সহিহ বুখারী > তালাকের শর্তাবলী।
সহিহ বুখারী ২৭২৭
حدثنا محمد بن عرعرة، حدثنا شعبة، عن عدي بن ثابت، عن أبي حازم، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ قال نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن التلقي، وأن يبتاع المهاجر للأعرابي، وأن تشترط المرأة طلاق أختها، وأن يستام الرجل على سوم أخيه، ونهى عن النجش، وعن التصرية. تابعه معاذ وعبد الصمد عن شعبة. وقال غندر وعبد الرحمن نهي. وقال آدم نهينا. وقال النضر وحجاج بن منهال نهى.
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাউকে শহরের বাইরে গিয়ে বাণিজ্য বহরের কাফেলা থেকে মাল কিনতে নিষেধ করেছেন। আর বেদুঈন পক্ষ হয়ে মুহাজিরদেরকে কোন কিছু বিক্রি করতে নিষেধ করেছেন। আর কোন স্ত্রীলোক যেন তার বোনের (অপর স্ত্রীলোকের) তালাকের শর্তারোপ না করে আর কোন ব্যক্তি যেন তার ভাইয়ের দামের উপর দাম না করে এবং নিষেধ করেছেন দালালী করতে, (মূল্য বাড়ানোর উদ্দেশে) এবং স্তন্যে দুধ জমা করতে (ধোঁকা দেয়ার উদ্দেশে)। মুআয ও ‘আবদুস সমদ (রহঃ) শু‘বাহ (রহঃ) থেকে হাদীস বর্ণনায় মুহাম্মদ ইব্নু আরআরা (রহঃ)-এর অনুসরণ করেছেন। গুনদার ও ‘আবদুর রহমান (রহঃ) (আরবী) বলেছেন এবং আদাম (রহঃ) বলেছেন, (আরবী) আর নাযর ও হাজ্জাজ ইব্নু মিনহাল বলেছেন, (আরবী)।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাউকে শহরের বাইরে গিয়ে বাণিজ্য বহরের কাফেলা থেকে মাল কিনতে নিষেধ করেছেন। আর বেদুঈন পক্ষ হয়ে মুহাজিরদেরকে কোন কিছু বিক্রি করতে নিষেধ করেছেন। আর কোন স্ত্রীলোক যেন তার বোনের (অপর স্ত্রীলোকের) তালাকের শর্তারোপ না করে আর কোন ব্যক্তি যেন তার ভাইয়ের দামের উপর দাম না করে এবং নিষেধ করেছেন দালালী করতে, (মূল্য বাড়ানোর উদ্দেশে) এবং স্তন্যে দুধ জমা করতে (ধোঁকা দেয়ার উদ্দেশে)। মুআয ও ‘আবদুস সমদ (রহঃ) শু‘বাহ (রহঃ) থেকে হাদীস বর্ণনায় মুহাম্মদ ইব্নু আরআরা (রহঃ)-এর অনুসরণ করেছেন। গুনদার ও ‘আবদুর রহমান (রহঃ) (আরবী) বলেছেন এবং আদাম (রহঃ) বলেছেন, (আরবী) আর নাযর ও হাজ্জাজ ইব্নু মিনহাল বলেছেন, (আরবী)।
حدثنا محمد بن عرعرة، حدثنا شعبة، عن عدي بن ثابت، عن أبي حازم، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ قال نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن التلقي، وأن يبتاع المهاجر للأعرابي، وأن تشترط المرأة طلاق أختها، وأن يستام الرجل على سوم أخيه، ونهى عن النجش، وعن التصرية. تابعه معاذ وعبد الصمد عن شعبة. وقال غندر وعبد الرحمن نهي. وقال آدم نهينا. وقال النضر وحجاج بن منهال نهى.
সহিহ বুখারী > লোকজনের সাথে মৌখিক শর্ত করা।
সহিহ বুখারী ২৭২৮
حدثنا إبراهيم بن موسى، أخبرنا هشام، أن ابن جريج، أخبره قال أخبرني يعلى بن مسلم، وعمرو بن دينار، عن سعيد بن جبير، يزيد أحدهما على صاحبه وغيرهما قد سمعته يحدثه عن سعيد بن جبير قال إنا لعند ابن عباس ـ رضى الله عنهما ـ قال حدثني أبى بن كعب قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " موسى رسول الله " فذكر الحديث {قال ألم أقل إنك لن تستطيع معي صبرا} كانت الأولى نسيانا، والوسطى شرطا، والثالثة عمدا {قال لا تؤاخذني بما نسيت ولا ترهقني من أمري عسرا}. {لقيا غلاما فقتله} فانطلقا فوجدا جدارا يريد أن ينقض فأقامه. قرأها ابن عباس أمامهم ملك.
উবাই ইব্নু কা‘ব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আল্লাহর রসূল মূসা (আঃ) বলেন। অতঃপর তিনি পুরো ঘটনাটি বর্ণনা করেন। [এ ব্যাপারে খিয্র (আঃ)-এর এ কথাটি উল্লেখ করেন যা তিনি মূসা (আঃ)-কে উদ্দেশ্য করে বলেছিলেন], আমি কি বলিনি যে, তুমি আমার সঙ্গে ধৈর্য্যধারণ করতে পারবে না? [মূসা (আঃ)-এর আপত্তি] প্রথমটি ছিল ভুলক্রমে, দ্বিতীয়টি শর্ত মুতাবিক, তৃতীয়টি ইচ্ছাকৃত। মূসা (আঃ) বললেন, আপনি আমার ভুলের জন্য আমাকে অপরাধী করবেন না এবং আমার ব্যাপারে অত্যধিক কঠোরতা অবলম্বন করবেন না। তাঁরা উভয়ে এক বালকের সাক্ষাৎ পেলেন এবং খিয্র (আঃ) তাকে হত্যা করলেন। অতঃপর তাঁরা উভয়ে পথ চলতে লাগলেন। কিছু দূর এগিয়ে তাঁরা পতনোন্মুখ একটি প্রাচীর দেখতে পেলেন। খিয্র (আঃ) প্রাচীরটি সোজা করে দাঁড় করিয়ে দিলেন। ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) আয়াতের (আরবী) এর স্থলে (আরবী) পড়েছেন।
উবাই ইব্নু কা‘ব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আল্লাহর রসূল মূসা (আঃ) বলেন। অতঃপর তিনি পুরো ঘটনাটি বর্ণনা করেন। [এ ব্যাপারে খিয্র (আঃ)-এর এ কথাটি উল্লেখ করেন যা তিনি মূসা (আঃ)-কে উদ্দেশ্য করে বলেছিলেন], আমি কি বলিনি যে, তুমি আমার সঙ্গে ধৈর্য্যধারণ করতে পারবে না? [মূসা (আঃ)-এর আপত্তি] প্রথমটি ছিল ভুলক্রমে, দ্বিতীয়টি শর্ত মুতাবিক, তৃতীয়টি ইচ্ছাকৃত। মূসা (আঃ) বললেন, আপনি আমার ভুলের জন্য আমাকে অপরাধী করবেন না এবং আমার ব্যাপারে অত্যধিক কঠোরতা অবলম্বন করবেন না। তাঁরা উভয়ে এক বালকের সাক্ষাৎ পেলেন এবং খিয্র (আঃ) তাকে হত্যা করলেন। অতঃপর তাঁরা উভয়ে পথ চলতে লাগলেন। কিছু দূর এগিয়ে তাঁরা পতনোন্মুখ একটি প্রাচীর দেখতে পেলেন। খিয্র (আঃ) প্রাচীরটি সোজা করে দাঁড় করিয়ে দিলেন। ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) আয়াতের (আরবী) এর স্থলে (আরবী) পড়েছেন।
حدثنا إبراهيم بن موسى، أخبرنا هشام، أن ابن جريج، أخبره قال أخبرني يعلى بن مسلم، وعمرو بن دينار، عن سعيد بن جبير، يزيد أحدهما على صاحبه وغيرهما قد سمعته يحدثه عن سعيد بن جبير قال إنا لعند ابن عباس ـ رضى الله عنهما ـ قال حدثني أبى بن كعب قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " موسى رسول الله " فذكر الحديث {قال ألم أقل إنك لن تستطيع معي صبرا} كانت الأولى نسيانا، والوسطى شرطا، والثالثة عمدا {قال لا تؤاخذني بما نسيت ولا ترهقني من أمري عسرا}. {لقيا غلاما فقتله} فانطلقا فوجدا جدارا يريد أن ينقض فأقامه. قرأها ابن عباس أمامهم ملك.
সহিহ বুখারী > ‘ওয়ালা’র ব্যাপারে অধিকার অর্জনের শর্তারোপ।
সহিহ বুখারী ২৭২৯
حدثنا إسماعيل، حدثنا مالك، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة، قالت جاءتني بريرة فقالت كاتبت أهلي على تسع أواق في كل عام أوقية، فأعينيني. فقالت إن أحبوا أن أعدها لهم، ويكون ولاؤك لي فعلت. فذهبت بريرة إلى أهلها، فقالت لهم، فأبوا عليها، فجاءت من عندهم ورسول الله صلى الله عليه وسلم جالس، فقالت إني قد عرضت ذلك عليهم فأبوا إلا أن يكون الولاء لهم. فسمع النبي صلى الله عليه وسلم فأخبرت عائشة النبي صلى الله عليه وسلم فقال " خذيها واشترطي لهم الولاء، فإنما الولاء لمن أعتق ". ففعلت عائشة، ثم قام رسول الله صلى الله عليه وسلم في الناس، فحمد الله وأثنى عليه، ثم قال " ما بال رجال يشترطون شروطا ليست في كتاب الله ما كان من شرط ليس في كتاب الله فهو باطل، وإن كان مائة شرط، قضاء الله أحق، وشرط الله أوثق، وإنما الولاء لمن أعتق ".
‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, বারীরা আমার নিকট এসে বলল, আমি আমার মালিকের সঙ্গে নয় উকিয়ার বিনিময়ে আমাকে স্বাধীন করার এক চুক্তি করেছি। প্রতি বছর এক উকিয়া করে পরিশোধ করতে হবে। এ ব্যাপারে আমাকে সাহায্য করুন। ‘আয়িশা (রাঃ) বললেন, তারা যদি এ শর্তে রাজী হয় যে, আমি তাদের সমস্ত প্রাপ্য একবারে দিয়ে দিই এবং তোমার ‘ওয়ালা’ আমার জন্য থাকবে, তাহলে আমি তা করব। বারীরা তার মালিকের নিকট গিয়ে এ কথা বলল; কিন্তু তারা তাতে অস্বীকৃতি জানাল। অতঃপর বারীরা তাদের নিকট হতে ফিরে এল। তখন আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উপবিষ্ট ছিলেন। বারীরা বলল, আমি তাদের নিকট প্রস্তাবটি পেশ করেছি, ‘ওয়ালা’র অধিকার তাদের জন্য না হলে, এতে তারা অস্বীকৃতি জানিয়েছে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শুনলেন এবং ‘আয়িশা (রাঃ) -ও তাঁকে জানালেন। অতঃপর তিনি বললেন, তুমি বারীরাহ্কে নিয়ে নাও এবং তাদের জন্য ‘ওয়ালা’র অধিকারের শর্ত কর। কারণ ‘ওয়ালা’র অধিকার তো তারই যে মুক্ত করবে। ‘আয়িশা (রাঃ) তাই করলেন। অতঃপর আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) লোকদের মাঝে দাঁড়িয়ে আল্লাহর প্রশংসা ও স্তুতি করে বললেন, ‘লোকদের কি হল যে, তারা এমন শর্তারোপ করে যা আল্লাহ্র কিতাবে নেই? আল্লাহ্র কিতাবের বহির্ভুত যে কোন শর্ত বাতিল, যদিও শত শর্তারোপ করা হয়। আল্লাহর হুকুম যথার্থ ও তাঁর শর্ত সুদৃঢ়। ওয়ালা তো তারই যে মুক্ত করে।’
‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, বারীরা আমার নিকট এসে বলল, আমি আমার মালিকের সঙ্গে নয় উকিয়ার বিনিময়ে আমাকে স্বাধীন করার এক চুক্তি করেছি। প্রতি বছর এক উকিয়া করে পরিশোধ করতে হবে। এ ব্যাপারে আমাকে সাহায্য করুন। ‘আয়িশা (রাঃ) বললেন, তারা যদি এ শর্তে রাজী হয় যে, আমি তাদের সমস্ত প্রাপ্য একবারে দিয়ে দিই এবং তোমার ‘ওয়ালা’ আমার জন্য থাকবে, তাহলে আমি তা করব। বারীরা তার মালিকের নিকট গিয়ে এ কথা বলল; কিন্তু তারা তাতে অস্বীকৃতি জানাল। অতঃপর বারীরা তাদের নিকট হতে ফিরে এল। তখন আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উপবিষ্ট ছিলেন। বারীরা বলল, আমি তাদের নিকট প্রস্তাবটি পেশ করেছি, ‘ওয়ালা’র অধিকার তাদের জন্য না হলে, এতে তারা অস্বীকৃতি জানিয়েছে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শুনলেন এবং ‘আয়িশা (রাঃ) -ও তাঁকে জানালেন। অতঃপর তিনি বললেন, তুমি বারীরাহ্কে নিয়ে নাও এবং তাদের জন্য ‘ওয়ালা’র অধিকারের শর্ত কর। কারণ ‘ওয়ালা’র অধিকার তো তারই যে মুক্ত করবে। ‘আয়িশা (রাঃ) তাই করলেন। অতঃপর আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) লোকদের মাঝে দাঁড়িয়ে আল্লাহর প্রশংসা ও স্তুতি করে বললেন, ‘লোকদের কি হল যে, তারা এমন শর্তারোপ করে যা আল্লাহ্র কিতাবে নেই? আল্লাহ্র কিতাবের বহির্ভুত যে কোন শর্ত বাতিল, যদিও শত শর্তারোপ করা হয়। আল্লাহর হুকুম যথার্থ ও তাঁর শর্ত সুদৃঢ়। ওয়ালা তো তারই যে মুক্ত করে।’
حدثنا إسماعيل، حدثنا مالك، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة، قالت جاءتني بريرة فقالت كاتبت أهلي على تسع أواق في كل عام أوقية، فأعينيني. فقالت إن أحبوا أن أعدها لهم، ويكون ولاؤك لي فعلت. فذهبت بريرة إلى أهلها، فقالت لهم، فأبوا عليها، فجاءت من عندهم ورسول الله صلى الله عليه وسلم جالس، فقالت إني قد عرضت ذلك عليهم فأبوا إلا أن يكون الولاء لهم. فسمع النبي صلى الله عليه وسلم فأخبرت عائشة النبي صلى الله عليه وسلم فقال " خذيها واشترطي لهم الولاء، فإنما الولاء لمن أعتق ". ففعلت عائشة، ثم قام رسول الله صلى الله عليه وسلم في الناس، فحمد الله وأثنى عليه، ثم قال " ما بال رجال يشترطون شروطا ليست في كتاب الله ما كان من شرط ليس في كتاب الله فهو باطل، وإن كان مائة شرط، قضاء الله أحق، وشرط الله أوثق، وإنما الولاء لمن أعتق ".
সহিহ বুখারী > বর্গাচাষের ক্ষেত্রে এমন শর্তারোপ করা যে, যখন ইচ্ছা আমি তোমাকে বের করে দিব।
সহিহ বুখারী ২৭৩০
حدثنا أبو أحمد، حدثنا محمد بن يحيى أبو غسان الكناني، أخبرنا مالك، عن نافع، عن ابن عمر ـ رضى الله عنهما ـ قال لما فدع أهل خيبر عبد الله بن عمر، قام عمر خطيبا فقال إن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان عامل يهود خيبر على أموالهم، وقال " نقركم ما أقركم الله ". وإن عبد الله بن عمر خرج إلى ماله هناك فعدي عليه من الليل، ففدعت يداه ورجلاه، وليس لنا هناك عدو غيرهم، هم عدونا وتهمتنا، وقد رأيت إجلاءهم، فلما أجمع عمر على ذلك أتاه أحد بني أبي الحقيق، فقال يا أمير المؤمنين، أتخرجنا وقد أقرنا محمد صلى الله عليه وسلم وعاملنا على الأموال، وشرط ذلك لنا فقال عمر أظننت أني نسيت قول رسول الله صلى الله عليه وسلم " كيف بك إذا أخرجت من خيبر تعدو بك قلوصك، ليلة بعد ليلة ". فقال كانت هذه هزيلة من أبي القاسم. قال كذبت يا عدو الله. فأجلاهم عمر وأعطاهم قيمة ما كان لهم من الثمر مالا وإبلا وعروضا، من أقتاب وحبال وغير ذلك. رواه حماد بن سلمة عن عبيد الله، أحسبه عن نافع، عن ابن عمر، عن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم، اختصره.
ইব্নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন খায়বারবাসীরা ‘আবদুল্লাহ্ ইব্নু ‘উমর (রাঃ)-এর হাত পা ভেঙ্গে দিল, তখন ‘উমর (রাঃ) ভাষণ দিতে দাঁড়ালেন এবং বললেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খায়বারের ইয়াহূদীদের সঙ্গে তাদের মাল সম্পত্তি সম্পর্কে চুক্তি করেছিলেন এবং বলেছিলেন, আল্লাহ তা‘আলা যতদিন তোমাদের রাখেন, ততদিন আমরাও তোমাদের রাখব। এই অবস্থায় ‘আবদুল্লাহ্ ইব্নু ‘উমর (রাঃ) তাঁর নিজ সম্পত্তি দেখাশুনা করার জন্য খায়বার গমন করলে রাতে তাঁর উপর আক্রমণ করা হয় এবং তাঁর দু’টি হাত পা ভেঙ্গে দেয়া হয়। সেখানে ইয়াহূদীরা ব্যতীত আমদের আর কোন শত্রু নেই। তারাই আমাদের দুশমন। তাদের উপর আমাদের সন্দেহ হয়। অতএব আমি তাদের নির্বাসিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ‘উমর (রাঃ) যখন এ ব্যাপারে তাঁর দৃঢ় মত প্রকাশ করলেন, তখন আবূ হুকায়ক গোত্রের এক ব্যক্তি এসে বলল, ‘হে আমীরুল মু‘মিনীন! আপনি কি আমদেরকে খায়বার থেকে বের করে দিবেন? অথচ মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে এখানে অবস্থানের অনুমতি দিয়েছিলেন। আর উক্ত সম্পত্তির ব্যাপারে আমাদের সঙ্গে বর্গাচাষের ব্যবস্থা করেন এবং আমাদের এ শর্তে দেন।’ ‘উমর (রাঃ) বললেন, ‘তুমি কি মনে করেছ যে, আমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সে উক্তি ভুলে গিয়েছি, ‘তোমার কী অবস্থা হবে, যখন তোমাকে খায়বার থেকে বের করে দেয়া হবে এবং তোমার উটগুলো রাতের পর রাত তোমাকে নিয়ে ছুটবে।’ সে বলল, ‘এটাতো আবুল কাসিমের বিদ্রুপাত্মক উক্তি ছিল।’ ‘উমর (রাঃ) বললেন, ‘হে আল্লাহর দুশমন! তুমি মিথ্যা বলছ।’ অতঃপর ‘উমর (রাঃ) তাদের নির্বাসিত করেন এবং তাদের ফল-ফসল, মালামাল, উট, লাগাম রজ্জু ইত্যাদি দ্রব্যের মূল্য দিয়ে দেন। রিওয়ায়াতটি হাম্মাদ ইব্নু সালামা (রহঃ)... ‘উমর (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে সংক্ষিপ্তভাবে বর্ণনা করেন।
ইব্নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন খায়বারবাসীরা ‘আবদুল্লাহ্ ইব্নু ‘উমর (রাঃ)-এর হাত পা ভেঙ্গে দিল, তখন ‘উমর (রাঃ) ভাষণ দিতে দাঁড়ালেন এবং বললেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খায়বারের ইয়াহূদীদের সঙ্গে তাদের মাল সম্পত্তি সম্পর্কে চুক্তি করেছিলেন এবং বলেছিলেন, আল্লাহ তা‘আলা যতদিন তোমাদের রাখেন, ততদিন আমরাও তোমাদের রাখব। এই অবস্থায় ‘আবদুল্লাহ্ ইব্নু ‘উমর (রাঃ) তাঁর নিজ সম্পত্তি দেখাশুনা করার জন্য খায়বার গমন করলে রাতে তাঁর উপর আক্রমণ করা হয় এবং তাঁর দু’টি হাত পা ভেঙ্গে দেয়া হয়। সেখানে ইয়াহূদীরা ব্যতীত আমদের আর কোন শত্রু নেই। তারাই আমাদের দুশমন। তাদের উপর আমাদের সন্দেহ হয়। অতএব আমি তাদের নির্বাসিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ‘উমর (রাঃ) যখন এ ব্যাপারে তাঁর দৃঢ় মত প্রকাশ করলেন, তখন আবূ হুকায়ক গোত্রের এক ব্যক্তি এসে বলল, ‘হে আমীরুল মু‘মিনীন! আপনি কি আমদেরকে খায়বার থেকে বের করে দিবেন? অথচ মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে এখানে অবস্থানের অনুমতি দিয়েছিলেন। আর উক্ত সম্পত্তির ব্যাপারে আমাদের সঙ্গে বর্গাচাষের ব্যবস্থা করেন এবং আমাদের এ শর্তে দেন।’ ‘উমর (রাঃ) বললেন, ‘তুমি কি মনে করেছ যে, আমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সে উক্তি ভুলে গিয়েছি, ‘তোমার কী অবস্থা হবে, যখন তোমাকে খায়বার থেকে বের করে দেয়া হবে এবং তোমার উটগুলো রাতের পর রাত তোমাকে নিয়ে ছুটবে।’ সে বলল, ‘এটাতো আবুল কাসিমের বিদ্রুপাত্মক উক্তি ছিল।’ ‘উমর (রাঃ) বললেন, ‘হে আল্লাহর দুশমন! তুমি মিথ্যা বলছ।’ অতঃপর ‘উমর (রাঃ) তাদের নির্বাসিত করেন এবং তাদের ফল-ফসল, মালামাল, উট, লাগাম রজ্জু ইত্যাদি দ্রব্যের মূল্য দিয়ে দেন। রিওয়ায়াতটি হাম্মাদ ইব্নু সালামা (রহঃ)... ‘উমর (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে সংক্ষিপ্তভাবে বর্ণনা করেন।
حدثنا أبو أحمد، حدثنا محمد بن يحيى أبو غسان الكناني، أخبرنا مالك، عن نافع، عن ابن عمر ـ رضى الله عنهما ـ قال لما فدع أهل خيبر عبد الله بن عمر، قام عمر خطيبا فقال إن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان عامل يهود خيبر على أموالهم، وقال " نقركم ما أقركم الله ". وإن عبد الله بن عمر خرج إلى ماله هناك فعدي عليه من الليل، ففدعت يداه ورجلاه، وليس لنا هناك عدو غيرهم، هم عدونا وتهمتنا، وقد رأيت إجلاءهم، فلما أجمع عمر على ذلك أتاه أحد بني أبي الحقيق، فقال يا أمير المؤمنين، أتخرجنا وقد أقرنا محمد صلى الله عليه وسلم وعاملنا على الأموال، وشرط ذلك لنا فقال عمر أظننت أني نسيت قول رسول الله صلى الله عليه وسلم " كيف بك إذا أخرجت من خيبر تعدو بك قلوصك، ليلة بعد ليلة ". فقال كانت هذه هزيلة من أبي القاسم. قال كذبت يا عدو الله. فأجلاهم عمر وأعطاهم قيمة ما كان لهم من الثمر مالا وإبلا وعروضا، من أقتاب وحبال وغير ذلك. رواه حماد بن سلمة عن عبيد الله، أحسبه عن نافع، عن ابن عمر، عن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم، اختصره.