সহিহ বুখারী > ব্যভিচারের অপবাদ দাতা, চোর ও ব্যভিচারীর সাক্ষ্য।
সহিহ বুখারী ২৬৪৮
حدثنا إسماعيل، قال حدثني ابن وهب، عن يونس،. وقال الليث حدثني يونس، عن ابن شهاب، أخبرني عروة بن الزبير، أن امرأة، سرقت في غزوة الفتح، فأتي بها رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم أمر فقطعت يدها. قالت عائشة فحسنت توبتها وتزوجت، وكانت تأتي بعد ذلك فأرفع حاجتها إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم.
‘উরওয়াহ ইবনু যুবায়র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
মাক্কাহ বিজয়ের সময় এক মহিলা চুরি করলে তাকে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট হাযির করা হল, অতঃপর তিনি তার সম্পর্কে নির্দেশ জারি করলে তার হাত কাটা হল। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, অতঃপর খাঁটি তাওবা করল এবং বিয়ে করল। অতঃপর সে আসলে আমি তার প্রয়োজন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সমীপে উপস্থাপন করতাম।
‘উরওয়াহ ইবনু যুবায়র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
মাক্কাহ বিজয়ের সময় এক মহিলা চুরি করলে তাকে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট হাযির করা হল, অতঃপর তিনি তার সম্পর্কে নির্দেশ জারি করলে তার হাত কাটা হল। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, অতঃপর খাঁটি তাওবা করল এবং বিয়ে করল। অতঃপর সে আসলে আমি তার প্রয়োজন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সমীপে উপস্থাপন করতাম।
حدثنا إسماعيل، قال حدثني ابن وهب، عن يونس،. وقال الليث حدثني يونس، عن ابن شهاب، أخبرني عروة بن الزبير، أن امرأة، سرقت في غزوة الفتح، فأتي بها رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم أمر فقطعت يدها. قالت عائشة فحسنت توبتها وتزوجت، وكانت تأتي بعد ذلك فأرفع حاجتها إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم.
সহিহ বুখারী ২৬৪৯
حدثنا يحيى بن بكير، حدثنا الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، عن عبيد الله بن عبد الله، عن زيد بن خالد ـ رضى الله عنه ـ عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه أمر فيمن زنى ولم يحصن بجلد مائة وتغريب عام.
যায়দ ইবনু খালিদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অবিবাহিত ব্যভিচারী সম্পর্কে একশ’ বেত্রাঘাত এবং এক বছরের নির্বাসনের নির্দেশ দিয়েছেন।
যায়দ ইবনু খালিদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অবিবাহিত ব্যভিচারী সম্পর্কে একশ’ বেত্রাঘাত এবং এক বছরের নির্বাসনের নির্দেশ দিয়েছেন।
حدثنا يحيى بن بكير، حدثنا الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، عن عبيد الله بن عبد الله، عن زيد بن خالد ـ رضى الله عنه ـ عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه أمر فيمن زنى ولم يحصن بجلد مائة وتغريب عام.
সহিহ বুখারী > অন্যায়ের পক্ষে সাক্ষী বানানো হলেও সাক্ষ্য দিবে না।
সহিহ বুখারী ২৬৫২
حدثنا محمد بن كثير، أخبرنا سفيان، عن منصور، عن إبراهيم، عن عبيدة، عن عبد الله ـ رضى الله عنه ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " خير الناس قرني، ثم الذين يلونهم، ثم الذين يلونهم، ثم يجيء أقوام تسبق شهادة أحدهم يمينه، ويمينه شهادته ". قال إبراهيم وكانوا يضربوننا على الشهادة والعهد.
‘আবদুল্লাহ (ইবনু মাসঊদ) (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমার যুগের লোকেরাই সর্বোত্তম ব্যক্তি, অতঃপর যারা তাদের নিকটবর্তী। অতঃপর যারা তাদের নিকটবর্তী। এরপর এমন সব ব্যক্তি আসবে যারা কসম করার আগেই সাক্ষ্য দিবে, আবার সাক্ষ্য দেয়ার আগে কসম করে বসবে। ইবরাহীম (নাখ্ঈ) (রহঃ) বলেন, আমাদেরকে সাক্ষ্য দিলে ও অঙ্গিকার করলে মারতেন।
‘আবদুল্লাহ (ইবনু মাসঊদ) (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমার যুগের লোকেরাই সর্বোত্তম ব্যক্তি, অতঃপর যারা তাদের নিকটবর্তী। অতঃপর যারা তাদের নিকটবর্তী। এরপর এমন সব ব্যক্তি আসবে যারা কসম করার আগেই সাক্ষ্য দিবে, আবার সাক্ষ্য দেয়ার আগে কসম করে বসবে। ইবরাহীম (নাখ্ঈ) (রহঃ) বলেন, আমাদেরকে সাক্ষ্য দিলে ও অঙ্গিকার করলে মারতেন।
حدثنا محمد بن كثير، أخبرنا سفيان، عن منصور، عن إبراهيم، عن عبيدة، عن عبد الله ـ رضى الله عنه ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " خير الناس قرني، ثم الذين يلونهم، ثم الذين يلونهم، ثم يجيء أقوام تسبق شهادة أحدهم يمينه، ويمينه شهادته ". قال إبراهيم وكانوا يضربوننا على الشهادة والعهد.
সহিহ বুখারী ২৬৫১
حدثنا آدم، حدثنا شعبة، حدثنا أبو جمرة، قال سمعت زهدم بن مضرب، قال سمعت عمران بن حصين ـ رضى الله عنهما ـ قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " خيركم قرني، ثم الذين يلونهم، ثم الذين يلونهم ". قال عمران لا أدري أذكر النبي صلى الله عليه وسلم بعد قرنين أو ثلاثة. قال النبي صلى الله عليه وسلم " إن بعدكم قوما يخونون ولا يؤتمنون، ويشهدون، ولا يستشهدون وينذرون ولا يفون، ويظهر فيهم السمن ".
‘ইমরান ইবনু হুসাইন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আমার যুগের লোকেরাই তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম। অতঃপর তাদের নিকটবর্তী যুগের লোকেরা, অতঃপর তাদের নিকটবর্তী যুগের লোকেরা। ‘ইমরান (রাঃ) বলেন, আমি বলতে পারছি না, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (তাঁর যুগের) পরে দুই যুগের কথা বলেছিলেন, বা তিন যুগের কথা। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছিলেন, তোমাদের পর এমন লোকেরা আসবে, যারা খিয়ানত করবে, আমানত রক্ষা করবে না। সাক্ষ্য দিতে না ডাকলেও তারা সাক্ষ্য দিবে। তারা মান্নত করবে কিন্তু তা পূর্ণ করবে না। তাদের মধ্যে মেদওয়ালাদের প্রকাশ ঘটবে।
‘ইমরান ইবনু হুসাইন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আমার যুগের লোকেরাই তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম। অতঃপর তাদের নিকটবর্তী যুগের লোকেরা, অতঃপর তাদের নিকটবর্তী যুগের লোকেরা। ‘ইমরান (রাঃ) বলেন, আমি বলতে পারছি না, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (তাঁর যুগের) পরে দুই যুগের কথা বলেছিলেন, বা তিন যুগের কথা। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছিলেন, তোমাদের পর এমন লোকেরা আসবে, যারা খিয়ানত করবে, আমানত রক্ষা করবে না। সাক্ষ্য দিতে না ডাকলেও তারা সাক্ষ্য দিবে। তারা মান্নত করবে কিন্তু তা পূর্ণ করবে না। তাদের মধ্যে মেদওয়ালাদের প্রকাশ ঘটবে।
حدثنا آدم، حدثنا شعبة، حدثنا أبو جمرة، قال سمعت زهدم بن مضرب، قال سمعت عمران بن حصين ـ رضى الله عنهما ـ قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " خيركم قرني، ثم الذين يلونهم، ثم الذين يلونهم ". قال عمران لا أدري أذكر النبي صلى الله عليه وسلم بعد قرنين أو ثلاثة. قال النبي صلى الله عليه وسلم " إن بعدكم قوما يخونون ولا يؤتمنون، ويشهدون، ولا يستشهدون وينذرون ولا يفون، ويظهر فيهم السمن ".
সহিহ বুখারী ২৬৫০
حدثنا عبدان، أخبرنا عبد الله، أخبرنا أبو حيان التيمي، عن الشعبي، عن النعمان بن بشير ـ رضى الله عنهما ـ قال سألت أمي أبي بعض الموهبة لي من ماله، ثم بدا له فوهبها لي فقالت لا أرضى حتى تشهد النبي صلى الله عليه وسلم. فأخذ بيدي وأنا غلام، فأتى بي النبي صلى الله عليه وسلم فقال إن أمه بنت رواحة سألتني بعض الموهبة لهذا، قال " ألك ولد سواه ". قال نعم. قال فأراه قال " لا تشهدني على جور ". وقال أبو حريز عن الشعبي " لا أشهد على جور ".
নু’মান ইবনু বাশীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমার মাতা আমার পিতাকে তার মালের কিছু আমাকে দান করতে বললেন। পরে তা দেয়া ভাল মনে করলে আমাকে তা দান করেন। তিনি (আমার মাতা) তখন বললেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে সাক্ষী মানা ব্যতীত আমি রাজী নই। অতঃপর তিনি (আমার পিতা) আমার হাত ধরে আমাকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট নিয়ে গেলেন, আমি তখন বালক মাত্র। তিনি বললেন, এর মা বিন্তে রাওয়াহা একে কিছু দান করার জন্য আমার নিকট আবেদন জানিয়েছে। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, সে ব্যতীত তোমার আর কোন ছেলে আছে? তিন বললেন, হ্যাঁ, আছে। নু‘মান (রাঃ) বলেন, আমার মনে পড়ে, তিনি বলেছিলেন, আমাকে অন্যায় কাজে সাক্ষী করবেন না। আর আবূ হারীয (রহঃ) ইমাম শা‘বী (রহঃ) সূত্রে বর্ণনা করেছেন, আমি অন্যায় কাজে সাক্ষী হতে পারি না।
নু’মান ইবনু বাশীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমার মাতা আমার পিতাকে তার মালের কিছু আমাকে দান করতে বললেন। পরে তা দেয়া ভাল মনে করলে আমাকে তা দান করেন। তিনি (আমার মাতা) তখন বললেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে সাক্ষী মানা ব্যতীত আমি রাজী নই। অতঃপর তিনি (আমার পিতা) আমার হাত ধরে আমাকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট নিয়ে গেলেন, আমি তখন বালক মাত্র। তিনি বললেন, এর মা বিন্তে রাওয়াহা একে কিছু দান করার জন্য আমার নিকট আবেদন জানিয়েছে। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, সে ব্যতীত তোমার আর কোন ছেলে আছে? তিন বললেন, হ্যাঁ, আছে। নু‘মান (রাঃ) বলেন, আমার মনে পড়ে, তিনি বলেছিলেন, আমাকে অন্যায় কাজে সাক্ষী করবেন না। আর আবূ হারীয (রহঃ) ইমাম শা‘বী (রহঃ) সূত্রে বর্ণনা করেছেন, আমি অন্যায় কাজে সাক্ষী হতে পারি না।
حدثنا عبدان، أخبرنا عبد الله، أخبرنا أبو حيان التيمي، عن الشعبي، عن النعمان بن بشير ـ رضى الله عنهما ـ قال سألت أمي أبي بعض الموهبة لي من ماله، ثم بدا له فوهبها لي فقالت لا أرضى حتى تشهد النبي صلى الله عليه وسلم. فأخذ بيدي وأنا غلام، فأتى بي النبي صلى الله عليه وسلم فقال إن أمه بنت رواحة سألتني بعض الموهبة لهذا، قال " ألك ولد سواه ". قال نعم. قال فأراه قال " لا تشهدني على جور ". وقال أبو حريز عن الشعبي " لا أشهد على جور ".
সহিহ বুখারী > মিথ্যা সাক্ষ্যদান প্রসঙ্গে যা বলা হয়েছে।
সহিহ বুখারী ২৬৫৩
حدثنا عبد الله بن منير، سمع وهب بن جرير، وعبد الملك بن إبراهيم، قالا حدثنا شعبة، عن عبيد الله بن أبي بكر بن أنس، عن أنس ـ رضى الله عنه ـ قال سئل النبي صلى الله عليه وسلم عن الكبائر قال " الإشراك بالله، وعقوق الوالدين، وقتل النفس، وشهادة الزور ". تابعه غندر وأبو عامر وبهز وعبد الصمد عن شعبة.
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে কাবীরাহ গুনাহ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেন, আল্লাহর সঙ্গে শরীক করা, পিতা-মাতার অবাধ্য হওয়া, কাউকে হত্যা করা এবং মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়া। গুনদর, আবূ আমির, বাহয ও ‘আবদুস সামাদ (রহঃ) শু‘বা (রহঃ) হতে বর্ণনায় ওয়াহাব (রহঃ)-এর অনুসরণ করেছেন।
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে কাবীরাহ গুনাহ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেন, আল্লাহর সঙ্গে শরীক করা, পিতা-মাতার অবাধ্য হওয়া, কাউকে হত্যা করা এবং মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়া। গুনদর, আবূ আমির, বাহয ও ‘আবদুস সামাদ (রহঃ) শু‘বা (রহঃ) হতে বর্ণনায় ওয়াহাব (রহঃ)-এর অনুসরণ করেছেন।
حدثنا عبد الله بن منير، سمع وهب بن جرير، وعبد الملك بن إبراهيم، قالا حدثنا شعبة، عن عبيد الله بن أبي بكر بن أنس، عن أنس ـ رضى الله عنه ـ قال سئل النبي صلى الله عليه وسلم عن الكبائر قال " الإشراك بالله، وعقوق الوالدين، وقتل النفس، وشهادة الزور ". تابعه غندر وأبو عامر وبهز وعبد الصمد عن شعبة.
সহিহ বুখারী ২৬৫৪
حدثنا مسدد، حدثنا بشر بن المفضل، حدثنا الجريري، عن عبد الرحمن بن أبي بكرة، عن أبيه ـ رضى الله عنه ـ قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " ألا أنبئكم بأكبر الكبائر ". ثلاثا. قالوا بلى يا رسول الله. قال " الإشراك بالله، وعقوق الوالدين ". وجلس وكان متكئا فقال " ألا وقول الزور ". قال فما زال يكررها حتى قلنا ليته سكت. وقال إسماعيل بن إبراهيم حدثنا الجريري حدثنا عبد الرحمن.
আবূ বক্র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদা তিনবার বললেন, আমি কি তোমাদেরকে সবচেয়ে বড় কবীরা গুনাহগুলো সম্পর্কে অবহিত করব না? সকলে বললেন, হে আল্লাহর রসূল! অবশ্যই বলুন। তিনি বললেন, আল্লাহর সঙ্গে শির্ক করা এবং পিতা-মাতার অবাধ্য হওয়া। তিনি হেলান দিয়ে বসেছিলেন; এবার সোজা হয়ে বসলেন এবং বললেন, শুনে রাখ! মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়া, এ কথাটি তিনি বার বার বলতে থাকলেন। এমনকি আমরা বলতে লাগলাম, আর যদি তিনি না বলতেন।
আবূ বক্র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদা তিনবার বললেন, আমি কি তোমাদেরকে সবচেয়ে বড় কবীরা গুনাহগুলো সম্পর্কে অবহিত করব না? সকলে বললেন, হে আল্লাহর রসূল! অবশ্যই বলুন। তিনি বললেন, আল্লাহর সঙ্গে শির্ক করা এবং পিতা-মাতার অবাধ্য হওয়া। তিনি হেলান দিয়ে বসেছিলেন; এবার সোজা হয়ে বসলেন এবং বললেন, শুনে রাখ! মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়া, এ কথাটি তিনি বার বার বলতে থাকলেন। এমনকি আমরা বলতে লাগলাম, আর যদি তিনি না বলতেন।
حدثنا مسدد، حدثنا بشر بن المفضل، حدثنا الجريري، عن عبد الرحمن بن أبي بكرة، عن أبيه ـ رضى الله عنه ـ قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " ألا أنبئكم بأكبر الكبائر ". ثلاثا. قالوا بلى يا رسول الله. قال " الإشراك بالله، وعقوق الوالدين ". وجلس وكان متكئا فقال " ألا وقول الزور ". قال فما زال يكررها حتى قلنا ليته سكت. وقال إسماعيل بن إبراهيم حدثنا الجريري حدثنا عبد الرحمن.
সহিহ বুখারী > অন্ধের সাক্ষ্যদান করা, কোন বিষয়ে তার সিদ্ধান্ত দান করা, তার বিয়ে করা, কাউকে বিয়ে দেয়া, তার ক্রয়-বিক্রয় করা, তার আযান দেয়া ইত্যাদির ব্যাপারে তাকে অনুমোদন করা এবং আওয়াজে পরিচয় করা।
সহিহ বুখারী ২৬৫৬
حدثنا مالك بن إسماعيل، حدثنا عبد العزيز بن أبي سلمة، أخبرنا ابن شهاب، عن سالم بن عبد الله، عن عبد الله بن عمر ـ رضى الله عنهما ـ قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " إن بلالا يؤذن بليل فكلوا واشربوا حتى يؤذن ـ أو قال حتى تسمعوا ـ أذان ابن أم مكتوم ". وكان ابن أم مكتوم رجلا أعمى، لا يؤذن حتى يقول له الناس أصبحت.
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, বিলাল (রাঃ) রাত থাকতেই আযান দিয়ে থাকে। সুতরাং ইবনু উম্মে মাকতূম (রাঃ) আযান দেয়া পর্যন্ত তোমরা পানাহার করতে পার। অথবা তিনি বলেন, ইবনু উম্মে মাকতূম (রাঃ)-এর আযান শোনা পর্যন্ত। ইবনু মাকতূম (রাঃ) অন্ধ ছিলেন, ‘সকাল হয়েছে’ লোকেরা এ কথা তাকে না বলা পর্যন্ত তিনি আযান দিতেন না।
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, বিলাল (রাঃ) রাত থাকতেই আযান দিয়ে থাকে। সুতরাং ইবনু উম্মে মাকতূম (রাঃ) আযান দেয়া পর্যন্ত তোমরা পানাহার করতে পার। অথবা তিনি বলেন, ইবনু উম্মে মাকতূম (রাঃ)-এর আযান শোনা পর্যন্ত। ইবনু মাকতূম (রাঃ) অন্ধ ছিলেন, ‘সকাল হয়েছে’ লোকেরা এ কথা তাকে না বলা পর্যন্ত তিনি আযান দিতেন না।
حدثنا مالك بن إسماعيل، حدثنا عبد العزيز بن أبي سلمة، أخبرنا ابن شهاب، عن سالم بن عبد الله، عن عبد الله بن عمر ـ رضى الله عنهما ـ قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " إن بلالا يؤذن بليل فكلوا واشربوا حتى يؤذن ـ أو قال حتى تسمعوا ـ أذان ابن أم مكتوم ". وكان ابن أم مكتوم رجلا أعمى، لا يؤذن حتى يقول له الناس أصبحت.
সহিহ বুখারী ২৬৫৫
حدثنا محمد بن عبيد بن ميمون، أخبرنا عيسى بن يونس، عن هشام، عن أبيه، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ قالت سمع النبي صلى الله عليه وسلم رجلا يقرأ في المسجد فقال " رحمه الله، لقد أذكرني كذا وكذا آية، أسقطتهن من سورة كذا وكذا ". وزاد عباد بن عبد الله عن عائشة تهجد النبي صلى الله عليه وسلم في بيتي فسمع صوت عباد يصلي في المسجد فقال " يا عائشة، أصوت عباد هذا ". قلت نعم. قال " اللهم ارحم عبادا ".
‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জনৈক ব্যক্তিকে মাসজিদে (কুরআন) পড়তে শুনলেন। তিনি বললেন, আল্লাহ তার প্রতি রহম করুন। সে আমাকে অমুক অমুক আয়াত স্মরণ করে দিয়েছে, যা আমি অমুক অমুক সূরা হতে ভুলে গিয়েছিলাম। ‘আব্বাদ ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রহঃ) ‘আয়িশা (রাঃ) হতে এতটুকু অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার ঘরে তাহাজ্জুদের সলাত আদায় করলেন। সে সময় তিনি মসজিদে সলাত রত ‘আব্বাদের আওয়াজ শুনতে পেয়ে জিজ্ঞেস করলেন, হে ‘আয়িশা! এটা কি ‘আব্বাদের কন্ঠস্বর? আমি বললাম হ্যাঁ। তখন তিনি বললেন, আল্লাহ ‘আব্বাদের প্রতি রহম করুন।
‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জনৈক ব্যক্তিকে মাসজিদে (কুরআন) পড়তে শুনলেন। তিনি বললেন, আল্লাহ তার প্রতি রহম করুন। সে আমাকে অমুক অমুক আয়াত স্মরণ করে দিয়েছে, যা আমি অমুক অমুক সূরা হতে ভুলে গিয়েছিলাম। ‘আব্বাদ ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রহঃ) ‘আয়িশা (রাঃ) হতে এতটুকু অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার ঘরে তাহাজ্জুদের সলাত আদায় করলেন। সে সময় তিনি মসজিদে সলাত রত ‘আব্বাদের আওয়াজ শুনতে পেয়ে জিজ্ঞেস করলেন, হে ‘আয়িশা! এটা কি ‘আব্বাদের কন্ঠস্বর? আমি বললাম হ্যাঁ। তখন তিনি বললেন, আল্লাহ ‘আব্বাদের প্রতি রহম করুন।
حدثنا محمد بن عبيد بن ميمون، أخبرنا عيسى بن يونس، عن هشام، عن أبيه، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ قالت سمع النبي صلى الله عليه وسلم رجلا يقرأ في المسجد فقال " رحمه الله، لقد أذكرني كذا وكذا آية، أسقطتهن من سورة كذا وكذا ". وزاد عباد بن عبد الله عن عائشة تهجد النبي صلى الله عليه وسلم في بيتي فسمع صوت عباد يصلي في المسجد فقال " يا عائشة، أصوت عباد هذا ". قلت نعم. قال " اللهم ارحم عبادا ".
সহিহ বুখারী ২৬৫৭
حدثنا زياد بن يحيى، حدثنا حاتم بن وردان، حدثنا أيوب، عن عبد الله بن أبي مليكة، عن المسور بن مخرمة ـ رضى الله عنهما ـ قال قدمت على النبي صلى الله عليه وسلم أقبية فقال لي أبي مخرمة انطلق بنا إليه عسى أن يعطينا منها شيئا. فقام أبي على الباب فتكلم، فعرف النبي صلى الله عليه وسلم صوته فخرج النبي صلى الله عليه وسلم ومعه قباء وهو يريه محاسنه وهو يقول " خبأت هذا لك، خبأت هذا لك ".
মিসওয়ার ইবনু মাখরামা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট ‘কাবা’ (পোশাক) আসল। আমার পিতা মাখরামা (রাঃ) তা শুনে আমাকে বললেন, আমাকে তাঁর নিকট নিয়ে চল। সেখান থেকে তিনি আমাদের কিছু দিতেও পারেন। আমার পিতা দরজার সামনে দাঁড়িয়ে কথা বললেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার আওয়াজ চিনতে পারলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তখন একটি ‘কাবা’ সঙ্গে করে বেরিয়ে এলেন, তিনি তার সৌন্দর্য বর্ণনা করছিলেন এবং বলছিলেন, আমি এটা তোমার জন্য যত্ন করে রেখেছিলাম। আমি এটা তোমার জন্য যত্ন করে রেখেছিলাম।
মিসওয়ার ইবনু মাখরামা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট ‘কাবা’ (পোশাক) আসল। আমার পিতা মাখরামা (রাঃ) তা শুনে আমাকে বললেন, আমাকে তাঁর নিকট নিয়ে চল। সেখান থেকে তিনি আমাদের কিছু দিতেও পারেন। আমার পিতা দরজার সামনে দাঁড়িয়ে কথা বললেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার আওয়াজ চিনতে পারলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তখন একটি ‘কাবা’ সঙ্গে করে বেরিয়ে এলেন, তিনি তার সৌন্দর্য বর্ণনা করছিলেন এবং বলছিলেন, আমি এটা তোমার জন্য যত্ন করে রেখেছিলাম। আমি এটা তোমার জন্য যত্ন করে রেখেছিলাম।
حدثنا زياد بن يحيى، حدثنا حاتم بن وردان، حدثنا أيوب، عن عبد الله بن أبي مليكة، عن المسور بن مخرمة ـ رضى الله عنهما ـ قال قدمت على النبي صلى الله عليه وسلم أقبية فقال لي أبي مخرمة انطلق بنا إليه عسى أن يعطينا منها شيئا. فقام أبي على الباب فتكلم، فعرف النبي صلى الله عليه وسلم صوته فخرج النبي صلى الله عليه وسلم ومعه قباء وهو يريه محاسنه وهو يقول " خبأت هذا لك، خبأت هذا لك ".