সহিহ বুখারী > আল্লাহ তা’আলার বাণীঃ যখন ইয়াকূব (‘আঃ)-এর মৃত্যুকাল এসে হাযির হয়েছিল, তোমরা কি তখন সেখানে উপস্থিত ছিলে? যখন তিনি তাঁর সন্তানদের জিজ্ঞেস করছিলেন। (আল-বাকারাহঃ ১৩৩)

সহিহ বুখারী ৩৩৭৪

حدثنا إسحاق بن إبراهيم، سمع المعتمر، عن عبيد الله، عن سعيد بن أبي سعيد المقبري، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ قال قيل للنبي صلى الله عليه وسلم من أكرم الناس قال ‏"‏ أكرمهم أتقاهم ‏"‏‏.‏ قالوا يا نبي الله، ليس عن هذا نسألك‏.‏ قال ‏"‏ فأكرم الناس يوسف نبي الله ابن نبي الله ابن نبي الله ابن خليل الله ‏"‏‏.‏ قالوا ليس عن هذا نسألك‏.‏ قال ‏"‏ فعن معادن العرب تسألوني ‏"‏‏.‏ قالوا نعم‏.‏ قال ‏"‏ فخياركم في الجاهلية خياركم في الإسلام إذا فقهوا ‏"‏‏.‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করা হল যে, লোকদের মধ্যে অধিক সম্মানিত ব্যক্তি কে? তিনি বললেন, তাদের মধ্যে যে সবচেয়ে অধিক আল্লাহ ভীরু, সে সবচেয়ে অধিক সম্মানিত। সাহাবাগণ বললেন, হে আল্লাহ্‌র নবী‎! আমরা আপনাকে এ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করিনি। তিনি বললেন, তা হলে সবচেয়ে সম্মানিত ব্যক্তি হলেন আল্লাহর নবী‎ ইউসুফ ইবনু আল্লাহর নবী‎ (ইয়াকুব) ইবনু আল্লাহর নবী‎ (ইসহাক) ইবনু আল্লাহর খালীল ইবরাহীম (‘আঃ)। তাঁরা বললেন, আমরা এ সম্পর্কেও জিজ্ঞেস করিনি। তিনি বললেন, তবে কি তোমরা আমাকে আরবদের উচ্চ বংশ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করছ? তারা বলল, হাঁ। তখন নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, জাহিলিয়াতের যুগে তোমাদের মধ্যে যারা সবচেয়ে উত্তম ব্যক্তি ছিলেন ইসলাম গ্রহণের পরও তারাই সবচেয়ে উত্তম ব্যক্তি, যদি তাঁরা ইসলামের জ্ঞান অর্জন করে থাকেন।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করা হল যে, লোকদের মধ্যে অধিক সম্মানিত ব্যক্তি কে? তিনি বললেন, তাদের মধ্যে যে সবচেয়ে অধিক আল্লাহ ভীরু, সে সবচেয়ে অধিক সম্মানিত। সাহাবাগণ বললেন, হে আল্লাহ্‌র নবী‎! আমরা আপনাকে এ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করিনি। তিনি বললেন, তা হলে সবচেয়ে সম্মানিত ব্যক্তি হলেন আল্লাহর নবী‎ ইউসুফ ইবনু আল্লাহর নবী‎ (ইয়াকুব) ইবনু আল্লাহর নবী‎ (ইসহাক) ইবনু আল্লাহর খালীল ইবরাহীম (‘আঃ)। তাঁরা বললেন, আমরা এ সম্পর্কেও জিজ্ঞেস করিনি। তিনি বললেন, তবে কি তোমরা আমাকে আরবদের উচ্চ বংশ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করছ? তারা বলল, হাঁ। তখন নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, জাহিলিয়াতের যুগে তোমাদের মধ্যে যারা সবচেয়ে উত্তম ব্যক্তি ছিলেন ইসলাম গ্রহণের পরও তারাই সবচেয়ে উত্তম ব্যক্তি, যদি তাঁরা ইসলামের জ্ঞান অর্জন করে থাকেন।

حدثنا إسحاق بن إبراهيم، سمع المعتمر، عن عبيد الله، عن سعيد بن أبي سعيد المقبري، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ قال قيل للنبي صلى الله عليه وسلم من أكرم الناس قال ‏"‏ أكرمهم أتقاهم ‏"‏‏.‏ قالوا يا نبي الله، ليس عن هذا نسألك‏.‏ قال ‏"‏ فأكرم الناس يوسف نبي الله ابن نبي الله ابن نبي الله ابن خليل الله ‏"‏‏.‏ قالوا ليس عن هذا نسألك‏.‏ قال ‏"‏ فعن معادن العرب تسألوني ‏"‏‏.‏ قالوا نعم‏.‏ قال ‏"‏ فخياركم في الجاهلية خياركم في الإسلام إذا فقهوا ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী > (মহান আল্লাহর বাণীঃ স্মরণ কর লুতের কথা, তিনি তাঁর সম্প্রদায়কে বলেছিলেন; তোমরা কেন অশ্লীল কাজ করছ? অথচ এর পরিণতির কথা তোমরা অবগত আছ। তোমরা কি কামতৃপ্তির জন্য নারীদেরকে ছেড়ে পুরুষে উপগত হচ্ছ? তোমরা তো এক মুর্খ সম্প্রদায়। উত্তরে তাঁর কওমের এ কথা ছাড়া আর কোন কথা ছিল না যে, লূত পরিবারকে তোমাদের জনপদ থেকে বের করে দাও। এরা তো এমন লোক যারা অত্যন্ত পাকপবিত্র থাকে। অতঃপর তাঁকে (লুতকে) ও তাঁর পরিবারবর্গকে উদ্ধার করলাম তাঁর স্ত্রীকে ছাড়া। কেননা, তার জন্য ধ্বংসপ্রাপ্তদের ভাগ্যই নির্ধারিত করেছিলাম। আর তাদের উপর বর্ষণ করেছিলাম মুষলধারে পাথরের বৃষ্টি। এই সর্তককৃত লোকদের উপর বর্ষিত বৃষ্টি কতই না নিকৃষ্ট ছিল। (আন্‌-নামলঃ ৫৪-৫৮)

সহিহ বুখারী ৩৩৭৫

حدثنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، حدثنا أبو الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ أن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏{‏يغفر الله للوط إن كان ليأوي إلى ركن شديد‏}‏‏.‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, আল্লাহ লূত (‘আঃ)-কে মাফ করুন। তিনি একটি মজবুত খুঁটির আশ্রয় চেয়েছিলেন।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, আল্লাহ লূত (‘আঃ)-কে মাফ করুন। তিনি একটি মজবুত খুঁটির আশ্রয় চেয়েছিলেন।

حدثنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، حدثنا أبو الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ أن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏{‏يغفر الله للوط إن كان ليأوي إلى ركن شديد‏}‏‏.‏


সহিহ বুখারী > আল্লাহ্‌ তা’আলার বাণীঃ অতঃপর যখন আল্লাহ্‌র ফেরেশতামন্ডলী লূত পরিবারের নিকট আসলেন, তখন তিনি বললেন, তোমরা তো অপিরিচিত লোক- (হিজরঃ ৬১-৬২)।

সহিহ বুখারী ৩৩৭৬

حدثنا محمود، حدثنا أبو أحمد، حدثنا سفيان، عن أبي إسحاق، عن الأسود، عن عبد الله ـ رضى الله عنه ـ قال قرأ النبي صلى الله عليه وسلم ‏{‏فهل من مدكر ‏}‏‏.‏

‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ----------- পড়েছেন।

‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ----------- পড়েছেন।

حدثنا محمود، حدثنا أبو أحمد، حدثنا سفيان، عن أبي إسحاق، عن الأسود، عن عبد الله ـ رضى الله عنه ـ قال قرأ النبي صلى الله عليه وسلم ‏{‏فهل من مدكر ‏}‏‏.‏


সহিহ বুখারী > আল্লাহ তা’আলার বাণীঃ আর সামূদ জাতির প্রতি তাদেরই ভাই সালিহকে পাঠিয়েছিলাম- (হূদঃ ৬১)।. আল্লাহ আরো বলেন, হিজরবাসীরা রসূলগণের প্রতি মিথ্যারোপ করেছিলো- (হিজরঃ ৮০)।

সহিহ বুখারী ৩৩৭৭

حدثنا الحميدي، حدثنا سفيان، حدثنا هشام بن عروة، عن أبيه، عن عبد الله بن زمعة، قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم‏.‏ وذكر الذي عقر الناقة قال ‏ "‏ انتدب لها رجل ذو عز ومنعة في قوة كأبي زمعة ‏"‏‏.‏

‘আবদুল্লাহ ইবনু যাম’আহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে শুনেছি এবং তিনি যে লোক [সালিহ (‘আঃ)-এর] উঁটনী কেটেছিলেন তার উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন, উটনীকে হত্যা করার জন্য এমন এক লোক (কিদার) তৈরী হয়েছিল যে তার গোত্রের ভিতর প্রভাবশালী ও শক্তিশালী ছিল, যেমন ছিল আবূ যাম’আহ।

‘আবদুল্লাহ ইবনু যাম’আহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে শুনেছি এবং তিনি যে লোক [সালিহ (‘আঃ)-এর] উঁটনী কেটেছিলেন তার উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন, উটনীকে হত্যা করার জন্য এমন এক লোক (কিদার) তৈরী হয়েছিল যে তার গোত্রের ভিতর প্রভাবশালী ও শক্তিশালী ছিল, যেমন ছিল আবূ যাম’আহ।

حدثنا الحميدي، حدثنا سفيان، حدثنا هشام بن عروة، عن أبيه، عن عبد الله بن زمعة، قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم‏.‏ وذكر الذي عقر الناقة قال ‏ "‏ انتدب لها رجل ذو عز ومنعة في قوة كأبي زمعة ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ৩৩৮১

حدثني عبد الله، حدثنا وهب، حدثنا أبي، سمعت يونس، عن الزهري، عن سالم، أن ابن عمر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا تدخلوا مساكن الذين ظلموا أنفسهم إلا أن تكونوا باكين، أن يصيبكم مثل ما أصابهم ‏"‏‏.‏

ইবনু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নির্দেশ দিয়েছেন, তোমারা একমাত্র ক্রন্দনরত অবস্থায়ই এমন লোকদের আবাসস্থলে প্রবেশ করবে যারা নিজেরাই নিজেদের উপর যুল্‌ম করেছে। তাদের উপর যে মুসিবত আপতিত হয়েছিল তোমাদের উপরও যেন সে মুসিবত না আসে।

ইবনু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নির্দেশ দিয়েছেন, তোমারা একমাত্র ক্রন্দনরত অবস্থায়ই এমন লোকদের আবাসস্থলে প্রবেশ করবে যারা নিজেরাই নিজেদের উপর যুল্‌ম করেছে। তাদের উপর যে মুসিবত আপতিত হয়েছিল তোমাদের উপরও যেন সে মুসিবত না আসে।

حدثني عبد الله، حدثنا وهب، حدثنا أبي، سمعت يونس، عن الزهري، عن سالم، أن ابن عمر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا تدخلوا مساكن الذين ظلموا أنفسهم إلا أن تكونوا باكين، أن يصيبكم مثل ما أصابهم ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ৩৩৮০

حدثني محمد، أخبرنا عبد الله، عن معمر، عن الزهري، قال أخبرني سالم بن عبد الله، عن أبيه ـ رضى الله عنهم أن النبي صلى الله عليه وسلم لما مر بالحجر قال ‏ "‏ لا تدخلوا مساكن الذين ظلموا إلا أن تكونوا باكين، أن يصيبكم ما أصابهم ‏"‏‏.‏ ثم تقنع بردائه، وهو على الرحل‏.‏

‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন ‘হিজ্‌র’ নামক স্থান অতিক্রম করলেন, তখন তিনি বললেন, তোমরা এমন লোকদের আবাস স্থল প্রবেশ করো না যারা নিজেরাই নিজেদের উপর যুল্‌ম করেছে। প্রবেশ করলে, ক্রন্দনরত অবস্থায়, যেন তাদের প্রতি যে বিপদ এসেছিল তোমাদের প্রতি সে রকম বিপদ না আসে। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বাহনের উপর আরোহী অবস্থায় নিজ চাদর দিয়ে চেহারা ঢেকে নিলেন।

‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন ‘হিজ্‌র’ নামক স্থান অতিক্রম করলেন, তখন তিনি বললেন, তোমরা এমন লোকদের আবাস স্থল প্রবেশ করো না যারা নিজেরাই নিজেদের উপর যুল্‌ম করেছে। প্রবেশ করলে, ক্রন্দনরত অবস্থায়, যেন তাদের প্রতি যে বিপদ এসেছিল তোমাদের প্রতি সে রকম বিপদ না আসে। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বাহনের উপর আরোহী অবস্থায় নিজ চাদর দিয়ে চেহারা ঢেকে নিলেন।

حدثني محمد، أخبرنا عبد الله، عن معمر، عن الزهري، قال أخبرني سالم بن عبد الله، عن أبيه ـ رضى الله عنهم أن النبي صلى الله عليه وسلم لما مر بالحجر قال ‏ "‏ لا تدخلوا مساكن الذين ظلموا إلا أن تكونوا باكين، أن يصيبكم ما أصابهم ‏"‏‏.‏ ثم تقنع بردائه، وهو على الرحل‏.‏


সহিহ বুখারী ৩৩৭৮

حدثنا محمد بن مسكين أبو الحسن، حدثنا يحيى بن حسان بن حيان أبو زكرياء، حدثنا سليمان، عن عبد الله بن دينار، عن ابن عمر ـ رضى الله عنهما أن رسول الله صلى الله عليه وسلم لما نزل الحجر في غزوة تبوك أمرهم أن لا يشربوا من بئرها، ولا يستقوا منها فقالوا قد عجنا منها، واستقينا‏.‏ فأمرهم أن يطرحوا ذلك العجين ويهريقوا ذلك الماء‏.‏ ويروى عن سبرة بن معبد وأبي الشموس أن النبي صلى الله عليه وسلم أمر بإلقاء الطعام‏.‏ وقال أبو ذر عن النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من اعتجن بمائه ‏"‏‏.‏

ইবনু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাবুকের যুদ্ধের সময় যখন হিজর নামক স্থানে অবতরন করলেন, তখন তিনি সাহাবীগণকে নির্দেশ করলেন, তাঁরা যেন এখানের কূপের পানি পান না করে এবং মশকেও পানি না ভরে। তখন সাহাবীগণ বললেন, আমরা তো এর পানি দ্বারা রুটির আটা গুলে ফেলেছি এবং পানিও ভরে রেখেছি। তখন নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে সেই গুলানো আটা ফেলে দেয়ার এবং পানি ঢেলে দেয়ার নির্দেশ দিলেন। সাবরা ইবনু মা’বাদ এবং আবুশ শামূস (রহঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খাদ্য ফেলে দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আর আবূ যার (রাঃ) নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণনা করেছেন, এর পানি দ্বারা যে আটা গুলেছে (তা ফেলে দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন)।

ইবনু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাবুকের যুদ্ধের সময় যখন হিজর নামক স্থানে অবতরন করলেন, তখন তিনি সাহাবীগণকে নির্দেশ করলেন, তাঁরা যেন এখানের কূপের পানি পান না করে এবং মশকেও পানি না ভরে। তখন সাহাবীগণ বললেন, আমরা তো এর পানি দ্বারা রুটির আটা গুলে ফেলেছি এবং পানিও ভরে রেখেছি। তখন নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে সেই গুলানো আটা ফেলে দেয়ার এবং পানি ঢেলে দেয়ার নির্দেশ দিলেন। সাবরা ইবনু মা’বাদ এবং আবুশ শামূস (রহঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খাদ্য ফেলে দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আর আবূ যার (রাঃ) নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণনা করেছেন, এর পানি দ্বারা যে আটা গুলেছে (তা ফেলে দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন)।

حدثنا محمد بن مسكين أبو الحسن، حدثنا يحيى بن حسان بن حيان أبو زكرياء، حدثنا سليمان، عن عبد الله بن دينار، عن ابن عمر ـ رضى الله عنهما أن رسول الله صلى الله عليه وسلم لما نزل الحجر في غزوة تبوك أمرهم أن لا يشربوا من بئرها، ولا يستقوا منها فقالوا قد عجنا منها، واستقينا‏.‏ فأمرهم أن يطرحوا ذلك العجين ويهريقوا ذلك الماء‏.‏ ويروى عن سبرة بن معبد وأبي الشموس أن النبي صلى الله عليه وسلم أمر بإلقاء الطعام‏.‏ وقال أبو ذر عن النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من اعتجن بمائه ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ৩৩৭৯

حدثنا إبراهيم بن المنذر، حدثنا أنس بن عياض، عن عبيد الله، عن نافع، أن عبد الله بن عمر ـ رضى الله عنهما ـ أخبره أن الناس نزلوا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم أرض ثمود الحجر، فاستقوا من بئرها، واعتجنوا به، فأمرهم رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يهريقوا ما استقوا من بئرها، وأن يعلفوا الإبل العجين، وأمرهم أن يستقوا من البئر التي كان تردها الناقة‏.‏ تابعه أسامة عن نافع‏.‏

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, সাহাবীগণ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে সামূদ জাতির আবাসস্থল ‘হিজর’ নামক স্থানে অবতরণ করলেন আর তখন তারা এর কূপের পানি মশকে ভরে রাখলেন এবং এ পানি দ্বারা আটা গুলে নিলেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে হুকুম দিলেন, তার ঐ কূপ হতে যে পানি ভরে রেখেছে, তা যেন ফেলে দেয় আর পানিতে গুলা আটা যেন উটগুলোকে খাওয়ায় আর তিনি তাদের আদেশ করলেন তারা যেন ঐ কূপ হতে মশক ভরে যেখান হতে [সালিহ (‘আঃ)]-এর উটনীটি পানি পান করত। উসামা (রহঃ) নাফি (রহঃ) হতে হাদিস বর্ণনায় ‘উবাইদুল্লাহ (রহঃ)-কে অনুসরণ করেছেন।

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, সাহাবীগণ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে সামূদ জাতির আবাসস্থল ‘হিজর’ নামক স্থানে অবতরণ করলেন আর তখন তারা এর কূপের পানি মশকে ভরে রাখলেন এবং এ পানি দ্বারা আটা গুলে নিলেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে হুকুম দিলেন, তার ঐ কূপ হতে যে পানি ভরে রেখেছে, তা যেন ফেলে দেয় আর পানিতে গুলা আটা যেন উটগুলোকে খাওয়ায় আর তিনি তাদের আদেশ করলেন তারা যেন ঐ কূপ হতে মশক ভরে যেখান হতে [সালিহ (‘আঃ)]-এর উটনীটি পানি পান করত। উসামা (রহঃ) নাফি (রহঃ) হতে হাদিস বর্ণনায় ‘উবাইদুল্লাহ (রহঃ)-কে অনুসরণ করেছেন।

حدثنا إبراهيم بن المنذر، حدثنا أنس بن عياض، عن عبيد الله، عن نافع، أن عبد الله بن عمر ـ رضى الله عنهما ـ أخبره أن الناس نزلوا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم أرض ثمود الحجر، فاستقوا من بئرها، واعتجنوا به، فأمرهم رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يهريقوا ما استقوا من بئرها، وأن يعلفوا الإبل العجين، وأمرهم أن يستقوا من البئر التي كان تردها الناقة‏.‏ تابعه أسامة عن نافع‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00