সহিহ বুখারী > ইবলীস ও তার বাহিনীর বর্ণনা
সহিহ বুখারী ৩২৭০
حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا جرير، عن منصور، عن أبي وائل، عن عبد الله ـ رضى الله عنه ـ قال ذكر عند النبي صلى الله عليه وسلم رجل نام ليله حتى أصبح، قال " ذاك رجل بال الشيطان في أذنيه ـ أو قال ـ في أذنه
‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এমন এক লোকের ব্যাপারে উল্লেখ করা হল, যে সারা রাত এমনকি ভোর পর্যন্ত ঘুমিয়ে ছিল। তখন তিনি বললেন, সে এমন লোক যার উভয় কানে অথবা তিনি বললেন, তার কানে শয়তান পেশাব করেছে।
‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এমন এক লোকের ব্যাপারে উল্লেখ করা হল, যে সারা রাত এমনকি ভোর পর্যন্ত ঘুমিয়ে ছিল। তখন তিনি বললেন, সে এমন লোক যার উভয় কানে অথবা তিনি বললেন, তার কানে শয়তান পেশাব করেছে।
حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا جرير، عن منصور، عن أبي وائل، عن عبد الله ـ رضى الله عنه ـ قال ذكر عند النبي صلى الله عليه وسلم رجل نام ليله حتى أصبح، قال " ذاك رجل بال الشيطان في أذنيه ـ أو قال ـ في أذنه
সহিহ বুখারী ৩২৭৩
See previous Hadith
বর্ণনাকারী থেকে বর্নিতঃ
আর তোমরা সূর্যোদয়ের সময়কে এবং সূর্যাস্তের সময়কে তোমাদের সালাতের জন্য নির্ধারিত করো না। কেননা তা শয়তানের দু’ শিং-এর মাঝখান দিয়ে উদিত হয়। বর্ণনাকারী বলেন, হিশাম (রহ.) ‘শয়তান’ বলেছেন না ‘আশ-শয়তান’ বলেছেন তা আমি জানি না। (মুসলিম ৬/৫১ হাঃ ৮২৯, আহমাদ ৪৬১২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ শেষাংশ, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩০৪১ শেষাংশ)
বর্ণনাকারী থেকে বর্নিতঃ
আর তোমরা সূর্যোদয়ের সময়কে এবং সূর্যাস্তের সময়কে তোমাদের সালাতের জন্য নির্ধারিত করো না। কেননা তা শয়তানের দু’ শিং-এর মাঝখান দিয়ে উদিত হয়। বর্ণনাকারী বলেন, হিশাম (রহ.) ‘শয়তান’ বলেছেন না ‘আশ-শয়তান’ বলেছেন তা আমি জানি না। (মুসলিম ৬/৫১ হাঃ ৮২৯, আহমাদ ৪৬১২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ শেষাংশ, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩০৪১ শেষাংশ)
See previous Hadith
সহিহ বুখারী ৩২৭১
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا همام، عن منصور، عن سالم بن أبي الجعد، عن كريب، عن ابن عباس ـ رضى الله عنهما ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " أما إن أحدكم إذا أتى أهله وقال بسم الله اللهم جنبنا الشيطان، وجنب الشيطان ما رزقتنا. فرزقا ولدا، لم يضره الشيطان ".
ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, দেখ, তোমাদের কেউ যখন তার স্ত্রীর কাছে আসে, আর তখন বলে, বিসমিল্লাহ্। হে আল্লাহ! আমাদেরকে শয়তানের প্রভাব থেকে দূরে রাখ। আর আমাদেরকে যে সন্তান দেয়া হবে শয়তান তার কোন ক্ষতি করতে পারবে না।
ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, দেখ, তোমাদের কেউ যখন তার স্ত্রীর কাছে আসে, আর তখন বলে, বিসমিল্লাহ্। হে আল্লাহ! আমাদেরকে শয়তানের প্রভাব থেকে দূরে রাখ। আর আমাদেরকে যে সন্তান দেয়া হবে শয়তান তার কোন ক্ষতি করতে পারবে না।
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا همام، عن منصور، عن سالم بن أبي الجعد، عن كريب، عن ابن عباس ـ رضى الله عنهما ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " أما إن أحدكم إذا أتى أهله وقال بسم الله اللهم جنبنا الشيطان، وجنب الشيطان ما رزقتنا. فرزقا ولدا، لم يضره الشيطان ".
সহিহ বুখারী ৩২৭২
حدثنا محمد، أخبرنا عبدة، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن ابن عمر ـ رضى الله عنهما ـ قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إذا طلع حاجب الشمس فدعوا الصلاة حتى تبرز، وإذا غاب حاجب الشمس فدعوا الصلاة حتى تغيب ". " ولا تحينوا بصلاتكم طلوع الشمس ولا غروبها، فإنها تطلع بين قرنى شيطان ". أو الشيطان. لا أدري أى ذلك قال هشام.
ইব্নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যখন সূর্যের এক কিনারা উদিত হবে, তখন তা পরিষ্কারভাবে উদিত না হওয়া পর্যন্ত তোমরা সালাত আদায় বন্ধ রাখ। আবার যখন সূর্যের এক কিনারা অস্ত যাবে তখন তা সম্পূর্ণ অস্ত না যাওয়া পর্যন্ত তোমরা সালাত আদায় বন্ধ রাখ।
ইব্নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যখন সূর্যের এক কিনারা উদিত হবে, তখন তা পরিষ্কারভাবে উদিত না হওয়া পর্যন্ত তোমরা সালাত আদায় বন্ধ রাখ। আবার যখন সূর্যের এক কিনারা অস্ত যাবে তখন তা সম্পূর্ণ অস্ত না যাওয়া পর্যন্ত তোমরা সালাত আদায় বন্ধ রাখ।
حدثنا محمد، أخبرنا عبدة، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن ابن عمر ـ رضى الله عنهما ـ قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إذا طلع حاجب الشمس فدعوا الصلاة حتى تبرز، وإذا غاب حاجب الشمس فدعوا الصلاة حتى تغيب ". " ولا تحينوا بصلاتكم طلوع الشمس ولا غروبها، فإنها تطلع بين قرنى شيطان ". أو الشيطان. لا أدري أى ذلك قال هشام.
সহিহ বুখারী ৩২৬৯
حدثنا إسماعيل بن أبي أويس، قال حدثني أخي، عن سليمان بن بلال، عن يحيى بن سعيد، عن سعيد بن المسيب، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " يعقد الشيطان على قافية رأس أحدكم إذا هو نام ثلاث عقد، يضرب كل عقدة مكانها عليك ليل طويل فارقد. فإن استيقظ فذكر الله انحلت عقدة، فإن توضأ انحلت عقدة، فإن صلى انحلت عقده كلها، فأصبح نشيطا طيب النفس، وإلا أصبح خبيث النفس كسلان ".
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, ‘তোমাদের কেউ যখন নিদ্রা যায় তখন শয়তান তার মাথার শেষভাগে তিনটি গিরা দিয়ে দেয়। প্রত্যেক গিরার সময় এ কথা বলে কুমন্ত্রণা দিয়ে দেয় যে, এখনো রাত অনেক রয়ে গেছে, কাজেই শুয়ে থাক। অতঃপর সে লোক যদি জেগে উঠে এবং আল্লাহকে স্মরণ করে তখন একটি গিরা খুলে যায়। অতঃপর যদি সে উযূ করে, তবে দ্বিতীয় গিরাও খুলে যায়। আর যদি সে সালাত আদায় করে তবে সব কয়টি গিরাই খুলে যায়। আর খুশির সঙ্গে পবিত্র মনে তার সকাল হয়, অন্যথায় অপবিত্র মনে আলস্যের সাথে তার সকাল হয়।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, ‘তোমাদের কেউ যখন নিদ্রা যায় তখন শয়তান তার মাথার শেষভাগে তিনটি গিরা দিয়ে দেয়। প্রত্যেক গিরার সময় এ কথা বলে কুমন্ত্রণা দিয়ে দেয় যে, এখনো রাত অনেক রয়ে গেছে, কাজেই শুয়ে থাক। অতঃপর সে লোক যদি জেগে উঠে এবং আল্লাহকে স্মরণ করে তখন একটি গিরা খুলে যায়। অতঃপর যদি সে উযূ করে, তবে দ্বিতীয় গিরাও খুলে যায়। আর যদি সে সালাত আদায় করে তবে সব কয়টি গিরাই খুলে যায়। আর খুশির সঙ্গে পবিত্র মনে তার সকাল হয়, অন্যথায় অপবিত্র মনে আলস্যের সাথে তার সকাল হয়।
حدثنا إسماعيل بن أبي أويس، قال حدثني أخي، عن سليمان بن بلال، عن يحيى بن سعيد، عن سعيد بن المسيب، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " يعقد الشيطان على قافية رأس أحدكم إذا هو نام ثلاث عقد، يضرب كل عقدة مكانها عليك ليل طويل فارقد. فإن استيقظ فذكر الله انحلت عقدة، فإن توضأ انحلت عقدة، فإن صلى انحلت عقده كلها، فأصبح نشيطا طيب النفس، وإلا أصبح خبيث النفس كسلان ".
সহিহ বুখারী ৩২৬৮
حدثنا إبراهيم بن موسى، أخبرنا عيسى، عن هشام، عن أبيه، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ قالت سحر النبي صلى الله عليه وسلم. وقال الليث كتب إلى هشام أنه سمعه ووعاه عن أبيه عن عائشة قالت سحر النبي صلى الله عليه وسلم حتى كان يخيل إليه أنه يفعل الشىء وما يفعله، حتى كان ذات يوم دعا ودعا، ثم قال " أشعرت أن الله أفتاني فيما فيه شفائي أتاني رجلان، فقعد أحدهما عند رأسي والآخر عند رجلى، فقال أحدهما للآخر ما وجع الرجل قال مطبوب. قال ومن طبه قال لبيد بن الأعصم. قال في ماذا قال في مشط ومشاقة وجف طلعة ذكر. قال فأين هو قال في بئر ذروان ". فخرج إليها النبي صلى الله عليه وسلم ثم رجع فقال لعائشة حين رجع " نخلها كأنها رءوس الشياطين ". فقلت استخرجته فقال " لا أما أنا فقد شفاني الله، وخشيت أن يثير ذلك على الناس شرا، ثم دفنت البئر ".
‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে যাদু করা হয়েছিল। লায়স (রহঃ) বলেন, আমার নিকট হিশাম পত্র লিখেন, তাতে লেখা ছিল যে, তিনি তার পিতা সূত্রে ‘আয়িশা (রাঃ) হতে হাদীস শুনেছেন এবং তা ভালভাবে মুখস্থ করেছেন। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে যাদু করা হয়। এমনকি যাদুর প্রভাবে তাঁর খেয়াল হতো যে, তিনি স্ত্রীগণের বিষয়ে কোন কাজ করে ফেলেছেন অথচ তিনি তা করেননি। শেষ পর্যন্ত একদা তিনি রোগ আরোগ্যের জন্য বারবার দু’আ করলেন, অরঃপর তিনি আমাকে বললেন, তুমি কি জান আল্লাহ আমাকে জানিয়ে দিয়েছেন, যাতে আমার রোগের আরোগ্য আছে? আমার নিকট দু’জন লোক আসল। তাদের একজন মাথার নিকট বসল আর অপরজন আমার পায়ের নিকট বসল। অরঃপর একজন অন্যজনকে জিজ্ঞেস করল, এ ব্যক্তির রোগ কি? জিজ্ঞাসিত লোকটি জবাব দিল, তাকে যাদু করা হয়েছে। প্রথম লোকটি বলল, তাকে যাদু কে করল? সে বলল, লবীদ ইব্নু আ’সাম। প্রথম ব্যক্তি বলল, কিসের দ্বারা? দ্বিতীয় ব্যক্তি বলল, তাকে যাদু করা হয়েছে, চিরুনি, সুতার তাগা এবং খেজুরের খোসায়। প্রথম ব্যক্তি জিজ্ঞেস করল, এগুলো কোথায় আছে? দ্বিতীয় ব্যক্তি জবাব দিল, যারওয়ান কূপে। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেখানে গেলেন এবং ফিরে আসলেন, অতঃপর তিনি ‘আয়িশা (রাঃ)-কে বললেন, কূপের কাছের খেজুর গাছগুলো যেন এক একটা শয়তানের মাথা। তখন আমি জিজ্ঞেস করলাম, আপনি কি সেই যাদু করা জিনিসগুলো বের করতে পেরেছেন? তিনি বললেন, না। তবে আল্লাহ আমাকে আরোগ্য দিয়েছেন। আমার আশংকা হয়েছিল এসব জিনিস বের করলে মানুষের মধ্যে ফাসাদ সৃষ্টি হতে পারে। অতঃপর সেই কূপটি বন্ধ করে দেয়া হল।
‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে যাদু করা হয়েছিল। লায়স (রহঃ) বলেন, আমার নিকট হিশাম পত্র লিখেন, তাতে লেখা ছিল যে, তিনি তার পিতা সূত্রে ‘আয়িশা (রাঃ) হতে হাদীস শুনেছেন এবং তা ভালভাবে মুখস্থ করেছেন। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে যাদু করা হয়। এমনকি যাদুর প্রভাবে তাঁর খেয়াল হতো যে, তিনি স্ত্রীগণের বিষয়ে কোন কাজ করে ফেলেছেন অথচ তিনি তা করেননি। শেষ পর্যন্ত একদা তিনি রোগ আরোগ্যের জন্য বারবার দু’আ করলেন, অরঃপর তিনি আমাকে বললেন, তুমি কি জান আল্লাহ আমাকে জানিয়ে দিয়েছেন, যাতে আমার রোগের আরোগ্য আছে? আমার নিকট দু’জন লোক আসল। তাদের একজন মাথার নিকট বসল আর অপরজন আমার পায়ের নিকট বসল। অরঃপর একজন অন্যজনকে জিজ্ঞেস করল, এ ব্যক্তির রোগ কি? জিজ্ঞাসিত লোকটি জবাব দিল, তাকে যাদু করা হয়েছে। প্রথম লোকটি বলল, তাকে যাদু কে করল? সে বলল, লবীদ ইব্নু আ’সাম। প্রথম ব্যক্তি বলল, কিসের দ্বারা? দ্বিতীয় ব্যক্তি বলল, তাকে যাদু করা হয়েছে, চিরুনি, সুতার তাগা এবং খেজুরের খোসায়। প্রথম ব্যক্তি জিজ্ঞেস করল, এগুলো কোথায় আছে? দ্বিতীয় ব্যক্তি জবাব দিল, যারওয়ান কূপে। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেখানে গেলেন এবং ফিরে আসলেন, অতঃপর তিনি ‘আয়িশা (রাঃ)-কে বললেন, কূপের কাছের খেজুর গাছগুলো যেন এক একটা শয়তানের মাথা। তখন আমি জিজ্ঞেস করলাম, আপনি কি সেই যাদু করা জিনিসগুলো বের করতে পেরেছেন? তিনি বললেন, না। তবে আল্লাহ আমাকে আরোগ্য দিয়েছেন। আমার আশংকা হয়েছিল এসব জিনিস বের করলে মানুষের মধ্যে ফাসাদ সৃষ্টি হতে পারে। অতঃপর সেই কূপটি বন্ধ করে দেয়া হল।
حدثنا إبراهيم بن موسى، أخبرنا عيسى، عن هشام، عن أبيه، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ قالت سحر النبي صلى الله عليه وسلم. وقال الليث كتب إلى هشام أنه سمعه ووعاه عن أبيه عن عائشة قالت سحر النبي صلى الله عليه وسلم حتى كان يخيل إليه أنه يفعل الشىء وما يفعله، حتى كان ذات يوم دعا ودعا، ثم قال " أشعرت أن الله أفتاني فيما فيه شفائي أتاني رجلان، فقعد أحدهما عند رأسي والآخر عند رجلى، فقال أحدهما للآخر ما وجع الرجل قال مطبوب. قال ومن طبه قال لبيد بن الأعصم. قال في ماذا قال في مشط ومشاقة وجف طلعة ذكر. قال فأين هو قال في بئر ذروان ". فخرج إليها النبي صلى الله عليه وسلم ثم رجع فقال لعائشة حين رجع " نخلها كأنها رءوس الشياطين ". فقلت استخرجته فقال " لا أما أنا فقد شفاني الله، وخشيت أن يثير ذلك على الناس شرا، ثم دفنت البئر ".
সহিহ বুখারী ৩২৭৪
حدثنا أبو معمر، حدثنا عبد الوارث، حدثنا يونس، عن حميد بن هلال، عن أبي صالح، عن أبي سعيد، قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " إذا مر بين يدى أحدكم شىء وهو يصلي فليمنعه، فإن أبى فليمنعه، فإن أبى فليقاتله، فإنما هو شيطان ".
আবূ সা’ঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, সালাত আদায়ের সময় তোমাদের কারো সম্মুখ দিয়ে যখন কেউ চলাচল করবে তখন সে তাকে অবশ্যই বাধা দিবে। সে যদি অমান্য করে তবে আবারো তাকে বাধা দিবে। অতঃপরও যদি সে অমান্য করে তবে অবশ্যই তার সঙ্গে লড়াই করবে। কেননা সে শয়তান।
আবূ সা’ঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, সালাত আদায়ের সময় তোমাদের কারো সম্মুখ দিয়ে যখন কেউ চলাচল করবে তখন সে তাকে অবশ্যই বাধা দিবে। সে যদি অমান্য করে তবে আবারো তাকে বাধা দিবে। অতঃপরও যদি সে অমান্য করে তবে অবশ্যই তার সঙ্গে লড়াই করবে। কেননা সে শয়তান।
حدثنا أبو معمر، حدثنا عبد الوارث، حدثنا يونس، عن حميد بن هلال، عن أبي صالح، عن أبي سعيد، قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " إذا مر بين يدى أحدكم شىء وهو يصلي فليمنعه، فإن أبى فليمنعه، فإن أبى فليقاتله، فإنما هو شيطان ".
সহিহ বুখারী ৩২৭৬
حدثنا يحيى بن بكير، حدثنا الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، قال أخبرني عروة، قال أبو هريرة ـ رضى الله عنه ـ قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يأتي الشيطان أحدكم فيقول من خلق كذا من خلق كذا حتى يقول من خلق ربك فإذا بلغه فليستعذ بالله، ولينته ".
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমাদের কারো নিকট শয়তান আসতে পারে এবং সে বলতে পারে, এ বস্তু কে সৃষ্টি করেছে? ঐ বস্তু কে সৃষ্টি করেছে? এরূপ প্রশ্ন করতে করতে শেষ পর্যন্ত বলে বসবে, তোমাদের প্রতিপালককে কে সৃষ্টি করেছে? যখন ব্যাপারটি এ স্তরে পৌঁছে যাবে তখন সে যেন অবশ্যই আল্লাহর নিকট আশ্রয় চায় এবং বিরত হয়ে যায়।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমাদের কারো নিকট শয়তান আসতে পারে এবং সে বলতে পারে, এ বস্তু কে সৃষ্টি করেছে? ঐ বস্তু কে সৃষ্টি করেছে? এরূপ প্রশ্ন করতে করতে শেষ পর্যন্ত বলে বসবে, তোমাদের প্রতিপালককে কে সৃষ্টি করেছে? যখন ব্যাপারটি এ স্তরে পৌঁছে যাবে তখন সে যেন অবশ্যই আল্লাহর নিকট আশ্রয় চায় এবং বিরত হয়ে যায়।
حدثنا يحيى بن بكير، حدثنا الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، قال أخبرني عروة، قال أبو هريرة ـ رضى الله عنه ـ قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يأتي الشيطان أحدكم فيقول من خلق كذا من خلق كذا حتى يقول من خلق ربك فإذا بلغه فليستعذ بالله، ولينته ".
সহিহ বুখারী ৩২৭৫
وقال عثمان بن الهيثم حدثنا عوف، عن محمد بن سيرين، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ قال وكلني رسول الله صلى الله عليه وسلم بحفظ زكاة رمضان، فأتاني آت، فجعل يحثو من الطعام، فأخذته فقلت لأرفعنك إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم. فذكر الحديث فقال إذا أويت إلى فراشك فاقرأ آية الكرسي لن يزال عليك من الله حافظ، ولا يقربك شيطان حتى تصبح. فقال النبي صلى الله عليه وسلم " صدقك وهو كذوب، ذاك شيطان
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে রমযানের যাকাত (সাদাকাতুল ফিত্রের) হিফাযতের দায়িত্ব প্রাদান করলেন। অতঃপর আমার নিকট এক আগন্তুক আসল। সে তার দু’হাতের আঁজলা ভরে খাদ্যশস্য গ্রহণ করতে লাগল। তখন আমি তাকে ধরে ফেললাম এবং বললাম, আমি অবশ্যই তোমাকে আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট নিয়ে যাব। তখন সে একটি হাদীস উল্লেখ করল এবং বলল, যখন তুমি বিছানায় শুতে যাবে, তখন আয়াতুল কুরসী পড়বে। তাহলে সর্বদা আল্লাহ্র পক্ষ হতে তোমার জন্য একজন হিফাযতকারী থাকবে এবং সকাল হওয়া অবধি তোমার নিকট শয়তান আসতে পারবে না। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, সে তোমাকে সত্য বলেছে, অথচ সে মিথ্যাচারী এবং শয়তান ছিল।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে রমযানের যাকাত (সাদাকাতুল ফিত্রের) হিফাযতের দায়িত্ব প্রাদান করলেন। অতঃপর আমার নিকট এক আগন্তুক আসল। সে তার দু’হাতের আঁজলা ভরে খাদ্যশস্য গ্রহণ করতে লাগল। তখন আমি তাকে ধরে ফেললাম এবং বললাম, আমি অবশ্যই তোমাকে আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট নিয়ে যাব। তখন সে একটি হাদীস উল্লেখ করল এবং বলল, যখন তুমি বিছানায় শুতে যাবে, তখন আয়াতুল কুরসী পড়বে। তাহলে সর্বদা আল্লাহ্র পক্ষ হতে তোমার জন্য একজন হিফাযতকারী থাকবে এবং সকাল হওয়া অবধি তোমার নিকট শয়তান আসতে পারবে না। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, সে তোমাকে সত্য বলেছে, অথচ সে মিথ্যাচারী এবং শয়তান ছিল।
وقال عثمان بن الهيثم حدثنا عوف، عن محمد بن سيرين، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ قال وكلني رسول الله صلى الله عليه وسلم بحفظ زكاة رمضان، فأتاني آت، فجعل يحثو من الطعام، فأخذته فقلت لأرفعنك إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم. فذكر الحديث فقال إذا أويت إلى فراشك فاقرأ آية الكرسي لن يزال عليك من الله حافظ، ولا يقربك شيطان حتى تصبح. فقال النبي صلى الله عليه وسلم " صدقك وهو كذوب، ذاك شيطان
সহিহ বুখারী ৩২৭৭
حدثنا يحيى بن بكير، حدثنا الليث، قال حدثني عقيل، عن ابن شهاب، قال حدثني ابن أبي أنس، مولى التيميين أن أباه، حدثه أنه، سمع أبا هريرة ـ رضى الله عنه ـ يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إذا دخل رمضان فتحت أبواب الجنة، وغلقت أبواب جهنم، وسلسلت الشياطين ".
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যখন রমযান মাস আরম্ভ হয়, জান্নাতের দরজাগুলো খুলে দেয়া হয় এবং জাহান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করে দেয়া হয় আর শয়তানদেরকে শিকলে বেঁধে রাখা হয়।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যখন রমযান মাস আরম্ভ হয়, জান্নাতের দরজাগুলো খুলে দেয়া হয় এবং জাহান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করে দেয়া হয় আর শয়তানদেরকে শিকলে বেঁধে রাখা হয়।
حدثنا يحيى بن بكير، حدثنا الليث، قال حدثني عقيل، عن ابن شهاب، قال حدثني ابن أبي أنس، مولى التيميين أن أباه، حدثه أنه، سمع أبا هريرة ـ رضى الله عنه ـ يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إذا دخل رمضان فتحت أبواب الجنة، وغلقت أبواب جهنم، وسلسلت الشياطين ".
সহিহ বুখারী ৩২৭৮
حدثنا الحميدي، حدثنا سفيان، حدثنا عمرو، قال أخبرني سعيد بن جبير، قال قلت لابن عباس فقال حدثنا أبى بن كعب، أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " إن موسى قال لفتاه آتنا غداءنا، قال أرأيت إذ أوينا إلى الصخرة، فإني نسيت الحوت، وما أنسانيه إلا الشيطان أن أذكره، ولم يجد موسى النصب حتى جاوز المكان الذي أمر الله به ".
উবাই ইব্নু কা’ব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন, “মুসা (‘আঃ) তার সঙ্গীকে বললেনঃ আমাদের নাশতা আন, এ সফরে আমরা অবশ্যই ক্লান্ত হয়ে পড়েছি। সঙ্গী বললঃ আপনি কি লক্ষ্য করেছেন, আমরা যখন প্রস্তর খণ্ডের কাছে বিশ্রাম করেছিলাম, তখন আমি মাছের কথা ভুলে গিয়েছিলাম। শয়তানই আমাকে এ কথা স্মরণ রাখতে ভুলিয়ে দিয়েছিল”- (সূরা কাহ্ফ ৬২-৬৩)। আল্লাহ তা’আলা মূসা (‘আঃ)-কে যে স্থানটি সম্পর্কে নির্দেশ দিয়েছিলেন, তিনি সে স্থানটি অতিক্রম করা পর্যন্ত কোন প্রকার ক্লান্তি অনুভব করেননি।
উবাই ইব্নু কা’ব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন, “মুসা (‘আঃ) তার সঙ্গীকে বললেনঃ আমাদের নাশতা আন, এ সফরে আমরা অবশ্যই ক্লান্ত হয়ে পড়েছি। সঙ্গী বললঃ আপনি কি লক্ষ্য করেছেন, আমরা যখন প্রস্তর খণ্ডের কাছে বিশ্রাম করেছিলাম, তখন আমি মাছের কথা ভুলে গিয়েছিলাম। শয়তানই আমাকে এ কথা স্মরণ রাখতে ভুলিয়ে দিয়েছিল”- (সূরা কাহ্ফ ৬২-৬৩)। আল্লাহ তা’আলা মূসা (‘আঃ)-কে যে স্থানটি সম্পর্কে নির্দেশ দিয়েছিলেন, তিনি সে স্থানটি অতিক্রম করা পর্যন্ত কোন প্রকার ক্লান্তি অনুভব করেননি।
حدثنا الحميدي، حدثنا سفيان، حدثنا عمرو، قال أخبرني سعيد بن جبير، قال قلت لابن عباس فقال حدثنا أبى بن كعب، أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " إن موسى قال لفتاه آتنا غداءنا، قال أرأيت إذ أوينا إلى الصخرة، فإني نسيت الحوت، وما أنسانيه إلا الشيطان أن أذكره، ولم يجد موسى النصب حتى جاوز المكان الذي أمر الله به ".
সহিহ বুখারী ৩২৭৯
حدثنا عبد الله بن مسلمة، عن مالك، عن عبد الله بن دينار، عن عبد الله بن عمر ـ رضى الله عنهما ـ قال رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يشير إلى المشرق فقال " ها إن الفتنة ها هنا إن الفتنة ها هنا من حيث يطلع قرن الشيطان ".
‘আবদুল্লাহ ইব্নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দেখেছি, তিনি পূর্ব দিকে ইঙ্গিত করে বলেছেন, সাবধান! ফিতনা এখানেই। সাবধান! ফিত্না এখানেই। সেখান থেকে শয়তানের শিং উদিত হবে।
‘আবদুল্লাহ ইব্নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দেখেছি, তিনি পূর্ব দিকে ইঙ্গিত করে বলেছেন, সাবধান! ফিতনা এখানেই। সাবধান! ফিত্না এখানেই। সেখান থেকে শয়তানের শিং উদিত হবে।
حدثنا عبد الله بن مسلمة، عن مالك، عن عبد الله بن دينار، عن عبد الله بن عمر ـ رضى الله عنهما ـ قال رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يشير إلى المشرق فقال " ها إن الفتنة ها هنا إن الفتنة ها هنا من حيث يطلع قرن الشيطان ".
সহিহ বুখারী ৩২৮০
حدثنا يحيى بن جعفر، حدثنا محمد بن عبد الله الأنصاري، حدثنا ابن جريج، قال أخبرني عطاء، عن جابر ـ رضى الله عنه ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " إذا استجنح {الليل} ـ أو كان جنح الليل ـ فكفوا صبيانكم، فإن الشياطين تنتشر حينئذ، فإذا ذهب ساعة من العشاء فحلوهم وأغلق بابك، واذكر اسم الله، وأطفئ مصباحك، واذكر اسم الله، وأوك سقاءك، واذكر اسم الله، وخمر إناءك، واذكر اسم الله، ولو تعرض عليه شيئا ".
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ‘সূর্যাস্তের পরপরই যখন রাত শুরু হয় অথবা বলেছেন, যখন রাতের অন্ধকার নেমে আসে তখন তোমরা তোমাদের শিশুদেরকে ঘরে আটকে রাখবে। কারণ এ সময় শয়তানেরা ছড়িয়ে পড়ে। অতঃপর যখন রাতের কিছু অংশ অতিবাহিত হবে তখন তাদের ছেড়ে দিতে পার আর তুমি তোমার ঘরের দরজা বন্ধ করে দাও এবং আল্লাহর নাম স্মরণ কর। তোমার ঘরের বাতি নিভিয়ে দাও এবং আল্লাহ্র নাম স্মরণ কর। তোমার পানি রাখার পাত্রের মুখ ঢেকে রাখ এবং আল্লাহর নাম স্মরণ কর। তোমার বাসনপত্র ঢেকে রাখ এবং আল্লাহর নাম স্মরণ কর। সামান্য কিছু হলেও তার ওপর দিয়ে রেখে দাও।’
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ‘সূর্যাস্তের পরপরই যখন রাত শুরু হয় অথবা বলেছেন, যখন রাতের অন্ধকার নেমে আসে তখন তোমরা তোমাদের শিশুদেরকে ঘরে আটকে রাখবে। কারণ এ সময় শয়তানেরা ছড়িয়ে পড়ে। অতঃপর যখন রাতের কিছু অংশ অতিবাহিত হবে তখন তাদের ছেড়ে দিতে পার আর তুমি তোমার ঘরের দরজা বন্ধ করে দাও এবং আল্লাহর নাম স্মরণ কর। তোমার ঘরের বাতি নিভিয়ে দাও এবং আল্লাহ্র নাম স্মরণ কর। তোমার পানি রাখার পাত্রের মুখ ঢেকে রাখ এবং আল্লাহর নাম স্মরণ কর। তোমার বাসনপত্র ঢেকে রাখ এবং আল্লাহর নাম স্মরণ কর। সামান্য কিছু হলেও তার ওপর দিয়ে রেখে দাও।’
حدثنا يحيى بن جعفر، حدثنا محمد بن عبد الله الأنصاري، حدثنا ابن جريج، قال أخبرني عطاء، عن جابر ـ رضى الله عنه ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " إذا استجنح {الليل} ـ أو كان جنح الليل ـ فكفوا صبيانكم، فإن الشياطين تنتشر حينئذ، فإذا ذهب ساعة من العشاء فحلوهم وأغلق بابك، واذكر اسم الله، وأطفئ مصباحك، واذكر اسم الله، وأوك سقاءك، واذكر اسم الله، وخمر إناءك، واذكر اسم الله، ولو تعرض عليه شيئا ".
সহিহ বুখারী ৩২৮৪
حدثنا محمود، حدثنا شبابة، حدثنا شعبة، عن محمد بن زياد، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه صلى صلاة فقال " إن الشيطان عرض لي، فشد على يقطع الصلاة على، فأمكنني الله منه ". فذكره.
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাত আদায় করলেন। অতঃপর বললেন, শয়তান আমার সামনে এসেছিল। সে আমার সালাত নষ্ট করার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু আল্লাহ আমাকে তার উপর বিজয়ী করেন। অতঃপর পূর্ণাঙ্গ হাদীসটি উল্লেখ করেন।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাত আদায় করলেন। অতঃপর বললেন, শয়তান আমার সামনে এসেছিল। সে আমার সালাত নষ্ট করার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু আল্লাহ আমাকে তার উপর বিজয়ী করেন। অতঃপর পূর্ণাঙ্গ হাদীসটি উল্লেখ করেন।
حدثنا محمود، حدثنا شبابة، حدثنا شعبة، عن محمد بن زياد، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه صلى صلاة فقال " إن الشيطان عرض لي، فشد على يقطع الصلاة على، فأمكنني الله منه ". فذكره.
সহিহ বুখারী ৩২৮৬
حدثنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " كل بني آدم يطعن الشيطان في جنبيه بإصبعه حين يولد، غير عيسى بن مريم، ذهب يطعن فطعن في الحجاب ".
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, প্রত্যেক আদম সন্তানের জন্মের সময় তার পার্শ্বদেশে শয়তান তার দুই আঙ্গুলের দ্বারা খোঁচা মারে। ‘ঈসা ইব্নু মরয়াম (‘আঃ)-এর ব্যতিক্রম। সে তাকে খোঁচা মারতে গিয়েছিল। তখন সে পর্দার ওপর খোঁচা মারে।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, প্রত্যেক আদম সন্তানের জন্মের সময় তার পার্শ্বদেশে শয়তান তার দুই আঙ্গুলের দ্বারা খোঁচা মারে। ‘ঈসা ইব্নু মরয়াম (‘আঃ)-এর ব্যতিক্রম। সে তাকে খোঁচা মারতে গিয়েছিল। তখন সে পর্দার ওপর খোঁচা মারে।
حدثنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " كل بني آدم يطعن الشيطان في جنبيه بإصبعه حين يولد، غير عيسى بن مريم، ذهب يطعن فطعن في الحجاب ".
সহিহ বুখারী ৩২৮৩
حدثنا آدم، حدثنا شعبة، حدثنا منصور، عن سالم بن أبي الجعد، عن كريب، عن ابن عباس، قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " لو أن أحدكم إذا أتى أهله قال {اللهم} جنبني الشيطان، وجنب الشيطان ما رزقتني. فإن كان بينهما ولد لم يضره الشيطان، ولم يسلط عليه ". قال وحدثنا الأعمش عن سالم عن كريب عن ابن عباس مثله.
ইব্নু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমাদের কেউ যখন স্ত্রীর নিকট গমন করে এবং বলে, “হে আল্লাহ্! আমাকে শয়তান হতে রক্ষা আর আমাকে এর মাধ্যমে যে সন্তান দিবে তাকেও শয়তান থেকে হেফাজত কর”। তাহলে যদি তাদের কোন সন্তান জন্মায়, তবে শয়তান তার কোন ক্ষতি করতে পারবে না এবং তার উপর কোন প্রভাব ফেলতে পারবে না। আসমা (রহঃ)..... ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) নিকট হতে অনুরূপ রিওয়ায়ত বর্ণনা করেন।
ইব্নু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমাদের কেউ যখন স্ত্রীর নিকট গমন করে এবং বলে, “হে আল্লাহ্! আমাকে শয়তান হতে রক্ষা আর আমাকে এর মাধ্যমে যে সন্তান দিবে তাকেও শয়তান থেকে হেফাজত কর”। তাহলে যদি তাদের কোন সন্তান জন্মায়, তবে শয়তান তার কোন ক্ষতি করতে পারবে না এবং তার উপর কোন প্রভাব ফেলতে পারবে না। আসমা (রহঃ)..... ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) নিকট হতে অনুরূপ রিওয়ায়ত বর্ণনা করেন।
حدثنا آدم، حدثنا شعبة، حدثنا منصور، عن سالم بن أبي الجعد، عن كريب، عن ابن عباس، قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " لو أن أحدكم إذا أتى أهله قال {اللهم} جنبني الشيطان، وجنب الشيطان ما رزقتني. فإن كان بينهما ولد لم يضره الشيطان، ولم يسلط عليه ". قال وحدثنا الأعمش عن سالم عن كريب عن ابن عباس مثله.
সহিহ বুখারী ৩২৮২
حدثنا عبدان، عن أبي حمزة، عن الأعمش، عن عدي بن ثابت، عن سليمان بن صرد، قال كنت جالسا مع النبي صلى الله عليه وسلم ورجلان يستبان، فأحدهما احمر وجهه وانتفخت أوداجه، فقال النبي صلى الله عليه وسلم " إني لأعلم كلمة لو قالها ذهب عنه ما يجد، لو قال أعوذ بالله من الشيطان. ذهب عنه ما يجد ". فقالوا له إن النبي صلى الله عليه وسلم قال " تعوذ بالله من الشيطان ". فقال وهل بي جنون
সুলাইমান ইব্নু সুরাদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে উপবিষ্ট ছিলাম। তখন দু’জন লোক গালাগালি করছিল। তাদের এক জনের চেহারা লাল হয়ে গিয়েছিল এবং তার রগগুলো ফুলে গিয়েছিল। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আমি এমন একটি দু’আ জানি, যদি এ লোকটি পড়ে তবে তার রাগ দূর হয়ে যাবে। সে যদি পড়ে “আ’উযুবিল্লাহি মিনাশ শায়তান”- আমি শয়তান হতে আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাই। তবে তার রাগ চলে যাবে। তখন তাকে বলল, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তুমি আল্লাহর নিকট শয়তান থেকে আশ্রয় চাও। সে বলল, আমি কি পাগল হয়েছি?
সুলাইমান ইব্নু সুরাদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে উপবিষ্ট ছিলাম। তখন দু’জন লোক গালাগালি করছিল। তাদের এক জনের চেহারা লাল হয়ে গিয়েছিল এবং তার রগগুলো ফুলে গিয়েছিল। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আমি এমন একটি দু’আ জানি, যদি এ লোকটি পড়ে তবে তার রাগ দূর হয়ে যাবে। সে যদি পড়ে “আ’উযুবিল্লাহি মিনাশ শায়তান”- আমি শয়তান হতে আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাই। তবে তার রাগ চলে যাবে। তখন তাকে বলল, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তুমি আল্লাহর নিকট শয়তান থেকে আশ্রয় চাও। সে বলল, আমি কি পাগল হয়েছি?
حدثنا عبدان، عن أبي حمزة، عن الأعمش، عن عدي بن ثابت، عن سليمان بن صرد، قال كنت جالسا مع النبي صلى الله عليه وسلم ورجلان يستبان، فأحدهما احمر وجهه وانتفخت أوداجه، فقال النبي صلى الله عليه وسلم " إني لأعلم كلمة لو قالها ذهب عنه ما يجد، لو قال أعوذ بالله من الشيطان. ذهب عنه ما يجد ". فقالوا له إن النبي صلى الله عليه وسلم قال " تعوذ بالله من الشيطان ". فقال وهل بي جنون
সহিহ বুখারী ৩২৮৫
حدثنا محمد بن يوسف، حدثنا الأوزاعي، عن يحيى بن أبي كثير، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " إذا نودي بالصلاة أدبر الشيطان وله ضراط، فإذا قضي أقبل، فإذا ثوب بها أدبر، فإذا قضي أقبل، حتى يخطر بين الإنسان وقلبه، فيقول اذكر كذا وكذا. حتى لا يدري أثلاثا صلى أم أربعا فإذا لم يدر ثلاثا صلى أو أربعا سجد سجدتى السهو ".
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যখন সালাতের জন্যে আযান দেয়া হয় তখন শয়তান সশব্দে বায়ু ছাড়তে ছাড়তে পালাতে থাকে। আযান শেষ হলে সামনে এগিয়ে আসে। আবার যখন ইকামাত দেয়া হয় তখন আবার পালাতে থাকে। ইকামাত শেষ হলে আবার সামনে আসে এবং মানুষের মনে খটকা সৃষ্টি করতে থাকে আর বলতে থাকে ওটা ওটা মনে কর। এমন কি সে ব্যক্তি আর মনে রাখতে পারে না যে, সে কি তিন রাক’আত পড়ল না চার রাক’আত পড়ল। এরকম যদি কারো হয়ে যায়, সে মনে রাখতে পারে না তিন রাকা’আত পড়েছে না কি চার রাকা’আত তখন সে যেন দু’টি সাহু সিজদা করে।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যখন সালাতের জন্যে আযান দেয়া হয় তখন শয়তান সশব্দে বায়ু ছাড়তে ছাড়তে পালাতে থাকে। আযান শেষ হলে সামনে এগিয়ে আসে। আবার যখন ইকামাত দেয়া হয় তখন আবার পালাতে থাকে। ইকামাত শেষ হলে আবার সামনে আসে এবং মানুষের মনে খটকা সৃষ্টি করতে থাকে আর বলতে থাকে ওটা ওটা মনে কর। এমন কি সে ব্যক্তি আর মনে রাখতে পারে না যে, সে কি তিন রাক’আত পড়ল না চার রাক’আত পড়ল। এরকম যদি কারো হয়ে যায়, সে মনে রাখতে পারে না তিন রাকা’আত পড়েছে না কি চার রাকা’আত তখন সে যেন দু’টি সাহু সিজদা করে।
حدثنا محمد بن يوسف، حدثنا الأوزاعي، عن يحيى بن أبي كثير، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " إذا نودي بالصلاة أدبر الشيطان وله ضراط، فإذا قضي أقبل، فإذا ثوب بها أدبر، فإذا قضي أقبل، حتى يخطر بين الإنسان وقلبه، فيقول اذكر كذا وكذا. حتى لا يدري أثلاثا صلى أم أربعا فإذا لم يدر ثلاثا صلى أو أربعا سجد سجدتى السهو ".
সহিহ বুখারী ৩২৮১
حدثني محمود بن غيلان، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، عن علي بن حسين، عن صفية ابنة حيى، قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم معتكفا، فأتيته أزوره ليلا فحدثته ثم قمت، فانقلبت فقام معي ليقلبني. وكان مسكنها في دار أسامة بن زيد، فمر رجلان من الأنصار، فلما رأيا النبي صلى الله عليه وسلم أسرعا، فقال النبي صلى الله عليه وسلم " على رسلكما إنها صفية بنت حيى ". فقالا سبحان الله يا رسول الله. قال " إن الشيطان يجري من الإنسان مجرى الدم، وإني خشيت أن يقذف في قلوبكما سوءا ـ أو قال ـ شيئا
সাফিয়্যাহ বিন্তু হুয়াই (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ই’তিকাফ অবস্থায় ছিলেন। আমি রাতে তাঁর সঙ্গে দেখা করতে আসলাম। অতঃপর তার সঙ্গে কিছু কথা বললাম। অতঃপর আমি ফিরে আসার জন্য দাঁড়ালাম। তখন আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-ও আমাকে পৌঁছে দেয়ার জন্য আমার সঙ্গে উঠে দাঁড়ালেন। আর তার বাসস্থান ছিল উসামা ইব্নু যায়দের বাড়িতে। এ সময় দু’জন আনসারী সে স্থান দিয়ে অতিক্রম করল। তারা যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দেখল তখন তারা শীঘ্র চলে যেতে লাগল। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমরা একটু থাম। এ সাফিয়্যা বিন্তে হুয়াই। তারা বললেন, সুবহানাল্লাহ! হে আল্লাহ্র রসূল! তিনি বললেন, মানুষের রক্তধারায় শয়তান প্রবাহমান থাকে। আমি শঙ্কাবোধ করছিলাম, সে তোমাদের মনে কোন খারাপ ধারণা অথবা বললেন অন্য কিছু সৃষ্টি করে না কি।
সাফিয়্যাহ বিন্তু হুয়াই (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ই’তিকাফ অবস্থায় ছিলেন। আমি রাতে তাঁর সঙ্গে দেখা করতে আসলাম। অতঃপর তার সঙ্গে কিছু কথা বললাম। অতঃপর আমি ফিরে আসার জন্য দাঁড়ালাম। তখন আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-ও আমাকে পৌঁছে দেয়ার জন্য আমার সঙ্গে উঠে দাঁড়ালেন। আর তার বাসস্থান ছিল উসামা ইব্নু যায়দের বাড়িতে। এ সময় দু’জন আনসারী সে স্থান দিয়ে অতিক্রম করল। তারা যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দেখল তখন তারা শীঘ্র চলে যেতে লাগল। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমরা একটু থাম। এ সাফিয়্যা বিন্তে হুয়াই। তারা বললেন, সুবহানাল্লাহ! হে আল্লাহ্র রসূল! তিনি বললেন, মানুষের রক্তধারায় শয়তান প্রবাহমান থাকে। আমি শঙ্কাবোধ করছিলাম, সে তোমাদের মনে কোন খারাপ ধারণা অথবা বললেন অন্য কিছু সৃষ্টি করে না কি।
حدثني محمود بن غيلان، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، عن علي بن حسين، عن صفية ابنة حيى، قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم معتكفا، فأتيته أزوره ليلا فحدثته ثم قمت، فانقلبت فقام معي ليقلبني. وكان مسكنها في دار أسامة بن زيد، فمر رجلان من الأنصار، فلما رأيا النبي صلى الله عليه وسلم أسرعا، فقال النبي صلى الله عليه وسلم " على رسلكما إنها صفية بنت حيى ". فقالا سبحان الله يا رسول الله. قال " إن الشيطان يجري من الإنسان مجرى الدم، وإني خشيت أن يقذف في قلوبكما سوءا ـ أو قال ـ شيئا
সহিহ বুখারী ৩২৮৭
حدثنا مالك بن إسماعيل، حدثنا إسرائيل، عن المغيرة، عن إبراهيم، عن علقمة، قال قدمت الشأم {فقلت من ها هنا} قالوا أبو الدرداء قال أفيكم الذي أجاره الله من الشيطان على لسان نبيه صلى الله عليه وسلم حدثنا سليمان بن حرب حدثنا شعبة عن مغيرة وقال الذي أجاره الله على لسان نبيه صلى الله عليه وسلم يعني عمارا.
‘আলকামাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি সিরিয়ায় গেলাম, লোকেরা বলল, ইনি আবূ দারদা (রাঃ)। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, ‘তোমাদের মধ্যে কি সে ব্যক্তি আছে, যাকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মৌখিক দু’আয় আল্লাহ্ শয়তান হতে রক্ষা করেছেন? মুগীরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, সেই ব্যক্তি যাঁকে আল্লাহ্ তাঁর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মৌখিক দু’আয় শয়তান হতে রক্ষা করেছিলেন, তিনি হলেন, আম্মার (রাঃ)।
‘আলকামাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি সিরিয়ায় গেলাম, লোকেরা বলল, ইনি আবূ দারদা (রাঃ)। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, ‘তোমাদের মধ্যে কি সে ব্যক্তি আছে, যাকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মৌখিক দু’আয় আল্লাহ্ শয়তান হতে রক্ষা করেছেন? মুগীরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, সেই ব্যক্তি যাঁকে আল্লাহ্ তাঁর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মৌখিক দু’আয় শয়তান হতে রক্ষা করেছিলেন, তিনি হলেন, আম্মার (রাঃ)।
حدثنا مالك بن إسماعيل، حدثنا إسرائيل، عن المغيرة، عن إبراهيم، عن علقمة، قال قدمت الشأم {فقلت من ها هنا} قالوا أبو الدرداء قال أفيكم الذي أجاره الله من الشيطان على لسان نبيه صلى الله عليه وسلم حدثنا سليمان بن حرب حدثنا شعبة عن مغيرة وقال الذي أجاره الله على لسان نبيه صلى الله عليه وسلم يعني عمارا.
সহিহ বুখারী ৩২৮৮
قال وقال الليث حدثني خالد بن يزيد، عن سعيد بن أبي هلال، أن أبا الأسود، أخبره عروة، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " الملائكة تتحدث في العنان ـ والعنان الغمام ـ بالأمر يكون في الأرض، فتسمع الشياطين الكلمة، فتقرها في أذن الكاهن، كما تقر القارورة، فيزيدون معها مائة كذبة ".
‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ‘ফেরেশতামণ্ডলী মেঘের মাঝে এমন সব বিষয় আলোচনা করেন, যা পৃথিবীতে ঘটবে। তখন শয়তানেরা দু’ একটি কথা শুনে ফেলে এবং তা জ্যোতিষীদের কানে এমনভাবে ঢেলে দেয় যেমন বোতলে পানি ঢালা হয়। তখন তারা সত্য কথার সঙ্গে শত রকমের মিথ্যা বাড়িয়ে বলে’।
‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ‘ফেরেশতামণ্ডলী মেঘের মাঝে এমন সব বিষয় আলোচনা করেন, যা পৃথিবীতে ঘটবে। তখন শয়তানেরা দু’ একটি কথা শুনে ফেলে এবং তা জ্যোতিষীদের কানে এমনভাবে ঢেলে দেয় যেমন বোতলে পানি ঢালা হয়। তখন তারা সত্য কথার সঙ্গে শত রকমের মিথ্যা বাড়িয়ে বলে’।
قال وقال الليث حدثني خالد بن يزيد، عن سعيد بن أبي هلال، أن أبا الأسود، أخبره عروة، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " الملائكة تتحدث في العنان ـ والعنان الغمام ـ بالأمر يكون في الأرض، فتسمع الشياطين الكلمة، فتقرها في أذن الكاهن، كما تقر القارورة، فيزيدون معها مائة كذبة ".
সহিহ বুখারী ৩২৮৯
حدثنا عاصم بن علي، حدثنا ابن أبي ذئب، عن سعيد المقبري، عن أبيه، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " التثاؤب من الشيطان، فإذا تثاءب أحدكم فليرده ما استطاع، فإن أحدكم إذا قال ها. ضحك الشيطان ".
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, হাই তোলা শয়তানের পক্ষ হতে হয়ে থাকে। কাজেই তোমাদের কারো যখন হাই আসবে যথাসম্ভব তা রোধ করবে। কারণ তোমাদের কেউ হাই তোলার সময় যখন ‘হা’ বলে, তখন শয়তান হাসতে থাকে।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, হাই তোলা শয়তানের পক্ষ হতে হয়ে থাকে। কাজেই তোমাদের কারো যখন হাই আসবে যথাসম্ভব তা রোধ করবে। কারণ তোমাদের কেউ হাই তোলার সময় যখন ‘হা’ বলে, তখন শয়তান হাসতে থাকে।
حدثنا عاصم بن علي، حدثنا ابن أبي ذئب، عن سعيد المقبري، عن أبيه، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " التثاؤب من الشيطان، فإذا تثاءب أحدكم فليرده ما استطاع، فإن أحدكم إذا قال ها. ضحك الشيطان ".
সহিহ বুখারী ৩২৯০
حدثنا زكرياء بن يحيى، حدثنا أبو أسامة، قال هشام أخبرنا عن أبيه، عن عائشة، رضى الله عنها قالت لما كان يوم أحد هزم المشركون فصاح إبليس أى عباد الله أخراكم. فرجعت أولاهم فاجتلدت هي وأخراهم، فنظر حذيفة فإذا هو بأبيه اليمان فقال أى عباد الله أبي أبي. فوالله ما احتجزوا حتى قتلوه، فقال حذيفة غفر الله لكم. قال عروة فما زالت في حذيفة منه بقية خير حتى لحق بالله.
‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, উহুদের দিন যখন মুশরিকরা পরাজিত হলো, তখন ইব্লীস চিৎকার করে বলল, হে আল্লাহ্র বান্দারা! তোমাদের পিছনের লোকদের থেকে সতর্ক হও। কাজেই সামনের লোকেরা পিছনের লোকদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ল। ফলে উভয় দলের মধ্যে নতুনভাবে লড়াই শুরু হল। হুযাইফাহ (রাঃ) হঠাৎ তার পিতা ইয়ামানকে দেখতে পেলেন। তখন তিনি (হুযাইফাহ) বললেন, হে আল্লাহর বান্দারা! আমার পিতা! আমার পিতা! কিন্তু আল্লাহর কসম, তারা বিরত হয়নি। শেষ পর্যন্ত তারা তাঁকে হত্যা করে ফেলল। তখন হুযাইফাহ (রাঃ) বললেন, আল্লাহ তোমাদের ক্ষমা করুক। ‘উরওয়াহ (রাঃ) বলেন, আল্লাহর সঙ্গে মিলত হওয়া পর্যন্ত হুযাইফাহ (রাঃ) দু’আ ও ইস্তিগফার করতে থাকেন।
‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, উহুদের দিন যখন মুশরিকরা পরাজিত হলো, তখন ইব্লীস চিৎকার করে বলল, হে আল্লাহ্র বান্দারা! তোমাদের পিছনের লোকদের থেকে সতর্ক হও। কাজেই সামনের লোকেরা পিছনের লোকদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ল। ফলে উভয় দলের মধ্যে নতুনভাবে লড়াই শুরু হল। হুযাইফাহ (রাঃ) হঠাৎ তার পিতা ইয়ামানকে দেখতে পেলেন। তখন তিনি (হুযাইফাহ) বললেন, হে আল্লাহর বান্দারা! আমার পিতা! আমার পিতা! কিন্তু আল্লাহর কসম, তারা বিরত হয়নি। শেষ পর্যন্ত তারা তাঁকে হত্যা করে ফেলল। তখন হুযাইফাহ (রাঃ) বললেন, আল্লাহ তোমাদের ক্ষমা করুক। ‘উরওয়াহ (রাঃ) বলেন, আল্লাহর সঙ্গে মিলত হওয়া পর্যন্ত হুযাইফাহ (রাঃ) দু’আ ও ইস্তিগফার করতে থাকেন।
حدثنا زكرياء بن يحيى، حدثنا أبو أسامة، قال هشام أخبرنا عن أبيه، عن عائشة، رضى الله عنها قالت لما كان يوم أحد هزم المشركون فصاح إبليس أى عباد الله أخراكم. فرجعت أولاهم فاجتلدت هي وأخراهم، فنظر حذيفة فإذا هو بأبيه اليمان فقال أى عباد الله أبي أبي. فوالله ما احتجزوا حتى قتلوه، فقال حذيفة غفر الله لكم. قال عروة فما زالت في حذيفة منه بقية خير حتى لحق بالله.
সহিহ বুখারী ৩২৯১
حدثنا الحسن بن الربيع، حدثنا أبو الأحوص، عن أشعث، عن أبيه، عن مسروق، قال قالت عائشة ـ رضى الله عنها ـ سألت النبي صلى الله عليه وسلم عن التفات الرجل في الصلاة. فقال " هو اختلاس يختلس الشيطان من صلاة أحدكم ".
‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে সালাতের ভিতরে মানুষের এদিক-ওদিক তাকানোর বিষয়ে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, তা হল শয়তানের এক ধরনের ছিনতাই, যা সে তোমাদের এক জনের সালাত হতে ছিনিয়ে নেয়।
‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে সালাতের ভিতরে মানুষের এদিক-ওদিক তাকানোর বিষয়ে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, তা হল শয়তানের এক ধরনের ছিনতাই, যা সে তোমাদের এক জনের সালাত হতে ছিনিয়ে নেয়।
حدثنا الحسن بن الربيع، حدثنا أبو الأحوص، عن أشعث، عن أبيه، عن مسروق، قال قالت عائشة ـ رضى الله عنها ـ سألت النبي صلى الله عليه وسلم عن التفات الرجل في الصلاة. فقال " هو اختلاس يختلس الشيطان من صلاة أحدكم ".
সহিহ বুখারী ৩২৯৫
حدثني إبراهيم بن حمزة، قال حدثني ابن أبي حازم، عن يزيد، عن محمد بن إبراهيم، عن عيسى بن طلحة، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " إذا استيقظ ـ أراه ـ أحدكم من منامه فتوضأ فليستنثر ثلاثا، فإن الشيطان يبيت على خيشومه ".
আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘তোমাদের কেউ যখন ঘুম হতে উঠল এবং উযূ করল তখন তার উচিত নাক তিনবার ঝেড়ে ফেলা। কারণ, শয়তান তার নাকের ছিদ্রে রাত কাটিয়েছে।’
আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘তোমাদের কেউ যখন ঘুম হতে উঠল এবং উযূ করল তখন তার উচিত নাক তিনবার ঝেড়ে ফেলা। কারণ, শয়তান তার নাকের ছিদ্রে রাত কাটিয়েছে।’
حدثني إبراهيم بن حمزة، قال حدثني ابن أبي حازم، عن يزيد، عن محمد بن إبراهيم، عن عيسى بن طلحة، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " إذا استيقظ ـ أراه ـ أحدكم من منامه فتوضأ فليستنثر ثلاثا، فإن الشيطان يبيت على خيشومه ".
সহিহ বুখারী ৩২৯২
حدثنا أبو المغيرة، حدثنا الأوزاعي، قال حدثني يحيى، عن عبد الله بن أبي قتادة، عن أبيه، عن النبي صلى الله عليه وسلم. حدثني سليمان بن عبد الرحمن، حدثنا الوليد، حدثنا الأوزاعي، قال حدثني يحيى بن أبي كثير، قال حدثني عبد الله بن أبي قتادة، عن أبيه، قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " الرؤيا الصالحة من الله، والحلم من الشيطان فإذا حلم أحدكم حلما يخافه فليبصق عن يساره، وليتعوذ بالله من شرها، فإنها لا تضره ".
আবূ ক্বাতাদা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, সৎ ও ভাল স্বপ্ন আল্লাহর তরফ হতে হয়ে থাকে। আর মন্দ স্বপ্ন শয়তানের তরফ হতে হয়ে থাকে। কাজেই তোমাদের কেউ যখন ভয়ানক মন্দ স্বপ্ন দেখে তখন সে যেন তার বাম দিকে থুথু ফেলে আর শয়তানের ক্ষতি হতে আল্লাহর নিকট আশ্রয় চায়। তা হলে স্বপ্ন তার কোন ক্ষতি করতে পারবে না।
আবূ ক্বাতাদা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, সৎ ও ভাল স্বপ্ন আল্লাহর তরফ হতে হয়ে থাকে। আর মন্দ স্বপ্ন শয়তানের তরফ হতে হয়ে থাকে। কাজেই তোমাদের কেউ যখন ভয়ানক মন্দ স্বপ্ন দেখে তখন সে যেন তার বাম দিকে থুথু ফেলে আর শয়তানের ক্ষতি হতে আল্লাহর নিকট আশ্রয় চায়। তা হলে স্বপ্ন তার কোন ক্ষতি করতে পারবে না।
حدثنا أبو المغيرة، حدثنا الأوزاعي، قال حدثني يحيى، عن عبد الله بن أبي قتادة، عن أبيه، عن النبي صلى الله عليه وسلم. حدثني سليمان بن عبد الرحمن، حدثنا الوليد، حدثنا الأوزاعي، قال حدثني يحيى بن أبي كثير، قال حدثني عبد الله بن أبي قتادة، عن أبيه، قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " الرؤيا الصالحة من الله، والحلم من الشيطان فإذا حلم أحدكم حلما يخافه فليبصق عن يساره، وليتعوذ بالله من شرها، فإنها لا تضره ".
সহিহ বুখারী ৩২৯৩
حدثنا عبد الله بن يوسف، أخبرنا مالك، عن سمى، مولى أبي بكر عن أبي صالح، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " من قال لا إله إلا الله وحده لا شريك له، له الملك، وله الحمد، وهو على كل شىء قدير. في يوم مائة مرة، كانت له عدل عشر رقاب، وكتبت له مائة حسنة، ومحيت عنه مائة سيئة، وكانت له حرزا من الشيطان يومه ذلك حتى يمسي، ولم يأت أحد بأفضل مما جاء به، إلا أحد عمل أكثر من ذلك ".
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে লোক একশ’বার এ দু’আ’টি পড়বেঃ আল্লাহ ব্যতিত কোন ইলাহা নেই, তিনি একক, তাঁর কোন শরিক নেই, রাজত্ব একমাত্র তাঁরই, সমস্ত প্রশংসাও একমাত্র তাঁরই জন্য, আর তিনি সকল বিষয়ের উপর ক্ষমতাবান। তাহলে দশটি গোলাম আযাদ করার সমান সওয়াব তার হবে। তার জন্য একশটি সওয়াব লেখা হবে এবং আর একশটি গুনাহ মিটিয়ে ফেলা হবে। ঐদিন সন্ধ্যা পর্যন্ত সে শয়তান হতে মাহফুজ থাকবে। কোন লোক তার চেয়ে উত্তম সওয়াবের কাজ করতে পারবে না। তবে হ্যাঁ, ঐ ব্যক্তি সক্ষম হবে, যে এর চেয়ে ঐ দু’আটির ‘আমল বেশি পরিমাণ করবে।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে লোক একশ’বার এ দু’আ’টি পড়বেঃ আল্লাহ ব্যতিত কোন ইলাহা নেই, তিনি একক, তাঁর কোন শরিক নেই, রাজত্ব একমাত্র তাঁরই, সমস্ত প্রশংসাও একমাত্র তাঁরই জন্য, আর তিনি সকল বিষয়ের উপর ক্ষমতাবান। তাহলে দশটি গোলাম আযাদ করার সমান সওয়াব তার হবে। তার জন্য একশটি সওয়াব লেখা হবে এবং আর একশটি গুনাহ মিটিয়ে ফেলা হবে। ঐদিন সন্ধ্যা পর্যন্ত সে শয়তান হতে মাহফুজ থাকবে। কোন লোক তার চেয়ে উত্তম সওয়াবের কাজ করতে পারবে না। তবে হ্যাঁ, ঐ ব্যক্তি সক্ষম হবে, যে এর চেয়ে ঐ দু’আটির ‘আমল বেশি পরিমাণ করবে।
حدثنا عبد الله بن يوسف، أخبرنا مالك، عن سمى، مولى أبي بكر عن أبي صالح، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " من قال لا إله إلا الله وحده لا شريك له، له الملك، وله الحمد، وهو على كل شىء قدير. في يوم مائة مرة، كانت له عدل عشر رقاب، وكتبت له مائة حسنة، ومحيت عنه مائة سيئة، وكانت له حرزا من الشيطان يومه ذلك حتى يمسي، ولم يأت أحد بأفضل مما جاء به، إلا أحد عمل أكثر من ذلك ".
সহিহ বুখারী ৩২৯৪
حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا يعقوب بن إبراهيم، حدثنا أبي، عن صالح، عن ابن شهاب، قال أخبرني عبد الحميد بن عبد الرحمن بن زيد، أن محمد بن سعد بن أبي وقاص، أخبره أن أباه سعد بن أبي وقاص قال استأذن عمر على رسول الله صلى الله عليه وسلم، وعنده نساء من قريش يكلمنه ويستكثرنه، عالية أصواتهن، فلما استأذن عمر، قمن يبتدرن الحجاب، فأذن له رسول الله صلى الله عليه وسلم، ورسول الله صلى الله عليه وسلم يضحك، فقال عمر أضحك الله سنك يا رسول الله. قال " عجبت من هؤلاء اللاتي كن عندي، فلما سمعن صوتك ابتدرن الحجاب ". قال عمر فأنت يا رسول الله كنت أحق أن يهبن. ثم قال أى عدوات أنفسهن، أتهبنني ولا تهبن رسول الله صلى الله عليه وسلم قلن نعم، أنت أفظ وأغلظ من رسول الله صلى الله عليه وسلم. قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " والذي نفسي بيده ما لقيك الشيطان قط سالكا فجا إلا سلك فجا غير فجك
সা’দ ইব্নু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, একদা ‘উমর (রাঃ) আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আসার অনুমতি চাইলেন। তখন তাঁর সঙ্গে কয়েকজন কুরাইশ নারী কথাবার্তা বলছিল। তারা খুব উচ্চঃস্বরে কথা বলছিল। অতঃপর যখন ‘উমর (রাঃ) অনুমতি চাইলেন, তারা উঠে শীঘ্র পর্দার আড়ালে চলে গেলেন। অতঃপর আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে অনুমতি প্রদান করলেন। তখন তিনি মুচকি হাসছিলেন। তখন ‘উমর (রাঃ) বললেন, ‘হে আল্লাহর রসূল! আল্লাহ আপনাকে সর্বদা সহাস্য রাখুন।’ তিনি বললেন, আমার নিকট যে সব মহিলা ছিল তাদের ব্যাপারে আমি আশ্চর্যান্বিত হয়েছি। তারা যখনি তোমার আওয়াজ শুনল তখনই দ্রুত পর্দার আড়ালে চলে গেল। ‘উমর (রাঃ) বললেন, ‘হে আল্লাহ্র রসূল! আপনাকেই তাদের বেশি ভয় করা উচিত ছিল।’ অতঃপর তিনি মহিলাদের উদ্দেশ্য করে বললেন, হে আত্মশত্রু মহিলাগণ! তোমরা আমাকে ভয় করছ অথচ আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে ভয় করছ না? তারা জবাব দিল, হ্যাঁ, কারণ তুমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর চেয়ে অধিক কর্কশ ভাষী ও কঠোর হৃদয়ের লোক। আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ‘শপথ ঐ সত্তার যাঁর হাতে আমার প্রাণ, তুমি যে পথে চল শয়তান কখনও সে পথে চলে না বরং সে তোমার পথ ছেড়ে অন্য পথে চলে।’
সা’দ ইব্নু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, একদা ‘উমর (রাঃ) আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আসার অনুমতি চাইলেন। তখন তাঁর সঙ্গে কয়েকজন কুরাইশ নারী কথাবার্তা বলছিল। তারা খুব উচ্চঃস্বরে কথা বলছিল। অতঃপর যখন ‘উমর (রাঃ) অনুমতি চাইলেন, তারা উঠে শীঘ্র পর্দার আড়ালে চলে গেলেন। অতঃপর আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে অনুমতি প্রদান করলেন। তখন তিনি মুচকি হাসছিলেন। তখন ‘উমর (রাঃ) বললেন, ‘হে আল্লাহর রসূল! আল্লাহ আপনাকে সর্বদা সহাস্য রাখুন।’ তিনি বললেন, আমার নিকট যে সব মহিলা ছিল তাদের ব্যাপারে আমি আশ্চর্যান্বিত হয়েছি। তারা যখনি তোমার আওয়াজ শুনল তখনই দ্রুত পর্দার আড়ালে চলে গেল। ‘উমর (রাঃ) বললেন, ‘হে আল্লাহ্র রসূল! আপনাকেই তাদের বেশি ভয় করা উচিত ছিল।’ অতঃপর তিনি মহিলাদের উদ্দেশ্য করে বললেন, হে আত্মশত্রু মহিলাগণ! তোমরা আমাকে ভয় করছ অথচ আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে ভয় করছ না? তারা জবাব দিল, হ্যাঁ, কারণ তুমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর চেয়ে অধিক কর্কশ ভাষী ও কঠোর হৃদয়ের লোক। আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ‘শপথ ঐ সত্তার যাঁর হাতে আমার প্রাণ, তুমি যে পথে চল শয়তান কখনও সে পথে চলে না বরং সে তোমার পথ ছেড়ে অন্য পথে চলে।’
حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا يعقوب بن إبراهيم، حدثنا أبي، عن صالح، عن ابن شهاب، قال أخبرني عبد الحميد بن عبد الرحمن بن زيد، أن محمد بن سعد بن أبي وقاص، أخبره أن أباه سعد بن أبي وقاص قال استأذن عمر على رسول الله صلى الله عليه وسلم، وعنده نساء من قريش يكلمنه ويستكثرنه، عالية أصواتهن، فلما استأذن عمر، قمن يبتدرن الحجاب، فأذن له رسول الله صلى الله عليه وسلم، ورسول الله صلى الله عليه وسلم يضحك، فقال عمر أضحك الله سنك يا رسول الله. قال " عجبت من هؤلاء اللاتي كن عندي، فلما سمعن صوتك ابتدرن الحجاب ". قال عمر فأنت يا رسول الله كنت أحق أن يهبن. ثم قال أى عدوات أنفسهن، أتهبنني ولا تهبن رسول الله صلى الله عليه وسلم قلن نعم، أنت أفظ وأغلظ من رسول الله صلى الله عليه وسلم. قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " والذي نفسي بيده ما لقيك الشيطان قط سالكا فجا إلا سلك فجا غير فجك
সহিহ বুখারী > জ্বিন, তাদের পুরস্কার এবং শাস্তির বিবরণ।
সহিহ বুখারী ৩২৯৬
حدثنا قتيبة، عن مالك، عن عبد الرحمن بن عبد الله بن عبد الرحمن بن أبي صعصعة الأنصاري، عن أبيه، أنه أخبره أن أبا سعيد الخدري ـ رضى الله عنه ـ قال له " إني أراك تحب الغنم والبادية، فإذا كنت في غنمك وباديتك فأذنت بالصلاة، فارفع صوتك بالنداء، فإنه لا يسمع مدى صوت المؤذن جن ولا إنس ولا شىء إلا شهد له يوم القيامة ". قال أبو سعيد سمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم.
আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি ‘আবদুল্লাহ ইব্নু ‘আবদুর রহমান (রহঃ)- কে বলেছেন, ‘আমি তোমাকে দেখছি তুমি বকরির পাল ও মরুভূমি পছন্দ করছ। অতএব, তুমি যখন তোমার বকরির পাল নিয়ে মরুভূমিতে অবস্থান করবে, সালাতের সময় হলে আযান দিবে, আযানে তোমার স্বর উচ্চ করবে। কেননা মুআয্যিনের কণ্ঠস্বর জ্বিন, মানুষ ও যে কোন বস্তু শুনে, তারা ক্বিয়ামতের দিন তার পক্ষে সাক্ষ্য দিবে।’ আবূ সা’ঈদ (রাঃ) বলেন, আমি এ হাদীসটি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট হতে শুনেছি।
আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি ‘আবদুল্লাহ ইব্নু ‘আবদুর রহমান (রহঃ)- কে বলেছেন, ‘আমি তোমাকে দেখছি তুমি বকরির পাল ও মরুভূমি পছন্দ করছ। অতএব, তুমি যখন তোমার বকরির পাল নিয়ে মরুভূমিতে অবস্থান করবে, সালাতের সময় হলে আযান দিবে, আযানে তোমার স্বর উচ্চ করবে। কেননা মুআয্যিনের কণ্ঠস্বর জ্বিন, মানুষ ও যে কোন বস্তু শুনে, তারা ক্বিয়ামতের দিন তার পক্ষে সাক্ষ্য দিবে।’ আবূ সা’ঈদ (রাঃ) বলেন, আমি এ হাদীসটি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট হতে শুনেছি।
حدثنا قتيبة، عن مالك، عن عبد الرحمن بن عبد الله بن عبد الرحمن بن أبي صعصعة الأنصاري، عن أبيه، أنه أخبره أن أبا سعيد الخدري ـ رضى الله عنه ـ قال له " إني أراك تحب الغنم والبادية، فإذا كنت في غنمك وباديتك فأذنت بالصلاة، فارفع صوتك بالنداء، فإنه لا يسمع مدى صوت المؤذن جن ولا إنس ولا شىء إلا شهد له يوم القيامة ". قال أبو سعيد سمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم.
সহিহ বুখারী > মহান আল্লাহ্র বাণীঃ “স্মরণ করুন, আমি আপনার প্রতি একদল জ্বিনকে আকৃষ্ট করেছিলাম .... এরূপ লোকেরাই প্রকাশ্য পথভ্রষ্টতার মধ্যে পতিত রয়েছে। (সূরা আহ্কাফ ২৯-৩২)
এই অধ্যায়ে কোনো হাদিস পাওয়া যায়নি।
সহিহ বুখারী > মহান আল্লাহর বাণীঃ আর আল্লাহ যমীনে সকল প্রকার প্রাণী ছড়িয়ে দিয়েছেন।”
সহিহ বুখারী ৩২৯৮
See previous Hadith
‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বললেন, একদা আমি একটি সাপ মারার জন্য তার পিছু ধাওয়া করছিলাম। এমন সময় আবূ লুবাবা (রাঃ) আমাকে ডেকে বললেন, সাপটি মেরোনা। তখন আমি বললাম, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাপ মারার জন্য আদেশ দিয়েছেন। তিনি বললেন, এরপরে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যে সাপ ঘরে বাস করে যাকে ‘আওয়ামির’ বলা হয় এমন সাপ মারতে নিষেধ করেছেন।
‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বললেন, একদা আমি একটি সাপ মারার জন্য তার পিছু ধাওয়া করছিলাম। এমন সময় আবূ লুবাবা (রাঃ) আমাকে ডেকে বললেন, সাপটি মেরোনা। তখন আমি বললাম, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাপ মারার জন্য আদেশ দিয়েছেন। তিনি বললেন, এরপরে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যে সাপ ঘরে বাস করে যাকে ‘আওয়ামির’ বলা হয় এমন সাপ মারতে নিষেধ করেছেন।
See previous Hadith
সহিহ বুখারী ৩২৯৭
حدثنا عبد الله بن محمد، حدثنا هشام بن يوسف، حدثنا معمر، عن الزهري، عن سالم، عن ابن عمر ـ رضى الله عنهما ـ أنه سمع النبي صلى الله عليه وسلم يخطب على المنبر يقول " اقتلوا الحيات، واقتلوا ذا الطفيتين والأبتر، فإنهما يطمسان البصر، ويستسقطان الحبل ". قال عبد الله فبينا أنا أطارد، حية لأقتلها فناداني أبو لبابة لا تقتلها. فقلت إن رسول الله صلى الله عليه وسلم قد أمر بقتل الحيات. قال إنه نهى بعد ذلك عن ذوات البيوت، وهى العوامر.
ইব্নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- কে মিম্বারের উপর ভাষণ দানের সময় বলতে শুনেছেন, ‘সাপ মেরে ফেল। বিশেষ করে মেরে ফেল ঐ সাপ, যার মাথার উপর দু’টো সাদা রেখা আছে এবং লেজ কাটা সাপ। কারণ এ দু’প্রকারের সাপ চোখের জ্যোতি নষ্ট করে দেয় ও গর্ভপাত ঘটায়।’
ইব্নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- কে মিম্বারের উপর ভাষণ দানের সময় বলতে শুনেছেন, ‘সাপ মেরে ফেল। বিশেষ করে মেরে ফেল ঐ সাপ, যার মাথার উপর দু’টো সাদা রেখা আছে এবং লেজ কাটা সাপ। কারণ এ দু’প্রকারের সাপ চোখের জ্যোতি নষ্ট করে দেয় ও গর্ভপাত ঘটায়।’
حدثنا عبد الله بن محمد، حدثنا هشام بن يوسف، حدثنا معمر، عن الزهري، عن سالم، عن ابن عمر ـ رضى الله عنهما ـ أنه سمع النبي صلى الله عليه وسلم يخطب على المنبر يقول " اقتلوا الحيات، واقتلوا ذا الطفيتين والأبتر، فإنهما يطمسان البصر، ويستسقطان الحبل ". قال عبد الله فبينا أنا أطارد، حية لأقتلها فناداني أبو لبابة لا تقتلها. فقلت إن رسول الله صلى الله عليه وسلم قد أمر بقتل الحيات. قال إنه نهى بعد ذلك عن ذوات البيوت، وهى العوامر.
সহিহ বুখারী ৩২৯৯
وقال عبد الرزاق عن معمر، فرآني أبو لبابة أو زيد بن الخطاب. وتابعه يونس وابن عيينة وإسحاق الكلبي والزبيدي. وقال صالح وابن أبي حفصة وابن مجمع عن الزهري، عن سالم، عن ابن عمر، رآني أبو لبابة وزيد بن الخطاب.
‘আবদুর রায্যাক (রহঃ) মা’মার (রহঃ) সূত্রে থেকে বর্নিতঃ
আমাকে দেখেছেন আবূ লুবাবা অথবা যায়দ ইব্নু খাত্তাব (রাঃ) আর অনুসরণ করেছেন মা’মার (রহঃ)- কে ইউনুস ইব্নু ইয়াইনা, ইসহাক কলবী ও যুবাইদী (রহঃ) এবং সালিহ, ইব্নু আবূ হাফসাহ ও ইব্নু মুজাম্মি’ (রহঃ).... ইবনু ’উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসে রয়েছে, ‘আমাকে দেখেছেন আবু লুবাবা ও যায়দ ইব্নু খাত্তাব (রাঃ)।
‘আবদুর রায্যাক (রহঃ) মা’মার (রহঃ) সূত্রে থেকে বর্নিতঃ
আমাকে দেখেছেন আবূ লুবাবা অথবা যায়দ ইব্নু খাত্তাব (রাঃ) আর অনুসরণ করেছেন মা’মার (রহঃ)- কে ইউনুস ইব্নু ইয়াইনা, ইসহাক কলবী ও যুবাইদী (রহঃ) এবং সালিহ, ইব্নু আবূ হাফসাহ ও ইব্নু মুজাম্মি’ (রহঃ).... ইবনু ’উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসে রয়েছে, ‘আমাকে দেখেছেন আবু লুবাবা ও যায়দ ইব্নু খাত্তাব (রাঃ)।
وقال عبد الرزاق عن معمر، فرآني أبو لبابة أو زيد بن الخطاب. وتابعه يونس وابن عيينة وإسحاق الكلبي والزبيدي. وقال صالح وابن أبي حفصة وابن مجمع عن الزهري، عن سالم، عن ابن عمر، رآني أبو لبابة وزيد بن الخطاب.