সহিহ বুখারী > মানুষের কাছ থেকে যে ব্যক্তি ঘোড়া, চতুষ্পদ জন্তু বা অন্য কোন কিছু ধার নেয়।

সহিহ বুখারী ২৬২৭

حدثنا آدم، حدثنا شعبة، عن قتادة، قال سمعت أنسا، يقول كان فزع بالمدينة فاستعار النبي صلى الله عليه وسلم فرسا من أبي طلحة يقال له المندوب، فركب فلما رجع قال ‏ "‏ ما رأينا من شىء، وإن وجدناه لبحرا ‏"‏‏.‏

ক্বাতাদাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আনাস (রাঃ) -কে বলতে শুনেছি, মদীনায় একবার শত্রুর আক্রমণের ভয় ছড়িয়ে পড়ল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তখন আবূ ত্বলহা (রাঃ)-এর নিকট হতে একটি ঘোড়া ধার নিলেন এবং তাতে সাওয়ার হলেন। ঘোড়াটির নাম ছিল মানদূব। অতঃপর তিনি ঘোড়াটিতে টহল দিয়ে ফিরে এসে বললেন, কিছুই তো দেখতে পেলাম না, তবে এই ঘোড়াটিকে আমি সমুদ্রের তরঙ্গের মতো পেয়েছি।

ক্বাতাদাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আনাস (রাঃ) -কে বলতে শুনেছি, মদীনায় একবার শত্রুর আক্রমণের ভয় ছড়িয়ে পড়ল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তখন আবূ ত্বলহা (রাঃ)-এর নিকট হতে একটি ঘোড়া ধার নিলেন এবং তাতে সাওয়ার হলেন। ঘোড়াটির নাম ছিল মানদূব। অতঃপর তিনি ঘোড়াটিতে টহল দিয়ে ফিরে এসে বললেন, কিছুই তো দেখতে পেলাম না, তবে এই ঘোড়াটিকে আমি সমুদ্রের তরঙ্গের মতো পেয়েছি।

حدثنا آدم، حدثنا شعبة، عن قتادة، قال سمعت أنسا، يقول كان فزع بالمدينة فاستعار النبي صلى الله عليه وسلم فرسا من أبي طلحة يقال له المندوب، فركب فلما رجع قال ‏ "‏ ما رأينا من شىء، وإن وجدناه لبحرا ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী > বাসর সজ্জার উদ্দেশে নব দম্পতির কিছু ধার নেয়া।

সহিহ বুখারী ২৬২৮

حدثنا أبو نعيم، حدثنا عبد الواحد بن أيمن، قال حدثني أبي قال، دخلت على عائشة ـ رضى الله عنها ـ وعليها درع قطر ثمن خمسة دراهم، فقالت ارفع بصرك إلى جاريتي، انظر إليها فإنها تزهى أن تلبسه في البيت، وقد كان لي منهن درع على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم، فما كانت امرأة تقين بالمدينة إلا أرسلت إلى تستعيره‏.‏

আয়মান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘আয়িশা (রাঃ)-এর নিকট আমি হাযির হলাম। তাঁর গায়ে তখন পাঁচ দিরহাম মূল্যের মোটা কাপড়ের কামিজ ছিল। তিনি আমাকে বললেন, আমার এ বাঁদীটার দিকে তাকাও, ঘরের ভিতরে এটা পরতে সে অপছন্দ করে। অথচ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর যামানায় মদীনার মেয়েদের মধ্যে আমারই শুধু একটি কামিজ ছিল। মদীনায় কোন মেয়েকে বিয়ের সাজে সাজাতে গেলেই আমার নিকট কাউকে পাঠিয়ে ঐ কামিজটি চেয়ে নিত।

আয়মান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘আয়িশা (রাঃ)-এর নিকট আমি হাযির হলাম। তাঁর গায়ে তখন পাঁচ দিরহাম মূল্যের মোটা কাপড়ের কামিজ ছিল। তিনি আমাকে বললেন, আমার এ বাঁদীটার দিকে তাকাও, ঘরের ভিতরে এটা পরতে সে অপছন্দ করে। অথচ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর যামানায় মদীনার মেয়েদের মধ্যে আমারই শুধু একটি কামিজ ছিল। মদীনায় কোন মেয়েকে বিয়ের সাজে সাজাতে গেলেই আমার নিকট কাউকে পাঠিয়ে ঐ কামিজটি চেয়ে নিত।

حدثنا أبو نعيم، حدثنا عبد الواحد بن أيمن، قال حدثني أبي قال، دخلت على عائشة ـ رضى الله عنها ـ وعليها درع قطر ثمن خمسة دراهم، فقالت ارفع بصرك إلى جاريتي، انظر إليها فإنها تزهى أن تلبسه في البيت، وقد كان لي منهن درع على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم، فما كانت امرأة تقين بالمدينة إلا أرسلت إلى تستعيره‏.‏


সহিহ বুখারী > দুগ্ধ পান করানোর জন্য সাময়িকভাবে উট-বকরি প্রদানের ফযীলত।

সহিহ বুখারী ২৬৩৪

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا عبد الوهاب، حدثنا أيوب، عن عمرو، عن طاوس، قال حدثني أعلمهم، بذاك ـ يعني ابن عباس ـ رضى الله عنهما ـ أن النبي صلى الله عليه وسلم خرج إلى أرض تهتز زرعا فقال ‏"‏ لمن هذه ‏"‏‏.‏ فقالوا اكتراها فلان‏.‏ فقال ‏"‏ أما إنه لو منحها إياه كان خيرا له من أن يأخذ عليها أجرا معلوما

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একবার এক ‎জমিতে গেলেন, যার ফসলগুলো আন্দোলিত হচ্ছিল। তিনি জানতে চাইলেন, কার জমি? লোকেরা বলল, অমুক ‎ব্যক্তি এটি ইজারা নিয়েছে। তিনি বললেন, জমিটার নির্দিষ্ট ভাড়া গ্রহণ না করে সে যদি তাকে সাময়িকভাবে তা ‎দিয়ে দিত তবে সেটাই হত তার জন্য উত্তম।

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একবার এক ‎জমিতে গেলেন, যার ফসলগুলো আন্দোলিত হচ্ছিল। তিনি জানতে চাইলেন, কার জমি? লোকেরা বলল, অমুক ‎ব্যক্তি এটি ইজারা নিয়েছে। তিনি বললেন, জমিটার নির্দিষ্ট ভাড়া গ্রহণ না করে সে যদি তাকে সাময়িকভাবে তা ‎দিয়ে দিত তবে সেটাই হত তার জন্য উত্তম।

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا عبد الوهاب، حدثنا أيوب، عن عمرو، عن طاوس، قال حدثني أعلمهم، بذاك ـ يعني ابن عباس ـ رضى الله عنهما ـ أن النبي صلى الله عليه وسلم خرج إلى أرض تهتز زرعا فقال ‏"‏ لمن هذه ‏"‏‏.‏ فقالوا اكتراها فلان‏.‏ فقال ‏"‏ أما إنه لو منحها إياه كان خيرا له من أن يأخذ عليها أجرا معلوما


সহিহ বুখারী ২৬২৯

حدثنا يحيى بن بكير، حدثنا مالك، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ نعم المنيحة اللقحة الصفي منحة، والشاة الصفي تغدو بإناء وتروح بإناء ‏"‏‏.‏ حدثنا عبد الله بن يوسف وإسماعيل عن مالك قال نعم الصدقة‏.‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, মানীহা হিসাবে অধিক দুগ্ধবতী উটনী ও অধিক দুগ্ধবতী বকরী কতই না উত্তম, যা সকাল বিকাল পাত্র ভর্তি দুধ দেয়। (ইমাম বুখারী বলেন) ‘আবদুল্লাহ ইবনু ইউসুফ ও ইসমাঈল (রহঃ) হাদীসটি মালিক (রহঃ) হতে বর্ণনা করেছেন, এতে তিনি বলেন, সদকা হিসাবে কতই না উত্তম (দুগ্ধবতী উটনী, যা মানীহা হিসাবে দেয়া হয়)।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, মানীহা হিসাবে অধিক দুগ্ধবতী উটনী ও অধিক দুগ্ধবতী বকরী কতই না উত্তম, যা সকাল বিকাল পাত্র ভর্তি দুধ দেয়। (ইমাম বুখারী বলেন) ‘আবদুল্লাহ ইবনু ইউসুফ ও ইসমাঈল (রহঃ) হাদীসটি মালিক (রহঃ) হতে বর্ণনা করেছেন, এতে তিনি বলেন, সদকা হিসাবে কতই না উত্তম (দুগ্ধবতী উটনী, যা মানীহা হিসাবে দেয়া হয়)।

حدثنا يحيى بن بكير، حدثنا مالك، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ نعم المنيحة اللقحة الصفي منحة، والشاة الصفي تغدو بإناء وتروح بإناء ‏"‏‏.‏ حدثنا عبد الله بن يوسف وإسماعيل عن مالك قال نعم الصدقة‏.‏


সহিহ বুখারী ২৬৩২

حدثنا محمد بن يوسف، حدثنا الأوزاعي، قال حدثني عطاء، عن جابر ـ رضى الله عنه ـ قال كانت لرجال منا فضول أرضين فقالوا نؤاجرها بالثلث والربع والنصف‏.‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من كانت له أرض فليزرعها أو ليمنحها أخاه، فإن أبى فليمسك أرضه ‏"‏‏.‏

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমাদের মধ্যে কিছু লোকের অতিরিক্ত ভূসম্পত্তি ছিল।। তারা পরস্পর পরামর্শ করে ঠিক করল যে, এগুলো তারা তিন ভাগের এক ভাগ, চার ভাগের এক ভাগ বা অর্ধেক হিসাবে ইজারা দিবে। এ কথা শুনে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, কারো অতিরিক্ত জমি থাকলে হয় সে নিজেই চাষ করবে, কিংবা তার ভাইকে তা (চাষ করতে) দিবে। আর তা না করতে চাইলে তা নিজের কাছেই রেখে দিবে।

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমাদের মধ্যে কিছু লোকের অতিরিক্ত ভূসম্পত্তি ছিল।। তারা পরস্পর পরামর্শ করে ঠিক করল যে, এগুলো তারা তিন ভাগের এক ভাগ, চার ভাগের এক ভাগ বা অর্ধেক হিসাবে ইজারা দিবে। এ কথা শুনে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, কারো অতিরিক্ত জমি থাকলে হয় সে নিজেই চাষ করবে, কিংবা তার ভাইকে তা (চাষ করতে) দিবে। আর তা না করতে চাইলে তা নিজের কাছেই রেখে দিবে।

حدثنا محمد بن يوسف، حدثنا الأوزاعي، قال حدثني عطاء، عن جابر ـ رضى الله عنه ـ قال كانت لرجال منا فضول أرضين فقالوا نؤاجرها بالثلث والربع والنصف‏.‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من كانت له أرض فليزرعها أو ليمنحها أخاه، فإن أبى فليمسك أرضه ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ২৬৩১

حدثنا مسدد، حدثنا عيسى بن يونس، حدثنا الأوزاعي، عن حسان بن عطية، عن أبي كبشة السلولي، سمعت عبد الله بن عمرو ـ رضى الله عنهما ـ يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ أربعون خصلة أعلاهن منيحة العنز، ما من عامل يعمل بخصلة منها رجاء ثوابها وتصديق موعودها إلا أدخله الله بها الجنة ‏"‏‏.‏ قال حسان فعددنا ما دون منيحة العنز من رد السلام، وتشميت العاطس، وإماطة الأذى عن الطريق ونحوه، فما استطعنا أن نبلغ خمس عشرة خصلة‏.‏

‘আবদুল্লাহ ইবনু আম্‌র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, চল্লিশটি স্বভাবের মধ্যে সর্বোৎকৃষ্ট হল দুধ পান করার জন্য কাউকে বকরী দেয়া। কোন বান্দা যদি সওয়াবের আশায় এবং পুরস্কার দানের প্রতিশ্রুতিতে বিশ্বাস রেখে উক্ত চল্লিশ স্বভাবের যে কোন একটির উপরে আমল করে তবে আল্লাহ অবশ্যই তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। হাস্‌সান (রহঃ) বলেন, দুধেল বকরী মানহি দেয়া ব্যতীত আর যে কয়টি স্বভাব আমরা গণনা করলাম, সেগুলো হল সালামের উত্তর দেয়া, হাঁচি দাতার হাঁচির উত্তরে ইয়ারহামুকাল্লাহ বলা, পথ হতে কষ্টদায়ক বস্তু সরানো ইত্যাদি। কিন্তু আমরা পনেরটি স্বভাবের অধিক গণনা করতে পারলাম না।

‘আবদুল্লাহ ইবনু আম্‌র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, চল্লিশটি স্বভাবের মধ্যে সর্বোৎকৃষ্ট হল দুধ পান করার জন্য কাউকে বকরী দেয়া। কোন বান্দা যদি সওয়াবের আশায় এবং পুরস্কার দানের প্রতিশ্রুতিতে বিশ্বাস রেখে উক্ত চল্লিশ স্বভাবের যে কোন একটির উপরে আমল করে তবে আল্লাহ অবশ্যই তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। হাস্‌সান (রহঃ) বলেন, দুধেল বকরী মানহি দেয়া ব্যতীত আর যে কয়টি স্বভাব আমরা গণনা করলাম, সেগুলো হল সালামের উত্তর দেয়া, হাঁচি দাতার হাঁচির উত্তরে ইয়ারহামুকাল্লাহ বলা, পথ হতে কষ্টদায়ক বস্তু সরানো ইত্যাদি। কিন্তু আমরা পনেরটি স্বভাবের অধিক গণনা করতে পারলাম না।

حدثنا مسدد، حدثنا عيسى بن يونس، حدثنا الأوزاعي، عن حسان بن عطية، عن أبي كبشة السلولي، سمعت عبد الله بن عمرو ـ رضى الله عنهما ـ يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ أربعون خصلة أعلاهن منيحة العنز، ما من عامل يعمل بخصلة منها رجاء ثوابها وتصديق موعودها إلا أدخله الله بها الجنة ‏"‏‏.‏ قال حسان فعددنا ما دون منيحة العنز من رد السلام، وتشميت العاطس، وإماطة الأذى عن الطريق ونحوه، فما استطعنا أن نبلغ خمس عشرة خصلة‏.‏


সহিহ বুখারী ২৬৩৩

وقال محمد بن يوسف حدثنا الأوزاعي، حدثني الزهري، حدثني عطاء بن يزيد، حدثني أبو سعيد، قال جاء أعرابي إلى النبي صلى الله عليه وسلم فسأله عن الهجرة، فقال ‏"‏ ويحك إن الهجرة شأنها شديد فهل لك من إبل ‏"‏ قال نعم‏.‏ قال ‏"‏ فتعطي صدقتها ‏"‏‏.‏ قال نعم‏.‏ قال ‏"‏ فهل تمنح منها شيئا ‏"‏‏.‏ قال نعم‏.‏ قال ‏"‏ فتحلبها يوم وردها ‏"‏‏.‏ قال نعم‏.‏ قال ‏"‏ فاعمل من وراء البحار، فإن الله لن يترك من عملك شيئا ‏"‏‏.‏

আবূ সা‘ঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক বেদুঈন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে হিজরাত সম্পর্কে জানতে চাইল। তিনি তাকে বললেন, থাম! হিজরাতের ব্যাপার বড় কঠিন। বরং তোমার কি উট আছে? সে বলল, হ্যাঁ আছে। তিনি বললেন, তুমি কি এর সদকা আদায় করে থাক? সে বলল, হ্যাঁ। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তুমি দুধ পানের জন্য এগুলো মানীহা হিসাবে দিয়ে থাক? সে বলল, হ্যাঁ। আবার তিনি প্রশ্ন করলেন, আচ্ছা! পানি পান করানোর উটগুলো দোহন কর কি? সে বলল, হ্যাঁ। তখন তিনি ইরশাদ করলেন, এ যদি হয় তাহলে সাগরের ওপারে হলেও অর্থাৎ তুমি যেখানে থাক ‘আমাল করতে থাক। আল্লাহ তোমার ‘আমালের প্রতিদানে কম করবেন না।

আবূ সা‘ঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক বেদুঈন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে হিজরাত সম্পর্কে জানতে চাইল। তিনি তাকে বললেন, থাম! হিজরাতের ব্যাপার বড় কঠিন। বরং তোমার কি উট আছে? সে বলল, হ্যাঁ আছে। তিনি বললেন, তুমি কি এর সদকা আদায় করে থাক? সে বলল, হ্যাঁ। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তুমি দুধ পানের জন্য এগুলো মানীহা হিসাবে দিয়ে থাক? সে বলল, হ্যাঁ। আবার তিনি প্রশ্ন করলেন, আচ্ছা! পানি পান করানোর উটগুলো দোহন কর কি? সে বলল, হ্যাঁ। তখন তিনি ইরশাদ করলেন, এ যদি হয় তাহলে সাগরের ওপারে হলেও অর্থাৎ তুমি যেখানে থাক ‘আমাল করতে থাক। আল্লাহ তোমার ‘আমালের প্রতিদানে কম করবেন না।

وقال محمد بن يوسف حدثنا الأوزاعي، حدثني الزهري، حدثني عطاء بن يزيد، حدثني أبو سعيد، قال جاء أعرابي إلى النبي صلى الله عليه وسلم فسأله عن الهجرة، فقال ‏"‏ ويحك إن الهجرة شأنها شديد فهل لك من إبل ‏"‏ قال نعم‏.‏ قال ‏"‏ فتعطي صدقتها ‏"‏‏.‏ قال نعم‏.‏ قال ‏"‏ فهل تمنح منها شيئا ‏"‏‏.‏ قال نعم‏.‏ قال ‏"‏ فتحلبها يوم وردها ‏"‏‏.‏ قال نعم‏.‏ قال ‏"‏ فاعمل من وراء البحار، فإن الله لن يترك من عملك شيئا ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ২৬৩০

حدثنا عبد الله بن يوسف، أخبرنا ابن وهب، حدثنا يونس، عن ابن شهاب، عن أنس بن مالك ـ رضى الله عنه ـ قال لما قدم المهاجرون المدينة من مكة وليس بأيديهم ـ يعني شيئا ـ وكانت الأنصار أهل الأرض والعقار، فقاسمهم الأنصار على أن يعطوهم ثمار أموالهم كل عام ويكفوهم العمل والمئونة، وكانت أمه أم أنس أم سليم كانت أم عبد الله بن أبي طلحة، فكانت أعطت أم أنس رسول الله صلى الله عليه وسلم عذاقا فأعطاهن النبي صلى الله عليه وسلم أم أيمن مولاته أم أسامة بن زيد‏.‏ قال ابن شهاب فأخبرني أنس بن مالك أن النبي صلى الله عليه وسلم لما فرغ من قتل أهل خيبر فانصرف إلى المدينة، رد المهاجرون إلى الأنصار منائحهم التي كانوا منحوهم من ثمارهم فرد النبي صلى الله عليه وسلم إلى أمه عذاقها، وأعطى رسول الله صلى الله عليه وسلم أم أيمن مكانهن من حائطه‏.‏ وقال أحمد بن شبيب أخبرنا أبي عن يونس بهذا، وقال مكانهن من خالصه‏.‏

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মক্কা হতে মদীনায় হিজরাতের সময় মুহাজিরদের হাকে কোন কিছু ছিল না। অন্যদিকে আনসারগণ ছিলেন জমি ও ভূসম্পত্তির অধিকারী। তাই আনসারগণ এই শর্তে মুহাজিরদের সঙ্গে ভাগাভাগি করে নিলেন যে, প্রতি বছর তারা (আনসারগণ)-এর উৎপন্ন ফল ও ফসলের একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ তাদের (মুহাজিরগণের) দিবেন আর তারা এ কাজে শ্রম দিবে ও দায়-দায়িত্ব নিবে। আনাসের মা উম্মু সুলাইম (রাঃ) ছিলেন ‘আবদুল্লাহ ইবনু আবূ ত্বলহার মা। আনাসের মা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে (ফল ভোগ করার জন্য) কয়েকটি খেজুর গাছ দিয়েছিলেন। আর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেগুলো তাঁর আযাদকৃত বাঁদী ‘উসমান ইবনু যায়দের মা উম্মু আয়মানকে দান করে দিয়েছিলেন। ইবনু শিহাব (রহঃ) বলেন, আনাস (রাঃ) আমাকে বলেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খায়বারে ইয়াহূদীদের বিরুদ্ধে লড়াই শেষে মদীনায় ফিরে এলে মুহাজিরগণ আনসারদেরকে তাদের দানের সম্পত্তি ফিরিয়ে দিলেন; যেগুলো ফল ও ফসল ভোগ করার জন্য তারা মুহাজিরদের দান করেছিলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -ও তাঁর (আনাসের) মাকে তার খেজুর গাছগুলো ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উম্মু আয়মানকে ঐ গাছগুলোর পরিবর্তে নিজ বাগানের কিছু অংশ দান করলেন। আহমাদ ইবনু শাবীব (রহঃ) বলেন, আমার পিতা আমাদেরকে ইউনুসের সূত্রে এ হাদীসটি উল্লেখ করেছেন এবং --- এর স্থলে --- বলেছেন, যার অর্থ নিজ ভূমি থেকে।

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মক্কা হতে মদীনায় হিজরাতের সময় মুহাজিরদের হাকে কোন কিছু ছিল না। অন্যদিকে আনসারগণ ছিলেন জমি ও ভূসম্পত্তির অধিকারী। তাই আনসারগণ এই শর্তে মুহাজিরদের সঙ্গে ভাগাভাগি করে নিলেন যে, প্রতি বছর তারা (আনসারগণ)-এর উৎপন্ন ফল ও ফসলের একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ তাদের (মুহাজিরগণের) দিবেন আর তারা এ কাজে শ্রম দিবে ও দায়-দায়িত্ব নিবে। আনাসের মা উম্মু সুলাইম (রাঃ) ছিলেন ‘আবদুল্লাহ ইবনু আবূ ত্বলহার মা। আনাসের মা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে (ফল ভোগ করার জন্য) কয়েকটি খেজুর গাছ দিয়েছিলেন। আর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেগুলো তাঁর আযাদকৃত বাঁদী ‘উসমান ইবনু যায়দের মা উম্মু আয়মানকে দান করে দিয়েছিলেন। ইবনু শিহাব (রহঃ) বলেন, আনাস (রাঃ) আমাকে বলেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খায়বারে ইয়াহূদীদের বিরুদ্ধে লড়াই শেষে মদীনায় ফিরে এলে মুহাজিরগণ আনসারদেরকে তাদের দানের সম্পত্তি ফিরিয়ে দিলেন; যেগুলো ফল ও ফসল ভোগ করার জন্য তারা মুহাজিরদের দান করেছিলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -ও তাঁর (আনাসের) মাকে তার খেজুর গাছগুলো ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উম্মু আয়মানকে ঐ গাছগুলোর পরিবর্তে নিজ বাগানের কিছু অংশ দান করলেন। আহমাদ ইবনু শাবীব (রহঃ) বলেন, আমার পিতা আমাদেরকে ইউনুসের সূত্রে এ হাদীসটি উল্লেখ করেছেন এবং --- এর স্থলে --- বলেছেন, যার অর্থ নিজ ভূমি থেকে।

حدثنا عبد الله بن يوسف، أخبرنا ابن وهب، حدثنا يونس، عن ابن شهاب، عن أنس بن مالك ـ رضى الله عنه ـ قال لما قدم المهاجرون المدينة من مكة وليس بأيديهم ـ يعني شيئا ـ وكانت الأنصار أهل الأرض والعقار، فقاسمهم الأنصار على أن يعطوهم ثمار أموالهم كل عام ويكفوهم العمل والمئونة، وكانت أمه أم أنس أم سليم كانت أم عبد الله بن أبي طلحة، فكانت أعطت أم أنس رسول الله صلى الله عليه وسلم عذاقا فأعطاهن النبي صلى الله عليه وسلم أم أيمن مولاته أم أسامة بن زيد‏.‏ قال ابن شهاب فأخبرني أنس بن مالك أن النبي صلى الله عليه وسلم لما فرغ من قتل أهل خيبر فانصرف إلى المدينة، رد المهاجرون إلى الأنصار منائحهم التي كانوا منحوهم من ثمارهم فرد النبي صلى الله عليه وسلم إلى أمه عذاقها، وأعطى رسول الله صلى الله عليه وسلم أم أيمن مكانهن من حائطه‏.‏ وقال أحمد بن شبيب أخبرنا أبي عن يونس بهذا، وقال مكانهن من خالصه‏.‏


সহিহ বুখারী > প্রচলিত অর্থে যদি কেউ বলে এই দাসীটি তোমার খিদমাতের জন্য দিলাম, এটা বৈধ।

সহিহ বুখারী ২৬৩৫

حدثنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، حدثنا أبو الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ هاجر إبراهيم بسارة، فأعطوها آجر، فرجعت فقالت أشعرت أن الله كبت الكافر وأخدم وليدة ‏"‏‏.‏ وقال ابن سيرين عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ فأخدمها هاجر ‏"‏‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বর্নিত গ্রন্থ হতে বলেছেন, ইবরাহীম (আঃ) (স্ত্রী) সারাকে সঙ্গে নিয়ে হিজরাত করলেন। লোকেরা সারার উদ্দেশে হাজিরাকে হাদিয়া দিলেন। তিনি ফিরে এসে (ইবরাহীমকে) বললেন, আপনি কি জেনেছেন, কাফিরদের আল্লাহ পরাস্ত করেছেন এবং সেবার জন্য একটি বালিকা দান করেছেন। ইবনু সীরীন (রহঃ) বলেন, আবূ হুরায়রা্ (রাঃ)-এর সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন, অতঃপর (সেই কাফির) সারার উদ্দেশে হাজিরাকে দান করল।

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বর্নিত গ্রন্থ হতে বলেছেন, ইবরাহীম (আঃ) (স্ত্রী) সারাকে সঙ্গে নিয়ে হিজরাত করলেন। লোকেরা সারার উদ্দেশে হাজিরাকে হাদিয়া দিলেন। তিনি ফিরে এসে (ইবরাহীমকে) বললেন, আপনি কি জেনেছেন, কাফিরদের আল্লাহ পরাস্ত করেছেন এবং সেবার জন্য একটি বালিকা দান করেছেন। ইবনু সীরীন (রহঃ) বলেন, আবূ হুরায়রা্ (রাঃ)-এর সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন, অতঃপর (সেই কাফির) সারার উদ্দেশে হাজিরাকে দান করল।

حدثنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، حدثنا أبو الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ هاجر إبراهيم بسارة، فأعطوها آجر، فرجعت فقالت أشعرت أن الله كبت الكافر وأخدم وليدة ‏"‏‏.‏ وقال ابن سيرين عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ فأخدمها هاجر ‏"‏‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00