সহিহ বুখারী > আল্লাহ তা’আলার বাণীঃ আর সামূদ জাতির প্রতি তাদেরই ভাই সালিহকে পাঠিয়েছিলাম- (হূদঃ ৬১)।. আল্লাহ আরো বলেন, হিজরবাসীরা রসূলগণের প্রতি মিথ্যারোপ করেছিলো- (হিজরঃ ৮০)।

সহিহ বুখারী ৩৩৭৭

حدثنا الحميدي، حدثنا سفيان، حدثنا هشام بن عروة، عن أبيه، عن عبد الله بن زمعة، قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم‏.‏ وذكر الذي عقر الناقة قال ‏ "‏ انتدب لها رجل ذو عز ومنعة في قوة كأبي زمعة ‏"‏‏.‏

‘আবদুল্লাহ ইবনু যাম’আহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে শুনেছি এবং তিনি যে লোক [সালিহ (‘আঃ)-এর] উঁটনী কেটেছিলেন তার উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন, উটনীকে হত্যা করার জন্য এমন এক লোক (কিদার) তৈরী হয়েছিল যে তার গোত্রের ভিতর প্রভাবশালী ও শক্তিশালী ছিল, যেমন ছিল আবূ যাম’আহ।

‘আবদুল্লাহ ইবনু যাম’আহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে শুনেছি এবং তিনি যে লোক [সালিহ (‘আঃ)-এর] উঁটনী কেটেছিলেন তার উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন, উটনীকে হত্যা করার জন্য এমন এক লোক (কিদার) তৈরী হয়েছিল যে তার গোত্রের ভিতর প্রভাবশালী ও শক্তিশালী ছিল, যেমন ছিল আবূ যাম’আহ।

حدثنا الحميدي، حدثنا سفيان، حدثنا هشام بن عروة، عن أبيه، عن عبد الله بن زمعة، قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم‏.‏ وذكر الذي عقر الناقة قال ‏ "‏ انتدب لها رجل ذو عز ومنعة في قوة كأبي زمعة ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ৩৩৮১

حدثني عبد الله، حدثنا وهب، حدثنا أبي، سمعت يونس، عن الزهري، عن سالم، أن ابن عمر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا تدخلوا مساكن الذين ظلموا أنفسهم إلا أن تكونوا باكين، أن يصيبكم مثل ما أصابهم ‏"‏‏.‏

ইবনু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নির্দেশ দিয়েছেন, তোমারা একমাত্র ক্রন্দনরত অবস্থায়ই এমন লোকদের আবাসস্থলে প্রবেশ করবে যারা নিজেরাই নিজেদের উপর যুল্‌ম করেছে। তাদের উপর যে মুসিবত আপতিত হয়েছিল তোমাদের উপরও যেন সে মুসিবত না আসে।

ইবনু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নির্দেশ দিয়েছেন, তোমারা একমাত্র ক্রন্দনরত অবস্থায়ই এমন লোকদের আবাসস্থলে প্রবেশ করবে যারা নিজেরাই নিজেদের উপর যুল্‌ম করেছে। তাদের উপর যে মুসিবত আপতিত হয়েছিল তোমাদের উপরও যেন সে মুসিবত না আসে।

حدثني عبد الله، حدثنا وهب، حدثنا أبي، سمعت يونس، عن الزهري، عن سالم، أن ابن عمر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا تدخلوا مساكن الذين ظلموا أنفسهم إلا أن تكونوا باكين، أن يصيبكم مثل ما أصابهم ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ৩৩৮০

حدثني محمد، أخبرنا عبد الله، عن معمر، عن الزهري، قال أخبرني سالم بن عبد الله، عن أبيه ـ رضى الله عنهم أن النبي صلى الله عليه وسلم لما مر بالحجر قال ‏ "‏ لا تدخلوا مساكن الذين ظلموا إلا أن تكونوا باكين، أن يصيبكم ما أصابهم ‏"‏‏.‏ ثم تقنع بردائه، وهو على الرحل‏.‏

‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন ‘হিজ্‌র’ নামক স্থান অতিক্রম করলেন, তখন তিনি বললেন, তোমরা এমন লোকদের আবাস স্থল প্রবেশ করো না যারা নিজেরাই নিজেদের উপর যুল্‌ম করেছে। প্রবেশ করলে, ক্রন্দনরত অবস্থায়, যেন তাদের প্রতি যে বিপদ এসেছিল তোমাদের প্রতি সে রকম বিপদ না আসে। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বাহনের উপর আরোহী অবস্থায় নিজ চাদর দিয়ে চেহারা ঢেকে নিলেন।

‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন ‘হিজ্‌র’ নামক স্থান অতিক্রম করলেন, তখন তিনি বললেন, তোমরা এমন লোকদের আবাস স্থল প্রবেশ করো না যারা নিজেরাই নিজেদের উপর যুল্‌ম করেছে। প্রবেশ করলে, ক্রন্দনরত অবস্থায়, যেন তাদের প্রতি যে বিপদ এসেছিল তোমাদের প্রতি সে রকম বিপদ না আসে। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বাহনের উপর আরোহী অবস্থায় নিজ চাদর দিয়ে চেহারা ঢেকে নিলেন।

حدثني محمد، أخبرنا عبد الله، عن معمر، عن الزهري، قال أخبرني سالم بن عبد الله، عن أبيه ـ رضى الله عنهم أن النبي صلى الله عليه وسلم لما مر بالحجر قال ‏ "‏ لا تدخلوا مساكن الذين ظلموا إلا أن تكونوا باكين، أن يصيبكم ما أصابهم ‏"‏‏.‏ ثم تقنع بردائه، وهو على الرحل‏.‏


সহিহ বুখারী ৩৩৭৮

حدثنا محمد بن مسكين أبو الحسن، حدثنا يحيى بن حسان بن حيان أبو زكرياء، حدثنا سليمان، عن عبد الله بن دينار، عن ابن عمر ـ رضى الله عنهما أن رسول الله صلى الله عليه وسلم لما نزل الحجر في غزوة تبوك أمرهم أن لا يشربوا من بئرها، ولا يستقوا منها فقالوا قد عجنا منها، واستقينا‏.‏ فأمرهم أن يطرحوا ذلك العجين ويهريقوا ذلك الماء‏.‏ ويروى عن سبرة بن معبد وأبي الشموس أن النبي صلى الله عليه وسلم أمر بإلقاء الطعام‏.‏ وقال أبو ذر عن النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من اعتجن بمائه ‏"‏‏.‏

ইবনু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাবুকের যুদ্ধের সময় যখন হিজর নামক স্থানে অবতরন করলেন, তখন তিনি সাহাবীগণকে নির্দেশ করলেন, তাঁরা যেন এখানের কূপের পানি পান না করে এবং মশকেও পানি না ভরে। তখন সাহাবীগণ বললেন, আমরা তো এর পানি দ্বারা রুটির আটা গুলে ফেলেছি এবং পানিও ভরে রেখেছি। তখন নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে সেই গুলানো আটা ফেলে দেয়ার এবং পানি ঢেলে দেয়ার নির্দেশ দিলেন। সাবরা ইবনু মা’বাদ এবং আবুশ শামূস (রহঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খাদ্য ফেলে দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আর আবূ যার (রাঃ) নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণনা করেছেন, এর পানি দ্বারা যে আটা গুলেছে (তা ফেলে দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন)।

ইবনু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাবুকের যুদ্ধের সময় যখন হিজর নামক স্থানে অবতরন করলেন, তখন তিনি সাহাবীগণকে নির্দেশ করলেন, তাঁরা যেন এখানের কূপের পানি পান না করে এবং মশকেও পানি না ভরে। তখন সাহাবীগণ বললেন, আমরা তো এর পানি দ্বারা রুটির আটা গুলে ফেলেছি এবং পানিও ভরে রেখেছি। তখন নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে সেই গুলানো আটা ফেলে দেয়ার এবং পানি ঢেলে দেয়ার নির্দেশ দিলেন। সাবরা ইবনু মা’বাদ এবং আবুশ শামূস (রহঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খাদ্য ফেলে দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আর আবূ যার (রাঃ) নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণনা করেছেন, এর পানি দ্বারা যে আটা গুলেছে (তা ফেলে দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন)।

حدثنا محمد بن مسكين أبو الحسن، حدثنا يحيى بن حسان بن حيان أبو زكرياء، حدثنا سليمان، عن عبد الله بن دينار، عن ابن عمر ـ رضى الله عنهما أن رسول الله صلى الله عليه وسلم لما نزل الحجر في غزوة تبوك أمرهم أن لا يشربوا من بئرها، ولا يستقوا منها فقالوا قد عجنا منها، واستقينا‏.‏ فأمرهم أن يطرحوا ذلك العجين ويهريقوا ذلك الماء‏.‏ ويروى عن سبرة بن معبد وأبي الشموس أن النبي صلى الله عليه وسلم أمر بإلقاء الطعام‏.‏ وقال أبو ذر عن النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من اعتجن بمائه ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ৩৩৭৯

حدثنا إبراهيم بن المنذر، حدثنا أنس بن عياض، عن عبيد الله، عن نافع، أن عبد الله بن عمر ـ رضى الله عنهما ـ أخبره أن الناس نزلوا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم أرض ثمود الحجر، فاستقوا من بئرها، واعتجنوا به، فأمرهم رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يهريقوا ما استقوا من بئرها، وأن يعلفوا الإبل العجين، وأمرهم أن يستقوا من البئر التي كان تردها الناقة‏.‏ تابعه أسامة عن نافع‏.‏

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, সাহাবীগণ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে সামূদ জাতির আবাসস্থল ‘হিজর’ নামক স্থানে অবতরণ করলেন আর তখন তারা এর কূপের পানি মশকে ভরে রাখলেন এবং এ পানি দ্বারা আটা গুলে নিলেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে হুকুম দিলেন, তার ঐ কূপ হতে যে পানি ভরে রেখেছে, তা যেন ফেলে দেয় আর পানিতে গুলা আটা যেন উটগুলোকে খাওয়ায় আর তিনি তাদের আদেশ করলেন তারা যেন ঐ কূপ হতে মশক ভরে যেখান হতে [সালিহ (‘আঃ)]-এর উটনীটি পানি পান করত। উসামা (রহঃ) নাফি (রহঃ) হতে হাদিস বর্ণনায় ‘উবাইদুল্লাহ (রহঃ)-কে অনুসরণ করেছেন।

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, সাহাবীগণ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে সামূদ জাতির আবাসস্থল ‘হিজর’ নামক স্থানে অবতরণ করলেন আর তখন তারা এর কূপের পানি মশকে ভরে রাখলেন এবং এ পানি দ্বারা আটা গুলে নিলেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে হুকুম দিলেন, তার ঐ কূপ হতে যে পানি ভরে রেখেছে, তা যেন ফেলে দেয় আর পানিতে গুলা আটা যেন উটগুলোকে খাওয়ায় আর তিনি তাদের আদেশ করলেন তারা যেন ঐ কূপ হতে মশক ভরে যেখান হতে [সালিহ (‘আঃ)]-এর উটনীটি পানি পান করত। উসামা (রহঃ) নাফি (রহঃ) হতে হাদিস বর্ণনায় ‘উবাইদুল্লাহ (রহঃ)-কে অনুসরণ করেছেন।

حدثنا إبراهيم بن المنذر، حدثنا أنس بن عياض، عن عبيد الله، عن نافع، أن عبد الله بن عمر ـ رضى الله عنهما ـ أخبره أن الناس نزلوا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم أرض ثمود الحجر، فاستقوا من بئرها، واعتجنوا به، فأمرهم رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يهريقوا ما استقوا من بئرها، وأن يعلفوا الإبل العجين، وأمرهم أن يستقوا من البئر التي كان تردها الناقة‏.‏ تابعه أسامة عن نافع‏.‏


সহিহ বুখারী > মহান আল্লাহর বানীঃ যখন ইয়াকুব (‘আঃ)-এর নিকট মৃত্যু এসেছিল, তখন কি তোমরা হাযির ছিলে? (আল-বাকারাহঃ ১৩৩)

সহিহ বুখারী ৩৩৮২

حدثنا إسحاق بن منصور، أخبرنا عبد الصمد، حدثنا عبد الرحمن بن عبد الله، عن أبيه، عن ابن عمر ـ رضى الله عنهما ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال ‏ "‏ الكريم ابن الكريم ابن الكريم ابن الكريم يوسف ابن يعقوب بن إسحاق بن إبراهيم ـ عليهم السلام ‏"‏‏.‏

ইবনু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, সম্মানী ব্যক্তি- যিনি সম্মানী ব্যক্তির সন্তান, যিনি সম্মানী ব্যক্তির সন্তান, যিনি সম্মানী ব্যক্তির সন্তান। তিনি হলেন, ইউসুফ ইবনু ইয়া’কূব ইবনু ইসহাক ইব্‌নু ইবরাহীম (আলাইহিমুস সালাম)।

ইবনু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, সম্মানী ব্যক্তি- যিনি সম্মানী ব্যক্তির সন্তান, যিনি সম্মানী ব্যক্তির সন্তান, যিনি সম্মানী ব্যক্তির সন্তান। তিনি হলেন, ইউসুফ ইবনু ইয়া’কূব ইবনু ইসহাক ইব্‌নু ইবরাহীম (আলাইহিমুস সালাম)।

حدثنا إسحاق بن منصور، أخبرنا عبد الصمد، حدثنا عبد الرحمن بن عبد الله، عن أبيه، عن ابن عمر ـ رضى الله عنهما ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال ‏ "‏ الكريم ابن الكريم ابن الكريم ابن الكريم يوسف ابن يعقوب بن إسحاق بن إبراهيم ـ عليهم السلام ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী > মহান আল্লাহর বাণীঃ নিশ্চয়ই ইউসুফ এবং তাঁর ভাইদের কাহিনীতে জিজ্ঞাসাকারীদের জন্য অনেক নিদর্শন আছে। (ইউসুফঃ ৭)

সহিহ বুখারী ৩৩৮৭

حدثنا عبد الله بن محمد بن أسماء ابن أخي جويرية حدثنا جويرية بن أسماء، عن مالك، عن الزهري، أن سعيد بن المسيب، وأبا، عبيد أخبراه عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ يرحم الله لوطا، لقد كان يأوي إلى ركن شديد، ولو لبثت في السجن ما لبث يوسف ثم أتاني الداعي لأجبته ‏"‏‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আল্লাহ লূত (‘আঃ) -এর উপর রহম করুন। তিনি একটি সুদৃঢ় খুঁটির আশ্রয় নিয়েছিলেন আর ইউসুফ (‘আঃ) যত দীর্ঘ সময় জেলখানায় কাটিয়েছেন, আমি যদি অত দীর্ঘ সময় কারাগারে কাটাতাম এবং পরে রাজদূত আমার নিকট আসত তবে নিশ্চয়ই আমি তার ডাকে সাড়া দিতাম।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আল্লাহ লূত (‘আঃ) -এর উপর রহম করুন। তিনি একটি সুদৃঢ় খুঁটির আশ্রয় নিয়েছিলেন আর ইউসুফ (‘আঃ) যত দীর্ঘ সময় জেলখানায় কাটিয়েছেন, আমি যদি অত দীর্ঘ সময় কারাগারে কাটাতাম এবং পরে রাজদূত আমার নিকট আসত তবে নিশ্চয়ই আমি তার ডাকে সাড়া দিতাম।

حدثنا عبد الله بن محمد بن أسماء ابن أخي جويرية حدثنا جويرية بن أسماء، عن مالك، عن الزهري، أن سعيد بن المسيب، وأبا، عبيد أخبراه عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ يرحم الله لوطا، لقد كان يأوي إلى ركن شديد، ولو لبثت في السجن ما لبث يوسف ثم أتاني الداعي لأجبته ‏"‏‏


সহিহ বুখারী ৩৩৮৪

حدثنا بدل بن المحبر، أخبرنا شعبة، عن سعد بن إبراهيم، قال سمعت عروة بن الزبير، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ أن النبي صلى الله عليه وسلم قال لها ‏"‏ مري أبا بكر يصلي بالناس ‏"‏‏.‏ قالت إنه رجل أسيف، متى يقم مقامك رق‏.‏ فعاد فعادت، قال شعبة فقال في الثالثة أو الرابعة ‏"‏ إنكن صواحب يوسف، مروا أبا بكر ‏"‏‏.‏

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে বলেছেন, আবূ বাকর (রাঃ)-কে বল, তিনি যেন লোকদের সালাতে ইমামতি করেন। ‘আয়িশা (রাঃ) বললেন, তিনি একজন কোমল হৃদয়ের লোক। যখন আপনার জায়গায় তিনি দাঁড়াবেন, তখন (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিগলিত অন্তর হয়ে পড়বেন। নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পুনরায় একই কথা করলেন, ‘আয়িশা (রাঃ) আবারও সেই উত্তর দিলেন, শু’বাহ (রহঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তৃতীয় অথবা চতুর্থবার বললেন, [হে ‘আয়িশা]! তোমরা ইউসুফ (‘আঃ)-এর ঘটনার নিন্দাকারী নারীদের মত। আবূ বক্‌রকে বল (তিনি যেন লোকদের সালাতে ইমামতি করেন)।

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে বলেছেন, আবূ বাকর (রাঃ)-কে বল, তিনি যেন লোকদের সালাতে ইমামতি করেন। ‘আয়িশা (রাঃ) বললেন, তিনি একজন কোমল হৃদয়ের লোক। যখন আপনার জায়গায় তিনি দাঁড়াবেন, তখন (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিগলিত অন্তর হয়ে পড়বেন। নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পুনরায় একই কথা করলেন, ‘আয়িশা (রাঃ) আবারও সেই উত্তর দিলেন, শু’বাহ (রহঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তৃতীয় অথবা চতুর্থবার বললেন, [হে ‘আয়িশা]! তোমরা ইউসুফ (‘আঃ)-এর ঘটনার নিন্দাকারী নারীদের মত। আবূ বক্‌রকে বল (তিনি যেন লোকদের সালাতে ইমামতি করেন)।

حدثنا بدل بن المحبر، أخبرنا شعبة، عن سعد بن إبراهيم، قال سمعت عروة بن الزبير، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ أن النبي صلى الله عليه وسلم قال لها ‏"‏ مري أبا بكر يصلي بالناس ‏"‏‏.‏ قالت إنه رجل أسيف، متى يقم مقامك رق‏.‏ فعاد فعادت، قال شعبة فقال في الثالثة أو الرابعة ‏"‏ إنكن صواحب يوسف، مروا أبا بكر ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ৩৩৮৬

حدثنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، حدثنا أبو الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ اللهم أنج عياش بن أبي ربيعة، اللهم أنج سلمة بن هشام، اللهم أنج الوليد بن الوليد اللهم أنج المستضعفين من المؤمنين، اللهم اشدد وطأتك على مضر، اللهم اجعلها سنين كسني يوسف ‏"‏‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু’আ করেছেন, হে আল্লাহ! আয়্যাশ ইবনু আবূ রবী’আকে মুক্তি দিন। হে আল্লাহ! সালাম ইবনু হিশামকে নাজাত দিন। হে আল্লাহ! ওয়ালীদ ইবনু ওয়ালীদকে নাজাত দিন। হে আল্লাহ! দুর্বল মুমিনদেরকে মুক্তি দিন। হে আল্লাহ! মুযার গোত্রকে শক্তভাবে পাকড়াও করুন। হে আল্লাহ! এ গোত্রের উপর এমন দুর্ভিক্ষ ও অনটন নাযিল করুন যেমন দুর্ভিক্ষ ইউসুফ (‘আঃ)-এর যামানায় হয়েছিল।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু’আ করেছেন, হে আল্লাহ! আয়্যাশ ইবনু আবূ রবী’আকে মুক্তি দিন। হে আল্লাহ! সালাম ইবনু হিশামকে নাজাত দিন। হে আল্লাহ! ওয়ালীদ ইবনু ওয়ালীদকে নাজাত দিন। হে আল্লাহ! দুর্বল মুমিনদেরকে মুক্তি দিন। হে আল্লাহ! মুযার গোত্রকে শক্তভাবে পাকড়াও করুন। হে আল্লাহ! এ গোত্রের উপর এমন দুর্ভিক্ষ ও অনটন নাযিল করুন যেমন দুর্ভিক্ষ ইউসুফ (‘আঃ)-এর যামানায় হয়েছিল।

حدثنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، حدثنا أبو الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ اللهم أنج عياش بن أبي ربيعة، اللهم أنج سلمة بن هشام، اللهم أنج الوليد بن الوليد اللهم أنج المستضعفين من المؤمنين، اللهم اشدد وطأتك على مضر، اللهم اجعلها سنين كسني يوسف ‏"‏‏


সহিহ বুখারী ৩৩৮৫

حدثنا الربيع بن يحيى البصري، حدثنا زائدة، عن عبد الملك بن عمير، عن أبي بردة بن أبي موسى، عن أبيه، قال مرض النبي صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ مروا أبا بكر فليصل بالناس ‏"‏‏.‏ فقالت إن أبا بكر رجل‏.‏ فقال مثله فقالت مثله‏.‏ فقال ‏"‏ مروه فإنكن صواحب يوسف ‏"‏‏.‏ فأم أبو بكر في حياة رسول الله صلى الله عليه وسلم‏.‏ فقال حسين عن زائدة رجل رقيق‏.‏

আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন রোগাক্রান্ত হয়ে পড়লেন, তখন তিনি বললেন, আবূ বক্‌রকে বল, তিনি যেন লোকদের সালাত আদায় করিয়ে দেন। তখন ‘আয়িশা (রাঃ) বললেন, আবূ বকর (রাঃ) তো এ রকম লোক। অতঃপর নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অনুরূপ বললেন, তখন ‘আয়িশা (রাঃ) ও ঐরূপই বললেন, তখন নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হে আয়িশাহ! নিশ্চয় তোমরা ইউসুফ (‘আঃ)-এর ঘটনার নিন্দাকারী নারীদের মত হয়ে গেছ। অতঃপর আবূ বকর (রাঃ) নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জীবদ্দশায় ইমামত করলেন। বর্ণনাকারী হুসাইন (রহঃ) যায়িদা (রহঃ) হতে বর্ণনা করেছেন, এখানে ----- এর স্থলে ------ আছে অর্থাৎ তিনি একজন কোমল হৃদয়ের লোক।

আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন রোগাক্রান্ত হয়ে পড়লেন, তখন তিনি বললেন, আবূ বক্‌রকে বল, তিনি যেন লোকদের সালাত আদায় করিয়ে দেন। তখন ‘আয়িশা (রাঃ) বললেন, আবূ বকর (রাঃ) তো এ রকম লোক। অতঃপর নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অনুরূপ বললেন, তখন ‘আয়িশা (রাঃ) ও ঐরূপই বললেন, তখন নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হে আয়িশাহ! নিশ্চয় তোমরা ইউসুফ (‘আঃ)-এর ঘটনার নিন্দাকারী নারীদের মত হয়ে গেছ। অতঃপর আবূ বকর (রাঃ) নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জীবদ্দশায় ইমামত করলেন। বর্ণনাকারী হুসাইন (রহঃ) যায়িদা (রহঃ) হতে বর্ণনা করেছেন, এখানে ----- এর স্থলে ------ আছে অর্থাৎ তিনি একজন কোমল হৃদয়ের লোক।

حدثنا الربيع بن يحيى البصري، حدثنا زائدة، عن عبد الملك بن عمير، عن أبي بردة بن أبي موسى، عن أبيه، قال مرض النبي صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ مروا أبا بكر فليصل بالناس ‏"‏‏.‏ فقالت إن أبا بكر رجل‏.‏ فقال مثله فقالت مثله‏.‏ فقال ‏"‏ مروه فإنكن صواحب يوسف ‏"‏‏.‏ فأم أبو بكر في حياة رسول الله صلى الله عليه وسلم‏.‏ فقال حسين عن زائدة رجل رقيق‏.‏


সহিহ বুখারী ৩৩৮৩

حدثني عبيد بن إسماعيل، عن أبي أسامة، عن عبيد الله، قال أخبرني سعيد بن أبي سعيد، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ سئل رسول الله صلى الله عليه وسلم من أكرم الناس قال ‏"‏ أتقاهم لله ‏"‏‏.‏ قالوا ليس عن هذا نسألك‏.‏ قال ‏"‏ فأكرم الناس يوسف نبي الله ابن نبي الله ابن نبي الله ابن خليل الله ‏"‏‏.‏ قالوا ليس عن هذا نسألك‏.‏ قال ‏"‏ فعن معادن العرب تسألوني، الناس معادن خيارهم في الجاهلية خيارهم في الإسلام إذا فقهوا ‏"‏‏.‏ حدثني محمد بن سلام أخبرنا عبدة عن عبيد الله عن سعيد عن أبي هريرة رضي الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم بهذا

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, মানুষের মধ্যে সর্বাপেক্ষা সম্মানিত ব্যক্তি কে? তিনি উত্তর দিলেন, তাদের মধ্যে যে আল্লাহকে সবচেয়ে অধিক ভয় করে। তারা বললেন, আমরা আপনাকে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করিনি। তিনি বললেন, তাহলে মানুষের মধ্যে সর্বাধিক সম্মানিত ব্যক্তি হলেন, আল্লাহর নবী‎ ইউসুফ ইবনু আল্লাহর নবী‎ ইবনু আল্লাহর নবী‎ ইবনু আল্লাহর খালিল (‘আঃ)। তাঁরা বললেন, আমরা আপনাকে এ বিষয়েও জিজ্ঞেস করিনি। তখন তিনি বললেন, তাহলে তোমরা আমার নিকট আরবের খণি অর্থাৎ গোত্রগুলো সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছ? (তাহলে শুন) মানুষ খণি বিশেষ, জাহিলিয়্যাতের যুগে যারা তাদের মধ্যে সর্বোত্তম ব্যক্তি ছিল, ইসলামেও তারা সর্বোত্তম ব্যক্তি, যদি তারা ইসলামী জ্ঞান লাভ করে। আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ রকমই বর্ণনা করেছেন।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, মানুষের মধ্যে সর্বাপেক্ষা সম্মানিত ব্যক্তি কে? তিনি উত্তর দিলেন, তাদের মধ্যে যে আল্লাহকে সবচেয়ে অধিক ভয় করে। তারা বললেন, আমরা আপনাকে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করিনি। তিনি বললেন, তাহলে মানুষের মধ্যে সর্বাধিক সম্মানিত ব্যক্তি হলেন, আল্লাহর নবী‎ ইউসুফ ইবনু আল্লাহর নবী‎ ইবনু আল্লাহর নবী‎ ইবনু আল্লাহর খালিল (‘আঃ)। তাঁরা বললেন, আমরা আপনাকে এ বিষয়েও জিজ্ঞেস করিনি। তখন তিনি বললেন, তাহলে তোমরা আমার নিকট আরবের খণি অর্থাৎ গোত্রগুলো সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছ? (তাহলে শুন) মানুষ খণি বিশেষ, জাহিলিয়্যাতের যুগে যারা তাদের মধ্যে সর্বোত্তম ব্যক্তি ছিল, ইসলামেও তারা সর্বোত্তম ব্যক্তি, যদি তারা ইসলামী জ্ঞান লাভ করে। আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ রকমই বর্ণনা করেছেন।

حدثني عبيد بن إسماعيل، عن أبي أسامة، عن عبيد الله، قال أخبرني سعيد بن أبي سعيد، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ سئل رسول الله صلى الله عليه وسلم من أكرم الناس قال ‏"‏ أتقاهم لله ‏"‏‏.‏ قالوا ليس عن هذا نسألك‏.‏ قال ‏"‏ فأكرم الناس يوسف نبي الله ابن نبي الله ابن نبي الله ابن خليل الله ‏"‏‏.‏ قالوا ليس عن هذا نسألك‏.‏ قال ‏"‏ فعن معادن العرب تسألوني، الناس معادن خيارهم في الجاهلية خيارهم في الإسلام إذا فقهوا ‏"‏‏.‏ حدثني محمد بن سلام أخبرنا عبدة عن عبيد الله عن سعيد عن أبي هريرة رضي الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم بهذا


সহিহ বুখারী ৩৩৮৮

حدثنا محمد بن سلام، أخبرنا ابن فضيل، حدثنا حصين، عن شقيق، عن مسروق، قال سألت أم رومان، وهى أم عائشة، عما قيل فيها ما قيل قالت بينما أنا مع عائشة جالستان، إذ ولجت علينا امرأة من الأنصار، وهى تقول فعل الله بفلان وفعل‏.‏ قالت فقلت لم قالت إنه نما ذكر الحديث‏.‏ فقالت عائشة أى حديث فأخبرتها‏.‏ قالت فسمعه أبو بكر ورسول الله صلى الله عليه وسلم قالت نعم‏.‏ فخرت مغشيا عليها، فما أفاقت إلا وعليها حمى بنافض، فجاء النبي صلى الله عليه وسلم فقال ‏ "‏ ما لهذه ‏"‏‏.‏ قلت حمى أخذتها من أجل حديث تحدث به، فقعدت فقالت والله لئن حلفت لا تصدقوني، ولئن اعتذرت لا تعذروني، فمثلي ومثلكم كمثل يعقوب وبنيه، فالله المستعان على ما تصفون‏.‏ فانصرف النبي صلى الله عليه وسلم فأنزل الله ما أنزل، فأخبرها فقالت بحمد الله لا بحمد أحد‏.‏

মাসরূক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশা (রাঃ)-এর মা উম্মু রুমানার নিকট আয়িশাহর বিষয়ে যে সব মিথ্যা অপবাদের কথা বলাবলি হচ্ছিল সে সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, আমি আয়িশার সঙ্গে একত্রে উপবিষ্ট ছিলাম। এমন সময় একজন আনসারী মহিলা এ কথা বলতে বলতে আমাদের নিকট প্রবেশ করল। আল্লাহ অমুককে শাস্তি দিক। আর শাস্তি তো দিয়েছেন। এ কথা শুনে উম্মু রুমানা (রাঃ) বললেন, আমি জিজ্ঞেস করলাম এ কথা বলার কারণ কী? সে মহিলাটি বলল, ঐ লোকটিই তো কথাটির চর্চা করছে। তখন ‘আয়িশা (রাঃ) জিজ্ঞেস করলেন, কোন কথাটির? অতঃপর সে ‘আয়িশা (রাঃ)-কে বিষয়টি জানিয়ে দিল। ‘আয়িশা (রাঃ) জিজ্ঞেস করলেন, বিষয়টি কি আবূ বকর (রাঃ) ও রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -ও শুনেছেন? সে বলল, হাঁ! এতে ‘আয়িশা (রাঃ) বেহুশ হয়ে পড়ে গেলেন। পরে তাঁর হুশ ফিরে আসল তবে তাঁর শরীর কাঁপিয়ে জ্বর আসল। অতঃপর নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এসে জিজ্ঞেস করলেন, তার কী হল? আমি বললাম, তাঁর সম্পর্কে যা কিছু রটেছে তাতে সে (মনে) আঘাত পেয়েছে ফলে সে জ্বরে আক্রান্ত হয়েছে। এ সময় ‘আয়িশা (রাঃ) উঠে বসলেন, আর বলতে লাগলেন, আল্লাহর কসম, আমি যদি কসম খেয়ে বলি তবুও আপনারা আমাকে বিশ্বাস করবেন না আর যদি উযর পেশ করি তাও আপনারা আমার উযর শুনবেন না। অতএব এখন আমার ও আপনাদের উপমা হল ইয়াকুব (‘আঃ) ও তাঁর ছেলেদের মত। আপনারা যা বর্ণনা করেছেন সে বিষয়ে একমাত্র আল্লাহর নিকটই সাহায্য চাওয়া হল। অতঃপর নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফিরে চলে গেলেন এবং আল্লাহ যা নাযিল করার তা নাযিল করলেন। তখন নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এসে ‘আয়িশা (রাঃ)-কে এ খবর জানালেন। ‘আয়িশা (রাঃ) বললেন, আমি একমাত্র আল্লাহরই প্রশংসা করব অন্য কারো প্রশংসা নয়।

মাসরূক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশা (রাঃ)-এর মা উম্মু রুমানার নিকট আয়িশাহর বিষয়ে যে সব মিথ্যা অপবাদের কথা বলাবলি হচ্ছিল সে সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, আমি আয়িশার সঙ্গে একত্রে উপবিষ্ট ছিলাম। এমন সময় একজন আনসারী মহিলা এ কথা বলতে বলতে আমাদের নিকট প্রবেশ করল। আল্লাহ অমুককে শাস্তি দিক। আর শাস্তি তো দিয়েছেন। এ কথা শুনে উম্মু রুমানা (রাঃ) বললেন, আমি জিজ্ঞেস করলাম এ কথা বলার কারণ কী? সে মহিলাটি বলল, ঐ লোকটিই তো কথাটির চর্চা করছে। তখন ‘আয়িশা (রাঃ) জিজ্ঞেস করলেন, কোন কথাটির? অতঃপর সে ‘আয়িশা (রাঃ)-কে বিষয়টি জানিয়ে দিল। ‘আয়িশা (রাঃ) জিজ্ঞেস করলেন, বিষয়টি কি আবূ বকর (রাঃ) ও রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -ও শুনেছেন? সে বলল, হাঁ! এতে ‘আয়িশা (রাঃ) বেহুশ হয়ে পড়ে গেলেন। পরে তাঁর হুশ ফিরে আসল তবে তাঁর শরীর কাঁপিয়ে জ্বর আসল। অতঃপর নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এসে জিজ্ঞেস করলেন, তার কী হল? আমি বললাম, তাঁর সম্পর্কে যা কিছু রটেছে তাতে সে (মনে) আঘাত পেয়েছে ফলে সে জ্বরে আক্রান্ত হয়েছে। এ সময় ‘আয়িশা (রাঃ) উঠে বসলেন, আর বলতে লাগলেন, আল্লাহর কসম, আমি যদি কসম খেয়ে বলি তবুও আপনারা আমাকে বিশ্বাস করবেন না আর যদি উযর পেশ করি তাও আপনারা আমার উযর শুনবেন না। অতএব এখন আমার ও আপনাদের উপমা হল ইয়াকুব (‘আঃ) ও তাঁর ছেলেদের মত। আপনারা যা বর্ণনা করেছেন সে বিষয়ে একমাত্র আল্লাহর নিকটই সাহায্য চাওয়া হল। অতঃপর নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফিরে চলে গেলেন এবং আল্লাহ যা নাযিল করার তা নাযিল করলেন। তখন নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এসে ‘আয়িশা (রাঃ)-কে এ খবর জানালেন। ‘আয়িশা (রাঃ) বললেন, আমি একমাত্র আল্লাহরই প্রশংসা করব অন্য কারো প্রশংসা নয়।

حدثنا محمد بن سلام، أخبرنا ابن فضيل، حدثنا حصين، عن شقيق، عن مسروق، قال سألت أم رومان، وهى أم عائشة، عما قيل فيها ما قيل قالت بينما أنا مع عائشة جالستان، إذ ولجت علينا امرأة من الأنصار، وهى تقول فعل الله بفلان وفعل‏.‏ قالت فقلت لم قالت إنه نما ذكر الحديث‏.‏ فقالت عائشة أى حديث فأخبرتها‏.‏ قالت فسمعه أبو بكر ورسول الله صلى الله عليه وسلم قالت نعم‏.‏ فخرت مغشيا عليها، فما أفاقت إلا وعليها حمى بنافض، فجاء النبي صلى الله عليه وسلم فقال ‏ "‏ ما لهذه ‏"‏‏.‏ قلت حمى أخذتها من أجل حديث تحدث به، فقعدت فقالت والله لئن حلفت لا تصدقوني، ولئن اعتذرت لا تعذروني، فمثلي ومثلكم كمثل يعقوب وبنيه، فالله المستعان على ما تصفون‏.‏ فانصرف النبي صلى الله عليه وسلم فأنزل الله ما أنزل، فأخبرها فقالت بحمد الله لا بحمد أحد‏.‏


সহিহ বুখারী ৩৩৯০

أخبرني عبدة، حدثنا عبد الصمد، عن عبد الرحمن، عن أبيه، عن ابن عمر ـ رضى الله عنهما ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ الكريم ابن الكريم ابن الكريم ابن الكريم يوسف بن يعقوب بن إسحاق بن إبراهيم عليهم السلام ‏"‏‏.‏

ইবনু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, সম্মানিত ব্যক্তি যিনি সম্মানিত ব্যক্তির সন্তান, যিনি সম্মানিত ব্যক্তির সন্তান, যিনি সম্মানিত ব্যক্তির সন্তান, তিনি হলেন, ইউসুফ ইবনু ইয়াকুব ইবনু ইসহাক ইব্‌নু ইবরাহীম (‘আঃ)।

ইবনু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, সম্মানিত ব্যক্তি যিনি সম্মানিত ব্যক্তির সন্তান, যিনি সম্মানিত ব্যক্তির সন্তান, যিনি সম্মানিত ব্যক্তির সন্তান, তিনি হলেন, ইউসুফ ইবনু ইয়াকুব ইবনু ইসহাক ইব্‌নু ইবরাহীম (‘আঃ)।

أخبرني عبدة، حدثنا عبد الصمد، عن عبد الرحمن، عن أبيه، عن ابن عمر ـ رضى الله عنهما ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ الكريم ابن الكريم ابن الكريم ابن الكريم يوسف بن يعقوب بن إسحاق بن إبراهيم عليهم السلام ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ৩৩৮৯

حدثنا يحيى بن بكير، حدثنا الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، قال أخبرني عروة، أنه سأل عائشة ـ رضى الله عنها ـ زوج النبي صلى الله عليه وسلم أرأيت قوله ‏{‏حتى إذا استيأس الرسل وظنوا أنهم قد كذبوا‏}‏ أو كذبوا‏.‏ قالت بل كذبهم قومهم‏.‏ فقلت والله لقد استيقنوا أن قومهم كذبوهم وما هو بالظن‏.‏ فقالت يا عرية، لقد استيقنوا بذلك‏.‏ قلت فلعلها أو كذبوا‏.‏ قالت معاذ الله، لم تكن الرسل تظن ذلك بربها وأما هذه الآية قالت هم أتباع الرسل الذين آمنوا بربهم وصدقوهم، وطال عليهم البلاء، واستأخر عنهم النصر حتى إذا استيأست ممن كذبهم من قومهم، وظنوا أن أتباعهم كذبوهم جاءهم نصر الله‏.‏ قال أبو عبد الله ‏{‏استيأسوا‏}‏ افتعلوا من يئست‏.‏ ‏{‏منه‏}‏ من يوسف‏.‏ ‏{‏لا تيأسوا من روح الله‏}‏ معناه الرجاء‏.‏

‘উরওয়াহ ইবনু যুবাইর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহধর্মিণী ‘আয়িশা (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলেন আল্লাহ তা’আলার বাণীঃ ----------------------------- আয়াতাংশের মধ্যে ----- হবে, না ----- হবে? (যাল হরফে তাশদীদ সহ পড়তে হবে না তাশদীদ ব্যতীত)? ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, (এখানে ----- নয়, ------ হবে) কেননা, তাঁদের কাওম তাঁদেরকে মিথ্যাচারী বলেছিল। [‘উরওয়াহ (রহঃ) বলেন] আমি বললাম, মহান আল্লাহর কসম, রসূলগণের দৃঢ় প্রত্যয় ছিল যে, তাঁদের কাওম তাদেরকে মিথ্যাচারী বলেছে, আর তাতো সন্দেহের বিষয় ছিল না। (কাজেই এখানে ------- হবে কিভাবে?) তখন ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, হে ‘উরাইয়াহ! এ ব্যাপারে তো তাদের দৃঢ় বিশ্বাস ছিল। [‘উরওয়াহ (রহঃ) বলেন] আমি বললাম, সম্ভবতঃ এখানে ------ হবে। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, মা’আযাল্লাহ! রাসূলগণ কখনো আল্লাহ সম্পর্কে এরূপ ধারণা করতেন না। (অর্থাৎ ------ হলে অর্থ দাঁড়ায়, আল্লাহ তা’আলা রসূলগণের সঙ্গে মিথ্যা বলেছেন। অথচ রাসূলগণ কখনো এরূপ ধারণা করতে পারে না।) তবে এ আয়াত সম্পর্কে ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, তারা রাসূলগণের অনুসারী যারা আল্লাহর প্রতি ঈমান এনেছেন এবং রাসূলগণকে বিশ্বাস করেছেন। তাঁদের উপর পরীক্ষা দীর্ঘায়িত হয়। তাঁদের প্রতি সাহায্য পৌঁছতে বিলম্ব হয়। অবশেষে রসূলগণ যখন তাঁদের কাওমের লোকদের মধ্যে যারা তাঁদেরকে মিথ্যা মনে করেছে, তাদের ঈমান আনার ব্যাপারে নিরাশ হয়ে গেলেন এবং তাঁরা এ ধারণা করতে লাগলেন যে, তাঁদের অনুসারীগণও তাঁদেরকে মিথ্যাচারী মনে করবেন, ঠিক এ সময়ই মহান আল্লাহর সাহায্য পৌঁছে গেল। ------- শব্দটি ------- এর ওজনে এসেছে। ---------- হতে নিষ্পন্ন হয়েছে। অর্থাৎ তারা ইউসুফ (‘আঃ) হতে নিরাশ হয়ে গেছে। --------------- এর অর্থ তোমরা আল্লাহর রহমত হতে নিরাশ হয়ো না।

‘উরওয়াহ ইবনু যুবাইর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহধর্মিণী ‘আয়িশা (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলেন আল্লাহ তা’আলার বাণীঃ ----------------------------- আয়াতাংশের মধ্যে ----- হবে, না ----- হবে? (যাল হরফে তাশদীদ সহ পড়তে হবে না তাশদীদ ব্যতীত)? ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, (এখানে ----- নয়, ------ হবে) কেননা, তাঁদের কাওম তাঁদেরকে মিথ্যাচারী বলেছিল। [‘উরওয়াহ (রহঃ) বলেন] আমি বললাম, মহান আল্লাহর কসম, রসূলগণের দৃঢ় প্রত্যয় ছিল যে, তাঁদের কাওম তাদেরকে মিথ্যাচারী বলেছে, আর তাতো সন্দেহের বিষয় ছিল না। (কাজেই এখানে ------- হবে কিভাবে?) তখন ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, হে ‘উরাইয়াহ! এ ব্যাপারে তো তাদের দৃঢ় বিশ্বাস ছিল। [‘উরওয়াহ (রহঃ) বলেন] আমি বললাম, সম্ভবতঃ এখানে ------ হবে। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, মা’আযাল্লাহ! রাসূলগণ কখনো আল্লাহ সম্পর্কে এরূপ ধারণা করতেন না। (অর্থাৎ ------ হলে অর্থ দাঁড়ায়, আল্লাহ তা’আলা রসূলগণের সঙ্গে মিথ্যা বলেছেন। অথচ রাসূলগণ কখনো এরূপ ধারণা করতে পারে না।) তবে এ আয়াত সম্পর্কে ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, তারা রাসূলগণের অনুসারী যারা আল্লাহর প্রতি ঈমান এনেছেন এবং রাসূলগণকে বিশ্বাস করেছেন। তাঁদের উপর পরীক্ষা দীর্ঘায়িত হয়। তাঁদের প্রতি সাহায্য পৌঁছতে বিলম্ব হয়। অবশেষে রসূলগণ যখন তাঁদের কাওমের লোকদের মধ্যে যারা তাঁদেরকে মিথ্যা মনে করেছে, তাদের ঈমান আনার ব্যাপারে নিরাশ হয়ে গেলেন এবং তাঁরা এ ধারণা করতে লাগলেন যে, তাঁদের অনুসারীগণও তাঁদেরকে মিথ্যাচারী মনে করবেন, ঠিক এ সময়ই মহান আল্লাহর সাহায্য পৌঁছে গেল। ------- শব্দটি ------- এর ওজনে এসেছে। ---------- হতে নিষ্পন্ন হয়েছে। অর্থাৎ তারা ইউসুফ (‘আঃ) হতে নিরাশ হয়ে গেছে। --------------- এর অর্থ তোমরা আল্লাহর রহমত হতে নিরাশ হয়ো না।

حدثنا يحيى بن بكير، حدثنا الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، قال أخبرني عروة، أنه سأل عائشة ـ رضى الله عنها ـ زوج النبي صلى الله عليه وسلم أرأيت قوله ‏{‏حتى إذا استيأس الرسل وظنوا أنهم قد كذبوا‏}‏ أو كذبوا‏.‏ قالت بل كذبهم قومهم‏.‏ فقلت والله لقد استيقنوا أن قومهم كذبوهم وما هو بالظن‏.‏ فقالت يا عرية، لقد استيقنوا بذلك‏.‏ قلت فلعلها أو كذبوا‏.‏ قالت معاذ الله، لم تكن الرسل تظن ذلك بربها وأما هذه الآية قالت هم أتباع الرسل الذين آمنوا بربهم وصدقوهم، وطال عليهم البلاء، واستأخر عنهم النصر حتى إذا استيأست ممن كذبهم من قومهم، وظنوا أن أتباعهم كذبوهم جاءهم نصر الله‏.‏ قال أبو عبد الله ‏{‏استيأسوا‏}‏ افتعلوا من يئست‏.‏ ‏{‏منه‏}‏ من يوسف‏.‏ ‏{‏لا تيأسوا من روح الله‏}‏ معناه الرجاء‏.‏


সহিহ বুখারী > আল্লাহর বাণীঃ (আর স্মরণ কর) আইয়ুবের কথা। যখন তিনি তাঁর রবকে ডেকে বললেন, আমিতো দুঃখ কষ্টে পড়েছি, আর তুমিতো সর্বশ্রেষ্ঠ দয়ালু। (আম্বিয়াঃ ৮৩)।

সহিহ বুখারী ৩৩৯১

حدثني عبد الله بن محمد الجعفي، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن همام، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ بينما أيوب يغتسل عريانا خر عليه رجل جراد من ذهب، فجعل يحثي في ثوبه، فنادى ربه يا أيوب، ألم أكن أغنيتك عما ترى قال بلى يا رب، ولكن لا غنى لي عن بركتك ‏"‏‏.‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, একদা আইয়ুব (‘আঃ) নগ্ন শরীরে গোসল করছিলেন। এমন সময় তাঁর উপর স্বর্ণের এক ঝাঁক পঙ্গপাল পতিত হল। তিনি সেগুলো দু’হাতে ধরে কাপড়ে রাখতে লাগলেন। তখন তাঁর রব তাঁকে ডেকে বললেন, হে আইয়ুব! তুমি যা দেখতে পাচ্ছ, তা থেকে কি আমি তোমাকে অমুখাপেক্ষী করে দেইনি? তিনি উত্তর দিলেন, হাঁ, হে রব! কিন্তু আমি আপনার বরকত থেকে মুখাপেক্ষীহীন নই।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, একদা আইয়ুব (‘আঃ) নগ্ন শরীরে গোসল করছিলেন। এমন সময় তাঁর উপর স্বর্ণের এক ঝাঁক পঙ্গপাল পতিত হল। তিনি সেগুলো দু’হাতে ধরে কাপড়ে রাখতে লাগলেন। তখন তাঁর রব তাঁকে ডেকে বললেন, হে আইয়ুব! তুমি যা দেখতে পাচ্ছ, তা থেকে কি আমি তোমাকে অমুখাপেক্ষী করে দেইনি? তিনি উত্তর দিলেন, হাঁ, হে রব! কিন্তু আমি আপনার বরকত থেকে মুখাপেক্ষীহীন নই।

حدثني عبد الله بن محمد الجعفي، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن همام، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ بينما أيوب يغتسل عريانا خر عليه رجل جراد من ذهب، فجعل يحثي في ثوبه، فنادى ربه يا أيوب، ألم أكن أغنيتك عما ترى قال بلى يا رب، ولكن لا غنى لي عن بركتك ‏"‏‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00