সহিহ বুখারী > পড়ে থাকা জিনিসের মালিক এক বছর পরে ফিরে আসলে তার জিনিস তাকে ফিরিয়ে দিবে। কারণ সেটা তার কাছে আমানত ছিল।
সহিহ বুখারী ২৪৩৬
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا إسماعيل بن جعفر، عن ربيعة بن أبي عبد الرحمن، عن يزيد، مولى المنبعث عن زيد بن خالد الجهني ـ رضى الله عنه ـ أن رجلا سأل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن اللقطة قال " عرفها سنة، ثم اعرف وكاءها وعفاصها، ثم استنفق بها، فإن جاء ربها فأدها إليه ". قالوا يا رسول الله فضالة الغنم قال " خذها فإنما هي لك أو لأخيك أو للذئب ". قال يا رسول الله، فضالة الإبل قال فغضب رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى احمرت وجنتاه ـ أو احمر وجهه ـ ثم قال " ما لك ولها، معها حذاؤها وسقاؤها، حتى يلقاها ربها ".
কুতায়বা ইবনু সাঈদ (রহঃ) যায়দ ইবনু খালিদ জুহানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি পড়ে থাকা জিনিস সম্পর্কে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে জিজ্ঞেস করল। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এক বছর যাবৎ ঘোষণা দিতে থাক। এরপর জিনিসটির পাত্র ও তার বাঁধন স্মরণ রাখ এবং সেটা খরচ কর। যদি তার মালিক এসে যায় তবে তাকে দিয়ে দাও। সে জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহর রসূল! হারিয়ে যাওয়া বস্তু বকরী হলে কী করতে হবে? তিনি বললেন, তা তুমি নিয়ে নাও। কেননা, সেটা তোমার কিংবা তোমার ভাইয়ের আর তা না হলে নেকড়ে বাঘের। সে আবার বলল, হে আল্লাহর রসূল! হারানো বস্তু উট হলে কী করতে হবে? এতে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাগান্বিত হলেন এমনকি তাঁর উভয় গাল লাল হয়ে গেল অথবা রাবী বলেন, তার মুখমণ্ডল লাল হয়ে গেল। তারপর তিনি বললেন, এতে তোমার কী? তার সাথে তার ক্ষুর ও মশক রয়েছে। শেষ পর্যন্ত তার মালিক তার সন্ধান পেয়ে যাবে।
কুতায়বা ইবনু সাঈদ (রহঃ) যায়দ ইবনু খালিদ জুহানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি পড়ে থাকা জিনিস সম্পর্কে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে জিজ্ঞেস করল। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এক বছর যাবৎ ঘোষণা দিতে থাক। এরপর জিনিসটির পাত্র ও তার বাঁধন স্মরণ রাখ এবং সেটা খরচ কর। যদি তার মালিক এসে যায় তবে তাকে দিয়ে দাও। সে জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহর রসূল! হারিয়ে যাওয়া বস্তু বকরী হলে কী করতে হবে? তিনি বললেন, তা তুমি নিয়ে নাও। কেননা, সেটা তোমার কিংবা তোমার ভাইয়ের আর তা না হলে নেকড়ে বাঘের। সে আবার বলল, হে আল্লাহর রসূল! হারানো বস্তু উট হলে কী করতে হবে? এতে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাগান্বিত হলেন এমনকি তাঁর উভয় গাল লাল হয়ে গেল অথবা রাবী বলেন, তার মুখমণ্ডল লাল হয়ে গেল। তারপর তিনি বললেন, এতে তোমার কী? তার সাথে তার ক্ষুর ও মশক রয়েছে। শেষ পর্যন্ত তার মালিক তার সন্ধান পেয়ে যাবে।
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا إسماعيل بن جعفر، عن ربيعة بن أبي عبد الرحمن، عن يزيد، مولى المنبعث عن زيد بن خالد الجهني ـ رضى الله عنه ـ أن رجلا سأل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن اللقطة قال " عرفها سنة، ثم اعرف وكاءها وعفاصها، ثم استنفق بها، فإن جاء ربها فأدها إليه ". قالوا يا رسول الله فضالة الغنم قال " خذها فإنما هي لك أو لأخيك أو للذئب ". قال يا رسول الله، فضالة الإبل قال فغضب رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى احمرت وجنتاه ـ أو احمر وجهه ـ ثم قال " ما لك ولها، معها حذاؤها وسقاؤها، حتى يلقاها ربها ".
সহিহ বুখারী > পড়ে থাকা জিনিস যাতে খারাপ না হয় এবং কোন অবাঞ্ছিত ব্যক্তি যাতে তুলে না নেয় সে জন্যে তা তুলে নিবে কি ?
সহিহ বুখারী ২৪৩৭
حدثنا سليمان بن حرب، حدثنا شعبة، عن سلمة بن كهيل، قال سمعت سويد بن غفلة، قال كنت مع سلمان بن ربيعة، وزيد بن صوحان في غزاة، فوجدت سوطا. فقال لي ألقه. قلت لا، ولكن إن وجدت صاحبه، وإلا استمتعت به. فلما رجعنا حججنا فمررت بالمدينة، فسألت أبى بن كعب ـ رضى الله عنه ـ فقال وجدت صرة على عهد النبي صلى الله عليه وسلم فيها مائة دينار، فأتيت بها النبي صلى الله عليه وسلم فقال " عرفها حولا ". فعرفتها حولا ثم أتيت، فقال " عرفها حولا ". فعرفتها حولا ثم أتيته، فقال " عرفها حولا ". فعرفتها حولا ثم أتيته الرابعة فقال " اعرف عدتها ووكاءها ووعاءها، فإن جاء صاحبها وإلا استمتع بها ".
সুওয়াইদ ইবনু গাফালা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, সুলায়মান ইবনু রবী‘আহ এবং যায়দ ইবনু সুহানের সঙ্গে আমি এক যুদ্ধে শরীক ছিলাম। আমি চাবুক পেলাম। তারা উভয়েই আমাকে এটা ফেলে দিতে বললেন। আমি বললাম, না, এর মালিক এলে এটা আমি তাকে দিয়ে দিব। নতুবা আমিই এটা ব্যবহার করবো। আমরা ফিরে গিয়ে হজ্জ করলাম; এরপর যখন মদীনায় গেলাম, তখন উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) -কে (এ বিষয়ে) জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর যুগে আমি একটা থলে পেয়েছিলাম, এর মধ্যে একশ’ দীনার ছিল। আমি এটা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর কাছে নিয়ে গেলাম। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এক বছর পর্যন্ত তুমি এটার ঘোষণা দিতে থাক। কাজেই আমি এক বছর পর্যন্ত এর ঘোষণা দিলাম। এরপর আমি তাঁর কাছে এলাম। তিনি আরো এক বছর ঘোষণা দিতে বললেন। আমি আরো এক বছর ঘোষণা দিলাম। এরপর আমি আবার তাঁর কাছে এলাম। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবার এক বছর ঘোষণা দিতে বললেন। আমি আরো এক বছর ঘোষণা দিলাম। এরপর আমি চতুর্থবার তাঁর কাছে আসলাম। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, থলের ভিতরে দীনারের সংখ্যা, বাঁধন এবং থলেটি চিনে রাখ। যদি মালিক ফিরে আসে তাকে দিয়ে দাও। নতুবা তুমি নিজে তা ব্যবহার কর। (আ.প্র. ২২৫৭, ই.ফা. ২২৭৪ ) --------------- সালামা (রহঃ) হতে উপরোক্ত হাদীসটি বর্ণনা করে বলেছেন যে, সুওয়াইদ ইবনু গাফালা (রহঃ) বলেন যে, আমি উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) –এর সঙ্গে মক্কায় সাক্ষাৎ করলাম। তখন তিনি ( এ হাদীস সম্পর্কে ) বললেন, আমার স্মরণ নেই যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তিন বছর যাবত না এক বছর যাবত ঘোষণা দিতে বলেছেন। (২৪২৬) (আ.প্র. ২২৫৮, ই.ফা. ২২৭৫)
সুওয়াইদ ইবনু গাফালা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, সুলায়মান ইবনু রবী‘আহ এবং যায়দ ইবনু সুহানের সঙ্গে আমি এক যুদ্ধে শরীক ছিলাম। আমি চাবুক পেলাম। তারা উভয়েই আমাকে এটা ফেলে দিতে বললেন। আমি বললাম, না, এর মালিক এলে এটা আমি তাকে দিয়ে দিব। নতুবা আমিই এটা ব্যবহার করবো। আমরা ফিরে গিয়ে হজ্জ করলাম; এরপর যখন মদীনায় গেলাম, তখন উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) -কে (এ বিষয়ে) জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর যুগে আমি একটা থলে পেয়েছিলাম, এর মধ্যে একশ’ দীনার ছিল। আমি এটা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর কাছে নিয়ে গেলাম। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এক বছর পর্যন্ত তুমি এটার ঘোষণা দিতে থাক। কাজেই আমি এক বছর পর্যন্ত এর ঘোষণা দিলাম। এরপর আমি তাঁর কাছে এলাম। তিনি আরো এক বছর ঘোষণা দিতে বললেন। আমি আরো এক বছর ঘোষণা দিলাম। এরপর আমি আবার তাঁর কাছে এলাম। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবার এক বছর ঘোষণা দিতে বললেন। আমি আরো এক বছর ঘোষণা দিলাম। এরপর আমি চতুর্থবার তাঁর কাছে আসলাম। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, থলের ভিতরে দীনারের সংখ্যা, বাঁধন এবং থলেটি চিনে রাখ। যদি মালিক ফিরে আসে তাকে দিয়ে দাও। নতুবা তুমি নিজে তা ব্যবহার কর। (আ.প্র. ২২৫৭, ই.ফা. ২২৭৪ ) --------------- সালামা (রহঃ) হতে উপরোক্ত হাদীসটি বর্ণনা করে বলেছেন যে, সুওয়াইদ ইবনু গাফালা (রহঃ) বলেন যে, আমি উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) –এর সঙ্গে মক্কায় সাক্ষাৎ করলাম। তখন তিনি ( এ হাদীস সম্পর্কে ) বললেন, আমার স্মরণ নেই যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তিন বছর যাবত না এক বছর যাবত ঘোষণা দিতে বলেছেন। (২৪২৬) (আ.প্র. ২২৫৮, ই.ফা. ২২৭৫)
حدثنا سليمان بن حرب، حدثنا شعبة، عن سلمة بن كهيل، قال سمعت سويد بن غفلة، قال كنت مع سلمان بن ربيعة، وزيد بن صوحان في غزاة، فوجدت سوطا. فقال لي ألقه. قلت لا، ولكن إن وجدت صاحبه، وإلا استمتعت به. فلما رجعنا حججنا فمررت بالمدينة، فسألت أبى بن كعب ـ رضى الله عنه ـ فقال وجدت صرة على عهد النبي صلى الله عليه وسلم فيها مائة دينار، فأتيت بها النبي صلى الله عليه وسلم فقال " عرفها حولا ". فعرفتها حولا ثم أتيت، فقال " عرفها حولا ". فعرفتها حولا ثم أتيته، فقال " عرفها حولا ". فعرفتها حولا ثم أتيته الرابعة فقال " اعرف عدتها ووكاءها ووعاءها، فإن جاء صاحبها وإلا استمتع بها ".
সহিহ বুখারী > যে ব্যক্তি পড়ে থাকা জিনিসের ঘোষণা করেছে বটে, কিন্তু তা সরকারের কাছে অর্পণ করেনি।
সহিহ বুখারী ২৪৩৮
حدثنا محمد بن يوسف، حدثنا سفيان، عن ربيعة، عن يزيد، مولى المنبعث عن زيد بن خالد ـ رضى الله عنه ـ أن أعرابيا، سأل النبي صلى الله عليه وسلم عن اللقطة قال " عرفها سنة، فإن جاء أحد يخبرك بعفاصها ووكائها، وإلا فاستنفق بها ". وسأله عن ضالة الإبل فتمعر وجهه، قال " ما لك ولها معها سقاؤها وحذاؤها، ترد الماء وتأكل الشجر، دعها حتى يجدها ربها ". وسأله عن ضالة الغنم. فقال " هي لك أو لأخيك، أو للذئب ".
যায়দ ইবনু খালিদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর কাছে জনৈক বেদুঈন পড়ে থাকা বস্তু সম্পর্কে জিজ্ঞেস করল। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এক বছর পর্যন্ত এটার ঘোষণা দিতে থাক। যদি কেউ আসে এবং তার থলে ও বাঁধন সম্পর্কে বিবরণ দেয়, (তা হলে তাকে ফিরিয়ে দাও) নতুবা তুমি নিজে সেটা ব্যবহার কর। এরপর সে হারিয়ে যাওয়া উট সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলো। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর চেহারার রং পরিবর্তন হয়ে গেল। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, সেটা দিয়ে তোমার কি প্রয়োজন? তার সাথে মশক ও ক্ষুর রয়েছে। সে নিজেই পানির কাছে যায়, গাছের পাতা খায়। তাকে ছেড়ে দাও যতক্ষণ না তার মালিক তাকে ফিরে পায়। তারপর সে তাঁকে (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হারিয়ে যাওয়া বকরী, সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলো। তিনি বললেন, সেটা তোমার অথবা তোমার ভাইয়ের, আর তা না হলে নেকড়ে বাঘের।
যায়দ ইবনু খালিদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর কাছে জনৈক বেদুঈন পড়ে থাকা বস্তু সম্পর্কে জিজ্ঞেস করল। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এক বছর পর্যন্ত এটার ঘোষণা দিতে থাক। যদি কেউ আসে এবং তার থলে ও বাঁধন সম্পর্কে বিবরণ দেয়, (তা হলে তাকে ফিরিয়ে দাও) নতুবা তুমি নিজে সেটা ব্যবহার কর। এরপর সে হারিয়ে যাওয়া উট সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলো। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর চেহারার রং পরিবর্তন হয়ে গেল। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, সেটা দিয়ে তোমার কি প্রয়োজন? তার সাথে মশক ও ক্ষুর রয়েছে। সে নিজেই পানির কাছে যায়, গাছের পাতা খায়। তাকে ছেড়ে দাও যতক্ষণ না তার মালিক তাকে ফিরে পায়। তারপর সে তাঁকে (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হারিয়ে যাওয়া বকরী, সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলো। তিনি বললেন, সেটা তোমার অথবা তোমার ভাইয়ের, আর তা না হলে নেকড়ে বাঘের।
حدثنا محمد بن يوسف، حدثنا سفيان، عن ربيعة، عن يزيد، مولى المنبعث عن زيد بن خالد ـ رضى الله عنه ـ أن أعرابيا، سأل النبي صلى الله عليه وسلم عن اللقطة قال " عرفها سنة، فإن جاء أحد يخبرك بعفاصها ووكائها، وإلا فاستنفق بها ". وسأله عن ضالة الإبل فتمعر وجهه، قال " ما لك ولها معها سقاؤها وحذاؤها، ترد الماء وتأكل الشجر، دعها حتى يجدها ربها ". وسأله عن ضالة الغنم. فقال " هي لك أو لأخيك، أو للذئب ".
সহিহ বুখারী > নাই
সহিহ বুখারী ২৪৩৯
حدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا النضر، أخبرنا إسرائيل، عن أبي إسحاق، قال أخبرني البراء، عن أبي بكر ـ رضى الله عنهما ـ. حدثنا عبد الله بن رجاء، حدثنا إسرائيل، عن أبي إسحاق، عن البراء، عن أبي بكر ـ رضى الله عنهما ـ قال انطلقت، فإذا أنا براعي غنم يسوق غنمه فقلت لمن أنت قال لرجل من قريش. فسماه فعرفته. فقلت هل في غنمك من لبن فقال نعم. فقلت هل أنت حالب لي قال نعم. فأمرته فاعتقل شاة من غنمه، ثم أمرته أن ينفض ضرعها من الغبار، ثم أمرته أن ينفض كفيه، فقال هكذا ـ ضرب إحدى كفيه بالأخرى ـ فحلب كثبة من لبن وقد جعلت لرسول الله صلى الله عليه وسلم إداوة على فمها خرقة، فصببت على اللبن، حتى برد أسفله، فانتهيت إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقلت اشرب يا رسول الله. فشرب حتى رضيت.
আবূ বকর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি (হিজরত করে মদীনার দিকে) যাচ্ছিলাম। তখন বকরীর এক রাখালের সাথে দেখা হল। সে তার বকরীগুলো হাঁকিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল। আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম, তুমি কার রাখাল? সে কুরাইশ গোত্রের এক ব্যক্তির নাম বলল। আমি সে ব্যক্তিকে চিনতাম। আমি তাকে বললাম, তোমার বকরীর দুধ আছে কি? সে বলল, হ্যাঁ আছে। আমি তাকে বললাম, তুমি আমাকে দুধ দোহন করে দিবে কি? সে বলল, হ্যাঁ দিব। তখন আমি তাকে দুধ দোহন করতে বললাম। বকরীর পাল হতে সে একটি বকরী ধরে নিয়ে এল। আমি তাকে ওলান ধূলোবালি হতে পরিষ্কার করে নিতে এবং তার হাতও পরিষ্কার করে নিতে বললাম। সে তদ্রূপ করলো। এক হাত দিয়ে অপর হাত ঝেড়ে সে এক পেয়ালা দুধ দোহন করলো। আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর জন্য একটি পাত্র রেখেছিলাম। যার মুখে কাপড়ের টুকরা রাখা ছিল। তা হতে আমি দুধের উপর (পানি) ঢেলে দিলাম। এতে দুধ নিচ পর্যন্ত ঠাণ্ডা হয়ে গেল। আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর কাছে এই দুধ নিয়ে গেলাম এবং বললাম, হে আল্লাহ্র রাসূল! আপনি পান করুন। তিনি তা পান করলেন। এতে আমি আনন্দিত হলাম।
আবূ বকর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি (হিজরত করে মদীনার দিকে) যাচ্ছিলাম। তখন বকরীর এক রাখালের সাথে দেখা হল। সে তার বকরীগুলো হাঁকিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল। আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম, তুমি কার রাখাল? সে কুরাইশ গোত্রের এক ব্যক্তির নাম বলল। আমি সে ব্যক্তিকে চিনতাম। আমি তাকে বললাম, তোমার বকরীর দুধ আছে কি? সে বলল, হ্যাঁ আছে। আমি তাকে বললাম, তুমি আমাকে দুধ দোহন করে দিবে কি? সে বলল, হ্যাঁ দিব। তখন আমি তাকে দুধ দোহন করতে বললাম। বকরীর পাল হতে সে একটি বকরী ধরে নিয়ে এল। আমি তাকে ওলান ধূলোবালি হতে পরিষ্কার করে নিতে এবং তার হাতও পরিষ্কার করে নিতে বললাম। সে তদ্রূপ করলো। এক হাত দিয়ে অপর হাত ঝেড়ে সে এক পেয়ালা দুধ দোহন করলো। আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর জন্য একটি পাত্র রেখেছিলাম। যার মুখে কাপড়ের টুকরা রাখা ছিল। তা হতে আমি দুধের উপর (পানি) ঢেলে দিলাম। এতে দুধ নিচ পর্যন্ত ঠাণ্ডা হয়ে গেল। আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর কাছে এই দুধ নিয়ে গেলাম এবং বললাম, হে আল্লাহ্র রাসূল! আপনি পান করুন। তিনি তা পান করলেন। এতে আমি আনন্দিত হলাম।
حدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا النضر، أخبرنا إسرائيل، عن أبي إسحاق، قال أخبرني البراء، عن أبي بكر ـ رضى الله عنهما ـ. حدثنا عبد الله بن رجاء، حدثنا إسرائيل، عن أبي إسحاق، عن البراء، عن أبي بكر ـ رضى الله عنهما ـ قال انطلقت، فإذا أنا براعي غنم يسوق غنمه فقلت لمن أنت قال لرجل من قريش. فسماه فعرفته. فقلت هل في غنمك من لبن فقال نعم. فقلت هل أنت حالب لي قال نعم. فأمرته فاعتقل شاة من غنمه، ثم أمرته أن ينفض ضرعها من الغبار، ثم أمرته أن ينفض كفيه، فقال هكذا ـ ضرب إحدى كفيه بالأخرى ـ فحلب كثبة من لبن وقد جعلت لرسول الله صلى الله عليه وسلم إداوة على فمها خرقة، فصببت على اللبن، حتى برد أسفله، فانتهيت إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقلت اشرب يا رسول الله. فشرب حتى رضيت.