সহিহ বুখারী > মহান আল্লাহ্‌র বাণী: আর আল্লাহ্‌ মু‘মিনদের জন্য দৃষ্টান্ত পেশ করেছেন ফির‘আউনের স্ত্রীর। আর সে ছিল বিনয়ী ইবাদাতকারীদের অন্তর্ভুক্ত। ( আত্‌ তাহ্‌রীম: ১১-১২)

সহিহ বুখারী ৩৪১১

حدثنا يحيى بن جعفر، حدثنا وكيع، عن شعبة، عن عمرو بن مرة، عن مرة الهمداني، عن أبي موسى ـ رضى الله عنه ـ قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ كمل من الرجال كثير، ولم يكمل من النساء إلا آسية امرأة فرعون، ومريم بنت عمران، وإن فضل عائشة على النساء كفضل الثريد على سائر الطعام ‏"‏‏.‏

আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, পুরুষদের মধ্যে অনেকেই পূর্ণতা অর্জন করেছেন। কিন্তু মহিলাদের মধ্যে ফির‘আউনের স্ত্রী আসিয়া এবং ইমরানের কন্যা মারইয়াম ব্যতীত আর কেউ পূর্ণতা অর্জনে সক্ষম হয়নি। তবে ‘আয়িশার মর্যাদা সব মহিলার উপর এমন, যেমন সারীদের (গোশতের সুরুয়ায় ভিজা রুটির) মর্যাদা সকল প্রকার খাদ্যের উপর।

আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, পুরুষদের মধ্যে অনেকেই পূর্ণতা অর্জন করেছেন। কিন্তু মহিলাদের মধ্যে ফির‘আউনের স্ত্রী আসিয়া এবং ইমরানের কন্যা মারইয়াম ব্যতীত আর কেউ পূর্ণতা অর্জনে সক্ষম হয়নি। তবে ‘আয়িশার মর্যাদা সব মহিলার উপর এমন, যেমন সারীদের (গোশতের সুরুয়ায় ভিজা রুটির) মর্যাদা সকল প্রকার খাদ্যের উপর।

حدثنا يحيى بن جعفر، حدثنا وكيع، عن شعبة، عن عمرو بن مرة، عن مرة الهمداني، عن أبي موسى ـ رضى الله عنه ـ قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ كمل من الرجال كثير، ولم يكمل من النساء إلا آسية امرأة فرعون، ومريم بنت عمران، وإن فضل عائشة على النساء كفضل الثريد على سائر الطعام ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী > মহান আল্লাহ্‌র বাণী: নিশ্চয়ই কারূন ছিল মূসা (‘আঃ)–এর সম্প্রদায় ভুক্ত।… (আল-কাসাস: ৭৬)

এই অধ্যায়ে কোনো হাদিস পাওয়া যায়নি।

সহিহ বুখারী > মহান আল্লাহ্‌র বাণী: মাদইয়ান বাসীদের প্রতি তাদের ভাই শু‘আইবকে পাঠিয়েছিলাম। (আ‘রাফ: ৮৫, হুদ: ৪৮ ও ‘আনকাবূত: ৩৬)

এই অধ্যায়ে কোনো হাদিস পাওয়া যায়নি।

সহিহ বুখারী > মহান আল্লাহ্‌র বাণী: আর ইউনূসও ছিলেন রাসূলদের একজন … তারপর একটি মাছ তাকে গিলে ফেলল, তখন তিনি নিজেকে তিরস্কার করতে লাগলেন। (আস্‌সাফফাত: ১৩৯-১৪২)

সহিহ বুখারী ৩৪১২

حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن سفيان، قال حدثني الأعمش،‏.‏ حدثنا أبو نعيم، حدثنا سفيان، عن الأعمش، عن أبي وائل، عن عبد الله ـ رضى الله عنه ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ لا يقولن أحدكم إني خير من يونس ‏"‏‏.‏ زاد مسدد ‏"‏ يونس بن متى ‏"‏‏.‏

‘আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমাদের কেউ যেন এরূপ না বলে যে, আমি অর্থাৎ মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইউনুস (‘আঃ) হতে উত্তম। মুসাদ্দাদ (রহঃ) অতিরিক্ত বললেন, ইউনুস ইব্‌নু মাত্তা।

‘আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমাদের কেউ যেন এরূপ না বলে যে, আমি অর্থাৎ মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইউনুস (‘আঃ) হতে উত্তম। মুসাদ্দাদ (রহঃ) অতিরিক্ত বললেন, ইউনুস ইব্‌নু মাত্তা।

حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن سفيان، قال حدثني الأعمش،‏.‏ حدثنا أبو نعيم، حدثنا سفيان، عن الأعمش، عن أبي وائل، عن عبد الله ـ رضى الله عنه ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ لا يقولن أحدكم إني خير من يونس ‏"‏‏.‏ زاد مسدد ‏"‏ يونس بن متى ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ৩৪১৬

حدثنا أبو الوليد، حدثنا شعبة، عن سعد بن إبراهيم، سمعت حميد بن عبد الرحمن، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا ينبغي لعبد أن يقول أنا خير من يونس بن متى ‏"‏‏.‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, কোন বান্দার জন্যই এ কথা বলা সমীচীন নয় যে, আমি (মুহাম্মাদ) ইউনুস ইব্‌নু মাত্তার থেকে উত্তম।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, কোন বান্দার জন্যই এ কথা বলা সমীচীন নয় যে, আমি (মুহাম্মাদ) ইউনুস ইব্‌নু মাত্তার থেকে উত্তম।

حدثنا أبو الوليد، حدثنا شعبة، عن سعد بن إبراهيم، سمعت حميد بن عبد الرحمن، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا ينبغي لعبد أن يقول أنا خير من يونس بن متى ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ৩৪১৩

حدثنا حفص بن عمر، حدثنا شعبة، عن قتادة، عن أبي العالية، عن ابن عباس ـ رضى الله عنهما ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ ما ينبغي لعبد أن يقول إني خير من يونس بن متى ‏"‏‏.‏ ونسبه إلى أبيه‏.‏

ইব্‌নে ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, কারো জন্য এ কথা বলা উচিত নয় যে, নিশ্চয়ই আমি (মুহাম্মাদ) ইউনুস ইব্‌নু মাত্তা হতে উত্তম। আর নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে (ইউনুসকে) তাঁর পিতার দিকে সম্পর্কিত করেছেন।

ইব্‌নে ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, কারো জন্য এ কথা বলা উচিত নয় যে, নিশ্চয়ই আমি (মুহাম্মাদ) ইউনুস ইব্‌নু মাত্তা হতে উত্তম। আর নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে (ইউনুসকে) তাঁর পিতার দিকে সম্পর্কিত করেছেন।

حدثنا حفص بن عمر، حدثنا شعبة، عن قتادة، عن أبي العالية، عن ابن عباس ـ رضى الله عنهما ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ ما ينبغي لعبد أن يقول إني خير من يونس بن متى ‏"‏‏.‏ ونسبه إلى أبيه‏.‏


সহিহ বুখারী ৩৪১৫

See previous Hadith

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আর আমি এ কথাও বলি না যে কোন ব্যক্তি ইউনুস ইব্‌নু মাত্তার চেয়ে বেশি মর্যাদার অধিকারী।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আর আমি এ কথাও বলি না যে কোন ব্যক্তি ইউনুস ইব্‌নু মাত্তার চেয়ে বেশি মর্যাদার অধিকারী।

See previous Hadith


সহিহ বুখারী ৩৪১৪

حدثنا يحيى بن بكير، عن الليث، عن عبد العزيز بن أبي سلمة، عن عبد الله بن الفضل، عن الأعرج، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ قال بينما يهودي يعرض سلعته أعطي بها شيئا كرهه‏.‏ فقال لا والذي اصطفى موسى على البشر، فسمعه رجل من الأنصار فقام، فلطم وجهه، وقال تقول والذي اصطفى موسى على البشر، والنبي صلى الله عليه وسلم بين أظهرنا فذهب إليه، فقال أبا القاسم، إن لي ذمة وعهدا، فما بال فلان لطم وجهي‏.‏ فقال ‏"‏ لم لطمت وجهه ‏"‏‏.‏ فذكره، فغضب النبي صلى الله عليه وسلم حتى رئي في وجهه، ثم قال ‏"‏ لا تفضلوا بين أنبياء الله، فإنه ينفخ في الصور، فيصعق من في السموات ومن في الأرض، إلا من شاء الله، ثم ينفخ فيه أخرى، فأكون أول من بعث فإذا موسى آخذ بالعرش، فلا أدري أحوسب بصعقته يوم الطور أم بعث قبلي -‏ ولا أقول إن أحدا أفضل من يونس بن متى"‏‏.‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার এক ইয়াহূদী তার কিছু দ্রব্য সামগ্রী বিক্রির জন্য পেশ করছিল, তার বিনিময়ে তাকে এমন কিছু দেয়া হলো যা সে পছন্দ করল না। তখন সে বলল, না! সেই সত্তার কসম, যে মূসা (‘আঃ) –কে মানব জাতির উপর মর্যাদা দান করেছেন। এ কথাটি একজন আনসারী শুনলেন, তিনি দাঁড়িয়ে গেলেন। আর তার মুখের উপর এক চড় মারলেন। আর বললেন, তুমি বলছো , সেই সত্তার কসম! যিনি মূসাকে মানব জাতির উপর মর্যাদা দান করেছেন অথচ নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের মধ্যে অবস্থান করছেন। তখন সে ইয়াহূদী লোকটি নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর নিকট গেলো এবং বলল, হে আবুল কাসিম! নিশ্চয়ই আমার জন্য নিরাপত্তা এবং অঙ্গীকার রয়েছে অর্থাৎ আমি একজন যিম্মী। অমুক ব্যক্তি কী কারণে আমার মুখে চড় মারলো? তখন নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, কেন তুমি তার মুখে চড় মারলে? আনসারী লোকটি ঘটনা বর্ণনা করলো। তখন নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাগান্বিত হলেন। এমনকি তাঁর চেহারায় তা দেখা গেল। অতঃপর তিনি বললেন, আল্লাহ্‌র নবী‎গণের মধ্যে কাউকে কারো উপর মর্যাদা দান করো না। কেননা কিয়ামতের দিন যখন শিংগায় ফুঁক দেয়া হবে, তখন আল্লাহ্‌ যাকে চাইবেন সে ছাড়া আসমান ও যমীনের বাকী সবাই বেহুশ হয়ে যাবে। অতঃপর দ্বিতীয়বার তাতে ফুঁক দেয়া হবে। তখন সর্বপ্রথম আমাকেই উঠানো হবে। তখনই আমি দেখতে পাব মূসা (‘আঃ) আরশ ধরে রয়েছেন। আমি জানি না, তূর পর্বতের ঘটনার দিন তিনি যে বেহুশ হয়েছিলেন, এটা কি তারই বিনিময়, না আমার আগেই তাঁকে বেহুশি থেকে উঠানো হয়েছে?

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার এক ইয়াহূদী তার কিছু দ্রব্য সামগ্রী বিক্রির জন্য পেশ করছিল, তার বিনিময়ে তাকে এমন কিছু দেয়া হলো যা সে পছন্দ করল না। তখন সে বলল, না! সেই সত্তার কসম, যে মূসা (‘আঃ) –কে মানব জাতির উপর মর্যাদা দান করেছেন। এ কথাটি একজন আনসারী শুনলেন, তিনি দাঁড়িয়ে গেলেন। আর তার মুখের উপর এক চড় মারলেন। আর বললেন, তুমি বলছো , সেই সত্তার কসম! যিনি মূসাকে মানব জাতির উপর মর্যাদা দান করেছেন অথচ নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের মধ্যে অবস্থান করছেন। তখন সে ইয়াহূদী লোকটি নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর নিকট গেলো এবং বলল, হে আবুল কাসিম! নিশ্চয়ই আমার জন্য নিরাপত্তা এবং অঙ্গীকার রয়েছে অর্থাৎ আমি একজন যিম্মী। অমুক ব্যক্তি কী কারণে আমার মুখে চড় মারলো? তখন নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, কেন তুমি তার মুখে চড় মারলে? আনসারী লোকটি ঘটনা বর্ণনা করলো। তখন নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাগান্বিত হলেন। এমনকি তাঁর চেহারায় তা দেখা গেল। অতঃপর তিনি বললেন, আল্লাহ্‌র নবী‎গণের মধ্যে কাউকে কারো উপর মর্যাদা দান করো না। কেননা কিয়ামতের দিন যখন শিংগায় ফুঁক দেয়া হবে, তখন আল্লাহ্‌ যাকে চাইবেন সে ছাড়া আসমান ও যমীনের বাকী সবাই বেহুশ হয়ে যাবে। অতঃপর দ্বিতীয়বার তাতে ফুঁক দেয়া হবে। তখন সর্বপ্রথম আমাকেই উঠানো হবে। তখনই আমি দেখতে পাব মূসা (‘আঃ) আরশ ধরে রয়েছেন। আমি জানি না, তূর পর্বতের ঘটনার দিন তিনি যে বেহুশ হয়েছিলেন, এটা কি তারই বিনিময়, না আমার আগেই তাঁকে বেহুশি থেকে উঠানো হয়েছে?

حدثنا يحيى بن بكير، عن الليث، عن عبد العزيز بن أبي سلمة، عن عبد الله بن الفضل، عن الأعرج، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ قال بينما يهودي يعرض سلعته أعطي بها شيئا كرهه‏.‏ فقال لا والذي اصطفى موسى على البشر، فسمعه رجل من الأنصار فقام، فلطم وجهه، وقال تقول والذي اصطفى موسى على البشر، والنبي صلى الله عليه وسلم بين أظهرنا فذهب إليه، فقال أبا القاسم، إن لي ذمة وعهدا، فما بال فلان لطم وجهي‏.‏ فقال ‏"‏ لم لطمت وجهه ‏"‏‏.‏ فذكره، فغضب النبي صلى الله عليه وسلم حتى رئي في وجهه، ثم قال ‏"‏ لا تفضلوا بين أنبياء الله، فإنه ينفخ في الصور، فيصعق من في السموات ومن في الأرض، إلا من شاء الله، ثم ينفخ فيه أخرى، فأكون أول من بعث فإذا موسى آخذ بالعرش، فلا أدري أحوسب بصعقته يوم الطور أم بعث قبلي -‏ ولا أقول إن أحدا أفضل من يونس بن متى"‏‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00