সহিহ বুখারী > সাত যমীন সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে।
সহিহ বুখারী ৩১৯৬
حدثنا بشر بن محمد، أخبرنا عبد الله، عن موسى بن عقبة، عن سالم، عن أبيه، قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " من أخذ شيئا من الأرض بغير حقه خسف به يوم القيامة إلى سبع أرضين ".
সালিম (রাঃ)-এর পিতা থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে লোক অন্যায়ভাবে কারো ভূমির সামান্যতম অংশও আত্মসাৎ করবে, কিয়ামতের দিন সাত তবক যমীনের নীচে তাকে ধ্বসিয়ে দেয়া হবে।
সালিম (রাঃ)-এর পিতা থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে লোক অন্যায়ভাবে কারো ভূমির সামান্যতম অংশও আত্মসাৎ করবে, কিয়ামতের দিন সাত তবক যমীনের নীচে তাকে ধ্বসিয়ে দেয়া হবে।
حدثنا بشر بن محمد، أخبرنا عبد الله، عن موسى بن عقبة، عن سالم، عن أبيه، قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " من أخذ شيئا من الأرض بغير حقه خسف به يوم القيامة إلى سبع أرضين ".
সহিহ বুখারী ৩১৯৫
حدثنا علي بن عبد الله، أخبرنا ابن علية، عن علي بن المبارك، حدثنا يحيى بن أبي كثير، عن محمد بن إبراهيم بن الحارث، عن أبي سلمة بن عبد الرحمن، كانت بينه وبين أناس خصومة في أرض، فدخل على عائشة فذكر لها ذلك، فقالت يا أبا سلمة اجتنب الأرض، فإن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " من ظلم قيد شبر طوقه من سبع أرضين ".
আবূ সালামা ইব্নু ‘আবদির রাহমান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
(তিনি বলেন), কয়েকজন লোকের সঙ্গে একখণ্ড ভূমি নিয়ে তাঁর ঝগড়া ছিল। ‘আয়িশা (রাঃ)-এর নিকট এসে তা জানালেন। তিনি বললেন, হে আবূ সালামা! জমা-জমির গোলমাল হতে দূরে থাক। কেননা, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে লোক এক বিঘত পরিমাণ অন্যের জমি অন্যায়ভাবে আত্মসাৎ করেছে, কিয়ামতের দিন সাত তবক যমীনের হার তার গলায় পরিয়ে দেয়া হবে।
আবূ সালামা ইব্নু ‘আবদির রাহমান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
(তিনি বলেন), কয়েকজন লোকের সঙ্গে একখণ্ড ভূমি নিয়ে তাঁর ঝগড়া ছিল। ‘আয়িশা (রাঃ)-এর নিকট এসে তা জানালেন। তিনি বললেন, হে আবূ সালামা! জমা-জমির গোলমাল হতে দূরে থাক। কেননা, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে লোক এক বিঘত পরিমাণ অন্যের জমি অন্যায়ভাবে আত্মসাৎ করেছে, কিয়ামতের দিন সাত তবক যমীনের হার তার গলায় পরিয়ে দেয়া হবে।
حدثنا علي بن عبد الله، أخبرنا ابن علية، عن علي بن المبارك، حدثنا يحيى بن أبي كثير، عن محمد بن إبراهيم بن الحارث، عن أبي سلمة بن عبد الرحمن، كانت بينه وبين أناس خصومة في أرض، فدخل على عائشة فذكر لها ذلك، فقالت يا أبا سلمة اجتنب الأرض، فإن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " من ظلم قيد شبر طوقه من سبع أرضين ".
সহিহ বুখারী ৩১৯৭
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا عبد الوهاب، حدثنا أيوب، عن محمد بن سيرين، عن ابن أبي بكرة، عن أبي بكرة ـ رضى الله عنه ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " الزمان قد استدار كهيئته يوم خلق السموات والأرض، السنة اثنا عشر شهرا، منها أربعة حرم، ثلاثة متواليات ذو القعدة وذو الحجة والمحرم، ورجب مضر الذي بين جمادى وشعبان ".
আবূ বাকরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, আল্লাহ যে দিন আসমান ও যমীন সৃষ্টি করেছেন, সে দিন হতে সময় যেভাবে আবর্তিত হচ্ছিল আজও তা সেভাবে আবর্তিত হচ্ছে। বারো মাসে এক বছর। এর মধ্যে চারটি মাস সম্মানিত। যুল-কা’দাহ, যূল-হিজ্জাহ ও মুহাররাম। তিনটি মাস পরস্পর রয়েছে। আর একটি মাস হলো রজব-ই-মুযারা [১] যা জুমাদা ও শা’বান মাসের মাঝে অবস্থিত।
আবূ বাকরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, আল্লাহ যে দিন আসমান ও যমীন সৃষ্টি করেছেন, সে দিন হতে সময় যেভাবে আবর্তিত হচ্ছিল আজও তা সেভাবে আবর্তিত হচ্ছে। বারো মাসে এক বছর। এর মধ্যে চারটি মাস সম্মানিত। যুল-কা’দাহ, যূল-হিজ্জাহ ও মুহাররাম। তিনটি মাস পরস্পর রয়েছে। আর একটি মাস হলো রজব-ই-মুযারা [১] যা জুমাদা ও শা’বান মাসের মাঝে অবস্থিত।
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا عبد الوهاب، حدثنا أيوب، عن محمد بن سيرين، عن ابن أبي بكرة، عن أبي بكرة ـ رضى الله عنه ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " الزمان قد استدار كهيئته يوم خلق السموات والأرض، السنة اثنا عشر شهرا، منها أربعة حرم، ثلاثة متواليات ذو القعدة وذو الحجة والمحرم، ورجب مضر الذي بين جمادى وشعبان ".
সহিহ বুখারী ৩১৯৮
حدثني عبيد بن إسماعيل، حدثنا أبو أسامة، عن هشام، عن أبيه، عن سعيد بن زيد بن عمرو بن نفيل، أنه خاصمته أروى في حق زعمت أنه انتقصه لها إلى مروان، فقال سعيد أنا أنتقص من حقها شيئا، أشهد لسمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " من أخذ شبرا من الأرض ظلما، فإنه يطوقه يوم القيامة من سبع أرضين ". قال ابن أبي الزناد عن هشام عن أبيه قال قال لي سعيد بن زيد دخلت على النبي صلى الله عليه وسلم.
সা’ঈদ ইব্নু যায়িদ ইবনে ‘আম্র ইবনে নুফাইর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘আরওয়া’ নামক এক মহিলা এক সাহাবীর বিরুদ্ধে মারওয়ানের নিকট তার ঐ পাওনার ব্যাপারে মামলা দায়ের করল, যা তার ধারণায় তিনি নষ্ট করেছেন। ব্যাপার শুনে সা’ঈদ (রাঃ) বললেন, আমি কি তার সামান্য হকও নষ্ট করতে পারি? আমি তো সাক্ষ্য দিচ্ছি, আমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি যুল্ম করে অন্যের এক বিঘত যমীনও আত্মসাৎ করে, কেয়ামতের দিন সাত তবক যমীনের শিকল তার গলায় পরিয়ে দেয়া হবে। ইব্নু আবিয যিনাদ (রহঃ) হিশাম (রহঃ) থেকে, তিনি তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করতে গিয়ে বলেছেন, তিনি (হিশামের পিতা ‘উরওয়াহ) (রাঃ) বলেন, সা’ঈদ ইব্নু যায়দ (রাঃ) আমাকে বলেছেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হলাম (তখন তিনি এ হাদীস বর্ণনা করেন)।
সা’ঈদ ইব্নু যায়িদ ইবনে ‘আম্র ইবনে নুফাইর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘আরওয়া’ নামক এক মহিলা এক সাহাবীর বিরুদ্ধে মারওয়ানের নিকট তার ঐ পাওনার ব্যাপারে মামলা দায়ের করল, যা তার ধারণায় তিনি নষ্ট করেছেন। ব্যাপার শুনে সা’ঈদ (রাঃ) বললেন, আমি কি তার সামান্য হকও নষ্ট করতে পারি? আমি তো সাক্ষ্য দিচ্ছি, আমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি যুল্ম করে অন্যের এক বিঘত যমীনও আত্মসাৎ করে, কেয়ামতের দিন সাত তবক যমীনের শিকল তার গলায় পরিয়ে দেয়া হবে। ইব্নু আবিয যিনাদ (রহঃ) হিশাম (রহঃ) থেকে, তিনি তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করতে গিয়ে বলেছেন, তিনি (হিশামের পিতা ‘উরওয়াহ) (রাঃ) বলেন, সা’ঈদ ইব্নু যায়দ (রাঃ) আমাকে বলেছেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হলাম (তখন তিনি এ হাদীস বর্ণনা করেন)।
حدثني عبيد بن إسماعيل، حدثنا أبو أسامة، عن هشام، عن أبيه، عن سعيد بن زيد بن عمرو بن نفيل، أنه خاصمته أروى في حق زعمت أنه انتقصه لها إلى مروان، فقال سعيد أنا أنتقص من حقها شيئا، أشهد لسمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " من أخذ شبرا من الأرض ظلما، فإنه يطوقه يوم القيامة من سبع أرضين ". قال ابن أبي الزناد عن هشام عن أبيه قال قال لي سعيد بن زيد دخلت على النبي صلى الله عليه وسلم.
সহিহ বুখারী > নক্ষত্ররাজি সম্পর্কে
এই অধ্যায়ে কোনো হাদিস পাওয়া যায়নি।
সহিহ বুখারী > সূর্য ও চন্দ্রের অবস্থান
সহিহ বুখারী ৩২০২
حدثنا إسماعيل بن أبي أويس، قال حدثني مالك، عن زيد بن أسلم، عن عطاء بن يسار، عن عبد الله بن عباس ـ رضى الله عنهما ـ قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " إن الشمس والقمر آيتان من آيات الله، لا يخسفان لموت أحد ولا لحياته، فإذا رأيتم ذلك فاذكروا الله ".
‘আবদুল্লাহ ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, সূর্য এবং চন্দ্র আল্লাহর নিদর্শনসমূহের মধ্য হতে দু’টি নিদর্শন। কারো মৃত্যু কিংবা জন্মের কারণে সূর্যগ্রহণ ও চন্দ্রগ্রহণ হয় না। কাজেই তোমরা যখন তা ঘটতে দেখবে তখন আল্লাহ্র যিক্র করবে।
‘আবদুল্লাহ ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, সূর্য এবং চন্দ্র আল্লাহর নিদর্শনসমূহের মধ্য হতে দু’টি নিদর্শন। কারো মৃত্যু কিংবা জন্মের কারণে সূর্যগ্রহণ ও চন্দ্রগ্রহণ হয় না। কাজেই তোমরা যখন তা ঘটতে দেখবে তখন আল্লাহ্র যিক্র করবে।
حدثنا إسماعيل بن أبي أويس، قال حدثني مالك، عن زيد بن أسلم، عن عطاء بن يسار، عن عبد الله بن عباس ـ رضى الله عنهما ـ قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " إن الشمس والقمر آيتان من آيات الله، لا يخسفان لموت أحد ولا لحياته، فإذا رأيتم ذلك فاذكروا الله ".
সহিহ বুখারী ৩২০০
حدثنا مسدد، حدثنا عبد العزيز بن المختار، حدثنا عبد الله الداناج، قال حدثني أبو سلمة بن عبد الرحمن، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " الشمس والقمر مكوران يوم القيامة ".
আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, কিয়ামতের দিন সূর্য ও চন্দ্র দু’টিকেই গুটিয়ে নেয়া হবে।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, কিয়ামতের দিন সূর্য ও চন্দ্র দু’টিকেই গুটিয়ে নেয়া হবে।
حدثنا مسدد، حدثنا عبد العزيز بن المختار، حدثنا عبد الله الداناج، قال حدثني أبو سلمة بن عبد الرحمن، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " الشمس والقمر مكوران يوم القيامة ".
সহিহ বুখারী ৩২০৪
حدثني محمد بن المثنى، حدثنا يحيى، عن إسماعيل، قال حدثني قيس، عن أبي مسعود ـ رضى الله عنه ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " الشمس والقمر لا ينكسفان لموت أحد ولا لحياته، ولكنهما آيتان من آيات الله، فإذا رأيتموهما فصلوا ".
আবূ মাস’উদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, সূর্যগ্রহণ ও চন্দ্রগ্রহণ কারো মৃত্যু ও জন্মের কারণে হয় না। উভয়টি আল্লাহ্র নিদর্শনসমূহের মধ্যে হতে দু’টি নিদর্শন। অতএব যখন তোমরা তা ঘটতে দেখবে, তখন তোমরা সালাত আদায় করবে।
আবূ মাস’উদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, সূর্যগ্রহণ ও চন্দ্রগ্রহণ কারো মৃত্যু ও জন্মের কারণে হয় না। উভয়টি আল্লাহ্র নিদর্শনসমূহের মধ্যে হতে দু’টি নিদর্শন। অতএব যখন তোমরা তা ঘটতে দেখবে, তখন তোমরা সালাত আদায় করবে।
حدثني محمد بن المثنى، حدثنا يحيى، عن إسماعيل، قال حدثني قيس، عن أبي مسعود ـ رضى الله عنه ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " الشمس والقمر لا ينكسفان لموت أحد ولا لحياته، ولكنهما آيتان من آيات الله، فإذا رأيتموهما فصلوا ".
সহিহ বুখারী ৩২০১
حدثنا يحيى بن سليمان، قال حدثني ابن وهب، قال أخبرني عمرو، أن عبد الرحمن بن القاسم، حدثه عن أبيه، عن عبد الله بن عمر ـ رضى الله عنهما ـ أنه كان يخبر عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " إن الشمس والقمر لا يخسفان لموت أحد ولا لحياته، ولكنهما آيتان من آيات الله، فإذا رأيتموهما فصلوا ".
‘আবদুল্লাহ ইব্নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, কারো মৃত্যু কিংবা জন্মের কারণে সূর্য গ্রহণ ও চন্দ্রগ্রহণ হয় না, বরং এ দু’টো আল্লাহর নিদর্শনসমূহের মধ্যে দু’টি নিদর্শন মাত্র। কাজেই তোমরা যখন তা ঘটতে দেখবে তখন সালাত আদায় করবে।
‘আবদুল্লাহ ইব্নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, কারো মৃত্যু কিংবা জন্মের কারণে সূর্য গ্রহণ ও চন্দ্রগ্রহণ হয় না, বরং এ দু’টো আল্লাহর নিদর্শনসমূহের মধ্যে দু’টি নিদর্শন মাত্র। কাজেই তোমরা যখন তা ঘটতে দেখবে তখন সালাত আদায় করবে।
حدثنا يحيى بن سليمان، قال حدثني ابن وهب، قال أخبرني عمرو، أن عبد الرحمن بن القاسم، حدثه عن أبيه، عن عبد الله بن عمر ـ رضى الله عنهما ـ أنه كان يخبر عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " إن الشمس والقمر لا يخسفان لموت أحد ولا لحياته، ولكنهما آيتان من آيات الله، فإذا رأيتموهما فصلوا ".
সহিহ বুখারী ৩১৯৯
حدثنا محمد بن يوسف، حدثنا سفيان، عن الأعمش، عن إبراهيم التيمي، عن أبيه، عن أبي ذر ـ رضى الله عنه ـ قال قال النبي صلى الله عليه وسلم لأبي ذر حين غربت الشمس " تدري أين تذهب ". قلت الله ورسوله أعلم. قال " فإنها تذهب حتى تسجد تحت العرش، فتستأذن فيؤذن لها، ويوشك أن تسجد فلا يقبل منها، وتستأذن فلا يؤذن لها، يقال لها ارجعي من حيث جئت. فتطلع من مغربها، فذلك قوله تعالى {والشمس تجري لمستقر لها ذلك تقدير العزيز العليم }".
আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূর্য অস্ত যাবার সময় আবূ যার (রাঃ)-কে বললেন, তুমি কি জান, সূর্য কোথায় যায়? আমি বললাম, আল্লাহ এবং তাঁর রসূলই ভাল জানেন। তিনি বললেন, তা যেতে যেতে আরশের নীচে গিয়ে সিজদা পড়ে যায়। অতঃপর সে আবার উদিত হবার অনুমতি চায় এবং তাকে অনুমতি দেয়া হয়। আর শীঘ্রই এমন সময় আসবে যে, সিজ্দা করবে কিন্তু তা কবূল করা হবে না এবং সে অনুমতি চাইবে কিন্তু তাকে অনুমতি দেয়া হবে না। তাকে বলা হবে, যে পথ দিয়ে আসলে ঐ পথেই ফিরে যাও। তখন সে পশ্চিম দিক হতে উদিত হয়-- এটাই মর্ম হল মহান আল্লাহর বাণীরঃ “আর সূর্য নিজ গন্তব্যে (অথবা) কক্ষ পথে চলতে থাকে। এটা পরাক্রমশালী, সর্বজ্ঞের নিয়ন্ত্রণ।” (ইয়াসীন ৩৮)
আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূর্য অস্ত যাবার সময় আবূ যার (রাঃ)-কে বললেন, তুমি কি জান, সূর্য কোথায় যায়? আমি বললাম, আল্লাহ এবং তাঁর রসূলই ভাল জানেন। তিনি বললেন, তা যেতে যেতে আরশের নীচে গিয়ে সিজদা পড়ে যায়। অতঃপর সে আবার উদিত হবার অনুমতি চায় এবং তাকে অনুমতি দেয়া হয়। আর শীঘ্রই এমন সময় আসবে যে, সিজ্দা করবে কিন্তু তা কবূল করা হবে না এবং সে অনুমতি চাইবে কিন্তু তাকে অনুমতি দেয়া হবে না। তাকে বলা হবে, যে পথ দিয়ে আসলে ঐ পথেই ফিরে যাও। তখন সে পশ্চিম দিক হতে উদিত হয়-- এটাই মর্ম হল মহান আল্লাহর বাণীরঃ “আর সূর্য নিজ গন্তব্যে (অথবা) কক্ষ পথে চলতে থাকে। এটা পরাক্রমশালী, সর্বজ্ঞের নিয়ন্ত্রণ।” (ইয়াসীন ৩৮)
حدثنا محمد بن يوسف، حدثنا سفيان، عن الأعمش، عن إبراهيم التيمي، عن أبيه، عن أبي ذر ـ رضى الله عنه ـ قال قال النبي صلى الله عليه وسلم لأبي ذر حين غربت الشمس " تدري أين تذهب ". قلت الله ورسوله أعلم. قال " فإنها تذهب حتى تسجد تحت العرش، فتستأذن فيؤذن لها، ويوشك أن تسجد فلا يقبل منها، وتستأذن فلا يؤذن لها، يقال لها ارجعي من حيث جئت. فتطلع من مغربها، فذلك قوله تعالى {والشمس تجري لمستقر لها ذلك تقدير العزيز العليم }".
সহিহ বুখারী ৩২০৩
حدثنا يحيى بن بكير، حدثنا الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، قال أخبرني عروة، أن عائشة ـ رضى الله عنها ـ أخبرته أن رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم خسفت الشمس قام فكبر وقرأ قراءة طويلة، ثم ركع ركوعا طويلا ثم رفع رأسه فقال " سمع الله لمن حمده " وقام كما هو، فقرأ قراءة طويلة وهى أدنى من القراءة الأولى، ثم ركع ركوعا طويلا وهى أدنى من الركعة الأولى، ثم سجد سجودا طويلا، ثم فعل في الركعة الآخرة مثل ذلك، ثم سلم وقد تجلت الشمس، فخطب الناس، فقال في كسوف الشمس والقمر " إنهما آيتان من آيات الله، لا يخسفان لموت أحد، ولا لحياته، فإذا رأيتموهما فافزعوا إلى الصلاة ".
‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যেদিন সূর্যগ্রহণ হল, সে দিন আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাতে দাঁড়ালেন। অতঃপর তাকবীর বললেন এবং দীর্ঘ কিরাআত পাঠ করলেন। অতঃপর দীর্ঘ রুকু করলেন অতঃপর তিনি মাথা উঠালেন এবং বললেন, - এবং তিনি আগের মত দাঁড়ালেন। আর দীর্ঘ কিরাআত পাঠ করলেন কিন্তু তা প্রথম কিরাআত থেকে কম ছিল। অতঃপর তিনি দীর্ঘক্ষণ রুকু’ করলেন কিন্তু তা প্রথম রাক’আতের চেয়ে কম ছিল। অতঃপর তিনি দীর্ঘ সিজদা করলেন। তিনি শেষ রাক’আতেও ঐ রকমই করলেন, পরে সালাম ফিরালেন। এ সময় সূর্য উজ্জ্বল হয়ে গেছে। তখন তিনি মানুষদের উদ্দেশে খুত্বা দিলেন। তিনি সূর্য ও চন্দ্র গ্রহণ সম্পর্কে বললেন, অবশ্যই এ দু’টি আল্লাহর নিদর্শনাবলীর মধ্যে দু’টি নিদর্শন। কারো মৃত্যু ও জন্মের কারণে সূর্যগ্রহণ-চন্দ্রগ্রহণ হয় না। অতএব যখনই তোমরা তা ঘটতে দেখবে তখনই সালাতে ভয়-ভীতি নিয়ে লিপ্ত হবে।
‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যেদিন সূর্যগ্রহণ হল, সে দিন আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাতে দাঁড়ালেন। অতঃপর তাকবীর বললেন এবং দীর্ঘ কিরাআত পাঠ করলেন। অতঃপর দীর্ঘ রুকু করলেন অতঃপর তিনি মাথা উঠালেন এবং বললেন, - এবং তিনি আগের মত দাঁড়ালেন। আর দীর্ঘ কিরাআত পাঠ করলেন কিন্তু তা প্রথম কিরাআত থেকে কম ছিল। অতঃপর তিনি দীর্ঘক্ষণ রুকু’ করলেন কিন্তু তা প্রথম রাক’আতের চেয়ে কম ছিল। অতঃপর তিনি দীর্ঘ সিজদা করলেন। তিনি শেষ রাক’আতেও ঐ রকমই করলেন, পরে সালাম ফিরালেন। এ সময় সূর্য উজ্জ্বল হয়ে গেছে। তখন তিনি মানুষদের উদ্দেশে খুত্বা দিলেন। তিনি সূর্য ও চন্দ্র গ্রহণ সম্পর্কে বললেন, অবশ্যই এ দু’টি আল্লাহর নিদর্শনাবলীর মধ্যে দু’টি নিদর্শন। কারো মৃত্যু ও জন্মের কারণে সূর্যগ্রহণ-চন্দ্রগ্রহণ হয় না। অতএব যখনই তোমরা তা ঘটতে দেখবে তখনই সালাতে ভয়-ভীতি নিয়ে লিপ্ত হবে।
حدثنا يحيى بن بكير، حدثنا الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، قال أخبرني عروة، أن عائشة ـ رضى الله عنها ـ أخبرته أن رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم خسفت الشمس قام فكبر وقرأ قراءة طويلة، ثم ركع ركوعا طويلا ثم رفع رأسه فقال " سمع الله لمن حمده " وقام كما هو، فقرأ قراءة طويلة وهى أدنى من القراءة الأولى، ثم ركع ركوعا طويلا وهى أدنى من الركعة الأولى، ثم سجد سجودا طويلا، ثم فعل في الركعة الآخرة مثل ذلك، ثم سلم وقد تجلت الشمس، فخطب الناس، فقال في كسوف الشمس والقمر " إنهما آيتان من آيات الله، لا يخسفان لموت أحد، ولا لحياته، فإذا رأيتموهما فافزعوا إلى الصلاة ".
সহিহ বুখারী > আল্লাহ তা’আলার এ বাণী সম্বন্ধে যা বর্ণিত হয়েছেঃ তিনিই স্বীয় রাহমাতের বৃষ্টির পূর্বে বিস্তৃতরূপে বায়ুকে করেন। (আল-ফুরকান ৪৮)
সহিহ বুখারী ৩২০৫
حدثنا آدم، حدثنا شعبة، عن الحكم، عن مجاهد، عن ابن عباس ـ رضى الله عنهما ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " نصرت بالصبا، وأهلكت عاد بالدبور ".
ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, পূর্বের বাতাস দ্বারা আমাকে সাহায্য করা হয়েছে, আর পশ্চিমের বাতাস দ্বারা আদ জাতিকে হালাক করা হয়েছে।
ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, পূর্বের বাতাস দ্বারা আমাকে সাহায্য করা হয়েছে, আর পশ্চিমের বাতাস দ্বারা আদ জাতিকে হালাক করা হয়েছে।
حدثنا آدم، حدثنا شعبة، عن الحكم، عن مجاهد، عن ابن عباس ـ رضى الله عنهما ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " نصرت بالصبا، وأهلكت عاد بالدبور ".
সহিহ বুখারী ৩২০৬
حدثنا مكي بن إبراهيم، حدثنا ابن جريج، عن عطاء، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ قالت كان النبي صلى الله عليه وسلم إذا رأى مخيلة في السماء أقبل وأدبر ودخل وخرج وتغير وجهه، فإذا أمطرت السماء سري عنه، فعرفته عائشة ذلك، فقال النبي صلى الله عليه وسلم " ما أدري لعله كما قال قوم {فلما رأوه عارضا مستقبل أوديتهم} ". الآية.
‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন আকাশে মেঘ দেখতেন, তখন একবার সামনে আগাতেন, আবার পেছনে সরে যেতেন। আবার কখনও ঘরে প্রবেশ করতেন, আবার বেরিয়ে যেতেন আর তাঁর মুখমণ্ডল মলিন হয়ে যেত। পরে যখন আকাশ বৃষ্টি বর্ষণ করত তখন তাঁর এ অবস্থা দূর হত। ‘আয়িশা (রাঃ)-এর কারণ জানতে চাইলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, আমি জানি না, এ মেঘ এমন মেঘও হতে পারে যা দেখে আদ জাতি বলেছিলঃ অতঃপর যখন তারা তাদের উপত্যকার দিকে উক্ত মেঘমালাকে এগোতে দেখল। (৪৬ : ২৪)
‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন আকাশে মেঘ দেখতেন, তখন একবার সামনে আগাতেন, আবার পেছনে সরে যেতেন। আবার কখনও ঘরে প্রবেশ করতেন, আবার বেরিয়ে যেতেন আর তাঁর মুখমণ্ডল মলিন হয়ে যেত। পরে যখন আকাশ বৃষ্টি বর্ষণ করত তখন তাঁর এ অবস্থা দূর হত। ‘আয়িশা (রাঃ)-এর কারণ জানতে চাইলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, আমি জানি না, এ মেঘ এমন মেঘও হতে পারে যা দেখে আদ জাতি বলেছিলঃ অতঃপর যখন তারা তাদের উপত্যকার দিকে উক্ত মেঘমালাকে এগোতে দেখল। (৪৬ : ২৪)
حدثنا مكي بن إبراهيم، حدثنا ابن جريج، عن عطاء، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ قالت كان النبي صلى الله عليه وسلم إذا رأى مخيلة في السماء أقبل وأدبر ودخل وخرج وتغير وجهه، فإذا أمطرت السماء سري عنه، فعرفته عائشة ذلك، فقال النبي صلى الله عليه وسلم " ما أدري لعله كما قال قوم {فلما رأوه عارضا مستقبل أوديتهم} ". الآية.