সহিহ বুখারী > মহান আল্লাহ্‌র বাণীঃ এবং স্মরণ করুন আমার বান্দা দাউদের কথা, যিনি ছিলেন খুব শক্তিশালী এবং যিনি ছিলেন অতিশয় আল্লাহ অভিমুখী........ ফায়সালাকারীর বর্ণনা শক্তি। (সোয়াদ ১৭-২০)

সহিহ বুখারী ৩৪২১

حدثنا محمد، حدثنا سهل بن يوسف، قال سمعت العوام، عن مجاهد، قال قلت لابن عباس أسجد في ‏{‏ص‏}‏ فقرأ ‏{‏ومن ذريته داود وسليمان‏}‏ حتى أتى ‏{‏فبهداهم اقتده‏}‏ فقال نبيكم صلى الله عليه وسلم ممن أمر أن يقتدي بهم‏.‏

মুজাহিদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, আমরা কি সূরা ছোয়াদ পাঠ করে সিজদা করবো? তখন তিনি ------------- হতে ----------- পর্যন্ত আয়াত তিলাওয়াত করলেন। অতঃপর  ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) বললেন, তোমাদের নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঐ সব মহান ব্যক্তিদের একজন, যাঁদেরকে পূর্ববর্তীদের অনুসরণ করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছিল।

মুজাহিদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, আমরা কি সূরা ছোয়াদ পাঠ করে সিজদা করবো? তখন তিনি ------------- হতে ----------- পর্যন্ত আয়াত তিলাওয়াত করলেন। অতঃপর  ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) বললেন, তোমাদের নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঐ সব মহান ব্যক্তিদের একজন, যাঁদেরকে পূর্ববর্তীদের অনুসরণ করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছিল।

حدثنا محمد، حدثنا سهل بن يوسف، قال سمعت العوام، عن مجاهد، قال قلت لابن عباس أسجد في ‏{‏ص‏}‏ فقرأ ‏{‏ومن ذريته داود وسليمان‏}‏ حتى أتى ‏{‏فبهداهم اقتده‏}‏ فقال نبيكم صلى الله عليه وسلم ممن أمر أن يقتدي بهم‏.‏


সহিহ বুখারী ৩৪২২

حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا وهيب، حدثنا أيوب، عن عكرمة، عن ابن عباس ـ رضى الله عنهما ـ قال ليس ‏{‏ص‏}‏ من عزائم السجود، ورأيت النبي صلى الله عليه وسلم يسجد فيها‏.‏

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, সূরা ছোয়াদের সিজ্‌দা একান্ত জরুরী নয়। কিন্তু আমি নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে সূরায় সিজ্‌দা করতে দেখেছি।

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, সূরা ছোয়াদের সিজ্‌দা একান্ত জরুরী নয়। কিন্তু আমি নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে সূরায় সিজ্‌দা করতে দেখেছি।

حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا وهيب، حدثنا أيوب، عن عكرمة، عن ابن عباس ـ رضى الله عنهما ـ قال ليس ‏{‏ص‏}‏ من عزائم السجود، ورأيت النبي صلى الله عليه وسلم يسجد فيها‏.‏


সহিহ বুখারী > মহান আল্লাহ্‌র বাণীঃ আর আমি দাঊদকে দান করলাম সুলাইমান। সে ছিল অতি উত্তম বান্দা। তিনি তো ছিলেন অতিশয় আল্লাহ অভিমুখী। (সোয়াদ ৩০)

সহিহ বুখারী ৩৪২৫

حدثني عمر بن حفص، حدثنا أبي، حدثنا الأعمش، حدثنا إبراهيم التيمي، عن أبيه، عن أبي ذر ـ رضى الله عنه ـ قال قلت يا رسول الله‏.‏ أى مسجد وضع أول قال ‏"‏ المسجد الحرام ‏"‏‏.‏ قلت ثم أى قال ‏"‏ ثم المسجد الأقصى ‏"‏‏.‏ قلت كم كان بينهما قال ‏"‏ أربعون ‏"‏‏.‏ ثم قال ‏"‏ حيثما أدركتك الصلاة فصل، والأرض لك مسجد ‏"‏‏.‏

আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! সর্বপ্রথম কোন্‌ মসজিদটি নির্মাণ করা হয়েছে। তিনি বললেন, মসজিদে হারাম। আমি বললাম, অতঃপর কোনটি? তিনি বললেন, মসজিদে আক্‌সা। আমি বললাম, এ দু'য়ের নির্মাণের মাঝখানে কত তফাৎ? তিনি বললেন, চল্লিশ (বছরের) [১] (অতঃপর তিনি বললেন), যেখানেই তোমার সালাতের সময় হবে, সেখানেই তুমি সালাত আদায় করে নিবে। কারণ পৃথিবীটাই তোমার জন্য মসজিদ।

আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! সর্বপ্রথম কোন্‌ মসজিদটি নির্মাণ করা হয়েছে। তিনি বললেন, মসজিদে হারাম। আমি বললাম, অতঃপর কোনটি? তিনি বললেন, মসজিদে আক্‌সা। আমি বললাম, এ দু'য়ের নির্মাণের মাঝখানে কত তফাৎ? তিনি বললেন, চল্লিশ (বছরের) [১] (অতঃপর তিনি বললেন), যেখানেই তোমার সালাতের সময় হবে, সেখানেই তুমি সালাত আদায় করে নিবে। কারণ পৃথিবীটাই তোমার জন্য মসজিদ।

حدثني عمر بن حفص، حدثنا أبي، حدثنا الأعمش، حدثنا إبراهيم التيمي، عن أبيه، عن أبي ذر ـ رضى الله عنه ـ قال قلت يا رسول الله‏.‏ أى مسجد وضع أول قال ‏"‏ المسجد الحرام ‏"‏‏.‏ قلت ثم أى قال ‏"‏ ثم المسجد الأقصى ‏"‏‏.‏ قلت كم كان بينهما قال ‏"‏ أربعون ‏"‏‏.‏ ثم قال ‏"‏ حيثما أدركتك الصلاة فصل، والأرض لك مسجد ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ৩৪২৪

حدثنا خالد بن مخلد، حدثنا مغيرة بن عبد الرحمن، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ قال سليمان بن داود لأطوفن الليلة على سبعين امرأة تحمل كل امرأة فارسا يجاهد في سبيل الله، فقال له صاحبه إن شاء الله‏.‏ فلم يقل، ولم تحمل شيئا إلا واحدا ساقطا إحدى شقيه ‏"‏‏.‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لو قالها لجاهدوا في سبيل الله ‏"‏‏.‏ قال شعيب وابن أبي الزناد ‏"‏ تسعين ‏"‏‏.‏ وهو أصح‏.‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, সুলায়মান ইব্‌নু দাঊদ (‘আঃ) বলেছিলেন, আজ রাতে আমি আমার সত্তর জন স্ত্রীর নিকট যাব। প্রত্যেক স্ত্রী একজন করে অশ্বারোহী যোদ্ধা গর্ভধারণ করবে। এরা আল্লাহর পথে জিহাদ করবে। তখন তাঁর সাথী বললেন, ইন্‌ শা আল্লাহ্‌। কিন্তু তিনি মুখে তা বললেন না। অতঃপর একজন স্ত্রী ছাড়া কেউ গর্ভধারণ করলেন না। সে যাও এক (পুত্র) সন্তান প্রসব করলেন যার এক অঙ্গ ছিল না। নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তিনি যদি ‘ইন্‌ শা আল্লাহ্‌’ মুখে বলতেন, তাহলে আল্লাহ্‌র পথে জিহাদ করতো। শু’আয়ব এবং ইব্‌নু আবূ যিনাদ (রহঃ) এখানে নব্বই জন স্ত্রীর কথা উল্লেখ করেছেন আর এটাই সঠিক।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, সুলায়মান ইব্‌নু দাঊদ (‘আঃ) বলেছিলেন, আজ রাতে আমি আমার সত্তর জন স্ত্রীর নিকট যাব। প্রত্যেক স্ত্রী একজন করে অশ্বারোহী যোদ্ধা গর্ভধারণ করবে। এরা আল্লাহর পথে জিহাদ করবে। তখন তাঁর সাথী বললেন, ইন্‌ শা আল্লাহ্‌। কিন্তু তিনি মুখে তা বললেন না। অতঃপর একজন স্ত্রী ছাড়া কেউ গর্ভধারণ করলেন না। সে যাও এক (পুত্র) সন্তান প্রসব করলেন যার এক অঙ্গ ছিল না। নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তিনি যদি ‘ইন্‌ শা আল্লাহ্‌’ মুখে বলতেন, তাহলে আল্লাহ্‌র পথে জিহাদ করতো। শু’আয়ব এবং ইব্‌নু আবূ যিনাদ (রহঃ) এখানে নব্বই জন স্ত্রীর কথা উল্লেখ করেছেন আর এটাই সঠিক।

حدثنا خالد بن مخلد، حدثنا مغيرة بن عبد الرحمن، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ قال سليمان بن داود لأطوفن الليلة على سبعين امرأة تحمل كل امرأة فارسا يجاهد في سبيل الله، فقال له صاحبه إن شاء الله‏.‏ فلم يقل، ولم تحمل شيئا إلا واحدا ساقطا إحدى شقيه ‏"‏‏.‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لو قالها لجاهدوا في سبيل الله ‏"‏‏.‏ قال شعيب وابن أبي الزناد ‏"‏ تسعين ‏"‏‏.‏ وهو أصح‏.‏


সহিহ বুখারী ৩৪২৩

حدثني محمد بن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن محمد بن زياد، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إن عفريتا من الجن تفلت البارحة ليقطع على صلاتي، فأمكنني الله منه، فأخذته، فأردت أن أربطه على سارية من سواري المسجد حتى تنظروا إليه كلكم فذكرت دعوة أخي سليمان رب هب لي ملكا لا ينبغي لأحد من بعدي‏.‏ فرددته خاسئا ‏"‏‏.‏ عفريت متمرد من إنس أو جان، مثل زبنية جماعتها الزبانية‏.‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, একটি অবাধ্য  জ্বিন এক রাতে আমার সালাতে বাধা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে আমার নিকট আসল। আল্লাহ্‌ আমাকে তার উপর ক্ষমতা প্রদান করলেন। আমি তাকে ধরলাম এবং মসজিদের একটি খুঁটির সাথে বেঁধে রাখার ইচ্ছে করলাম, যাতে তোমরা সবাই স্বচক্ষে তাকে দেখতে পাও। তখনই আমার ভাই সুলাইমান (‘আঃ)-এর এ দু’আটি আমার মনে পড়লো। হে আমার রব! আমাকে ক্ষমা করুন এবং আমাকে এমন রাজ্য দান করুন, যা আমি ছাড়া আর কারও ভাগ্যে না জোটে- (সোয়াদ ৩৫)। অতঃপর আমি জ্বিনটিকে ব্যর্থ এবং লাঞ্ছিত করে ছেড়ে দিলাম। জ্বিন কিংবা মানুষের অত্যন্ত পিশাচ ব্যক্তিকে ইফ্‌রীত বলা হয়। ইফ্‌রীত ও ইফ্‌রীয়াতুন যিব্‌নিয়াতুন-এর মত এক বচন, যার বহু বচন যাবানিয়াতুন।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, একটি অবাধ্য  জ্বিন এক রাতে আমার সালাতে বাধা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে আমার নিকট আসল। আল্লাহ্‌ আমাকে তার উপর ক্ষমতা প্রদান করলেন। আমি তাকে ধরলাম এবং মসজিদের একটি খুঁটির সাথে বেঁধে রাখার ইচ্ছে করলাম, যাতে তোমরা সবাই স্বচক্ষে তাকে দেখতে পাও। তখনই আমার ভাই সুলাইমান (‘আঃ)-এর এ দু’আটি আমার মনে পড়লো। হে আমার রব! আমাকে ক্ষমা করুন এবং আমাকে এমন রাজ্য দান করুন, যা আমি ছাড়া আর কারও ভাগ্যে না জোটে- (সোয়াদ ৩৫)। অতঃপর আমি জ্বিনটিকে ব্যর্থ এবং লাঞ্ছিত করে ছেড়ে দিলাম। জ্বিন কিংবা মানুষের অত্যন্ত পিশাচ ব্যক্তিকে ইফ্‌রীত বলা হয়। ইফ্‌রীত ও ইফ্‌রীয়াতুন যিব্‌নিয়াতুন-এর মত এক বচন, যার বহু বচন যাবানিয়াতুন।

حدثني محمد بن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن محمد بن زياد، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إن عفريتا من الجن تفلت البارحة ليقطع على صلاتي، فأمكنني الله منه، فأخذته، فأردت أن أربطه على سارية من سواري المسجد حتى تنظروا إليه كلكم فذكرت دعوة أخي سليمان رب هب لي ملكا لا ينبغي لأحد من بعدي‏.‏ فرددته خاسئا ‏"‏‏.‏ عفريت متمرد من إنس أو جان، مثل زبنية جماعتها الزبانية‏.‏


সহিহ বুখারী ৩৪২৭

See previous Hadith

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, দু’জন মহিলা ছিল। তাদের সাথে দু’টি সন্তানও ছিল। হঠাৎ একটি বাঘ এসে তাদের একজনের ছেলে নিয়ে গেল। সঙ্গের একজন মহিলা বললো, “তোমার ছেলেটিই বাঘে নিয়ে গেছে।” অন্য মহিলাটি বললো, “না, বাঘে তোমার ছেলেটি নিয়ে গেছে।” অতঃপর উভয় মহিলাই দাঊদ (‘আঃ)-এর নিকট এ বিরোধ মীমাংসার জন্য বিচারপ্রার্থী হল। তখন তিনি ছেলেটির বিষয়ে বয়স্কা মহিলাটির পক্ষে রায় দিলেন। অতঃপর তারা উভয়ে বেরিয়ে দাঊদ (‘আঃ)-এর পুত্র সুলায়মান (‘আঃ)-এর নিকট দিয়ে যেতে লাগল এবং তারা দু’জনে তাঁকে ব্যাপারটি জানালেন। তখন তিনি লোকদেরকে বললেন, তোমরা আমার নিকট একখানা ছোরা নিয়ে আস। আমি ছেলেটিকে দু’ টুক্‌রা করে তাদের দু’জনের মধ্যে ভাগ করে দেই। একথা শুনে অল্পবয়স্কা মহিলাটি বলে উঠলো, তা করবেন না, আল্লাহ্‌ আপনার উপর রহম করুন। ছেলেটি তারই। তখন তিনি ছেলেটি সম্পর্কে অল্পবয়স্কা মহিলাটির অনুকূলে রায় দিলেন। আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেন, আল্লাহ্‌র কসম! ছোরা অর্থে لسّيكينا শব্দটি আমি ঐদিনই শুনেছি। তা না হলে আমরাতো ছোরাকে المُديَتُ ই বলতাম।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, দু’জন মহিলা ছিল। তাদের সাথে দু’টি সন্তানও ছিল। হঠাৎ একটি বাঘ এসে তাদের একজনের ছেলে নিয়ে গেল। সঙ্গের একজন মহিলা বললো, “তোমার ছেলেটিই বাঘে নিয়ে গেছে।” অন্য মহিলাটি বললো, “না, বাঘে তোমার ছেলেটি নিয়ে গেছে।” অতঃপর উভয় মহিলাই দাঊদ (‘আঃ)-এর নিকট এ বিরোধ মীমাংসার জন্য বিচারপ্রার্থী হল। তখন তিনি ছেলেটির বিষয়ে বয়স্কা মহিলাটির পক্ষে রায় দিলেন। অতঃপর তারা উভয়ে বেরিয়ে দাঊদ (‘আঃ)-এর পুত্র সুলায়মান (‘আঃ)-এর নিকট দিয়ে যেতে লাগল এবং তারা দু’জনে তাঁকে ব্যাপারটি জানালেন। তখন তিনি লোকদেরকে বললেন, তোমরা আমার নিকট একখানা ছোরা নিয়ে আস। আমি ছেলেটিকে দু’ টুক্‌রা করে তাদের দু’জনের মধ্যে ভাগ করে দেই। একথা শুনে অল্পবয়স্কা মহিলাটি বলে উঠলো, তা করবেন না, আল্লাহ্‌ আপনার উপর রহম করুন। ছেলেটি তারই। তখন তিনি ছেলেটি সম্পর্কে অল্পবয়স্কা মহিলাটির অনুকূলে রায় দিলেন। আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেন, আল্লাহ্‌র কসম! ছোরা অর্থে لسّيكينا শব্দটি আমি ঐদিনই শুনেছি। তা না হলে আমরাতো ছোরাকে المُديَتُ ই বলতাম।

See previous Hadith


সহিহ বুখারী ৩৪২৬

حدثنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، حدثنا أبو الزناد، عن عبد الرحمن، حدثه أنه، سمع أبا هريرة ـ رضى الله عنه ـ أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏"‏ مثلي ومثل الناس كمثل رجل استوقد نارا، فجعل الفراش وهذه الدواب تقع في النار ‏"‏‏.‏ وقال ‏"‏ كانت امرأتان معهما ابناهما جاء الذئب فذهب بابن إحداهما، فقالت صاحبتها إنما ذهب بابنك‏.‏ وقالت الأخرى إنما ذهب بابنك‏.‏ فتحاكمتا إلى داود، فقضى به للكبرى فخرجتا على سليمان بن داود فأخبرتاه‏.‏ فقال ائتوني بالسكين أشقه بينهما‏.‏ فقالت الصغرى لا تفعل يرحمك الله، هو ابنها‏.‏ فقضى به للصغرى ‏"‏‏.‏ قال أبو هريرة والله إن سمعت بالسكين إلا يومئذ، وما كنا نقول إلا المدية‏.‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি আল্লাহ্‌র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন যে, আমার ও অন্যান্য মানুষের দৃষ্টান্ত হলো এমন যেমন কোন এক ব্যক্তি আগুন জ্বালাল এবং তাতে পতঙ্গ এবং পোকামাকড় ঝাঁকে ঝাঁকে পড়তে লাগল।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি আল্লাহ্‌র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন যে, আমার ও অন্যান্য মানুষের দৃষ্টান্ত হলো এমন যেমন কোন এক ব্যক্তি আগুন জ্বালাল এবং তাতে পতঙ্গ এবং পোকামাকড় ঝাঁকে ঝাঁকে পড়তে লাগল।

حدثنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، حدثنا أبو الزناد، عن عبد الرحمن، حدثه أنه، سمع أبا هريرة ـ رضى الله عنه ـ أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏"‏ مثلي ومثل الناس كمثل رجل استوقد نارا، فجعل الفراش وهذه الدواب تقع في النار ‏"‏‏.‏ وقال ‏"‏ كانت امرأتان معهما ابناهما جاء الذئب فذهب بابن إحداهما، فقالت صاحبتها إنما ذهب بابنك‏.‏ وقالت الأخرى إنما ذهب بابنك‏.‏ فتحاكمتا إلى داود، فقضى به للكبرى فخرجتا على سليمان بن داود فأخبرتاه‏.‏ فقال ائتوني بالسكين أشقه بينهما‏.‏ فقالت الصغرى لا تفعل يرحمك الله، هو ابنها‏.‏ فقضى به للصغرى ‏"‏‏.‏ قال أبو هريرة والله إن سمعت بالسكين إلا يومئذ، وما كنا نقول إلا المدية‏.‏


সহিহ বুখারী > মহান আল্লাহর বাণীঃ নিশ্চয়ই আমি লুকমানকে হিক্‌মত দান করেছি। আর সে বলেছিল, শির্‌ক এক মহা যুল্‌ম। (লুকমান ১২-১৩)

সহিহ বুখারী ৩৪২৮

حدثنا أبو الوليد، حدثنا شعبة، عن الأعمش، عن إبراهيم، عن علقمة، عن عبد الله، قال لما نزلت ‏{‏الذين آمنوا ولم يلبسوا إيمانهم بظلم‏}‏ قال أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم أينا لم يلبس إيمانه بظلم فنزلت ‏{‏لا تشرك بالله إن الشرك لظلم عظيم ‏}

‘আবদুল্লাহ (ইব্‌নু মাস’ঊদ) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন এ আয়াত নাযিল হলঃ যারা ঈমান এনেছে এবং তাদের ঈমানকে যুল্‌মের দ্বারা কলুষিত করেনি- (আল-আন’আম ৮২)। তখন নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহাবীগণ বললেন, আমাদের মধ্যে কোন ব্যক্তি আছে যে, নিজের ঈমানকে যুল্‌মের দ্বারা কলুষিত করেনি? তখন এ আয়াত নাযিল হয়ঃ আল্লাহর সঙ্গে শরীক করো না। কেননা শির্‌ক হচ্ছে এক মহা যুল্‌ম- (লুকমান ১৮)।

‘আবদুল্লাহ (ইব্‌নু মাস’ঊদ) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন এ আয়াত নাযিল হলঃ যারা ঈমান এনেছে এবং তাদের ঈমানকে যুল্‌মের দ্বারা কলুষিত করেনি- (আল-আন’আম ৮২)। তখন নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহাবীগণ বললেন, আমাদের মধ্যে কোন ব্যক্তি আছে যে, নিজের ঈমানকে যুল্‌মের দ্বারা কলুষিত করেনি? তখন এ আয়াত নাযিল হয়ঃ আল্লাহর সঙ্গে শরীক করো না। কেননা শির্‌ক হচ্ছে এক মহা যুল্‌ম- (লুকমান ১৮)।

حدثنا أبو الوليد، حدثنا شعبة، عن الأعمش، عن إبراهيم، عن علقمة، عن عبد الله، قال لما نزلت ‏{‏الذين آمنوا ولم يلبسوا إيمانهم بظلم‏}‏ قال أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم أينا لم يلبس إيمانه بظلم فنزلت ‏{‏لا تشرك بالله إن الشرك لظلم عظيم ‏}


সহিহ বুখারী ৩৪২৯

حدثني إسحاق، أخبرنا عيسى بن يونس، حدثنا الأعمش، عن إبراهيم، عن علقمة، عن عبد الله ـ رضى الله عنه ـ قال لما نزلت ‏{‏الذين آمنوا ولم يلبسوا إيمانهم بظلم‏}‏ شق ذلك على المسلمين، فقالوا يا رسول الله، أينا لا يظلم نفسه قال ‏"‏ ليس ذلك، إنما هو الشرك، ألم تسمعوا ما قال لقمان لابنه وهو يعظه ‏{‏يا بنى لا تشرك بالله إن الشرك لظلم عظيم ‏}‏‏"‏‏.‏

‘আবদুল্লাহ (ইব্‌নু মাস’ঊদ) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যখন এ আয়াতে কারীমা নাযিল হলঃ যারা ঈমান এনেছে এবং তাদের ঈমানকে যুল্‌মের দ্বারা কলুষিত করেনি। তখন তা মুসলিমদের পক্ষে কঠিন হয়ে গেল। তারা আরয করলেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমাদের মধ্যে কোন ব্যক্তি আছে যে নিজের উপর যুল্‌ম করেনি? তখন নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এখানে অর্থ তা নয় বরং এখানে যুল্‌মের অর্থ হলো শির্‌ক। তোমরা কি কুরআনে শুননি লুকমান তাঁর ছেলেকে নাসীহাত দেয়ার সময় কী বলেছিলেন? তিনি বলেছিলেন, “হে আমার বৎস! তুমি আল্লাহ্‌র সঙ্গে শির্‌ক করো না। কেননা, নিশ্চয়ই শির্‌ক এক মহা যুল্‌ম।

‘আবদুল্লাহ (ইব্‌নু মাস’ঊদ) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যখন এ আয়াতে কারীমা নাযিল হলঃ যারা ঈমান এনেছে এবং তাদের ঈমানকে যুল্‌মের দ্বারা কলুষিত করেনি। তখন তা মুসলিমদের পক্ষে কঠিন হয়ে গেল। তারা আরয করলেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমাদের মধ্যে কোন ব্যক্তি আছে যে নিজের উপর যুল্‌ম করেনি? তখন নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এখানে অর্থ তা নয় বরং এখানে যুল্‌মের অর্থ হলো শির্‌ক। তোমরা কি কুরআনে শুননি লুকমান তাঁর ছেলেকে নাসীহাত দেয়ার সময় কী বলেছিলেন? তিনি বলেছিলেন, “হে আমার বৎস! তুমি আল্লাহ্‌র সঙ্গে শির্‌ক করো না। কেননা, নিশ্চয়ই শির্‌ক এক মহা যুল্‌ম।

حدثني إسحاق، أخبرنا عيسى بن يونس، حدثنا الأعمش، عن إبراهيم، عن علقمة، عن عبد الله ـ رضى الله عنه ـ قال لما نزلت ‏{‏الذين آمنوا ولم يلبسوا إيمانهم بظلم‏}‏ شق ذلك على المسلمين، فقالوا يا رسول الله، أينا لا يظلم نفسه قال ‏"‏ ليس ذلك، إنما هو الشرك، ألم تسمعوا ما قال لقمان لابنه وهو يعظه ‏{‏يا بنى لا تشرك بالله إن الشرك لظلم عظيم ‏}‏‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী > মহান আল্লাহ্‌র বাণীঃ আপনি তাদের কাছে এক জনপদের সে সময়ের ঘটনা বর্ণনা করুন, যখন তাদের কাছে কয়েকজন রাসূল এসেছিলেন। (ইয়াসীন ১৩)

এই অধ্যায়ে কোনো হাদিস পাওয়া যায়নি।

🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00