সহিহ বুখারী > কুরাইশদের মর্যাদা ও গুণাবলী

সহিহ বুখারী ৩৫০৩

وقال الليث، حدثني أبو الأسود محمد، عن عروة بن الزبير، قال: ذهب عبد الله بن الزبير مع أناس من بني زهرة إلى عائشة، «وكانت أرق شيء عليهم، لقرابتهم من رسول الله صلى الله عليه وسلم»

‘উরওয়া ইব্‌নু যুবায়র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘আবদুল্লাহ্ ইব্‌ন জুবায়র (রাঃ) বনূ যুহরার কতিপয় লোকের সঙ্গে ‘আয়িশা (রাঃ)-এর নিকটে হাযির হলেন। ‘আয়িশা (রাঃ) তাদের প্রতি অত্যন্ত নম্র ও দয়ার্দ্র ছিলেন। কেননা, আল্লাহ্‌র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে তাঁদের আত্মীয়তা ছিল।

‘উরওয়া ইব্‌নু যুবায়র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘আবদুল্লাহ্ ইব্‌ন জুবায়র (রাঃ) বনূ যুহরার কতিপয় লোকের সঙ্গে ‘আয়িশা (রাঃ)-এর নিকটে হাযির হলেন। ‘আয়িশা (রাঃ) তাদের প্রতি অত্যন্ত নম্র ও দয়ার্দ্র ছিলেন। কেননা, আল্লাহ্‌র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে তাঁদের আত্মীয়তা ছিল।

وقال الليث، حدثني أبو الأسود محمد، عن عروة بن الزبير، قال: ذهب عبد الله بن الزبير مع أناس من بني زهرة إلى عائشة، «وكانت أرق شيء عليهم، لقرابتهم من رسول الله صلى الله عليه وسلم»


সহিহ বুখারী ৩৫০১

حدثنا أبو الوليد، حدثنا عاصم بن محمد، قال: سمعت أبي، عن ابن عمر، رضي الله عنهما، عن النبي صلى الله عليه وسلم، قال: «لا يزال هذا الأمر في قريش ما بقي منهم اثنان»

ইবন ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, এ বিষয় (খিলাফত ও শাসন ক্ষমতা) সর্বদাই কুরাইশদের হাতে থাকবে, যতদিন তাদের দু’জন লোকও বেঁচে থাকবে।

ইবন ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, এ বিষয় (খিলাফত ও শাসন ক্ষমতা) সর্বদাই কুরাইশদের হাতে থাকবে, যতদিন তাদের দু’জন লোকও বেঁচে থাকবে।

حدثنا أبو الوليد، حدثنا عاصم بن محمد، قال: سمعت أبي، عن ابن عمر، رضي الله عنهما، عن النبي صلى الله عليه وسلم، قال: «لا يزال هذا الأمر في قريش ما بقي منهم اثنان»


সহিহ বুখারী ৩৫০২

حدثنا يحيى بن بكير، حدثنا الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، عن ابن المسيب، عن جبير بن مطعم، قال: مشيت أنا وعثمان بن عفان، فقال: يا رسول الله، أعطيت بني المطلب وتركتنا، وإنما نحن وهم منك بمنزلة واحدة؟ فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «إنما بنو هاشم وبنو المطلب شيء واحد»،

জুবায়র ইবন মুত‘ঈম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি এবং ‘উসমান ইব্‌ন আফ্ফান (রাঃ) আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর দরবারে হাযির হলাম। ‘উসমান (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আপনি মুত্তালিবের সন্তানদেরকে দান করলেন এবং আমাদেরকে বাদ দিলেন। অথচ তারা ও আমরা আপনার বংশগতভাবে সম স্তরের। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, বনূ হাশিম ও বনূ মুত্তালিব এক ও অভিন্ন।

জুবায়র ইবন মুত‘ঈম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি এবং ‘উসমান ইব্‌ন আফ্ফান (রাঃ) আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর দরবারে হাযির হলাম। ‘উসমান (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আপনি মুত্তালিবের সন্তানদেরকে দান করলেন এবং আমাদেরকে বাদ দিলেন। অথচ তারা ও আমরা আপনার বংশগতভাবে সম স্তরের। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, বনূ হাশিম ও বনূ মুত্তালিব এক ও অভিন্ন।

حدثنا يحيى بن بكير، حدثنا الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، عن ابن المسيب، عن جبير بن مطعم، قال: مشيت أنا وعثمان بن عفان، فقال: يا رسول الله، أعطيت بني المطلب وتركتنا، وإنما نحن وهم منك بمنزلة واحدة؟ فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «إنما بنو هاشم وبنو المطلب شيء واحد»،


সহিহ বুখারী ৩৫০৪

حدثنا أبو نعيم، حدثنا سفيان، عن سعد، قال: يعقوب بن إبراهيم، حدثنا أبي، عن أبيه، قال: حدثني عبد الرحمن بن هرمز الأعرج، عن أبي هريرة رضي الله عنه [ص: 180] ، قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «قريش، والأنصار، وجهينة، ومزينة، وأسلم، وأشجع، وغفار موالي، ليس لهم مولى دون الله ورسوله»

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, কুরাইশ, আনসার, জুহায়না, মুযায়না, আসলাম, আশজা‘ ও গিফার গোত্রগুলো আমার সাহায্যকারী। আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূল ছাড়া তাঁদের সাহায্যকারী আর কেউ নেই।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, কুরাইশ, আনসার, জুহায়না, মুযায়না, আসলাম, আশজা‘ ও গিফার গোত্রগুলো আমার সাহায্যকারী। আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূল ছাড়া তাঁদের সাহায্যকারী আর কেউ নেই।

حدثنا أبو نعيم، حدثنا سفيان، عن سعد، قال: يعقوب بن إبراهيم، حدثنا أبي، عن أبيه، قال: حدثني عبد الرحمن بن هرمز الأعرج، عن أبي هريرة رضي الله عنه [ص: 180] ، قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «قريش، والأنصار، وجهينة، ومزينة، وأسلم، وأشجع، وغفار موالي، ليس لهم مولى دون الله ورسوله»


সহিহ বুখারী ৩৫০০

حدثنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، عن الزهري، قال: كان محمد بن جبير بن مطعم يحدث أنه بلغ معاوية وهو عنده في وفد من قريش: أن عبد الله بن عمرو بن العاص يحدث أنه سيكون ملك من قحطان، فغضب معاوية، فقام فأثنى على الله بما هو أهله، ثم قال: أما بعد، فإنه بلغني أن رجالا منكم يتحدثون أحاديث ليست في كتاب الله، ولا تؤثر عن رسول الله صلى الله عليه وسلم، فأولئك جهالكم، فإياكم والأماني التي تضل أهلها، فإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول «إن هذا الأمر في قريش لا يعاديهم أحد، إلا كبه الله على وجهه، ما أقاموا الدين»

মুহাম্মাদ ইবন জুবায়ের ইবন মুত্‘ঈম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মু‘আবিয়া (রাঃ) -এর নিকট কুরাইশ প্রতিনিধিদের সাথে তার উপস্থিতিতে সংবাদ পৌঁছলো যে, ‘আবদুল্লাহ্ ইব্‌ন ‘আমর ইবনুল ‘আস (রাঃ) বর্ণনা করেন, শীঘ্রই কাহতান বংশীয় জনৈক বাদশাহর আগমন ঘটবে। এতদশ্রবণে মু‘আবিয়া (রাঃ) ক্রুদ্ধ হয়ে খুতবাহ দেয়ার উদ্দেশে দাঁড়িয়ে আল্লাহর যথাযোগ্য হামদ ও সানার পর তিনি বললেন, আমি জানতে পেরেছি, তোমাদের মধ্য থেকে কিছু লোক এমন সব কথাবার্তা বলতে শুরু করেছে যা আল্লাহর কিতাবে নেই এবং আল্লাহ্‌র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতেও বর্ণিত হয়নি। এরাই মূর্খ, এদের হতে সাবধান থাক এবং এমন কাল্পনিক ধারণা হতে সতর্ক থাক যা ধারণাকারীকে বিপথগামী করে। আল্লাহ্‌র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে আমি বলতে শুনেছি যে, যত দিন তারা দ্বীন কায়েমে লেগে থাকবে ততদিন খিলাফত ও শাসন ক্ষমতা কুরাইশদের হাতেই থাকবে। এ বিষয়ে যে - ই তাদের সাথে শত্রুতা করবে আল্লাহ্ তাকে অধোঃমুখে নিক্ষেপ করবেন।

মুহাম্মাদ ইবন জুবায়ের ইবন মুত্‘ঈম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মু‘আবিয়া (রাঃ) -এর নিকট কুরাইশ প্রতিনিধিদের সাথে তার উপস্থিতিতে সংবাদ পৌঁছলো যে, ‘আবদুল্লাহ্ ইব্‌ন ‘আমর ইবনুল ‘আস (রাঃ) বর্ণনা করেন, শীঘ্রই কাহতান বংশীয় জনৈক বাদশাহর আগমন ঘটবে। এতদশ্রবণে মু‘আবিয়া (রাঃ) ক্রুদ্ধ হয়ে খুতবাহ দেয়ার উদ্দেশে দাঁড়িয়ে আল্লাহর যথাযোগ্য হামদ ও সানার পর তিনি বললেন, আমি জানতে পেরেছি, তোমাদের মধ্য থেকে কিছু লোক এমন সব কথাবার্তা বলতে শুরু করেছে যা আল্লাহর কিতাবে নেই এবং আল্লাহ্‌র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতেও বর্ণিত হয়নি। এরাই মূর্খ, এদের হতে সাবধান থাক এবং এমন কাল্পনিক ধারণা হতে সতর্ক থাক যা ধারণাকারীকে বিপথগামী করে। আল্লাহ্‌র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে আমি বলতে শুনেছি যে, যত দিন তারা দ্বীন কায়েমে লেগে থাকবে ততদিন খিলাফত ও শাসন ক্ষমতা কুরাইশদের হাতেই থাকবে। এ বিষয়ে যে - ই তাদের সাথে শত্রুতা করবে আল্লাহ্ তাকে অধোঃমুখে নিক্ষেপ করবেন।

حدثنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، عن الزهري، قال: كان محمد بن جبير بن مطعم يحدث أنه بلغ معاوية وهو عنده في وفد من قريش: أن عبد الله بن عمرو بن العاص يحدث أنه سيكون ملك من قحطان، فغضب معاوية، فقام فأثنى على الله بما هو أهله، ثم قال: أما بعد، فإنه بلغني أن رجالا منكم يتحدثون أحاديث ليست في كتاب الله، ولا تؤثر عن رسول الله صلى الله عليه وسلم، فأولئك جهالكم، فإياكم والأماني التي تضل أهلها، فإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول «إن هذا الأمر في قريش لا يعاديهم أحد، إلا كبه الله على وجهه، ما أقاموا الدين»


সহিহ বুখারী ৩৫০৫

حدثنا عبد الله بن يوسف، حدثنا الليث، قال: حدثني أبو الأسود، عن عروة بن الزبير، قال: كان عبد الله بن الزبير أحب البشر إلى عائشة بعد النبي صلى الله عليه وسلم وأبي بكر، وكان أبر الناس بها، وكانت لا تمسك شيئا مما جاءها من رزق الله إلا تصدقت، فقال ابن الزبير: ينبغي أن يؤخذ على يديها، فقالت: «أيؤخذ على يدي، علي نذر إن كلمته»، فاستشفع إليها برجال من قريش، وبأخوال رسول الله صلى الله عليه وسلم خاصة فامتنعت، فقال له الزهريون أخوال النبي صلى الله عليه وسلم، منهم عبد الرحمن بن الأسود بن عبد يغوث، والمسور بن مخرمة: إذا استأذنا فاقتحم الحجاب، ففعل فأرسل إليها بعشر رقاب فأعتقتهم، ثم لم تزل تعتقهم حتى بلغت أربعين، فقالت: «وددت أني جعلت حين حلفت عملا أعمله فأفرغ منه»

‘উরওয়া ইবন যুবায়র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘আবদুল্লাহ ইব্‌ন যুবায়র (রহঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও আবূ বকর (রাঃ) -এর পর ‘আয়িশা (রাঃ) -এর নিকট সকল লোকদের মধ্যে সবচেয়ে প্রিয়পাত্র ছিলেন এবং তিনি সকল লোকদের মধ্যে ‘আয়িশা (রাঃ) -এর প্রতি সবচেয়ে অধিক সদাচারী ছিলেন। ‘আয়িশা (রাঃ) -এর নিকট আল্লাহ্‌র পক্ষ হতে রিজিক হিসেবে যা কিছু আসত তা জমা না রেখে সদাকাহ করে দিতেন। এতে ‘আবদুল্লাহ ইব্‌ন যুবায়র (রাঃ) বললেন, অধিক দান খয়রাত করা হতে তাকে বারণ করা উচিত। তখন ‘আয়িশা (রাঃ) বললেন, আমাকে দান করা হতে বারণ করা হবে? আমি যদি তার সঙ্গে কথা বলি, তাহলে আমাকে কাফ্ফারা দিতে হবে এবং ‘আবদুল্লাহ ইব্‌ন যুবায়র (রাঃ) তাঁর নিকট কুরাইশের কিছু লোক, বিশেষভাবে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর মাতৃবংশের কিছু লোক দ্বারা সুপারিশ করালেন। তবুও তিনি তাঁর সঙ্গে কথা বলা হতে বিরত থাকলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর মাতৃবংশ বনী যুহরার কতক বিশিষ্ট লোক যাদের মধ্যে ‘আবদুর রহমান ইব্‌ন আস্ওয়াদ এবং মিসওয়ার ইব্‌ন মাখরামাহ (রাঃ) ছিলেন তারা বললেন, আমরা যখন ‘আয়িশা (রাঃ) -এর গৃহে প্রবেশের অনুমতি চাইব তখন তুমি পর্দার ভিতরে ঢুকে পড়বে। তিনি তাই করলেন। পরে ইব্‌ন যুবায়র (রাঃ) কাফ্ফারা আদায়ের জন্য তার নিকট দশটি ক্রীতদাস পাঠিয়ে দিলেন। ‘আয়িশা (রাঃ) তাদের সবাইকে আযাদ করে দিলেন। অতঃপর তিনি বরাবর আযাদ করতে থাকলেন। এমন কি তা সংখ্যা চল্লিশে পৌঁছে। ‘আয়িশা (রাঃ) বললেন, আমি যখন কোন কাজ করার কসম করি, তখন এরাদা থাকে যে আমি যেন সে কাজটা করে দায়িত্ব মুক্ত হয়ে যাই এবং তিনি আরো বলেন, আমি যখন কোন কাজ করার কসম করি তা যথাযথ পূরণের ইচ্ছা রাখি।

‘উরওয়া ইবন যুবায়র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘আবদুল্লাহ ইব্‌ন যুবায়র (রহঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও আবূ বকর (রাঃ) -এর পর ‘আয়িশা (রাঃ) -এর নিকট সকল লোকদের মধ্যে সবচেয়ে প্রিয়পাত্র ছিলেন এবং তিনি সকল লোকদের মধ্যে ‘আয়িশা (রাঃ) -এর প্রতি সবচেয়ে অধিক সদাচারী ছিলেন। ‘আয়িশা (রাঃ) -এর নিকট আল্লাহ্‌র পক্ষ হতে রিজিক হিসেবে যা কিছু আসত তা জমা না রেখে সদাকাহ করে দিতেন। এতে ‘আবদুল্লাহ ইব্‌ন যুবায়র (রাঃ) বললেন, অধিক দান খয়রাত করা হতে তাকে বারণ করা উচিত। তখন ‘আয়িশা (রাঃ) বললেন, আমাকে দান করা হতে বারণ করা হবে? আমি যদি তার সঙ্গে কথা বলি, তাহলে আমাকে কাফ্ফারা দিতে হবে এবং ‘আবদুল্লাহ ইব্‌ন যুবায়র (রাঃ) তাঁর নিকট কুরাইশের কিছু লোক, বিশেষভাবে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর মাতৃবংশের কিছু লোক দ্বারা সুপারিশ করালেন। তবুও তিনি তাঁর সঙ্গে কথা বলা হতে বিরত থাকলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর মাতৃবংশ বনী যুহরার কতক বিশিষ্ট লোক যাদের মধ্যে ‘আবদুর রহমান ইব্‌ন আস্ওয়াদ এবং মিসওয়ার ইব্‌ন মাখরামাহ (রাঃ) ছিলেন তারা বললেন, আমরা যখন ‘আয়িশা (রাঃ) -এর গৃহে প্রবেশের অনুমতি চাইব তখন তুমি পর্দার ভিতরে ঢুকে পড়বে। তিনি তাই করলেন। পরে ইব্‌ন যুবায়র (রাঃ) কাফ্ফারা আদায়ের জন্য তার নিকট দশটি ক্রীতদাস পাঠিয়ে দিলেন। ‘আয়িশা (রাঃ) তাদের সবাইকে আযাদ করে দিলেন। অতঃপর তিনি বরাবর আযাদ করতে থাকলেন। এমন কি তা সংখ্যা চল্লিশে পৌঁছে। ‘আয়িশা (রাঃ) বললেন, আমি যখন কোন কাজ করার কসম করি, তখন এরাদা থাকে যে আমি যেন সে কাজটা করে দায়িত্ব মুক্ত হয়ে যাই এবং তিনি আরো বলেন, আমি যখন কোন কাজ করার কসম করি তা যথাযথ পূরণের ইচ্ছা রাখি।

حدثنا عبد الله بن يوسف، حدثنا الليث، قال: حدثني أبو الأسود، عن عروة بن الزبير، قال: كان عبد الله بن الزبير أحب البشر إلى عائشة بعد النبي صلى الله عليه وسلم وأبي بكر، وكان أبر الناس بها، وكانت لا تمسك شيئا مما جاءها من رزق الله إلا تصدقت، فقال ابن الزبير: ينبغي أن يؤخذ على يديها، فقالت: «أيؤخذ على يدي، علي نذر إن كلمته»، فاستشفع إليها برجال من قريش، وبأخوال رسول الله صلى الله عليه وسلم خاصة فامتنعت، فقال له الزهريون أخوال النبي صلى الله عليه وسلم، منهم عبد الرحمن بن الأسود بن عبد يغوث، والمسور بن مخرمة: إذا استأذنا فاقتحم الحجاب، ففعل فأرسل إليها بعشر رقاب فأعتقتهم، ثم لم تزل تعتقهم حتى بلغت أربعين، فقالت: «وددت أني جعلت حين حلفت عملا أعمله فأفرغ منه»


সহিহ বুখারী > কুরআন কুরাইশদের ভাষায় অবতীর্ণ হয়েছে।

সহিহ বুখারী ৩৫০৬

حدثنا عبد العزيز بن عبد الله، حدثنا إبراهيم بن سعد، عن ابن شهاب، عن أنس، أن عثمان، دعا زيد بن ثابت، وعبد الله بن الزبير، وسعيد بن العاص، وعبد الرحمن بن الحارث بن هشام فنسخوها في المصاحف، وقال عثمان للرهط القرشيين الثلاثة: «إذا اختلفتم أنتم وزيد بن ثابت في شيء من القرآن، فاكتبوه بلسان قريش، فإنما نزل بلسانهم ففعلوا ذلك»

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘উসমান (রাঃ), যায়দ ইব্‌ন সাবিত (রাঃ), ‘আবদুল্লাহ ইব্‌ন যুবায়র (রাঃ), সা‘ঈদ ইবনুল ‘আস (রাঃ) ‘আবদুর রাহমান ইব্‌ন হারিস (রাঃ) -কে ডেকে পাঠালেন। তাঁরা সংরক্ষিত কুরআনকে সমবেতভাবে লিপিবদ্ধ করলেন। ‘উসমান (রাঃ) কুরাইশ বংশীয় তিনজনকে বললেন, যদি যায়দ ইব্‌ন সাবিত (রাঃ) এবং তোমাদের মধ্যে কোন শব্দে মতবিরোধ দেখা দেয় তবে কুরাইশের ভাষায় তা লিপিবদ্ধ কর। যেহেতু কুরআন শরীফ তাদের ভাষায় অবতীর্ণ হয়েছে। অতঃপর তাঁরা তা-ই করলেন।

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘উসমান (রাঃ), যায়দ ইব্‌ন সাবিত (রাঃ), ‘আবদুল্লাহ ইব্‌ন যুবায়র (রাঃ), সা‘ঈদ ইবনুল ‘আস (রাঃ) ‘আবদুর রাহমান ইব্‌ন হারিস (রাঃ) -কে ডেকে পাঠালেন। তাঁরা সংরক্ষিত কুরআনকে সমবেতভাবে লিপিবদ্ধ করলেন। ‘উসমান (রাঃ) কুরাইশ বংশীয় তিনজনকে বললেন, যদি যায়দ ইব্‌ন সাবিত (রাঃ) এবং তোমাদের মধ্যে কোন শব্দে মতবিরোধ দেখা দেয় তবে কুরাইশের ভাষায় তা লিপিবদ্ধ কর। যেহেতু কুরআন শরীফ তাদের ভাষায় অবতীর্ণ হয়েছে। অতঃপর তাঁরা তা-ই করলেন।

حدثنا عبد العزيز بن عبد الله، حدثنا إبراهيم بن سعد، عن ابن شهاب، عن أنس، أن عثمان، دعا زيد بن ثابت، وعبد الله بن الزبير، وسعيد بن العاص، وعبد الرحمن بن الحارث بن هشام فنسخوها في المصاحف، وقال عثمان للرهط القرشيين الثلاثة: «إذا اختلفتم أنتم وزيد بن ثابت في شيء من القرآن، فاكتبوه بلسان قريش، فإنما نزل بلسانهم ففعلوا ذلك»


সহিহ বুখারী > ইয়ামানবাসীর সম্পর্ক ইসমাঈল ('আঃ) -এর সঙ্গে;

সহিহ বুখারী ৩৫০৭

حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن يزيد بن أبي عبيد، حدثنا سلمة رضي الله عنه، قال: خرج رسول الله صلى الله عليه وسلم، على قوم من أسلم يتناضلون بالسوق، فقال: «ارموا بني إسماعيل فإن أباكم كان راميا، وأنا مع بني فلان» لأحد الفريقين، فأمسكوا بأيديهم، فقال: «ما لهم» قالوا: وكيف نرمي وأنت مع بني فلان؟ قال: «ارموا وأنا معكم كلكم»

সালামা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার আসলাম গোত্রের কিছু লোক বাজারের নিকটে প্রতিযোগিতামূলক তীর নিক্ষেপের চর্চা করছিল। এমন সময় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বের হলেন এবং তাদেরকে দেখে বললেন, হে ইসমাঈল (আরবী) -এর বংশধর। তোমরা তীর নিক্ষেপ কর। কেননা তোমাদের পিতাও তীর নিক্ষেপে অভিজ্ঞ ছিলেন এবং আমি তোমাদের অমুক দলের পক্ষে রয়েছি। তখন একটি পক্ষ তাদের হাত গুটিয়ে নিল। বর্ণনাকারী বললেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমাদের কী হল? তারা বলল, আপনি অমুক পক্ষে থাকলে আমরা কী করে তীর নিক্ষেপ করতে পারি? নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমরা তীর নিক্ষেপ কর। আমি তোমাদের উভয় দলের সাথে আছি।

সালামা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার আসলাম গোত্রের কিছু লোক বাজারের নিকটে প্রতিযোগিতামূলক তীর নিক্ষেপের চর্চা করছিল। এমন সময় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বের হলেন এবং তাদেরকে দেখে বললেন, হে ইসমাঈল (আরবী) -এর বংশধর। তোমরা তীর নিক্ষেপ কর। কেননা তোমাদের পিতাও তীর নিক্ষেপে অভিজ্ঞ ছিলেন এবং আমি তোমাদের অমুক দলের পক্ষে রয়েছি। তখন একটি পক্ষ তাদের হাত গুটিয়ে নিল। বর্ণনাকারী বললেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমাদের কী হল? তারা বলল, আপনি অমুক পক্ষে থাকলে আমরা কী করে তীর নিক্ষেপ করতে পারি? নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমরা তীর নিক্ষেপ কর। আমি তোমাদের উভয় দলের সাথে আছি।

حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن يزيد بن أبي عبيد، حدثنا سلمة رضي الله عنه، قال: خرج رسول الله صلى الله عليه وسلم، على قوم من أسلم يتناضلون بالسوق، فقال: «ارموا بني إسماعيل فإن أباكم كان راميا، وأنا مع بني فلان» لأحد الفريقين، فأمسكوا بأيديهم، فقال: «ما لهم» قالوا: وكيف نرمي وأنت مع بني فلان؟ قال: «ارموا وأنا معكم كلكم»


সহিহ বুখারী > ৬১/৫. অধ্যায়ঃ

সহিহ বুখারী ৩৫০৯

حدثنا علي بن عياش، حدثنا حريز، قال: حدثني عبد الواحد [ص: 181] بن عبد الله النصري، قال: سمعت واثلة بن الأسقع، يقول: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إن من أعظم الفرى أن يدعي الرجل إلى غير أبيه، أو يري عينه ما لم تر، أو يقول على رسول الله صلى الله عليه وسلم ما لم يقل»

ওয়ায়িলাহ ইবন আসকা’ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, কোন লোকের এমন লোককে পিতা বলে দাবি করা তার পিতা নয় এবং প্রকৃতই যা দেখেনি তা দেখার দাবি করা এবং আল্লাহ্‌র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যা বলেননি তা তাঁর প্রতি মিথ্যারোপ করা নিঃসন্দেহে বড় মিথ্যা।

ওয়ায়িলাহ ইবন আসকা’ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, কোন লোকের এমন লোককে পিতা বলে দাবি করা তার পিতা নয় এবং প্রকৃতই যা দেখেনি তা দেখার দাবি করা এবং আল্লাহ্‌র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যা বলেননি তা তাঁর প্রতি মিথ্যারোপ করা নিঃসন্দেহে বড় মিথ্যা।

حدثنا علي بن عياش، حدثنا حريز، قال: حدثني عبد الواحد [ص: 181] بن عبد الله النصري، قال: سمعت واثلة بن الأسقع، يقول: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إن من أعظم الفرى أن يدعي الرجل إلى غير أبيه، أو يري عينه ما لم تر، أو يقول على رسول الله صلى الله عليه وسلم ما لم يقل»


সহিহ বুখারী ৩৫০৮

حدثنا أبو معمر، حدثنا عبد الوارث، عن الحسين، عن عبد الله بن بريدة، قال: حدثني يحيى بن يعمر، أن أبا الأسود الديلي، حدثه عن أبي ذر رضي الله عنه، أنه سمع النبي صلى الله عليه وسلم، يقول: «ليس من رجل ادعى لغير أبيه - وهو يعلمه - إلا كفر، ومن ادعى قوما ليس له فيهم، فليتبوأ مقعده من النار»

আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছেন, কোন লোক যদি নিজ পিতা সম্পর্কে অবগত থাকা সত্ত্বেও অন্য কাকে তার পিতা বলে দাবী করে তবে সে আল্লাহ্‌র কুফরী করল এবং যে ব্যক্তি নিজেকে এমন বংশের সঙ্গে বংশ সম্পর্কিত দাবী করল যে বংশের সঙ্গে তার কোন বংশ সম্পর্ক নেই, সে যেন তার ঠিকানা জাহান্নামে বানিয়ে নেয়।

আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছেন, কোন লোক যদি নিজ পিতা সম্পর্কে অবগত থাকা সত্ত্বেও অন্য কাকে তার পিতা বলে দাবী করে তবে সে আল্লাহ্‌র কুফরী করল এবং যে ব্যক্তি নিজেকে এমন বংশের সঙ্গে বংশ সম্পর্কিত দাবী করল যে বংশের সঙ্গে তার কোন বংশ সম্পর্ক নেই, সে যেন তার ঠিকানা জাহান্নামে বানিয়ে নেয়।

حدثنا أبو معمر، حدثنا عبد الوارث، عن الحسين، عن عبد الله بن بريدة، قال: حدثني يحيى بن يعمر، أن أبا الأسود الديلي، حدثه عن أبي ذر رضي الله عنه، أنه سمع النبي صلى الله عليه وسلم، يقول: «ليس من رجل ادعى لغير أبيه - وهو يعلمه - إلا كفر، ومن ادعى قوما ليس له فيهم، فليتبوأ مقعده من النار»


সহিহ বুখারী ৩৫১০

حدثنا مسدد، حدثنا حماد، عن أبي جمرة، قال: سمعت ابن عباس رضي الله عنهما، يقول: قدم وفد عبد القيس على رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقالوا يا رسول الله: إنا من هذا الحي من ربيعة، قد حالت بيننا وبينك كفار مضر، فلسنا نخلص إليك إلا في كل شهر حرام، فلو أمرتنا بأمر نأخذه عنك ونبلغه من وراءنا، قال: " آمركم بأربع، وأنهاكم عن أربع: الإيمان بالله شهادة أن لا إله إلا الله، وإقام الصلاة، وإيتاء الزكاة، وأن تؤدوا إلى الله خمس ما غنمتم، وأنهاكم عن الدباء، والحنتم والنقير، والمزفت "

ইবন ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন ‘আবদুল কায়স গোত্রের এক প্রতিনিধি দল আল্লাহ্‌র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর দরবারে হাজির হয়ে আরয করল, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! এ গোত্রটি রাবী’আহ বংশের। আমাদের এবং আপনার মধ্যে মূযার গোত্রের কাফিররা বাধা সৃষ্টি করে রেখেছে। আমরা সম্মানিত চার মাস ছাড়া অন্য সময় আপনার নিকট হাযির হতে পারি না। খুবই ভালো হতো যদি আপনি আমাদেরকে এমন কিছু আদেশ দিয়ে দিতেন যা আপনার নিকট হতে গ্রহণ করে আমাদের পিছনে অবস্থিত লোকদের পৌঁছে দিতাম। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আমি তোমাদেরকে চারটি কাজের আদেশ দিচ্ছি এবং চারটি কাজের নিষেধাজ্ঞা প্রদান করছি। (এক) আল্লাহ্‌র প্রতি ঈমান আনা এবং এ সাক্ষ্য দেয়া যে, আল্লাহ্ ছাড়া অন্য কোন প্রকৃত ইলাহ নেই, (দুই) সালাত কায়িম করা, (তিন) যাকাত আদায় করা, (চার) গনীমতের যে মাল তোমরা লাভ কর তার পঞ্চমাংশ আল্লাহ্‌র জন্য বায়তুল মালে দান করা। আর আমি তোমাদেরকে দুব্বা (কদু পাত্র), হান্তম (সবুজ রং এর ঘড়া), নাকীর (খেজুর বৃক্ষের মূল খোদাই করে তৈরি পাত্র), মযাফ্ফাত (আলকাতরা লাগানো মাটির পাত্র, এই চারটি পাত্রের) ব্যবহার করতে নিষেধ করছি।

ইবন ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন ‘আবদুল কায়স গোত্রের এক প্রতিনিধি দল আল্লাহ্‌র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর দরবারে হাজির হয়ে আরয করল, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! এ গোত্রটি রাবী’আহ বংশের। আমাদের এবং আপনার মধ্যে মূযার গোত্রের কাফিররা বাধা সৃষ্টি করে রেখেছে। আমরা সম্মানিত চার মাস ছাড়া অন্য সময় আপনার নিকট হাযির হতে পারি না। খুবই ভালো হতো যদি আপনি আমাদেরকে এমন কিছু আদেশ দিয়ে দিতেন যা আপনার নিকট হতে গ্রহণ করে আমাদের পিছনে অবস্থিত লোকদের পৌঁছে দিতাম। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আমি তোমাদেরকে চারটি কাজের আদেশ দিচ্ছি এবং চারটি কাজের নিষেধাজ্ঞা প্রদান করছি। (এক) আল্লাহ্‌র প্রতি ঈমান আনা এবং এ সাক্ষ্য দেয়া যে, আল্লাহ্ ছাড়া অন্য কোন প্রকৃত ইলাহ নেই, (দুই) সালাত কায়িম করা, (তিন) যাকাত আদায় করা, (চার) গনীমতের যে মাল তোমরা লাভ কর তার পঞ্চমাংশ আল্লাহ্‌র জন্য বায়তুল মালে দান করা। আর আমি তোমাদেরকে দুব্বা (কদু পাত্র), হান্তম (সবুজ রং এর ঘড়া), নাকীর (খেজুর বৃক্ষের মূল খোদাই করে তৈরি পাত্র), মযাফ্ফাত (আলকাতরা লাগানো মাটির পাত্র, এই চারটি পাত্রের) ব্যবহার করতে নিষেধ করছি।

حدثنا مسدد، حدثنا حماد، عن أبي جمرة، قال: سمعت ابن عباس رضي الله عنهما، يقول: قدم وفد عبد القيس على رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقالوا يا رسول الله: إنا من هذا الحي من ربيعة، قد حالت بيننا وبينك كفار مضر، فلسنا نخلص إليك إلا في كل شهر حرام، فلو أمرتنا بأمر نأخذه عنك ونبلغه من وراءنا، قال: " آمركم بأربع، وأنهاكم عن أربع: الإيمان بالله شهادة أن لا إله إلا الله، وإقام الصلاة، وإيتاء الزكاة، وأن تؤدوا إلى الله خمس ما غنمتم، وأنهاكم عن الدباء، والحنتم والنقير، والمزفت "


সহিহ বুখারী ৩৫১১

حدثنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، عن الزهري، قال: حدثني سالم بن عبد الله، أن عبد الله بن عمر رضي الله عنهما، قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم، يقول: وهو على المنبر: «ألا إن الفتنة ها هنا يشير إلى المشرق من حيث يطلع قرن الشيطان»

‘আবদুল্লাহ ইবন ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আল্লাহ্‌র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে মিম্বরের উপর উপবিষ্ট অবস্থায় পূর্ব দিকে [১] ইঙ্গিত করে বলতে শুনেছি, সাবধান! ফিতনা ফাসাদের উদ্ভব ঐদিক থেকেই হবে এবং ঐদিক থেকেই শয়তানের শিং উদিত হবে।

‘আবদুল্লাহ ইবন ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আল্লাহ্‌র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে মিম্বরের উপর উপবিষ্ট অবস্থায় পূর্ব দিকে [১] ইঙ্গিত করে বলতে শুনেছি, সাবধান! ফিতনা ফাসাদের উদ্ভব ঐদিক থেকেই হবে এবং ঐদিক থেকেই শয়তানের শিং উদিত হবে।

حدثنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، عن الزهري، قال: حدثني سالم بن عبد الله، أن عبد الله بن عمر رضي الله عنهما، قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم، يقول: وهو على المنبر: «ألا إن الفتنة ها هنا يشير إلى المشرق من حيث يطلع قرن الشيطان»


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00