সহিহ বুখারী > খেজুরের মাথি বিক্রি করা এবং তা খাওয়ার বিবরণ
সহিহ বুখারী ২২০৯
حدثنا أبو الوليد، هشام بن عبد الملك حدثنا أبو عوانة، عن أبي بشر، عن مجاهد، عن ابن عمر ـ رضى الله عنهما ـ قال كنت عند النبي صلى الله عليه وسلم وهو يأكل جمارا، فقال " من الشجر شجرة كالرجل المؤمن ". فأردت أن أقول هي النخلة. فإذا أنا أحدثهم قال " هي النخلة ".
ইব্নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে ছিলাম, তিনি সে সময়ে খেজুরের মাথি খাচ্ছিলেন। তখন তিনি বললেন, গাছের মধ্যে এমনও গাছ আছে, যা মু’মিন ব্যক্তির সদৃশ। আমি বলতে ইচ্ছা করলাম যে, তা হল খেজুর গাছ। কিন্তু আমি লক্ষ্য করলাম যে, আমি সকলের মাঝে বয়ঃকনিষ্ঠ (তাই লজ্জায় বলি নাই, কেউ উত্তর না দেয়ায়) তিনি বললেন, তা খেজুর গাছ।
ইব্নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে ছিলাম, তিনি সে সময়ে খেজুরের মাথি খাচ্ছিলেন। তখন তিনি বললেন, গাছের মধ্যে এমনও গাছ আছে, যা মু’মিন ব্যক্তির সদৃশ। আমি বলতে ইচ্ছা করলাম যে, তা হল খেজুর গাছ। কিন্তু আমি লক্ষ্য করলাম যে, আমি সকলের মাঝে বয়ঃকনিষ্ঠ (তাই লজ্জায় বলি নাই, কেউ উত্তর না দেয়ায়) তিনি বললেন, তা খেজুর গাছ।
حدثنا أبو الوليد، هشام بن عبد الملك حدثنا أبو عوانة، عن أبي بشر، عن مجاهد، عن ابن عمر ـ رضى الله عنهما ـ قال كنت عند النبي صلى الله عليه وسلم وهو يأكل جمارا، فقال " من الشجر شجرة كالرجل المؤمن ". فأردت أن أقول هي النخلة. فإذا أنا أحدثهم قال " هي النخلة ".
সহিহ বুখারী > ক্রয়-বিক্রয়, ইজারা, মাপ ও ওজন ইত্যাদি প্রত্যেক শহরে প্রচলিত রসম ও নিয়ম গ্রহণযোগ্য। এ বিষয়ে তাদের নিয়্যত ও প্রসিদ্ধ পন্থাই অবলম্বন করা হবে।
সহিহ বুখারী ২২১০
حدثنا عبد الله بن يوسف، أخبرنا مالك، عن حميد الطويل، عن أنس بن مالك ـ رضى الله عنه ـ قال حجم رسول الله صلى الله عليه وسلم أبو طيبة، فأمر له رسول الله صلى الله عليه وسلم بصاع من تمر، وأمر أهله أن يخففوا عنه من خراجه.
আনাস ইব্নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আবূ তায়বা আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে শিঙ্গা লাগালেন। তিনি এক সা’ খেজুর দিতে বললেন এবং তার উপর হতে দৈনিক আয়কর কমানোর জন্য তার মালিককে আদেশ দিলেন।
আনাস ইব্নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আবূ তায়বা আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে শিঙ্গা লাগালেন। তিনি এক সা’ খেজুর দিতে বললেন এবং তার উপর হতে দৈনিক আয়কর কমানোর জন্য তার মালিককে আদেশ দিলেন।
حدثنا عبد الله بن يوسف، أخبرنا مالك، عن حميد الطويل، عن أنس بن مالك ـ رضى الله عنه ـ قال حجم رسول الله صلى الله عليه وسلم أبو طيبة، فأمر له رسول الله صلى الله عليه وسلم بصاع من تمر، وأمر أهله أن يخففوا عنه من خراجه.
সহিহ বুখারী ২২১১
حدثنا أبو نعيم، حدثنا سفيان، عن هشام، عن عروة، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ قالت هند أم معاوية لرسول الله صلى الله عليه وسلم إن أبا سفيان رجل شحيح، فهل على جناح أن آخذ من ماله سرا قال " خذي أنت وبنوك ما يكفيك بالمعروف ".
‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
মু’আবিয়াহ (রাঃ)-এর মা হিন্দা আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলেন, আবূ সুফিয়ান (রাঃ) একজন কৃপণ ব্যক্তি। এমতাবস্থায় আমি যদি তার মাল হতে গোপনে কিছু গ্রহণ করি, তাতে কি গুনাহ হবে? তিনি বললেন, তুমি তোমার ও সন্তানদের প্রয়োজন অনুযায়ী ন্যায়ভাবে গ্রহণ করতে পার।
‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
মু’আবিয়াহ (রাঃ)-এর মা হিন্দা আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলেন, আবূ সুফিয়ান (রাঃ) একজন কৃপণ ব্যক্তি। এমতাবস্থায় আমি যদি তার মাল হতে গোপনে কিছু গ্রহণ করি, তাতে কি গুনাহ হবে? তিনি বললেন, তুমি তোমার ও সন্তানদের প্রয়োজন অনুযায়ী ন্যায়ভাবে গ্রহণ করতে পার।
حدثنا أبو نعيم، حدثنا سفيان، عن هشام، عن عروة، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ قالت هند أم معاوية لرسول الله صلى الله عليه وسلم إن أبا سفيان رجل شحيح، فهل على جناح أن آخذ من ماله سرا قال " خذي أنت وبنوك ما يكفيك بالمعروف ".
সহিহ বুখারী ২২১২
حدثني إسحاق، حدثنا ابن نمير، أخبرنا هشام، وحدثني محمد، قال سمعت عثمان بن فرقد، قال سمعت هشام بن عروة، يحدث عن أبيه، أنه سمع عائشة ـ رضى الله عنها ـ تقول {ومن كان غنيا فليستعفف ومن كان فقيرا فليأكل بالمعروف} أنزلت في والي اليتيم الذي يقيم عليه، ويصلح في ماله، إن كان فقيرا أكل منه بالمعروف.
‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, কুরআনের আয়াতঃ “যে অভাবমুক্ত সে যেন নিবৃত্ত থাকে এবং যে অভাবগ্রস্থ সে যেন সঙ্গত পরিমাণে ভোগ করে”- (আন-নিসা ৬)। ইয়াতীমের ঐ অভিভাবক সম্পর্কে অবতীর্ণ হয়, যে তার তত্ত্বাবধান করে ও তার সম্পত্তির পরিচর্যা করে, সে যদি অভাবগ্রস্থ হয়, তবে তা হতে নিয়মমাফিক খেতে পারবে।
‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, কুরআনের আয়াতঃ “যে অভাবমুক্ত সে যেন নিবৃত্ত থাকে এবং যে অভাবগ্রস্থ সে যেন সঙ্গত পরিমাণে ভোগ করে”- (আন-নিসা ৬)। ইয়াতীমের ঐ অভিভাবক সম্পর্কে অবতীর্ণ হয়, যে তার তত্ত্বাবধান করে ও তার সম্পত্তির পরিচর্যা করে, সে যদি অভাবগ্রস্থ হয়, তবে তা হতে নিয়মমাফিক খেতে পারবে।
حدثني إسحاق، حدثنا ابن نمير، أخبرنا هشام، وحدثني محمد، قال سمعت عثمان بن فرقد، قال سمعت هشام بن عروة، يحدث عن أبيه، أنه سمع عائشة ـ رضى الله عنها ـ تقول {ومن كان غنيا فليستعفف ومن كان فقيرا فليأكل بالمعروف} أنزلت في والي اليتيم الذي يقيم عليه، ويصلح في ماله، إن كان فقيرا أكل منه بالمعروف.
সহিহ বুখারী > এক অংশীদার কর্তৃক (তার অংশ) থেকে অপর অংশীদারের কাছে বিক্রি করা
সহিহ বুখারী ২২১৩
حدثني محمود، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، عن أبي سلمة، عن جابر ـ رضى الله عنه ـ جعل رسول الله صلى الله عليه وسلم الشفعة في كل مال لم يقسم، فإذا وقعت الحدود وصرفت الطرق فلا شفعة.
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যে সম্পত্তির ভাগ বাঁটোয়ারা হয় নি, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাতে শুফ’আ [১৬] এর অধিকার প্রদান করেছেন। যখন সীমানা নির্ধারিত হয়ে যায় এবং রাস্তা ভিন্ন করা হয়, তখন আর শুফ’আ এর অধিকার থাকবে না।
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যে সম্পত্তির ভাগ বাঁটোয়ারা হয় নি, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাতে শুফ’আ [১৬] এর অধিকার প্রদান করেছেন। যখন সীমানা নির্ধারিত হয়ে যায় এবং রাস্তা ভিন্ন করা হয়, তখন আর শুফ’আ এর অধিকার থাকবে না।
حدثني محمود، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، عن أبي سلمة، عن جابر ـ رضى الله عنه ـ جعل رسول الله صلى الله عليه وسلم الشفعة في كل مال لم يقسم، فإذا وقعت الحدود وصرفت الطرق فلا شفعة.
সহিহ বুখারী > এজমালী জমি, বাড়ি ও অন্যান্য আসবাবপত্র বিক্রি করা
সহিহ বুখারী ২২১৪
حدثنا محمد بن محبوب، حدثنا عبد الواحد، حدثنا معمر، عن الزهري، عن أبي سلمة بن عبد الرحمن، عن جابر بن عبد الله ـ رضى الله عنهما ـ قال قضى النبي صلى الله عليه وسلم بالشفعة في كل مال لم يقسم، فإذا وقعت الحدود وصرفت الطرق فلا شفعة.
জাবির ইব্নু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যে সম্পত্তির ভাগ-বাঁটোয়ারা হয় নি, তার মধ্যে শুফ’আ লাভের ফায়সালা প্রদান করেছেন। তারপর যখন সীমানা নির্ধারিত হয়ে যায় এবং স্বতন্ত্র করা হয় তখন আর শু’ফআ এর অধিকার থাকবে না। (ই.ফা. ২০৭২) মুসাদ্দাদ (রহঃ) …………আবদুল ওয়াহিদ (রহঃ) হতে এটি বর্ণনা করেছেন এবং তিনি বলেছেন, যে সম্পদ ভাগ-বাঁটোয়ারা হয় নি (তাতে শু’ফআ)। হিশাম (রহঃ) মা’মর (রহঃ) হতে হাদীস বর্ণনায় মুসাদ্দাদের অনুসরণ করেছেন। আবদুর রায্যাক (রহঃ) বলেছেন, যে সম্পদের ভাগ-বাঁটোয়ারা হয় নি, সে সব সম্পদেই (শুফ’আ রয়েছে)। হাদীসটি আবদুর রহমান ইব্নু ইসহাক (রহঃ) যুহরী (রহঃ) হতে বর্ণনা করেছেন। (২২১৩) (আ.প্র. ২০৫৭, ই.ফা. ২০৭৩)
জাবির ইব্নু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যে সম্পত্তির ভাগ-বাঁটোয়ারা হয় নি, তার মধ্যে শুফ’আ লাভের ফায়সালা প্রদান করেছেন। তারপর যখন সীমানা নির্ধারিত হয়ে যায় এবং স্বতন্ত্র করা হয় তখন আর শু’ফআ এর অধিকার থাকবে না। (ই.ফা. ২০৭২) মুসাদ্দাদ (রহঃ) …………আবদুল ওয়াহিদ (রহঃ) হতে এটি বর্ণনা করেছেন এবং তিনি বলেছেন, যে সম্পদ ভাগ-বাঁটোয়ারা হয় নি (তাতে শু’ফআ)। হিশাম (রহঃ) মা’মর (রহঃ) হতে হাদীস বর্ণনায় মুসাদ্দাদের অনুসরণ করেছেন। আবদুর রায্যাক (রহঃ) বলেছেন, যে সম্পদের ভাগ-বাঁটোয়ারা হয় নি, সে সব সম্পদেই (শুফ’আ রয়েছে)। হাদীসটি আবদুর রহমান ইব্নু ইসহাক (রহঃ) যুহরী (রহঃ) হতে বর্ণনা করেছেন। (২২১৩) (আ.প্র. ২০৫৭, ই.ফা. ২০৭৩)
حدثنا محمد بن محبوب، حدثنا عبد الواحد، حدثنا معمر، عن الزهري، عن أبي سلمة بن عبد الرحمن، عن جابر بن عبد الله ـ رضى الله عنهما ـ قال قضى النبي صلى الله عليه وسلم بالشفعة في كل مال لم يقسم، فإذا وقعت الحدود وصرفت الطرق فلا شفعة.