সহিহ বুখারী > ইসলামে আহ্‌কামে ও ক্রয়-বিক্রয়ে যে সব শর্ত জায়িয।

সহিহ বুখারী ২৭১৩

قال عروة فأخبرتني عائشة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يمتحنهن بهذه الآية ‏{‏يا أيها الذين آمنوا إذا جاءكم المؤمنات مهاجرات فامتحنوهن ‏}‏ إلى ‏{‏غفور رحيم‏}‏‏.‏ قال عروة قالت عائشة فمن أقر بهذا الشرط منهن قال لها رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ قد بايعتك ‏"‏‏.‏ كلاما يكلمها به، والله ما مست يده يد امرأة قط في المبايعة، وما بايعهن إلا بقوله‏.‏

‘উরওয়াহ (রাঃ) বলেন, ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘আয়িশা (রাঃ) বলেছেন, তাদের মধ্যে যারা এই শর্তে রাজী হতো তাকে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শুধু এ কথা বলতেন, ‘আমি তোমাকে বায়‘আত করলাম। আল্লাহ্‌র কসম! বায়‘আত গ্রহণে তাঁর হাত কখনো কোন নারীর হাত স্পর্শ করেনি। তিনি তাদের শুধু কথার মাধ্যমে বায়‘আত করেছেন।

‘উরওয়াহ (রাঃ) বলেন, ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘আয়িশা (রাঃ) বলেছেন, তাদের মধ্যে যারা এই শর্তে রাজী হতো তাকে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শুধু এ কথা বলতেন, ‘আমি তোমাকে বায়‘আত করলাম। আল্লাহ্‌র কসম! বায়‘আত গ্রহণে তাঁর হাত কখনো কোন নারীর হাত স্পর্শ করেনি। তিনি তাদের শুধু কথার মাধ্যমে বায়‘আত করেছেন।

قال عروة فأخبرتني عائشة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يمتحنهن بهذه الآية ‏{‏يا أيها الذين آمنوا إذا جاءكم المؤمنات مهاجرات فامتحنوهن ‏}‏ إلى ‏{‏غفور رحيم‏}‏‏.‏ قال عروة قالت عائشة فمن أقر بهذا الشرط منهن قال لها رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ قد بايعتك ‏"‏‏.‏ كلاما يكلمها به، والله ما مست يده يد امرأة قط في المبايعة، وما بايعهن إلا بقوله‏.‏


সহিহ বুখারী ২৭১৪

حدثنا أبو نعيم، حدثنا سفيان، عن زياد بن علاقة، قال سمعت جريرا ـ رضى الله عنه ـ يقول بايعت رسول الله صلى الله عليه وسلم فاشترط على والنصح لكل مسلم‏.‏

যিয়াদ ইব্‌নু ইলাকা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি জারীর (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট বায়‘আত গ্রহণ করলাম। তিনি আমার উপর প্রত্যেক মুসলিমের জন্য কল্যাণ কামনার শর্তারোপ করলেন।

যিয়াদ ইব্‌নু ইলাকা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি জারীর (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট বায়‘আত গ্রহণ করলাম। তিনি আমার উপর প্রত্যেক মুসলিমের জন্য কল্যাণ কামনার শর্তারোপ করলেন।

حدثنا أبو نعيم، حدثنا سفيان، عن زياد بن علاقة، قال سمعت جريرا ـ رضى الله عنه ـ يقول بايعت رسول الله صلى الله عليه وسلم فاشترط على والنصح لكل مسلم‏.‏


সহিহ বুখারী ২৭১৫

حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن إسماعيل، قال حدثني قيس بن أبي حازم، عن جرير بن عبد الله ـ رضى الله عنه ـ قال بايعت رسول الله صلى الله عليه وسلم على إقام الصلاة وإيتاء الزكاة والنصح لكل مسلم‏.‏

জারীর ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি সালাত কায়িম করার, যাকাত প্রদান করার এবং প্রত্যেক মুসলিমের জন্য কল্যাণ কামনা করার ব্যাপারে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট বাই‘আত করেছি।

জারীর ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি সালাত কায়িম করার, যাকাত প্রদান করার এবং প্রত্যেক মুসলিমের জন্য কল্যাণ কামনা করার ব্যাপারে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট বাই‘আত করেছি।

حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن إسماعيل، قال حدثني قيس بن أبي حازم، عن جرير بن عبد الله ـ رضى الله عنه ـ قال بايعت رسول الله صلى الله عليه وسلم على إقام الصلاة وإيتاء الزكاة والنصح لكل مسلم‏.‏


সহিহ বুখারী ২৭১১

حدثنا يحيى بن بكير، حدثنا الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، قال أخبرني عروة بن الزبير، أنه سمع مروان، والمسور بن مخرمة، رضى الله عنهما يخبران عن أصحاب، رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لما كاتب سهيل بن عمرو يومئذ كان فيما اشترط سهيل بن عمرو على النبي صلى الله عليه وسلم أنه لا يأتيك منا أحد وإن كان على دينك إلا رددته إلينا، وخليت بيننا وبينه‏.‏ فكره المؤمنون ذلك، وامتعضوا منه، وأبى سهيل إلا ذلك، فكاتبه النبي صلى الله عليه وسلم على ذلك، فرد يومئذ أبا جندل على أبيه سهيل بن عمرو، ولم يأته أحد من الرجال إلا رده في تلك المدة، وإن كان مسلما، وجاء المؤمنات مهاجرات، وكانت أم كلثوم بنت عقبة بن أبي معيط ممن خرج إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم يومئذ وهى عاتق، فجاء أهلها يسألون النبي صلى الله عليه وسلم أن يرجعها إليهم، فلم يرجعها إليهم لما أنزل الله فيهن ‏{‏إذا جاءكم المؤمنات مهاجرات فامتحنوهن الله أعلم بإيمانهن‏}‏ إلى قوله ‏{‏ولا هم يحلون لهن‏}‏‏.‏

মারওয়ান ও মিসওয়ার ইব্‌নু মাখরামাহ (রাঃ) আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহাবীগণ থেকে বর্নিতঃ

সেদিন সুহাইল ইব্‌নু ‘আম্‌র যখন সন্ধিপত্র লিখল তখন সুহাইল ইব্‌নু ‘আম্‌র আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর প্রতি এরূপ শর্তারোপ করল যে, আমাদের কেউ আপনার নিকট আসলে সে আপনার দ্বীন গ্রহণ করা সত্ত্বেও আপনি তাকে আমাদের নিকট ফিরিয়ে দিবেন। আর আমাদের ও তার মধ্যে হস্তক্ষেপ করবেন না। মু‘মিনরা এটা অপছন্দ করলেন এবং এতে রাগান্বিত হলেন। সুহাইল এটা ব্যতীত সন্ধি করতে অস্বীকার করল। তখন আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সে শর্ত মেনেই সন্ধিপত্র লেখালেন। সেদিন তিনি আবু জানদাল (রাঃ)-কে তার পিতা সুহাইল ইব্‌নু ‘আমরের নিকট ফেরত দিলেন এবং সে চুক্তির মেয়াদ কালে পুরুষদের মধ্যে যেই এসেছিলো মুসলিম হওয়া সত্ত্বেও তিনি তাকে ফেরত দিলেন। মু’মিন নারীরাও হিজরত করে আসলেন। সে সময় আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট যাঁরা এসেছিলেন তাদেঁর মধ্যে উম্মু কুলসুম বিনতে ‘উকবাহ ইব্‌নু আবু মুয়ায়ত (রাঃ) ছিলেন। তিনি ছিলেন যুবতী। তাঁর পরিজন তাঁকে তাদের নিকট ফেরত দেয়ার জন্য নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে দাবী জানালো। কিন্তু তাঁকে তিনি তাদের নিকট ফেরত দিলেন না। কেননা, সেই নারীদের সম্পর্কে আল্লাহ্‌ তায়ালা আয়াত নাযিল করেছিলেনঃ মুমিন নারীরা হিজরত করে তোমাদের নিকট আসলে তাদের তোমরা পরীক্ষা কর। আল্লাহ্‌ তাদের ঈমান সম্বন্ধে সম্যক অবগত আছেন। যদি তোমরা জানতে পার যে, তারা মুমিন তাদেরকে কাফিরদের নিকট ফেরত পাঠাবে না- (সূরা আল-মুমতাহিনা : ১০)। ‘উরওয়াহ (রাঃ) বলেন, ‘আয়িশা (রাঃ) আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (আরবী) এই আয়াতের ভিত্তিতেই তাদের পরীক্ষা করে দেখতেন।

মারওয়ান ও মিসওয়ার ইব্‌নু মাখরামাহ (রাঃ) আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহাবীগণ থেকে বর্নিতঃ

সেদিন সুহাইল ইব্‌নু ‘আম্‌র যখন সন্ধিপত্র লিখল তখন সুহাইল ইব্‌নু ‘আম্‌র আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর প্রতি এরূপ শর্তারোপ করল যে, আমাদের কেউ আপনার নিকট আসলে সে আপনার দ্বীন গ্রহণ করা সত্ত্বেও আপনি তাকে আমাদের নিকট ফিরিয়ে দিবেন। আর আমাদের ও তার মধ্যে হস্তক্ষেপ করবেন না। মু‘মিনরা এটা অপছন্দ করলেন এবং এতে রাগান্বিত হলেন। সুহাইল এটা ব্যতীত সন্ধি করতে অস্বীকার করল। তখন আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সে শর্ত মেনেই সন্ধিপত্র লেখালেন। সেদিন তিনি আবু জানদাল (রাঃ)-কে তার পিতা সুহাইল ইব্‌নু ‘আমরের নিকট ফেরত দিলেন এবং সে চুক্তির মেয়াদ কালে পুরুষদের মধ্যে যেই এসেছিলো মুসলিম হওয়া সত্ত্বেও তিনি তাকে ফেরত দিলেন। মু’মিন নারীরাও হিজরত করে আসলেন। সে সময় আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট যাঁরা এসেছিলেন তাদেঁর মধ্যে উম্মু কুলসুম বিনতে ‘উকবাহ ইব্‌নু আবু মুয়ায়ত (রাঃ) ছিলেন। তিনি ছিলেন যুবতী। তাঁর পরিজন তাঁকে তাদের নিকট ফেরত দেয়ার জন্য নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে দাবী জানালো। কিন্তু তাঁকে তিনি তাদের নিকট ফেরত দিলেন না। কেননা, সেই নারীদের সম্পর্কে আল্লাহ্‌ তায়ালা আয়াত নাযিল করেছিলেনঃ মুমিন নারীরা হিজরত করে তোমাদের নিকট আসলে তাদের তোমরা পরীক্ষা কর। আল্লাহ্‌ তাদের ঈমান সম্বন্ধে সম্যক অবগত আছেন। যদি তোমরা জানতে পার যে, তারা মুমিন তাদেরকে কাফিরদের নিকট ফেরত পাঠাবে না- (সূরা আল-মুমতাহিনা : ১০)। ‘উরওয়াহ (রাঃ) বলেন, ‘আয়িশা (রাঃ) আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (আরবী) এই আয়াতের ভিত্তিতেই তাদের পরীক্ষা করে দেখতেন।

حدثنا يحيى بن بكير، حدثنا الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، قال أخبرني عروة بن الزبير، أنه سمع مروان، والمسور بن مخرمة، رضى الله عنهما يخبران عن أصحاب، رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لما كاتب سهيل بن عمرو يومئذ كان فيما اشترط سهيل بن عمرو على النبي صلى الله عليه وسلم أنه لا يأتيك منا أحد وإن كان على دينك إلا رددته إلينا، وخليت بيننا وبينه‏.‏ فكره المؤمنون ذلك، وامتعضوا منه، وأبى سهيل إلا ذلك، فكاتبه النبي صلى الله عليه وسلم على ذلك، فرد يومئذ أبا جندل على أبيه سهيل بن عمرو، ولم يأته أحد من الرجال إلا رده في تلك المدة، وإن كان مسلما، وجاء المؤمنات مهاجرات، وكانت أم كلثوم بنت عقبة بن أبي معيط ممن خرج إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم يومئذ وهى عاتق، فجاء أهلها يسألون النبي صلى الله عليه وسلم أن يرجعها إليهم، فلم يرجعها إليهم لما أنزل الله فيهن ‏{‏إذا جاءكم المؤمنات مهاجرات فامتحنوهن الله أعلم بإيمانهن‏}‏ إلى قوله ‏{‏ولا هم يحلون لهن‏}‏‏.‏


সহিহ বুখারী ২৭১২

حدثنا يحيى بن بكير، حدثنا الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، قال أخبرني عروة بن الزبير، أنه سمع مروان، والمسور بن مخرمة، رضى الله عنهما يخبران عن أصحاب، رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لما كاتب سهيل بن عمرو يومئذ كان فيما اشترط سهيل بن عمرو على النبي صلى الله عليه وسلم أنه لا يأتيك منا أحد وإن كان على دينك إلا رددته إلينا، وخليت بيننا وبينه‏.‏ فكره المؤمنون ذلك، وامتعضوا منه، وأبى سهيل إلا ذلك، فكاتبه النبي صلى الله عليه وسلم على ذلك، فرد يومئذ أبا جندل على أبيه سهيل بن عمرو، ولم يأته أحد من الرجال إلا رده في تلك المدة، وإن كان مسلما، وجاء المؤمنات مهاجرات، وكانت أم كلثوم بنت عقبة بن أبي معيط ممن خرج إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم يومئذ وهى عاتق، فجاء أهلها يسألون النبي صلى الله عليه وسلم أن يرجعها إليهم، فلم يرجعها إليهم لما أنزل الله فيهن ‏{‏إذا جاءكم المؤمنات مهاجرات فامتحنوهن الله أعلم بإيمانهن‏}‏ إلى قوله ‏{‏ولا هم يحلون لهن‏}‏‏.‏

মারওয়ান ও মিসওয়ার ইব্‌নু মাখরামাহ (রাঃ) আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহাবীগণ থেকে বর্নিতঃ

সেদিন সুহাইল ইব্‌নু ‘আম্‌র যখন সন্ধিপত্র লিখল তখন সুহাইল ইব্‌নু ‘আম্‌র আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর প্রতি এরূপ শর্তারোপ করল যে, আমাদের কেউ আপনার নিকট আসলে সে আপনার দ্বীন গ্রহণ করা সত্ত্বেও আপনি তাকে আমাদের নিকট ফিরিয়ে দিবেন। আর আমাদের ও তার মধ্যে হস্তক্ষেপ করবেন না। মু‘মিনরা এটা অপছন্দ করলেন এবং এতে রাগান্বিত হলেন। সুহাইল এটা ব্যতীত সন্ধি করতে অস্বীকার করল। তখন আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সে শর্ত মেনেই সন্ধিপত্র লেখালেন। সেদিন তিনি আবু জানদাল (রাঃ)-কে তার পিতা সুহাইল ইব্‌নু ‘আমরের নিকট ফেরত দিলেন এবং সে চুক্তির মেয়াদ কালে পুরুষদের মধ্যে যেই এসেছিলো মুসলিম হওয়া সত্ত্বেও তিনি তাকে ফেরত দিলেন। মু’মিন নারীরাও হিজরত করে আসলেন। সে সময় আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট যাঁরা এসেছিলেন তাদেঁর মধ্যে উম্মু কুলসুম বিনতে ‘উকবাহ ইব্‌নু আবু মুয়ায়ত (রাঃ) ছিলেন। তিনি ছিলেন যুবতী। তাঁর পরিজন তাঁকে তাদের নিকট ফেরত দেয়ার জন্য নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে দাবী জানালো। কিন্তু তাঁকে তিনি তাদের নিকট ফেরত দিলেন না। কেননা, সেই নারীদের সম্পর্কে আল্লাহ্‌ তায়ালা আয়াত নাযিল করেছিলেনঃ মুমিন নারীরা হিজরত করে তোমাদের নিকট আসলে তাদের তোমরা পরীক্ষা কর। আল্লাহ্‌ তাদের ঈমান সম্বন্ধে সম্যক অবগত আছেন। যদি তোমরা জানতে পার যে, তারা মুমিন তাদেরকে কাফিরদের নিকট ফেরত পাঠাবে না- (সূরা আল-মুমতাহিনা : ১০)। ‘উরওয়াহ (রাঃ) বলেন, ‘আয়িশা (রাঃ) আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (আরবী) এই আয়াতের ভিত্তিতেই তাদের পরীক্ষা করে দেখতেন।

মারওয়ান ও মিসওয়ার ইব্‌নু মাখরামাহ (রাঃ) আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহাবীগণ থেকে বর্নিতঃ

সেদিন সুহাইল ইব্‌নু ‘আম্‌র যখন সন্ধিপত্র লিখল তখন সুহাইল ইব্‌নু ‘আম্‌র আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর প্রতি এরূপ শর্তারোপ করল যে, আমাদের কেউ আপনার নিকট আসলে সে আপনার দ্বীন গ্রহণ করা সত্ত্বেও আপনি তাকে আমাদের নিকট ফিরিয়ে দিবেন। আর আমাদের ও তার মধ্যে হস্তক্ষেপ করবেন না। মু‘মিনরা এটা অপছন্দ করলেন এবং এতে রাগান্বিত হলেন। সুহাইল এটা ব্যতীত সন্ধি করতে অস্বীকার করল। তখন আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সে শর্ত মেনেই সন্ধিপত্র লেখালেন। সেদিন তিনি আবু জানদাল (রাঃ)-কে তার পিতা সুহাইল ইব্‌নু ‘আমরের নিকট ফেরত দিলেন এবং সে চুক্তির মেয়াদ কালে পুরুষদের মধ্যে যেই এসেছিলো মুসলিম হওয়া সত্ত্বেও তিনি তাকে ফেরত দিলেন। মু’মিন নারীরাও হিজরত করে আসলেন। সে সময় আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট যাঁরা এসেছিলেন তাদেঁর মধ্যে উম্মু কুলসুম বিনতে ‘উকবাহ ইব্‌নু আবু মুয়ায়ত (রাঃ) ছিলেন। তিনি ছিলেন যুবতী। তাঁর পরিজন তাঁকে তাদের নিকট ফেরত দেয়ার জন্য নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে দাবী জানালো। কিন্তু তাঁকে তিনি তাদের নিকট ফেরত দিলেন না। কেননা, সেই নারীদের সম্পর্কে আল্লাহ্‌ তায়ালা আয়াত নাযিল করেছিলেনঃ মুমিন নারীরা হিজরত করে তোমাদের নিকট আসলে তাদের তোমরা পরীক্ষা কর। আল্লাহ্‌ তাদের ঈমান সম্বন্ধে সম্যক অবগত আছেন। যদি তোমরা জানতে পার যে, তারা মুমিন তাদেরকে কাফিরদের নিকট ফেরত পাঠাবে না- (সূরা আল-মুমতাহিনা : ১০)। ‘উরওয়াহ (রাঃ) বলেন, ‘আয়িশা (রাঃ) আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (আরবী) এই আয়াতের ভিত্তিতেই তাদের পরীক্ষা করে দেখতেন।

حدثنا يحيى بن بكير، حدثنا الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، قال أخبرني عروة بن الزبير، أنه سمع مروان، والمسور بن مخرمة، رضى الله عنهما يخبران عن أصحاب، رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لما كاتب سهيل بن عمرو يومئذ كان فيما اشترط سهيل بن عمرو على النبي صلى الله عليه وسلم أنه لا يأتيك منا أحد وإن كان على دينك إلا رددته إلينا، وخليت بيننا وبينه‏.‏ فكره المؤمنون ذلك، وامتعضوا منه، وأبى سهيل إلا ذلك، فكاتبه النبي صلى الله عليه وسلم على ذلك، فرد يومئذ أبا جندل على أبيه سهيل بن عمرو، ولم يأته أحد من الرجال إلا رده في تلك المدة، وإن كان مسلما، وجاء المؤمنات مهاجرات، وكانت أم كلثوم بنت عقبة بن أبي معيط ممن خرج إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم يومئذ وهى عاتق، فجاء أهلها يسألون النبي صلى الله عليه وسلم أن يرجعها إليهم، فلم يرجعها إليهم لما أنزل الله فيهن ‏{‏إذا جاءكم المؤمنات مهاجرات فامتحنوهن الله أعلم بإيمانهن‏}‏ إلى قوله ‏{‏ولا هم يحلون لهن‏}‏‏.‏


সহিহ বুখারী > তাবীর করা খেজুর গাছ বিক্রি করা।

সহিহ বুখারী ২৭১৬

حدثنا عبد الله بن يوسف، أخبرنا مالك، عن نافع، عن عبد الله بن عمر ـ رضى الله عنهما ـ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ من باع نخلا قد أبرت فثمرتها للبائع إلا أن يشترط المبتاع ‏"‏‏.‏

‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, কেউ তাবীর করা খেজুর গাছ বিক্রি করলে তার ফল হবে বিক্রেতার, যদি ক্রেতা শর্তারোপ না করে।

‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, কেউ তাবীর করা খেজুর গাছ বিক্রি করলে তার ফল হবে বিক্রেতার, যদি ক্রেতা শর্তারোপ না করে।

حدثنا عبد الله بن يوسف، أخبرنا مالك، عن نافع، عن عبد الله بن عمر ـ رضى الله عنهما ـ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ من باع نخلا قد أبرت فثمرتها للبائع إلا أن يشترط المبتاع ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী > বিক্রয়ে শর্তারোপ করা।

সহিহ বুখারী ২৭১৭

حدثنا عبد الله بن مسلمة، حدثنا الليث، عن ابن شهاب، عن عروة، أن عائشة،ـ رضى الله عنها ـ أخبرته أن بريرة جاءت عائشة تستعينها في كتابتها، ولم تكن قضت من كتابتها شيئا، قالت لها عائشة ارجعي إلى أهلك، فإن أحبوا أن أقضي عنك كتابتك، ويكون ولاؤك لي فعلت‏.‏ فذكرت ذلك بريرة إلى أهلها فأبوا وقالوا إن شاءت أن تحتسب عليك فلتفعل، ويكون لنا ولاؤك‏.‏ فذكرت ذلك لرسول الله صلى الله عليه وسلم فقال لها ‏ "‏ ابتاعي فأعتقي، فإنما الولاء لمن أعتق ‏"‏‏.‏

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, বারীরা (রাঃ) একবার তাঁর নিকট এসে তার চুক্তি পত্রের ব্যাপারে সাহায্য প্রার্থনা করল, তখন পর্যন্ত সে চুক্তির অর্থ কিছুই আদায় করেনি। ‘আয়িশা (রাঃ) তাকে বললেন, ‘তুমি তোমার মালিকের নিকট ফিরে যাও। তারা যদি এটা পছন্দ করে যে, আমি তোমার পক্ষ থেকে তোমার চুক্তিপত্রের প্রাপ্য পরিশোধ করে দিব, আর তোমার ‘ওয়ালা’ আমার জন্য থাকবে, তাহলে আমি তাই করব।’ বারীরা (রাঃ) তার মালিককে সে কথা জানালে তারা অস্বীকার করে বলল, তিনি যদি তোমাকে দিয়ে সওয়াব পেতে চান তবে করুন, তোমার ‘ওয়ালা’ অবশ্য আমাদেরই থাকবে। ‘আয়িশা (রাঃ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে সে কথা জানালে তিনি তাঁকে বললেন, ‘তুমি তাকে কিনে নাও তারপর আযাদ করে দাও। ‘ওয়ালা’ তারই যে আযাদ করে।

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, বারীরা (রাঃ) একবার তাঁর নিকট এসে তার চুক্তি পত্রের ব্যাপারে সাহায্য প্রার্থনা করল, তখন পর্যন্ত সে চুক্তির অর্থ কিছুই আদায় করেনি। ‘আয়িশা (রাঃ) তাকে বললেন, ‘তুমি তোমার মালিকের নিকট ফিরে যাও। তারা যদি এটা পছন্দ করে যে, আমি তোমার পক্ষ থেকে তোমার চুক্তিপত্রের প্রাপ্য পরিশোধ করে দিব, আর তোমার ‘ওয়ালা’ আমার জন্য থাকবে, তাহলে আমি তাই করব।’ বারীরা (রাঃ) তার মালিককে সে কথা জানালে তারা অস্বীকার করে বলল, তিনি যদি তোমাকে দিয়ে সওয়াব পেতে চান তবে করুন, তোমার ‘ওয়ালা’ অবশ্য আমাদেরই থাকবে। ‘আয়িশা (রাঃ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে সে কথা জানালে তিনি তাঁকে বললেন, ‘তুমি তাকে কিনে নাও তারপর আযাদ করে দাও। ‘ওয়ালা’ তারই যে আযাদ করে।

حدثنا عبد الله بن مسلمة، حدثنا الليث، عن ابن شهاب، عن عروة، أن عائشة،ـ رضى الله عنها ـ أخبرته أن بريرة جاءت عائشة تستعينها في كتابتها، ولم تكن قضت من كتابتها شيئا، قالت لها عائشة ارجعي إلى أهلك، فإن أحبوا أن أقضي عنك كتابتك، ويكون ولاؤك لي فعلت‏.‏ فذكرت ذلك بريرة إلى أهلها فأبوا وقالوا إن شاءت أن تحتسب عليك فلتفعل، ويكون لنا ولاؤك‏.‏ فذكرت ذلك لرسول الله صلى الله عليه وسلم فقال لها ‏ "‏ ابتاعي فأعتقي، فإنما الولاء لمن أعتق ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী > নির্দিষ্ট স্থান পর্যন্ত সওয়ারীর পিঠে চড়ে যাবার শর্তে পশু বিক্রি করা জায়িয।

সহিহ বুখারী ২৭১৮

حدثنا أبو نعيم، حدثنا زكرياء، قال سمعت عامرا، يقول حدثني جابر ـ رضى الله عنه أنه كان يسير على جمل له قد أعيا، فمر النبي صلى الله عليه وسلم فضربه، فدعا له، فسار بسير ليس يسير مثله ثم قال ‏"‏ بعنيه بوقية ‏"‏‏.‏ قلت لا‏.‏ ثم قال ‏"‏ بعنيه بوقية ‏"‏‏.‏ فبعته فاستثنيت حملانه إلى أهلي، فلما قدمنا أتيته بالجمل، ونقدني ثمنه، ثم انصرفت، فأرسل على إثري، قال ‏"‏ ما كنت لآخذ جملك، فخذ جملك ذلك فهو مالك ‏"‏‏.‏ قال شعبة عن مغيرة عن عامر عن جابر أفقرني رسول الله صلى الله عليه وسلم ظهره إلى المدينة‏.‏ وقال إسحاق عن جرير عن مغيرة فبعته على أن لي فقار ظهره حتى أبلغ المدينة‏.‏ وقال عطاء وغيره لك ظهره إلى المدينة، وقال محمد بن المنكدر عن جابر شرط ظهره إلى المدينة‏.‏ وقال زيد بن أسلم عن جابر ولك ظهره حتى ترجع‏.‏ وقال أبو الزبير عن جابر أفقرناك ظهره إلى المدينة‏.‏ وقال الأعمش عن سالم عن جابر تبلغ عليه إلى أهلك‏.‏ وقال عبيد الله وابن إسحاق عن وهب عن جابر اشتراه النبي صلى الله عليه وسلم بوقية‏.‏ وتابعه زيد بن أسلم عن جابر‏.‏ وقال ابن جريج عن عطاء وغيره عن جابر أخذته بأربعة دنانير‏.‏ وهذا يكون وقية على حساب الدينار بعشرة دراهم‏.‏ ولم يبين الثمن مغيرة عن الشعبي عن جابر، وابن المنكدر وأبو الزبير عن جابر‏.‏ وقال الأعمش عن سالم عن جابر وقية ذهب‏.‏ وقال أبو إسحاق عن سالم عن جابر بمائتى درهم‏.‏ وقال داود بن قيس عن عبيد الله بن مقسم عن جابر اشتراه بطريق تبوك، أحسبه قال بأربع أواق‏.‏ وقال أبو نضرة عن جابر اشتراه بعشرين دينارا‏.‏ وقول الشعبي بوقية أكثر‏.‏ الاشتراط أكثر وأصح عندي‏.‏ قاله أبو عبد الله‏.‏

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি তাঁর এক উটের উপর সওয়ার হয়ে সফর করছিলেন, সেটি ক্লান্ত হয়ে গিয়েছিল। তিনি বলেন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার পাশ দিয়ে অতিক্রম করলেন এবং উটটিকে (চলার জন্য) প্রহার করে সেটির জন্য দু‘আ করলেন। ফলে উটটি এত জোরে চলতে লাগলো যে, কখনো তেমন জোরে চলেনি। অতঃপর তিনি বললেন, ‘এক উকিয়ার বিনিময়ে এটি আমার নিকট বিক্রি কর।’ আমি বললাম, না। তিনি বললেন, ‘এটি আমার নিকট এক উকিয়ার বিনিময়ে বিক্রি কর।’ তখন আমি সেটি বিক্রি করলাম। কিন্তু আমার পরিজনের নিকট পৌঁছা পর্যন্ত সওয়ার হবার অধিকার রেখে দিলাম। অতঃপর উট নিয়ে আমি তাঁর নিকট গেলাম। তিনি আমাকে এর নগদ মূল্য দিলেন। অতঃপর আমি চলে গেলাম। তখন আমার পেছনে লোক পাঠালেন। পরে বললেন, ‘তোমার উট নেয়ার ইচ্ছা আমার ছিল না। তোমার এ উট তুমি নিয়ে যাও এটি তোমারই মাল।’ শু‘বা (রহঃ) জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উটটির পেছনে মদীনা পর্যন্ত আমাকে সাওয়ার হতে দিলেন। ইসহাক (রহঃ) জারীর (রহঃ) সুত্রে মুগীরাহ (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেন, আমি সেটি এ শর্তে বিক্রি করলাম যে, ‘মদীনায় পৌঁছা পর্যন্ত তার পিঠে সাওয়ার হবার অধিকার আমার থাকবে। ‘আতা (রহঃ) প্রমুখ বলেন, [রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছিলেন], মদীনা পর্যন্ত তোমার তাতে সওয়ার হবার অধিকার থাকবে। ইব্‌নু মুনকাদির (রহঃ) জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি মদীনা পর্যন্ত এর পিঠে সওয়ার হবার শর্ত করেছেন। যায়দ ইব্‌নু আসলাম (রহঃ) জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তোমার প্রত্যাবর্তন করা পর্যন্ত এর পিঠে সওয়ার হতে পারবে। আবূ যুবাইর (রহঃ) জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তোমাকে মদীনা পর্যন্ত এর পিঠে সওয়ার হতে দিলাম। আ‘মাশ (রহঃ) সালিম (রহঃ) সূত্রে জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন, এর উপর সওয়ার হয়ে তুমি পরিজনের নিকট পৌঁছবে। ‘উবাইদুল্লাহ্‌ ও ইব্‌নু ইসহাক (রহঃ) ওয়াহাব (রহঃ) সূত্রে জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক উকিয়ার বিনিময়ে সেটি খরিদ করেছিলেন। জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণনা করতে গিয়ে যায়দ ইব্‌নু আসলাম (রহঃ) ওয়াহাব (রহঃ)-এর অনুসরণ করেছেন। ইব্‌নু জুরাইজ (রহঃ) ‘আত্বা (রহঃ) প্রমুখ সূত্রে জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, [রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, ] আমি এটাকে বার দীনারের বিনিময়ে নিলাম। দশ দিরহামে এক দীনার হিসেবে তাতে এক উকিয়াই হয়। মুগীরাহ (রহঃ) শাবী (রহঃ) সূত্রে জাবির (রাঃ) থেকে এবং ইব্‌নু মুনকাদির ও আবু যুবাইর (রহঃ) জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণনায় মূল্য উল্লেখ করেননি। আ‘মাশ (রহঃ) সালিম (রহঃ) সূত্রে জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণনায় এক উকিয়া স্বর্ণ উল্লেখ করেছেন। সালিম (রহঃ) সূত্রে জাবির (রাঃ) থেকে দাউদ ইব্‌নু কায়স (রহঃ) –এর বর্ণনায় রয়েছে যে, তিনি সেটি তাবুকের পথে খরিদ করেন। রাবী বলেন, আমার মনে হয়, তিনি বলেছেন, চার উকিয়ার বিনিময়ে। আবূ নাযরা (রহঃ) জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি সেটি বিশ দীনারে খরিদ করেছেন। তবে শাবী (রহঃ) কর্তৃক বর্ণিত এক উকিয়াই অধিক বর্ণিত। আবূ ‘আবদুল্লাহ্‌ (রহঃ) বলেন, (রিওয়ায়াতে বিভিন্ন রকমের হলেও) শর্ত আরোপ কৃত রিওয়ায়াতই অধিক সূত্রে বর্ণিত এবং আমার মতে এটাই অধিক সহীহ।

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি তাঁর এক উটের উপর সওয়ার হয়ে সফর করছিলেন, সেটি ক্লান্ত হয়ে গিয়েছিল। তিনি বলেন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার পাশ দিয়ে অতিক্রম করলেন এবং উটটিকে (চলার জন্য) প্রহার করে সেটির জন্য দু‘আ করলেন। ফলে উটটি এত জোরে চলতে লাগলো যে, কখনো তেমন জোরে চলেনি। অতঃপর তিনি বললেন, ‘এক উকিয়ার বিনিময়ে এটি আমার নিকট বিক্রি কর।’ আমি বললাম, না। তিনি বললেন, ‘এটি আমার নিকট এক উকিয়ার বিনিময়ে বিক্রি কর।’ তখন আমি সেটি বিক্রি করলাম। কিন্তু আমার পরিজনের নিকট পৌঁছা পর্যন্ত সওয়ার হবার অধিকার রেখে দিলাম। অতঃপর উট নিয়ে আমি তাঁর নিকট গেলাম। তিনি আমাকে এর নগদ মূল্য দিলেন। অতঃপর আমি চলে গেলাম। তখন আমার পেছনে লোক পাঠালেন। পরে বললেন, ‘তোমার উট নেয়ার ইচ্ছা আমার ছিল না। তোমার এ উট তুমি নিয়ে যাও এটি তোমারই মাল।’ শু‘বা (রহঃ) জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উটটির পেছনে মদীনা পর্যন্ত আমাকে সাওয়ার হতে দিলেন। ইসহাক (রহঃ) জারীর (রহঃ) সুত্রে মুগীরাহ (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেন, আমি সেটি এ শর্তে বিক্রি করলাম যে, ‘মদীনায় পৌঁছা পর্যন্ত তার পিঠে সাওয়ার হবার অধিকার আমার থাকবে। ‘আতা (রহঃ) প্রমুখ বলেন, [রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছিলেন], মদীনা পর্যন্ত তোমার তাতে সওয়ার হবার অধিকার থাকবে। ইব্‌নু মুনকাদির (রহঃ) জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি মদীনা পর্যন্ত এর পিঠে সওয়ার হবার শর্ত করেছেন। যায়দ ইব্‌নু আসলাম (রহঃ) জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তোমার প্রত্যাবর্তন করা পর্যন্ত এর পিঠে সওয়ার হতে পারবে। আবূ যুবাইর (রহঃ) জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তোমাকে মদীনা পর্যন্ত এর পিঠে সওয়ার হতে দিলাম। আ‘মাশ (রহঃ) সালিম (রহঃ) সূত্রে জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন, এর উপর সওয়ার হয়ে তুমি পরিজনের নিকট পৌঁছবে। ‘উবাইদুল্লাহ্‌ ও ইব্‌নু ইসহাক (রহঃ) ওয়াহাব (রহঃ) সূত্রে জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক উকিয়ার বিনিময়ে সেটি খরিদ করেছিলেন। জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণনা করতে গিয়ে যায়দ ইব্‌নু আসলাম (রহঃ) ওয়াহাব (রহঃ)-এর অনুসরণ করেছেন। ইব্‌নু জুরাইজ (রহঃ) ‘আত্বা (রহঃ) প্রমুখ সূত্রে জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, [রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, ] আমি এটাকে বার দীনারের বিনিময়ে নিলাম। দশ দিরহামে এক দীনার হিসেবে তাতে এক উকিয়াই হয়। মুগীরাহ (রহঃ) শাবী (রহঃ) সূত্রে জাবির (রাঃ) থেকে এবং ইব্‌নু মুনকাদির ও আবু যুবাইর (রহঃ) জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণনায় মূল্য উল্লেখ করেননি। আ‘মাশ (রহঃ) সালিম (রহঃ) সূত্রে জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণনায় এক উকিয়া স্বর্ণ উল্লেখ করেছেন। সালিম (রহঃ) সূত্রে জাবির (রাঃ) থেকে দাউদ ইব্‌নু কায়স (রহঃ) –এর বর্ণনায় রয়েছে যে, তিনি সেটি তাবুকের পথে খরিদ করেন। রাবী বলেন, আমার মনে হয়, তিনি বলেছেন, চার উকিয়ার বিনিময়ে। আবূ নাযরা (রহঃ) জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি সেটি বিশ দীনারে খরিদ করেছেন। তবে শাবী (রহঃ) কর্তৃক বর্ণিত এক উকিয়াই অধিক বর্ণিত। আবূ ‘আবদুল্লাহ্‌ (রহঃ) বলেন, (রিওয়ায়াতে বিভিন্ন রকমের হলেও) শর্ত আরোপ কৃত রিওয়ায়াতই অধিক সূত্রে বর্ণিত এবং আমার মতে এটাই অধিক সহীহ।

حدثنا أبو نعيم، حدثنا زكرياء، قال سمعت عامرا، يقول حدثني جابر ـ رضى الله عنه أنه كان يسير على جمل له قد أعيا، فمر النبي صلى الله عليه وسلم فضربه، فدعا له، فسار بسير ليس يسير مثله ثم قال ‏"‏ بعنيه بوقية ‏"‏‏.‏ قلت لا‏.‏ ثم قال ‏"‏ بعنيه بوقية ‏"‏‏.‏ فبعته فاستثنيت حملانه إلى أهلي، فلما قدمنا أتيته بالجمل، ونقدني ثمنه، ثم انصرفت، فأرسل على إثري، قال ‏"‏ ما كنت لآخذ جملك، فخذ جملك ذلك فهو مالك ‏"‏‏.‏ قال شعبة عن مغيرة عن عامر عن جابر أفقرني رسول الله صلى الله عليه وسلم ظهره إلى المدينة‏.‏ وقال إسحاق عن جرير عن مغيرة فبعته على أن لي فقار ظهره حتى أبلغ المدينة‏.‏ وقال عطاء وغيره لك ظهره إلى المدينة، وقال محمد بن المنكدر عن جابر شرط ظهره إلى المدينة‏.‏ وقال زيد بن أسلم عن جابر ولك ظهره حتى ترجع‏.‏ وقال أبو الزبير عن جابر أفقرناك ظهره إلى المدينة‏.‏ وقال الأعمش عن سالم عن جابر تبلغ عليه إلى أهلك‏.‏ وقال عبيد الله وابن إسحاق عن وهب عن جابر اشتراه النبي صلى الله عليه وسلم بوقية‏.‏ وتابعه زيد بن أسلم عن جابر‏.‏ وقال ابن جريج عن عطاء وغيره عن جابر أخذته بأربعة دنانير‏.‏ وهذا يكون وقية على حساب الدينار بعشرة دراهم‏.‏ ولم يبين الثمن مغيرة عن الشعبي عن جابر، وابن المنكدر وأبو الزبير عن جابر‏.‏ وقال الأعمش عن سالم عن جابر وقية ذهب‏.‏ وقال أبو إسحاق عن سالم عن جابر بمائتى درهم‏.‏ وقال داود بن قيس عن عبيد الله بن مقسم عن جابر اشتراه بطريق تبوك، أحسبه قال بأربع أواق‏.‏ وقال أبو نضرة عن جابر اشتراه بعشرين دينارا‏.‏ وقول الشعبي بوقية أكثر‏.‏ الاشتراط أكثر وأصح عندي‏.‏ قاله أبو عبد الله‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00