সহিহ বুখারী > আল্লাহর পথে থাকা অবস্থায় সিয়াম পালনের ফযীলত।
সহিহ বুখারী ২৮৪০
حدثنا إسحاق بن نصر، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا ابن جريج، قال أخبرني يحيى بن سعيد، وسهيل بن أبي صالح، أنهما سمعا النعمان بن أبي عياش، عن أبي سعيد ـ رضى الله عنه ـ قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول " من صام يوما في سبيل الله بعد الله وجهه عن النار سبعين خريفا ".
আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি আল্লাহ্র রাস্তায় এক দিনও সিয়াম পালন করে, আল্লাহ্ তার মুখমন্ডলকে দোযখের আগুন হতে সত্তর বছরের রাস্তা দূরে সরিয়ে নেন।
আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি আল্লাহ্র রাস্তায় এক দিনও সিয়াম পালন করে, আল্লাহ্ তার মুখমন্ডলকে দোযখের আগুন হতে সত্তর বছরের রাস্তা দূরে সরিয়ে নেন।
حدثنا إسحاق بن نصر، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا ابن جريج، قال أخبرني يحيى بن سعيد، وسهيل بن أبي صالح، أنهما سمعا النعمان بن أبي عياش، عن أبي سعيد ـ رضى الله عنه ـ قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول " من صام يوما في سبيل الله بعد الله وجهه عن النار سبعين خريفا ".
সহিহ বুখারী > আল্লাহ্র রাস্তায় ব্যয় করার ফযীলত।
সহিহ বুখারী ২৮৪১
حدثنا سعد بن حفص، حدثنا شيبان، عن يحيى، عن أبي سلمة، أنه سمع أبا هريرة ـ رضى الله عنه ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " من أنفق زوجين في سبيل الله دعاه خزنة الجنة، كل خزنة باب أى فل هلم ". قال أبو بكر يا رسول الله، ذاك الذي لا توى عليه. فقال النبي صلى الله عليه وسلم " إني لأرجو أن تكون منهم ".
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি আল্লাহ্র রাস্তায় দু’টি করে কোন জিনিস ব্যয় করবে, জান্নাতের প্রত্যেক দরজায় প্রহরী তাকে ডাক দিবে। (তারা বলবে), হে অমুক। এদিকে আস। আবূ বকর (রাঃ) বললেন, ‘হে আল্লাহর রসূল! তাহলে তো তার জন্য কোন ক্ষতি নেই। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, ‘আমি আশা করি যে, তুমি তাদের অন্তর্ভুক্ত হবে।’
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি আল্লাহ্র রাস্তায় দু’টি করে কোন জিনিস ব্যয় করবে, জান্নাতের প্রত্যেক দরজায় প্রহরী তাকে ডাক দিবে। (তারা বলবে), হে অমুক। এদিকে আস। আবূ বকর (রাঃ) বললেন, ‘হে আল্লাহর রসূল! তাহলে তো তার জন্য কোন ক্ষতি নেই। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, ‘আমি আশা করি যে, তুমি তাদের অন্তর্ভুক্ত হবে।’
حدثنا سعد بن حفص، حدثنا شيبان، عن يحيى، عن أبي سلمة، أنه سمع أبا هريرة ـ رضى الله عنه ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " من أنفق زوجين في سبيل الله دعاه خزنة الجنة، كل خزنة باب أى فل هلم ". قال أبو بكر يا رسول الله، ذاك الذي لا توى عليه. فقال النبي صلى الله عليه وسلم " إني لأرجو أن تكون منهم ".
সহিহ বুখারী ২৮৪২
حدثنا محمد بن سنان، حدثنا فليح، حدثنا هلال، عن عطاء بن يسار، عن أبي سعيد الخدري ـ رضى الله عنه ـ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قام على المنبر فقال " إنما أخشى عليكم من بعدي ما يفتح عليكم من بركات الأرض ". ثم ذكر زهرة الدنيا، فبدأ بإحداهما وثنى بالأخرى، فقام رجل فقال يا رسول الله أويأتي الخير بالشر فسكت عنه النبي صلى الله عليه وسلم قلنا يوحى إليه. وسكت الناس كأن على رءوسهم الطير، ثم إنه مسح عن وجهه الرحضاء، فقال " أين السائل آنفا أوخير هو ـ ثلاثا ـ إن الخير لا يأتي إلا بالخير، وإنه كل ما ينبت الربيع ما يقتل حبطا أو يلم كلما أكلت، حتى إذا امتلأت خاصرتاها استقبلت الشمس، فثلطت وبالت ثم رتعت، وإن هذا المال خضرة حلوة، ونعم صاحب المسلم لمن أخذه بحقه، فجعله في سبيل الله واليتامى والمساكين، ومن لم يأخذه بحقه فهو كالآكل الذي لا يشبع، ويكون عليه شهيدا يوم القيامة ".
আবূ সা’ঈদ খুদ্রী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মিম্বারে দাঁড়ালেন এবং বললেন, আমি আমার পর তোমাদের জন্য ভয় করি এ ব্যাপারে যে, তোমাদের জন্য দুনিয়ার কল্যাণের দরজা খুলে দেয়া হবে। অতঃপর তিনি দুনিয়ার নিয়ামতের উল্লেখ করেন। এতে তিনি প্রথমে একটির কথা বলেন, পরে দ্বিতীয়টির বর্ণনা করেন। এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে জিজ্ঞেস করল, ‘হে আল্লাহর রসূল! কল্যাণও কি অকল্যাণ বয়ে আনবে?’ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নীরব রইলেন, আমরা বললাম, তাঁর উপর ওয়াহী নাযিল হচ্ছে। সমস্ত লোকও এমনভাবে নীরবতা অবলম্বন করল, যেন তাদের মাথার উপর পাখী বসে আছে। অতঃপর আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুখের ঘাম মুছে বললেন, সেই প্রশ্নকারী কোথায়? তা কী কল্যাণকর? তিনি তিনবার এ কথাটি বললেন। কল্যাণ কল্যাণই বয়ে আনে। আর এতে কোন সন্দেহ নেই যে, বসন্তকালীন উদ্ভিদ পশুকে ধ্বংস অথবা ধ্বংসের মুখে নিয়ে আসে। কিন্তু যে পশু সেই ঘাস এ পরিমাণ খায় যাতে তার ক্ষুধা মিটে, অতঃপর রোদ পোহায় এবং মলমূত্র ত্যাগ করে, অতঃপর আবার ঘাস খায়। নিশ্চয় এ মাল সবুজ শ্যামল সুস্বাদু। সেই মুসলিমের সম্পদই উত্তম যে ন্যায়সঙ্গতভাবে তা উপার্জন করেছে এবং আল্লাহ্র পথে, ইয়াতীম ও মিসকীন ও মুসাফিরের জন্য খরচ করেছে। আর যে ব্যক্তি অন্যায়ভাবে অর্জন করে তার দৃষ্টান্ত এমন ভক্ষণকারীর মত যার ক্ষুধা মিটে না এবং তা কিয়ামতের দিন তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেবে।
আবূ সা’ঈদ খুদ্রী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মিম্বারে দাঁড়ালেন এবং বললেন, আমি আমার পর তোমাদের জন্য ভয় করি এ ব্যাপারে যে, তোমাদের জন্য দুনিয়ার কল্যাণের দরজা খুলে দেয়া হবে। অতঃপর তিনি দুনিয়ার নিয়ামতের উল্লেখ করেন। এতে তিনি প্রথমে একটির কথা বলেন, পরে দ্বিতীয়টির বর্ণনা করেন। এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে জিজ্ঞেস করল, ‘হে আল্লাহর রসূল! কল্যাণও কি অকল্যাণ বয়ে আনবে?’ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নীরব রইলেন, আমরা বললাম, তাঁর উপর ওয়াহী নাযিল হচ্ছে। সমস্ত লোকও এমনভাবে নীরবতা অবলম্বন করল, যেন তাদের মাথার উপর পাখী বসে আছে। অতঃপর আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুখের ঘাম মুছে বললেন, সেই প্রশ্নকারী কোথায়? তা কী কল্যাণকর? তিনি তিনবার এ কথাটি বললেন। কল্যাণ কল্যাণই বয়ে আনে। আর এতে কোন সন্দেহ নেই যে, বসন্তকালীন উদ্ভিদ পশুকে ধ্বংস অথবা ধ্বংসের মুখে নিয়ে আসে। কিন্তু যে পশু সেই ঘাস এ পরিমাণ খায় যাতে তার ক্ষুধা মিটে, অতঃপর রোদ পোহায় এবং মলমূত্র ত্যাগ করে, অতঃপর আবার ঘাস খায়। নিশ্চয় এ মাল সবুজ শ্যামল সুস্বাদু। সেই মুসলিমের সম্পদই উত্তম যে ন্যায়সঙ্গতভাবে তা উপার্জন করেছে এবং আল্লাহ্র পথে, ইয়াতীম ও মিসকীন ও মুসাফিরের জন্য খরচ করেছে। আর যে ব্যক্তি অন্যায়ভাবে অর্জন করে তার দৃষ্টান্ত এমন ভক্ষণকারীর মত যার ক্ষুধা মিটে না এবং তা কিয়ামতের দিন তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেবে।
حدثنا محمد بن سنان، حدثنا فليح، حدثنا هلال، عن عطاء بن يسار، عن أبي سعيد الخدري ـ رضى الله عنه ـ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قام على المنبر فقال " إنما أخشى عليكم من بعدي ما يفتح عليكم من بركات الأرض ". ثم ذكر زهرة الدنيا، فبدأ بإحداهما وثنى بالأخرى، فقام رجل فقال يا رسول الله أويأتي الخير بالشر فسكت عنه النبي صلى الله عليه وسلم قلنا يوحى إليه. وسكت الناس كأن على رءوسهم الطير، ثم إنه مسح عن وجهه الرحضاء، فقال " أين السائل آنفا أوخير هو ـ ثلاثا ـ إن الخير لا يأتي إلا بالخير، وإنه كل ما ينبت الربيع ما يقتل حبطا أو يلم كلما أكلت، حتى إذا امتلأت خاصرتاها استقبلت الشمس، فثلطت وبالت ثم رتعت، وإن هذا المال خضرة حلوة، ونعم صاحب المسلم لمن أخذه بحقه، فجعله في سبيل الله واليتامى والمساكين، ومن لم يأخذه بحقه فهو كالآكل الذي لا يشبع، ويكون عليه شهيدا يوم القيامة ".
সহিহ বুখারী > সৈনিককে আসবাব সজ্জিত করার কিংবা তার রেখে যাওয়া পরিবারের কল্যাণ করার ফযীলত।
সহিহ বুখারী ২৮৪৩
حدثنا أبو معمر، حدثنا عبد الوارث، حدثنا الحسين، قال حدثني يحيى، قال حدثني أبو سلمة، قال حدثني بسر بن سعيد، قال حدثني زيد بن خالد ـ رضى الله عنه ـ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " من جهز غازيا في سبيل الله فقد غزا، ومن خلف غازيا في سبيل الله بخير فقد غزا ".
যায়দ ইব্নু খালিদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহ্র পথে জিহাদকারীর আসবাবপত্র সরবরাহ করল সে যেন জিহাদ করল। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ্র পথে কোন জিহাদকারীর পরিবার-পরিজনকে উত্তমরূপে দেখাশোনা করল, সেও যেন জিহাদ করল।
যায়দ ইব্নু খালিদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহ্র পথে জিহাদকারীর আসবাবপত্র সরবরাহ করল সে যেন জিহাদ করল। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ্র পথে কোন জিহাদকারীর পরিবার-পরিজনকে উত্তমরূপে দেখাশোনা করল, সেও যেন জিহাদ করল।
حدثنا أبو معمر، حدثنا عبد الوارث، حدثنا الحسين، قال حدثني يحيى، قال حدثني أبو سلمة، قال حدثني بسر بن سعيد، قال حدثني زيد بن خالد ـ رضى الله عنه ـ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " من جهز غازيا في سبيل الله فقد غزا، ومن خلف غازيا في سبيل الله بخير فقد غزا ".
সহিহ বুখারী ২৮৪৪
حدثنا موسى، حدثنا همام، عن إسحاق بن عبد الله، عن أنس ـ رضى الله عنه ـ أن النبي صلى الله عليه وسلم لم يكن يدخل بيتا بالمدينة غير بيت أم سليم، إلا على أزواجه فقيل له، فقال " إني أرحمها، قتل أخوها معي ".
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মদীনায় উম্মু সুলাইম ছাড়া কারো ঘরে যাতায়াত করতেন না তাঁর স্ত্রীদের ব্যতীত। এ ব্যাপারে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, ‘উম্মু সুলাইমের ভাই আমার সঙ্গে জিহাদে শরীক হয়ে সে শহীদ হয়েছে, তাই আমি তার প্রতি সহানুভূতি জানাই।
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মদীনায় উম্মু সুলাইম ছাড়া কারো ঘরে যাতায়াত করতেন না তাঁর স্ত্রীদের ব্যতীত। এ ব্যাপারে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, ‘উম্মু সুলাইমের ভাই আমার সঙ্গে জিহাদে শরীক হয়ে সে শহীদ হয়েছে, তাই আমি তার প্রতি সহানুভূতি জানাই।
حدثنا موسى، حدثنا همام، عن إسحاق بن عبد الله، عن أنس ـ رضى الله عنه ـ أن النبي صلى الله عليه وسلم لم يكن يدخل بيتا بالمدينة غير بيت أم سليم، إلا على أزواجه فقيل له، فقال " إني أرحمها، قتل أخوها معي ".
সহিহ বুখারী > যুদ্ধের সময় সুগন্ধির ব্যবহার।
সহিহ বুখারী ২৮৪৫
حدثنا عبد الله بن عبد الوهاب، حدثنا خالد بن الحارث، حدثنا ابن عون، عن موسى بن أنس، قال وذكر يوم اليمامة قال أتى أنس ثابت بن قيس وقد حسر عن فخذيه وهو يتحنط فقال يا عم ما يحبسك أن لا تجيء قال الآن يا ابن أخي. وجعل يتحنط، يعني من الحنوط، ثم جاء فجلس، فذكر في الحديث انكشافا من الناس، فقال هكذا عن وجوهنا حتى نضارب القوم، ما هكذا كنا نفعل مع رسول الله صلى الله عليه وسلم، بئس ما عودتم أقرانكم. رواه حماد عن ثابت عن أنس.
মূসা ইব্নু আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি ইয়ামামার যুদ্ধ সম্পর্কে বলেন, তিনি সাবিত ইব্নু কায়সের নিকট গিয়ে দেখতে পেলেন যে, তিনি তার উভয় উরু থেকে কাপড় সরিয়ে সুগন্ধি ব্যবহার করছেন। আনাস (রাঃ) জিজ্ঞেস করলেন, ‘হে চাচা! যুদ্ধে যাওয়া থেকে আপনাকে কিসে বিরত রাখল?’ তিনি বললেন, ‘ভাতিজা, এখনই যাব।’ অতঃপর তিনি সুগন্ধি মালিশ করতে লাগলেন। অতঃপর তিনি বসলেন এবং যুদ্ধ ক্ষেত্র থেকে লোকদের পালিয়ে যাওয়া নিয়ে আলোচনা করলেন। তিনি বললেন, ‘তোমরা আমাদের সম্মুখ থেকে সরে যাও। যাতে আমরা শত্রুর মুখোমুখি লড়তে পারি। আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে আমরা কখনো এরূপ করিনি। কত নিকৃষ্ট তা যা তোমরা তোমাদের শত্রুদেরকে অভ্যস্ত করেছ।’ হাম্মাদ (রহঃ) সাবিত (রহঃ) সূত্রে আনাস (রাঃ) থেকে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।
মূসা ইব্নু আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি ইয়ামামার যুদ্ধ সম্পর্কে বলেন, তিনি সাবিত ইব্নু কায়সের নিকট গিয়ে দেখতে পেলেন যে, তিনি তার উভয় উরু থেকে কাপড় সরিয়ে সুগন্ধি ব্যবহার করছেন। আনাস (রাঃ) জিজ্ঞেস করলেন, ‘হে চাচা! যুদ্ধে যাওয়া থেকে আপনাকে কিসে বিরত রাখল?’ তিনি বললেন, ‘ভাতিজা, এখনই যাব।’ অতঃপর তিনি সুগন্ধি মালিশ করতে লাগলেন। অতঃপর তিনি বসলেন এবং যুদ্ধ ক্ষেত্র থেকে লোকদের পালিয়ে যাওয়া নিয়ে আলোচনা করলেন। তিনি বললেন, ‘তোমরা আমাদের সম্মুখ থেকে সরে যাও। যাতে আমরা শত্রুর মুখোমুখি লড়তে পারি। আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে আমরা কখনো এরূপ করিনি। কত নিকৃষ্ট তা যা তোমরা তোমাদের শত্রুদেরকে অভ্যস্ত করেছ।’ হাম্মাদ (রহঃ) সাবিত (রহঃ) সূত্রে আনাস (রাঃ) থেকে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।
حدثنا عبد الله بن عبد الوهاب، حدثنا خالد بن الحارث، حدثنا ابن عون، عن موسى بن أنس، قال وذكر يوم اليمامة قال أتى أنس ثابت بن قيس وقد حسر عن فخذيه وهو يتحنط فقال يا عم ما يحبسك أن لا تجيء قال الآن يا ابن أخي. وجعل يتحنط، يعني من الحنوط، ثم جاء فجلس، فذكر في الحديث انكشافا من الناس، فقال هكذا عن وجوهنا حتى نضارب القوم، ما هكذا كنا نفعل مع رسول الله صلى الله عليه وسلم، بئس ما عودتم أقرانكم. رواه حماد عن ثابت عن أنس.