সহিহ বুখারী > মহান আল্লাহর বাণীঃ নিশ্চয়ই আমি লুকমানকে হিক্মত দান করেছি। আর সে বলেছিল, শির্ক এক মহা যুল্ম। (লুকমান ১২-১৩)
সহিহ বুখারী ৩৪২৮
حدثنا أبو الوليد، حدثنا شعبة، عن الأعمش، عن إبراهيم، عن علقمة، عن عبد الله، قال لما نزلت {الذين آمنوا ولم يلبسوا إيمانهم بظلم} قال أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم أينا لم يلبس إيمانه بظلم فنزلت {لا تشرك بالله إن الشرك لظلم عظيم }
‘আবদুল্লাহ (ইব্নু মাস’ঊদ) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন এ আয়াত নাযিল হলঃ যারা ঈমান এনেছে এবং তাদের ঈমানকে যুল্মের দ্বারা কলুষিত করেনি- (আল-আন’আম ৮২)। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহাবীগণ বললেন, আমাদের মধ্যে কোন ব্যক্তি আছে যে, নিজের ঈমানকে যুল্মের দ্বারা কলুষিত করেনি? তখন এ আয়াত নাযিল হয়ঃ আল্লাহর সঙ্গে শরীক করো না। কেননা শির্ক হচ্ছে এক মহা যুল্ম- (লুকমান ১৮)।
‘আবদুল্লাহ (ইব্নু মাস’ঊদ) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন এ আয়াত নাযিল হলঃ যারা ঈমান এনেছে এবং তাদের ঈমানকে যুল্মের দ্বারা কলুষিত করেনি- (আল-আন’আম ৮২)। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহাবীগণ বললেন, আমাদের মধ্যে কোন ব্যক্তি আছে যে, নিজের ঈমানকে যুল্মের দ্বারা কলুষিত করেনি? তখন এ আয়াত নাযিল হয়ঃ আল্লাহর সঙ্গে শরীক করো না। কেননা শির্ক হচ্ছে এক মহা যুল্ম- (লুকমান ১৮)।
حدثنا أبو الوليد، حدثنا شعبة، عن الأعمش، عن إبراهيم، عن علقمة، عن عبد الله، قال لما نزلت {الذين آمنوا ولم يلبسوا إيمانهم بظلم} قال أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم أينا لم يلبس إيمانه بظلم فنزلت {لا تشرك بالله إن الشرك لظلم عظيم }
সহিহ বুখারী ৩৪২৯
حدثني إسحاق، أخبرنا عيسى بن يونس، حدثنا الأعمش، عن إبراهيم، عن علقمة، عن عبد الله ـ رضى الله عنه ـ قال لما نزلت {الذين آمنوا ولم يلبسوا إيمانهم بظلم} شق ذلك على المسلمين، فقالوا يا رسول الله، أينا لا يظلم نفسه قال " ليس ذلك، إنما هو الشرك، ألم تسمعوا ما قال لقمان لابنه وهو يعظه {يا بنى لا تشرك بالله إن الشرك لظلم عظيم }".
‘আবদুল্লাহ (ইব্নু মাস’ঊদ) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন যখন এ আয়াতে কারীমা নাযিল হলঃ যারা ঈমান এনেছে এবং তাদের ঈমানকে যুল্মের দ্বারা কলুষিত করেনি। তখন তা মুসলিমদের পক্ষে কঠিন হয়ে গেল। তারা আরয করলেন, হে আল্লাহ্র রসূল! আমাদের মধ্যে কোন ব্যক্তি আছে যে নিজের উপর যুল্ম করেনি? তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এখানে অর্থ তা নয় বরং এখানে যুল্মের অর্থ হলো শির্ক। তোমরা কি কুরআনে শুননি লুকমান তাঁর ছেলেকে নাসীহাত দেয়ার সময় কী বলেছিলেন? তিনি বলেছিলেন, “হে আমার বৎস! তুমি আল্লাহ্র সঙ্গে শির্ক করো না। কেননা, নিশ্চয়ই শির্ক এক মহা যুল্ম।
‘আবদুল্লাহ (ইব্নু মাস’ঊদ) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন যখন এ আয়াতে কারীমা নাযিল হলঃ যারা ঈমান এনেছে এবং তাদের ঈমানকে যুল্মের দ্বারা কলুষিত করেনি। তখন তা মুসলিমদের পক্ষে কঠিন হয়ে গেল। তারা আরয করলেন, হে আল্লাহ্র রসূল! আমাদের মধ্যে কোন ব্যক্তি আছে যে নিজের উপর যুল্ম করেনি? তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এখানে অর্থ তা নয় বরং এখানে যুল্মের অর্থ হলো শির্ক। তোমরা কি কুরআনে শুননি লুকমান তাঁর ছেলেকে নাসীহাত দেয়ার সময় কী বলেছিলেন? তিনি বলেছিলেন, “হে আমার বৎস! তুমি আল্লাহ্র সঙ্গে শির্ক করো না। কেননা, নিশ্চয়ই শির্ক এক মহা যুল্ম।
حدثني إسحاق، أخبرنا عيسى بن يونس، حدثنا الأعمش، عن إبراهيم، عن علقمة، عن عبد الله ـ رضى الله عنه ـ قال لما نزلت {الذين آمنوا ولم يلبسوا إيمانهم بظلم} شق ذلك على المسلمين، فقالوا يا رسول الله، أينا لا يظلم نفسه قال " ليس ذلك، إنما هو الشرك، ألم تسمعوا ما قال لقمان لابنه وهو يعظه {يا بنى لا تشرك بالله إن الشرك لظلم عظيم }".
সহিহ বুখারী > মহান আল্লাহ্র বাণীঃ আপনি তাদের কাছে এক জনপদের সে সময়ের ঘটনা বর্ণনা করুন, যখন তাদের কাছে কয়েকজন রাসূল এসেছিলেন। (ইয়াসীন ১৩)
এই অধ্যায়ে কোনো হাদিস পাওয়া যায়নি।
সহিহ বুখারী > আল্লাহ্র বাণীঃ এ হল আপনার রবের অনুগ্রহের বিবরণ যা তাঁর বান্দা যাকারিয়ার প্রতি করা হয়েছে। ইতিপূর্বে আমি এ নামে কারও নামকরণ করিনি। (মারইয়াম ২-৭)
সহিহ বুখারী ৩৪৩০
حدثنا هدبة بن خالد، حدثنا همام بن يحيى، حدثنا قتادة، عن أنس بن مالك، عن مالك بن صعصعة، أن نبي الله صلى الله عليه وسلم حدثهم عن ليلة أسري " ثم صعد حتى أتى السماء الثانية فاستفتح، قيل من هذا قال جبريل. قيل ومن معك قال محمد. قيل وقد أرسل إليه قال نعم. فلما خلصت، فإذا يحيى وعيسى وهما ابنا خالة. قال هذا يحيى وعيسى فسلم عليهما. فسلمت فردا ثم قالا مرحبا بالأخ الصالح والنبي الصالح
মালিক ইব্নু সা’সা’আহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাহাবাগণের নিকট মিরাজের রাত্রির বর্ণনায় বলেছেন, তারপর তিনি আমাকে নিয়ে উপরে চললেন, এমনকি দ্বিতীয় আকাশে এসে পৌঁছলেন এবং দরজা খুলতে বললেন, জিজ্ঞেস করা হল কে? বললেন, আমি জিব্রাঈল। প্রশ্ন হলো। আপনার সঙ্গে কে? তিনি বললেন, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। জিজ্ঞেস করা হলো। তাঁকে কি ডেকে পাঠানো হয়েছে? উত্তর দিলেন হাঁ, অতঃপর আমরা যখন সেখানে পৌঁছলাম তখন সেখানে ইয়াহ্ইয়া ও ‘ঈসা (‘আঃ)-কে দেখলাম। তাঁরা উভয়ে খালাতো ভাই ছিলেন। জিব্রাঈল বললেন, এঁরা হলেন, ইয়াহ্ইয়া এবং ‘ঈসা (‘আঃ)। তাদেরকে সালাম করুন, তখন আমি সালাম দিলাম। তাঁরাও সালামের জবাব দিলেন। অতঃপর তাঁরা বললেন, নেক ভাই এবং নেক নবীর প্রতি মারহাবা।
মালিক ইব্নু সা’সা’আহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাহাবাগণের নিকট মিরাজের রাত্রির বর্ণনায় বলেছেন, তারপর তিনি আমাকে নিয়ে উপরে চললেন, এমনকি দ্বিতীয় আকাশে এসে পৌঁছলেন এবং দরজা খুলতে বললেন, জিজ্ঞেস করা হল কে? বললেন, আমি জিব্রাঈল। প্রশ্ন হলো। আপনার সঙ্গে কে? তিনি বললেন, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। জিজ্ঞেস করা হলো। তাঁকে কি ডেকে পাঠানো হয়েছে? উত্তর দিলেন হাঁ, অতঃপর আমরা যখন সেখানে পৌঁছলাম তখন সেখানে ইয়াহ্ইয়া ও ‘ঈসা (‘আঃ)-কে দেখলাম। তাঁরা উভয়ে খালাতো ভাই ছিলেন। জিব্রাঈল বললেন, এঁরা হলেন, ইয়াহ্ইয়া এবং ‘ঈসা (‘আঃ)। তাদেরকে সালাম করুন, তখন আমি সালাম দিলাম। তাঁরাও সালামের জবাব দিলেন। অতঃপর তাঁরা বললেন, নেক ভাই এবং নেক নবীর প্রতি মারহাবা।
حدثنا هدبة بن خالد، حدثنا همام بن يحيى، حدثنا قتادة، عن أنس بن مالك، عن مالك بن صعصعة، أن نبي الله صلى الله عليه وسلم حدثهم عن ليلة أسري " ثم صعد حتى أتى السماء الثانية فاستفتح، قيل من هذا قال جبريل. قيل ومن معك قال محمد. قيل وقد أرسل إليه قال نعم. فلما خلصت، فإذا يحيى وعيسى وهما ابنا خالة. قال هذا يحيى وعيسى فسلم عليهما. فسلمت فردا ثم قالا مرحبا بالأخ الصالح والنبي الصالح
সহিহ বুখারী > মহান আল্লাহ্র বাণী আর স্মরণ কর, কিতাবে মারিয়ামের ঘটনা। যখন তিনি স্বীয় পরিবার-পরিজন হতে পৃথক হলেন......। (মারইয়াম ১৬) মহান আল্লাহ্র বাণীঃ স্মরণ কর, যখন ফেরেশতারা বললঃ হে মারইয়াম! নিশ্চয় আল্লাহ তাঁর তরফ থেকে তোমাকে একটি কালিমার সুসংবাদ দিচ্ছেন। (আল্ ইমরান ৪৫) মহান আল্লাহ্র বাণীঃ আল্লাহ্ আদম (‘আঃ), নূহ (‘আঃ) ও ইব্রাহীম (‘আঃ)-এর বংশধর এবং ইমরানের বংশধরকে পৃথিবীতে মনোনীত করেছেন......বে-হিসাব দিয়ে থাকেন। (আল্ ইমরান ৩৩-৩৭)
সহিহ বুখারী ৩৪৩১
حدثنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، عن الزهري، قال حدثني سعيد بن المسيب، قال قال أبو هريرة ـ رضى الله عنه ـ سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " ما من بني آدم مولود إلا يمسه الشيطان حين يولد، فيستهل صارخا من مس الشيطان، غير مريم وابنها ". ثم يقول أبو هريرة {وإني أعيذها بك وذريتها من الشيطان الرجيم }.
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, এমন কোন আদম সন্তান নেই যাকে জন্মের সময় শয়তান স্পর্শ করে না। জন্মের সময় শয়তানের স্পর্শের কারণেই সে চিৎকার করে কাঁদে। তবে মারইয়াম এবং তাঁর ছেলে (ঈসা) (‘আঃ)-এর ব্যতিক্রম। অতঃপর আবূ হুরায়রা বলেন, “হে আল্লাহ্! নিশ্চয় আমি আপনার নিকট তাঁর এবং তাঁর বংশধরদের জন্য বিতাড়িত শয়তান হতে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, এমন কোন আদম সন্তান নেই যাকে জন্মের সময় শয়তান স্পর্শ করে না। জন্মের সময় শয়তানের স্পর্শের কারণেই সে চিৎকার করে কাঁদে। তবে মারইয়াম এবং তাঁর ছেলে (ঈসা) (‘আঃ)-এর ব্যতিক্রম। অতঃপর আবূ হুরায়রা বলেন, “হে আল্লাহ্! নিশ্চয় আমি আপনার নিকট তাঁর এবং তাঁর বংশধরদের জন্য বিতাড়িত শয়তান হতে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।
حدثنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، عن الزهري، قال حدثني سعيد بن المسيب، قال قال أبو هريرة ـ رضى الله عنه ـ سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " ما من بني آدم مولود إلا يمسه الشيطان حين يولد، فيستهل صارخا من مس الشيطان، غير مريم وابنها ". ثم يقول أبو هريرة {وإني أعيذها بك وذريتها من الشيطان الرجيم }.