সহিহ বুখারী > আল্লাহ্ তাআলার বাণীঃ “বলুন, তোমরা তো আমাদের জন্য প্রতীক্ষা করছ দু‘টি মঙ্গলের মধ্যে একটির।” (আত্-তওবা ৫২)
সহিহ বুখারী ২৮০৪
حدثنا يحيى بن بكير، حدثنا الليث، قال حدثني يونس، عن ابن شهاب، عن عبيد الله بن عبد الله، أن عبد الله بن عباس، أخبره أن أبا سفيان أخبره أن هرقل قال له سألتك كيف كان قتالكم إياه فزعمت أن الحرب سجال ودول، فكذلك الرسل تبتلى ثم تكون لهم العاقبة.
‘আবদুল্লাহ্ ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ সুফিয়ান ইব্নু হারব (রাঃ) তাঁকে জানিয়েছেন যে, হিরাকল তাঁকে বলেছিলেন, আমি তোমাকে জিজ্ঞেস করেছি, তাঁর সঙ্গে তোমাদের যুদ্ধের ফলাফল কিরূপ ছিল? তুমি বলেছ যে, যুদ্ধ বড় পানির পাত্র এবং ধন সম্পদের মত। রসূলগণ এভাবেই পরীক্ষিত হয়ে থাকেন। অতঃপর ভাল পরিণতি তাঁদেরই হয়।
‘আবদুল্লাহ্ ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ সুফিয়ান ইব্নু হারব (রাঃ) তাঁকে জানিয়েছেন যে, হিরাকল তাঁকে বলেছিলেন, আমি তোমাকে জিজ্ঞেস করেছি, তাঁর সঙ্গে তোমাদের যুদ্ধের ফলাফল কিরূপ ছিল? তুমি বলেছ যে, যুদ্ধ বড় পানির পাত্র এবং ধন সম্পদের মত। রসূলগণ এভাবেই পরীক্ষিত হয়ে থাকেন। অতঃপর ভাল পরিণতি তাঁদেরই হয়।
حدثنا يحيى بن بكير، حدثنا الليث، قال حدثني يونس، عن ابن شهاب، عن عبيد الله بن عبد الله، أن عبد الله بن عباس، أخبره أن أبا سفيان أخبره أن هرقل قال له سألتك كيف كان قتالكم إياه فزعمت أن الحرب سجال ودول، فكذلك الرسل تبتلى ثم تكون لهم العاقبة.
সহিহ বুখারী > আল্লাহ্ তাআলার বাণীঃ “মু‘মিনদের মধ্যে কতক আল্লাহর সাথে কৃত ওয়াদা পূর্ণ করেছে। তাদের কেউ কেউ মৃত্যুবরণ করেছে এবং কেউ কেউ প্রতীক্ষা করছে। তারা তাদের সংকল্প মোটেই পরিবর্তন করেনি।” (আল আহযাব ২৩)
সহিহ বুখারী ২৮০৬
See previous Hadith
আনাস ইব্নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আনাস (রাঃ) আরো বলেন, রুবায়্যি’ নামক তার এক বোন কোন এক মহিলার সামনের দাঁত ভেঙ্গে দিলে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার কিসাসের নির্দেশ দিলেন, আনাস (রাঃ) বললেন, ‘হে আল্লাহর রসূল! সেই সত্তার কসম, যিনি আপনাকে সত্যসহ পাঠিয়েছেন, তার দাঁত ভাঙ্গা হবেনা।’ পরবর্তীতে তার বাদীপক্ষ কিসাসের পরিবর্তে ক্ষতিপূরণ নিতে রাজী হলে আল্লাহর রসুল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, নিশ্চয় আল্লাহ্র বান্দাদের মধ্যে এমন ব্যক্তিও আছে যে আল্লাহ্র নামে শপথ করলে তিনি তার শপথ রক্ষা করেন [সে কারণে তাকে আর সে শপথ (কসম) ভঙ্গ করতে হয়না]
আনাস ইব্নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আনাস (রাঃ) আরো বলেন, রুবায়্যি’ নামক তার এক বোন কোন এক মহিলার সামনের দাঁত ভেঙ্গে দিলে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার কিসাসের নির্দেশ দিলেন, আনাস (রাঃ) বললেন, ‘হে আল্লাহর রসূল! সেই সত্তার কসম, যিনি আপনাকে সত্যসহ পাঠিয়েছেন, তার দাঁত ভাঙ্গা হবেনা।’ পরবর্তীতে তার বাদীপক্ষ কিসাসের পরিবর্তে ক্ষতিপূরণ নিতে রাজী হলে আল্লাহর রসুল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, নিশ্চয় আল্লাহ্র বান্দাদের মধ্যে এমন ব্যক্তিও আছে যে আল্লাহ্র নামে শপথ করলে তিনি তার শপথ রক্ষা করেন [সে কারণে তাকে আর সে শপথ (কসম) ভঙ্গ করতে হয়না]
See previous Hadith
সহিহ বুখারী ২৮০৭
حدثنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، عن الزهري، حدثني إسماعيل، قال حدثني أخي، عن سليمان، أراه عن محمد بن أبي عتيق، عن ابن شهاب، عن خارجة بن زيد، أن زيد بن ثابت ـ رضى الله عنه ـ قال نسخت الصحف في المصاحف، ففقدت آية من سورة الأحزاب، كنت أسمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقرأ بها، فلم أجدها إلا مع خزيمة بن ثابت الأنصاري الذي جعل رسول الله صلى الله عليه وسلم شهادته شهادة رجلين، وهو قوله {من المؤمنين رجال صدقوا ما عاهدوا الله عليه}
যায়দ ইব্নু সাবিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি কুরআনের আয়াতসমূহ একত্রিত করে একটি মুসহাফে লিপিবদ্ধ করলাম, তখন সূরা আহযাবের একটি আয়াত আমি পেলাম না যা আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে পড়তে শুনেছি। একমাত্র খুযাইমাহ বিন সাবিত আনসারী (রাঃ)-এর নিকট পেলাম। যার সাক্ষ্যকে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু‘ব্যক্তির সাক্ষের সমান গণ্য করেছিলেন। সে আয়াতটি হলোঃ “মু‘মিনদের মধ্য হতে কিছু সংখ্যক আল্লাহর সঙ্গে তাদের কৃত অঙ্গীকার পূর্ণ করেছে।” (আল-আহযাবঃ ২৩)।
যায়দ ইব্নু সাবিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি কুরআনের আয়াতসমূহ একত্রিত করে একটি মুসহাফে লিপিবদ্ধ করলাম, তখন সূরা আহযাবের একটি আয়াত আমি পেলাম না যা আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে পড়তে শুনেছি। একমাত্র খুযাইমাহ বিন সাবিত আনসারী (রাঃ)-এর নিকট পেলাম। যার সাক্ষ্যকে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু‘ব্যক্তির সাক্ষের সমান গণ্য করেছিলেন। সে আয়াতটি হলোঃ “মু‘মিনদের মধ্য হতে কিছু সংখ্যক আল্লাহর সঙ্গে তাদের কৃত অঙ্গীকার পূর্ণ করেছে।” (আল-আহযাবঃ ২৩)।
حدثنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، عن الزهري، حدثني إسماعيل، قال حدثني أخي، عن سليمان، أراه عن محمد بن أبي عتيق، عن ابن شهاب، عن خارجة بن زيد، أن زيد بن ثابت ـ رضى الله عنه ـ قال نسخت الصحف في المصاحف، ففقدت آية من سورة الأحزاب، كنت أسمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقرأ بها، فلم أجدها إلا مع خزيمة بن ثابت الأنصاري الذي جعل رسول الله صلى الله عليه وسلم شهادته شهادة رجلين، وهو قوله {من المؤمنين رجال صدقوا ما عاهدوا الله عليه}
সহিহ বুখারী ২৮০৫
حدثنا محمد بن سعيد الخزاعي، حدثنا عبد الأعلى، عن حميد، قال سألت أنسا. حدثنا عمرو بن زرارة، حدثنا زياد، قال حدثني حميد الطويل، عن أنس ـ رضى الله عنه ـ قال غاب عمي أنس بن النضر عن قتال بدر فقال يا رسول الله، غبت عن أول قتال قاتلت المشركين، لئن الله أشهدني قتال المشركين ليرين الله ما أصنع، فلما كان يوم أحد وانكشف المسلمون قال " اللهم إني أعتذر إليك مما صنع هؤلاء ـ يعني أصحابه ـ وأبرأ إليك مما صنع هؤلاء " ـ يعني المشركين ـ ثم تقدم، فاستقبله سعد بن معاذ، فقال يا سعد بن معاذ، الجنة، ورب النضر إني أجد ريحها من دون أحد. قال سعد فما استطعت يا رسول الله ما صنع. قال أنس فوجدنا به بضعا وثمانين ضربة بالسيف أو طعنة برمح أو رمية بسهم، ووجدناه قد قتل وقد مثل به المشركون، فما عرفه أحد إلا أخته ببنانه. قال أنس كنا نرى أو نظن أن هذه الآية نزلت فيه وفي أشباهه {من المؤمنين رجال صدقوا ما عاهدوا الله عليه} إلى آخر الآية. وقال إن أخته وهى تسمى الربيع كسرت ثنية امرأة فأمر رسول الله صلى الله عليه وسلم بالقصاص، فقال أنس يا رسول الله، والذي بعثك بالحق لا تكسر ثنيتها. فرضوا بالأرش وتركوا القصاص، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن من عباد الله من لو أقسم على الله لأبره ".
আনাস ইব্নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমার চাচা আনাস ইব্নু নাযার (রাঃ) বদরের যুদ্ধের সময় অনুপস্থিত ছিলেন। তিনি বললেন, ‘হে আল্লাহর রসূল! মুশরিকদের সঙ্গে আপনি প্রথম যে যুদ্ধ করেছেন, আমি সে সময় অনুপস্থিত ছিলাম। আল্লাহ্ যদি আমাকে মুশরিকদের বিরুদ্ধে কোন যুদ্ধে শরীক হবার সুযোগ দেন, তাহলে অবশ্যই আল্লাহ্ দেখতে পাবেন যে, আমি কী করি।’ অতঃপর উহুদের যুদ্ধে মুসলিমরা ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়লে আনাস ইব্নু নাযার (রাঃ) বলেছিলেন, আল্লাহ! এঁরা অর্থাৎ তাঁর সাহাবীরা যা করেছেন, তার সন্বন্ধে আপনার নিকট ওযর পেশ করছি এবং এরা অর্থাৎ মুশরিকরা যা করেছে তা থেকে আমি নিজেকে সম্পর্কহীন বলে ঘোষণা করছি। অতঃপর তিনি এগিয়ে গেলেন, এবং সা‘দ ইব্নু মু‘আযের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ হলো। তিনি বললেন, হে সা‘দ ইব্নু মু‘আয, (আমার কাম্য)। নাযারের রবের কসম, উহুদের দিক থেকে আমি জান্নাতের সুগন্ধ পাচ্ছি। সা‘দ (রাঃ) বলেন, হে আল্লাহর রসূল! তিনি যা করেছেন, আমি তা করতে পারিনি। আনাস (রাঃ) বলেন, আমরা তাকে এমতাবস্থায় পেয়েছি যে, তার দেহে আশিটিরও অধিক তলোয়ার, বর্শা ও তীরের যখম রয়েছে। আমরা তাকে নিহত অবস্থায় পেলাম। মুশরিকরা তার দেহ বিকৃত করে দিয়েছিল। তার বোন ব্যতীত কেউ তাকে চিনতে পারেনি এবং বোন তার আঙ্গুলের ডগা দেখে চিনতে পেরেছিল। আনাস (রাঃ) বলেন, আমাদের ধারণা, কুরআনের এই আয়াতটি তাঁর এবং তাঁর মত মুনিনদের সম্মর্কে নাযিল হয়েছে। “মু’মিনদের মধ্যে হতে কিছু সংখ্যাক আল্লাহর সঙ্গে তাদের কৃত অঙ্গীকার পূর্ণ করেছে।” (আল-আহযাবঃ ২৩)
আনাস ইব্নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমার চাচা আনাস ইব্নু নাযার (রাঃ) বদরের যুদ্ধের সময় অনুপস্থিত ছিলেন। তিনি বললেন, ‘হে আল্লাহর রসূল! মুশরিকদের সঙ্গে আপনি প্রথম যে যুদ্ধ করেছেন, আমি সে সময় অনুপস্থিত ছিলাম। আল্লাহ্ যদি আমাকে মুশরিকদের বিরুদ্ধে কোন যুদ্ধে শরীক হবার সুযোগ দেন, তাহলে অবশ্যই আল্লাহ্ দেখতে পাবেন যে, আমি কী করি।’ অতঃপর উহুদের যুদ্ধে মুসলিমরা ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়লে আনাস ইব্নু নাযার (রাঃ) বলেছিলেন, আল্লাহ! এঁরা অর্থাৎ তাঁর সাহাবীরা যা করেছেন, তার সন্বন্ধে আপনার নিকট ওযর পেশ করছি এবং এরা অর্থাৎ মুশরিকরা যা করেছে তা থেকে আমি নিজেকে সম্পর্কহীন বলে ঘোষণা করছি। অতঃপর তিনি এগিয়ে গেলেন, এবং সা‘দ ইব্নু মু‘আযের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ হলো। তিনি বললেন, হে সা‘দ ইব্নু মু‘আয, (আমার কাম্য)। নাযারের রবের কসম, উহুদের দিক থেকে আমি জান্নাতের সুগন্ধ পাচ্ছি। সা‘দ (রাঃ) বলেন, হে আল্লাহর রসূল! তিনি যা করেছেন, আমি তা করতে পারিনি। আনাস (রাঃ) বলেন, আমরা তাকে এমতাবস্থায় পেয়েছি যে, তার দেহে আশিটিরও অধিক তলোয়ার, বর্শা ও তীরের যখম রয়েছে। আমরা তাকে নিহত অবস্থায় পেলাম। মুশরিকরা তার দেহ বিকৃত করে দিয়েছিল। তার বোন ব্যতীত কেউ তাকে চিনতে পারেনি এবং বোন তার আঙ্গুলের ডগা দেখে চিনতে পেরেছিল। আনাস (রাঃ) বলেন, আমাদের ধারণা, কুরআনের এই আয়াতটি তাঁর এবং তাঁর মত মুনিনদের সম্মর্কে নাযিল হয়েছে। “মু’মিনদের মধ্যে হতে কিছু সংখ্যাক আল্লাহর সঙ্গে তাদের কৃত অঙ্গীকার পূর্ণ করেছে।” (আল-আহযাবঃ ২৩)
حدثنا محمد بن سعيد الخزاعي، حدثنا عبد الأعلى، عن حميد، قال سألت أنسا. حدثنا عمرو بن زرارة، حدثنا زياد، قال حدثني حميد الطويل، عن أنس ـ رضى الله عنه ـ قال غاب عمي أنس بن النضر عن قتال بدر فقال يا رسول الله، غبت عن أول قتال قاتلت المشركين، لئن الله أشهدني قتال المشركين ليرين الله ما أصنع، فلما كان يوم أحد وانكشف المسلمون قال " اللهم إني أعتذر إليك مما صنع هؤلاء ـ يعني أصحابه ـ وأبرأ إليك مما صنع هؤلاء " ـ يعني المشركين ـ ثم تقدم، فاستقبله سعد بن معاذ، فقال يا سعد بن معاذ، الجنة، ورب النضر إني أجد ريحها من دون أحد. قال سعد فما استطعت يا رسول الله ما صنع. قال أنس فوجدنا به بضعا وثمانين ضربة بالسيف أو طعنة برمح أو رمية بسهم، ووجدناه قد قتل وقد مثل به المشركون، فما عرفه أحد إلا أخته ببنانه. قال أنس كنا نرى أو نظن أن هذه الآية نزلت فيه وفي أشباهه {من المؤمنين رجال صدقوا ما عاهدوا الله عليه} إلى آخر الآية. وقال إن أخته وهى تسمى الربيع كسرت ثنية امرأة فأمر رسول الله صلى الله عليه وسلم بالقصاص، فقال أنس يا رسول الله، والذي بعثك بالحق لا تكسر ثنيتها. فرضوا بالأرش وتركوا القصاص، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن من عباد الله من لو أقسم على الله لأبره ".
সহিহ বুখারী > যুদ্ধের আগে নেক আমল।
সহিহ বুখারী ২৮০৮
حدثنا محمد بن عبد الرحيم، حدثنا شبابة بن سوار الفزاري، حدثنا إسرائيل، عن أبي إسحاق، قال سمعت البراء ـ رضى الله عنه ـ يقول أتى النبي صلى الله عليه وسلم رجل مقنع بالحديد فقال يا رسول الله أقاتل وأسلم. قال " أسلم ثم قاتل ". فأسلم ثم قاتل، فقتل، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " عمل قليلا وأجر كثيرا ".
বারা’ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, লৌহ বর্মে আবৃত এক ব্যক্তি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বলল, ‘হে আল্লাহর রসূল! আমি যুদ্ধে শরীক হবো, না ইসলাম গ্রহণ করব?’ তিনি বললেন, ‘ইসলাম গ্রহন কর, অতঃপর যুদ্ধে যাও।’ অতঃপর সে ব্যক্তি ইসলাম গ্রহন করে যুদ্ধে গেল এবং শাহাদাত লাভ করল। আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, ‘সে কম আমল করে অধিক পুরস্কার পেল।’
বারা’ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, লৌহ বর্মে আবৃত এক ব্যক্তি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বলল, ‘হে আল্লাহর রসূল! আমি যুদ্ধে শরীক হবো, না ইসলাম গ্রহণ করব?’ তিনি বললেন, ‘ইসলাম গ্রহন কর, অতঃপর যুদ্ধে যাও।’ অতঃপর সে ব্যক্তি ইসলাম গ্রহন করে যুদ্ধে গেল এবং শাহাদাত লাভ করল। আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, ‘সে কম আমল করে অধিক পুরস্কার পেল।’
حدثنا محمد بن عبد الرحيم، حدثنا شبابة بن سوار الفزاري، حدثنا إسرائيل، عن أبي إسحاق، قال سمعت البراء ـ رضى الله عنه ـ يقول أتى النبي صلى الله عليه وسلم رجل مقنع بالحديد فقال يا رسول الله أقاتل وأسلم. قال " أسلم ثم قاتل ". فأسلم ثم قاتل، فقتل، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " عمل قليلا وأجر كثيرا ".
সহিহ বুখারী > অজ্ঞাত তীর এসে যাকে হত্যা করে
সহিহ বুখারী ২৮০৯
حدثنا محمد بن عبد الله، حدثنا حسين بن محمد أبو أحمد، حدثنا شيبان، عن قتادة، حدثنا أنس بن مالك، أن أم الربيع بنت البراء، وهى أم حارثة بن سراقة أتت النبي صلى الله عليه وسلم فقالت يا نبي الله، ألا تحدثني عن حارثة وكان قتل يوم بدر أصابه سهم غرب، فإن كان في الجنة، صبرت، وإن كان غير ذلك اجتهدت عليه في البكاء. قال " يا أم حارثة، إنها جنان في الجنة، وإن ابنك أصاب الفردوس الأعلى ".
আনাস ইব্নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
উম্মু রুবায়্যি বিনতে বারা, যিনি হারিস ইব্নু সুরাকার মা আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বলেন, ‘হে আল্লাহর নবী! আপনি হারিসাহ (রাঃ) সম্পর্কে আমাকে কিছু বলবেন কি? হারিসা (রাঃ) বদরের যুদ্ধে অজ্ঞাত তীরের আঘাতে শাহাদাত লাভ করেন। সে যদি জান্নাতবাসী হয়ে থাকে তবে আমি সবর করব, তা না হলে আমি তার জন্য অবিরাম কাঁদতে থাকবো।’ আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, ‘হে হারিসার মা! জান্নাতে অসংখ্য বাগান আছে, আর তোমার ছেলে সর্বোচ্চ জান্নাতুল ফেরদাউস পেয়ে গেছে।’
আনাস ইব্নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
উম্মু রুবায়্যি বিনতে বারা, যিনি হারিস ইব্নু সুরাকার মা আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বলেন, ‘হে আল্লাহর নবী! আপনি হারিসাহ (রাঃ) সম্পর্কে আমাকে কিছু বলবেন কি? হারিসা (রাঃ) বদরের যুদ্ধে অজ্ঞাত তীরের আঘাতে শাহাদাত লাভ করেন। সে যদি জান্নাতবাসী হয়ে থাকে তবে আমি সবর করব, তা না হলে আমি তার জন্য অবিরাম কাঁদতে থাকবো।’ আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, ‘হে হারিসার মা! জান্নাতে অসংখ্য বাগান আছে, আর তোমার ছেলে সর্বোচ্চ জান্নাতুল ফেরদাউস পেয়ে গেছে।’
حدثنا محمد بن عبد الله، حدثنا حسين بن محمد أبو أحمد، حدثنا شيبان، عن قتادة، حدثنا أنس بن مالك، أن أم الربيع بنت البراء، وهى أم حارثة بن سراقة أتت النبي صلى الله عليه وسلم فقالت يا نبي الله، ألا تحدثني عن حارثة وكان قتل يوم بدر أصابه سهم غرب، فإن كان في الجنة، صبرت، وإن كان غير ذلك اجتهدت عليه في البكاء. قال " يا أم حارثة، إنها جنان في الجنة، وإن ابنك أصاب الفردوس الأعلى ".