সহিহ বুখারী > আযাদ করার সংকল্পে কোন ব্যক্তি নিজের ক্রীতদাস সম্পর্কে ‘সে আল্লাহর জন্য নির্দিষ্ট’ বলা এবং আযাদ করার ক্ষেত্রে সাক্ষী রাখা।

সহিহ বুখারী ২৫৩২

حدثنا شهاب بن عباد، حدثنا إبراهيم بن حميد، عن إسماعيل، عن قيس، قال لما أقبل أبو هريرة ـ رضى الله عنه ـ ومعه غلامه وهو يطلب الإسلام، فأضل أحدهما صاحبه بهذا، وقال أما إني أشهدك أنه لله‏.‏

কাইস (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আবূ হুরায়রা (রাঃ) তাঁর ক্রীতদাসকে সাথে করে ইসলামের উদ্দেশ্যে (মদীনা) আগমনকালে পথিমধ্যে তারা একে অপরকে হারিয়ে ফেললেন এবং তিনি (আবূ হুরায়রা) বললেন, শুনুন! আমি আপনাকে সাক্ষী রেখে বলছি, সে আল্লাহর জন্য।

কাইস (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আবূ হুরায়রা (রাঃ) তাঁর ক্রীতদাসকে সাথে করে ইসলামের উদ্দেশ্যে (মদীনা) আগমনকালে পথিমধ্যে তারা একে অপরকে হারিয়ে ফেললেন এবং তিনি (আবূ হুরায়রা) বললেন, শুনুন! আমি আপনাকে সাক্ষী রেখে বলছি, সে আল্লাহর জন্য।

حدثنا شهاب بن عباد، حدثنا إبراهيم بن حميد، عن إسماعيل، عن قيس، قال لما أقبل أبو هريرة ـ رضى الله عنه ـ ومعه غلامه وهو يطلب الإسلام، فأضل أحدهما صاحبه بهذا، وقال أما إني أشهدك أنه لله‏.‏


সহিহ বুখারী ২৫৩০

حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، عن محمد بن بشر، عن إسماعيل، عن قيس، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ أنه لما أقبل يريد الإسلام ومعه غلامه، ضل كل واحد منهما من صاحبه، فأقبل بعد ذلك وأبو هريرة جالس مع النبي صلى الله عليه وسلم فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ يا أبا هريرة، هذا غلامك قد أتاك ‏"‏‏.‏ فقال أما إني أشهدك أنه حر‏.‏ قال فهو حين يقول يا ليلة من طولها وعنائها على أنها من دارة الكفر نجت

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি ইসলাম গ্রহণের ইচ্ছায় ক্রীতদাসকে সাথে নিয়ে (মদীনায়) আসছিলেন। পথে তারা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়লেন। পরে ক্রীতদাসটি এসে পৌছল। আবূ হুরায়রা (রাঃ) সে সময় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর খিদমাতে উপবিষ্ট ছিলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আবূ হুরায়রা! দেখ, তোমার ক্রীতদাস এসে গেছে। তখন তিনি [আবূ হুরায়রা (রাঃ)] বললেন, শুনুন; আমি আপনাকে সাক্ষী রেখে বলছি, সে মুক্ত। রাবী বলেন, (মদীনায়) পৌছে তিনি বলতেন : কত দীর্ঘ আর কষ্টদায়কই না ছিল হিজরতের সে রাত, তবুও তা আমাকে দারুল কুফ্‌র হতে মুক্তি দিয়েছে।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি ইসলাম গ্রহণের ইচ্ছায় ক্রীতদাসকে সাথে নিয়ে (মদীনায়) আসছিলেন। পথে তারা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়লেন। পরে ক্রীতদাসটি এসে পৌছল। আবূ হুরায়রা (রাঃ) সে সময় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর খিদমাতে উপবিষ্ট ছিলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আবূ হুরায়রা! দেখ, তোমার ক্রীতদাস এসে গেছে। তখন তিনি [আবূ হুরায়রা (রাঃ)] বললেন, শুনুন; আমি আপনাকে সাক্ষী রেখে বলছি, সে মুক্ত। রাবী বলেন, (মদীনায়) পৌছে তিনি বলতেন : কত দীর্ঘ আর কষ্টদায়কই না ছিল হিজরতের সে রাত, তবুও তা আমাকে দারুল কুফ্‌র হতে মুক্তি দিয়েছে।

حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، عن محمد بن بشر، عن إسماعيل، عن قيس، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ أنه لما أقبل يريد الإسلام ومعه غلامه، ضل كل واحد منهما من صاحبه، فأقبل بعد ذلك وأبو هريرة جالس مع النبي صلى الله عليه وسلم فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ يا أبا هريرة، هذا غلامك قد أتاك ‏"‏‏.‏ فقال أما إني أشهدك أنه حر‏.‏ قال فهو حين يقول يا ليلة من طولها وعنائها على أنها من دارة الكفر نجت


সহিহ বুখারী ২৫৩১

حدثنا عبيد الله بن سعيد، حدثنا أبو أسامة، حدثنا إسماعيل، عن قيس، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ قال لما قدمت على النبي صلى الله عليه وسلم قلت في الطريق يا ليلة من طولها وعنائها على أنها من دارة الكفر نجت قال وأبق مني غلام لي في الطريق ـ قال ـ فلما قدمت على النبي صلى الله عليه وسلم بايعته، فبينا أنا عنده إذ طلع الغلام، فقال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ يا أبا هريرة، هذا غلامك ‏"‏‏.‏ فقلت هو حر لوجه الله‏.‏ فأعتقته‏.‏ لم يقل أبو كريب عن أبي أسامة حر‏.‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবীজীর খিদমতে আগমনকালে আমি পথে পথে (কবিতা) বলতাম : হিজরতের সে রাত কত না দীর্ঘ আর কষ্টদায়ক ছিল- তবুও তা আমাকে দারুল কুফ্‌র হতে মুক্তি দিয়েছে। তিনি বলেন, পথে আমার এক ক্রীতদাস পালিয়ে গিয়েছিল। যখন আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর খিদমতে এসে তাঁর (হাতে) বায়’আত হলাম। আমি তাঁর খিদমাতেই ছিলাম, এ সময় ক্রীতদাসটি এসে হাযির হল। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আবূ হুরায়রা! এই যে, তোমার ক্রীতদাস! আমি বললাম, সে আল্লাহর ওয়াস্তে আযাদ। এই বলে তাকে মুক্ত করে দিলাম। আবূ ‘আবদুল্লাহ (বুখারী) (রহঃ) বলেন, আবূ কুরাইব (রহঃ) আবূ উসামাহ (রহঃ) হতে বর্ণিত রিওয়ায়াতে ------ শব্দ বলেননি।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবীজীর খিদমতে আগমনকালে আমি পথে পথে (কবিতা) বলতাম : হিজরতের সে রাত কত না দীর্ঘ আর কষ্টদায়ক ছিল- তবুও তা আমাকে দারুল কুফ্‌র হতে মুক্তি দিয়েছে। তিনি বলেন, পথে আমার এক ক্রীতদাস পালিয়ে গিয়েছিল। যখন আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর খিদমতে এসে তাঁর (হাতে) বায়’আত হলাম। আমি তাঁর খিদমাতেই ছিলাম, এ সময় ক্রীতদাসটি এসে হাযির হল। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আবূ হুরায়রা! এই যে, তোমার ক্রীতদাস! আমি বললাম, সে আল্লাহর ওয়াস্তে আযাদ। এই বলে তাকে মুক্ত করে দিলাম। আবূ ‘আবদুল্লাহ (বুখারী) (রহঃ) বলেন, আবূ কুরাইব (রহঃ) আবূ উসামাহ (রহঃ) হতে বর্ণিত রিওয়ায়াতে ------ শব্দ বলেননি।

حدثنا عبيد الله بن سعيد، حدثنا أبو أسامة، حدثنا إسماعيل، عن قيس، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ قال لما قدمت على النبي صلى الله عليه وسلم قلت في الطريق يا ليلة من طولها وعنائها على أنها من دارة الكفر نجت قال وأبق مني غلام لي في الطريق ـ قال ـ فلما قدمت على النبي صلى الله عليه وسلم بايعته، فبينا أنا عنده إذ طلع الغلام، فقال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ يا أبا هريرة، هذا غلامك ‏"‏‏.‏ فقلت هو حر لوجه الله‏.‏ فأعتقته‏.‏ لم يقل أبو كريب عن أبي أسامة حر‏.‏


সহিহ বুখারী > উম্মু ওয়ালাদ সম্পর্কে

সহিহ বুখারী ২৫৩৩

حدثنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، عن الزهري، قال حدثني عروة بن الزبير، أن عائشة ـ رضى الله عنها ـ قالت إن عتبة بن أبي وقاص عهد إلى أخيه سعد بن أبي وقاص أن يقبض إليه ابن وليدة زمعة، قال عتبة إنه ابني‏.‏ فلما قدم رسول الله صلى الله عليه وسلم زمن الفتح أخذ سعد ابن وليدة زمعة‏.‏ فأقبل به إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم وأقبل معه بعبد بن زمعة‏.‏ فقال سعد يا رسول الله هذا ابن أخي عهد إلى أنه ابنه‏.‏ فقال عبد بن زمعة يا رسول الله هذا أخي ابن وليدة زمعة، ولد على فراشه‏.‏ فنظر رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى ابن وليدة زمعة، فإذا هو أشبه الناس به، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ هو لك يا عبد بن زمعة ‏"‏‏.‏ من أجل أنه ولد على فراش أبيه، قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ احتجبي منه يا سودة بنت زمعة ‏"‏‏.‏ مما رأى من شبهه بعتبة‏.‏ وكانت سودة زوج النبي صلى الله عليه وسلم‏.‏

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘উতবাহ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস আপন ভাই সা’দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাসকে ওসীয়্যাত করেছিলেন, তিনি যেন যাম’আর দাসীর গর্ভজাত পুত্রকে গ্রহণ করেন (কারণ স্বরূপ) ‘উতবাহ বলেছিলেন, সে আমার (ঔরসজাত) পুত্র। মক্কা বিজয়কালে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন মক্কায় তাশরীফ আনলেন; তখন সা’দ যাম’আর দাসীর পুত্রকে নিয়ে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর খিদমতে আসলেন এবং তার সাথে আব্‌দ ইবনু যাম’আকে নিয়ে আসলেন। সা’দ বললেন, হে আল্লাহর রসূল! এ আমার ভাই, যাম’আর পুত্র। তার শয্যাতেই এ জন্ম নিয়েছে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তখন যাম’আর দাসীর পুত্রের দিকে তাকালেন। দেখলেন, উতবার সাথেই তার (আদলের) সর্বাধিক মিল। তবু রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হে আব্‌দ ইবনু যাম’আ! এ তোমারই (ভাই), কেননা এ তার (আব্‌দ ইবনু যাম’আর) শয্যাতে জন্মগ্রহণ করেছে। তারপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হে সাওদা বিনতে যাম’আ। তুমি এ হতে পর্দা করবে। কেননা, তিনি উতবার সাথেই তার (চেহারার) মিল দেখতে পেয়েছিলেন। সাওদা ছিলেন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর স্ত্রী।

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘উতবাহ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস আপন ভাই সা’দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাসকে ওসীয়্যাত করেছিলেন, তিনি যেন যাম’আর দাসীর গর্ভজাত পুত্রকে গ্রহণ করেন (কারণ স্বরূপ) ‘উতবাহ বলেছিলেন, সে আমার (ঔরসজাত) পুত্র। মক্কা বিজয়কালে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন মক্কায় তাশরীফ আনলেন; তখন সা’দ যাম’আর দাসীর পুত্রকে নিয়ে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর খিদমতে আসলেন এবং তার সাথে আব্‌দ ইবনু যাম’আকে নিয়ে আসলেন। সা’দ বললেন, হে আল্লাহর রসূল! এ আমার ভাই, যাম’আর পুত্র। তার শয্যাতেই এ জন্ম নিয়েছে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তখন যাম’আর দাসীর পুত্রের দিকে তাকালেন। দেখলেন, উতবার সাথেই তার (আদলের) সর্বাধিক মিল। তবু রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হে আব্‌দ ইবনু যাম’আ! এ তোমারই (ভাই), কেননা এ তার (আব্‌দ ইবনু যাম’আর) শয্যাতে জন্মগ্রহণ করেছে। তারপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হে সাওদা বিনতে যাম’আ। তুমি এ হতে পর্দা করবে। কেননা, তিনি উতবার সাথেই তার (চেহারার) মিল দেখতে পেয়েছিলেন। সাওদা ছিলেন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর স্ত্রী।

حدثنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، عن الزهري، قال حدثني عروة بن الزبير، أن عائشة ـ رضى الله عنها ـ قالت إن عتبة بن أبي وقاص عهد إلى أخيه سعد بن أبي وقاص أن يقبض إليه ابن وليدة زمعة، قال عتبة إنه ابني‏.‏ فلما قدم رسول الله صلى الله عليه وسلم زمن الفتح أخذ سعد ابن وليدة زمعة‏.‏ فأقبل به إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم وأقبل معه بعبد بن زمعة‏.‏ فقال سعد يا رسول الله هذا ابن أخي عهد إلى أنه ابنه‏.‏ فقال عبد بن زمعة يا رسول الله هذا أخي ابن وليدة زمعة، ولد على فراشه‏.‏ فنظر رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى ابن وليدة زمعة، فإذا هو أشبه الناس به، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ هو لك يا عبد بن زمعة ‏"‏‏.‏ من أجل أنه ولد على فراش أبيه، قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ احتجبي منه يا سودة بنت زمعة ‏"‏‏.‏ مما رأى من شبهه بعتبة‏.‏ وكانت سودة زوج النبي صلى الله عليه وسلم‏.‏


সহিহ বুখারী > মুদাব্বার (ক্রীতদাস) বিক্রয় করা

সহিহ বুখারী ২৫৩৪

حدثنا آدم بن أبي إياس، حدثنا شعبة، حدثنا عمرو بن دينار، سمعت جابر بن عبد الله ـ رضى الله عنهما ـ قال أعتق رجل منا عبدا له عن دبر، فدعا النبي صلى الله عليه وسلم به فباعه‏.‏ قال جابر مات الغلام عام أول‏.‏

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমাদের কোন একজন তার এক ক্রীতদাসকে মুদাব্বার (মনিবের মৃত্যুর পর যে ক্রীতদাস মুক্ত বলে ঘোষিত হয়) রূপে মুক্ত ঘোষণা করল। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেই ক্রীতদাসকে ডেকে নিয়ে অন্যত্র বিক্রি করে দিলেন। জাবির (রাঃ) বলেন, ক্রীতদাসটি সে বছরই মারা গিয়েছিল।

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমাদের কোন একজন তার এক ক্রীতদাসকে মুদাব্বার (মনিবের মৃত্যুর পর যে ক্রীতদাস মুক্ত বলে ঘোষিত হয়) রূপে মুক্ত ঘোষণা করল। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেই ক্রীতদাসকে ডেকে নিয়ে অন্যত্র বিক্রি করে দিলেন। জাবির (রাঃ) বলেন, ক্রীতদাসটি সে বছরই মারা গিয়েছিল।

حدثنا آدم بن أبي إياس، حدثنا شعبة، حدثنا عمرو بن دينار، سمعت جابر بن عبد الله ـ رضى الله عنهما ـ قال أعتق رجل منا عبدا له عن دبر، فدعا النبي صلى الله عليه وسلم به فباعه‏.‏ قال جابر مات الغلام عام أول‏.‏


সহিহ বুখারী > ক্রীতদাসের অভিভাবকত্ব বিক্রয় বা দান করা।

সহিহ বুখারী ২৫৩৫

حدثنا أبو الوليد، حدثنا شعبة، قال أخبرني عبد الله بن دينار، سمعت ابن عمر ـ رضى الله عنهما ـ يقول نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن بيع الولاء، وعن هبته‏.‏

ইবনু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ক্রীতদাসের অভিভাবকত্ব বিক্রি করতে এবং তা দান করতে নিষেধ করেছেন।

ইবনু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ক্রীতদাসের অভিভাবকত্ব বিক্রি করতে এবং তা দান করতে নিষেধ করেছেন।

حدثنا أبو الوليد، حدثنا شعبة، قال أخبرني عبد الله بن دينار، سمعت ابن عمر ـ رضى الله عنهما ـ يقول نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن بيع الولاء، وعن هبته‏.‏


সহিহ বুখারী ২৫৩৬

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا جرير، عن منصور، عن إبراهيم، عن الأسود، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ قالت اشتريت بريرة فاشترط أهلها ولاءها، فذكرت ذلك للنبي صلى الله عليه وسلم فقال ‏ "‏ أعتقيها، فإن الولاء لمن أعطى الورق ‏"‏‏.‏ فأعتقتها، فدعاها النبي صلى الله عليه وسلم فخيرها من زوجها فقالت لو أعطاني كذا وكذا ما ثبت عنده‏.‏ فاختارت نفسها‏.‏

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, বারীরাকে আমি (আযাদ করার নিয়্যতে) খরিদ করলাম, তখন তার (পূর্বতন) মালিক অভিভাবকত্বের শর্তারোপ করল। প্রসঙ্গটি আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে উত্থাপন করলাম। তিনি বললেন, তুমি তাকে মুক্ত করে দাও। অভিভাবকত্ব সেই লাভ করবে, সে অর্থ ব্যয় করবে। তখন আমি তাকে মুক্ত করে দিলাম। তারপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে ডেকে তার স্বামীর ব্যাপারে ইখতিয়ার দিলেন। বারীরা (রাঃ) বললেন, যদি সে আমাকে এত এত সম্পদও দেয় তবু আমি তার কাছে থাকব না। অবশেষে তিনি তার ইখতিয়ার প্রয়োগ করলেন।

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, বারীরাকে আমি (আযাদ করার নিয়্যতে) খরিদ করলাম, তখন তার (পূর্বতন) মালিক অভিভাবকত্বের শর্তারোপ করল। প্রসঙ্গটি আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে উত্থাপন করলাম। তিনি বললেন, তুমি তাকে মুক্ত করে দাও। অভিভাবকত্ব সেই লাভ করবে, সে অর্থ ব্যয় করবে। তখন আমি তাকে মুক্ত করে দিলাম। তারপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে ডেকে তার স্বামীর ব্যাপারে ইখতিয়ার দিলেন। বারীরা (রাঃ) বললেন, যদি সে আমাকে এত এত সম্পদও দেয় তবু আমি তার কাছে থাকব না। অবশেষে তিনি তার ইখতিয়ার প্রয়োগ করলেন।

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا جرير، عن منصور، عن إبراهيم، عن الأسود، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ قالت اشتريت بريرة فاشترط أهلها ولاءها، فذكرت ذلك للنبي صلى الله عليه وسلم فقال ‏ "‏ أعتقيها، فإن الولاء لمن أعطى الورق ‏"‏‏.‏ فأعتقتها، فدعاها النبي صلى الله عليه وسلم فخيرها من زوجها فقالت لو أعطاني كذا وكذا ما ثبت عنده‏.‏ فاختارت نفسها‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00