সহিহ বুখারী > ৬০/৫৪. অধ্যায়ঃ
সহিহ বুখারী ৩৪৬৬
حدثنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، حدثنا أبو الزناد، عن عبد الرحمن، حدثه أنه، سمع أبا هريرة ـ رضى الله عنه ـ أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " بينما امرأة ترضع ابنها إذ مر بها راكب وهى ترضعه، فقالت اللهم لا تمت ابني حتى يكون مثل هذا. فقال اللهم لا تجعلني مثله. ثم رجع في الثدى، ومر بامرأة تجرر ويلعب بها فقالت اللهم لا تجعل ابني مثلها. فقال اللهم اجعلني مثلها. فقال أما الراكب فإنه كافر، وأما المرأة فإنهم يقولون لها تزني. وتقول حسبي الله. ويقولون تسرق. وتقول حسبي الله ".
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, একদা একজন মহিলা তার কোলের শিশুকে স্তন্য পান করাচ্ছিল। এমন সময় একজন ঘোড়সওয়ার তাদের নিকট দিয়ে গমন করে। মহিলাটি বলল, হে আল্লাহ্! আমার পুত্রকে এই ঘোড়সওয়ারের মত না বানিয়ে মৃত্যু দান করো না। তখন কোলের শিশুটি বলে উঠলো- হে আল্লাহ্! আমাকে ঐ ঘোড়সওয়ারের মত করো না, এই বলে সে পুনরায় স্তন্য পানে লেগে গেল। অতঃপর একজন মহিলাকে কতিপয় লোক অপমানজনকভাবে বিদ্রুপ করতে করতে টেনে নিয়ে চলছিল। ঐ মহিলাকে দেখে বাচ্চার মা বলে উঠল- হে আল্লাহ্! আমার পুত্রকে ঐ মহিলার মত করো না। বাচ্চাটি বলে উঠল, হে আল্লাহ্! আমাকে ঐ মহিলার মত কর। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, ঐ ঘোড়সওয়ার কাফির ছিল। আর ওই মহিলাকে লক্ষ্য করে লোকজন বলছিল, তুই ব্যাভিচারিণী, সে বলছিল হাস্বি আল্লাহ্- আল্লাহ্-ই আমার জন্য যথেষ্ট। তারা বলছিল তুই চোর আর সে বলছিল আল্লাহ্-ই আমার জন্য যথেষ্ট।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, একদা একজন মহিলা তার কোলের শিশুকে স্তন্য পান করাচ্ছিল। এমন সময় একজন ঘোড়সওয়ার তাদের নিকট দিয়ে গমন করে। মহিলাটি বলল, হে আল্লাহ্! আমার পুত্রকে এই ঘোড়সওয়ারের মত না বানিয়ে মৃত্যু দান করো না। তখন কোলের শিশুটি বলে উঠলো- হে আল্লাহ্! আমাকে ঐ ঘোড়সওয়ারের মত করো না, এই বলে সে পুনরায় স্তন্য পানে লেগে গেল। অতঃপর একজন মহিলাকে কতিপয় লোক অপমানজনকভাবে বিদ্রুপ করতে করতে টেনে নিয়ে চলছিল। ঐ মহিলাকে দেখে বাচ্চার মা বলে উঠল- হে আল্লাহ্! আমার পুত্রকে ঐ মহিলার মত করো না। বাচ্চাটি বলে উঠল, হে আল্লাহ্! আমাকে ঐ মহিলার মত কর। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, ঐ ঘোড়সওয়ার কাফির ছিল। আর ওই মহিলাকে লক্ষ্য করে লোকজন বলছিল, তুই ব্যাভিচারিণী, সে বলছিল হাস্বি আল্লাহ্- আল্লাহ্-ই আমার জন্য যথেষ্ট। তারা বলছিল তুই চোর আর সে বলছিল আল্লাহ্-ই আমার জন্য যথেষ্ট।
حدثنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، حدثنا أبو الزناد، عن عبد الرحمن، حدثه أنه، سمع أبا هريرة ـ رضى الله عنه ـ أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " بينما امرأة ترضع ابنها إذ مر بها راكب وهى ترضعه، فقالت اللهم لا تمت ابني حتى يكون مثل هذا. فقال اللهم لا تجعلني مثله. ثم رجع في الثدى، ومر بامرأة تجرر ويلعب بها فقالت اللهم لا تجعل ابني مثلها. فقال اللهم اجعلني مثلها. فقال أما الراكب فإنه كافر، وأما المرأة فإنهم يقولون لها تزني. وتقول حسبي الله. ويقولون تسرق. وتقول حسبي الله ".
সহিহ বুখারী ৩৪৬৯
حدثنا عبد العزيز بن عبد الله، حدثنا إبراهيم بن سعد، عن أبيه، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " إنه قد كان فيما مضى قبلكم من الأمم محدثون، وإنه إن كان في أمتي هذه منهم، فإنه عمر بن الخطاب ".
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমাদের পূর্বের উম্মতগণের মধ্যে ইল্হাম প্রাপ্ত ব্যক্তিবর্গ ছিলেন। আমার উম্মতের মধ্যে যদি এমন কেউ থাকে, তবে সে নিশ্চয় ‘উমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) হবেন।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমাদের পূর্বের উম্মতগণের মধ্যে ইল্হাম প্রাপ্ত ব্যক্তিবর্গ ছিলেন। আমার উম্মতের মধ্যে যদি এমন কেউ থাকে, তবে সে নিশ্চয় ‘উমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) হবেন।
حدثنا عبد العزيز بن عبد الله، حدثنا إبراهيم بن سعد، عن أبيه، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " إنه قد كان فيما مضى قبلكم من الأمم محدثون، وإنه إن كان في أمتي هذه منهم، فإنه عمر بن الخطاب ".
সহিহ বুখারী ৩৪৬৭
حدثنا سعيد بن تليد، حدثنا ابن وهب، قال أخبرني جرير بن حازم، عن أيوب، عن محمد بن سيرين، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " بينما كلب يطيف بركية كاد يقتله العطش، إذ رأته بغي من بغايا بني إسرائيل، فنزعت موقها فسقته، فغفر لها به ".
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন যে, একবার একটি কুকুর এক কূপের চতুর্দিকে ঘুরছিল এবং অত্যন্ত পিপাসার কারণে সে মৃত্যুর কাছে পৌঁছেছিল। তখন বনী ইসরাঈলের ব্যভিচারিণীদের একজন কুকুরটির অবস্থা লক্ষ্য করল, এবং তার পায়ের মোজা দিয়ে পানি সংগ্রহ করে কুকুরটিকে পান করাল। এ কাজের বিনিময়ে আল্লাহ্ তা’আলা তাকে ক্ষমা করে দিলেন।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন যে, একবার একটি কুকুর এক কূপের চতুর্দিকে ঘুরছিল এবং অত্যন্ত পিপাসার কারণে সে মৃত্যুর কাছে পৌঁছেছিল। তখন বনী ইসরাঈলের ব্যভিচারিণীদের একজন কুকুরটির অবস্থা লক্ষ্য করল, এবং তার পায়ের মোজা দিয়ে পানি সংগ্রহ করে কুকুরটিকে পান করাল। এ কাজের বিনিময়ে আল্লাহ্ তা’আলা তাকে ক্ষমা করে দিলেন।
حدثنا سعيد بن تليد، حدثنا ابن وهب، قال أخبرني جرير بن حازم، عن أيوب، عن محمد بن سيرين، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " بينما كلب يطيف بركية كاد يقتله العطش، إذ رأته بغي من بغايا بني إسرائيل، فنزعت موقها فسقته، فغفر لها به ".
সহিহ বুখারী ৩৪৬৮
حدثنا عبد الله بن مسلمة، عن مالك، عن ابن شهاب، عن حميد بن عبد الرحمن، أنه سمع معاوية بن أبي سفيان،، عام حج على المنبر، فتناول قصة من شعر وكانت في يدى حرسي فقال يا أهل المدينة، أين علماؤكم سمعت النبي صلى الله عليه وسلم ينهى عن مثل هذه، ويقول " إنما هلكت بنو إسرائيل حين اتخذها نساؤهم ".
হুমায়েদ ইব্নু ‘আবদুর রাহমান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি মু’আবিয়া ইব্নু আবূ সুফিয়ান (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন যে, তার হজ্জ পালনের বছর মিম্বরে নববীতে উপবিষ্ট অবস্থায় তাঁর দেহরক্ষীদের কাছ থেকে মহিলাদের একগুচ্ছ চুল নিজ হাতে নিয়ে তিনি বলেন যে, হে মীনাবাসী! কোথায় তোমাদের আলিম সমাজ? আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ রকম পরচুলা ব্যবহার করতে নিষেধ করতে শুনেছি। তিনি বলেছেন, বনী ইসরাঈল তখনই ধ্বংস হয়, যখন তাদের মহিলাগণ এ ধরণের পরচুলা ব্যবহার করতে শুরু করে।
হুমায়েদ ইব্নু ‘আবদুর রাহমান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি মু’আবিয়া ইব্নু আবূ সুফিয়ান (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন যে, তার হজ্জ পালনের বছর মিম্বরে নববীতে উপবিষ্ট অবস্থায় তাঁর দেহরক্ষীদের কাছ থেকে মহিলাদের একগুচ্ছ চুল নিজ হাতে নিয়ে তিনি বলেন যে, হে মীনাবাসী! কোথায় তোমাদের আলিম সমাজ? আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ রকম পরচুলা ব্যবহার করতে নিষেধ করতে শুনেছি। তিনি বলেছেন, বনী ইসরাঈল তখনই ধ্বংস হয়, যখন তাদের মহিলাগণ এ ধরণের পরচুলা ব্যবহার করতে শুরু করে।
حدثنا عبد الله بن مسلمة، عن مالك، عن ابن شهاب، عن حميد بن عبد الرحمن، أنه سمع معاوية بن أبي سفيان،، عام حج على المنبر، فتناول قصة من شعر وكانت في يدى حرسي فقال يا أهل المدينة، أين علماؤكم سمعت النبي صلى الله عليه وسلم ينهى عن مثل هذه، ويقول " إنما هلكت بنو إسرائيل حين اتخذها نساؤهم ".
সহিহ বুখারী ৩৪৭০
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن أبي عدي، عن شعبة، عن قتادة، عن أبي الصديق الناجي، عن أبي سعيد ـ رضى الله عنه ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " كان في بني إسرائيل رجل قتل تسعة وتسعين إنسانا ثم خرج يسأل، فأتى راهبا فسأله، فقال له هل من توبة قال لا. فقتله، فجعل يسأل، فقال له رجل ائت قرية كذا وكذا. فأدركه الموت فناء بصدره نحوها، فاختصمت فيه ملائكة الرحمة وملائكة العذاب، فأوحى الله إلى هذه أن تقربي. وأوحى الله إلى هذه أن تباعدي. وقال قيسوا ما بينهما. فوجد إلى هذه أقرب بشبر، فغفر له ".
আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, বনী ইসরাঈলের মাঝে এমন এক ব্যক্তি ছিল যে, নিরানব্বইটি মানুষ হত্যা করেছিল। অতঃপর বের হয়ে একজন পাদরীকে জিজ্ঞেস করল, আমার তওবা কবুল হবার আশা আছে কি? পাদরী বলল, না। তখন সে পাদরীকেও হত্যা করল। অতঃপর পুনরায় সে জিজ্ঞাসাবাদ করতে লাগল। তখন এক ব্যক্তি তাকে বলল, তুমি অমুক স্থানে চলে যাও। সে রওয়ানা হল এবং পথিমধ্যে তার মৃত্যু এসে গেল। সে তার বক্ষদেশ দ্বারা সে স্থানটির দিকে ঘুরে গেল। মৃত্যুর পর রহমত ও আযাবের ফেরেশতামন্ডলী তার রূহকে নিয়ে বাদানুবাদে লিপ্ত হলেন। আল্লাহ্ সামনের ভূমিকে আদেশ করলেন, তুমি মৃত ব্যক্তির নিকটবর্তী হয়ে যাও। এবং পশ্চাতে ফেলে স্থানকে (যেখানে হত্যাকান্ড ঘটেছিল) আদেশ দিলেন, তুমি দূরে সরে যাও। অতঃপর ফেরেশতাদের উভয় দলকে নির্দেশ দিলেন- তোমারা এখান থেকে উভয় দিকের দূরত্ব পরিমাপ কর। পরিমাপ করা হল, দেখা গেল যে, মৃত লোকটি সামনের দিকে এক বিঘত বেশি এগিয়ে আছে। কাজেই তাকে ক্ষমা করা হল।
আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, বনী ইসরাঈলের মাঝে এমন এক ব্যক্তি ছিল যে, নিরানব্বইটি মানুষ হত্যা করেছিল। অতঃপর বের হয়ে একজন পাদরীকে জিজ্ঞেস করল, আমার তওবা কবুল হবার আশা আছে কি? পাদরী বলল, না। তখন সে পাদরীকেও হত্যা করল। অতঃপর পুনরায় সে জিজ্ঞাসাবাদ করতে লাগল। তখন এক ব্যক্তি তাকে বলল, তুমি অমুক স্থানে চলে যাও। সে রওয়ানা হল এবং পথিমধ্যে তার মৃত্যু এসে গেল। সে তার বক্ষদেশ দ্বারা সে স্থানটির দিকে ঘুরে গেল। মৃত্যুর পর রহমত ও আযাবের ফেরেশতামন্ডলী তার রূহকে নিয়ে বাদানুবাদে লিপ্ত হলেন। আল্লাহ্ সামনের ভূমিকে আদেশ করলেন, তুমি মৃত ব্যক্তির নিকটবর্তী হয়ে যাও। এবং পশ্চাতে ফেলে স্থানকে (যেখানে হত্যাকান্ড ঘটেছিল) আদেশ দিলেন, তুমি দূরে সরে যাও। অতঃপর ফেরেশতাদের উভয় দলকে নির্দেশ দিলেন- তোমারা এখান থেকে উভয় দিকের দূরত্ব পরিমাপ কর। পরিমাপ করা হল, দেখা গেল যে, মৃত লোকটি সামনের দিকে এক বিঘত বেশি এগিয়ে আছে। কাজেই তাকে ক্ষমা করা হল।
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن أبي عدي، عن شعبة، عن قتادة، عن أبي الصديق الناجي، عن أبي سعيد ـ رضى الله عنه ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " كان في بني إسرائيل رجل قتل تسعة وتسعين إنسانا ثم خرج يسأل، فأتى راهبا فسأله، فقال له هل من توبة قال لا. فقتله، فجعل يسأل، فقال له رجل ائت قرية كذا وكذا. فأدركه الموت فناء بصدره نحوها، فاختصمت فيه ملائكة الرحمة وملائكة العذاب، فأوحى الله إلى هذه أن تقربي. وأوحى الله إلى هذه أن تباعدي. وقال قيسوا ما بينهما. فوجد إلى هذه أقرب بشبر، فغفر له ".
সহিহ বুখারী ৩৪৭১
حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا سفيان، حدثنا أبو الزناد، عن الأعرج، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ قال صلى رسول الله صلى الله عليه وسلم صلاة الصبح، ثم أقبل على الناس، فقال " بينا رجل يسوق بقرة إذ ركبها فضربها فقالت إنا لم نخلق لهذا، إنما خلقنا للحرث ". فقال الناس سبحان الله بقرة تكلم. فقال " فإني أومن بهذا أنا وأبو بكر وعمر ـ وما هما ثم ـ وبينما رجل في غنمه إذ عدا الذئب فذهب منها بشاة، فطلب حتى كأنه استنقذها منه، فقال له الذئب هذا استنقذتها مني فمن لها يوم السبع، يوم لا راعي لها غيري ". فقال الناس سبحان الله ذئب يتكلم. قال " فإني أومن بهذا أنا وأبو بكر وعمر ". وما هما ثم. وحدثنا علي، حدثنا سفيان، عن مسعر، عن سعد بن إبراهيم، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثله.
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফজরের সালাত শেষে লোকজনের দিকে ঘুরে বসলেন এবং বললেন, একদা এক লোক এক গরু হাঁকিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল। হঠাৎ সে এটির পিঠে চড়ে বসল এবং ওকে প্রহার করতে লাগল। তখন গরুটি বলল, আমাদেরকে এজন্য সৃষ্টি করা হয়নি, আমাদেরকে চাষাবাদের জন্য সৃষ্টি করা হয়েছে। এতদশ্রবণে লোকজন বলে উঠল, সুবহানাল্লাহ্! গরুও কথা বলে? নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আমি এবং আবূ বক্র ও ‘উমর তা বিশ্বাস করি। অথচ তখন তাঁরা উভয়ে সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। আর এক রাখাল একদিন তার ছাগল পালের মাঝে অবস্থান করছিল, এমন সময় একটা চিতা বাঘ পালে ঢুকে একটা ছাগল নিয়ে গেল। রাখাল বাঘের পিছনে ধাওয়া করে ছাগলটি উদ্ধার করে নিল। তখন বাঘটি বলল, তুমি ছাগলটি আমার কাছ থেকে কেড়ে নিলে বটে তবে ঐদিন কে ছাগলকে রক্ষা করবে যেদিন হিংস্র জন্তু ওদের আক্রমণ করবে এবং আমি ব্যতীত তাদের অন্য কোন রাখাল থাকবে না। লোকেরা বলল, সুবহানাল্লাহ্! চিতা বাঘ কথা বলে! নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আমি এবং আবূ বক্র ও ‘উমর তা বিশ্বাস করি অথচ তখন তাঁরা উভয়েই সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। ‘আলী ইব্নু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। ……. আবূ হুরায়রা (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে এ রকমই বর্ণনা করেছেন।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফজরের সালাত শেষে লোকজনের দিকে ঘুরে বসলেন এবং বললেন, একদা এক লোক এক গরু হাঁকিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল। হঠাৎ সে এটির পিঠে চড়ে বসল এবং ওকে প্রহার করতে লাগল। তখন গরুটি বলল, আমাদেরকে এজন্য সৃষ্টি করা হয়নি, আমাদেরকে চাষাবাদের জন্য সৃষ্টি করা হয়েছে। এতদশ্রবণে লোকজন বলে উঠল, সুবহানাল্লাহ্! গরুও কথা বলে? নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আমি এবং আবূ বক্র ও ‘উমর তা বিশ্বাস করি। অথচ তখন তাঁরা উভয়ে সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। আর এক রাখাল একদিন তার ছাগল পালের মাঝে অবস্থান করছিল, এমন সময় একটা চিতা বাঘ পালে ঢুকে একটা ছাগল নিয়ে গেল। রাখাল বাঘের পিছনে ধাওয়া করে ছাগলটি উদ্ধার করে নিল। তখন বাঘটি বলল, তুমি ছাগলটি আমার কাছ থেকে কেড়ে নিলে বটে তবে ঐদিন কে ছাগলকে রক্ষা করবে যেদিন হিংস্র জন্তু ওদের আক্রমণ করবে এবং আমি ব্যতীত তাদের অন্য কোন রাখাল থাকবে না। লোকেরা বলল, সুবহানাল্লাহ্! চিতা বাঘ কথা বলে! নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আমি এবং আবূ বক্র ও ‘উমর তা বিশ্বাস করি অথচ তখন তাঁরা উভয়েই সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। ‘আলী ইব্নু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। ……. আবূ হুরায়রা (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে এ রকমই বর্ণনা করেছেন।
حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا سفيان، حدثنا أبو الزناد، عن الأعرج، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ قال صلى رسول الله صلى الله عليه وسلم صلاة الصبح، ثم أقبل على الناس، فقال " بينا رجل يسوق بقرة إذ ركبها فضربها فقالت إنا لم نخلق لهذا، إنما خلقنا للحرث ". فقال الناس سبحان الله بقرة تكلم. فقال " فإني أومن بهذا أنا وأبو بكر وعمر ـ وما هما ثم ـ وبينما رجل في غنمه إذ عدا الذئب فذهب منها بشاة، فطلب حتى كأنه استنقذها منه، فقال له الذئب هذا استنقذتها مني فمن لها يوم السبع، يوم لا راعي لها غيري ". فقال الناس سبحان الله ذئب يتكلم. قال " فإني أومن بهذا أنا وأبو بكر وعمر ". وما هما ثم. وحدثنا علي، حدثنا سفيان، عن مسعر، عن سعد بن إبراهيم، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثله.
সহিহ বুখারী ৩৪৭২
حدثنا إسحاق بن نصر، أخبرنا عبد الرزاق، عن معمر، عن همام، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " اشترى رجل من رجل عقارا له، فوجد الرجل الذي اشترى العقار في عقاره جرة فيها ذهب، فقال له الذي اشترى العقار خذ ذهبك مني، إنما اشتريت منك الأرض، ولم أبتع منك الذهب. وقال الذي له الأرض إنما بعتك الأرض وما فيها، فتحاكما إلى رجل، فقال الذي تحاكما إليه ألكما ولد قال أحدهما لي غلام. وقال الآخر لي جارية. قال أنكحوا الغلام الجارية، وأنفقوا على أنفسهما منه، وتصدقا ".
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, এক লোক অপর লোক হতে একখন্ড জমি ক্রয় করেছিল। ক্রেতা খরিদকৃত জমিতে একটা স্বর্ণ ভর্তি ঘড়া পেল। ক্রেতা বিক্রেতাকে তা ফেরত নিতে অনুরোধ করে বলল, কারণ আমি জমি ক্রয় করেছি, স্বর্ণ ক্রয় করিনি। বিক্রেতা বলল, আমি জমি এবং এতে যা কিছু আছে সবই বেচে দিয়েছি। অতঃপর তারা উভয়েই অপর এক লোকের কাছে এর মীমাংসা চাইল। তিনি বললেন, তোমাদের কি ছেলে-মেয়ে আছে? একজন বলল, আমার একটি ছেলে আছে। অন্য লোকটি বলল, আমার একটি মেয়ে আছে। মীমাংসাকারী বললেন, তোমার মেয়েকে তার ছেলের সঙ্গে বিবাহ দাও আর প্রাপ্ত স্বর্ণের মধ্যে কিছু তাদের বিবাহে ব্যয় কর এবং বাকী অংশ তাদেরকে দিয়ে দাও।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, এক লোক অপর লোক হতে একখন্ড জমি ক্রয় করেছিল। ক্রেতা খরিদকৃত জমিতে একটা স্বর্ণ ভর্তি ঘড়া পেল। ক্রেতা বিক্রেতাকে তা ফেরত নিতে অনুরোধ করে বলল, কারণ আমি জমি ক্রয় করেছি, স্বর্ণ ক্রয় করিনি। বিক্রেতা বলল, আমি জমি এবং এতে যা কিছু আছে সবই বেচে দিয়েছি। অতঃপর তারা উভয়েই অপর এক লোকের কাছে এর মীমাংসা চাইল। তিনি বললেন, তোমাদের কি ছেলে-মেয়ে আছে? একজন বলল, আমার একটি ছেলে আছে। অন্য লোকটি বলল, আমার একটি মেয়ে আছে। মীমাংসাকারী বললেন, তোমার মেয়েকে তার ছেলের সঙ্গে বিবাহ দাও আর প্রাপ্ত স্বর্ণের মধ্যে কিছু তাদের বিবাহে ব্যয় কর এবং বাকী অংশ তাদেরকে দিয়ে দাও।
حدثنا إسحاق بن نصر، أخبرنا عبد الرزاق، عن معمر، عن همام، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " اشترى رجل من رجل عقارا له، فوجد الرجل الذي اشترى العقار في عقاره جرة فيها ذهب، فقال له الذي اشترى العقار خذ ذهبك مني، إنما اشتريت منك الأرض، ولم أبتع منك الذهب. وقال الذي له الأرض إنما بعتك الأرض وما فيها، فتحاكما إلى رجل، فقال الذي تحاكما إليه ألكما ولد قال أحدهما لي غلام. وقال الآخر لي جارية. قال أنكحوا الغلام الجارية، وأنفقوا على أنفسهما منه، وتصدقا ".
সহিহ বুখারী ৩৪৭৩
حدثنا عبد العزيز بن عبد الله، قال حدثني مالك، عن محمد بن المنكدر، وعن أبي النضر، مولى عمر بن عبيد الله عن عامر بن سعد بن أبي وقاص، عن أبيه، أنه سمعه يسأل، أسامة بن زيد ماذا سمعت من، رسول الله صلى الله عليه وسلم في الطاعون فقال أسامة قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " الطاعون رجس أرسل على طائفة من بني إسرائيل أو على من كان قبلكم، فإذا سمعتم به بأرض فلا تقدموا عليه، وإذا وقع بأرض وأنتم بها فلا تخرجوا فرارا منه ". قال أبو النضر " لا يخرجكم إلا فرارا منه ".
সায়াদ ইব্নু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) উসামাহ্ ইব্নু যায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আপনি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে প্লেগ সম্বন্ধে কী শুনেছেন? উসামাহ্ (রাঃ) বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, প্লেগ একটি আযাব। যা বনী ইসরাঈলের এক সম্প্রদায়ের উপর পতিত হয়েছিল অথবা তোমাদের পূর্বে যারা ছিল। তোমরা যখন কোন স্থানে প্লেগের ছড়াছড়ি শুনতে পাও, তখন তোমরা সেখানে যেয়ো না। আর যখন প্লেগ এমন জায়গায় দেখা দেয়, যেখানে তুমি অবস্থান করছো, তখন সে স্থান হতে পালানোর লক্ষ্যে বের হয়োনা। আবূ নযর (রহঃ) বলেন, পলায়নের লক্ষ্যে এলাকা ত্যাগ করো না। তবে অন্য কারণে যেতে পার, তাতে বাধা নেই।
সায়াদ ইব্নু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) উসামাহ্ ইব্নু যায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আপনি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে প্লেগ সম্বন্ধে কী শুনেছেন? উসামাহ্ (রাঃ) বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, প্লেগ একটি আযাব। যা বনী ইসরাঈলের এক সম্প্রদায়ের উপর পতিত হয়েছিল অথবা তোমাদের পূর্বে যারা ছিল। তোমরা যখন কোন স্থানে প্লেগের ছড়াছড়ি শুনতে পাও, তখন তোমরা সেখানে যেয়ো না। আর যখন প্লেগ এমন জায়গায় দেখা দেয়, যেখানে তুমি অবস্থান করছো, তখন সে স্থান হতে পালানোর লক্ষ্যে বের হয়োনা। আবূ নযর (রহঃ) বলেন, পলায়নের লক্ষ্যে এলাকা ত্যাগ করো না। তবে অন্য কারণে যেতে পার, তাতে বাধা নেই।
حدثنا عبد العزيز بن عبد الله، قال حدثني مالك، عن محمد بن المنكدر، وعن أبي النضر، مولى عمر بن عبيد الله عن عامر بن سعد بن أبي وقاص، عن أبيه، أنه سمعه يسأل، أسامة بن زيد ماذا سمعت من، رسول الله صلى الله عليه وسلم في الطاعون فقال أسامة قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " الطاعون رجس أرسل على طائفة من بني إسرائيل أو على من كان قبلكم، فإذا سمعتم به بأرض فلا تقدموا عليه، وإذا وقع بأرض وأنتم بها فلا تخرجوا فرارا منه ". قال أبو النضر " لا يخرجكم إلا فرارا منه ".
সহিহ বুখারী ৩৪৭৪
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا داود بن أبي الفرات، حدثنا عبد الله بن بريدة، عن يحيى بن يعمر، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ زوج النبي صلى الله عليه وسلم قالت سألت رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الطاعون، فأخبرني " أنه عذاب يبعثه الله على من يشاء، وأن الله جعله رحمة للمؤمنين، ليس من أحد يقع الطاعون فيمكث في بلده صابرا محتسبا، يعلم أنه لا يصيبه إلا ما كتب الله له، إلا كان له مثل أجر شهيد ".
‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে প্লেগ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে উত্তরে তিনি বলেন, তা একটি আযাব। আল্লাহ্ তা’আলা তাঁর বান্দাদের মধ্যে যাদের প্রতি ইচ্ছা করেন তাদের উপর তা প্রেরণ করেন। আর আল্লাহ্ তা’আলা তাঁর মুমিন বান্দাদের উপর তা রহমত করে দিয়েছেন। কোন ব্যক্তি যখন প্লেগে আক্রান্ত জায়গায় সাওয়াবের আশায় ধৈর্য ধরে অবস্থান করে এবং তার অন্তরে দৃঢ় বিশ্বাস থাকে যে, আল্লাহ্ তাকদীরে যা লিখে রেখেছেন তাই হবে তাহলে সে একজন শহীদের সমান সওয়াব পাবে।
‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে প্লেগ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে উত্তরে তিনি বলেন, তা একটি আযাব। আল্লাহ্ তা’আলা তাঁর বান্দাদের মধ্যে যাদের প্রতি ইচ্ছা করেন তাদের উপর তা প্রেরণ করেন। আর আল্লাহ্ তা’আলা তাঁর মুমিন বান্দাদের উপর তা রহমত করে দিয়েছেন। কোন ব্যক্তি যখন প্লেগে আক্রান্ত জায়গায় সাওয়াবের আশায় ধৈর্য ধরে অবস্থান করে এবং তার অন্তরে দৃঢ় বিশ্বাস থাকে যে, আল্লাহ্ তাকদীরে যা লিখে রেখেছেন তাই হবে তাহলে সে একজন শহীদের সমান সওয়াব পাবে।
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا داود بن أبي الفرات، حدثنا عبد الله بن بريدة، عن يحيى بن يعمر، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ زوج النبي صلى الله عليه وسلم قالت سألت رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الطاعون، فأخبرني " أنه عذاب يبعثه الله على من يشاء، وأن الله جعله رحمة للمؤمنين، ليس من أحد يقع الطاعون فيمكث في بلده صابرا محتسبا، يعلم أنه لا يصيبه إلا ما كتب الله له، إلا كان له مثل أجر شهيد ".
সহিহ বুখারী ৩৪৭৬
حدثنا آدم، حدثنا شعبة، حدثنا عبد الملك بن ميسرة، قال سمعت النزال بن سبرة الهلالي، عن ابن مسعود ـ رضى الله عنه ـ قال سمعت رجلا، قرأ، وسمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقرأ خلافها فجئت به النبي صلى الله عليه وسلم فأخبرته فعرفت في وجهه الكراهية وقال " كلاكما محسن، ولا تختلفوا، فإن من كان قبلكم اختلفوا فهلكوا ".
‘আবদুল্লাহ ইব্নু মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি এক লোককে কুরআনের একটি আয়াত পড়তে শুনলাম যা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে আমার শোনা তিলাওয়াতের বিপরীত। আমি তাকে নিয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দরবারে উপস্থিত হয়ে ঘটনাটি বললাম, তখন তাঁর চেহারায় অসন্তুষ্টি লক্ষ্য করলাম। তিনি বললেন, তোমরা দু’জনেই ভাল ও সুন্দর পড়েছ। তবে তোমরা মতবিরোধ করো না। তোমাদের আগের লোকেরা মতবিরোধের কারণেই ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছে।
‘আবদুল্লাহ ইব্নু মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি এক লোককে কুরআনের একটি আয়াত পড়তে শুনলাম যা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে আমার শোনা তিলাওয়াতের বিপরীত। আমি তাকে নিয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দরবারে উপস্থিত হয়ে ঘটনাটি বললাম, তখন তাঁর চেহারায় অসন্তুষ্টি লক্ষ্য করলাম। তিনি বললেন, তোমরা দু’জনেই ভাল ও সুন্দর পড়েছ। তবে তোমরা মতবিরোধ করো না। তোমাদের আগের লোকেরা মতবিরোধের কারণেই ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছে।
حدثنا آدم، حدثنا شعبة، حدثنا عبد الملك بن ميسرة، قال سمعت النزال بن سبرة الهلالي، عن ابن مسعود ـ رضى الله عنه ـ قال سمعت رجلا، قرأ، وسمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقرأ خلافها فجئت به النبي صلى الله عليه وسلم فأخبرته فعرفت في وجهه الكراهية وقال " كلاكما محسن، ولا تختلفوا، فإن من كان قبلكم اختلفوا فهلكوا ".
সহিহ বুখারী ৩৪৭৫
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، عن ابن شهاب، عن عروة، عن عائشة ـ رضى الله عنها أن قريشا، أهمهم شأن المرأة المخزومية التي سرقت، فقال ومن يكلم فيها رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالوا ومن يجترئ عليه إلا أسامة بن زيد، حب رسول الله صلى الله عليه وسلم، فكلمه أسامة، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أتشفع في حد من حدود الله ". ثم قام فاختطب، ثم قال " إنما أهلك الذين قبلكم أنهم كانوا إذا سرق فيهم الشريف تركوه، وإذا سرق فيهم الضعيف أقاموا عليه الحد، وايم الله، لو أن فاطمة ابنة محمد سرقت لقطعت يدها ".
‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
মাখযূম গোত্রের এক চোর নারীর ঘটনা কুরাইশের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে অত্যন্ত উদ্বিগ্ন করে তুলল। এ অবস্থায় তারা বলাবলি করতে লাগল এ ব্যাপারে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে কে আলাপ করতে পারে? তার বলল, একমাত্র রসূল(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর প্রিয়তম উসামা বিন যায়িদ (রাঃ) এ ব্যাপারে আলোচনা করার সাহস করতে পারেন। উসামা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে কথা বললেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তুমি কি আল্লাহ্র নির্ধারিত সীমাঙ্ঘনকারিণীর সাজা মাওকুফের সুপারিশ করছ? অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাঁড়িয়ে খুত্বায় বললেন, তোমাদের পূর্বের জাতিসমূহকে এ কাজই ধ্বংস করেছে যে, যখন তাদের মধ্যে কোন বিশিষ্ট লোক চুরি করত, তখন তারা বিনা সাজায় তাকে ছেড়ে দিত। অন্যদিকে যখন কোন অসহায় গরীব সাধারণ লোক চুরি করত, তখন তার উপর হদ্ জারি করত। আল্লাহ্র কসম, যদি মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কন্যা ফাতিমা চুরি করত তাহলে আমি তার অবশ্যই তার হাত কেটে দিতাম।
‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
মাখযূম গোত্রের এক চোর নারীর ঘটনা কুরাইশের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে অত্যন্ত উদ্বিগ্ন করে তুলল। এ অবস্থায় তারা বলাবলি করতে লাগল এ ব্যাপারে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে কে আলাপ করতে পারে? তার বলল, একমাত্র রসূল(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর প্রিয়তম উসামা বিন যায়িদ (রাঃ) এ ব্যাপারে আলোচনা করার সাহস করতে পারেন। উসামা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে কথা বললেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তুমি কি আল্লাহ্র নির্ধারিত সীমাঙ্ঘনকারিণীর সাজা মাওকুফের সুপারিশ করছ? অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাঁড়িয়ে খুত্বায় বললেন, তোমাদের পূর্বের জাতিসমূহকে এ কাজই ধ্বংস করেছে যে, যখন তাদের মধ্যে কোন বিশিষ্ট লোক চুরি করত, তখন তারা বিনা সাজায় তাকে ছেড়ে দিত। অন্যদিকে যখন কোন অসহায় গরীব সাধারণ লোক চুরি করত, তখন তার উপর হদ্ জারি করত। আল্লাহ্র কসম, যদি মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কন্যা ফাতিমা চুরি করত তাহলে আমি তার অবশ্যই তার হাত কেটে দিতাম।
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، عن ابن شهاب، عن عروة، عن عائشة ـ رضى الله عنها أن قريشا، أهمهم شأن المرأة المخزومية التي سرقت، فقال ومن يكلم فيها رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالوا ومن يجترئ عليه إلا أسامة بن زيد، حب رسول الله صلى الله عليه وسلم، فكلمه أسامة، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أتشفع في حد من حدود الله ". ثم قام فاختطب، ثم قال " إنما أهلك الذين قبلكم أنهم كانوا إذا سرق فيهم الشريف تركوه، وإذا سرق فيهم الضعيف أقاموا عليه الحد، وايم الله، لو أن فاطمة ابنة محمد سرقت لقطعت يدها ".
সহিহ বুখারী ৩৪৭৭
حدثنا عمر بن حفص، حدثنا أبي، حدثنا الأعمش، قال حدثني شقيق، قال عبد الله كأني أنظر إلى النبي صلى الله عليه وسلم يحكي نبيا من الأنبياء ضربه قومه فأدموه، وهو يمسح الدم عن وجهه، ويقول " اللهم اغفر لقومي فإنهم لا يعلمون ".
‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি যেন এখনো নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দেখছি যখন তিনি একজন নবী (‘আঃ)-এর অবস্থা বর্ণনা করছিলেন যে, তার স্বজাতিরা তাঁকে প্রহার করে রক্তাক্ত করে দিয়েছে আর তিনি তাঁর চেহারা হতে রক্ত মুছে ফেলছেন এবং বলছেন, হে আল্লাহ! আমার জাতিকে ক্ষমা করে দাও, যেহেতু তারা জানে না।
‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি যেন এখনো নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দেখছি যখন তিনি একজন নবী (‘আঃ)-এর অবস্থা বর্ণনা করছিলেন যে, তার স্বজাতিরা তাঁকে প্রহার করে রক্তাক্ত করে দিয়েছে আর তিনি তাঁর চেহারা হতে রক্ত মুছে ফেলছেন এবং বলছেন, হে আল্লাহ! আমার জাতিকে ক্ষমা করে দাও, যেহেতু তারা জানে না।
حدثنا عمر بن حفص، حدثنا أبي، حدثنا الأعمش، قال حدثني شقيق، قال عبد الله كأني أنظر إلى النبي صلى الله عليه وسلم يحكي نبيا من الأنبياء ضربه قومه فأدموه، وهو يمسح الدم عن وجهه، ويقول " اللهم اغفر لقومي فإنهم لا يعلمون ".
সহিহ বুখারী ৩৪৭৮
حدثنا أبو الوليد، حدثنا أبو عوانة، عن قتادة، عن عقبة بن عبد الغافر، عن أبي سعيد ـ رضى الله عنه ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم " أن رجلا كان قبلكم رغسه الله مالا فقال لبنيه لما حضر أى أب كنت لكم قالوا خير أب. قال فإني لم أعمل خيرا قط، فإذا مت فأحرقوني ثم اسحقوني ثم ذروني في يوم عاصف. ففعلوا، فجمعه الله عز وجل، فقال ما حملك قال مخافتك. فتلقاه برحمته ". وقال معاذ حدثنا شعبة، عن قتادة، سمعت عقبة بن عبد الغافر، سمعت أبا سعيد الخدري، عن النبي صلى الله عليه وسلم.
আবু সা’ঈদ (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তোমাদের আগের এক লোক, আল্লাহ্ তা’আলা তাকে প্রচুর ধন-সম্পদ দান করেছিলেন। যখন তার মৃত্যুর সময় ঘনিয়ে এল তখন সে তার ছেলেদেরকে জড় করে জিজ্ঞেস করল আমি তোমাদের কেমন পিতা ছিলাম? তারা বলল আপনি আমাদের উত্তম পিতা ছিলেন। সে বলল, আমি জীবনে কখনও কোন নেক আমল করতে পারিনি। আমি যখন মারা যাব তখন তোমরা আমার লাশকে জ্বালিয়ে ছাই করে দিও এবং প্রচন্ড ঝড়ের দিন ঐ ছাই বাতাসে উড়িয়ে দিও। সে মারা গেল। ছেলেরা অসিয়ত অনুযায়ী কাজ করল। আল্লাহ্ তা’আলা তার ছাই জড় করে জিজ্ঞেস করলেন, এমন অসিয়ত করতে কে তোমাকে উদ্বুদ্ধ করল? সে বলল, হে আল্লাহ্! তোমার শাস্তির ভয়। ফলে আল্লাহ্র রহমত তাকে ঢেকে নিল। মু’আয (রহঃ)... আবূ সা’ঈদ (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণনা করেন।
আবু সা’ঈদ (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তোমাদের আগের এক লোক, আল্লাহ্ তা’আলা তাকে প্রচুর ধন-সম্পদ দান করেছিলেন। যখন তার মৃত্যুর সময় ঘনিয়ে এল তখন সে তার ছেলেদেরকে জড় করে জিজ্ঞেস করল আমি তোমাদের কেমন পিতা ছিলাম? তারা বলল আপনি আমাদের উত্তম পিতা ছিলেন। সে বলল, আমি জীবনে কখনও কোন নেক আমল করতে পারিনি। আমি যখন মারা যাব তখন তোমরা আমার লাশকে জ্বালিয়ে ছাই করে দিও এবং প্রচন্ড ঝড়ের দিন ঐ ছাই বাতাসে উড়িয়ে দিও। সে মারা গেল। ছেলেরা অসিয়ত অনুযায়ী কাজ করল। আল্লাহ্ তা’আলা তার ছাই জড় করে জিজ্ঞেস করলেন, এমন অসিয়ত করতে কে তোমাকে উদ্বুদ্ধ করল? সে বলল, হে আল্লাহ্! তোমার শাস্তির ভয়। ফলে আল্লাহ্র রহমত তাকে ঢেকে নিল। মু’আয (রহঃ)... আবূ সা’ঈদ (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণনা করেন।
حدثنا أبو الوليد، حدثنا أبو عوانة، عن قتادة، عن عقبة بن عبد الغافر، عن أبي سعيد ـ رضى الله عنه ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم " أن رجلا كان قبلكم رغسه الله مالا فقال لبنيه لما حضر أى أب كنت لكم قالوا خير أب. قال فإني لم أعمل خيرا قط، فإذا مت فأحرقوني ثم اسحقوني ثم ذروني في يوم عاصف. ففعلوا، فجمعه الله عز وجل، فقال ما حملك قال مخافتك. فتلقاه برحمته ". وقال معاذ حدثنا شعبة، عن قتادة، سمعت عقبة بن عبد الغافر، سمعت أبا سعيد الخدري، عن النبي صلى الله عليه وسلم.
সহিহ বুখারী ৩৪৭৯
حدثنا مسدد، حدثنا أبو عوانة، عن عبد الملك بن عمير، عن ربعي بن حراش، قال قال عقبة لحذيفة ألا تحدثنا ما سمعت من النبي صلى الله عليه وسلم. قال سمعته يقول " إن رجلا حضره الموت، لما أيس من الحياة، أوصى أهله إذا مت فاجمعوا لي حطبا كثيرا، ثم أوروا نارا حتى إذا أكلت لحمي، وخلصت إلى عظمي، فخذوها فاطحنوها، فذروني في اليم في يوم حار أو راح. فجمعه الله، فقال لم فعلت قال خشيتك. فغفر له ". قال عقبة وأنا سمعته يقول. حدثنا موسى حدثنا أبو عوانة حدثنا عبد الملك وقال " في يوم راح ".
হুযাইফাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, এক লোকের যখন মৃত্যুর সময় ঘনিয়ে এল এবং সে জীবন হতে নিরাশ হয়ে গেল। তখন সে তার পরিবার পরিজনকে ওসিয়াত করল, যখন আমি মরে যাব তখন তোমরা আমার জন্য অনেক লাকড়ি জমা করে আগুন জ্বালিয়ে দিও। আগুন যখন আমার গোস্ত জ্বালিয়ে পুড়িয়ে হাড় পর্যন্ত পৌঁছে যাবে তখন হাড়গুলি পিষে ছাই করে নিও। অতঃপর সে ছাই গরমের দিন কিংবা প্রচন্ড বাতাসের দিনে সাগরে ভাসিয়ে দিও। আল্লাহ্ তায়ালা তার ছাই জড় করে জিজ্ঞেস করলেন, এমন কেন করলে? সে বলল, আপনার ভয়ে। আল্লাহ্ তাকে ক্ষমা করে দিলেন। ‘উকবাহ্ (রহঃ) বলেন, আর আমিও তাকে [হুযাইফাহ (রাঃ)]-কে বলতে শুনেছি। ‘আবদুল মালিক (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ---------- অর্থাৎ প্রচণ্ড বাতাসের দিনে।
হুযাইফাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, এক লোকের যখন মৃত্যুর সময় ঘনিয়ে এল এবং সে জীবন হতে নিরাশ হয়ে গেল। তখন সে তার পরিবার পরিজনকে ওসিয়াত করল, যখন আমি মরে যাব তখন তোমরা আমার জন্য অনেক লাকড়ি জমা করে আগুন জ্বালিয়ে দিও। আগুন যখন আমার গোস্ত জ্বালিয়ে পুড়িয়ে হাড় পর্যন্ত পৌঁছে যাবে তখন হাড়গুলি পিষে ছাই করে নিও। অতঃপর সে ছাই গরমের দিন কিংবা প্রচন্ড বাতাসের দিনে সাগরে ভাসিয়ে দিও। আল্লাহ্ তায়ালা তার ছাই জড় করে জিজ্ঞেস করলেন, এমন কেন করলে? সে বলল, আপনার ভয়ে। আল্লাহ্ তাকে ক্ষমা করে দিলেন। ‘উকবাহ্ (রহঃ) বলেন, আর আমিও তাকে [হুযাইফাহ (রাঃ)]-কে বলতে শুনেছি। ‘আবদুল মালিক (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ---------- অর্থাৎ প্রচণ্ড বাতাসের দিনে।
حدثنا مسدد، حدثنا أبو عوانة، عن عبد الملك بن عمير، عن ربعي بن حراش، قال قال عقبة لحذيفة ألا تحدثنا ما سمعت من النبي صلى الله عليه وسلم. قال سمعته يقول " إن رجلا حضره الموت، لما أيس من الحياة، أوصى أهله إذا مت فاجمعوا لي حطبا كثيرا، ثم أوروا نارا حتى إذا أكلت لحمي، وخلصت إلى عظمي، فخذوها فاطحنوها، فذروني في اليم في يوم حار أو راح. فجمعه الله، فقال لم فعلت قال خشيتك. فغفر له ". قال عقبة وأنا سمعته يقول. حدثنا موسى حدثنا أبو عوانة حدثنا عبد الملك وقال " في يوم راح ".
সহিহ বুখারী ৩৪৮০
حدثنا عبد العزيز بن عبد الله، حدثنا إبراهيم بن سعد، عن ابن شهاب، عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " كان الرجل يداين الناس، فكان يقول لفتاه إذا أتيت معسرا فتجاوز عنه، لعل الله أن يتجاوز عنا. قال فلقي الله فتجاوز عنه ".
আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, পূর্বযুগে কোন এক লোক ছিল, যে মানুষকে ঋণ প্রদান করত। সে তার কর্মচারীকে বলে দিত, তুমি যখন কোন গরীবের নিকট টাকা আদায় করতে যাও, তখন তাকে মাফ করে দিও। হয়ত আল্লাহ্ তা’য়ালা এ কারণে আমাকে ক্ষমা করে দিবেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, যখন সে আল্লাহ্ তা’আলার সাক্ষাৎ লাভ করল, তখন আল্লাহ্ তাকে ক্ষমা করে দিলেন।
আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, পূর্বযুগে কোন এক লোক ছিল, যে মানুষকে ঋণ প্রদান করত। সে তার কর্মচারীকে বলে দিত, তুমি যখন কোন গরীবের নিকট টাকা আদায় করতে যাও, তখন তাকে মাফ করে দিও। হয়ত আল্লাহ্ তা’য়ালা এ কারণে আমাকে ক্ষমা করে দিবেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, যখন সে আল্লাহ্ তা’আলার সাক্ষাৎ লাভ করল, তখন আল্লাহ্ তাকে ক্ষমা করে দিলেন।
حدثنا عبد العزيز بن عبد الله، حدثنا إبراهيم بن سعد، عن ابن شهاب، عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " كان الرجل يداين الناس، فكان يقول لفتاه إذا أتيت معسرا فتجاوز عنه، لعل الله أن يتجاوز عنا. قال فلقي الله فتجاوز عنه ".
সহিহ বুখারী ৩৪৮১
حدثني عبد الله بن محمد، حدثنا هشام، أخبرنا معمر، عن الزهري، عن حميد بن عبد الرحمن، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " كان رجل يسرف على نفسه، فلما حضره الموت قال لبنيه إذا أنا مت فأحرقوني ثم اطحنوني ثم ذروني في الريح، فوالله لئن قدر على ربي ليعذبني عذابا ما عذبه أحدا. فلما مات فعل به ذلك، فأمر الله الأرض، فقال اجمعي ما فيك منه. ففعلت فإذا هو قائم، فقال ما حملك على ما صنعت قال يا رب، خشيتك. فغفر له ". وقال غيره " مخافتك يا رب ".
আবু হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, পূর্বযুগে এক লোক তার নিজের উপর অনেক যুল্ম করেছিল। যখন তার মৃত্যুকাল ঘনিয়ে এলো, সে তার পুত্রদেরকে বলল, মৃত্যুর পর আমার দেহ হাড় মাংসসহ পুড়িয়ে ছাই করে নিও এবং প্রবল বাতাসে উড়িয়ে দিও। আল্লাহ্র কসম! যদি আল্লাহ্ আমাকে ধরে ফেলেন, তবে তিনি আমাকে এমন কঠিনতম শাস্তি দিবেন যা অন্য কাউকেও দেননি। যখন তার মওত হল, তার সঙ্গে সে ভাবেই করা হল। অতঃপর আল্লাহ্ যমীনকে আদেশ করলেন, তোমার মাঝে ঐ ব্যক্তির যা আছে জমা করে দাও। যমীন তা করে দিল। এ ব্যাক্তি তখনই দাঁড়িয়ে গেল। আল্লাহ্ তাকে জিজ্ঞেস করলেন, কিসে তোমাকে এই কাজ করতে উদ্বুদ্ধ করলো? সে বলল, হে, প্রতিপালক তোমার ভয়। অতঃপর তাকে ক্ষমা করা হল। অন্য রাবী -------- স্থলে --------- বলেছেন।
আবু হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, পূর্বযুগে এক লোক তার নিজের উপর অনেক যুল্ম করেছিল। যখন তার মৃত্যুকাল ঘনিয়ে এলো, সে তার পুত্রদেরকে বলল, মৃত্যুর পর আমার দেহ হাড় মাংসসহ পুড়িয়ে ছাই করে নিও এবং প্রবল বাতাসে উড়িয়ে দিও। আল্লাহ্র কসম! যদি আল্লাহ্ আমাকে ধরে ফেলেন, তবে তিনি আমাকে এমন কঠিনতম শাস্তি দিবেন যা অন্য কাউকেও দেননি। যখন তার মওত হল, তার সঙ্গে সে ভাবেই করা হল। অতঃপর আল্লাহ্ যমীনকে আদেশ করলেন, তোমার মাঝে ঐ ব্যক্তির যা আছে জমা করে দাও। যমীন তা করে দিল। এ ব্যাক্তি তখনই দাঁড়িয়ে গেল। আল্লাহ্ তাকে জিজ্ঞেস করলেন, কিসে তোমাকে এই কাজ করতে উদ্বুদ্ধ করলো? সে বলল, হে, প্রতিপালক তোমার ভয়। অতঃপর তাকে ক্ষমা করা হল। অন্য রাবী -------- স্থলে --------- বলেছেন।
حدثني عبد الله بن محمد، حدثنا هشام، أخبرنا معمر، عن الزهري، عن حميد بن عبد الرحمن، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " كان رجل يسرف على نفسه، فلما حضره الموت قال لبنيه إذا أنا مت فأحرقوني ثم اطحنوني ثم ذروني في الريح، فوالله لئن قدر على ربي ليعذبني عذابا ما عذبه أحدا. فلما مات فعل به ذلك، فأمر الله الأرض، فقال اجمعي ما فيك منه. ففعلت فإذا هو قائم، فقال ما حملك على ما صنعت قال يا رب، خشيتك. فغفر له ". وقال غيره " مخافتك يا رب ".
সহিহ বুখারী ৩৪৮২
حدثني عبد الله بن محمد بن أسماء، حدثنا جويرية بن أسماء، عن نافع، عن عبد الله بن عمر ـ رضى الله عنهما ـ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " عذبت امرأة في هرة سجنتها حتى ماتت، فدخلت فيها النار، لا هي أطعمتها ولا سقتها إذ حبستها، ولا هي تركتها تأكل من خشاش الأرض ".
‘আবদুল্লাহ ইব্নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আল্লাহর রসুল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, এক নারীকে একটি বিড়ালের কারণে আযাব দেয়া হয়েছিল। সে বিড়ালটিকে বেঁধে রেখেছিল। সে অবস্থায় বিড়ালটি মরে যায়। মহিলাটি ঐ কারণে জাহান্নামে গেল। কেননা সে বিড়ালটিকে খানা-পিনা কিছুই করায়নি এবং ছেড়েও দেয়নি যাতে সে যমীনের পোকা-মাকড় খেয়ে বেঁচে থাকত।
‘আবদুল্লাহ ইব্নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আল্লাহর রসুল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, এক নারীকে একটি বিড়ালের কারণে আযাব দেয়া হয়েছিল। সে বিড়ালটিকে বেঁধে রেখেছিল। সে অবস্থায় বিড়ালটি মরে যায়। মহিলাটি ঐ কারণে জাহান্নামে গেল। কেননা সে বিড়ালটিকে খানা-পিনা কিছুই করায়নি এবং ছেড়েও দেয়নি যাতে সে যমীনের পোকা-মাকড় খেয়ে বেঁচে থাকত।
حدثني عبد الله بن محمد بن أسماء، حدثنا جويرية بن أسماء، عن نافع، عن عبد الله بن عمر ـ رضى الله عنهما ـ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " عذبت امرأة في هرة سجنتها حتى ماتت، فدخلت فيها النار، لا هي أطعمتها ولا سقتها إذ حبستها، ولا هي تركتها تأكل من خشاش الأرض ".
সহিহ বুখারী ৩৪৮৩
حدثنا أحمد بن يونس، عن زهير، حدثنا منصور، عن ربعي بن حراش، حدثنا أبو مسعود، عقبة قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " إن مما أدرك الناس من كلام النبوة، إذا لم تستحي فافعل ما شئت ".
আবু মাস’ঊদ ‘উকবা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আম্বিয়া-এ-কিরামের উক্তিসমূহ যা মানব জাতি লাভ করেছে, তার মধ্যে একটি হল, “যদি তোমার লজ্জা না থাকে তাহলে তুমি যা ইচ্ছা তাই কর।”
আবু মাস’ঊদ ‘উকবা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আম্বিয়া-এ-কিরামের উক্তিসমূহ যা মানব জাতি লাভ করেছে, তার মধ্যে একটি হল, “যদি তোমার লজ্জা না থাকে তাহলে তুমি যা ইচ্ছা তাই কর।”
حدثنا أحمد بن يونس، عن زهير، حدثنا منصور، عن ربعي بن حراش، حدثنا أبو مسعود، عقبة قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " إن مما أدرك الناس من كلام النبوة، إذا لم تستحي فافعل ما شئت ".
সহিহ বুখারী ৩৪৮৪
حدثنا آدم، حدثنا شعبة، عن منصور، قال سمعت ربعي بن حراش، يحدث عن أبي مسعود، قال النبي صلى الله عليه وسلم " إن مما أدرك الناس من كلام النبوة إذا لم تستحي فاصنع ما شئت ".
আবূ মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, প্রথম যুগের আম্বিয়া-এ-কিরামের উক্তিসমূহ যা মানব জাতি লাভ করেছে, তন্মধ্যে একটি হল, “যদি তোমার লজ্জা না থাকে, তাহলে তুমি যা ইচ্ছা তাই কর।”
আবূ মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, প্রথম যুগের আম্বিয়া-এ-কিরামের উক্তিসমূহ যা মানব জাতি লাভ করেছে, তন্মধ্যে একটি হল, “যদি তোমার লজ্জা না থাকে, তাহলে তুমি যা ইচ্ছা তাই কর।”
حدثنا آدم، حدثنا شعبة، عن منصور، قال سمعت ربعي بن حراش، يحدث عن أبي مسعود، قال النبي صلى الله عليه وسلم " إن مما أدرك الناس من كلام النبوة إذا لم تستحي فاصنع ما شئت ".
সহিহ বুখারী ৩৪৮৫
حدثنا بشر بن محمد، أخبرنا عبيد الله، أخبرنا يونس، عن الزهري، أخبرني سالم، أن ابن عمر، حدثه أن النبي صلى الله عليه وسلم قال " بينما رجل يجر إزاره من الخيلاء خسف به، فهو يتجلجل في الأرض إلى يوم القيامة ". تابعه عبد الرحمن بن خالد عن الزهري.
‘ইবনু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, এক ব্যক্তি গর্ব ও অহংকারের সাথে লুঙ্গি টাখ্নুর নীচে ঝুলিয়ে পথ চলছিল। এই অবস্থায় তাকে যমীনে ধসিয়ে দেয়া হল এবং কিয়ামত পর্যন্ত সে এমনি অবস্থায় নীচের দিকেই যেতে থাকবে। ‘আবদুর রহমান ইব্নু খালিদ (রহঃ) ইমাম যুহরী (রহঃ) হতে হাদীস বর্ণনায় ইউনুস (রহঃ)-এর অনুসরণ করেছেন।
‘ইবনু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, এক ব্যক্তি গর্ব ও অহংকারের সাথে লুঙ্গি টাখ্নুর নীচে ঝুলিয়ে পথ চলছিল। এই অবস্থায় তাকে যমীনে ধসিয়ে দেয়া হল এবং কিয়ামত পর্যন্ত সে এমনি অবস্থায় নীচের দিকেই যেতে থাকবে। ‘আবদুর রহমান ইব্নু খালিদ (রহঃ) ইমাম যুহরী (রহঃ) হতে হাদীস বর্ণনায় ইউনুস (রহঃ)-এর অনুসরণ করেছেন।
حدثنا بشر بن محمد، أخبرنا عبيد الله، أخبرنا يونس، عن الزهري، أخبرني سالم، أن ابن عمر، حدثه أن النبي صلى الله عليه وسلم قال " بينما رجل يجر إزاره من الخيلاء خسف به، فهو يتجلجل في الأرض إلى يوم القيامة ". تابعه عبد الرحمن بن خالد عن الزهري.
সহিহ বুখারী ৩৪৮৬
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا وهيب، قال حدثني ابن طاوس، عن أبيه، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " نحن الآخرون السابقون يوم القيامة، بيد كل أمة أوتوا الكتاب من قبلنا وأوتينا من بعدهم، فهذا اليوم الذي اختلفوا، فغدا لليهود وبعد غد للنصارى ". "على كل مسلم فى كل سبعة أيام يوم يغسل رأسه وجسده"
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, পৃথিবীতে আমাদের আগমন সবশেষে হলেও কিয়ামত দিবসে আমরা অগ্রগামী। কিন্তু, অন্যান্য উম্মতগণকে কিতাব দেয়া হয়েছে আমাদের পূর্বে, আর আমাদেরকে কিতাব দেয়া হয়েছে তাদের পরে। অতঃপর এ সম্পর্কে তারা মতবিরোধ করেছে। তা ইয়াহুদীদের মনোনীত শনিবার, খ্রিস্টানদের মনোনীত রবিবার।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, পৃথিবীতে আমাদের আগমন সবশেষে হলেও কিয়ামত দিবসে আমরা অগ্রগামী। কিন্তু, অন্যান্য উম্মতগণকে কিতাব দেয়া হয়েছে আমাদের পূর্বে, আর আমাদেরকে কিতাব দেয়া হয়েছে তাদের পরে। অতঃপর এ সম্পর্কে তারা মতবিরোধ করেছে। তা ইয়াহুদীদের মনোনীত শনিবার, খ্রিস্টানদের মনোনীত রবিবার।
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا وهيب، قال حدثني ابن طاوس، عن أبيه، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " نحن الآخرون السابقون يوم القيامة، بيد كل أمة أوتوا الكتاب من قبلنا وأوتينا من بعدهم، فهذا اليوم الذي اختلفوا، فغدا لليهود وبعد غد للنصارى ". "على كل مسلم فى كل سبعة أيام يوم يغسل رأسه وجسده"
সহিহ বুখারী ৩৪৮৭
See previous Hadith
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
প্রত্যেক মুসলিমের জন্য সপ্তাহে অন্ততঃ একদিন গোসল করা কর্তব্য।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
প্রত্যেক মুসলিমের জন্য সপ্তাহে অন্ততঃ একদিন গোসল করা কর্তব্য।
See previous Hadith
সহিহ বুখারী ৩৪৮৮
حدثنا آدم، حدثنا شعبة، حدثنا عمرو بن مرة، سمعت سعيد بن المسيب، قال قدم معاوية بن أبي سفيان المدينة آخر قدمة قدمها، فخطبنا فأخرج كبة من شعر فقال ما كنت أرى أن أحدا يفعل هذا غير اليهود، وإن النبي صلى الله عليه وسلم سماه الزور ـ يعني الوصال في الشعر. تابعه غندر عن شعبة.
সা’ঈদ ইব্নু মুসাইয়্যাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন যে, যখন মু’আবিয়া ইব্নু আবূ সুফিয়ান (রাঃ) মদীনায় সর্বশেষ আগমন করেন, তখন তিনি আমাদেরকে লক্ষ্য করে খুত্বা প্রদান কালে একগুচ্ছ পরচুলা বের করে বলেন, ইয়াহূদীরা ছাড়া অন্য কেউ এর ব্যবহার করে বলে আমার ধারণা ছিলনা। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ কাজকে মিথ্যা প্রতারণা বলে আখ্যায়িত করেছেন। অর্থাৎ পরচুলা। গুন্দর (রহঃ) শু’বা (রহঃ) হতে হাদীস বর্ণনায় আদম (রহঃ)-এর অনুসরণ করেছেন।
সা’ঈদ ইব্নু মুসাইয়্যাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন যে, যখন মু’আবিয়া ইব্নু আবূ সুফিয়ান (রাঃ) মদীনায় সর্বশেষ আগমন করেন, তখন তিনি আমাদেরকে লক্ষ্য করে খুত্বা প্রদান কালে একগুচ্ছ পরচুলা বের করে বলেন, ইয়াহূদীরা ছাড়া অন্য কেউ এর ব্যবহার করে বলে আমার ধারণা ছিলনা। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ কাজকে মিথ্যা প্রতারণা বলে আখ্যায়িত করেছেন। অর্থাৎ পরচুলা। গুন্দর (রহঃ) শু’বা (রহঃ) হতে হাদীস বর্ণনায় আদম (রহঃ)-এর অনুসরণ করেছেন।
حدثنا آدم، حدثنا شعبة، حدثنا عمرو بن مرة، سمعت سعيد بن المسيب، قال قدم معاوية بن أبي سفيان المدينة آخر قدمة قدمها، فخطبنا فأخرج كبة من شعر فقال ما كنت أرى أن أحدا يفعل هذا غير اليهود، وإن النبي صلى الله عليه وسلم سماه الزور ـ يعني الوصال في الشعر. تابعه غندر عن شعبة.