বনী যুহরার কতক বিশিষ্ট লোক যাদের মধ্যে ‘আবদুর রহমান ইব্ন আস্ওয়াদ এবং মিসওয়ার ইব্ন মাখরামাহ (রাঃ) ছিলেন তারা বললেন, আমরা যখন ‘আয়িশা (রাঃ) -এর গৃহে প্রবেশের অনুমতি চাইব তখন তুমি পর্দার ভিতরে ঢুকে পড়বে। তিনি তাই করলেন। পরে ইব্ন যুবায়র (রাঃ) কাফ্ফারা আদায়ের জন্য তার নিকট দশটি ক্রীতদাস পাঠিয়ে দিলেন। ‘আয়িশা (রাঃ) তাদের সবাইকে আযাদ করে দিলেন। অতঃপর তিনি বরাবর আযাদ করতে থাকলেন। এমন কি তা সংখ্যা চল্লিশে পৌঁছে। ‘আয়িশা (রাঃ) বললেন, আমি যখন কোন কাজ করার কসম করি, তখন এরাদা থাকে যে আমি যেন সে কাজটা করে দায়িত্ব মুক্ত হয়ে যাই এবং তিনি আরো বলেন, আমি যখন কোন কাজ করার কসম করি তা যথাযথ পূরণের ইচ্ছা রাখি।
حدثنا عبد الله بن يوسف، حدثنا الليث، قال: حدثني أبو الأسود، عن عروة بن الزبير، قال: كان عبد الله بن الزبير أحب البشر إلى عائشة بعد النبي صلى الله عليه وسلم وأبي بكر، وكان أبر الناس بها، وكانت لا تمسك شيئا مما جاءها من رزق الله إلا تصدقت، فقال ابن الزبير: ينبغي أن يؤخذ على يديها، فقالت: «أيؤخذ على يدي، علي نذر إن كلمته»، فاستشفع إليها برجال من قريش، وبأخوال رسول الله صلى الله عليه وسلم خاصة فامتنعت، فقال له الزهريون أخوال النبي صلى الله عليه وسلم، منهم عبد الرحمن بن الأسود بن عبد يغوث، والمسور بن مخرمة: إذا استأذنا فاقتحم الحجاب، ففعل فأرسل إليها بعشر رقاب فأعتقتهم، ثم لم تزل تعتقهم حتى بلغت أربعين، فقالت: «وددت أني جعلت حين حلفت عملا أعمله فأفرغ منه»
সহিহ বুখারী > কুরআন কুরাইশদের ভাষায় অবতীর্ণ হয়েছে।
সহিহ বুখারী ৩৫০৬
حدثنا عبد العزيز بن عبد الله، حدثنا إبراهيم بن سعد، عن ابن شهاب، عن أنس، أن عثمان، دعا زيد بن ثابت، وعبد الله بن الزبير، وسعيد بن العاص، وعبد الرحمن بن الحارث بن هشام فنسخوها في المصاحف، وقال عثمان للرهط القرشيين الثلاثة: «إذا اختلفتم أنتم وزيد بن ثابت في شيء من القرآن، فاكتبوه بلسان قريش، فإنما نزل بلسانهم ففعلوا ذلك»
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘উসমান (রাঃ), যায়দ ইব্ন সাবিত (রাঃ), ‘আবদুল্লাহ ইব্ন যুবায়র (রাঃ), সা‘ঈদ ইবনুল ‘আস (রাঃ) ‘আবদুর রাহমান ইব্ন হারিস (রাঃ) -কে ডেকে পাঠালেন। তাঁরা সংরক্ষিত কুরআনকে সমবেতভাবে লিপিবদ্ধ করলেন। ‘উসমান (রাঃ) কুরাইশ বংশীয় তিনজনকে বললেন, যদি যায়দ ইব্ন সাবিত (রাঃ) এবং তোমাদের মধ্যে কোন শব্দে মতবিরোধ দেখা দেয় তবে কুরাইশের ভাষায় তা লিপিবদ্ধ কর। যেহেতু কুরআন শরীফ তাদের ভাষায় অবতীর্ণ হয়েছে। অতঃপর তাঁরা তা-ই করলেন।
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘উসমান (রাঃ), যায়দ ইব্ন সাবিত (রাঃ), ‘আবদুল্লাহ ইব্ন যুবায়র (রাঃ), সা‘ঈদ ইবনুল ‘আস (রাঃ) ‘আবদুর রাহমান ইব্ন হারিস (রাঃ) -কে ডেকে পাঠালেন। তাঁরা সংরক্ষিত কুরআনকে সমবেতভাবে লিপিবদ্ধ করলেন। ‘উসমান (রাঃ) কুরাইশ বংশীয় তিনজনকে বললেন, যদি যায়দ ইব্ন সাবিত (রাঃ) এবং তোমাদের মধ্যে কোন শব্দে মতবিরোধ দেখা দেয় তবে কুরাইশের ভাষায় তা লিপিবদ্ধ কর। যেহেতু কুরআন শরীফ তাদের ভাষায় অবতীর্ণ হয়েছে। অতঃপর তাঁরা তা-ই করলেন।
حدثنا عبد العزيز بن عبد الله، حدثنا إبراهيم بن سعد، عن ابن شهاب، عن أنس، أن عثمان، دعا زيد بن ثابت، وعبد الله بن الزبير، وسعيد بن العاص، وعبد الرحمن بن الحارث بن هشام فنسخوها في المصاحف، وقال عثمان للرهط القرشيين الثلاثة: «إذا اختلفتم أنتم وزيد بن ثابت في شيء من القرآن، فاكتبوه بلسان قريش، فإنما نزل بلسانهم ففعلوا ذلك»
সহিহ বুখারী > ইয়ামানবাসীর সম্পর্ক ইসমাঈল ('আঃ) -এর সঙ্গে;
সহিহ বুখারী ৩৫০৭
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن يزيد بن أبي عبيد، حدثنا سلمة رضي الله عنه، قال: خرج رسول الله صلى الله عليه وسلم، على قوم من أسلم يتناضلون بالسوق، فقال: «ارموا بني إسماعيل فإن أباكم كان راميا، وأنا مع بني فلان» لأحد الفريقين، فأمسكوا بأيديهم، فقال: «ما لهم» قالوا: وكيف نرمي وأنت مع بني فلان؟ قال: «ارموا وأنا معكم كلكم»
সালামা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একবার আসলাম গোত্রের কিছু লোক বাজারের নিকটে প্রতিযোগিতামূলক তীর নিক্ষেপের চর্চা করছিল। এমন সময় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বের হলেন এবং তাদেরকে দেখে বললেন, হে ইসমাঈল (আরবী) -এর বংশধর। তোমরা তীর নিক্ষেপ কর। কেননা তোমাদের পিতাও তীর নিক্ষেপে অভিজ্ঞ ছিলেন এবং আমি তোমাদের অমুক দলের পক্ষে রয়েছি। তখন একটি পক্ষ তাদের হাত গুটিয়ে নিল। বর্ণনাকারী বললেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমাদের কী হল? তারা বলল, আপনি অমুক পক্ষে থাকলে আমরা কী করে তীর নিক্ষেপ করতে পারি? নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমরা তীর নিক্ষেপ কর। আমি তোমাদের উভয় দলের সাথে আছি।
সালামা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একবার আসলাম গোত্রের কিছু লোক বাজারের নিকটে প্রতিযোগিতামূলক তীর নিক্ষেপের চর্চা করছিল। এমন সময় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বের হলেন এবং তাদেরকে দেখে বললেন, হে ইসমাঈল (আরবী) -এর বংশধর। তোমরা তীর নিক্ষেপ কর। কেননা তোমাদের পিতাও তীর নিক্ষেপে অভিজ্ঞ ছিলেন এবং আমি তোমাদের অমুক দলের পক্ষে রয়েছি। তখন একটি পক্ষ তাদের হাত গুটিয়ে নিল। বর্ণনাকারী বললেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমাদের কী হল? তারা বলল, আপনি অমুক পক্ষে থাকলে আমরা কী করে তীর নিক্ষেপ করতে পারি? নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমরা তীর নিক্ষেপ কর। আমি তোমাদের উভয় দলের সাথে আছি।
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن يزيد بن أبي عبيد، حدثنا سلمة رضي الله عنه، قال: خرج رسول الله صلى الله عليه وسلم، على قوم من أسلم يتناضلون بالسوق، فقال: «ارموا بني إسماعيل فإن أباكم كان راميا، وأنا مع بني فلان» لأحد الفريقين، فأمسكوا بأيديهم، فقال: «ما لهم» قالوا: وكيف نرمي وأنت مع بني فلان؟ قال: «ارموا وأنا معكم كلكم»