সহিহ বুখারী > শপথ পাঠ করানোর পূর্বে বিচারক বাদীকে জিজ্ঞেস করবে : তোমার কি কোন প্রমান আছে?

সহিহ বুখারী ২৬৬৭

حدثنا محمد، أخبرنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن شقيق، عن عبد الله ـ رضى الله عنه ـ قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ من حلف على يمين وهو فيها فاجر، ليقتطع بها مال امرئ مسلم، لقي الله وهو عليه غضبان ‏"‏‏.‏ قال فقال الأشعث بن قيس في والله كان ذلك، كان بيني وبين رجل من اليهود أرض فجحدني، فقدمته إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ألك بينة ‏"‏‏.‏ قال قلت لا‏.‏ قال فقال لليهودي ‏"‏ احلف ‏"‏‏.‏ قال قلت يا رسول الله إذا يحلف ويذهب بمالي‏.‏ قال فأنزل الله تعالى ‏{‏إن الذين يشترون بعهد الله وأيمانهم ثمنا قليلا‏}‏ إلى آخر الآية‏.‏

‘আবদুল্লাহ (ইবনু মাস‘উদ) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি কোন মুসলমানের সম্পদ আত্মসাতের উদ্দেশে মিথ্যা শপথ করবে, (কিয়ামতের দিন) সে আল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবে এমন অবস্থায় যে, আল্লাহ তার উপর অত্যন্ত অসন্তুষ্ট হবেন। রাবী বলেন, তখন আশ‘আস ইবনু কায়স (রাঃ) বলেন, আল্লাহর কসম! এ বর্ণনা আমার ব্যাপারেই। একখন্ড জমি নিয়ে (এক) ইয়াহুদীর সঙ্গে আমার বিবাদ ছিল। সে আমাকে অস্বীকার করলে আমি তাকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট হাযির করলাম। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেন, তোমার কি প্রমান আছে? আশ‘আস (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, না (কোন প্রমাণ নেই)। তখন তিনি (ইয়াহুদীকে ) বললেন, তুমি কসম কর। আশ‘আস (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! তবে তো সে (মিথ্যা) কসম করে আমার সম্পদ আত্মসাৎ করে ফেলবে। আশ‘আস (রাঃ) বলেন, তখন আল্লাহ তা‘আলা আয়াত নাযিল করেন : যারা আল্লাহর সঙ্গে কৃত ওয়াদা এবং নিজের শপথকে তুচছ মূল্যে বিক্রি করে ...... (সূরা আল ‘ইমরান : ৭৭)

‘আবদুল্লাহ (ইবনু মাস‘উদ) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি কোন মুসলমানের সম্পদ আত্মসাতের উদ্দেশে মিথ্যা শপথ করবে, (কিয়ামতের দিন) সে আল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবে এমন অবস্থায় যে, আল্লাহ তার উপর অত্যন্ত অসন্তুষ্ট হবেন। রাবী বলেন, তখন আশ‘আস ইবনু কায়স (রাঃ) বলেন, আল্লাহর কসম! এ বর্ণনা আমার ব্যাপারেই। একখন্ড জমি নিয়ে (এক) ইয়াহুদীর সঙ্গে আমার বিবাদ ছিল। সে আমাকে অস্বীকার করলে আমি তাকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট হাযির করলাম। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেন, তোমার কি প্রমান আছে? আশ‘আস (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, না (কোন প্রমাণ নেই)। তখন তিনি (ইয়াহুদীকে ) বললেন, তুমি কসম কর। আশ‘আস (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! তবে তো সে (মিথ্যা) কসম করে আমার সম্পদ আত্মসাৎ করে ফেলবে। আশ‘আস (রাঃ) বলেন, তখন আল্লাহ তা‘আলা আয়াত নাযিল করেন : যারা আল্লাহর সঙ্গে কৃত ওয়াদা এবং নিজের শপথকে তুচছ মূল্যে বিক্রি করে ...... (সূরা আল ‘ইমরান : ৭৭)

حدثنا محمد، أخبرنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن شقيق، عن عبد الله ـ رضى الله عنه ـ قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ من حلف على يمين وهو فيها فاجر، ليقتطع بها مال امرئ مسلم، لقي الله وهو عليه غضبان ‏"‏‏.‏ قال فقال الأشعث بن قيس في والله كان ذلك، كان بيني وبين رجل من اليهود أرض فجحدني، فقدمته إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ألك بينة ‏"‏‏.‏ قال قلت لا‏.‏ قال فقال لليهودي ‏"‏ احلف ‏"‏‏.‏ قال قلت يا رسول الله إذا يحلف ويذهب بمالي‏.‏ قال فأنزل الله تعالى ‏{‏إن الذين يشترون بعهد الله وأيمانهم ثمنا قليلا‏}‏ إلى آخر الآية‏.‏


সহিহ বুখারী ২৬৬৬

حدثنا محمد، أخبرنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن شقيق، عن عبد الله ـ رضى الله عنه ـ قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ من حلف على يمين وهو فيها فاجر، ليقتطع بها مال امرئ مسلم، لقي الله وهو عليه غضبان ‏"‏‏.‏ قال فقال الأشعث بن قيس في والله كان ذلك، كان بيني وبين رجل من اليهود أرض فجحدني، فقدمته إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ألك بينة ‏"‏‏.‏ قال قلت لا‏.‏ قال فقال لليهودي ‏"‏ احلف ‏"‏‏.‏ قال قلت يا رسول الله إذا يحلف ويذهب بمالي‏.‏ قال فأنزل الله تعالى ‏{‏إن الذين يشترون بعهد الله وأيمانهم ثمنا قليلا‏}‏ إلى آخر الآية‏.‏

‘আবদুল্লাহ (ইবনু মাস‘উদ) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি কোন মুসলমানের সম্পদ আত্মসাতের উদ্দেশে মিথ্যা শপথ করবে, (কিয়ামতের দিন) সে আল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবে এমন অবস্থায় যে, আল্লাহ তার উপর অত্যন্ত অসন্তুষ্ট হবেন। রাবী বলেন, তখন আশ‘আস ইবনু কায়স (রাঃ) বলেন, আল্লাহর কসম! এ বর্ণনা আমার ব্যাপারেই। একখন্ড জমি নিয়ে (এক) ইয়াহুদীর সঙ্গে আমার বিবাদ ছিল। সে আমাকে অস্বীকার করলে আমি তাকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট হাযির করলাম। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেন, তোমার কি প্রমান আছে? আশ‘আস (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, না (কোন প্রমাণ নেই)। তখন তিনি (ইয়াহুদীকে ) বললেন, তুমি কসম কর। আশ‘আস (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! তবে তো সে (মিথ্যা) কসম করে আমার সম্পদ আত্মসাৎ করে ফেলবে। আশ‘আস (রাঃ) বলেন, তখন আল্লাহ তা‘আলা আয়াত নাযিল করেন : যারা আল্লাহর সঙ্গে কৃত ওয়াদা এবং নিজের শপথকে তুচছ মূল্যে বিক্রি করে ...... (সূরা আল ‘ইমরান : ৭৭)

‘আবদুল্লাহ (ইবনু মাস‘উদ) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি কোন মুসলমানের সম্পদ আত্মসাতের উদ্দেশে মিথ্যা শপথ করবে, (কিয়ামতের দিন) সে আল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবে এমন অবস্থায় যে, আল্লাহ তার উপর অত্যন্ত অসন্তুষ্ট হবেন। রাবী বলেন, তখন আশ‘আস ইবনু কায়স (রাঃ) বলেন, আল্লাহর কসম! এ বর্ণনা আমার ব্যাপারেই। একখন্ড জমি নিয়ে (এক) ইয়াহুদীর সঙ্গে আমার বিবাদ ছিল। সে আমাকে অস্বীকার করলে আমি তাকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট হাযির করলাম। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেন, তোমার কি প্রমান আছে? আশ‘আস (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, না (কোন প্রমাণ নেই)। তখন তিনি (ইয়াহুদীকে ) বললেন, তুমি কসম কর। আশ‘আস (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! তবে তো সে (মিথ্যা) কসম করে আমার সম্পদ আত্মসাৎ করে ফেলবে। আশ‘আস (রাঃ) বলেন, তখন আল্লাহ তা‘আলা আয়াত নাযিল করেন : যারা আল্লাহর সঙ্গে কৃত ওয়াদা এবং নিজের শপথকে তুচছ মূল্যে বিক্রি করে ...... (সূরা আল ‘ইমরান : ৭৭)

حدثنا محمد، أخبرنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن شقيق، عن عبد الله ـ رضى الله عنه ـ قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ من حلف على يمين وهو فيها فاجر، ليقتطع بها مال امرئ مسلم، لقي الله وهو عليه غضبان ‏"‏‏.‏ قال فقال الأشعث بن قيس في والله كان ذلك، كان بيني وبين رجل من اليهود أرض فجحدني، فقدمته إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ألك بينة ‏"‏‏.‏ قال قلت لا‏.‏ قال فقال لليهودي ‏"‏ احلف ‏"‏‏.‏ قال قلت يا رسول الله إذا يحلف ويذهب بمالي‏.‏ قال فأنزل الله تعالى ‏{‏إن الذين يشترون بعهد الله وأيمانهم ثمنا قليلا‏}‏ إلى آخر الآية‏.‏


সহিহ বুখারী > মালামাল ও শরীয়াত নির্ধারিত দন্ডের ক্ষেত্রে বিবাদীর শপথ করা।

সহিহ বুখারী ২৬৬৮

حدثنا أبو نعيم، حدثنا نافع بن عمر، عن ابن أبي مليكة، قال كتب ابن عباس ـ رضى الله عنهما ـ أن النبي صلى الله عليه وسلم قضى باليمين على المدعى عليه‏.‏

ইবনু আবূ মুলায়কা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) আমাকে লিখে জানিয়েছেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফায়সালা দিয়েছেন যে, বিবাদীকে কসম করতে হবে।

ইবনু আবূ মুলায়কা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) আমাকে লিখে জানিয়েছেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফায়সালা দিয়েছেন যে, বিবাদীকে কসম করতে হবে।

حدثنا أبو نعيم، حدثنا نافع بن عمر، عن ابن أبي مليكة، قال كتب ابن عباس ـ رضى الله عنهما ـ أن النبي صلى الله عليه وسلم قضى باليمين على المدعى عليه‏.‏


সহিহ বুখারী ২৬৬৯

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا جرير، عن منصور، عن أبي وائل، قال قال عبد الله من حلف على يمين يستحق بها مالا لقي الله وهو عليه غضبان، ثم أنزل الله تصديق ذلك ‏{‏إن الذين يشترون بعهد الله وأيمانهم‏}‏ إلى ‏{‏عذاب أليم‏}‏‏.‏ ثم إن الأشعث بن قيس خرج إلينا فقال ما يحدثكم أبو عبد الرحمن فحدثناه بما، قال، فقال صدق لفي أنزلت، كان بيني وبين رجل خصومة في شىء، فاختصمنا إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ شاهداك أو يمينه ‏"‏‏.‏ فقلت له إنه إذا يحلف ولا يبالي‏.‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ من حلف على يمين يستحق بها مالا وهو فيها فاجر لقي الله وهو عليه غضبان ‏"‏‏.‏ فأنزل الله تصديق ذلك، ثم اقترأ هذه الآية‏.‏

‘আবদুল্লাহ (ইবনু মাস‘উদ) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যে এমন (মিথ্যা) কসম করে, যা দ্বারা মাল প্রাপ্ত হয়। সে (ক্বিয়ামাতের দিন) আল্লাহর সঙ্গে এমন অবস্থায় সাক্ষাৎ করবে যে, আল্লাহ তার উপর অসন্তুষ্ট, অতঃপর আল্লাহ তা‘আলা উক্ত বর্ণনার সমর্থনে আয়াত নাযিল করেন : যারা আল্লাহর সঙ্গে কৃত ওয়াদা এবং নিজেদের শপথকে তুচ্ছ মূল্যে বিক্রি করে ........ তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রনাদায়ক আযাব- (সূরা আল ইমরান : ৭৭)। অতঃপর আশ‘আস ইবনু কায়স (রাঃ) আমাদের নিকট বেরিয়ে এসে জিজ্ঞেস করলেন, আবূ ‘আবদুর রহমান (রহঃ) তোমাদের কী হাদীস শুনিয়েছেন? আমরা তাঁর বর্ণিত হাদীসটি তাঁকে শুনালাম। তিনি বললেন, তিনি (ইবনু মাস‘উদ) ঠিকই বলেছেন। আমার ব্যাপারেই আয়াতটি নাযিল হয়েছে। কিছু একটা নিয়ে আমার সঙ্গে এক ইয়াহূদী ব্যক্তির বিবাদ ছিল। আমরা উভয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আমাদের বিবাদ উত্থাপন করলাম। তখন তিনি বললেন, তোমাকে দু’জন সাক্ষী পেশ করতে হবে অথবা তাকে কসম করতে হবে। তখন আমি বললাম, তবে তো সে মিথ্যা কসম করতে দ্বিধা করবে না। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, কেউ যদি এমন কসম করে, যার দ্বারা মাল প্রাপ্ত হয় এবং সে যদি উক্ত ব্যাপারে মিথ্যাচারী হয়, তা হলে (কিয়ামতের দিন) সে আল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবে এমন অবস্থায় যে, আল্লাহ তার উপরে অসন্তুষ্ট থাকবেন। অতঃপর আল্লাহ তা‘আলা এ বর্ণনার সমর্থনে আয়াত নাযিল করেন। এ কথা বলে তিনি এ আয়াতটি তিলাওয়াত করলেন।

‘আবদুল্লাহ (ইবনু মাস‘উদ) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যে এমন (মিথ্যা) কসম করে, যা দ্বারা মাল প্রাপ্ত হয়। সে (ক্বিয়ামাতের দিন) আল্লাহর সঙ্গে এমন অবস্থায় সাক্ষাৎ করবে যে, আল্লাহ তার উপর অসন্তুষ্ট, অতঃপর আল্লাহ তা‘আলা উক্ত বর্ণনার সমর্থনে আয়াত নাযিল করেন : যারা আল্লাহর সঙ্গে কৃত ওয়াদা এবং নিজেদের শপথকে তুচ্ছ মূল্যে বিক্রি করে ........ তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রনাদায়ক আযাব- (সূরা আল ইমরান : ৭৭)। অতঃপর আশ‘আস ইবনু কায়স (রাঃ) আমাদের নিকট বেরিয়ে এসে জিজ্ঞেস করলেন, আবূ ‘আবদুর রহমান (রহঃ) তোমাদের কী হাদীস শুনিয়েছেন? আমরা তাঁর বর্ণিত হাদীসটি তাঁকে শুনালাম। তিনি বললেন, তিনি (ইবনু মাস‘উদ) ঠিকই বলেছেন। আমার ব্যাপারেই আয়াতটি নাযিল হয়েছে। কিছু একটা নিয়ে আমার সঙ্গে এক ইয়াহূদী ব্যক্তির বিবাদ ছিল। আমরা উভয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আমাদের বিবাদ উত্থাপন করলাম। তখন তিনি বললেন, তোমাকে দু’জন সাক্ষী পেশ করতে হবে অথবা তাকে কসম করতে হবে। তখন আমি বললাম, তবে তো সে মিথ্যা কসম করতে দ্বিধা করবে না। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, কেউ যদি এমন কসম করে, যার দ্বারা মাল প্রাপ্ত হয় এবং সে যদি উক্ত ব্যাপারে মিথ্যাচারী হয়, তা হলে (কিয়ামতের দিন) সে আল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবে এমন অবস্থায় যে, আল্লাহ তার উপরে অসন্তুষ্ট থাকবেন। অতঃপর আল্লাহ তা‘আলা এ বর্ণনার সমর্থনে আয়াত নাযিল করেন। এ কথা বলে তিনি এ আয়াতটি তিলাওয়াত করলেন।

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا جرير، عن منصور، عن أبي وائل، قال قال عبد الله من حلف على يمين يستحق بها مالا لقي الله وهو عليه غضبان، ثم أنزل الله تصديق ذلك ‏{‏إن الذين يشترون بعهد الله وأيمانهم‏}‏ إلى ‏{‏عذاب أليم‏}‏‏.‏ ثم إن الأشعث بن قيس خرج إلينا فقال ما يحدثكم أبو عبد الرحمن فحدثناه بما، قال، فقال صدق لفي أنزلت، كان بيني وبين رجل خصومة في شىء، فاختصمنا إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ شاهداك أو يمينه ‏"‏‏.‏ فقلت له إنه إذا يحلف ولا يبالي‏.‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ من حلف على يمين يستحق بها مالا وهو فيها فاجر لقي الله وهو عليه غضبان ‏"‏‏.‏ فأنزل الله تصديق ذلك، ثم اقترأ هذه الآية‏.‏


সহিহ বুখারী ২৬৭০

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا جرير، عن منصور، عن أبي وائل، قال قال عبد الله من حلف على يمين يستحق بها مالا لقي الله وهو عليه غضبان، ثم أنزل الله تصديق ذلك ‏{‏إن الذين يشترون بعهد الله وأيمانهم‏}‏ إلى ‏{‏عذاب أليم‏}‏‏.‏ ثم إن الأشعث بن قيس خرج إلينا فقال ما يحدثكم أبو عبد الرحمن فحدثناه بما، قال، فقال صدق لفي أنزلت، كان بيني وبين رجل خصومة في شىء، فاختصمنا إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ شاهداك أو يمينه ‏"‏‏.‏ فقلت له إنه إذا يحلف ولا يبالي‏.‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ من حلف على يمين يستحق بها مالا وهو فيها فاجر لقي الله وهو عليه غضبان ‏"‏‏.‏ فأنزل الله تصديق ذلك، ثم اقترأ هذه الآية‏.‏

‘আবদুল্লাহ (ইবনু মাস‘উদ) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যে এমন (মিথ্যা) কসম করে, যা দ্বারা মাল প্রাপ্ত হয়। সে (ক্বিয়ামাতের দিন) আল্লাহর সঙ্গে এমন অবস্থায় সাক্ষাৎ করবে যে, আল্লাহ তার উপর অসন্তুষ্ট, অতঃপর আল্লাহ তা‘আলা উক্ত বর্ণনার সমর্থনে আয়াত নাযিল করেন : যারা আল্লাহর সঙ্গে কৃত ওয়াদা এবং নিজেদের শপথকে তুচ্ছ মূল্যে বিক্রি করে ........ তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রনাদায়ক আযাব- (সূরা আল ইমরান : ৭৭)। অতঃপর আশ‘আস ইবনু কায়স (রাঃ) আমাদের নিকট বেরিয়ে এসে জিজ্ঞেস করলেন, আবূ ‘আবদুর রহমান (রহঃ) তোমাদের কী হাদীস শুনিয়েছেন? আমরা তাঁর বর্ণিত হাদীসটি তাঁকে শুনালাম। তিনি বললেন, তিনি (ইবনু মাস‘উদ) ঠিকই বলেছেন। আমার ব্যাপারেই আয়াতটি নাযিল হয়েছে। কিছু একটা নিয়ে আমার সঙ্গে এক ইয়াহূদী ব্যক্তির বিবাদ ছিল। আমরা উভয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আমাদের বিবাদ উত্থাপন করলাম। তখন তিনি বললেন, তোমাকে দু’জন সাক্ষী পেশ করতে হবে অথবা তাকে কসম করতে হবে। তখন আমি বললাম, তবে তো সে মিথ্যা কসম করতে দ্বিধা করবে না। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, কেউ যদি এমন কসম করে, যার দ্বারা মাল প্রাপ্ত হয় এবং সে যদি উক্ত ব্যাপারে মিথ্যাচারী হয়, তা হলে (কিয়ামতের দিন) সে আল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবে এমন অবস্থায় যে, আল্লাহ তার উপরে অসন্তুষ্ট থাকবেন। অতঃপর আল্লাহ তা‘আলা এ বর্ণনার সমর্থনে আয়াত নাযিল করেন। এ কথা বলে তিনি এ আয়াতটি তিলাওয়াত করলেন।

‘আবদুল্লাহ (ইবনু মাস‘উদ) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যে এমন (মিথ্যা) কসম করে, যা দ্বারা মাল প্রাপ্ত হয়। সে (ক্বিয়ামাতের দিন) আল্লাহর সঙ্গে এমন অবস্থায় সাক্ষাৎ করবে যে, আল্লাহ তার উপর অসন্তুষ্ট, অতঃপর আল্লাহ তা‘আলা উক্ত বর্ণনার সমর্থনে আয়াত নাযিল করেন : যারা আল্লাহর সঙ্গে কৃত ওয়াদা এবং নিজেদের শপথকে তুচ্ছ মূল্যে বিক্রি করে ........ তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রনাদায়ক আযাব- (সূরা আল ইমরান : ৭৭)। অতঃপর আশ‘আস ইবনু কায়স (রাঃ) আমাদের নিকট বেরিয়ে এসে জিজ্ঞেস করলেন, আবূ ‘আবদুর রহমান (রহঃ) তোমাদের কী হাদীস শুনিয়েছেন? আমরা তাঁর বর্ণিত হাদীসটি তাঁকে শুনালাম। তিনি বললেন, তিনি (ইবনু মাস‘উদ) ঠিকই বলেছেন। আমার ব্যাপারেই আয়াতটি নাযিল হয়েছে। কিছু একটা নিয়ে আমার সঙ্গে এক ইয়াহূদী ব্যক্তির বিবাদ ছিল। আমরা উভয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আমাদের বিবাদ উত্থাপন করলাম। তখন তিনি বললেন, তোমাকে দু’জন সাক্ষী পেশ করতে হবে অথবা তাকে কসম করতে হবে। তখন আমি বললাম, তবে তো সে মিথ্যা কসম করতে দ্বিধা করবে না। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, কেউ যদি এমন কসম করে, যার দ্বারা মাল প্রাপ্ত হয় এবং সে যদি উক্ত ব্যাপারে মিথ্যাচারী হয়, তা হলে (কিয়ামতের দিন) সে আল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবে এমন অবস্থায় যে, আল্লাহ তার উপরে অসন্তুষ্ট থাকবেন। অতঃপর আল্লাহ তা‘আলা এ বর্ণনার সমর্থনে আয়াত নাযিল করেন। এ কথা বলে তিনি এ আয়াতটি তিলাওয়াত করলেন।

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا جرير، عن منصور، عن أبي وائل، قال قال عبد الله من حلف على يمين يستحق بها مالا لقي الله وهو عليه غضبان، ثم أنزل الله تصديق ذلك ‏{‏إن الذين يشترون بعهد الله وأيمانهم‏}‏ إلى ‏{‏عذاب أليم‏}‏‏.‏ ثم إن الأشعث بن قيس خرج إلينا فقال ما يحدثكم أبو عبد الرحمن فحدثناه بما، قال، فقال صدق لفي أنزلت، كان بيني وبين رجل خصومة في شىء، فاختصمنا إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ شاهداك أو يمينه ‏"‏‏.‏ فقلت له إنه إذا يحلف ولا يبالي‏.‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ من حلف على يمين يستحق بها مالا وهو فيها فاجر لقي الله وهو عليه غضبان ‏"‏‏.‏ فأنزل الله تصديق ذلك، ثم اقترأ هذه الآية‏.‏


সহিহ বুখারী > কেউ কোন দাবী করলে কিংবা মিথ্যারোপ করলে তাকেই প্রমাণ দিতে হবে এবং প্রমান সন্ধানে বেরোতে হবে।

সহিহ বুখারী ২৬৭১

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا ابن أبي عدي، عن هشام، حدثنا عكرمة، عن ابن عباس ـ رضى الله عنهما ـ أن هلال بن أمية، قذف امرأته عند النبي صلى الله عليه وسلم بشريك بن سحماء، فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ البينة أو حد في ظهرك ‏"‏‏.‏ فقال يا رسول الله إذا رأى أحدنا على امرأته رجلا ينطلق يلتمس البينة فجعل يقول ‏"‏ البينة وإلا حد في ظهرك ‏"‏‏.‏ فذكر حديث اللعان‏.‏

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

হিলাল ইবনু উমাইয়া নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে শারীক ইবনু সাহমা এর সঙ্গে ব্যভিচারে লিপ্ত হবার অভিযোগ করলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হয় তুমি প্রমান পেশ করবে, নয় তোমার পিঠে দন্ড আপতিত হবে। সে বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমাদের কেউ কি আপন স্ত্রীর উপর অপর কোন পুরুষকে দেখে প্রমান সংগ্রহের জন্য ছুটে যাবে? কিন্তু নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একই কথা বলতে থাকলেন, হয় প্রমান পেশ করবে, নয় তোমার পিঠে বেত্রাঘাতের দন্ড আপতিত হবে। তারপর তিনি লি‘আন ........ সংক্রান্ত হাদীস বর্ণনা করলেন।

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

হিলাল ইবনু উমাইয়া নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে শারীক ইবনু সাহমা এর সঙ্গে ব্যভিচারে লিপ্ত হবার অভিযোগ করলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হয় তুমি প্রমান পেশ করবে, নয় তোমার পিঠে দন্ড আপতিত হবে। সে বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমাদের কেউ কি আপন স্ত্রীর উপর অপর কোন পুরুষকে দেখে প্রমান সংগ্রহের জন্য ছুটে যাবে? কিন্তু নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একই কথা বলতে থাকলেন, হয় প্রমান পেশ করবে, নয় তোমার পিঠে বেত্রাঘাতের দন্ড আপতিত হবে। তারপর তিনি লি‘আন ........ সংক্রান্ত হাদীস বর্ণনা করলেন।

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا ابن أبي عدي، عن هشام، حدثنا عكرمة، عن ابن عباس ـ رضى الله عنهما ـ أن هلال بن أمية، قذف امرأته عند النبي صلى الله عليه وسلم بشريك بن سحماء، فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ البينة أو حد في ظهرك ‏"‏‏.‏ فقال يا رسول الله إذا رأى أحدنا على امرأته رجلا ينطلق يلتمس البينة فجعل يقول ‏"‏ البينة وإلا حد في ظهرك ‏"‏‏.‏ فذكر حديث اللعان‏.‏


সহিহ বুখারী > ‘আসরের পর শপথ করা।

সহিহ বুখারী ২৬৭২

حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا جرير بن عبد الحميد، عن الأعمش، عن أبي صالح، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ ثلاثة لا يكلمهم الله، ولا ينظر إليهم ولا يزكيهم، ولهم عذاب أليم رجل على فضل ماء بطريق يمنع منه ابن السبيل، ورجل بايع رجلا لا يبايعه إلا للدنيا، فإن أعطاه ما يريد وفى له، وإلا لم يف له، ورجل ساوم رجلا بسلعة بعد العصر، فحلف بالله لقد أعطي به كذا وكذا، فأخذها ‏"‏‏.‏

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তিন শ্রেণীর লোকের সাথে ক্বিয়ামাতের দিন আল্লাহ তা‘আলা কথা বলবেন না এবং (করুণার দৃষ্টিতে) তাদের প্রতি তাকাবেন না এবং তাদের পাপ মোচন করবেন না আর তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি। প্রথম শ্রেণীর সে, যার নিকট অতিরিক্ত পানি রয়েছে রাস্তার পাশে, আর সে পানি হতে মুসাফিরকে বঞ্চিত রাখে। আর এক ব্যক্তি সে, যে কারো আনুগত্যের বায়আত করে এবং একমাত্র দুনিয়ার গরযেই সে তা করে। ফলে চাহিদা মাফিক তাকে দিলে সে অনুগত থাকে, আর না দিলে অনুগত থাকে না। আর এক শ্রেণীর সে, যে ‘আসরের পর কারো সঙ্গে পণ্য নিয়ে দাম দর করে এবং আল্লাহর নামে মিথ্যা হলফ করে বলে যে. সে ক্রয় করতে এত মূল্য দিয়েছে আর তা শুনে ক্রেতা তা কিনে নেয়।

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তিন শ্রেণীর লোকের সাথে ক্বিয়ামাতের দিন আল্লাহ তা‘আলা কথা বলবেন না এবং (করুণার দৃষ্টিতে) তাদের প্রতি তাকাবেন না এবং তাদের পাপ মোচন করবেন না আর তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি। প্রথম শ্রেণীর সে, যার নিকট অতিরিক্ত পানি রয়েছে রাস্তার পাশে, আর সে পানি হতে মুসাফিরকে বঞ্চিত রাখে। আর এক ব্যক্তি সে, যে কারো আনুগত্যের বায়আত করে এবং একমাত্র দুনিয়ার গরযেই সে তা করে। ফলে চাহিদা মাফিক তাকে দিলে সে অনুগত থাকে, আর না দিলে অনুগত থাকে না। আর এক শ্রেণীর সে, যে ‘আসরের পর কারো সঙ্গে পণ্য নিয়ে দাম দর করে এবং আল্লাহর নামে মিথ্যা হলফ করে বলে যে. সে ক্রয় করতে এত মূল্য দিয়েছে আর তা শুনে ক্রেতা তা কিনে নেয়।

حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا جرير بن عبد الحميد، عن الأعمش، عن أبي صالح، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ ثلاثة لا يكلمهم الله، ولا ينظر إليهم ولا يزكيهم، ولهم عذاب أليم رجل على فضل ماء بطريق يمنع منه ابن السبيل، ورجل بايع رجلا لا يبايعه إلا للدنيا، فإن أعطاه ما يريد وفى له، وإلا لم يف له، ورجل ساوم رجلا بسلعة بعد العصر، فحلف بالله لقد أعطي به كذا وكذا، فأخذها ‏"‏‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00