সহিহ বুখারী > তিন দিনের জন্য বা সুনির্দিষ্ট সময়ের জন্য সমঝোতা করা।
সহিহ বুখারী ৩১৮৪
حدثنا أحمد بن عثمان بن حكيم، حدثنا شريح بن مسلمة، حدثنا إبراهيم بن يوسف بن أبي إسحاق، قال حدثني أبي، عن أبي إسحاق، قال حدثني البراء ـ رضى الله عنه أن النبي صلى الله عليه وسلم لما أراد أن يعتمر أرسل إلى أهل مكة يستأذنهم ليدخل مكة، فاشترطوا عليه أن لا يقيم بها إلا ثلاث ليال، ولا يدخلها إلا بجلبان السلاح، ولا يدعو منهم أحدا، قال فأخذ يكتب الشرط بينهم علي بن أبي طالب، فكتب هذا ما قاضى عليه محمد رسول الله. فقالوا لو علمنا أنك رسول الله لم نمنعك ولبايعناك، ولكن اكتب هذا ما قاضى عليه محمد بن عبد الله. فقال " أنا والله محمد بن عبد الله وأنا والله رسول الله ". قال وكان لا يكتب قال فقال لعلي " امح رسول الله ". فقال علي والله لا أمحاه أبدا. قال " فأرنيه ". قال فأراه إياه، فمحاه النبي صلى الله عليه وسلم بيده، فلما دخل ومضى الأيام أتوا عليا فقالوا مر صاحبك فليرتحل. فذكر ذلك لرسول الله صلى الله عليه وسلم فقال " نعم " ثم ارتحل.
বারাআ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন ‘উমরাহ করার ইচ্ছা করেন, তখন তিনি মক্কায় আগমনের অনুমতি চেয়ে মক্কায় কাফিরদের নিকট লোক পাঠান। তারা শর্ত দেয় যে, তিনি সেখানে তিন রাতের বেশি থাকবেন না এবং অস্ত্রকে কোষে আবদ্ধ না করে প্রবেশ করবেন না। আর মাক্কাহবাসীদের কাউকে ইসলামের দাওয়াত দিবে না। বারাআ (রাঃ) বলেন, এ সকল শর্ত ‘আলী ইব্নু আবূ তালিব (রাঃ) লেখা শুরু করলেন এবং সন্ধিপত্রে লিখলেন, “এটা সে সন্ধিপত্র যার উপর আল্লাহ্র রসূল মুহাম্মদ ফায়সালা করেছেন।” তখন কাফিররা বলল, ‘আমরা যদি এ কথা মেনে নিতাম যে, আপনি আল্লাহ্র রসূল, তবে তো আমরা আপনাকে বাধাই দিতাম না এবং আপনার হাতে বায়’আত করে নিতাম। কাজেই এভাবে লিখুন, এটি সেই সন্ধিপত্র যার উপর মুহাম্মদ ইব্নু ‘আবদুল্লাহ ফায়সালা করেছেন।’ তখন আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আল্লাহ্র কসম! আমি মুহাম্মদ ইব্নু ‘আবদুল্লাহ এবং আল্লাহ্র কসম! আমি আল্লাহ্র রসূল। বারাআ (রাঃ) বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) লিখতেন না। তাই তিনি ‘আলী (রাঃ)-কে বললেন, রসূলুল্লাহ মুছে ফেল। ‘আলী (রাঃ) বললেন, আল্লাহ্র কসম! আমি কখনো তা মুছব না। তখন আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তবে আমাকে দেখিয়ে দাও। তখন ‘আলী (রাঃ) তাঁকে তা দেখিয়ে দিলেন এবং আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তা স্বহস্তে মুছে ফেললেন। অতঃপর যখন তিনি মাক্কাহয় প্রবেশ করলেন এবং সে দিনগুলো অতীত হয়ে গেল, তখন তারা ‘আলী (রাঃ)-এর নিকট এসে বলল, তোমার সঙ্গীকে বল, যেন তিনি চলে যান। ‘আলী (রাঃ) আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে তা বললেন। তিনি বললেন, ঠিক আছে। অতঃপর তিনি যাত্রা করলেন।
বারাআ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন ‘উমরাহ করার ইচ্ছা করেন, তখন তিনি মক্কায় আগমনের অনুমতি চেয়ে মক্কায় কাফিরদের নিকট লোক পাঠান। তারা শর্ত দেয় যে, তিনি সেখানে তিন রাতের বেশি থাকবেন না এবং অস্ত্রকে কোষে আবদ্ধ না করে প্রবেশ করবেন না। আর মাক্কাহবাসীদের কাউকে ইসলামের দাওয়াত দিবে না। বারাআ (রাঃ) বলেন, এ সকল শর্ত ‘আলী ইব্নু আবূ তালিব (রাঃ) লেখা শুরু করলেন এবং সন্ধিপত্রে লিখলেন, “এটা সে সন্ধিপত্র যার উপর আল্লাহ্র রসূল মুহাম্মদ ফায়সালা করেছেন।” তখন কাফিররা বলল, ‘আমরা যদি এ কথা মেনে নিতাম যে, আপনি আল্লাহ্র রসূল, তবে তো আমরা আপনাকে বাধাই দিতাম না এবং আপনার হাতে বায়’আত করে নিতাম। কাজেই এভাবে লিখুন, এটি সেই সন্ধিপত্র যার উপর মুহাম্মদ ইব্নু ‘আবদুল্লাহ ফায়সালা করেছেন।’ তখন আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আল্লাহ্র কসম! আমি মুহাম্মদ ইব্নু ‘আবদুল্লাহ এবং আল্লাহ্র কসম! আমি আল্লাহ্র রসূল। বারাআ (রাঃ) বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) লিখতেন না। তাই তিনি ‘আলী (রাঃ)-কে বললেন, রসূলুল্লাহ মুছে ফেল। ‘আলী (রাঃ) বললেন, আল্লাহ্র কসম! আমি কখনো তা মুছব না। তখন আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তবে আমাকে দেখিয়ে দাও। তখন ‘আলী (রাঃ) তাঁকে তা দেখিয়ে দিলেন এবং আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তা স্বহস্তে মুছে ফেললেন। অতঃপর যখন তিনি মাক্কাহয় প্রবেশ করলেন এবং সে দিনগুলো অতীত হয়ে গেল, তখন তারা ‘আলী (রাঃ)-এর নিকট এসে বলল, তোমার সঙ্গীকে বল, যেন তিনি চলে যান। ‘আলী (রাঃ) আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে তা বললেন। তিনি বললেন, ঠিক আছে। অতঃপর তিনি যাত্রা করলেন।
حدثنا أحمد بن عثمان بن حكيم، حدثنا شريح بن مسلمة، حدثنا إبراهيم بن يوسف بن أبي إسحاق، قال حدثني أبي، عن أبي إسحاق، قال حدثني البراء ـ رضى الله عنه أن النبي صلى الله عليه وسلم لما أراد أن يعتمر أرسل إلى أهل مكة يستأذنهم ليدخل مكة، فاشترطوا عليه أن لا يقيم بها إلا ثلاث ليال، ولا يدخلها إلا بجلبان السلاح، ولا يدعو منهم أحدا، قال فأخذ يكتب الشرط بينهم علي بن أبي طالب، فكتب هذا ما قاضى عليه محمد رسول الله. فقالوا لو علمنا أنك رسول الله لم نمنعك ولبايعناك، ولكن اكتب هذا ما قاضى عليه محمد بن عبد الله. فقال " أنا والله محمد بن عبد الله وأنا والله رسول الله ". قال وكان لا يكتب قال فقال لعلي " امح رسول الله ". فقال علي والله لا أمحاه أبدا. قال " فأرنيه ". قال فأراه إياه، فمحاه النبي صلى الله عليه وسلم بيده، فلما دخل ومضى الأيام أتوا عليا فقالوا مر صاحبك فليرتحل. فذكر ذلك لرسول الله صلى الله عليه وسلم فقال " نعم " ثم ارتحل.
সহিহ বুখারী > সময় সুনির্দিষ্ট না করে সমঝোতা করা।
এই অধ্যায়ে কোনো হাদিস পাওয়া যায়নি।
সহিহ বুখারী > মুশরিকদের লাশ কূপে নিক্ষেপ করা এবং তাদের থেকে কোন মূল্য গ্রহণ না করা।
সহিহ বুখারী ৩১৮৫
حدثنا عبدان بن عثمان، قال أخبرني أبي، عن شعبة، عن أبي إسحاق، عن عمرو بن ميمون، عن عبد الله ـ رضى الله عنه ـ قال بينا رسول الله صلى الله عليه وسلم ساجد وحوله ناس من قريش من المشركين إذ جاء عقبة بن أبي معيط بسلى جزور، فقذفه على ظهر النبي صلى الله عليه وسلم فلم يرفع رأسه حتى جاءت فاطمة ـ عليها السلام ـ فأخذت من ظهره، ودعت على من صنع ذلك، فقال النبي صلى الله عليه وسلم " اللهم عليك الملأ من قريش، اللهم عليك أبا جهل بن هشام، وعتبة بن ربيعة، وشيبة بن ربيعة، وعقبة بن أبي معيط، وأمية بن خلف ـ أو أبى بن خلف ". فلقد رأيتهم قتلوا يوم بدر، فألقوا في بئر، غير أمية أو أبى، فإنه كان رجلا ضخما، فلما جروه تقطعت أوصاله قبل أن يلقى في البئر.
‘আবদুল্লাহ্ (ইব্নু মাস’ঊদ) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাজদাহরত ছিলেন, তাঁর আশে-পাশে কুরাইশ মুশরিকদের কিছু লোক ছিল। এ সময় ‘উকবাহ ইব্নু আবূ মুআইত উটনীর ভুঁড়ি এনে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পিঠে ফেলে দেয়। ফলে তিনি তাঁর মাথা উঠাতে পারলেন না। অবশেষে ফাতিমাহ (রাঃ) এসে তাঁর পিঠ হতে তা সরিয়ে দেন আর যে ব্যক্তি এ কাজ করেছে তার বিরুদ্ধে বদদু’আ করেন। অতঃপর আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হে আল্লাহ্! কুরাইশদের এ দলের বিচার আপনার উপর ন্যস্ত করলাম। হে আল্লাহ্! আপনি শাস্তি দিন আবূ জাহ্ল ইব্নু হিশাম, উত্বাহ ইব্নু রাবী’আহ, শায়বাহ ইব্নু রাবী’আহ, ‘উকবাহ ইব্নু আবূ মুআইত ও উমাইয়াহ ইব্নু খালফ (অথবা রাবী বলেছেন), উবাই ইব্নু খালফকে। (ইব্নু মাস’ঊদ (রাঃ) বলেন), আমি দেখেছি, তারা সবাই বদর যুদ্ধে নিহত হয়। তাদের সবাইকে কূপে নিক্ষেপ করা হয়, উমাইয়াহ অথবা উবাই ছাড়া। কেননা, সে ছিল মোটা দেহের। যখন তার লাশ টানা হচ্ছিল, তখন কূপে নিক্ষেপ করার পূর্বেই তার জোড়াগুলি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
‘আবদুল্লাহ্ (ইব্নু মাস’ঊদ) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাজদাহরত ছিলেন, তাঁর আশে-পাশে কুরাইশ মুশরিকদের কিছু লোক ছিল। এ সময় ‘উকবাহ ইব্নু আবূ মুআইত উটনীর ভুঁড়ি এনে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পিঠে ফেলে দেয়। ফলে তিনি তাঁর মাথা উঠাতে পারলেন না। অবশেষে ফাতিমাহ (রাঃ) এসে তাঁর পিঠ হতে তা সরিয়ে দেন আর যে ব্যক্তি এ কাজ করেছে তার বিরুদ্ধে বদদু’আ করেন। অতঃপর আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হে আল্লাহ্! কুরাইশদের এ দলের বিচার আপনার উপর ন্যস্ত করলাম। হে আল্লাহ্! আপনি শাস্তি দিন আবূ জাহ্ল ইব্নু হিশাম, উত্বাহ ইব্নু রাবী’আহ, শায়বাহ ইব্নু রাবী’আহ, ‘উকবাহ ইব্নু আবূ মুআইত ও উমাইয়াহ ইব্নু খালফ (অথবা রাবী বলেছেন), উবাই ইব্নু খালফকে। (ইব্নু মাস’ঊদ (রাঃ) বলেন), আমি দেখেছি, তারা সবাই বদর যুদ্ধে নিহত হয়। তাদের সবাইকে কূপে নিক্ষেপ করা হয়, উমাইয়াহ অথবা উবাই ছাড়া। কেননা, সে ছিল মোটা দেহের। যখন তার লাশ টানা হচ্ছিল, তখন কূপে নিক্ষেপ করার পূর্বেই তার জোড়াগুলি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
حدثنا عبدان بن عثمان، قال أخبرني أبي، عن شعبة، عن أبي إسحاق، عن عمرو بن ميمون، عن عبد الله ـ رضى الله عنه ـ قال بينا رسول الله صلى الله عليه وسلم ساجد وحوله ناس من قريش من المشركين إذ جاء عقبة بن أبي معيط بسلى جزور، فقذفه على ظهر النبي صلى الله عليه وسلم فلم يرفع رأسه حتى جاءت فاطمة ـ عليها السلام ـ فأخذت من ظهره، ودعت على من صنع ذلك، فقال النبي صلى الله عليه وسلم " اللهم عليك الملأ من قريش، اللهم عليك أبا جهل بن هشام، وعتبة بن ربيعة، وشيبة بن ربيعة، وعقبة بن أبي معيط، وأمية بن خلف ـ أو أبى بن خلف ". فلقد رأيتهم قتلوا يوم بدر، فألقوا في بئر، غير أمية أو أبى، فإنه كان رجلا ضخما، فلما جروه تقطعت أوصاله قبل أن يلقى في البئر.
সহিহ বুখারী > নেক বা পাপিষ্ঠ লোকের সঙ্গে কৃত ওয়াদা ভঙ্গে পাপ।
সহিহ বুখারী ৩১৮৬
حدثنا أبو الوليد، حدثنا شعبة، عن سليمان الأعمش، عن أبي وائل، عن عبد الله.وعن ثابت، عن أنس، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " لكل غادر لواء يوم القيامة ـ قال أحدهما ينصب وقال الآخر ـ يرى يوم القيامة يعرف به ".
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, প্রত্যেক ওয়াদা ভঙ্গকারীর জন্য কিয়ামতের দিন একটি পতাকা হবে। একজন রাবী বলেছেন, পতাকাটি স্থাপিত হবে অপরজন বলেছেন, কিয়ামতের দিন প্রদর্শন করা হবে এবং তা দিয়ে তার পরিচয় দেয়া হবে।
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, প্রত্যেক ওয়াদা ভঙ্গকারীর জন্য কিয়ামতের দিন একটি পতাকা হবে। একজন রাবী বলেছেন, পতাকাটি স্থাপিত হবে অপরজন বলেছেন, কিয়ামতের দিন প্রদর্শন করা হবে এবং তা দিয়ে তার পরিচয় দেয়া হবে।
حدثنا أبو الوليد، حدثنا شعبة، عن سليمان الأعمش، عن أبي وائل، عن عبد الله.وعن ثابت، عن أنس، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " لكل غادر لواء يوم القيامة ـ قال أحدهما ينصب وقال الآخر ـ يرى يوم القيامة يعرف به ".
সহিহ বুখারী ৩১৮৭
حدثنا أبو الوليد، حدثنا شعبة، عن سليمان الأعمش، عن أبي وائل، عن عبد الله.وعن ثابت، عن أنس، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " لكل غادر لواء يوم القيامة ـ قال أحدهما ينصب وقال الآخر ـ يرى يوم القيامة يعرف به ".
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, প্রত্যেক ওয়াদা ভঙ্গকারীর জন্য কিয়ামতের দিন একটি পতাকা হবে। একজন রাবী বলেছেন, পতাকাটি স্থাপিত হবে অপরজন বলেছেন, কিয়ামতের দিন প্রদর্শন করা হবে এবং তা দিয়ে তার পরিচয় দেয়া হবে।
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, প্রত্যেক ওয়াদা ভঙ্গকারীর জন্য কিয়ামতের দিন একটি পতাকা হবে। একজন রাবী বলেছেন, পতাকাটি স্থাপিত হবে অপরজন বলেছেন, কিয়ামতের দিন প্রদর্শন করা হবে এবং তা দিয়ে তার পরিচয় দেয়া হবে।
حدثنا أبو الوليد، حدثنا شعبة، عن سليمان الأعمش، عن أبي وائل، عن عبد الله.وعن ثابت، عن أنس، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " لكل غادر لواء يوم القيامة ـ قال أحدهما ينصب وقال الآخر ـ يرى يوم القيامة يعرف به ".
সহিহ বুখারী ৩১৮৮
حدثنا سليمان بن حرب، حدثنا حماد، عن أيوب، عن نافع، عن ابن عمر ـ رضى الله عنهما ـ قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول " لكل غادر لواء ينصب لغدرته ".
ইব্নে ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, (কিয়ামতের দিন) ওয়াদা ভঙ্গের নিদর্শন হিসেবে প্রত্যেক ওয়াদা ভঙ্গকারীর জন্য একটি পতাকা স্থাপন করা হবে।
ইব্নে ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, (কিয়ামতের দিন) ওয়াদা ভঙ্গের নিদর্শন হিসেবে প্রত্যেক ওয়াদা ভঙ্গকারীর জন্য একটি পতাকা স্থাপন করা হবে।
حدثنا سليمان بن حرب، حدثنا حماد، عن أيوب، عن نافع، عن ابن عمر ـ رضى الله عنهما ـ قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول " لكل غادر لواء ينصب لغدرته ".
সহিহ বুখারী ৩১৮৯
حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا جرير، عن منصور، عن مجاهد، عن طاوس، عن ابن عباس ـ رضى الله عنهما ـ قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم فتح مكة " لا هجرة ولكن جهاد ونية، وإذا استنفرتم فانفروا ". وقال يوم فتح مكة " إن هذا البلد حرمه الله يوم خلق السموات والأرض، فهو حرام بحرمة الله إلى يوم القيامة، وإنه لم يحل القتال فيه لأحد قبلي، ولم يحل لي إلا ساعة من نهار، فهو حرام بحرمة الله إلى يوم القيامة، لا يعضد شوكه، ولا ينفر صيده، ولا يلتقط لقطته إلا من عرفها، ولا يختلى خلاه ". فقال العباس يا رسول الله إلا الإذخر، فإنه لقينهم ولبيوتهم. قال " إلا الإذخر ".
ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাক্কাহ বিজয়ের দিন বললেন, হিজরাত নেই কিন্তু জিহাদ ও নিয়্যাত রয়েছে আর যখন তোমাদের জিহাদে যাবার জন্য আহ্বান করা হবে তখন তোমরা বেড়িয়ে পড়বে। আর তিনি মাক্কাহ বিজয়ের দিন আরো বলেন, এ নগরীকে আল্লাহ তা’আলা আকাশ ও পৃথিবীর সৃষ্টির দিন থেকে সম্মানিত করেছেন। কাজেই তা আল্লাহ্র দেয়া সম্মানের দ্বারা ক্বিয়ামাত অবধি সম্মানিত থাকবে। আমার আগে এখানে যুদ্ধ করা কারও জন্য হালাল ছিল না, আর আমার জন্যও তা দিনের কেবল কিছু সময়ের জন্য হালাল করা হয়েছিল। অতএব, আল্লাহ্র দেয়া সম্মানের দ্বারা ক্বিয়ামাত পর্যন্ত তা সম্মানিত থাকবে। এখানকার কাঁটা কর্তন করা যাবে না; শিকারকে তাড়ানো যাবে না আর পথে পড়ে থাকা জিনিস কেউ উঠাবে না। তবে সে ব্যক্তি উঠাতে পারবে, যে তা ঘোষণা করবে। এখানকার ঘাস কাটা যাবে না।’ তখন ‘আব্বাস (রাঃ) বললেন, ‘হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইযখির ছাড়া। কেননা, তা কর্মকারের ও ঘরের কাজে লাগে।’ তখন আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, ‘ইযখির ছাড়া।’
ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাক্কাহ বিজয়ের দিন বললেন, হিজরাত নেই কিন্তু জিহাদ ও নিয়্যাত রয়েছে আর যখন তোমাদের জিহাদে যাবার জন্য আহ্বান করা হবে তখন তোমরা বেড়িয়ে পড়বে। আর তিনি মাক্কাহ বিজয়ের দিন আরো বলেন, এ নগরীকে আল্লাহ তা’আলা আকাশ ও পৃথিবীর সৃষ্টির দিন থেকে সম্মানিত করেছেন। কাজেই তা আল্লাহ্র দেয়া সম্মানের দ্বারা ক্বিয়ামাত অবধি সম্মানিত থাকবে। আমার আগে এখানে যুদ্ধ করা কারও জন্য হালাল ছিল না, আর আমার জন্যও তা দিনের কেবল কিছু সময়ের জন্য হালাল করা হয়েছিল। অতএব, আল্লাহ্র দেয়া সম্মানের দ্বারা ক্বিয়ামাত পর্যন্ত তা সম্মানিত থাকবে। এখানকার কাঁটা কর্তন করা যাবে না; শিকারকে তাড়ানো যাবে না আর পথে পড়ে থাকা জিনিস কেউ উঠাবে না। তবে সে ব্যক্তি উঠাতে পারবে, যে তা ঘোষণা করবে। এখানকার ঘাস কাটা যাবে না।’ তখন ‘আব্বাস (রাঃ) বললেন, ‘হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইযখির ছাড়া। কেননা, তা কর্মকারের ও ঘরের কাজে লাগে।’ তখন আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, ‘ইযখির ছাড়া।’
حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا جرير، عن منصور، عن مجاهد، عن طاوس، عن ابن عباس ـ رضى الله عنهما ـ قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم فتح مكة " لا هجرة ولكن جهاد ونية، وإذا استنفرتم فانفروا ". وقال يوم فتح مكة " إن هذا البلد حرمه الله يوم خلق السموات والأرض، فهو حرام بحرمة الله إلى يوم القيامة، وإنه لم يحل القتال فيه لأحد قبلي، ولم يحل لي إلا ساعة من نهار، فهو حرام بحرمة الله إلى يوم القيامة، لا يعضد شوكه، ولا ينفر صيده، ولا يلتقط لقطته إلا من عرفها، ولا يختلى خلاه ". فقال العباس يا رسول الله إلا الإذخر، فإنه لقينهم ولبيوتهم. قال " إلا الإذخر ".